মূল লেখায় যান
← এই দিনের সব বক্তব্য

সংসদের বক্তব্যের পাঠ্য · এই সম্প্রচার থেকে

এই দিনের অন্য সম্প্রচারের বক্তব্যসহ একসঙ্গে পড়ুন →

বক্তব্যের পাঠ্য

নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।

সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন প্রশ্নকাল শুরু হচ্ছে। প্রশ্নকালের প্রথম 30 মিনিট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উত্তরদানের জন্য নির্ধারিত আছে। তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 29 মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন দুলাল পিরোজপুর তিন আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য দয়া করে আপনি প্রশ্নটি পাঠপূর্বক উত্থাপন করুন। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার প্রশ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি 1971 সনের মুক্তিযুদ্ধে যাহারা শহীদ হয়েছেন তাহাদের তালিকা এবং যাহারা গণহত্যার শিকার হয়েছেন তাহাদের তালিকা করা হবে কিনা এ বিষয়ে শহীদ পরিবারের সঠিক সংখ্যা ও গণহত্যার সঠিক তালিকা প্রকাশ করার কোন পরিকল্পনা সহ

দরকার আছে কিনা? থাকিলে তাহা কবে নাগাদ শুরু হইতে পারে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে আপনার একটি মূল্যবান প্রশ্নের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু আনফরচুনেটলি

বিষয় হচ্ছে দেশ স্বাধীনের পরে যাদের দায়িত্ব ছিল একটি নিরপেক্ষ পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করার মুক্তিযুদ্ধে কারা শহীদ হয়েছেন? এই

সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ তালিকাটা তারা সেই সময় তৈরি করেনি বরং এটিকে তালিকা তৈরি করতে গিয়ে সেখানে তারা রাজনীতি চেনে নিয়ে এসেছিল অথচ এই মানুষগুলোর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছিলাম আমাদের কাঙ্খিত স্বাধীনতা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতিহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত

করেছে। উক্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এরই ভিতর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও করেছে। এর মধ্যে রয়েছেন মাননীয় স্পিকার এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন বিভিন্ন অংশীদন দের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তারিত এবং বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং

অবশ্যই তার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সকল শহীদদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রদান করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন দুলাল একটি সম্পূর্ণ

পূরক প্রশ্ন করতে পারেন, প্লিজ প্রশ্ন করবেন সরাসরি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। বিষয়টি যে মুক্তিযুদ্ধের বিষয় প্রশ্নের বাহিরে কিছু করার সুযোগ নেই মাননীয় স্পিকার। আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন এই বাংলাদেশে অনেক বুড়ো মুক্তিযোদ্ধা আছে। আওয়ামী লীগের কর্মীদেরকে পুনর্বাসন করছে এই আওয়ামী লীগ সরকার। তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা

হিসেবে নিয়োগ দিয়ে মাসে 20000 টাকা ভাতা পায় আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন এই বুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কে যাচাই-বাছাই কমিটি করে ছাটাই করা হবে কিনা এবং এই বুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের যদি যাচাই-বাচাই করার জন্য ছাটাই কমিটি করা হয় তাহলে সেখানে যেন মাননীয় সংসদ সদস্যদের কে অন্তর্ভুক্ত করা হয় উপদেষ্টা হিসেবে।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আমার মনে হয় আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে বলতে চাই খুব সম্ভবত আপনার আপনি যা বললেন এটা বোধহয় প্রবাবলি একটা স্টেটমেন্ট হয়ে ঠিক প্রশ্ন মনে হয় হয়নি। তারপরেও আমি বলতে চাই আমি মনে হয় আপনি মূল যে প্রশ্নটি করেছিলেন সেখানে প্রথমেই আমি বলেছি দেশ

স্বাধীনের পরে যাদের দায়িত্ব ছিল সঠিক শহীদদের মুক্তিযোদ্ধাদের লিস্ট প্রণয়ন করা তারা সেটিকে রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করেছে তারা নিরপেক্ষভাবে সঠিকভাবে তারা করেনি। এবং আপনার স্টেটমেন্টের দ্বিতীয় পর্যায় যেটা আপনি বলেছেন আমরা এরই মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তারা বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের কে নিয়ে কমিটির মতন করে গঠন করে যেখানে আমরা চেষ্টা করবো আপনি যেই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন সেই খানে সঠিক

যারা মুক্তিযুদ্ধ, সঠিক যারা শহীদ, তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা একটা সম্পূরক প্রশ্ন নিচ্ছি। কুড়িগ্রাম এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম দয়া করে প্রশ্ন করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

এর কাছে প্রশ্ন যে আমরা এই বিষয়টা দেখছি যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার যখন পরিবর্তন হয় দেখা যায় যে তারা তাদের দলীয় কিছু লোকজনকে এই মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত করে আবার পরবর্তী আরেক সরকার এসে কিছু ছাটাই বাছাই ও করে আসলে সত্যিকার অর্থেই যারা প্রকৃতপক্ষে তাদেরটা কেন হচ্ছে না?

আজকে আমরা এই 55 বছর পর আমরা সেটা জানতে পারছে না জাতি জানতে পারছে না এই জন্য আমার প্রশ্নটা এইটাই যে এই বর্তমান সরকারের এই পরিকল্পনা আছে কিনা যে সঠিক একেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিশ্লেষণ করে যাতে করে যারা প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযোদ্ধা তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদেরকে তালিকাভুক্ত করা আর যারা মুক্তিযুদ্ধ নয় মুক্তিযোদ্ধা নয়

যারা বিভিন্ন ভাবে দলীয়করণের মাধ্যমে হয়েছে তাদেরকে ছাটাই করে একটা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তালিকা জাতির কাছে প্রকাশ করার

পরিকল্পনা আছে কিনা এটি আমার প্রশ্ন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্নের পরিপেক্ষিতে আমি বলতে চাই আপনাকে একটু আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গঠিত দল মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে একই সাথে আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মাঠে থেকে যুদ্ধ করেছেন এবং শুধু তাই নয় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বর্তমানে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রয়েছে এবং একটু আগেই বললাম এই দল বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দ্বারা গঠিত এই দল স্বাভাবিক

ভাবেই, খুব স্বাভাবিকভাবেই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিশ্বাস করে মনে প্রাণে, যে মুক্তিযোদ্ধা, এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি, তাদের, দায়িত্ব, পবিত্র একটি দায়িত্ব রয়েছে, এবং সে কারণেই, আমি একটু আগেই, আমার মূল প্রশ্নে, এবং একই সাথে সম্পূরক প্রশ্নে আমি বলেছিলাম, যে যাদের দায়িত্ব ছিল দেশ স্বাধীনের পরে,

একটি সঠিক নিরপেক্ষ তালিকা তৈরি করা মুক্তিযোদ্ধাদের তারা সেটি করেনি পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এই লিস্ট তৈরিতে বিভিন্ন রকম সমস্যা তৈরি হয়ে বর্তমানে সরকার চেষ্টা করছে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের কে নিয়ে যাতে আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ সঠিক মুক্তিযুদ্ধের তালিকা মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করতে পারি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 30 মাননীয় সদস্য জনাব লুৎফুল্লাহ আল মাজেদ ময়মনসিংহ আট এর পক্ষে পটুয়াখালী চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন দয়া করে আপনি প্রশ্নটি পাঠপূর্বক উত্থাপন করুন ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি এবিএ মোশাররফ হোসেন 114 পটুয়াখালী চার

সংসদ আসনের এমপি আমি আমার পক্ষ থেকে জনাব লুৎফল্লাহ মাজেদ 153 ময়মনসিংহ আট আসনের এমপির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি রাজধানী ঢাকা সহ দেশের সকল শহরগুলির খেলার মাঠ পার্ক দখল মুক্ত করিয়া খেলার উপযোগী ও পার্কের পরিবেশ ফিরিয়ে আনিবার লক্ষ্যে কোন বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইবে কিনা

না হইলে করা হইবে না কেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 30 মহান সংসদে উত্থাপিত হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্যকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনার মাধ্যমে এরকম একটি প্রশ্ন করার জন্য মাননীয় স্পিকার আজকে সকাল থেকে আমি দুপুর দুটা পর্যন্ত একটি অনুষ্ঠানে ছিলাম এই অনুষ্ঠানটি ছিল

বিদ্যালয় শিক্ষক এবং বাচ্চাদেরকে নিয়ে তাদেরকে পুরস্কার প্রদান সেখানে আমি সবগুলো জেলা থেকে বিভিন্ন জেলায় গত কয়েকদিন বৃষ্টি বাদল হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিছু হয়েছে তারপরেও আমি দেখেছি আমাদের এই প্রাইমারি বাচ্চাদেরকে এত প্রাকৃতিক দুর্যোগ থামিয়ে রাখতে পারে নাই তারা তাদের পূর্ণাঙ্গ উৎসাহ নিয়ে এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিল সেখানে মাননীয় স্পিকার একটি স্টল যখন একটি জেলার

স্টল বাচ্চাদের স্টল যখন আমি পরিদর্শন করছিলাম সেখানে তারা বাচ্চারা এবং শিক্ষকরা আমাকে জানালেন তাদের স্কুলটিতে 1300 বাচ্চা পড়ে কিন্তু তাদের কোন মাঠ নেই এরকম এই অভিযোগ আমাকে অনেকেই দিয়েছেন মাননীয় স্পিকার এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেরকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় মাননীয় স্পিকার 189 টি পার্ক খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত

স্থান রয়েছে। এর ভিতরে 24 টি পার্ক ছয়টি খেলার মাঠ চারটি শিশু পার্ক এবং চারটি ঈদগাহ মাঠ সহ মোট 38 টি ডিএনসিসির মালিকাধীন উক্ত স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে পার্ক এবং খেলার মাঠ সমূহে নিরাপত্তা প্রহীর নিয়োগ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন সিসিটিভি স্থাপন এবং জনসচেতনামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ এর ভিতর গ্রহণ করা হয়েছে। ডিএনসিসির মালিকাধীন যে 38 টি

পার্ক, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান রয়েছে তা ফরচুনেটলি মাননীয় স্পিকার বর্তমানে দখল মুক্ত রয়েছে সৌভাগ্যক্রমে এবং সুপরিকল্পিত ভাবে

নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই 20 টি পার্ক, চারটি খেলার মাঠ, দুটি শিশু পার্ক, দুটি ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। জাতীয় গৃহন কর্তৃপক্ষ এবং রাজুক সহ অন্যান্য সংস্থার মালিকাধীন অবশিষ্ট 151 টি পার্ক, খেলার মাঠ, শিশু পার্ক, ঈদগাহ মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থান পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করা হবে মাননীয় স্পিকার। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন খেলার মাঠ

এবং পার্ক সময়ে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার। ভবিষ্যতে খেলার মাঠ এবং পার্ক সমূহে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। মাননীয় স্পিকার উল্লেখ্য যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের খেলাধুলার মান বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে এবং আপনি জানলে আনন্দিত হবেন যে এটিতে আমরা মোটামুটি ভাবে আলহামদুলিল্লাহ অনেকাংশে সফল হয়েছি। একই সাথে

একই সাথে মাননীয় স্পিকার শিশুরা খেলার মাঠে ও খেলাধুলা করছে গত 20 শে জানুয়ারি মাননীয় স্পিকার একটি খেলার উদ্বোধন করেছি যেখানে সারা বাংলাদেশের প্রাইমারি স্কুলের ফাইনাল খেলায় আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম উদ্বোধন করেছিলাম এবং সেই খেলাটির আগে ফাইনাল পর্যায়ে আসার আগে পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে প্রাইমারি স্কুলের 11 লক্ষ ছেলে এবং 11 লক্ষ মেয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল মাননীয় স্পিকার।

মাননীয় স্পিকার, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক সর্বদা খেলার মাঠ এবং ফুটপাতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করার কাজ চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা এই ধারাটিকে অব্যাহত রাখতে চাই। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন অধিক ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন এবং অন্যান্য সংস্থার মালিকাধীন 256 টি পার্ক এবং খেলার মাঠ রয়েছে। উক্ত খেলার মাঠ এবং পার্ক সমূহের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার।

বর্তমানে ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন খেলার মাঠ এবং পার্কের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর ভিতরে 35 নম্বর ওয়ার্ড ইসথো মানিটোলা পার্ক, শহীদ মতিউর রহমান পার্ক, গুলিস্তান পার্ক, মতিঝিল পার্ক, নবাবগঞ্জ পার্ক, ওসপানী উদ্যান, যাত্রাবাড়ী শিশু পার্ক, ইসলামবাগ বশিরুদ্দিন পার্ক, শাহবাগ শিশু পার্ক, হাজী আব্দুল আলিম খেলার মাঠ, রসুল পার্ক পার্ক খেলার মাঠ, জোড়পুকুর খেলার মাঠ, বাসাবো খেলার মাঠ, সাদেক হোসেন

খেলারমাঠ দক্ষিণ গোড়ান সুলতান ভুইয়া ঝিলপাড়া খেলারমাঠ বাসাবো বালুরমাঠ দক্ষিণ বাসাবো গজমহল শিশুপার্ক হাজিরপাড় পার্ক আলিমগোড় খেলারমাঠ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য মাননীয় স্পিকার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় খুব অল্পসংখ্যক খেলার মাঠ রয়েছে দুঃখজনকভাবে তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আওতায় কিছু খেলার মাঠ রয়েছে উক্ত মাঠ সমূহ রক্ষাপেক্ষের জন্য সিটি কর্পোরেশন কিছু আর্থিক বরাদ্দ এবং উন্নয়ন কার্যক্রম

পরিচালনা করা হচ্ছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন আওতায় আটটি জোনে আটটি খেলার মাঠ এবং 57 টি ওয়ার্ডে 57 টি খেলার মাঠ করার একটি পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। মাননীয় স্পিকার এছাড়া ময়মনসিংহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন গুলোর খেলার মাঠ এবং পার্ক দখল মুক্ত করে খেলার উপযোগী এবং পার্কের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় সদস্য একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন প্রশ্ন প্লিজ আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যে আগামী দিনে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য উনি যে পদক্ষেপ নিচ্ছে আমি মনে করি বাংলাদেশের জন্য একটা ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসবে আমি একটু স্মরণ করতে চাই আমরা যখন ছাত্র ছিলাম 1978 সালে আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্বে তখন আমরা দেখেছিলাম ঢাকাতে

প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ প্রবর্তন করেছিলেন যেটা ওই সময় একটা ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে তুলে ধরার জন্য এই ধরনের কোন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে আয়োজন করার আপনার কোন পরিকল্পনা আছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য। প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ আপনি

যেটা বললেন, আপনার এ কথার পরিপেক্ষিতে অবশ্যই আমরা বিষয়টি আলোচনা করে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি। তবে আপনার জ্ঞাতার্থে আমি জানাতে চাই মাননীয় স্পিকার, পুরা সংসদকে আমি জানাতে চাই, একটু আগে যেই কথাটি আমি বলেছি যে গত কিছুদিন আগে প্রাইমারি স্কুল লেভেলে বাচ্চাদের ছেলে এবং মেয়ে উভয় একটি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেটি প্রায় 22 লক্ষ বাচ্চা অংশগ্রহণ করেছে। ইনশাআল্লাহ আগামী বছর থেকে প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের জন্য আমরা প্রাইমারি মিনিস্ট্রেস গোল্ডকাপ

শুরু করতে যাচ্ছি। এটি এটি প্রাইমারি স্কুল এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা সেকেন্ডারি স্কুলে ইনশাল্লাহ এটিকে নিয়ে যাব। এটি মোটামুটি সিদ্ধান্ত হয়ে মানে

স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা একটা সম্পূরক প্রশ্ন নিচ্ছি কুমিল্লা চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ আবুল হাসনাত। দয়া করে প্রশ্ন করবেন। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমাকে মাইক দিয়ে দিছেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আপনার অনুমতিক্রমে আপনি যদি অনুমতি দেন এটা যেহেতু সাপ্লিমেন্টারি কোশ্চেন সেশন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এই সাপ্লিমেন্টারি কোশ্চেন

কোশ্চেনের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অন্য বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে খেলার মাঠ ব্যতীত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তো সব বিষয় হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি কোশ্চেন মূল কোশ্চেনের সাপ্লিমেন্টারি অর্থাৎ ধারাবাহিকতা থাকতে হবে খেলার মাঠ সংক্রান্ত বা খেলাধুলা সংক্রান্ত না না এর মধ্যেই থাকতে হবে যে কারণে বললাম প্রশ্ন সম্পূর্ণ থ্যাংক ইউ না এই বিষয়ে প্রশ্ন নেই থ্যাংক ইউ মাননীয় স্পিকার ইউ আর ভেরি ওয়েলকাম সো আমরা যেহেতু উনি

ডিক্লাইন করলেন। এডভোকেট মোঃ জালালুদ্দিন কিশোরগঞ্জ 2 ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন যে আমাদের ইউনিয়ন উপজেলা পর্যায়ে এবং জেলা পর্যায়ে আগের

এর যে খেলার মাঠগুলি ছিলো, এগুলি নতুন নতুন বিল্ডিং হওয়ার কারণে একারণ মানসম্মত মাঠ নাই। মাঠের আকার হয়ে গেছে ছোট। সেখানে ছেলে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করে যেরকম বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারে না। ঠিক তেমনিভাবে খেলার উপযোগী অনেক নাই। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন যে ইউনিয়ন লেভেলে, উপজেলা লেভেলে নতুন কোনো মাঠ ইয়ে করার বরাদ্দ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা বর্তমান সরকারের? ধন্যবাদ মাননীয়

সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনি যদি আপনার এলাকায় আপনার ইউনো অফিসে যদি আপনি খোঁজখবর করেন বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় খোঁজ করেন তাহলে আপনি জানতে পারবেন যে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে একটি ইনস্ট্রাকশন পাঠানো হয়েছে যে বাচ্চাদের খেলার জন্য বা যেকোনো পর্যায়ের খেলাধুলার জন্য কোথায় খোলা জায়গা আছে ওপেন জায়গা আছে

সেটি খুঁজে বের করে সরকারকে জানানোর জন্য এই নির্দেশনা এরই ভিতরে পাঠানো হয়েছে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 31 মাননীয় সদস্য জনাব সারোয়ার জামাল নিজাম চট্টগ্রাম 13 দয়া করে আপনি প্রশ্নটি পাঠপূর্বক উত্থাপন করুন ধন্যবাদ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 31 এই মহান সংসদে

উত্থাপন করিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি বিগত 17 বছরে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে নানা ধরনের অনিয়ম ও পরিচালনার অদক্ষতায় পরিলক্ষিত হয়েছে। বর্তমান সরকার চট্টগ্রাম বন্দরের সকল সমস্যার সমাধান ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে আছেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 31 মহান সংসদে উত্থাপিত হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে আবারো ধন্যবাদ একই সাথে মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য মাননীয় স্পিকার চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সক্ষমতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশের সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এটি সক্ষমতা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে বিশ্বের ও দেশের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরটিকে

পরিচালনা করে আসছে। বিশ্বমন্দা, কোভিড-19 পরিস্থিতি ইত্যাদি সময় ও মাননীয় স্পিকার চট্টগ্রাম বন্দর 24 * 7 অপারেশনাল অর্থাৎ 247 অপারেশনাল ছিল। ফলোসরতিতে 2010 সালে যেখানে কার্গো এবং কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং ছিল যথাক্রমে 4 কোটি 53 লক্ষ 90 হাজার 663 মেট্রিক টন এবং 13 লক্ষ 43,448

20 ফুট ইকুইভালেন্ট ইউনিট সেখানে 2025 সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ 13 কোটি 81 লক্ষ 51 হাজার 812 মেট্রিক টন কার্গো এবং 34 লক্ষ 9069 টিইউ কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করেছে বিগত বছরের তুলনায় 2025 সালে কন্টেইনার কার্গো এবং জাহাজ হ্যান্ডেলিং এর প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে 4.7

11.43 এবং 10.5% মাননীয় স্পিকার চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সমন্বিত কার্যক্রম

গ্রহণ করা হয়েছে যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ আমি তুলে ধরছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি চাইলে এটা পঠিত বলে গণ্য হতে পারে বেশ লম্বা দেখছি মাননীয় স্পিকার যেহেতু একটু লম্বা আমি অনুরোধ জানাবো বিষয়গুলোকে পঠিত বলিয়া গণ্য করার জন্য ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উত্তরটা পঠিত বলে গণ্য হলো মাননীয় সদস্য আপনার কোনো সম্পূরক প্রশ্ন থাকলে দয়া করে উত্থাপন করুন

আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের অবদান শতকরা 47% এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত সরকার দলীয়করণের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বানিয়ে ছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিশ্বের এক আধুনিক বন্দর হিসেবে চট্টগ্রামকে করা

কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং সাথে সাথে যে বিগত সরকার বে টার্মিনালের নামে সমুদ্রবন্দর করার নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে অসমাপ্ত অবস্থায় এটা ফেলে গেছে। এই প্রেক্ষিতে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাচ্ছি এই বে টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকরণ করার জন্য কি কি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার পদক্ষেপ নেবে? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয়

প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সংশোধিত আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন ডিটেইলটা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি নোটিস দিলে আমি আপনাকে ডিটেইলটা জানাতে সক্ষম হবো। তবে বেটার্মিনাল এটার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তো আমরা নিয়েছি। আপনাকে আমি বলতে পারি যে বেটার্মিনালটা চালু হলে পরে অবশ্যই এটার একটা উপকারিতা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি

এবং দেশ পাবে। মাননীয় স্পিকার বেটার মিলটা চালু হলে বড় আকারে যে আমাদের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়তে পারবে। এখন নাব্যতার জন্য অনেক সময় বড়টা জাহাজ আসতে পারে না এবং যখন বড় জাহাজগুলো মাদার ভেসেলগুলো আসবে এর ফলে স্বাভাবিকভাবে ট্রান্সিপ্টমেন্ট ব্যয় বা খরচ অনেক কমে আসবে। একই সাথে মাননীয় স্পিকার বড় জাহাজগুলো আসার পরে এবং বেটার্মিনাল চালু হলে পরে আমদানি রফতানি বাণিজ্যের

গতিবৃদ্ধি পাবে এবং স্বাভাবিকভাবে যেহেতু ব্যবসা-বাণিজ্য বা আমদানি রফতানির গতিবৃদ্ধি পাবে এটি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা একটা সম্পূরক প্রশ্ন নিচ্ছি ঢাকা পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ কামাল হোসেন। ধন্যবাদ। দয়া করে প্রশ্ন করবেন প্লিজ। মাননীয় স্পিকার

আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি আপনার এই প্রশ্নপর্বে আজকে সুযোগ পেলাম যদিও আগে অনেক চেষ্টা করেছি আমি শুকরিয়া আদায় করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি আপনার মাধ্যমে জানতে চাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং কাস্টমস হাউস চট্টগ্রাম কর্তৃক কন্টেইনার স্ক্যানার স্ক্যানার মেশিন ক্রয় এবং অপারেশন এবং তৎরক্ষণাবেক্ষণ

এর জন্য বিগত 2018 সালে এখানে চারটি স্ক্যানার মেশিন কেনার জন্য এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করে এই টেন্ডারে ব্যাপক দুর্নীতি হয় মামলা হয় এবং এই অভিযোগ এখনো চলমান বিগত সরকারের আইনমন্ত্রী এখানে তার ঘনিষ্ঠ জনরা এখানে জড়িত

আমি জানতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই ক্ষেত্রে যে মামলা সোলমান এখনো পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি, আমি আপনার মাধ্যমে জানতে চাই এই সরকার বিগত সরকারের 300 থেকে 400 কোটি টাকার এখানে দুর্নীতি সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ থাকার পরেও এটা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি হচ্ছে কিনা আপনার মাধ্যমে জানতে চাই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এবং

এবং ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্নের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার জ্ঞাতত্বে মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে আপনাকে জানাতে চাই যে চট্টগ্রাম বন্দরটি এতে দেশের সম্পদ এবং এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ জনগণের সম্পদ এখানে কোন কাজ করতে গিয়ে যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে সেটি যেকোনো যখনই হয়ে থাকুক না কেনো অবশ্যই দেশের আইন অনুযায়ী যারা এর জন্য রেসপন্সিবল তাদের বিচার অবশ্যই হবে এবং একই সাথে আমাদের

সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে যেকোনো জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় যেন না হয় এবং একই সাথে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যে দুর্নীতি মুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমিক ভাবে গড়ে তোলা।

ধন্যবাদ মনোনিবেদন স্পিকার। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর পর্ব এখানেই শেষ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচিভুক্ত মাননীয় মন্ত্রীদের মন্ত্রী

গণের জন্য নির্ধারিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ চলতি অধিবেশনে আজ পর্যন্ত মোট 10 টি বিশেষ অধিকার প্রশ্নের নোটিস পাওয়া গেছে তন্মধ্যে সাতটি

নোটিসের সিদ্ধান্ত সংসদ ইতিমধ্যে সংসদে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে বাকি তিনটি নোটিসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ আমি সংসদকে অবহিত করব নোটিস তিনটি দিয়েছেন মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মজিবুর রহমান রাজশাহী এক তিনি প্রথম নোটিসে তার পূর্বে দেয়া দুটি নোটিসের বিষয়ে মাননীয় স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা গেলনা বলে

দুঃখিত। উল্লেখ করে প্রশ্ন তুলেছেন সংসদের সকল সদস্য টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন জানানোর হাত যুক্ত হবার পর নোটিশ গৃহীত না হলে নোটিশ কিভাবে গৃহীত হবে? মাননীয় সদস্য বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের নোটিশ গ্রহণের জন্য নোটিশটিকে কার্যপ্রণালী বিধির নির্দিষ্ট বিধির শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়। মাননীয় সদস্যের প্রদত্ত নোটিশে উল্লেখিত বিষয়

65 অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হলে তা স্পিকার কর্তৃক সংসদে উত্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়। তাই নোটিশের বিষয় যতই জনপ্রিয় হোক তা বিধি ও রেওয়াজ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এজন্য সঠিকভাবে বিধি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট বিধিতে নোটিশ প্রদান করা হলে তা গৃহীত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমতাবস্থায় মাননীয় সদস্যের

অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্ন হিসেবে গ্রহণ করা গেল না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। মাননীয় সদস্যের দ্বিতীয় নোটিশটি তার প্রতিনিধিকে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ফিরতি চিঠি দিয়ে বাতিল করা সম্পর্কিত। সংসদ সদস্যের অধিকার অনুযায়ী তিনি প্রতিনিধি দিতে পারেন তবে বাধা দেয়া হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। মাননীয়

সদস্য নোটিসের সাথে তার প্রশ্নের সহিত সংশ্লিষ্ট দলিল সংযোজন করেননি। ফলে তার বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্নটি নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া বিষয়টি প্রশাসনিক কার্যক্রমের আওতাভুক্ত। এমতাবস্থায় মাননীয় সদস্যের নবম নোটিসটি অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্ন আকারে গ্রহণ করা গেলো না বলে আবারো আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

মাননীয় সদস্যের তৃতীয় নোটিশটি তার নির্বাচনী এলাকা গোদাগারী তানোর হতে 14 জুলাই শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শন ও অধিবেশন প্রত্যক্ষকরণ সম্পর্কিত শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষকরণ সম্পর্কিত বিষয়টি সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত তাই এটি কার্যপ্রণালী উপবিধি তিন অনুযায়ী মাননীয় স্পিকারকে ব্যক্তিগত পত্রের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে পারতেন।

নোটিশটি অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্ন আকারে গ্রহণ করা গেল না বলে আবারও আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় হুইপ আপনি আগে বলেন কি আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমার কানে আসেনি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দয়া করে বসুন

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিবেন আপনি এলাও করলে আমরা বাধিত হব। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় হুইফ। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আপনি বিবৃতি দিতে চাচ্ছেন দয়া করে আপনি উপস্থাপন করুন। ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। সারাদেশে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা 2026 এ

সারাদেশে 2,697 টি পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। 12 লক্ষ 70,583 জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়া কারণে

কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ পাঁচটি জেলা তথা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, লাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে 1900 তম পরীক্ষা স্থগিত করা হয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও ঢাকা সহ দেশের কিছু কিছু জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও বহুবিধ কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। মাননীয় স্পিকার, প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা

চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা 2026 এর কোন বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত একই তারিখে ওই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। মাননীয় স্পিকার যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্ব

পূর্ণধাপ তাই বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হলো মাননীয় স্পিকার পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার আমি আবার আশ্বস্ত করছি পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র ছয় নম্বর প্রশ্ন এবং সাত নম্বর প্রশ্নের যে ভুল হয়েছে তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর

দেওয়া হবে। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। আপনার প্রদেয় বিবৃতিটি রেকর্ড করা হলো। ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশসমূহের নিষ্পত্তি

স্থগিত করা হলো। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের গৃহীত নোটিশ সমূহের উপর আলোচনা। প্রথমে আমি মাননীয় সদস্য রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন নম্বর তিন কে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশটি পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় সদস্য।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি অনুসারে জনগুরুত্ব বিষয়ে মাননীয় দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার নোটিসটি প্রদান করেছি আমার উত্থাপনীয় বিষয় হচ্ছে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির রাসের জরুরী করণীয় সম্পর্কিত মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের মানুষের মনে এক আতঙ্কের নাম ভূমিকম্প এর এদেশের সবচাইতে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল 1997 সালে

স্কেলের স্কেলে যার মাত্রা ছিল 8.3। এই ভূমিকম্পে ঢাকার আহসান মঞ্জিলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। 2024 সালে আমাদের দেশে বিভিন্ন বিভিন্ন মাত্রা 64 টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। 2025 সালে 21 শে নভেম্বর ঢাকায় মাত্র 13 কিলোমিটার এর মধ্যে নসিব দিতে ছিল এর উৎপত্তিস্থল। 5.7 মাত্রার একটি বড় ভূমিকম্প ছিল এটি। সে বছর পর পর দুটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল খুদ রাজধানীর অভ্যন্তরে।

ছোট ছোট এই ভূমিকম্পগুলি আগাম বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। দেশের পাঁচটি বিভাগে উচ্চমাত্রার ভূমিকম্পের জন্য বিপদজনক। তার মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর তবে ঢাকাতে 6.4 মাত্রার ভূমিকম্পে দুই লক্ষের বেশি প্রাণহানি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত জানিয়েছেন। মাননীয় স্পিকার, সুউচ্চ ভ্রমণ কংক্রিটের এই নগরীতে ভূমিকম্পের সময় ঘর থেকে বের

বেরিয়ে এসে দাঁড়ানোর মতো খোলা জায়গা খুবই কম ভূমিকম্পের ধাক্কায় ঢাকা শহরে ধ্বংস হতে পারে নয় লক্ষ ভবন প্রাণহানি সংখ্যা তিন লক্ষের বেশি হবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পুরাতন ঢাকায় বড় বড় ভবন কলাপস করলে সেখানে কোনো রেসকিউ অপারেশন চালানো সম্ভব নাও হতে পারে সম্ভব না হলে পরিত্যক্ত ভবন হিসেবে ঘোষণা হতে পারে সেগুলো এই সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য অনতিবলম্বী

এক বিল্ডিং কোড না মেনে ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন শনাক্ত করা এবং পরিত্যক্ত বলে ঘোষণা করা দুই রাস্তা দখলে রেখে বাউন্ডারি করা দোকান করা বাড়িঘর শনাক্ত করে তা ভেঙ্গে রাস্তা প্রশস্ত করা যাতে এম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলির কাছাকাছি হাসপাতাল থাকা নিশ্চিত করা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাত্রদের ভূমিকম্পে করণীয় বিষয়ে সমাবেশ অব্যাহত রাখা অর্থাৎ জনগণকে সম্পৃক্ত করা বিশেষজ্ঞদের

সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত বাস্তবসম্পন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা এসব এই এই বেপরোয়া নগরায়ণ বন্ধে ভবনগুলোর মান যাচাইয়ের কারণ

শুরু করা একান্ত জরুরী। তাই বিষয়টি আমি মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলুর পক্ষে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব এম ইকবাল হোসেনকে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার

স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। কার্যবিধি 71 অনুযায়ী উত্থাপিত গণগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভূমিকম্পের মত বৃহৎ এবং আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার পূর্ব উপস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। এই লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও শ্রমন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ভূমিকম্প অন্যান্য

দুর্যোগকালে অনুসন্ধান উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং জরুরি যোগাযোগের জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ শিক্ষক এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে উক্ত প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ মোকাবেলা সঙ্গে সম্পৃক্ত 10 টি প্রতিষ্ঠান যথা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আর্ম ফোর্সেস ডিভিশন বাংলাদেশ নৌবাহিনী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি সিপিপি

বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ র‍্যাব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট বর্ডার গার্ড, বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সম্পন্ন আধুনিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার আরবান সার্চ এন্ড রেসকিউ ইউএসএয়ার সরঞ্জাম ভারী উদ্ধার অস্ত্রপাতি জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিশেষায়িত উদ্ধার উপকরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। মাননীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

মোতাবেক ঢাকা মহানগরী এবং এর আশেপাশের জেলাসমূহের জন্য 1 লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এপর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক 43,237 জন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর 21,600 জন সহ মোট 64,837 জনের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়ে এছাড়া নিয়মিত মহড়া প্রশিক্ষণ জনসচেতনামূলক

কার্যক্রম অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকারী দলের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে মনোনিবেদন স্পিকার তবে অনুতিবিলম্বে বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন সনাক্তন করা এবং পরিত্যক্ত বলে ঘোষণা করা রাস্তা দখলে রেখে বাউন্ডারি ওয়াল করা দোকান বাড়িঘর সনাক্ত করে তা ভেঙে রাস্তা প্রস্তুত করা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলির কাছে

হাসপাতাল থাকা নিশ্চিত করার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপুত্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে অতএব সম্মানিত সংসদ সদস্যের উত্থাপিত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় সদস্য রাশেদা বেগম হীরা আপনি এ বিষয়ে

একটি প্রশ্ন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার সরকারের বৃহৎ পদক্ষেপ গুলি বেশিরভাগই আমরা দেখতে পেয়েছি পোস্ট আর্ট ওয়ার্কের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু আমার সংযোজিত সুপারিশ গুলি ছিল প্রি আর্ট ওয়ার্ক সম্পর্কিত এখন আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে কিছু লং টার্ম প্রিকুশন সম্পর্কে ছোট্ট করে কিছু বলতে চাই আমাদের দেশটি ইন্ডিয়ান ইউরেশিয়ান এবং বার্মা প্লেট নামক তিনটি টেকনোটিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বলে

আমরা একটু বেশি মাত্রা ঝুঁকিতে আছি। এই প্লেটগুলি যথেষ্ট একটিভ। তাই যেকোনো সময় 4.6 মাত্রার ভূমিকম্পে এদের শক্তি যদি নির্গত হয় তাহলে আমাদের প্রাণহানি হতে পারে 2 লক্ষের বেশি। কারণ আমাদের অবকাঠামো বড় মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় নয়। 2025 সালে 62, 2024 সালে ছোট ছোট 54 টি ভূমিকম্প আমাদের আগাম বড় ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা বলে বিশ্লেষকরা মনে করে। আমাদের পুরা দেশে কম বেশি ঝুঁকিপূর্ণ

হলো পুরা দেশ। কিন্তু 15 টি এলাকার ঢাকার ভয়ঙ্কর ঝুঁকিতে রয়েছে। যেমন সবুজবাগ, কামরাঙ্গী চর, হাজারীবাগ, কাফরুল, ইব্রাহিমপুর, পল্লবী, খিলগাঁও, কল্যাণপুর, গাবতলী, শ্যামপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, সুত্রাপুর, মানিকদী প্রভৃতি এলাকা। এসব তথ্য বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা প্লাটফর্ম সাইন্স ডাইরেক্টিভের গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জিআইএস ডাটাবেসের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

মাননীয় স্পিকার, যেহেতু বিশ্লেষকরা মনে করে আমাদের ভূমিকম্পের বেশিরভাগ উৎস ঢাকার পূর্বপ্রান্তে, তাই ঢাকার পশ্চিম প্রান্তকে টার্গেট করে মহানগরীকে বিকন্দকরণের কাজটি একটি লং টার্ম

হিসেবে শুরু করা যেতে পারে। ফলে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত রিকভারি করা সম্ভব। আমরা মাননীয় মন্ত্রী সংবেদনশীল আন্তরিক উদ্যোগের কথা জানতে পেরেছি আস্বস্ত হয়েছি। এর সাথে আমার উল্লেখিত প্রি আর্কোয়ার্ড লং টার্ম প্রিকোয়েশন গুলো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে বিশ্বাস করেছি। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা তিনি যেন আমাদের দেশকে দেশের মানুষকে এ ধরনের কঠিন বিপদ থেকে হেফাজত করেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রশ্ন কোনটা হলো আমি বুঝলাম না তারপর মাননীয় মন্ত্রী জবাব দিতে পারেন উনি সাজেশন দিয়েছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার আপনি নিজেই তো আমাকে বলে দিছেন আপনি উত্তর দিয়ে দিয়েছেন আমি আপনার প্রশ্নে এইটাই বলতে চাই এই যে প্লেটের কথা বললেন এই প্লেটের ব্যাপারে আমরা

অবগত এবং মাসখানেক আগে আমরা এই ফল্ট ফল্টার উপরে কি করা যায় তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটা মিটিং করেছি। সেইখানে একটা ডিসিশন হয়েছে যে আমরা প্লেট বরাবর যে এলাকা আছে সেইটা কোন জায়গাটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলি একটা আমরা ইয়ারমার্ক করবো। সো সেখানে প্রিকশনের মেজারটা বেশি নেওয়া যায়। আর ভূমিকম্পের উপরে আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করছি এবং

এই উদ্ধার কার্যক্রম এবং সেখান থেকে যত কম ক্ষতি ক্ষতিতে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি তার ব্যবস্থা গুলি আমরা নিচ্ছি আমরা কিন্তু সবগুলো ব্যবস্থা নিয়ে নিতে পারি নাই কিন্তু সেই দিকে আমাদের কার্যক্রম চলছে ইন শা আল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি আমরা কিছু দর্শনীয় কিছু হয়তো বলতে পারবো আপনাদের কাছে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ এখন আমি মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম চাপায়

নবাবগঞ্জ তিন আসন থেকে নির্বাচিত সদস্যকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার উত্থাপনীয় উত্থাপনীয় বিষয় হচ্ছে দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং সমন্বিত মসক নিধান কার্যক্রম জোরদার প্রসঙ্গে

বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী 2026 সালের 11 ই জুলাই পর্যন্ত দেশে 7963 জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং 24 জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে যা দেশের জনস্বার্থের জন্য জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও আদ্রতার অনুকূল পরিবেশ, অপর্যাপ্ত মশক নিধান কার্যক্রম, জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার এবং সমন্বিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। ডেঙ্গু বর্তমানে শুধু রাজধানী কেন্দ্রিক নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। অনেক

সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও সজ্জা পরীক্ষার সুবিধা প্লাটিলের প্রয়োজনীয় ওষুধ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত জনবলের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। মাননীয় স্পিকার সম্প্রতি দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে 738 জনের মৃত্যুর ঘটনা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি রোগ নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের

সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য কোন ইতিবাচক বার্তা বহন করে না একটি সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে সময়মতো কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার মূল্য যেমন দেশকে দেশের জনগণকে দিতে হয়েছে তেমনি টেঙ্গুর ক্ষেত্রে আগাম ও সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে মাননীয় স্পিকার এমতাবস্থায়

অবস্থায় জনস্বার্থে আমি কিছু বিষয় মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের বর্তমান প্রস্তুতি ও কর্ম পরিকল্পনা কি? সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের সমন্বিত মসক নিধান কার্যক্রম আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার পরিকল্পনা কি? সরকারি হাসপাতালগুলোতে

সজ্জা, আইসিইউ, ডেঙ্গু পরীক্ষা, প্লাটিলেট, ঔষধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং চিকিৎসক নার্সের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ কি?

নেওয়া হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা কি? উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি সহ বিশেষ নজরদারি নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস অভিযান এবং এডিস মশার প্রজনন স্থল নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি বেসরকারি অফিস, নির্মাণাধীন ভবন

ও আবাসিক এলাকায় সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে পাশাপাশি হামের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে ডেঙ্গু সহ যেকোনো সংক্রামক রোগ মোকাবেলায় একটা সমন্বিত জাতীয় জনস্বাস্থ্য প্রস্তুতি ও জরুরী প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কি মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর কাছ থেকে

মন্ত্রীকে বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সর্দার মোঃ সাকাওয়াত হোসেন কে এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী জনাব স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে সাম্প্রতিক জন

স্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। মাননীয় স্পিকার, একটু প্রাসঙ্গিকতার বাইরে একটি কথা বলতে চাই। মাননীয় সংসদ সদস্য যে নোটিশটি দিয়েছেন আপনার হাতে আছে সংসদ কার্যালয়ে আছে আমার হাতে আছে। কিন্তু উনি যে প্রশ্নটা উত্থাপন করলেন নোটিসটি তার চার ভাগের সাড়ে তিন ভাগ বাইরে থেকে বলেছেন এই সব এই প্রশ্নের

সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। নতুন নতুন তথ্য বলেছেন যেটা আমি উত্তর দিতে পারবো আলহামদুলিল্লাহ। তবে আমার মনে এটা রেওয়াজের বাইরে, রীতির বাইরে। যাক মাননীয় স্পিকার, তবু আমি বলে যাচ্ছি আশা করি মাননীয় সংসদ সদস্য সকল উত্তর পাবেন। প্রথম দুইটি লাইনের দ্বিতীয় লাইনে উনি লিখেছেন 2026 সালের শুরু থেকে 9 জুলাই পর্যন্ত এই ছয় মাসে আমাদের 6,175 জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয় যার মধ্যে 22 জনের মৃত্যু হয়।

মাননীয় স্পিকার, 2025 এর জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত গত বছর রোগীর সংখ্যা ছিল 15,210 মারা গিয়ে ছিল 58 একই সময়ে মাননীয় স্পিকার এইবার জানুয়ারি টু জুন আক্রান্ত হয়ে 8978 জন মারা গিয়ে 28 জন তার মানে গত বছরের তুলনা অর্ধেকের চেয়ে কম কিন্তু এই জন্য আমি কোন সাবাস নিতে

চাইনা যেহেতু মানুষ এখন আক্রান্ত তবে এটুকু বলতে চাই ডেঙ্গু রোগকে মোকাবেলা করার জন্য মাননীয় স্পিকার গত দুই মাস আগ থেকে আমরা সারা বাংলাদেশব্যাপী আমাদের সিভিল সার্জন বিভাগীয় পরিচালক জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ আমরা পরিচ্ছন্ন অভিযান প্রতিশোধ নিবার চালিয়ে আসতেছি সকল ড্রেন গুলি গিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ঢাকা সিটি

নর্থ, ঢাকা, সাউথ, সাউথ এবং বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মিউনিসিপালিটি এবং সিটি কর্পোরেশন একইভাবে মশা ফ্লাইং এডাল্ট মশাকে মারার জন্য স্প্রে করে যাচ্ছে এবং লার্ভাকে মারার জন্য একজাতীয় ট্যাবলেট ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই কারণে মাননীয় স্পিকার মশার উপদ্রব এবং ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। তো মাননীয় স্পিকার একটি কথা এই ব্যাপারে সবাইকে বলতে চাই মস্কুলি

ইট ইজ ভেরি স্মল ইনসেক্ট। আমাদের মতন একটা ঘন বসতিপূর্ণ দেশে, বৃষ্টি বাদলের দেশে, যত তত পানি জমে থাকে, মানুষের ছাদের উপরে টবে পানি জমিয়ে রাখে, আমরা যদি লোক পাঠাই পরীক্ষা করার জন্য মহিলারা বাড়িতে ঢুকতে দেন না, মোবাইল কোড গেলে গালিগালাজ করেন, ঢুকতে দেন না, নিরাপত্তার অভাব ফিল করেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও মাননীয় স্পিকার, আমাদের সরকার আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা এই ব্যাপারে

সজাগ দৃষ্টি রাখতেছি এবং আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখার জন্য প্রতিনিয়ত আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা স্প্রে করে যাচ্ছি আমরা লারবার ট্যাবলেট সিটিয়ে যাচ্ছি মাননীয় স্পিকার এবং দেশব্যাপী মানুষকে মশারি টানিয়ে ঘুমানোর জন্য ফুল হাতা শার্ট পড়ার জন্য পাজামা পড়ার জন্য বা লুঙ্গি লম্বা করে পড়ার জন্য আমরা মানুষকে এ্যাওয়ারনেস বৃদ্ধি করতেছি উনি ছয়টি বিষয়ে নির্দিষ্টকৃত উত্তর চাচ্ছেন এক নাম্বার দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ

আমি এরই মধ্যে বলেছি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি আরো বলতে চাই, ডেঙ্গু টেস্ট করার রি এজেন্ট স্মরণাতীত কালের স্টক আমাদের হাতে আছে যেটা বিগত সময়ে

কোনো সরকার তাদের হাতে রাখতে পারে নাই। আমরা টেস্ট করার জন্য সেই কিটের ব্যবস্থা আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্ট লেভেলে দিয়েছি এবং আমাদের সেন্ট্রাল গোডাউনে আমাদের স্টক আছে। মাননীয় স্পিকার, ডেঙ্গুকে মোকাবেলা করার জন্য আমরা সকল সরকারি হাসপাতালে আগত রোগীদের ডেঙ্গু এনএসওয়ান পরীক্ষা বিনামূল্যে এবং ওয়ান জিজি এবং ওয়ান জিএম পরীক্ষা 300 টাকা থেকে কমিয়ে 50 টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে এই বছর মাননীয় স্পিকার। পরীক্ষার জন্য

কেন্দ্রীয় ওষুধ সংরক্ষণাগারে সিটিসি আজ পর্যন্ত আর ডিটি টেস্ট কিটের মজুদ আছে 106600 আগামী এক মাসের মধ্যে আরো প্রায় 500000 কিট আমাদের স্টকে যোগ হবে মাননীয় স্পিকার ডেঙ্গু রোগ সংক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় কিট রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাগ ওষুধ সংরক্ষণের 100000 স্যালাইন ব্যাগ আমরা এক্সট্রা মজুদ রেখেছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলা লেভেলে আমরা পর্যাপ্ত

পরিমাণে স্যালাইন সরবরাহ করে রেখেছি এবং আমাদের হাতে অনেক স্যালাইন আরো পর্যাপ্ত পরিমাণে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো পরিমাণ স্যালাইনের প্রয়োজন হলে আমরা সরবরাহ করার সক্ষমতা রাখি। আমাদের স্যালাইন এবং কিটের অভাবে কোন রোগীর কোন অসুবিধা হবে না। রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে প্রশ্ন করেছেন। মাননীয় স্পিকার আমরা প্রত্যেকটা হাসপাতালকে প্রস্তুত রেখেছি। যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণ রোগী আসলে

আমরা মোবাইল হসপিটাল ও আমরা তৈরি করে রেখেছি এবং আমাদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যদি ভয়াবহ আকারে ডেঙ্গু দেখা দেয় সেখানে আমরা রোগীদেরকে সংকুলান করে ডাক্তার প্রস্তুত করে রেখেছি নার্স প্রস্তুত রেখেছি যাতে করে সকল রোগীদের সেবা প্রদান করা যায় উপজেলা লেভেল পর্যন্ত মাননীয় স্পিকার আমরা সেগুলি করেছি আইসিও পরীক্ষা নির্দিষ্ট ওষুধ চিকিৎসক নার্সের সার্বিক ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করে রেখেছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার

ভিতরে যদি ডেঙ্গু রোগীদের জন্য কোনো রকম শ্বাসকষ্টের কারণ দেখা দেয় আমরা আমাদের ভেন্টিলেটর এবং আইসিইউ পর্যন্ত প্রস্তুত রেখেছি যাতে করে আমাদের কোন রোগী বিনা চিকিৎসা অবহেলায় যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে আমাদের সরকার আমরা সেই ব্যবস্থা আল্লাহর রহমতে আমরা করতে সক্ষম হয়েছি আমরা করেছি সারা দেড় বেপি লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে আজকে আমরা জুমে মিটিং করেছি মাননীয় স্পিকার সারা বাংলাদেশের সকল সিভিল সার্জনের সাথে কোথাও যেন

উপদ্রুত এলাকা সহ কোথাও যেন একটা রোগী ডেঙ্গু রোগী অবহেলায় পতিত না হয় যদি কারো আক্রমণ হয় সাথে সাথে যেন আমাদের হসপিটালে স্থানান্তর করা হয় এভাবে মাননীয় স্পিকার আমরা সার্বিকভাবে সারা বাংলাদেশব্যাপী ডেঙ্গুর ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন পরিকল্পনা গ্রহণ করে সামনের দিকে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রখর দৃষ্টির অধীনে এবং উনার সুপরামর্শে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি সকল মাননীয় সংসদ সদস্য সকল

আপনারা যার যার নিজনিজ এলাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান টা চালিয়ে যাবেন যাতে করে আমাদের 18 কোটি মানুষের নিরাপত্তা প্রহরী হয়ে আমরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী যে সুন্দরভাবে বলেন শুনতে ইচ্ছে হয় মাননীয় সদস্য আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে প্রশ্ন করবেন দয়া করে

একটা ট্রেন চালু হয়ে গেছে আমরা এডভাইস দেই বা স্টেটমেন্ট দেই প্লিজ আস্ক ইউর কোশ্চেন ইফ এনি থ্যাঙ্ক ইউ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনি বলেছেন যে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী খুব সুন্দর করে বলেন আমরা এখানে কনভিন্স হই কিন্তু বাস্তব অবস্থাটা আসলে এটা বক্তব্যের সাথে বাস্তবতা এটা কোনভাবেই স্বাভাবিক নয় এটি হচ্ছে মূল বিষয় কারণ আইসিইউ তো একটা

সদর হসপিটালে আইসিইউ নাই। তাহলে উপজেলায় কোথায় যাবে? আমি বলেছি যে ইউনিয়ন পর্যন্ত এই সেবা মানে পৌঁছে দেওয়ার উপায় কি? এর কোন উত্তর এখানে আসে নাই। এরকম বহু বিষয় আছে। যাই হোক এরপরও আমরা যেহেতু হামে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি ব্যাপকভাবে 738 জন মানুষ ছোট ছোট বাচ্চা মারা গিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের উদ্বেগ আছে। সুতরাং মাননীয় মন্ত্রীকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে উনি তার পদক্ষেপের কথা বলেছেন। এগুলোকে নিশ্চিত করার জন্য আমি

আহ্বান জানাচ্ছি। আমি একটা ছোট্ট বিষয়ে অবতারণা করি। তারপর আমার প্রশ্ন করবো মাননীয় স্পিকার। আমাকে এই সুযোগটা দিতে হবে। গতকালকে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আমাদের সংসদের সামনে পুলিশের নির্দয় লাঠিচার্জের ব্যাপারে মাননীয় সদস্য আমার কাছে মনে হচ্ছে উই আর মানে অন্যদিকে যাচ্ছি। আপনি দয়া করে এটা অন্য বিষয় আনবেন এখন প্রশ্নটা করুন। আমি একদম বলে ফেলেছি। বলে

আপনি এটার মধ্যে থাকেন, আমাদের কার্যপ্রণালী বিধির মধ্যে আমরা থাকি দয়া করে। ইউ হ্যাভ টাইম টু আস্ক দ্যাট কোশ্চেন। আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কোশ্চেন করেন, এটা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুরিসডিকশনের বাইরে এখন যা বলবেন।

উনাকে কোশ্চেন করেন প্লিজ থ্যাংক ইউ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ তাহলে আমাকে একটু সুযোগ পরে দেবেন আমি সেই প্রত্যাশায় থাকলাম। নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকার কারণে আমাদের চাপাই নবাবগঞ্জ পৌরসভা উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ সারা দেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকার কারণে সমন্বিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য এবং জলবদ্ধতা নিরসনের জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত এটা খুবই একটা বেহাল অবস্থার মধ্যে গোটা দেশ রয়েছে। আমার চাপাই নবাবগঞ্জে আমরা দেখছি যে সদর হাসপাতালের শূন্য পদ সহ সারাদেশের ডাক্তার এবং স্বার্থ স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্য পদ পূরণের জন্য অতি দ্রুত কোন পদক্ষেপ যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গ্রহণ

না করেন তাহলে যতগুলো বক্তব্য আসলো এগুলো বাস্তবায়ন অসম্ভব চাপাইরামপুর সদর হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ নেই বর্তমান সময়ে সার্জারি ডক্টর নেই মেডিসিন ডক্টর নেই সুতরাং এই শূন্যপদ সহ সারাদেশের শূন্যপদ কত দ্রুত পূরণ করা হবে সে বিষয়গুলো আমি জানতে চাই পাশাপাশি বেসরকারি হসপিটাল গুলোকে যদি ডেঙ্গু রোগ ব্যাপকভাবে বিস্তৃতির অর্জন বিস্তৃতির দিকে যায় তাহলে

হসপিটালগুলোকে ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের জন্য সহজ উপায় বা সরকারি হসপিটাল মতো করে কোন নির্দেশনা দেয়া হবে কিনা প্রশ্ন করেন প্লিজ। স্পিকার বেসরকারি হসপিটাল গুলোকে ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের জন্য কোন বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হবে কিনা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ জি আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় চিফুই প্রশ্নের উত্তরটা পরে আপনাকে দেই মাইক মোর রিলিভেন্ট হবে মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী

মন্ত্রী ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, উনি ডেঙ্গুর সাথে রিলেট করে ডাক্তার বা নার্সের অপ্রতুলতার কথা বলেছেন। আমরা আমাদের সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী ভিতর থেকে প্রত্যেকটি উপজেলায় প্রতিনিয়ত আমরা ডাক্তার নার্স চেলে চেলে দিয়ে যাচ্ছি মাননীয় স্পিকার। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে মাননীয় সংসদ সদস্যগণ নিজ নিজ এলাকার হসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান উনারও কিছু দায়িত্ব আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করার।

মাননীয় স্পিকার 18 কোটি মানুষের দেশ একে অন্যকে যদি ব্লেম গেম করি আমাদের স্বার্থকতা আসবে না ফসল ঘরে আনতে পারবো না প্রত্যেকেরই কিছু কিছু দায়িত্ব নিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য নিজেদেরকে নিয়োজিত করতে হবে উনি ইউনিয়ন লেভেল আইসিওর কথা বলেছেন আমি একবার বলিনি আমার বক্তব্যে যে আমি উপজেলা লেভেলে আইসিওর কথা বলে আইসিওর ব্যবস্থা করবো আমাদের জেলার লেভেলে যতটুকুন আইসিওর ব্যবস্থা আছে সেই জেলাগুলিতে আমরা এর মধ্যে 12 টি জেলায় আমরা আইসিও

10 টি ভেট করে আমরা চালু করেছি। আরো পাঁচটি জেলায় আগামী 15 দিনের ভিতরে চালু হবে। এরপরে যদি আইসিউ প্রয়োজন পরে আমাদের প্রত্যেকটা বড় বড় হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইসিউর ব্যবস্থা এরই মধ্যে আমরা করেছি। সেই গুলিতে রোগীদের স্থানান্তর করা হবে। বেসরকারি হাসপাতাল গুলির কথা বলেছেন মাননীয় সংসদ সদস্যের জ্ঞাতার্থে আপনার মাধ্যমে জানতে চাই শুধু আজকে নয় মাননীয় স্পিকার আজকে থেকে দেড় মাস আগে আমরা এতই সচেতন ছিলাম এই ব্যাপারে দেড় মাস আগে প্রাইভেট

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মালিকদেরকে ডেকে আমরা তাদেরকে বলেছি ডেঙ্গু দেখা দিলে 10% বেড তাদের খালি রেখে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা প্রদান করতে হবে এবং যে রেটে সরকার এন্টিজেন ব্যবহার করে একই রেটে ডেঙ্গু রোগীদের পরীক্ষা করতে হবে এর বাইরে তারা কোন টাকা নিতে পারবেন না এবং সকল হাসপাতাল মালিকরা সেই ব্যাপারে আমাদেরকে সম্মতি প্রদান করেছেন সুতরাং মাননীয় সংসদ সদস্য গাছ সুস্থ করি বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে হাসপাতালগুলো সরকারি হাসপাতাল

সাথে তাল মিলিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সভা চালিয়ে যাবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় স্পিকার আমি বিনয়ের সাথে মাননীয় সকল সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই সেটা হলো আপনারা সবাই জানেন যে আজকে 15 তারিখে আমরা নির্ধারিত ডেট আছে আমরা পার্লামেন্ট প্রোডাক্ট করবো ইনশাল্লাহ তো সেই কারণে আমাদের সকল বিজনেস যা আছে তা আসরের পূর্বে আমরা শেষ করবো

আসরের নামাজের বাদে মাননীয় বিরোধী নেতা এবং মাননীয় সংসদ নেতা বক্তব্য রাখবেন কাজেই আমরা যদি দীর্ঘ বক্তব্য রাখি তাহলে এই কাজ আমরা আসরের আগে কোনটাই শেষ করতে পারবো না আমি খুব বিনয় সহিত অনুরোধ করছি বিগত দিনে সবসময় করেছেন আজকে আপনারা দয়া করে সংক্ষিপ্ত করে যাতে আমরা আসরের পূর্বে সকল বিজনেস শেষ করতে পারি দয়া করে সেই সহযোগিতা করুন অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইভ আমি এখন মাননীয় সদস্য শিরিন সুলতানা মহিলা আসর নম্বর

দুই কে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আমি নিম্নতম অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নকল ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় ও সংরক্ষণ বন্ধ করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জরুরী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে আমি মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে আমি কথা বলতে দাঁড়িয়ে ছি এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবন স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা

সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। একজন অসুস্থ মানুষ যখন একটি ওষুধ কিনে তখন তিনি তার সেই পণ্যটি কেনেন এবং তিনি নিজের জীবন রক্ষার জন্য এবং তিনি সেটাকে নিজের শেষ আশ্রয় হিসেবে মনে করেন। অথচ সে ওষুধ যদি নকল ভেজাল এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ বা নির্মমানের হয় সেটি সেটি আর ওষুধ নয়। সেটি জীবন মানুষের জীবন স্বাস্থ্য বিশ্বাসের সঙ্গে নির্মম প্রতারণা। এর ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যহত হয়। রোগ জটিল আকার ধারণ করতে

পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ মানুষকে জীবন দিয়ে এর মূল্য দিতে হয়। মাননীয় স্পিকার দেশের বিভিন্ন স্থানে ফার্মেসি এবং ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ নকল ভেজাল নিবন্ধন বিন এবং নিম্নমানের ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগ উদ্যোগ জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সব ওষুধ মানুষের জীবন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক নীরব কিন্তু ভয়াবহ হুমকিতে পরিণত হয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ বা নকল ওষুধ সেবনের ফলে রোগীর কাঙ্খিত চিকিৎসা ব্যহত হয়, রোগ নিরাপদে বিলম্বিত হয়।

মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে এমন এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে একই সঙ্গে মেয়াদিৎসীর্ণ ওষুধ পুনরায় বাজারজাতকরণ অবৈধভাবে বিক্রির প্রবণতা দেশের ওষুধ ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মক ভাবে ক্ষুণ্য করছে যদিও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি ও ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে থাকে তবুও বাস্তবে বেয়াদুৎসীর্ণ মাননীয় সদস্য সবার কাছে দেয়া আছে যেহেতু আমরা এটা পঠিত বলে গণবক্তা

করি একটু আগে মাননীয় চিফ হুইপ যে কথাটা বললেন তো একটা একটু বেশি আমি একটু খালি বলতে চাই সেটা হচ্ছে আপনি বললে পুরোটা বলতে পারেন বাট পঠিত বলে গণ্য করা হলো। প্রশ্ন করবো যদি আমি কি আমার মনে কি আমাদের মাননীয় মন্ত্রী কি উত্তর দিবেন কিনা যদি উত্তর না দেন তাহলে আমি এখনই প্রশ্ন করবো। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখি দেখি উনি কি বলেন দয়া করে বসুন ধন্যবাদ আপনাকে। আমি আরেকটু সংক্ষিপ্ত করে যেটা বলতে চাই যেটা আমার কাছে বেশি মনে হয়েছে যে এন্টিবায়োটিকের অবাধ বিক্রয়

দেশের বিভিন্ন পাড়া-মহলের ফার্মেসি এবং অনেক প্রতিষ্ঠিত ওষুধের দোকানে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এন্টিবায়োটিক বিক্রয় করা হচ্ছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। দেখা যায় অনেক রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়েই ফার্মেসির বিক্রয় কর্মীর পরামর্শে এন্টিবায়োটিক কিনে সেবন করে থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী নির্ধারিত পূর্ণ কোর্স সম্পন্ন করেন না। ফলে এর পরে শরীরের জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস না হয়ে এন্টিবায়োটিক পত্রিকায় এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স হয়ে ওঠে। এসময়

একসময় প্রচলিত এন্টিবায়োটিক আর কার্যকর থাকে না এবং সাধারণ সংক্রমণ প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স সর্বশেষ প্যারাটা পড়েন দয়া করে। এটাই একটু গুরুত্বপূর্ণ এটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স কে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সেক্ষেত্রে আমি বলতে চাই যে আমাদের দেশে যেভাবে ফার্মেসি গুলোতে আপনার কোন রকম প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে থাকে সেটা যদি আমি গত কয়েকদিন আগে একটা ফেসবুক

দেখেছি যে একজন বাচ্চা ইতিমধ্যে এন্টি মানে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধ হয়ে উঠছে তার কোন ওষুধ কার্যকর হচ্ছে না। এই ব্যবস্থা যদি বাংলাদেশে প্রচলিত থাকে তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিরাট হুমকি স্বরূপ। সেজন্য মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন যে আমরা এই এন্টিবায়োটিক মানে বিক্রয় ক্ষেত্রে আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারি কিনা যাতে বিনা প্রেসক্রিপশনে কেউ এন্টিবায়োটিক ওষুধ কিনতে না পারে এবং এর ব্যাপারে আমাদের কোন সরকারের কোন পরিকল্পনা আছে কিনা এটা আমি জানতে চাচ্ছি।

জি অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাকাউত হোসেনকে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে বিষয়টি উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্পিকার আমি খুব সংক্ষিপ্ত করতে চাচ্ছি উনি যে বিষয়গুলির প্রতি আমাদের

দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এর প্রতিটা জিনিস প্রতিরোধে আমাদের দেশে বিদ্যমান আইন রয়েছে। সময় সময় আইনের অধীনে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। নকল ওষুধ প্রস্তুত কারক এরই মধ্যে আমরা আমরা এই দায়িত্ব নেওয়ার পরে আট-১০ টা আয়ুর্বেদিক এবং ইউনিয়নে ওষুধ প্রস্তুত কারক কোম্পানিতে হানা দিয়ে নকল ওষুধ বানানোর কারখানা আবিষ্কার করে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে জরিমানা করা হয়েছে এবং এটা চলমান আছে।

নকল ওষুধ বিক্রেতা বিক্রি বন্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা উপজেলা লেভেলে বা শহরে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটগণ মোবাইল টিম গঠন করে ওষুধের দোকানে যাচ্ছে নকল ওষুধ পেয়ে তাদেরকে

কাউকে গ্রেফতার করতেছেন, কাউকে বড় আকারে কাউকে মাঝারি আকারে জরিমানা আদায় করতেছেন, আমাদের দেশে আইন রয়েছে 10 বছর পর্যন্ত সাজা দেওয়া যাচ্ছে, এন্টিবায়োটিকের ব্যাপারে যেটা উনি বলেছেন অত্যন্ত সত্য কথা এন্টিবায়োটিকের মানে যত্র তত্র ব্যবহারে যেকোনো ভাবে ব্যবহারে আমাদের মানুষদের ক্ষতি হচ্ছে সেইটার বিরুদ্ধে যাতে করে এন্টিবায়োটিক উইথ আউট প্রেসক্রিপশন যাতে ডিসপেনসারি গুলি বিক্রি না করে সেইটার আইন রয়েছে সেইটা চলমান

তদন্তের ভিতরে আছে চলমান মোবাইল টিমের নজরের ভিতরে আছে আমরা সার্বিক যে জিনিসগুলি উনি এনেছেন আমরা জনস্বার্থে আমাদের সরকার আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমরা কাজ শুরু করেছি আরো কঠিন ভাবে আমরা কাজ শুরু করে এই সকল বিষয়গুলি যা উনি অবতরণ করেছেন আমরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য যদি প্রশ্ন থাকে দয়া করে প্রশ্ন করুন প্লিজ।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেহেতু এখন বক্তব্য রাখবেন সেজন্য আমি আমার সম্পর্ক প্রশ্ন আর রাখছি না আপনাকে ধন্যবাদ দ্যাট ইজ ভেরি কাইন্ড অফ ইউ থ্যাঙ্ক ইউ

দিনের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়ন কার্যবলী মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়নের কার্যবলী শুরু হচ্ছে আমি এখন এক উপবিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতাবলী বিধি স্থগিত

ক্ষমতা প্রয়োগ করে স্বল্পতর মেয়াদে নোটিসের সংসদ কার্যপদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ কে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দ্রুত তরান্তি করিবার লক্ষ্যে দেশী বা বিদেশী বিনিয়োগকারীগণকে আকৃষ্ট শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগকারীদেরকে

দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎ সংশ্লিষ্ট কতিপয় আইন রহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা সমূহের উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়ন কল্পে আনিত একটি বিল ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 উত্থাপনের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। আপনি বিলটি উত্থাপন করুন। কি? আপত্তি? আমরা একজনকে নিতে পারি। কে? আপনারা দুইজনের মধ্যে ঠিক করেন। মিস্টার নাজিবুর রহমান। জ্বি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, এই আইনটা যেভাবে আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন আমরা দেখছি এই আইনের মাধ্যমে

ছয়টি পূর্ববর্তী আইনকে রোহিত করা হচ্ছে একই সাথে দুইটা প্রতিষ্ঠানকে বিলুপ্ত করা হচ্ছে আমরা একটু দেখেছি আজকে এটা দেয়া হয়েছে আপনি তিন দিনের বিষয়টা কন্ঠন করেছেন কিন্তু বিষয়টা হল মাননীয় স্পিকার আমরা দেখলাম 9 জুলাই এই আইনটি মন্ত্রীসভায় পাস হয়ে আজকে 15 জুলাই ছয়টা দিন চলে গেল এর মধ্যে আমাদেরকে এই তিন দিনের যে নোটিসটা দেওয়ার কথা ছিল ডকুমেন্ট গুলো দেওয়ার কথা ছিল

দেওয়া হলো না কেনো তার কোনো জাস্টিফিকেশন কিন্তু পেলাম না। চারটা আইন রোহিত করা হয়েছে। এই চারটা আইনের সাথে এই আইনের যে পার্থক্যের যে টেবিলটা এটাও দেওয়া হয়নি। তারপরে এই আইনটা আজকে দেখছি অবিলম্বে পাস করার একটা কার্যসূচি রয়েছে। এটা কমিটিতে না দিয়ে সরাসরি পাস করার এতো তাড়াহুড়া কি জন্য তার কিন্তু কোনো জাস্টিফিকেশন আমরা দেখছি না। এটা যেহেতু একটা অতো বড় বিষয় চারটা আইন রোহিত করার বিষয় রয়েছে দুইটা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করার বিষয় রয়েছে আমি আপনার কাছে

অনুরোধ করবো, আপনার মাধ্যমে সরকার মাননীয় মন্ত্রীর কাছে দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রীর কাছে যেটা অনুরোধ থাকবে এটাকে আইন সংক্রান্ত যে স্থায়ী কমিটি রয়েছে সেখানে প্রেরণ করা হোক এটাকে যাচাই

চাই বাছাই করবো পরবর্তীতে আমরা পাশ করি এতো তাড়াহুড়ার কোনো দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। এরকম ঘটনা আরো আগে হয়েছে আপনার দৃষ্টি আমরা আকর্ষণ করেছি। আমরা দেখছি না কোন ব্যর্থয় হচ্ছে অত্যন্ত তাড়াহুড়া করে আইনগুলো পাশ করা হচ্ছে। এটার ভিতরে কি ভুলভ্রান্তি আছে এটার ভিতরে তাড়াহুড়া করার কি হেতু অন্য কোনো স্বার্থ জড়িত আছে কিনা সেগুলো আমরা বুঝছি না। এজন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টা যেন সিরিয়াসলি দেখা হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মাননীয় মন্ত্রী আপনি এই ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে পারেন। ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এপ্রিশিয়েট করি মাননীয় সদস্য জন নাজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান যা উত্থাপন করেছেন সে বিষয়টি। এটা কোনো হার্ড এন্ড ফাস্ট রুল নয়। যে রুলস অফ প্রসিডিউর অনুসারে স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করতে হবে। এটা একটা ট্রেডিশন। সেভেন পার্লামেন্ট থেকে এটা শুরু হয়ে যেকোনো বিল আসলে সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা। এখন এই সংক্রান্ত এই বিলটা উনার

অনুসারে যে চারটা আইনের বিলুপ্তির বিষয় উত্থাপন করে তিনি যা বললেন সঠিক এটা কোন নতুন আইন নয় আমরা কয়েকদিন আগে যে আইনটা এখানে অনুমোদন করেছি উনারা সহযোগিতা করেছেন যেমন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সেটা ছিল একটা সংশোধনী বিল সেখানে কম্পারেটিভ স্টেটমেন্ট আমরা দিয়েছি কোন ধারাটা কি সংশোধনে আনা হচ্ছে কেন হচ্ছে যুক্তিকতা সহ আগেই দেয়া হয়েছে এইটা

বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সৃষ্টি হয়েছে স্টেটুটরি কর্তৃপক্ষের সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন আইনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি হয়েছে উদ্দেশ্য এবং কারণ সম্বলিত প্যারাতে সেটা বলা আছে যার ফলে ওভার ল্যাপিং হচ্ছে ফাংশনে ওয়ান উইন্ডোতে আমরা সার্ভিস পাচ্ছি না এখানে যেটা ওয়ান সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্ম গঠনের কথা এখানে বলা হয়েছে আপনি

এর মধ্যে দেখবেন আমি ভিতরে আপনাকে দেখাচ্ছি। শুধু সেই সার্ভিসটা এনসিওর করার জন্য সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে যাতে আমরা সেবা নিশ্চিত করতে পারি সেই জন্য এই বিভিন্ন কর্তৃপক্ষগুলো একই উদ্দেশ্যে যেগুলো করা হয়ে সেগুলো জাস্ট মার্জার করা হচ্ছে একটা কর্তৃপক্ষের মধ্যে এটা নতুন কোন আইন নয় তো সেই ক্ষেত্রে কম্পারেটিভ স্টেটমেন্ট দেয়া এটা খুব একটা জরুরী বলে মনে করি না। মাননীয় সদস্য যেটা বলেছেন যে আমরা

করতে পারি নাই ঠিক কিন্তু আমাদের এখানে যে কাগজটা আছে আমরা অর্থবিল হিসেবে এটা যেহেতু বিল এখানে এনেছি মাননীয় রাষ্ট্রপতি আমাদেরকে অনুমোদন দিয়েছেন 14 তারিখে ক্যাবিনেট মিটিং এটা 9 তারিখে প্রুভ হয়ে এটা সত্য তার আগে আরেকবার ক্যাবিনেট মিটিং হয়ে সেখানে আমাদের কিছু অবজারভেশন ছিল পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পরবর্তী ক্যাবিনেট মিটিং এটা স্ক্রুটিনি করে রিফাইন্ড করে অনুমোদন করা হয়ে পার্লামেন্টে আমরা আরো আগে আনতে

পারলে খুশি হতাম। আজকে আপনারা এই অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করবেন। রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিয়েছি বলে জেনেছি। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় সংসদ নেতা বক্তব্য রাখবেন। এই বিলটার মধ্যে যদি জটিল কোন বিষয় থাকতো আমি নিজেই প্রস্তাব করতাম যে এটা স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হোক। এখানে স্ক্রুটিনি করে সবাই মতামত দিবেন। এটা একটা মার্জার। এখানে উল্লেখ করা আছে আপনার

বিলের 6666 এ রোহিতকরণ এবং হেফাজতকরণ আর্টিকেল এর মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন 2010 বাংলাদেশ সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইন পিপিপি যেটা আমরা বলে থাকি আইন 2015 বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন বিডা নামে যেটা অধিক পরিচিত এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন এগুলোর লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য একই এখানে আমরা সবগুলোকে মার্জিন না করলে

বা লেপিং অফ ফাংশনস মানুষের ব্যবসা বাণিজ্য ইউজ করা চাইতে ডিফিকাল্ট করে ফেলে। এই আইনের মধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে যে এই কর্তৃপক্ষের অধীনে সকল ক্ষেত্রে যাতে এক জায়গায় সবাই সেবা প্রাপ্ত হন সেজন্য এই ডিজিটাল সিঙ্গেল ডিজিটাল উইন্ডো বা সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্মের মধ্যে সকল সেবা প্রদানকারীগুলোর সংস্থা বাধ্যতামূলকভাবে একটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে

তো সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্মের সহিত সংযুক্ত থাকিবে এবং কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল প্লাটফর্মের উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিচালনা করবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করে প্রত্যেকটা সেবা প্রদানকারী সংস্থার ড্রেস কফি স্থাপন করতে হবে সেখানে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান সাপেক্ষে উক্ত সংস্থার এক বা একাধিক কর্মচারীকে নিযুক্ত করতে হবে যাতে এক ঘন্টার মধ্যে একই সাথে একই উইন্ডোতে একই ছাদের নিচে একই অফিসে সমস্ত সেবা প্রদান করে বাংলাদেশের বিনিয়োগ

পরিস্থিতি উন্নয়ন করা যায় এবং বৈদেশিক এবং দেশীয় উন্নয়ন কে ত্বরান্বিত করা যায়। এটাই তো আমাদের নতুন প্রত্যাশা। গণভবতার নতুন প্রত্যাশা এখানে কোন স্বার্থে সরকার স্পেশাল

কোনো উদ্দেশ্যে এই আইনটা প্রণয়ন করছে না। এই আইনটা প্রণয়ন করছে যাতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন নামে সবাই বুঝতে পারে যে এই এক আইনের অধীনে একই কর্তৃপক্ষ সকল সেবাকারী সংস্থা একই জায়গায় এসে সেবাটা পাবে এবং আমাদের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে দেশে এগিয়ে যাবে। আমি অনুরোধ করবো মাননীয় বিরোধীদলীয় সকল সদস্যদের মাননীয় বিরোধীদলীয় না থাকে এই আইনটা আপনারা দয়া করে আজকে যতটুকু আলোচনা করার দরকার এই উত্থাপন

এরপর তো একবার আপত্তি দিতে পারেন। আবার অবিলম্বে বিবেচনার জন্য যখন গৃহীত হবে সেই সময় বক্তব্য দিতে পারেন। সংশোধনী যদি থাকে তখন বক্তব্য দিতে পারেন। দয়া করে আইনটা পাশের জন্য সহযোগিতা করলে আমরা এগিয়ে যাব। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মহান আপনি তো একবার বিবৃতি দিয়েছেন। মাননীয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী কথা বলেছেন। এখন রেওয়াজ বা রীতি অনুসারে বা বিধি অনুসারে

আমরা এগোচ্ছি। জি আচ্ছা ঠিক আছে রাখেন। আপনি এক মিনিট দিলে পরে আবার উনাকে দিতে হবে। আমরা যেটা বিধি আছে বিধি অনুসারে যাই যেটা উনি আচ্ছা ঠিক আছে মাননীয় মন্ত্রী আবারো বলবেন বলেন আপনি এক মিনিট বলেন প্লিজ। আসলে বিষয়টা হলো আমরা তো আইন প্রণেতা। আমাদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। এক্ষেত্রে আমাদেরকে যে মৌলিক অধিকার এটাকে যাচাই-বাচাই করা। এখানে থেকে যে

যদি আমাদেরকে ডেপ্রাইভ করা হয়, আমি মনে করি আমাদের মৌলিক অধিকার এখানে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। উনি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন যে এখন আমাদের সুযোগ রয়েছে এই আধা ঘন্টার মধ্যে 67 টা অনুচ্ছেদ রয়েছে এটা পড়ে কোথায় কোন তারপরে আগের আইনগুলো এখানে দেওয়া হয়নি যে চারটি আইন বিলুপ্ত করা হচ্ছে। তারপরে যে দুইটা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করা হচ্ছে এই দুইটা প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রাম কিছুই আমরা জানি না। এইটা অল্প সময়ের মধ্যে আমাদেরকে যদি এভাবে বলা হয় যে আপনাদের তো সুযোগ আছে আপনারা এটা সমালোচনা করেন এটা সংশোধন আনেন এটা আমাদের

পক্ষে কিভাবে সম্ভব? সংশোধন আনতে হলে তো একটা প্রসিজর আছে। আপনাকে নোটিস দিতে হবে। দফাহরি সংশোধনের জন্য নোটিস দেওয়ার বিধান রয়েছে। এছাড়া তো পারবো না আমরা। এটা অন্যান্য যে বিষয়গুলো রয়েছে স্ট্যান্ডিং কমিটিতে প্রেরণ কিংবা বাছাই কমিটিতে প্রেরণ কিংবা জনমত যাচাই জন্য সেটা আমাদের নোটিস দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া প্রয়োজন। কোন সময় না দিয়ে এভাবে তাড়াহুড়া করে আপনারা যদি বিল পাস করার অনুমতি দেন তাহলে আমি মনে করি আমাদের যে মৌলিক অধিকার আইন প্রণেতা হিসেবে সেটা আমাদের ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এবং এটা বারবার হচ্ছে মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ। মহান সংসদ

মাননীয় মন্ত্রী আমরা তো বিধিঅনুসারে আইন প্রণয়নের দিকে যাচ্ছি মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 সরি বাংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রদান করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয়

হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, বিলটি উত্থাপনের অনুমতি দেয়া হলো। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি বিলটি দয়া করে উত্থাপন করুন। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে

উন্নয়ন দ্রুত তরান্বিত করিবার লক্ষ্যে দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগ করি গণকে আকৃষ্ট শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগ কারীদের কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎ সংশ্লিষ্ট কতিবয় আইন রহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে

একটি নতুন আইন, প্রণয়নকল্পে আনিত একটি বিল, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ বিল, 2026 মহান সংসদ উত্থাপন করলাম। ধন্যবাদ মাননীয় সভাপতি। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, ইনভেস্টমেন্ট বিল 2026 মহান সংসদে উত্থাপিত হলো। আমি এখন কার্যপ্রণালী বিধির শতাংশে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংসদ কার্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মাননীয়

মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমদ কে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি আমি বিবেচনার দেয়ার পরে দিতে পারি একটু আমরা উনি আগে দিবেন তারপরে আপনি বলবেন মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি সালাউদ্দিন

আমার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব করছি যে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দ্রুততার উন্নত করিবার লক্ষ্যে দেশী বা বিদেশী

বিনিয়োগকারীগণকে আকৃষ্ট শিল্পস্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগকারীদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎ সংশ্লিষ্ট কতিপয় আইন রহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়ন কল্পে আনিতে

বিলটি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার

মনে হয় হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো। কয়জন বলবেন আপনারা? যেকোনো একজন বলেন দেখি।

হাসনাত আব্দুল্লাহ কুমিল্লা চার না জি মাননীয় স্পিকার আমাদের হচ্ছে আইনের 21 নাম্বার 21 নাম্বার ধারা 21 নাম্বার 21 এর দুই তারপর হচ্ছে 25 তারপর হচ্ছে 28 এর পাঁচ উপধারা তারপর হচ্ছে 33 35 এরকম অনেকগুলো ধারাতে আমাদের সংশোধনী আছে আপনি যদি সংশোধনী দেওয়ার নোটিসের প্রক্রিয়াটি আমাদেরকে বলতেন তাহলে এই ধারাগুলোতে আমরা সংশোধনী দিব।

ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রী স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমি আমি বলি মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ফ্লোট দেয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় সদস্য যে সমস্ত ধারাগুলোতে সংশোধনের কথা বলছেন এখন

বিধি মোতাবেক যেহেতু আপনি সবকিছু কন্ঠন করে চান তার টাও কন্ঠন করে মৌখিক ভাবে উত্থাপনের অনুমতি দিতে পারেন আমরা নোট করব এবং সেই প্রেক্ষিতে যদি কোন সংশোধনী গ্রহণ করার থাকে তাহলে পরে আমরা সেটা গ্রহণ করব যদি সেটা যুক্তিযুক্ত হয় এবং সেই সংশোধনী ধারাগুলো সম্পর্কে যদি এখন নোটিস উত্থাপন করতে হয় সেটা আবার বিতরণ করতে হবে এবং বিতরণের পরে সেটা আবার উত্থাপন হবে অনেক সময় প্রয়োজন আপনি স্পেশাল ডিসক্রিপশন অনুযায়ী

অনুসারে উনাকে মৌখিকভাবে সংশোধনীগুলো উত্থাপন করতে বললে যেটা গ্রহণযোগ্য হবে আমি নোট করবো সেটা আমরা গ্রহণ করবো। ধন্যবাদ মনোনয়ক স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য আপনি তো শুধু ধারা বলেছেন ধারার ভিতরে কি আছে কি সংশোধনী কিছু এ বিষয়ে বলেননি আর এখন না আপনি মাইকটা একটু দিবেন প্লিজ

মাননীয় স্পিকার, রুলস অফ প্রসিজারের 77 নাম্বার ধারা অনুযায়ী মাননীয় স্পিকার আমরা লিখিতভাবে আপনার নোটিস দিতে চাচ্ছি এবং এই বিষয়ে সুরাহা করার ডিসক্রিপশনটা মাননীয় স্পিকার সম্পূর্ণই আপনার এবং আমরা লিখিতভাবে ধারা অনুযায়ী কোথায় কোথায় আমরা সংশোধনী দিচ্ছি সেটা লিখিত অনুযায়ী মাননীয় স্পিকার আমরা দিতে চাচ্ছি। মাননীয় সদস্য আমি আমার প্রারম্ভিক বক্তব্যেই

কন্ডন করেছি স্পেশাল পাওয়ারসে তো সেটা তো আগেই আমরা কন্ডন করেছি তাহলে মাননীয় স্পিকার থ্যাংক ইউ লিখিত নোটিস ও কন্ডন করা হয়েছে জি না মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্যের বক্তব্য সঠিক আছে এটা ডেমোক্রেটিক রাইট

পার্লামেন্টে আইন প্রণয়নের জন্য তারা সহযোগিতা করবেন সংশোধনী দিবেন কিন্তু আপনি কন্ঠন করে আজকে যেহেতু আমরা বিলটা অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক প্রস্তাব করেছি এই অবস্থায় যেহেতু লিখিত তার এখন সংশোধনী দেয়া এবং সেটা সদস্যদের কাছে বিতরণ করার সময় নেই আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে সমস্ত ধারায় আপনাদের সংশোধনী প্রস্তাব থাকবে সেটা আপনারা যদি দিলে আমরা পরে আবার সংশোধনী আনতে পারবো এই বিলের মধ্যে যে সমস্ত

ধারায় তাদের সংশোধনী থাকবে, সে সংশোধনী দিলে আমরা পরে এই সংশোধনীগুলো অনুকূল করতে পারবো। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, মহান সংসদে আপনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমি এখন বিলের

দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে আচ্ছা আমি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা দাঁড়িয়েছেন উনাকে একটু ফ্লোর দেই মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। মাননীয় স্পিকার আমাদের এই অধিবেশনের আজকে শেষ দিন আমরা চাই যে আমাদের এই দিনটা এই অধিবেশনের যেন গ্লোরিফাই হয়ে থাকুক। এখানে প্রথম অধিবেশন

বেশকিছু আইন খুব তড়িঘড়ি করে পাশ করতে হয়েছে সময়ের বাধ্যবাধকতার কারণে সেই সময় আমরা বলেছিলাম যে ভবিষ্যতে যেন সব কিছু আমাদের কাছে আমাদের প্রাপ্যতা অনুযায়ী আসে এখানে শুধু অধিকারের প্রশ্ন না মাননীয় স্পিকার এটা দায়িত্বের ব্যাপার আমরা অধিকার না হয়ে স্যাক্রিফাইস করলাম কিন্তু দায়িত্বে আমাদের অবহেলা হয়ে গেল হতে পারে মানুষ তো আমরা উনারা উনাদের দিক থেকে সব কিছু বিচার বিবেচনা করে যাচাই

বাছাই করে বিলটা এনেছে। তারপরে এখানে এসেছে কেন? এখানে এসেছে যে এটা আলোচনা করে আরো যদি কোনো ভালো কিছু আসে সেটাও সংকুচন হবে। যদি এখানে দুর্বল কিছু থাকে সেটা বাদ করে। উনারা যদি বলতেন একটু যে সময়ের এই বাধ্যবাধকতাটাকে কিভাবে উনারা বিবেচনা করছেন তাহলে আমাদের জন্য ভালো হতো। না হলে দেখেন একটা বিষয়কে তাড়াউড়া করে একাউন্টেড করতে গিয়ে অনেকটা অধিকার এবং দায়িত্ব লঙ্ঘিত হচ্ছে। এবং এইটা এই সংসদে

এর জন্য ভালো কোনো প্রেসিডেন্ট হবে না মাননীয় স্পিকার। আমরা কি খারাপ মন্দ প্রেসিডেন্ট কেস করব? এটা হওয়া উচিত না। আমি আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি হয় বিষয়টা ভালো করে ক্লিয়ার করা হোক। আমরা স্যাটিসফাইড হই যে এটা এখনই পাশ করতে হবে। দেখার কোনো সময় নাই। আমাদের মত দেওয়ার বা স্টাডি করার কোনো সুযোগ নাই। একেবারেই বিশ্বাসের উপর ছেড়ে দিতে হবে। আর আইন বোধহয় এভাবে প্রণয়ন হয় না মাননীয় স্পিকার। আইন তো বুঝে শুনে প্রণয়ন হয়।

ইতিহাসের দায়বদ্ধতা আমাদের আছে তো। আমরা তো অস্বীকার করতে পারবো না। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু বলতে চাচ্ছিলেন। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি মাননীয় বিরোধীদলের নেতার মাননীয় বিরোধীদলের নেতার সম্মানার্থে বলতে চাই তিনি রাইটলি পয়েন্ট আউট করেছেন। আমরা আগেই বলেছি যে এটা কোন নতুন আইন নয়। এটা কম্পাইলেশন অফ ফিউ লস যেটা আগে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে

একই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যে ফাংশন করা হচ্ছিল কিন্তু ওভারল্যাপিং করার কারণে এটা সময় নষ্ট হয় এবং জটিলতা সৃষ্টি হয়। এটা জাস্ট পূর্বের আইনগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসা এবং সেটা আমাদের রোহিত এবং হেফাজত করণ সেকশনে 66 এ বলাও আছে এবং এটার সময়ের বিষয়টা যৌক্তিকতা সম্পর্কে আপনাদেরকে আগেই অবহিত করেছি। আমরা নিজেই নিজেরাই খুশি হতাম যদি আরো আগে বিলটা আনতে পারতাম এবং এই পার্লামেন্টটা আরো

ও বিলম্বিত করা যাচ্ছে না, দেশের যে বন্যা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন কারণে সমস্ত সংসদ সদস্যগণের একটা তাগাদাও আছে যে পার্লামেন্টে যেন আজকের মধ্যে এটা অধিবেশন সমাপ্ত করা হয়। বিভিন্ন কারণে আমরা সময়ের সীমাবদ্ধতার কথা বলেছি। আর আইনের কথা বলছেন রুলস অফ প্রসিজার অনুসারে ইউ আর রাইট যে একর্ডিং টু 77 আমি প্রপোজ করতে পারি অবিলম্বে বিবেচনা যেন গ্রহণ করা হোক এবং এখানে কোন বাছাই কমিটি যাচাই কমিটিতে আমি প্রস্তাব করছি না। কিন্তু

একটা বিষয় তারা যে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো দিতে পারতেন সেটা আসলেই সেটা সময়ের কারণে হচ্ছে না। তা আমি তো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে মাননীয় সদস্যগণ যে সমস্ত ধারার মধ্যে সংশোধনী আনতে চান আপনারা যদি সেটা নিয়ে আসেন আমরা সেটা সংশোধনীটা গ্রহণ করব যৌক্তিকভাবে পরে এবং সেটা আগামী সেশনে হতে পারে। এমন না যে এটা আইন পাস হয়ে গেল আমাদের প্রয়োজন হতে পারে মাননীয় স্পিকার আগামী অধিবেশনে এই আইনের উপর হয়তো সংশোধনী আনতে হতে পারে। কম্পালসনটা হচ্ছে

এখানে যে বিনিয়োগের অপেক্ষায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিনিয়োগ কারী এখানে বিভিন্ন চুক্তি করার জন্য অপেক্ষমান আছে আমাদের চার মাস পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়ে গিয়ে এই আইনটা যদি আগের সরকার অথবা ইন্টারিম গভমেন্ট যদি মনোযোগ দিত তাহলে এই পাঁচ মাস আমরা বিনিয়োগে অনেক দূর এগিয়ে যেতাম সুতরাং নিউ গভমেন্ট নিউ এনস্পিরেশন পাবলিক এনস্পিরেশন অনেক বেশি এবং আমাদের নতুন এনস্পিরেশন অনুসারে গ্লোবাল ডিমান্ড অনুসারে আমাদের

আমাদেরকে যেতে হচ্ছে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আইন-কানুনের সামঞ্জস্য রেখে। যদি এই সুযোগটা আমরা নিতে চাই তাহলে আমাদের আইনটা আজকে পাশ করা দরকার এবং এখানে যে সমস্ত ধারায় মাননীয় বিরোধী দলের সদস্যরা সংশোধনী আনতে চান আমি আবারো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেই সংশোধনীগুলো আমরা গ্রহণ করব যদি যৌক্তিক হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী।

মন্ত্রী, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মাননীয় মন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মহান জাতীয় সংসদে, আমরা প্রত্যাশা করছি সেই প্রতিশ্রুতি আপনি

রক্ষা করবেন যৌক্তিকভাবে। ধন্যবাদ। আমি এখন মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমরা তো তাহলে আর এগোতে পারবো না এভাবে। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বক্তব্য রেখেছেন। তারপরে আর আপনাদের কোন বক্তব্যের অবকাশ নেই। উনি পয়েন্ট আউট করেছেন এবং মাননীয় মন্ত্রী যথাযথ উত্তর দিয়েছেন। দয়া করে একটু বসুন। একটু একটু বসুন। আমি এখন বিলের দফাগুলো

সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36

37, 38, 39, 40, 41, 42, 43, 44, 45, 46, 47, 48, 49, 50, 51, 52, 53, 54, 55, 56, 57, 58, 59, 60, 61, 62, 63, 64, 65, 66 এবং 67 এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের

পক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হা জয় যুক্ত হয়েছে হা জয় যুক্ত হয়েছে হা জয় যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55

56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 এবং 67 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত

হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো সংসদ কার্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি সাব

আলাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব করছি যে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দ্রুত তরান্বিত করিবার লক্ষ্যে দেশী বা বিদেশী বিনিয়োগকারীগণকে আকৃষ্ট শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগকারীদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব

পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎসংশ্লিষ্ট কতিপয় আইন রোহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়নকল্পে আনিত বিলটি ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 মহান সংসদে পাশ করা হোক উত্থাপিত আকারে। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 পাশ করা হোক

যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 পাস হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আসরের নামাজের জন্য 30 মিনিটের বিরতি দেয়া হলো আপনাদের

কোনো মিল পাওয়া যায়নি।