মূল লেখায় যান
← সদস্য ও বক্তা

আবু জাফর মোঃ জাহিদ হোসেন

দিনাজপুর-৬ · আসন ১১ · Bangladesh Nationalist Party (BNP)

সদস্যের পরিচয়
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি)
আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
(ক)নবাবগঞ্জ,(খ) বিরামপুর,(গ) হাকিমপুর এবং (ঘ)ঘোড়াঘাট উপজেলা
জেলা ও বিভাগ
দিনাজপুর · রংপুর
সংসদীয় ইমেইল
dinajpur.6@parliament.gov.bd
সংসদ
১৩

সংসদের সদস্য তালিকা থেকে ↗

এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং সেইসাথে মাননীয় সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ নারী এবং শিশু শিক্ষা উন্নয়নে সরকার কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এই অংশটুকু মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উত্তর হবে আর আমার মহিলা শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পিছিয়ে পড়া নারী এবং জনগোষ্ঠীর বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক যেগুলো বাস্তবায়ন করা হচ্ছে আড়াই হাজার উপজেলা নারীদের উন্নয়নে তা আমি এখানে উপস্থাপন করছি ভলানারেবল উইমেন বেনিফিট কার্যক্রম মা এবং শিশু সহায়তা কার্যক্রম মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম উপজেলা পর্যায়ে মহিলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উপজেলা পর্যায়ের মহিলাদের জন্য আয়বর্ধক প্রকল্প কিশোর কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্প আর

উত্তরগুলো একটু দীর্ঘ আছে কিন্তু আমার মনে হয় যে এখানে লিখিতভাবে যে বক্তব্য আছে যদি এটা পঠিত বলিয়া গণ্য হয় তাহলে এটা আর আমার পড়তে হয় না মাননীয় স্পিকার।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এবং মাননীয় সংসদ সদস্য সেলাই মেশিন বাংলাদেশের 300 টি নির্বাচনী এলাকায় ইনশাআল্লাহ অতি শীঘ্রই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং দরিদ্র মা মহিলা এবং মেয়েদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে সরবরাহ করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি ইনশাল্লাহ। আমরা আশা করছি যে অক্টোবরের ভিতরেই এই সেলাই মেশিন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এবং মাননীয় সংসদ সদস্য কর্মজীবী মায়েদের এবং কর্মজীবী মহিলাদেরকে সহায়তা করার জন্য বা সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তা দেওয়ার জন্য আমাদের বেশ কয়েকটি কার্যক্রম রয়েছে তার মধ্যে এই মুহূর্তে আমরা জেলা পর্যায়ে কর্মজীবী মায়েদের জন্য বা কর্মজীবী মহিলাদের জন্য তাদের কে আমরা যাতে তাদের বাচ্চাদের অর্থাৎ ডে কেয়ার সেন্টারে কর্মকালীন সময়ে সকাল আটটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত রাখতে পারে সেই ডে কেয়ার সেন্টার প্রত্যেকটা জেলায় এবং প্রতিটি উপজেলায় আমরা স্থাপন করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত সরকার নিয়েছে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতে এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে আর অন্যদিকে কর্মজীবী মায়েরা বা মহিলারা যারা থাকার জায়গা যেখানে কর্মস্থান কর্মস্থল অনেকের থাকার জায়গা নেই কাজেই সেই জন্য আপনার মহিলা হোস্টেল কর্মজীবী মায়েদের বা মহিলাদের থাকার জন্য হোস্টেল সেই কার্যক্রম আমাদের রয়েছে কিন্তু সেই কার্যক্রম চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল সেই লক্ষ্যেই আমরা এখন প্রত্যেকটি জেলা শহরে বিশেষ করে ঢাকা চট্টগ্রাম খুলনায় আগে আপনার প্রয়োজনের আনুপাতিক হারে আপনার কর্মজীবীদের মায়েদের জন্য মহিলা হোস্টেল স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং এটি চলমান থাকবে। তার তৎপরিবর্তীতে সকল উপজেলায় নয় যে সমস্ত উপজেলায় বেশি বেশি করে মায়েরা বা মহিলারা কর্ম মানে সরাসরি ডাইরেক্ট কোন ইন্ডাস্ট্রিতে অথবা কর্মে নিযুক্ত রয়েছেন গৃহকর্ম ছাড়া সেখানে আপনার মহিলাদের ডে কেয়ার সেন্টার এবং কর্মজীবী হোস্টেল স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে পর্যায়ক্রমে। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ বর্তমান সরকার গত 17 ই ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমেই যে সামাজিক নিরাপত্তার যে কর্মসূচিগুলো ছিল তার সাথে সবার আগে যে প্রোগ্রাম আমাদের দলের এবং সরকারের সেটি হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি নতুনভাবে ইন্ট্রোডিউস করেছে এটি হচ্ছে চলমান কর্মসূচি সুচিগুলোর সাথে এটি একটি নতুন কর্মসূচি আর উনি যে প্রশ্নটি করেছেন সেটার উত্তরে আমি যেটা বলতে চাই দেশের অসহায় দরিদ্র এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন মান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকার বেশ কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে আগে টার্গেটিং করা হতো কোন একটা ক্রাইটেরিয়ার উপর বেস করে আর এখন টার্গেটিং মানে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এটি ইউনিভার্সাল অর্থাৎ সবাই পাবে একটি ভৌগলিক এলাকার সকল মানুষ এই উপকারের উপকারভোগী হবে এটি হচ্ছে সবচেয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত যেটি টার্গেটিং নিয়ে কোন ধরনের প্রশ্ন করার কোন সুযোগ নাই কোন রাজনীতি কোন ধরনের অনুভূতি কোনটাই এটার মধ্যে কাজ করবে না শুধুমাত্র বাংলাদেশের নাগরিক সেই লক্ষ্যেই এইটা করা হয়েছে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এবং এই বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী দিক নির্দেশনা অন্যদিকে ডিজিটাল ডাটাবেজ এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অর্থাৎ এনআইডিকে বেস করেই এই যাচাই বাছাইটা করা হয় এখানে অন্য কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় না অনলাইনে আবেদন করা যায় এবং অফলাইনে আবেদন করা যায় এবং অনলাইনে অভিযোগ করা যায় অফলাইনে অভিযোগ করা যায় এবং প্রত্যেকটি ইউনিয়নে একটি করে এই সামাজিক সুরক্ষার জন্য সমাজ কল্যাণের একটি কক্ষ আছে সেখানে এটা সেবা তথ্য কেন্দ্র হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে সেটি প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে সেটি জুলাই থেকে কাজ করছে যদিও প্রত্যেকটি ইউনিয়নে ইউনিয়ন সমাজকর্মী না থাকার কারণে আমাদের 1400 ইউনিয়নে এখন পর্যন্ত আমরা সমাজকর্মী দিতে পারি নাই সেটা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি হয়েছে নিয়োগের পরে আপনার সেই তথ্যকেন্দ্রগুলি সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করবে বাট অন্যান্য ইউনিয়নে হচ্ছে অর্থাৎ আর উপজেলায় যেতে হবে না যার যার ইউনিয়নে করতে পারবে আর পেমেন্ট সিস্টেমটা এখন আর কোন ব্যক্তি কেন্দ্রিক নাই বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে জি টু পি মানে গভর্মেন্ট থেকে সরাসরি পার্সনের কাছে আপনার এমএফএস অর্থাৎ মোবাইল ফাইন্যান্সিং সিস্টেম অ্যাজ ওয়েল এস ব্যাংকিং এই দুটোর মাধ্যমেই টাকাটা সরাসরি চলে যাচ্ছে কোন ধরনের মধ্যসত্য ভোগীর এখানে কোন সুযোগ নেই কাজেই স্বচ্ছতার দিক দিয়ে বর্তমান সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যাতে সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে উপকারভোগীরা পায় এবং কোন ধরনের মধ্যসত্য ভোগীর এখানে কোন সুযোগ নেওয়ার সুযোগ না থাকে সেই লক্ষ্যে কাজ করছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং এই প্রশ্নের জন্য আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমি আমার প্রথম উত্তরেই বলেছি যে ডিজিটাল ডাটাবেজ আমরা কাজ করছি এবং সেই লক্ষ্যেই আমরা এই ডিজিটাল ডাটাবেজকে 100 ভাগ ত্রুটিমুক্ত করার জন্য আমাদের এই ডাটা সংগ্রহ কার্যক্রম ডোর টু ডোর এপ্রোচের মাধ্যমে চলমান রয়েছে এবং সেই লক্ষ্যেই বর্তমান সরকার কাজ করছে এবং আমরা খুবই আশাবাদী যে আগামীতে যখন ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ পুরো দোস্তুর মতো সারা বাংলাদেশে একযোগে শুরু হয়ে যাবে তখন এই যে ত্রুটির যে প্রশ্নগুলো আসছে সেগুলো হয়তো দেখা যাবে অনেক পরিমাণে প্রশ্ন কমে যাবে এবং সন্দেহ অনেক ক্ষেত্রে দূর হবে তবে একটি জিনিস মনে রাখতে হবে বিগত স্বৈরাচারের সময় যেমন বয়স্ক ভাতা বিধবা ভাতা অথবা আপনার প্রতি অন্যান্য যে ভাতা এগুলো তখন চুজ করা হতো পিক এন্ড চুজ এই সিস্টেমে অর্থাৎ প্রত্যেক ইউনিয়নে সবাই পাবে না সবার বয়স 62 বা 65 হলে সে বয়স্ক ভাতা পাবে না একটা নির্ধারিত সংখ্যক ছিল কিন্তু বর্তমানে এটি যেহেতু ইউনিভার্সাল করা হচ্ছে কাজেই এখানে এই ত্রুটির সংখ্যা আপনি দেখবেন পর্যায়ক্রমে ইনশাল্লাহ শুন্যের কোঠায় নেমে আসবে বলে আমরা খুবই আশাবাদী। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার উনি যে প্রশ্নটি করেছেন সেজন্য আপনার মাধ্যমে উনাকে আমি ধন্যবাদ জানাই কিন্তু এটি সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্র এটি হচ্ছে আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এটি আমার দায়িত্বের মধ্যে আমাদের মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বের পরিধির মধ্যে পড়ে না তবে পুনর্বাসন সংক্রান্ত বিষয়ে আপনি যে কথাটি বলেছেন সেই লক্ষ্যে আপনাকে আশ্বস্ত করতে চাই সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রত্যেকটি জেলা শহরে এবং এখন জেলা শহরে হলেও আমরা এটাকে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে বিভিন্ন ট্রেডে 14 টি ট্রেডকে আমরা আইডেন্টিফাই করেছি যেখানে বেকার যুবকদেরকে এবং আমাদের এই যে বেকার মহিলাদেরকেও বা মেয়েদেরকেও সেখানে প্রশিক্ষণ এর মাধ্যমে সমাজে পুনর্বাসন বা পুনর্বাসিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে সেটি চলমান আছে বর্তমানে প্রত্যেকটি জেলায় 64 টি জেলায় এই কার্যক্রম চলছে সেখানে হয়তো যদি মাদকাসক্ত নিরাময় হয়ে যায় তখন তাকে পুনর্বাসনের সুযোগ রয়েছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ এই মুহূর্তে সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে সরকারি অর্থায়নে বর্তমানে 75 টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এবং 12 টি স্পেশাল স্কুল ফর চিল্ড্রেন উইথ অটিজম বিদ্যালয় চালু আছে এর মধ্যে এমপিও ভুক্ত প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সংখ্যা 73 টি আর 73 আর দুই 75 টি প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা 2019 অনুযায়ী সকল জেলায় প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় স্থাপন করার পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের রয়েছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ও সম্পূরক প্রশ্নের জন্য সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ। এই মুহূর্তে বাংলাদেশের 40 টি জেলায় এই 75 টি স্কুল রয়েছে। বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত রয়েছে যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় একটি করে মডেল প্রতিবন্ধী স্কুল করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলায় উপজেলায় প্রতিবন্ধী সংখ্যার উপর ভিত্তি করে সেখানে প্রতিবন্ধীদের জন্য আপনার বিশেষ ধরনের অর্থাৎ প্রতিবন্ধী স্কুল করাও উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যেটি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ। ছিলাম প্রতিবন্ধীতে চলে গিয়েছি বয়স্ক ভাতায়। যাই হোক তবুও আপনার জানার জন্য বলি হ্যাঁ এই সরকার 18ই আমাদের 18ই ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর সর্বপ্রথম আমাদের অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে একটি মন্ত্রী পরিষদ কমিটি গঠন করে দেয় যাতে আমাদের সামাজিক নিরাপত্তা বেস্টনি কিভাবে বাড়ানো যায় সেই লক্ষ্যেই আমাদের অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে সভা পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমতিক্রমে বর্তমান বাজেটে বাজেটেরই প্রভিশন রাখা হয়েছে যে বয়স্ক ভাতা শুধু বয়স্ক ভাতা 650 টাকা যেটি ছিল সেটি 500 টাকা করা হয়েছে প্রতিজন প্রতি মাসে সংখ্যার দিক দিয়েও আগে যা 61 লক্ষ ছিল সেটি এক লক্ষ বাড়িয়ে 62 লক্ষ করা হয়েছে সেই অনুপাতে আপনার উপজেলাতেও কিছু পরিমাণ যাবে আর বিধবা এবং স্বামী নিগৃহীত ভাতা আগে ছিল 650 টাকা প্রতিজন প্রতি মাসে সেটিও 700 টাকা প্রতিজন প্রতি মাসে করা হয়েছে সেটির সংখ্যাও 29 লক্ষ থেকে বাড়িয়ে 30 লক্ষ করা হয়েছে আর প্রতিবন্ধীদের জন্য আগে ছিল 900 টাকা প্রতি মাসে প্রতিজন ভাতা সেটা 1000 টাকা প্রতিজন প্রতি মাসে করা হয়েছে এবং বর্তমানে গত 25 26 অর্থবছরে 34 লক্ষ 50 হাজার প্রতিবন্ধী ভাতা পেয়েছে কিন্তু 26 27 অর্থবছরে ইনশাল্লাহ 38 লক্ষ বন্দি এ ভাতা পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

মূল সম্প্রচারে বক্তব্য শুনুন

· 5:519:05

· 10:1911:44

· 12:3213:41

· 42:1642:59

· 43:4044:17

· 44:5746:40

· 36:4437:46

· 37:5538:07

· 39:1139:49

· 40:4242:50

পরিচয়ের তথ্যসূত্র ↗