মূল লেখায় যান
← সংসদের দিনগুলো

সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য

বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

এই বৈঠকের JSON ডাউনলোড ↓

বক্তব্যের পাঠ্য

নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।

পাঠ্য কপি করলে শনাক্ত বক্তার নাম, মূল ভিডিওর লিংক, অংশের শুরুর সময় ও যাচাইয়ের ছোট নোট যুক্ত হবে।

তখনই প্রতীকী হিসেবে এই 100 টাকার রাসের কথা বলা হয়। মাননীয় সংসদ সদস্য তিনি এটা 100 টাকা বলা হয়েছে। মাননীয় সংসদ সদস্য তিনি যেই অভিযোগগুলি করেছেন, আমাদের সরকার মাত্র চার মাস হতে চলল। এই অভিযোগগুলি নিশ্চিত বিগত দিনের সরকারের যেই তাদের অবহেলা, দুর্বলতা ছিল, সেগুলি এখানে উনি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আমি ভেবেছিলাম যে এই বাজেট অধিবেশনে একমাত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয় যেখানে সকলেরই দাবি এবং শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন, সেই কারণে এখানে রাসের কোন প্রস্তাব আসবে না, তবুও এসেছে। আমি যদি বলি আমাদের এই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মিড ডে মিলের যে কথাটা বলা হয়েছে, সে মিড ডে মিলের যে ত্রুটি রয়েছে, সেগুলি আমরা সবগুলি সমস্যা সমাধানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা প্রতিনিয়ত সেই কাজগুলি করছি। উনি নিউট্রিশন এন্ড ফুড ভ্যালু সম্বন্ধে যেটা বলছেন, সেটাও আমাদের এক্সপার্টিজদের তাদের কাছ থেকে আমরা ধারণা নিয়েই সেগুলি আমরা করছি। মাননীয় স্পিকার এই শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি আমি উত্থাপন করতে চাই বিষয়গুলো, অত্যন্ত লম্বা হবে। তবুও বলতে চাই, ওয়ান টিচার, ওয়ান টাব হতে শুরু করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ফ্রি ওয়াইফাই, ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি কর্মসূচি, শিক্ষার্থীর জন্য পশু পালন কর্মসূচি, বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস প্রদান, এটি একটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেটিতে হাত দিয়েছেন। স্বাস্থ্য ও খাদ্য অধিকার সম্পর্কে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষা খাতে সামাজিক ও ভৌগোলিক বৈষম্য দূরীকরণের জন্য আমরা কাজ করছি। নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সে বিষয়টি আমাদের রয়েছে। সার্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণ ক্রিয়া আমরা ক্লাস ফোর থেকে মাননীয় মন্ত্রী এত তো বলে নাই মাননীয় সদস্য। যাই হোক মাননীয় স্পিকার আমি আর দীর্ঘায়িত করতে চাচ্ছি না। আমি এই উনারা যে ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন, এটা আসলে অবাস্তব প্রস্তাব। আমি এটাকে মঞ্জুর করার জন্য আপনার কাছে স বিনয় বিনেদন করছি এবং সহযোগ সকলের সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। আমি এখন সংসদের সামনে প্রশ্ন রাখছি। মাননীয় সদস্য মার্জিয়া মমতাজ যেই ছাঁটাই প্রস্তাবটি উত্থাপন করেছেন, যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবগুলো নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলনের প্রস্তাব মত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 46,737 কোটি 92 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 22 সংসদে গৃহীত হলো। আমি এখন দাবি নম্বর 23 উত্থাপনের জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর এহসানুল, ডক্টর আনম এহসানুল হক মিলনকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি ডক্টর আনম এহসানুল হক মিলন শিক্ষামন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন উন্নয়ন করা নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক অনধিক 57,301 কোটি 88 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। 68 টাকা। 57,301 কোটি 68 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দাবি নম্বর 23 এর উপরে 32 জন মাননীয় সংসদ সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তার মধ্যে একজন মাননীয় সদস্যকে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাব। তিনি হলেন মোসাম্মত নাজমুন্নাহার মহিলা আসন 40। আপনার সময় এক মিনিট। পারবেন না এক মিনিটে? পারবেন, ইউ স্পিক ফাস্ট। আচ্ছা দুই মিনিটে শেষ করেন। থ্যাংক ইউ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি শফিউল ইসলাম পটুয়াখালী দুই বাউফল। যে প্রস্তাব আছে এখানে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ সম্পর্কিত সরকারি নীতি সম্পর্কে আলোচনা। এখানে 125 মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ শিরোনামে 23 নং দাবি হ্রাস করে 1 টাকা করা হোক। এ প্রস্তাবে আমি দুটো বিষয়ে এখানে একটু উল্লেখ করতে চাই। একটি হচ্ছে যে প্রতিটি উন্নয়ন প্রকল্প আমাদের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতার যদি নিশ্চিত করা যায়, তাহলে এই যে বাজেট দেওয়া হয়েছে, আমরা আমরা বাজেটে লক্ষ্য করি যে গত 2025-26 যে কার্যকাল ছিল, সে 25-26 কার্যকালে এটার যে পরিমাণ ছিল, সেই পরিমাণ থেকে এখানে যা বৃদ্ধি করা হয়েছে, সেখানে ছিল 41 কোটি, 41,753 কোটি 95 লাখ টাকার তুলনায় এবার করা হয়েছে 57 লাখ 57,301 কোটি 68 লাখ টাকা। এই টাকা ব্যয়ের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো আসলে লক্ষ্য করলে আমরা যদি দেখি যে সেই জায়গাগুলো যদি নিশ্চিত করা যায় যে শিক্ষক নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করে নিয়মিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের ডিজিটাল ও বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা বৃদ্ধি করা, প্রত্যন্ত চরাঞ্চলগুলো বিশেষ করে মাননীয় স্পিকার আমরা আমাদের এলাকাগুলোতে লক্ষ্য করি, সেখানে শিক্ষক খুবই অপ্রতুল এবং যে বাজেট গত বছরে ছিল, সেই বাজেট বা তার আগের বাজেটেও আমরা যেটা লক্ষ্য করেছি, সেই বাজেটের তুলনায় আমাদের শিক্ষক এবং শিক্ষিকা যারা আছেন, তাদের পরিমাণটা এবং এবার যেটা ওয়ান টিচার, ওয়ান টাবের প্রকল্প দেওয়া হয়েছে। ওয়ান টিচার, ওয়ান টাব করতে হলে তো সেখানে ওয়াইফাই থাকতে হবে। ওয়াইফাই থাকতে হলে তো সেখানে বিদ্যুতের সরবরাহ থাকতে হবে। এই জায়গাগুলো নিশ্চিত না করে এই যে বাজেট দেওয়া হয়েছে, এই বাজেট আমি মনে করি বাস্তবসম্মত করে যদি আমরা বিবেচনা করি, তাহলে যে বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে, এটা 1 টাকায় নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে আমরা মূলত বুঝাতে চেয়েছি যে আমাদের বাজেট ওয়ালা তুবাজ্জিরু তাফজিরা ইন্নাল মুবাাজ্জিরিনা কানু ইখওয়ানা। মাননীয় মন্ত্রী আপনি মোহাম্মদ শফিউল ইসলামের প্রস্তাবের উপর বক্তব্য রাখতে পারেন। মাননীয় স্পিকার বক্তব্য রাখতে গেলে অনেক বক্তব্য রাখতে হবে। উনি যা বলেছেন, সেগুলি আমরা বিবেচনায় রেখেই বাজেট বাড়ানো হয়েছে এবং এই বাজেটকে যথোপযুক্তভাবে মানবসম্পদের জন্য এটি বিনিয়োগ করা হচ্ছে। এই বিনিয়োগের জন্য এই ছাঁটাই প্রস্তাবকে গ্রহণ না করে এই বাজেটটি মঞ্জুর করা হোক। এই আবেদন সকলের কাছে করছি। ধন্যবাদ আপনাকে। আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। আমি এখন প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ শফিউল ইসলামের ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আনম এহসানুল হক মিলনের প্রস্তাব মত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 57,301 কোটি 68 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 23 সংসদে গৃহীত হলো। দাবি নম্বর 24। এখন আমি দাবি নম্বর 24 উত্থাপনের জন্য মাননীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জনাব ফকির মাহবুব আনামকে আহ্বান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি ফকির মাহবুব আনাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী প্রস্তাব করছি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের অর্থ বৎসরে প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 18,115 কোটি 3 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দাবি নম্বর 24 এর উপর 23 জন মাননীয় সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তার মধ্যে একজন মাননীয় সদস্যকে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাব। তিনি হলেন মোসাম্মত নাজমুন্নাহার মহিলা আসন 40। আপনার সময় এক মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মোসাম্মত নাজমুন্নাহার মহিলা আসন 40 প্রস্তাব করছি যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সরকারি নীতি সম্পর্কে আলোচনা উত্থাপনকল্পে হিসাবের খাত 126 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় শিরোনামাধীন 24 নং দাবি হ্রাস করিয়া 1 টাকা করা হোক। মাননীয় স্পিকার এই প্রস্তাবের উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্য মন্ত্রণালয়ের নীতিগত দুর্বলতা, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের ব্যর্থতার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অর্থ হ্রাস ও সংস্কারের প্রস্তাব। মাননীয় স্পিকার গবেষণার জন্য বরাদ্দ ও তার কার্যকর ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। অনেক গবেষণার ফল মাঠ পর্যায়ে পৌঁছায় না। শিক্ষা শিল্প খাতে প্রয়োগ হচ্ছে না। তরুণ বিজ্ঞানীদের ক্ষেত্রেও আমরা দেখেছি যে তারা যে গবেষণা করে, সেই গবেষণার আধুনিক পর্যায়ে এখনো সহযোগিতা তারা পায় না। এখনো সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মাননীয় স্পিকার এই বিভাগে আমরা দেখেছি যে বালিশ কাণ্ডের কারখানা আমরা দেখেছি যে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় মন্ত্রী আপনি মোসাম্মত নাজমুন্নাহার এর প্রস্তাবের উপর বক্তব্য রাখতে পারেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমরা যে মঞ্জুরটা চেয়েছি, সেখানে আমাদের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আপনারা জানেন যে এটা আমরা গত এপ্রিল মাসে লোড গত 28শে এপ্রিল আমরা ফুয়েল লোডিং শুরু করেছি। এবং ইনশাল্লাহ এন্ড অফ আগস্ট আমরা ন্যাশনাল গ্রিডে 300 মেগাওয়াটের মত বিদ্যুৎ দেওয়ার আমাদের চেষ্টা চলছে। সুতরাং আমাদের এই কাজগুলি করার জন্যে আমাদের টাকা দরকার। তাছাড়া আমাদের বাংলাদেশ ওশেনোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট আছে একটা। সেটাকে আমাদের প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং আমরা একটা রিসার্চ ভেসেল তৈরি করছি। প্রায় 10 দিন আগে আমি খুলনা শিপয়ারে গিয়েছিলাম। ওখানে একটা রিসার্চ ভেসেলের কিল ওশেন, ওশেন, সাইন্টিফিক ওশেন শিপের জন্য একটা কিলের শুরু করে দিয়েছি আমি। ওখানেও কিছু টাকা লাগবে। তাছাড়া আমরা বরিশাল, রংপুরে নব থিয়েটার স্থাপন করার আমাদের চিন্তা ভাবনা আছে। যার জন্য আমাদের এইসব কার্যক্রমের জন্য টাকা দরকার। দ্যান অনুরোধ করব আপনারা কোন ছাঁটাই না করে আমার এই টাকার প্রস্তাবটা গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য মোসাম্মত নাজমুন্নাহারের ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হলো মাননীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের প্রস্তাব মত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 18,115 কোটি 3 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 24 সংসদে গৃহীত হলো। দাবি নম্বর 25। আমি এখন দাবি নম্বর 25 উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ শওকত হোসেনকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সরদার মোহাম্মদ শওকত হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মাননীয় মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 49,386 কোটি 89 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দাবি নম্বর 25 এর উপরে 37 জন মাননীয় সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। টাইম কনস্ট্যান্টের জন্য আমি তাদের মধ্যে থেকে একজনকে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাব। রোমেন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই। আপনার সময় এক মিনিট। একটু আগে মোসাম্মত মাননীয় স্পিকার আপ ধন্যবাদ। এক সেকেন্ড, এক সেকেন্ড। একটু আগে মোসাম্মত নাজমুন্নাহার এক মিনিটে কিন্তু চমৎকার বলেছেন। আপনিও এক মিনিটে পারবেন। থ্যাংক ইউ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমাদের স্বাস্থ্য খাতের জন্য 49,386 কোটি 89 লক্ষ টাকা মঞ্জুরের জন্য প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মাননীয় স্পিকার আমাদের স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ করে সরকারি হাসপাতালগুলোতে যেরকম সেবা রোগীদের পাওয়ার কথা, তার আশপাশের সেবা তারা পায় না। ডাক্তারের অনুপস্থিতি, পরিবেশগতভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং যেই ওষুধগুলো তাদের বিনামূল্যে পাওয়ার কথা, সেই ওষুধগুলো অনেক সময় তাদেরকে বিনামূল্যে দেয়া হয় না। এবং প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে বিশেষ করে জেলা, উপজেলা পর্যায়ে যে হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো আছে,

মাননীয় স্পিকার, সেখানে আমরা লক্ষ্য করি যে প্রাইভেট ক্লিনিকগুলোর এক ধরনের দৌরাত্ম্য সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে থাকে। প্রাইভেট ক্লিনিকে যাতে রোগী ট্রান্সফার করা হয় সেইজন্য নানান রকম যোগসাজশ সরকারি হাসপাতালগুলোর সঙ্গে তারা করে এবং রোগীরা যে স্বল্পমূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার কথা সেটা কিন্তু তারা। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি ছাঁটাই প্রস্তাবের উপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখতে পারেন। মাননীয় স্পিকার স্যার, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার স্যার, স্বাস্থ্যসেবাটা কিন্তু জনগণের কোন সুবিধা নয়। ইটস ইজ দ্যা বেসিক এন্ড কনস্টিটিউশনাল রাইটস অফ দ্যা পিপল টু হ্যাভ ইট অর এচিভ ইট ফ্রম দ্যা স্টেট। একটা সুস্থ জনগোষ্ঠী ছাড়া উৎপাদনশীল একটা অর্থনীতি বা সামাজিক ন্যায়বিচার বা একটা টেকসই জাতীয় উন্নয়ন কোনদিন সম্ভব নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্যখাতের ব্যয়কে ব্যয় হিসেবে না দেখে মাননীয় স্পিকার, এটাকে একটা দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীকে সঙ্গবদ্ধ সুস্বাস্থ্য দান করে একটা সুন্দর সমৃদ্ধ সে জাতি গঠনের ব্যয় হিসেবে গ্রহণ করাই আমাদের সবার সমীচীন। আমরা বিবেচনা করি, সবারই একইভাবে বিবেচনা করা উচিত। সেই বিবেচনা থেকে মাননীয় স্পিকার, মাননীয় সংসদ সদস্য যে বক্তব্য সমস্যার কথা বলেছেন, ওই সমস্যাগুলি তো আমরা চিহ্নিত করে মাননীয় স্পিকার, উন্নয়ন করতে চাই। আর উন্নয়ন করতে হলে একটি টাকা মাননীয় স্পিকার, এ তো ফকিরের ভিক্ষা। এই একটি টাকা দিয়ে কি হবে? আমি আশা করেছিলাম, উনি পোশাক বদলে এসেছেন যে অনেক টাকা আরো বেশি দিতে বলবেন আমাদেরকে মাননীয় স্পিকার। যাইহোক মাননীয় স্পিকার, স্বাস্থ্যখাতে আমরা বহুবিধ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। প্রত্যেকটা উপজেলা লেভেলের হাসপাতাল 50 থেকে 100 শয্যা করা হবে। 1 লক্ষ কর্মী নিয়োগ করা হবে। কিডনি এনালাইসিস সহ অনেকগুলি খাতে উন্নয়ন করা হবে। অনেক টাকার প্রয়োজন। কাজেই সেই দিক বিবেচনা রেখে মাননীয় স্পিকার, সেই দিক বিবেচনা রেখে ছাঁটাই প্রস্তাবকারীর ছাঁটাই প্রস্তাবকে গ্রহণ করতে পারছি না বিধায় আমার মঞ্জুরিটাকে এখানে মঞ্জুর করার জন্য আপনাকে স বিনয় অনুরোধ জ্ঞাপন করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য রুমান ফারহানা কর্তৃক উত্থাপিত ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার শওকত হোসেনের প্রস্তাব মত স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 49,386 কোটি 89 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 25 সংসদে গৃহীত হলো। দাবি নম্বর 26 উত্থাপনের জন্য মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামকে আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি ফকির মাহবুব আনাম, ডাক, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী প্রস্তাব করছি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ খাতে 2027 সালে 23শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরে প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,049 কোটি 2 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দাবি নম্বর 26 এর উপর 25 জন মাননীয় সংসদ সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তাদের মধ্যে একজনকে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট 2। আপনার সময় 1 মিনিট। মাননীয় স্পিকার, তিনজনের কথা বলার কথা ছিল। এখন একজন বলছি। আমাকে 2 মিনিট সময় দেবেন, অনুরোধ করছি। মাননীয় স্পিকার, আমি আচ্ছা আপনি 2 মিনিটেই বলেন। মাননীয় স্পিকার, আমি তথ্য ও যোগাযোগ বিভাগের 26-27 অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত 2,049 কোটি 2 লক্ষ টাকার মঞ্জুরি দাবির বিরুদ্ধে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় স্পিকার, আমরা digitale এর বিরুদ্ধে নই। তবে digital এর নামে digit বাড়ানোর বিরুদ্ধে। ICT খাতের গুরুত্ব আমি স্বীকার করছি। কিন্তু গুরুত্বের নামে গড়মিল মেনে নিতে কষ্ট হয়। দক্ষতার ঘাটতি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং এর যে অভাব রয়েছে, অথচ বিশাল বরাদ্দ আমরা এতে দিচ্ছি। এ অসঙ্গতি দূর না করা পর্যন্ত এই দাবি পুনর্বিবেচনা করা জাতীয় সংসদের দায়িত্ব। মাননীয় স্পিকার, সারা বাংলাদেশে computer lab স্থাপিত আছে 11,307 টি। তার মধ্যে আমার আসনে দুটি থানায় 37 টি রয়েছে। আমি আমার আসনে খোঁজ নিয়ে দেখেছি যে অর্ধেক পরিমাণ lab অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে। তার মানে আমার আসন দ্বারা যদি বিচার বিশ্লেষণ করি, সারা বাংলাদেশে 11,000 এর মধ্যে আমরা 6,000 ও lab কার্যকর আছে বলে মনে করছি না। সুতরাং এখানে শুধুমাত্র lab কার্যকর, অকার্যকর তা নয়। ICT শিক্ষক সংকট রয়েছে। ইন্টারনেটের সংযোগ দুর্বল, ধীরগতি, বিদ্যুৎ সমস্যার প্রভাব, রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বাজেট হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। digital বৈষম্য রয়ে গেছে। শহরের তুলনায় গ্রামে দ্রুতগতি ইন্টারনেটের আরো বেশি অপ্রতুল। মাননীয় স্পিকার, বাজেট বরাদ্দ না বাড়িয়ে দুর্নীতি বন্ধ করুন। কম বরাদ্দেই অনেক বেশি বরকত হবে, আমরা বিশ্বাস করি। মাননীয় স্পিকার, সরকার হাজার হাজার computer lab স্থাপনের দাবি করলেও কতটি lab বর্তমানে সম্পূর্ণ সচল রয়েছে? কতটিতে প্রশিক্ষিত ICT শিক্ষা রয়েছে? কতটি lab নিয়মিত ব্যবহার হচ্ছে? তার হালনাগাদ তথ্য কি সরকারের কাছে রয়েছে? তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির খাতে বিপুল অর্থ বরাদ্দ হলেও জনগণ জানতে চায় এই বিনিয়োগের বিপরীতে কতজন দক্ষ কর্মসংস্থান পেয়েছে? কতটি প্রকল্প সময়মতো সম্পন্ন হয়েছে এবং digital সেবার মান কতটা উন্নত হয়েছে? জবাবদিহিতা, সুশাসন ও কার্যকর ফলাফল নিশ্চিত না করে শুধু বরাদ্দ বৃদ্ধি করলে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে না। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে আমি এখন মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রীকে সংক্ষেপে উত্তর দেবার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। যেহেতু টাইম কনস্ট্যান্ট আছে বলে আমি অল্প কথায় শেষ করছি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের চলমান এবং পরিকল্পনাধীন প্রকল্পগুলি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে দেশের নারী এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর digital দক্ষতার উন্নয়ন, নতুন কর্মসংস্থানের এবং freelancer, ICT পেশাজীবীদের দক্ষতার উন্নয়ন, high speed internet সংযোগের সম্প্রসারণ, বিনিয়োগবান্ধব নীতি, startup ও উদ্ভাবন fund তৈরি, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, software ও ICT সেবা রপ্তানির বৃদ্ধি, software ও ICT শিল্প উদ্যোক্তা সৃষ্টি, সরকারি সেবা digital platform এ প্রদান ও cyber নিরাপত্তা অবকাঠামোর উন্নয়ন, high tech park, software technology park ও ICT village নির্মাণসহ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে ইনশাআল্লাহ। যেহেতু আমার আরো অনেক কিছু বলার কথা বলার সুযোগ ছিল, যেহেতু টাইম কনস্ট্যান্ট কনস্ট্যান্ট আছে বলে আমি আর কথা না বাড়িয়ে আমি শুধু ছাঁটাই প্রস্তাবগুলি গ্রহণ করতে পারলাম না বলে আন্তরিক দুঃখিত প্রকাশ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাত, বাগেরহাট 2 এর প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের প্রস্তাব মত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 30,442 কোটি 66 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 26 সংসদে গৃহীত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন দাবি নম্বর 27 উত্থাপনের জন্য মাননীয় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনকে আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরে প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা এবং উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে 5,196 কোটি 13 লক্ষ 57 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ স্পিকার। দাবি নম্বর 28 এর উপর 23 জন মাননীয় সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তাদের মধ্যে একজনের ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাব। তিনি হচ্ছেন সাবিকুন নাহার, মহিলা আসন 39। আপনার সময় 1 মিনিট। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমাকে 2 মিনিট সময় দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি। আপনি 2 মিনিটেই বলুন। আমি সাবিকুন নাহার, মহিলা আসন 39, প্রস্তাব করছি যে,

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সরকারি নীতি সম্পর্কে আলোচনা উত্থাপনকল্পে, হিসাবের খাত 130 মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় শিরোনামা-ধীন 28 নং দাবি হ্রাস করিয়া 1 টাকা করা হোক। মাননীয় স্পিকার, এ ছাঁটাই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য আমার এ ছাঁটাই প্রস্তাবের উদ্দেশ্য বরাদ্দ কমানো নয়, বরং মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের মাঝে প্রাইয়রিটি ও নেসেসিটি ভিত্তিতে অ্যালোকেশন অন্য খাতের সাথে ইন্টারচেঞ্জ করা হোক। এবং কার্যক্রমের ওয়েস্ট প্রিভেনশন, লিমিটেশনস, ট্রান্সপারেন্সি ও একাউন্টেবিলিটির প্রশ্ন সংসদের সামনে তুলে ধরা আমার মূল উদ্দেশ্য। আমরা দেখেছি যে এই বাজেট নারী ও শিশুর জন্য অনেক বাজেটে সুন্দর সুন্দর শব্দ আছে, এমপাওয়ারমেন্ট, প্রটেকশন, ট্রেনিং, ডে কেয়ার, প্যারেন্টিং। কিন্তু আমরা যদি সংখ্যার দিক থেকে দেখি তাহলে দেখব যে সেটা খুবই অপ্রতুল বাস্তবতার আলোকে। আমরা দেখছি যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সরাসরি বরাদ্দই হচ্ছে 5,371 কোটি টাকা। এখান থেকে নামিয়ে 5,196 কোটি-তে নেমে এসেছে। অর্থাৎ 175 কোটি টাকা কম। প্রায় 3.26% কম। আমরা দেখতে পাচ্ছি মুখে নারী ও শিশু উন্নয়নের কথা বলেও বাস্তবে কিন্তু রেসপন্সিবল মিনিস্ট্রিতেই কাট করা হয়েছে। মাননীয় স্পিকার, পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্সেস, সেফটি এন্ড মোর সাইবার সিকিউরিটি, এসব ক্ষেত্রে ওয়ার্কপ্লেসের নারীর যে সেফটি আছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে যে বরাদ্দ অনেক কমানো হয়েছে। স্কিল ডেভেলপমেন্টের কথা বলেও টার্গেট প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কাট আছে। নারীদের ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজি ট্রেনিং, এখানেও আমরা দেখেছি অনেক কমানো হয়েছে। সেটা 5,000 থেকে 5,702 থেকে 9.9 থেকে 5,435 কোটি-তে নেমে এসেছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রগ্রেস আমি এখন মাননীয় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীকে ছাঁটাই প্রস্তাবটির উপরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্য, উনি সংসদ সদস্য আর মহিলা বলা ঠিক হবে কিনা জানিনা। যাই হোক, মহিলা হয়েও উনি মহিলা এবং শিশুদের বাজেট 1 টাকায় নামিয়ে আনার জন্য বলেছেন। অর্থাৎ উনি বাজেটটার সাথে একমত পোষণ করেন নাই, আমরা ধরে নিচ্ছি। কাজেই আমরা শুধু উনাকে বলতে চাই, আপনি অংকের হিসেবে দেখেছেন 172 কোটি টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু সবুজ পাতা বলে বাজেটে একটা প্রোগ্রাম আছে। সেই প্রোগ্রামের মধ্যে আমাদের নতুন এবং আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী যে সমস্ত প্রোগ্রাম, বিশেষ করে শিশু এবং নারী, নারীর সুরক্ষা, তাদের প্রশিক্ষণ, তাদের পুনর্বাসন এবং সর্বোপরি তাদেরকে সমাজে যাতে অন্য নারী যারা আছেন, পিছিয়ে পড়া নারী গোষ্ঠী শুধু নয়, তাদেরকে সামনে আনা, তাদের অধিকার সুরক্ষিত করা এবং তাদেরকে এডুকেশন, স্কিল, তার সাথে সাথে টুলস দিয়ে সহায়তা করার জন্যই আজকে এই যে কর্মসূচি, অর্থাৎ 5,196 কোটি 13 লক্ষ 57 হাজার টাকার যে প্রস্তাবনা, এটি শুধু করা হয়েছে এর বাইরেও সবুজ পাতাতে আরো অনেক প্রকল্প, যেগুলো পরবর্তীতে আমরা আরো আলাপ--বিচার-বিশ্লেষণ পরবর্তীতে এবং আমাদের পরিকল্পনা কমিশনের সাথে কথা বলে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হবে। তখন আপনি দেখতে পাবেন এই বাজেটটি এবং নারী এবং শিশুদের জন্য মাননীয় বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা রয়েছে, আমাদের কমিটমেন্ট রয়েছে, যে আমরা শিশু এবং নারীদের সুরক্ষার জন্য, অধিকার আদায়ের জন্য, শিশু নির্যাতন, নারী নির্যাতন এবং শিশু শ্রম কমিয়ে আনার জন্য আন্তর্জাতিক যে দায়বদ্ধতা, সেটার প্রতি আমরা কমিটেড। এসডিজির গোল অর্জন করার জন্য আমরা এই বাজেট পাস করা এবং ছাঁটাই প্রস্তাব অনুমোদন না করার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য সাবিকুন নাহার এর ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেনের প্রস্তাব মত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 5,196 কোটি 13 লক্ষ 57 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 28 সংসদে গৃহীত হলো। আমি এখন দাবি নম্বর 29 উত্থাপনের জন্য মাননীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আরিফুল হক চৌধুরী, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রস্তাব করতেছি যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 466 কোটি 84 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দাবি নম্বর 29 এর উপর 31 জন মাননীয় সংসদ সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তাদের মধ্যে একজনকে ছাঁটাই প্রস্তাবের উপর বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাব। তিনি হচ্ছেন নূরুন্নাহার সিদ্দিকী, মহিলা আসন 37। আপনার সময় 1 মিনিট। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি নূরুন্নাহার সিদ্দিকী, মহিলা আসন 37। প্রস্তাব করছি যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সরকারি নীতি সম্পর্কে আলোচনা উত্থাপনকল্পে হিসাবের খাত 131 শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শিরোনামা-ধীন 29 নম্বর দাবি হ্রাস করিয়া 1 টাকা করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আসলে এখানে অসন্তোষই প্রকাশ পাচ্ছে। এই মন্ত্রণালয়ের কাজের যে বাজেট, বাজেটে অসন্তোষই প্রকাশ পাচ্ছে। আমি দেখতে পাচ্ছি আমার দুইটা জেলা, নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ এর মুসাফুরে ফেনী নদীর ভাঙ্গনে শত শত বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাচ্ছে। হাজার হাজার মানুষ গৃহহারা হচ্ছে। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি ছাঁটাই প্রস্তাবটির উপরে বক্তব্য রাখতে পারেন। এই অর্থবৎসরের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে মোট 466 কোটি 84 লক্ষ টাকা বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে পরিচালনা ব্যয় 235 কোটি 84 লক্ষ টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় 231 কোটি টাকা। প্রস্তাবিত এই বরাদ্দের মাধ্যমে শ্রমিকের নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত, সুভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ, শ্রম আইন বাস্তবায়ন, শিল্পখাতে সুষ্ঠু শ্রম সম্পর্ক বজায় রাখা, শ্রমিক কল্যাণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং শ্রম প্রশাসনের ডিজিটাল রূপান্তরকে আরো শক্তিশালী করা হবে। প্রস্তাবকৃত এই অর্থ যাচাই-বাছাই করে দেওয়া হয়েছে। আমরা বাজেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করব। ছাঁটাই প্রস্তাব না গ্রহণ করে মাননীয় স্পিকার, কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে প্রস্তাবিত 466 কোটি 84 লক্ষ টাকার দাবিটি এই সম্মানিত সংসদে গৃহীত হওয়ার জন্য বিনীত আবেদন জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য নূরুন্নাহার, নূরুন্নাহার সিদ্দিকীর ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরীর প্রস্তাব মত শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 466 কোটি 84 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 29 সংসদে গৃহীত হলো। আমি এখন দাবি নম্বর 30 উত্থাপনের জন্য মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জনাব জাকária তাহেরকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আমি জাকária তাহের, মন্ত্রী, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 5,078 কোটি 55 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দাবি নম্বর 30 এর উপরে 32 জন মাননীয় সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। তার মধ্যে একজনকে আমি ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। তিনি হচ্ছেন মোহাম্মদ তাজউদ্দিন খান, মাননীয় সদস্য মেহেরপুর 1। আপনার সময় 1 মিনিট। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আর 1 মিনিট সময় দেওয়া যায় কিনা? মাননীয় সদস্য, সবাইকে 1 মিনিট করে দিচ্ছি। বৈষম্য হয়ে যাবে আর না আপনাকে 2 মিনিট দিয়ে দিলে? আচ্ছা বলুন। আমি মোহাম্মদ তাজউদ্দিন খান, মেহেরপুর 1। বলুন, 2 মিনিটে বলুন আপনি। প্রস্তাব করতেছি যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বিষয়ে আলোচনা উত্থাপনকল্পে হিসাবের খাত 130 গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বিভাগ শিরোনামা-ধীন 30 নং দাবি হইতে 500 টাকা হ্রাস করা হোক। মাননীয় স্পিকার, এ দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য এ মন্ত্রণালয় কাজ করে থাকে। আমরা অতীত থেকে যদি লক্ষ্য করি, একেবারে মুঘল সম্রাটের অনেক বিল্ডিং এখনো খাড়া হয়ে আছে। ব্রিটিশের রেললাইনের যে স্টেশনগুলো আছে এখনো সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে। আমরা যদি পাকিস্তান আমলের বিল্ডিংগুলো দেখি, অনেক জায়গাতে আমরা ব্যবহার করছি। কিন্তু স্বাধীনতার পরে আমরা আমাদের ড্রেনেজ ব্যবস্থা, আমাদের অনেক বিল্ডিং, এগুলোর দিকে যদি আমরা লক্ষ্য করি, তাহলে দ্রুতই আমাদের এই বিল্ডিংগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যদি 100 বছরের পরিকল্পনায় কোন বিল্ডিং তৈরি করা হয়, কোন ড্রেনেজ তৈরি করা হয়, সেটা যদি 100 বছরের পরিবর্তে 50 বছর চলে, তাহলে আমরা 50 বছর পিছিয়ে গেলাম। তার মানে 50 বছর পরে যেয়ে যদি আবার বরাদ্দ দিয়ে ওই বিল্ডিং, এই ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য যদি আমাদের কাজ করতে হয়, তাহলে অন্য কোন উন্নয়ন এ জায়গাতে সাধিত হচ্ছে না। 100 বছরের কাজ যদি 100 বছরই চলত, তাহলে আমরা অন্যান্য খাতে আমাদের এই ব্যয়গুলো করে আমাদের দেশটাকে আমরা অনেক দূরে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারতাম। মাননীয় স্পিকার, অবকাঠামোগত ক্ষেত্রে এবং এই উন্নয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ্য করলে এমনটা মনে হয় যে এটা দেখার কেউ নেই। এবং যে ব্রিজ, কালভার্টগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তার মেয়াদ পূর্ণর আগেই বিল্ডিংগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এর জন্য কোন কন্ট্রাক্টরকে আজ-আজও এর জবাবদিহির মুখোমুখি হতে হয়েছে কিনা, এজন্য কোন প্রকৌশলীকে চাকরি হারাতে হয়েছে কিনা বা জবাবদিহির মুখোমুখি হয়েছে-হতে হয়েছে কিনা, এটা আমার জানা নেই। এজন্য প্রতীকী হিসেবে এই মন্ত্রণালয় থেকে 500 টাকা হ্রাস করার জন্য আমি প্রস্তাব রেখেছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রীকে ছাঁটাই প্রস্তাবটির উপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, প্রস্তাবিত মঞ্জুরি দেশের মানুষের জন্য পরিকল্পিত নগর, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রস্তাবিত ব্যয়, সুষ্ঠু পরিকল্পনা-র মাধ্যমে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে দেশের স্বল্প ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য টেকসই, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, পরিকল্পিত নগরায়ণ এবং সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদফতর, সংস্থার জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্পন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। সর্বোপরি উন্নয়ন ব্যয় এক ধরনের বিনিয়োগ। এই বিনিয়োগ এক্সটার্নাল ইকোনমিক্সটা কি করে? গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত অর্থ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আবাসন সুবিধা সম্প্রসারণ, উৎপাদনশীলতা ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জাতীয় প্রবৃদ্ধি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তাই দাবি নম্বর 30 এর বিপরীতে প্রদত্ত 32 টি ছাঁটাই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে মঞ্জুরি বিলটি মহান জাতীয় সংসদে অনুমোদনের প্রস্তাব করছি। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ তাজউদ্দিন খানের ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকária তাহেরের প্রস্তাব মত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 5,078 কোটি 50 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 30 সংসদে গৃহীত হলো। মাননীয় মন্ত্রী জাকária তাহের, আপনি সমর্থন করেন নাই কিন্তু আপনার প্রস্তাবকে।

আপনি হ্যাঁ ভোট দেন। দিয়েছিলেন? দাবি নম্বর 31। এখন আমি দাবি নম্বর 31 উত্থাপনের জন্য মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহিরুদ্দিন স্বপনকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি জহিরুদ্দিন স্বপন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1,189 লক্ষ 59 হাজার 59 লক্ষ 89 কোটি 59 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। দাবি নম্বর 31 এর উপর 16 জন মাননীয় সদস্য ছাঁটাই প্রস্তাব দিয়েছেন। আমি তাদের মধ্যে একজনকে ছাঁটাই প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাব। জনাব মোহাম্মদ আব্দুল আলিম, বাগেরহাট 4, আপনার সময় 1 মিনিট। নেই। মোহাম্মদ আব্দুল বারী সরদার, রাজশাহী 4, 1 মিনিট। আসসালামু আলাইকুম। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আমি মোহাম্মদ আব্দুল বারী সরদার, 55, রাজশাহী 4, সংসদ সদস্য, প্রস্তাব করতেছি যে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সরকারি নীতি সম্পর্কে আলোচনা উত্থাপনকল্পে হিসাবের খাত 133, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শিরোনামাধীন 31 নম্বর দাবি হ্রাস করিয়া 1 টাকা করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আমরা সবাই জানি, আজকের এই দাবি অবশ্যই গ্রহণ হবে না। কিন্তু এটা আমাদের একটা নীরব প্রতিবাদ। এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে আজকে এই দাবিটা করা হয়েছে। আসলে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যম সরকারের মুখপত্র নয়, বরং জনগণের কণ্ঠস্বর এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার অন্যতম মাধ্যম, প্রধান মাধ্যম। সরকার তথ্য ও প্রযুক্তির ডিজিটাল যোগাযোগ প্রসারের কথা বলছেন, কিন্তু প্রশ্ন হল, এই প্রসারের সুফল কি নাগরিক সমানভাবে পাচ্ছেন? সরকারি গণমাধ্যমের পাশাপাশি বেসরকারি গণমাধ্যমগুলো কি সমান ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল বারী সরদার, উত্থাপিত ছাঁটাই প্রস্তাবটি সরি, মাননীয় মন্ত্রী, আপনি ছাঁটাই প্রস্তাবটির সম্পর্কে বক্তব্য রাখুন। আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য যে ছাঁটাই প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন, তিনি নিজেই বলেছেন যে, এটি তিনি ছাঁটাই করার জন্য বলছেন না। এটি তিনি প্রতীকী অর্থে চলমান তথ্য ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে একটা প্রতিবাদ হিসেবে বলতে চাচ্ছেন। নীতিগতভাবে তার এই বিষয়ের সঙ্গে আমরা সবাই একমত। এবং আমরা ধরে নিচ্ছি যে, আমার এই টাকার অংকের বিষয়ে আসলে ওনার কোনো বক্তব্য নাই। ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল বারী সরদার কর্তৃক উত্থাপিত ছাঁটাই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, ছাঁটাই প্রস্তাবটি নাকচ হল। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহিরুদ্দিন স্বপনের প্রস্তাব মত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1,189 কোটি 59 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, দাবি নম্বর 31 সংসদে গৃহীত হল। এখন আমি দাবি নম্বর 32 উত্থাপনের জন্য মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় মাননীয় স্পিকার, আমি নিতাই রায় চৌধুরী, মন্ত্রী, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে 2027 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 825 কোটি 75 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। এই দাবির উপর আলোচনা না করার ব্যাপারে নোটিশদাতা মাননীয় সদস্যগণ সম্মত হয়েছেন। সেই কারণে এটিকে আমি সরাসরি ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর প্রস্তাব মত সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 825 কোটি 75 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, দাবি নম্বর 32 সংসদে গৃহীত হল। দাবি নম্বর 33 উত্থাপনের জন্য মাননীয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন দাবি নম্বর 33 উত্থাপনের জন্যে মাননীয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে উত্থাপন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। কোট করা মাওলানা আছে। জি। জি, মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। তাহলে আগেই দিচ্ছে ওনারা। তারা আশা করছে, আপনি একটা উর্দু শের বলবেন। সেজন্যই তালি দিয়েছে। মাননীয় স্পিকার, আমি বলছি আমি কোট করা মাওলানা। আমি মাননীয় স্পিকার, একটা শায়ের শুনতে চাচ্ছেন আপনার কাছ থেকে। আমি না, মাননীয় বিরোধী দলীয় সদস্যরা শুনতে চাচ্ছেন। মাননীয় স্পিকার, সেদিন আগে উত্থাপন করুন। জি। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী, জনাব কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে, পক্ষে, প্রস্তাব করছি যে, ধর্ম মন্ত্রণালয়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে 2,000 27 সনের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,955 কোটি 42 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, জি। যেহেতু এই দাবির উপর আলোচনা না করার ব্যাপারে নোটিশদাতা মাননীয় সদস্যগণ সম্মত হয়েছেন, সে কারণে এটিকে আমি সরাসরি ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোহাম্মদ শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ কর্তৃক উত্থাপিত প্রস্তাব মত ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,955 কোটি 42 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, দাবি নম্বর 33 সংসদে গৃহীত হল। আমি এখন দাবি নম্বর 36 উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, স্থানীয় সরকার বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 40,245 কোটি 83 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রস্তাব মত স্থানীয় সরকার বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 40,245 কোটি 83 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, দাবি নম্বর 35 সংসদে গৃহীত হল। আমি এখন দাবি নম্বর 36 উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, স্থানীয় সরকার বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে

কল্পে 1105 কোটি 64 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর প্রস্তাব মত, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1105 কোটি 64 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 36 সংসদে গৃহীত হলো। দাবি নম্বর 37 উত্থাপনের জন্য মাননীয় শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির শিল্পমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে, 2027 সনের 30শে জুন তারিখ সমাপ্য অর্থবৎসরের জন্য সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1691 কোটি 90 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর প্রস্তাব মত শিল্প মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1691 কোটি 90 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 37 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 38 উত্থাপনের জন্য মাননীয় প্রবাসী মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জনাব আরিফুল হক চৌধুরীকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আরিফুল হক চৌধুরী প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী প্রস্তাব করতেছি যে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 879 কোটি 92 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর প্রস্তাব মত প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 879 কোটি 92 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 38 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 39 উত্থাপনের জন্য মাননীয় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে। আমি খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সনের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 511 কোটি 98 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর প্রস্তাব মত বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 511 কোটি 98 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 39 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 40 উত্থাপনের জন্য মাননীয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আমি ইকবাল হাসান মাহমুদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী প্রস্তাব করতেছি যে, 2027 সাল ও 27 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে 2350 কোটি 2 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের প্রস্তাব মত জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2349 কোটি 2 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 40 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 41 উত্থাপনের জন্য মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদকে আহ্বান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। মাননীয় স্পিকার আমি মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ কৃষি মন্ত্রণালয় আপনার মাধ্যমে প্রস্তাব করছি যে, কৃষি মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের জুন 30 তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 28881 কোটি 39 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদের প্রস্তাব মত কৃষি মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 28881 কোটি 39 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 41 সংসদে গৃহীত হলো। আমি এখন দাবি নম্বর 42 উত্থাপনের জন্য মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদকে আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ মন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আপনার মাধ্যমে প্রস্তাব করছি যে, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2727 কোটি 51 লক্ষ 71 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদের প্রস্তাব মত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2727 কোটি 51 লক্ষ 71 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 42 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 43 উত্থাপনের জন্য মাননীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জনাব আব্দুল আউয়াল মিন্টুকে আহ্বান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আব্দুল আউয়াল মিন্টু মন্ত্রী পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রস্তাব করতেছি যে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2240 কোটি 12 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী জনাব আব্দুল আউয়াল মিন্টুর প্রস্তাব মত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2240 কোটি 12 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 43 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 44 উত্থাপনের জন্য মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনুকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনু মন্ত্রী ভূমি মন্ত্রণালয় আমি প্রস্তাব করতেছি যে, ভূমি মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2439 কোটি 46 লক্ষ 83 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মোহাম্মদ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মিনুর প্রস্তাব মত ভূমি মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2439 কোটি 46 লক্ষ 83 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 44 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 45 উত্থাপনের জন্য মাননীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ চৌধুরী এনিকে আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আমি মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ চৌধুরী এনি পানিসম্পদ মন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 10532 কোটি 80 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় পানিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ চৌধুরী এনির প্রস্তাব মত পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 10532 কোটি 80 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 45 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 46 উত্থাপনের জন্য মাননীয় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল বারীকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মোহাম্মদ আব্দুল বারী প্রতিমন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাব করছি যে, খাদ্য মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 32414 কোটি 58 লক্ষ 48 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল বারীর প্রস্তাব মত খাদ্য মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 32414 কোটি 58 লক্ষ 48 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 46 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 47 উত্থাপনের জন্য মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আসাদুল হাবিব দুলু দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখ সমাপ্য অর্থবৎসরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 10349 কোটি 58 লক্ষ 7 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর প্রস্তাব মত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 10349 কোটি 58 লক্ষ 7 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 47 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 48 উত্থাপনের জন্য মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আমি শেখ রবিউল আলম মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় প্রস্তাব করছি যে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থবৎসরের

এর প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনাধিক 36,917 কোটি 56 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। 56 লক্ষ। 56 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে। মাননীয় হুইপ মিজান। আপনি আবার বলুন। আবার প্রস্তাব দিন। আচ্ছা। আমি শেখ রবিউল আলম, মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনাধিক 36,917 কোটি 55 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী জনাব শেখ রবিউল আলমের প্রস্তাব মত সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 36,917 কোটি 55 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 48 সংসদে গৃহীত হলো। আমি এখন দাবি নম্বর 49 উত্থাপনের জন্য মাননীয় রেলমন্ত্রী জনাব শেখ রবিউল আলমকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আমি শেখ রবিউল আলম, মন্ত্রী, রেলপথ মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনাধিক 9,940 কোটি 44 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের প্রস্তাব মত রেলপথ মন্ত্রণালয়ের খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 9,940 কোটি 44 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 49 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 50 উত্থাপনের জন্য মাননীয় নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আমি শেখ রবিউল আলম, মন্ত্রী, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনাধিক 9,080 কোটি 48 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। আবার পড়ুন। আবার পড়ুন। আবার পড়ুন। আবার পড়ুন। আবার পড়ুন। আবার পড়ুন। মাননীয় মন্ত্রী আবার পড়ুন। মাননীয় স্পিকার, আমি আন্তরিকভাবে-দুঃখিত। আমি শেখ রবিউল আলম, মন্ত্রী, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনাধিক 9,080 কোটি 38 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। মাননীয় নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের প্রস্তাব মত নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 9,080 কোটি 38 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 50 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 51 উত্থাপনের জন্য মাননীয় বেসামরিক পরিবহন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, মিস আফরোজা খানমকে আহ্বান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আমি আফরোজা খানম, মন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, আপনার মাধ্যমে প্রস্তাব করছি, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1,884 কোটি 11 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানমের প্রস্তাব মত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1,884 কোটি 11 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 51 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 52 উত্থাপনের জন্য মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির আফতাব মাহবুব আনমকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ফকির আফতাব মাহবুব আনম, মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,141 কোটি 22 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির আব্দুল, ফকির আফতাব মাহবুব আনমের প্রস্তাব মত ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,141 কোটি 22 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 52 সংসদে গৃহীত হলো। দাবি, এখন আমি দাবি নম্বর 53 উত্থাপনের জন্য মাননীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আমি মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, প্রতিমন্ত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1,457 কোটি 82 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। আপনাকে ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের প্রস্তাব মত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 1,457 কোটি 82 হাজার টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 53 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 54 উত্থাপনের জন্য মাননীয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ইকবাল হাসান মাহমুদ, মন্ত্রী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, বিদ্যুৎ বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মাননীয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 14,996 কোটি 2 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের প্রস্তাব মত বিদ্যুৎ বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 14,996 কোটি 2 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 54 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নং 55 উত্থাপনের জন্য মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান-কে আহ্বান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আহমেদ আজম খান, মন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মাননীয় রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 7,515 কোটি 46 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খানের প্রস্তাব মত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 7,515 কোটি 46 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 55 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 56 উত্থাপনের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব করছি যে, দুর্নীতি দমন কমিশন খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 9 কোটি 60 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের প্রস্তাব মত দুর্নীতি দমন কমিশন খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 9 কোটি 60 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 56 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 57 উত্থাপনের জন্য মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী জনাব শেখ রবিউল আলমকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আমি শেখ রবিউল আলম, মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, প্রস্তাব করছি যে, সেতু বিভাগ খাতে 2027 সালের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,908 কোটি 43 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের প্রস্তাব মত সেতু বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 2,908 কোটি 43 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 57 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 58 উত্থাপনের জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আনম এহসানুল হক মিলনকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ডক্টর আনম এহসানুল হক মিলন, শিক্ষামন্ত্রী, প্রস্তাব করছি যে, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 18,457 কোটি টাকা মঞ্জুর করা হোক। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আনম এহসানুল হক মিলনের প্রস্তাব মত কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 18,457 কোটি টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 58 সংসদে গৃহীত হলো। এখন আমি দাবি নম্বর 59 উত্থাপনের জন্য মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী

জনাব সরদার মোহাম্মদ শওকত হোসেনকে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার স্যার আপনাকে ধন্যবাদ। দ্যা লাস্ট বাট নট দ্যা লিস্ট। আমি সরদার মোহাম্মদ শওকত হোসেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ খাতে 2027 সালের 30শে জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের প্রয়োজনীয় সাকুল্যে পরিচালনা ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহকল্পে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 13,465 কোটি 83 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার স্যার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার শওকত হোসেনের প্রস্তাব মত স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ খাতে মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে অনধিক 13,465 কোটি 83 লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব দাবি নম্বর 59 সংসদে গৃহীত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়ন কার্যবলী। আমি এখন মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী 2027 সনের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হইতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণে কর্তৃত্ব প্রদানের জন্য আনীত একটি বিল নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে উত্থাপনের, উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনা করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী আপনি বিলটি উত্থাপন করুন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী 2027 সনের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হইতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণে কর্তৃত্ব প্রদানের জন্য আনীত একটি বিল নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে উত্থাপন করছি। নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে উত্থাপিত হলো। এখন আমি মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে 2027 সনের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হইতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণে কর্তৃত্ব প্রদানের উদ্দেশ্যে আনীত বিলটি নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। আপনাকে ধন্যবাদ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো। আমি এখন বিলের দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা দুই, তিন এবং তফসিল এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা দুই, তিন এবং তফসিল এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা, বলবৎকরণ দফা, প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা, প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে 2027 সনের 30 জুন তারিখে সমাপ্য অর্থ বছরের কার্যাদি নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল হইতে অর্থ প্রদান ও নির্দিষ্টকরণে কর্তৃত্ব প্রদানের উদ্দেশ্যে আনীত বিলটি নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে পাশ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে পাশ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব নির্দিষ্টকরণ বিল 2026 সংসদে পাশ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন আমি বিল বিবেচনা ও পাশ করার কার্যক্রমে প্রবেশ করছি। বিলের নাম জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026। আমি এখন 81 এক বিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন, দুঃখিত আমি আবার পড়ছি। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন 80 এক বিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদকে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি একটু কাগজটা বের করি। এত কাগজ। না এটা তো রিপোর্ট। সব কাগজের নিচে পড়ে গেছে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট 1867 রহিতক্রমে জুয়া, অনলাইন জুয়া, অনলাইন বেটিং সহ অনুরূপ কার্যক্রম প্রতিরোধ ও এতদসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে দণ্ড প্রদান সহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে যুগোপযোগী করিয়া নতুনভাবে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে আনীত বিলটি বিল জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য আখতার হোসেন আপনি কি আপত্তি দিচ্ছেন? আপনি কি জন্য দাঁড়িয়েছেন? মাইক দেন। আখতার হোসেন সাহেবকে মাইক দেন। ও আপনার, আপনার নাম আছে এখানে। আপনি বক্তব্য রাখতে পারবেন। বসুন এখন। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলের উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন কয়েকজন মাননীয় সদস্য। তারা হলেন জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15, রুমান ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই, মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া দুই, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16, জনাব মোহাম্মদ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া চার, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ, মোহাম্মদ আমির হামজা কুষ্টিয়া তিন, মোহাম্মদ কামরুল হাসান ময়মনসিং ছয়, আখতার হোসেন রংপুর চার এবং মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক। এই বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রস্তাবের, প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15, রুমান ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই এবং কামরুল হাসান ময়মনসিং ছয়। জনমত যাচাই প্রস্তাব এবং বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে। সেভাবে আপনারা বক্তব্য রাখবেন। এখন আমি আহ্বান জানাচ্ছি জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15। আপনার সময় দুই মিনিট। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সংশোধনীতে সাধারণত প্রায় চার-পাঁচ মিনিট সময় পাওয়া যায় মাননীয় স্পিকার। তারপরেও আপনি যেহেতু নির্দেশ দিয়েছেন আমি দুই মিনিটের মধ্যে আমার জনমত যাচাই, সংশোধনী সবটাই আমি দুই মিনিটের মধ্যে শেষ করব। আমি প্রথমেই আমাদের সম্মানিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। উনি একটি জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে যেই জুয়া নিয়ে আমরা সবাই জানি 2008 সাল থেকে শুরু করে 2024 সাল পর্যন্ত বিশেষ করে 2017-18 সালে এই জুয়া বাংলাদেশে তৎকালীন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় যেই জুয়া সারা বাংলাদেশে ক্যাসিনো থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশকে অর্থনীতিকে কলাপ্স করে রেখেছিল। সেখান থেকে আজকে জাতিকে উদ্ধার করার জন্য আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই জুয়া প্রতিরোধ বিলটি 2026 আজকে যে আমাদের এখানে নিয়ে এসেছেন এইজন্য আজকে আমরা সবাই যেই উদ্বিগ্নের মধ্যে ছিলাম অর্থনৈতিক দিক থেকে আমরা যেই অবস্থার মধ্যে ছিলাম সেইজন্য উনি বিলটা নিয়ে এসেছেন। বিলটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি এই বিলটার ব্যাপারে জনমত যাচাইয়ের জন্য দিয়েছি এইজন্য বহুল প্রচারের জন্য। অর্থাৎ একটা বিল পাশ হওয়ার আগে জনগণের কাছে যখন আমরা এটা প্রচার করব এবং জনগণের কাছে আমরা সরকারি, বিরোধীদল, সমস্ত মাননীয় সংসদ সদস্যরা এটার স্বপক্ষে যখন জনমত গঠন করতে আমরা যাব তখন জুয়ার বিরুদ্ধে অতীতে যেইভাবে মানুষের মধ্যে একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া ছিল সেটাকে আমরা আরো তীব্র থেকে তীব্র আমরা গড়ে তুলতে পারব সেইজন্যে এই বিলটি জনমত মাননীয় সদস্য রুমান ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া দুই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় যে বিলটি এনেছেন 2026 উত্থাপন করার জন্য মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। আপনার সময় দুই মিনিট। বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিলের কারণ এবং উদ্দেশ্য ভালো। আমি মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বিল সম্পর্কে নীতিগতভাবে একমত। মাননীয় স্পিকার এই বিলটি প্রায় 150 বছরের পুরাতন। বাংলাদেশের সংবিধানের 18 দুই অনুচ্ছেদে জুয়া নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কর্তৃক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নীতি বর্ণিত রয়েছে। 2018 সালে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনে মাঠ পর্যায়ে আইনটি অধিকতর কার্যকরীভাবে প্রয়োগের জন্য দণ্ডের পরিমাণ বৃদ্ধিপূর্বক যুগোপযোগী করে সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়। মাননীয় স্পিকার বর্তমান আধুনিক অনলাইনে যুগ অনলাইনে অনেক ধরনের জুয়া-জালিয়াতি হয়ে থাকে। বর্তমানে আইনটির গুরুত্ব যে কত তা সবার জানা। তাই আমি মনে করি এই বিলটি পাশ করার পূর্বে ব্যাপকভাবে প্রচারের প্রয়োজন। আর সেজন্য প্রয়োজন জনমতের। সেই কারণে আমি জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রস্তাব রেখে নোটিশ দিয়েছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16। দুই মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 সংশোধনীতে আমার বক্তব্য হচ্ছে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আধুনিক এই বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার যুগে জুয়ার ক্লাসিফিকেশন বিভিন্নভাবে হয়েছে। শিক্ষিত, অশিক্ষিত, অল্প

মানে মদ। মদকে হারাম করেছেন। এরপরে 22 জুয়ার কথা এসেছে। মদ এবং জুয়া দুটাই খারাপ। সিরিয়ালি মদটা বেশি খারাপ। সেইজন্য আগে ওইটা আসলে তারপরে এটা আসলে সঠিকভাবে এটার বিচার বিশ্লেষণ করা যেত মাননীয় স্পিকার। আমি আমি মনে করি যদিও উনি বলেছেন যে মদের বিলটা পরে আসবে। আমার মনে হয় নিশ্চয়ই আসবে। আসলে তখন কথা বলার সুযোগ দিলে মাননীয় সদস্য আমি অনেকবার বলেছি। সংসদে এভাবে মৌখিক বাক্যালাপের কোন সুযোগ নাই। আপনি নোটিশ দিবেন। নোটিশের উপরে আমরা কথা বলবো। প্লিজ গিভ নোটিশ নেক্সট টাইম। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ,চুয়াডাঙ্গা 1। মাননীয় সদস্য মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনি মাননীয় সদস্যদের বক্তব্যের পরিপ্রকৃতিতে আপনার বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার কাছে আজকে মনে হয়েছে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সত্যিকারভাবে আইন প্রণয়নের কাজে যথাযথ ভূমিকা পালন করা হয়েছে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্যদের। এই জুয়া প্রতিরোধ বিলের উপরে জনমত যাচাইয়ের জন্য নয়জন আটজন মাননীয় সদস্য নোটিশ দিয়েছেন। সাতজন আলোচনা করেছেন। প্রত্যেকের আলোচনা আমি মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। তার মধ্যে মাননীয় সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী জনাব মোহাম্মদ আব্দুল গফুর জনাব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জনাব মোহাম্মদ আফজল হোসেন তারা প্রত্যেকেই শুধু ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আর বিশেষ কোন বিষয়ে কোন বলে যান নাই। সেজন্য তাদেরকে আমি ধন্যবাদ জানাই। শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল মাননীয় সদস্য বলেছেন এই আইন আরো কঠিন করা হোক। তারপরে জনাব আমির হামজা সাহেব মাননীয় সদস্য পবিত্র কোরআনের আয়াত পাঠ করে বলেছেন এই আইন শয়তানের জুয়া এবং মাদক এটা যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ জনমত যাচাইয়ে দেয়া হোক। এখানে জনাব কামরুল হাসান তাকে ধন্যবাদ জানাই। উনি বলেছেন যে এটাই রুট অফ অল ইভিল। এই মদ এবং জুয়া চুরি,চিন্তাই, ডাকাতি ইত্যাদির জন্ম দেয়। সেজন্য এটা আরো জনমত যাচাইয়ে দেয়া হোক। মাননীয় স্পিকার একসাথে যেহেতু জনমত যাচাই এবং বাছাই কমিটির আলোচনা হয়েছে। তো বাছাই কমিটিতে দুইজন সদস্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। একজন মনে হয়। আরেকজন বোধহয় আলোচনা করেন নাই। মাননীয় সদস্য জনাব আখতার হোসেন এই সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটিতে সদস্য ছিলেন। আর এই বিলের উপরে তিনি যথেষ্ট বক্তব্য সেই কমিটিতে প্রদান করেছেন। ওইখানে তার মতামতকে আমরা যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েছি। তো তারপরেও তিনি এখানে এটা জনমত যাচাইয়ের জন্য যে বিলটি প্রণয়নের জন্য এখানে যে আবার সংশোধনী এনেছেন ইয়া প্রস্তাব নোটিশ দিয়েছেন। এটা একসাথে বাছাই কমিটির কথাও বলেছেন কিনা আমি জানিনা। বাছাই কমিটিতে আরো আছে। তার দুইটা দফা খুব গুরুত্বপূর্ণ যেটা জবাব দেয়া প্রয়োজন। একটা হচ্ছে বিলের দফা 36 এ আদালতের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি করা এবং জব্দ করার বিষয়। মাননীয় স্পিকার আজকাল জুয়া হয় সাইবার স্পেসে। অনলাইনে। ডিজিটাল স্পেসে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে। এখানে আদালতের অনুমতি নিয়ে তল্লাশি করার যে সময়টা সেই সময়ের মধ্যে সেই প্লেস অফ অকারেন্স এবং সেই যে ক্রাইম সংগঠনের এটা তার মধ্যে অপসারণ হয়ে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। ইনফরমেশন লিক হবে। আদালতে যাওয়া,অনুমতি নেওয়া। এছাড়া পুলিশের তো একটা ইনহেরেন্ট এখতিয়ার আছে বিভিন্ন সেকশনে বিভিন্ন আইনে সিআরপিসিতে। যে অপরাধ সংগঠনের কোন জায়গায় তল্লাশি,জ জব্দ এবং গ্রেফতারের। সেটা আমরা এখানে অনুসরণ করেছি। তো সেজন্য এই দফায় উনার যে প্রস্তাব সেটা গ্রহণযোগ্য নয়। আর দফা 43 এর মধ্যে 43 এ তিনি বলেছেন যে কন্টেন্ট বা চ্যানেল ব্লক করার জন্য ওই ওয়েবসাইট,অ্যাপ,ডোমেইন,আইপি এড্রেস ও যোগাযোগ চ্যানেল ব্লক করার যে ব্যবস্থাটা যে ক্ষমতাটা দেয়া হয়েছে এই আইনে সেইটা যেন অপব্যবহার না হয়। তো আমি মাননীয় সদস্যকে অনুরোধ করবো এটা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট নয়। এটা কোন সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট নয়। যেটার উপরে আমরা বিল আনার জন্য চেষ্টা করছি। এটা আমাদের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার মধ্যে আছে। এটা আমরা ক্যাবিনেটে আলোচনাও করেছি। ড্রাফ্টও হয়েছে। ভবিষ্যতে বিল আকারে আসলে সেখানে স্থায়ী কমিটিতে যখন যাবে ওখানেও আপনারা মতামত দিতে পারবেন। এবং দফাওয়ারি যখন সংশোধনী আসবে বা এই জনমত যাচাই-বাছাইয়ে আসবে তখন আপনারা কথা বলতে পারবেন। সেটা আলোচনাটা সেইখানে করার দরকার। এইখানে যে ব্লক কন্টেন্টের কন্টেন্ট ডিলিট করার কথা বলা হয়েছে সেটা এখন আমরা অনেকটা আনঅফিশিয়ালি এক্সারসাইজ করতে হয়। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যে জুয়া এখন পরিচালিত হচ্ছে অবৈধভাবে সেগুলো ডিলিট আজকে একটা করে দিলে আগামীকালকে আবার একটা ওয়েবসাইট আবার একটা অন্য মাননীয় মন্ত্রী এখন শুধু জনমত যাচাইয়ের ব্যাপারে আমরা ভোটে দেবো। আপনি সংশোধনী সম্বন্ধে পরে বলতে পারবেন। উনি একসাথে বোধহয় আলোচনা করে ফেলেছেন। সেজন্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি আর সময় নেবো না। তো আপনি যেহেতু মাননীয় সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের ইন্নামাল খামরু ওয়াল মাইসু সম্পর্কে বলে ফেলেছেন আমি আর এখানে জবাব দেয়ার দরকার নাই। আমরা দুইটাই একসাথে এড্রেস করছি। মাননীয় সদস্যকে সেদিন বলেছিলাম যে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনটা অর্থবিল। যার কারণে মাননীয় রাষ্ট্রপতির সুপারিশ গ্রহণ করতে হয়েছে। আমাদের কয়েকটা দিন সময় লেগেছে। তা না হলে জুয়া এবং মাদক আইনটা দুটোই আমাদের রেডি ছিল। একদিনেই আমরা উত্থাপন করতে পারতাম। তো এইটা আপনার টেবিলের সামনে আছে। উত্থাপিত হয়েছিল। পরে আজকে স্থায়ী কমিটিতে না দুইদিন আগে স্থায়ী কমিটিতে এটা আলোচনা হয়েছে। আজকে স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট প্রদান করা হবে। টেবিলে বোধহয় সবার কাছে গিয়েছে। ইতিমধ্যে রিপোর্টটা দিলে তো সেই রিপোর্ট অনুসারে ওখানে একটু পরিবর্তনও আনা হয়েছে আপনাদের পরামর্শ মাফিক। একটা ধারা এড করা হয়েছে। সেইটা সহ এখানে রিপোর্ট উত্থাপিত হয়েছে। সেটা যখন আমরা বিবেচনার্তে গ্রহণ করার জন্য আলোচনা করবো তখন মাননীয় সদস্য সেখানে কথা বলতে পারবেন। মাননীয় স্পিকার এখানে আমার বক্তব্য শেষ। জনমত যাচাই এবং বাছাইয়ের যে বাছাই তো একসাথে আলোচনা হয়েছে। জনমত যাচাই এবং বাছাইয়ের এই যে প্রস্তাবগুলো নোটিশগুলো এগুলো গ্রহণ করা গেল না বলে দুঃখিত। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। না এক মিনিট। মাননীয় সদস্য এটা আমি শেষ করে নেই। মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে। না জয়যুক্ত হয়েছে। না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব গুলো নাকচ হলো। মাননীয় সদস্য নজিবুর রহমান কি পয়েন্ট অফ অর্ডার নাকি? আচ্ছা এক মিনিট। আরেকটা ভোট দিয়ে নেই। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন আমি বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য প্রস্তাবসমূহ ভোটে দেবো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে। না জয়যুক্ত হয়েছে। না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণে প্রস্তাবগুলো নাকচ হলো। নজিবুর রহমান কি পয়েন্ট অফ অর্ডার? মাইক দেন নজিবুর রহমানকে। মাননীয় স্পিকার আমি ধন্যবাদ আপনাকে। এই বিশেষ কমিটির রিপোর্টের উপরে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। যেহেতু আমি একটা ডিসেন্ডিং ওপিনিয়ন সেখানে দিয়েছিলাম সেটা উল্লেখ করা হয়েছে। এর উপরে দুই মিনিট একটু আলোচনা করার আপনার সুযোগ অনুমতি প্রার্থনা করছি। এখন বলতে চান? বলেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। এখানে আমার সম্মানিত সংসদ সদস্য জনাব আখতার হোসেন বলেছেন কিছু। 36 ধারায় এখানে পুলিশকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে আদালতের অনুমতি ছাড়াই মালামাল জব্দ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আবার 39 ধারায় কোন কোন ক্ষেত্রে বলা হয়েছে এটা বিশেষ করে ব্যাংক একাউন্ট এফএস,পেমেন্ট গেটওয়ে,ডিজিটাল ওয়ালেট এগুলা করার জন্য আদালতের অনুমতি লাগবে। আবার মাননীয় স্পিকার দেখেন এর আগে 35 অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে এই আইনে যে সকল ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট কোন বিধান নেই সে সমস্ত ক্ষেত্রে অপরাধের তদন্ত,বিচার,তল্লাশি,জ জব্দ,গ্রেফতার,ফরেনসিক পরীক্ষা এগুলার ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধির বিধানাবলী প্রযোজ্য হবে। আমাদের সিআরপিসির 500 23 ধারায় পুলিশকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে আদালতের অনুমতি ছাড়া জব্দ করার। কিন্তু সেক্ষেত্রে অনতিবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেট কোন অবহিতকরণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নেওয়া পরবর্তী পর্যায়ে এটার বিধান রাখা হয়েছে। আমার মনে হয় মাননীয় স্পিকার এই আইনটি খুবই যুগোপযোগী। কিন্তু এই ধারাটা যদি আমরা এভাবে পুলিশকে একেবারে আনকন্ডিশনাল ক্ষমতা দেই কম্পিউটার তারপরে এ ধরনের জিনিসপত্র,সফটওয়্যার,নেটওয়ার্ক,অ্যাপ,সার্ভার এগুলা জব্দ করার তাহলে এটার সিআরপিসির সাথে সাংঘর্ষিক হয়। এই আইনের বিদ্যমান যে দুইটা ধারার কথা বললাম সেগুলার সাথে সাংঘর্ষিক হয়। আমরা চাই এই আইনটা রুবাস্ত হোক। ধন্যবাদ। এটার কোন যেন ইয়ে না হয় অপব্যবহার না হয় সেটা হোক। এজন্য আমি এটা প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে ঠিক আছে পুলিশ জব্দ করার ক্ষমতা থাকুক। কিন্তু পরবর্তীতে সিআরপিসির সাথে মিলিয়ে অনতিবিলম্বে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নেওয়ার বিধানটা যুক্ত হোক। থ্যাংক ইউ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের সামনে প্রশ্ন হলো স্থায়ী কমিটি আকারে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। হ্যাঁ। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। না। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আসরের নামাজের জন্য 30 মিনিটের বিরতি দেওয়া হলো। আপনাদেরকে ধন্যবাদ।

আমি যেটা সংযুক্ত করেছি, জুয়ার কুফল বিষয়ে এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে প্রতিটা স্কুলে 30 মিনিট একটা ইয়ে প্রদর্শন করার জন্য ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেছি। মাননীয় স্পিকার, আমি আমার সংশোধনীগুলো মহান সংসদে উত্থাপন করলাম। ধন্যবাদ, মাননীয় সদস্য। জনাব আখতার হোসেন, আপনি সংশোধনীসমূহ উত্থাপন করুন। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 এর ধারা 36, 37, 38, 41, 43 সহ আমার উত্থাপিত ধারাসমূহের সংশোধনী এই সংসদে পঠিত বলিয়া গণ্য করা হোক। ধন্যবাদ, মাননীয় সদস্য। এখন আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদকে এই সংশোধনী সম্পর্কে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাই। আচ্ছা। ও, মাননীয় স্পিকার, নামাজ পড়তে একটু দেরি হয়ে গেছিল। সেজন্য আমি দুঃখিত। সংশোধনী উপরে আলোচনা হয়ে গেছে। মাননীয় স্পিকার, যে সংশোধনীগুলো আমি এখানে নোটিশে পেয়েছিলাম, তার মধ্যে জনাব আখতার হোসেন। মাননীয় সদস্য, বিলের 36 দুই দফায় আর তিন দফায় 36 এর উপদফা তিনে এবং চারে দুই-একটা সংশোধনী এনেছেন। 60 দফা 37 এও, দফা 38 এও, দফা 41 এবং দফা 43। এগুলো আমি আগে আমার যে বক্তব্য দিয়েছিলাম, যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য, সেখানে কিছুটা উল্লেখ করেছি। তারপরও আমি এটা আবার এখানে যেহেতু সংশোধনীটা এসছে, জবাব দিতে হবে দফাওয়ারি, সেজন্য দিচ্ছি, মাননীয় স্পিকার। দফা 36 এ যে সংশোধনীটা তিনি এনেছেন, পুলিশ অফিসার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া সাইবার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করিয়া অনুমতি সংগ্রহ করবেন। এটা আমি তখনই বলেছি, যে জুয়ার যে সমস্ত আলামত এবং যে সমস্ত আধুনিক ধরণ বর্তমান জামানায় দেখা যাচ্ছে, তাতে আগে এই সমস্ত প্রসিডিওর, সাইবার ট্রাইব্যুনালের আবেদন করে অনুমতি নেওয়ার যে প্রসিডিওর, তাতে করে সেটা আর বিদ্যমান না থাকার সম্ভাবনা বেশি। আর দফা সাব-সেকশন তিন এর মধ্যে তিনি যেটা বলেছেন, মাননীয় মন্ত্রী, আপনি, মাননীয় সদস্য, আখতার হোসেনের সংশোধনী উপরে বলছেন? জ্বি, মাননীয় স্পিকার, আমি একটু দেরিতে আসলাম তো, নামাজ পড়ে আসতে দেরি হয়ে গেছে। আগে শাহজাহান চৌধুরীরটা দিলে ভালো হয়। আগে শাহজাহান চৌধুরী, মাননীয় সদস্যের সংশোধনী সম্পর্কে বলুন। মাননীয় সদস্য, শাহজাহান চৌধুরী সাহেব, আপনি কি বাছাই কমিটির উপরে বলেছেন? আপনি সংশোধনী দিয়েছেন উনি কয়েকটা। সংশোধনী, আমার এখানে কাগজে আমি দেখছি, আখতার হোসেন। আমি আপনাকে বলি, সংশোধনীতে দফা 16, 17, 18, 43 এর উপরে। পেয়েছি, মাননীয় স্পিকার। পেয়েছি। দফা 16, দফা 17, দফা 18 এবং দফা 43। 43 টা তো আরো একজন দিয়েছে। তো, দফা 15, না, 16, 17, 18 তে যা আছে, মাননীয় স্পিকার, আমি শুধু হেডলাইনটা পড়লেই হবে। অনলাইন বেটিং এর দণ্ড। 16 তে, 17 তে, অনলাইন বেটিং এর দণ্ড, 16 তে অনলাইন জুয়া এবং দূরবর্তী জুয়ার দণ্ড। 18 তে হচ্ছে জুয়ার স্থান, পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যবহার। এর মধ্যে তিনি কেবল ওই শাস্তির ক্ষেত্রে চার, পাঁচ ইত্যাদি, এগুলো সাজেশান করেছেন আরকি। তো, আমরা স্থায়ী কমিটিতে যারা আলোচনা করেছিলাম, এই দণ্ড সম্পর্কে তাদের মতামত নিয়েছি। আপনাদের পক্ষে, অ্যা, মাননীয় দুইজন সংসদ সদস্য ছিলেন। অ্যা, ব্যারিস্টার নজিবুর রহমান সাহেব ছিলেন, আরো একজন ছিলেন, আমাদের জনাব মুজিবুর রহমান সাহেবও ছিলেন, সম্ভবত। আখতার হোসেন সাহেবও ছিলেন, মাননীয় সদস্য। তারা এখানে শাস্তির মেয়াদের ক্ষেত্রে তেমন কোনো দ্বিমত পোষণ করেন নাই। আর সংসদের রিপোর্ট আকারে সেটা উপস্থাপন হয়েছে ইতিমধ্যে। তো, সংশোধনী আনার অধিকার আপনাদের আছে, এনেছেন, বক্তব্য দিয়েছেন। আমার মনে হয়, মাননীয় স্পিকার, এই পর্যায়ে জনাব শাহজাহান চৌধুরী যে সমস্ত, অ্যা, সংশোধনীগুলো এনেছেন, সেটা এই পর্যায়ে গ্রহণ, অ্যা, না করাই উত্তম হবে। আর জনাব আখতার হোসেন, ধন্যবাদ। আমি শাহজাহান চৌধুরী সাহেবেরটা আগে ভোটে দিচ্ছি, তারপরে। ধন্যবাদ, মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিলের 16 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন, তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা "হ্যাঁ" বলুন। "হ্যাঁ" যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা "না" বলুন। "না" আমার মনে হয়, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, সংশোধনীটি নাকচ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বিলের 17 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন, তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা "হ্যাঁ" বলুন। "হ্যাঁ" যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা "না" বলুন। "না" আমার মনে হয়, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, জনাব শাহজাহান চৌধুরী বিলের 18 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন, তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা "হ্যাঁ" বলুন। "হ্যাঁ" যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা "না" বলুন। "না" আমার মনে হয়, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য জনাব আখতার হোসেন বিলের 36 দফায় যে সকল সংশোধনী এনেছেন, যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, এনেছেন, তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা "হ্যাঁ" বলুন। "হ্যাঁ" যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা "না" বলুন। "না" আমার মনে হয়, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে, "না" জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব, সংশোধনীটি নাকচ হলো। মাননীয় সদস্য আখতার হোসেন, বিলের 37 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন, প্রশ্ন হচ্ছে, এই সংশোধনীটি গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন, তারা "হ্যাঁ" বলুন। "হ্যাঁ" যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন, তারা "না" বলুন। "না" আমার মনে হয়, "না" জয়যুক্ত

হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য আক্তার হোসেন বিলের 38 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য আক্তার হোসেন বিলের 41 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী এবং আক্তার হোসেন বিলের 43 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংশোধনীগুলো নাকচ হলো। আমি এখন বিলের দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 এবং 50 এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 এবং 50 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। একটু ওয়েট করেন। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, বিলের এক দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনামা এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে, পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট 1867 রহিতক্রমে জুয়া অনলাইন জুয়া অনলাইন Betting সহ অনুরূপ কার্যক্রম প্রতিরোধ ও এতদসংক্রান্ত অপরাধের বিষয়ে দণ্ড প্রদানসহ আনুষঙ্গিক বিষয়ে যুগোপযোগী করিয়া নতুনভাবে বিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে আনীত বিলটি জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 মহান সংসদে পাশ করা হোক। সংসদের রিপোর্ট উত্থাপিত আকারে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। দিচ্ছি আপনাকে দিচ্ছি। মাননীয় সংসদ মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 পাশ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 পাশ হলো। মাননীয় বিরোধী দলের হুইপ বলুন। মাননীয় স্পিকার দেখি কি বলে সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হলো। এটা একটু হ্যাঁ না এর মধ্যে একটু ভুল মেসেজ যেতে পারে। এটা একটু পরিষ্কার করার জন্য প্রথমত জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে এই আইনের পক্ষে আমরা আছি। এবং সরকারের প্রতি আমরা সাধুবাদও জানিয়েছি। তবে এই বিলটার কিছু স্পেসিফিক ধারায় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে কিছু সংশোধনী ছিল। তো সেই সংশোধনীগুলো যদি সরকার বা মাননীয় মন্ত্রী যদি গ্রহণ করতেন আমরা আরো খুশি মনে আরো সাদরে হয়তো এই আইনটাকে সমর্থন করতে পারতাম। তারপরেও আমরা সমর্থন করছি। এবং আমরা আশা করব যাতে এই সংশোধনীগুলা বা এই কনসার্নগুলা যাতে সরকার পরবর্তীতে বিবেচনা করে। কারণ আমরা প্রয়োগে গেলেই আমরা আরো ভালো করে বুঝতে পারব এবং এই আইনের যাতে কোন অপব্যবহার না হয় এবং নাগরিক বা অধিকার বা মানবাধিকার যাতে হরণ না হয় এইটা যাতে সরকার সর্বাত্মকভাবে খেয়াল রাখেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আর সর্বসম্মতিক্রমে এই আইনটা পাশ হলো। ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ জুয়া প্রতিরোধ বিল 2026 সর্বসম্মতিক্রমে এই সংসদে পাশ হলো। মাননীয় সদস্য নাজিবুর রহমান বলুন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার একটা ছোট পয়েন্ট অফ অর্ডার ছিল। কয়েকদিন আগে আমাদের একজন সম্মানিত সংসদ সদস্য আপনার কাছে জানতে চেয়েছিলেন, সংসদে কোন ঋণখেলাপি আছে কিনা? তখন আপনি বলেছিলেন, বিষয়টা যেহেতু বিচার বিভাগের অধীনে আছে, বিচারাধীন আছে এজন্য আপনি বলতে পারছেন না। আজকে একজন ব্যক্তির মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে এই ঋণখেলাপি হওয়ার দায়। এখন কি আমরা বলতে পারব উনি ঋণখেলাপি ছিলেন? এটাই আমার পয়েন্ট অফ অর্ডার ছিল মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য এটা ঠিক পয়েন্ট অফ অর্ডার হলো না। একজন সদস্যের সদস্যপদ থাকবে কি থাকবে না এটা নির্বাচন কমিশন স্থির করবে। নির্বাচন কমিশন যখন এই বিষয়ে আদালতের নির্দেশ মোতাবেক আদেশ জারি করবে তখন আমি সংসদে আপনাদেরকে জানাতে পারব। সুতরাং আমাদেরকে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে চূড়ান্ত রায়ের জন্য নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত মন্তব্য। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আইন প্রণয়ন কর্মসূচি অব্যাহত আছে। এখন আমি সাইবার সুরক্ষা বিল 2026 সম্পর্কে আলোচনা করব। সম্পর্কে কার্যক্রম চলবে। আমি এখন আসি উইথিন ব্র্যাকেট এক বিধিতে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামকে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সাইবার সুরক্ষা সংশোধনী বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমি ফকির মাহবুব আনাম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী প্রস্তাব করছি সাইবার সুরক্ষা আইন 2026 সংশোধনকল্পে আনীত বিলটি সাইবার সুরক্ষা সংশোধনী বিল 2026 স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে অবিলম্বে বিবেচনার জন্য এই মহান জাতীয় সংসদে গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 রুমান ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2 মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2 জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 3 4 মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 মোহাম্মদ আফজালের হোসেন কুষ্টিয়া 4 শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5 মোহাম্মদ আমির হামজা কুষ্টিয়া 3 এবং কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6। বিলটিকে বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী রুমান ফারহানা এবং মোহাম্মদ কামরুল হাসান। জনমত যাচাইয়ের জন্য বাছাই জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি সম্পর্কে আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে আমি আহ্বান জানাচ্ছি বক্তব্য রাখার জন্য আপনি জনমত যাচাই বাছাই প্রস্তাব সবকিছু একসাথে দয়া করে বলবেন জনাব শাহজাহান চৌধুরী। আপনার সময় 2 মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আসলে আমাদের সাইবার সুরক্ষা আইন এটার ব্যাপারে আমাদের সবার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে যে আইনটা আমাদের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এনেছেন আমি টোটাল বাছাই কমিটি আমাদের বাছাই কমিটি সহ স্থায়ী কমিটিতে যেটা আলোচনা হয়েছে টোটাল রিপোর্ট তো আমি পড়েছি মাননীয় স্পিকার। এখানে একটা বিষয় সবচেয়ে বেশি পরিষ্কার হওয়া দরকার। এই আইনটার অপব্যবহার বিগত সরকারের আমলে যেভাবে হয়েছে মাননীয় স্পিকার কলেজ পড়ুয়া ইউনিভার্সিটি যারাই তখন সরকারের বিরুদ্ধে কোন কিছু কথা বলেছে তখনই এই সাইবার আইন দিয়ে প্রত্যেকটা জেলখানায় আমরা দেখেছি স্কুল, কলেজ এমনকি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদেরকেও হ্যারাসমেন্ট করা হয়েছে। এজন্য আমি এটা অধিকতর আরো যাচাই-বাছাই এবং এটাকে সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশের নাগরিকের বিশেষ করে পলিটিক্যাল স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন আর পলিটিক্যাল কর্মী এবং আমাদের রাজনৈতিকভাবে আমরা যারা ময়দানে আছি তাদের বিরুদ্ধে যাতে এটা ব্যবহৃত না হয় এইজন্য অধিকতর আরো জনগণের কাছে এটা যেমন গত সরকারের আমলে সাইবার অ্যাক্ট যেটা হয়েছিল জনগণ কিছুই জানতো না। দিবারাত্রি পুলিশের পক্ষ থেকে সাইবার অ্যাক্টের আন্ডারে মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হতো। মাননীয় স্পিকার এখানে অনেক কিছু বাছাই কমিটিতে এগুলির ব্যাপারে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে। তারপরেও আমি মনে করি এটাকে আরো অধিকতর এটাকে ইফেক্টিভ কারণ হচ্ছে আমি যেমন গতকাল বাজেট বক্তৃতায় শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছি। আপনি বোধহয় Facebook এ দেখতেছেন কি অবস্থা। যে আমি যেন দক্ষিণ চট্টগ্রামে যেতে না পারি সেইজন্য যেই অবস্থা যেইভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে Facebook এ। এজন্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। আহ্বান জানাবো রুমান ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2 2 মিনিটে বলবেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার এই আইনটিতে সংশোধন আনা হয়েছে কারণ জুয়া সংক্রান্ত অপরাধের জন্য আলাদা একটি আইন এসেছে। মাননীয় স্পিকার আমার বক্তব্য সাইবার প্লেসে নারীর সুরক্ষা নিয়ে। মূলত সাইবার স্পেসটা আইন করে নিরাপদ রাখবার যেই প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল সংসদের সেটা হচ্ছে এই স্পেসটাকে নারীর জন্য একটা নিরাপদ স্পেস হিসেবে তৈরি করা। কিন্তু আমরা যারা রাজনীতি করি কিংবা যারা পাবলিক ফিগার কিংবা যারা নন-ফেস আমাদেরকে প্রতিনিয়ত সাইবার হ্যারাসমেন্ট, সাইবার বুলিং এবং নানান রকম সাইবার অপরাধের শিকার হতে হয়। তথ্যপ্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে মাননীয় স্পিকার অস্বীকার করবার কোন উপায় নাই। অস্বীকার করবার কোন উপায় নাই আমরা এখন এআই জগতে প্রবেশ করেছি। অস্বীকার করবার কোন উপায় নাই যে কোনটা রিয়েল, কোনটা ফেক, কোনটা ভুয়া, কোনটা সঠিক এইটা আমাদের শিক্ষিত সমাজেরও অনেকে আসলে হিমশিম খেয়ে যায় বের করতে কোনটা সঠিক এবং কোনটা ভুল। সেরকম একটা প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে গ্রামে যখন প্রতিটি মানুষের হাতে স্মার্টফোন, সেলফোন, Facebook অ্যাকাউন্ট তখন নারীরা বিশেষ করে নারীরা এবং পরিচিত নারীরা এবং যেই নারীরা হয়তো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত কিংবা মিডিয়া জগতের সঙ্গে যুক্ত আমাদের জন্য এই স্পেসটা প্রতিদিনই আরেকটু আরেকটু করে অনিরাপদ হয়ে যায়। আমি এই সংসদের মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রী উপস্থিত আছেন আশা করি। এই সংসদের মাধ্যমে আমি আশা করব নারীদের জন্য আমরা যেন একটা নিরাপদ সাইবার স্পেস রাখতে পারি তৈরি করতে পারি সেই ব্যাপারে সরকার মনোযোগী হবেন। এবং রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে নারীরা যেই দলেরই কর্মী হোক না কেন কিংবা যেই দলেরই সমর্থক হোক না কেন তাকে হ্যারাস করা অনলাইনে আপাতত দৃষ্টিতে আপনাদের জন্য বিরোধী মতে যারা আছেন আনন্দদায়ক হতে পারে কিন্তু সেটা বুমেরাং হয়ে আপনাদের দিকেই ফিরে আসবে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল গফুর মাননীয় সদস্য কুষ্টিয়া 2 2 মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনী 2026 সরকার এখানে বলেছে সংশোধনী আইন প্রযুক্তিগত বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু বাস্তব প্রশ্ন হলো এই সংশোধনী কি ক্ষমতার

অবাধ্য রোদে যথেষ্ট সুরক্ষা দিয়েছে। তদন্ত ডিজিটাল তথ্য জব্দ, অনলাইন কন্টেন্ট অপসারণ কিংবা নাগরিকের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বাধীন বিচারিক তদারকি কতটুকু নিশ্চিত করা হয়েছে? মাননীয় স্পিকার, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা থেকে যা দেখেছি, অস্পষ্ট ভাষা ও অতি বিস্তৃত ক্ষমতা অনেক সময় নিরাপদ নাগরিক, সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষক এবং রাজনৈতিক মত প্রকাশকারীদের অপ্রয়োজনীয় হয়রানি করণ করা হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এই আইনকে আরো নির্দিষ্ট, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা উচিত। মাননীয় স্পিকার, আমি এই কারণে কয়েকটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব দিতে চাই। প্রথমত, নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় আরো শক্তিশালী আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। মাননীয় স্পিকার, দ্বিতীয়ত, তদন্ত তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে স্বাধীন বিচারিক অনুমোদন ও কার্যকর সংশোধনী ও সংসদীয় তদারককারীর ব্যবস্থা থাকতে হবে। মাননীয় স্পিকার, তৃতীয়ত, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ক্ষমতার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে যাতে কোনো নিরাপদ ব্যক্তি হয়রানির শিকার না হয়। চতুর্থ, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা এবং ডেটা সুরক্ষার সুস্পষ্ট বিধান যুক্ত করতে হবে। মাননীয় স্পিকার, এজন্যই আমি জনমত যাচাইয়ের জন্য এটা প্রচার করার প্রস্তাব রেখেছি। ধন্যবাদ মাননীয়। মাননীয় সদস্য জিএম নজরুল ইসলাম, 2 মিনিট। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি বর্তমানের একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন সাইবার সুরক্ষা সংশোধন বিল 2026। এটাকে জনমত যাচাইয়ের জন্যে আমি নোটিশ দিয়েছি। মাননীয় স্পিকার, আমরা এখন একটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল যুগে বাস করছি। আমাদের সকলের ঘুম ভাঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে আর রাত ঘুমানো পর্যন্তই এর মাধ্যমে সবাই সম্পৃক্ত থাকতে হয় বা থাকে। যোগাযোগ, ব্যবসা, শিক্ষা কিংবা বিনোদন, সবকিছুই এখন অনলাইন এবং সাইবার স্পেসের উপরে নির্ভরশীল। কিন্তু এই ডিজিটাল অগ্রগতির পাশাপাশি একটি অন্ধকার দিকও আছে। যা হলো সাইবার অপরাধ। হ্যাকিং, ব্ল্যাকমেইল, ভুয়া তথ্য ছড়ানো, আর্থিক জালিয়াতি এবং নারীদের অনলাইনে হেনস্তা করা, যে কথা আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য সাহেব বললেন, মত ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। শুধু নারী নয়, এখানে রাজনীতিবিদ, ইসলামপ্রিয় ব্যক্তি, অনেকের ক্ষেত্রেও এটা অনেক কার্যকরী হতে দেখা যায়। এই বিস্তর থেকে আমাদের ডিজিটাল জীবনকে রক্ষা করতে এই আইনটা সম্ভবত প্রণয়ন করা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কথা হলো মাননীয় স্পিকার, এই আইন তৈরি এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে সতর্কতা, সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার। ইন্টারনেটে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ডিজিটাল অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও পরিকাঠামোকে সুরক্ষিত করা। আমাদের মনে রাখা উচিত মাননীয় স্পিকার, যেকোনো আইনের দুটি দিক থাকে। সাইবার সুরক্ষা আইনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত অপরাধ দমন এবং সাধারণ নাগরিকদের বাক স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার রক্ষা করা। এর অপপ্রয়োগ যাতে না হয়, সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখা দরকার। মাননীয় স্পিকার, শুধু আইন করলে কাজ হয় না। এর জন্য প্রয়োজন আমাদের সচেতনতা। আজকে যুব সমাজের মধ্যে মানে যারা ডকুইজ বা সমাজে অপরাধ মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম 16, 2 মিনিট। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন, এ বিষয়ে আমার জনমত যাচাইয়ের জন্য আমার কিছু প্রস্তাবনা রয়েছে। দেশের ডিজিটাল স্পেস নিরাপদ রাখার জন্য এটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো। কিন্তু ক্রমবর্ধমান সাইবার অপরাধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই অপব্যবহার, অপব্যবহার রোধ, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্ত ছড়ানোর নামে যে অপরাধ ঘটানো হয়, এ বিষয়ে প্রতিরোধ করার জন্য এ আইনটি খুবই প্রয়োজন রয়েছে। তবে যাতে বাক স্বাধীনতা, অধিকার খুণ্ন হওয়ার মত পরিবেশ যাতে না হয়। 2023 সনের সেই ঘটনা দিয়ে জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানকারীদের মানবাধিকার সংগঠন বা কর্মীদের যে দাবি ছিল আইনটি সংশোধন করার জন্য, আমরা জেলখানায় দেখেছি, মাননীয় স্পিকার, যার দীর্ঘদিন ধরে আইনে তাকে আটক করা হয়েছে। মামলার নথি মাননীয় বিচারকের সামনে দিলেই ও আইনটা দেখলে উনি আর না মঞ্জুর ছাড়া মঞ্জুর করে না। আমার মনে হয়, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যখন অধিষ্ঠিত হয়ে যায়, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য আইনগুলো, প্রতিপক্ষকে দুর্বল করার জন্য আইনগুলো ব্যবহার করা হয়। আমরা আশাবাদী, ব্যক্তিগত মতামতের স্বাধীনতা এবং সুরক্ষা, এগুলো যাতে নিশ্চিত হয়, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ নির্ধারণ করে এ আইনের সংশোধন করা হোক। এই জনগুরুত্বপূর্ণ, এই ডিজিটাল, এই মুহূর্তে তথ্য প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে আমাদের এই বিষয়টি জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রচার করা হোক। এরপরে আইনি সংশোধনে এনে পরে আইনি হিসেবে আইনি কাঠামো হিসেবে তৈরি করা হোক। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, কুষ্টিয়া 4, 2 মিনিট। মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ 5, 2 মিনিট। মাননীয় স্পিকার, এই আইনটি কঠিন থেকে কঠিনতর করার জন্য আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। কারণ এই সাইবার ক্রাইম আইন, বিশেষ করে এখন ভিন্ন একেক দলের বিরুদ্ধে আরেক দল অপপ্রচার করার জন্য ছেলেকে মেয়ে বানাচ্ছে, মেয়েকে ছেলে বানাচ্ছে। যেকোনো ইজ্জত হরণের জন্য যত রকম এই সাইবার ক্রাইম, এর মাধ্যমে নেতা, কর্মী, বিভিন্ন অভিনেতা, অভিনেত্রী, চরিত্র হরণ করার জন্যই যারা এসব করছে, তাদের বিরুদ্ধে এই আইনটা আরো কঠিন হওয়া উচিত। মাননীয় স্পিকার, কথিত আছে সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে বিগত সরকারের আমলে 8 কোটি 10 লক্ষ ডলার সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে দেশ থেকে পাচার হয়ে গেছে। যা 1000 কোটি টাকার উপরে। আমি দেশনেত্রী তারেক রহমান, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলবো, এই 1000 কোটি টাকা যাতে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়, সাইবার ক্রাইমের আইন আরো কঠিন থেকে কঠিনতর করা হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আমির আফজাদ, কুষ্টিয়া 3, 2 মিনিট। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার, সাইবার সুরক্ষা সংশোধনী বিল 2026। 20 আগস্ট তারিখের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিলটি প্রচার করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমি আজ 4 মাস হতে চলছে সরকারের বয়স। আজ পর্যন্ত মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কোনো বিষয়ে ধন্যবাদ জানাইনি। আজকে আমরা আমি মন থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই বিলটি মাননীয় মন্ত্রী নিয়ে আসার কারণে। কারণ এ বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ, এর সাথে নীতিগতভাবে আমি মন্ত্রীর সাথে একমত। মাননীয় সদস্য, বিলটি তো এনেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী। বাবু আনাম সাহেব। আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন। স্যার, স্যার, এই মাননীয় স্পিকার, দেশের সাইবার তাহলে দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে সাইবার সুরক্ষা আইন পাস করার জন্য মাননীয় মন্ত্রী সংসদে এনেছেন এবং পাসও হয়ে যাবে। কিন্তু এটা জনমত যাচাইয়ের জন্য যেহেতু সময় আছে, এজন্য দেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। এখানে কোরআন হাদিসের যে বিষয়গুলো, এই সাইবারের বিষয়ে আমরা পেয়েছি, তার ভিতরে সূরা নিসার 149 নাম্বার আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ইন তুবদু খইরন আও তাখফু আও তাআফু আন সইইন, ফাইন্নাল্লাহা কানা আফুওয়ান কadir। এ আয়াতের ব্যাখ্যায় যেটা বলা আছে, তোমরা যদি সৎ কাজ প্রকাশ করো অথবা গোপন করো অথবা কারো অপরাধ ক্ষমা করো, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশক্তিমান এবং ক্ষমাশীল। এ আয়াতের ধন্যবাদ। ময়মনসিং 6, সময় 2 মিনিট। মাননীয় বিরোধী দলের নেতা, বলুন। কিন্তু অতীত অভিজ্ঞতা সবারই কৃত। এই জায়গাটা সবাই তুলে ধরেছে। যে আইনটা যেন সঠিক প্রয়োগ হয়। যারাই বক্তব্য রেখেছেন, সকলের বক্তব্যের সারবস্তু একই। সুতরাং আমার মনে হয় নতুন কিছু বলার নাই। এখন বাকিরা প্রিপারেশন করলে আপনি এটা আগাতে পারেন। মাননীয়, আপনি এই বিলের উপর বলবেন। আচ্ছা, বলেন। স্পিকার, এটা তো আইন না পাস। 2026। 166। বিল কত নাম্বার? 2023 সনে সাইবার আইন। 166। তাদের একটা বিল ছিল। যেহেতু এই আইনটা শুধু অপরাধ, এই আইনটা শুধু এই সেকশন 20 টাকে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। এই বর্তমান যে আপনার এই সেকশন 20 টা আলোচনাধীন, সেটা হলো সাইবার আইনের এই সেকশন 20 টা রিপিল হবে না। এইটুক। আর উনারা যে কথা বলছেন, সে বিষয়ে উনারা ক্যাবিনেট হচ্ছে, যাচাই-বাছাই হচ্ছে। এখানে মাননীয় বিরোধী দলের নেতাও বললেন, Facebook বা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহার করে মানুষের যে চরিত্র হরণ হচ্ছে, এইগুলোর বিষয়ে আমরা একটা মিনিস্ট্রিয়াল কমিটির মধ্যে একটা আলোচনা হচ্ছে, সেটা আসবে। বাট একটা সাবজেক্টটা শুধুমাত্র ডিজিটাল আইনের পাস হওয়ার পরে এই সেকশনটি বিকাম ইনএফেক্টিভ, বিকাম এভান্ডেন্ট। এটা বাদ করার জন্য প্রস্তাব এনেছি। মাননীয় মন্ত্রী, আপনি যে বিলটা অলরেডি পাস হয়ে গেছে, সেটা সম্বন্ধে একটা বক্তব্য দিয়েছেন। তো যে পাস হয়ে গেছে, পাস হয়ে গেছে। এটার উপর সংশোধনী আনা যাবে না। আপনি এই পাস হওয়ার পরে যে আনবেন, এটা না। কিন্তু আমি কিছু প্রস্তাব আনবো। অর্থনৈতিক এজেন্ডার জন্য। মাননীয় মাননীয় সদস্য মন্ত্রী, 2023। 2023। 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023। সাইবার সিকিউরিটি বিল 2023.

আমি বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি তার প্রস্তাবের জন্য। আপনি বক্তব্য রাখবেন মাহবুবা নাম। বলুন। না, জ্বি না। মাননীয় স্পিকার, ধন্যবাদ। থ্যাংক ইউ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো ভোটে দেব। যারা সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটি জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো নাকচ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, বিলটি এখন বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো ভোটে দেব। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সাইবার সুরক্ষা সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সাইবার সুরক্ষা সংশোধন বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, বিলটির উপর দফাওয়ারি সংশোধন নেই। আমি বিলের দফাটি সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হলো, বিলের দফা দুই এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের দফা দুই এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হলো, বিলের এক দফা প্রবর্তনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রবর্তনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। মাননীয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী জনাব ফকির মাহবুব আনাম আপনি বিলটি পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি ফকির মাহবুব আনাম, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী। প্রস্তাব করছি সাইবার সুরক্ষা আইন 2026 সংশোধন করে আনীত বিলটি সাইবার সুরক্ষা সংশোধন বিল 2026 মহান জাতীয় সংসদে পাশ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সাইবার সুরক্ষা, সাইবার সুরক্ষা সংশোধন বিল 2026 পাশ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে সাইবার সুরক্ষা বিল 2026 সর্বসম্মতিক্রমে পাশ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, দিনের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী এখন বিল সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন। আমি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আন্দালিব রহমান পার্থ, ভোলা এক কে কার্যপ্রণালী বিধির এক উপবিধি অনুযায়ী পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল 2026 সম্পর্কে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল 2026 পরীক্ষাকরণ সংক্রান্ত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের 28শে জুন 2026 তারিখের বৈঠকে উত্থাপিত পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল 2026 জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে পরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট প্রদানের জন্য সংসদ কর্তৃক আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল 2026 পরীক্ষাকরণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি আন্দালিব রহমান কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী এই মহান সংসদে উপস্থাপন করছি। কমিটি 29শে জুন 2026 তারিখে বৈঠকে মিলিত হয়। বিলটি পুঙ্খানুপুঙ্খানুভাবে পরীক্ষা করে। বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির যেসকল মাননীয় সদস্য বিলটি পরীক্ষা করে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে অবদান রেখেছেন, আমি আন্দালিব রহমান, মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, ঝিনাইদহ এক, মোহাম্মদ নশরত জামিল, পঞ্চগড় এক, শাকিলা ফারজানা, 308 মহিলা আসন আট, মঞ্জুরুল ইসলাম, দিনাজপুর এক, মোহাম্মদ হাসান রাজিব, প্রধান, লালমনিরহাট এক, আখতার হোসেন, রাইস, রংপুর চার এবং আলফারুক আব্দুল লতিফ, 13 নীলফামারী দুই। বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির রিপোর্ট প্রণয়নে সহায়তা প্রদান করার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সদস্যগণকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তাছাড়া আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী বিশেষ করে কমিটির সচিবিক দায়িত্ব পালনকারী কমিটির সচিব, লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং ইউনিটের যেসকল কর্মকর্তা-কর্মচারী বিলটি পরীক্ষা কাজে, এ রিপোর্ট প্রণয়নে কমিটির প্রধান সহায়তা প্রদান করেছেন। এই কমিটির পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ। কমিটির অত্যন্ত প্রাণবন্ত আন্তরিক পরিবেশে বিলটির বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক পরীক্ষা করে এবং পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপিত আকারে মহান সংসদে পাশ করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সুপারিশ করেছে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, রিপোর্টটি সংসদে উপস্থাপিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের বৈঠক আগামী 23 আষাঢ় 1433 7ই জুলাই 2026 তারিখ রোজ মঙ্গলবার বিকাল 3:00 ঘটিকা পর্যন্ত মুলতবি করা হলো। 7ই জুলাই 2026 3:00 ঘটিকা পর্যন্ত মুলতবি করা হলো। আপনাদের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

যেসব সম্প্রচারের পাঠ্য এখনো প্রস্তুত নয়

উপরে এই দিনের সম্পূর্ণ পাঠ্য নেই। বাকি সম্প্রচারগুলো এখানে শুনতে পারেন।