বিলের সংশোধনী তালিকা নম্বর তিন এর ক্রমিক নং চার এ উল্লেখিত বিলের 10 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য
সংসদের বক্তব্যের পাঠ্য · এই সম্প্রচার থেকে
বক্তব্যের পাঠ্য
নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।
পাঠ্য কপি করলে শনাক্ত বক্তার নাম, মূল ভিডিওর লিংক, অংশের শুরুর সময় ও যাচাইয়ের ছোট নোট যুক্ত হবে।
জনাব মোঃ নাজিবুর রহমানের রহমান বিলের 23 দফায় যে সংশোধনী প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ করা হলো
এখন আমি বিলের দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে সংশোধিত আকারে বিলের দফা দুই দফা তিন চার পাঁচ ছয় সাত আট সংশোধনী আকারে সংশোধিত আকারে দফা নয় ও 10 দফা 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 এবং 23 এই বিলের অংশ হিসেবে
গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব সংশোধিত আকারে বিলের দফা দুই দফা তিন চার পাঁচ ছয় সাত আট সংশোধিত আকারে দফা নয় ও 10 দফা
11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22 এবং 23 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের
পক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমদ আপনি বিলটি সংসদে স্থিরকৃত আকারে পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনি অনুমতি দিলে পাশ করার আগে শুধু আমি এক মিনিট সময় নিয়ে মাননীয় সদস্যকে একটু সন্তুষ্ট করি। তিনি যেহেতু যেভাবে হোক আপনি অনুমতি দিয়েছিলেন কথা তুলেছেন। তার প্রস্তাব মতে সংশোধনীতে ফেন্সি ডিল এবং ইয়াবা শব্দ দুটো অন্তর্ভুক্ত করার জন্য তিনি আবারো পাশ চুঁ করেছেন। তা আমি তো আমার বক্তব্যে বলেছি যে কেমিক্যাল নামগুলো আমরা অন্তত
অন্তর্ভুক্ত করি ব্র্যান্ড নেম গুলো অন্তর্ভুক্ত করি না কারণ মাদকের মদের মধ্যে অনেক রকমের কোম্পানির অনেক মদ আছে কিন্তু কেমিক্যাল একটা অ্যালকোহল কত মাত্রা কি ইত্যাদি ফেনসিডিল যেটা উনি বলেছেন ফেনসিডিলের আপনি তফসিলের ক শ্রেণীভুক্ত মাদকের মাননীয় সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ক শ্রেণীভুক্ত মাদকের চার নম্বর দফায় কুডিন
যে কেমিক্যালটার নাম বলা আছে, এটা কোডিন ফসফেট ও বলে অনেক সময়। এটা হচ্ছে ফেনসিডিল। এই ফেনসিডিল বাদে অন্যান্য কাশির ওষুধ যেগুলো আছে বিভিন্ন ব্র্যান্ড নামে আছে। সবগুলোতে কোডিন আছে। আর ইয়াবার ক্ষেত্রে যেহেতু এই ব্র্যান্ডটা পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ইয়াবার। তা আমরা তো এই যে বিভিন্ন রকমের সিসা, টিসা তারপরে আইস বিভিন্ন রকমের দ্রব্য এখন দেখতে পাই। কিন্তু ওই হিসাবে সেগুলো উল্লেখ করা হয় না। ওখানে যে কেমিক্যালটা আছে সেই কেমিক্যালটা
উল্লেখ করা হয়। ইয়াবার কেমিক্যালটা হচ্ছে পাঁচ নম্বর দফায় আপনি ক স্রনিভুক্ত মাদকের পাঁচ নম্বর দফাতে দেখবেন। এম ভিটামিন, বেঞ্জ ভিটামিন, লেফেটামাইন, মেটাভিটামিন, এই উপাদানগুলো যেখানেই পাওয়া যায় ওইটা ইয়াবার মধ্যে আছে। হয়তো একটা উপাদান থাকবে কোথাও দুইটা উপাদান থাকবে কিন্তু এই উপাদানগুলো কেমিক্যালগুলোই এই মাদকের মধ্যে আছে। সুতরাং কেমিক্যালের
যেহেতু ল্যাবরেটরিতে টেস্ট করার পরে কোর্টে উপস্থাপন করা হবে মাদকদ্রব্য হিসেবে তখন কেমিক্যাল নামটা দিয়ে উপস্থাপন করা হয়। তো সেই জন্য মাননীয় সদস্যকে বলছি আপনার উত্থাপিত প্রস্তাব টা খুবই
গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু এটা অলরেডি এখানে ইনক্লুডেড আছে এই কেমিক্যাল গুলো সেজন্য সেটা এক্সিজারেশন হবে। ধন্যবাদ। আমি প্রস্তাব করছি মাননীয় স্পিকার। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন 2028 এর অধিকতর সংশোধিত সংশোধন কল্পে আনিত বিলটি স্থায়ী কমিটি কর্তৃক রিপোর্টকৃত আকারে সুপারিশকৃত আকারে
এবং আজকে যে সংশোধনীগুলো গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো সংশোধনীগুলো সহ সংসদে স্থিতিকৃত মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এটা সংসদে স্থিতিকৃত আকারে হবে বুঝে স্থিতিকৃত আকারে সংসদে সংসদে স্থিতিকৃত আকারে আবার করছি মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন 2018 অধিকতর সংশোধনকল্পে আনিত বিলটি মহান জাতীয় সংসদ কর্তৃক স্থিতিকৃত স্থিতিকৃত আকারে
ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে সংসদে স্থিরীকৃত আকারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল 2026 পাশ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে
যুক্ত হয়েছে। অতএব সংসদে স্থিরকৃত আকারে মাদকদ্রব্য সংশোধন বিল 2026 পাস হলো।
এখন আমি মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জনাব সরদার মোঃ সাকাওয়াত হোসেনকে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয়
মন্ত্রী মিস্টার স্পিকার স্যার আমি সরদার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করিতেছি যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন 1998 এর অধিকতর সংশোধন কল্পে আনীত বিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে
অবিলম্বে সংসদে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্যবৃন্দের মধ্যে জনাব মোঃ শফিকুর রহমান ঢাকা 15 জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 রুমিন ফারহানা
ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2, জনাব মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5, জনাব মোঃ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6, জনাব মোঃ আব্দুল আলিম বাগেরহাট 4, জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3, জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা 3, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী 2, জনাব রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1, জনাব মোঃ আফজাল হোসেন
4 জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নিলফামারী 1 জনাব মোঃ জনাব মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা 5 জনাব মোঃ গোলাম রসুল যশোর 4 সাবিকুন নাহার মহিলা আসন নম্বর 39 মোসাম্মদ নাজমুন নাহার মহিলা আসন নাম্বার 40 জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা 4 জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিন, জনাব মোঃ মাসুদ পারবেজ চট্টগ্রাম সরি দুঃখিত চুয়াডাঙ্গা এক, জনাব মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ জয়পুরহাট এক, জনাব আব্দুল মুন্তাকিম নিলফামারী চার, জনাব মোঃ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা দুই, জনাব মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক, জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফি নিলফামারী তিন, জনাব মোঃ নাজমুল হুদা মেহেরপুর দুই, মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটি
একটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্যবর্গের মধ্যে জনাব মোঃ শাজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15, জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4, রুমিন ফারহান
ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2, জনাব মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5, জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3, জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা 3, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীলফামারী 2, জনাব রাশিদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1, জনাব মোঃ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া 4, জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16, জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নীলফামারী
এক, জনাব মোহাম্মদ গোলাম রসুল যশোর চার, জনাব মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক, জনাব মোহাম্মদ ফজলুর রহমান সাইদ জয়পুরহাট এক, জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা দুই এবং জনাব মোহাম্মদ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক, জনমত যাচাই এর প্রস্তাব বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি সম্পর্কিত আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে।
আমি এখন নোটিশদাতা মাননীয় সদস্যগণকে তাদের প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি। প্রথমেই ঢাকা 15 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য এবং বিরোধীদলীয় নেতা জনাব মোঃ শফিকুর রহমান
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহ
আল্লাহু, আল্লাহু, আল্লাহু, আল্লাহু, আল্লাহু, আ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লাইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহুম্মা রাব্বা হাদি
الدعوه التامه والصلاه القائمه اتي محمدا الوسيله والفضيله والدرجه الرفيعه وابعثه مقاما محمودا الذي وعدته وارزقنا شفاعته يوم القيامه انك لا تخلف
ফুল মিয়াদ। অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। এখন আমরা সংশোধিত আকারে পেশ করা হলো। আমি সেটা বললাম। বিশেষ কমিটি রিপোর্টের ভিত্তিতে এখন আপনি আপনার বক্তব্য দয়া করে রাখতে পারেন। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
বিষয়টা জন স্বাস্থ্য এবং জনস্বার্থ সংক্রান্ত আমি জাস্ট আমার কনসার্টা ব্যক্ত করছি এখানে আইনের সংশোধনীতে বলা হয়েছে প্রফিট নন প্রফিট দুই ভাবেই এখানে এঙ্গেজ হওয়ার সুযোগ আছে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের অধিকার কিন্তু আমাদের সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা শতভাগ সেটা নিশ্চিত করতে পারছি না এর মধ্যে
সরকারি যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান আছে সেগুলো তার সীমাবদ্ধতার মধ্যেই সেবা দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে তাশিয়ারি লেভেল স্বাস্থ্য সেবা সরকারিভাবে একটাই সেটা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এই জায়গাতে কারা আসে যাদের সামর্থ্য কুলায় না বাইরে প্রাইভেট তাশিয়ারি লেভেলের চিকিৎসা সেবা নেওয়ার তারা এখানে আসেন এখন এখানে যদি আবার
প্রফিট বেসড কোন ইনিশিয়েটিভ নেওয়া হয় বা যুক্ত করা হয়। এখানে জয়সং কম্পানি থেকে এটা রেজিস্ট্রেশন নিতে হবে।
কোম্পানিতে রেজিস্ট্রেশন যারা নেয় নেচার দুই ধরনের একটা হচ্ছে বিজনেস বেসড আরেকটা হচ্ছে চ্যারিটি বেসড এখানে যদি শুধু চ্যারিটির মধ্যে ননপ্রফিটের মধ্যে কিছু থাকে আমার কোন আপত্তি নাই কিন্তু প্রফিট কনসার্ন কিছু আসলেই জনগণের উপরে কিন্তু আবার একটা বড় ধরনের দায় চাপবে যেটুকু স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যাচ্ছে সেটা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে তারপরে এটাকে অপারেট করতে গিয়ে মেকানিজম যেটা করা হবে
সেখানে আমরা শতভাগ যদি ট্রান্সপারেন্সি নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে যা আছে সেটাও শেষ হয়ে যাবে আমি মনে করি আমার এই ধারণা থেকে আমি অনুরোধ করব যে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বিলটাই প্রত্যাহার করুন আরো চিন্তাভাবনা করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি গঠন হোক তারা আরো বিবেচনা করে ভবিষ্যতে যদি কোন জনকল্যাণকর বিল আনতে হয় তাহলে সেটা আনাই যুক্তিসঙ্গত হবে বলে আমি মনে করি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনি কিছু বলবেন মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্লিজ মাইকটা দিবেন তি জি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই বিশেষ কমিটির মিটিংয়ে আমি নিজেও উপস্থিত ছিলাম মাননীয় স্পিকার রিপোর্টের মধ্যে উল্লেখও আছে
এখানে বিরোধীদলীয় মাননীয় সদস্য মোঃ মুজিবুর রহমান রাজশাহী এক এবং জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা চার উনারা দুইজন উপস্থিত ছিলেন এবং আমার হ্যাঁ আরো ছিলেন না মাননীয় বিরোধীদলীয় সদস্যগণ ওখানে যথেষ্ট আলোচনার সুযোগ পেয়েছেন এবং আমরা প্রত্যেকেই মতবিনিময় করেছি তারা সবাই একমত হলে পরে
এখানে রিপোর্টে কোন রকমের নোট অফ ডিসেন্ট ছাড়া তারা একমত হয়ে এটা সুপারিশ করেছেন বিশেষ কমিটিতে যেহেতু এখানে সংশোধনী দিয়ে আলোচনা আরো করতে পারেন বা জনমত যাচাই বাচাই বাচাই কমিটিতে প্রেরণ করতে পারেন এই তিনটা স্টেজে আলোচনা করতে পারেন যদি বিরোধীদলীয় সদস্যদের কোন বক্তব্য থাকে কিন্তু শুধুমাত্র স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠন হলে তারপরে আবার
পারপ্রেরিত হবে সেই প্রস্তাব ও কিন্তু দেয়ার বিধান আছে সংশোধনের মধ্যে তো সেটাও তারা দিতে পারে কিন্তু আইন প্রণয়ন পদ্ধতির মধ্যে এই স্টেজে এসে যদি একতরফা ভাবে মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রস্তাব মতে সেটা আবার স্বাস্থ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলে পরে সেখানে প্রেরণ করা হোক এইটার প্র্যাকটিস হলে মাননীয় স্পিকার একটু ব্যর্থ হবে এই প্রস্তাব ও তারা আনতে পারে যে আমরা এই কমিটির বিশেষ কমিটির
রিপোর্টে সন্তুষ্ট নই, আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিষয়ক স্থায়ী কমিটি গঠিত হলে পরে রুলস অফ প্রসিডিউর বিধান মতে অভিলম্বে বিবেচনার তে গ্রহণ করার জন্য যখন প্রস্তাব করবেন তার বিপরীতে বিরোধী দলের সদস্যগণ কিন্তু জনমত যাচাই-বাচাই যেমন করছে আবার সংশোধনী দিতে পারবে আবার ইচ্ছা করলে স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণের জন্য একটা প্রস্তাব দিতে পারবে সেটা এখানে আলোচনা হতে পারে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আলোচনা
অংশ গ্রহণ করবেন চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী নেই জনাব জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ দেড় মিনিটের কথা আগে আলোচনা হলো না সময় দেওয়ার জন্য যদি দয়া করে দিতেন একটু বেশি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ 1998 সালের মূল আইনের উদ্দেশ্য ছিল দেশে উচ্চতর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা বিশ্বমানের
অভিষেক নেওয়া সাধারণ মানুষের জন্য উন্নত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিপালন করা কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই সংশোধনী বিলের মাধ্যমে চিকিৎসা শিক্ষাকে সেবার হাত থেকে কেড়ে নিয়ে বাণিজ্যের হাতে তুলে দেওয়ার একটা সুক্ষ্য প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে এই সংশোধনীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোম্পানি আইন 1993 এর অধীনে মুনাফাভিত্তিক অমুনাফাভিত্তিক কোম্পানি যে সংগঠন গঠন করার আইনি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এবং সরকার বলছে নবনির্মিত সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল
সুবিধার্থে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মাইনর স্পিকার চিকিৎসা সেবা এখন একটা ব্যবসা যদি পরিণত করা হয় সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেখানে পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যাবে। মনোনি স্পিকার এই সুপার স্পেলেস রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2 নেই। জনাব মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ।
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধনী বিল 2026 যেটা আনা হয়েছে এখনো এ সম্পর্কে একটি কমিটি
স্থায়ী কমিটি এখনো গঠন হয় নাই। বিশেষ কমিটির মাধ্যমে এটা এসেছে। এই কারণে এটা আরো যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন। সেজন্য এটা আজকে জনমত যাচাইয়ের জন্য আমি প্রস্তাব করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর্রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ নেই। জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান
ময়মনসিংহ 6। সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আসলে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্পোরেট হাউজে পরিণত করার যে বিল আমি মনে করি এটা অবশ্যই চিকিৎসা ব্যবস্থার সাথে আসলে সাংঘর্ষিক। পাশাপাশি এই এই বিলের মাধ্যমে চিকিৎসাকে বাণিজ্যিকরণের
এর জন উৎসাহিত করা হচ্ছে আমি মনে করি এবং আজকে সরকার যেখানে চিকিৎসার সবার জন্য চিকিৎসার কথা বলছে সেখানে এটার সাথে এটা সাংঘর্ষিক সেই কারণে এটা স্থায়ী কমিটির গঠন পর্যন্ত এটা অপেক্ষা করা উচিত এবং স্থায়ী কমিটিতে আরো পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে জনমত যাচাই সহ পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে এই বিলটি সংসদে আসা দরকার বলে আমি মনে করি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বাগেরহাট
চার সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালিস্ট হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গ চালু করা চিকিৎসক ও জনবল সংকট দূর করা দুর্নীতি ও নিয়োগ অনিয়ম দূর করা রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করা এবং দায়িত্বে অবহেলার শাস্তি বিধান এসকল বিষয়ে আলোচনা পর্যালোচনা ও জনমত জানা প্রয়োজন মাননীয় স্পিকার এ কারণে
2026 খ্রিস্টাব্দের 20 সেপ্টেম্বর তারিখ পর্যন্ত এই বিলটি প্রচার করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3 অনুপস্থিত জনাব মোঃ আলী আজগার পাবনা 3 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার যেহেতু এই বিলটি
সাথে জড়িত এটি অতীব জরুরী এবং জনগুরুত্বসম্পন্ন এ ব্যাপারে যেহেতু সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন হয়নি অতএব আমি মনে করি যে এই জরুরী এবং জনগুরুত্বপূর্ণ একটি বিল পাশের পূর্বে স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক এবং সেখানে পর্যালোচনা করা হোক এরপরে জনমত যাচাই হোক এরপরে বিলটি সংসদে সংসদে আসে
দরকার বলে আমি মনে করি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আলফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী দুই নেই জনাব রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বাসায় যখন থাকি এলাকায় যখন থাকি এত বেশি লোক এসে আমাদের কাছে চিকিৎসা সহায়তার জন্য আবেদন করেন আমার কাছে সমাজসেবা কর্মকর্তা এসে বলছেন যে
স্যার, এটা বন্ধ করেন একটু। এতো বরাদ্দ সরকারের পক্ষ থেকে নাই। তো যদি এই হয় অবস্থা, সেখানে যেখানে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল সেটাকে যদি আমরা কোম্পানিতে রূপান্তর করি তাহলে কি দাঁড়াবে সেটার চিত্রটা আমি আপনাকে তুলে ধরছি। বাংলাদেশে মোট ব্যক্তিগত ভাবে খরচ করে 73 ভাগ মানুষ চিকিৎসা গ্রহণ করেন। যেটা ভারতে 43, চীনে 32, থাইল্যান্ডে 11, শ্রীলঙ্কায় 38, যুক্তরাজ্যে 14, জাপানে 12, ফ্রান্সে 9% মানুষ মাত্র। তো সেই জায়গায় আমরা যদি
যদি এখনই এরকম একটা সিদ্ধান্ত নেই তাহলে কি দাঁড়াবে এটা আর বর্ণনা করার বেশি ব্যাখ্যা করার দরকার নাই সে মোতাবেক আমি মনে করছি যে আগামী 2026 খ্রিস্টাব্দের 20 সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিলটি প্রচার করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মোঃ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া চার কুষ্টিয়া চার আফজাল হোসেন নেই। জনাব মোঃ জহিরুল ইসলাম
চট্টগ্রাম 16 নেই জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নিলফামারী এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ জি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আজকে মহান সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী সম্মানিত আমির ডক্টর শফিকুর রহমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত অর্জন করেছেন তিনি বলেছেন যেহেতু স্থায়ী কমিটি এখনো গঠিত হয়নি
সে কারণে আপাতত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 পাস না করে জনমত অধিকতর যাচাই এর জন্য বিলটি প্রচার করা হোক। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা পাঁচ সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 জনমত যাচাই জন্য প্রেরণ করা হোক। যেহেতু এখনো স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়নি আমরা আশা করবো আমাদের এই দাবি
মেনে নিয়ে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্থায়ী কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্থায়ী কমিটি গঠন হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করবেন পরবর্তীতে তিনি এই বিলটি উত্থাপন করবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ গোলাম রসুল যশোর চার সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের বাংলাদেশের যে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আছে আমরা দেখেছি গ্রামের হতদরিদ্র মানুষগুলোই এখানে চিকিৎসার জন্য
আসে। প্রতিনিয়তো আমাদের কাছে এ ধরনের রোগী আসে। তাদের ট্রিটমেন্ট জন্য এখানে আসে। কিন্তু আমরা আজকে দেখতে পেয়েছি বাংলাদেশের যারা রাজনীতিবিদ যারা আমলা এবং যারা ব্যবসায়ী আজকে যারা আমরা এখানে আলোচনা করছি যারা শীর্ষ পর্যায়ে আছেন তারা কিন্তু বাংলাদেশের কোন এই সমস্ত হাসপাতালের ট্রিটমেন্টের জন্য যান না। তারা বিদেশে চলে যান হয় ভারত নাই সিঙ্গাপুর নাই থাইল্যান্ড। তাদের টাকা আছে। কিন্তু গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের কিন্তু টাকা নাই। তারা এখানেই কিন্তু আসে। কিন্তু আজকে এই মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা কোম্পানিতে তৈরি করা হচ্ছে। কাজেই সেখানে চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে যাবে। আমরা
সেটা আশঙ্কা করছি কাজে আমি এই বিলটা জনমত যাচাই এর জন্যে আমি মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলতে চাই সাথে সাথে স্থায়ী কমিটি গঠন করে স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে বিলটা আসলে সবচেয়ে ভালো হয় মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য সাবিকুন্নাহার মহিলা আসন নম্বর 39 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 এর উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবিত এই বিলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্পর্কে জনগণ চিকিৎসক সমাজ শিক্ষক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণ করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে মনে করি। এ বিলের মাধ্যমে আমরা জানি যে বিশ্ববিদ্যালয়কে কোম্পানি গঠন ও বিনিয়োগের ক্ষমতা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একটি রাষ্ট্রীয় মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু বাণিজ্যিক কর্মকান্ডের সম্পর্কে
হতে পারবে এবং এই সীমারেখা কোথায় নির্ধারিত হবে জনগণের করের টাকায় পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম যদি ধীরে ধীরে কর্পোরেট কাঠামোর দিকে ধাবিত হয় তাহলে সাধারণ রোগীর স্বার্থ কতটুকু সুরক্ষিত হবে তাই আমি মনে করি এই বিলটিকে স্থায়ী কমিটির কাছে প্রেরণ করা হোক এবং জনমত যাচাই যাচাইয়ের জন্য প্রচার করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মুসাম্মদ নাজমুন্নাহার মহিলা আসন নম্বর 40
সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধন বিল 2026 এই বিলটি আনার জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে যেহেতু এটি একটি কোম্পানি করার বিধান রয়েছে এবং কোম্পানি হলে এখানে আর্থিকভাবে লেনদেন হবে সেজন্য আমি মনে করি যে এটা আসলে সেবামূলক একটা বিশ্ববিদ্যালয় হওয়া প্রয়োজন এবং যেহেতু স্থায়ী কমিটি এখনো গঠন হয়নি
স্থায়ী কমিটি গঠনপূর্বক যাচাই-বাছাই জন্য আরো স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিমূলক হওয়ার জন্য 20 সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ পর্যন্ত এটি জনমত যাচাই করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের যে আমাদের মৌলিক
মানবাধিকারের বিষয়ের মধ্যে স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় অথচ আমরা লক্ষ্য করি বিশ্বে আমাদের এখন হেলথ কেয়ার ইন্ডেক্স যেটা আছে সেই ইন্ডেক্সে আমরা 97 টি দেশের মধ্যে 96 তে এমনিতেই আছি এরপর যদি এটাকে কোম্পানি আইনে নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে এই স্পেশালাইজড হাসপাতালের মাধ্যমে আমরা ব্যবসায় পরিণত হয়ে এরপর এক তালিকার বাদ আছে অর্থাৎ 97 থেকে আমরা 96 তে আছি তারপর আর কোথায় যাবো আমাদের নামার ও তো আর কোন জায়গা নেই আমার মনে হয় সেই জায়গাটা যেমন দেখা দরকার এসি
তালিকায় 33 টি দেশের মধ্যে আমরা 33 নাম্বার আছি আমাদের আর নিচে নামার কোন জায়গা নাই মাননীয় স্পিকার আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়কে অনুরোধ করব আপনার মাধ্যমে যে এটি যাচাই-বাচাইপূর্বক সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষা হয় সেই বিষয়টি দেখার জন্য আমাদের এমন পদ্ধতি অবলম্বন করা উচিত স্পেশালিস্ট মানে বড় রোগ বড় অসুখ বড় রোগীরা তো সব দেশের বাইরে যায় তো গরিবের স্বার্থ রক্ষা না হলে এটা ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য স্যর
জয়নুল আবেদিন, ঢাকা চার, নেই। জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিন, সময় এক মিনিট।
ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধনী বিল 2026 এই বিলটি এখানে পেশ করার আগে আমি অনুরোধ করতে চাই যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির গঠন হোক সেই স্থায়ী কমিটিতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সামগ্রিকভাবে এদেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে একটা
যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত আসুক সেটি গ্রহণযোগ্য বলে আমি মনে করি। এইজন্য বাংলাদেশের মেডিকেল সেক্টরকে আমরা যদি আবারো বাণিজ্যিকীকরণ করি সরকারের উদ্যোগে এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। মাননীয় স্পিকার আমি এজন্য আবারো বলতে চাই যে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির মিটিংয়ে এটা পাঠানো হোক গঠিত হওয়ার পরে এবং এরপরে সংসদে আসুক আমরা আলোচনা করে আবারো জনগণের
মধ্যে যা ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 এটা পাশ হওয়ার আগে জনমত যাচাইয়ের জন্য এবং বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য আমি পিটিশন দিয়েছি এর পক্ষে যুক্তি হচ্ছে এই যে মাননীয় স্পিকার আমাদের রাষ্ট্রীয় যে কাজ
কাঠামো বা সংবিধান যেটা আছে, সেই সংবিধানের মৌলিক নীতিমালার মধ্যে রয়েছে জনগণের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করবো। 15 অনুচ্ছেদ এবং 18 অনুচ্ছেদ রয়েছে স্যার মাননীয় স্পিকার। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে আমরা সেটা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়ে আমরা এটাকে বাণিজ্যিকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার এরকম স্পেশালাইজড হসপিটাল বাংলাদেশে অনেক আছে। সেগুলোতে যাদের সামর্থ্য আছে তারা সেখানে চিকিৎসা হয়। যাদের সামর্থ্য নাই তারা তখন এখানে এসে হয়। গত কয়েকদিন আগে মাননীয় স্পিকার আমার এলাকার একটা রোগী সে পপুলারে ছিল সেখানে তার খরচ বহন করতে
পাচ্ছিলেন না এই কারণে এখানে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেছেন। বিশ্বে এটা নজিরবিহীন ঘটনা হবে যে একটি সরকারি প্রাইভেট সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে করা হয়েছে জয়েন্টলি নিয়ে ইয়েতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ব্যবসাকরণ করা হয়েছে। এটা অন্যান্য দেশে আছে শুরু থেকে হতে পারে কিন্তু জি ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব মোঃ ফজলুরrahman সাইদ জয়পুরহাট এক সময় এক মিনিট ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সংশোধনী যেটা নিয়ে আসা হয়েছে, এখানে স্থায়ী কমিটি যেহেতু গঠিত হয়নি, এজন্য এটাকে আরো যাচাই-বাছাই করার জন্য স্থায়ী গঠন কমিটি করা করা হোক এবং সেখানে প্রেরণ করা হোক আর ব্যাপক জনমত যাচাইয়ের জন্য এটাকে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আমি এখানে বলতে চাই যে, আমাদের দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠী যারা তারা আসলে চিকিৎসার জন্য সাধারণত
এই আমাদের এই সরকারি জায়গাতেই আসে সেখানেও যদি মুনাফার জায়গা হয় সেখানে যদি বাণিজ্যিক আকারে করা হয় তাহলে এদেশের জনগণ যাবে কোথায় সুতরাং বিষয়টাকে আসলেই চিন্তা করা দরকার যাতে করে আমাদের সাধারণ দরিদ্র জনগোষ্ঠী কোনো ভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এজন্য আমি এটাকে জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করে অনুরোধ করে শেষ করছি মাননীয় স্পিকার আমার ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আব্দুল মুনতাকিম নিলফামারী চার সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার
আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 এই বিলটি জনমত যাচাই এবং বাছাই কমিটিতে ফেরানোর জন্য জোরালো দাবি জানা যাচ্ছে। মাননীয় স্পিকার, এই সংশোধনী মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে লাভজনক ও অলাভজনক কোম্পানি প্রতিষ্ঠার অবাধ আইনি ক্ষমতা দেয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় যখন ব্যবসা বা আয় করার মানসিকতা নিয়ে হাসপাতাল পরিচালনা করবে তখন চিকিৎসা আর জনকল্যাণমূলক থাকবে না মাননীয় স্পিকার। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয় এছাড়াও বিশ্ব
অধীনে বেসরকারি অংশীদারিত্ব বা কোম্পানির মাধ্যমে শেয়ারিং এর যে ব্যবস্থা করা হচ্ছে তা দেশের স্বাস্থ্য খ্যাতি অসুস্থ প্রতিযোগিতার সৃষ্টি করবে মাননীয় স্পিকার এজন্য আমি প্রস্তাব করছি যে দেশের জ্যেষ্ঠ চিকিৎসক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুশীল সমাজ অংশীদারদের সাথে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিলটি পাশ করা হোক এজন্য জনমত জাচায় জন্য বিলটি প্রচার করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা 2
[অডিও অস্পষ্ট — এই অংশের পাঠ্য স্থগিত রাখা হয়েছে।]
স্বাস্থ্যক্ষেত্র এবং শিক্ষাখাত নিয়ে যত বক্তব্য দেওয়া হয়েছে যে আমরা এখানে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছি, আমাদের খরচ বাড়াচ্ছি, আমাদের হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্টের জন্য দরকার। সেই কথা বেমালুম ভুলে যে
আমরা এখন এই চিকিৎসা খাতে খাতকে বাণিজ্যিকরণের দিকে যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। এটা মাত্র কয়দিন আগে তো আমরা বাজেট পাশ করলাম এবং আমরা বললাম যে আমরা অনেক গুণ বাড়িয়ে আছি স্বাস্থ্য খাতে। এখনো তো আমাদের পরিসংখ্যান হলো যে আমাদের দেশের সেবায় চিকিৎসায় যিনি রোগী উনি ব্যয় করেন 70 পয়সা আর সরকার ব্যয় করেন 30 পয়সা। এটা উল্টানোর কথা কিন্তু বলা হয়েছে এখানে। তো এই বাণিজ্যিক ধন্যবাদ মাননীয় সদর
জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফী নীলফামারী তিন সময় এক মিনিট ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমরা সকলেই জানি অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা মানুষের মৌলিক অধিকার এবং একটি এই অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দেশের মানুষ সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকে বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে আজকের এই বিলটি জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রেরণ করা অতিব জরুরী
স্বাস্থ্যক্ষেত্রের জন্য। কারণ হলো যেটা সেটা হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষ যেখানে এম্বুলেন্স ভাড়ার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ঢাকায় আসার জন্য সেই সাধারণ মানুষের মানুষের দিকে তাকিয়ে আমি যে কথাটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে যে এই ব্যয় যদি আরো বৃদ্ধি পায় তাহলে গ্রামের মানুষ সকল দিক থেকে আশাহত হয়ে যাবে। রাজধানীতে সুচিকিৎসার অভাবে তারা গ্রামে বিনা চিকিৎসায় মারা যাওয়ার বহু
সম্ভাবনা আজকে দেখা দিচ্ছে এমতো অবস্থায় বিলটি যাচাই বাছাই এবং জনমত জরিপের জন্য প্রেরণ করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নাজমুল হুদা মেহেরপুর 2 নাজমুল হুদা মেহেরপুর 2 নেই মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জনাব সর্দার মোঃ সাকাওয়াত হোসেনকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার স্যার এই বিলটি বিশেষ কমিটি কর্তৃক আলোচনার মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে যেখানে বিরোধী দলের মাননীয় সংসদ সদস্যগণ ছিলেন
নিরীক্ষণ করে সংসদে উপস্থাপন করা হয়েছে বিবেচনার জন্য যে বক্তব্য গুলি এসেছে মাননীয় স্পিকার আমি খুব সংক্ষিপ্ত করতে চাই বিরোধীদলের মাননীয় নেতা এটাকে একটা প্রফিট বেজ অর্গানাইজেশন হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রত্যাহার করতে বলেছেন আরেকজন মাননীয় সংসদ সদস্য স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে বাণিজ্যের দিকে তুলে দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন
মাননীয় আরেকজন সংসদ সদস্য এটাকে কর্পোরেট হাউসে পরিণত করা হচ্ছে বলে বর্ণনা করেছেন আরেকজন বলেছেন এটা জনকল্যাণমূলক থাকবে না মাননীয় স্পিকার আমি সংক্ষিপ্ত করতে চাই বিধায় খুব কনফিডেন্টলি দুই একটি কথা বলতে চাই আমার মনে হয় উনাদের আই এম সরি ইফ আই এম রং উনাদের বোঝার মধ্যে একটু ভুল আছে
বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির অধীনে কিন্তু একটি হাসপাতাল আছে আমাদের দেশে যেটা জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছে ইটস এ ভেরি বিগ অর্গানাইজেশন এখন যে হাসপাতালটির কথা এখানে আলোচনা হচ্ছে এটা একটা সুপার স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের ফিন্যান্সে এই হাসপাতালটি করা হচ্ছে এই আইনটি আনা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা উচ্চতর চিকিৎসা
প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে অধিকতর সমৃদ্ধ ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা অপহার্য অপরিহার্য বিধায় এটাকে একটা কোম্পানি আইন ফর্ম করে একটা সুপার স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল করে আমাদের দেশের দক্ষ উঁচু মানের মডার্ন জ্ঞান নিয়ে বিদেশীদের নিয়ে হ্যান্ডসন ট্রেনিং নিয়ে আরো উঁচু স্তরের একটি হাসপাতাল করার
জন্য এই পরিকল্পনা গ্রহণ করে এই কোম্পানি আইন পরিণত করেছে। ইট ইজ প্রফিট অর নট প্রফিট। এটাকে এটা যে যদি কোন প্রফিট হয় এই প্রফিট কেউ বাইরে নিতে পারবে না। দ্যাট প্রফিট শ্যাল বি রিইনভেস্ট ফর দ্যা ডেভেলপমেন্ট অফ দিস স্পেশিয়ালাইজড হাসপাতাল। মাননীয় স্পিকার, এখানে গভমেন্টের 10% শেয়ার রয়েছে। একটা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে একটা গভর্নিং বডি নিয়োগ করা হয়েছে এখানে। ইট উইল বি কমপ্লিটলি ম্যানেজড বাই
স্পেশাল ফোর্সেস, আমরা এটা ম্যানেজমেন্ট এর জন্য যেমন সোনারগাঁ হসপিটাল ম্যানেজমেন্ট সোনারগাঁ হোটেল এটা কোম্পানির আন্ডার ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে বামরুণ গ্রাদ হসপিটাল হচ্ছে সিঙ্গাপুরের
মাউন্ট এলিজাবেথ হচ্ছে, দেবী সেটির হাসপাতাল ইন্ডিয়াতে একটা কোম্পানির মাধ্যমে ম্যানেজমেন্ট হচ্ছে, আমরা এই হাসপাতালের এই দ্বিতীয় অংশটাকে এটাকে আপনারা একত্রীভূত করবেন না একটা হাসপাতাল আমাদের আছে, এটাকে স্পেশালি সুপার স্পেশালাইজ করা হচ্ছে, এটাকে কোম্পানি আইন দিয়ে হায়ার করে অধিক স্যালারিতে অধিক জ্ঞান সম্পন্ন অধিক বিজ্ঞ অধিক এক্সপার্টাইজ লোকে নিয়ে আমাদের দেশের মানুষকে
আরো অধিকতর বেটার অধিকতর উন্নতমানের চিকিৎসা দেওয়ার স্বার্থেই কিন্তু এই বিলটা আনা হয়েছে এবং এই স্পেশিয়ালাইজড হসপিটালটা সুপার স্পেশিয়ালাইজড হসপিটালটা নির্মাণ করা হয়েছে। হসপিটালটার কাজ সম্পূর্ণ হয়ে মেশিনারিজ ইমপোর্ট হয়েছে। আগামী দুই তিন মাসের ভিতরে আমরা আপনাদেরকে নিয়ে ইনশাল্লাহ এটা উদ্বোধন করবো মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা থাকবেন। এটা দেখার মতো একটা হাসপাতাল হচ্ছে। এটাতে আমাদের হ্যাঁ
বলতে পারেন যে অনেক গরীব লোকরা যেতে পারে নো সেটা ঠিক না গরীবদের জন্য কোটা থাকবে মধ্যবিত্তরা করবে বড় লোকরা করবে বাট এইটাতে যে আধুনিক সেবার মান পাবে যে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা হবে এটা তো আমাদের জন্য একটা সৌভাগ্য মাননীয় স্পিকার এটা আমাদের সবাইকে বুঝতে হবে এটা আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা এই সরকার আমরা এরকম একটা
আমরা এমন একটা হাসপাতাল আমরা করতে পারতেছি স্পেশালি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সংশোধন হচ্ছে এটাকে সম্পূর্ণ জনকল্যাণমুখী করা হচ্ছে যেটা বলেছেন কল্যাণমুখী হবে না এটাকে জনকল্যাণমুখী হাসপাতালী করা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার এখানে কোন সন্দেহ থাকার কোন অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না তাই মাননীয় স্পিকার আমি জনমত যাচাই এবং বাছাইয়ের জন্য যে প্রস্তাবগুলি দিয়েছে
এই প্রস্তাবগুলি দেশের আপামর জনগণের চিকিৎসার স্বার্থে আমার কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয় না এগুলো গ্রহণযোগ্য নয় আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্যবৃন্দ মাননীয় সদস্য আসলে আমরা তো বিলের মাঝখানে এভাবে আচ্ছা আচ্ছা একটু অপেক্ষা করেন যদি মাননীয় বিরোধীদলের নেতা বলতে চান আমি মাইক দিতে পারি
অন্য কাউকে এই মুহূর্তে দেয়া সম্ভব না। জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ। আসলে বিল উত্থাপনের পরে স্বাভাবিকভাবে মাঝখানে আমার বা কারো দাঁড়ানোর কথা না। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একটু ব্যতিক্রম হতে পারে যে আমরা বুঝতে ভুল করেছি হতে পারে উনিও বুঝতে ভুল করেছেন।
হতেই পারে। মানুষ হিসেবে ভুল বুঝাবুঝি হওয়া অস্বাভাবিক না। যে হাসপাতালটা এখন অবিবরহিত অবস্থায় আছে। এটা কিন্তু ফ্যাসিস্ট আমলে তৈরি করা হাসপাতাল। তারা এটা চালু করে নাই। তারা কি তখন এইরকম কোন কাঠামো আইনি কাঠামো তৈরি করেছিল? যে এটাকে প্রফিট অর নন প্রফিট দুইটা কথা এখানে ইউজ করা হয়েছে।
জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে যে রেজিস্ট্রেশন গুলা হয় দুই ভাগে হয় একটা চেরিটি এখান থেকে কোনো প্রফিটের প্রশ্নই উঠে না চেরিটি প্রফিট হলেও এটার ইনভেস্ট হবে ওখানে আর প্রফিট যেটা সেটা লিমিটেড কোম্পানি প্রাইভেট হতে পারে পাবলিক হতে পারে লিমিটেড কোম্পানির প্রশ্ন যেখানেই আছে সেখানে লাভ লসের প্রশ্ন আছে এই জায়গায় আমরা খুবই আনন্দিত হবো যে হাসপাতাল তার তৈরি হয়েছে এটাও
যদি সাধারণ মানুষের জন্য ফুল্লি ডেজিগন্যাটেড হয় মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমি সম্মানের সাথেই বলতেছি উনি বলছেন গরিবদের এখানে একটা স্টেট থাকবে আমি বলি কুঠানা যেভাবে পিজি থেকে আজকে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ক্রমান্বয়ে এটাও তার অন্তর্ভুক্ত হয়ে একটা নতুন মডেল এই সরকার জনগণকে উপহার দেবো এবং এখানে 10% বা 90% এর কোন বিষয় নাই
না থাকুক। পুরাটাই সরকারের নিজস্ব অবস্থান থেকে করা হোক। সরকার আজকে একটা দল পরিচালনা করছে। কালকে হয়তো আরেকটা দল আসবে। কিন্তু ভালো কিছু সৃষ্টি করলে মানুষ চিরদিন মনে রাখবে। আর এইটার সুবাদে যখন স্পেশালাইজড হসপিটাল হবে স্বাভাবিক এটার কস্ট স্বাভাবিকভাবে হবে না। বিদেশের চেয়ে কম হলেও অনেক বেশি হবে কস্ট। বেসিক কস্ট তো আর কমাইতে পারবে না।
তো এই জায়গায় গরিবরা আবার আনফোর্টে পড়ে যাবে, এফোর্টেবল হবে না তাদের জন্য। আমি বিষয়টা আবারো বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি আরো বেশি যাচাই-বাচাই করে। এই সংসদই পাশ করে দেওক, অসুবিধা নাই। কিন্তু আরো সুচিত্র
সুন্দরভাবে আসুক জনস্বার্থ সংরক্ষণ করে আসুক এভাবে আসলে দেশবাসী খুশি হবে আর এই সংসদ গ্লোরিফাই হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলের নেতা আচ্ছা মাননীয় মন্ত্রী কি বলতে চাচ্ছেন একটু শুনে নেই না মাননীয় মন্ত্রী দাঁড়িয়েছেন তো সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মন্ত্রী ইফ হি এলাউস আই হ্যাভ নো প্রবলেম টু গিভ ল মিনিস্টার মাননীয় মন্ত্রী আপনি বলবেন না ল মিনিস্টার বলবে
তাহলে আপনি ফিনিশিং দেন উনি বলুক মানে যেহেতু আপনার মন্ত্রণালয় ওকে ইটস আপ টু ইউ টু ডিসাইড বোথ অফ ইউ হ্যাভ হ্যাভ প্রেরোগেটিভ মাননীয় আইনমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে বিরোধী দলের সংসদ সদস্য এবং যারা এটার ব্যাপারে কনসার্ন করে এক্সপ্রেস করে তাদেরকে ধন্যবাদ পুরা আলোচনা শুনে আমার কাছে কয়েকটা জায়গায় খুব খটকা লাগলো আমাদের একজন সদস্য
বললেন দুইজন সদস্য বলেছেন অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা মৌলিক অধিকার আমি বিনয়ের সাথে বলছি কোনটাই মৌলিক অধিকার না আইনের ছাত্র হিসেবে বলছি এর কোনটাই মৌলিক অধিকার না অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা চিকিৎসা রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতির অংশ এটা মৌলিক অধিকারের অংশ না দ্বিতীয়ত হলো এখানে ধারণা করা হচ্ছে পিজি হাসপাতাল যেভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে পিজি হাসপাতাল কোম্পানি করে দেওয়া হচ্ছে
মানুষের কাছে পিজি হাসপাতাল স্ট্যাটুটরি বডি স্ট্যাটুটরি বডি হিসেবে তাদের যে অবজেক্ট ক্লজ আছে যে অথরিটি দেওয়া আছে পিজি হাসপাতাল রিসার্চ ওয়ার্ক করবে পাঠদান করবে এবং চিকিৎসা দেবে সেই অনুসারে পিজির যে বর্তমান স্ট্রাকচার আছে সেটা হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের একটা পরিকল্পনা বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে সাধারণ এবং গরিব মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া
এখন আমার এখানে যাদের টাকা আছে তারা ইভারকেয়ার এভেল করতে পারে ইউনাইটেড এভেল করতে পারে স্কয়ার হসপিটাল এভেল করতে পারে কিন্তু যারা গরিব মধ্যবিত্ত তারা কিন্তু পিজি হাসপাতালে এসে যে স্বাভাবিক চিকিৎসাটা পান ওইটা নিচ্ছেন আমরা এভারকেয়ার স্কয়ার ইউনাইটেড এর থেকে বেটার সার্ভিস কম পয়সায় যাতে মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছাতে পারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই স্বপ্নের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে
যখন কোরিয়ান ফান্ডে স্পেশালাইজড হসপিটাল উদ্যোগ নেয়া হলো তখন প্রশ্নটা আসলো এই হাসপাতালটা কারা পরিচালনা করবেন তখন কথা হলো এটা পিজি হাসপাতাল পরিচালনা করবে এখন পিজি হাসপাতাল যখন এটা পরিচালনা করতে যাবেন প্রশ্ন হলো এখানে যে ডাক্তার নিয়োগ হবে যে নার্স নিয়োগ হবে যে স্টাফ নিয়োগ হবে তাদের চাকরি পিজি হাসপাতালের অন্য স্টাফের সাথে যদি ইকুয়াল করা হয় তাদের বেতন এক
কি স্ট্যাটাসে করা হয়, ভালো ডাক্তার, ভালো নার্স, ভালো সার্ভিস আমরা পাবো না। তখন আসলো প্রশ্ন তাহলে কিভাবে করা যায়? তখন এই আইনের মধ্যে পিজি হাসপাতাল যে আইনে চলে সে আইনের একটা এমেন্ডমেন্ট আনা হলো যে পিজি হাসপাতাল যদি মনে করে তার শিক্ষা এবং চিকিৎসাকে আরো ব্যাপ্তি ঘটানোর জন্য আরো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য আলো ছড়ানোর জন্য একটা কোম্পানি গঠন করতে পারবে যে কোম্পানি
আমাদের বিরোধী নেতা বলেছেন কোম্পানি আওতায় সেকশন 29 নন প্রফিট কোম্পানি হতে পারে বা প্রফিটেবল কোম্পানি হতে পারে সেই ধরনের একটা কোম্পানি করে তারা সেখানে চালাতে পারবে এই যে নন প্রফিট করবে তার অন্যতম অবজেক্ট থাকবে কেউ যদি ডোনেট করতে চায় ওই স্পেশালাইজড হসপিটালে সে ডোনেশন নিতে পারবে পিজি হাসপাতাল পারবে না এই কনসেপ্ট আসছে মাননীয় স্পিকার আমাদের দেশে দেখবেন ইবনে সিনা ট্রাস্ট আছে আমাদের দেশে
আছে ব্রাক। ব্রাক এখন ব্যবসা করছে আড়ং করছে। ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয় করেছে। ব্রাক ব্যাংক করেছে। এই প্রশ্নটা আমাদের সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত লিগ্যাল কোশ্চেন আসছিল। হোয়েদার বিং এ চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন ব্রাক ক্যান ডু বিজনেস। সেই প্রশ্নটা আমাদের এপিলের ডিভিশনে মিস্টার জাস্টিস মাহমুদুল আমিন চৌধুরীর দি দেন চিফ জাস্টিসের নেতৃত্বে ফুল কোর্ট আমাদের বিধান দিয়ে গেছে যে আমরা
কতদিন ভিক্ষার উপরে নির্ভর করবো বিদেশী সহায়তার উপর নির্ভর করে আমরা কি করে চ্যারিটি করবো সুতরাং চ্যারিটেবল অর্গানাইজেশন যদি ব্যবসা করে এবং সেই ব্যবসার পুরা টাকাটা লভ্যাংশের পুরা টাকাটা যদি চ্যারিটি পারপাসে খরচ হয় তাহলে দ্যাট ইজ অলসো পার্ট অফ চ্যারিটেবল ওয়ার্ক এবং এই উদ্দেশ্যেই যখন এই একটা কোম্পানি গঠন করতে পারবেন আমাদের পিজি হসপিটাল বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
বিদ্যালয় যেটাকে বলছে আইনি পরিভাষায়, পিজি হাসপাতাল যখন একটা কোম্পানি করতে পারবেন এবং সেই কোম্পানি প্রফিটেবল নন প্রফিটেবল হতে পারে, সেই কোম্পানি ডোনেশন রিসিভ করতে পারে।
কিন্তু তার সমস্ত ইনকাম টাই হবে এন্সার্কেল উইথ দিস স্পেশালাইজড হসপিটাল যাতে করে বাংলাদেশের সাধারণ গরিব হোকা না নাঙ্গা মানুষ কৃষক শ্রমিক মেহনতী মানুষ সেখানে অন্যতম উন্নততর চিকিৎসা পায় দিস ইজ ওয়ান আসপেক্ট দ্বিতীয়ত হলো আপনাদের ক্লিয়ার করার জন্য বলছি এখানে যে দুইটা সেক্টরের শেয়ার হোল্ডার থাকবে তার একটা সেক্টর হলো পিজি হাসপাতাল ইটস সেলফ ইজ 90% শেয়ার হোল্ডার এখানে কোন ব্যক্তির কাছে
কোনো শেয়ার যাবে না। আর 10% শেয়ার থাকবে গভমেন্টের কাছে। গভমেন্ট ক্যান হোল্ড শেয়ার। যেমন এই দেখেন সোনারগাঁ হোটেলের 100% শেয়ার হোল্ডারের মালিক হোটেল ইন্টারন্যাশনাল যে কোম্পানির মালিক হলো গভমেন্ট ইন্টারকন্টিনেন্টালের 100% শেয়ারের মালিক গভমেন্ট বিমানের 100% শেয়ারের মালিক গভমেন্ট ব্যবসা করছেন। সার্ভিস সেক্টরে এখানে উন্নত আপনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় চিন্তা করেন
বিশ্ববিদ্যালয় একটা ট্রাস্টের আন্ডারে চলে ইবনে সিনা ভালো চিকিৎসা সার্ভিস দিচ্ছে বাংলাদেশে একটা ট্রাস্টের আন্ডারে সেখানে কিন্তু টাকা নেয়া হচ্ছে ন্যূনতম ফ্রি না দে আর ডুইং চ্যারিটি সেখান থেকে যে ইনকাম টা আসছে ইবনে সিনার ইবনে সিনার ট্রাস্টে জমা হচ্ছে সেই ট্রাস্টে টাকা দিয়ে প্রতিনিয়ত ইবনে সিনা চিকিৎসা ক্ষেত্রে অন্যতম একটা শিখরে নেওয়ার চেষ্টা করছে সুতরাং এই যে পিজি হাসপাতাল আপনার প্রাইভেট হয়ে
কোম্পানি হয়ে যাচ্ছে, দিস ইজ এ রং নোশন। দিস ইজ এ রং কনসেপ্ট। বিজি হাসপাতালকে একটা অথরিটি দেওয়া হচ্ছে, চিকিৎসা সেবাকে বাংলাদেশের মানুষের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য কতটা উন্নত শিখরে নিয়ে যাওয়া যায় তার জন্য তাদের যা কিছু করণীয় আছে সেই হাতকে শক্তিশালী করার জন্য। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ, মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার স্যার, আমাদের মাননীয়
আইনমন্ত্রী সাহেব বিশদভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম শুধু একটি কথা বলার জন্য মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা প্রথম একটা প্রশ্নের আকারে বলেছেন যে এই বিল্ডিংটা তো ফেসিস্ট সরকার করেছে তারা কি এই রকম আইন করে ছিল আমি ওই উত্তরটুকু দিতে চাচ্ছি না তারা করেনি আমরা বেটার ওয়ান করেছি যেটা মাননীয় আইনমন্ত্রী এতক্ষণ বললেন আমরা জনগণের দৌড় ঘোরে স্বাস্থ্যসেবাগে উন্নতমানে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটা স্পেশাল আইন
করে পিজি হাসপাতালকে 90% শেয়ার এবং গভমেন্টের কাছে 10% শেয়ার রেখে আমরা জনগণকে সেবার উদ্দেশ্যে এটাকে একটা ইউনিট আলাদা ইউনিক একটা স্পেশাল স্পেশিয়ালাইজড হসপিটাল করতে চাই নাম্বার ওয়ান নাম্বার টু আরেকটা কথা মাননীয় বিরোধী নেতা বলেছেন কোটার কথা আই থিঙ্ক আই ডিড নট মেনশন দা ওয়ার্ড কোটা আমি বলেছি এখানে গরিবদের চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকবে যেটা আইনমন্ত্রী সাহেব ব্যাখ্যা করেছেন এখানে কোন বাধা নেই এবার কেয়ার বা অন্যান্য হসপিটালের মতন
উন্নতমানের চার্জ এখানে নেওয়ার কোনো বিধে নেই। আমরা গভমেন্টের 10% শেয়ার থেকে এই প্রফিসটাকে রিইনভেস্ট করা হবে এবং ন্যাচারালি ইন কোর্স অফ টাইম এটার খরচটাকে উইথ ইন দ্য রিচেবল পজিশন অফ দ্য পুয়ার পিপল করা হবে। এই ব্যাপারে আপনারা স্বস্ত থাকতে পারেন। আল্লাহর রহমতে এটা একটা গরিব মানুষের হসপিটাল হবে। বাংলাদেশের 18 কোটি মানুষের জন্য এটা একটা উন্নত সেবার জায়গা হবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় সদস্যবৃন্দ। আমি এখন বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো
ভুটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো নাকচ করা হবে।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব গুলো ভোটে দিচ্ছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে
অতএব বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব গুলো নাকচ করা হলো মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন
আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে অতএব বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশ
আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিলটির উপর দফা ওয়ারি কোন সংশোধনী নেই আমি এখন বিলের দফাগুলো মহান সংসদের সামনে পেশ করছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 2 3
চার এবং পাঁচ এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা দুই তিন চার এবং পাঁচ এই
বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে।
হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জনাব সর্দার মোঃ সাকাওয়াত হোসেন আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে। জনাব স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সর্দার মোঃ
সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, প্রস্তাব করিতেছি যে, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন 1998 এর অধিকতন সংশোধন কল্পে আনীত বিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল সংসদে স্থিরিক 2026 সংসদে স্থিরকৃত আকারে পাশ করা হোক। আমি আবার পড়ছি মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় মন্ত্রী আমি একটু সাহায্য করে যদি এলাও করেন ওখানে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে ওভাবে হওয়া ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি সর্দার মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করিতেছি যে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন 1998 এর অধিকতর সংশোধনকল্পে আনীত বিলটি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল বিশেষ কমিটি কর্তৃক
সুপারিশকৃত আকারে দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সংসদে পাশ করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 পাশ করা হোক যারা
এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026
পাশ হলো। এটা নাই এটা পাশ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এর পরে কি সেটা আনেন তাহলে। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে একটু মাইকটা দিবেন প্লিজ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আজকে যেভাবে ওই বিশেষ কমিটির ব্যাপারটা স্থায়ী কমিটি হিসেবে এসেছিল।
আমার মনে হচ্ছে এরকম আরো কয়েকটা বিল এসেছে আমি ওই জায়গাগুলো পরীক্ষা করে এটা সংশোধন করার জন্য আপনাকে আহবান জানাচ্ছি কারণ যদি এটা স্থায়ী কমিটি হিসেবে বলা হয় তাহলে ইতিহাসে দেখা যাবে যে স্থায়ী কমিটি তখন গঠন হয়নি তখন এটার আইনি ভিত্তি কিন্তু চ্যালেঞ্জের উপরে পড়বে তো বিষয়টা আমি দেখে পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আপনাকে অনুরোধ জানাচ্ছি জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা অসংখ্য ধন্যবাদ আমরা এটা পরীক্ষা নিরীক্ষা করবো যদি এরকম হয়ে থাকে
ইতিপূর্বে সেটা কারেকশন করা হবে, অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক দিবেন প্লিজ। মাননীয় স্পিকার আজকে আরো
আইন পাস হয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন এই যে নিয়ন্ত্রণ সংশোধন বিল যেটা এটা স্থায়ী কমিটি কর্তৃক পরীক্ষা নিক্ষেপ হয়েছে এটা আইন মন্ত্রণালয় কিন্তু এটা বিশেষ কমিটিতে গিয়ে ছিল এখন স্থায়ী কমিটি গুলো গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমি একটা প্রস্তাব করছি আইন মন্ত্রী সাহেবকে সবগুলো আইন মন্ত্রণালয় বিষয়ক কমিটিতে দেয়া ঠিক হবে বিশেষ কমিটিগুলো রুলস অফ প্রসিডিজ হলো 266 অনুসারে বিশেষ একটা পারপাস
টার্মস অফ রেফারেন্স দিয়ে গঠন করা হয়। তো সেই জায়গায় না পাঠিয়ে আইন মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে যেন সামনে বিলগুলো প্রেরণ করা হয় যতক্ষণ পর্যন্ত স্থায়ী কমিটিগুলো না হচ্ছে তাহলে আর এই বিভ্রান্তিটা হবে না। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আচ্ছা ঠিক আছে পয়েন্ট অফ অর্ডার কিছু ছিল।
আমাদের যে মাননীয় সদস্য আপনারটা বলেন তারপর আরো দুইজন বোধহয় আছেন এখানে যশোর দুই দয়া করে একটু মাইকটা দিবেন প্লিজ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় আইনমন্ত্রী দুইটা আমার জানামতে আমি ভুল হলে বলবেন দুইটা মনে হয় সঠিক তথ্য দেন নাই এই দুইটা আমি কারেকশন করতে চাই খুব সংক্ষেপে আমি সময় নিবো না
একটা উনি বলেছেন যে, পিজি হাসপাতালে উন্নতমানের ডাক্তার নাই। আমি মনে করি এটা ঠিক না। আমি একটা উদাহরণ দিব যে, যখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার 5000 জুলাই যোদ্ধাকে বিদেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয় তখন আমরা লন্ডনের মুরফিল্ড আই হাসপাতাল থেকে যেটা দুনিয়ার এক নম্বর আই হাসপাতাল থেকে হিসেবে পরিচিত ওখান থেকে আমরা ডাক্তার নিয়ে এসেছিলাম। তারা এখানে এসে
লন্ডন এখানে যে আমাদের ন্যাশনাল আই ইনস্টিটিউট সেখানে তারা যত রোগী চিকিৎসা হয়েছে তার মধ্যে 300 রোগীর ফাইল তারা পরীক্ষা করেছিলেন এবং আমি সেটার কোঅর্ডিনেটর ছিলাম এবং তারা ভুয়সী প্রশংসা করেছেন আমাদের ডাক্তার যারা অগাস্ট এবং জুলাইতে এইসব চোখের ভিতর বুলেট চলে যাওয়া রোগীদের কে তাদের কে এটা খুব কমপ্লেক্স অপারেশন এবং তারা সেটা করেছেন সেটা রেকর্ড আমাদের কাছে আছে এনআইওতে সেটার ডকুমেন্টেড আছে অতএব আমি
মনে করি আমাদের দেশে যারা সিঙ্গাপুর বা অন্যান্য জায়গায় চাকরি করেন সেই মানের এবং হয়তো তার থেকে অনেক ভালো মানের ডাক্তার আছেন এটা হলো আমার কথা দ্বিতীয় যেটা যে বিদেশের সমস্ত হাসপাতালে উনি বলেছেন যে সরকারি হাসপাতালে এখানে কোন ডোনেশন নেবার সুযোগ নাই 2018 সালে কিন্তু এখানে গেজেট করে সেখানে অপশন দেয়া হয়েছে যে কমিউনিটি সাপোর্ট গ্রুপের মাধ্যমে এখানে যদি কেউ চ্যারিটি দিতে চান
সেখানে নেয়ার সুযোগ আছে এবং এটা কোন খয়রাতি টাকা না আমি যে হাসপাতালে এই বছর পর্যন্ত চাকরি করেছি সেখানে প্রতিবছর পাঁচ থেকে 600 কোটি টাকা মানুষ কিন্তু ডোনেশন দেয় দুনিয়ার বড় বড় হাসপাতালে আপনি যদি মেয়র কথা বলেন সেখানে কিন্তু সেখানে একটা সুযোগ আছে মানুষ যদি যারা কন্ট্রিবিউট করতে চাই করার সুযোগ আছে আমি মনে করি আমি তো আইন না উনি তো আইন অন থেকে ভালো বুঝেন কিন্তু আমাকে ভুল হলে আমাকে কারেক্ট করুন করে দিবেন।
মাননীয় আইনমন্ত্রী 9:15 বাজে আরো অনেক বিজনেস বাকি আচ্ছা মাননীয় আইনমন্ত্রীকে মাইকটা দেন রেকর্ডভুক্ত করার জন্য প্রথম কথা হলো পিজি হাসপাতালের ডাক্তারদেরকে আমরা আন্ডারমাইন্ড করি নাই উনি রং ইন্টারপ্রিটেশন করেছেন পিজি হাসপাতালের ডাক্তাররা আমাদের দেশের সবচেয়ে ভালো ডাক্তারদের একাংশ তাদের প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা আছে আমরা বলেছি
মেডিকেল সার্ভিসটা দেওয়ার জন্য এই বেতন কাঠামোতে এই বেতন কাঠামোতে আরো বেশি ভালো সার্ভিস দেওয়া কঠিন হয়ে যায় সেই কারণে আমাদের একটা বিকল্প পরিকল্পনা সুতরাং এখানে ভুল বুঝাবুঝি কোন অবকাশ নাই দ্বিতীয়ত হলো আরেকটা যে কি যেন আপনি বললেন ডোনেশন নেওয়ার যে বিষয়টা একটা অর্গানাইজেশন যদি চালাতে হয় তার নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে সবসময় ডোনেশন বা খয়রাতির উপর যাতে না দাঁড়াতে হয় এই কারণে ইনকাম
জেনারেটিং প্রজেক্ট হিসেবে এগুলো আনা হয়। মাননীয় স্পিকার সেটা আমার ব্যাখ্যা আর কিছু না। থ্যাংক ইউ। ধন্যবাদ। আমরা তো ভাবছিলাম যে যশোর ঝিনাইদাহ থেকে বের হয়ে পড়ছি। বলেন আপনি বলেন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা। প্রেসিডেন্স হয়ে গেল। বিল পাস হওয়ার পরে ওই বিলের উপরে আবার আলোচনা চললো। এটা কি ঠিক হবে মাননীয় স্পিকার? না এটা বিলের উপরে হচ্ছে না মাননীয় যে কারোটাই এখানে রেকর্ড হওয়া উচিত না। সবগুলাই বিল পাস হওয়ার পরে যা আলোচনা হয়েছে এই সংক্রান্ত সবগুলা এক্সপ্যান্স হওয়া উচিত।
আলোচনা হয়ে ভালো, দুনিয়াবাসী শুনে ফেলছে এটাও ভালো। কিন্তু এটা রেকর্ডে টাকা ঠিক হবে না, তাইলে ভবিষ্যতের জন্য এটা ব্যাড প্রেসিডেন্স হবে। দুই নম্বর মাননীয় স্পিকার
আমি দাঁড়িয়ে গেছি যেহেতু আর মাইকো পেয়ে গেছি। আমার বাড়ি হল কুলাউড়া কুলাউড়ার এই লোকটা বারবার উঠেছে আপনি তারে সুযোগ দেন নাই। ওই পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীদের উপহার হিসেবে পানি যেটা এসেছে আমরা সেই পানিতে এখন বড় নাজেহাল অবস্থায় আছি দুটা কথা তার কাছ থেকে একটু শুনবেন আমি আশা করব। জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা আমি এটাই বলতে চাচ্ছিলাম যে জসুর ঝিনাই থেকে বের হয়ে আমরা এখন মৌলভীবাজারের দিকে যাই এর মধ্যে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন।
মৌলভীবাজার 2, শওকতুল ইসলাম পয়েন্ট অফ অর্ডার, মাননীয় মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী একটু বসেন আমরা। জি। মাননীয় মাননীয় মন্ত্রী 9:15 বাজে। আপনি একটু মাননীয় চিফ হুইফ মাননীয় চিফ হুইফ আপনি আপনি আপনি একটু কথা বলেন এই ফাঁকে মাননীয় সদস্য মৌলভীবাজার 2 আপনি কথা বলুন। মৌলভীবাজার 2 আপনি কথা বলুন।
বাজার 2 শওকতুল ইসলাম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ গতকালকে চেষ্টা করতেছি গতকাল থেকে একটা মানবিক দিক মানবিক বিষয় এই সংসদে উত্থাপন করার জন্য আমার নির্বাচনী এলাকা মৌলভীবাজার 2 মনোনীত ভাঙ্গনে আমার কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাহায্যের পরিমাণ
একেবারে নাই বললেই চলে। আরেকটি কথা বর্ডারের ঠিক দুই হাত বা তিন হাত হবে এরকম স্থানে স্থানীয় জনগণ বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু ভারতীয়দের বাধার মুখে বাদ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আমি বিনীত অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ ধন্যবাদ
মাননীয় সদস্য, আমার মনে হয় ত্রাণ পুনর্বাসন মন্ত্রী এখানে নেই বাট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন। দুইটা ইস্যু তো আশা করছি উনারা নোট নিয়েছেন। আরেকজনের পয়েন্ট অফ অর্ডার ছিল জামালপুর চার ফরিদুল কবির তালুকদার সংক্ষেপে এক মিনিটের মধ্যে বলবেন জামালপুর চার। নেই। ও আছে। জি। জামালপুর চার। অনেক অপেক্ষার পর আপনি আমাকে দিয়েছেন আপনি অসংখ্য
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আসলে কথা বলতে চাই। আমাদের এলাকায় জামালপুর শরীফ সাবাড়ী এবং ভুয়াপুর একটি ট্রেন চলাচল করত। যেটা হল জামালপুর এক্সপ্রেস। ভুয়াপুর লাইনের মাননীয় সদস্য এটা তো খুব বেশি চিফ হুইপ সাহেব এটা কি ব্যাপার আপনি আপনি নোট পাঠিয়েছেন এটার জন্য তো
মাননীয় সদস্য একটু বসেন জামালপুর চার মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় স্পিকার আপনি অর্ডার সব দ্যা ডে যা আছে এখন যা বিজনেস আছে সেই অনুযায়ী আপনি আগান আপনাকে এই নোট পাঠিয়েছি এখন থেকে দুই ঘন্টা আগে আপনি দুই ঘন্টা পরে এখন পয়েন্ট অফ দ্যা ওয়ার্ড দিলে হবে আপনি যখন নোট পাঠিয়েছেন তখন বিজনেস চলছিল বিজনেসের মধ্যে তো আমি যেতে পারি না আপনাকে সম্মান করলাম এখন আপনি আমাকে দায়ী করছেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচিভুক্ত কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সংক্ষিপ্ত আলোচনা নোটিশটি প্রদানকারী মাননীয় সদস্য জনাব আক্তার হোসেন রংপুর 4 এর অনুরোধের প্রেক্ষিতে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে না
উক্ত নোটিশের উপর আলোচনা আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। মাননীয় সদস্যবর্গ মাননীয় চিফ হুইপ মহোদয় আপনি কমিটি গঠনের একটি লিস্ট পাঠিয়েছেন যদিও এর আগে আপনি স্থগিত করার অনুরোধ পাঠিয়েছিলেন সেই অনুরোধ আমরা রক্ষা করে স্থগিত করেছিলাম এখন আবার কি জন্য কি পাঠিয়েছেন একটু দয়া করে ব্যাখ্যা করুন।
মাননীয় স্পিকার আপনি মোটে নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন এটা মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমেই সবসময় সব কমিটিগুলো হয়ে থাকে মাননীয় সংসদ নেতা আজকে এখানে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন না আমি উনার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি তো সেই কারণে আমি আপনাকে অনুরোধ করেছিলাম যে আপনি কমিটির আপাতত স্থগিত করার কারণে যেহেতু তার অনুমতি ছাড়া এটা করতে চাইনা তো তারপর উনি অনুমতি দেয়ার কারণে আবার আপনাকে বলেছি আপনি মাননীয় স্পিকার যদি আপনি রাজি থাকেন ইনশাআল্লাহ আমি কমিটিগুলো গঠন করবো ইনশাআল্লাহ মাননীয় চিফ হুইফ
আপনি অনুরোধ পাঠিয়ে ছিলেন রক্ষা হয়েছে, এখন আবার অনুরোধ করছেন আবার যাচ্ছি। হ্যাঁ, জি যান। মাননীয় সদস্যবৃন্দ জি, দয়া করে বসেন। জি। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন আজকের
দিনের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত স্থগিতকৃত কমিটি গঠন কার্যক্রম পুনরায় শুরু করছি। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী আমি এখন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামকে কার্যপ্রণালী অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন যে তার নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের বদ্ধ পরিকর। সেই পরীক্ষিতে বর্তমান সংসদের প্রথম অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধি মোতাবেক মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অত্র সংসদের প্রতিনিধিত্বকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দল এবং জোটের সদস্যদের সমন্বয় এমনকি সংসদ মানে স্বতন্ত্র সংসদ
সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত একটি কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেই। সেই লক্ষ্যে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের কাছ থেকে অত্র অধিবেশনে নাম পাবার আশ্বাসের প্রেক্ষিতে কমিটির গঠন প্রক্রিয়া বিলম্বিত করি। ইতিমধ্যেই কয়েক দফা এ বিষয়ে তাদের সাথে কথা হয়েছে কিন্তু তারা এখনো কোন নাম আমার কাছে দেননি। এমন অবস্থায় আমরা যে 17 সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি তার প্রস্তাব প্রস্তাবিত কাঠামো নিম্নরূপ বিএনপি থেকে
সাতজন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে একজন, গণসংহতি আন্দোলন থেকে একজন, গণঅধিকার পরিষদ থেকে একজন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে একজন, স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে থেকে একজন, বিরোধী দল থেকে পাঁচজন এই নিয়ে ছিল মোট 17 জন। উক্ত 17 জনের মধ্যে সদস্যের মধ্যে বিরোধী দলের জন্য পাঁচটি পদ শূন্য রেখে আজ 12 সদস্যের কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছি। বিরোধী দলের কাছ থেকে নাম পাওয়া গেলে তাদের পাঁচজনকে অন্তর্ভুক্ত করে কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। মাননীয় স্পিকার,
এর পরীক্ষিতে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপদণালী বিধি অনুসারে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের নিমিত্ত সুপারিশ প্রণয়নপূর্বক সংসদে রিপোর্ট পেশ করার জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদশ্রেষ্ঠের সমন্বয় 12
সদস্যপদ দূরদূর জাতীয় সংসদের সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন করা হোক সরিমা নিয়ে জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ 294 কক্সবাজার এক সভাপতি জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বরগুনা দুই সদস্য জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান 81 জিনেদা এক সদস্য জনাব জয়নাল আবেদীন 121 বরিশাল তিন সদস্য জনাব মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ ম
40 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 6, জনাব আন্দালিব রহমান 115 ভোলা 1, জনাব মোহাম্মদ নুরুল হক 113 পটুয়াখালী 3, মীর মোহাম্মদ হেলালুদ্দিন 282 চট্টগ্রাম 5, ফারজানা শারমিন 58 নাটোর 1, শাকিলা ফারজানা 308 মহিলা আসন 1, জনাব মোহাম্মদ মাহমুদুল হক রুবেল 145 শেরপুর 3, জনাব মোহাম্মদ ওলি উল্লাহ 109 বর্গ নায়ক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ।
জি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এ বিষয়টা সংসদের প্রথম অধিবেশন থেকেই চলে আসছে এবং আজকে যে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে এটি প্রথম অধিবেশনে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থাপন করেছিলেন সেই দিনে আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট ব্যক্ত করেছি এরপরে এটা সঠিক
কয়েক দফায় মাননীয় চিফ হুইপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় আমাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন বসেছেন আমরা আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছি আমরা কখনো বলি নাই যে আমরা নাম দেব সদস্যদের আমরা কনসেপচুয়ালি এটাকে এক্সেপ্ট করি নাই আমরা বলেছি আমরা জাতির কাছে ওয়াদাবদ্ধ যেমন ওয়াদাবদ্ধ ছিল বর্তমান সরকারি দল আমরা নির্বাচনের আগে সবাই বলেছি গণভোটে হ্যাঁ বলুন হ্যাঁ ভোট বিজয়ী হলে আমরা গণভোট বাস্তবায়ন করবো এর রায় বাস্তবায়ন করবো
এবং এরই প্রেক্ষিতে আমরা দুইটা শপথ নিয়েছি একটা সংসদ সদস্য হিসেবে আরেকটা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে আমাদের দুইটা শপথ আমরা মনে করি বিদ্যমান আছে সুতরাং ওইটাকে যদি বাইপাস করার জন্য এই কমিটি গঠন করা হয় তাহলে আমরা এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছি আমরা আমাদের আগের অবস্থানেই আছি আমরা মনে করি গণতন্ত্রের দাবি হচ্ছে
হচ্ছে জনগণের মতামতকে মেনে নেওয়া। সেই মতামত 70% এর কাছাকাছি জনগণের মতামত। এই মতামত যদি এই ভাবে 68.6% এই মতামত যদি এই ভাবে
অবলীলায় শেষ হয়ে যায় তাহলে ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক এই পদ্ধতির উপর জনগণ আস্থা হারাবে না শুধু বিদ্রোহী হয়ে উঠবে আমরা মনে করি যে জনগণের এই অভিপ্রায় মতামতকে কোনোভাবেই অগ্রাহ্য অপমান করা উচিত হবে না এজন্য তাদের প্রতি সম্মান রেখেই আমরা শুধু এই কমিটিতে অংশগ্রহণ করবো না এটাই নয় বরঞ্চ এই পর্বটা আমরা যেহেতু জনগণের রায়কে সম্মান করা হচ্ছে না তার প্রতিবাদে আমরা ওয়াকআউট
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা একটু যদি শুনতেন হয়তোবা কিছু আশার আলো আসতে পারে জানিনা আমি কিছু। আচ্ছা জি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ফর রেকর্ড মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ওয়াকআউট করছেন যে পয়েন্টে সেটা তাদের বিবেচনা সঠিক হতে পারে। তবে বাংলাদেশ
বাংলাদেশের মানুষ গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা আমরা পঞ্চাধ্যস সংশোধনী বাতিল করতে চাই এবং পঞ্চাধ্যস সংশোধনী বাতিল না হলে হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট যদি বার্ডিক দিয়েও থাকে এই লেজিসলেচারে যদি আমরা পঞ্চাধ্যস সংশোধনী বাতিল না করি সেই সংশোধনের উপর ভিত্তি করে আমাদেরকে চলতে হবে সুতরাং আমরা সংবিধান সংশোধনী কমিটি করা ছাড়া এই সংবিধান সংশোধন করা ছাড়া এই জাতিকে আমরা নতুন প্রত্যাশা অনুযায়ী এগিয়ে নিতে পারবো না তিনি বলেছেন তারা দুইটা শপথ নিয়েছেন
মাননীয় স্পিকার, দুইটা শপথ দিলে প্রথম শপথ তো অবৈধ হয়ে যায়। বর্তমান সংবিধান অনুসারে নির্বাচন অনুষ্ঠান হয়েছে। বর্তমান সংবিধান অনুসারে এই জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছে মহামান্য রাষ্ট্রপতি। সেই সংবিধান অনুযায়ী এইখানে জাতীয় সংসদ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়ে এবং সেই সংবিধান অনুযায়ী এখানে রাষ্ট্রপতির ভাষণ হয়েছে এবং সেই ভাষণের উপরে তারাও আলোচনা করেছেন। আমরাও আলোচনা করেছি। মাননীয় স্পিকার, এখনো পর্যন্ত সংবিধানের নিয়ম অনুসারে সেই ধারাবাহিকতায় এই জাতীয় সংসদ
সংসদের প্রত্যেকটা অধিবেশন প্রত্যেকটা বৈঠক পরিচালিত হচ্ছে সুতরাং তারা যদি বলে থাকে তারা দুইটা শপথ নিয়েছে আরেকটা শপথ আমরা তো নেই না মাননীয় স্পিকার তারা শপথ নিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে কোথায় আছে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবে সেটা অসাংবিধানিক যেটা উপদেষ্টা পরিষদে সিদ্ধান্ত হয়েছিল আইন উপদেষ্টা নতিতে পাশ করেছে এবং সেই নোটিস টা নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে সর্ববয়সে গুলো ভয়ের ডামিনিসিও প্রথম দিন থেকেই এবং
সেই আর্টিকেল 148 অনুসারে তফসিল তৃতীয় অনুসারে সেখানে যে একটা ফর্ম ব্লু পেপারে ছাপিয়ে দেয়া হলো যে সংসদ সদস্যগণ আবার আরেকটি শপথ নিবেন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে সেটা ফুল নাল্যান বোয়েট এটা কোন আনকনস্টিটিউশনাল সে কোথাও নাই এবং তার উপর ভিত্তি করে তিনি যে বক্তব্য দিলেন গণভোটের গণরায় অনুসারে আমরা গণভোটকে সম্মান দিতে চাই অবশ্যই গণভোটের গণরায়কে যদি সম্মান দিতে হয় এই সংবিধানকে সংস্কার সংশোধন করতে হবে এবং তার
পরে যদি সবাই মিলে রাজি হয় যে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন হবে তখন যে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবে তখন সেটা হবে এখন তো সেটা হয়নি মাননীয় স্পিকার আগে সংবিধান সংশোধন হতে হবে সমঝোতার ভিত্তিতে সেই সংবিধানে যদি সংস্কার পরিষদের কোন বিধান সংযুক্ত করতে হয় সেই আলোচনা তাদেরকে সেই সংবিধান সংশোধন কমিটিতে এসে করতে হবে তারপরে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে আমরা যে সংশোধিত সংবিধান পাবো সেই
এবং বিধান অনুসারে আমরা এগিয়ে যাব। এখন যদি কেউ বলে যে গণভোট হয়েছে কিসের উপর হয়েছে মাননীয় স্পিকার? গণভোটের যে আদেশ সেটাকে আমরা নাম দিয়েছি জুলাই আদেশ। যে আদেশটা প্রথম দিন থেকে এখতিয়ার বহির্ভূত এটা ফ্রড অন দি কনস্টিটিউশন কালারেবল লেজিসলেশন এই জাতীয় জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংস্কার আদেশ নামে যেটা করা হয়েছে রাষ্ট্রপতি যেটা করতে পারেন না সেটা তো কোনো রাজনৈতিক সমঝোতা ছিলো না। জুলাই জাতীয় সনদের কোথাও সেটা সমঝোতা
হয়নি। তারা স্বাক্ষর করেছেন সেখানে আমরাও স্বাক্ষর করেছি। তাহলে এই যে জাতীয় সনদ আদেশ যেটা করলো সেই যে অর্ডারের উপরে গণভোট অনুষ্ঠিত হলো তার উপর ভিত্তি করে তারা যে চলতে চাচ্ছে তাহলে দেশে যে মানুষ আমাদের ম্যানিফেস্টোর উপরে 31 দফার উপরে এবং নির্বাচন কমিশনের ডিক্লেয়ারকৃত নির্বাচনের উপরে আমাদেরকে যে জনগণ ভোট দিল 51% ভোট দিয়ে এখানে সার্বভৌম পার্লামেন্ট আমাদেরকে পাঠিয়ে দিলো। সেই পার্লামেন্টের ইক্টিয়ারকি? এটা ইউনিটারি।
ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট হিসেবে একটা ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেট হিসেবে আমরা একটা ইউনিটারি কান্ট্রিতে আছি সেখানে একটা সংসদ থাকবে আর্টিকেল 65 এ বলা আছে সেই সংশোধনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা আছে সংশোধন সংশোধন করার ক্ষমতা আছে সেই ক্ষমতা হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্যগণ এই সংবিধানের সংশোধনী দিবে সেই এক্তিয়ার তো সার্বভৌম জনগণ আমাদেরকে দিয়েছে আর্টিকেল সেভেন অনুসারে দিয়েছে এখন যদি বলা হয় গণভোট কি তার উপরে অবশ্যই তার উপরে না আমরা সাংবিধানিক ভাবে
জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছি সার্বভৌম জনগণ কর্তৃক এখানে আইন এবং সংবিধান প্রণয়ন করার সংশোধন করার জন্য গণভোটে কি হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদে যেটা সমস্ত
হয়েছে চার খান প্রশ্নের মধ্যে সাড়ে তিন খান আমরা মানি আর আধা খান যে কোশ্চেন সেই কোশ্চেন তো সংবিধানের উপর হাত দিয়ে একটা অবৈধ আদেশ প্রণয়নের মধ্যে দিয়ে সেটা তো বয়ড এবিনিসিও ইট ইজ নাউ পেন্ডিং উইথ দ্যা জুডিশিয়ারি তারা কি বলে দেখি তারপরও যদি আলাপ আলোচনা করে আমরা এখানে জুলাই জাতীয় সংসদের সবকিছু আমরা এখানে বাস্তবায়ন করতে চাই এবং তার বহির্ভূত ভাবে যদি জুলাই কি যেন সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করতে চায় তারা সেই আলোচনা এখানে এসে করুক সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে করুক আর না
না হলে পরে রাস্তায় গিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের কমিটি করলে তো সংবিধান সংশোধন না করে আমরা বসে থাকতে পারবো না। আর সংবিধান যদি সংশোধন আমরা না করি তাহলে এই জাতি তো শেখ হাসিনা প্রদত্ত পঞ্চাশর সংশোধন নিয়েই চলতে থাকবে। আমরা কি তা চাই? আমরা অবিলম্বে ইনশাআল্লাহ এই সংবিধান সংশোধনী কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা বৈঠক করব এবং এই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের সাথে আমরা আলোচনা করব। স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলোচনা করব। জুডিশিয়ারির সাথে আলোচনা করব। আইনজীবীদের সাথে আলোচনা করব। সুপ্রিম কোর্ট বা আদেশ
সাথে আলোচনা করবো। আমাদের পত্রিকার সমস্ত সম্পাদক এবং ডিজিটাল আর প্রিন্ট মিডিয়ার সমস্ত সম্পাদকদের সাথে আমরা আলোচনা করবো। অন্যান্য স্টেকহোল্ডার বুদ্ধিজীবীদের সাথে আলোচনা করবো। সংবিধান সংসদ বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করবো। জুলাই জাতীয় সনদ প্রণীত হয়ে যে সমস্ত রাজনৈতিক দল স্বাক্ষর করে তাদের সাথে বসে আলোচনা করবো। সংসদে আলোচনা করবো। বৈঠক করবো। তারপর আমরা সুপারিশ প্রণয়ন করবো। তারপরে এই মহান জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনী 14 তম সংবিধান কি এটা? 18 তম
হবে। 18 তম সংবিধান সংশোধনী বিল ইনশাআল্লাহ এখানে উত্থাপিত হবে। আমরা আশা করি বিরোধীদলীয় সদস্যগণ ইমোশনাল রাজনীতি না করে আমরা যাতে সংশোধিত একটি শক্তিশালী সংবিধান সংশোধনী বিল আনতে পারি সেই জন্য গণতন্ত্রের স্বার্থে তারা সহযোগিতা করবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। সংসদের সামনে প্রশ্ন
হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাবমতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের নিমিত্ত সুপারিশ প্রণয়ন পূর্বক সংসদে রিপোর্ট পেশ করার জন্য কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠন করা
হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনের নিমিত্ত সুপারিশ প্রণব
নয়নপূর্বক সংসদে রিপোর্ট পেশ করার জন্য কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন অন্যান্য কমিটি গঠন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মুক্তিযুদ্ধ এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশের
জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 246 247 ও অনুসারে উক্ত বিধিসমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। এক
জনাব মোঃ মইনুল হক চৌধুরী 254 কুমিল্লা 6 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি সংসদস্য হন সদস্য জনাব ইশাখ হোসেন 179 ঢাকা 6 সদস্য জনাব মোঃ ফজলুর রহমান 165 কৃষক গ্রহ 4 সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল হান্নান 263 চাঁদপুর 4 সদস্য জনাব আমির এজাজ খান 99 খুলনা 1 সদস্য জিবা আমিনা খান 312 মহিলা আসন 12 সদস্য
জনাব জিএম নজরুল ইসলাম 108 সাতক্ষীরা চার সদস্য, রুকিয়া বেগম 345 মহিলা আসন 45 সদস্য, জনাব আব্দুল হান্নান মসদুদ 273 নোয়াখালী ছয় সদস্য, ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে
হা জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আপনি এখন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এখন শিল্প শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি হিসেবে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির
কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শস্যকরণ সমন্বয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব মোঃ আবুল কালাম 257 কুমিল্লা নয় সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শিল্প মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সহ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ 171 মুন্সিগঞ্জ এক কাজী রফিকুল ইসলাম 336 বগুড়া এক সদস্য জনাব বিশ্বেশ জাহাঙ্গীর আলম 93 নড়াইল এক সদস্য জনাব মুস্তাফিজুর রহমান
ভুইয়া 204 নারায়ণগঞ্জ এক সদস্য, জনাব মঞ্জুর লাহি 201 নরসিংদী তিন সদস্য, জনাব মোঃ কেরামত আলী 43 চাপাইনবাবগঞ্জ এক সদস্য, জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ 13 নিলফামারী দুই সদস্য, জনাব মাসুদ সাইদী 127 ফিরোজপুর এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইফ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাবমত এবং তার প্রশ্ন
প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয় শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের
73 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসকের সমন্বয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জহরত আদিব চৌধুরী 327 মহিলা আসন সভা 27 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সংসদে সহন জনাব আমানুল্লাহ আমান
175 ঢাকা দুই সদস্য, জনাব হুম্মাম কাদের চৌধুরী 284 চট্টগ্রাম সাত সদস্য, জনাব এসকে আজাদুলবাড়ী 102 খুলনা চার সদস্য, জনাব সাইদ আল নোমান 287 চট্টগ্রাম 10 সদস্য, জনাব এবিএম মোশাররফ হোসেন 114 পটুয়াখালী চার সদস্য, জনাব সানজিদা ইসলাম 316 মহিলা আসন 16, সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সদস্য, জনাব আতিকুর রহমান মুজাহিদ 2626 কুড়িগ্রাম দুই সদস্য,
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে
হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদের সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সভাপতি
সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যকর মাল্যের 247 ও অনুসারে উক্ত বিধির সময় বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসক গণের সমন্বয় দ্রোহদোষ জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জনাব মোহাম্মদ খালিদ
হোসেন মাহবুব, 245 ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিন সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যদি সংসদস্য হন, জনাব মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ বুলু 270 নোয়াখালী তিন, জনাব আবুল হোসেন খান 124 বরিশাল ছয়, জনাব মোহাম্মদ আবুল কালাম 257 কুমিল্লা নয়, হেলেন জেরিন খান 309 মহিলা আসন নয়, জনাব হামিদুর রহমান 180 ঢাকা সাত, সৈয়দ জয়নুল আবেদীন 177 ঢাকা চার, গাজী এনামুল হক 89
যশোর পাঁচ জনাব আব্দুল মুন্তাকিম 15 নীলফামারী চাই মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন
আমার মনে হয় হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন আমি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনকল্পে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম
মনিকে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশী সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে
বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসকের সমন্বয় ত্রুদোর জাতীয় সংসদের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব মোঃ শফিকুল হক মিলন 54 রাজশাহী 3 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য সদস্য জনাব ফরহাদ হোসেন আজাদ 202 পঞ্চগড় 2 সদস্য জনাব এ কে এম ফজলুল হক মিলন 198
গাজীপুর পাঁচ সদস্য, জনাব এই সুলতান মোহাম্মদ বাবু 139 জামালপুর দুই সদস্য, জনাব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ 295 কক্সবাজার দুই সদস্য, মুন্সী রফিকুল আলম 265 ফেনী এক সদস্য, মোহাম্মদ ইজ্জতুল্লাহ 105 সাতক্ষীরা এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ মসিউর রহমান খান 95 বাগেরহাট এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ ওরিউল্লাহ 109 বরগুনা এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে
প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে
গৃহীত হলো এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন আমি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গঠন কল্পে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতি ক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ গুণা দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশী সংবিধানের 76 অধিবেশন
জাতীয় সংসদের কার্যপালিৎ 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নির্মিত মাননীয় সংসদস্য গণের সমন্বয় ত্রোদোষ জাতীয় সংসদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জনাব জয়নুল আবেদীন 121 বরিশাল 3 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য সদস্য মীরশাহে আলম 37 বঙ্গুরা 2 বঙ্গুরা 2 সদস্য জনাব রকিবুল ইসলাম 101 খুলনা
তিন সদস্য, মিয়া নুরুদ্দিন অপু 223 শরীয়তপুর তিন সদস্য, জনাব মোঃ কামরুজ্জামান 173 মুন্সিগঞ্জ তিন সদস্য, জনাব মোঃ মনোয়ার হোসেন 91 মাগুরা এক সদস্য, শিরিন সুলতানা 302 মহিলা আসন দুই সদস্য, জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম 45 চাপাই নবাবগঞ্জ তিন সদস্য, জনাব মোঃ মোঃ আব্দুল বাতেন 189 ঢাকা 16 সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংসদ
পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে
সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং সেই সাথে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আগামীকাল 14 জুলাই 2026 তারিখ 30 আষাঢ় 1433 রোজ মঙ্গলবার বিকাল তিন ঘটিকা পর্যন্ত
পর্যন্ত মূলতুবি করা হলো। আপনাদের সহযোগিতার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। আসসালামু আলাইকুম।
কোনো মিল পাওয়া যায়নি।