মূল লেখায় যান
← সংসদের দিনগুলো

সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য

বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

এই বৈঠকের JSON ডাউনলোড ↓

বক্তব্যের পাঠ্য

নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বিরতির আগে এখানে এই সংসদে সরকারদলীয় সংরক্ষিত নারী আসনের একজন এমপি তিনি তার বক্তব্য প্রদানের সময় এটাতে বলেছেন যে আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্থাৎ তার অতিরিক্ত দায়িত্বের কথা বলে দুইটা সংসদীয় আসনের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন রংপুরের এবং তিনি সেখানে যাওয়ার পরে আমরা সেখানে বিএনপির যারা নেতাকর্মীরা আছে তাদেরকে আমরা এই ধরনের বক্তব্য

দিতে শুনেছি যে এই আসনে নির্বাচিত যিনি এমপি তিনি আসলে এমপি না সংরক্ষিত আসনের যিনি এমপি তিনি আসলে সেখানকার এমপি যে ধরনের কাজ হোক না কেন সেটা তার মাধ্যমে সেখানে হতে হবে আবার সেই দিন আমাদের প্রতিমন্ত্রী শাহী আলম সাহেব তিনি সেটা বলছেন যে এরকম অতিরিক্ত কোন দায়িত্ব দেওয়া হয় নাই আজকে একজন মহিলা সংসদ সদস্য তিনি বলছেন যে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেদিন মন্ত্রী বলছেন যে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়নি আসলে কোন বিষয়টা

দ্বিতীয় বিষয় হলো যে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে সেই অতিরিক্ত দায়িত্বের আওতা কতদূর সেই অতিরিক্ত দায়িত্ব কিভাবে পালন করা হবে সেই অতিরিক্ত দায়িত্বের সাংবিধানিকতা কতদূর সেটা আমরা একটু জানতে চাই মাননীয় স্পিকার পাশাপাশি আরো একটা জিনিস মাননীয় স্পিকার এই যে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে সেটা শুধুমাত্র বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা যে আসনগুলো থেকে নির্বাচিত হয়েছেন শুধুমাত্র সেই আসনগুলোতে এই অতিরিক্ত দায়িত্বটা দেওয়া হয়েছে এর মধ্যে দিয়ে

একটা জিনিস কিন্তু খুবই আশঙ্কর জায়গা তৈরি করছে বিএনপি কি বিরোধী দলের আসনগুলোতে তাদের মহিলা নারী এমপিদেরকে দায়িত্ব দেওয়ার মধ্যে দিয়ে সারাদেশে কি তারা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই মাননীয় স্পিকার এটাও আমরা বিএনপির কাছ থেকে জানতে চাই মাননীয় স্পিকার এই সামগ্রিক বিষয়ে আমাদের কাছে এখন অনানুষ্ঠানিক ছিল কিন্তু আজকে সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে এসে আমরা এই বিষয়টা একটা সুরাহা চাই সরকার দলের কাছ থেকে আমরা এই প্রশ্নের ব্যাখ্যা চাই মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আমি আহবান জানাতে চেয়েছিলাম এর মধ্যে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাঁড়িয়েছেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাইকটা দিবেন দয়া করে প্লিজ মাননীয় স্পিকার কিছু বিষয়ে আপনার কাছে আহবান চাইলেও আপনি সময় দেন না আজকে যে নিজের থেকে ডাকতে চাইলেন অনেক ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আক্তার হোসেন যে প্রশ্নটি উত্থাপন করেছেন পয়েন্ট অফ অর্ডারে

সেটা আজকের জন্য বোধহয় পয়েন্ট অফ অর্ডার হবে না। তারপরেও যেহেতু উত্তাপিত হয়ে গেছে আপনি আহবান করছেন জবাব দেয়ার জন্য আমার জবাব দেয়া জরুরী। এই মহান জাতীয় সংসদ 317 সদস্য লইয়া গঠিত হইবে আর্টিকেল 65। আর্টিকেল 65 3 এর অতিরিক্ত আরো 50 জন সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

300 সদস্যের যে একক আঞ্চলিক এলাকা আর্টিকেল 651 এই একক আঞ্চলিক এলাকা উপজেলা পৌরসভা বা ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন ক্ষেত্র মতো যাহা প্রযোজ্য ডিলিমিটেশন অ্যাক্ট অনুসারে আন্ডার দিস কনস্টিটিউশন ডিলিমিটেশন অ্যাক্ট করা আছে এবং ডিলিমিটেশন অ্যাক্ট অনুসারে সেই নির্বাচনী এলাকাগুলো ফ্রম টাইম টু টাইম ডিলিমিটেড হয় এইবারো কয়টা

একটা হয়েছে। সেই ডিলিমিটেড এরিয়াটা আর্টিকেল 65 সাবসেকশন 3 এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাহারা যে আসনে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচিত হয়েছেন তাদের ডিলিমিটেড এরিয়া হচ্ছে হোল কান্ট্রি বাংলাদেশ। তাহলে এটা ওদিক থেকে বেশি হচ্ছে। হ্যাঁ, কিন্তু এই বাংলাদেশের সর্বত্র

তাদের মহিলাদের সেই প্রাপ্তবরাদ্দ বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে উপবরাদ্দ দিতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে তারা যদি ইচ্ছা করেন আমার এলাকাতে দিতে পারেন। মাননীয় সংসদ সদস্য একজন নির্বাচিত হয়েছেন স্বামী মারার স্বপ্ন এডভোকেট স্বামী মারার স্বপ্ন আমাদের কক্সবাজার এলাকায় তো তার এলাকা সমগ্র বাংলাদেশ আমাদের এলাকা হচ্ছে নির্বাচনী এলাকা যেটা আঞ্চলিক এলাকা।

এখানে উনি ইচ্ছা করলে তার বরাদ্দ দিতে পারেন, আবার বাঁশখালীতে যেও দিতে পারেন, সাতকানিয়া তেও যেও দিতে পারেন। এখন যদি কোন মাননীয় সংসদ সদস্য এখানে বক্তৃতা দিয়ে থাকেন যে আমার এলাকা এটা আমার এলাকা ওইটা তো নিজেকে লিমিটেড করেছেন এটা ঠিক হয় নাই। তার বলা উচিত ছিল যে সমগ্র বাংলাদেশ তার নির্বাচনে। তো ওই হিসেবে মাননীয় সংসদ সদস্য যেটা জনাব আক্তার হোসেন উত্থাপন করেছেন যে দায়িত্বপ্রাপ্ত বা সুনির্দিষ্ট এলাকা সেটা তাহাদের ক্ষেত্রে

উপযুক্ত নয়। সারা বাংলাদেশের সমস্ত অধিক্ষেত্রে নির্বাচনী এলাকা মাননীয় সংসদ সদস্যগণ ইচ্ছা করলে তাহাদের সংসদের যে দায়িত্ব সে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মাননীয় সদস্য আমরা আর না যাই আপনারা তো উত্তর পেয়েছেন। তারপর মাননীয় সদস্য আমরা তাহলে আপনি যদি আচ্ছা দেখেন আমি জি মাননীয় সদস্য বসেন। না উনারা মাঝেমধ্যে জি

অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য স্বামীমারা স্বপ্ন খালি বাঁশখালী কক্সবাজার না নেত্রকোনা একের দিকে নজর রাখবেন আমি আমি এদিকে যেহেতু একটা পয়েন্ট অফ অর্ডার নিয়ে আমাদের ডান পাশে রফিকুল ইসলাম হিলালী সাহেব অনেকক্ষণ যাবত চেষ্টা করছিলেন আপনি এক মিনিটে একটু শেষ করবেন প্লিজ কি বিষয় মিনিটে কোনোভাবেই সম্ভব হবে না মাননীয় স্পিকার আমি অত্যন্ত

ভারাক্রান্ত মনে কেন্দ্র আটপাড়া জনগণের পক্ষ থেকে এই মহান সংসদে প্রত্যেক সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার নেত্রকোনা জেলার আটপাড়া উপজেলা একটি অবহেলিত উপজেলা একটি মাত্র রাস্তা সড়ক ও জনপদ বিভাগের 9 কোটি 30 লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে 7 কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ করার জন্য রাস্তাটাকে

শক্তিশালীভাবে ধরে রাখার জন্য রাস্তার দুইপাশে গাইড ওয়াল হওয়ার কথা গাইড ওয়ালের নিচে চার ইঞ্চি বাই 10 ইঞ্চি সিচি ডালাই হওয়ার কথা সিচি ডালাই হয় নাই 26 ইঞ্চি বাই 10 ইঞ্চি যে গাইড ওয়াল হওয়ার কথা প্রথম 15 ইঞ্চি বাই 10 ইঞ্চি ডালাই করা হয় নাই মাননীয় সদস্য কি বিষয়টা স্পেসিফিক্যালি বলে ফেলুন প্লিজ এবং মানুষ বলে পুকুর চুরি এটা সাগর চুরি

হয়েছে। আমি গত সোমবারে একজন স্থানীয় সংসদ সদস্য হিসেবে পরিদর্শন করে যোগাযোগ সচিব মহোদয়ের কাছে একটি অভিযোগপত্র দিয়েছিলাম এবং আমার সামনে উনি পাঁচ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। পাঁচ কার্য দিবস অতিবাহিত হয়ে গিয়েছে। তদন্তের কোন নাম নেই। এইটুকু হয়েছে দুই দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে

কে বলেছিলেন, আপনি সদস্য। আমরা আসছি। আসছি আসছি বলে আর আসে নাই। কাজটি অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 950 টাকার খাবার 150 টাকায় নামিয়ে এনেছেন। উনার বেতনের 10 ভাগ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিচ্ছেন। কিন্তু এই টাকাটা কিছু সংখ্যক দুর্নীতিবাজ প্রকৌশলে এবং ফেসিস্ট আমলের ঠিকাদার তারা লুট

পাট করে খেয়ে ফেলছে। আমরা মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা বালিশ কান্ডের কোন অবতারণা এই সরকারের সময় হোক আমরা তা চাই না। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি সরকারি দল এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হোক। এই তদন্ত কমিটির মাধ্যমে এই শত শত কোটি টাকার মালিক জেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী, বিভাগীয় প্রকৌশলী শত শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দুদকের মাধ্যমে সম্পদের অনুসন্ধান করার জন্য দাবি জানাচ্ছি মাননীয় সভাপতি। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। আমি দেখলাম মাননীয় মন্ত্রী নোট নিয়ে মাননীয় হুইপ বসেন দয়া করে দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি একত্বের অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের

গৃহীত নোটিস সমূহের উপর আলোচনা। প্রথমে মহিলা আসন 33 হতে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য শওকত আরা আক্তারকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী

জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমি মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমার উত্থাপনীয় বিষয় কার্বন নিঃসরণ কমাতে দেশের সকল গণপরিবহনকে বৈদ্যুতিক বা পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর করা প্রসঙ্গে কার্বন নিঃসরণ বৃদ্ধি একটি বৈশ্বিক সমস্যা এক্ষেত্রে বাংলাদেশ একটি ঝুঁকিপূর্ণ

দেশ, বাংলাদেশে কার্বন নিঃসরণ বাড়ার ফলে তাপমাত্রা বৃদ্ধি, ঘন ঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষি উৎপাদনে মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।

বন, নদী ও বনপ্রাণীর আবাসস্থল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বসতবাড়ি হারানো মানুষের সংখ্যা দিন-দিন বাড়ছে এবং সার্বিক অর্থনীতি ও

স্বাস্থ্যের উপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণের প্রায় 24% আসে পরিবহন খাত থেকে আর বাংলাদেশে পরিবহন খাতে বছরে প্রায় 11.6 মিলিয়ন টন কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন হয় যা মোট রাজ্য যা মোট রাজ্য জাতীয় কার্বন নিঃসরণের 9% এর মধ্যে প্রায় 70 থেকে

90% আসে সড়ক পথ থেকে যেখানে ডিজেল চালিত বাস ও ট্রাক সবচাইতে বেশি দায়ী। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করার জন্য গণপরিবহনে জীবাশ্ব জ্বালানির পরিবর্তে বৈদ্যুতিক বা পরিবেশ বান্ধব জ্বালানির ব্যবহার নিষ্ঠিত করতে হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর মাধ্যমে গণপরিবহনকে পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎচালিত যানবাহনে রূপান্তর করতে

হবে। সিএনজি এবং এলএনজি ডিজেল ও পেট্রোলের তুলনায় কম কার্বন নিঃসরণকারী হওয়ায় সেগুলোর ব্যবহার বাড়াতে হবে। স্থায়ী সমাধান হিসেবে বায়োডিজেল, বায়োগ্যাস, সবুজ হাইড্রোজেন ও পেট্রোলের সাথে ইথানল মিশিয়ে কার্বন নিঃসরণ কমানোর ব্যবস্থা করতে হবে। সর্বোপরি সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার বাড়াতে হবে।

সৌর বিদ্যুৎ থেকে চার্জ করা যায় এমন পরিবেশ বান্ধব যানবাহনের ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। বিষয়টি মানুষের জীবন জীবিকার সাথে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে জড়িত এবং অতিবি জরুরী জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিধায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর দৃষ্টি

আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আপনাকেও। মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। কমিয়ে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে বিশ্বব্যাপী ইলেকট্রিক ভিহিকেলের ব্যবহার গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড

কন্ট্রিবিউশন সংক্ষেপে এনডিসি বাংলাদেশ এ পরিবহন খাত হতে 2030 সালের মধ্যে 3.4 মিলিয়ন টন কার্বন ডাইঅক্সাইডের নিঃসরণ নিঃস্বর্ত ভাবে হ্রাস করার অঙ্গীকার করা হয়ে এই প্রেক্ষাপটে আগামী 2030 সালের মধ্যে বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন খাতে ব্যবহারিত যানবাহনের ন্যূনতম 30% ইলেকট্রিক মটর যান

রূপান্তরিত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এই পরিপেক্ষিতে গণপরিবহনকে বৈদ্যুতিক বা পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর করার নিমিত্তে ইতিমধ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ কর্তৃক ইলেকট্রিক মটরযান রেজিস্ট্রেশন ও চলাচল সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে পাশাপাশি জ্বালানি তেলের ব্যবহার ও পরিবেশ দূষণ হ্রাসকল্পে পরিবেশবান্ধব

সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস নিবন্ধিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য বিনা শুল্কে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে সর্বসাকুল্যে মাত্র 15% শুল্কে আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। মাননীয় স্পিকার আমাকে এক মিনিট যদি এলাও করেন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিন্তু আপনার একাত্ম বিধিতে যারা দুই মিনিটের করে বক্তব্য দিয়েছেন তারা বলেছেন একটি হচ্ছে টোল মৌকুফের বিষয় আমরা যারা

মেম্বার অফ পার্লামেন্ট নির্বাচিত হয়েছি। অধিকাংশ জায়গায় নির্বাচনের আগে টোল মওকুফের কথা বলেছি। হয়তো জনমত গঠনের জন্য বলেছি নির্বাচিত হওয়ার স্বার্থে বলেছি। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় সেতু নির্মাণ করে সেতু ব্যবস্থাপনা করে। বাট টোল হচ্ছে একটা রাজস্ব বিষয় অর্থনৈতিক বিভাগ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত। তো রাজস্ব যেকোনো সময় যোগাযোগ মন্ত্রণালয় আদায় রহিত করতে পারে না অথবা কোন মেম্বার অফ পার্লামেন্ট পারেন না। তাহলে তো এই পার্লামেন্ট

চলবে না, অর্থের অভাবে। যার ফলে এই দাবিগুলি মেম্বার অফ পার্লামেন্টরা করেন এবং তারা জনগণকে করেছেন, ওয়াদা করেছেন। আমরা সেগুলি অর্থ বিভাগের সাথে আলোচনা করে ছোট শেষ তে

ছাড় দেওয়া যায় কিনা সেটা নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে অর্থনৈতিকভাবে বাট কোন সেতু টোল কালেক্ট হবে তার একটা নীতিমালা আছে সেই সেতুর টোল কালেকশন বন্ধ মেম্বার অফ পার্লামেন্টের সুপারিশে বা অনুরোধে যোগাযোগ মন্ত্রণালয় করার সুযোগ কম আরেকটি জায়গা হচ্ছে যেখানে রেল লাইন আছে সেখানেই মেম্বার অফ পার্লামেন্ট ওয়াদা করেছেন যে ট্রেন স্টেশন করে দিবেন অথবা রেল থামানোর ব্যবস্থা করে দিবেন কিন্তু আপনি জানেন যে আন্তরনগর ট্রেন যেখানে চলে কোন স্টপেজে থামবে

তারো একটা নীতিমালা আছে বিবেচনা করে স্টপিসগুলি নির্ধারণ করা হয়েছে অতএব মেম্বার অফ পার্লামেন্টের সব জায়গায় যদি ট্রেন গুলি থামাতে চান তাহলে আন্তনগর ট্রেন থাকবে না সব লোকাল ট্রেন হয়ে যাবে আবার একই সাথে আমরা চাই দ্রুততম সময় গন্তব্যে পৌঁছাতে তাহলে আন্তনগর ট্রেন তাতে ঝুঁকিতে পড়ে এই ব্যবস্থা পড়াটা দুর্বল হয়ে যায় ওকেজ হয়ে যায় আরেকটি কথা বলে শেষ করছি সমস্ত মেম্বার অফ পার্লামেন্টের নির্বাচনের আগে অধিকাংশ জায়গায় বলার চেষ্টা করেছেন ফোরলেন সড়ক করে দেবে এখন ফোরলেন সড়ক হওয়ার জন্য ওই এলাকায় পর্যাপ্ত যানবাহন

কতটুকু চলে? যাত্রীর সংখ্যা কত? মালাবান পরিবহন কি পরিমাণ আছে? সেইগুলি বিবেচনা করেই কিন্তু লেন নির্ধারণ করা হয়। সড়কের ক্যাপাসিটি। স্ট্যান্ডার্ড টু লেনই জেলা পর্যায়ে যথেষ্ট বলে আমরা মনে করি। আর যেগুলি ন্যাশনাল হাইওয়ে আছে সেগুলি ফোর লেন, সিক্স লেন, টু সার্ভিস লেন সহ এইট লেন এগুলি দাবি আছে পরিকল্পনা আছে। সেগুলি আমরা করবো। যার ফলে মেম্বার অফ পার্লামেন্টরা আমি মনে করছি যে এই নীতিমালা

গুলি একটু দেখে জেনে বুঝে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা এট দা সেম টাইম জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল থাকা এই দুটি সমন্বয় করলে আমার মনে হয় যে আমরা আরো বেশি জোরালো ভূমিকা পালন করতে পারবো। আর একটা দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে মেম্বার অফ পার্লামেন্ট বলেছেন আইটেম অনুসারে এবং স্পেসিফিক অনুসারে কাজ হচ্ছে কিনা আমি আজ গিয়ে তদন্ত করে দেখব জানার চেষ্টা করবো আগামীকাল পার্লামেন্টের সুযোগ দিলে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা মেম্বার অফ পার্লামেন্টের কে দেয়া হবে। দুর্নীতি আছে অস্বীকার করছি না কিন্তু

এই দুর্নীতির অধ্যায় আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যা যা করণীয় এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার যারা আছেন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী যারা আছেন জোন গুলি যারা প্রধান আছেন বিশেষ করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকাশ প্রকৌশলী তাদেরকে জবাবদিহিতার আহত আনা হচ্ছে এবং কাজের গুণগতবান নিশ্চিত করবার জন্য তাগাদা অব্যাহত ভাবে দেওয়া হচ্ছে ব্যবধায় হলে নিশ্চয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য আপনার যদি কোন কোশ্চেন থাকে তাহলে আপনি একটা

প্রশ্ন করতে পারেন। ওয়ান, প্লিজ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার নোটিসের বিষয় যে, মানুষের জীবন জীবিকার সাথে সম্পৃক্ত এবং জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ। সেই মনোভাব ব্যক্ত করে মাননীয় মন্ত্রী যে বক্তব্য প্রদান করেছেন এজন্য মাননীয় শরিক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই। মাননীয় স্পিকার,

বর্তমানে রাজধানীর ঢাকার রাস্তায় জনদুর্ভোগ একটি অন্যতম কারণ হলো ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা বা ইজি বাইক। কাকডাকা ভোর থেকেই সড়কে নামে লাখ লাখ ব্যাটারি চালিত রিক্সা। ব্যাটারি চালিত রিক্সায় কম খরচে সহজে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। আবার চালকের শারীরিক পরিশ্রম ও কম হওয়ায় যাত্রী-চালক উভয়ই স্বাচ্ছন্দবোধ করে। আর এসব

সব রিক্সায় কার্বন নিঃসরণের তেমন একটা না হওয়ায় পরিবেশের জন্য ইতিবাচক কিন্তু মাত্র মাত্রাতিক্ত ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির কারণে তীব্র যানজট ঘন ঘন দুর্ঘটনা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির সৃষ্টি করছে চালকরা অদক্ষ হওয়ায় এবং তাদের কোন ধরনের লাইসেন্স প্রশিক্ষণ বা ট্রাফিক জ্ঞান না থাকায় সড়কে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে মাননীয়

মাননীয় সদস্য, কোশ্চেন করো, মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন এসব ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা বন্ধ না করে এগুলোর মান উন্নয়ন ও কোন একটি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার মাধ্যমে রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরানোর কোন ব্যবস্থা আছে কিনা? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রী ব্যাটারি চালিত রিক্সা সম্পর্কে নিয়ন্ত্রণ ধন্যবাদ। ধন্যবাদ

মাননীয় স্পিকার, মাননীয় সংসদ সদস্য যেটা উল্লেখ করেছেন সেটা হচ্ছে ঢাকা মহানগর কেন্দ্রিকটা বেশি উনি গুরুত্ব দিয়েছেন। এটা সিটি কর্পোরেশন এবং ট্রাফিক বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করে। যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এটা নিয়ন্ত্রণ করে না এবং তার এখানে হস্তক্ষেপের সুযোগ কম। তবে ঢাকা সিটিতে একটা মাল্টি মোডাম যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবার জন্য ইতিমধ্যে সমন্বিতভাবে বেশকিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সেই পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ব্যাটারি চালিত রিক্সা নিয়ন্ত্রণ

এবং তার ব্যবস্থাপনা কি হতে পারে, কিভাবে করা যেতে পারে সেটা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এরপরে সংস্কার বিশেষ করে ঢাকা সিটি এবং সারা বাংলাদেশে ব্যাটারি চালিত জান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে

অথবা পরিচালনার ক্ষেত্রে একটা সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা আসবে তার আলোকে সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন কাজ করবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী আমি এখন কুমিল্লা 10 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মুবাশ্বের আলম ভূঁইয়া কে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে এই মহান জাতীয় সংসদের সকল সদস্যদেরকে সালাম জানাচ্ছি আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আমার উত্থাপনীয় বিষয় গার্মেন্টস শিল্পে নিয়োজিত নারী শ্রমিকদের জন্য কর্মজীবী নারী শ্রমিক হোস্টেল নির্মাণ প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার রাজধানীর পার্শ্ব

সাবর্তী সাবার গাজীপুর নারায়ণগঞ্জ প্রতিষ্ঠিত গার্মেন্টস কারখানা ও চট্টগ্রাম সহ দেশের সকল ইপিজেট গুলোতে বিপুল সংখ্যক রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় হাজার হাজার নারী শ্রমিক কর্মরত রয়েছে এই সমস্ত নারী শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও আবাসন সংকট নিরসন করতে কারখানা মালিক সরকার

স্থানীয় প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে গ্রহণ করা জরুরী বলে আমি মনে করি। প্রশাসকের নারী শ্রমিকরা কর্মস্থল থেকে বিক্ষিপ্ত ভাবে অনিরাপদ ভাবে দূর দূরান্তে বসবাসের কারণে আসা যাওয়ার পথে অনেক সময় যৌন হয়রানি সহ নানা দুর্ঘটনার শিকার হয়। স্বল্প বেতনে চাকরি করে অধিক ভাড়া

থেকে জীবন জীবিকা নির্বাহ করা নারী শ্রমিকদের জন্য দুঃসাধ্য হয়ে থাকে মাননীয় স্পিকার দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে ও অর্থনীতিতে নারী শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য তাই নারী শ্রমিকদের জন্য কারখানাগুলোর নিজস্ব উদ্যোগে বা যৌথ অর্থায়নে শিল্প এলাকার নিকটে বহুতল ডরমেটরি বা নিরাপদ হোস্টেল

মান নারীদের সাশ্রয়ী মূল্যে আবাসন সুবিধা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকপল্লী আমি পুনরায় উল্লেখ করছি শ্রমিকপল্লী বা কর্মজীবী নারী শ্রমিক হোস্টেল প্রকল্প বাস্তবায়ন সময়ের দাবি বলে আমি মনে করছি রাতের শিফট বা অতিরিক্ত সময় কাজ করে নারীদের জন্য কারখানায় নিজস্ব পরিবহনে যাতায়াতের নিরাপদ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও সময়ের দাবি

মাননীয় স্পিকার, এমত অবস্থায় গার্মেন্টস শিল্পে নিয়োজিত নারী শ্রমিকদের কল্যাণকল্পে আমার জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ সম্পূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রী মহোদয় মনোযোগ আকর্ষণ করছি। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর পক্ষে মাননীয় সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

শারমিনকে এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, নাটোরকে বর্তমান সংসদে উপেক্ষা করার কোন উপায় নেই। বর্তমান সংসদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে চারজন সরাসরি নির্বাচিত এমপি রয়েছেন। দুজন মহিলা সংরক্ষিত আসনে এমপি রয়েছেন। একজন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। একজন ভিপ রয়েছেন। নাটোরকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের উন্নয়ন হবে না মাননীয় স্পিকার। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আমাদের মাননীয় মন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুপস্থিতি উনি রাষ্ট্রীয় কাজে দেশের বাইরে আছেন আমি তার পক্ষে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সময় উপযোগী যে বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মহান সংসদের সামনে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য সদস্য উপস্থাপন করেছেন সে বিষয়ে আমি একটি ক্ষুদ্র বিবৃতি দিচ্ছি মাননীয় স্পিকার মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় বড় আসলিয়া সাভারে একটি এবং গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা একটি

ও চট্টগ্রামে একটি কর্মজীবী নারী হোস্টেল পরিচালিত হচ্ছে কর্মজীবী হোস্টেল বিবরণগুলো আমি সংক্ষিপ্ত আকারে এখানে দেয়ার চেষ্টা করছি কর্মজীবী নারী হোস্টেল আশুলিয়া সাহা ভাড় ঢাকায় যেটি রয়েছে সেখানে মাননীয় স্পিকার উপজেলার বড় আশুলিয়া উপস্থিত আশুলিয়া অবস্থিত 12 তলা বিশিষ্ট একমুখী ভবন এপ্রিল 2013 থেকে জুন 2017 প্রকল্প মেয়াদে নির্মিত হয়েছে হোস্টেলের আসন সংখ্যা 388 টি হোস্টেলের আসনের শ্রেণীবিন্যাস দুই আসন বিশিষ্ট কক্ষ আটটি

ভাড়ার হার ৳1,200 করে তিন আসন বিশিষ্ট কক্ষ 16 টি এবং ভাড়ার হার 800 ও চার আসন বিশিষ্ট কক্ষ 81 টি ভাড়ার হার 700 হোস্টেলের বর্তমান বর্ডারের সংখ্যা রয়েছে 2,040 জন।

প্রীতিলতা কর্মজীবী নারী হোস্টেল ও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র নামে মাননীয় স্পিকার কালীগঞ্জ গাজীপুরে আরেকটি মহিলা কর্মজীবী হোস্টেল রয়েছে সেখানে গাজীপুর জেলায় কালীগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত তিন তলা বিশিষ্ট ভবনটি জুলাই 2016 হতে জুন 2019 প্রকল্প বেয়াদব নির্মিত হয় হোস্টেলের আসন সংখ্যা 124 টি আসনের শ্রেণীবিন্যাস দুই আসন বিশিষ্ট কক্ষ 35 টি ভাড়ার হার 900 তিন আসন বিশিষ্ট কক্ষ নয়টি ভাড়ার হার 700 চার আসন বিশিষ্ট কক্ষ ছয়টি ভাড়ার হার

500 এবং ভিআইপি আসন তিনটি কক্ষ ভাড়ার হার 2000 হোস্টেলের বর্তমানে বর্ডার সংখ্যা রয়েছে 90 জন কর্মজীবী নারী হোস্টেল চাঁদ গাঁও চট্টগ্রাম এখানে মাননীয় স্পিকার চারতলা বিশিষ্ট ভবনটি দুটি ভবন রয়েছে দুটি এবং দুতলা বিশিষ্ট একটি ভবন সহ মোট তিনটি ভবন জুলাই 1980 সাল থেকে হতে জুন 1982 প্রকল্প মেয়াদে নির্মিত হয়েছিল হোস্টেলের আসন সংখ্যা 215 টি আসনের শ্রেণীবিন্যাস তিন আসন বিশিষ্ট কক্ষ 25 টি

ভাড়ার হার 1,100 ও চার আসন বিশিষ্ট কক্ষ 35 টি যার ভাড়ার হার 1,100 টাকা বর্তমানে হোস্টেলের বর্ডার সংখ্যা রয়েছে। বর্ডার সংখ্যা রয়েছে 138 জন। নারায়ণগঞ্জ জেলায় কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল নেই মাননীয় স্পিকার। এখানে উপরোক্ত তিনটি হোস্টেল ঢাকায় তিনটি কর্মজীবী হোস্টেল রাজশাহীতে একটি, খুলনায় একটি, যশোর একটি এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা প্রধান কার্যালয় বেলি রোডে একটি সহ মোট 10 টি কর্মজীবী হোস্টেল ইতিমধ্যে বাংলাদেশে রয়েছে। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা

কর্মজীবী নারীদের বাসস্থান ও নিরাপত্তা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং গুরুত্ব বিবেচনা করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক কর্মান্বয়ে প্রতিটি জেলায় একটি করে আধুনিক কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল স্থাপনের প্রক্রিয়া বিবেচনাধীন রয়েছে মাননীয় স্পিকার। এর সাথে আমি একটু যুক্ত করতে চাই মাননীয় স্পিকার, শুধু মহিলা হোস্টেল আমরা যদি নির্মাণ করি সেটাতে আমাদের এখানে দায়িত্বসম্পন্ন হয়ে যায় না। আমরা দেখেছি যে এই হোস্টেলগুলোতে সিট বরাদ্দের বিষয়ে বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি এবং অনিয়মের তথ্য আমরা দেখেছি। গত সাতদিন আগে আমার কাছে একজন

এসেছেন যে মন্ত্রীর সুপারিশ ছাড়া সিট বরাদ্দ হচ্ছে না। আমরা সে বিষয়ে তদন্ত করছি যেন পরবর্তীতে এই বিষয়গুলোতে সিট আছে মানে বরাদ্দ হবে না থাকলে বরাদ্দ হবে না সুপারিশের ভিত্তিতে যেন কোন সিট বরাদ্দের বিষয়গুলো না থাকে। মাননীয় স্পিকার আপনি যদি একটি মিনিট সময় বাড়িয়ে দেন আমি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কয়েকজন যারা আমাদের এখানে নোটিস দিয়েছিলেন কিন্তু নোটিসগুলো গৃহীত হয়নি প্রতিবন্ধীদের নিয়ে একটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন যে তার এলাকাতে প্রতিবন্ধীদের সম্পর্কে কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে? মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে মহান

সংসদের সকল সদস্যবৃন্দ যারা আছেন এবং সারা বাংলাদেশকে জানাতে চাই যে বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তিনি প্রতিবন্ধী যারা আছেন এই প্রতিবন্ধী তাকে কোনভাবেই বোঝা না সম্পদ হিসেবে নির্মাণ করার জন্য এবং সম্পদ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একটি স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করেছেন যে স্টিয়ারিং কমিটির সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিজেই এবং এখন পর্যন্ত আটটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীদেরকে সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করে এই স্টিয়ারিং

কমিটির গঠন করা হয়েছে। যে স্টিয়ারিং কমিটির কেবল এবং কেবলমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে যে প্রতিবন্ধিতা নিয়ে যারা জন্মগ্রহণ করেছেন এবং পর্যায়ক্রমে যারা প্যারালাইজড অথবা অন্যান্য অসুখের মাধ্যমে প্রতিবন্ধিতা অর্জন করেছেন তাদের প্রত্যেকের জীবন এবং জীবন মানকে যেন সর্বাধিক ভাবে উন্নয়ন করা যায় এবং তাদেরকে বাংলাদেশের মেইন ইকোনমিতে যেন তাদেরকে কানেক্ট করা যায় সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছে আমরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে

10 টি জায়গাতে পাইলট বেসিসে আমরা ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টারের করার চেষ্টা করছি বর্তমান সরকারের যে প্রচেষ্টা রয়েছে এটা কেবলমাত্র প্রতিবন্ধী না মহিলাদের ক্ষেত্রে মাননীয় স্পিকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশিক্ষণ কয়েকটা কাজ আমরা হাতে নিয়েছি আশা করছি যে ভবিষ্যতে আপনারা অচিরেই দেখতে পারবেন যে কতটুকু আমরা অগ্রগতি করতে পেরেছি আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় সদস্য মোঃ মুবাশের আলম ভূঁইয়া আপনি একটি প্রশ্ন করতে পারেন প্রশ্ন

প্লিজ। স্টেটমেন্ট না। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীকেও ধন্যবাদ। আমি প্রস্তাব করেছি মাননীয় মন্ত্রীর উত্তরের মাধ্যমে অনেক বিষয়ে অবগত হয়েছি। যাহা আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে জানা ছিল না। মাননীয়

মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবুও চাওয়ার এবং পাওয়ার দুইটার মধ্যেই অমিল থেকে যায়। আমাদের চাওয়া অনেক মাননীয় মন্ত্রী যা বলেছে সেখানে আমি এখনো মনে করছি অপ্রতুল আরো অনেক ব্যাপক সংখ্যায় যদি কর্মজীবী নারী হোস্টেল নির্মাণ করেন তাহলে আমাদের

শ্রমিকরা উপকৃত হবেন। পাশাপাশি মাননীয় মন্ত্রী আমাদেরকে বিস্তারিত বলেছে এজন্য মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার, আমরা বিভিন্ন সময় নতুন সদস্য কথা বলি, নোটিশ দিই, জানিনা এটা অভিযোগ হবে কিনা? মাননীয় সদস্য সংসদের প্রশ্নটা করুন, প্রশ্ন প্রশ্ন করে ফেলছি, ধন্যবাদ দিয়েছি। আর একটি কথা যেটা না বললে নয়, বিভিন্ন সময় নোটিস দিয়েছি, মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু শুনে

বলিলাম কিন্তু কোন প্রতিকার পাইনি 11 বার প্রথম অধিবেশনে বলেছি ডিউ লেটার দিয়েছি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জবাব দিন দয়া করে বসুন সদস্য মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আসলে আমাদের বিগত দিনের অভিজ্ঞতা যেটা বলে যে বিগত 17-18 বছর ধরে বাংলাদেশের হিস্টোরিতে যেটা দেখা গেছে যে আমরা অনেক বড়

কথা বলেছে কিন্তু কাজ করিনি সেই একটা সংখ্যার জায়গা সকলেরই আছে এটা আমরা বুঝি সংখ্যার জায়গা থেকে তাদের এক্সপেক্টেশনের পূর্ণ হবে কিনা সেটা নিয়ে তারা একটু সন্ধি হবে এতটুকু বুঝতে হবে যে আমি এর আগেও বলেছি যে বাংলাদেশে একটি পরিবর্তনের বাতাস ইতিমধ্যে প্রবাহিত হওয়া শুরু হয়ে এবং মানুষ কিন্তু বুঝতে পারছে যে বর্তমান সরকার কেবলমাত্র উন্নয়নের গল্প বলে বসে থাকেন না তারা মানুষের জনগণের জীবনের উন্নয়নের জন্য কিন্তু কাজ করে যাচ্ছেন আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি সকলের

সহযোগিতাটা কামনা করি সবসময় যেন আমরা কাজগুলো করতে পারি এবং মহিলা হোস্টেল যেটা এটা অত্যন্ত জরুরী একটা বিষয় এবং আমাদের নারীদেরকে যদি দেশের জনগণের মোর দেন 50% হচ্ছে নারী সেখানে কিন্তু এই নারীদেরকে যদি আমরা এগিয়ে না নিয়ে যেতে পারি তাদের জন্য যদি যেন যদি আমরা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারি তাদেরকে যদি আমরা মেইনস্ট্রিমে জায়গা করে দিতে না পারি তাহলে কিন্তু আমাদের জন্য আসলে এগিয়ে যাওয়া খুব কষ্টকর হবে সেখান থেকে আমাদের মন্ত্রণালয়ের যে আগ্রহ বা চেষ্টা এটা অত্যন্ত

আন্তরিকতার সাথে আমরা করে যাচ্ছি। আমরা চাইবো যে জেলা এবং জেলা পর্যায়ে যদি আমরা এগুলো করতে পারি করার পরে আমরা উপজেলা ব্যাপী এগুলো নিয়ে যাব ইনশাল্লাহ। একটু সময় লাগবে আশা করি যে সেই ধৈর্যটা এবং বিশ্বাসটা আমাদের উপর আপনারা সকলে রাখবেন। অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। আমি এখন মহিলা আসন নম্বর 35 থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য সেলিনা সুলতানাকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য

আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ, মাননীয় সদস্য। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম, মাননীয় স্পিকার। আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ সম্পন্ন বিষয়ে মাননীয় ডায়াগ্রাম যোগাযোগ তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করছি। আমার উপস্থাপনীয় বিষয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে না

লক্ষ্য করে সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন ও ভুয়া তথ্যপ্রচার প্রতিরোধ প্রতিরোধ প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার, প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে সাইবার অপরাধও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে বিরোধীমত পোষণকারী ব্যক্তিদেরকে এবং নারীদেরকে লক্ষ্য করে সাইবার বুলিং চরিত্রহনন

এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এ আই ব্যবহার করে ভুয়া ছবি ভিডিও এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের ঘটনা সামাজিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। এসব অপপ্রচারের ফলে একজন নারী সামাজিকভাবে খেয়াপ্রতিপন্ন হচ্ছেন, মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ছেন এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে চরম হতাশার শিকার হচ্ছেন। মাননীয় স্পিকার, আমরা শুনেছি আইএমএ জাহেলিয়া যুগে একটি কন্যা সন্তান

কে জীবন্ত কবর বা পুতে ফেলা হতো কিন্তু আমরা এই বিশ্বায়নের যুগে ডিজিটালিজেশনের যুগে আমরা দেখছি একজন নারী কিভাবে তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার করার ফলে মানসিকভাবে মৃত্যুর মুখে যাচ্ছে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে একজন নারী আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নিচ্ছেন। কিন্তু মাননীয় স্পিকার আজকের এই যে পরিস্থিতি এটা কিন্তু একদিনে হয়নি দীর্ঘ 17 বছর এই

বাংলাদেশে কোন আইনের শাসন ছিল না মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেনি গণতন্ত্র ছিল না এই গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশে এই ফেসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার গত 20 বছর আগে যে বীজ বৃক্ষ রোপণ করে ছিলেন সেটির কুফল এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি গত গত 17 বছরে এই শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে দুর্বল করে দেয়া হয়েছে ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে শিক্ষা স্বাস্থ্য কর্ম

সংস্থান থেকে শুরু করে আজকে যে সামাজিক অবক্ষয় সেটিও কিন্তু এই দীর্ঘ দুঃশাসনের ফসল। আমরা মাননীয় স্পিকার আমরা জেনেছি বর্তমান সরকারের বিষয়ে আইন গ্রহণ

প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন কিন্তু আমার কথা হচ্ছে আমার বিশ্বাস দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যেভাবে এদেশে এসিড সন্ত্রাস দমন করেছিলেন তার দৃঢ় নেতৃত্বে এবং সময়যোগী সিদ্ধান্তে এবং কঠোরভাবে এই এসিড সন্ত্রাসের মাধ্যমে যে পদক্ষেপ নিয়েছিলেন সে পদক্ষেপ কিন্তু সারা বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু উপভোগ করতে পেরেছে তা আমি বলতে চাই আজকে সাইবার অপরাধের সাথে যারা জড়িত তাদেরকে দ্রুত কোর্ট

এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। মাননীয় স্পিকার, একজন নারীর কান্না কোন দলের নয়। একজন নারী কোন একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া এখানে কোন সরকারি দল নেই, এখানে কোন বিরোধী দল নেই, সকল নারীর কান্না কিন্তু একরকম। অতএব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাইবার বুলিং, চরিত্র হনন ও এআই দিয়ে কন্টেন্ট ও তথ্য প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে জড়িত অপরাধের

বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমি নেয়ার জন্য এবং মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং নারীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমি সদর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় ডাক টেলি যোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী জনাব ফকির মাহবুব আনামকে তার এই বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান

জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। এবং ধন্যবাদ মাননীয় এমপি সেলিনা সুলতানাকে। এটা একটা সময় উপযোগী একটা প্রশ্ন করেছেন উনি। সাব্যসুরক্ষা আইন কিন্তু অলরেডি এক্সিস্টেড। কিন্তু অনেক সময় আনফরচুনেটলি প্রয়োগ হয় না। তা আমি আপনার সুরক্ষা আইনটা 26-25 নাম্বার ধার

আমি পড়ছি এখন। যদি কোন ব্যক্তি ওয়েবসাইট বা অন্য কোন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে অন্য কোন ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইলিং বা যৌন হয়রানি বা রেভেনজ পর্ণ বা ডিজিটাল শিশু যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত উপাদান চাইল্ড সেক্সুয়াল এবিউজ ম্যাটেরিয়াল বা সিক্স

টর্চন করিবার অভিপ্রায়ে সৃষ্ট বা প্রাপ্ত বা সংরক্ষিত কোন তথ্য ভিডিও, চিত্র, অডিও, ভিজুয়াল চিত্র, স্থির চিত্র, গ্রাফিক্স বা অন্য কোন উপায়ে ধারণকৃত ধারণকৃত বা এডিটকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা নির্মিত অথবা এডিটকৃত ও প্রদর্শনযোগ্য এরূপ কোন তথ্য-পাত্র প্রেরণ প্রকাশ প্রচার করেন বা প্রেরণ

করেন, এইসব হুমকি প্রদান করেন যা ক্ষতিকর বা ভিপস্যক তাহলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হবে একটি অপরাধ। যদি কোনো ব্যক্তি উপধারা এক অধীনে কোনো অপরাধ সংগঠন করেন তাহলে তিনি অনধিক দুই বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক 10 লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। তিন নাম্বার যদি কোনো ব্যক্তি

দি উপধারা একের অধীনে অপরাধ কোন নারী বা অনূর্ধ্ব 18 বছরের কোন শিশুর বিরুদ্ধে সংগঠন করেন তাহলে তিনি অনধিক পাঁচ বছর কারাদণ্ডে বা অনধিক 20 লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে বহুদণ্ডে দন্ডিত হবেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তন বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে ডিপ ফেইক এআই নির্ভর ছবি ভিডিও অডিও এবং বিভিন্ন ধরনের মানহানিকর

বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট অত্যন্ত সহজে তৈরি এবং প্রচার করা হচ্ছে। উক্ত প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান আইনে আরো যুগোপযোগী এবং কার্যকর করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এই লক্ষ্যে সরকার সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের উদ্যোগ নিয়ে মাননীয় স্পিকার প্রস্তাবিত সংশোধনীতে কোনো ব্যক্তিকে মানহানি বা হেয়োপ্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে কেউ

যদি এআই সৃষ্টি বা সম্প্রতি কন্টেন্ট প্রচারকে স্পষ্ট ভাবে অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং মানহানির একটি সুস্পষ্ট সংজ্ঞা সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যাতে একদিকে প্রযুক্তি নির্ভর নতুন ধরনের অপরাধ কার্যকর ভাবে মোকাবেলা

করা যায়। এবং অন্যদিকে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য এবং ন্যায্যতা বজায় থাকে। এছাড়াও সাইবার স্পেস ব্যক্তি

জনসাধারণ প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে বিভ্রান্ত প্রতারিত বা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মিথ্যা বিকৃত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি প্রকাশ ও প্রচারক প্রচারক কেও আইনগত কাঠামো আওয়াতে আনা এবং মানহানিকর তথ্য গুজব এবং অপতথ্য দ্রুত অপরচরণ বা ব্লকের বিধান আরো সুস্পষ্ট করার উদ্রুগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ

প্রতিপক্ষ কর্তৃক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণপূর্বক নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট কি সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি কোম্পানি বা সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্লাটফর্মকে কন্টেন্ট অপসারণ বা ব্লকের জন্যে অনুরোধ করা হয় এবং তাদের সহযোগিতা মাধ্যমে এই ধরনের কন্টেন্ট অপসারণ সম্ভব হয়। এ বাস্তবতার বিবেচনায় আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্লাটফর্ম গুলির সঙ্গে সময় সময় ভিত্তিক কন্টেন্ট অপসারণ সংক্রান্ত বা কন্টেন্ট

ব্রেকডাউন সংক্রান্ত চুক্তি সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা আইনে সংযোজন উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। আমি মাননীয় স্পিকার অনেক সময় এরকম আমি কমপ্লেইন পাচ্ছি এবং একর্ডিংলি আমি বিটিআর সিআর জামিন সাহেবকে অনেকবার বলেছি। মাননীয় মন্ত্রী আমি একটু আপনাকে থামাতে চাই পরবর্তীতে এই ধরনের কোশ্চেনের আনসার যারা আপনাকে এসিস্ট করে একটু ভালোভাবে প্রিপারেশন করে এখানে আসবেন ওনার যে কোশ্চেন বা কনসার্ন ছিল সেটার আনসার

আসছে না এখানে। না, আমি আমি আপনাকে পুরোটা পড়ি। আপনার আমাকে পুরোটা পড়তে দেন। আরো রয়ে গেছে। আরো রয়ে গেছে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতায় জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি বর্তমান অনলাইনে প্রচলিত ক্ষতিকর কন্টেন্ট ভুয়া তথ্য গুজব শনাক্তকরণ বিশ্লেষণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সহায়তা করছে। একই সঙ্গে সাইবার সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন

কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের আইসিটি কার্যালয়ে সাইবার নিরাপত্তা সেবা হেলথ ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে যাতে সাধারণ নাগরিক সহজেই সাইবার নিরাপত্তা সংক্রান্ত পরামর্শ ও প্রাথমিক সহায়তা গ্রহণ করতে পারেন। স্থানীয় পর্যায়ে সাইবার সক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এছাড়া জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী উপসচিবকে সহযোগিতা করে কিশোর কিশোরীদেরকে সাইবার অপরাধে জড়িত হওয়া প্রতিরোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিশোর কিশোরীদের সাইবার অপরাধের

প্রতিরোধক কমিটি গঠন করা হয়েছে ডিজিটাল হ্যারাসমেন্ট বা সাইবার বুলিংয়ের শিকার নারীদের তাৎক্ষণিক আইনি সহায়তা পেতে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির হেল্পলাইন নাম্বার 333 অথবা রিপোর্ট হ্যারাসমেন্ট এট এনসিএসএ .gov.bd এর অভিযোগ প্রেরণ করলে প্রাথমিক অনুসন্ধান ও ফ্যাক্ট চেকিং করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রেরণ করা হয়। এছাড়া নাগরিকদের সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ মূল্যায়ন

সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের দ্রুত প্রেরণ অভিযোগ অগ্রগতি ও পর্যবেক্ষণ এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সাবার ইনসিডেন্ট রিপোর্টিং সিস্টেম নামে প্রিয় মন্ত্রী কয় পাতা আপনার আমাদের এটি টাইম এটি শেষ একটি কেন্দ্রীয় সফটওয়্যার প্লাটফর্ম উন্নয়ন করা হয়ে আমরা মাননীয় স্পিকার আমরা কি করেছি এটা যদি আপনি না শুনেন তাহলে তো হবে না টু দ্যা পয়েন্টে শুনতে চাই উনার যে এনজাইটি এন্ড কনসার্নটা

আছে। ইউ আর মেকিং এ স্টেটমেন্ট রেফারিং ল। ওকে। থ্যাংক ইউ। থ্যাংক ইউ মাননীয় স্পিকার। সাইবার সুরক্ষা সংশোধন আইন 2026 এর একটা খসড়া পর্যালোচনা আবার চূড়ান্ত করে করেছেন এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটা মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করে দিয়েছেন উনি এবং আমরা এখন যেসব কন্টেন্ট নিয়ে আমরা কথা বলি এজ আই সেড বিটিআরসি চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যখন

আমরা এখানে কমপ্লেনগুলি দেই। স্পেশালি ক্যারেক্টার অ্যাসোসিয়েশন যেগুলি হয় এগুলি নিয়ে কিন্তু উনারা বলেন যেমন ব্যক্তিগত ক্যারেক্টার অ্যাসোসিয়েশন নিয়ে তারা অ্যাসোসিয়েশন নিয়ে তারা এগুলি করতে চায় না। আপনার আমরা বিটাসের মাধ্যমে YouTube কে কথা বলেছি আমরা TikTok এর সাথে কথা বলেছি আমরা সোশ্যাল মিডিয়াতে কথা বলেছি তারা শুধু বলতে চায় দেশে কোন অস্থিরতা এমনকি যদি কন্টেন্ট যদি অস্থিরতা সৃষ্টি করে অথবা কোন ধর্মীয় অনুমতিতে আঘাত

করে এমন কন্টেন্ট করে ওনারা সরাতে চায় কিন্তু ব্যক্তিগত অ্যাসোসিয়েশন যেগুলিতে হয় ওনারা সহজে সরাতে চায় না আমরা চেষ্টা করেছি এর জন্য আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কদিন আগে একটা কমিটি করে দিয়েছেন পাঁচ মন্ত্রী মন্ত্রীসভা পাঁচ পাঁচ জন মন্ত্রীসভা কে নিয়ে নিয়ে একটা সুরক্ষা কমিটি করে দিয়েছেন এই কমিটিতে আমরা আরো আলোচনা করে সময় উপযোগী আমরা একটা সিদ্ধান্ত নেব ইনশাআল্লাহ থ্যাংক ইউ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ, মাননীয় মন্ত্রী বাহাদুর। মাননীয় সদস্য, আপনার কোন কোশ্চেন থাকলে স্পেসিফিক্যালি কোশ্চেন করেন। ধন্যবাদ, মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয়

স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আপনার প্রশ্ন হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এআইনির্ভর ভুয়া ছবি ভিডিও কয়েক মিনিটেই ভাইরাল হয়ে যায়। এধরনের ভুয়া কন্টেন্ট দ্রুত শনাক্ত অপসারণ এবং জড়িত অপরাধীদেরকে 24 ঘন্টায় আইনের আওতায় আনতে বিশেষ সাইবার রেসপন্স টিম এবং ভুক্তভোগী দের জন্য সাপোর্টের জন্য ওয়ান স্টপ সাইবার সাপোর্টের

কোনো নীতিমালা বা কোনো সিদ্ধান্ত সরকারের আছে কিনা আমি আপনার মাধ্যমে জানতে চাই। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। ধন্যবাদ আপনাকে। জি মাননীয় স্পিকার, আমি একটু আগে যেটা বললাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটা পাঁচ সদস্য বিশ একটা মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন হয়ে আমরা এই সপ্তাহে একটা মিটিং করবো, আমরা আলোচনা করবো এবং সময় উপযোগী আমরা সিদ্ধান্ত নিব। শুধু আমাদের মা বোনরা আমরা সবাই কিন্তু সাফারার।

নো ডাউট এবাউট দ্যাট। আমরা সিরিয়াসলি উই হ্যাভ টেকেন দ্যা টাস্ক। ইনশাল্লাহ নিশ্চয়ই উইল কাম আপ উইথ সাম সলিউশন। থ্যাংক ইউ। অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রী। জি মাননীয় হুইপ জিকে গাউস আপনি কি বলতে চাচ্ছিলেন?

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য আপনি আমাদের সংসদের অভিভাবক এই মহান জাতীয় সংসদে গত 17 বছর নাচ গান কবিতা পৃথিবী অন্যের চরিত্র অন্য ছবি হয়েছে আপনার যে ফ্লোরে আমরা অধিবেশন করি ঠিক তার উপরে এক তলায় আমরা নামাজ পড়ি অসংখ্য মুসলমান আমরা জামাতে নামাজ পড়ি মসজিদের সামনে

সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। আকাশ থেকে পানি প্রতিদিন এই সংসদে প্রবেশ করে। শুধু বাইরে নয় মসজিদের ভিতরে একই অবস্থা। এই অধিবেশনে আমরা 9 লাখ 38 হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন দিয়েছি। মেহেরবানী করে মসজিদে পানি পড়ার ব্যবস্থা বন্ধের জন্য আমি আপনার মাধ্যমে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় হুইপ এই বিষয়টা আসলে আমরাও জেনেছি

সংসদের ছাদ থেকে পানি পড়ে আর কষ্টের কথা কাকে বলবো আমি আমার নিজের ঘরে ঘুমাইতে গেলে ছাদের এখানে বাটি দিয়ে রাখি পানি পড়ে আমার নিজের বাড়িতে সংসদ ভবনের মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি ও মাননীয় চিফ হুইপ পানি পড়ার বিষয়টা এই পূর্ত পূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তাদের সাথে গতকালকে কথা বলেছি যত জায়গা থেকে

পানি পড়ে তারা সেটা মেরামত করার কার্যক্রম গতকালকে হাতে নিয়েছে ইনশাআল্লাহ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই এটা সমাধান হবে বলে বিশ্বাস করি দ্বিতীয়ত মাননীয় স্পিকার আমাদের জনাব ওই যে আমরা শওকতুদিন ইসলাম মৌলভীবাজার 2 তার ওখানে ভারত থেকে পানি এসে ফ্লাটেড হয়ে গেছে সেখানে তার একটা বাদ নির্মাণ করতে চায় আপনি যদি উনাকে একটু এলাও করেন আর ফরিদুল ইসলাম কবির কবির ফরিদুল কবির তালুকদার উনি 41 141 জামালপুর 4 তাকে যদি আপনি এক মিনিটের জন্য এলাও করেন তাহলে তারও একটা বিরাট সমস্যা

সমস্যা আছে, তিনি কথা বলতে চান। আপনি দুইজন মানুষকে একটু এলাও করেন মাননীয় স্পিকার। এক মিনিট করে কথা বলুন। মাননীয় চিফ হুইফ এবং মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমি 350 জনকে এলাও করতে চাই। কিন্তু সম্ভব না সব সময়। বাট অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি যে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কথা বলছেন উনার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আপনার পিছনে। উনি কিছু বললে আমরা যে যে বাসায় ঘুমাতে পারি না বৃষ্টির দিনে

উনি কিছু বলবে কিনা উনার কাছ থেকে শুনে আমরা ইয়াতে চলে যাব। আপনার বাসের কথা বলা আছে। দেখি মাননীয় মন্ত্রী কি বলে। মাননীয় স্পিকার চিফ হুইফ সাহেব অলরেডি এ ব্যাপারে আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন এবং আমরা সর্বাত্র বদ্যবস্ত করতেছি। ইনশাআল্লাহ এর প্রতিকার খুব সহসে হয়ে যাবে। ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের

কার্যসূচিভুক্ত কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইপ মহোদয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে আজকের মতো স্থগিত করা হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়নের কার্যবলী আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমদকে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থার

বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন 2018 এর অধিকতর সংশোধন করবে আনীত বিলটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল 2026 স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্যবৃন্দ

এই বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্য যথাক্রমে শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 রুমিন ফরহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2 জনাব মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2 শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5 জনাব মোঃ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6 জনাব মোঃ আব্দুল আলিম বাগেরহাট 4 জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া

তিন, জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা তিন, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী দুই, জনাব মোঃ রাশিদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক, জনাব মোঃ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া চার, জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16, জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নিলফামারী এক, জনাব মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা পাঁচ, মোঃ নাজিবুর রহমান পাবনা এক, জনাব মোঃ গোলাম রসুল যশোর চার, সাবিকুন্নাহা

মহিলা আসন নম্বর 39, মুসাম্মদ নাজমুন নাহার, মহিলা আসন নম্বর 40, গাজী এনামুল হক যশোর পাঁচ, জনাব মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ, জয়পুরহাট এক, মোঃ আবুল হাসান সিলেট পাঁচ, মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী দুই, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা চার, মোঃ নুরুল ইসলাম চাঁপাই নবাবগঞ্জ তিন, মোঃ কামাল হোসেন ঢাকা পাঁচ, মোঃ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক,

আব্দুল মুন্তাকিম, নীলফামারী 4, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, চোরাডাঙ্গা 2, মোহাম্মদ ইলিয়াস মোল্লা, ফরিদপুর 1, জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফী, নীলফামারী 3, জনাব মোহাম্মদ নাজমুল হুদা, মেহেরপুর 2, মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্যদের মধ্যে জনাব জি এম নজরুল ইসলাম, সাতক্ষীরা 4, জনাব শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম 15, রুমিন ফারহানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

দুই, জনাব মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া দুই, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ, জনাব মোহাম্মদ আমির হামজা কুষ্টিয়া তিন, জনাব মোহাম্মদ আলী আজগার পাবনা তিন, আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীলফামারী দুই, মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক, মোহাম্মদ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া চার, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16, জনাব মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার নীলফামারী এক, গোলাম মোহাম্মদ গোলাম রসীদ

যশোর চার, গাজী এনামুল হক, যশোর পাঁচ, জনাব মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ, জয়পুরহাট এক, জনাব মোঃ মাসুদ পারভেজ, চুয়াডাঙ্গা এক, জনাব মোঃ রুহুল আমিন, চুয়াডাঙ্গা দুই, জনাব মোঃ ইলিয়াস মোল্লা, ফরিদপুর এক

জনমত জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি সম্পর্কিত আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে আমি এখন নোটিশদাতা মাননীয় সদস্যগণকে তাদের প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি প্রত্যেকেই এক মিনিট করে সময় পাবেন প্রথমেই চট্টগ্রাম 15 থেকে নির্বাচিত জনাব শাহজাহান চৌধুরী আজকে নেই উনি

সাতক্ষীরা 4 জি এম নজরুল ইসলাম সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমি মাননীয় সদস্য মন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ দিচ্ছি মাদকের ছোবলে যখন দেশ ডুবে গেছে যুবকদের অনৈতিক অবক্ষয় ঘটেছে সেই সময় এই বিলটা আনার কারণে তাকে আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আমাদের দেশের তরুণ ও যুবসমাজ আজ মাদকের মরণ কামড়ে ধ্বংসের দ্বারপন্থে পৌঁছে গেছে

প্রতিটি পরিবারের অজানা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে আমাদের প্রশ্ন শুধুমাত্র ট্রামিনাল বাড়িয়ে আর মাঠ পর্যায়ে চুনুপুটিদের ধরে কি এই মহামারী ঠেকানো সম্ভব মনোনি স্পিকার নিয়ন্ত্রণ নাকি নির্মূল সরকার আইন করেছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কিন্তু আমরা চাচ্ছি মাদকটা নির্মূল হয়ে যাক বাংলাদেশ থেকে তাহলে আমাদের যুবসমাজ তারা তারা পরিত্রাণ পাবে এবং তাদের একটা ভালো দিকে তারা চলে যেতে পারবে এবং গডফাদার যারা মাদকের যারা গডফাদার তাদের

তাদেরকে ধরাছড়া বাইরে রাখা হয়ে মাননীয় স্পিকার। আমরা দাবি করছি যারা ভক্তভোগী যারা খুচরা বিক্রি করে এবং যারা গড ফাদার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই আসন থেকে নির্বাচিত রুমিন

ফরহানা সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার প্রতিদিন আমরা যে মামলাগুলো দেখি সেখানে দেখা যায় ক্যারিয়ার বারবার ধরা পড়ে কিন্তু বদির মতন যারা ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত হিসেবে সমস্ত সরকারি দপ্তরের রিপোর্টে উঠে আসে তারা সংসদে যায় তারা যেতে না পারলে তাদের পরিবারের সদস্যরা সংসদে যায় যতদিন পর্যন্ত মাননীয় স্পিকার যতদিন পর্যন্ত না আমরা যারা সরাসরি মাদকের

ব্যবসায় যুক্ত এবং যাদের হাত দিয়ে মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করে টেকনাফ দিয়ে সেই মানুষগুলো মূল হোতাদের যতদিন পর্যন্ত আমরা ধরতে না পারব মাননীয় স্পিকার আমার মনে হয় না কোন আইন দিয়ে আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারবো আইন যথেষ্ট শক্ত মাননীয় স্পিকার মাত্র 25 গ্রামের উপরে মাদক পেলে যাবৎজীবন কারাদণ্ড এমনকি মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেয়া হয় কিন্তু তার পরেও কি করে লক্ষ লক্ষ পিস ইয়াবা কিংবা কয়েক কেজি হেরোইন সহ আমাদের

কুষ্টিয়া দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল গফুর ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আজকে মাদক আজ শুধু একটি আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয় এটি জাতীয় নিরাপত্তা জনস্বাস্থ্য পারিবারিক স্থিতি এবং আমাদের তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ সঙ্গে অতপ্রত ভাবে জড়িত একটি মাদক

মাদকাসক্ত যুবক শুধু নিজের জীবনী ধ্বংস করে না একটি পরিবারকে বিপদগ্রস্ত করে এবং সমাজে অপরাধ বৃদ্ধির ঝুঁকি ও বাড়িয়ে দেয়। মাননীয় স্পিকার, এই সংশোধনী বিলের উদ্দেশ্য যদি হয় মাদক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর করা তাহলে আমরা নীতিগতভাবে সেই উদ্যোগে স্বাগত জানাই। তবে শুধুমাত্র শাস্তি বৃদ্ধি বা বিধান সংশোধন করলেই মাদক নির্মূল হবে এমনটি মনে করার কোনো সুযোগ নেই। আইনের

পাশাপাশি কার্যকর বাস্তবায়ন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাননীয় স্পিকার এজন্য এই বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য আরো বেশি প্রয়োজন সময় ধন্যবাদ কিশোরগঞ্জ পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার সময় এক মিনিট গত 27 জুন তারিখে আমাদের সুযোগ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় মানক মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের যে প্রস্তাব এনেছেন

এটা আরো কঠিন থেকে কঠোরতর করা হোক আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই বিলটি অত্যন্ত জনগণের উত্তপূর্ণ বিধায় সারাদেশে জনগণের জানানোর প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানো হোক মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন বিগত সরকারের আমলে সর্বোচ্চ মহলের মদদে দেশের এই ভয়াবহ সর্বনাশ মাদক ঢুকেছে যে কারণে মাদক সেবন এবং বহন

উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মাদকের উৎস খুঁজে বের করা এবং এগুলি তৈরি করা আমদানির পথ বন্ধ করতে হবে। একই সাথে ভয়াবহ সন্ত্রাস নির্মূল যেমন করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া র‍্যাব গঠন করেছিল, ঠিক সেই রকম মাদক সেবন ধন্যবাদ ময়মনসিংহ ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ কামরুল হাসান এক মিনিট সময়। মাননীয় স্পিকার

আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দেই একটি জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিল নিয়ে আসার জন্য। আসলে প্রতিটি মাদক আসক্ত পরিবারের নীরব যে কান্না এই কান্না আমাদেরকে ভাবিয়ে তুলছে। নিঃসন্দেহে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমরা সুস্পষ্টভাবে বলতে চাই যে একটা কথা আছে যে সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে ভূত তারাবে কে? আসলে আমরা দেখি যে অনেক অনেক ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

সাপ্লাই চেইনের সাথে জড়িত এটাকে ধরা দরকার এবং তাদেরকে দ্বিগুণ শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা দরকার মাননীয় স্পিকার আমরা গডফাদারের কথা শুনেছি সেই গডফাদার দের কে ও এখানে আইনের আওতায় আনা দরকার বিশেষ করে আমি একটি প্রস্তাব করছি প্রতিটি উপজেলায় আমাদের সেই মাদকাসক্ত ভাইদেরকে মোটিভেশন দেওয়ার জন্য তাদের চিকিৎসার জন্য একটি করে ওয়ার্ড স্থাপন করা জরুরী বলে আমি মনে করি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বাগেরহাট চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ

আব্দুল আলিম সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। মাননীয় স্পিকার জ্বালানি সংকটের চেয়ে মাদকের সমস্যা আরো বেশি ভয়াবহ। এ কারণে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করার জন্য আমরা যেভাবে জাতীয় সংসদে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করেছিলাম মাদক মোকাবিলা করার জন্য মহান জাতীয় সংসদে তেমনি হবে ঐক্যবদ্ধ হবে কমিটি গঠন করে

মাদকের মোকাবেলা করার আমি প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। কুষ্টিয়া তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ

আমির হামজা সময় এক মিনিট ওয়ালাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাদকদ্রব্যের ব্যবহারের মাধ্যমে মাদক সংক্রান্ত অপরাধ বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামো ও নিরাপত্তার জন্য একটি ক্রমবর্ধমান হুমকিতে পরিণত হয়ে এই সংকট মোকাবেলায় মাদক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে 2018 প্রণয়নকালে পৃথক মাদক ট্রাইবুনাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মাদক সংক্রান্ত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচার নিশ্চিত করা

অধিকান্ত মাদক শ্রবণের মাধ্যমে মাদকসেবীরা চুরি খুন ধর্ষণ চিন্তা এবং ডাকাতি এই সমস্ত কাজে জড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিষয়টি কঠোরভাবে দমন করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা সত্ত্বেও কার্যকর কোন ভূমিকা কার্যকর কোন ফলাফল দেখা যাচ্ছে না তাই কোরআনে বর্ণিত আমি তিনটি আইনের কথা বলতে পারি সূরা বাকারা 219 নম্বর আয়াতে সূরা নেসার 43 নম্বর আয়াতে সূরা মায়ের

90 নাম্বার আয়াত। মাননীয় স্পিকার আপনার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মোহাম্মদ আলী আজগার পাবনা 3 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই যে একটি জনগুরুত্বসম্পন্ন একটি বিল মহান সংসদে উত্থাপন করেছেন। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে এই বিল

এর ব্যাপারে আমার কোনো দ্বিমত নেই। তবে আমি কিছু প্রস্তাবনা দিয়েছি এবং এটা ছাটাই বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য আমি বিনীত অনুরোধ রাখব। তদন্তের ক্ষেত্রে মাদকের উৎস অর্থায়ন পরিবহন সরবরাহ ও এ থেকে লাভবান ব্যক্তিদের শনাক্ত করার বাধ্যবাধকতা এখানে রাখা হয়নি। যথাযথ জব্দ তালিকা প্রস্তুত আলামত সংরক্ষণ রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন এবং সাক্ষ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে মামলার বিচার

পর্যায়ে গিয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই প্রস্তাবিত আইনে সংঘবদ্ধ মাদক অপরাধ, মাদক সিন্ডিকেট, গডফাদার ইত্যাদি তাদেরকে এখানে শনাক্ত করে বড় শাস্তির ব্যবস্থা রাখা দরকার। তাই মাননীয় ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীলফামারী 2 নেই। জনাব মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ। একটা ঘটনা মনে পড়লো আরকি 2019 সালে গ্রেপ্তার হয়েছিলাম বাড্ডা থানায় আছি রিমান্ডে। একজন মাদক ডিলার সে আসছে উপস্থিত হয়েছে। বলছে যে এরকম ঈদের আগে আমারে গ্রেপ্তার করে রাখছে এটা কি হয়? যেকোনো উপায়ে আমাকে ছাড়ার ব্যবস্থা করে দেন। এবং ঘটনাক্রমে দেখা গেছে যে তাকে ওখান থেকে ঈদের আগেই ছেড়ে দিয়েছে। আজকে 19 সাল না 2026 কিন্তু একই টাইপের সাপ লুডু খেলা দেখছি মাননীয় স্পিকার। ধরা হচ্ছে বের হয়ে যাচ্ছে অথবা তার ডান

হাত বাম হাত আছে, তাদের মাধ্যমে মাদক চলছেই। এই ব্যবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে আমাদের সমাজে মাদকের যে ভয়াবহ ছোবল এখান থেকে আমরা বাঁচতে পারবো না। এজন্য আমি মনে করি যে এটার সাথে আরো বেশি যাচাই-বাছাইয়ের স্বার্থে জনমত যাচাই করা দরকার এবং একই সাথে এটাকে বিশ্লেষকদের দিয়ে বাছাই করতে পারলে আমার মনে হয় যে আইনটি অধিকতর সংশোধন হবে এই বিষয়ে আমি দাবি জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। কুষ্টিয়া চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আফজাল হক

হোসেন। সময় এক মিনিট। মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাদক আমাদের দেশে একটা অভিশাপ। আমাদের যুবসমাজকে মাদকের ছয়লাভে আজ ধ্বংসর দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে মাননীয় স্পিকার। এর জন্য যেভাবে যতটুকু এই যুবসমাজ দায়ী তার চাইতে বেশি দায়ী আমি

মনে করি আমাদের দেশের প্রশাসন যারা মাসোহারা নিয়ে মাদক সেবনে সহযোগিতা করে যারা মাসোহারা নিয়ে নিরাপত্তা নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রিতে সহযোগিতা করে এই বিলের মধ্যে তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের কোন সুযোগ নাই মাননীয় স্পিকার এজন্য আমি মনে করি এই বিলটি জনমত যাচাই দেয়া হোক এবং যারা মাদক সেবন মাদক বিক্রিতে মাসোহারা নিয়ে সহযোগিতা করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে এই বিলটি আবার সংসদে নিয়ে আসে।

হোক বলে আমি মনে করি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য চট্টগ্রাম 16 নির্বাচিত সদস্য জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 নেই নীল ফামারী এক আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার সময় এক মিনিট জি মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল

2026 উত্থাপন করার জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে আন্তরিক ধন্যবাদ। সত্যিকার অর্থে এই বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিলে উত্থাপিত কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমি একমত। যেহেতু বিলটি গুরুত্বপূর্ণ তাই বিলটি পাশ করার আগে

জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব রেখে নোটিশ দিয়েছি। উদ্দেশ্য হলো মূল হোতারা ছাড় পেয়ে যায়। আর যারা ক্যারিয়ার তারা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়। আমরা চাই যে এই ব্যবসার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ব্যবস্থা করার জন্য আপনার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টিকোণ করছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য নেত্রকোনা পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব

মাসুম মোস্তফা সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাদক নিয়ন্ত্রণ বিল 2026 সংসদে উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য উনি যে বিলটা নিয়ে এসেছেন আমি মনে করি এর দ্বারা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে না কারণ আমাদের দেশে যে মাদক ব্যবহৃত হয় এর প্রায় পুরোটাই পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে আসে

আমাদের পার্শ্ব প্রতিবেশী যারা পার্শ্ববর্তী দেশ পানির ব্যাপারে কৃপণ হলেও মাদকের ব্যাপারে বেশ উদার যদি নিশ্চিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা উনি করতে না পারেন আমাদের বর্ডার গুলাতে এই আইন দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না এজন্য আমি মাননীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ করব এই আইনটি আরো যাচাই বাছাই এর জন্য জনমত যাচাই এর জন্য প্রেরণ করা হোক যাতে করে আমাদের পার্শ্ববর্তী উৎস গুলো থেকে এই দেশে কোন প্রকারের মাদক বহন করতে না পারে ঢুকতে না পারে এই ব্যবস্থা যদি নিতে পারেন সহজে মাদক নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মোঃ নাজিবুর রহমান পাবনা এক সময় এক মিনিট। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আলহামদুলিল্লাহ সালাতু ওয়াসসালাম রাসূলুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার কিছু পরিসংখ্যান দেই। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জরিপ অনুযায়ী 2018 সালে মাদক সেবক মাদকাসক্তের পরিমাণ ছিল 36 লক্ষ। সেটা বেড়ে 2026 এ হয়েছে 83 লক্ষ। দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। একই সাথে

তারা বলছে 29 টি সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে ভারত থেকে 162 টি রুটে বানের পানির মত মাদক ঢুকছে মাননীয় স্পিকার এই পরিসংখ্যানগুলো যেটা ইন্ডিকেট করে সেটা হলো এটি একটি মহামারী পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং এটা একটি অর্গানাইজ ক্রাইম এখানে শুধুমাত্র আপনার ট্রাইবুনালের সংখ্যা বৃদ্ধি করে বিচার প্রক্রিয়া এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ যারা করছেন তাদেরকে অস্ত্র সজ্জিত করে এটার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হবে না আমাদের দরকার ফাইন্যান্সিয়াল ইনভেস্টিগেশন এসেট ট্র্যাকিং

এবং গডফাদারদেরকে চিহ্নিত করে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা একই সাথে যাদেরকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেয়া হলো তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে অর্থপাচারের জনাব মোহাম্মদ গোলাম রসুল যশোর চার ধন্যবাদ সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এই মহান সংসদে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই যে 2018 এবং 2020 মদকদ্রব্য আইন যেটা ছিল সংসদ

করে নতুন ভাবে এখানে উত্থাপন করেছেন। বিশেষ করে সংশোধনী আইনের পঞ্চম অধ্যায়ের 39, 40 এবং 41 নম্বর ধারা এই নাম্বারে এখানে যারা মাদকের ব্যপারে আইন শৃঙ্খলায় যারা নিয়োজিত তারা সহযোগিতা করবে। সমাজের যারা গডফাদার তারা যারা সহযোগিতা করবে অথবা যারা উৎসাহিত করবে তাদের সাজার ব্যবস্থা বলা আছে। কিন্তু আমি বলতে চাই স্থায়ীভাবে যদি এটা আমরা সমাধান করতে চাই তাহলে অবশ্যই সীমান্তে সিলগালা করতে হবে। আমাদের দেশে ইয়াবা সহ যে সমস্ত মাদকদ্রব্য সীমান্ত দিয়ে আসে এটা সিলগালা করতে হবে। সামাজিক

ভাবে আমাদের গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে সামাজিকভাবে ইমাম তারপর অন্যান্য যারা আছেন সমাজে তাদের দ্বারা আমাদের সকল শ্রেণীর মানুষকে এখানে উদ্বুদ্ধ করতে হবে আইন শৃঙ্খলায় যারা নিয়োজিত আছে তারা যারা উৎকোচ গ্রহণ করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে তাদের সাজার ব্যবস্থা করতে হবে মাননীয় সাবিকুন নাহার মহিলা আসন নম্বর 39 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ জানাচ্ছি

মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সংশোধনী বিল উত্থাপনের জন্য আসলে আমরা এই সমাজে যখন বেড়ায় ক্ষেত খায় তখন আর বলার কিছু থাকে না আমি আজকে যে বিষয়টি গুরুত্ব দেয়ার চেষ্টা করব সেটা হচ্ছে যে শুধুমাত্র আইনের সংশোধনী এনে আইনের কঠোরতা এনে এই সমাজে মাদকের মত একটি মরণঘাতী নেশাকে নির্মূল করা সম্ভব নয় আমি মনে করি এখানে নৈতিকতার যে শিক্ষা সেটা যদি আমাদের জাতি হিসেবে নৈতিক

ভাবে উজ্জীবিত না করতে পারি তাদেরকে মোটিভেটেড না করতে পারি তাহলে আসলে এই মাদক থেকে এই সমাজকে মুক্ত করা সম্ভব নয় আমাদের যুবসমাজের মুক্তি সম্ভব নয় আমরা জানি আমাদের প্রিয় রাসুল একটি সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত এবং সবচেয়ে বেশি অপরাধ করার যে জাতিটি ছিল সেই জাতিকে তিনি মুক্ত করেছিলেন মাদক মুক্ত করেছিলেন একমাত্র নৈতিক শিক্ষার মাধ্যমে সেই জাতিটি একটি আইকনিক নেশন হিসেবে আজকে সারা বিশ্বের কাছে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মোসাম্মদ নাজমুন নাহার মহিলা আসন নম্বর

40 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই মাদক নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল 2026 এই বিলটি আনার জন্য

মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা দেখেছি রাফিয়া আসিয়ার মতো করুন মৃত্যু যার পিছনে ছিল মাদক। এতাই এই মাদককে নির্মূল করতে হবে সমাজ থেকে আইনটি আনার জন্য আমি জনমত যাচাই প্রচার করার জন্য বলছি। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দেশের আইন শৃঙ্খলা জনস্বাস্থ্য এবং মানবাধিকারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত। দাবি করছি মাদকের মাফিয়া চক্র নির্মূল করার জন্য এবং আরো দাবি করছি এই মাফিয়া

চক্র শুধু নির্মূল নয় কঠোর হাতে হস্তে দমন করতে হবে এই মাদক মাফিয়া চক্রকে মাদক ব্যক্তি সমাজ পরিবারকে ধ্বংস করে দেয় বিলে পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল সাইবার স্পেসে সংগঠিত মাদক অপরাধ দমন ডগ স্কোয়ার গঠন এবং অধিদপ্তরের ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য যশোর পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য গাজী এনামুল হক গাজী এনামুল

হক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এই বিল উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার প্রস্তাব হচ্ছে এই বিষয়টি জন মত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা সময় নেওয়া এবং বাছাই কমিটিতে প্রেরণ করা তার কারণ এই খসড়ায় এই বিলে দেখা যায় যে মাদক আসক্ত বাহক খুচরা বিক্রেত বড় কারবারীদের পৃথক আইনি

বিভক্ত করা হয়নি একই শাস্তির বিধান করা হয়েছে তাছাড়াও এখানে যারা ক্যারিয়ার দেখা যাচ্ছে যে তার দিন আনা দিন খাওয়া তার পরিবারে বাড়ি ঘর দোন নাই অথচ কোটি টাকার মাদক পাওয়া যাচ্ছে তাকে যদি ছেলে নিয়ে যদি উদ্ধার করা যায় যে কে কার এত টাকা দিয়ে এই মাদক আনা হয়ে সেই বিধান এর মধ্যে রাখা হয়নি এবং এই বিল্টের মধ্যে এই যে সীমান্ত এলাকায় যেখানে পরিষ্কার আমরা জানতে পেরেছি যে ভারত

ভারত এটাকে উদ্বুদ্ধ করতে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ জয়পুরহাট এক সময় এক মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ এই বিলটি নিয়ে আসার জন্য। মাননীয় স্পিকার আসলেই যা ক্ষতিকর এবং ধ্বংসকর আল্লাহ রাব্বুল আলামিন তাকে হারাম করেছেন এইজন্য মদও আল্লাহ হারাম করে দিয়েছেন। এজন্য মদকে শুধু নিয়ন্ত্রণ নয় এটা হারাম করে দেওয়া দরকার।

মাননীয় স্পিকার, আমি বলতে চাই যে আসলে এই মাদক ব্যবসা যারা করে তাদেরকে চিহ্নিত করা খুব কঠিন বলে আমি মনে করি না। আজকে যারা মাদক ব্যবসা করছে, এই ব্যবসায়ীরা এই গডফাদাররা আমাদের সমাজেই চলাফেরা করছে দাপটের সাথে। এজন্য তাদেরকে চিহ্নিত করা এবং তাদেরকে যদি শাস্তি দেওয়া যায় তাহলে মাদক সেবনকারীরা এমনি বন্ধ হয়ে যাবে। এজন্য আমি মনে করি যে এটাকে জনগণকে ব্যাপক প্রচারের জন্য জনমত যাচাই দেওয়ার জন্য আমি

এই বিলটি আমি উপস্থাপন করেছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মোঃ আবুল হাসান সিলেট পাঁচ সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। সাথে সাথে সময় উপযোগী বিল আনার জন্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। মাননীয় স্পিকার বিগত দুই অধিবেশনে মাননীয় সংসদ সদস্যরা

বক্তব্য রেখেছেন। অধিকাংশ মাননীয় সংসদ সদস্যের বক্তব্যে ফুটে উঠেছে মাদকের কলার গ্রাসের কথা। এই মাদক নিয়ন্ত্রণ টা শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে হবে না। আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যিনারা আছেন এনারা যদি শক্ত ভূমিকা না নেয় তাহলে এটা পুরো নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হবে না। অতএব যে যে লাইন দিয়ে বা যে যে এলাকা দিয়ে এই মাদক আসে এই এলাকাতে যদি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিনার অধীনে যে সমস্ত

বিভাগ আছে যেমন বিজেপি আছে আরো বিভিন্ন সংস্থা আছে ইনারা যদি কঠোর হস্তে দমন করার চেষ্টা করেন তাহলে আশা করা যায় এটা নিয়ন্ত্রণে তুলে আসবে আমরা দেখছি শুধুমাত্র পারিভাবে বিশৃঙ্খলা ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আমার নির্বাচনী ইশতেহারে জনগণকে আশ্বস্ত করেছিলাম নির্বাচিত হতে পারলে 60 দিনের মধ্যে মাদক নির্মূলের ব্যবস্থা

কিন্তু আমি পরে যখন বুঝতে পারলাম যে মাদক নির্মূল অধিদপ্তর না মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর তখন ভাবলাম নিয়ন্ত্রণ করা যাবে নির্মূল করা যাবে না আমি প্রথমেই দাবি জানাই যে মাদক নিয়ন্ত্রণ না করে মাদক নির্মূল অধিদপ্তরের আগে সংশোধন নিয়ে আসা হোক দ্বিতীয়ত হচ্ছে আমাদের একটা রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন উইথ আউট পলিটিক্যাল উইল মিনিংফুল চেঞ্জ এবসোলুটলি ইমপসিবল আমরা যদি এটা ধরি তাহলে লক্ষ্য করি আগল ঝড়ায় কয়দিন আগে আমরা দেখেছি যে একজন মাদকসেবিকে ধরা হয়েছিল এজন্য 100 লোক থানায় গিয়ে হামলা

করে পুলিশদেরকে আহত করেছিল, থানা ভাঙচুর করেছিল। আমরা যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছায় না আসতে পারি তাহলে মাননীয় স্পিকার আমরা কি করে এটা সমাধান করব? সেজন্য আমি মনে করি রাজনৈতিক সদিচ্ছার পাশাপাশি গত বাবু

গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেছিলেন যে এটি তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানার কথা যে ববি ইয়াবা বদির অবস্থা কি তার পরিবর্তন কি হলো সুতরাং সেই জায়গাটা আমাদের সমাধান ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা চার ধন্যবাদ সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সময় উপযোগী একটি বিল আনার জন্য কিন্তু মাননীয় স্পিকার

আমরা জানি যে এখন বর্তমানে মাদকের বিরুদ্ধে আইন আছে কিন্তু এই আইনের মাধ্যমে মাদক দূর হচ্ছে না বন্ধ হচ্ছে না নতুন যে আইন আসছে বা সংশোধনী আসছে এর মাধ্যমে যে বন্ধ হবে এটা আমরা নিশ্চিত হতে পারছি না এই জন্য আমি বলব যে সমাজে ইসলামের মাদক একেবারে হারাম করা হয়েছে ইসলামের বিধান হচ্ছে ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কল্যাণকর কাজেই ইসলামিক

স্কলার যারা আছেন, তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে আইনের যদি এমেন্ডমেন্ট আনা হয়, তাহলে হয়তোবা এর কিছু সুফল পাওয়া যাবে। এইজন্য আমি অনুরোধ করব এই বিলকে আরো জনমত যাচাইর জন্য এবং ইসলামী স্কলারদের পরামর্শ নেওয়ার জন্য এই বিলটাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম চাপাই নবাবগঞ্জ 3 সময় 1 মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার

আপনাকে ধন্যবাদ। জনমত যাচাইয়ের জন্য আমি এই বিল্ডিংকে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রস্তাব করছি। বিদ্যমান আইনটি সময়ের প্রয়োজনে সংশোধন করা অত্যন্ত জরুরি। তবে আইন যতই কঠোর এবং কৌশলগত হোক শুধুমাত্র আইন প্রয়োগ করে মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হতে পারে না।

আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। যুবকদের হতাশা অবৈধ ইনকাম দুর্নীতি এটার সাথে মাদকের সম্পৃক্ততা অনেক বেশি। সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে ক্যান্সার ব্যাপক ক্যান্সারের মত ভয়ঙ্কর আকারে ছড়িয়ে গিয়ে মাদক এ অবস্থায় আমি মনে করি যে একটি গ্রহণযোগ্য ও যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের স্বার্থে জনমত যাচাইয়ের জন্য ধন্যবাদ মাননীয়

সদস্য। জনাব মোহাম্মদ কামাল হোসেন, ঢাকা পাঁচ। নেই। জনাব মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ, চুয়াডাঙ্গা এক। সময় এক মিনিট। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি শুনে থাকেন তাহলে আমি বলি যে এক মিনিটের মধ্যে বলছি, সেটা হচ্ছে যে মাননীয় স্পিকার এই আইনটি

যেটা আছে তার থেকে নতুন করে যেটা সংযোজন হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কেন্দ্রীয় নোডাল এজেন্সি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে একটা ট্রাইবুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে এবং সাইবারের মাধ্যমে যে মাদক সম্পৃক্ত অপরাধগুলো হয় সেগুলো সংযোজন করা হয়েছে শাস্তি কিন্তু মোটামুটি যা ছিল তাই আছে কিন্তু এই শাস্তি দিয়ে তো আমরা মাদক নিয়ন্ত্রণ এখনো করতে পারি নাই এই কারণে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজন আইন মন্ত্রণালয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তিন মন্ত্রণালয় এখানে সম্পৃক্ত আছে কারণ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এখানে জড়িত

আমার চুয়াডাঙ্গা এরিয়া সীমান্তবর্তী এলাকা সেখান থেকে ফেনসিডিল আসে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকা দিয়ে যেটা হচ্ছে ইয়াবা এবং ট্যাবলেট আসে মাননীয় স্পিকার এই ভাবেই আমাদের দেশে ছেড়ে যাচ্ছে সবকিছু এবং আইন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এগুলো ঢুকছে পরে দুইদিন পর বের হয়ে আসছে আইনের ইয়ের কারণে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য টু দা পয়েন্ট নীলফামারী চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য

সদস্য জনাব আব্দুল মুনতাকিম সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়কে মানবদেহ নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল 2026 এই সংসদে আনার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি আমার যতটুকু অভিজ্ঞতা সেই ইউনিভার্সিটিতে পরাকালীন সময়ে যখন বাড়ি ফিরতাম দেখতাম হিলি বন্দরের পাশে গিয়ে ট্রেন থেমে যায় আর ট্রেন থামলেই দেখি যে নানান ভাবেই বিভিন্ন মানুষ ট্রেনে উঠছে

তাদেরকে জিজ্ঞেস করলেই বলে যে এটা নিয়েছি ওটা নিয়েছি কিন্তু বস্তার ভিতরে কি আছে সেটা আর দেখতে পাই না শুধু এভাবেই চলে যায় এর পাশাপাশি যখন দেখি তারা পুলিশের হেফাজতে চলে আসে কিছু মানুষ আসেন যারা সরকারি দল বিরোধী দল বলি আমরা যারা আমরা প্রভাবশালী আমাদের তদবিরের কারণে তারা আবার পুলিশের কাছ থেকে ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যায় তারা আর জেলখানায় যায় না আবার জেলখানায় গেলে কিছুদিনের মধ্যে তারা আবার ফিরে আসে মাননীয় স্পিকার আমি যেটা বলতে চাই এই মাদক

দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংসদের বিল এর মাধ্যমে মাদক চুয়াডাঙ্গা দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন সময় এক মিনিট

ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়কে। মাননীয় স্পিকার মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন টা আমরা করেছি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ না করে মাদক দ্রব্য কিভাবে নির্মূল হয় তার একটা ব্যবস্থা যদি করা যায় তাহলে ভালো হয়। মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশে এখন 83 লক্ষ মানুষ মাদকসেবী এই 83 লক্ষ মানুষ প্রতিদিন নতুন নতুন মাদকাসক্ত মানুষদেরকে

তৈরি করছে। এ কারণে সরকারি চাকরি, বিদেশ ভ্রমণ, বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অধিষ্ঠিতের আগেই তাদেরকে ড্রপ টেস্টের মাধ্যমে কিভাবে তাদেরকে মাদক মুক্ত আছে কিনা এটা যাচাই করে নেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। মাননীয় স্পিকার, পুলিশ বাহিনী বর্ডার অঞ্চলে যেতে পারে না বিজিবির অনুমতি ছাড়া। যেখানে মাদক, দ্রব্য, মাদকের আসামি থাকে সেখানে ধরতে যেতে পারে না। এটা সংশোধন করেও তাদের

যাওয়ার ব্যবস্থা অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক মাগরিবের নামাজের জন্য 30 মিনিট 30 মিনিট বিরতি দেয়া হলো আপনাদের সহযোগিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ

বিলের সংশোধনী তালিকা নম্বর তিন এর ক্রমিক নং চার এ উল্লেখিত বিলের 10 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য

জনাব মোঃ নাজিবুর রহমানের রহমান বিলের 23 দফায় যে সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ করা হলো

এখন আমি বিলের দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে সংশোধিত আকারে বিলের দফা দুই দফা তিন চার পাঁচ ছয় সাত আট সংশোধনী আকারে সংশোধিত আকারে দফা নয় ও 10 দফা 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 এবং 23 এই বিলের অংশ হিসেবে

গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব সংশোধিত আকারে বিলের দফা দুই দফা তিন চার পাঁচ ছয় সাত আট সংশোধিত আকারে দফা নয় ও 10 দফা

11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22 এবং 23 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের

পক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমদ আপনি বিলটি সংসদে স্থিরকৃত আকারে পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।

ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনি অনুমতি দিলে পাশ করার আগে শুধু আমি এক মিনিট সময় নিয়ে মাননীয় সদস্যকে একটু সন্তুষ্ট করি। তিনি যেহেতু যেভাবে হোক আপনি অনুমতি দিয়েছিলেন কথা তুলেছেন। তার প্রস্তাব মতে সংশোধনীতে ফেন্সি ডিল এবং ইয়াবা শব্দ দুটো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তিনি আবারো পাশ চুঁ করেছেন। তা আমি তো আমার বক্তব্যে বলেছি যে কেমিক্যাল নামগুলো আমরা অন্তত

অন্তর্ভুক্ত করি ব্র্যান্ড নেম গুলো অন্তর্ভুক্ত করি না কারণ মাদকের মদের মধ্যে অনেক রকমের কোম্পানির অনেক মদ আছে কিন্তু কেমিক্যাল একটা অ্যালকোহল কত মাত্রা কি ইত্যাদি ফেনসিডিল যেটা উনি বলেছেন ফেনসিডিলের আপনি তফসিলের ক শ্রেণীভুক্ত মাদকের মাননীয় সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ক শ্রেণীভুক্ত মাদকের চার নম্বর দফায় কুডিন

যে কেমিক্যালটার নাম বলা আছে, এটা কোডিন ফসফেট ও বলে অনেক সময়। এটা হচ্ছে ফেনসিডিল। এই ফেনসিডিল বাদে অন্যান্য কাশির ওষুধ যেগুলো আছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড নামে আছে। সবগুলোতে কোডিন আছে। আর ইয়াবার ক্ষেত্রে যেহেতু এই ব্র্যান্ডটা পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ইয়াবার। তা আমরা তো এই যে বিভিন্ন রকমের সিসা, টিসা তারপরে আইস বিভিন্ন রকমের দ্রব্য এখন দেখতে পাই। কিন্তু ওই হিসাবে সেগুলো উল্লেখ করা হয় না। ওখানে যে কেমিক্যালটা আছে সেই কেমিক্যালটা

উল্লেখ করা হয়। ইয়াবার কেমিক্যালটা হচ্ছে পাঁচ নম্বর দফায় আপনি ক স্রনিভুক্ত মাদকের পাঁচ নম্বর দফাতে দেখবেন। এম ভিটামিন, বেঞ্জ ভিটামিন, লেফেটামাইন, মেটাভিটামিন, এই উপাদানগুলো যেখানেই পাওয়া যায় ওইটা ইয়াবার মধ্যে আছে। হয়তো একটা উপাদান থাকবে কোথাও দুইটা উপাদান থাকবে কিন্তু এই উপাদানগুলো কেমিক্যালগুলোই এই মাদকের মধ্যে আছে। সুতরাং কেমিক্যালের

যেহেতু ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করার পরে কোর্টে উপস্থাপন করা হবে মাদকদ্রব্য হিসেবে তখন কেমিক্যাল নামটা দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। তো সেই জন্য মাননীয় সদস্যকে বলছি আপনার উত্থাপিত প্রস্তাব টা খুবই

গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এটা অলরেডি এখানে ইনক্লুডেড আছে এই কেমিক্যাল গুলো সেজন্য সেটা এক্সিজারেশন হবে। ধন্যবাদ। আমি প্রস্তাব করছি মাননীয় স্পিকার। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন 2028 এর অধিকতর সংশোধিত সংশোধন কল্পে আনিত বিলটি স্থায়ী কমিটি কর্তৃক রিপোর্টকৃত আকারে সুপারিশকৃত আকারে

এবং আজকে যে সংশোধনীগুলো গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো সংশোধনীগুলো সহ সংসদে স্থিতিকৃত মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটা সংসদে স্থিতিকৃত আকারে হবে বুঝে স্থিতিকৃত আকারে সংসদে সংসদে স্থিতিকৃত আকারে আবার করছি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন 2018 অধিকতর সংশোধনকল্পে আনিত বিলটি মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক স্থিতিকৃত স্থিতিকৃত আকারে

ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে সংসদে স্থিরীকৃত আকারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল 2026 পাশ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে

এখন আমি মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জনাব সরদার মোঃ সাকাওয়াত হোসেনকে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয়

মন্ত্রী মিস্টার স্পিকার স্যার আমি সরদার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করিতেছি যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন 1998 এর অধিকতর সংশোধন কল্পে আনীত বিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে

অবিলম্বে সংসদে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্যবৃন্দের মধ্যে জনাব মোঃ শফিকুর রহমান ঢাকা 15 জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2, জনাব মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5, জনাব মোঃ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6, জনাব মোঃ আব্দুল আলিম বাগেরহাট 4, জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3, জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা 3, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী 2, জনাব রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1, জনাব মোঃ আফজাল হোসেন

4 জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নিলফামারী 1 জনাব মোঃ জনাব মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা 5 জনাব মোঃ গোলাম রসুল যশোর 4 সাবিকুন নাহার মহিলা আসন নম্বর 39 মোসাম্মদ নাজমুন নাহার মহিলা আসন নাম্বার 40 জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা 4 জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিন, জনাব মোঃ মাসুদ পারবেজ চট্টগ্রাম সরি দুঃখিত চুয়াডাঙ্গা এক, জনাব মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ জয়পুরহাট এক, জনাব আব্দুল মুন্তাকিম নিলফামারী চার, জনাব মোঃ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা দুই, জনাব মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক, জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফি নিলফামারী তিন, জনাব মোঃ নাজমুল হুদা মেহেরপুর দুই, মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটি

একটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্যবর্গের মধ্যে জনাব মোঃ শাজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15, জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4, রুমিন ফারহান

ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2, জনাব মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5, জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3, জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা 3, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীলফামারী 2, জনাব রাশিদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1, জনাব মোঃ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া 4, জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16, জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নীলফামারী

এক, জনাব মোহাম্মদ গোলাম রসুল যশোর চার, জনাব মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক, জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান সাইদ জয়পুরহাট এক, জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা দুই এবং জনাব মোহাম্মদ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক, জনমত যাচাই এর প্রস্তাব বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি সম্পর্কিত আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে।

আমি এখন নোটিশদাতা মাননীয় সদস্যগণকে তাদের প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি। প্রথমেই ঢাকা 15 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য এবং বিরোধীদলীয় নেতা জনাব মোঃ শফিকুর রহমান

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহ

الدعوه التامه والصلاه القائمه اتي محمدا الوسيله والفضيله والدرجه الرفيعه وابعثه مقاما محمودا الذي وعدته وارزقنا شفاعته يوم القيامه انك لا تخلف

ফুল মিয়াদ। অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। এখন আমরা সংশোধিত আকারে পেশ করা হলো। আমি সেটা বললাম। বিশেষ কমিটি রিপোর্টের ভিত্তিতে এখন আপনি আপনার বক্তব্য দয়া করে রাখতে পারেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

বিষয়টা জন স্বাস্থ্য এবং জনস্বার্থ সংক্রান্ত আমি জাস্ট আমার কনসার্টা ব্যক্ত করছি এখানে আইনের সংশোধনীতে বলা হয়েছে প্রফিট নন প্রফিট দুই ভাবেই এখানে এঙ্গেজ হওয়ার সুযোগ আছে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের অধিকার কিন্তু আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা শতভাগ সেটা নিশ্চিত করতে পারছি না এর মধ্যে

সরকারি যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলো তার সীমাবদ্ধতার মধ্যেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে তাশিয়ারি লেভেল স্বাস্থ্য সেবা সরকারিভাবে একটাই সেটা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এই জায়গাতে কারা আসে যাদের সামর্থ্য কুলায় না বাইরে প্রাইভেট তাশিয়ারি লেভেলের চিকিৎসা সেবা নেওয়ার তারা এখানে আসেন এখন এখানে যদি আবার

প্রফিট বেসড কোন ইনিশিয়েটিভ নেওয়া হয় বা যুক্ত করা হয়। এখানে জয়সং কম্পানি থেকে এটা রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে।

কোম্পানিতে রেজিস্ট্রেশন যারা নেয় নেচার দুই ধরনের একটা হচ্ছে বিজনেস বেসড আরেকটা হচ্ছে চ্যারিটি বেসড এখানে যদি শুধু চ্যারিটির মধ্যে ননপ্রফিটের মধ্যে কিছু থাকে আমার কোন আপত্তি নাই কিন্তু প্রফিট কনসার্ন কিছু আসলেই জনগণের উপরে কিন্তু আবার একটা বড় ধরনের দায় চাপবে যেটুকু স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যাচ্ছে সেটা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে তারপরে এটাকে অপারেট করতে গিয়ে মেকানিজম যেটা করা হবে

সেখানে আমরা শতভাগ যদি ট্রান্সপারেন্সি নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে যা আছে সেটাও শেষ হয়ে যাবে আমি মনে করি আমার এই ধারণা থেকে আমি অনুরোধ করব যে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বিলটাই প্রত্যাহার করুন আরো চিন্তাভাবনা করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি গঠন হোক তারা আরো বিবেচনা করে ভবিষ্যতে যদি কোন জনকল্যাণকর বিল আনতে হয় তাহলে সেটা আনাই যুক্তিসঙ্গত হবে বলে আমি মনে করি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনি কিছু বলবেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্লিজ মাইকটা দিবেন তি জি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই বিশেষ কমিটির মিটিংয়ে আমি নিজেও উপস্থিত ছিলাম মাননীয় স্পিকার রিপোর্টের মধ্যে উল্লেখও আছে

এখানে বিরোধীদলীয় মাননীয় সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান রাজশাহী এক এবং জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা চার উনারা দুইজন উপস্থিত ছিলেন এবং আমার হ্যাঁ আরো ছিলেন না মাননীয় বিরোধীদলীয় সদস্যগণ ওখানে যথেষ্ট আলোচনার সুযোগ পেয়েছেন এবং আমরা প্রত্যেকেই মতবিনিময় করেছি তারা সবাই একমত হলে পরে

এখানে রিপোর্টে কোন রকমের নোট অফ ডিসেন্ট ছাড়া তারা একমত হয়ে এটা সুপারিশ করেছেন বিশেষ কমিটিতে যেহেতু এখানে সংশোধনী দিয়ে আলোচনা আরো করতে পারেন বা জনমত যাচাই বাচাই বাচাই কমিটিতে প্রেরণ করতে পারেন এই তিনটা স্টেজে আলোচনা করতে পারেন যদি বিরোধীদলীয় সদস্যদের কোন বক্তব্য থাকে কিন্তু শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠন হলে তারপরে আবার

পারপ্রেরিত হবে সেই প্রস্তাব ও কিন্তু দেয়ার বিধান আছে সংশোধনের মধ্যে তো সেটাও তারা দিতে পারে কিন্তু আইন প্রণয়ন পদ্ধতির মধ্যে এই স্টেজে এসে যদি একতরফা ভাবে মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রস্তাব মতে সেটা আবার স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলে পরে সেখানে প্রেরণ করা হোক এইটার প্র্যাকটিস হলে মাননীয় স্পিকার একটু ব্যর্থ হবে এই প্রস্তাব ও তারা আনতে পারে যে আমরা এই কমিটির বিশেষ কমিটির

রিপোর্টে সন্তুষ্ট নই, আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠিত হলে পরে রুলস অফ প্রসিডিউর বিধান মতে অভিলম্বে বিবেচনার তে গ্রহণ করার জন্য যখন প্রস্তাব করবেন তার বিপরীতে বিরোধী দলের সদস্যগণ কিন্তু জনমত যাচাই-বাচাই যেমন করছে আবার সংশোধনী দিতে পারবে আবার ইচ্ছা করলে স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণের জন্য একটা প্রস্তাব দিতে পারবে সেটা এখানে আলোচনা হতে পারে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আলোচনা

অংশ গ্রহণ করবেন চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী নেই জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ দেড় মিনিটের কথা আগে আলোচনা হলো না সময় দেওয়ার জন্য যদি দয়া করে দিতেন একটু বেশি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ 1998 সালের মূল আইনের উদ্দেশ্য ছিল দেশে উচ্চতর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা বিশ্বমানের

অভিষেক নেওয়া সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিপালন করা কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই সংশোধনী বিলের মাধ্যমে চিকিৎসা শিক্ষাকে সেবার হাত থেকে কেড়ে নিয়ে বাণিজ্যের হাতে তুলে দেওয়ার একটা সুক্ষ্য প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে এই সংশোধনীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোম্পানি আইন 1993 এর অধীনে মুনাফাভিত্তিক অমুনাফাভিত্তিক কোম্পানি যে সংগঠন গঠন করার আইনি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এবং সরকার বলছে নবনির্মিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল

সুবিধার্থে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাইনর স্পিকার চিকিৎসা সেবা এখন একটা ব্যবসা যদি পরিণত করা হয় সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেখানে পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যাবে। মনোনি স্পিকার এই সুপার স্পেলেস রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2 নেই। জনাব মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধনী বিল 2026 যেটা আনা হয়েছে এখনো এ সম্পর্কে একটি কমিটি

স্থায়ী কমিটি এখনো গঠন হয় নাই। বিশেষ কমিটির মাধ্যমে এটা এসেছে। এই কারণে এটা আরো যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন। সেজন্য এটা আজকে জনমত যাচাইয়ের জন্য আমি প্রস্তাব করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর্‌রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ নেই। জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান

ময়মনসিংহ 6। সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আসলে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্পোরেট হাউজে পরিণত করার যে বিল আমি মনে করি এটা অবশ্যই চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে আসলে সাংঘর্ষিক। পাশাপাশি এই এই বিলের মাধ্যমে চিকিৎসাকে বাণিজ্যিকরণের

এর জন উৎসাহিত করা হচ্ছে আমি মনে করি এবং আজকে সরকার যেখানে চিকিৎসার সবার জন্য চিকিৎসার কথা বলছে সেখানে এটার সাথে এটা সাংঘর্ষিক সেই কারণে এটা স্থায়ী কমিটির গঠন পর্যন্ত এটা অপেক্ষা করা উচিত এবং স্থায়ী কমিটিতে আরো পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে জনমত যাচাই সহ পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে এই বিলটি সংসদে আসা দরকার বলে আমি মনে করি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বাগেরহাট

চার সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গ চালু করা চিকিৎসক ও জনবল সংকট দূর করা দুর্নীতি ও নিয়োগ অনিয়ম দূর করা রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করা এবং দায়িত্বে অবহেলার শাস্তি বিধান এসকল বিষয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও জনমত জানা প্রয়োজন মাননীয় স্পিকার এ কারণে

2026 খ্রিস্টাব্দের 20 সেপ্টেম্বর তারিখ পর্যন্ত এই বিলটি প্রচার করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3 অনুপস্থিত জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা 3 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার যেহেতু এই বিলটি

সাথে জড়িত এটি অতীব জরুরী এবং জনগুরুত্বসম্পন্ন এ ব্যাপারে যেহেতু সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন হয়নি অতএব আমি মনে করি যে এই জরুরী এবং জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিল পাশের পূর্বে স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক এবং সেখানে পর্যালোচনা করা হোক এরপরে জনমত যাচাই হোক এরপরে বিলটি সংসদে সংসদে আসে

দরকার বলে আমি মনে করি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আলফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী দুই নেই জনাব রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বাসায় যখন থাকি এলাকায় যখন থাকি এত বেশি লোক এসে আমাদের কাছে চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন করেন আমার কাছে সমাজসেবা কর্মকর্তা এসে বলছেন যে

স্যার, এটা বন্ধ করেন একটু। এতো বরাদ্দ সরকারের পক্ষ থেকে নাই। তো যদি এই হয় অবস্থা, সেখানে যেখানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল সেটাকে যদি আমরা কোম্পানিতে রূপান্তর করি তাহলে কি দাঁড়াবে সেটার চিত্রটা আমি আপনাকে তুলে ধরছি। বাংলাদেশে মোট ব্যক্তিগত ভাবে খরচ করে 73 ভাগ মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ করেন। যেটা ভারতে 43, চীনে 32, থাইল্যান্ডে 11, শ্রীলঙ্কায় 38, যুক্তরাজ্যে 14, জাপানে 12, ফ্রান্সে 9% মানুষ মাত্র। তো সেই জায়গায় আমরা যদি

যদি এখনই এরকম একটা সিদ্ধান্ত নেই তাহলে কি দাঁড়াবে এটা আর বর্ণনা করার বেশি ব্যাখ্যা করার দরকার নাই সে মোতাবেক আমি মনে করছি যে আগামী 2026 খ্রিস্টাব্দের 20 সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিলটি প্রচার করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মোঃ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া চার কুষ্টিয়া চার আফজাল হোসেন নেই। জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম

চট্টগ্রাম 16 নেই জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নিলফামারী এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ জি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আজকে মহান সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী সম্মানিত আমির ডক্টর শফিকুর রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত অর্জন করেছেন তিনি বলেছেন যেহেতু স্থায়ী কমিটি এখনো গঠিত হয়নি

সে কারণে আপাতত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 পাস না করে জনমত অধিকতর যাচাই এর জন্য বিলটি প্রচার করা হোক। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা পাঁচ সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 জনমত যাচাই জন্য প্রেরণ করা হোক। যেহেতু এখনো স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়নি আমরা আশা করবো আমাদের এই দাবি

মেনে নিয়ে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থায়ী কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্থায়ী কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করবেন পরবর্তীতে তিনি এই বিলটি উত্থাপন করবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ গোলাম রসুল যশোর চার সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের বাংলাদেশের যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আছে আমরা দেখেছি গ্রামের হতদরিদ্র মানুষগুলোই এখানে চিকিৎসার জন্য

আসে। প্রতিনিয়তো আমাদের কাছে এ ধরনের রোগী আসে। তাদের ট্রিটমেন্ট জন্য এখানে আসে। কিন্তু আমরা আজকে দেখতে পেয়েছি বাংলাদেশের যারা রাজনীতিবিদ যারা আমলা এবং যারা ব্যবসায়ী আজকে যারা আমরা এখানে আলোচনা করছি যারা শীর্ষ পর্যায়ে আছেন তারা কিন্তু বাংলাদেশের কোন এই সমস্ত হাসপাতালের ট্রিটমেন্টের জন্য যান না। তারা বিদেশে চলে যান হয় ভারত নাই সিঙ্গাপুর নাই থাইল্যান্ড। তাদের টাকা আছে। কিন্তু গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের কিন্তু টাকা নাই। তারা এখানেই কিন্তু আসে। কিন্তু আজকে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা কোম্পানিতে তৈরি করা হচ্ছে। কাজেই সেখানে চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে যাবে। আমরা

সেটা আশঙ্কা করছি কাজে আমি এই বিলটা জনমত যাচাই এর জন্যে আমি মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই সাথে সাথে স্থায়ী কমিটি গঠন করে স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে বিলটা আসলে সবচেয়ে ভালো হয় মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য সাবিকুন্নাহার মহিলা আসন নম্বর 39 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 এর উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবিত এই বিলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে জনগণ চিকিৎসক সমাজ শিক্ষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মনে করি। এ বিলের মাধ্যমে আমরা জানি যে বিশ্ববিদ্যালয়কে কোম্পানি গঠন ও বিনিয়োগের ক্ষমতা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একটি রাষ্ট্রীয় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু বাণিজ্যিক কর্মকান্ডের সম্পর্কে

হতে পারবে এবং এই সীমারেখা কোথায় নির্ধারিত হবে জনগণের করের টাকায় পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যদি ধীরে ধীরে কর্পোরেট কাঠামোর দিকে ধাবিত হয় তাহলে সাধারণ রোগীর স্বার্থ কতটুকু সুরক্ষিত হবে তাই আমি মনে করি এই বিলটিকে স্থায়ী কমিটির কাছে প্রেরণ করা হোক এবং জনমত যাচাই যাচাইয়ের জন্য প্রচার করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মুসাম্মদ নাজমুন্নাহার মহিলা আসন নম্বর 40

সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল 2026 এই বিলটি আনার জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে যেহেতু এটি একটি কোম্পানি করার বিধান রয়েছে এবং কোম্পানি হলে এখানে আর্থিকভাবে লেনদেন হবে সেজন্য আমি মনে করি যে এটা আসলে সেবামূলক একটা বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া প্রয়োজন এবং যেহেতু স্থায়ী কমিটি এখনো গঠন হয়নি

স্থায়ী কমিটি গঠনপূর্বক যাচাই-বাছাই জন্য আরো স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিমূলক হওয়ার জন্য 20 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ পর্যন্ত এটি জনমত যাচাই করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের যে আমাদের মৌলিক

মানবাধিকারের বিষয়ের মধ্যে স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অথচ আমরা লক্ষ্য করি বিশ্বে আমাদের এখন হেলথ কেয়ার ইন্ডেক্স যেটা আছে সেই ইন্ডেক্সে আমরা 97 টি দেশের মধ্যে 96 তে এমনিতেই আছি এরপর যদি এটাকে কোম্পানি আইনে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে এই স্পেশালাইজড হাসপাতালের মাধ্যমে আমরা ব্যবসায় পরিণত হয়ে এরপর এক তালিকার বাদ আছে অর্থাৎ 97 থেকে আমরা 96 তে আছি তারপর আর কোথায় যাবো আমাদের নামার ও তো আর কোন জায়গা নেই আমার মনে হয় সেই জায়গাটা যেমন দেখা দরকার এসি

তালিকায় 33 টি দেশের মধ্যে আমরা 33 নাম্বার আছি আমাদের আর নিচে নামার কোন জায়গা নাই মাননীয় স্পিকার আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ করব আপনার মাধ্যমে যে এটি যাচাই-বাচাইপূর্বক সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা হয় সেই বিষয়টি দেখার জন্য আমাদের এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত স্পেশালিস্ট মানে বড় রোগ বড় অসুখ বড় রোগীরা তো সব দেশের বাইরে যায় তো গরিবের স্বার্থ রক্ষা না হলে এটা ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য স্যর

জয়নুল আবেদিন, ঢাকা চার, নেই। জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিন, সময় এক মিনিট।

ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধনী বিল 2026 এই বিলটি এখানে পেশ করার আগে আমি অনুরোধ করতে চাই যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির গঠন হোক সেই স্থায়ী কমিটিতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সামগ্রিকভাবে এদেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটা

যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত আসুক সেটি গ্রহণযোগ্য বলে আমি মনে করি। এইজন্য বাংলাদেশের মেডিকেল সেক্টরকে আমরা যদি আবারো বাণিজ্যিকীকরণ করি সরকারের উদ্যোগে এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। মাননীয় স্পিকার আমি এজন্য আবারো বলতে চাই যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে এটা পাঠানো হোক গঠিত হওয়ার পরে এবং এরপরে সংসদে আসুক আমরা আলোচনা করে আবারো জনগণের

মধ্যে যা ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 এটা পাশ হওয়ার আগে জনমত যাচাইয়ের জন্য এবং বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য আমি পিটিশন দিয়েছি এর পক্ষে যুক্তি হচ্ছে এই যে মাননীয় স্পিকার আমাদের রাষ্ট্রীয় যে কাজ

কাঠামো বা সংবিধান যেটা আছে, সেই সংবিধানের মৌলিক নীতিমালার মধ্যে রয়েছে জনগণের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। 15 অনুচ্ছেদ এবং 18 অনুচ্ছেদ রয়েছে স্যার মাননীয় স্পিকার। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা সেটা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে আমরা এটাকে বাণিজ্যিকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার এরকম স্পেশালাইজড হসপিটাল বাংলাদেশে অনেক আছে। সেগুলোতে যাদের সামর্থ্য আছে তারা সেখানে চিকিৎসা হয়। যাদের সামর্থ্য নাই তারা তখন এখানে এসে হয়। গত কয়েকদিন আগে মাননীয় স্পিকার আমার এলাকার একটা রোগী সে পপুলারে ছিল সেখানে তার খরচ বহন করতে

পাচ্ছিলেন না এই কারণে এখানে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশ্বে এটা নজিরবিহীন ঘটনা হবে যে একটি সরকারি প্রাইভেট সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে করা হয়েছে জয়েন্টলি নিয়ে ইয়েতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ব্যবসাকরণ করা হয়েছে। এটা অন্যান্য দেশে আছে শুরু থেকে হতে পারে কিন্তু জি ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মোঃ ফজলুরrahman সাইদ জয়পুরহাট এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী যেটা নিয়ে আসা হয়েছে, এখানে স্থায়ী কমিটি যেহেতু গঠিত হয়নি, এজন্য এটাকে আরো যাচাই-বাছাই করার জন্য স্থায়ী গঠন কমিটি করা করা হোক এবং সেখানে প্রেরণ করা হোক আর ব্যাপক জনমত যাচাইয়ের জন্য এটাকে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আমি এখানে বলতে চাই যে, আমাদের দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যারা তারা আসলে চিকিৎসার জন্য সাধারণত

এই আমাদের এই সরকারি জায়গাতেই আসে সেখানেও যদি মুনাফার জায়গা হয় সেখানে যদি বাণিজ্যিক আকারে করা হয় তাহলে এদেশের জনগণ যাবে কোথায় সুতরাং বিষয়টাকে আসলেই চিন্তা করা দরকার যাতে করে আমাদের সাধারণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী কোনো ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এজন্য আমি এটাকে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করে অনুরোধ করে শেষ করছি মাননীয় স্পিকার আমার ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আব্দুল মুনতাকিম নিলফামারী চার সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার

আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 এই বিলটি জনমত যাচাই এবং বাছাই কমিটিতে ফেরানোর জন্য জোরালো দাবি জানা যাচ্ছে। মাননীয় স্পিকার, এই সংশোধনী মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে লাভজনক ও অলাভজনক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার অবাধ আইনি ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় যখন ব্যবসা বা আয় করার মানসিকতা নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা করবে তখন চিকিৎসা আর জনকল্যাণমূলক থাকবে না মাননীয় স্পিকার। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় এছাড়াও বিশ্ব

অধীনে বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা কোম্পানির মাধ্যমে শেয়ারিং এর যে ব্যবস্থা করা হচ্ছে তা দেশের স্বাস্থ্য খ্যাতি অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে মাননীয় স্পিকার এজন্য আমি প্রস্তাব করছি যে দেশের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুশীল সমাজ অংশীদারদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিলটি পাশ করা হোক এজন্য জনমত জাচায় জন্য বিলটি প্রচার করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা 2

নেই জনাব মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এই বিলটা পাশ করার আগে জনম যাচাই এর জন্য এটা প্রচার করতে আমি আপনার মাধ্যমে অনুরোধ জানাই আমি দেখতে পাচ্ছি যে আমাদের বাজেট অধিবেশনে

স্বাস্থ্যক্ষেত্র এবং শিক্ষাখাত নিয়ে যত বক্তব্য দেওয়া হয়েছে যে আমরা এখানে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছি, আমাদের খরচ বাড়াচ্ছি, আমাদের হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্টের জন্য দরকার। সেই কথা বেমালুম ভুলে যে

আমরা এখন এই চিকিৎসা খাতে খাতকে বাণিজ্যিকরণের দিকে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। এটা মাত্র কয়দিন আগে তো আমরা বাজেট পাশ করলাম এবং আমরা বললাম যে আমরা অনেক গুণ বাড়িয়ে আছি স্বাস্থ্য খাতে। এখনো তো আমাদের পরিসংখ্যান হলো যে আমাদের দেশের সেবায় চিকিৎসায় যিনি রোগী উনি ব্যয় করেন 70 পয়সা আর সরকার ব্যয় করেন 30 পয়সা। এটা উল্টানোর কথা কিন্তু বলা হয়েছে এখানে। তো এই বাণিজ্যিক ধন্যবাদ মাননীয় সদর

জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফী নীলফামারী তিন সময় এক মিনিট ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমরা সকলেই জানি অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং একটি এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষ সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে আজকের এই বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা অতিব জরুরী

স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য। কারণ হলো যেটা সেটা হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষ যেখানে এম্বুলেন্স ভাড়ার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ঢাকায় আসার জন্য সেই সাধারণ মানুষের মানুষের দিকে তাকিয়ে আমি যে কথাটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে যে এই ব্যয় যদি আরো বৃদ্ধি পায় তাহলে গ্রামের মানুষ সকল দিক থেকে আশাহত হয়ে যাবে। রাজধানীতে সুচিকিৎসার অভাবে তারা গ্রামে বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বহু

সম্ভাবনা আজকে দেখা দিচ্ছে এমতো অবস্থায় বিলটি যাচাই বাছাই এবং জনমত জরিপের জন্য প্রেরণ করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নাজমুল হুদা মেহেরপুর 2 নাজমুল হুদা মেহেরপুর 2 নেই মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জনাব সর্দার মোঃ সাকাওয়াত হোসেনকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ

মাননীয় স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার স্যার এই বিলটি বিশেষ কমিটি কর্তৃক আলোচনার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে যেখানে বিরোধী দলের মাননীয় সংসদ সদস্যগণ ছিলেন

নিরীক্ষণ করে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে বিবেচনার জন্য যে বক্তব্য গুলি এসেছে মাননীয় স্পিকার আমি খুব সংক্ষিপ্ত করতে চাই বিরোধীদলের মাননীয় নেতা এটাকে একটা প্রফিট বেজ অর্গানাইজেশন হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রত্যাহার করতে বলেছেন আরেকজন মাননীয় সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বাণিজ্যের দিকে তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন

মাননীয় আরেকজন সংসদ সদস্য এটাকে কর্পোরেট হাউসে পরিণত করা হচ্ছে বলে বর্ণনা করেছেন আরেকজন বলেছেন এটা জনকল্যাণমূলক থাকবে না মাননীয় স্পিকার আমি সংক্ষিপ্ত করতে চাই বিধায় খুব কনফিডেন্টলি দুই একটি কথা বলতে চাই আমার মনে হয় উনাদের আই এম সরি ইফ আই এম রং উনাদের বোঝার মধ্যে একটু ভুল আছে

বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির অধীনে কিন্তু একটি হাসপাতাল আছে আমাদের দেশে যেটা জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে ইটস এ ভেরি বিগ অর্গানাইজেশন এখন যে হাসপাতালটির কথা এখানে আলোচনা হচ্ছে এটা একটা সুপার স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের ফিন্যান্সে এই হাসপাতালটি করা হচ্ছে এই আইনটি আনা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা উচ্চতর চিকিৎসা

প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে অধিকতর সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা অপহার্য অপরিহার্য বিধায় এটাকে একটা কোম্পানি আইন ফর্ম করে একটা সুপার স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল করে আমাদের দেশের দক্ষ উঁচু মানের মডার্ন জ্ঞান নিয়ে বিদেশীদের নিয়ে হ্যান্ডসন ট্রেনিং নিয়ে আরো উঁচু স্তরের একটি হাসপাতাল করার

জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই কোম্পানি আইন পরিণত করেছে। ইট ইজ প্রফিট অর নট প্রফিট। এটাকে এটা যে যদি কোন প্রফিট হয় এই প্রফিট কেউ বাইরে নিতে পারবে না। দ্যাট প্রফিট শ্যাল বি রিইনভেস্ট ফর দ্যা ডেভেলপমেন্ট অফ দিস স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল। মাননীয় স্পিকার, এখানে গভমেন্টের 10% শেয়ার রয়েছে। একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একটা গভর্নিং বডি নিয়োগ করা হয়েছে এখানে। ইট উইল বি কমপ্লিটলি ম্যানেজড বাই

স্পেশাল ফোর্সেস, আমরা এটা ম্যানেজমেন্ট এর জন্য যেমন সোনারগাঁ হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট সোনারগাঁ হোটেল এটা কোম্পানির আন্ডার ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে বামরুণ গ্রাদ হসপিটাল হচ্ছে সিঙ্গাপুরের

মাউন্ট এলিজাবেথ হচ্ছে, দেবী সেটির হাসপাতাল ইন্ডিয়াতে একটা কোম্পানির মাধ্যমে ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আমরা এই হাসপাতালের এই দ্বিতীয় অংশটাকে এটাকে আপনারা একত্রীভূত করবেন না একটা হাসপাতাল আমাদের আছে, এটাকে স্পেশালি সুপার স্পেশালাইজ করা হচ্ছে, এটাকে কোম্পানি আইন দিয়ে হায়ার করে অধিক স্যালারিতে অধিক জ্ঞান সম্পন্ন অধিক বিজ্ঞ অধিক এক্সপার্টাইজ লোকে নিয়ে আমাদের দেশের মানুষকে

আরো অধিকতর বেটার অধিকতর উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়ার স্বার্থেই কিন্তু এই বিলটা আনা হয়েছে এবং এই স্পেশিয়ালাইজড হসপিটালটা সুপার স্পেশিয়ালাইজড হসপিটালটা নির্মাণ করা হয়েছে। হসপিটালটার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে মেশিনারিজ ইমপোর্ট হয়েছে। আগামী দুই তিন মাসের ভিতরে আমরা আপনাদেরকে নিয়ে ইনশাল্লাহ এটা উদ্বোধন করবো মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা থাকবেন। এটা দেখার মতো একটা হাসপাতাল হচ্ছে। এটাতে আমাদের হ্যাঁ

বলতে পারেন যে অনেক গরীব লোকরা যেতে পারে নো সেটা ঠিক না গরীবদের জন্য কোটা থাকবে মধ্যবিত্তরা করবে বড় লোকরা করবে বাট এইটাতে যে আধুনিক সেবার মান পাবে যে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা হবে এটা তো আমাদের জন্য একটা সৌভাগ্য মাননীয় স্পিকার এটা আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে এটা আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা এই সরকার আমরা এরকম একটা

আমরা এমন একটা হাসপাতাল আমরা করতে পারতেছি স্পেশালি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সংশোধন হচ্ছে এটাকে সম্পূর্ণ জনকল্যাণমুখী করা হচ্ছে যেটা বলেছেন কল্যাণমুখী হবে না এটাকে জনকল্যাণমুখী হাসপাতালী করা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার এখানে কোন সন্দেহ থাকার কোন অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না তাই মাননীয় স্পিকার আমি জনমত যাচাই এবং বাছাইয়ের জন্য যে প্রস্তাবগুলি দিয়েছে

এই প্রস্তাবগুলি দেশের আপামর জনগণের চিকিৎসার স্বার্থে আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না এগুলো গ্রহণযোগ্য নয় আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্যবৃন্দ মাননীয় সদস্য আসলে আমরা তো বিলের মাঝখানে এভাবে আচ্ছা আচ্ছা একটু অপেক্ষা করেন যদি মাননীয় বিরোধীদলের নেতা বলতে চান আমি মাইক দিতে পারি

অন্য কাউকে এই মুহূর্তে দেয়া সম্ভব না। জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ। আসলে বিল উত্থাপনের পরে স্বাভাবিকভাবে মাঝখানে আমার বা কারো দাঁড়ানোর কথা না। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটু ব্যতিক্রম হতে পারে যে আমরা বুঝতে ভুল করেছি হতে পারে উনিও বুঝতে ভুল করেছেন।

হতেই পারে। মানুষ হিসেবে ভুল বুঝাবুঝি হওয়া অস্বাভাবিক না। যে হাসপাতালটা এখন অবিবরহিত অবস্থায় আছে। এটা কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলে তৈরি করা হাসপাতাল। তারা এটা চালু করে নাই। তারা কি তখন এইরকম কোন কাঠামো আইনি কাঠামো তৈরি করেছিল? যে এটাকে প্রফিট অর নন প্রফিট দুইটা কথা এখানে ইউজ করা হয়েছে।

জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে যে রেজিস্ট্রেশন গুলা হয় দুই ভাগে হয় একটা চেরিটি এখান থেকে কোনো প্রফিটের প্রশ্নই উঠে না চেরিটি প্রফিট হলেও এটার ইনভেস্ট হবে ওখানে আর প্রফিট যেটা সেটা লিমিটেড কোম্পানি প্রাইভেট হতে পারে পাবলিক হতে পারে লিমিটেড কোম্পানির প্রশ্ন যেখানেই আছে সেখানে লাভ লসের প্রশ্ন আছে এই জায়গায় আমরা খুবই আনন্দিত হবো যে হাসপাতাল তার তৈরি হয়েছে এটাও

যদি সাধারণ মানুষের জন্য ফুল্লি ডেজিগন্যাটেড হয় মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমি সম্মানের সাথেই বলতেছি উনি বলছেন গরিবদের এখানে একটা স্টেট থাকবে আমি বলি কুঠানা যেভাবে পিজি থেকে আজকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ক্রমান্বয়ে এটাও তার অন্তর্ভুক্ত হয়ে একটা নতুন মডেল এই সরকার জনগণকে উপহার দেবো এবং এখানে 10% বা 90% এর কোন বিষয় নাই

না থাকুক। পুরাটাই সরকারের নিজস্ব অবস্থান থেকে করা হোক। সরকার আজকে একটা দল পরিচালনা করছে। কালকে হয়তো আরেকটা দল আসবে। কিন্তু ভালো কিছু সৃষ্টি করলে মানুষ চিরদিন মনে রাখবে। আর এইটার সুবাদে যখন স্পেশালাইজড হসপিটাল হবে স্বাভাবিক এটার কস্ট স্বাভাবিকভাবে হবে না। বিদেশের চেয়ে কম হলেও অনেক বেশি হবে কস্ট। বেসিক কস্ট তো আর কমাইতে পারবে না।

তো এই জায়গায় গরিবরা আবার আনফোর্টে পড়ে যাবে, এফোর্টেবল হবে না তাদের জন্য। আমি বিষয়টা আবারো বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি আরো বেশি যাচাই-বাচাই করে। এই সংসদই পাশ করে দেওক, অসুবিধা নাই। কিন্তু আরো সুচিত্র

সুন্দরভাবে আসুক জনস্বার্থ সংরক্ষণ করে আসুক এভাবে আসলে দেশবাসী খুশি হবে আর এই সংসদ গ্লোরিফাই হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলের নেতা আচ্ছা মাননীয় মন্ত্রী কি বলতে চাচ্ছেন একটু শুনে নেই না মাননীয় মন্ত্রী দাঁড়িয়েছেন তো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মন্ত্রী ইফ হি এলাউস আই হ্যাভ নো প্রবলেম টু গিভ ল মিনিস্টার মাননীয় মন্ত্রী আপনি বলবেন না ল মিনিস্টার বলবে

তাহলে আপনি ফিনিশিং দেন উনি বলুক মানে যেহেতু আপনার মন্ত্রণালয় ওকে ইটস আপ টু ইউ টু ডিসাইড বোথ অফ ইউ হ্যাভ হ্যাভ প্রেরোগেটিভ মাননীয় আইনমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য এবং যারা এটার ব্যাপারে কনসার্ন করে এক্সপ্রেস করে তাদেরকে ধন্যবাদ পুরা আলোচনা শুনে আমার কাছে কয়েকটা জায়গায় খুব খটকা লাগলো আমাদের একজন সদস্য

বললেন দুইজন সদস্য বলেছেন অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা মৌলিক অধিকার আমি বিনয়ের সাথে বলছি কোনটাই মৌলিক অধিকার না আইনের ছাত্র হিসেবে বলছি এর কোনটাই মৌলিক অধিকার না অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতির অংশ এটা মৌলিক অধিকারের অংশ না দ্বিতীয়ত হলো এখানে ধারণা করা হচ্ছে পিজি হাসপাতাল যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে পিজি হাসপাতাল কোম্পানি করে দেওয়া হচ্ছে

মানুষের কাছে পিজি হাসপাতাল স্ট্যাটুটরি বডি স্ট্যাটুটরি বডি হিসেবে তাদের যে অবজেক্ট ক্লজ আছে যে অথরিটি দেওয়া আছে পিজি হাসপাতাল রিসার্চ ওয়ার্ক করবে পাঠদান করবে এবং চিকিৎসা দেবে সেই অনুসারে পিজির যে বর্তমান স্ট্রাকচার আছে সেটা হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের একটা পরিকল্পনা বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাধারণ এবং গরিব মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া

এখন আমার এখানে যাদের টাকা আছে তারা ইভারকেয়ার এভেল করতে পারে ইউনাইটেড এভেল করতে পারে স্কয়ার হসপিটাল এভেল করতে পারে কিন্তু যারা গরিব মধ্যবিত্ত তারা কিন্তু পিজি হাসপাতালে এসে যে স্বাভাবিক চিকিৎসাটা পান ওইটা নিচ্ছেন আমরা এভারকেয়ার স্কয়ার ইউনাইটেড এর থেকে বেটার সার্ভিস কম পয়সায় যাতে মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছাতে পারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই স্বপ্নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে

যখন কোরিয়ান ফান্ডে স্পেশালাইজড হসপিটাল উদ্যোগ নেয়া হলো তখন প্রশ্নটা আসলো এই হাসপাতালটা কারা পরিচালনা করবেন তখন কথা হলো এটা পিজি হাসপাতাল পরিচালনা করবে এখন পিজি হাসপাতাল যখন এটা পরিচালনা করতে যাবেন প্রশ্ন হলো এখানে যে ডাক্তার নিয়োগ হবে যে নার্স নিয়োগ হবে যে স্টাফ নিয়োগ হবে তাদের চাকরি পিজি হাসপাতালের অন্য স্টাফের সাথে যদি ইকুয়াল করা হয় তাদের বেতন এক

কি স্ট্যাটাসে করা হয়, ভালো ডাক্তার, ভালো নার্স, ভালো সার্ভিস আমরা পাবো না। তখন আসলো প্রশ্ন তাহলে কিভাবে করা যায়? তখন এই আইনের মধ্যে পিজি হাসপাতাল যে আইনে চলে সে আইনের একটা এমেন্ডমেন্ট আনা হলো যে পিজি হাসপাতাল যদি মনে করে তার শিক্ষা এবং চিকিৎসাকে আরো ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য আরো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আলো ছড়ানোর জন্য একটা কোম্পানি গঠন করতে পারবে যে কোম্পানি

আমাদের বিরোধী নেতা বলেছেন কোম্পানি আওতায় সেকশন 29 নন প্রফিট কোম্পানি হতে পারে বা প্রফিটেবল কোম্পানি হতে পারে সেই ধরনের একটা কোম্পানি করে তারা সেখানে চালাতে পারবে এই যে নন প্রফিট করবে তার অন্যতম অবজেক্ট থাকবে কেউ যদি ডোনেট করতে চায় ওই স্পেশালাইজড হসপিটালে সে ডোনেশন নিতে পারবে পিজি হাসপাতাল পারবে না এই কনসেপ্ট আসছে মাননীয় স্পিকার আমাদের দেশে দেখবেন ইবনে সিনা ট্রাস্ট আছে আমাদের দেশে

আছে ব্রাক। ব্রাক এখন ব্যবসা করছে আড়ং করছে। ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় করেছে। ব্রাক ব্যাংক করেছে। এই প্রশ্নটা আমাদের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লিগ্যাল কোশ্চেন আসছিল। হোয়েদার বিং এ চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন ব্রাক ক্যান ডু বিজনেস। সেই প্রশ্নটা আমাদের এপিলের ডিভিশনে মিস্টার জাস্টিস মাহমুদুল আমিন চৌধুরীর দি দেন চিফ জাস্টিসের নেতৃত্বে ফুল কোর্ট আমাদের বিধান দিয়ে গেছে যে আমরা

কতদিন ভিক্ষার উপরে নির্ভর করবো বিদেশী সহায়তার উপর নির্ভর করে আমরা কি করে চ্যারিটি করবো সুতরাং চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন যদি ব্যবসা করে এবং সেই ব্যবসার পুরা টাকাটা লভ্যাংশের পুরা টাকাটা যদি চ্যারিটি পারপাসে খরচ হয় তাহলে দ্যাট ইজ অলসো পার্ট অফ চ্যারিটেবল ওয়ার্ক এবং এই উদ্দেশ্যেই যখন এই একটা কোম্পানি গঠন করতে পারবেন আমাদের পিজি হসপিটাল বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

বিদ্যালয় যেটাকে বলছে আইনি পরিভাষায়, পিজি হাসপাতাল যখন একটা কোম্পানি করতে পারবেন এবং সেই কোম্পানি প্রফিটেবল নন প্রফিটেবল হতে পারে, সেই কোম্পানি ডোনেশন রিসিভ করতে পারে।

কিন্তু তার সমস্ত ইনকাম টাই হবে এন্সার্কেল উইথ দিস স্পেশালাইজড হসপিটাল যাতে করে বাংলাদেশের সাধারণ গরিব হোকা না নাঙ্গা মানুষ কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষ সেখানে অন্যতম উন্নততর চিকিৎসা পায় দিস ইজ ওয়ান আসপেক্ট দ্বিতীয়ত হলো আপনাদের ক্লিয়ার করার জন্য বলছি এখানে যে দুইটা সেক্টরের শেয়ার হোল্ডার থাকবে তার একটা সেক্টর হলো পিজি হাসপাতাল ইটস সেলফ ইজ 90% শেয়ার হোল্ডার এখানে কোন ব্যক্তির কাছে

কোনো শেয়ার যাবে না। আর 10% শেয়ার থাকবে গভমেন্টের কাছে। গভমেন্ট ক্যান হোল্ড শেয়ার। যেমন এই দেখেন সোনারগাঁ হোটেলের 100% শেয়ার হোল্ডারের মালিক হোটেল ইন্টারন্যাশনাল যে কোম্পানির মালিক হলো গভমেন্ট ইন্টারকন্টিনেন্টালের 100% শেয়ারের মালিক গভমেন্ট বিমানের 100% শেয়ারের মালিক গভমেন্ট ব্যবসা করছেন। সার্ভিস সেক্টরে এখানে উন্নত আপনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় চিন্তা করেন

বিশ্ববিদ্যালয় একটা ট্রাস্টের আন্ডারে চলে ইবনে সিনা ভালো চিকিৎসা সার্ভিস দিচ্ছে বাংলাদেশে একটা ট্রাস্টের আন্ডারে সেখানে কিন্তু টাকা নেয়া হচ্ছে ন্যূনতম ফ্রি না দে আর ডুইং চ্যারিটি সেখান থেকে যে ইনকাম টা আসছে ইবনে সিনার ইবনে সিনার ট্রাস্টে জমা হচ্ছে সেই ট্রাস্টে টাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত ইবনে সিনা চিকিৎসা ক্ষেত্রে অন্যতম একটা শিখরে নেওয়ার চেষ্টা করছে সুতরাং এই যে পিজি হাসপাতাল আপনার প্রাইভেট হয়ে

কোম্পানি হয়ে যাচ্ছে, দিস ইজ এ রং নোশন। দিস ইজ এ রং কনসেপ্ট। বিজি হাসপাতালকে একটা অথরিটি দেওয়া হচ্ছে, চিকিৎসা সেবাকে বাংলাদেশের মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কতটা উন্নত শিখরে নিয়ে যাওয়া যায় তার জন্য তাদের যা কিছু করণীয় আছে সেই হাতকে শক্তিশালী করার জন্য। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার স্যার, আমাদের মাননীয়

আইনমন্ত্রী সাহেব বিশদভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম শুধু একটি কথা বলার জন্য মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা প্রথম একটা প্রশ্নের আকারে বলেছেন যে এই বিল্ডিংটা তো ফেসিস্ট সরকার করেছে তারা কি এই রকম আইন করে ছিল আমি ওই উত্তরটুকু দিতে চাচ্ছি না তারা করেনি আমরা বেটার ওয়ান করেছি যেটা মাননীয় আইনমন্ত্রী এতক্ষণ বললেন আমরা জনগণের দৌড় ঘোরে স্বাস্থ্যসেবাগে উন্নতমানে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটা স্পেশাল আইন

করে পিজি হাসপাতালকে 90% শেয়ার এবং গভমেন্টের কাছে 10% শেয়ার রেখে আমরা জনগণকে সেবার উদ্দেশ্যে এটাকে একটা ইউনিট আলাদা ইউনিক একটা স্পেশাল স্পেশিয়ালাইজড হসপিটাল করতে চাই নাম্বার ওয়ান নাম্বার টু আরেকটা কথা মাননীয় বিরোধী নেতা বলেছেন কোটার কথা আই থিঙ্ক আই ডিড নট মেনশন দা ওয়ার্ড কোটা আমি বলেছি এখানে গরিবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে যেটা আইনমন্ত্রী সাহেব ব্যাখ্যা করেছেন এখানে কোন বাধা নেই এবার কেয়ার বা অন্যান্য হসপিটালের মতন

উন্নতমানের চার্জ এখানে নেওয়ার কোনো বিধে নেই। আমরা গভমেন্টের 10% শেয়ার থেকে এই প্রফিসটাকে রিইনভেস্ট করা হবে এবং ন্যাচারালি ইন কোর্স অফ টাইম এটার খরচটাকে উইথ ইন দ্য রিচেবল পজিশন অফ দ্য পুয়ার পিপল করা হবে। এই ব্যাপারে আপনারা স্বস্ত থাকতে পারেন। আল্লাহর রহমতে এটা একটা গরিব মানুষের হসপিটাল হবে। বাংলাদেশের 18 কোটি মানুষের জন্য এটা একটা উন্নত সেবার জায়গা হবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় সদস্যবৃন্দ। আমি এখন বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো

ভুটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো নাকচ করা হবে।

মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব গুলো ভোটে দিচ্ছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে

অতএব বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব গুলো নাকচ করা হলো মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন

আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে অতএব বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশ

আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিলটির উপর দফা ওয়ারি কোন সংশোধনী নেই আমি এখন বিলের দফাগুলো মহান সংসদের সামনে পেশ করছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 2 3

চার এবং পাঁচ এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা দুই তিন চার এবং পাঁচ এই

বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে।

হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জনাব সর্দার মোঃ সাকাওয়াত হোসেন আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে। জনাব স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সর্দার মোঃ

সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, প্রস্তাব করিতেছি যে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন 1998 এর অধিকতন সংশোধন কল্পে আনীত বিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল সংসদে স্থিরিক 2026 সংসদে স্থিরকৃত আকারে পাশ করা হোক। আমি আবার পড়ছি মাননীয় স্পিকার।

মাননীয় মন্ত্রী আমি একটু সাহায্য করে যদি এলাও করেন ওখানে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে ওভাবে হওয়া ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি সর্দার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করিতেছি যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন 1998 এর অধিকতর সংশোধনকল্পে আনীত বিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল বিশেষ কমিটি কর্তৃক

সুপারিশকৃত আকারে দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সংসদে পাশ করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 পাশ করা হোক যারা

এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026

পাশ হলো। এটা নাই এটা পাশ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এর পরে কি সেটা আনেন তাহলে। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে একটু মাইকটা দিবেন প্লিজ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আজকে যেভাবে ওই বিশেষ কমিটির ব্যাপারটা স্থায়ী কমিটি হিসেবে এসেছিল।

আমার মনে হচ্ছে এরকম আরো কয়েকটা বিল এসেছে আমি ওই জায়গাগুলো পরীক্ষা করে এটা সংশোধন করার জন্য আপনাকে আহবান জানাচ্ছি কারণ যদি এটা স্থায়ী কমিটি হিসেবে বলা হয় তাহলে ইতিহাসে দেখা যাবে যে স্থায়ী কমিটি তখন গঠন হয়নি তখন এটার আইনি ভিত্তি কিন্তু চ্যালেঞ্জের উপরে পড়বে তো বিষয়টা আমি দেখে পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা অসংখ্য ধন্যবাদ আমরা এটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করবো যদি এরকম হয়ে থাকে

ইতিপূর্বে সেটা কারেকশন করা হবে, অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক দিবেন প্লিজ। মাননীয় স্পিকার আজকে আরো

আইন পাস হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এই যে নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল যেটা এটা স্থায়ী কমিটি কর্তৃক পরীক্ষা নিক্ষেপ হয়েছে এটা আইন মন্ত্রণালয় কিন্তু এটা বিশেষ কমিটিতে গিয়ে ছিল এখন স্থায়ী কমিটি গুলো গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমি একটা প্রস্তাব করছি আইন মন্ত্রী সাহেবকে সবগুলো আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ক কমিটিতে দেয়া ঠিক হবে বিশেষ কমিটিগুলো রুলস অফ প্রসিডিজ হলো 266 অনুসারে বিশেষ একটা পারপাস

টার্মস অফ রেফারেন্স দিয়ে গঠন করা হয়। তো সেই জায়গায় না পাঠিয়ে আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে যেন সামনে বিলগুলো প্রেরণ করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত স্থায়ী কমিটিগুলো না হচ্ছে তাহলে আর এই বিভ্রান্তিটা হবে না। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আচ্ছা ঠিক আছে পয়েন্ট অফ অর্ডার কিছু ছিল।

আমাদের যে মাননীয় সদস্য আপনারটা বলেন তারপর আরো দুইজন বোধহয় আছেন এখানে যশোর দুই দয়া করে একটু মাইকটা দিবেন প্লিজ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় আইনমন্ত্রী দুইটা আমার জানামতে আমি ভুল হলে বলবেন দুইটা মনে হয় সঠিক তথ্য দেন নাই এই দুইটা আমি কারেকশন করতে চাই খুব সংক্ষেপে আমি সময় নিবো না

একটা উনি বলেছেন যে, পিজি হাসপাতালে উন্নতমানের ডাক্তার নাই। আমি মনে করি এটা ঠিক না। আমি একটা উদাহরণ দিব যে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার 5000 জুলাই যোদ্ধাকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় তখন আমরা লন্ডনের মুরফিল্ড আই হাসপাতাল থেকে যেটা দুনিয়ার এক নম্বর আই হাসপাতাল থেকে হিসেবে পরিচিত ওখান থেকে আমরা ডাক্তার নিয়ে এসেছিলাম। তারা এখানে এসে

লন্ডন এখানে যে আমাদের ন্যাশনাল আই ইনস্টিটিউট সেখানে তারা যত রোগী চিকিৎসা হয়েছে তার মধ্যে 300 রোগীর ফাইল তারা পরীক্ষা করেছিলেন এবং আমি সেটার কোঅর্ডিনেটর ছিলাম এবং তারা ভুয়সী প্রশংসা করেছেন আমাদের ডাক্তার যারা অগাস্ট এবং জুলাইতে এইসব চোখের ভিতর বুলেট চলে যাওয়া রোগীদের কে তাদের কে এটা খুব কমপ্লেক্স অপারেশন এবং তারা সেটা করেছেন সেটা রেকর্ড আমাদের কাছে আছে এনআইওতে সেটার ডকুমেন্টেড আছে অতএব আমি

মনে করি আমাদের দেশে যারা সিঙ্গাপুর বা অন্যান্য জায়গায় চাকরি করেন সেই মানের এবং হয়তো তার থেকে অনেক ভালো মানের ডাক্তার আছেন এটা হলো আমার কথা দ্বিতীয় যেটা যে বিদেশের সমস্ত হাসপাতালে উনি বলেছেন যে সরকারি হাসপাতালে এখানে কোন ডোনেশন নেবার সুযোগ নাই 2018 সালে কিন্তু এখানে গেজেট করে সেখানে অপশন দেয়া হয়েছে যে কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপের মাধ্যমে এখানে যদি কেউ চ্যারিটি দিতে চান

সেখানে নেয়ার সুযোগ আছে এবং এটা কোন খয়রাতি টাকা না আমি যে হাসপাতালে এই বছর পর্যন্ত চাকরি করেছি সেখানে প্রতিবছর পাঁচ থেকে 600 কোটি টাকা মানুষ কিন্তু ডোনেশন দেয় দুনিয়ার বড় বড় হাসপাতালে আপনি যদি মেয়র কথা বলেন সেখানে কিন্তু সেখানে একটা সুযোগ আছে মানুষ যদি যারা কন্ট্রিবিউট করতে চাই করার সুযোগ আছে আমি মনে করি আমি তো আইন না উনি তো আইন অন থেকে ভালো বুঝেন কিন্তু আমাকে ভুল হলে আমাকে কারেক্ট করুন করে দিবেন।

মাননীয় আইনমন্ত্রী 9:15 বাজে আরো অনেক বিজনেস বাকি আচ্ছা মাননীয় আইনমন্ত্রীকে মাইকটা দেন রেকর্ডভুক্ত করার জন্য প্রথম কথা হলো পিজি হাসপাতালের ডাক্তারদেরকে আমরা আন্ডারমাইন্ড করি নাই উনি রং ইন্টারপ্রিটেশন করেছেন পিজি হাসপাতালের ডাক্তাররা আমাদের দেশের সবচেয়ে ভালো ডাক্তারদের একাংশ তাদের প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা আছে আমরা বলেছি

মেডিকেল সার্ভিসটা দেওয়ার জন্য এই বেতন কাঠামোতে এই বেতন কাঠামোতে আরো বেশি ভালো সার্ভিস দেওয়া কঠিন হয়ে যায় সেই কারণে আমাদের একটা বিকল্প পরিকল্পনা সুতরাং এখানে ভুল বুঝাবুঝি কোন অবকাশ নাই দ্বিতীয়ত হলো আরেকটা যে কি যেন আপনি বললেন ডোনেশন নেওয়ার যে বিষয়টা একটা অর্গানাইজেশন যদি চালাতে হয় তার নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে সবসময় ডোনেশন বা খয়রাতির উপর যাতে না দাঁড়াতে হয় এই কারণে ইনকাম

জেনারেটিং প্রজেক্ট হিসেবে এগুলো আনা হয়। মাননীয় স্পিকার সেটা আমার ব্যাখ্যা আর কিছু না। থ্যাংক ইউ। ধন্যবাদ। আমরা তো ভাবছিলাম যে যশোর ঝিনাইদাহ থেকে বের হয়ে পড়ছি। বলেন আপনি বলেন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা। প্রেসিডেন্স হয়ে গেল। বিল পাস হওয়ার পরে ওই বিলের উপরে আবার আলোচনা চললো। এটা কি ঠিক হবে মাননীয় স্পিকার? না এটা বিলের উপরে হচ্ছে না মাননীয় যে কারোটাই এখানে রেকর্ড হওয়া উচিত না। সবগুলাই বিল পাস হওয়ার পরে যা আলোচনা হয়েছে এই সংক্রান্ত সবগুলা এক্সপ্যান্স হওয়া উচিত।

আলোচনা হয়ে ভালো, দুনিয়াবাসী শুনে ফেলছে এটাও ভালো। কিন্তু এটা রেকর্ডে টাকা ঠিক হবে না, তাইলে ভবিষ্যতের জন্য এটা ব্যাড প্রেসিডেন্স হবে। দুই নম্বর মাননীয় স্পিকার

আমি দাঁড়িয়ে গেছি যেহেতু আর মাইকো পেয়ে গেছি। আমার বাড়ি হল কুলাউড়া কুলাউড়ার এই লোকটা বারবার উঠেছে আপনি তারে সুযোগ দেন নাই। ওই পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীদের উপহার হিসেবে পানি যেটা এসেছে আমরা সেই পানিতে এখন বড় নাজেহাল অবস্থায় আছি দুটা কথা তার কাছ থেকে একটু শুনবেন আমি আশা করব। জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা আমি এটাই বলতে চাচ্ছিলাম যে জসুর ঝিনাই থেকে বের হয়ে আমরা এখন মৌলভীবাজারের দিকে যাই এর মধ্যে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন।

মৌলভীবাজার 2, শওকতুল ইসলাম পয়েন্ট অফ অর্ডার, মাননীয় মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী একটু বসেন আমরা। জি। মাননীয় মাননীয় মন্ত্রী 9:15 বাজে। আপনি একটু মাননীয় চিফ হুইফ মাননীয় চিফ হুইফ আপনি আপনি আপনি একটু কথা বলেন এই ফাঁকে মাননীয় সদস্য মৌলভীবাজার 2 আপনি কথা বলুন। মৌলভীবাজার 2 আপনি কথা বলুন।

বাজার 2 শওকতুল ইসলাম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ গতকালকে চেষ্টা করতেছি গতকাল থেকে একটা মানবিক দিক মানবিক বিষয় এই সংসদে উত্থাপন করার জন্য আমার নির্বাচনী এলাকা মৌলভীবাজার 2 মনোনীত ভাঙ্গনে আমার কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাহায্যের পরিমাণ

একেবারে নাই বললেই চলে। আরেকটি কথা বর্ডারের ঠিক দুই হাত বা তিন হাত হবে এরকম স্থানে স্থানীয় জনগণ বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু ভারতীয়দের বাধার মুখে বাদ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আমি বিনীত অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ ধন্যবাদ

মাননীয় সদস্য, আমার মনে হয় ত্রাণ পুনর্বাসন মন্ত্রী এখানে নেই বাট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন। দুইটা ইস্যু তো আশা করছি উনারা নোট নিয়েছেন। আরেকজনের পয়েন্ট অফ অর্ডার ছিল জামালপুর চার ফরিদুল কবির তালুকদার সংক্ষেপে এক মিনিটের মধ্যে বলবেন জামালপুর চার। নেই। ও আছে। জি। জামালপুর চার। অনেক অপেক্ষার পর আপনি আমাকে দিয়েছেন আপনি অসংখ্য

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আসলে কথা বলতে চাই। আমাদের এলাকায় জামালপুর শরীফ সাবাড়ী এবং ভুয়াপুর একটি ট্রেন চলাচল করত। যেটা হল জামালপুর এক্সপ্রেস। ভুয়াপুর লাইনের মাননীয় সদস্য এটা তো খুব বেশি চিফ হুইপ সাহেব এটা কি ব্যাপার আপনি আপনি নোট পাঠিয়েছেন এটার জন্য তো

মাননীয় সদস্য একটু বসেন জামালপুর চার মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় স্পিকার আপনি অর্ডার সব দ্যা ডে যা আছে এখন যা বিজনেস আছে সেই অনুযায়ী আপনি আগান আপনাকে এই নোট পাঠিয়েছি এখন থেকে দুই ঘন্টা আগে আপনি দুই ঘন্টা পরে এখন পয়েন্ট অফ দ্যা ওয়ার্ড দিলে হবে আপনি যখন নোট পাঠিয়েছেন তখন বিজনেস চলছিল বিজনেসের মধ্যে তো আমি যেতে পারি না আপনাকে সম্মান করলাম এখন আপনি আমাকে দায়ী করছেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচিভুক্ত কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সংক্ষিপ্ত আলোচনা নোটিশটি প্রদানকারী মাননীয় সদস্য জনাব আক্তার হোসেন রংপুর 4 এর অনুরোধের প্রেক্ষিতে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না

উক্ত নোটিশের উপর আলোচনা আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় সদস্যবর্গ মাননীয় চিফ হুইপ মহোদয় আপনি কমিটি গঠনের একটি লিস্ট পাঠিয়েছেন যদিও এর আগে আপনি স্থগিত করার অনুরোধ পাঠিয়েছিলেন সেই অনুরোধ আমরা রক্ষা করে স্থগিত করেছিলাম এখন আবার কি জন্য কি পাঠিয়েছেন একটু দয়া করে ব্যাখ্যা করুন।

মাননীয় স্পিকার আপনি মোটে নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন এটা মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমেই সবসময় সব কমিটিগুলো হয়ে থাকে মাননীয় সংসদ নেতা আজকে এখানে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন না আমি উনার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি তো সেই কারণে আমি আপনাকে অনুরোধ করেছিলাম যে আপনি কমিটির আপাতত স্থগিত করার কারণে যেহেতু তার অনুমতি ছাড়া এটা করতে চাইনা তো তারপর উনি অনুমতি দেয়ার কারণে আবার আপনাকে বলেছি আপনি মাননীয় স্পিকার যদি আপনি রাজি থাকেন ইনশাআল্লাহ আমি কমিটিগুলো গঠন করবো ইনশাআল্লাহ মাননীয় চিফ হুইফ

আপনি অনুরোধ পাঠিয়ে ছিলেন রক্ষা হয়েছে, এখন আবার অনুরোধ করছেন আবার যাচ্ছি। হ্যাঁ, জি যান। মাননীয় সদস্যবৃন্দ জি, দয়া করে বসেন। জি। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন আজকের

দিনের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত স্থগিতকৃত কমিটি গঠন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করছি। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী আমি এখন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামকে কার্যপ্রণালী অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন যে তার নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের বদ্ধ পরিকর। সেই পরীক্ষিতে বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধি মোতাবেক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অত্র সংসদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং জোটের সদস্যদের সমন্বয় এমনকি সংসদ মানে স্বতন্ত্র সংসদ

সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেই। সেই লক্ষ্যে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের কাছ থেকে অত্র অধিবেশনে নাম পাবার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে কমিটির গঠন প্রক্রিয়া বিলম্বিত করি। ইতিমধ্যেই কয়েক দফা এ বিষয়ে তাদের সাথে কথা হয়েছে কিন্তু তারা এখনো কোন নাম আমার কাছে দেননি। এমন অবস্থায় আমরা যে 17 সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার প্রস্তাব প্রস্তাবিত কাঠামো নিম্নরূপ বিএনপি থেকে

সাতজন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে একজন, গণসংহতি আন্দোলন থেকে একজন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে একজন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে একজন, স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে থেকে একজন, বিরোধী দল থেকে পাঁচজন এই নিয়ে ছিল মোট 17 জন। উক্ত 17 জনের মধ্যে সদস্যের মধ্যে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি পদ শূন্য রেখে আজ 12 সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছি। বিরোধী দলের কাছ থেকে নাম পাওয়া গেলে তাদের পাঁচজনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। মাননীয় স্পিকার,

এর পরীক্ষিতে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপদণালী বিধি অনুসারে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের নিমিত্ত সুপারিশ প্রণয়নপূর্বক সংসদে রিপোর্ট পেশ করার জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদশ্রেষ্ঠের সমন্বয় 12

সদস্যপদ দূরদূর জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন করা হোক সরিমা নিয়ে জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ 294 কক্সবাজার এক সভাপতি জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বরগুনা দুই সদস্য জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান 81 জিনেদা এক সদস্য জনাব জয়নাল আবেদীন 121 বরিশাল তিন সদস্য জনাব মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ ম

40 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 6, জনাব আন্দালিব রহমান 115 ভোলা 1, জনাব মোহাম্মদ নুরুল হক 113 পটুয়াখালী 3, মীর মোহাম্মদ হেলালুদ্দিন 282 চট্টগ্রাম 5, ফারজানা শারমিন 58 নাটোর 1, শাকিলা ফারজানা 308 মহিলা আসন 1, জনাব মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল 145 শেরপুর 3, জনাব মোহাম্মদ ওলি উল্লাহ 109 বর্গ নায়ক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ।

জি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এ বিষয়টা সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকেই চলে আসছে এবং আজকে যে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে এটি প্রথম অধিবেশনে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থাপন করেছিলেন সেই দিনে আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট ব্যক্ত করেছি এরপরে এটা সঠিক

কয়েক দফায় মাননীয় চিফ হুইপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন বসেছেন আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি আমরা কখনো বলি নাই যে আমরা নাম দেব সদস্যদের আমরা কনসেপচুয়ালি এটাকে এক্সেপ্ট করি নাই আমরা বলেছি আমরা জাতির কাছে ওয়াদাবদ্ধ যেমন ওয়াদাবদ্ধ ছিল বর্তমান সরকারি দল আমরা নির্বাচনের আগে সবাই বলেছি গণভোটে হ্যাঁ বলুন হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হলে আমরা গণভোট বাস্তবায়ন করবো এর রায় বাস্তবায়ন করবো

এবং এরই প্রেক্ষিতে আমরা দুইটা শপথ নিয়েছি একটা সংসদ সদস্য হিসেবে আরেকটা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আমাদের দুইটা শপথ আমরা মনে করি বিদ্যমান আছে সুতরাং ওইটাকে যদি বাইপাস করার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয় তাহলে আমরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছি আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই আছি আমরা মনে করি গণতন্ত্রের দাবি হচ্ছে

হচ্ছে জনগণের মতামতকে মেনে নেওয়া। সেই মতামত 70% এর কাছাকাছি জনগণের মতামত। এই মতামত যদি এই ভাবে 68.6% এই মতামত যদি এই ভাবে

অবলীলায় শেষ হয়ে যায় তাহলে ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক এই পদ্ধতির উপর জনগণ আস্থা হারাবে না শুধু বিদ্রোহী হয়ে উঠবে আমরা মনে করি যে জনগণের এই অভিপ্রায় মতামতকে কোনোভাবেই অগ্রাহ্য অপমান করা উচিত হবে না এজন্য তাদের প্রতি সম্মান রেখেই আমরা শুধু এই কমিটিতে অংশগ্রহণ করবো না এটাই নয় বরঞ্চ এই পর্বটা আমরা যেহেতু জনগণের রায়কে সম্মান করা হচ্ছে না তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা একটু যদি শুনতেন হয়তোবা কিছু আশার আলো আসতে পারে জানিনা আমি কিছু। আচ্ছা জি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ফর রেকর্ড মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াকআউট করছেন যে পয়েন্টে সেটা তাদের বিবেচনা সঠিক হতে পারে। তবে বাংলাদেশ

বাংলাদেশের মানুষ গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা আমরা পঞ্চাধ্যস সংশোধনী বাতিল করতে চাই এবং পঞ্চাধ্যস সংশোধনী বাতিল না হলে হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট যদি বার্ডিক দিয়েও থাকে এই লেজিসলেচারে যদি আমরা পঞ্চাধ্যস সংশোধনী বাতিল না করি সেই সংশোধনের উপর ভিত্তি করে আমাদেরকে চলতে হবে সুতরাং আমরা সংবিধান সংশোধনী কমিটি করা ছাড়া এই সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া এই জাতিকে আমরা নতুন প্রত্যাশা অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবো না তিনি বলেছেন তারা দুইটা শপথ নিয়েছেন

মাননীয় স্পিকার, দুইটা শপথ দিলে প্রথম শপথ তো অবৈধ হয়ে যায়। বর্তমান সংবিধান অনুসারে নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়েছে। বর্তমান সংবিধান অনুসারে এই জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছে মহামান্য রাষ্ট্রপতি। সেই সংবিধান অনুযায়ী এইখানে জাতীয় সংসদ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে এবং সেই সংবিধান অনুযায়ী এখানে রাষ্ট্রপতির ভাষণ হয়েছে এবং সেই ভাষণের উপরে তারাও আলোচনা করেছেন। আমরাও আলোচনা করেছি। মাননীয় স্পিকার, এখনো পর্যন্ত সংবিধানের নিয়ম অনুসারে সেই ধারাবাহিকতায় এই জাতীয় সংসদ

সংসদের প্রত্যেকটা অধিবেশন প্রত্যেকটা বৈঠক পরিচালিত হচ্ছে সুতরাং তারা যদি বলে থাকে তারা দুইটা শপথ নিয়েছে আরেকটা শপথ আমরা তো নেই না মাননীয় স্পিকার তারা শপথ নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে কোথায় আছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবে সেটা অসাংবিধানিক যেটা উপদেষ্টা পরিষদে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আইন উপদেষ্টা নতিতে পাশ করেছে এবং সেই নোটিস টা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে সর্ববয়সে গুলো ভয়ের ডামিনিসিও প্রথম দিন থেকেই এবং

সেই আর্টিকেল 148 অনুসারে তফসিল তৃতীয় অনুসারে সেখানে যে একটা ফর্ম ব্লু পেপারে ছাপিয়ে দেয়া হলো যে সংসদ সদস্যগণ আবার আরেকটি শপথ নিবেন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সেটা ফুল নাল্যান বোয়েট এটা কোন আনকনস্টিটিউশনাল সে কোথাও নাই এবং তার উপর ভিত্তি করে তিনি যে বক্তব্য দিলেন গণভোটের গণরায় অনুসারে আমরা গণভোটকে সম্মান দিতে চাই অবশ্যই গণভোটের গণরায়কে যদি সম্মান দিতে হয় এই সংবিধানকে সংস্কার সংশোধন করতে হবে এবং তার

পরে যদি সবাই মিলে রাজি হয় যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হবে তখন যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবে তখন সেটা হবে এখন তো সেটা হয়নি মাননীয় স্পিকার আগে সংবিধান সংশোধন হতে হবে সমঝোতার ভিত্তিতে সেই সংবিধানে যদি সংস্কার পরিষদের কোন বিধান সংযুক্ত করতে হয় সেই আলোচনা তাদেরকে সেই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এসে করতে হবে তারপরে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আমরা যে সংশোধিত সংবিধান পাবো সেই

এবং বিধান অনুসারে আমরা এগিয়ে যাব। এখন যদি কেউ বলে যে গণভোট হয়েছে কিসের উপর হয়েছে মাননীয় স্পিকার? গণভোটের যে আদেশ সেটাকে আমরা নাম দিয়েছি জুলাই আদেশ। যে আদেশটা প্রথম দিন থেকে এখতিয়ার বহির্ভূত এটা ফ্রড অন দি কনস্টিটিউশন কালারেবল লেজিসলেশন এই জাতীয় জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংস্কার আদেশ নামে যেটা করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি যেটা করতে পারেন না সেটা তো কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা ছিলো না। জুলাই জাতীয় সনদের কোথাও সেটা সমঝোতা

হয়নি। তারা স্বাক্ষর করেছেন সেখানে আমরাও স্বাক্ষর করেছি। তাহলে এই যে জাতীয় সনদ আদেশ যেটা করলো সেই যে অর্ডারের উপরে গণভোট অনুষ্ঠিত হলো তার উপর ভিত্তি করে তারা যে চলতে চাচ্ছে তাহলে দেশে যে মানুষ আমাদের ম্যানিফেস্টোর উপরে 31 দফার উপরে এবং নির্বাচন কমিশনের ডিক্লেয়ারকৃত নির্বাচনের উপরে আমাদেরকে যে জনগণ ভোট দিল 51% ভোট দিয়ে এখানে সার্বভৌম পার্লামেন্ট আমাদেরকে পাঠিয়ে দিলো। সেই পার্লামেন্টের ইক্টিয়ারকি? এটা ইউনিটারি।

ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট হিসেবে একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট হিসেবে আমরা একটা ইউনিটারি কান্ট্রিতে আছি সেখানে একটা সংসদ থাকবে আর্টিকেল 65 এ বলা আছে সেই সংশোধনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা আছে সংশোধন সংশোধন করার ক্ষমতা আছে সেই ক্ষমতা হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্যগণ এই সংবিধানের সংশোধনী দিবে সেই এক্তিয়ার তো সার্বভৌম জনগণ আমাদেরকে দিয়েছে আর্টিকেল সেভেন অনুসারে দিয়েছে এখন যদি বলা হয় গণভোট কি তার উপরে অবশ্যই তার উপরে না আমরা সাংবিধানিক ভাবে

জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছি সার্বভৌম জনগণ কর্তৃক এখানে আইন এবং সংবিধান প্রণয়ন করার সংশোধন করার জন্য গণভোটে কি হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদে যেটা সমস্ত

হয়েছে চার খান প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিন খান আমরা মানি আর আধা খান যে কোশ্চেন সেই কোশ্চেন তো সংবিধানের উপর হাত দিয়ে একটা অবৈধ আদেশ প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে সেটা তো বয়ড এবিনিসিও ইট ইজ নাউ পেন্ডিং উইথ দ্যা জুডিশিয়ারি তারা কি বলে দেখি তারপরও যদি আলাপ আলোচনা করে আমরা এখানে জুলাই জাতীয় সংসদের সবকিছু আমরা এখানে বাস্তবায়ন করতে চাই এবং তার বহির্ভূত ভাবে যদি জুলাই কি যেন সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে চায় তারা সেই আলোচনা এখানে এসে করুক সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে করুক আর না

না হলে পরে রাস্তায় গিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কমিটি করলে তো সংবিধান সংশোধন না করে আমরা বসে থাকতে পারবো না। আর সংবিধান যদি সংশোধন আমরা না করি তাহলে এই জাতি তো শেখ হাসিনা প্রদত্ত পঞ্চাশর সংশোধন নিয়েই চলতে থাকবে। আমরা কি তা চাই? আমরা অবিলম্বে ইনশাআল্লাহ এই সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা বৈঠক করব এবং এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সাথে আমরা আলোচনা করব। স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলোচনা করব। জুডিশিয়ারির সাথে আলোচনা করব। আইনজীবীদের সাথে আলোচনা করব। সুপ্রিম কোর্ট বা আদেশ

সাথে আলোচনা করবো। আমাদের পত্রিকার সমস্ত সম্পাদক এবং ডিজিটাল আর প্রিন্ট মিডিয়ার সমস্ত সম্পাদকদের সাথে আমরা আলোচনা করবো। অন্যান্য স্টেকহোল্ডার বুদ্ধিজীবীদের সাথে আলোচনা করবো। সংবিধান সংসদ বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করবো। জুলাই জাতীয় সনদ প্রণীত হয়ে যে সমস্ত রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করে তাদের সাথে বসে আলোচনা করবো। সংসদে আলোচনা করবো। বৈঠক করবো। তারপর আমরা সুপারিশ প্রণয়ন করবো। তারপরে এই মহান জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনী 14 তম সংবিধান কি এটা? 18 তম

হবে। 18 তম সংবিধান সংশোধনী বিল ইনশাআল্লাহ এখানে উত্থাপিত হবে। আমরা আশা করি বিরোধীদলীয় সদস্যগণ ইমোশনাল রাজনীতি না করে আমরা যাতে সংশোধিত একটি শক্তিশালী সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে পারি সেই জন্য গণতন্ত্রের স্বার্থে তারা সহযোগিতা করবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। সংসদের সামনে প্রশ্ন

হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাবমতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের নিমিত্ত সুপারিশ প্রণয়ন পূর্বক সংসদে রিপোর্ট পেশ করার জন্য কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন করা

হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের নিমিত্ত সুপারিশ প্রণব

নয়নপূর্বক সংসদে রিপোর্ট পেশ করার জন্য কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন অন্যান্য কমিটি গঠন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়

সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মুক্তিযুদ্ধ এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশের

জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 246 247 ও অনুসারে উক্ত বিধিসমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। এক

জনাব মোঃ মইনুল হক চৌধুরী 254 কুমিল্লা 6 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি সংসদস্য হন সদস্য জনাব ইশাখ হোসেন 179 ঢাকা 6 সদস্য জনাব মোঃ ফজলুর রহমান 165 কৃষক গ্রহ 4 সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল হান্নান 263 চাঁদপুর 4 সদস্য জনাব আমির এজাজ খান 99 খুলনা 1 সদস্য জিবা আমিনা খান 312 মহিলা আসন 12 সদস্য

জনাব জিএম নজরুল ইসলাম 108 সাতক্ষীরা চার সদস্য, রুকিয়া বেগম 345 মহিলা আসন 45 সদস্য, জনাব আব্দুল হান্নান মসদুদ 273 নোয়াখালী ছয় সদস্য, ধন্যবাদ

মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে

হা জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আপনি এখন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এখন শিল্প শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি হিসেবে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির

কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শস্যকরণ সমন্বয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব মোঃ আবুল কালাম 257 কুমিল্লা নয় সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শিল্প মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সহ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ 171 মুন্সিগঞ্জ এক কাজী রফিকুল ইসলাম 336 বগুড়া এক সদস্য জনাব বিশ্বেশ জাহাঙ্গীর আলম 93 নড়াইল এক সদস্য জনাব মুস্তাফিজুর রহমান

ভুইয়া 204 নারায়ণগঞ্জ এক সদস্য, জনাব মঞ্জুর লাহি 201 নরসিংদী তিন সদস্য, জনাব মোঃ কেরামত আলী 43 চাপাইনবাবগঞ্জ এক সদস্য, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ 13 নিলফামারী দুই সদস্য, জনাব মাসুদ সাইদী 127 ফিরোজপুর এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইফ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাবমত এবং তার প্রশ্ন

প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয় শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের

73 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসকের সমন্বয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জহরত আদিব চৌধুরী 327 মহিলা আসন সভা 27 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সংসদে সহন জনাব আমানুল্লাহ আমান

175 ঢাকা দুই সদস্য, জনাব হুম্মাম কাদের চৌধুরী 284 চট্টগ্রাম সাত সদস্য, জনাব এসকে আজাদুলবাড়ী 102 খুলনা চার সদস্য, জনাব সাইদ আল নোমান 287 চট্টগ্রাম 10 সদস্য, জনাব এবিএম মোশাররফ হোসেন 114 পটুয়াখালী চার সদস্য, জনাব সানজিদা ইসলাম 316 মহিলা আসন 16, সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সদস্য, জনাব আতিকুর রহমান মুজাহিদ 2626 কুড়িগ্রাম দুই সদস্য,

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে

হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো।

মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সভাপতি

সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যকর মাল্যের 247 ও অনুসারে উক্ত বিধির সময় বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসক গণের সমন্বয় দ্রোহদোষ জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জনাব মোহাম্মদ খালিদ

হোসেন মাহবুব, 245 ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিন সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যদি সংসদস্য হন, জনাব মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ বুলু 270 নোয়াখালী তিন, জনাব আবুল হোসেন খান 124 বরিশাল ছয়, জনাব মোহাম্মদ আবুল কালাম 257 কুমিল্লা নয়, হেলেন জেরিন খান 309 মহিলা আসন নয়, জনাব হামিদুর রহমান 180 ঢাকা সাত, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন 177 ঢাকা চার, গাজী এনামুল হক 89

যশোর পাঁচ জনাব আব্দুল মুন্তাকিম 15 নীলফামারী চাই মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন

আমার মনে হয় হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন আমি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনকল্পে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম

মনিকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশী সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে

বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসকের সমন্বয় ত্রুদোর জাতীয় সংসদের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব মোঃ শফিকুল হক মিলন 54 রাজশাহী 3 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য সদস্য জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদ 202 পঞ্চগড় 2 সদস্য জনাব এ কে এম ফজলুল হক মিলন 198

গাজীপুর পাঁচ সদস্য, জনাব এই সুলতান মোহাম্মদ বাবু 139 জামালপুর দুই সদস্য, জনাব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ 295 কক্সবাজার দুই সদস্য, মুন্সী রফিকুল আলম 265 ফেনী এক সদস্য, মোহাম্মদ ইজ্জতুল্লাহ 105 সাতক্ষীরা এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ মসিউর রহমান খান 95 বাগেরহাট এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ ওরিউল্লাহ 109 বরগুনা এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে

প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে

গৃহীত হলো এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গঠন কল্পে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতি ক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ গুণা দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশী সংবিধানের 76 অধিবেশন

জাতীয় সংসদের কার্যপালিৎ 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নির্মিত মাননীয় সংসদস্য গণের সমন্বয় ত্রোদোষ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জনাব জয়নুল আবেদীন 121 বরিশাল 3 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য সদস্য মীরশাহে আলম 37 বঙ্গুরা 2 বঙ্গুরা 2 সদস্য জনাব রকিবুল ইসলাম 101 খুলনা

তিন সদস্য, মিয়া নুরুদ্দিন অপু 223 শরীয়তপুর তিন সদস্য, জনাব মোঃ কামরুজ্জামান 173 মুন্সিগঞ্জ তিন সদস্য, জনাব মোঃ মনোয়ার হোসেন 91 মাগুরা এক সদস্য, শিরিন সুলতানা 302 মহিলা আসন দুই সদস্য, জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম 45 চাপাই নবাবগঞ্জ তিন সদস্য, জনাব মোঃ মোঃ আব্দুল বাতেন 189 ঢাকা 16 সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংসদ

পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে

সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং সেই সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আগামীকাল 14 জুলাই 2026 তারিখ 30 আষাঢ় 1433 রোজ মঙ্গলবার বিকাল তিন ঘটিকা পর্যন্ত

পর্যন্ত মূলতুবি করা হলো। আপনাদের সহযোগিতার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। আসসালামু আলাইকুম।

কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

যেসব সম্প্রচারের পাঠ্য এখনো প্রস্তুত নয়

উপরে এই দিনের সম্পূর্ণ পাঠ্য নেই। বাকি সম্প্রচারগুলো এখানে শুনতে পারেন।