সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন প্রশ্নকাল শুরু হচ্ছে। প্রশ্নকালের প্রথম 30 মিনিট মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উত্তরদানের জন্য নির্ধারিত আছে। তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 29 মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন দুলাল পিরোজপুর তিন আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য দয়া করে আপনি প্রশ্নটি পাঠপূর্বক উত্থাপন করুন। ধন্যবাদ।
সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য
বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
বক্তব্যের পাঠ্য
নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার প্রশ্ন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি 1971 সনের মুক্তিযুদ্ধে যাহারা শহীদ হয়েছেন তাহাদের তালিকা এবং যাহারা গণহত্যার শিকার হয়েছেন তাহাদের তালিকা করা হবে কিনা এ বিষয়ে শহীদ পরিবারের সঠিক সংখ্যা ও গণহত্যার সঠিক তালিকা প্রকাশ করার কোন পরিকল্পনা সহ
দরকার আছে কিনা? থাকিলে তাহা কবে নাগাদ শুরু হইতে পারে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে আপনার একটি মূল্যবান প্রশ্নের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত মানুষ গণহত্যার শিকার হয়েছেন। কিন্তু আনফরচুনেটলি
বিষয় হচ্ছে দেশ স্বাধীনের পরে যাদের দায়িত্ব ছিল একটি নিরপেক্ষ পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করার মুক্তিযুদ্ধে কারা শহীদ হয়েছেন? এই
সঠিক এবং পূর্ণাঙ্গ তালিকাটা তারা সেই সময় তৈরি করেনি বরং এটিকে তালিকা তৈরি করতে গিয়ে সেখানে তারা রাজনীতি চেনে নিয়ে এসেছিল অথচ এই মানুষগুলোর আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছিলাম আমাদের কাঙ্খিত স্বাধীনতা বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতিহারে নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত
করেছে। উক্ত অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য এরই ভিতর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও করেছে। এর মধ্যে রয়েছেন মাননীয় স্পিকার এর মধ্যে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষকদের নিয়ে বিশেষজ্ঞ সভা আয়োজন বিভিন্ন অংশীদন দের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনার মাধ্যমে একটি বিস্তারিত এবং বাস্তবসম্মত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং
অবশ্যই তার ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ এই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গণহত্যার শিকার এবং সকল শহীদদের একটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য তালিকা প্রণয়ন এবং তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও মর্যাদা প্রদান করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন দুলাল একটি সম্পূর্ণ
পূরক প্রশ্ন করতে পারেন, প্লিজ প্রশ্ন করবেন সরাসরি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। বিষয়টি যে মুক্তিযুদ্ধের বিষয় প্রশ্নের বাহিরে কিছু করার সুযোগ নেই মাননীয় স্পিকার। আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন এই বাংলাদেশে অনেক বুড়ো মুক্তিযোদ্ধা আছে। আওয়ামী লীগের কর্মীদেরকে পুনর্বাসন করছে এই আওয়ামী লীগ সরকার। তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা
হিসেবে নিয়োগ দিয়ে মাসে 20000 টাকা ভাতা পায় আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন এই বুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের কে যাচাই-বাছাই কমিটি করে ছাটাই করা হবে কিনা এবং এই বুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের যদি যাচাই-বাচাই করার জন্য ছাটাই কমিটি করা হয় তাহলে সেখানে যেন মাননীয় সংসদ সদস্যদের কে অন্তর্ভুক্ত করা হয় উপদেষ্টা হিসেবে।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আমার মনে হয় আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে বলতে চাই খুব সম্ভবত আপনার আপনি যা বললেন এটা বোধহয় প্রবাবলি একটা স্টেটমেন্ট হয়ে ঠিক প্রশ্ন মনে হয় হয়নি। তারপরেও আমি বলতে চাই আমি মনে হয় আপনি মূল যে প্রশ্নটি করেছিলেন সেখানে প্রথমেই আমি বলেছি দেশ
স্বাধীনের পরে যাদের দায়িত্ব ছিল সঠিক শহীদদের মুক্তিযোদ্ধাদের লিস্ট প্রণয়ন করা তারা সেটিকে রাজনৈতিকভাবে উপস্থাপন করেছে তারা নিরপেক্ষভাবে সঠিকভাবে তারা করেনি। এবং আপনার স্টেটমেন্টের দ্বিতীয় পর্যায় যেটা আপনি বলেছেন আমরা এরই মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তারা বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের কে নিয়ে কমিটির মতন করে গঠন করে যেখানে আমরা চেষ্টা করবো আপনি যেই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন সেই খানে সঠিক
যারা মুক্তিযুদ্ধ, সঠিক যারা শহীদ, তাদেরকে চিহ্নিত করার জন্য। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা একটা সম্পূরক প্রশ্ন নিচ্ছি। কুড়িগ্রাম এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম দয়া করে প্রশ্ন করবেন। ধন্যবাদ আপনাকে। আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
এর কাছে প্রশ্ন যে আমরা এই বিষয়টা দেখছি যে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার যখন পরিবর্তন হয় দেখা যায় যে তারা তাদের দলীয় কিছু লোকজনকে এই মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্ত করে আবার পরবর্তী আরেক সরকার এসে কিছু ছাটাই বাছাই ও করে আসলে সত্যিকার অর্থেই যারা প্রকৃতপক্ষে তাদেরটা কেন হচ্ছে না?
আজকে আমরা এই 55 বছর পর আমরা সেটা জানতে পারছে না জাতি জানতে পারছে না এই জন্য আমার প্রশ্নটা এইটাই যে এই বর্তমান সরকারের এই পরিকল্পনা আছে কিনা যে সঠিক একেবারে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে বিশ্লেষণ করে যাতে করে যারা প্রকৃতপক্ষে মুক্তিযোদ্ধা তাদেরকে চিহ্নিত করে তাদেরকে তালিকাভুক্ত করা আর যারা মুক্তিযুদ্ধ নয় মুক্তিযোদ্ধা নয়
যারা বিভিন্ন ভাবে দলীয়করণের মাধ্যমে হয়েছে তাদেরকে ছাটাই করে একটা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা তালিকা জাতির কাছে প্রকাশ করার
পরিকল্পনা আছে কিনা এটি আমার প্রশ্ন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্নের পরিপেক্ষিতে আমি বলতে চাই আপনাকে একটু আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গঠিত দল মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে একই সাথে আমি স্মরণ করিয়ে দিতে চাই
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন মাঠে থেকে যুদ্ধ করেছেন এবং শুধু তাই নয় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বর্তমানে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল রয়েছে এবং একটু আগেই বললাম এই দল বীর মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দ্বারা গঠিত এই দল স্বাভাবিক
ভাবেই, খুব স্বাভাবিকভাবেই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, বিশ্বাস করে মনে প্রাণে, যে মুক্তিযোদ্ধা, এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রতি, তাদের, দায়িত্ব, পবিত্র একটি দায়িত্ব রয়েছে, এবং সে কারণেই, আমি একটু আগেই, আমার মূল প্রশ্নে, এবং একই সাথে সম্পূরক প্রশ্নে আমি বলেছিলাম, যে যাদের দায়িত্ব ছিল দেশ স্বাধীনের পরে,
একটি সঠিক নিরপেক্ষ তালিকা তৈরি করা মুক্তিযোদ্ধাদের তারা সেটি করেনি পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এই লিস্ট তৈরিতে বিভিন্ন রকম সমস্যা তৈরি হয়ে বর্তমানে সরকার চেষ্টা করছে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের কে নিয়ে যাতে আমরা একটি পূর্ণাঙ্গ সঠিক মুক্তিযুদ্ধের তালিকা মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করতে পারি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 30 মাননীয় সদস্য জনাব লুৎফুল্লাহ আল মাজেদ ময়মনসিংহ আট এর পক্ষে পটুয়াখালী চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন দয়া করে আপনি প্রশ্নটি পাঠপূর্বক উত্থাপন করুন ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি এবিএ মোশাররফ হোসেন 114 পটুয়াখালী চার
সংসদ আসনের এমপি আমি আমার পক্ষ থেকে জনাব লুৎফল্লাহ মাজেদ 153 ময়মনসিংহ আট আসনের এমপির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি প্রশ্ন উত্থাপন করতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি রাজধানী ঢাকা সহ দেশের সকল শহরগুলির খেলার মাঠ পার্ক দখল মুক্ত করিয়া খেলার উপযোগী ও পার্কের পরিবেশ ফিরিয়ে আনিবার লক্ষ্যে কোন বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হইবে কিনা
না হইলে করা হইবে না কেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 30 মহান সংসদে উত্থাপিত হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্যকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনার মাধ্যমে এরকম একটি প্রশ্ন করার জন্য মাননীয় স্পিকার আজকে সকাল থেকে আমি দুপুর দুটা পর্যন্ত একটি অনুষ্ঠানে ছিলাম এই অনুষ্ঠানটি ছিল
বিদ্যালয় শিক্ষক এবং বাচ্চাদেরকে নিয়ে তাদেরকে পুরস্কার প্রদান সেখানে আমি সবগুলো জেলা থেকে বিভিন্ন জেলায় গত কয়েকদিন বৃষ্টি বাদল হয়েছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিছু হয়েছে তারপরেও আমি দেখেছি আমাদের এই প্রাইমারি বাচ্চাদেরকে এত প্রাকৃতিক দুর্যোগ থামিয়ে রাখতে পারে নাই তারা তাদের পূর্ণাঙ্গ উৎসাহ নিয়ে এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিল সেখানে মাননীয় স্পিকার একটি স্টল যখন একটি জেলার
স্টল বাচ্চাদের স্টল যখন আমি পরিদর্শন করছিলাম সেখানে তারা বাচ্চারা এবং শিক্ষকরা আমাকে জানালেন তাদের স্কুলটিতে 1300 বাচ্চা পড়ে কিন্তু তাদের কোন মাঠ নেই এরকম এই অভিযোগ আমাকে অনেকেই দিয়েছেন মাননীয় স্পিকার এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দেরকে সঠিকভাবে গড়ে তোলার জন্য ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় মাননীয় স্পিকার 189 টি পার্ক খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত
স্থান রয়েছে। এর ভিতরে 24 টি পার্ক ছয়টি খেলার মাঠ চারটি শিশু পার্ক এবং চারটি ঈদগাহ মাঠ সহ মোট 38 টি ডিএনসিসির মালিকাধীন উক্ত স্থাপনার নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে পার্ক এবং খেলার মাঠ সমূহে নিরাপত্তা প্রহীর নিয়োগ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন সিসিটিভি স্থাপন এবং জনসচেতনামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ এর ভিতর গ্রহণ করা হয়েছে। ডিএনসিসির মালিকাধীন যে 38 টি
পার্ক, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান রয়েছে তা ফরচুনেটলি মাননীয় স্পিকার বর্তমানে দখল মুক্ত রয়েছে সৌভাগ্যক্রমে এবং সুপরিকল্পিত ভাবে
নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। ইতিমধ্যেই 20 টি পার্ক, চারটি খেলার মাঠ, দুটি শিশু পার্ক, দুটি ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। জাতীয় গৃহন কর্তৃপক্ষ এবং রাজুক সহ অন্যান্য সংস্থার মালিকাধীন অবশিষ্ট 151 টি পার্ক, খেলার মাঠ, শিশু পার্ক, ঈদগাহ মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থান পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করা হবে মাননীয় স্পিকার। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন খেলার মাঠ
এবং পার্ক সময়ে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার। ভবিষ্যতে খেলার মাঠ এবং পার্ক সমূহে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান থাকবে। মাননীয় স্পিকার উল্লেখ্য যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে দেশের খেলাধুলার মান বৃদ্ধি করার চেষ্টা করছে এবং আপনি জানলে আনন্দিত হবেন যে এটিতে আমরা মোটামুটি ভাবে আলহামদুলিল্লাহ অনেকাংশে সফল হয়েছি। একই সাথে
একই সাথে মাননীয় স্পিকার শিশুরা খেলার মাঠে ও খেলাধুলা করছে গত 20 শে জানুয়ারি মাননীয় স্পিকার একটি খেলার উদ্বোধন করেছি যেখানে সারা বাংলাদেশের প্রাইমারি স্কুলের ফাইনাল খেলায় আমি অংশগ্রহণ করেছিলাম উদ্বোধন করেছিলাম এবং সেই খেলাটির আগে ফাইনাল পর্যায়ে আসার আগে পর্যন্ত সারা বাংলাদেশে প্রাইমারি স্কুলের 11 লক্ষ ছেলে এবং 11 লক্ষ মেয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক সর্বদা খেলার মাঠ এবং ফুটপাতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করার কাজ চলমান রয়েছে। ভবিষ্যতে আমরা এই ধারাটিকে অব্যাহত রাখতে চাই। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন অধিক ক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন এবং অন্যান্য সংস্থার মালিকাধীন 256 টি পার্ক এবং খেলার মাঠ রয়েছে। উক্ত খেলার মাঠ এবং পার্ক সমূহের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার।
বর্তমানে ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন খেলার মাঠ এবং পার্কের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এর ভিতরে 35 নম্বর ওয়ার্ড ইসথো মানিটোলা পার্ক, শহীদ মতিউর রহমান পার্ক, গুলিস্তান পার্ক, মতিঝিল পার্ক, নবাবগঞ্জ পার্ক, ওসপানী উদ্যান, যাত্রাবাড়ী শিশু পার্ক, ইসলামবাগ বশিরুদ্দিন পার্ক, শাহবাগ শিশু পার্ক, হাজী আব্দুল আলিম খেলার মাঠ, রসুল পার্ক পার্ক খেলার মাঠ, জোড়পুকুর খেলার মাঠ, বাসাবো খেলার মাঠ, সাদেক হোসেন
খেলারমাঠ দক্ষিণ গোড়ান সুলতান ভুইয়া ঝিলপাড়া খেলারমাঠ বাসাবো বালুরমাঠ দক্ষিণ বাসাবো গজমহল শিশুপার্ক হাজিরপাড় পার্ক আলিমগোড় খেলারমাঠ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য মাননীয় স্পিকার গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতায় খুব অল্পসংখ্যক খেলার মাঠ রয়েছে দুঃখজনকভাবে তবে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আওতায় কিছু খেলার মাঠ রয়েছে উক্ত মাঠ সমূহ রক্ষাপেক্ষের জন্য সিটি কর্পোরেশন কিছু আর্থিক বরাদ্দ এবং উন্নয়ন কার্যক্রম
পরিচালনা করা হচ্ছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন আওতায় আটটি জোনে আটটি খেলার মাঠ এবং 57 টি ওয়ার্ডে 57 টি খেলার মাঠ করার একটি পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। মাননীয় স্পিকার এছাড়া ময়মনসিংহ বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন গুলোর খেলার মাঠ এবং পার্ক দখল মুক্ত করে খেলার উপযোগী এবং পার্কের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মাননীয় সদস্য একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন প্রশ্ন প্লিজ আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে যে আগামী দিনে একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তোলার জন্য উনি যে পদক্ষেপ নিচ্ছে আমি মনে করি বাংলাদেশের জন্য একটা ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে নিয়ে আসবে আমি একটু স্মরণ করতে চাই আমরা যখন ছাত্র ছিলাম 1978 সালে আমাদের নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যখন বাংলাদেশ পরিচালনার দায়িত্বে তখন আমরা দেখেছিলাম ঢাকাতে
প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ প্রবর্তন করেছিলেন যেটা ওই সময় একটা ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করেছিল। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই আগামী দিনে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ভাবে তুলে ধরার জন্য এই ধরনের কোন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বাংলাদেশে আয়োজন করার আপনার কোন পরিকল্পনা আছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য। প্রেসিডেন্ট গোল্ডকাপ আপনি
যেটা বললেন, আপনার এ কথার পরিপেক্ষিতে অবশ্যই আমরা বিষয়টি আলোচনা করে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারি। তবে আপনার জ্ঞাতার্থে আমি জানাতে চাই মাননীয় স্পিকার, পুরা সংসদকে আমি জানাতে চাই, একটু আগে যেই কথাটি আমি বলেছি যে গত কিছুদিন আগে প্রাইমারি স্কুল লেভেলে বাচ্চাদের ছেলে এবং মেয়ে উভয় একটি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেটি প্রায় 22 লক্ষ বাচ্চা অংশগ্রহণ করেছে। ইনশাআল্লাহ আগামী বছর থেকে প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চাদের জন্য আমরা প্রাইমারি মিনিস্ট্রেস গোল্ডকাপ
শুরু করতে যাচ্ছি। এটি এটি প্রাইমারি স্কুল এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা সেকেন্ডারি স্কুলে ইনশাল্লাহ এটিকে নিয়ে যাব। এটি মোটামুটি সিদ্ধান্ত হয়ে মানে
স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা একটা সম্পূরক প্রশ্ন নিচ্ছি কুমিল্লা চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ আবুল হাসনাত। দয়া করে প্রশ্ন করবেন। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমাকে মাইক দিয়ে দিছেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আপনার অনুমতিক্রমে আপনি যদি অনুমতি দেন এটা যেহেতু সাপ্লিমেন্টারি কোশ্চেন সেশন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এই সাপ্লিমেন্টারি কোশ্চেন
কোশ্চেনের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অন্য বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে খেলার মাঠ ব্যতীত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তো সব বিষয় হচ্ছে সাপ্লিমেন্টারি কোশ্চেন মূল কোশ্চেনের সাপ্লিমেন্টারি অর্থাৎ ধারাবাহিকতা থাকতে হবে খেলার মাঠ সংক্রান্ত বা খেলাধুলা সংক্রান্ত না না এর মধ্যেই থাকতে হবে যে কারণে বললাম প্রশ্ন সম্পূর্ণ থ্যাংক ইউ না এই বিষয়ে প্রশ্ন নেই থ্যাংক ইউ মাননীয় স্পিকার ইউ আর ভেরি ওয়েলকাম সো আমরা যেহেতু উনি
ডিক্লাইন করলেন। এডভোকেট মোঃ জালালুদ্দিন কিশোরগঞ্জ 2 ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন যে আমাদের ইউনিয়ন উপজেলা পর্যায়ে এবং জেলা পর্যায়ে আগের
এর যে খেলার মাঠগুলি ছিলো, এগুলি নতুন নতুন বিল্ডিং হওয়ার কারণে একারণ মানসম্মত মাঠ নাই। মাঠের আকার হয়ে গেছে ছোট। সেখানে ছেলে ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করে যেরকম বড় টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে পারে না। ঠিক তেমনিভাবে খেলার উপযোগী অনেক নাই। আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন যে ইউনিয়ন লেভেলে, উপজেলা লেভেলে নতুন কোনো মাঠ ইয়ে করার বরাদ্দ দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা বর্তমান সরকারের? ধন্যবাদ মাননীয়
সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আপনি যদি আপনার এলাকায় আপনার ইউনো অফিসে যদি আপনি খোঁজখবর করেন বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় খোঁজ করেন তাহলে আপনি জানতে পারবেন যে এরই মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে তাদেরকে একটি ইনস্ট্রাকশন পাঠানো হয়েছে যে বাচ্চাদের খেলার জন্য বা যেকোনো পর্যায়ের খেলাধুলার জন্য কোথায় খোলা জায়গা আছে ওপেন জায়গা আছে
সেটি খুঁজে বের করে সরকারকে জানানোর জন্য এই নির্দেশনা এরই ভিতরে পাঠানো হয়েছে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 31 মাননীয় সদস্য জনাব সারোয়ার জামাল নিজাম চট্টগ্রাম 13 দয়া করে আপনি প্রশ্নটি পাঠপূর্বক উত্থাপন করুন ধন্যবাদ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 31 এই মহান সংসদে
উত্থাপন করিলাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি বিগত 17 বছরে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে নানা ধরনের অনিয়ম ও পরিচালনার অদক্ষতায় পরিলক্ষিত হয়েছে। বর্তমান সরকার চট্টগ্রাম বন্দরের সকল সমস্যার সমাধান ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করে আছেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 31 মহান সংসদে উত্থাপিত হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে আবারো ধন্যবাদ একই সাথে মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য মাননীয় স্পিকার চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের সক্ষমতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে দেশের সামগ্রিক ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এটি সক্ষমতা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে বিশ্বের ও দেশের আভ্যন্তরীণ বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরটিকে
পরিচালনা করে আসছে। বিশ্বমন্দা, কোভিড-19 পরিস্থিতি ইত্যাদি সময় ও মাননীয় স্পিকার চট্টগ্রাম বন্দর 24 * 7 অপারেশনাল অর্থাৎ 247 অপারেশনাল ছিল। ফলোসরতিতে 2010 সালে যেখানে কার্গো এবং কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং ছিল যথাক্রমে 4 কোটি 53 লক্ষ 90 হাজার 663 মেট্রিক টন এবং 13 লক্ষ 43,448
20 ফুট ইকুইভালেন্ট ইউনিট সেখানে 2025 সালে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ 13 কোটি 81 লক্ষ 51 হাজার 812 মেট্রিক টন কার্গো এবং 34 লক্ষ 9069 টিইউ কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং করেছে বিগত বছরের তুলনায় 2025 সালে কন্টেইনার কার্গো এবং জাহাজ হ্যান্ডেলিং এর প্রবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে 4.7
11.43 এবং 10.5% মাননীয় স্পিকার চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সমন্বিত কার্যক্রম
গ্রহণ করা হয়েছে যার সংক্ষিপ্ত বিবরণ আমি তুলে ধরছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি চাইলে এটা পঠিত বলে গণ্য হতে পারে বেশ লম্বা দেখছি মাননীয় স্পিকার যেহেতু একটু লম্বা আমি অনুরোধ জানাবো বিষয়গুলোকে পঠিত বলিয়া গণ্য করার জন্য ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উত্তরটা পঠিত বলে গণ্য হলো মাননীয় সদস্য আপনার কোনো সম্পূরক প্রশ্ন থাকলে দয়া করে উত্থাপন করুন
আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে চট্টগ্রামের অবদান শতকরা 47% এক্ষেত্রে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিগত সরকার দলীয়করণের মাধ্যমে চট্টগ্রাম বন্দরকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বানিয়ে ছিল। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার বিশ্বের এক আধুনিক বন্দর হিসেবে চট্টগ্রামকে করা
কি কি পদক্ষেপ নিয়েছেন এবং সাথে সাথে যে বিগত সরকার বে টার্মিনালের নামে সমুদ্রবন্দর করার নামে কোটি কোটি টাকা অপচয় করে অসমাপ্ত অবস্থায় এটা ফেলে গেছে। এই প্রেক্ষিতে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানতে চাচ্ছি এই বে টার্মিনাল এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে আধুনিকরণ করার জন্য কি কি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার পদক্ষেপ নেবে? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সংশোধিত আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন ডিটেইলটা এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই। আপনি নোটিস দিলে আমি আপনাকে ডিটেইলটা জানাতে সক্ষম হবো। তবে বেটার্মিনাল এটার বাস্তবায়নের পরিকল্পনা তো আমরা নিয়েছি। আপনাকে আমি বলতে পারি যে বেটার্মিনালটা চালু হলে পরে অবশ্যই এটার একটা উপকারিতা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতি
এবং দেশ পাবে। মাননীয় স্পিকার বেটার মিলটা চালু হলে বড় আকারে যে আমাদের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়তে পারবে। এখন নাব্যতার জন্য অনেক সময় বড়টা জাহাজ আসতে পারে না এবং যখন বড় জাহাজগুলো মাদার ভেসেলগুলো আসবে এর ফলে স্বাভাবিকভাবে ট্রান্সিপ্টমেন্ট ব্যয় বা খরচ অনেক কমে আসবে। একই সাথে মাননীয় স্পিকার বড় জাহাজগুলো আসার পরে এবং বেটার্মিনাল চালু হলে পরে আমদানি রফতানি বাণিজ্যের
গতিবৃদ্ধি পাবে এবং স্বাভাবিকভাবে যেহেতু ব্যবসা-বাণিজ্য বা আমদানি রফতানির গতিবৃদ্ধি পাবে এটি জাতীয় অর্থনীতিতে একটি বড় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। আমরা একটা সম্পূরক প্রশ্ন নিচ্ছি ঢাকা পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ কামাল হোসেন। ধন্যবাদ। দয়া করে প্রশ্ন করবেন প্লিজ। মাননীয় স্পিকার
আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি আপনার এই প্রশ্নপর্বে আজকে সুযোগ পেলাম যদিও আগে অনেক চেষ্টা করেছি আমি শুকরিয়া আদায় করছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি আপনার মাধ্যমে জানতে চাই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং কাস্টমস হাউস চট্টগ্রাম কর্তৃক কন্টেইনার স্ক্যানার স্ক্যানার মেশিন ক্রয় এবং অপারেশন এবং তৎরক্ষণাবেক্ষণ
এর জন্য বিগত 2018 সালে এখানে চারটি স্ক্যানার মেশিন কেনার জন্য এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য টেন্ডার আহ্বান করে এই টেন্ডারে ব্যাপক দুর্নীতি হয় মামলা হয় এবং এই অভিযোগ এখনো চলমান বিগত সরকারের আইনমন্ত্রী এখানে তার ঘনিষ্ঠ জনরা এখানে জড়িত
আমি জানতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই ক্ষেত্রে যে মামলা সোলমান এখনো পর্যন্ত নিষ্পত্তি হয়নি, আমি আপনার মাধ্যমে জানতে চাই এই সরকার বিগত সরকারের 300 থেকে 400 কোটি টাকার এখানে দুর্নীতি সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ থাকার পরেও এটা ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি হচ্ছে কিনা আপনার মাধ্যমে জানতে চাই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এবং
এবং ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্নের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার জ্ঞাতত্বে মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে আপনাকে জানাতে চাই যে চট্টগ্রাম বন্দরটি এতে দেশের সম্পদ এবং এটি একটি রাষ্ট্রীয় সম্পদ জনগণের সম্পদ এখানে কোন কাজ করতে গিয়ে যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে সেটি যেকোনো যখনই হয়ে থাকুক না কেনো অবশ্যই দেশের আইন অনুযায়ী যারা এর জন্য রেসপন্সিবল তাদের বিচার অবশ্যই হবে এবং একই সাথে আমাদের
সরকারের প্রচেষ্টা থাকবে যেকোনো জায়গায় রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় যেন না হয় এবং একই সাথে আমাদের প্রচেষ্টা থাকবে যে দুর্নীতি মুক্ত একটি পরিবেশ পর্যায়ক্রমিক ভাবে গড়ে তোলা।
ধন্যবাদ মনোনিবেদন স্পিকার। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর পর্ব এখানেই শেষ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচিভুক্ত মাননীয় মন্ত্রীদের মন্ত্রী
গণের জন্য নির্ধারিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ চলতি অধিবেশনে আজ পর্যন্ত মোট 10 টি বিশেষ অধিকার প্রশ্নের নোটিস পাওয়া গেছে তন্মধ্যে সাতটি
নোটিসের সিদ্ধান্ত সংসদ ইতিমধ্যে সংসদে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে বাকি তিনটি নোটিসের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজ আমি সংসদকে অবহিত করব নোটিস তিনটি দিয়েছেন মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মজিবুর রহমান রাজশাহী এক তিনি প্রথম নোটিসে তার পূর্বে দেয়া দুটি নোটিসের বিষয়ে মাননীয় স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা গেলনা বলে
দুঃখিত। উল্লেখ করে প্রশ্ন তুলেছেন সংসদের সকল সদস্য টেবিল চাপড়িয়ে সমর্থন জানানোর হাত যুক্ত হবার পর নোটিশ গৃহীত না হলে নোটিশ কিভাবে গৃহীত হবে? মাননীয় সদস্য বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের নোটিশ গ্রহণের জন্য নোটিশটিকে কার্যপ্রণালী বিধির নির্দিষ্ট বিধির শর্তসমূহ পূরণ করতে হয়। মাননীয় সদস্যের প্রদত্ত নোটিশে উল্লেখিত বিষয় ও
65 অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হলে তা স্পিকার কর্তৃক সংসদে উত্থাপনের অনুমতি দেয়া হয়। তাই নোটিশের বিষয় যতই জনপ্রিয় হোক তা বিধি ও রেওয়াজ অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য হতে হবে। এজন্য সঠিকভাবে বিধি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট বিধিতে নোটিশ প্রদান করা হলে তা গৃহীত হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এমতাবস্থায় মাননীয় সদস্যের
অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্ন হিসেবে গ্রহণ করা গেল না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। মাননীয় সদস্যের দ্বিতীয় নোটিশটি তার প্রতিনিধিকে রাজশাহীর জেলা প্রশাসক ফিরতি চিঠি দিয়ে বাতিল করা সম্পর্কিত। সংসদ সদস্যের অধিকার অনুযায়ী তিনি প্রতিনিধি দিতে পারেন তবে বাধা দেয়া হচ্ছে কিনা সে ব্যাপারে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। মাননীয়
সদস্য নোটিসের সাথে তার প্রশ্নের সহিত সংশ্লিষ্ট দলিল সংযোজন করেননি। ফলে তার বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্নটি নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে না। তাছাড়া বিষয়টি প্রশাসনিক কার্যক্রমের আওতাভুক্ত। এমতাবস্থায় মাননীয় সদস্যের নবম নোটিসটি অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্ন আকারে গ্রহণ করা গেলো না বলে আবারো আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
মাননীয় সদস্যের তৃতীয় নোটিশটি তার নির্বাচনী এলাকা গোদাগারী তানোর হতে 14 জুলাই শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন পরিদর্শন ও অধিবেশন প্রত্যক্ষকরণ সম্পর্কিত শিক্ষার্থীদের সংসদ অধিবেশন প্রত্যক্ষকরণ সম্পর্কিত বিষয়টি সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত তাই এটি কার্যপ্রণালী উপবিধি তিন অনুযায়ী মাননীয় স্পিকারকে ব্যক্তিগত পত্রের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে পারতেন।
নোটিশটি অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্যের প্রশ্ন আকারে গ্রহণ করা গেল না বলে আবারও আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় হুইপ আপনি আগে বলেন কি আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমার কানে আসেনি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দয়া করে বসুন
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে একটি বিবৃতি দিবেন আপনি এলাও করলে আমরা বাধিত হব। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় হুইফ। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আপনি বিবৃতি দিতে চাচ্ছেন দয়া করে আপনি উপস্থাপন করুন। ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। সারাদেশে চলমান এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা 2026 এ
সারাদেশে 2,697 টি পরীক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। 12 লক্ষ 70,583 জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন। সম্প্রতি ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়া কারণে
কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্থ পাঁচটি জেলা তথা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, লাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে 1900 তম পরীক্ষা স্থগিত করা হয়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের বাইরেও ঢাকা সহ দেশের কিছু কিছু জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু পরীক্ষার্থী বৈরী আবহাওয়া ও বহুবিধ কারণে নির্ধারিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। মাননীয় স্পিকার, প্রতিকূল আবহাওয়া কিংবা সংশ্লিষ্ট অনিবার্য কারণে যারা
চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা 2026 এর কোন বিষয়ে অংশগ্রহণ করতে পারেনি তারা চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের ইতিমধ্যে স্থগিত হওয়া সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত একই তারিখে ওই সময়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। মাননীয় স্পিকার যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের জীবনে একটি অত্যন্ত গুরুত্ব
পূর্ণধাপ তাই বিশেষ বিবেচনায় এই বিশেষ সুযোগ প্রদান করা হলো মাননীয় স্পিকার পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ী ব্যক্তিদের ইতিমধ্যেই সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার আমি আবার আশ্বস্ত করছি পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র ছয় নম্বর প্রশ্ন এবং সাত নম্বর প্রশ্নের যে ভুল হয়েছে তার জন্য পরীক্ষার্থীদের পূর্ণ নম্বর
দেওয়া হবে। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। আপনার প্রদেয় বিবৃতিটি রেকর্ড করা হলো। ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশসমূহের নিষ্পত্তি
স্থগিত করা হলো। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের গৃহীত নোটিশ সমূহের উপর আলোচনা। প্রথমে আমি মাননীয় সদস্য রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন নম্বর তিন কে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশটি পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় সদস্য।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি অনুসারে জনগুরুত্ব বিষয়ে মাননীয় দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার নোটিসটি প্রদান করেছি আমার উত্থাপনীয় বিষয় হচ্ছে ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির রাসের জরুরী করণীয় সম্পর্কিত মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের মানুষের মনে এক আতঙ্কের নাম ভূমিকম্প এর এদেশের সবচাইতে বড় ভূমিকম্প হয়েছিল 1997 সালে
স্কেলের স্কেলে যার মাত্রা ছিল 8.3। এই ভূমিকম্পে ঢাকার আহসান মঞ্জিলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। 2024 সালে আমাদের দেশে বিভিন্ন বিভিন্ন মাত্রা 64 টি ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। 2025 সালে 21 শে নভেম্বর ঢাকায় মাত্র 13 কিলোমিটার এর মধ্যে নসিব দিতে ছিল এর উৎপত্তিস্থল। 5.7 মাত্রার একটি বড় ভূমিকম্প ছিল এটি। সে বছর পর পর দুটি ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল খুদ রাজধানীর অভ্যন্তরে।
ছোট ছোট এই ভূমিকম্পগুলি আগাম বড় ভূমিকম্পের পূর্বাভাস বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। দেশের পাঁচটি বিভাগে উচ্চমাত্রার ভূমিকম্পের জন্য বিপদজনক। তার মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর তবে ঢাকাতে 6.4 মাত্রার ভূমিকম্পে দুই লক্ষের বেশি প্রাণহানি হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা অভিমত জানিয়েছেন। মাননীয় স্পিকার, সুউচ্চ ভ্রমণ কংক্রিটের এই নগরীতে ভূমিকম্পের সময় ঘর থেকে বের
বেরিয়ে এসে দাঁড়ানোর মতো খোলা জায়গা খুবই কম ভূমিকম্পের ধাক্কায় ঢাকা শহরে ধ্বংস হতে পারে নয় লক্ষ ভবন প্রাণহানি সংখ্যা তিন লক্ষের বেশি হবে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন পুরাতন ঢাকায় বড় বড় ভবন কলাপস করলে সেখানে কোনো রেসকিউ অপারেশন চালানো সম্ভব নাও হতে পারে সম্ভব না হলে পরিত্যক্ত ভবন হিসেবে ঘোষণা হতে পারে সেগুলো এই সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য অনতিবলম্বী
এক বিল্ডিং কোড না মেনে ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন শনাক্ত করা এবং পরিত্যক্ত বলে ঘোষণা করা দুই রাস্তা দখলে রেখে বাউন্ডারি করা দোকান করা বাড়িঘর শনাক্ত করে তা ভেঙ্গে রাস্তা প্রশস্ত করা যাতে এম্বুলেন্স প্রবেশ করতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলির কাছাকাছি হাসপাতাল থাকা নিশ্চিত করা বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছাত্রদের ভূমিকম্পে করণীয় বিষয়ে সমাবেশ অব্যাহত রাখা অর্থাৎ জনগণকে সম্পৃক্ত করা বিশেষজ্ঞদের
সাথে আলোচনার মাধ্যমে বিস্তারিত বাস্তবসম্পন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা এসব এই এই বেপরোয়া নগরায়ণ বন্ধে ভবনগুলোর মান যাচাইয়ের কারণ
শুরু করা একান্ত জরুরী। তাই বিষয়টি আমি মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলুর পক্ষে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব এম ইকবাল হোসেনকে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার
স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। কার্যবিধি 71 অনুযায়ী উত্থাপিত গণগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ভূমিকম্পের মত বৃহৎ এবং আকস্মিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার পূর্ব উপস্থিতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছেন। এই লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও শ্রমন মন্ত্রণালয় কর্তৃক ভূমিকম্প অন্যান্য
দুর্যোগকালে অনুসন্ধান উদ্ধার অভিযান পরিচালনা এবং জরুরি যোগাযোগের জন্য যন্ত্রপাতি সংগ্রহ শিক্ষক এক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে উক্ত প্রকল্পের আওতায় দুর্যোগ মোকাবেলা সঙ্গে সম্পৃক্ত 10 টি প্রতিষ্ঠান যথা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স আর্ম ফোর্সেস ডিভিশন বাংলাদেশ নৌবাহিনী বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি সিপিপি
বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ র্যাব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট বর্ডার গার্ড, বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সম্পন্ন আধুনিক অনুসন্ধান ও উদ্ধার আরবান সার্চ এন্ড রেসকিউ ইউএসএয়ার সরঞ্জাম ভারী উদ্ধার অস্ত্রপাতি জরুরী যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিশেষায়িত উদ্ধার উপকরণ সংগ্রহ করা হচ্ছে। মাননীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা
মোতাবেক ঢাকা মহানগরী এবং এর আশেপাশের জেলাসমূহের জন্য 1 লক্ষ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এপর্যন্ত স্বেচ্ছাসেবক 43,237 জন এবং বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর 21,600 জন সহ মোট 64,837 জনের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়ে এছাড়া নিয়মিত মহড়া প্রশিক্ষণ জনসচেতনামূলক
কার্যক্রম অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকারী দলের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে মনোনিবেদন স্পিকার তবে অনুতিবিলম্বে বিল্ডিং কোড না মেনে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ বহুতল ভবন সনাক্তন করা এবং পরিত্যক্ত বলে ঘোষণা করা রাস্তা দখলে রেখে বাউন্ডারি ওয়াল করা দোকান বাড়িঘর সনাক্ত করে তা ভেঙে রাস্তা প্রস্তুত করা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলির কাছে
হাসপাতাল থাকা নিশ্চিত করার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপুত্র মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে অতএব সম্মানিত সংসদ সদস্যের উত্থাপিত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ বিষয়ে সরকারের কার্যক্রম চলমান রয়েছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় সদস্য রাশেদা বেগম হীরা আপনি এ বিষয়ে
একটি প্রশ্ন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার সরকারের বৃহৎ পদক্ষেপ গুলি বেশিরভাগই আমরা দেখতে পেয়েছি পোস্ট আর্ট ওয়ার্কের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু আমার সংযোজিত সুপারিশ গুলি ছিল প্রি আর্ট ওয়ার্ক সম্পর্কিত এখন আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে কিছু লং টার্ম প্রিকুশন সম্পর্কে ছোট্ট করে কিছু বলতে চাই আমাদের দেশটি ইন্ডিয়ান ইউরেশিয়ান এবং বার্মা প্লেট নামক তিনটি টেকনোটিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত বলে
আমরা একটু বেশি মাত্রা ঝুঁকিতে আছি। এই প্লেটগুলি যথেষ্ট একটিভ। তাই যেকোনো সময় 4.6 মাত্রার ভূমিকম্পে এদের শক্তি যদি নির্গত হয় তাহলে আমাদের প্রাণহানি হতে পারে 2 লক্ষের বেশি। কারণ আমাদের অবকাঠামো বড় মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় নয়। 2025 সালে 62, 2024 সালে ছোট ছোট 54 টি ভূমিকম্প আমাদের আগাম বড় ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা বলে বিশ্লেষকরা মনে করে। আমাদের পুরা দেশে কম বেশি ঝুঁকিপূর্ণ
হলো পুরা দেশ। কিন্তু 15 টি এলাকার ঢাকার ভয়ঙ্কর ঝুঁকিতে রয়েছে। যেমন সবুজবাগ, কামরাঙ্গী চর, হাজারীবাগ, কাফরুল, ইব্রাহিমপুর, পল্লবী, খিলগাঁও, কল্যাণপুর, গাবতলী, শ্যামপুর, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, সুত্রাপুর, মানিকদী প্রভৃতি এলাকা। এসব তথ্য বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা প্লাটফর্ম সাইন্স ডাইরেক্টিভের গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জিআইএস ডাটাবেসের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।
মাননীয় স্পিকার, যেহেতু বিশ্লেষকরা মনে করে আমাদের ভূমিকম্পের বেশিরভাগ উৎস ঢাকার পূর্বপ্রান্তে, তাই ঢাকার পশ্চিম প্রান্তকে টার্গেট করে মহানগরীকে বিকন্দকরণের কাজটি একটি লং টার্ম
হিসেবে শুরু করা যেতে পারে। ফলে ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত রিকভারি করা সম্ভব। আমরা মাননীয় মন্ত্রী সংবেদনশীল আন্তরিক উদ্যোগের কথা জানতে পেরেছি আস্বস্ত হয়েছি। এর সাথে আমার উল্লেখিত প্রি আর্কোয়ার্ড লং টার্ম প্রিকোয়েশন গুলো প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে বিশ্বাস করেছি। মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে প্রার্থনা তিনি যেন আমাদের দেশকে দেশের মানুষকে এ ধরনের কঠিন বিপদ থেকে হেফাজত করেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ।
প্রশ্ন কোনটা হলো আমি বুঝলাম না তারপর মাননীয় মন্ত্রী জবাব দিতে পারেন উনি সাজেশন দিয়েছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ আপনার আপনি নিজেই তো আমাকে বলে দিছেন আপনি উত্তর দিয়ে দিয়েছেন আমি আপনার প্রশ্নে এইটাই বলতে চাই এই যে প্লেটের কথা বললেন এই প্লেটের ব্যাপারে আমরা
অবগত এবং মাসখানেক আগে আমরা এই ফল্ট ফল্টার উপরে কি করা যায় তা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটা মিটিং করেছি। সেইখানে একটা ডিসিশন হয়েছে যে আমরা প্লেট বরাবর যে এলাকা আছে সেইটা কোন জায়গাটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলি একটা আমরা ইয়ারমার্ক করবো। সো সেখানে প্রিকশনের মেজারটা বেশি নেওয়া যায়। আর ভূমিকম্পের উপরে আমরা বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা করছি এবং
এই উদ্ধার কার্যক্রম এবং সেখান থেকে যত কম ক্ষতি ক্ষতিতে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি তার ব্যবস্থা গুলি আমরা নিচ্ছি আমরা কিন্তু সবগুলো ব্যবস্থা নিয়ে নিতে পারি নাই কিন্তু সেই দিকে আমাদের কার্যক্রম চলছে ইন শা আল্লাহ খুব তাড়াতাড়ি আমরা কিছু দর্শনীয় কিছু হয়তো বলতে পারবো আপনাদের কাছে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ এখন আমি মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম চাপায়
নবাবগঞ্জ তিন আসন থেকে নির্বাচিত সদস্যকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার উত্থাপনীয় উত্থাপনীয় বিষয় হচ্ছে দেশব্যাপী ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং সমন্বিত মসক নিধান কার্যক্রম জোরদার প্রসঙ্গে
বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার সাথে সাথেই দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী 2026 সালের 11 ই জুলাই পর্যন্ত দেশে 7963 জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং 24 জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিনই নতুন আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে যা দেশের জনস্বার্থের জন্য জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা ও আদ্রতার অনুকূল পরিবেশ, অপর্যাপ্ত মশক নিধান কার্যক্রম, জমে থাকা পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার এবং সমন্বিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি আরো অবনতির আশঙ্কা রয়েছে। ডেঙ্গু বর্তমানে শুধু রাজধানী কেন্দ্রিক নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। অনেক
সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং কোথাও কোথাও সজ্জা পরীক্ষার সুবিধা প্লাটিলের প্রয়োজনীয় ওষুধ চিকিৎসা সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষিত জনবলের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। মাননীয় স্পিকার সম্প্রতি দেশে হামের প্রাদুর্ভাবে 738 জনের মৃত্যুর ঘটনা জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতি রোগ নজরদারি ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের
সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য কোন ইতিবাচক বার্তা বহন করে না একটি সংক্রামক রোগের ক্ষেত্রে সময়মতো কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার মূল্য যেমন দেশকে দেশের জনগণকে দিতে হয়েছে তেমনি টেঙ্গুর ক্ষেত্রে আগাম ও সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিতে পারে মাননীয় স্পিকার এমতাবস্থায়
অবস্থায় জনস্বার্থে আমি কিছু বিষয় মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের বর্তমান প্রস্তুতি ও কর্ম পরিকল্পনা কি? সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সমূহের সমন্বিত মসক নিধান কার্যক্রম আরো কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করার পরিকল্পনা কি? সরকারি হাসপাতালগুলোতে
সজ্জা, আইসিইউ, ডেঙ্গু পরীক্ষা, প্লাটিলেট, ঔষধ, চিকিৎসা সরঞ্জাম এবং চিকিৎসক নার্সের পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ কি?
নেওয়া হয়েছে। উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ডেঙ্গু রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা কি? উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি সহ বিশেষ নজরদারি নিয়মিত লার্ভা ধ্বংস অভিযান এবং এডিস মশার প্রজনন স্থল নির্মূলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি বেসরকারি অফিস, নির্মাণাধীন ভবন
ও আবাসিক এলাকায় সমন্বিত পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নের কি উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে পাশাপাশি হামের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে ডেঙ্গু সহ যেকোনো সংক্রামক রোগ মোকাবেলায় একটা সমন্বিত জাতীয় জনস্বাস্থ্য প্রস্তুতি ও জরুরী প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কি মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর কাছ থেকে
মন্ত্রীকে বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সর্দার মোঃ সাকাওয়াত হোসেন কে এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী জনাব স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে সাম্প্রতিক জন
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত একটি বিষয়ে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য। মাননীয় স্পিকার, একটু প্রাসঙ্গিকতার বাইরে একটি কথা বলতে চাই। মাননীয় সংসদ সদস্য যে নোটিশটি দিয়েছেন আপনার হাতে আছে সংসদ কার্যালয়ে আছে আমার হাতে আছে। কিন্তু উনি যে প্রশ্নটা উত্থাপন করলেন নোটিসটি তার চার ভাগের সাড়ে তিন ভাগ বাইরে থেকে বলেছেন এই সব এই প্রশ্নের
সাথে কোনো সম্পর্ক নেই। নতুন নতুন তথ্য বলেছেন যেটা আমি উত্তর দিতে পারবো আলহামদুলিল্লাহ। তবে আমার মনে এটা রেওয়াজের বাইরে, রীতির বাইরে। যাক মাননীয় স্পিকার, তবু আমি বলে যাচ্ছি আশা করি মাননীয় সংসদ সদস্য সকল উত্তর পাবেন। প্রথম দুইটি লাইনের দ্বিতীয় লাইনে উনি লিখেছেন 2026 সালের শুরু থেকে 9 জুলাই পর্যন্ত এই ছয় মাসে আমাদের 6,175 জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয় যার মধ্যে 22 জনের মৃত্যু হয়।
মাননীয় স্পিকার, 2025 এর জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত গত বছর রোগীর সংখ্যা ছিল 15,210 মারা গিয়ে ছিল 58 একই সময়ে মাননীয় স্পিকার এইবার জানুয়ারি টু জুন আক্রান্ত হয়ে 8978 জন মারা গিয়ে 28 জন তার মানে গত বছরের তুলনা অর্ধেকের চেয়ে কম কিন্তু এই জন্য আমি কোন সাবাস নিতে
চাইনা যেহেতু মানুষ এখন আক্রান্ত তবে এটুকু বলতে চাই ডেঙ্গু রোগকে মোকাবেলা করার জন্য মাননীয় স্পিকার গত দুই মাস আগ থেকে আমরা সারা বাংলাদেশব্যাপী আমাদের সিভিল সার্জন বিভাগীয় পরিচালক জেলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সহ আমরা পরিচ্ছন্ন অভিযান প্রতিশোধ নিবার চালিয়ে আসতেছি সকল ড্রেন গুলি গিয়ে পরিষ্কার করা হয়েছে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ঢাকা সিটি
নর্থ, ঢাকা, সাউথ, সাউথ এবং বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মিউনিসিপালিটি এবং সিটি কর্পোরেশন একইভাবে মশা ফ্লাইং এডাল্ট মশাকে মারার জন্য স্প্রে করে যাচ্ছে এবং লার্ভাকে মারার জন্য একজাতীয় ট্যাবলেট ব্যবহার করা হচ্ছে। সেই কারণে মাননীয় স্পিকার মশার উপদ্রব এবং ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কিছুটা কমে এসেছে। তো মাননীয় স্পিকার একটি কথা এই ব্যাপারে সবাইকে বলতে চাই মস্কুলি
ইট ইজ ভেরি স্মল ইনসেক্ট। আমাদের মতন একটা ঘন বসতিপূর্ণ দেশে, বৃষ্টি বাদলের দেশে, যত তত পানি জমে থাকে, মানুষের ছাদের উপরে টবে পানি জমিয়ে রাখে, আমরা যদি লোক পাঠাই পরীক্ষা করার জন্য মহিলারা বাড়িতে ঢুকতে দেন না, মোবাইল কোড গেলে গালিগালাজ করেন, ঢুকতে দেন না, নিরাপত্তার অভাব ফিল করেন, অনেক প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও মাননীয় স্পিকার, আমাদের সরকার আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমরা এই ব্যাপারে
সজাগ দৃষ্টি রাখতেছি এবং আমরা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রাখার জন্য প্রতিনিয়ত আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি আমরা স্প্রে করে যাচ্ছি আমরা লারবার ট্যাবলেট সিটিয়ে যাচ্ছি মাননীয় স্পিকার এবং দেশব্যাপী মানুষকে মশারি টানিয়ে ঘুমানোর জন্য ফুল হাতা শার্ট পড়ার জন্য পাজামা পড়ার জন্য বা লুঙ্গি লম্বা করে পড়ার জন্য আমরা মানুষকে এ্যাওয়ারনেস বৃদ্ধি করতেছি উনি ছয়টি বিষয়ে নির্দিষ্টকৃত উত্তর চাচ্ছেন এক নাম্বার দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ
আমি এরই মধ্যে বলেছি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি আরো বলতে চাই, ডেঙ্গু টেস্ট করার রি এজেন্ট স্মরণাতীত কালের স্টক আমাদের হাতে আছে যেটা বিগত সময়ে
কোনো সরকার তাদের হাতে রাখতে পারে নাই। আমরা টেস্ট করার জন্য সেই কিটের ব্যবস্থা আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে মার্ট লেভেলে দিয়েছি এবং আমাদের সেন্ট্রাল গোডাউনে আমাদের স্টক আছে। মাননীয় স্পিকার, ডেঙ্গুকে মোকাবেলা করার জন্য আমরা সকল সরকারি হাসপাতালে আগত রোগীদের ডেঙ্গু এনএসওয়ান পরীক্ষা বিনামূল্যে এবং ওয়ান জিজি এবং ওয়ান জিএম পরীক্ষা 300 টাকা থেকে কমিয়ে 50 টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে এই বছর মাননীয় স্পিকার। পরীক্ষার জন্য
কেন্দ্রীয় ওষুধ সংরক্ষণাগারে সিটিসি আজ পর্যন্ত আর ডিটি টেস্ট কিটের মজুদ আছে 106600 আগামী এক মাসের মধ্যে আরো প্রায় 500000 কিট আমাদের স্টকে যোগ হবে মাননীয় স্পিকার ডেঙ্গু রোগ সংক্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় কিট রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাগ ওষুধ সংরক্ষণের 100000 স্যালাইন ব্যাগ আমরা এক্সট্রা মজুদ রেখেছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটি উপজেলা লেভেলে আমরা পর্যাপ্ত
পরিমাণে স্যালাইন সরবরাহ করে রেখেছি এবং আমাদের হাতে অনেক স্যালাইন আরো পর্যাপ্ত পরিমাণে যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো পরিমাণ স্যালাইনের প্রয়োজন হলে আমরা সরবরাহ করার সক্ষমতা রাখি। আমাদের স্যালাইন এবং কিটের অভাবে কোন রোগীর কোন অসুবিধা হবে না। রোগীদের হাসপাতালে ভর্তির ব্যাপারে প্রশ্ন করেছেন। মাননীয় স্পিকার আমরা প্রত্যেকটা হাসপাতালকে প্রস্তুত রেখেছি। যেকোনো সময় যেকোনো পরিমাণ রোগী আসলে
আমরা মোবাইল হসপিটাল ও আমরা তৈরি করে রেখেছি এবং আমাদের সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যদি ভয়াবহ আকারে ডেঙ্গু দেখা দেয় সেখানে আমরা রোগীদেরকে সংকুলান করে ডাক্তার প্রস্তুত করে রেখেছি নার্স প্রস্তুত রেখেছি যাতে করে সকল রোগীদের সেবা প্রদান করা যায় উপজেলা লেভেল পর্যন্ত মাননীয় স্পিকার আমরা সেগুলি করেছি আইসিও পরীক্ষা নির্দিষ্ট ওষুধ চিকিৎসক নার্সের সার্বিক ব্যবস্থা আমরা গ্রহণ করে রেখেছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার
ভিতরে যদি ডেঙ্গু রোগীদের জন্য কোনো রকম শ্বাসকষ্টের কারণ দেখা দেয় আমরা আমাদের ভেন্টিলেটর এবং আইসিইউ পর্যন্ত প্রস্তুত রেখেছি যাতে করে আমাদের কোন রোগী বিনা চিকিৎসা অবহেলায় যেন মৃত্যুর কোলে ঢলে না পড়ে আমাদের সরকার আমরা সেই ব্যবস্থা আল্লাহর রহমতে আমরা করতে সক্ষম হয়েছি আমরা করেছি সারা দেড় বেপি লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে আজকে আমরা জুমে মিটিং করেছি মাননীয় স্পিকার সারা বাংলাদেশের সকল সিভিল সার্জনের সাথে কোথাও যেন
উপদ্রুত এলাকা সহ কোথাও যেন একটা রোগী ডেঙ্গু রোগী অবহেলায় পতিত না হয় যদি কারো আক্রমণ হয় সাথে সাথে যেন আমাদের হসপিটালে স্থানান্তর করা হয় এভাবে মাননীয় স্পিকার আমরা সার্বিকভাবে সারা বাংলাদেশব্যাপী ডেঙ্গুর ব্যাপারে অত্যন্ত সচেতন পরিকল্পনা গ্রহণ করে সামনের দিকে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রখর দৃষ্টির অধীনে এবং উনার সুপরামর্শে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আশা করি সকল মাননীয় সংসদ সদস্য সকল
আপনারা যার যার নিজনিজ এলাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান টা চালিয়ে যাবেন যাতে করে আমাদের 18 কোটি মানুষের নিরাপত্তা প্রহরী হয়ে আমরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারি আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী যে সুন্দরভাবে বলেন শুনতে ইচ্ছে হয় মাননীয় সদস্য আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে প্রশ্ন করবেন দয়া করে
একটা ট্রেন চালু হয়ে গেছে আমরা এডভাইস দেই বা স্টেটমেন্ট দেই প্লিজ আস্ক ইউর কোশ্চেন ইফ এনি থ্যাঙ্ক ইউ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনি বলেছেন যে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী খুব সুন্দর করে বলেন আমরা এখানে কনভিন্স হই কিন্তু বাস্তব অবস্থাটা আসলে এটা বক্তব্যের সাথে বাস্তবতা এটা কোনভাবেই স্বাভাবিক নয় এটি হচ্ছে মূল বিষয় কারণ আইসিইউ তো একটা
সদর হসপিটালে আইসিইউ নাই। তাহলে উপজেলায় কোথায় যাবে? আমি বলেছি যে ইউনিয়ন পর্যন্ত এই সেবা মানে পৌঁছে দেওয়ার উপায় কি? এর কোন উত্তর এখানে আসে নাই। এরকম বহু বিষয় আছে। যাই হোক এরপরও আমরা যেহেতু হামে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি ব্যাপকভাবে 738 জন মানুষ ছোট ছোট বাচ্চা মারা গিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবে ডেঙ্গু নিয়ে আমাদের উদ্বেগ আছে। সুতরাং মাননীয় মন্ত্রীকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে উনি তার পদক্ষেপের কথা বলেছেন। এগুলোকে নিশ্চিত করার জন্য আমি
আহ্বান জানাচ্ছি। আমি একটা ছোট্ট বিষয়ে অবতারণা করি। তারপর আমার প্রশ্ন করবো মাননীয় স্পিকার। আমাকে এই সুযোগটা দিতে হবে। গতকালকে কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আমাদের সংসদের সামনে পুলিশের নির্দয় লাঠিচার্জের ব্যাপারে মাননীয় সদস্য আমার কাছে মনে হচ্ছে উই আর মানে অন্যদিকে যাচ্ছি। আপনি দয়া করে এটা অন্য বিষয় আনবেন এখন প্রশ্নটা করুন। আমি একদম বলে ফেলেছি। বলে
আপনি এটার মধ্যে থাকেন, আমাদের কার্যপ্রণালী বিধির মধ্যে আমরা থাকি দয়া করে। ইউ হ্যাভ টাইম টু আস্ক দ্যাট কোশ্চেন। আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে কোশ্চেন করেন, এটা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুরিসডিকশনের বাইরে এখন যা বলবেন।
উনাকে কোশ্চেন করেন প্লিজ থ্যাংক ইউ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ তাহলে আমাকে একটু সুযোগ পরে দেবেন আমি সেই প্রত্যাশায় থাকলাম। নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকার কারণে আমাদের চাপাই নবাবগঞ্জ পৌরসভা উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহ সারা দেশে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকার কারণে সমন্বিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান
সহ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য এবং জলবদ্ধতা নিরসনের জন্য যে পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত এটা খুবই একটা বেহাল অবস্থার মধ্যে গোটা দেশ রয়েছে। আমার চাপাই নবাবগঞ্জে আমরা দেখছি যে সদর হাসপাতালের শূন্য পদ সহ সারাদেশের ডাক্তার এবং স্বার্থ স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্য পদ পূরণের জন্য অতি দ্রুত কোন পদক্ষেপ যদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গ্রহণ
না করেন তাহলে যতগুলো বক্তব্য আসলো এগুলো বাস্তবায়ন অসম্ভব চাপাইরামপুর সদর হাসপাতালের শিশুবিশেষজ্ঞ নেই বর্তমান সময়ে সার্জারি ডক্টর নেই মেডিসিন ডক্টর নেই সুতরাং এই শূন্যপদ সহ সারাদেশের শূন্যপদ কত দ্রুত পূরণ করা হবে সে বিষয়গুলো আমি জানতে চাই পাশাপাশি বেসরকারি হসপিটাল গুলোকে যদি ডেঙ্গু রোগ ব্যাপকভাবে বিস্তৃতির অর্জন বিস্তৃতির দিকে যায় তাহলে
হসপিটালগুলোকে ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের জন্য সহজ উপায় বা সরকারি হসপিটাল মতো করে কোন নির্দেশনা দেয়া হবে কিনা প্রশ্ন করেন প্লিজ। স্পিকার বেসরকারি হসপিটাল গুলোকে ডেঙ্গু রোগ শনাক্তের জন্য কোন বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হবে কিনা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ জি আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় চিফুই প্রশ্নের উত্তরটা পরে আপনাকে দেই মাইক মোর রিলিভেন্ট হবে মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী
মন্ত্রী ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, উনি ডেঙ্গুর সাথে রিলেট করে ডাক্তার বা নার্সের অপ্রতুলতার কথা বলেছেন। আমরা আমাদের সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা কর্মচারী ভিতর থেকে প্রত্যেকটি উপজেলায় প্রতিনিয়ত আমরা ডাক্তার নার্স চেলে চেলে দিয়ে যাচ্ছি মাননীয় স্পিকার। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে মাননীয় সংসদ সদস্যগণ নিজ নিজ এলাকার হসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান উনারও কিছু দায়িত্ব আছে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করার।
মাননীয় স্পিকার 18 কোটি মানুষের দেশ একে অন্যকে যদি ব্লেম গেম করি আমাদের স্বার্থকতা আসবে না ফসল ঘরে আনতে পারবো না প্রত্যেকেরই কিছু কিছু দায়িত্ব নিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার জন্য নিজেদেরকে নিয়োজিত করতে হবে উনি ইউনিয়ন লেভেল আইসিওর কথা বলেছেন আমি একবার বলিনি আমার বক্তব্যে যে আমি উপজেলা লেভেলে আইসিওর কথা বলে আইসিওর ব্যবস্থা করবো আমাদের জেলার লেভেলে যতটুকুন আইসিওর ব্যবস্থা আছে সেই জেলাগুলিতে আমরা এর মধ্যে 12 টি জেলায় আমরা আইসিও
10 টি ভেট করে আমরা চালু করেছি। আরো পাঁচটি জেলায় আগামী 15 দিনের ভিতরে চালু হবে। এরপরে যদি আইসিউ প্রয়োজন পরে আমাদের প্রত্যেকটা বড় বড় হাসপাতালে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইসিউর ব্যবস্থা এরই মধ্যে আমরা করেছি। সেই গুলিতে রোগীদের স্থানান্তর করা হবে। বেসরকারি হাসপাতাল গুলির কথা বলেছেন মাননীয় সংসদ সদস্যের জ্ঞাতার্থে আপনার মাধ্যমে জানতে চাই শুধু আজকে নয় মাননীয় স্পিকার আজকে থেকে দেড় মাস আগে আমরা এতই সচেতন ছিলাম এই ব্যাপারে দেড় মাস আগে প্রাইভেট
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মালিকদেরকে ডেকে আমরা তাদেরকে বলেছি ডেঙ্গু দেখা দিলে 10% বেড তাদের খালি রেখে ডেঙ্গু রোগীদের সেবা প্রদান করতে হবে এবং যে রেটে সরকার এন্টিজেন ব্যবহার করে একই রেটে ডেঙ্গু রোগীদের পরীক্ষা করতে হবে এর বাইরে তারা কোন টাকা নিতে পারবেন না এবং সকল হাসপাতাল মালিকরা সেই ব্যাপারে আমাদেরকে সম্মতি প্রদান করেছেন সুতরাং মাননীয় সংসদ সদস্য গাছ সুস্থ করি বেসরকারি হাসপাতালগুলিকে হাসপাতালগুলো সরকারি হাসপাতাল
সাথে তাল মিলিয়ে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা সভা চালিয়ে যাবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় স্পিকার আমি বিনয়ের সাথে মাননীয় সকল সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই সেটা হলো আপনারা সবাই জানেন যে আজকে 15 তারিখে আমরা নির্ধারিত ডেট আছে আমরা পার্লামেন্ট প্রোডাক্ট করবো ইনশাল্লাহ তো সেই কারণে আমাদের সকল বিজনেস যা আছে তা আসরের পূর্বে আমরা শেষ করবো
আসরের নামাজের বাদে মাননীয় বিরোধী নেতা এবং মাননীয় সংসদ নেতা বক্তব্য রাখবেন কাজেই আমরা যদি দীর্ঘ বক্তব্য রাখি তাহলে এই কাজ আমরা আসরের আগে কোনটাই শেষ করতে পারবো না আমি খুব বিনয় সহিত অনুরোধ করছি বিগত দিনে সবসময় করেছেন আজকে আপনারা দয়া করে সংক্ষিপ্ত করে যাতে আমরা আসরের পূর্বে সকল বিজনেস শেষ করতে পারি দয়া করে সেই সহযোগিতা করুন অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইভ আমি এখন মাননীয় সদস্য শিরিন সুলতানা মহিলা আসর নম্বর
দুই কে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী আমি নিম্নতম অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় নকল ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় ও সংরক্ষণ বন্ধ করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় জরুরী কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে আমি মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আজ এমন একটি বিষয় নিয়ে আমি কথা বলতে দাঁড়িয়ে ছি এটি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবন স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। একজন অসুস্থ মানুষ যখন একটি ওষুধ কিনে তখন তিনি তার সেই পণ্যটি কেনেন এবং তিনি নিজের জীবন রক্ষার জন্য এবং তিনি সেটাকে নিজের শেষ আশ্রয় হিসেবে মনে করেন। অথচ সে ওষুধ যদি নকল ভেজাল এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ বা নির্মমানের হয় সেটি সেটি আর ওষুধ নয়। সেটি জীবন মানুষের জীবন স্বাস্থ্য বিশ্বাসের সঙ্গে নির্মম প্রতারণা। এর ফলে চিকিৎসা ব্যবস্থা ব্যহত হয়। রোগ জটিল আকার ধারণ করতে
পারে এবং অনেক ক্ষেত্রে নিরাপদ মানুষকে জীবন দিয়ে এর মূল্য দিতে হয়। মাননীয় স্পিকার দেশের বিভিন্ন স্থানে ফার্মেসি এবং ওষুধ বিক্রয় কেন্দ্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ নকল ভেজাল নিবন্ধন বিন এবং নিম্নমানের ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির অভিযোগ উদ্যোগ জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সব ওষুধ মানুষের জীবন ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক নীরব কিন্তু ভয়াবহ হুমকিতে পরিণত হয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ বা নকল ওষুধ সেবনের ফলে রোগীর কাঙ্খিত চিকিৎসা ব্যহত হয়, রোগ নিরাপদে বিলম্বিত হয়।
মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে এমন এবং অনেক ক্ষেত্রে রোগীর জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ে একই সঙ্গে মেয়াদিৎসীর্ণ ওষুধ পুনরায় বাজারজাতকরণ অবৈধভাবে বিক্রির প্রবণতা দেশের ওষুধ ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মক ভাবে ক্ষুণ্য করছে যদিও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর নিয়মিত বাজার তদারকি ও ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে থাকে তবুও বাস্তবে বেয়াদুৎসীর্ণ মাননীয় সদস্য সবার কাছে দেয়া আছে যেহেতু আমরা এটা পঠিত বলে গণবক্তা
করি একটু আগে মাননীয় চিফ হুইপ যে কথাটা বললেন তো একটা একটু বেশি আমি একটু খালি বলতে চাই সেটা হচ্ছে আপনি বললে পুরোটা বলতে পারেন বাট পঠিত বলে গণ্য করা হলো। প্রশ্ন করবো যদি আমি কি আমার মনে কি আমাদের মাননীয় মন্ত্রী কি উত্তর দিবেন কিনা যদি উত্তর না দেন তাহলে আমি এখনই প্রশ্ন করবো। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখি দেখি উনি কি বলেন দয়া করে বসুন ধন্যবাদ আপনাকে। আমি আরেকটু সংক্ষিপ্ত করে যেটা বলতে চাই যেটা আমার কাছে বেশি মনে হয়েছে যে এন্টিবায়োটিকের অবাধ বিক্রয়
দেশের বিভিন্ন পাড়া-মহলের ফার্মেসি এবং অনেক প্রতিষ্ঠিত ওষুধের দোকানে চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এন্টিবায়োটিক বিক্রয় করা হচ্ছে যা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। দেখা যায় অনেক রোগী চিকিৎসকের পরামর্শ না নিয়েই ফার্মেসির বিক্রয় কর্মীর পরামর্শে এন্টিবায়োটিক কিনে সেবন করে থাকেন। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগী নির্ধারিত পূর্ণ কোর্স সম্পন্ন করেন না। ফলে এর পরে শরীরের জীবাণু সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস না হয়ে এন্টিবায়োটিক পত্রিকায় এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স হয়ে ওঠে। এসময়
একসময় প্রচলিত এন্টিবায়োটিক আর কার্যকর থাকে না এবং সাধারণ সংক্রমণ প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স সর্বশেষ প্যারাটা পড়েন দয়া করে। এটাই একটু গুরুত্বপূর্ণ এটাই গুরুত্বপূর্ণ যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স কে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সেক্ষেত্রে আমি বলতে চাই যে আমাদের দেশে যেভাবে ফার্মেসি গুলোতে আপনার কোন রকম প্রেসক্রিপশন ছাড়া এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে থাকে সেটা যদি আমি গত কয়েকদিন আগে একটা ফেসবুক
দেখেছি যে একজন বাচ্চা ইতিমধ্যে এন্টি মানে এন্টিবায়োটিক প্রতিরোধ হয়ে উঠছে তার কোন ওষুধ কার্যকর হচ্ছে না। এই ব্যবস্থা যদি বাংলাদেশে প্রচলিত থাকে তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিরাট হুমকি স্বরূপ। সেজন্য মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন যে আমরা এই এন্টিবায়োটিক মানে বিক্রয় ক্ষেত্রে আমরা কোন পদক্ষেপ নিতে পারি কিনা যাতে বিনা প্রেসক্রিপশনে কেউ এন্টিবায়োটিক ওষুধ কিনতে না পারে এবং এর ব্যাপারে আমাদের কোন সরকারের কোন পরিকল্পনা আছে কিনা এটা আমি জানতে চাচ্ছি।
জি অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাকাউত হোসেনকে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে বিষয়টি উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্পিকার আমি খুব সংক্ষিপ্ত করতে চাচ্ছি উনি যে বিষয়গুলির প্রতি আমাদের
দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এর প্রতিটা জিনিস প্রতিরোধে আমাদের দেশে বিদ্যমান আইন রয়েছে। সময় সময় আইনের অধীনে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। নকল ওষুধ প্রস্তুত কারক এরই মধ্যে আমরা আমরা এই দায়িত্ব নেওয়ার পরে আট-১০ টা আয়ুর্বেদিক এবং ইউনিয়নে ওষুধ প্রস্তুত কারক কোম্পানিতে হানা দিয়ে নকল ওষুধ বানানোর কারখানা আবিষ্কার করে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে জরিমানা করা হয়েছে এবং এটা চলমান আছে।
নকল ওষুধ বিক্রেতা বিক্রি বন্ধ করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রত্যেকটা উপজেলা লেভেলে বা শহরে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটগণ মোবাইল টিম গঠন করে ওষুধের দোকানে যাচ্ছে নকল ওষুধ পেয়ে তাদেরকে
কাউকে গ্রেফতার করতেছেন, কাউকে বড় আকারে কাউকে মাঝারি আকারে জরিমানা আদায় করতেছেন, আমাদের দেশে আইন রয়েছে 10 বছর পর্যন্ত সাজা দেওয়া যাচ্ছে, এন্টিবায়োটিকের ব্যাপারে যেটা উনি বলেছেন অত্যন্ত সত্য কথা এন্টিবায়োটিকের মানে যত্র তত্র ব্যবহারে যেকোনো ভাবে ব্যবহারে আমাদের মানুষদের ক্ষতি হচ্ছে সেইটার বিরুদ্ধে যাতে করে এন্টিবায়োটিক উইথ আউট প্রেসক্রিপশন যাতে ডিসপেনসারি গুলি বিক্রি না করে সেইটার আইন রয়েছে সেইটা চলমান
তদন্তের ভিতরে আছে চলমান মোবাইল টিমের নজরের ভিতরে আছে আমরা সার্বিক যে জিনিসগুলি উনি এনেছেন আমরা জনস্বার্থে আমাদের সরকার আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পরে আমরা কাজ শুরু করেছি আরো কঠিন ভাবে আমরা কাজ শুরু করে এই সকল বিষয়গুলি যা উনি অবতরণ করেছেন আমরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করব ইনশাল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য যদি প্রশ্ন থাকে দয়া করে প্রশ্ন করুন প্লিজ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেহেতু এখন বক্তব্য রাখবেন সেজন্য আমি আমার সম্পর্ক প্রশ্ন আর রাখছি না আপনাকে ধন্যবাদ দ্যাট ইজ ভেরি কাইন্ড অফ ইউ থ্যাঙ্ক ইউ
দিনের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়ন কার্যবলী মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়নের কার্যবলী শুরু হচ্ছে আমি এখন এক উপবিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতাবলী বিধি স্থগিত
ক্ষমতা প্রয়োগ করে স্বল্পতর মেয়াদে নোটিসের সংসদ কার্যপদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ কে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দ্রুত তরান্তি করিবার লক্ষ্যে দেশী বা বিদেশী বিনিয়োগকারীগণকে আকৃষ্ট শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগকারীদেরকে
দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎ সংশ্লিষ্ট কতিপয় আইন রহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা সমূহের উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়ন কল্পে আনিত একটি বিল ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 উত্থাপনের জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। আপনি বিলটি উত্থাপন করুন। কি? আপত্তি? আমরা একজনকে নিতে পারি। কে? আপনারা দুইজনের মধ্যে ঠিক করেন। মিস্টার নাজিবুর রহমান। জ্বি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, এই আইনটা যেভাবে আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন আমরা দেখছি এই আইনের মাধ্যমে
ছয়টি পূর্ববর্তী আইনকে রোহিত করা হচ্ছে একই সাথে দুইটা প্রতিষ্ঠানকে বিলুপ্ত করা হচ্ছে আমরা একটু দেখেছি আজকে এটা দেয়া হয়েছে আপনি তিন দিনের বিষয়টা কন্ঠন করেছেন কিন্তু বিষয়টা হল মাননীয় স্পিকার আমরা দেখলাম 9 জুলাই এই আইনটি মন্ত্রীসভায় পাস হয়ে আজকে 15 জুলাই ছয়টা দিন চলে গেল এর মধ্যে আমাদেরকে এই তিন দিনের যে নোটিসটা দেওয়ার কথা ছিল ডকুমেন্ট গুলো দেওয়ার কথা ছিল
দেওয়া হলো না কেনো তার কোনো জাস্টিফিকেশন কিন্তু পেলাম না। চারটা আইন রোহিত করা হয়েছে। এই চারটা আইনের সাথে এই আইনের যে পার্থক্যের যে টেবিলটা এটাও দেওয়া হয়নি। তারপরে এই আইনটা আজকে দেখছি অবিলম্বে পাস করার একটা কার্যসূচি রয়েছে। এটা কমিটিতে না দিয়ে সরাসরি পাস করার এতো তাড়াহুড়া কি জন্য তার কিন্তু কোনো জাস্টিফিকেশন আমরা দেখছি না। এটা যেহেতু একটা অতো বড় বিষয় চারটা আইন রোহিত করার বিষয় রয়েছে দুইটা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করার বিষয় রয়েছে আমি আপনার কাছে
অনুরোধ করবো, আপনার মাধ্যমে সরকার মাননীয় মন্ত্রীর কাছে দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রীর কাছে যেটা অনুরোধ থাকবে এটাকে আইন সংক্রান্ত যে স্থায়ী কমিটি রয়েছে সেখানে প্রেরণ করা হোক এটাকে যাচাই
চাই বাছাই করবো পরবর্তীতে আমরা পাশ করি এতো তাড়াহুড়ার কোনো দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। এরকম ঘটনা আরো আগে হয়েছে আপনার দৃষ্টি আমরা আকর্ষণ করেছি। আমরা দেখছি না কোন ব্যর্থয় হচ্ছে অত্যন্ত তাড়াহুড়া করে আইনগুলো পাশ করা হচ্ছে। এটার ভিতরে কি ভুলভ্রান্তি আছে এটার ভিতরে তাড়াহুড়া করার কি হেতু অন্য কোনো স্বার্থ জড়িত আছে কিনা সেগুলো আমরা বুঝছি না। এজন্য আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বিষয়টা যেন সিরিয়াসলি দেখা হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মাননীয় মন্ত্রী আপনি এই ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে পারেন। ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এপ্রিশিয়েট করি মাননীয় সদস্য জন নাজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান যা উত্থাপন করেছেন সে বিষয়টি। এটা কোনো হার্ড এন্ড ফাস্ট রুল নয়। যে রুলস অফ প্রসিডিউর অনুসারে স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করতে হবে। এটা একটা ট্রেডিশন। সেভেন পার্লামেন্ট থেকে এটা শুরু হয়ে যেকোনো বিল আসলে সংশ্লিষ্ট স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা। এখন এই সংক্রান্ত এই বিলটা উনার
অনুসারে যে চারটা আইনের বিলুপ্তির বিষয় উত্থাপন করে তিনি যা বললেন সঠিক এটা কোন নতুন আইন নয় আমরা কয়েকদিন আগে যে আইনটা এখানে অনুমোদন করেছি উনারা সহযোগিতা করেছেন যেমন মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন সেটা ছিল একটা সংশোধনী বিল সেখানে কম্পারেটিভ স্টেটমেন্ট আমরা দিয়েছি কোন ধারাটা কি সংশোধনে আনা হচ্ছে কেন হচ্ছে যুক্তিকতা সহ আগেই দেয়া হয়েছে এইটা
বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের সৃষ্টি হয়েছে স্টেটুটরি কর্তৃপক্ষের সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন আইনের মধ্যে কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি হয়েছে উদ্দেশ্য এবং কারণ সম্বলিত প্যারাতে সেটা বলা আছে যার ফলে ওভার ল্যাপিং হচ্ছে ফাংশনে ওয়ান উইন্ডোতে আমরা সার্ভিস পাচ্ছি না এখানে যেটা ওয়ান সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্ম গঠনের কথা এখানে বলা হয়েছে আপনি
এর মধ্যে দেখবেন আমি ভিতরে আপনাকে দেখাচ্ছি। শুধু সেই সার্ভিসটা এনসিওর করার জন্য সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্মের মাধ্যমে যাতে আমরা সেবা নিশ্চিত করতে পারি সেই জন্য এই বিভিন্ন কর্তৃপক্ষগুলো একই উদ্দেশ্যে যেগুলো করা হয়ে সেগুলো জাস্ট মার্জার করা হচ্ছে একটা কর্তৃপক্ষের মধ্যে এটা নতুন কোন আইন নয় তো সেই ক্ষেত্রে কম্পারেটিভ স্টেটমেন্ট দেয়া এটা খুব একটা জরুরী বলে মনে করি না। মাননীয় সদস্য যেটা বলেছেন যে আমরা
করতে পারি নাই ঠিক কিন্তু আমাদের এখানে যে কাগজটা আছে আমরা অর্থবিল হিসেবে এটা যেহেতু বিল এখানে এনেছি মাননীয় রাষ্ট্রপতি আমাদেরকে অনুমোদন দিয়েছেন 14 তারিখে ক্যাবিনেট মিটিং এটা 9 তারিখে প্রুভ হয়ে এটা সত্য তার আগে আরেকবার ক্যাবিনেট মিটিং হয়ে সেখানে আমাদের কিছু অবজারভেশন ছিল পুনরায় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে পরবর্তী ক্যাবিনেট মিটিং এটা স্ক্রুটিনি করে রিফাইন্ড করে অনুমোদন করা হয়ে পার্লামেন্টে আমরা আরো আগে আনতে
পারলে খুশি হতাম। আজকে আপনারা এই অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করবেন। রাষ্ট্রপতি অনুমোদন দিয়েছি বলে জেনেছি। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় সংসদ নেতা বক্তব্য রাখবেন। এই বিলটার মধ্যে যদি জটিল কোন বিষয় থাকতো আমি নিজেই প্রস্তাব করতাম যে এটা স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হোক। এখানে স্ক্রুটিনি করে সবাই মতামত দিবেন। এটা একটা মার্জার। এখানে উল্লেখ করা আছে আপনার
বিলের 6666 এ রোহিতকরণ এবং হেফাজতকরণ আর্টিকেল এর মধ্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন 2010 বাংলাদেশ সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইন পিপিপি যেটা আমরা বলে থাকি আইন 2015 বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন বিডা নামে যেটা অধিক পরিচিত এবং ওয়ান স্টপ সার্ভিস আইন এগুলোর লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য একই এখানে আমরা সবগুলোকে মার্জিন না করলে
বা লেপিং অফ ফাংশনস মানুষের ব্যবসা বাণিজ্য ইউজ করা চাইতে ডিফিকাল্ট করে ফেলে। এই আইনের মধ্যে প্রস্তাব করা হয়েছে যে এই কর্তৃপক্ষের অধীনে সকল ক্ষেত্রে যাতে এক জায়গায় সবাই সেবা প্রাপ্ত হন সেজন্য এই ডিজিটাল সিঙ্গেল ডিজিটাল উইন্ডো বা সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্মের মধ্যে সকল সেবা প্রদানকারীগুলোর সংস্থা বাধ্যতামূলকভাবে একটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে
তো সিঙ্গেল ডিজিটাল প্লাটফর্মের সহিত সংযুক্ত থাকিবে এবং কর্তৃপক্ষ উক্ত ডিজিটাল প্লাটফর্মের উন্নয়ন বাস্তবায়ন পরিচালনা করবে এবং সেখানে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করে প্রত্যেকটা সেবা প্রদানকারী সংস্থার ড্রেস কফি স্থাপন করতে হবে সেখানে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান সাপেক্ষে উক্ত সংস্থার এক বা একাধিক কর্মচারীকে নিযুক্ত করতে হবে যাতে এক ঘন্টার মধ্যে একই সাথে একই উইন্ডোতে একই ছাদের নিচে একই অফিসে সমস্ত সেবা প্রদান করে বাংলাদেশের বিনিয়োগ
পরিস্থিতি উন্নয়ন করা যায় এবং বৈদেশিক এবং দেশীয় উন্নয়ন কে ত্বরান্বিত করা যায়। এটাই তো আমাদের নতুন প্রত্যাশা। গণভবতার নতুন প্রত্যাশা এখানে কোন স্বার্থে সরকার স্পেশাল
কোনো উদ্দেশ্যে এই আইনটা প্রণয়ন করছে না। এই আইনটা প্রণয়ন করছে যাতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন নামে সবাই বুঝতে পারে যে এই এক আইনের অধীনে একই কর্তৃপক্ষ সকল সেবাকারী সংস্থা একই জায়গায় এসে সেবাটা পাবে এবং আমাদের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে দেশে এগিয়ে যাবে। আমি অনুরোধ করবো মাননীয় বিরোধীদলীয় সকল সদস্যদের মাননীয় বিরোধীদলীয় না থাকে এই আইনটা আপনারা দয়া করে আজকে যতটুকু আলোচনা করার দরকার এই উত্থাপন
এরপর তো একবার আপত্তি দিতে পারেন। আবার অবিলম্বে বিবেচনার জন্য যখন গৃহীত হবে সেই সময় বক্তব্য দিতে পারেন। সংশোধনী যদি থাকে তখন বক্তব্য দিতে পারেন। দয়া করে আইনটা পাশের জন্য সহযোগিতা করলে আমরা এগিয়ে যাব। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মহান আপনি তো একবার বিবৃতি দিয়েছেন। মাননীয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী কথা বলেছেন। এখন রেওয়াজ বা রীতি অনুসারে বা বিধি অনুসারে
আমরা এগোচ্ছি। জি আচ্ছা ঠিক আছে রাখেন। আপনি এক মিনিট দিলে পরে আবার উনাকে দিতে হবে। আমরা যেটা বিধি আছে বিধি অনুসারে যাই যেটা উনি আচ্ছা ঠিক আছে মাননীয় মন্ত্রী আবারো বলবেন বলেন আপনি এক মিনিট বলেন প্লিজ। আসলে বিষয়টা হলো আমরা তো আইন প্রণেতা। আমাদের কাজ আইন প্রণয়ন করা। এক্ষেত্রে আমাদেরকে যে মৌলিক অধিকার এটাকে যাচাই-বাচাই করা। এখানে থেকে যে
যদি আমাদেরকে ডেপ্রাইভ করা হয়, আমি মনে করি আমাদের মৌলিক অধিকার এখানে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। উনি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন যে এখন আমাদের সুযোগ রয়েছে এই আধা ঘন্টার মধ্যে 67 টা অনুচ্ছেদ রয়েছে এটা পড়ে কোথায় কোন তারপরে আগের আইনগুলো এখানে দেওয়া হয়নি যে চারটি আইন বিলুপ্ত করা হচ্ছে। তারপরে যে দুইটা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্ত করা হচ্ছে এই দুইটা প্রতিষ্ঠানের অর্গানোগ্রাম কিছুই আমরা জানি না। এইটা অল্প সময়ের মধ্যে আমাদেরকে যদি এভাবে বলা হয় যে আপনাদের তো সুযোগ আছে আপনারা এটা সমালোচনা করেন এটা সংশোধন আনেন এটা আমাদের
পক্ষে কিভাবে সম্ভব? সংশোধন আনতে হলে তো একটা প্রসিজর আছে। আপনাকে নোটিস দিতে হবে। দফাহরি সংশোধনের জন্য নোটিস দেওয়ার বিধান রয়েছে। এছাড়া তো পারবো না আমরা। এটা অন্যান্য যে বিষয়গুলো রয়েছে স্ট্যান্ডিং কমিটিতে প্রেরণ কিংবা বাছাই কমিটিতে প্রেরণ কিংবা জনমত যাচাই জন্য সেটা আমাদের নোটিস দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া প্রয়োজন। কোন সময় না দিয়ে এভাবে তাড়াহুড়া করে আপনারা যদি বিল পাস করার অনুমতি দেন তাহলে আমি মনে করি আমাদের যে মৌলিক অধিকার আইন প্রণেতা হিসেবে সেটা আমাদের ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এবং এটা বারবার হচ্ছে মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ। মহান সংসদ
মাননীয় মন্ত্রী আমরা তো বিধিঅনুসারে আইন প্রণয়নের দিকে যাচ্ছি মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 সরি বাংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রদান করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয়
হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, বিলটি উত্থাপনের অনুমতি দেয়া হলো। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি বিলটি দয়া করে উত্থাপন করুন। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে
উন্নয়ন দ্রুত তরান্বিত করিবার লক্ষ্যে দেশি বা বিদেশি বিনিয়োগ করি গণকে আকৃষ্ট শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগ কারীদের কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎ সংশ্লিষ্ট কতিবয় আইন রহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে
একটি নতুন আইন, প্রণয়নকল্পে আনিত একটি বিল, ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ বিল, 2026 মহান সংসদ উত্থাপন করলাম। ধন্যবাদ মাননীয় সভাপতি। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, ইনভেস্টমেন্ট বিল 2026 মহান সংসদে উত্থাপিত হলো। আমি এখন কার্যপ্রণালী বিধির শতাংশে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে সংসদ কার্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মাননীয়
মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমদ কে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি আমি বিবেচনার দেয়ার পরে দিতে পারি একটু আমরা উনি আগে দিবেন তারপরে আপনি বলবেন মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি সালাউদ্দিন
আমার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব করছি যে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দ্রুততার উন্নত করিবার লক্ষ্যে দেশী বা বিদেশী
বিনিয়োগকারীগণকে আকৃষ্ট শিল্পস্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্ব অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগকারীদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎ সংশ্লিষ্ট কতিপয় আইন রহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়ন কল্পে আনিতে
বিলটি, ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার
মনে হয় হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো। কয়জন বলবেন আপনারা? যেকোনো একজন বলেন দেখি।
হাসনাত আব্দুল্লাহ কুমিল্লা চার না জি মাননীয় স্পিকার আমাদের হচ্ছে আইনের 21 নাম্বার 21 নাম্বার ধারা 21 নাম্বার 21 এর দুই তারপর হচ্ছে 25 তারপর হচ্ছে 28 এর পাঁচ উপধারা তারপর হচ্ছে 33 35 এরকম অনেকগুলো ধারাতে আমাদের সংশোধনী আছে আপনি যদি সংশোধনী দেওয়ার নোটিসের প্রক্রিয়াটি আমাদেরকে বলতেন তাহলে এই ধারাগুলোতে আমরা সংশোধনী দিব।
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রী স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমি আমি বলি মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ফ্লোট দেয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় সদস্য যে সমস্ত ধারাগুলোতে সংশোধনের কথা বলছেন এখন
বিধি মোতাবেক যেহেতু আপনি সবকিছু কন্ঠন করে চান তার টাও কন্ঠন করে মৌখিক ভাবে উত্থাপনের অনুমতি দিতে পারেন আমরা নোট করব এবং সেই প্রেক্ষিতে যদি কোন সংশোধনী গ্রহণ করার থাকে তাহলে পরে আমরা সেটা গ্রহণ করব যদি সেটা যুক্তিযুক্ত হয় এবং সেই সংশোধনী ধারাগুলো সম্পর্কে যদি এখন নোটিস উত্থাপন করতে হয় সেটা আবার বিতরণ করতে হবে এবং বিতরণের পরে সেটা আবার উত্থাপন হবে অনেক সময় প্রয়োজন আপনি স্পেশাল ডিসক্রিপশন অনুযায়ী
অনুসারে উনাকে মৌখিকভাবে সংশোধনীগুলো উত্থাপন করতে বললে যেটা গ্রহণযোগ্য হবে আমি নোট করবো সেটা আমরা গ্রহণ করবো। ধন্যবাদ মনোনয়ক স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য আপনি তো শুধু ধারা বলেছেন ধারার ভিতরে কি আছে কি সংশোধনী কিছু এ বিষয়ে বলেননি আর এখন না আপনি মাইকটা একটু দিবেন প্লিজ
মাননীয় স্পিকার, রুলস অফ প্রসিজারের 77 নাম্বার ধারা অনুযায়ী মাননীয় স্পিকার আমরা লিখিতভাবে আপনার নোটিস দিতে চাচ্ছি এবং এই বিষয়ে সুরাহা করার ডিসক্রিপশনটা মাননীয় স্পিকার সম্পূর্ণই আপনার এবং আমরা লিখিতভাবে ধারা অনুযায়ী কোথায় কোথায় আমরা সংশোধনী দিচ্ছি সেটা লিখিত অনুযায়ী মাননীয় স্পিকার আমরা দিতে চাচ্ছি। মাননীয় সদস্য আমি আমার প্রারম্ভিক বক্তব্যেই
কন্ডন করেছি স্পেশাল পাওয়ারসে তো সেটা তো আগেই আমরা কন্ডন করেছি তাহলে মাননীয় স্পিকার থ্যাংক ইউ লিখিত নোটিস ও কন্ডন করা হয়েছে জি না মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্যের বক্তব্য সঠিক আছে এটা ডেমোক্রেটিক রাইট
পার্লামেন্টে আইন প্রণয়নের জন্য তারা সহযোগিতা করবেন সংশোধনী দিবেন কিন্তু আপনি কন্ঠন করে আজকে যেহেতু আমরা বিলটা অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক প্রস্তাব করেছি এই অবস্থায় যেহেতু লিখিত তার এখন সংশোধনী দেয়া এবং সেটা সদস্যদের কাছে বিতরণ করার সময় নেই আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে সমস্ত ধারায় আপনাদের সংশোধনী প্রস্তাব থাকবে সেটা আপনারা যদি দিলে আমরা পরে আবার সংশোধনী আনতে পারবো এই বিলের মধ্যে যে সমস্ত
ধারায় তাদের সংশোধনী থাকবে, সে সংশোধনী দিলে আমরা পরে এই সংশোধনীগুলো অনুকূল করতে পারবো। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, মহান সংসদে আপনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমি এখন বিলের
দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে আচ্ছা আমি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা দাঁড়িয়েছেন উনাকে একটু ফ্লোর দেই মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। মাননীয় স্পিকার আমাদের এই অধিবেশনের আজকে শেষ দিন আমরা চাই যে আমাদের এই দিনটা এই অধিবেশনের যেন গ্লোরিফাই হয়ে থাকুক। এখানে প্রথম অধিবেশন
বেশকিছু আইন খুব তড়িঘড়ি করে পাশ করতে হয়েছে সময়ের বাধ্যবাধকতার কারণে সেই সময় আমরা বলেছিলাম যে ভবিষ্যতে যেন সব কিছু আমাদের কাছে আমাদের প্রাপ্যতা অনুযায়ী আসে এখানে শুধু অধিকারের প্রশ্ন না মাননীয় স্পিকার এটা দায়িত্বের ব্যাপার আমরা অধিকার না হয়ে স্যাক্রিফাইস করলাম কিন্তু দায়িত্বে আমাদের অবহেলা হয়ে গেল হতে পারে মানুষ তো আমরা উনারা উনাদের দিক থেকে সব কিছু বিচার বিবেচনা করে যাচাই
বাছাই করে বিলটা এনেছে। তারপরে এখানে এসেছে কেন? এখানে এসেছে যে এটা আলোচনা করে আরো যদি কোনো ভালো কিছু আসে সেটাও সংকুচন হবে। যদি এখানে দুর্বল কিছু থাকে সেটা বাদ করে। উনারা যদি বলতেন একটু যে সময়ের এই বাধ্যবাধকতাটাকে কিভাবে উনারা বিবেচনা করছেন তাহলে আমাদের জন্য ভালো হতো। না হলে দেখেন একটা বিষয়কে তাড়াউড়া করে একাউন্টেড করতে গিয়ে অনেকটা অধিকার এবং দায়িত্ব লঙ্ঘিত হচ্ছে। এবং এইটা এই সংসদে
এর জন্য ভালো কোনো প্রেসিডেন্ট হবে না মাননীয় স্পিকার। আমরা কি খারাপ মন্দ প্রেসিডেন্ট কেস করব? এটা হওয়া উচিত না। আমি আপনার সদয় বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি হয় বিষয়টা ভালো করে ক্লিয়ার করা হোক। আমরা স্যাটিসফাইড হই যে এটা এখনই পাশ করতে হবে। দেখার কোনো সময় নাই। আমাদের মত দেওয়ার বা স্টাডি করার কোনো সুযোগ নাই। একেবারেই বিশ্বাসের উপর ছেড়ে দিতে হবে। আর আইন বোধহয় এভাবে প্রণয়ন হয় না মাননীয় স্পিকার। আইন তো বুঝে শুনে প্রণয়ন হয়।
ইতিহাসের দায়বদ্ধতা আমাদের আছে তো। আমরা তো অস্বীকার করতে পারবো না। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু বলতে চাচ্ছিলেন। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আমি মাননীয় বিরোধীদলের নেতার মাননীয় বিরোধীদলের নেতার সম্মানার্থে বলতে চাই তিনি রাইটলি পয়েন্ট আউট করেছেন। আমরা আগেই বলেছি যে এটা কোন নতুন আইন নয়। এটা কম্পাইলেশন অফ ফিউ লস যেটা আগে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে
একই লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যে ফাংশন করা হচ্ছিল কিন্তু ওভারল্যাপিং করার কারণে এটা সময় নষ্ট হয় এবং জটিলতা সৃষ্টি হয়। এটা জাস্ট পূর্বের আইনগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসা এবং সেটা আমাদের রোহিত এবং হেফাজত করণ সেকশনে 66 এ বলাও আছে এবং এটার সময়ের বিষয়টা যৌক্তিকতা সম্পর্কে আপনাদেরকে আগেই অবহিত করেছি। আমরা নিজেই নিজেরাই খুশি হতাম যদি আরো আগে বিলটা আনতে পারতাম এবং এই পার্লামেন্টটা আরো
ও বিলম্বিত করা যাচ্ছে না, দেশের যে বন্যা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন কারণে সমস্ত সংসদ সদস্যগণের একটা তাগাদাও আছে যে পার্লামেন্টে যেন আজকের মধ্যে এটা অধিবেশন সমাপ্ত করা হয়। বিভিন্ন কারণে আমরা সময়ের সীমাবদ্ধতার কথা বলেছি। আর আইনের কথা বলছেন রুলস অফ প্রসিজার অনুসারে ইউ আর রাইট যে একর্ডিং টু 77 আমি প্রপোজ করতে পারি অবিলম্বে বিবেচনা যেন গ্রহণ করা হোক এবং এখানে কোন বাছাই কমিটি যাচাই কমিটিতে আমি প্রস্তাব করছি না। কিন্তু
একটা বিষয় তারা যে সংশোধনী প্রস্তাবগুলো দিতে পারতেন সেটা আসলেই সেটা সময়ের কারণে হচ্ছে না। তা আমি তো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি যে মাননীয় সদস্যগণ যে সমস্ত ধারার মধ্যে সংশোধনী আনতে চান আপনারা যদি সেটা নিয়ে আসেন আমরা সেটা সংশোধনীটা গ্রহণ করব যৌক্তিকভাবে পরে এবং সেটা আগামী সেশনে হতে পারে। এমন না যে এটা আইন পাস হয়ে গেল আমাদের প্রয়োজন হতে পারে মাননীয় স্পিকার আগামী অধিবেশনে এই আইনের উপর হয়তো সংশোধনী আনতে হতে পারে। কম্পালসনটা হচ্ছে
এখানে যে বিনিয়োগের অপেক্ষায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিনিয়োগ কারী এখানে বিভিন্ন চুক্তি করার জন্য অপেক্ষমান আছে আমাদের চার মাস পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়ে গিয়ে এই আইনটা যদি আগের সরকার অথবা ইন্টারিম গভমেন্ট যদি মনোযোগ দিত তাহলে এই পাঁচ মাস আমরা বিনিয়োগে অনেক দূর এগিয়ে যেতাম সুতরাং নিউ গভমেন্ট নিউ এনস্পিরেশন পাবলিক এনস্পিরেশন অনেক বেশি এবং আমাদের নতুন এনস্পিরেশন অনুসারে গ্লোবাল ডিমান্ড অনুসারে আমাদের
আমাদেরকে যেতে হচ্ছে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের আইন-কানুনের সামঞ্জস্য রেখে। যদি এই সুযোগটা আমরা নিতে চাই তাহলে আমাদের আইনটা আজকে পাশ করা দরকার এবং এখানে যে সমস্ত ধারায় মাননীয় বিরোধী দলের সদস্যরা সংশোধনী আনতে চান আমি আবারো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সেই সংশোধনীগুলো আমরা গ্রহণ করব যদি যৌক্তিক হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী।
মন্ত্রী, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মাননীয় মন্ত্রী, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মহান জাতীয় সংসদে, আমরা প্রত্যাশা করছি সেই প্রতিশ্রুতি আপনি
রক্ষা করবেন যৌক্তিকভাবে। ধন্যবাদ। আমি এখন মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমরা তো তাহলে আর এগোতে পারবো না এভাবে। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বক্তব্য রেখেছেন। তারপরে আর আপনাদের কোন বক্তব্যের অবকাশ নেই। উনি পয়েন্ট আউট করেছেন এবং মাননীয় মন্ত্রী যথাযথ উত্তর দিয়েছেন। দয়া করে একটু বসুন। একটু একটু বসুন। আমি এখন বিলের দফাগুলো
সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
37, 38, 39, 40, 41, 42, 43, 44, 45, 46, 47, 48, 49, 50, 51, 52, 53, 54, 55, 56, 57, 58, 59, 60, 61, 62, 63, 64, 65, 66 এবং 67 এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের
পক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হা জয় যুক্ত হয়েছে হা জয় যুক্ত হয়েছে হা জয় যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55
56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 এবং 67 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত
হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো সংসদ কার্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি সাব
আলাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব করছি যে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন দ্রুত তরান্বিত করিবার লক্ষ্যে দেশী বা বিদেশী বিনিয়োগকারীগণকে আকৃষ্ট শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে অবকাঠামো নির্মাণ বিনিয়োগকারীদেরকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সেবা প্রদানের মাধ্যমে বিনিয়োগ বান্ধব
পরিবেশ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এতৎসংশ্লিষ্ট কতিপয় আইন রোহিত করিয়া দেশের শীর্ষ বিনিয়োগ উন্নয়ন সংস্থা গঠনের লক্ষ্যে একটি নতুন আইন প্রণয়নকল্পে আনিত বিলটি ইনভেস্টমেন্ট ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 মহান সংসদে পাশ করা হোক উত্থাপিত আকারে। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 পাশ করা হোক
যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব ইনভেস্ট বাংলাদেশ বিল 2026 পাস হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আসরের নামাজের জন্য 30 মিনিটের বিরতি দেয়া হলো আপনাদের
সদয় সহযোগিতার জন্য সকলকে ধন্যবাদ।
মাননীয় ডেপুটি স্পিকার মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের সম্পূরক কার্যসূচি
ভুক্ত 2 এর প্রাপ্ত প্রস্তাবের নোটিশ নিয়ে আলোচনা মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জনাব মোঃ শফিকুর রহমান কর্তৃক সাধারণ আলোচনার জন্য নিম্নলিখিত প্রস্তাব করেছেন ঢাকায় অবস্থিত কাতার দূতাবাসের সড়কটি কাতারের সাবেক আমির আধুনিক কাতারের রূপকার ও বাংলাদেশের অকৃত্য
বন্ধু মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির নামে নামকরণের বিষয়ে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এখন আমি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জনাব মোঃ শফিকুর রহমানকে প্রস্তাবটি উত্থাপন এবং তার উপর বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বিসমিল্লাহির রাহমান রাহিম
রাহিম। আমি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান। 188 ঢাকা 15। সংসদ সদস্য বিরোধী দলীয় নেতা। জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে নিম্নোক্ত প্রস্তাবটি মহান জাতীয় সংসদে বিবেচনা ও সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থাপন করছি। যেহেতু কাতারের সাবেক আমির আধুনিক কাতারের উপকার এবং
এবং বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল ফানি 12 ই জুলাই 2026 তারিখে ইন্তেকাল করেছেন যা মুসলিম উম্মাহ এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য গভীর সুখের বিষয় যেহেতু কাতারের সাবেক আমির আধুনিক কাতারের উপকার এবং বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল ফানি 12 ই জুলাই দুঃখিত
আমি আবার পড়ছি। আমি প্রথম থেকে আবার পড়ছি। আমি মোহাম্মদ শফিকুর রহমান 188 ঢাকা 15 সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় নেতা জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে নিম্নোক্ত প্রস্তাবটি জাতীয় সংসদে বিবেচনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উপস্থাপন করছি। যেহেতু কাতারের সাবেক আমির আধুনিক কাতারের
এর উপকার এবং বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি 12 ই জুলাই 2026 তারিখে ইন্তেকাল করেছেন যা মুসলিম উম্মাহ এবং বাংলাদেশের জনগণের জন্য গভীর সুখের বিষয়। তার দূরদর্শী ও প্রজ্ঞাপূর্ণ নেতৃত্বে কাতার একটি আধুনিক সমৃদ্ধ ও বিশ্ব পরিসরে প্রভাবশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে এবং তার শাসনামলে বাংলাদেশ-কাতার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত
হয়েছে। বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা দীর্ঘমেয়াদী এলএনজি সহযোগিতা কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং কাতারে কর্মরত লাখো বাংলাদেশী প্রবাসীর কল্যাণ ও তাদের প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণীয়। মহান এই ব্যক্তির স্মৃতির প্রতি যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করে ইতিমধ্যেই এই মহান সংসদে সর্বসম্মত
প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে এবং একই সাথে একদিনের সুখ পালিত হচ্ছে এর সাথে আমি অধিকতর সম্মান প্রদর্শন এবং আমাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার স্বার্থে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের স্বীকৃতি স্বরূপ ঢাকায় অবস্থিত কাতার দূতাবাস সড়কটি শেখ হামাদ বিন খালিফা আল থানি সড়ক নামে নামকরণের
প্রস্তাব করছি। অতএব আমি প্রস্তাব করছি যে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে বিষয়টি জাতীয় সংসদে বিবেচনা করে আলোচনাক্রমে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হোক এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীকে আমি বিনয়ী অনুরোধ জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলের নেতা। আমি
এখন মাননীয় সংসদ নেতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় বিরোধী দলের নেতা যে প্রস্তাবটি
উপস্থাপন করছেন করেছেন মাত্র মরহুম শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির জন্য আপনারা মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে সকল সংসদ সদস্যকে আমি অবহিত করছি যদিও সকলেই জানেন যে তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে কাতারের জনগণের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কারণ কাতার এমন একটি দেশ যারা আমাদের উন্নয়ন কর্মকান্ডে দেশের অগ্রজ
যাত্রায় আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে বা করছে এখনো শুধু তাই নয় লক্ষ্য লক্ষ্য বাংলাদেশকে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়ে কাতার বাংলাদেশের উন্নয়ন অর্থনৈতিক উন্নয়ন যাত্রাতে অংশীদার তারা শুধু তাই নয় এর ভিতরে যখন মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী নিয়ে একটি পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল এবং কাতার নিজেও বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হওয়ার পরেও
আমাদের লক্ষ্য লক্ষ্য প্রবাসীকে তারা নিজেদের নাগরিকদের মতন তারা তাদের টেক কেয়ার করেছে তাদের নিরাপত্তা তারা নিশ্চিত করেছে মাই স্পিকার এই সকল বিষয়ে বিবেচনা করি মরহুম শেখ হামাদুন্নাহ বিন খলিফা আল থানির জন্য আজকে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে একই সাথে আমাদের জাতীয় পতাকাকে হাফ মাস্টো করা হয়েছে আজকে এরই ভিতরে
যেটি প্রস্তাবনা বিরোধী দলের সম্মানিত বিরোধী দলের নেতা উপস্থাপন করেছেন আমি এরই ভিতরে গতকালকেই ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে একটি উপযুক্ত সড়ক নির্ধারণ করে সেটিকে মরহুমের নামের নামকরণের জন্য আমি এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়কে গতকালকে মৌখিকভাবে নির্দেশনা প্রদান করে।
মাননীয় স্পিকার এবং আজকে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা এই বিষয়টি উপস্থাপন করার জন্য আমি আন্তরিকভাবে সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতা মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা কর্তৃক আনীত প্রস্তাবের উপর সাধারণ আলোচনা
আলোচনা এখানেই সমাপ্ত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, চলতি অধিবেশন সমাপ্তি সম্পর্কে আমি মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ পেয়েছি। এই আদেশটি পাঠ করে শোনাবার আগে অধিবেশন সমাপ্তি সম্পর্কে বক্তব্য রাখার রেওয়াজ রয়েছে। আমি প্রথমে মাননীয়
বিরোধীদলের নেতা কে সমাপনী বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় বিরোধীদলের নেতা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আলহামদুলিল্লাহি রাব্বিল আলামিন ওয়াসসালাতু ওয়াসসালাম আলা রাসূলিহিল কারীম ওয়ালা আলি
আমি অতীতের মতোই গভীর শ্রদ্ধায় আমাদের দূর এবং সম্প্রতি ইতিহাসের সকল শহীদ সকল যোদ্ধা এবং সকল আওত ও পঙ্গু ভাই বোন দের কে স্মরণ করছি যারা চলে গেছেন
মহান রবের দরবারে তাদের শাহাদাত কামনা করছি যারা বেঁচে আছেন তাদের সুস্থ দীর্ঘজীবন কামনা করছি আজকে যেহেতু মাগরিবের আগেই অধিবেশনটি শেষ হওয়ার আশা ব্যক্ত করা হয়ে এজন্য আমি আমার কথাগুলো সংক্ষেপে শেষ করার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ প্রথমেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি
এইমাত্র উত্থাপিত একটি প্রস্তাবে তিনি যেভাবে নিজের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন এবং আমার প্রস্তাবের জন্য আমাকে অভিনন্দিত করেছেন আমি ধন্যবাদের সাথে তার কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এই মহান জাতীয় সংসদ একটি ব্যতিক্রমী সংসদ আমরা
সবসময় বলে আসছি, এটি মজলুমের মিলন মেলা। এই সংসদটা যত সুন্দর হয়ে চলবে বাংলাদেশের মানুষের অন্তর থেকে তত
হতাশা দূর হবে। আস্থা বৃদ্ধি পাবে। এবং দেশ গড়ার কাজে সকলে এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা পাবে। আমি এই মহান সংসদের অভিভাবক হিসেবে মাননীয় স্পিকারের প্রতি বিনয়ী অনুরোধ করবো যে আপনার অভিভাবকত্বের জায়গাটা আপনি সুদৃঢ় করুন। আমাকে ক্ষমা করবেন আমি আপনাকে দুর্বল দেখতে পাচ্ছি।
আমি চাই আপনি বলিষ্ঠ কমান্ডার হয়ে অভিভাবক হয়ে এই সংসদ চালাবেন নীতিবিধির জায়গাগুলো যতদূর সম্ভব পরিপালনে আপনার চেষ্টাকে আপনি ম্যাক্সিমাইজ করবেন এইমাত্র অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিল পাস হলো
এই বিলটা তো দেশের স্বার্থে সকলের প্রয়োজন দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন বেকারত্ব দূর করার জন্য প্রয়োজন কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য প্রয়োজন অর্থনীতির চাকাকে সচল করার জন্য প্রয়োজন সেই বিলটা মনের মতো করে আমরা অংশগ্রহণ করতে পারলাম না বলে আমাদের আক্ষেপ থেকে গেল আমরা তো চাই যে এগুলোতে আমরা মনের মতো করে অংশগ্রহণ করি আমার অনুরোধ থাকবে ভবিষ্যতে
এই লেখনাগুলো না রেখে আমাদেরকে আমাদের দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেবেন যদি আমরা দায়িত্ব পালনের এই সুযোগ না পাই তাহলে আসলে এখানে বসা এটা অর্থহীন আমাদের সময়ের অপচয় এবং আমরা যে সময়টুকু কথা বলব জনগণের অর্থের অপচয় আমি এই বিষয়ে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার মূল বক্তব্যে যাচ্ছি
সম্প্রতি বন্যায়, ভূমি দোষ এবং পানিতে ডুবে যাদের মৃত্যু হয়েছে, আমার জানামত এই সংখ্যাটি 35, আমি তাদের প্রতি তাদের পরিবারের প্রতি সুখ এবং সব বেদনা জ্ঞাপন করছি এবং মরহুমদের মরহুমাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি, এবারকার বন্যায় চারটি বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সবচাইতে
বিভাগের নাম হচ্ছে চট্টগ্রাম এবং মানুষ যা মারা গিয়েছে ওখানে ওই একটা বিভাগ এই সব এই বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যে গুরুত্ব দিয়েছেন আরো গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আমরা আহবান জানাই বিশেষ করে যারা নিহত তাদের পরিবারকে বিশেষ কোন সহযোগিতা আর্থিকভাবে দেওয়া যায় কিনা এ বিষয়টা কনসিডারেশনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীকে আমি অনুরোধ করবো। অর্থমন্ত্রী যদিও সারা বাংলাদেশের কিন্তু তিনি তো চট্টগ্রামের সন্তান। তার একটা বিশেষ দায়িত্ব বর্তায় এটা। এটার দিকে তিনি নজর দিবেন এটা আমি আশা রাখি। এর পাশাপাশি রাজধানী শহর ঢাকা এটি আমাদের জন্য বেদনার এবং লজ্জার। একটু বৃষ্টি হলেই ভাসতে থাকে। ড্রেনের ময়লা পানিগুলো উপচে পড়ে।
জনস্বাস্থ্য হুমকিতে পড়ে আমাদের সন্তান সন্ততিরা বিশেষভাবে কষ্টে পড়ে বৃদ্ধ রোগ্য মানুষগুলোর জন্য নতুন সমস্যা দেখা দেয় অনেক ক্ষেত্রে এই ময়লা পানি আবার আমাদের পানীয় পানির লাইনের সাথে কোন কোন ভাবে কানেক্টেড হয়ে যায় এবং সেইটা পোলুটেড হয় এইসব মিলাইয়া আমরা একটা স্থায়ী দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার মধ্যে পড়ে গেছি আমি
আমাদের সরকারকে অনুরোধ করব যে এই বিষয়ে আমাদের একটা কোঅর্ডিনেটেড এবং ওয়েল থট একটা প্ল্যান আমাদের নেওয়া দরকার। আমার আসনকে আমি মনে করতেছি সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত। এটা হতেও পারে নাও হতে পারে। আমি আমার আসনটির যে দৃশ্য দেখেছি একদিন আমি গিয়েছি জনগণকে দেখতে দ্বিতীয়দিন আমি যাইনি লজ্জায়। জবাব কি দেবো? মানুষের কাছে তো কোন জবাব নেই।
তবে হ্যাঁ, এটা এই পার্লামেন্টের সৃষ্ট নয়, এই সরকারের সৃষ্ট নয়, এটা অতীতের সমস্ত জঞ্জাল এবং ঝামেলা জমে আজকে এই অবস্থায় আমার গিয়ে বুঝতে পেরেছি। উন্নয়নের জন্য বছর বছর বরাদ্দ হয়ে বাজেটে কিন্তু সেই উন্নয়ন অধরা রয়ে গেছে, উন্নয়ন হয়েছে কিছু ব্যক্তির কিছু গোষ্ঠীর, আমরা এখন একটু জনগণের উন্নয়নটা দেখতে চাই, জনগণের সমস্যার সমাধান
হোক সেটা আমরা দেখতে চাই। রাজধানী শহর হচ্ছে দেশের ফেস। বিদেশ থেকে যারা কনসিডার করে সিলেটের রাজশাহীর ময়মনসিংহের
ওয়েদার কেমন এটা বিবেচনায় নেয় না, বিবেচনা নেয় ঢাকা শহরের ওয়েদার টা কেমন? এই ফেস দিয়েই দেশটাকে চেনা হয় যেমন ফেস দিয়ে একটা মানুষকে চেনা হয়। এই ফেসটাকে একটা কোরডিনেট প্লানের মাধ্যমে এনে আমাদের রক্ষা করা দরকার, উজ্জ্বল করে তোলা দরকার। একসময় একজন শাসক বলেছিলেন তিলোত্তমা ঢাকা তিনি হয়তো চেষ্টা করেছেন কিন্তু তিলোত্তমা
হয়নি। বরঞ্চ এই ডাকা দিনের পর দিন মলিন হয়ে যাচ্ছে। এই মলিনতার হাত থেকে রাজধানীকে বের করে আনতে হবে মাননীয় স্পিকার। এর জন্য প্রয়োজন হয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখা উচিত। সেই বিশেষ বরাদ্দ রেখে রাজধানী শহরটাকে অন্তত প্রোটোটাইপ হিসেবে আগে আমরা একটু ভালো করে তুলি। এরপরে আস্তে আস্তে আমরা অন্যদিকে যেতে পারবো।
আমরা চাইলেই একদিনে সব পারবোনা। কিন্তু বিদেশী মেহমান বলেন আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্ণধার বলেন আসে তো ঢাকায়। এটা দেখামাত্র তাদের একটা স্টাডি আমাদের সম্পর্কে হবে। তারা সেভাবেই আমাদের সাথে ডিল করবে। এখান থেকে শুরু হোক ডিলটা এখান থেকে মারা হোক সারা বাংলায় ঢেউ উঠবে ইনশাআল্লাহ। এজন্য আমি বিষয়ে এতটুকু রেখেই আগাচ্ছি। শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড ধন্যবাদ জানাই শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য
এবার অধিকতর বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে কিন্তু শিক্ষার মৌলিক প্রয়োজনের দিকে আমাদেরকে বেশি নজর দিতে হবে দুইটা জায়গায় প্রাইমারি আর টার্শিয়ারি মাঝখানটা অটোমেটিক্যালি প্রাইমারির ঢাকায় চলবে প্রাইমারিতে যে শিক্ষাটা পায় শিক্ষার্থীরা এটাই সারা জিন্দেগী তাদের স্পিরিচুয়াল পাওয়ার তাদেরকে সাপ্লাই দেয় এই জায়গাটায় আমাদের
টেকনিক্যাল এডুকেশনের পাশাপাশি কর্ম উপযোগী এডুকেশনের পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা থাকে ধর্মীয় শিক্ষা টাকে সার্ক করা হোক এটা শুধু ইসলামের ইসলাম ধর্মের শিক্ষা না এদেশে যতগুলা ধর্মাবলম্বী মানুষ আছে তাদের সকলের সন্তানকে সিওর ধর্মে তাদেরকে অভ্যস্ত করে তোলা হোক পরিচিত করে তোলা হোক ধর্ম মানুষকে শালীনতা শিখায় ধর্ম মানুষকে দেশপ্রেম শিখায় ধর্ম মানুষকে সৎ হতে শিখায়
এই শিক্ষাগুলোর জন্য এই লেভেলগুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে যেহেতু 90 ভাগ মানুষ এখানে মুসলমান এবং সব স্কুল কলেজের একই চিত্র হবে আগে এই বিষয়টা দেখে পাশাপাশি অন্যদের বিষয়টা দেখা হবে। এখানে ধর্মীয় শিক্ষক প্রাইমারি থেকে ডেজিগন্যাটেড ওয়েতে স্পেশালি নিয়োগ দেওয়া হবে। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা এরাও শিক্ষায় কন্ট্রিবিউশন করে কিন্তু তারা বড় অবহেলিত তাদের বিষয়টা বিভিন্ন
বেচনা নেওয়ার জন্য আরেকবার আমি এখানে অনুরোধ করছি এর আগেও বলেছি ফেসিস্টাম হলে রাজনৈতিক আনুকূল্য দিতে গিয়ে অনেক যোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়নি আবার অনেক অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে দেখা গেছে পরবর্তী পর্যায়ে ওই সমস্ত কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে একজন ছাত্র পাবলিক এক্সামে পাশ করতে পারেনি তারা আছে এমপিওভুক্ত হয়ে আবার কৃতিত্বের সাথে এক একটা
প্রতিষ্ঠান ভালো করে যাচ্ছে তাদেরকে ডিপ্রাইভ করা হয়েছে। এখন যেন রাজনৈতিক বিবেচনায় এই যন্ত্রণাটা আর না করা হয় জাতির উপর থেকে যেন এটা তুলে নেওয়া হয়। যথাযথ যাচাই বাছাইয়ের মাধ্যমে যারা এটার উপযুক্ত তাদেরকে এটা দেওয়া হোক। যতদূর সম্ভব এই পদক্ষেপটা নেওয়া হোক। মাননীয় স্পিকার আমরা
আমরা এই সংসদে এসেছি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সরকারি দলে বেশিরভাগ লোক এই জন্যই তো সরকারি দল বিরোধী দলের সংখ্যাটা কম তাই বলেই তো আমরা বিরোধী দল কিন্তু সবাই জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি দুটা জিনিস এখানে আমরা গভীর উদ্বেগ বিস্ময় এবং কষ্টের সাথে লক্ষ্য করছি নাম্বার ওয়ান ইতিমধ্যে এই সরকারের গৃহীত বিভিন্ন
আর্থিক পদক্ষেপের মধ্যে আমরা যারা বিরোধী দলীয় সদস্য আমাদের প্রতি ইনসাফ করা হয়নি দুই ই ছাড়াও বিভিন্ন সময়ে আমরা বিভিন্ন ভাবে জানতে পারি সঠিক মাধ্যমে আমরা জানতে পারি না শেষ মুহূর্তে গিয়ে তাড়াহুড়া করে আমাদেরকে কিছু দেওয়া হয় আমাদের অনুরোধ এই ফেস গুলা যদি অপছন্দ হয় তবুও জনগণের জন্য আপনারা জনগণের অংশটা দিয়ে দেন
আমাদের কারণে আমাদের আসন গুলোতে জনগণ যেন বঞ্চিত না হয়। কারণ বিএনপি তার 31 দফা এবং তার নির্বাচনী স্থায়ী আরেক
সুষম উন্নয়নের কথা বলেছে। আমরা সেই সুষম বন্টন তা চাচ্ছি এর বেশি কিছু চাইনা। ইতিমধ্যে সরকারি দলের যারা সংরক্ষিত আসনের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ আছেন তাদেরকে এলোটমেন্ট দেওয়া হয়েছে। ফান্ড এলোকেশন করা হয়েছে। কিন্তু আমার জানামত বিরোধী দলের কাউকে এটা করা হয়নি। এটা ন্যায্য হবে না। এটা অন্যায্য। আমি
এই ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি ব্যক্তিগত পর্যায়ে আমি আশা করবো তিনি এটেনশন দেবেন। তাদেরকে চাইতে হবে কেন? সবাই যেমন পাবে তারা তেমন পাবে। এটা তাদের হক। এরপরে এই জাতীয় সংসদে একই সাথে আমরা আরো 50 জন সংসদ সদস্যকে পেয়েছি সংরক্ষিত আসনে। আমরা তাদেরকে প্রথম দিন
অভিনন্দিত করেছি। আমরা একসাথে সবাই মিলে দেশটা গড়তে চাই। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম বিরোধী দলের এমপিরা যে সমস্ত আসনে আছে সেখানে সরকারি দলের সংরক্ষিত আসনের সদস্যদেরকে অধিকর দায়িত্ব দেওয়া হয়ে এইটা কি আমি বুঝলাম? আমাদের সাথে তো কোন আলোচনা করা হয়নি। অবশ্যই তারা ভূমিকা পালন করবেন। তাদের ক্ষেত্রে থাকতে হবে। তারা এক একজন ছয়টা করে আসন
প্রপোশনালি এসেছেন ছয় জায়গায় তারা প্রতিনিধিত্ব করবেন কোন সমস্যা নেই সেটা তো একটা আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে হতে পারতো আমাদেরকে আমাদের প্রাপ্যের বেশি তো আর আসন দেওয়া হয়নি আমরা যে 13 টা পাওয়ার কথা সেই 13 টাই পেয়ে আমাদের আসনগুলোতে এই 13 জনকে যদি আমরা কাজে লাগাই আমাদের সমন্বয় সহযোগিতা হবে অন ডার ফুল এখানে কোন কনফ্লিক্ট হবে না ফ্রিকশন হবে না কিন্তু যদি আমাদের
লোকদেরকে দেই সরকারি দলের ওখানে সদস্যরা যারা আছেন আর সরকারি দলের সদস্যরা যদি করেন আমাদের এখানে কনফিডেন্ট হবে হচ্ছে তৈরি হয়ে গেছে। এই সংসদে যখন এই কনসার্ন টা আনা হয়ে তখন একজন সম্মানিত মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন যে ওই রকম কোন অ্যারেঞ্জমেন্ট করা হয়নি কিন্তু এই সংসদেই দাঁড়িয়ে একজন সংসদ সদস্য সংরক্ষিত আসনে তিনি বলেছেন যে আমার অধিকতর দায়িত্ব এই এই
জেলায় আমি পালন করে এসেছি। এখানে দুইটা বক্তব্য মিলছে না। এবং বাস্তবে তাই দেখছি। আমার আরেকটা অনুরোধ রাষ্ট্রের ট্রেজারির প্রত্যেকটা টাকা সরকারের কাছে এই পার্লামেন্টের কাছে আমানত শুধু সরকার না। কারণ এই পার্লামেন্টে অর্থ বিল পাস করে। এই যে বিভিন্ন জায়গায় ছোট্ট কাটো স্থাপনা হলেও উদ্বোধন করে
একটা স্টোন বসাতে হবে, খাজনার চেয়ে বাজনা বড় এই স্টোন বসাতে গিয়ে একটা পয়সা তো খরচ হয় এটা একটা কথা আরেকটা হলো যে এখানে টানাটানি শুরু হয় কার নাম থাকবে আগে কার নাম থাকবে না এগুলা নিয়ে পয়সাটা জনগণের আমার নামের দরকার থাকে এই স্টোন না হলে কি আর যদি দিতে হয় তাহলে উদ্বোধন এত তারিখ এই রাস্তা এই পুল এই কালভার্ট এটা বলে আমরা শেষ করতে পারি এই সমস্ত নাম
হাসর কি হয়? সে তো চোখের সামনে দেখতেছি। বড় প্লেট হোক আর ছোট প্লেট হোক সরকার বদলের সাথে সাথে আমাদের ব্যাড কালচারের কারণে একদিকে নামের বন্যা আরেকদিকে ভাঙ্গা ভাঙচুরের বন্যা। কার সম্পদ নষ্ট হয়? মান-সম্মানের উপর আঘাত এবং অর্থের অপচয়। এই বিষয়টা আমি অনুরোধ করবো সরকার বিবেচনায় নেবেন। অপচয় অপচয় রোধ হওয়া দরকার।
আর জনগণের পয়সা দিয়ে আমার নামের নাই কোন দরকার কারো যদি নামের প্রয়োজন হয় নিজের জমি নিজের অর্থ খরচ করে তিনি যদি জনকল্যাণমূলক কোনো প্রতিষ্ঠান করে নাম দিতে চান যতবার তার প্রয়োজন ততবার নাম দিন আমাদের কোনো আপত্তি নাই অর্থটা উনার কিন্তু জনগণের টাকায় এটা সরকারি দল বিরোধী দল বলে কোনো কথা না জনগণের টাকায়
আমাদের এই নামের বাহারি আমি বন্ধ করার জন্য বিনয়ের সাথে অনুরোধ করছি। নাম থাকে না তো বসাইলাম সরকার যতদিন আছে নাম ততদিন আছে এই সরকার বদল হয়ে গেল নামও বদল হয়ে যায়। বিশাল বিশাল স্থাপনার নাম বদল হয়ে গেছে এই দেশে এবং এই নাম বদল করতে গিয়ে শত শত কোটি টাকা অপচয় হয়ে গেছে। আমাদের আন্তর্জাতিক একমাত্র বিমানবন্দরের সাক্ষী এরকম আরো অনেকগুলো ঘটনা আছে।
তো আমি এই বিষয়টা কগনিজেন্সে নেওয়ার জন্য সরকারকে আমি বিনয়ের সাথে অনুরোধ করব।
মাননীয় স্পিকার, আমরা এই সংসদে প্রথম দিন অনুরোধ করেছিলাম যে অতীতের খারাপ সংস্কৃতি থেকে আমরা বের হয়ে আসবো। এখানে আমরা অবশ্যই সমালোচনা করবো কিন্তু এটা হবে সংসদের ব্যাকরণকে অনুসরণ করে। এটাকে লঙ্ঘন
করে না। আলহামদুলিল্লাহ আমি প্লিজড আমি পার্শিয়ালি কনভিন্সড যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। কিন্তু কিছু কিছু কিছু কিছু ভাইরাস এখনো আমাদের মাঝে ক্রিয়াশীল আছে। এটাও দূর হয়ে যাক দোয়া করি। আমাদেরকে অনেক কিছু বলা হচ্ছে বিভিন্ন দিক থেকে আমাদেরকে নেগেটিভলি ক্রিটিসাইজ করা হচ্ছে যে আপনারা এত ভদ্র কেন?
এতো পজিটিভ কেনো? এতো নমনীয় কেনো? আপনারা গরম করতে পারেন না? গরম করার জন্য তো চুলা আছে, এটাকে গরম করে কি করবো? কিছু পাক করতে হলে চুলায় বসাবো, এখানে কেনো? এটা যুক্তিবুদ্ধির আইনের জায়গা এটা। এটা বিধি অনুসরণের জায়গা এটা। আমরা এটা করে এখানে চলি। তবে এটা একতরফা হবে না।
বদলোকের জিজ্ঞেস করা হলো বিয়ে-শাদী করবো না? বলে যে 50% কনফার্ম। বলে এটা কি বুঝলাম না? বলে যে পাত্রী আমার দারুন চয়েস হয়েছে। তো প্রস্তাব দিয়ে কয় জি না। তো প্রস্তাব দিলা না তো 50% কনফার্ম হলো কেন? বলে যে আমি তো পছন্দ করেছি। এখন ওইদিকে প্রস্তাব যাওয়ার পরে যদি ওরা বলে নো তাহলে 100% নো।
স্বাভাবিকভাবেই একতরফের সদিচ্ছায় কিছু হবে না এখানে সকলের সদিচ্ছা থাকতে হবে এই সদিচ্ছার ক্ষেত্রটা তৈরি করা আমাদের সকলের পবিত্র নৈতিক দায়িত্ব আসুন না আমি আবার বলি যে একটা পার্লামেন্ট এমন করি যে পার্লামেন্টের যুক্তি থাকবে একে অন্যের সমালোচনা থাকবে কিন্তু এটার মধ্যে আমরা যেন সীমালঙ্ঘন না করি
কাউকে পেইন দেওয়া খুটা দেওয়া অবিয়াসলি আপনি যখন একজনকে পেইন দিবেন অন্তত সমপরিমাণ পেইন সহ্য করার জন্য আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে এটা তো কোন ভালো জিনিস হবে না আমরা এই কালচারটা ত্যাগ করে এখান থেকে বের হয়ে আসা উচিত মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের যেদিকে যাবেন সেদিকেই আপনি সমস্যার কথা শুনবেন
সমস্যার কোনো অন্ত নাই। আমাদের সড়কগুলো পড়ে আছে অনেকদিন ধরে। কাজ চলছে শেষ হবে কখন কেউ জানে না। তারা আশায় বুক বেঁধে আছে যে একসময় শেষ হবে। কিন্তু শেষ হওয়ার আগেই দেখা যাবে আরেক জায়গায় ভেঙ্গে গেছে। এই জায়গাগুলো এবার মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় আমাদেরকে আশ্বস্ত করেছেন যে আর্থিক ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ফিরাইয়া না। এটা সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার। আমরা এই জিনিসটা
দেখতে চাচ্ছি। আমরা দেখতে চাই এই পার্লামেন্ট থেকে শুরু করে সর্বত্র এটার প্রতিফলন ঘটছে। ব্যাংক, বীমা সেক্টর, কর্পোরেশন, স্টক মার্কেট সব জায়গায় একটা শৃঙ্খলা ফিরে আসছে এটা দেখতে চাই। এখন যিনি অর্থমন্ত্রী তিনি একসময় চিটাগাং স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ছিলেন। সেই সময় আমার ছোট্ট একটা হাউস ছিল একটা মেম্বারশিপ বা ব্রোকারেস ছিল আমার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
অটোমেশনে যাওয়ার আগে চিটাগাং এক স্টক এক্সচেঞ্জ তার নেতৃত্বে অটোমেটেড হয়েছিল। তিনি একজন ডাইনামিক মানুষ। তিনি চাইলে পারবেন। এই আস্তা আমাদের আছে। কিন্তু সমস্যা এক জায়গায় এটা সরিষার মধ্যে। ওই সরিষাগুলোকে পুড়ায়ে ফেলতে হবে। ওই সরিষাগুলো ক্রাশ করে তেল বের করে সমাজে বিক্রি করে বন্টন করে দিতে হবে।
এই সরিষার নাম হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক যদি এই সংসদ না হয় আমি অ্যাবসোলুটলি কনফিডেন্ট বাংলাদেশ থেকে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নিবে। কিন্তু আমাদের যদি আশ্রয় প্রশ্রয় থাকে লাইক
ডিসলাইকিং, এগুলো যদি ক্রিয়াশীল থাকে দুর্নীতি বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেওয়ার কোন কারণ নেই। কেউ দুর্নীতি দায় দেন আমলাদেরকে, কেউ দায়
ব্যবসায়ীদেরকে কেউ দায় দেন রাজনীতিবিদদেরকে আমি বলি যে দায় আমাদের সবার কারো একার নয় একা কোন সেক্টরকে আলাদাভাবে দুর্নীতিমুক্ত করা অসম্ভব এর একটা সমন্বিত উদ্যোগ লাগবে একটা জায়গা লাগবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন দুর্নীতি থেকে ত্রুটি চেপে ধরবেন আমরা আপাতত চাচ্ছি দুর্নীতির হাত চেপে ধরেন এবং হাতের মধ্যে
কড়া লাগায়া দেন, হ্যান্ডকাপ লাগায়া দেন। দিয়ে বললেন যে আর বাড়াবাড়ি করলে পায়েও তোমাকে ক্রস বেড়ি লাগায়া দেব। এরপরে যদি আর বাড়াবাড়ি করো তাইলে ঠিকই মুখে তালা দিয়ে দেব। তখন টুটি চেপে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ। এই ক্ষেত্রে যদি এই দুর্নীতির সাথে আমি কিংবা এখানকার কেউ জড়িত থাকে কাউকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। আমি পার্টিকুলারলি কাউকে এটার দ্বারা মিন করছি না।
আমি এটার কালেক্টিভ রেসপন্সিবিলিটি আছে বলে আমি মনে করি দুর্গন্ধযুক্ত বাতাস বইছে আর আমি ফিনফিনা গাড়ির ভিতরে বসে আছি কিছু হলেও ওই ছিদ্রপথে এসে আমার নাকে ঢুকবে সেই দুর্গন্ধ এটাই স্বভাব এই জন্য আমরা কেউ নিজেকে ফেরেশতা দাবি করতে পারি না আমরা ভুলের উর্ধে আমরা সব অপরাধের উর্ধে এ দাবি জীবনে আমি করবো না এবং আমি মনে করি কারোই করা উচিত না
কিন্তু নিজের ভুলটাকে বোঝা হচ্ছে সবচাইতে বড় যোগ্যতা এটা আমার ভুল এটা বুঝে যারা প্লে করবেন আলহামদুলিল্লাহ তারা ভালো করবেন যারা এটা বুঝতে ব্যর্থ হবেন তারা সমাজের জন্য ভালো কিছু করতে পারবেন না মাননীয় স্পিকার কথা বলতে গেলে অনেক কথা আছে এর কোন শেষ নাই জুলাই সংক্রান্ত যে কথাগুলো আমরা গতকাল বলেছি আজকে একটা আমি আর রিপিট করতে চাইনা এই সংসদ শুনেছে আবার শোনার দরকার নাই
আমাদের প্রত্যাশা আমরা সরকারি দল থেকেও বলছি জুলাই আমাদের বিরোধী দল থেকেও বলছি জুলাই আমাদের তাহলে এই জুলাইটা যেন সত্যিকারেই আমাদের হয় সেটা আমরা দেখতে চাই ধন্যবাদ জানাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার নেতৃত্বে ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জুলাই স্মৃতি জাদুকর 5 আগস্ট খুলে দেবেন এটি আপামর জনগণের একটা আকাঙ্ক্ষার জায়গা ছিল
আর জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের ব্যাপারে আশ্বাস শুনেছি এটার জন্য অগ্রিম ধন্যবাদ ধন্যবাদ জানিয়ে রাখলাম আমি অনুরোধ করব জুলাই কে ইতিহাসের পাতায় তুলে ধরার জন্য এবং এই কাজটা সরকারকে করতে হবে মাননীয় মন্ত্রী আছেন তিনি এটাতে গুরুত্ব দিবেন জুলাই অধিদপ্তর যেটা করেছেন তার আওতায় শহীদদের প্রোফাইল তার আওতায় আহত
যারা আছে তাদেরকে তুলে আনার এই বিষয়টা ইতিহাসের অংশ হিসেবে সংরক্ষণের তিনি কার্যকরী উদ্যোগ নেবেন এটা আমি আশা করি মাননীয় স্পিকার যেহেতু ছুটির জন্য সবাই মুখে আছে আর সারা বাংলাদেশ এখন কমবেশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এজন্য আমি আমার কথা আজকে আর বাড়ালাম না কথা আরো অনেক বলা যাবে আল্লাহ তৌফিক দিলে শুধু আমাদের গরিব সহকর্তা
কর্মীদের ব্যাপারে একটা কথা বলতে চাই। আমার এখন লজ্জা হচ্ছে এখানে বলতে হচ্ছে এটা। আমি দুইবার যেখানে বলার সেখানে বলেছি। তার আংশিক বাস্তবায়ন হয়ে এখনো কিছু কিছু আমাদের এই সচিবালয়ের অধীনে কিছু লোকের পাওনা এখনো রয়ে গেছে। এই গরিবদেরকে আটকাইয়া রাখিয়েন না। ওদেরটা দিয়ে দেন। এটা আমি বিশেষ করে সচিব মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ
করছি। এটা আপনার কাজ। আপনি এটা শেষ করেন। ওরা আর আমাদের কাছে এসে বলুক এটা আমরা শুনতে চাইনা। এদের বিষয়টা যত তাড়াতাড়ি পারেন এটার সমাধান করেন। শেষ পর্যায়ে এসে আমি এই সংসদ বিশেষ করে বাজেট অধিবেশন পরিচালনায় সংসদ সচিবালয়ের সম্মানিত আমাদের সহকর্মীবৃন্দ তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। এর সাথে সম্পৃক্ত যত উইং আছে
সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট থেকে শুরু করে গণমাধ্যম থেকে শুরু করে রেওয়াজ অনুযায়ী বাজেট সেশনে সেশন যখন শেষ হয় তখন তাদেরকে এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ ইনসেন্টিভ দেওয়া হয় যে বেতনটা এখন তারা ভোগ করছে সমস্ত কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ যারাই আছেন তারা রেগুলার বেসিসে থাকুন অথবা এডহক বেসিসে থাকুন যেভাবেই থাকুন তাদের সকলের জন্য আমি প্রস্তাব করছি
এটা যেন বরাদ্দ করা হয়, তাদেরকে দেওয়া হয়। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতাকে আপনার মাধ্যমে অনুরোধ করব, আমার এই প্রস্তাবটা তিনি সমর্থন করে গ্রহণ করে কার্যকরী ব্যবস্থা
গ্রহণ করবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধী দলের নেতা আই সিনসিয়ারলি থ্যাঙ্ক ইউ ফর এক্সপ্রেসিং ইউর কনসার্ন রিগার্ডিং দ্যা চেয়ার থ্যাঙ্ক ইউ আমি এখন মাননীয় সংসদ নেতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে
সমাপনী বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার উপস্থিত মহান সংখ্যা
সকল সদস্যবৃন্দ আমরা আজকে জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এবং প্রথম বাজেট অধিবেশন শেষ করতে যাচ্ছি অবশ্যই আমি মনে করি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি মনে করি একজন সংসদ সদস্য হিসেবে মাননীয় স্পিকার আমি মনে করি আজকে এই মুহূর্তে আমাদের এই মুহূর্তটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত কারণ
মুক্ত বাংলাদেশে বাংলাদেশের মানুষের দ্বারা নির্বাচিত জাতীয় সংসদ বহু বছর পরে সেই সংসদে জনগণের সত্যিকার নির্বাচিত প্রতিনিধিরা আলোচনা করে একটি বাজেট পাশ করেছে সেজন্যই সেজন্যই মাননীয় স্পিকার এই মুহূর্তটি
ঐতিহাসিক মুহূর্ত স্পিকার বাজেট অধিবেশনের যেদিন বাজেট পাস হয় সেদিন আমার বক্তব্যে আমি বলেছিলাম আমাদের উদ্দেশ্য সরকারের উদ্দেশ্য এবং সরকারের লক্ষ্য ছিল এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করা এমন একটি বাজেট তৈরি করা যেটিকে আমরা বলতে পারি জনগণের জন্য জীবন বান্ধব বাজেট
মাননীয় স্পিকার, অতীতে আমরা দেখেছি অধিকাংশ সময় সবসময় না হলে অধিকাংশ সময় বাজেট উপস্থাপনের পরেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বিভিন্ন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ কিভাবে তাদের রিএকশন গুলো জানিয়ে ছিল বাট এই বছর আমরা বাজেট উপস্থাপনের পরে বাজেট নিয়ে যে সকল সংগঠন
বিভিন্ন সময় চুলচেরা বিশ্লেষণ করে থাকে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে তারাও বলেছে যে এই বাজেটটি অনেকটাই জনবান্ধব এই বাজেটকে এই বাজেটে আমরা যা করতে চেয়েছি
সেই সকল সংস্থা বা সংগঠনও মনে করে যে আমরা সেটি করতে সক্ষম হবো। তবে মাননীয় স্পিকার, এই বাজেটের সুফল যদি জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে হয়, এই বাজেটের সুফল যদি জনগণের দৌড় গড়ায় পৌঁছে দিতে হয়, তাহলে অবশ্যই মাননীয় স্পিকার আমি সরকারি প্রশাসন কিংবা বিভিন্ন বেসরকারি কর্তৃপক্ষ সবার
সহযোগিতা কামনা করি। মাননীয় স্পিকার, আমি এই সংসদের সকল সংসদ সদস্য এবং দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কারণ জনগণের কাঙ্খিত এই সংসদ প্রত্যেক সংসদ সদস্যের প্রচেষ্টায় জনগণের
সংসদ হয়ে উঠেছে আজও যেমন আজও যেমন মাননীয় স্পিকার একটি বিল উপস্থাপন কে কেন্দ্র করে আমাদের মধ্যে হয়তো দ্বিমত আছে কিন্তু সংসদের উভয় পাশ্য প্রাণবন্ত আলোচনা করেছে এবং প্রাণবন্ত আলোচনা করার মাধ্যমে প্রত্যেক যারা যারা আলোচনা অংশগ্রহণ করেছেন
এমনকি বিরোধীদলীয় মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাও সেই আলোচনায় সংক্ষিপ্তভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। এই আলোচনার মাধ্যমে যে যার চিন্তা উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।
মাননীয় স্পিকার, এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এটাই হচ্ছে সংসদীয় গণতন্ত্রের মাধুর্য। মাননীয় স্পিকার, আপনার মাধ্যমে আমি সকল সংসদ সদস্যকে এই অধিবেশনে অংশ গ্রহণ করে আমরা গণতান্ত্রিক ভাবে যে প্রত্যেকটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পেরেছি তার জন্য আমার পক্ষ থেকে আমি সকলকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার, এবার আমি স্মরণ করতে চাই কিছু মানুষকে কিছু সময় কিছু সময় যে মানুষগুলো তাদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং তাদের উৎসর্গকৃত জীবনের জন্যই যে জীবনকে তারা উৎসর্গ করেছেন তার জন্যই আজ আমরা এখানে দাঁড়িয়ে কথা বলছি।
মাননীয় স্পিকার, আমি স্মরণ করতে চাই 1971 সালে স্বাধীনতা অর্জনের যুদ্ধে যে সকল মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন। আমি স্মরণ করতে চাই 1975 সালের 7ই নভেম্বর সিপাহী জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব আমি স্মরণ করতে চাই 2013 সালের শাপলা চত্বর
গণহত্যার যে সকল ব্যক্তি শহীদ হয়েছেন স্মরণ করতে চাই 1990 সালের স্বৈরাচারী বিরোধী আন্দোলনে যে সকল রাজনৈতিক কর্মী শহীদ হয়েছেন যারা বিভিন্ন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন স্মরণ করতে চাই 2009 সালের বিডিআর বিদ্রোহের নামে যে হত্যাযজ্ঞের কালো অধ্যায় যে অফিসাররা শহীদ হয়েছেন মাননীয় স্পিকার
দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী আন্দোলনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং অসংখ্য অরাজনৈতিক ব্যক্তি যারা বিভিন্নভাবে শহীদ হয়েছেন নির্যাতিত হয়েছেন হত্যা গুমের শিকার হয়েছেন সেই মানুষগুলোকে আমি স্মরণ করতে চাই মাননীয় স্পিকার 2024 সালে দেশ এবং জনগণের স্বাধীনতা রক্ষায় রক্তক্ষয়ী গণউদ্ভুৎথান
সেই অভ্যুত্থানে জনগণের সেই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন সেই শহীদদেরকে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করতে চাই মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে ইতিহাসের বাকে বাকে এমন প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে অসংখ্য অগণিত মানুষ যাদের নাম আমরা জানি না যাদের অনেককেই হয়তো আমরা চিনি না
এই মুহূর্তে আজকের এই দিনে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে সকল ব্যক্তির প্রতি আমি শ্রদ্ধা জানাতে চাই তাদের রুহের আক মাগফিরাত কামনা করতে চাই মাননীয় স্পিকার এই সংসদে দাঁড়িয়ে আজ যখন আমরা আলোচনা করছি সেই সময়টি হচ্ছে জুলাই মাস 2024 সালের জুলাই মাসে শুরু হওয়া যে আন্দোলন ছিল সেই আন্দোলন
আন্দোলনটি পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছিল। মাননীয় স্পিকার 2024 সালের বীর ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে জুলাই শহীদদের আমি বিশেষভাবে স্মরণ করতে চাই আজকের এই সংসদ অধিবেশনে। মাননীয় স্পিকার আজো
আমরা উভয়পক্ষ আলোচনা প্রসঙ্গে আমরা উল্লেখ করেছি যে দেশ স্বাধীনে যারা জীবনকে উৎসর্গ করেছেন যারা আহত হয়েছেন সেই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের যেমন আমরা এখনো ঋণ শোধ করছি সেভাবে একই ভাবে আমরা বিগত 17 বছর ধরে যে সকল রাজনৈতিক কর্মী বিভিন্ন দলের
তারা যেভাবে নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঠিক একই ভাবে জুলাই যোদ্ধা যারা নিজেদেরকে উৎসর্গ করেছেন যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন আমরা সরকারের পক্ষ থেকে শুধু সরকার না আমি বলব এক্ষেত্রে বিরোধী দলের একসাথে বিরোধী দল এবং সরকার একই সাথে উভয় পক্ষ আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি এই সকল মানুষের পাশে রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে আমরা তাদের পাশে দাঁড়াবো মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার, এই দেশের একজন নাগরিক হিসেবে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি
হিসেবে জনগণের একজন নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমি বিশ্বাস করি আমাদের শহীদগণ এমন একটি বাংলাদেশ চেয়েছিলেন যে বাংলাদেশের ন্যায়পরায়ণতা এবং ন্যায়বিচারী হবে শেষ কথা যে বাংলাদেশে ধনী অথবা গরিব কেউ বৈষম্যের শিকার হবেন না এবং দৃঢ়ভাবে আমরা প্রত্যেকে বিশ্বাস করি
সেই বাংলাদেশ যে বাংলাদেশে চরমপন্থা কিংবা উগ্রবাদের কোনরকম থাই হবে না মাননীয় স্পিকার যে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে কেউ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করবে না মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার যে বিষয়গুলো আপনার সামনে উল্লেখ করলাম আমি মনে করি এই বিষয়গুলোকে
এড্রেস করা সঠিকভাবে এড্রেস করাই আমাদের সবার কর্তব্য আমাদের শহীদদের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা যদি আমরা করতে চাই তাদের রক্তের ঋণ যদি আমরা শোধ করতে চাই তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে এই বিষয়গুলোকে এড্রেস করার মাধ্যমেই আমরা তাদের সেই ঋণ পরিশোধ করতে সক্ষম হব হয়তো মাননীয় স্পিকার বর্তমান সরকার বাংলাদেশের জনগণ দ্বারা
নির্বাচিত একটি সরকার। অবশ্যই এই সরকারের লক্ষ্য একটি জনগণ, জনগণ এবং বাংলাদেশের জনগণ। এবং সে কারণেই মাননীয় স্পিকার বর্তমান সরকার চায় বাংলাদেশকে একটি কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য। যেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণী, প্রতিটি মানুষ, পেশার মানুষ রাষ্ট্রীয় সেবা কমপক্ষে পাবেন।
এবং এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্যই মাননীয় স্পিকার ইতিমধ্যেই সরকার ফ্যামিলি কার্ড কৃষক কার্ড স্পোর্টস কার্ড ইমাম মোয়াজ্জেম সহ অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের সম্মানী দেওয়ার যে বিষয়টি আমরা উল্লেখ করেছিলাম প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম সেই কাজগুলো মাননীয় স্পিকার আমরা শুরু করেছি মাননীয় স্পিকার এই সংসদে দাঁড়িয়ে আমি আগেও বলেছিলাম বাজেট অধিবেশন উপস্থাপনের সময় আজ আবারো উল্লেখ করতে চাই মাননীয় স্পিকার আমি ধন্যবাদ
ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার বিরোধীদলীয় বন্ধুদেরকেও। গতকালকে একজন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য মাননীয় সংসদ সদস্য দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করেছেন যে কবে তার এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। মাননীয় স্পিকার বিএনপির এই পলিসি বা বিএনপির এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন দেওয়ার জন্য আমি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা সহ সকল বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। মাননীয় স্পিকার
আপনি নিজেও একজন কৃষকের সন্তান এই দেশের অধিকাংশ মানুষ অধিকাংশ পরিবার কোনো না কোনো ভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে জড়িত আমার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিগত নির্বাচনের আগে বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে আমার দল যদি বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন নিয়ে আল্লাহর রহমতে সরকার গঠনে সক্ষম হয় আমরা তাহলে 10000 টাকা পর্যন্ত যে সকল কৃষকের কৃষি ঋণ ছিল মাননীয় স্পিকার আমরা সেগুলো পরিশোধ করবো
মাননীয় স্পিকার সেগুলো সরকার থেকে পরিশোধ করব অর্থাৎ সেগুলো সুদ সহ ঋণ আমরা মওকুফ করে দিব মাননীয় স্পিকার আমরা সরকার গঠন করার সাথে সাথে প্রথম কেবিনেট মিটিংয়ে আমরা সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যার ফলে সমগ্র বাংলাদেশে 13 লক্ষ কৃষক যাদের ঋণ 10000 টাকা ছিল সুদ সহ সেই ঋণকে মওকুফ করে দেওয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার কারণ আগেই আমি বলেছি মাননীয় স্পিকার আমাদের
লক্ষ্য হচ্ছে একটি রাষ্ট্র গঠন একটি দেশ গঠন যেখানে আমাদের মূল লক্ষ্যই হবে জনগণ। মাননীয় স্পিকার, সরকারের পরিচালনা পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্ধারিত নির্বাচিত প্রতিটি সেক্টরের মানুষের কাছে আর্থিক সুবিধা সম্মিলিত বিভিন্ন ধরনের যে সকল কার্ডগুলো আছে আমরা সফলভাবে সেগুলো পৌঁছে দেওয়ার কাজ পর্যায়ক্রমিকভাবে ধীরে ধীরে শুরু করেছি।
কিন্তু মাননীয় স্পিকার এই সবগুলোকে একসময় আমরা একটি কার্ডের মধ্যে নিয়ে আসতে চাই এবং সেজন্যই মাননীয় স্পিকার আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা সবগুলো সেটি কৃষক কার্ড হোক সেটি ফ্যামিলি কার্ড হোক সেটি প্রবাসী কার্ড হোক সেটি ইমাম মুয়াজ্জিন সাহেব দের কে যে সম্মানী দেয়া হচ্ছে সেটির কার্ড হোক সবকিছু আমরা ইউনিভার্সাল কার্ড নামে একটি কার্ডের ভিতরেই আমরা সবকিছু নিয়ে আসবো।
মাননীয় স্পিকার, আগেও বলেছি আবারো বলছি একজন নাগরিক হিসেবে একজন রাজনীতিবিদ রাজনীতি কর্মী হিসেবে একজন জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধি হিসেবে আমি বিশ্বাস
রাষ্ট্র যদি নাগরিকদের দায় মেটাতে ব্যর্থ হয় তাহলে জনগণ এবং রাষ্ট্র উভয় দুর্বল হয়ে পড়বে মাননীয় স্পিকার আমি মনে করি এই সকল সুবিধা নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের করুণা নয় বরং এই সকল যেগুলো আমরা দিতে চাইছি যেগুলো আমরা কাজগুলো করতে চাইছি এগুলো হচ্ছে রাষ্ট্রের দায় জনগণের প্রতি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার ভবিষ্যতে
যদি আমরা স্বৈরাচারকে তাবেদার রুখতে চাই স্বৈরাচার তাবেদারকে রুখতে চাই তাহলে অবশ্যই রাষ্ট্র এবং জনগণকে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী করতে হবে মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার বর্তমান সরকার শুধু যে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে সহযোগিতা করার জন্য বিভিন্ন রকম কার্ড যে প্রদান করবে তা নয়। আর্থিক সহায়তা হয়তো আমরা অবশ্যই তৈরি করবো জনগণকে
অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে তোলার জন্য বিশেষ করে যারা ডিপ্রাইভ অংশ জনগণের যে অংশটি ডিপ্রাইভ কিন্তু মাননীয় স্পিকার একই সাথে আমাদের আরেকটি অন্যতম মূল লক্ষ্য হচ্ছে এই দেশে বাংলাদেশের কর্মক্ষম যে জনশক্তি রয়েছে সেই কর্মক্ষম জনশক্তির জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা কর্মসংস্থানের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা মাননীয় স্পিকার সেজন্যই বিভিন্ন সেক্টরে আমরা ভাগ করে করে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি
যার ফলে আমরা প্রত্যাশা করি আমরা আশা করি ইনশাআল্লাহ আমরা লক্ষ্য নাই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে আমরা সক্ষম হব পর্যায়ক্রমিকভাবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার জনশক্তি রফতানি ছাড়াও দেশের ভিতরে বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমরা 10 লক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি একই সাথে মাননীয় স্পিকার যোগাযোগ পরিবহন খাতের এছাড়া ব্লু ইকোনমি বলতে আমরা যেটা বুঝি সেই সমুদ্র সামুদ্রিক
সম্পদ আহরণ এবং ইকো টুরিজম খাতে মাননীয় স্পিকার 10 লক্ষ কর্মসংস্থান আমরা সৃষ্টির চেষ্টা করছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার এর বাইরে বিদেশের কর্মসংস্থান ইজি করার জন্য সহজ করার জন্য আমরা বিভিন্ন ভাষা এবং দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রশিক্ষণ আমরা চালু করেছি মাননীয় স্পিকার চাহিদাভিত্তিক এবং যুব উপযোগী শিক্ষা উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ এবং ক্যারিয়ার সেন্টার স্থাপন ও
আমাদের এই পরিকল্পনা মাননীয় স্পিকার এগিয়ে চলছে মাননীয় স্পিকার বাজেট অধিবেশনে মাননীয় অর্থমন্ত্রী উপস্থাপন করেছেন যে কোন প্রেক্ষাপটে কি পরিস্থিতিতে আমরা বাংলাদেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছি মাননীয় স্পিকার ঋণ নির্ভর অর্থনীতিকে আমরা পরিণত করতে চাই বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতি এবং আমাদের সরকারের যে মূল যে কটা
পরিকল্পনা তার অন্যতমই হচ্ছে যে বিনিয়োগ নির্ভর থেকে অর্থনীতিকে নির্ধারণ নির্ভর থেকে অর্থনীতিকে আমরা বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতিতে পরিণত করব। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করব। সম্পদ তৈরিতে আমরা বিনিয়োগ নির্ভর অর্থনীতি হবে আমাদের প্রধান চালিকাশক্তি মাননীয় স্পিকার এবং সেই কারণেই বর্তমান সরকার সকল পরিকল্পনা এমন ভাবে তৈরি করেছে যাতে ইনশাআল্লাহ 2034 সালের মধ্যে আমরা ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির কাছাকাছি চলে যেতে পারি।
মাননীয় স্পিকার, পরিবেশ দূষণ, জলবায়ু পরিবর্তন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি দেশকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ভাবেই শক্তিশালী করবে না বরং আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশের ভূমিকে বসবাসযোগ্য করে তুলতে বর্তমান সরকার আমরা নির্দিষ্ট কতগুলি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। মাননীয় স্পিকার, আগামী পাঁচ বছর স্বেচ্ছাশ্রম এবং সরকারি
উদ্যোগে আমরা সারাদেশে 25 কোটি বৃক্ষরোপণ বা সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির কাজ আমরা হাতে নিয়েছি। মাননীয় স্পিকার আজকের অধিবেশনের প্রথম পাঠে আমি বলেছিলাম যে আজকে সকালে আমি প্রাথমিক স্কুলের বাচ্চাদের একটি অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলাম। সেই অনুষ্ঠানে সেইখানে আমি নিজে এবং অনলাইনে কানেক্টেড হয়ে বিভিন্ন বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলায় সাথে স্কুলগুলোর সাথে কানেক্টেড হয়ে মাননীয় স্পিকার আজকে সকালে আমরা
প্রায় 2 লক্ষ গাছের চারা আমরা রোপণ করেছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার যে 25 কোটি গাছ বা 25 কোটি বৃক্ষরোপণের আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি সেটিকে সফল করার জন্য প্রতিবছর ইনশাল্লাহ আমরা 5 কোটি বৃক্ষরোপণ করতে চাই এবং এই যে বৃক্ষগুলি রোপণ করা হবে মাননীয় স্পিকার তার জন্য তো অবশ্যই চারা উৎপাদন করতে হবে এবং এই চারা উৎপাদন করার জন্য মাননীয় স্পিকার
আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি যে 10,000 নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলা হবে। যেই 10,000 নার্সারি মাননীয় স্পিকার গড়ে তোলা হবে সেই 10,000 নার্সারিতে আমরা
করছি যে ইনশাআল্লাহ আড়াই লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে এই 10,000 নার্সারিতে। মাননীয় স্পিকার এছাড়াও এছাড়াও ভূমি ব্যবস্থাপনা নগর বন্দর ব্যবস্থাপনা গ্রামীণ ও নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষার অগ্রাধিকার বহুভাষা শিক্ষা দেশের আভ্যন্তরের নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সময় উপযোগী প্রতিরক্ষা কৌশল নির্ধারণ এবং এই সকল প্রত্যেকটি বিষয়
কাজ এগিয়ে চলছে পর্যায়ক্রমিকভাবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার একটু আগে মাননীয় বিরোধী দলের নেতা বিষয়টি উল্লেখ করেছেন কি সেই বিষয়টি বিষয়টি হচ্ছে অবশ্যই দুর্নীতি দমন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকারের অগ্রাধিকার বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীকে সম্পূর্ণ ভাবে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চায় মাননীয় স্পিকার একই ভাবে
একইভাবে মাননীয় স্পিকার, দুর্নীতির যে বিষয়টি আছে আমরা দেখেছি স্বৈরাচারের সময় কিভাবে প্রতিবছর এই দেশ থেকে 16 বিলিয়ন ডলার পাচার করে দেয়া হয়েছে যার ফলে বিরোধীদলীয় নেতা উনার বক্তব্যে যে রাস্তাঘাট বা যেটারই উনি বিবরণ দিয়ে থাকুক না কেন এই সকল সমস্যাগুলো একটি অন্যতম কারণ হচ্ছে এই দুর্নীতি মাননীয় স্পিকার এবং এই দুর্নীতিকে যেকোনো ভাবেই হোক সেটি হাত বেঁধে হোক তুটি চেপে হোক যেকোনো ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে
বর্তমান সরকার মানুষের বদ্ধ পরিকর মাননীয় স্পিকার দেশের মানুষের যে কোটি চাওয়া মূল যে কোটি চাওয়া তার মধ্যে অন্যতম সাধারণ নাগরিকের খেটে খাওয়া মানুষের অন্যতম চাওয়া হচ্ছে একটি নিরাপদ পরিবেশ অর্থাৎ একজন কৃষক
শিক্ষক হোক, একজন শ্রমিক হোক, একজন শিক্ষক হোক, শিক্ষক হোক, ছোট ব্যবসায়ী হোক, যেমনই মানুষ হোক না কেন, প্রত্যেকটি মানুষ চায় দিন শেষে কাজ শেষ করে যখন সে বাড়িতে ফিরে যাবে তখন সে নিরাপদে যাতে যেতে পারে বাড়িতে অথবা দিন শেষে বাড়ি গিয়ে যখন পরিবারকে নিয়ে যদি কোথাও বেড়াতে বের হয় সে যাতে নিরাপদে যেতে পারে আবার নিরাপদে তার বাসস্থানে ফিরে আসতে পারে। মাননীয় স্পিকার, জনগণের এই নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একটু আগেই আমরা উল্লেখ করেছি আমরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে
পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে চাই এবং সেটির অংশ হিসেবে মাননীয় স্পিকার আমরা বর্তমান সরকার বর্তমান সরকার 10000 নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে মাননীয় স্পিকার আগেও বলেছি আবার আমি উল্লেখ করতে চাই বর্তমান সরকার কোনোভাবেই কোনো প্রকার চরমপন্থা বা উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দিবে না এবং
আমরা যেভাবে সরকারি দল এবং বিরোধী দল আমরা বিভিন্ন বিষয় এই সংসদে কোনো কোনো বিষয়ে হয়তো দ্বিমত করেছি কিন্তু একই সাথে অনেক বিষয়ে আমরা একমত পোষণ করেছি আমি বিশ্বাস করি দৃঢ়ভাবে যে উগ্রবাদ এবং চরমপন্থাকে যে বর্তমান সরকার প্রশ্রয় দিবে না এই ব্যাপারে আমরা সম্পূর্ণভাবে বিরোধী দলের সহযোগিতা পাবো ইনশাআল্লাহ মাননীয় স্পিকার
আজ থেকে প্রায় তিন বছর আগে জনগণের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গঠনের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জনগণের সঙ্গে বিভিন্ন জেলা উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম পর্যায়ে জনগণের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে 31 দফা আমরা জাতির সামনে দেশের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম মাননীয় স্পিকার একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বিগত নির্বাচনে এই 31 দফার ভিত্তিতে আমরা আমাদের
মেনিফেস্টো জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম সেই মেনিফেস্টোর প্রতি জনগণ তাদের রায় দিয়েছে মাননীয় স্পিকার আমি মনে করি সেই 31 দফার আলোকে যে মেনিফেস্টো আমরা দিয়েছিলাম অর্থাৎ সেই যে 31 দফা সেই 31 দফার পক্ষে যখন জনগণ রায় দিয়েছে এই 31 দফা এখন আর বিএনপির 31 দফা নয় বরং এটি এখন সমগ্র বাংলাদেশের জনগণের 31 দফা
এবং এই 31 দফা এখন যেরকম এই 31 দফা এখন যেমন সমগ্র বাংলাদেশের সমগ্র বাংলাদেশের জনগণের 31 দফা মাননীয় স্পিকার ঠিক একই ভাবে এই পবিত্র জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আমরা নির্বাচনের আগে প্রায় সবগুলো রাজনৈতিক দল আজ আমার দল একই সাথে বিরোধী রাজনৈতিক দল আমরা এই জুলাই সনদ স্বাক্ষর করেছিলাম।
স্যার, স্পিকার, আগেও বলেছি, আজ বলছি, পরিষ্কারভাবে রাত্তহীন ভাষায় আমি বলতে চাই, আমরা জুলাই সনদ যেটি স্বাক্ষর করেছিলাম, স্বাক্ষরিত প্রতিটি জুলাই সনদের স্বাক্ষরিত
প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে আমরা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ অঙ্গীকারবদ্ধ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচারের আমলে যেভাবে দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সংগঠনকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি সংবিধানের
সংগঠনকে যেমন ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম একটি ছিল বাংলাদেশের শিক্ষাখাত আপনি দেখেছেন মাননীয় স্পিকার আপনার পরিষ্কার মনে আছে কিভাবে সেই সময় নকলকে উৎসাহিত করা হয়েছিল কিভাবে সেই সময় অটোপ্রমোশন দিয়ে আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল মাননীয় স্পিকার অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয় অন্তরবর্তীকালীন সরকারের
সময় আমরা এবেপারে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখিনি মাননীয় স্পিকার আমাদের শিক্ষাখাতের অনেকগুলো সমস্যা রয়েছে যা ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচারের সময় হয়েছিল শুরু হয়েছিল এবং পরিকল্পিতভাবে তা করা হয়েছিল বলে একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মাননীয় স্পিকার এই সমস্যাগুলোকে এড্রেস করার জন্য যেমন প্রাথমিক সহ সকল পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সঠিকভাবে ভালো
শিক্ষণ দেওয়ার জন্য একইভাবে বিভিন্ন বিতর্কিত বিষয়গুলো সিলেবাসগুলোকে ধীরে ধীরে সরিয়ে আনা একই ভাবে শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণ নিশ্চিত করা এই সকল বিষয়গুলোকে আমরা প্রাধান্য দিতে চাই মাননীয় স্পিকার এবং এ কারণেই আপনি দেখেছেন মাননীয় স্পিকার এবার বাজেটে বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রেখেছে এবং মাননীয় স্পিকার আমরা দেখেছি পৃথিবীতে যে কটি দেশ
উন্নতি করেছে প্রত্যেকেই তারা শিক্ষা খাতে সকল সময় বরাদ্দ বেশি রেখেছে মাননীয় স্পিকার ইজিপ্ট সেখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় লেখা আছে যদি কোন জাতিকে ধ্বংস করতে হয় তাহলে তার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দাও মাননীয় স্পিকার আমার কেন জানি মনে হয় এই বাক্যটিকে স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার মনে প্রাণে গ্রহণ করেছিল কাউকে খুশি করার জন্য মাননীয় স্পিকার
একটি বিশেষ গোষ্ঠী কোনো একটি বিশেষ দেশকে খুশি করার জন্য এই তারা এই নীতিটি গ্রহণ করেছিল। মাননীয় স্পিকার বর্তমান সরকার সম্পূর্ণভাবে এটির বিরোধী এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সঠিকভাবে শিক্ষা দেওয়ার জন্য দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে ভালো শিক্ষার নিশ্চয়তা দেওয়ার জন্য দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে যারা গড়ে তুলবেন সেই সকল শিক্ষকদেরকে সুন্দরভাবে সঠিক ভালো ট্রেনিং দেওয়ার জন্য সকল উদ্যোগ বর্তমান সরকার গ্রহণ করেছে। মাননীয়
স্পিকার এই কার্যক্রম যাতে আমরা সঠিকভাবে চালিয়ে যেতে পারি সেজন্য মাননীয় স্পিকার আমরা যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি আগামী পাঁচ বছরে ইনশাআল্লাহ বাজেটের শতকরা পাঁচ শতাংশ আমরা শিক্ষা ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমিক ভাবে বরাদ্দ করব জিডিপির পাঁচ শতাংশ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমরা যে যতই বলি না কেন ছোটবেলায় একটি লেখা পড়েছিলাম বইয়ের মধ্যে
হচ্ছে সকল সুখের মূল যদি স্বাস্থ্য কারো নষ্ট হয়ে যায় তাকে যা কিছুই দেওয়া হোক না কেনো কোনো কিছুই ভালো খাবার দেওয়া হোক ভালো পোশাক দেওয়া হোক ভালো জায়গায় ঘুরতে নিয়ে যাওয়া হোক কোনো কিছুই সে উপভোগ করতে পারবে না মাননীয় স্পিকার আমরা অতীতের শিক্ষা ব্যবস্থার যে করুণ চিত্র সংক্ষেপে আপনার সামনে তুলে ধরে মাননীয় স্পিকার একই ভাবে স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচারের সময় স্বাস্থ্যকর কেও সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল মাননীয় স্পিকার বলতে দ্বিধা নেই
আমার স্ত্রী যেহেতু একজন চিকিৎসক আমার আশেপাশে যেকোনো ভাবেই হোক সে কারণেই হোক বহু চিকিৎসক আমার আশেপাশে আছেন আমার পরিবারের মধ্যে হোক পরিবারের আশেপাশে হোক সবার থেকে যে ধারণাটা আমি পেয়েছি মাননীয় স্পিকার বলতে দ্বিধা নেই যে স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচার সরকার বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে অন্য কারো হাতে মনে হয় তুলে দিয়েছিল একটি বিশেষ দেশকে সুবিধার জন্য ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল আমাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা।
মাননীয় স্পিকার, মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা, বাজেট উপস্থাপনের দিন উনার বক্তব্যে উনি বলেছেন যে সম্পূর্ণ চিকিৎসা ব্যবস্থা অসুস্থ। আমি উনার সাথে উনি বলেছিলেন 100 ভাগ অসুস্থ। আমি বলেছিলাম 100 ভাগ না 101 ভাগ অসুস্থ মাননীয় স্পিকার। আজও একই ভাবে সেই কথার পুনরাবৃত্তি করতে চাই। মাননীয় স্পিকার সেজন্যই সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা এই চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে চাই জনগণের উপযোগী করে তুলতে চাই।
সেজন্য মাননীয় স্পিকার, এই চিকিৎসাখাতকে গড়ে তোলার পাশাপাশি জনগণ যাতে সুবিধা পায়, সেজন্য মাননীয় স্পিকার আমরা
এই বছর বাজেটের 1.2% বরাদ্দ রেখেছি চিকিৎসা খাতের জন্য এবং পর্যায়ক্রমিকভাবে আগামী পাঁচ বছর এটিকে আমরা 5% উন্নীত করতে চাই মাননীয় স্পিকার জিডিপির। মাননীয় স্পিকার বর্তমান যুগে বর্তমান বিশ্বে ইউরোপে তারা একটি নীতি গ্রহণ করেছে। প্রিভেনশন ইজ বেটার দেন কিওর। অর্থাৎ একজন মানুষ
অসুস্থ হবার আগেই যদি তাকে আমরা সচেতন করার মাধ্যমে অসুস্থ হওয়া থেকে দূরে রাখতে পারি তাহলে সেই মানুষটি যেমন উপকৃত হবে সেই মানুষটি যেমন সুস্থ থাকবে একইভাবে মাননীয় স্পিকার রাষ্ট্র বা জনগণের অর্থ কম খরচ হবে এবং একইভাবে মাননীয় স্পিকার তার ফলে যেটি হবে যে মানুষটি শেষ পর্যন্ত অসুস্থ হবে সে যখন হাসপাতালে যাবে সে কিছুটা হলে বেটার চিকিৎসা বেটার সুবিধা পাবে এবং সে কারণে মাননীয় স্পিকার জনগণকে আরো সচেতন করার জন্য
বিষয় আরো সচেতন করার জন্য আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম আমরা সারা বাংলাদেশে এক লক্ষ হেলথ কেয়ার অ্যাপয়েন্ট করতে চাই মাননীয় স্পিকার আপনি জানলে খুশি হবেন এবং আপনার মাধ্যমে এই সংসদে আমি জানাতে চাই যে আমরা এই এক লক্ষ হেলথ কেয়ার অ্যাপয়েন্ট করার কাজ শুরু করেছি মাননীয় স্পিকার অতি শীঘ্র এটি ঘোষণা করা হবে মাননীয় স্পিকার আপনি জানলে খুশি হবেন এবং এই সংসদের মাধ্যমে আমি সকলকে আপনার মাধ্যমে এই সংসদের সকলকে
জানাতে চাই যে বাংলাদেশে আরেকটি শ্রেণীর মানুষ আছে যাদের চিকিৎসা পেতে খুবই কষ্ট হয় বিশেষ করে গ্রামেগঞ্জে যে মানুষগুলো থাকে কারা তারা তারা হচ্ছে আমাদের সন্তানের আমাদের শিশুরা তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা সেভাবে নেই বললেই চলে একদম শূন্যের কোঠায় মাননীয় স্পিকার বর্তমান সরকার দ্রুততার সাথে পাঁচটি বিভাগে পাঁচটি সম্পূর্ণভাবে 200 বেডের পাঁচটি শিশু হাসপাতাল চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে
ইনশাল্লাহ আমরা প্রত্যাশা করছি প্রত্যাশা করছি মাননীয় স্পিকার আগামী সেপ্টেম্বর মাসে এই টোটাল 1000 বেডের হাসপাতালগুলো তো চালু হবে শিশুদের জন্য শুধুমাত্র মাননীয় স্পিকার গত কয়েক মাসে গত কয়েক মাসে আমি বাংলাদেশের অনেকগুলো এলাকা ঘুরেছি বহু মানুষের সাথে আমার কথা হয়েছে মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিবাদের আমলে স্বৈরাচারের আমলে
শুধু উন্নয়নের কথা শুনতাম। কিন্তু যখন মাননীয় স্পিকার আমি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গিয়েছি বহু মানুষের সাথে সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলেছি যখন তাদের এলাকা সম্পর্কে জেনেছি তখন মাননীয় স্পিকার সেই ফ্যাসিবাদের উন্নয়নের সেই গল্প এবং বাস্তবতার মধ্যে কোনই মিল পায়নি মাননীয় স্পিকার এবং মাননীয় স্পিকার মাননীয় বিরোধী দলের নেতা তার
নিজের জেলা যেহেতু সিলেট, বিগত বাজেট উপস্থাপনের দিন উনি ঢাকা-সিলেট হাইওয়ের কথা বলেছিলেন এবং সেই সাথে তখন স্পিকার সাহেব সেদিন উপস্থিত ছিলেন সেই সাথে আমাকে একটু সংযুক্ত করেছেন সিলেটের সাথে স্পিকার সাহেবকে সংযুক্ত করেছিলেন আত্মীয়তার সূত্রে সিলেটের সাথে মাননীয় স্পিকার। আপনি জানলে খুশি হবেন মাননীয় স্পিকার এবং আপনার মাধ্যমে আমি বলতে চাই যে এই সকল কাজগুলো পর্যায়ক্রমিক ভাবে আমরা শুরু করেছি ইনশাআল্লাহ
ধীরে ধীরে আমরা জনগণকে এর সুফল পৌঁছে দিতে পারবো মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আমি আরেকটি খাতের কথা উল্লেখ না করলেই নয়। বিগত স্বৈরাচারের সময় আমরা দেখেছি অনেকগুলো খাতের মধ্যে একটি খাতকে স্বৈরাচার এবং তার আশেপাশের ক্লোজ যারা লোকজন ছিলো তারা বেছে নিয়েছিলো নিজেদের পকেট ভারী করার জন্য।
মাননীয় স্পিকার। কোন সেই খাতটি? সেই খাতটি ছিল মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সেক্টর। ফ্যাসিবাদের সময় দেড় দশকে বিদ্যুৎ খাত থেকে হরিণ লুট হয়েছে কমপক্ষে মাননীয় স্পিকার 3 লক্ষ কোটি টাকা। কুইক রেন্টাল গুলোকে এইটি ছিল তাদের কুইক রেন্টালের নামে কুইক মানি অর্জনের একটি সেক্টর কুইক দুর্নীতির একটি সেক্টর মাননীয় স্পিকার। এই কুইক রেন্টাল গুলোকে কমপক্ষে 1 লক্ষ 30,000 কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি
চার্জ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু মাননীয় স্পিকার, জনগণ কিন্তু তার সুফল পায় নাই। মাননীয় স্পিকার, জ্বালানি খাত ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সম্পূর্ণভাবে আমদানি নির্ভর করে ফেলা হয়ে এই জ্বালানি খাতকে। এবং শুধু তাই নয় মাননীয় স্পিকার, সবচেয়ে বেশি যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করা হয়েছিল সেটি হচ্ছে মাননীয় স্পিকার স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি এটি আমাদেরকে ইমপোর্ট করে আনতে হয় বিদেশ থেকে। আমরা এখানে আমাদের কোন তেলের খনি নেই, ডিজেল বলেন, পেট্রোল বলেন যেটি।
আমাদেরকে সম্পূর্ণভাবে বিদেশ থেকে ইমপোর্ট করতে হয়। কিন্তু ইমপোর্ট করে আনতে হলেও মাননীয় স্পিকার যে মজুদটি রাখা উচিত আপৎকালীন সময় যেন সেই মজুদের উপরে কোন রকম নজর দেওয়া হয়নি। ফলে আগে
মাত্র 30 দিনের ও কম মজুদ আমাদের হাতে থাকতো। বিগত তিন মাস কাজ করার ফলে বিশেষ করে যখন এই সমস্যা তৈরি হলো মধ্যপ্রাচ্যের আমরা কাজ শুরু করেছি এবং পর্যায়ক্রমিক ভাবে মাননীয় স্পিকার আমরা এই মজুদ টাকে এখন 45 দিনের উপরে নিয়ে গেছি এবং ইনশাল্লাহ এটিকে আমরা 90 দিন পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করছি মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আপনি জানলে আশ্চর্য হবেন মাননীয় স্পিকার বিগত
স্বৈরাচারের সময় 17 বছর ধরে বাংলাদেশের যে বাপেক্স আছে আমাদের যে গ্যাস কূপ খননের যে সংস্থাটি আছে তাদেরকে কোনোভাবেই কোনোরকম ভাবে সুযোগ দেওয়া হয়নি কাজ করার জন্য মাননীয় স্পিকার সম্পূর্ণভাবে বিদেশীদের হাতে এটি ছেড়ে দেওয়া হয়ে মাননীয় স্পিকার বর্তমান সরকার বাপেক্স কে সক্রিয় করে আবার গড়ে তুলছে তাদের জন্য রিগ আমদানি করা হচ্ছে এবং তারা নিজেরা গ্যাস কূপ খনন করবে মাননীয়
স্পিকার তারা নিজেরা গ্যাস ক্ষুপকণন করার মাধ্যমে নতুন গ্যাস ক্ষুপকণন করবে পুরনগুলোতে তারা গ্যাসের অনুসন্ধান করবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি একাধিক ভাগের রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে সে অভিজ্ঞতা এবং পরিকল্পনা নিয়ে আমরা কাজ করছি মাননীয় স্পিকার এবারো রাষ্ট্রীয় পরিচালক
পরিচালনায় আমাদের সুনির্দিষ্ট কতগুলো পরিকল্পনা রয়েছে যা সংক্ষেপে আপনাদের আপনার সামনে আমি তুলে ধরেছি মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার যদিও আমাদের অর্থনীতি দুর্বল সমগ্র বিশ্ব একটি যুদ্ধ পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে যাচ্ছে এবং এই সংসদ এই সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অপরিসীম। মাননীয় স্পিকার এমন পরিস্থিতিতে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছি। মাননীয় স্পিকার অর্থনৈতিক ভাবে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছি মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার, আমরা জনগণকে সাথে নিয়ে পরিকল্পনাগুলোকে ইনশাল্লাহ বাস্তবায়ন করব। কারণ মাননীয় স্পিকার, বাংলাদেশের জনগণ পরিশ্রমী, আমাদের তরুণরা উদ্যমী, আমাদের কৃষকরা পরিশ্রমী এবং উৎপাদনশীল মাননীয় স্পিকার এবং আমাদের উদ্যোক্তারা সম্ভাবনাময়। মাননীয় স্পিকার, আমি বিশ্বাস করি সরকার যদি ব্যবসা-বাণিজ্যের সামনে সকল বাধা সরিয়ে দিতে সক্ষম হয়
আমরা দুর্নীতিকে যদি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি এবং ন্যায়ভিত্তিক সুযোগ সৃষ্টি করতে পারি মাননীয় স্পিকার এবং অবশ্যই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে যদি জবাবদিহি তার আওতায় আনতে পারে মাননীয় স্পিকার তাহলেই আমরা শহীদ দেশে এই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো মাননীয় স্পিকার একটু আগেই বলেছি সারা দেশ ঘুরে আমি
মানুষের সাথে কথা বলেছি দেশ ঘুরেছি বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি ঘুরে আসার পরে মাননীয় স্পিকার মানুষের মধ্যে আমি যে উৎসাহ যে উদ্দীপনা যে আগুন দেখেছি যে উদ্যম দেখেছি মাননীয় স্পিকার একজন নাগরিক হিসেবে মাননীয় স্পিকার আমি কনফিডেন্ট এবং সেই কনফিডেন্ট বলেই আজকে আমার সেই বিষয়টি আমি এই সংসদের সাথে শেয়ার করলাম মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার
মাননীয় স্পিকার, আমি আপনার মাধ্যমে এই সংসদের সকল সদস্যদের মাধ্যমে কারণ আমরা সকলে জনগণের প্রতিনিধি, জনগণের প্রতিনিধিত্ব আমরা করছি। আমি কয়েকটি বিষয় হয়তোবা এটি ঠিক সংসদীয় বিষয় না। তারপরে আমি কিন্তু আমি মনে করি রাজনীতির বিষয় না। কিন্তু আমি মনে করি বিষয়গুলি আমাদের বর্তমান এবং ভবিষ্যতের সাথে জড়িত এবং সে কারণে
মাননীয় স্পিকার, এই বিষয়গুলি আমি এই মহান সংসদের সামনে এই 350 জনপ্রতিনিধির সামনে মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চাই। মাননীয় স্পিকার, দুর্নীতি, দুঃশাসন, স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে শুধু রাজনীতি অর্থনীতি নয় বরং আমাদের ধর্মীয় খুব সম্ভবত মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা উনার বক্তব্যে বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। উনার সাথে একসাথে আমি উপস্থাপন করতে চাই। আমাদের ধর্মীয়
সামাজিক সংস্কৃতি এবং পারিবারিক মূল্যবোধের মনে হয় অবক্ষয় ঘটেছে কিছু মাননীয় স্পিকার। আমাদের এই মূল্যবোধকে ফিরিয়ে আনতে হবে যেকোনো ভাবেই হোক না কেন। পারিবারিক যে মূল্যবোধ সেটিকে আমাদের ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরী মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার একটি ছোট্ট ছড়া আমি ছোটবেলায় পড়েছি আপনি পড়েছেন আমার বিশ্বাস অধিকাংশ বিরোধীলী নেতাও পড়েছেন আমি মনে করি দৃঢ়
ভাবে বিশ্বাস করি অনেক সংসদ সদস্যই পড়েছেন সেটি। কি সেটি ছড়াটি? সকালে উঠি আমি মনে মনে বলি সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি। মাননীয় স্পিকার, আমাদের এই ছোটবেলার
আমাদের এই ছোটবেলার যে ছড়া বা কবিতা যে মূল্যবোধ সেই মূল্যবোধ আমাদেরকে এই সংসদকে যেকোনো মূল্যে ফিরিয়ে আনতে হবে মাননীয় স্পিকার যদি আমরা যদি আমরা এই দেশকে গঠন করতে চাই তাহলে অবশ্যই এই সকল মূল্যবোধ আমাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে এক্ষেত্রে মাননীয় স্পিকার আমি প্রতিটি পরিবার যার যার দায়িত্ব পালন করবে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি এবং
এই দায়িত্বটা যাতে প্রত্যেকটি পরিবার পালন করতে পারে যাতে করে মাননীয় আপনার মাধ্যমে মাননীয় সকল সংসদ সদস্যকে আমি অনুরোধ করব এ ব্যাপারে যদি আপনারা যার যার এলাকায় মানবিক দায়িত্ব গ্রহণ করেন তাহলে আমরা আমাদের কাঙ্খিত বাংলাদেশকে ফিরিয়ে আনতে পারবো মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি আরেকটি বিষয় জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার মাননীয় আমি জানিনা কিভাবে মিলে গেল মাননীয় বিরোধীদলের নেতা তার একটু আগে
যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন, সেখানে উনি ওই বিষয়টি উল্লেখ করেছেন মাননীয় স্পিকার। আসুন মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে সকল সংসদস্য আমরা আমাদের জনগণকে উদ্বুদ্ধ করি আমরা যেন যত্র তত্র ময়লা আবর্জনা না ফেলি। এটি আমরা যদি প্রত্যেকে বাংলাদেশের 300 এলাকায় 300 জন সংসদসদ্য এবং আমার বোনেরা ও যে 50 জন আমাদের এখানে নারী সংসদ সদস্য আছেন সেই বোনেরা ও যদি
স্বস্ব এলাকায় আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করি তাহলে অবশ্যই আমরা এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারবো মাননীয় স্পিকার প্লাস্টিক ব্যাগ পলিথিন ব্যাগ কিংবা বোতল যেখানে যেটি থাকুক না কেনো সেটি যাতে আমরা মানুষকে সেই সচেতনতা দিতে পারি সেটি যাতে যেখানে সেখানে ফেলা না হয় মাননীয় স্পিকার ছোট্ট এই বিষয়গুলো সংসদে বলার কারণ হলো বিষয়গুলো ছোট হলে বিষয়গুলো আমাদের
জনজীবনে এর প্রভাব অপরিসীম বর্তমান এবং ভবিষ্যতের জন্য মাননীয় স্পিকার আমরা চাই নিশ্চয়ই আমরা চাই প্রত্যেকটি মানুষ আমরা চাই প্রত্যেকটি সংসদ সদস্য আমরা চাই একটি পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্থ্যকর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমি একটু পরেই মাগরিবের আজান হয়ে যাবে আমি আমার বক্তব্যকে সংক্ষেপ করে নিয়ে আসতে চাই মাননীয় স্পিকার আমি এই বাজেট অধিবেশন
চলাকালীন সময় যারা নিয়ম-শৃঙ্খলার রক্ষার দায়িত্ব পালন করেছেন সার্জেন্ট এডামস সংসদের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী সকলকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই। মাননীয় স্পিকার, এবার আমি আরেকটি বিষয়ের উপরে দৃষ্টি আনতে চাই। এটিও আমি বিরোধীদলের সম্মানিত নেতার সাথে একমত হয়ে বলতে চাই। সেটি হলো এই সংসদ
এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কয়েকজন ব্যক্তি যারা কাজ করেছেন বাজেট অধিবেশন চলাকালীন সময় বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন তাদেরকে এই সময়ের মধ্যে যে প্রাপ্য ভাতা সংসদের রীতি অনুযায়ী সেটি দেওয়ার আহ্বান আমি জানাতে চাই মাননীয় সংসদ বিরোধীদলীয় নেতার সাথে মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে আপনার মাধ্যমে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করতে চাই
সরকার জনগণের সরকার বর্তমান সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করি আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করি জনগণের জীবন এবং সম্পদ সুরক্ষা সরকারের পবিত্র আমানত বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমরা এমন একটি
বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায় যেখানে রাষ্ট্র এবং সরকার হবে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক। মাননীয় স্পিকার, অর্থনীতি হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং সর্বোপরি নাগরিকের জীবন হবে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং সম্ভাবনাময়। মাননীয় স্পিকার, ত্রয়দশ জাতীয় সংসদের চলতি দ্বিতীয় অধিবেশন গত 7 ই জুন
2026 তারিখে শুরু হয়ে এক মাস নয় দিন পর আজ সমাপ্ত হতে যাচ্ছে গত 11 জুন 2026 তারিখে মাননীয় অর্থমন্ত্রী সংসদে 2026-27 অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেছেন বাজেটের প্রথম এই সংসদের প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেছেন বাজেটের উপর সরকারি এবং বিরোধী দলের 316 জন সংসদ সদস্য প্রায় 48 ঘন্টা
51 মিনিট আলোচনা করেছেন। এই উদ্বোধন এ আমি যদি সঠিক বলে থাকি 11 টি বিল পাশ সহ প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন এবং অন্যান্য মাননীয় মন্ত্রীদের
প্রশ্ন জিজ্ঞাসা উত্তর আলোচিত এবং টেবিলে উপস্থাপিত হয়েছে এছাড়া মাননীয় স্পিকার সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি সরকারি হিসাব কমিটি সহ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়েছে অধিবেশন চলাকালে সংসদ সচিবালয় কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ দিনরাত সরকারি ছুটি সহ ছুটির দিনে এমনকি অক্লান্ত পরিশ্রম করে মঞ্জুরি দাবি ছাটাই প্রস্তাব বাজেট পাশ সংক্ষিপ্ত
আলোচনা সাধারণ আঞ্চলিক এবং সংসদীয় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা সহ অধিবেশন অনুষ্ঠিত ভাবে সমাপ্তিতে সহায়তা করেছেন তাই সার্বিক বিষয় বিবেচনাপূর্বক 2026 ক্রিস্টসাব্দে বাজেট অধিবেশন উপলক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় যা একটু আগে আমি বলেছি আবারো জোর দিয়ে বলতে চাই সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী সাত বাৎসরিক কর্মচারীবৃন্দ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মচারীবৃন্দ যারা সংসদ ভবন
সমস্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সহায়ক হিসেবে কর্মরত বিটিভি এবং বাংলাদেশ বেতারের সংসদে কর্মরত কর্মচারীবৃন্দ এবং সংসদে কর্মরত গণপূর্ত বিভাগ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীবৃন্দকে পূর্ব রেওয়াজ অনুযায়ী তাদের চলতি এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ সম্মানীভাতা হিসেবে প্রদানের জন্য আমি মাননীয় স্পিকারকে অনুরোধ করছি। মাননীয় স্পিকার সংসদ পরিচালনার জন্য আমি মাননীয় স্পিকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি
মাননীয় ডেপুটি স্পিকারকে মাননীয় চিফ হুইপ সহ হুইপবৃন্দ মন্ত্রীসভার মাননীয় সদস্যবৃন্দ এবং সকল মাননীয় সংসদ সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ আমি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বিরোধীদলের উপনেতা এবং বিরোধীদলের চিফ হুইপ সহ বিরোধীদলের সকল সংসদ সদস্যকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি সভাপতি মঞ্চের মাননীয় সদস্যবৃন্দকে
আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই সংসদ সচিবালয়ের সচিব সহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দকে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দকে আরো ধন্যবাদ জানাই। চিকিৎসক, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, গণপূর্ত, বুদ্ধি, বিদ্যুৎ ও টেলিফোন বিভাগসহ নিরাপত্তা বাহিনী সহ সকল সেবাকারী প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তিবর্গকে অবশ্যই সাংবাদিক ভাইয়েরা এর থেকে বাদ যাবেন না। ধন্যবাদ তাদেরও প্রাপ্য।
মাননীয় স্পিকার, শেষ করার আগে একটি কথা বলতে চাই, অবশ্যই এটি সংসদ এবং সংসদের রীতি অনুযায়ী সারা বিশ্বে যেটি প্র্যাকটিস সেই অনুযায়ী অবশ্যই আমাদের মধ্যে মতভিন্নতা থাকবে, তবে অবশ্যই শত্রুতা নয় মাননীয় স্পিকার, প্রতিহিংসা প্রতিশোধের পরিবর্তে থাকবে ন্যায় পরণতা।
যা মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জোর দিয়েছেন আমি একই সাথে তার উপরে জোর দিতে চাইছি মাননীয় স্পিকার এই বাংলাদেশ আর যাতে কখনো কোন ভাবেই ফ্যাসিবাদ স্বৈরাচার মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে না পারে আর যাতে আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি তাবেদারী তাবেদারী রাষ্ট্রে পরিণত হতে না পারে মাননীয় স্পিকার এই প্রশ্নে
এই প্রশ্নের মাননীয় স্পিকার আমরা অর্থাৎ সংসদে বিরোধী দল এবং সরকারি দল আমি দৃঢ়ভাবে আমরা বিশ্বাস করতে চাই আমাদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ঐক্য এবং যে কোনো মূল্যে এই জাতীয় ঐক্য অটুট এবং বজায় থাকবে ইনশাআল্লাহ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ
আমাকে আমার বক্তব্য উপস্থাপন করতে দেওয়ার জন্য আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ধন্যবাদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনাকেও মাননীয় সদস্যবৃন্দ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে দ্বিতীয় অধিবেশন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রস্তাব এবং মাননীয় সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর সদয় সম্মতির প্রেক্ষিতে সংসদে
রেওয়াজ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর সমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মানিত ভাতা প্রদানের বিষয়টি আমি সাদরে গ্রহণ করছি পরিশেষে মহান আল্লাহ তাআলার নিকট প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে শান্তি সমৃদ্ধ সমৃদ্ধি ও কল্যাণে সমৃদ্ধ করেন এবং আমাদের সকলকে জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠা
তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের তৌফিক দান করেন। আমি এখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে দ্বিতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি সংক্রান্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করছি।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 72 অনুচ্ছেদের এক দফায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোঃ শাহাবুদ্দিন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলতি দ্বিতীয় 2026 খ্রিস্টাব্দের বাজেট অধিবেশন 1433 বঙ্গাব্দে 31 আসার মোতাবেক 2026 খ্রিস্টাব্দের 15 জুলাই বুধবার বৈঠক শেষে সমাপ্ত
ঘোষণা করছি মোঃ শাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতা বিরোধীদলের নেতা এবং সমস্ত সংসদ সদস্যদেরকে আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ আসসালামু আলাইকুম
1200000
কোনো মিল পাওয়া যায়নি।