মূল লেখায় যান
← সংসদের দিনগুলো

সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য

বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

এই বৈঠকের JSON ডাউনলোড ↓

বক্তব্যের পাঠ্য

নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।

পাঠ্য কপি করলে শনাক্ত বক্তার নাম, মূল ভিডিওর লিংক, অংশের শুরুর সময় ও যাচাইয়ের ছোট নোট যুক্ত হবে।

আসসালামু আলাইকুম ও রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর। তারপর চিহ্নিত প্রশ্ন 1954 মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল আলিম বাগেরহাট চার আপনি উত্থাপন করুন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য।

আমার প্রশ্ন হলো আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মাননীয় মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন হলো বর্তমানে বাগেরহাট জেলার আদালত সমূহে বিচারাধীন মামলা সংখ্যা কত উক্ত মামলাগুলি দ্রুত নিষ্পত্তি করবার জন্য বিশেষ কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা সংখ্যা কত

এবং সেই মামলা নিষ্পত্তির জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় আইনমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বাগেরহাট জেলার জেলা ও দায়রাজাজ আদালত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং বিভিন্ন ট্রাইবুনালে মে 2026 পর্যন্ত সর্বমোট 55607 টি মামলা বিচারাধীন আছে বাগেরহাট সহ দেশের সকল

অধস্থান আদালতে বিচারাধীন মামলা দ্রুত ও কার্যকর ভাবে নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে সরকার নিম্নলিখিত স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দি কোড অফ সিভিল প্রসিজিয়ার 1908

এই যুগোপযোগী সংশোধন আনার জন্য ইতিমধ্যেই এই সংসদের প্রথম অধিবেশনে মাননীয় মন্ত্রী তিন পৃষ্ঠাব্যাপী দীর্ঘ উত্তর আপনি চাইলে এটাকে পঠিত বলে গণ্য হতে পারে। মাননীয় স্পিকার পঠিত বলে গণ্য করলে ধন্য থাকবো মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য আপনি একটি প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার সম্পূর্ণ প্রশ্ন হলো বাগেরহাট জেলার কচুয়া

থানার 2013 সালের এক নাশকতা মামলায় ধোপাখালী ইউনিয়নের রাকিবুল মাহবুব এবং হেমায়েত নামে তিনজনের 14 বছরের সাজা হয়েছে 2023 সালে। মাননীয় স্পিকার, আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় আইনি বিচার ও সংসদ মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই ফ্যাসিস্ট আমলে যে রাজনৈতিক নিগ্রহমূলক মামলায় শাস্তির রায় হয়েছে সে সকল মামলার শাস্তির রায় বাতিল

করার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে কিনা আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদকে অবহিত করতে চাই যে আমাদের যে লিগ্যাল স্কিম আছে কাঠামো আছে সেই কাঠামোর আওতায় 2023 সালে 14 বছরের যে সাজাটা হয়েছে তার বিরুদ্ধে যদি কোনো আপিল ফাইল হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সরকার এই মামলা প্রত্যাহার করতে পারেন না।

আপিলে নিষ্পত্তি হতে হবে। আপিলে যদি নিষ্পত্তি হয়ে যায় সেই সেক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধি 401 ধারায় উনারা যদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দরখাস্ত দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আইন মন্ত্রণালয় মতামতের জন্য আসে তারপরে রাষ্ট্রপতি এটাকে ক্ষমা করতে পারবেন। আরেকটা হলো সংবিধানের 49 অনুচ্ছেদ অনুসারে সরাসরি রাষ্ট্রপতির কাছে দেবেন যেটাও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাবে আইন মন্ত্রণালয়ের

মতামত দেবেন শুধু ফলে সাজাপ্রাপ্ত যারা আছেন তাদের মামলা প্রত্যাহার বা সাজা মওকুফের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মাধ্যমে যেতে হবে আর যেগুলো আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্য মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে যে রাজনৈতিক মামলাগুলো এখনো প্রত্যাহার হয়নি ইতিমধ্যেই সেই মামলাগুলো প্রত্যাহারের জন্য জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি হয়েছে সেই কমিটির মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে আইনমন্ত্রী নেতৃত্বে তার একটি কমিটি হয়েছে সেই কমিটির কাছে

আসলে আমরা সেটা যাচাই-বাছাই করে প্রত্যাহারের জন্য যথাযথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি এবং করব। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী একটি প্রশ্ন করতে পারেন ইকরামুল বাড়ি টিপু নওগাঁ চার। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মাননীয় আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি

আকর্ষণ করে প্রশ্ন রাখতে চাই যে নওগাঁ আমাদের উত্তরাঞ্চলের মধ্যে একটি বৃহত্তম জেলা এই জেলায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মিত না হওয়ার কারণে পুরাতন যেটা জজ কোর্ট সেই খানের একটি কক্ষ ব্যবহার করে এবং গাড়ি বারান্দা ব্যবহার করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গণ আদালত পরিচালনা করেন এখানে আইনজীবী বাদী বিবাদী পক্ষের লোকজন সহ অন্যান্য

শ্রেণীপেশার মানুষ যারা বিচার পর্যবেক্ষণের জন্য উপস্থিত থাকেন তাদের স্থান সংকুলান হয় না খুবই সমস্যা হয় যেহেতু 11 টি উপজেলা এই উপজেলার কোর্টগুলো ওইখানে বসে। আমাদের জানামতে দেশের অধিকাংশ জায়গায় এই চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন নির্মিত হলেও নওগাঁর জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে কেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

ভবন নির্মিত হচ্ছে না এ ব্যাপারে তড়িৎ কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন কিনা মাননীয় আইনমন্ত্রীর কাছে তা জানতে চাই ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে আপনার মাধ্যমে সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি উনি একটি খুব প্যাগমেটিক ভাইটাল এবং জনগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছেন বাংলাদেশের আদালতগুলোতে এখন আদালত ভবনে বিচার বিভাগীয়

কর্মকর্তাদের বসার আসন সংখ্যার খুবই সংকট তার মধ্যে নওগাঁও বাইরে না আমরা 23 টি জেলায় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নির্মাণের জন্য ইতিমধ্যেই যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছি অনুমোদনের জন্য ফাইল প্রসেস হয়ে তার মধ্যে নওগাঁটা আছে আশা করি আমরা অচিরেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারবো মাননীয় স্পিকার এবিএম মোশাররফ হোসেন মাননীয়

সদস্য পটুয়াখালী চার। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি ইকরাম আলী টিপুর মতে আমি প্রশ্ন করতে চাই।

ভাই, আমার আমার যে নির্বাচনী আসন 114 পটুয়াখালী চার সেখানে ব্রিটিশ আমল থেকে চৌকি আদালত ওখানে আছে। বর্তমান ওখানে চৌকি আদালত এবং জেলা যুগ্ন জজ আদালত ওখানে আছে। কিন্তু আগে যে এই আদালতের ভবনটি ছিল সেটা পরিত্যক্ত অবস্থা আছে। এখন ভাড়া বাড়িতে এটা দীর্ঘ আমরা প্রায় সাত-আট বছর এটা চালানো হচ্ছে। তো আমি মাননীয় আইনমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই, কবে নাগাদ এই উপজেলা পর্যায়ে এই আদালত ভবনগুলি তৈরি করার জন্য তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশে বর্তমানে 64 টা জেলা 64 টা জেলায় আদালতের বাইরে 74 টা চৌকি আদালত আছে। প্রত্যেকটা চৌকি আদালতের অবস্থা একই রকম। আমার স্বপ্ন আমার স্বাদ আগামীকাল এগুলো উন্নত করে দিই। কিন্তু আমার সাধ্যের বাইরে আমরা এটা পর্যায়ক্রমিকভাবে চৌকি আদালতগুলোকে পুনর্নির্মাণ

নির্মাণ, সংস্কারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং গতকাল রাতেই সমস্ত স্কিম নিয়ে আমি মাননীয় প্রধান বিচারপতির সাথে কথা বলেছি। আমরা এই কাজগুলো দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাব পর্যায়ক্রমিক ভাবে। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। পরবর্তী প্রশ্ন তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 1955 মাননীয় সদস্য মারজিয়া বেগম মহিলা আসন 38 উত্থাপন করুন। ধন্যবাদ স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয়

স্পিকার, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি? সরকার ঘোষিত ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় লক্ষীপুরের প্রান্তিক জেলেদের যে বিজিএফ চাল বা খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয় তা অনেক ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত নয় বা সময়মতো পৌঁছায় না। জেলেদের জন্য এই সহায়তার পরিমাণ বৃদ্ধি এবং বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয়

সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা কি? ধন্যবাদ। মাননীয় মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী মোঃ আমিনুল রশিদ। সরি প্রাণী সম্পদ। স্যার দুইটা ওয়ার্ড বিসমিল্লাহর মাননীয় স্পিকার দুইটা ওয়ার্ড এত কাছাকাছি আমি মনে করি ভুল করে ফেলেছি। বিসমিল্লাহর রহমান রহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

মাননীয় এমপি মারজিয়া বেগমকে মাননীয় স্পিকার ইলিশ অভয়াশ্রমে মার্চ এপ্রিল মাসে মৎস্য আহরণ বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে লক্ষীপুর সদর কমলনগর রায়পুর রামগদী উপজেলায় 25-26 অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প

এর আওতায় 5500 টি জেলে পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী সহায়তা প্রদান করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার প্রতিটি জেলে পরিবারে দুই মাসের জন্য দুই ধাপে মোট 12 কেজি আটা 10 লিটার সয়াবিন তেল আট কেজি ডাল চার কেজি চিনি চার কেজি লবণ এবং 16 কেজি আলু প্রদান করা হয়েছে

এছাড়াও 25-26 অর্থ বছরে ঝাটকা আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে 29060 টি জেলে পরি সরি 29060 টি জেলে পরিবারকে 40 কেজি হারে চার মাসের জন্য মোট 4650 মেট্রিক টন ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা চাল প্রদান করে।

হয়েছে। মাননীয় স্পিকার এছাড়াও 25-26 অর্থবছরে ইলিশের প্রধান প্রযোজন মৌসুমে মাইলী সাহরণ নিষিদ্ধকালীন সময়ে 44,166 টি জেলে পরিবারকে 25 কেজি করে 22 দিনের জন্য মোট 1,104 মেট্রিক টন ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা চাল প্রদান করা হয়েছে।

মাননীয় স্পিকার, এছাড়াও ভবিষ্যতে জেলেদের জন্য ভিজিএফ চাল প্রদান অব্যাহত থাকবে এবং পরিমাণ বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে মাননীয় স্পিকার। ভবিষ্যৎ প্রকল্প নেয়া হলে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খাদ্য ও উপকরণ সহায়তা প্রদানের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সদ্যসমাপ্ত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপন

প্রকল্প প্রকল্পের অনুরূপ প্রকল্প নেয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে যার মাধ্যমে মৎস্যজীবীদের সহায়তা প্রদানের

পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য মারজিয়া বেগম আপনি একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আমার প্রশ্ন হলো এ সুবিধাগুলো কত সংখ্যক জেলেদের কাছে পৌঁছে এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে কি? মাননীয় মন্ত্রী

ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আমরা বিশ্বাস করি আমি যেই পরিমাণ লোকের সংখ্যা বলেছি ওই পরিমাণ লোকের কাছেই এই সহায়তা পৌঁছে এটা আমাদের বিশ্বাস কারণ এই লিস্ট গুলি তৈরি করা হয়েছে এলাকার

আমরা মৎস্যজীবীদের পক্ষে এলাকাতে প্রত্যেকটা এলাকায় মৎস্যজীবীদের প্রশ্নের কিছু মৎস্য অফিসার রয়েছে প্রাক্তন বা রানিং যারা মেম্বার আছে চেয়ারম্যান আছে তাদের সহায়তায় এই লিস্ট গুলি তৈরি করা হয়ে ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় সংসদ সংসদ

মোহাম্মদ আলী আজগর পাবনা তিন বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য মাননীয় স্পিকার যে সকল জেলাগুলোতে ইলিশ মাছের ইলিশ চাষের জন্য ইলিশ মাছের জন্য খ্যাত বা বিখ্যাত সেই সকল জায়গায়

ভিজিএফ এর মাধ্যমে জেলাদেরকে সহায়তা দেওয়া হয় যখন ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে মাননীয় স্পিকার সারাদেশ সহ আমার আসনটি পাবনা তিন এখানে চলনবিল তিনটি উপজেলা চলনবিল এলাকা যেটা বর্ষাকালে ছয় মাস পুরো মাঠ পানি থাকে এই জায়গায় চায়না দুয়ারী জাল সহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ জাল দিয়ে

পোনা মাছগুলো বা ছোট মাছগুলো ধরা হয়। আইনত এটা দ্বন্দনীয় যার কারণে অনেক সময় প্রশ্ন করুন প্রশ্ন করুন আমার সদস্যদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই জালগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয় এবং তাদেরকে দন্ড দেয়া হয়। আমার মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জিজ্ঞাসা হলো যে সারাদেশেই এই জেলেদেরকে এই নিষিদ্ধ সময়ে মাছধারা নিষিদ্ধ সময়ে বিজিএফের কার্ডের আওতায় আনা হবে কিনা? আমি বিষয়টি মাননীয়

মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানতে চাই। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্যকে। হ্যাঁ, আপনি যেটা বলেছেন চায়না দুয়ারী জাল আমি আপনার সাথে একমত মাননীয় সংসদ সদস্য। এটার ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে আপনি বলেছেন আমাদের তৎপরতা আছে। ইভেন চায়না দুয়ারী জাল যেখানে উৎপাদন হয় ওই এলাকাতে

পর্যন্ত ফ্যাক্টরিতে পর্যন্ত আমাদের তল্লাশি চলতেছে অনেক ফ্যাক্টরিকে আমরা বন্ধ করেছি এই জালটা পোনা মাস পর্যন্ত ধ্বংস করে দেয় সুতরাং এটাকে বন্ধ করতেই হবে আমি অনুরোধ করব আপনাকে সরকারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তো কাজ হচ্ছেই আপনারা যারা বিভিন্ন এলাকা থেকে মাননীয় সংসদ সদস্য আছেন আপনারা যদি একটু সহযোগিতা

যোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, মানুষকে একটু মানসিকভাবে বুস্ট আপ করেন এই জিনিসটা অন্যায় তাহলে আমার মনে হয় দ্রুততম সময় এটা বন্ধ হবে, পুলিশ আপ্রাণ চেষ্টা করছে, আপনি বলেছেন এখানে আরেকটা জিনিস যে বিজিএফের সহায়তা টা অন্য যে মিঠাপানির এলাকায় বা সারাদেশে জেলে পরিবার দের কে সহায়তা করা যায় কিনা এ ব্যাপারে সরকারের চিন্তা-ভাবনা রয়েছে, আমরা আপনারা জানেন আমরা এরই মধ্যে

মাছের জন্য সমুদ্র থেকে শুরু করে মিঠাপানি পর্যন্ত মাছের অভয়াশ্রম করার এই বছর থেকে আমরা শুরু করার শুরু করছি এই যে আপনি বিল বললেন এই বিলের ড্রাই সিজনে সমস্ত মাছ ধরে ফেলে মা মাছ রাখে না নির্দিষ্ট জায়গায় আমরা ওইটাকে প্রটেক্ট করবো যাতে করে মা মাছগুলি আশ্রয় নিতে পারে সুতরাং ওইখানেও আমার

আমাদের প্রচেষ্টা আছে যেন পরবর্তীতে প্রচুর মাছ পেতে পারে এছাড়াও এই যে জেলেরা আছে যাদের শুধু পেশা জেলে তাদেরকে আমরা অন্য সময়ে যখন

মাছ ধরার সুযোগ থাকবে না ওই সময় গুলি খাদ্য সহায়তা থেকে শুরু করে নিজের স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার জন্য আরো কিছু প্রজেক্ট আমরা হাতে নিয়েছি ওইটা সমমতে আমরা বলবো আমরা আশা করি ওই প্রজেক্ট যদি আমরা সাকসেস হয়ে যায় আমরা বড় ধরনের একটা প্রজেক্ট নিচ্ছি আশা করি এই সমস্যাটা আর থাকবে না ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য মাননীয় সদস্য একেএম সেলিম রেজা হাবিব আপনার

দুই। স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। জাল যার জলা তার। কিন্তু বর্তমানে যে পরিস্থিতি দেশে বিরাজমান ফ্যাসিস্ট সরকার পুরো বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা প্রান্তিক জেলেদের

মাছ আহরণ করার কোনো সুযোগ রাখে নাই। জলা থেকে শুরু করে বদ্ধ জলা থেকে শুরু করে নদী নালা পর্যন্ত তারা ইজারা দিয়েছে। ইজারা দের দৌরাত্তে এই যে প্রান্তিক যে সমস্ত জেলের মৎস্যজীবী রয়েছে তাদের জীবিকা নির্বাহ অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানতে চাই যে প্রান্তিক মৎস্যজীবীদের জন্যে যে বদ্ধ

জলাশয়গুলো যেগুলো রয়েছে, সেগুলো তাদের জন্য ইজারা প্রথা বাতিল করে তাদের জীবিকা নির্বাহের ব্যবস্থা করার পুনরায় করবেন কিনা এবং এই যে জল যার জাল যার জলা তার এই বাক্যটি নিয়ে প্রতিপালন করবেন কিনা? মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্যকে। আপনি জানেন আমাদের নির্বাচনী এই সরকারের নির্বাচনী কমিটমেন্ট

এটা ছিল জাল যার জলাতার এই যে জাল যার জলাতার এটা থেকে উঠে শক্তি যার জলাতার এই প্রবণতা শুরু হয়েছিল গত বহু বছর আগে মাননীয় স্পিকার সো ওই প্র্যাকটিস রয়ে গেছে আমরা চার মাস আছি এর ভিতরে বহু খাল পানি বন্ধ করে মাছের চাষ করা হয়েছিল ওই খালগুলিকে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে এবং এই সরকার বন্ধ

করে এই ব্যাপারে কোনো অবস্থাতেই এই ইজরা প্রথা এটাকে চালু হইতে সরকার দেবে না। এটাকে আমরা যার জাল জাল যার জলা তার এই প্রথায় চালু করা হবে ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে। ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য। তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 1956 1956 মাননীয় সদস্য মোঃ শওকতুল ইসলাম মৌলভীবাজার 2

বিসমিল্লাহি বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ কেন জানিনা এখানে দাঁড়ালেই একটা ভয় কাজ করে যে কখন আপনি বলে ফেলবেন আপনার সময় দুই মিনিট কিন্তু আজকে সেই ভয়টা নেই কিন্তু একটা লাভ হয়েছে মাননীয় স্পিকার যখন এলাকাতে যাই তখন সাধারণত প্রধান অতিথি হিসেবে কথা বলার সুযোগ পাই

আমি কাউকে সঞ্চালনা করার সুযোগ দেই না আমি নিজে মাইক নিয়ে নেই এবং বলি আপনার মতো মানুষের সমস্যা সময় দুই মিনিট মাননীয় সদস্য আপনি প্রশ্নটা উত্থাপন করেন যেভাবে আপনি সম্পূরকের বাড়তি কথা বলতে পারবেন এখন প্রশ্নটা উত্থাপন করুন আমি মোহাম্মদ শওকতুল ইসলাম 236 মৌলভীবাজার 2 1956 তারকার চিহ্নিত প্রশ্ন মহান সংসদে উত্থাপন করছেন

আছি। জনপ্রশাসনমন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় বিভিন্ন দপ্তরে দীর্ঘদিন ধরিয়া প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তার পদ খালি রহিয়াছে। উক্ত শূন্যপদে জরুরী ভিত্তিতে পদায়ন করা হইবে কিনা হইলে তাহা কবে নাগাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল বারী

স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ মো

পরিকল্পনায় বর্ণিত স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সাথে 5 লক্ষ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ এর বিষয়ে অন্যান্য মন্ত্রণালয় বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা শূন্য

পদে নিয়োগের তথ্য এবং ক্যাডার পদে নিয়োগের অধিচার প্রেরণের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া দ্রুততম সময়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও সৈন্যপদের বিপরীতে নিয়োগের বিষয়ে সময় আবদ্ধ কর্ম পরিকল্পনা পূরণের জন্য সকল মন্ত্রণালয় বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সহ সকল মন্ত্রণালয় বিভাগ নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে মৌলভীবাজার

জেলার কুলাউড়া উপজেলার সৈন্যপথ সমূহ পূরণ করা হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য মোঃ শওকতুল ইসলাম আপনি একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন আমাদের এলাকায় 66 টি পদ খালি আছে। উনি সময় নির্ধারণ করেছেন ছয় মাস এক বছর এবং পাঁচ বছর। আমি মনে করি এটা

অনেক লম্বা সময় দীর্ঘদিন এই পোস্ট গুলি খালি থাকবে এটা কোনরকমেই আমার এলাকার জনগণের কাম্য নয় তাই মাননীয় মন্ত্রীকে আমি অনুরোধ করব যত শীঘ্র পারেন যত তাড়াতাড়ি পারেন আমার এই সৈন্য পদগুলি পূরণ করবার চেষ্টা করবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী স্পিকার এখানে আমাদের সেই কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে মূলত ছয় মাস এক বছর এবং

পাঁচ বছর। ইতিমধ্যে মাননীয় স্পিকার, সারাদেশেই নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে নিয়োগ কার্যক্রম চলছে। এখানে এবং এক বছরের মধ্যে ম্যাক্সিমাম পদ মাননীয় স্পিকার পূরণ হয়ে যাবে। কিছু কিছু বিষয় থাকে আদালতের মামলা মোকদ্দমা বা অন্যান্য কারণে কিছু কিছু পদ পূরণে সময় লেগে যায়। ওই জন্য এই পাঁচ বছর মেয়াদটি রাখা হয়ে তবে ম্যাক্সিমাম পদ এক বছরের মধ্যে মাননীয় স্পিকার পূরণ হয়ে যাবে আশা করা যায়।

এবং সেভাবেই কার্যক্রম চলছে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। সাবিক উন্নয়ন হার মহিলা আসন 39 একটি প্রশ্ন করতে পারেন। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা পত্রিকা মারফত জানতে পেরেছি এইচএসবিসি বাংলাদেশের রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধের নামে 257 কর্মকর্তাকে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের দাবি ভারতে একই ধরনের ঘটনায় কর্মীদের 120 গুণ এবং শ্রীলঙ্কায় 84 গুণ ক্ষতিপূরণ দেয়া হয়েছে অথচ বাংলাদেশের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তাদের সর্বোচ্চ 15 মাসের বেতনের সমপরিমাণ সুবিধা দেয়া হয়েছে যা অত্যন্ত বৈষম্যমূলক তারা বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত 120 গুণ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে যাবে

জানতে চাচ্ছি যে এই ক্ষতিগ্রস্ত যারা আছে তাদের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন কিনা ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে প্রশ্নকর্তা মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এই সিএসবিসি একটি প্রাইভেট অর্গানাইজেশন এবং এই বিষয়ে আমার মনে হয় সরকারের করণীয় কিছু নেই মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয় আছেন অর্থ

মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে কোনো বিষয়ে হয়তো কোন ব্যবস্থা নিতে যদি পারেন সে বিষয়ে আলাদা যদি আলাদা যদি নোটিস দেন তাহলে অর্থমন্ত্রণালয় বিষয়ে হয়তোবা ব্যবস্থা গ্রহণ বা তাকে সঠিক তথ্য জানাতে পারে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য আব্দুল বারী সরদার রাজশাহী চার আসসালামু আলাইকুম বিসমিল্লাহির রাহমান রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

আমার নির্বাচনী এলাকা বাগমারায় উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ করে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণীর অনেক কর্মকর্তার এবং কর্মচারীর পদ শূন্য আছে। বিশেষ করে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার যিনি আছেন তিনি শারীরিকভাবে অনেকটাই অসুস্থ এবং একাধিক উপজেলার দায়িত্বে থাকার কারণে মারাত্মকভাবে অফিশিয়াল কাজগুলো ব্যহত হচ্ছে। দ্রুততর সময়ের মধ্যে এটা পূরণ করা হবে কিনা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে বিনয়ের সাথে জানতে চাই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নিয়োগ কার্যক্রম চলছে এবং নিয়োগ কার্যক্রম যেভাবে চলছে তাতে আশা করা যায় দ্রুতই সবগুলো পথ পূরণ হবে আর যিনি যে প্রশ্ন করা হয়েছে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এখানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ বিষয়ে নোটিস প্রদান করা হলে

সেখান থেকে মাননীয় স্পিকার সঠিক ভাবে সে তথ্য গুলো মহান সংসদে সরবরাহ করা হবে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

প্রশ্ন 1957 মাননীয় সদস্য সালাউদ্দিন গাজীপুর চার প্রশ্ন করুন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়ের অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি কাপাসী উপজেলার বিভিন্ন খাল ও জলাধারে অবৈধ দখল এবং দূষণ রোধে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়াছেন

মাননীয় মন্ত্রী শহীদুদ্দিন চৌধুরী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্য গাজীপুর চার উনাকে আন্তরিকভাবে মোবারকবাদ জানাই উনার যে প্রশ্নটি এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মুহূর্তে যেহেতু আমরা

আমাদের এই সরকার দায়িত্ব নিয়েই খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। আমাদের বর্তমান সরকার খাল খনন কর্মসূচি ব্যাপক আকারে সম্প্রসারণের জন্য দেশব্যাপী নদী নালা খাল জলাধার খনন ও পুনঃখনন শিরোনামে বৃহৎ পরিসরের একটি প্রকল্প প্রদায়ের কাজ চলমান রয়েছে মাননীয় স্পিকার। উক্ত প্রকল্পের আওতায় গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার খাল সমূহের তালিকা যাচাই-বাছাই

কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন, যাচাই-বাছাই শেষে জনগুরুত্বপূর্ণ খালসমূহ উক্ত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে খাল ও জলাধারে অবৈধ দখল চিহ্নিতকরণ সীমানার অবৈধ দখলদারদের তালিকা প্রণয়ন

পাশ হওয়ার অপেক্ষা রয়েছে। তারপরও যে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করছি বিশেষ করে যে ইমারজেন্সি ওয়ার্ক সেখানে প্রটেকশন দিয়ে আমরা আপাতত রক্ষা করছি। খুব শীঘ্রই প্ল্যানিং কমিশনের মাধ্যমে এটি এক নাকি আসবে। আমরা সেখানে পরবর্তী আলোচনা করে গৃহীত সিদ্ধান্ত নেওয়ার গৃহীত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মোহাম্মদ কামাল হোসেন

ঢাকা পাঁচ। মাননীয় স্পিকার, আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই, আমাদের ঢাকা পাঁচ নির্বাচনী এলাকার যাত্রাবাড়ি ড্যামড়া কদমতলীর একাংশ নিয়ে গঠিত। 1962 সালে ডিএনডি বাদ নির্মাণের পরে

এই অঞ্চলটি জলাবদ্ধতা, দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। ইরিগেশন প্রকল্প হিসেবে এলাকাটি যখনই খনন করা হয়েছিল, তারপরে নগরায়ন, নগরায়ন হওয়ার পরে সিটি কর্পোরেশনের 2017 সালে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরেও এখানে 14 টি খাল অধিকাংশ খাল বেদখল হয়ে আছে এবং ফেসিস্ট আমলো সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

বাট এই অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসন হয়নি মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই আমাদের ডিএনডি বাদের ভিতরে বিশেষ করে আমার যাত্রাবাড়ি ডেমরা এই কদমতলী অঞ্চলের মানুষের দুঃখ কষ্ট লাগবে জলাবদ্ধতা নিরসনে খালগুলো পুনরুদ্ধার করার কোন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে কিনা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। 2017 সালে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ ডেমরা ডিএনটি বাত্রির এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয় এবং 2024 সালে এই প্রকল্পটি আমাদের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে শেষ করা হয়েছিল। কিন্তু প্রকল্পটি যখন নেওয়া হয়েছিল তখন এর পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে খুব একটা সংশ্লিষ্টতা তখন ছিল না।

আমরা গত প্রায় দুই সপ্তাহ আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে আমরা এই প্রকল্পটির বিশেষ করে বর্জ্য অপসারণ পানির নিষ্কাশন পাশাপাশি এই যে খালগুলো উদ্ধারকরণ আমরা সেই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ একটা ডিপার্টমেন্টাল যে আলোচনা উনার সাথে করেছি আমি আপনাকে মাননীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করতে চাই খুব শীঘ্রই আমরা সিটি কর্পোরেশন

এই ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন যেহেতু আমরা আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে এটাকে সমন্বয় করে নিয়েছি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ইতিমধ্যে অবগত আছেন এবং তারা খুব দ্রুত এই ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার তারকা ত্রিন্দ প্রশ্ন 1958 মাননীয় সদস্য মোঃ আবুল কালাম কুমিল্লা 9 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

মৎস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি দেশে বর্তমান বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা কত টন এবং বার্ষিক তরল দুধের চাহিদার পরিমাণ কত খ দেশের জনগণের চাহিদা মোতাবেক খাঁটি দুধের নিশ্চয়তা দিতে সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করিবেন কিনা করিলে তাহা কি ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয়

স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্যকে। দেশে বর্তমানে বার্ষিক তরল দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা 1 কোটি 55 লক্ষ 38,000 মেট্রিক টন। এবং বার্ষিক তরল দুধের চাহিদা 1 কোটি 62 লক্ষ 33,000 মেট্রিক টন। 2024-25

অর্থবছরের হিসেবে এটা। মাননীয় স্পিকার, দেশের জনগণকে চাহিদা মোতাবেক খাঁটি নিরাপদ ও মানসম্মত দুধের নিঃস্বয়তা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো প্রাণীজাত পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ ও নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী স্বীকৃত আইন

সনদ প্রাপ্ত একটি অ্যাট্রিটেড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবরেটরি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার। যার মাধ্যমে ভেজাল মুক্ত

মানসম্মত দুধ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে মাননীয় স্পিকার প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দেশের দুধ সংগ্রহ সংরক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে 40 টি চিলিং প্লান্ট 466 টি উপজেলায় একটি করে মোট

466 টি মিল এনালাইজার সরবরাহ করা হয়েছে। এসব মিল ক্যানালাইজারের মাধ্যমে তরল দুধের বিশুদ্ধতা ও গুণগত মান দ্রুত নির্ভুল ভাবে পরীক্ষা করা সম্ভব হয়ে এছাড়া ম্যাচিং গ্র্যান্ড কর্মসূচির আওতায় দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় 15 টি ডায়েরি হ্যাভ

300 টি ভিলেজ মিল কালেকশন সেন্টার 186 টি ক্ষুদ্র আকারের মিল প্রসেসিং প্ল্যান স্থাপন করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে নিরাপদ মানসম্মত দুধ সংগ্রহ প্রক্রিয়াজাতকরণ সংরক্ষণ এবং বাজার জাতকরণের ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী হয়েছে মাননীয় স্পিকার। এসকল কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের

জনগণের দুধের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে মাননীয় সদস্য মোঃ আবুল কালাম একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আমার সম্পূরক প্রশ্নটি হলো আমরা বর্তমানে ইরিগেশন বা পশলাদিতে ডিপ টিউবের মাধ্যমে বিদ্যুৎ অথবা ডিজেলের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করে থাকি উন্নত বিশ্বের আমাদের প্রতি

বেশি বেশকিছু দেশে বিদ্যুৎ এবং ডিজেল ছাড়া সৌর বিদ্যুৎ অথবা সোলারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ইরিগেশন ফসল পলানো হয় তাতে আমাদের বিদ্যুৎ এবং ডিজেলের সাশ্রয় হয় এবং এতে একটা ডিপ ট্রিভাল পরিচালনা মানে চালাতে বা এটার উপরে যে সৌর বিদ্যুৎ ব্যাটারি সহ চালিত হয় তার দাম পড়ে 6 থেকে 7 লক্ষ টাকা আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট জানতে চাই আমাদের দেশে

এই ধরনের কোনো প্রকল্প উনার আগামী দিনে উনি এই দেশে আনবেন কিনা যাতে করে বিদ্যুৎ এবং ডিজেল আমরা সেভ করে সৌরবিদ্যুৎ এর মাধ্যমে আমরা আমাদের ইরিগেশন সহ বিভিন্ন ফসলাদি ফলাতে পারি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার প্রশ্নের বাইরে যে উত্তরের বাইরে যে একটা কথা বলতে ইচ্ছা করছে এই হলো জনগণের ভোটে নির্বাচিত

এমপি। জনগণের ভোটে যখন নির্বাচিত হয়েছে জনগণের সুখ-দুঃখের কথা। এই যে বলতে প্রত্যেকটা প্রশ্নের ভিতরে দেখেন জনস্বার্থ নিয়ে কথা। জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হইলে এই হলো জনগণের লাভ। বহু বছর ধরে বহু বছর ধরে জনগণের নির্বাচিত ছিল না বলে এই প্রশ্নগুলি আসে না। মাননীয় স্পিকার আজকের এই প্রশ্নকর্তা জনাব

এমপি জনাব আবুল কালাম সাহেবকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এই প্রশ্নটি করার জন্য সত্যি এটা একটা প্রবলেম আমি আপনাদেরকে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে সবাইকে একটা সুখবর দিতে চাই আমি আশা করি আমরা আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী আমরা এরই মধ্যে পরিকল্পনা নিয়েছি

সারা বাংলাদেশে যত সেলো এবং ডিপ টিউবুয়েল আছে এগুলিকে পর্যায়ক্রমে সোলারের আওতায় নিয়ে আসা হবে খুব কম সময়ের মধ্যে। আমার মনে হয় আমার প্রশ্নে মাননীয় এমপি আবুল কালাম সাহেব সহ সবাই খুশি হয়েছেন।

আপনাদের সহযোগিতা চাই আপনাদের দোয়া চাই যেন দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটা আমরা শেষ করতে পারি দেশের জন্য অনেক বড় ধরনের একটা কল্যাণকর কাজ হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন তিন আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে আমি মৎস্য প্রাণী সম্পদ মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই

আমি চাঁদপুর তিন আসনের রাজরাজেশ্বর একটা ইউনিয়ন সম্পর্কে বলতে চাই নামটা হল রাজরাজেশ্বর মানুষগুলো কিন্তু একটু রাজার মত।

অন্য নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েও তারা নিজেদের এলাকা ছেড়ে যেতে চায় না। এক জায়গায় ভাঙলে আরেক জায়গায় গিয়ে ঘর তোলে তারা। ওই ভাবে তারা বসবাস করে। তা আমি সেখানে দেখেছি তারা যদিও নদী ভাঙ্গা এবং প্রচুর পানির ভিতরে আছে কিন্তু আসলে সুন্দর ভালো পানি ফসল উৎপাদনের জন্য তাদের পানির ব্যবস্থা নাই। সেজন্য সেখানে প্রচুর গরু উৎপাদন করে এবং প্রচুর দুগ্ধ উৎপাদন করে। চাঁদপুরের প্রায় প্রতিটা ঈদে রাজরাজেশ্বরের গরু দিয়ে কোনটা

ভাই, আমার প্রশ্ন হলো, আমি শুধু এখানে বলতে চাই যে সেইখানে একটা দুগ্ধ গরু পালনের ওইখানে মিল্ক ভিটার মতো কোনো এজেন্সি বা মিল্ক প্রসেসিং প্ল্যান্ট নির্মাণে কোনো পরিকল্পনা নেওয়া সম্ভব কিনা চাঁদপুরের রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। রাজ রাজস্ব ইউনিয়ন। বহুদিন পরে এই ধরনের নাম খুবই সুন্দর নাম।

মাননীয় স্পিকার, আর মাননীয় এমপিও বলল যে রাজা বাদশার মতো লোকজন বসবাস করে। খুব ভালো লাগছে। আমরা আপনার মাধ্যমে কথা দিচ্ছি, আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি কোথায় কোথায় বেশি দুধ উৎপাদন হচ্ছে, আমার দুধের ঘাটতি সামান্য কিছু আছে। খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে ইনশাআল্লাহ ওই এলাকাতে এই দুধের যেকোনো একটা মিনি প্রসেসিং প্লান্ট

ধন্যবাদ মোসাম্মদ ফরিদা ইয়াসমিন মহিলা আসন 6 মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি পানি সম্পদ মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চাই কুষ্টিয়া জেলা দৌলতপুর উপজেলাধীন রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের চিলমারী প্রত্যন্ত চর এলাকা থেকে ভেড়ামারা থানা রাইটাঘাট মিরপুর থানাধীন

তালবাড়িয়াঘাট, কুমারখালী থানা, কয়াঘাট, সেলাইদিয়াঘাট হয়ে খোকসা পর্যন্ত নদী তীরবর্তী অঞ্চল রয়েছে যা দৈর্ঘ্য প্রায় 60 থেকে 65 কিলোমিটার। এই নদীর বাক অনুযায়ী বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ ভৌগলিক অবস্থান নদীপথের এই রুটটি রাজশাহী সেই রিজিওনের নৌপুলিশের তত্ত্বাবধানে লক্ষীকুন্ডা নৌফাড়ির পুলিশ কার্যক্রমে পরিচালিত হচ্ছে যার অবস্থান ঈশ্বরদী এবং পাবনা কিন্তু

আমাদের ভেরামারা এবং এই তালবাড়িয়া বা দৌলতপুরে নৌ থানা না নৌ পুলিশের থানা না থাকার কারণে এখানে দিন দিন এই পুলিশের যে অবৈধ দৌরাত্র বেড়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসীদের এতে করে প্রতিদিনই সেখানে গোলাগুলি বা ইয়ে মাননীয় সদস্য জি আপনি প্রশ্ন করবেন পানি সম্পদ মন্ত্রীকে জি পানি সম্পদ প্রাণী মৎস্য এবং পানি সম্পদ মন্ত্রীর প্রশ্ন এটা পানি সম্পদ মাননীয় মন্ত্রীকে উনি নৌ পুলিশের কি করবেন উনি?

উনি তো নৌঘাটি স্থাপন করতে পারবেন না। প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয় মাননীয় প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়। আপনি চাচ্ছেন কি একটি থানা চাচ্ছেন ওখানে? নৌ পুলিশের থানা। আমি নৌ পুলিশের নৌ পুলিশের থানার একটি আবেদন করছি। মাননীয় প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী আপনার আন্ডারে আছে নাকি থানা পুলিশ কিছু? উত্তর দিন। না এটা মুরগি নিয়ে আছি। আমি পুলিশ তো আমার সাথে নাই।

তারপরেও ওই এলাকায় যদি মাননীয় স্পিকার আমার এই রিজার্ভের মাস্টার যদি কেউ ধরে ওই উসুল্লাহ যদি রিকোয়েস্ট কইরা সরাসরি মধ্যে রিকোয়েস্ট করতে পারি কিছু পুলিশ পাঠানোর জন্য। ধন্যবাদ। এ ছাড়া আমার কিছু করার নাই। ধন্যবাদ স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে বলবেন। রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ মাননীয়

স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় মৎস্য প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানতে চাই দুগ্ধ সংক্রান্ত কিছু কথা ইতোমধ্যে মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন। আমি মনে করছি যে আমার এলাকা সহ অসংখ্য এলাকা আছে যেখানে এই বিশাল সেক্টরের অনেক বেশি সম্ভাবনা আছে। কিন্তু এই প্রাস্তরিত প্রক্রিয়াকরণ যেটা প্রসেসিং জোন যেটা বা সেন্টার এই সেন্টার

না থাকার কারণে অনেক জায়গায় এটাকে আমরা কাজে লাগাতে পারছি না দেশব্যাপী কাজে লাগাতে পারছি না এবং দেশের বাইরে পাঠানোর ব্যাপারে আমাদের যে উদ্যোগ থাকে সেটা কাজে লাগাতে পারছি না আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে আমার এলাকা সহ এরকম সম্ভাবনাময় এলাকা বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকা যেখানে সবুজ ঘাস খাওয়ার সুযোগ রয়েছে গরুদের এই ব্যবস্থাপনা গুলো আরো বেশি বিস্তৃত করা এবং দুগ্ধ সংরক্ষণাগার স্থাপনের ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ নেবেন কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে। আপনার আপনার সাথে আমি একমত পোষণ করছি। আমরা আপনার

এলাকা সহ সারা বাংলাদেশে কিছু কিছু এলাকা এমন হয়েছে যে ওই এলাকা দুধ উৎপাদনের পার্সেন্টেজ খুব দ্রুত হাই হচ্ছে এবং দীর্ঘদিন ধরে আমাদের এই গাভী পোষার যে প্র্যাকটিস টা আমাদের কৃষকেরা বা যারা গাভী পোষার লালন-পালন এর সাথে জড়িত আছে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক হয়েছে এরই মধ্যে আমি আপনাদেরকে একটা

সুখবর দিতে চাই। আমি কিছুদিন আগে আপনার প্রাণী রিসার্চ ইনস্টিটিউট যেটা ওখানে আমি গিয়েছিলাম। আমরা নতুন ধরনের একটা ঘাস উদ্ভাবন করেছি। যেটার মধ্যে প্রোটিন পার্সেন্টেজ এবাউট 18%। সো এই প্রোটিন পার্সেন্টেজ বাড়ার অর্থ হলো আপনাকে আর কোন সলিড ফুড খাওয়াতে হবে না। সো সলিড ফুডটা অনেক এক্সপেন্সিভ।

এই এই ঘাসটা যদি উদ্ভাবন হয়ে গেছে এটা মাঠ পর্যায়ে চলে যাবে কিছু কিছু জায়গায় যাচ্ছে তার অর্থ হলো সরকার চায় গো খাদ্য উন্নত জাতের গো খাদ্য উঠে আসুক উন্নত জাতের গো খাদ্য যত বেশি হবে দুধ উৎপাদন বেড়ে যাবে মাংস উৎপাদন বেড়ে যাবে সো দুধের উৎপাদন যখন বাড়বে সহবতে এটাকে সংরক্ষণের প্রশ্ন আসবে এই ধরনের জায়গাগুলিতে আমরা ছোট ছোট মিনি আকারে আমরা এই ধরনের প্রক্রিয়াজাতকরণ

ইউনিট বাংলাদেশে বেশ কিছু আছে আমার আগের বক্তব্য আমি বলেছি আরো নতুন জায়গায় এখানে নতুন কোন একটা ইউনিট দিতে যদি যায় নির্দিষ্ট পরিমাণে একটা কোয়ান্টিটির দরকার হয় এর নিচে যদি হয় যে প্রতিষ্ঠা করুক হোক সেটা সরকার হোক সেটা প্রাইভেট এটা অনেক সময় ভাইভেল হয় না সুতরাং আমাদের সার্ভে কন্টিনিউয়াসলি আছে যে এলাকায় ওই লিমিটের কাছাকাছি চলে যাবে দ্রুততম সময় সরকারের পক্ষ থেকে ওই ধরনের প্রক্রিয়া জাতকরণ

মিনিফ্যাক্টরি করে দেওয়া হবে এরই মধ্যে আমাদের অনেকগুলি করা হয়েছে আমার আগের বক্তব্য আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 1959 মাননীয় সদস্য মোঃ রকুনুদ্দিন বাবুল লালমনিরহাট 2 উত্থাপন করুন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট আমার প্রশ্ন মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি বর্তমান সরকার খাল কাটা কর্মসূচির আওতায় লালমনিহাট জেলা আদিত্য মহি ও কালীগঞ্জ উপজেলার কোন প্রকল্প গ্রহণ করিয়ে আছেন কিনা করিলে তাহা কি? মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাই প্রশ্নটি

অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইজতেহারে প্রতিশ্রুত খাল খনন কর্মসূচি ব্যাপক আকারে সম্প্রসারণের জন্য দেশব্যাপী নদী, নালা, খাল জলাধার খনন ও পুনঃখনন শিরোনামে বৃহৎ পরিসরের একটি প্রকল্প প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী ও কালীগঞ্জ উপজেলার খালসুমিয়ের তালিকা যাচাই-বাছাই কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

যাচাই-বাছাই শেষে জনগুরুত্বপূর্ণ খালসুম উক্ত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য রোকনুদ্দিন বাবুল একটি প্রশ্ন উত্থাপন করুন সম্পূরক প্রশ্ন মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আমার আদিত্য মারি কালীগঞ্জ উপজেলা তিস্তাপালের মানুষ আমরা খালখন্ড

কর্মসূচি ছাড়া আমার নির্বাচনী এলাকায় আপনার মন্ত্রণালয় থেকে আর কি কি প্রকল্প গ্রহণ করিয়াছেন করিলে কি কি মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য নিশ্চয়ই অবহিত আছেন যে 19 শে জুলাই আমি মাননীয় সংসদ সদস্য সহ তিস্তার পাড়ে গিয়েছি

সেখানে অন্যান্য মাননীয় সংসদ সদস্য সহ আমাদের জাগোবাহী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ সেখানে ছিলেন আমরা সেখানে বিশেষ করে এই তে তিস্তা অববাহিকা যেটি আমাদের উত্তরবঙ্গের জন্য দীর্ঘদিনের একটা স্বপ্ন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আমরা ফিজিবিলিটি

স্টাডি কমপ্লিট করার জন্য দেশীয় প্রযুক্তিতে এবং বিদেশী বলতে আমরা খুব শীঘ্রই চায়না সফর করে

ছিলাম। চায়না সরকারের আন্তরিকতায় আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা আশা করছি যে আগামী ছয় মাসের মধ্যে আমাদের এই কার্যক্রম সমাপ্ত হবে এবং ওই অঞ্চলের মানুষের যে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য সম্পূর্ণরূপে উদ্যোগ গ্রহণ করব। মাননীয়

স্পিকার। তাছাড়া ওনার ওই এলাকায় যে খাল খনন কর্মসূচির জন্য উনি যে ডিউ লেটার গুলো দিয়েছেন তার মধ্যে প্রায় 14.80 কিলোমিটার আমরা সেখানে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছি। সেখানে আমাদের একটি প্রকল্প রয়েছে। যে প্রকল্পের মধ্যে ওনার এই খাল খননের যে দৈর্ঘ্য সেটা আমরা অন্তর্ভুক্ত করে আমরা সে এলাকার মানুষের পাশে থাকবো। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। হ্যালো।

জেরিন খান মহিলা সন্নয়। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার জেলা মাদারীপুর, মাদারীপুর জেলার চর্মগুরিয়া বন্দরটি মূলত কুমার নদী এবং আড়িয়ালখা নদীর পাড়ে এবং এই বন্দরটি বিখ্যাত একটি বন্দর পাটের জন্য এবং চালের ব্যবসায়ের জন্য অতীত দিনে ছিল। কিন্তু এই কুমার নদী এবং আড়িয়ালখা নদী দুটি নদী প্রায় মৃত প্রায়। আমি মাননীয় পানি

সম্পদমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই এই নদী দুইটি খনন করে ওই বন্দরটিকে আবার পুরানো অবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া যায় কিনা সে ব্যাপারে আপনি কোন পদক্ষেপ নিবেন কিনা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে অনুরোধ করব যে এই যে দুটি নদী কুমার নদী এবং আড়িয়াল নদী দুটি আমাদের সে অঞ্চলের জন্য যেহেতু

গুরুত্বপূর্ণ উনি উনার একটি ডিউ লেটার দিবেন আমরা আশা করছি যে খুব শীঘ্রই এ ব্যাপারে আমাদের মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করব ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আব্দুল হান্নান মাসুদ নোয়াখালী 6 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী আমার দেবপুর জেলা হাতিয়াই দুইপাড়ের নদী ভাঙ্গন

আমি ডিউ লেটার দিলে ওখানে সুপারিশ করেন প্রায় দুই মাস আগে বিভিন্ন জায়গায় ইমার্জেন্সি বেসিসে কাজ করার জন্য। কিন্তু আমার হাতিয়ার একমাত্র চলাচলের পথ আমাদের নলসিরা ফেরিঘাট এবং চেয়ারম্যানগাড়ি ফেরিঘাট হুমকির মুখে। যেকোনো মুহূর্তে নল চেয়ারম্যানগাড়ি যে বাজারে প্রায় প্রতিবছর পাঁচ থেকে 10,000 কোটি টাকার বাণিজ্য হয় সেই বাজার যেকোনো মুহূর্তে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে এবং আমার সানুন্ডের ইউনিয়ন প্রায় অর্ধেক

নদীকর্ণে বিলীন হয়ে সুবর্ণ চরের সাথে মিশে যাচ্ছে। কিন্তু বিভিন্ন আমদাতান্ত্রিক জটিলতা ডিজাইন ডিজি রিডিজাইনের মুখে আমার হাতিয়াতে দুই মাস হোক কোনো ইমারজেন্সি প্যাসিভে কাজ শুরু করতে পারে নাই। এই ব্যাপারে কয়েকবার আমি মাননীয় মন্ত্রীকে জানালে উনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলো। এখন পর্যন্ত প্রশ্ন করুন প্রশ্ন করুন। এখন পর্যন্ত আমার হাতিয়ায় কেন কাজ কাজগুলো শুরু হয় নাই এই ব্যাপারে যারা যে সকল আমলারা জড়িত তাদের ব্যাপার থেকে জবাবদিহিতা নেওয়া হবে কিনা মাননীয় স্পিকার এটা আমার উপজেলা

বাঁচার আকুতি। আমি বাঁচার আকুতি নিয়ে কথা বলছি হাজার হাজার ঘরবাড়ি প্রতিনিয়ত নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এই ব্যাপারে অতি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ করব। মাননীয় মন্ত্রী। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আমি গত এক মাস আগে হাতিয়ার পার্শ্ববর্তী ভূমিহীন বাজার এবং নোয়াখালী

সুবর্ণচর সে এলাকা গিয়েছি এবং সেখানে মাননীয় সংসদ সদস্য নিজেই উপস্থিত ছিলেন। তিনি সম্পূর্ণ সময় আমাদের সঙ্গে থাকতে পারেন নাই। আমাদের পার্শ্ববর্তী মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ শাহজাহান সার্বক্ষণিক সময় ছিলেন। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে ইমারজেন্সি ওয়ার্ক করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি। উনার নির্বাচনী এলাকার একটা বাজার

ভূমিহীন বাজার সেখানে ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়ে এবং পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী সুবর্ণচর সেখানেও কাজ চলমান আমাদের এই হাতিয়ার দ্বীপটা এটা প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে সেখানে সেখানের মানুষ বসবাস করছেন সেই এলাকায় একটা পার্মানেন্ট ওয়ার্ক চলমান রয়েছে উনি যে ব্যাপারে এই মাত্র বলেছেন সেটি হলো চেয়ারম্যান গার্ড এবং হাতিয়া বাজার

এখানে দুইটি ইমারজেন্সি ওয়ার্ক কাজ করার জন্য আমরা ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছি, আমরা আশা করছি খুব শীঘ্রই এর কাজ শুরু হবে, ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

বিলকিস ইসলাম মহিলা আসন সাত ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে জানতে চাই আমাদের নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় চারালকাটা একটা নদী আছে সেই নদীতে বিপুল স্রোত সেখানে এবং কয়েকদিন আগে ইমারজেন্সি ভাবে আমি গত দুই তারিখে সেখানে কিছুটা

বাদ রক্ষা করার আমাদের এই মন্ত্রণালয় থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সেটা শুরু করেছে কিন্তু আমি যখন সেখানে গেলাম তখন এলাকার জনগণের দাবি সেই চারালকাটা নদীর মাঝখানে কিছুটা জায়গা যদি কেটে এই প্রবাহটাকে মানে অন্যদিকে নেওয়া যায় তাহলে এই নদী ভাঙ্গন থেকে ওই এলাকাটি রক্ষা পাবে এবং তার জন্য তারা সেই এলাকার সব জনগণ মিলে সবাই স্বাক্ষর করে একটি আবেদন তারা তৈরি

করছে। আমার প্রশ্ন যে, মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় এই জায়গাটি এই চারাকাঠা নদীটি এটা বাহাগেলি ইউনিয়ন সেখানে গিয়ে জরিপ করে এই কার্যক্রমটি শুরু করবেন কিনা সেটাই আমার প্রশ্ন। মাননীয় মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার নীলফামারী জেলা লালমনিরহাট তিস্তা নদীর যে অববাহিকা এর পাশেই আমি গত

19 শে জুলাই নীলফামারী জেলার এই যে তিস্তার সঙ্গে কানেক্টেড যে খালগুলা সেখানে গিয়ে অন্যান্য মাননীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন সব হয়তো আমরা এই মুহূর্তে এডজাস্ট করতে পারি নাই আমরা খুব শীঘ্রই জরুরি ভিত্তিতে কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করবো তাছাড়া উনি যে খালটির কথা বলেছেন যে সেখানে পার্শ্ববর্তী একটা বাধ কেটে সেটাকে খালের সাথে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য

সেটি আমার মনে হয় আমাদের একটু টেকনিক্যাল কিছু স্টাডি থাকবে সেটা আমি নিশ্চয়ই আশা করছি যে উনি আমাদেরকে নতুন করে একটা যদি ডিউ লেটার দেন আমি সেটা সংশ্লিষ্ট আমাদের মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে আমাদের সেখানে করণীয় কি এই মুহূর্তে সেটা জরুরী ভিত্তিতে পদক্ষেপ গ্রহণ করবো ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ প্রশ্নোত্তর পর্ব এখানেই শেষ হলো। আজ জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়

সম্পর্কে 87 টি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পাওয়া গেছে। নোটিস দাতা মাননীয় সদস্যগণ হলেন মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক নেওয়াজ হালিমা আলী মহিলা আসন পাঁচ বিলকিস ইসলাম মহিলা আসন সাত মোঃ কামাল হোসেন ঢাকা পাঁচ আরিফা সুলতানা মহিলা আসন 30 মোঃ আনোয়ারুল হক নেত্রকোনা দুই সানসিলা জেবরিন মহিলা আসন 15 একেএম ফজলুল

মিলন গাজীপুর পাঁচ, মোহাম্মদ আনিস জনাব আনিসুর রহমান মাদারীপুর তিন, মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল জামালপুর তিন, শেখ ফরিদ আহমদ চাঁদপুর তিন, মোহাম্মদ মুক্তার আলী যশোর ছয়, মোহাম্মদ আব্দুল করিম গাইবান্ধা দুই, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান যশোর এক, আমির রেজাজ খান খুলনা এক, মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম কুড়িগ্রাম তিন, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বগুড়া চার, মোহাম্মদ সাদিক রিয়াজ জিনাজপুর দুই,

ইমরান আহমেদ চৌধুরী সিলেট 6, রেজা আহমেদ কুষ্টিয়া 1, এ ই সুলতান মোহাম্মদ বাবু জামালপুর 2, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জাহানদার আলী মিয়া মাদারীপুর 2, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দিনাজপুর 3, মোহাম্মদ রুহুল আলী রুহুল আমিন দুলাল পিরোজপুর 3, মোহাম্মদ আইনুল হক সিরাজগঞ্জ 3, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ঢাকা 18, মোহাম্মদ ইজ্জতুল্লাহ সাতক্ষীরা 1, মোহাম্মদ মাহবুবুল হক রুবেল শেরপুর 3, মোহাম্মদ

আবুল কালাম আজাদ খুলনা 6, মোহাম্মদ ফজলে হুদা নওগাঁ 3, এসএম রফিকুল ইসলাম গাজীপুর 3, এএম মাহবুবুদ্দিন নোয়াখালী 1, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মুন্সিগঞ্জ 1, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন হেলাল খুলনা 2, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বেলাল রংপুর 3, রফিকুল ইসলাম হেলালী নেত্রকোনা 3, মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান চাঁদপুর 4

জয়নুল আবেদীন বরিশাল তিন, সাইদ আহমদ শরীয়তপুর এক, মোঃ আশরাফুদ্দিন নরসিংদী পাঁচ, মোঃ আক্তারুজ্জামান ময়মনসিংহ 10, মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম কুড়িগ্রাম এক, ওবায়দুল্লাহ সালাফী নীল ফামারী তিন, মোঃ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ ছয়, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম রাজশাহী পাঁচ, মোঃ ফজলুল রহমান কিশোরগঞ্জ চার, আলী আজম আবু বকর

জিনাইদা দুই, মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা পাঁচ, মোহাম্মদ আবুল হাসান সিলেট পাঁচ, খন্দকার ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন কুমিল্লা এক, মোরশেদ

মিল্টন বহুড়া সাত, জয়নুল আবেদিন ফারুক নোয়াখালী দুই, ফখরুদ্দিন আহমেদ ময়মনসিংহ 11, মোঃ শাহাদাত হোসেন লক্ষ্মীপুর এক, আক্তার হোসেন রংপুর চার, মোঃ খালেদ হোসেন মাহবুব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিন, আন্না মিন্স মহিলা আসন 19, মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া দুই, তাসমিয়া প্রধান মহিলা আসন 47, মোঃ কায়সার আহমেদ সুনামগঞ্জ 30,

নাদিয়া পাঠান পাপন মহিলা আসন 32 ফাইমা নাসরিন মহিলা আসন 29 শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার নীল ফামারী এক ডাক্তার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ময়মনসিংহ সাত মোহাম্মদ মোবাসের আলম ভুইয়া কুমিল্লা 10 মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা দুই মোহাম্মদ নুরুল আমিন রংপুর ছয় মোহাম্মদ আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা দুই

মোঃ এনামুল হক চট্টগ্রাম 12 মোঃ নুরুল ইসলাম চাপাইনবাবগঞ্জ 3 মোঃ ফরিদুল কবির তালুকদার জামালপুর 4 সবিকুন নাসার সবিকুন নাহার মহিলা আসন 39 মোঃ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা 1 মমতাজ আলো মহিলা আসন 28 এস এম ফয়সাল হবিগঞ্জ 4 মোঃ মোঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর 1 মোঃ মোঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর 1 মোঃ মোঃ মোঃ মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর 1

চার, মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ নাটোর চার, হেলেন জেরিন খান মহিলা আসন নয়, রেহানা আক্তার রানু মহিলা আসন চার, মোহাম্মদ শামীম আক্তার মহিলা আসন 22, শিরিন সুলতানা মহিলা আসন দুই, মোহাম্মদ আবুল খায়ের বুইয়া লক্ষীপুর দুই, সুলতানা আহমেদ মহিলা আসন 17, কাজী রফিকুল ইসলাম বগুড়া এক, নোটিশগুলোর মধ্যে থেকে আমি মাননীয় সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানা মহিলা আসন 30, আক্তার হোসেন রংপুর চার, আন্না

মিন্স। মহিলা আসন 19 এর নোটিসগুলা গ্রহণ করলাম। বাকি নোটিসগুলা গ্রহণ করা সম্ভব হলো না বলে দুঃখিত। যাদের নোটিস গ্রহণ করা হয়নি। বিধি অনুযায়ী তাদের মধ্যে থেকে প্রত্যেকে নিজ নিজ নোটিসের বিষয়বস্তু সম্পর্কে দুই মিনিট করে বক্তব্য রাখার আহ্বান জানাবো। তবে মোট 30 মিনিটের মধ্যে যতজন সদস্যের বক্তব্য রাখা সম্ভব ততজনই বক্তব্য রাখবেন। মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিধি অনুযায়ী আজকে বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নোটিসটি শুধু পড়বেন।

অন্য বৈঠকের জন্য প্রযোজনীয় রিস্ক পড়বেন না। প্রথম বক্তব্য রাখবেন নেওয়াজ হালিমা আলী মহিলা আসন পাঁচ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আসসালামু আলাইকুম আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেটা হলো যে অলস বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্যাপাসিটি চার্জ

সংক্রান্ত একটি অসম চুক্তি অনৈতিক চুক্তি করে গিয়েছিলেন ফ্যাসিস্ট সরকার যার মাধ্যমে আমরা পুরো বাংলাদেশে একটি হুমকির মুখে পড়েছি বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই চুক্তিটি বাতিল করা অতীব জরুরী আমি এই ক্ষেত্রে নিজস্ব সৌর প্ল্যান্ট কিংবা নতুন নবায়নযোগ্য জ্বালানি যেটা আমাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করবে এই বিষয়ক মানে কিছু জিনিস আরকি

মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই যে কবে নাগাদ অতি দ্রুত এই অসম চুক্তিটির পরিবর্তে আমাদের যে সৌর রোড প্ল্যান রয়েছে সেটি কার্যকর করবেন বলে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। পরবর্তী বক্তা বিলকিস ইসলাম মহিলা আসন সাত। মাননীয় স্পিকার

আমার নোটিসটি মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনোযোগ আকর্ষণ করে আমি বলতে চাই যে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় একটি হাসপাতাল আছে সেই হাসপাতালের বাউন্ডারি ওয়াল পুনঃনির্মাণ ও সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সো বিজি আপনার উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন মাননীয় সদস্য একটু দয়া করে শুনুন

নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলায় হাসপাতালের বাউন্ডারি ওয়াল পুনর্নির্মাণ ও সার্বিক উন্নয়ন প্রসঙ্গে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাউন্ডারি ওয়াল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং এটির বেশি উচ্চতা না হওয়ার জন্য সন্ধ্যার আগে থেকে এখানে নানা ধরনের লোকজন সেখানে বাউন্ডারি ক্রস করে ভিতরে গিয়ে সামাজিক অপকর্মে লিপ্ত হয় এবং সেখানে

সেবাতে স্বাস্থ্যসেবাতে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা থাকে। আবাসিক ভবন ও কোয়ার্টার গুলির অবস্থা এতই মানে জরাজীর্ণ যে সেখানে কেউ বসবাস করে না।

উপযোগী হয়ে গিয়েছে। এছাড়া হাসপাতালে অটোমেটেড হেমাটোলজি মেশিন, ডেন্টাল চেয়ার পুরনো, অকার্যকর হওয়ার রোগ নির্ণয়, দন্তচিকিৎসা সেবা মারাত্মকভাবে ব্যহত হচ্ছে। মানুষ বিশেষ করে দরিদ্র প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই উক্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সংযম সরবরাহের জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ওই এলাকার জনগণকে আশ্বস্ত করার অনুরোধ করছি।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য মোঃ কামাল হোসেন, ঢাকা পাঁচ। মাননীয় স্পিকার অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যদিও মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এখন দেখছি না। আমি আপনার মাধ্যমে আমি নিশ্চিত উনি বিষয়টি জানবেন।

মাননীয় স্পিকার, আমার ঢাকা পাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সেটা হচ্ছে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি মাদক ইভটিজিং এর মতো সারা বাংলাদেশের যে ব্যাধিগুলো ছড়িয়ে পড়ছে আমার এই এলাকার মানুষ একই এই সন্ত্রাস চাঁদাবাজি এবং মাদকের করাল গ্রাসে আজ নিমজ্জিত। আমাদের তরুণ সমাজ যারা আগামী দিনের বাংলাদেশের নেতৃত্ব দিবে তাদের

মাদকের বয়াল থাবায় তারা আজ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাড়ায় মহল্লায় বকারদের উৎপাত ইভটিজিংয়ের কারণে আমাদের মেয়েরা ক্লাসে যেতে পারছে না এবং খেটে খাওয়া মানুষেরা সাধারণ জীবিকার অন্বেষণে তারা ছোট ব্যবসা করছে। সেখানে চাঁদাবাজি হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে বৃহৎ ব্যবসায়ী যারা আছে তারা চাঁদাবাজদের দৌড়াতে অতিষ্ঠ হচ্ছে। মাননীয় স্পিকার, এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ

যখন প্রতিবাদ করছে উল্টা আমাদের সাধারণ জনগণের উপর এই সাদা মাননীয় সদস্য কামাল হোসেন মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্য যে এই নোটিসটি সম্পর্কে আপনি বলবেন সেটা হলো অলস বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নো নো সেটা হলো অবহেলিত জনগোষ্ঠীর আর্থনাত প্রসঙ্গে খুব আর্থনাত মাননীয় স্পিকার আমাদের ওটা সম্পর্কে বলেন কিভাবে আর্থনাত করে

আমাদের বিদ্যুতের যে বেহাল দশা আমি আজকে যখন সংসদে আসছি তখন আমার এলাকা থেকে এটা তো আপনার নোটিস না যেটা নোটিস দিয়েছেন সেটা বলেন আমি অনেকগুলো নোটিস দিয়েছি মাননীয় স্পিকার এর মধ্যে এই যে আর্থনাত করে এটা শুনান আমরা শুনতে আগ্রহী। উনাকে মাইক দেন। মাননীয় স্পিকার আমাদের এই অঞ্চলে বিদ্যুতের যে সমস্যা এটা বিদ্যুৎ

গ্যাস একটি মারাত্মক আঘাত ধারণ করেছে এক্ষেত্রে আমি পূর্ব নোটিস দিয়েছি কথা বলেছি আবার আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আপনার আপনার বক্তব্য বিষয়ে উত্থাপনীয় বিষয় হলো ঢাকা পাঁচ আসনের অনুন্নত অবহেলিত জনগোষ্ঠীর আর্থনাত প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ না পেলে কি এ বিদ্যুৎ নিয়ে বলছেন আপনি বিদ্যুৎ সহ বিদ্যুৎ নিয়ে আর্থনাত করছে না বিদ্যুৎ গ্যাস এই দুইটি মৌলিক সমস্যা তারপর চাঁদাবাজি সহ আমি মাননীয়

স্পিকারের মাধ্যমে কোন মাধ্যমে না যে নোটিস টা আপনার দিয়েছেন সেটা পড়বেন এর বাইরে কোন কথা বলার নেই পড়ে দেন শুধু মাননীয় স্পিকার আমি কয়েকটি নোটিস নাই আপনার কাছে নোটিস টা আমি কয়েকটা আপনাকে দিচ্ছি আর কি এখানে আমি যে বিষয়টি কথা বলছি সেটা হচ্ছে আমাদের নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে বিশেষ করে গ্যাস বিদ্যুৎ এবং জলাবদ্ধতা এই কয়েকটি মৌলিক সমস্যা নিয়ে আমি কথা বলছিলাম

শুনেন মাননীয় সদস্য, আপনার যে সমস্যা সে সম্পর্কে মন্ত্রণালয় আপনাকে জবাব দেবে। সুতরাং যেটা উত্থাপন হচ্ছে সেটাই বলেন। অন্যগুলো বললে আপনি অন্য মন্ত্রণালয়ের কথা বললে তো হবে না। আপনি এখানে যে বিষয়টি নোটিস দিয়েছেন সেটি পড়ে যান। আমাদেরকে আমাদেরকে যে নোটিস দিয়ে যদি না যদি না থাকে তাহলে বসে যান। জি জি মাননীয় বিরোধীদলের নেতা এখানে শুধু কামাল হোসেন সাহেব না আরো অনেকেই দেখে

মাল্টিপল নোটিস দিয়েছে। তো আপনি তো এর আগে অনুরোধ করেছিলেন যে পার্টিকুলার ডে এর জন্য সিঙ্গেল একটা নোটিস সাবমিট হবে। ওইটাই যদি সবাই ফলো করেন তাইলে কনফিউশনটা হয় না। এখন সম্ভবত আস্থার জায়গা থেকে উনারা সমস্যায় ভুগেন যে কোনটা দিলে কোনটা গ্রহণ হয় আবার কোনটা পড়ে যায়। আমার মনে হয় যে এখন থেকে যদি এটা আপনি স্টিক করেন যে একটাই নোটিস সাবমিট করতে পারবেন একটা সেশন এর বেশি না একদিনে তাহলে আমরা এই ঝামেলায় পড়ি না আরকি। আপনারা বিব্রত হন না যারা গিয়ে এটা বলতে চান একটার জায়গায় আরেকটা

একটা বলতেছেন, অনেকেই দেখতে এটা করছেন। এটা মনে হয় ঠিক করা দরকার মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ বিরোধী দলের নেতা, মাননীয় সদস্যবৃন্দ। একদিনে একটা নোটিস দিবেন। এবং এটা সম্পর্কে আমি বলেছি আগে যে একটা

অনুগ্রহ করে একটা নোটিস দিবেন এবং যেটা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ সবচেয়ে বেশি প্রেসিং যেটা ইমারজেন্সি মনে হয় আপনার কাছে সেটা আপনি নোটিস দিবেন মন্ত্রণালয় এটার একটা জব আপনাকে দেবে যথাযথ সময় ধন্যবাদ পরবর্তী মোহাম্মদ আনোয়ারুল হক নেত্রকোনা 2 ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার উত্তাপনীয় বিষয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা

কওমি মাদ্রাসা স্থাপন এবং পরিচালনা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন প্রসঙ্গে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কওমি মাদ্রাসাগুলোর অবদান এবং ভূমিকা দীর্ঘদিনের বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় অনেক ঐতিহ্যবাহী এই ধরনের দ্বীনি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের শিক্ষার মান নিয়ে কোন প্রশ্ন নেই এই সকল প্রতিষ্ঠান থেকে অতীতে এবং এখনো আলেম-ওলামা এবং ইসলামিক চিন্তাভাবী বের হয়েছেন কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে প্রতিটা গ্রামেই অনেকেই ব্যক্তি উদ্যোগে মাদ্রাসা স্থাপন করে যাচ্ছেন।

এজন্য একজন আলেম যখনই মনে করেন তখনই উনি একটি মাদ্রাসা খুলে বসেন এমনকি একেই বিল্ডিংয়ে একাধিক মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে এগুলি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন কার্যকরী ব্যবস্থা বা কোন সংস্থা আছে কিনা আমাদের জানা নাই বিশেষ করে মহিলা মাদ্রাসাগুলি বিশেষ করে কওমি মহিলা মাদ্রাসাগুলির অবস্থান আরো খারাপ এগুলোতে নারী নিপীড়ন সহ যৌন হরানির ঘটনা নিত্য নমুতি হয়ে আসে সুতরাং এই মুহূর্তে কওমি মাদ্রাসা স্থাপন এবং

পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন আমি এ ব্যাপারে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ধন্যবাদ সবাইকে। এ কে এম ফজলুল হক মিলন গাজীপুর 5 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মাননীয় আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার বক্তব্য রাখছি আমার নির্বাচনী এলাকা 198 গাজীপুর 5 এর অন্তর্গত কালীগঞ্জ উপজেলার অধিকাংশ মৌজায় জমি সাপকাবলা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

প্রতি শতাংশে 30,000 টাকা হারের উৎসকর নির্ধারণ করা হয়। ফেসিস সরকারের কর্তৃক আরোপিত এই অযৌক্তিক অবৈধ সমূহকর হার বর্তমানে এলাকার জনসাধারণের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। উৎসকরের অস্বাভাবিক উচ্চ হারের কারণে কালীগঞ্জ উপজেলা জমি ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে সাধারণ মানুষ জমি হস্তান্তরের উদ্দেশ্যে সাবরিজিস্ট অফিসে গেলেও অতিরিক্ত উৎসকর পরিশোধে অক্ষম হওয়ায় দলিল সম্পাদন করতে পারছেন না।

যদিও করে তাহলে সেগুলি দানপত্র দলিল করে এর ফলে জনগণ যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তেমনি সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিষয়টি আরো বিস্ময়কর এইজন্য যে কালীগঞ্জ উপজেলার কিছু কিছু মৌজায় এমনও দেখা গেছে জমির মূল্যের চেয়েও কয়েক গুণ বেশি উৎসকর পরিশোধ করতে হচ্ছে যা কোনভাবেই যৌক্তিক নয় মাননীয় স্পিকার অপরদিকে পার্শ্ববর্তী উপজেলার সমূহে যেখানে শিল্পাঞ্চল ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম অধিকতর বিস্তৃত সেখানে উৎসকর

অনেক কম হারে নির্ধারিত হয়েছে। অথচ কালীগঞ্জ উপজেলার মাত্র দুটি উচ্চ মূল্যের মৌজাকে বৃদ্ধি করে সমগ্র উপজেলার মৌজা সমূহ একই হারে উৎসকর আরোপ করা হয়েছে যা বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং জনগণের উপর একটি অসহনীয় মৌজা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এমতাবস্থায় কালীগঞ্জ উপজেলার সকল মৌজায় বর্তমানে প্রচলিত প্রতি শতাংশে 30,000 টাকা হারে উৎসকর ব্যবস্থা বাতিলপূর্বক পার্শ্ববর্তী উপজেলা সমূহের ন্যায় জমির মূল্যের উপর শতকরা দুই হারে উৎসকর নির্ধারণের বিষয়ে

সরকারের সদয় দৃষ্টি ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ কামনা করছি। এর ফলে একদিকে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন, অন্যদিকে জমি ক্রয়-বিক্রয় বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। পরবর্তী বক্তা মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল জামালপুর তিন। মাননীয় হ্যাঁ?

প্রশ্ন না। মাননীয় সদস্য, বেশি নোটিস দিবেন না, একটা একটা করে দেন ডেইলি, একটা দেবেন ডেইলি। মাদারগঞ্জ উপজেলা হইতে বগুড়া জেলার শারিয়াকান্দির মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে। জি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ইতিমধ্যে গৃহীত 2026-27 অর্থবছরের বাজেটে যমুনা

নদীর উপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে এবং এ বছরই সম্ভাব্যতা যাচাই করে স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে মর্মে সংসদকে অবহিত করা হয়েছে। আমি মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে মহান সংসদে এই দাবি উত্থাপন করতে চাই যে যমুনা সেতুর উপর বর্তমানে যে চাপ যানবাহনের যে চাপ

এই চাপ কমিয়ে আনবার জন্যে যমুনা নদীর উপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের দাবি এটি বর্তমান সময়ে খুবই জনগুরুত্বপূর্ণ দাবি হিসেবে আমাদের সকলের সামনে

উপস্থাপিত হয়েছে। এবং এই যমুনা সেতুর স্থান নির্ধারণের জন্যে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্যে তিনটি প্রস্তাব করা হয়েছে। একটি প্রস্তাবে বলা হয়েছে বগুড়া জেলার শাড়িয়াকান্দি এবং জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার মধ্যে এই সেতু নির্মাণ করার জন্যে আরেকটি প্রস্তাব আছে গাইবান্ধা জেলায় আরেকটি তৃতীয় প্রস্তাব আছে অন্য কোন জায়গায়। মাননীয় স্পিকার

আমি মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই যে বগুড়া জেলা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জেলা বগুড়া জেলা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জেলা বগুড়া জেলা এই বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি থেকে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জের মধ্যে এই সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের অধিকাংশ জেলা উপকৃত হবে এবং সেই সাথে আমাদের বগুড়ার সাথে মাদারগঞ্জের এই সেতু

যমুনা দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের মধ্যে দিয়ে আমাদের শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জেলা বগুড়া কে আমার শেখ ফরিদ আহমেদ চাঁদপুর তিন আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুর তিন অন্তর্গত চাঁদপুর পৌরসভা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদীবন্দর ও একটি ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক নগরী 1900

1897 সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রাচীন প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা। বর্তমানে চাঁদপুর পৌরসভায় প্রায় 5 লক্ষ মানুষের বসবাস। কিন্তু দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে পৌর এলাকায় সড়ক ও ড্রেনের অবস্থা বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টিতে প্রধান সড়ক অভ্যন্তরীণ রাস্তা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্যসেবা ও কেন্দ্র ও ব্যবসা

প্রতিষ্ঠান জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা খাল পুনর্নির্মাণের অভাবে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ঘাটতি কারণে জলাবদ্ধতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাননীয় স্পিকার জলাবদ্ধতার কারণে ডেঙ্গু চিকন বুমিয়া ও অন্যান্য পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আমি ইতিমধ্যে মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট একাধিক ডিউল্যাটা

প্রদান করেছি কিন্তু সমস্যার সমাধানের স্থায়ী সমাধানে এখনো প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান হয়নি মাননীয় স্পিকার অতএব বিষয়টি জরুরী জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ও জনগুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় চাঁদপুর পৌরসভা সড়ক ড্রেন ও জলবদ্ধতা নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রদান এবং ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো দ্রুত সংস্কারের মাধ্যমে লক্ষ্যে মাননীয় স্থায়ীনীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও

মোবাইল মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্য মোঃ মুক্তার আলী যশোর 6 আসসালামু আলাইকুম ওর রাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার আজকের উত্থাপন বিষয় আছে শিক্ষা ব্যবস্থায় এআইই শিক্ষা

অন্তর্ভুক্তি প্রসঙ্গে। আমরা সবাই জানি এআই লিটারেসি দ্রুত ডিজিটাল লিটারেসি পরিণত হচ্ছে। এজন্য কোন বর্ধমান ভাবে এআইর প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি হয়ে এবং যারা স্নাতকধারী তাদের জন্য এই জ্ঞানটা আক্রমণ অবশ্যক হয়ে উঠে বাংলাদেশে এর গুরুত্ব অনস্বীকার্য এবং নীতিমালা উন্নয়ন শিক্ষক প্রশিক্ষক

এবং প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে আমরা জানতে পেরেছি। 2026-2030 সালের ন্যাশনাল আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স পলিসির খসড়া নীতিমালায় এআই সক্ষমতার বৃদ্ধি দায়িত্বশীল এআই ব্যবহার এবং মানব সম্পদ উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়ে এটি ইঙ্গিত করে যে এআই শিক্ষা জাতীয় অগ্রাধিকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠছে। তবে যেসব দেশ ইতিমধ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে থেকে

বিদ্যালয়ের কারিকুলাম এআই শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করেছে তাদের তুলনায় বাংলাদেশ বাস্তবায়নের দিক থেকে একেবারেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে অবস্থান করছে শিক্ষার্থীদের এআই নির্ভর কর্মপরিচারের জন্য প্রস্তুত করতে বাংলাদেশের অন্ততপক্ষে নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত একটি সমন্বিত সুসংগঠিত ও ধাপে ধাপে অগ্রসর মান শিক্ষা কাঠামোর প্রয়োজন যার মাধ্যমে ভাষা বিশেষ করে ইংরেজি ভাষা গণিত এবং ডিজিটাল

দক্ষতার পাশাপাশি এআই শিক্ষাকে শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষাক্রমে একীভূত করা যায়। বর্তমান বিশ্বের প্রেক্ষাপটে বিষয়ের অতিময় জরুরী ও জনগুরুত্ব সম্পন্ন

মোহাম্মদ আব্দুল করিম গাইবান্ধা 2 আসসালামুয়ালিকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আপনার মাধ্যমে সড়ক পরিবহন সেতু মন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করিতে চাই মাননীয় স্পিকার আমার উত্থাপনের বিষয় হলো গাইবান্ধা জেলার বালাসী থেকে জামালপুর জেলার বাহাদুরাবাদ সেতু নির্মাণ প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, আঞ্চলিক বৈষম্য দূরীকরণ, দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, গাইবান্ধা জেলার বালাসিয়া এবং জামালপুর জেলার 72 বাদের মধ্যে যমুনা নদীর উপর একটি আধুনিক সেতু নির্মাণ সময়ের দাবি। এই সেতু নির্মিত হলে দুটি জেলার মধ্যে শুধু নয় বরং জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। মাননীয় স্পিকার, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর এবং আশেপাশে জেলার

কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারজাত করা সম্ভব হবে পরিবহন ব্যয় ও সময় উল্লেখযোগ্য ভাবে কমবে নতুন শিল্প গোদাম কোল স্টোরেজ এবং কৃষি ভিত্তিক শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হবে স্থানীয় ক্ষেত্রে এবং মাজারি উদ্যোক্তারা নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবেন ব্যবসা-বাণিজ্য বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে মাননীয় স্পিকার উত্তর অঞ্চলের সঙ্গে ঢাকা সহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে বিকল্প

ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। বিধবান জমিনা নেতুর উপর জমিনা সেতুর উপর চাপ কমবে মাননীয় স্পিকার। জাতীয় মহাসড়ক নেটওয়ার্ক আরো শক্তিশালী হবে। ভবিষ্যৎ আঞ্চলিক বাণিজ্য এবং আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ সম্প্রসারণ সহায়ক হবে। বরমপুত্র এবং জমিনা জমিনা নদী কেন্দ্রিক প্রযোজন নদীবন্দর ঐতিহাসিক স্থান সমূহের বিকাশ ঘটবে। মাননীয় স্পিকার দেশের এবং বিদেশে প্রযোজকদের প্রযোজকদের আকৃষ্ট করার

সুযোগ সৃষ্টি হবে। মাননীয় স্পিকার বালাশী বাহাদুর আহমেদ সেতু শুধু একটি যোগাযোগ অবকা আমিন রেজাউদ্দিন খান খুলনা এক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। খুলনা জেলার দাকপ উপজেলার কলেজগঞ্জ ইউনিয়ন, বানিশান্তা ইউনিয়ন, সুদূরখালী ইউনিয়ন

সুন্দরবন সংলগ্ন একটি সম্ভাবনাময় পর্যটক এলাকা এই অঞ্চলে ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বেসরকারি রিসোর্ট ও পর্যটক গড়ে উঠেছে এবং দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আকর্ষণ আকৃষ্ট হয়ে পর্যটন শিল্প বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় জনগণ স্থানীয় জনগণের কর্মসংস্থান ব্যবসা-বাণিজ্য অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক সম্পদ

সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক যে এইসব রিসোর্ট পর্যটন কেন্দ্র খুলনা মহানগরী থেকে সরাসরি পৌঁছানো উপযোগী কোন সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নাই। ফলে পর্যটক বিনিয়োগ কারী এবং স্থানীয় জনগণকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সড়ক যোগাযোগের অভাবে এই অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা পূর্ণাঙ্গভাবে বিকাশিত হচ্ছে না এবং সরকার

এর রাজস্ব বৃদ্ধির সুযোগ ও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এই অবস্থায় সরকার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃক খুলনা থেকে দাকপে কৈলাসগঞ্জ ও বানিশান্তা ইউনিয়ন সুতরখালী ইউনিয়ন পর্যন্ত আধুনিক ও টেকসই সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নির্মাণ এবং পর্যটক অবকাঠামো উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী অতএব বিষয়টি জনস্বার্থে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় সরকারের দৃষ্টি

আকর্ষণপূর্বক সংসদে আলোচনা করার অনুমতি প্রার্থনা করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার পরবর্তী বক্তা মাননীয় সদস্য মোঃ মোশাররফ হোসেন বগুড়া চার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার উত্তরের জনপদ খ্যাত আমাদের বগুড়া উত্তরের একটি জনপদ খ্যাত এবং অনেক বড় একটা বিস্তীর্ণ অঞ্চল মাননীয় স্পিকার আমরা দেখেছি যে বিগত

17 বছর শুধু নয়, স্বাধীনের পর থেকে যে অঞ্চলটিকে আরো উন্নতি হওয়ার দরকার ছিল কিন্তু প্রকৃত অর্থে সতর্কতা আমরা পাইনি। মাননীয় স্পিকার আমাদের এই উত্তরের জনপদে আমি মনে করি যে আমরা আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল যে লক্ষ লক্ষ মানুষের বেকার সংস্থা কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। আমাদের শিক্ষিত বেকার যুবকদেরকে আরো সামনে নিয়ে আসতে হবে। মাননীয় স্পিকার যদি শিক্ষিত জনগোষ্ঠীকে আমরা সামনে নিয়ে আসতে পারি আগামী নতুন বাংলাদেশটা আরো সুন্দর হবে মাননীয় স্পিকার।

আমি প্রত্যাশা করি যে এই উত্তরাঞ্চলের জনপদ আমরা শুধু আমাদের দলীয় নেতাকর্মী নয় বাংলাদেশের শিক্ষিত এবং মেধাবী স্মার্ট যারা আছে তাদেরকে নিয়ে এই বগুড়াতে একটি ইকোনমিক

আমরা যদি গড়ে তুলতে পারি অর্থনৈতিক অঞ্চল যদি হিসেবে গড়ে ওঠে বগুড়ার সঙ্গে অনেকগুলো জেলার খুব মাল্টি কানেকশন আছে মাননীয় স্পিকার আমার বিশ্বাস মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করব এই উত্তরে অবহেলিত জনপদ দীর্ঘ 17 বছরের সবচাইতে বঞ্চিত হয়ে এই জনপদটাকে সুন্দর সাবলীল করার জন্য আমরা এখানকার যদি মাল্টিপোল ভাবে এই অর্থনৈতিক জোনটা গড়ে তুলতে পারি আমার বিশ্বাস আমাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শান্তি সাম্য এবং বিনয়ের যে বাংলাদেশ চেয়েছেন সবার আগে বাংলাদেশ চেয়েছেন এই শিক্ষিত বেকার যুবকদের নিয়ে আগামী একটা নতুন বাংলাদেশ আমরা দেখব এটি আমরা প্রত্যাশী করছি মাননীয় স্পিকার তবে আমি প্রত্যাশা করি যে আমাদের দেশের নতুন নতুন যে শিক্ষার্থীগুলো আমরা 17 বছরের বগুড়ার মানুষ দেখেছি যে শত যোগ্যতা থাকার পর তারা চাকরি পায়নি সমস্ত জায়গা থেকে বঞ্চিত হয়েছে এই ইকোনমিক্যাল জোন যদি গড়ে ওঠে মাননীয় স্পিকার তাহলে এই জোনের মাধ্যমে আমরা সবাই

কিন্তু কানেক্টেড হতে পারবো এবং আমাদের অঞ্চলটা মোহাম্মদ সাদিক রিয়াজ দিনাজপুর 2 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি কার্যপণালী বিধি অনুসারে জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে মাননীয় নৌ পরিবহন মন্ত্রী

মহোদয়ের মনোযোগ আকর্ষণ করছি। নোটিসটি দিয়েছি। আমার নোটিসের উত্থাপিত বিষয় দিনাজপুর জেলার বিরল স্থল বন্দরটি চালুকরণ প্রসঙ্গে আমি আমার নির্বাচনী এলাকা দিনাজপুর জেলার বিরল ও বোচাগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত। দেশের মধ্যে দিনাজপুর জেলা গুরুত্বপূর্ণ একটি জেলা। এ জেলার অনেক ফসল হয় অধিক পরিমাণে ফসল উৎপাদিত হয়। তার মধ্যে দিনাজপুরের লিচুর জন্য বিখ্যাত দেশজুড়ে সুনাম রয়েছে।

দেশের আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার একটি স্থলবন্দর নির্মাণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয় এবং নির্মাণ কাজ অনেকটা অগ্রগতি হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন যাবত বিরল স্থলবন্দরটি চালু করার বিষয়ে কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এই বন্দরটি চালু হলে এলাকার অনেক বেকারের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এলাকা সহ আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে, ব্যবসায়ীগণ সুবিধা পাবে। এলাকাবাসী দীর্ঘদিনের দাবি

বিরল স্থল বন্দরটি দ্রুত চালু করা বিষয়টি অতিব্যবহৃত জরুরী গুরুত্ব জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় বিধায় মাননীয় নৌপরিবহন মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মোহাম্মদ ইমরান ইমরান আহমেদ চৌধুরী সিলেট 6 ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য।

সিলেট একটি পর্যটন এলাকা অনেক মানুষ বিদেশ থেকে আসে প্রবাসী উদ্দেশ্যিত এলাকা মাননীয় স্পিকার আমাদের উসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি নামেই আছে কিন্তু সেটা কাজের কিছুই নেই এখানে বিদেশী ফ্লাইট আসতে আসতে আসে না এখান থেকে বিদেশে যেতে হলে আবার ঢাকা থেকে ছুয়ে যেতে হয় পাশাপাশি স্থানীয় যে ফ্লাইট গুলো আছে এখানে দেখা যায় যে ডলারের দামের মত দাম ভেরিয়েশন করে মাননীয় স্পিকার

এই যে বৈষম্যমূলক অবস্থা এর থেকে আমরা অপরিত্রাণ চাই সিলেটবাসী। কিছুদিন আগে আমাদের মাননীয় বিমানমন্ত্রী এবং আমাদের মাননীয় সিলেটের কৃতিসঞ্জয় বাণিজ্যমন্ত্রী মহোদয় আমাদের ম্যানচেস্টার সিলেট ফ্লাইটটি চালু করেছেন ডাইরেক্ট ফ্লাইটটি এর জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এবং তারা প্রতিষ্ঠিত দিয়েছে যে সেটাকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে প্রপারলি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবেন। কিন্তু আমরা লোকাল ফ্লাইটের যে সমস্যাগুলা এই সমস্যাগুলা মাননীয় মাননীয় স্পিকার

আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের মাধ্যমে আমরা চাই যাতে অন্তত আমরা এসব বৈষম্য কারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ রাস্তায় বাই রোডে যেতে মাননীয় স্পিকার 10 থেকে 12 ঘন্টা সময় লাগে ট্রেন কোন ট্রেন এক্সট্রা নেই সব ট্রেন গুলোই সাধারণ দুইটা ট্রেন বা তিনটা ট্রেন আছে আন্তনগর এগুলোতে ধারণ ক্ষমতা অত্যন্ত স্বল্প মানুষের অত্যন্ত ভোগান্তি হচ্ছে মাননীয় স্পিকার এবং এই যে দামের যে ভেরিয়েশন এটা দিয়ে আমরা অত্যন্ত হয়রানির সম্মুখীন

আমরা মাননীয় স্পিকার এই মহান সংসদে আমার মাননীয় বিমান মন্ত্রী এবং সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে আমাদের এই যে স্থানীয় ফ্লাইটের দামের যে ভেরিয়েশন এটুকু থেকে অন্তত অবসান করার জন্য আমরা আপনার মাধ্যমে অবহিত করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য গত রাতের আগের রাতে আমি নিজেই মস্কাত থেকে সরাসরি সিলেট এয়ারপোর্টে গিয়েছি। এক ঘন্টা ওখানে বসে

তারপর ঢাকায় এসেছি। সুতরাং এই ফ্যাসিলিটি অলরেডি এক্সিস্ট এবং এটার বেসিক ফ্যাসিলিটি কিন্তু আছে। হয়তো আরো অনেক ইমপ্রুভমেন্ট করা যাবে বাট সিলেট এয়ারপোর্ট ইজ এ গুড এয়ারপোর্ট আই সো। থ্যাঙ্ক ইউ।

সদস্য রেজা আহমেদ কুষ্টিয়া এক সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম দিনাজপুর তিন বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য কার্যপ্রণালী অনুসারে জরিপ

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মহোদয় মনোযোগ আকর্ষণ করছি আমার নোটিসের উত্থাপনীয় বিষয় দিনাজপুর জেলার পল্লী উন্নয়ন অবকাঠামোর উন্নয়নের জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা প্রসঙ্গে দিনাজপুর জেলার 13 টি উপজেলা নিয়ে গঠিত

এই জেলায় ছয়টি নির্বাচনী আসন রয়েছে উত্তরাঞ্চলের মধ্যে এই জেলা অন্যান্য দিক থেকে বিগত 17 বছরে অনেক পিছিয়ে গেছে তাই বর্ষাকালে এখানে কাদা এবং পানি এতই হয়ে যায় যে বিভিন্ন রকম এক্সিডেন্ট থেকে অনেকগুলোই হয়ে থাকে

বৃহত্তর দিনাজপুর জেলাধীন অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক একটি প্রকল্পটি সমাপ্তির পথে মাননীয় স্পিকার আমরা শুনতে পেরেছি এই প্রকল্পটি আর এক্সটেনশন হবে না সেই জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ করি দিনাজপুরের ছয়টি আসন এবং দিনাজপুর বিশেষ করে দিনাজপুর সদর তিন আসনের এই আসনটির 10 টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা এলাকায় বিশেষ

একটি প্রলয়ের অপকট প্রকল্প উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে এ এলাকার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ হবে হবে কিনা গ্রহণ করা হবে কিনা এবং মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আপনি জানেন যে দিনাজপুর শহরের প্রাণকেন্দ্র দিয়ে মাননীয় সদস্য রুহুল আমিন দুলাল পিরোজপুর 3 মাননীয় স্পিকার

আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমার উত্থাপনীয় বিষয় আমার নির্বাচনী এলাকা 129 পিরিজপুর তিন মটবাড়িয়া উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে বিশুদ্ধ পানির রেইনওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লাস পানির ড্রাম বরাদ্দ প্রসঙ্গে আমার নির্বাচনী এলাকা 129 পিরিজপুর তিন মটবাড়িয়া সর্বদক্ষিণে অবস্থিত উক্ত উপজেলায় 11 টি ইউনিয়ন ও একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভায় প্রায় 5 লক্ষাধিক লোকের বসবাস অর্থ অঞ্চলে খালবিন্দু

নদীর জলের পানি লবণাক্ত থাকায় পানীয় জল ব্যবহার করা অনুপযোগী। এছাড়া উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে এখানে বন্যা সাইক্লোন সিডোর আইলের মতো প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড় বর্ণের মানুষের বাড়িঘর বিধ্বস্ত হয় এবং নদ নদী পুকুর খাল বিলের পানি পান করার ফলে জনসাধারণের পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয় এবং শুকনো শুকনো মৌসুমে পানির অভাবে জনসাধারণের দারুণ কষ্ট লাগবো। করতে বিশিদ্ধ

পানির জন্য বৃষ্টির পানির জন্য ড্রাম অতীব প্রয়োজনীয় যার ফলে আমার উপকূলী অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ পানীয় থেকে হাজার হাজার পরিবার বঞ্চিত হয়ে এবং পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে মানুষ মারা যাচ্ছে বিগত সরকার এই অঞ্চলের রেইন ওয়াটার ট্রেন বিশুদ্ধ পানির ড্রামের একটি প্রকল্প বরাদ্দ প্রদান করা হয় তা দুর্নীতির অনিয়মের কারণে মানুষের মাঝে সুষম বন্টন করা হয়নি তাই মাননীয় মুসকর স্পিকার এমতাবস্থায়

জনস্বার্থে আমার নির্বাচন এলাকার সর্বদক্ষিণী উপকূলীয় অঞ্চল হিসেবে 50000 বিশুদ্ধ পানির ব্যবহারের নিমিত্তে রেইন ওয়াটার ট্রিটমেন্ট পানি ও ড্রাম বরাদ্দ প্রদানের জন্য মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমময় মন্ত্রী মহোদয়ের মনোযোগ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার দুই মিনিটের পলা দুই মিনিট বক্তব্যের পলা এখানেই শেষ হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আসরের নামাজের জন্য 30 মিনিট

মনোযোগ আকর্ষণ । দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনোযোগ আকর্ষণে গৃহীত নোটিস সমূহের উপর আলোচনা। প্রথমে আমি চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব শাজাহান চৌধুরীকে তার জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিসটি পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি। আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ।

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লিহু আলা রাসূলিহিল কারীম আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নবীয়ালা মুহাম্মদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার উত্তাপনের বিষয় বাণিজ্য মাননীয় বাণিজ্য মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার নোটিস উত্তাপিত বিষয় চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্পের পতন রোধ কাঁচা চামড়ার নিয়াজ্য মূল্য নিশ্চিতকরণ এবং রপ্তানি

বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ফিরিয়ে আনা প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার। বাংলাদেশ এবং আমাদের দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি কাত পাটের পরেই চামড়া চামড়াজাত পণ্য শিল্প আজকে ধ্বংসের মুখে। কুরবানির কাঁচা চামড়ার দাম 10 টেনারির লোকসান আন্তর্জাতিক ক্রেতার আস্থা হারানো সাবার টেনারি কমপ্লেক্সে

সিইটিপি সংকটের কারণে এক লক্ষের বেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থান আজকে খুমকির মুখে 2018 সালে 1.2 বিলিয়ন ডলার রপ্তানি হলেও 2024 এবং 25 অত্যবছরে তা নেমে এসেছে 70 কোটি ডলারের নিচে এই শিল্পরক্ষার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জরুরী হস্তক্ষেপ ও সংসদীয় তৎপরতা

প্রয়োজন বলে আমি মনে করি দেশের স্বার্থে জরুরী কারণে কুরবানির মৌসুম আজকে শেষ এই কুরবানি মৌসুমের আগেই এই পার্লামেন্টে আমি দুই মিনিটের আলোচনায় আমি এই বিষয় সম্পর্কে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলাম মাননীয় মন্ত্রী প্রতিবছর এই সময় কাঁচা চামড়ার দাম নির্ধারণ নিয়ে আজকে প্রায় বিগত স্বৈরাচার

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী আমলে এই চামড়াটা ধ্বংসের মুখে চলে গিয়েছে আমাদের চারদলীয় জোটের আমলে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার গঠন হয়েছিল তখন চামড়ার মূল্য ছিল 1200 থেকে 1700 টাকার কাছাকাছি কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস গত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে স্বৈরাচার সরকারের আমলে তা ধ্বংসের ধারপান্তে এসে পৌঁছে

গিয়েছে। মাননীয় স্পিকার, এবারো দাম 10 এ গরীব কৃষক মাদ্রাসার আয় নষ্ট হচ্ছে। সাবার টেনারি কমপ্লেক্স সিইটিপি এখনো আন্তর্জাতিক মান লক সার্টিফিকেশন পাই নাই। ফলে এইচএনএম ক্লাস এর মত বড় ক্রেতারা অর্ডার কমিয়ে দিয়েছে। অথচ উনারা 2001 সালের চারদরিয় জুটের

আমলে আমাদের তৎকালীন চারদলীয় জোটের সাথে বাণিজ্যমন্ত্রী যখন আমাদের চট্টলার কৃতিসন্তান জনাব আমির হসরু মাহমুদ চৌধুরী ছিলেন উনি চুক্তি করে আন্তর্জাতিক ক্রেতা যারা ছিল তাদেরকে আমাদের বাংলাদেশে নিয়ে এসেছিল তখন চামড়ার মূল্য সর্বনিম্ন 1400 টাকা ছিল। মাননীয় সদস্য পাকিস্তানের চামড়া শিল্পী মাননীয় সদস্য উত্তর কি থাকলেও মাননীয় স্পিকার আপনার নোটিসে তো এসব কথা নাই আপনি নোটিসটা পড়েন। মাননীয় স্পিকার ওই মাঝে মাঝে একটু এড করি যে

পরে বলতে পারবেন। রিডিং টা ঠিক ভাবে পড়তে এখন পড়ে নেন পরে প্রশ্ন করবেন। জি জি জি মাননীয় স্পিকার ভারত-পাকিস্তানের চামড়া শিল্পে ভর্তুকি থাকলেও আমাদের শিল্প নগদ সহায়তা ও গ্যাস বিদ্যুতের মূল্য পিছিয়ে যাচ্ছে। অবৈধভাবে কাঁচা চামড়া পাচার বন্ধ হচ্ছে না। কাঁচা চামড়ার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ ও মনিটরিং কমিটি গঠন করা দরকার এই ব্যাপারে আমি মন্ত্রী মহোদয়ের স্পষ্ট ভূমিকা এবং দৃষ্টি আকর্ষণ

করছি। সাবার সিইটিপি এর আধুনিকায়ন ও লক সার্টিফিকেশন কবে নাগাদ হবে মাননীয় মন্ত্রী এটা আমাদের সংসদকে অবহিত করা দরকার মাননীয় স্পিকার। রপ্তানি নগদ সহায়তা 15% এ উন্নিত ও গ্যাস বিদ্যুৎ বিলের বিশেষ রেওয়াজ দেয়া হবে কিনা সেটা আমাদের সংসদকে জানানো দরকার। মাননীয় স্পিকার অবৈধ চামড়া পাচার রোধে বর্ডার মনিটরিং

এর পরিকল্পনা মেইড ইন বাংলাদেশ লেদার ব্রান্ডিং ও নতুন বাজার ধরার রুট ম্যাপ কবে হবে সেটা সংসদকে অভিহিত করা দরকার উপরোক্ত জনগুরুত্বপূর্ণ

বিষয়ে মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রীকে বাণিজ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং সংসদকে জরুরি ভিত্তিতে এই ব্যাপারে এই ব্যাপারে অভিহিত করার আবেদন জানাচ্ছি। বিষয়টি অত্যন্ত জনগুরুত্বসম্পন্ন জাতীয় স্বার্থ এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স অর্জন করার জন্য বিদেশী রপ্তানি করে আয় করার জন্য এটা বিশেষ কাজ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রী

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য বিরোধী দলের মাননীয় জ্যেষ্ঠ সদস্য জনাব শাহজাহান খান যে বিষয়টির অবতরণ করেছেন এটির জরুরতা বা জনগুরুত্বের বিষয়ে কারোর কোন দ্বিমত নাই এবং উনার যে পরিসংখ্যান গুলি দিয়েছেন সেই সংখ্যা একটু তারতম্য হলেও বিষয়টি বিষয়টি

জেনারেলি এডমিটেড একটা ফ্যাক্ট। মাননীয় স্পিকার, আজকে থেকে 15-16 বছর আগে বা 20 বছর আগে হাজারিভাগে ছিল আমাদের টেনারিগুলি, কনসেন্ট্রেটেড ছিল। ওই সময়ে কম্প্লায়েন্সের তেমন কোন ইস্যু ছিল না। বাইরে যারা কিনতো তাদের জন্য স্ট্রিক্ট কম্প্লায়েন্স রিকোয়ারমেন্ট ছিল না। হাজারিবাগ থেকে যখন সাবারে স্থানান্তরিত হয় তখন প্রথম পয়েন্ট

কন্টেনশন যেটা ছিল যে চামড়ার বর্জ্য গুলি যেভাবে নদীতে যায় তাতে পরিবেশ নষ্ট হয় এই বিষয়টিকে এড্রেস করার জন্য হাজারীবাগের পুরো টেনারি কমপ্লেক্স টা সাবারে নিয়ে আসা হয় যারা হাজারীবাগে ছিলেন তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন অজুহাতে দেরি করেছেন এবং একসময় সরকার একটা টাইমফ্রেম বেঁধে দেয় যে অমুক তারিখের মধ্যে শিফট করতে হবে ম্যান্ডেটরি তিনেরা শিফট করেছেন

শিফট করার সিদ্ধান্তটা ভালো ছিল মাননীয় স্পিকার কিন্তু যে উপায়ে শিফটিং টা হয়েছে এই ব্যবস্থাপনা টা ছিল একেবারে পোর ওইখানে যাওয়ার পরে বেশিরভাগ টেনারি দম হারিয়ে ফেলে তারা নতুনভাবে শুরু করতে পারেনি এবং সিটিপি যেটা আমাদের মাননীয় সদস্য যেটা সিটিপির কথা বললেন সেন্ট্রাল এফলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এই এফলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্টের প্রজেকশন ছিল যেটি

কম বেশি 25000 কিউবিক মিটার পানি প্রতিদিন পরিশোধন করবে বর্জ্য পরিশোধন করবে কিন্তু কার্যত দেখা গেল এটি দৈনিক 14 থেকে 17000 এর মত কিউবিক মিটারের মত পরিশোধন করতে পারে 14000 এর উপর করতে পারে যদি প্রি ট্রিটমেন্ট খুব ভালো হয় এটি এটির একটি দুর্বলতা দ্বিতীয় দুর্বলতা হলো এখানে ক্রম একটা খুবই ক্ষতিকর একটা কেমিক্যাল চামড়ার মধ্যে থাকে এই ক্রম রিকভারির

ব্যবস্থাটা এখানে নাই আর তৃতীয়ত যে টেনারি গুলি হাজারীবাগ থেকে এসেছে সাবারে সেগুলো নিজেরা ইটিপি করেনি এবং নিজেরা কমপ্লায়েন্ট হয়নি মাননীয় স্পিকার এলজিডব্লিউ সনদ পেতে এলজিডব্লিউ হচ্ছে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপ একটা ইন্টারন্যাশনাল সার্টিফিকেশন রেজিম এইটার সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য রিকোয়ার্ড স্কোর হচ্ছে 1710 এর মধ্যে ইটিপি

সার্টিফিকেশন হচ্ছে 150 বাকি 1560 কিন্তু অন্যান্য কম্প্লায়েন্ট ক্রাইটেরিয়া পূরণ করেই অর্জন করতে হয় কিন্তু যেহেতু ইটিপি ইটিপি নাই ইটিপি কম্প্লায়েন্ট না ইন্ডিভিজুয়াল ইটিপি গুলি নাই সেজন্য এরা আর বাকি পয়েন্ট গুলি স্কোর করে বাকি কম্প্লায়েন্ট ক্রাইটেরিয়া গুলি ফুলফিল করে কম্প্লায়েন্ট হওয়ার চেষ্টা করে নাই ফলাফল যেটা হয়েছে 20 বছর আগে নন কম্প্লায়েন্ট টেনারি গুলি

চামড়া রপ্তানি করতে পারতো। বাইরের ক্রেতাদের সেরকম কোন কমপ্লাইন্ট ক্রাইটেরিয়ান ছিল না। এবং যেহেতু রপ্তানি হতো এটির বাজার ছিল। সেহেতু এই কাঁচা চামড়ার সুবিধাটা কাঁচা চামড়া গুলি মাননীয় স্পিকার আমরা সবাই জানি মূলত কুরবানির পরে দান হয়ে যায়। মূলত মাদ্রাসাগুলিতে যায় কওমি মাদ্রাসা এটার উপকারভোগী হয়। তো যখন চামড়ার ক্রেতা কমে গেল যারা প্রসেস করবে তাদের সংখ্যা কমে গেল তারা কমপ্লাইন্ট না। তখন বাজারে যেটার ইমপ্যাক্ট

আসে এটার ফলে এই দানের চামড়ার মূল্য আর আসে না যে কারণে কওমি মাদ্রাসাগুলিও এই মূল্য পায় না এবং মূল্য পায় না বলেই এটা থেকে আস্তে আস্তে তারা বিমুখ হয়ে পড়ছে চামড়া নেয়ার ক্ষেত্রে। তো আমরা এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য যে পদক্ষেপগুলি নিচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে দেশকে জানাতে চাই আমার মাননীয় সদস্যকে জানাতে চাই। প্রথম হচ্ছে সবথেকে বেশি চামড়ার চাঙ্ক আসে কুরবানির দেশে।

কম-বেশি এক কোটি পশু জবাই হয়। এই এক কোটি পশুর মধ্যে গরুর চামড়ার ভালো দাম আছে কদর আছে আর ব্ল্যাক বেঙ্গল গোট যেটা আমাদের নর্থ বেঙ্গলে হয়

এটার একটা কদর আছে মার্কেটের মধ্যে কিন্তু এই চামড়া পশুর গা থেকে খুলে নেয়া যদি স্কিল ডুবেতে হয় তাহলে চামড়াটার মূল্য আছে এক নাম্বার দ্বিতীয়ত চামড়া যদি পশুর গা থেকে খুলে নেয়ার পরে চার ছয় ঘন্টার মধ্যে যথাযথ উপায়ে লবণ মাখানো হয় তাহলে এটা পরবর্তী তিন চার তিন চার মাসের জন্য প্রিজার্ভ করার উপযোগী হয় এই জিনিসগুলি আগামী দিনে আরো বেশি ভাগ মানে

বেশিভাবে ব্যাপকভাবে মার্কেটে এই স্কিলটা স্প্রেড করার জন্য আমরা কিছু ট্রেনিং প্রোগ্রাম নিচ্ছি। এক নাম্বার দ্বিতীয়ত হলো আমাদের এক্সপোর্টের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য সাবারের আমাদের যে সেন্ট্রাল এফিলিয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট সিটিপি এটার কারেকশন করে এটার সক্ষমতা নিয়ে যাব আমরা 25,000 কিউবিক মিটারে। আমরা আরেকটি সিটিপি করবো করে চামড়া প্রথম অবস্থায় পরিশোধন

হওয়ার পরে এটা কয়েকটা ধাপ। মাননীয় স্পিকার, আই হোপ ইউ উইল বিয়ার উইথ মি ফর কাপল অফ মিনিটস মোর। বোর হবেন না। চামড়ার কয়েকটা ধাপ। প্রথম এটা যায় একটা ধাপে তারপরে যায় ক্রাস্ট লেদারে, তারপরে যায় ফিনিশ লেদারে। প্রথম ধাপটা হচ্ছে লাইট লাইট ব্লু। তো আমাদের 70% কেমিক্যাল যেটা পরিশোধনের দরকার হয় এবং যেটার জন্য ইটিপি ইন্টেন্স একটা ইটিপি লাগে সেটি প্রথম অবস্থায় বের হয়ে আসে।

তো আমরা আমাদের যেটা লক্ষ্য সেটা হচ্ছে পরিশোধনের মেইন অনার্স টা থাকবে রেসপন্সিবিলিটি থাকবে আমাদের দুইটা সেন্ট্রাল ইটিপির উপরে কিন্তু একটা সার্টেন সাইজের উপরের যতগুলি টেনারি তাদের জন্য আমরা ম্যান্ডেটরি করে দিব তারা ইন্ডিভিজুয়াল ইটিপি করবে এবং তাদেরকে আমরা টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিব প্রয়োজন বোধ হয় ফিনান্সিয়াল সাপোর্ট দিব তাদের প্রত্যেকের এই এলজিডব্লিউ সার্টিফিকেশন থাকতে হবে এটা আমরা ম্যান্ডেটরি করে দিবো যারা

আর আর্থিকভাবে যারা সক্ষমতা পুরোপুরি হারিয়ে ফেলেছে যারা এই সেক্টরে আর পারবে না তাদেরকে আমরা ট্রেস করে তাদেরকে আমরা গ্রেসফুল একটা এক্সিট দিব যাতে পরিস্থিতির শিকার তারা না হয় এই কাজগুলি করা হয়ে গেলে মাননীয় স্পিকার চামড়া প্রসেস করার পূর্ণ সক্ষমতা আমাদের কাছে ফিরবে আমাদের ফ্যাক্টরি গুলি ফুল্লি কমপ্লায়েন্ট হবে আর চামড়া এবং চামড়া জাত পণ্যের উৎপাদন থেকে

আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আগামী দিনে এটাকে একটা 10 প্লাস বিলিয়নের এক্সপোর্ট সেক্টরে পরিণত করা ইনশাল্লাহ সেইটাতে আমরা পৌঁছাবো। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী আপনি একটা সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের বিজ্ঞ আমি ব্যক্তিগতভাবে উনার সাথে পরিচয় না থাকলে উনার সম্পর্কে আমি যতটুকু জেনেছি উনি বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে অত্যন্ত বিজ্ঞ এবং

একটা বিশাল অভিজ্ঞতা রয়েছে। তো আমি যেটা প্রশ্ন রাখতে চাই যে এইবারের কুরবানীতে আমাদের টোটাল 96 লাখ 67 হাজার 418 টি কুরবানি হয়েছে শুধুমাত্র গরু। এরপরে মহিষ হয়েছে প্রায় 23% আর এটা ছাগল যেটা বলা হয় আমাদের কালো ছাগল সেটাও প্রায় 27.9% কুরবানি

হয়েছে। তো কুরবানির আগেই আমরা দেখেছি প্রত্যেকবার ব্যাংক থেকে চামড়া ব্যবসায়ীদেরকে একটা লোন দেওয়া হতো এবং গভমেন্ট থেকে লবণ সাপ্লাই দেওয়া হতো এবং আমরা আমাদের চট্টগ্রামের সবচেয়ে বেশি চামড়ার ব্যবসায়ী চামড়ার গোদাম সবচেয়ে বেশি আছে যেটা সাবারের আগে তো আমি মাননীয় মন্ত্রীকে যেটা জিজ্ঞাসা এখন 31 লাখের বেশি চামড়া মাটিতে ফুটে ফেলা হয়েছে। মাননীয় মন্ত্রী আপনি যদি

মেহেরবানী করে একটা লোন সেন্সন করতেন লবণ গুলা যদি একটু ফ্রি দিতেন তাহলে আমাদের এই 31 লাখ চামড়া যেগুলো মাটিতে পুতে ফেলা হয়েছে সেখান থেকে কি আমরা উদ্ধার হতে পারতাম না আপনার মত এরকম বিজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কে আমি যতটুকু জেনেছি আপনি ভালো ভালো পদক্ষেপ নিচ্ছেন কিন্তু এই কুরবানির আগে 31 লাখ এই চামড়াগুলো যদি আমরা বাঁচাতে পারতাম তাহলে আমাদের বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের

এই 10 ফেশিবাদের সময় হয়েছে আমাদের বর্তমান নতুন সরকারের আমলে আমরা কি একটা উন্নতি লাভ করতে পারতাম না মাননীয় মন্ত্রীকে আমি জানতে চাই 31 লাখ চামড়া বাঁচানোর ক্ষেত্রে কেন পদক্ষেপ নেওয়া হলো না এবং ঋণ কেন বরাদ্দ হলো না ব্যবসায়ীদের জন্য আর সরকারিভাবে কেন লবণ বরাদ্দ করা হয় নাই এটাই আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানতে চাই মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় স্পিকার আশা করি উত্তরের পরে কাঠগড়া থেকে রেহাই দিবেন মাননীয় সদস্য। প্রথম হলো লবণ দেয়া হয়ে মাননীয় স্পিকার

আমরা প্রায় 17 কোটি 60 লাখ টাকার লবণ বিসিকের মাধ্যমে প্রত্যেকটা জেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেছি এবং তার আগে আমরা জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে প্রতিটি মাদ্রাসার মহতামিম শিক্ষকদের ডেকে কিছু সংখ্যক সিলেক্ট বিসিএসের শিক্ষক এবং মহতামিমদের ডেকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি আমরা প্রায় 8 লক্ষ লিফলেট তাদের কাছে দিয়েছি যে কি উপায়ে চামড়াগুলি সংরক্ষণ করতে হবে আচ্ছা যে কারণে

আপনার পরিসংখ্যানের সাথে আমার প্রাপ্ত পরিসংখ্যান যদি একটু অমিল আছে আমাদের কাছে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী এক কোটি এক লাখ পশু জবাই হয়ে এই বার কুরবানির ঈদে। এই এক কোটি এক লাখের মধ্যে আমরা প্রায় 70 লাখ চামড়া সংরক্ষণ করতে পেরেছি সারা দেশে। আচ্ছা একটা জিনিস বুঝতে হবে মাননীয় স্পিকার চামড়া যদি স্কিলফুলি পশুর গা থেকে খুলে নেয়া হয় এবং এটা যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লবণ মাখানো হয় তাহলে

পরবর্তী ধাপের যারা ট্রেডার তাদের কাছে এটার কদর আছে চামড়া যদি পচে যায় সেটার তো কোন ভ্যালু নাই তো যে চামড়া গুলি ঠিকমতো পশুর গা থেকে খুলে নেয়া হয়েছে এবং যেটা সময়মতো লবণ মাখানো হয়ে দ্যাট গোট এ ভ্যালু এখন এটা একটা তর্কের বা প্রশ্নের বিষয় হতে পারে ডিবেটের বিষয় হতে পারে যে যে মূল্য আমরা ধার্য করেছি সেই মূল্য তারা পেয়েছে কিনা মাননীয় স্পিকার এটা তো বুঝতেই পারেন এটা তো বাজার অর্থনীতি মূল্য আপনি যাই নির্ধারণ করে দেন

আপনি মার্কেটের এফিশিয়েন্সি যদি এস্টাবলিশ করতে পারেন তাহলে সেই মূল্যটার কার্যক্ষেত্রে সেটার প্রয়োগ হবে। তো মূল্য কম বেশি হয়েছে কিন্তু আউট অফ 1 কোটি 1 লাখ এই পরিমাণ চামড়া সংরক্ষণের তথ্য আমাদের কাছে আছে যার মধ্যে 30-35 লাখের মত চামড়া ইতিমধ্যে সাবার্টিয়ানা ঋতু চলে এসেছে। আচ্ছা আর যে সমস্ত পদক্ষেপ আমরা নিয়েছি তার মধ্যে একটা লবণের কথা বললাম, প্রচারণার কথা বললাম, লিফলেটের মাধ্যমে প্রচার হয়েছে, টিভির এডের মাধ্যমে প্রচার হয়েছে পূর্ববর্তী

সাত দিন। আচ্ছা। তারপরে মাননীয় স্পিকার আমরা একসাথে সব চামড়া চলে এসে সাবার ইটিপি যেন ওভারলোডেড না হয়ে যায়। সেইজন্য জেলা প্রশাসন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে কুরবানির ঈদ পরবর্তী এক সপ্তাহ পর্যন্ত কোন চামড়াবাহী ট্রাক যেন ঢাকায় আসতে না পারে সেটি কম-বেশি আমরা এনসিওর করেছি। যাতে এই সময়ের পরে সংরক্ষিত চামড়াগুলি যদি আসে তাহলে সাবার টেনারের উপর অহেতুক

বেশি লোড হবে না। এইভাবে মাননীয় স্পিকার আমরা চেষ্টা করেছি চামড়া যদি ধরে রাখা যায় যেটা ধরে রাখা গিয়েছে তাহলে যে টেনারি আমাদের আছে যতটুকু কমপ্লায়েন্ট যতটুকু কমপ্লায়েন্ট না কিন্তু এগুলি প্রসেস করা সম্ভব এবং সেটা চামড়া জাত পণ্যে রূপান্তরিত করা সম্ভব। আর যে কার্যপদ্ধতির কথা আমরা বললাম আগামী দিনে এগুলির বাস্তবায়ন হলে ইনশাল্লাহ আপনার এই উদ্বেগ থাকবে না এবং এটির ফলাফল বাংলাদেশ দীর্ঘদিন উপভোগ করবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ও লোনের কথা।

মাননীয় স্পিকার, এখন এখন যে পরিস্থিতি এবং কম্প্লায়েন্ট যে কোটি টেনারি, যে কয়টি টেনারি কম্প্লায়েন্ট তারা ফিনান্সিয়ালি সলভেন্ট, এর বাইরে আমরা যদি একটা ম্যাসিভ আকারে বাজারে টাকা ছাড়তাম, আমাদের কাছে মনে হয়েছে যে এটা প্রপার রিটার্ন আসার সুযোগটা কম ছিল, এটা আননেসারি একটা ম্যানিপুলেশন ক্রিয়েট হতো এবং এই টাকাও আদৌ ব্যাংকার ফেরত

পেতোনা তো মার্কেটটা যেন অহেতুক টাকা ছাড়ার মাধ্যমে নষ্ট না হয় সেজন্য আমরা উপকরণ দিয়েছি কিন্তু এই টাকার পদক্ষেপে যাই নাই এটা একটা সুচিন্তিত পদক্ষেপ ছিল লবণ দিয়েছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী আমি এখন ভোলা চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ নুরুল ইসলামকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি

আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আমি মাননীয় ভূমি মন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করছি। আমার উত্থাপনীয় বিষয় প্রকৃত ভূমিহীন ও দরিদ্রদের মধ্যে খাট জমি বন্দোবস্ত প্রদান প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের সরকারি হিসাব অনুযায়ী মোট খাট জমির পরিমাণ 38 লাখ 53,000

794 একর। এর মধ্যে খাস জমি প্রায় 20 লাখ 71,000 একর এবং নদ, খাল ও জলাশয় সহ অকৃষি খাস জমির পরিমাণ 17 লাখ 81,000 একরের বেশি। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে প্রকৃত খাস জমির পরিমাণ এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রভাবশালীদের দখলে। ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী এই জমির একটি বড় অংশ

প্রায় 4 লাখ 84,000 একর কৃষি কাজের উপযোগী। মাননীয় স্পিকার, দেশে ভূমিহীন ও দরিদ্রদের জন্য সরকারি খাস জমি বিনামূল্যে

বা স্বল্পমূল্যে বন্দোবস্ত দেওয়ার বিধান রয়েছে ভূমি সংস্কার আইন ও কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীন ও কৃষকরা কৃষি কাজের জন্য এক থেকে দেড় একর পর্যন্ত এবং বাস্তুভিত্তিক জন্য সর্বোচ্চ 5% খাস জমির বন্দোবস্ত পাওয়ার যোগ্য এটি সরকারের একটি চলমান প্রক্রিয়া হলেও নানা আইনি জটিলতা ও বিরম্বনার কারণে প্রকৃত ভূমিহীনরা

জমি বন্দোবস্ত খুব একটা পাচ্ছে না। বরং ভূমি অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে ঘুষ বা দুর্নীতির বিনিময়ে অপব্যবহারী চক্র রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সচ্ছল ব্যক্তিরা ভুয়া নাম ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজেদের নামে খাট জমি বন্দোবস্ত পাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি চাকরিজীবী ব্যবসায়ী এমনকি পাকা বাড়ি বা পর্যাপ্ত জমির মালিকদের মধ্যে খাট জমি বরাদ্দ পাওয়ার নজির রয়েছে।

বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন চরাঞ্চলে জোর যার মূলক তার নীতিতে খাস জমি দখল করে রাখা হয় এবং প্রকৃত ভূমিহীনরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হন। অথচ এই খাস জমি প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে বন্দোবস্ত প্রদান করা হলে দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিদায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মাননীয় ভূমিপতি

মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মেনু মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আমাদের অত্যন্ত প্রিয় মাননীয় সংসদ সদস্য নুরুসলাম সাহেব যে বিষয়টি উত্থাপন করেছেন সারা বাংলাদেশের

350 জন মাননীয় সংসদ সদস্যের এটা প্রাণের কথা প্রত্যেক এলাকায় এই সমস্যায় চঞ্চলিত তারপর আমাদের চেষ্টা আছে বাংলাদেশের অবৈধ দখলকৃত খাস জমি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয় অবৈধ দখল মুক্তকরণের লক্ষ্যে

এই সংক্রান্ত একটি আইন আছে দা গভমেন্ট এন্ড লোকাল অথরিটি ল্যান্ড এন্ড বিল্ডিংস। মাননীয় স্পিকার, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন 2023 এবং ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা 2024 প্রয়োগের মাধ্যমে

অবৈধ দখলমুক্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 180 দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনার মধ্যে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনায় এ সংক্রান্ত কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে ভূমি মন্ত্রণালয় হইতে খাস জমি চিহ্নিতকর অবৈধ দখলমুক্ত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য

প্রাপ্ত বরাদ্দ সকল জেলা প্রশাসকের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান সহ এই সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রদান করা হয়ে মাননীয় স্পিকার, কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান একটি চলমান প্রক্রিয়া কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা 1997 অনুযায়ী প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে কৃষি জমি বন্দোবস্ত প্রদান করা হয়ে থাকে।

এরপর মাননীয় স্পিকার, আমি এই মহান সংসদের মাননীয় 350 জন সংসদ সদস্য তাদের প্রত্যেকেই আমি ভূমি মন্ত্রী হিসেবে সমসম্মান দিয়ে থাকি। আমি জানি যে নিজ নিজ এলাকায় দীর্ঘদিনের এই সংক্রান্ত বিষয়গুলি জনগণের কখনোই শুভ লক্ষণ নয়। সেজন্য কার্যকরী নিজেদের এলাকায় বিচরণ করে অফিসগুলি ধতারিক

করে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়কে লিখলে আমরা ইতিমধ্যে আইন অনুযায়ী অনেক ব্যবস্থা নিয়েছি সামনের দিনে সরকারের স্বচ্ছতা সুনির্দিষ্ট করার জন্য আমরা সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করব মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আপনি একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন মাননীয় স্পিকার

আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন আমার নির্বাচনী আসন ভোলাচাঁদ চপরেশন মনপুরা। এখানে আপনার নির্বাচনী আসনের পাশেই এই আসনটি।

গত 16 বছরের ফেসিবাদী নির্যাতন এবং বঞ্চনার বাহিরে নয় এই অঞ্চল। এখানে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ভূমিহীনরা বিশেষ করে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যারা বিলীন হয়ে যাওয়া বাস্তুহারা মানুষগুলো বেরিবাদের পাশে বসবাস করছে আর যে শতশত

একর খাস জমি রয়েছে চরপেশন মনপুরায় এই জমিগুলো রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বিত্তশালী এবং অভাবশালী যারা রয়েছে অভূমিহীন ব্যক্তিরা ভূমি অফিসের বিভিন্ন অসাধু কর্মকর্তাদের যোগ সাজসে অফিস থেকে ভূমিহীন সনদ নিয়ে নিজেদের নামে তারা বন্দোবস্ত নিয়েছে

সামান্য কিছু ভূমিহীন কৃষক বা জেলে তারা হয়তো ভূমি পেয়েছে কিন্তু কেউ কেউ হয়তো তাদের জায়গার দখল নিতে পেরেছে অনেকেই নিতে পারেনি আবার যারা নিয়েছে তাদেরকে উৎখাত করা হয়েছিল আমার প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় ভূমিমন্ত্রী চব্বাসন মনপুরা ভূমিহীনদের মাঝে খাস জমি বিতরণের জন্য ডিজিটাল ডাটা

বেজ কোনো তালিকার মাধ্যমে এই ভূমিহীনদেরকে ভূমি বিতরণের পরিকল্পনা রয়েছে কিনা আপনার? মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আমার অত্যন্ত প্রিয় মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আমাদের খুব আইকন লিডার। যুবসমাজের মধ্যপনি অনেক

প্রতিবাদ, প্রতিবাদী, ফ্যাসিস্ট স্বরাচারী সরকারের সময় সারা দেশব্যাপী জনগণের পক্ষে সে ছিল। আমাদের মাননীয় প্রিয় নেতা সংসদ নেতার অত্যন্ত স্নেহভাজন তার অভিযোগটি সম্পূর্ণই সঠিক। আর আমি খুবই আমার খুব স্বপ্ন ছিল যে একজন 20 সন্তানের পবিত্র মাটি

যাওয়ার যিনি আমাদের দেশের আমাদের প্রিয় নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পর মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বোচ্চ ভূমিকা রেখেছেন মাননীয় স্পিকার আপনি আপনার বাবা জাতির খুব গৌরবপূর্ণ নেতা আমার খুব প্রিয় নেতা আমাদের এই অঞ্চলের জন্য শেরেবাংলা একে ফজলুল হক আমার খুব ইচ্ছা আছে সেখানে যাওয়ার আমি

আশা করছি আমার মাননীয় সংসদ সদস্য সহ সেই এলাকায় আপনার সুবিধামতো সময় যদি হয় ভালো তাহলে আমি খুব দ্রুতই যাব এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সকল উচ্চপদস্থ মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী আমার অত্যন্ত প্রিয় সহ আমরা সেই এলাকায় যাব সরঞ্জামের দেখে আমরা অবশ্যই কার্যকরী পদক্ষেপ নেব এবং মাননীয় সংসদ সদস্যের যে প্রত্যাশা ভূমিদিনের মাঝে ইয়ে হোক সবকিছু আমরা ইনশাআল্লাহ অত্যন্ত

দ্রুতই আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এধরনের অবস্থান প্রায় সব সংসদ সদস্যেরই। তাদেরকে আমি অনুরোধ করবো যে আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আছে আপনারা আরো সক্রিয় হন এবং আমাদের কাছে আসেন। আমরা অবশ্যই সমস্ত দুর্নীতি উচ্ছেদ করে একটি স্বচ্ছতা জনগণের মাঝে আমি আমরা উপহার দিতে পারবো। মাননীয় স্পিকার আপনাকে

অনেক অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। একটি ধন্যবাদ জানাচ্ছি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মাননীয় সদস্যকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সংসদে উপস্থাপনের জন্যে। ভোলা একটি দ্বীপাঞ্চল। এখানে অনেক খাস জমি এখনো রয়েছে প্রতিনিয়ত চর জেগে উঠে। সংসদ সদস্যরা যদি আগ্রহ ব্যক্ত করেন এর পিছনে লেগে থাকেন তাহলে অনেক দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সাহায্য করা সম্ভব।

বিএনপির বিগত সরকারের আমলে 2001 থেকে 2006 সরকারের আমলে আমার নির্বাচনী এলাকায় ভোলা তিনে 20,000 ভূমিহীন কৃষককে জমি দেওয়া হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। তিনি নিজেই এর একটা বড় অংশ নিজের হাতে দলিল দিয়েছেন তজিমুদ্দিন স্টেডিয়ামে এবং এই 20,000 লোক আজীবন উপকৃত হবে। সুতরাং অন্যান্য এই ধরনের যেখানে

খাস জমি আছে, অনেক এলাকাতেই আছে, যদি সংসদ সদস্যগণ আগ্রহ প্রকাশ করেন, সরকারের একটি যুগান্তকারী কার্যক্রম হবে ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বিতরণ করা। আর আপনি বোলাই যে

যেতে চেয়েছেন ইউ আর মোস্ট ওয়েলকাম। ইনশাল্লাহ একটা সঠিক সময় যদি সময় পারমিট করে আমিও নিশ্চয়ই যাওয়ার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় সদস্য নূরুল ইসলামকে মাইক দেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের প্রিয় নেতা

ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু সাহেবকে আমরা যদিও মিনু ভাই ডাকি আমাদের অনেক স্নেহ করেন আপনাকে ভোলা আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি সাথে সাথে আপনি যে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর কথা বলেছেন আরো যারা যারা আগ্রহী প্রত্যেককে আমি ভোলায় আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আশা করি মাননীয় স্পিকার সহ আমরা সেই অনুষ্ঠানে যোগদান করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

সকলকে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম মাননীয় ভূমি মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার অনেক অনেক আপনাকে ধন্যবাদ এবং এটা একটা ঐতিহাসিক সময় আমি জানি সারাদেশের আমাদের নির্বাচিত 350 জন মাননীয় সংসদ সদস্যর এটা হৃদয়ের কথা মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী আমাদের মাটি মানুষের

নেত্রী প্রধানমন্ত্রী সাবেক আমাদের মা যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন আমাদের প্রত্যাশা থাকলো আপনি সহ উপযুক্ত স্থানে যে মাননীয় সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ আমি চেষ্টা করব এই ধরনের একটি আরেকটি যুগান্তকারী উদ্যোগ যা ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকে মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী জনাব

মাননীয় সদস্য কিছু বলতে চান? আক্তার হোসেন সাহেবকে মাইক দেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার এদেশের সরকারি দলের যেমন সমাবেশ করার অধিকার আছে বিরোধী দলের একই ধরনের সমাবেশ করার অধিকার আছে এবং সেই অধিকারের জায়গা থেকেই জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি আমরা সারা দেশব্যাপী জুলাই পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করেছি গতকাল আমাদের উদ্বোধনী সেশন ছিল গতকাল রাতের বেলা

আমাদের মাননীয় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জনাব নাহিদ ইসলাম এমপি আমি সহ আমাদের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমরা সাভারে গিয়েছিলাম একটা সমাবেশে উপস্থিত হয়েছিলাম অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় আমরা স্টেজে ওঠার আগে আগেই সেখানে বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয় সেখানে বিদ্যুৎ আর থাকে না আমরা বিদ্যুতের জন্য যোগাযোগ করেছিলাম কিন্তু কোনোভাবেই যোগাযোগ করে আমরা সমর্থ হয়ে উঠতে পারি নাই এবং সেখানে যখন বক্তব্য চলছিল হঠাৎই সেই সমাবেশে যারা শ্রোতারা আছেন তাদের মাঝখানে

সেখানে একটা বিস্ফোরণ ঘটানো হয় ভয়ভাবক বিস্ফোরণ এবং সেই বিস্ফোরণে অনেকেই হতাহত হন রক্তাক্ত হন সেখানে রক্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং তারপরে সেখানে ধোঁয়া উঠে যায় এবং আমাদের ওখানে যারা শ্রোতারা ছিলেন তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়েন আমরা সমাবেশ সংক্ষিপ্ত করে আমরা থানায় গিয়েছিলাম মাননীয় স্পিকার আমরা যখন বিরোধী দলে আমরা আজ যারা আছি এই সমাবেশ করার অধিকার সংবিধান আমাদেরকে দিয়েছে এটা গণতান্ত্রিক অধিকার সেই সমাবেশের সময়টাতে কেন বিদ্যুৎ থাকবে

বিদ্যুৎ কেনো নিয়ে যাওয়া হলো সেই বিষয়টাতে আমরা সরকারি দলের কাছে আমরা একটা জবাব দিতে চাই মাননীয় স্পিকার পাশাপাশি আমরা যখনই জুলাই কে নিয়ে কোন প্রসঙ্গ নিয়ে আসি জুলাই কে নিয়ে যখনই আমরা কোন আন্দোলন সংগ্রাম বা কোন প্রোগ্রামের কর্মসূচি আমরা ঘোষণা করি সেই সময়টাতেই নানাভাবে আমাদেরকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হয় যারা জুলাইয়ের পতিত শক্তি আছে তারা নানাভাবে আমাদেরকে বাধাগ্রস্ত করে এর আগেও আমাদের অফিসের সামনে পকটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল গতকাল যে বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে সেখানে বিরোধীদলীয়

চিফ হই উপস্থিত ছিলেন, আমি নিজে উপস্থিত ছিলাম, আরো নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ভয়াবহ ক্ষতির মধ্যে আমরা পড়তে পারতাম। এমতো অবস্থায় যারা পতিত স্বৈরাচার আছে এবং যারা নানাভাবে সমাজে স্বাভাবিকীকরণের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তাদের ব্যাপারে আসলে সরকারের তরফ থেকে পদক্ষেপ কি? সেটা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদি এখানে থাকতেন তার কাছেই জানতে চাইতাম। কিন্তু যেহেতু মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে উপস্থিত নেই, এই কারণে আপনার মাধ্যমে সরকারের কাছ থেকে আমরা জানতে চাই যে কেন বিদ্যুতের লাইন বন্ধ থাকলো সেই সময়টাতে এবং এই যে বিভিন্ন জায়গায় দুষ্কৃতিকারী যারা আছে

এই অপরাধীরা এবং বিস্ফোরণকারীরা যে বিস্ফোরণ ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছে তাদের বিপক্ষে আইনগত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা এবং আমাদের নির্বিঘ্ন সভা সমাবেশ করার অধিকার নিশ্চিত করা হবে কিনা সেটা আপনার মাধ্যমে সংসদের কাছ থেকে আমরা জানতে চাই মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আপনি মাননীয় সদস্য আক্তার হোসেন আপনি এই ব্যাপারে একটা নোটিস দেন

আর এখানে কোন বিতর্কের অবকরণ করার প্রয়োজন নাই। আইন না না আইন আইনমন্ত্রী দাঁড়িয়ে আছেন। আইনমন্ত্রী কিছু বলতে চান? এটা তো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিষয় উনি

দেশে নাই। আইনমন্ত্রী বলতে চান? আচ্ছা বলেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাই আপনি কিভাবে বলবেন? আইন তো ভালোই আছে। মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত নাই উনার পক্ষেই আমি কিছু কথা বলতে চাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন যে বিষয়টার অবতারণা করেছেন নিশ্চিত ভাবেই সেটা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আমরা দেখছি আমরা আশ্বস্ত করতে পারি যে এর সাথে যদি কেউ জড়িত থাকে তার বিরুদ্ধে আইনিভাবে যতটা পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব স্বচ্ছতার সাথে ততটা কঠোর পদক্ষেপ সরকার নেবেন আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী আপনার এই আশ্বাস

দেওয়ার জন্যে। না না যথেষ্ট কথা হয়ে সরকারি দল থেকে মন্ত্রী একজন জবাব দিয়েছেন এখনো আমি আইন প্রণয়ন কার্যবলীতে যেতে চাই। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচির অনুযায়ী একল বিল সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন। আমি এখন বিশেষ কমিটির মাননীয় সভাপতি জনাব জয়নুল আবেদীন বরিশাল তিন তাকে কার্যপ্রণালী বিধির এক উপবিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026

সম্পর্কে বিশেষ কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 বিশেষ কমিটি কর্তৃক পরীক্ষিত রিপোর্ট আমি মহান জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করছি।

স্রোতর জাতীয় সংসদ 28 শে জুন 2026 খ্রিস্টাব্দে বৈঠক উত্থাপিত বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 পরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট প্রদানের জন্য সংসদ কর্তৃক বিশেষ কমিটিতে প্রেরণ করা হয় বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026 পরীক্ষাকরণ সম্পর্কে

বিশেষ কমিটির রিপোর্ট কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি জয়নুল আবেদীন কার্যপণালী বিধি অনুযায়ী এই মহান সংসদে উপস্থাপন করছি কমিটি 30 6 2026 খ্রিস্টাব্দে বৈঠকে মিলিত হয়ে বিলটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করে বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির যে সকল মাননীয় সদস্য

পরীক্ষায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করে অবদান রেখেছেন তারা হলেন আমি নিজে জয়নুল আবেদীন 121 বরিশাল 3 সালাউদ্দিন আহমেদ 294 কক্সবাজার 1 মোঃ আসাদুজ্জামান 81 ঝিনাইদহ 1 মোঃ আব্দুল বারী 35 জয়পুরহাট 2 মোঃ নওশাদ জমির 1

পঞ্চগড় এক, ফারজানা শারমিন, 58, 58, নাটোর এক, মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, 52, রাজশাহী এক, এবং জিএম নজরুল ইসলাম, 108, সাতক্ষীরা চার, এছাড়াও কমিটির বিশেষ আমন্ত্রণে মাননীয় স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সর্দার মোঃ হোসেন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

এই বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির রিপোর্ট প্রণয়নে সহায়তা প্রদান করার জন্য বিশেষ কমিটির মাননীয় সদস্যগণকে মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তাছাড়া স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আইন বিচার এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী

বিশেষ করে কমিটির সচিবিক দায়িত্ব পালনকারী কমিটির সচিব লেজিসলেটিভ ড্রাফটিং ইউনিটের যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী বিলটি পরীক্ষা কাজে এই রিপোর্ট প্রণয়নে কমিটিকে সহায়তা প্রদান করেছেন এই কমিটির পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি কমিটির

অত্যন্ত প্রাণপন্ত এবং আন্তরিক পরিবেশে বিলটি বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক পরীক্ষা করে এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় দ্বিতীয় সংশোধন বিল 2026

উত্থাপিত আকারে মহান সংসদে পাশ করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সুপারিশ করছি ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য বিলটি সংসদে রিপোর্টটি সংসদে উপস্থাপিত হলো মাননীয় বিরোধী দলের নেতা বিরোধী দলের নেতা কিছু বলতে চাচ্ছিলেন নাকি আপনার হয়ে রফিকুল ইসলাম সাহেব বলবে বিরোধী দলের নেতা বলতে চান নাকি

না, আগে বিরোধী দলের নেতা টা শুনি, রিপোর্ট উপস্থাপিত হয়ে গেছে, বিরোধী দলের নেতা টা শুনি তারপরে আপনি পয়েন্ট অফ অর্ডার থাকলে দাঁড়াতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ, কার্যত দেশে একমাত্র টার্সিয়াল রিবেল হসপিটাল ছিল যেটাকে আগে আমরা পিজি হসপিটাল বলতাম, পরবর্তী পর্যায়ে এটাকে বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তরিত করা হয়েছে এবং এই সংসদ

নামের একটা এমেন্ডমেন্ট করেছে। বর্তমানে এটা বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামে পরিচিত। এটি একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া জনগণের মৌলিক অধিকার এবং সারাদেশে কার্যত এখনো একটি। যদিও আরো অনেকগুলো মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে। তার কিছু একাডেমিক কার্যক্রম চলছে। কিন্তু

সেবার কার্যক্রম সেরকম প্রতিষ্ঠিত হয়নি এই অবস্থায় এটাকে যদি আমরা লাভজনক এবং অলাভজনক এখানে বলা হয়েছে প্রফিট নন প্রফিট কনসার্ন কিছু শেয়ারিং এখানে করা যেখান থেকে ইনকাম জেনারেট করে এইটার প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাদের এবিলিটি আছে তারা টার্সিয়াল লেভেল কিছু প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান আছে ওখানে চিকিৎসা নেই আরো

যাদের বেশি আছে তারা দেশের বাইরে চলে যায়। কিন্তু যাদের নাই তাদের ঠিকানা এটা। এখন যখন এইখান থেকে এখানে কেউ ইনভেস্ট করবে এবং এখান থেকে প্রফিট জেনারেট করার ইচ্ছা থাকবে স্বাভাবিকভাবেই চিকিৎসা বেটা বেড়ে যাবে। এই সংসদে এই সেশনে আমরা বাজেট পাশ করার সময় জনগণের চিকিৎসা বে পকেট মানি যাতে আরো কমানো যায় এজন্য অনেকগুলো পদক্ষেপ এখানে নেওয়া হয়েছে যেটাকে আমরা সবাই সমর্থন করেছি।

কিন্তু এর সেন্স টা হচ্ছে এর বিপরীত এখন যে বিলটা আসতেছে এখানে কিন্তু চিকিৎসা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে দুই নম্বর হলো যদি এ ধরনের কোন কোম্পানি এখানে শেয়ার করতে আসে তাহলে আগামীতে কোন ধরনের আন হেলথি কম্পিটিশনের পটেনশিয়াল রিস্ক আমরা উড়ায় দিতে পারি না কার্যত এর মাধ্যমে জনগণের প্রাপ্তির চাইতে একটা গোষ্ঠীর প্রাপ্তি বেশি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা

মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা আপনি একজন খ্যাতিমান চিকিৎসক এই বিষয়ে নিশ্চয়ই অনেক কিছু জানেন অনেকের চেয়ে বেশি বিলটি কেবলমাত্র উপস্থাপিত হয়ে যাবে এরপরে যখন বিবেচনার জন্য আসবে আপনাকে দীর্ঘ সময় দেওয়া হবে তখন পুঙ্খানুপুন্য বিশ্লেষণ করে নেবেন ধন্যবাদ। জনাব রফিকুল ইসলাম আপনি কি পয়েন্ট অফ অর্ডারে দাঁড়িয়ে আছেন? জি বলুন মাইক দেন। স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের বিশেষ কমিটির মাননীয় সভাপতি এই বিলটা এখানে উত্থাপন করেছেন।

এবং এই কমিটির আমি একজন সদস্য কিন্তু আমার নাম উপস্থিত অনুপস্থিত কোনটার মধ্যেই নাই আপনি কি উপস্থিত ছিলেন না আমি উপস্থিত ছিলাম না পয়েন্ট অফ অর্ডার হলো এটাই আমার যে সকাল 10:00 টায় মিটিং 10:00 টা 19 মিনিটে মাননীয় সভাপতি এই কমিটির জয়নাল আবেদীন সাহেবের পিএস পরিচয় আমাকে ফোন করে যে স্যার আজকে তো মিটিং ছিল আমি বললাম যে কিসের মিটিং বলে যে বিশেষ কমিটির মিটিং

আমি তো আগে থেকে জানি না। আপনাকে মেসেজ দেওয়া হয়ে আমি পরে দেখলাম মেসেজ কখন দিছে। মেসেজ দিয়েছে 9:19 মিনিটে। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির মিটিংয়ের খবর কি মেসেজে হয় তাও আবার 9:19 মিনিটে 10:00 টায় হলো মিটিং। তো আসলে আমার পক্ষে তো প্র্যাকটিক্যালি উপস্থিত হওয়া সম্ভব হয় নাই। আমি মাননীয় এই কমিটির সভাপতির কাছে জানতে চাই আমাকে খবর

ভোট দেওয়া হলো না কেন যথাসময়? আমি যে কারণে আমি উপস্থিত হতে পারলাম না। মাননীয় সদস্য দয়া করে বসুন। আমি এই কমিটির যে সভাপতি তাকে ভবিষ্যতে এই ধরনের ব্যাপারে যাতে প্রত্যেক সদস্যকে যথেষ্ট সময় দিয়ে নোটিফাই করা হয় সে ব্যাপারে যত্নবান হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবো। আপনি সরাসরি তার সাথে আলাপ করতে পারতেন। সংসদে মানে বাইরেও একটা কিরকম ধারণা হবে যে একটা মিটিংয়ে নোটিস দেওয়া হয় না।

তো আপনি সরাসরি তার কাছ থেকে জানতে চাইলেন, যাইহোক ভুল ট্রান্সফার হতে পারে ভবিষ্যতে যাতে না হয়, এ ব্যাপারে বিশেষ কমিটির সভাপতিকে আমি অনুরোধ জানাচ্ছি, পরবর্তীতে তারা নিশ্চয়ই কেয়ারফুল থাকবেন, ধন্যবাদ।

আপনার কনসার্ন তাও নোটিফাইড ভবিষ্যৎ এর জন্য তারা যাতে কেয়ারফুল হয় এটা তো বলেছি এখন তো আর ক্লক ব্যাক করে পিছনে যাওয়া যাবে না মিটিং হয়ে গেছে বাকিরা তো উপস্থিত ছিল যাই হোক আপনার ব্যাপারে হয়তো আপনাকে নোটিফাই করা হয় নাই

এজন্য আপনার প্রয়োজন হলে আপনারা সরাসরি যোগাযোগ করবেন। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়ন কার্যক্রম বিলের নাম বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 আমি এখন 75 এক বিধিতে প্রদত্ত বিধি স্থগিতের ক্ষমতা প্রয়োগ করে স্বল্পতর মেয়াদের নোটিসে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আনুম এহসানুল হক মিলন কে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 উৎপাদন

অনুমতি প্রার্থনার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আমি ডক্টর আনোয়ার হাসান মিলন শিক্ষামন্ত্রী বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন 2001 রোহিতক্রমে উহার বিধান বলি বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নতুন আইন প্রণয়ন কল্পে আনীত একটি বিল বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 উত্থাপনের জন্য আপনার কাছে অনুমতি প্রার্থনা

করছি। আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী আপনি বিলটি উত্থাপন করুন। আমি ডক্টর আনুভূত মিলন শিক্ষামন্ত্রী বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন 2001 রহিতক্রমে উহার বিধানবলী বিবেচনাক্রমে সময়ের চাহিদার প্রতিফলনে নতুন আইন প্রণয়নকল্পে আনিত একটি বিল বগুড়া

বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 উত্থাপন করিলাম আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 সংসদে উত্থাপিত হলো

আমি এখন আমি এখন প্রদত্ত বিধি স্থগিতের ক্ষমতা প্রয়োগ করে মাননীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আনোয়ারুল হক মিলনকে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 সম্পর্কে পরীক্ষাপূর্বক রিপোর্ট প্রদানের জন্য আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কমিটিতে সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব উপস্থাপনের আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি

ডক্টর আনোয়ার আসাদুল মিলান শিক্ষামন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 পরীক্ষামূলক রিপোর্ট প্রদানের জন্য আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করছি এবং সেই সাথে তিন দিন কার্য দিবসের মধ্যে সম্পাদন করার জন্য অনুরোধ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল 2026 পরীক্ষা পূর্বক

তিন বৈঠক দিবসের মধ্যে সংসদের রিপোর্ট প্রদানের জন্য আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরিত হলো।

আমি আমি এখন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আহসানুল হক মিলন কে স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 অভিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহবান জানাচ্ছি স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

আমি ডক্টর আনোয়ার মিলন শিক্ষামন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যাক্ট 1980 এর অধিকরক সংশোধন কল্পে আনীত বিলটি পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট বিল 2026 স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সবাইকে

প্রস্তাব দিয়েছেন কয়েকজন মাননীয় সদস্য তাদেরকে আমি আহ্বান জানাবো সময় দুই মিনিট প্রথমে বক্তব্য রাখবেন শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম সরি আমি একটু পেছনে যাচ্ছি মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন নির্মল লিখির সদস্যবৃন্দ জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 রুমিন ফারহাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2, মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ 5, মোহাম্মদ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6, আব্দুল আলিম বাগেরহাট 4, আমির হামজা কুষ্টিয়া 3, মোহাম্মদ আলী আজগর পাবনা 3, আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীল ফামারী 2, মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1, মোহাম্মদ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া 4, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16, মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার নীল ফামারী 1, মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা 2, মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ

চুয়াডাঙ্গা এক এবং মাসুদ মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা পাঁচ এই বিল এই বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব দিয়েছেন মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম 15, জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা চার, রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই, মোহাম্মদ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া দুই, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ, মোহাম্মদ আমির হামজা কুষ্টিয়া তিন, মোহাম্মদ আলী আজগর পাবনা তিন, আল ফারুক

আব্দুল্লাতিফ নীলফামারী 2, মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1, মোঃ আফজাল হোসেন কুস্তিয়া 4, মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 এবং মোঃ আব্দুস সাত্তার নীলফামারী 1 জনম যাচাই প্রস্তাব বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি সম্পর্কে আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে এখন আমি নোটিস দাতা মাননীয় সদস্যগণকে তাদের প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি।

অর্থাৎ বাছাই কমিটির প্রস্তাব দেবেন এবং সাধারণ নীতি সম্পর্কে বলবেন সময় দুই মিনিট প্রথমেই আহবান জানাচ্ছি জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 দুই মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পাবলিক এক্সামিনেশন ওপেন সেমেন্ট মেন্ট বিল 2026 এটা আসলে অত্যন্ত একটা সুন্দর বিল আমাদের মাননীয় মন্ত্রী ডক্টর এস আনুলক সাহেব

মন্ত্রী মহোদয় চারদলীয় জুটের আমলে যখন বিশেষ করে তৎকালীন সময়ে নকলের উৎসব হতো প্রশ্নপত্র পাশ হতো এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে একটা হজ ফজ অবস্থা হতো তখনকার দিনে উনি অত্যন্ত বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করে তখন উনি স্টেট মিনিস্টার ছিলেন তখন শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন ডক্টর ওসমান ফারুক তৎকালীন মন্ত্রী মহোদয় তখন উনি নকল প্রতিরোধ করেই সারা বাংলাদেশে নকল বিহীন পরীক্ষার নজর

স্থাপন করেছিলেন চারদলীয় জুটের আমানে যখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আজকে উনি বিলটা এনেছেন এটার সাথে সম্পর্ক হলো স্টুডেন্ট যারা প্রশ্ন করেন তারা আর যারা প্রেসেস থাকেন তারা আর পরীক্ষার হলে যারা ডিউটি করেন উনারা এরপরে হচ্ছে পাবলিক যারা পরীক্ষার কেন্দ্রে এসে উপস্থিত হয়ে 144 কে অমান্য করে একটা হজ পচ অবস্থার সৃষ্টি করেন উনারা

এই বিলটাতে উনি এই সব কিছুকে কভার করেছেন কিন্তু শাস্তি যেটা দিয়েছেন আর স্টুডেন্টদের উপরে উনি যেটা শাস্তির বিধান করেছেন কিন্তু যারা পরীক্ষার হলে থাকবেন আর প্রশ্নপত্র যারা আউট করবে এবং তাদের শাস্তির ব্যাপারে আমি যতটুকু পড়ে দেখেছি যদি আমার ভুল না হয় মাননীয় মন্ত্রী আমি টোটাল পড়ে দেখেছি ইংরেজিতে যেটা আপনি করেছেন এইখানে আপনি নন ভেলেবল সেকশন করেছেন

আর ফাইভ ইয়ারস শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন কিন্তু এটা স্টুডেন্টদের ব্যাপারে করেছেন বাট যারা পরীক্ষার হলে থাকবে আর যারা 144 অর্থাৎ আমাদের পরীক্ষার সীমা মাননীয় সদস্য জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা চার সময় দুই মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় পাবলিক এক্সামিনেশন

অপেন্স এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 এই সংসদে উপস্থাপন করেছেন। আমরা বিলটা মোটামুটি তার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে আমরা লক্ষ্য করেছি বিলটা অবশ্যই ভালো। দেশে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সুন্দরভাবে তলোন্নত করার জন্যে এই এরকম টেবিলের প্রয়োজন ছিল। এখানে মাননীয় স্পিকার আমাদের মাননীয় এমপি সাজান চৌধুরী সাহেব বলেছেন যে অপরাধটা কারা করে?

প্রশ্নপত্র কারা ফাঁস করে? পরীক্ষার খাতা রেজাল্ট টেম্পোরারি পিছনে কারা দায়ী? আসলে যারা দায়ী তারা তো বড় অপরাধী। আর সেটাকে যখন ছাত্র

ছাত্রীরা তাদের পরীক্ষার খাতায় লিখতে যে কিছু অপরাধ করে বসে সে অপরাধের পিছনে এখানে আইনের বেশ কঠোরতার অবলম্বন করা হয়েছে বলে এখানে বোঝা যাচ্ছে তা আমি মনে করি যে রাঘব বল দের কে মানে ধরা ছোঁয়ার বাইরে না রেখে রেখে ছাত্র শিক্ষার্থীদের কে যে শাস্তি বেদন করা হয়েছে এটা একটু সুযোগ সহজ করা যায় কিনা নন বেলেবল কিছু সেকশন দেয়া হয়েছে এটাও একটু কঠিন

মনে হয় আমার মনে হয় এদিকটাকে সামনে রেখে বিলটা যেহেতু শিক্ষার জন্য ভালো সেজন্য সংশোধিত আকারে করা যায় কিনা এ বিষয়ে আমি মাননীয় মন্ত্রীর মনে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পরবর্তী বক্তা রুমিন ফারহানা জনাব মাননীয় সদস্য আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া দুই দুই মিনিট

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী, পাবলিক এক্সিজেন্স অফেন্স এভিডেন্টমেন্ট বিল 2026 যে বিলটা এনেছেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজন। মাননীয় স্পিকার, পরীক্ষায় অশুদ্ধ ভাবে প্রশ্নভাস জালিয়াতি অনিয়মরোধ করা রাষ্ট্রের একটি দায়িত্ব। একটি মেধাবীতিক সমাজ গঠনের

জন্য কঠোর আইন অবশ্যই প্রয়োজন। কিন্তু শুধু কঠোর আইনের প্রয়োজন করলেই সমস্যা সমাধান হবে এমনটা ভাবার সুযোগ নেই। মহানুভূত স্পিকার, এই আইনটি 1980 সালের আইন সংশোধন করে দেখেছি এর মধ্যে এক থেকে 14 নম্বর ধারার 12 টি ধারার পরিবর্তন আনা হয়েছে। এখানে শাস্তি বৃদ্ধি অপরাধের পরিধি সম্প্রসারণ এবং তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া

কে আরো কার্যকর করার উদ্যোগ দেখা যায়। মাননীয় স্পিকার, আমরা নীতিগতভাবে পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমর্থন করি তবে একটি বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। মাননীয় স্পিকার, প্রথমত প্রশ্নপাশের মূল হোতাদের বিরুদ্ধে অতীতে কতজনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়েছে সেই প্রশ্ন আজ রয়ে গেছে। মাননীয় স্পিকার, আইনের কঠোর হয়েছে কিন্তু বাস্তবায়ন দুর্বল হলে আইনের কার্যকরিতা

উষ্ণবিদ্ধ থেকে যায়। মাননীয় স্পিকার, দ্বিতীয়ত ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং ফরেনসিক তদন্তের ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করা প্রয়োজন। শুধু শাস্তির বিধান বাড়িয়ে প্রযুক্তি নির্ভর অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়। মাননীয় স্পিকার, এজন্য আমাদেরকে একটি দেখতে হবে আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে যেন ধন্যবাদ

মাননীয় সদস্য, এখন থেকে সকল সদস্যই দুই মিনিট করে বলবেন পরবর্তী বক্তা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ পাঁচ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। গত 28 শে জুন তারিখে আমাদের সুযোগ্য শিক্ষামন্ত্রী পাবলিক এমেন্ডমেন্ট অফেন্স আইন 2026 এই মহান সংসদে উত্থাপন করেন। দেশের পাবলিক পরীক্ষা সমূহ নকল প্রশ্নপত্র ফাঁস, সনদপত্র বিভিন্ন ধরনের

অনিয়মের প্রতিরোধে দীর্ঘ 45 বছর পর 45 বছরের পুরনো আইন পরিবর্তন করে উনি সংসদে এটা উত্থাপন করেছেন। এটা অত্যন্ত জরুরী একটি বিষয় আমি আশা করি এটা সংসদে পাস হবে। আমি আমাদের শিক্ষামন্ত্রীকে এই একটি আইন সংসদে উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই বিলটি বাছাই কমিটির প্রেরণ করা হোক। মাননীয় স্পিকার, বিগত আওয়ামী লীগের আমলে শিক্ষা ব্যবস্থা

এতই অধঃপতন ঘটিয়েছেন, আত্মীয়করণ করে বিভিন্ন জায়গায় অযোগ্য ব্যক্তিকে বসিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিয়েছে। দেশের এই পরীক্ষা প্রশ্নপত্র প্রশ্নপত্র পাশ করার ক্ষেত্রে আমরা অভ্যাসের দাস সবাই আশা করে থাকতো প্রশ্নপত্র পাওয়া যাবে লেখাপড়া করার দরকার নাই। প্রত্যেক পরীক্ষার আগে দেখা গেছে বাজারে প্রশ্নপত্র বিক্রি হয়েছে। অতএব আমাদের শিক্ষামন্ত্রী যে আইনটি সংসদে উত্থাপন

করেছে এটা অত্যন্ত জরুরী এবং এই আইনের ক্ষেত্রে পরীক্ষাপত্র জাতীয় ডাটাবেজ বিভিন্ন মোবাইল ফোন এই সব প্রতিরোধকল্পে যে আইন সংশোধনী আছে এটা অত্যন্ত জরুরী আমি আশা করি সংসদে এই আইনটি পাশ হবে এবং জনগণ যাচাই এটা প্রেরণ করা হোক এবং আমি শিক্ষামন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই এই আইনটি সংসদে উত্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী যে বিলটি এনেছেন নিঃসন্দেহে এটি গুরুত্বপূর্ণ এজন্য যে 1980 সনে যে আইনটি করা হয়েছিল তখন তো সাইবার অপরাধ ছিল না এখন সাইবার অপরাধের এই যুগে অবশ্যই এ আইনটি সংশোধন হওয়া প্রয়োজন একান্তই প্রয়োজন তবে কিছু বিষয় এখানে আমি উল্লেখ করতে চাই বিশেষ করে প্রযুক্তি এবং সাইবার অপরাধ একটা জটিল বিষয় এটাকে আরো স্পষ্ট করা এখানে অস্পষ্টতা রয়েছে স্পষ্ট করা

প্রয়োজন। এরপরে হচ্ছে সঠিক প্রয়োগ এবং শিক্ষার সাথে যুক্ত সব পক্ষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। এই জন্য এই বিলটি আরো পরীক্ষা নিরীক্ষা করা দরকার আছে বলে আমি মনে করি। তৃতীয়ত সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর মত বিষয়গুলো কিভাবে সংজ্ঞায়িত হবে এবং ডিজিটাল ফরেনসিক প্রমাণ ছাড়া যদি কাউকে সরাসরি অপরাধী সাব্যস্ত করা যাবে তা আরো স্পষ্ট করা দরকার বলে আমি মনে করি। মাননীয় স্পিকার

বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগে অনেক সময় এই আইনের বলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এখানে এফেক্টেড হতে পারে সেই দিকে অবশ্যই নজর রাখা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি পাশাপাশি পূর্বে এটা 10 বছরের কারাদণ্ডের বিধান ছিল এবং এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান ছিল সেখান থেকে পাঁচ বছরের সাজা রাখা হয়েছে তো আমি বলতে চাই শুধু আইন

করলেই হবে না এই আইনের যথাযথ প্রয়োগ এবং আমরা দেখেছি অতীতে 21 সন পর্যন্ত 200 টি মামলা হয়েছে সেখানে মাত্র 45 টি সমাধান হয়েছে তো এই বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখার জন্য অনুরোধ করব মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য এ কে মোশাররফ হোসেন সংসদে কেউ কেউ টেলিফোন ব্যবহার করেন

একটা আড়াল রেখে আপনি তো খুললাম খুললাই ইউজ করছেন অনুগ্রহ করে সংসদে ফোন ব্যবহার করবেন না এটি রীতিবিরুদ্ধ এটি সবার জন্য প্রযোজ্য সংসদের মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন এটাই আমি আশা করি এখন মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল আলিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

পাবলিক এক্সামিনেশনস অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপন করার জন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিলের কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে নীতিগতভাবে মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গে আমি একমত। বিলের কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণকে অবহিত করা প্রয়োজন। কিন্তু বিল

তড়িঘড়ি করে পাশ করলে বিল সম্পর্কে জনমত জনগণ জানতে পারবে না তাই বিলটি পাশ করার পূর্বে সময় দেয়া প্রয়োজন এ কারণে 2026 খ্রিস্টাব্দে 20 সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে জনমত যাচাই জনর বিলটি প্রচার করা হোক মাননীয় স্পিকার আমি যে কথা বলতে চাই এই যে

বিলে শাস্তি বিধান রাখা হয়েছে অতীতে শাস্তি ছিল অতীতে শাস্তির বিধান অনেক বেশি ছিল কিন্তু পরীক্ষার ব্যবস্থা ছিল সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত এবং আমাদের যে লেখাপড়ার সূচক দেখানোর জন্য পরীক্ষায় পাশ করে দেওয়া হতো এবং অবাদে নকল চলতো সুতরাং আমরা মনে করি যে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হলো রাজনৈতিক অনুকূল পরিবেশ দরকার এটা নিয়ন্ত্রণের জন্য

যেমনিভাবে এবার আমাদের আনোমা হাসানুল হক মিনাল মহোদয় তিনি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় তিনি ঘোষণা দিয়েছেন এবং ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন সারা বাংলাদেশের নিচ্ছুদ্র নিরাপত্তায় পরীক্ষা বাস্তবায়িত হচ্ছে কোন ধরনের অনিয়ম লক্ষ্য করিনি সুতরাং দরকার হচ্ছে রাজনৈতিক আনুগোল্য সেই রাজনৈতিক আনুগোল্য নিশ্চয়তা দিলেই আমার মনে হয় যে সবচেয়ে বেশি ভালো হবে আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য মোঃ আমির হামজুদ্দিন

কুষ্টিয়া তিন। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। দ্য পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্স এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপন করার জন্য মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ। বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিলের বিশেষ করে এক থেকে 14 পর্যন্ত আমি পড়ে দেখেছি। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণের সাথে আমি নিতিগতভাবে একমত। বিলটি পাস করার

জন্য মাননীয় মন্ত্রী সংসদে এনেছেন এবং এটা পাশ হয়ে যাবে। কিন্তু বিল সম্পর্কে বিলের কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণকে জানানো প্রয়োজন মনে করছি। তাই আমি মনে করি বিলটি পাশ করার পূর্বে

যেহেতু অনেক সময় আছে, এ সময়টা জনগণকে দেওয়া উচিত। সে কারণে আমি জনমত যাচাইয়ের জন্যে কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব নোটিশ করছি। বিগত সরকারের সময় দীর্ঘ সময় পাওয়ার কারণে তাদের দীর্ঘ 17 বছরে ক্ষমতায় থাকার কারণে প্রতিটি সেক্টরকে তারা ধ্বংস করেছে বিশেষ করে শিক্ষা ব্যবস্থাকে। এটা স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হলে সময়ের প্রয়োজন। সে কারণে আমি মনে করি আগে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্ব দিয়ে

পাঠদান করা হঠাৎ করে শিক্ষার্থীদের উপরে চাপ দেওয়া আমার মনে হয় সমীচীন হবে না মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে আহ্বান জানাবো বিশেষ করে নকল প্রতিরোধে এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের আমার কুষ্টিয়া মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস আজ থেকে প্রায় আট মাস আগে এটা এখনো পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি গত পরশুদিন আমি সিভিল সার্জন অফিস এবং ওখানকার যারা দায়িত্বে আছে তাদের

কে ডাক দিয়েছিলাম। ওনারা জানিয়েছে যে এর সাথে জড়িত আছে বিশেষ করে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এবং আরো কয়েকজনের নাম তারা জানিয়েছে। আমরা মনে হয় এই শাস্তিগুলো যদি ত্বরান্বিত করা হয় এবং কঠিন ভাবে বিলের এক থেকে 14 পর্যন্ত এর 9, 10, 11 এগুলো আরো কার্যকর করার মাননীয় সদস্য মোঃ আলী আজগর

পাবনা তিন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মোহাম্মদ আলী এস কের পাবনা তিন প্রস্তাব করিতেছি যে 2026 খ্রিস্টাব্দের 20 সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিলটি প্রচার করা হোক। মাননীয় স্পিকার, পাবলিক এক্সামিনেশন

অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 এই মহান সংসদে উত্থাপন করার জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং মোবারকবাদ জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিলের উদ্দেশ্য এবং কারণ অত্যন্ত ইতিবাচক তবে বিষয়টি হলো যে আসলে বিগত ফেসিস্ট সরকার সুদীর্ঘ 17 টি বছর যেভাবে এই শিক্ষা ব্যবস্থাকে একেবারে

ভঙ্গুর করে দিয়ে গিয়েছে। পরীক্ষা ছাড়া পাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নট অনলি পাস পরীক্ষা দেওয়া হয়নি কিন্তু জিপিএ ফাইভ পেয়েছে এবং জিপিএ ফাইভ শুধু পায়নি মানে এক কথায় কি বলবো মানে গোল্ডেন ফাইভ যেটাকে বলা হয়ে গোল্ডেন ফাইভ পর্যন্ত দেয়া হয়েছে পরীক্ষা ছাড়া তো শিক্ষার্থীরা জানে যে পরীক্ষা না দিলেই তো জিপিএ ফাইভ পাওয়া যায় গোল্ডেন ফাইভ পাওয়া যায় মাননীয় স্পিকার।

যার কারণে আমি মনে করি যে এখনো যেহেতু সেই মন মানসিকতা তাদের এখনো তৈরি হয়নি এজন্য বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কাছে এটা প্রচার হওয়া দরকার গার্ডিয়ান এর কাছে এটা প্রচার হওয়া দরকার এটা যদি ভালো করে প্রচার হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ আগামীতে নকল মুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ এবং নকল মুক্ত পরীক্ষা চলছে তবে ওরা একটু কষ্ট পাচ্ছে যে আমরা যদি আগে জানতাম যে কি এভাবে নকল হবে না আগের মতোই আগের মতোই বোধহয় হবে তো ওরা আসলে এটা জানে

স্বাভাবিক ওরা কচি মন এজন্য মাননীয় মন্ত্রী পরবর্তী বক্তা আলফারুক আব্দুল লতিফ নীলফামারী দুই মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর এক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 বিলটি

মূলত আমি সংশোধনের জন্য জনমত যাচাইয়ের জন্য এবং বাছাইয়ের জন্য প্রেরণ করার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করছি মাননীয় স্পিকার এখানে শুরুতেই আমার কাছে মনে হয়েছে যে বিলটি কি প্রিভেন্টিভ নাকি কিউরেটিভ এ বিষয়টি ক্লিয়ার করাটা অত্যন্ত জরুরী ছিল বিশেষ করে অপরাধ হওয়ার আগেই কিভাবে প্রশ্নপত্র নিরাপদ রাখা যায় সেই বিষয়গুলো আমাদের জন্য খুব বেশি জরুরী এখানে নতুন করে যে সংশোধনীটি আনা হয়েছে

বিশেষ করে ডিজিটাল সেক্টরকে কেন্দ্র করে। তাহলে আমরা যেভাবে এখন প্রযুক্তির ক্ষেত্রে আগাচ্ছি, আজকে একজন মাননীয় সদস্য এআই সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন শুরুতে। সেই জায়গায় কিন্তু আমাদের দিনকে দিন এমন হচ্ছে যে আমরা ডিজিটালি পরীক্ষা নিবো একটা সময় এরকম আসবে যে আমাদের ছেলে-মেয়েরা সবাই অনলাইনে বসেই পরীক্ষা দেবে। সেই জায়গাগুলো আমরা কিভাবে বাস্তবায়ন করবো অর্থাৎ এনক্রিপ্টেড ডিজিটাল প্রশ্নপত্র ব্যবস্থা কি করে আমরা

বাস্তবায়ন করবো, মাল্টিফ্যাক্টর এক্সেস কিভাবে নিশ্চিত করবো, প্রশ্নপত্রের ডিজিটাল ট্র্যাকিং বা ওয়াটারমার্ক নিরাপত্তা অডিট কিভাবে হবে এই বিষয়গুলো আমাদের জন্য খুব জরুরী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি এখানে আইনের সীমাপরিসীমা

বিচার ব্যবস্থা যেটা রাখা হয়েছে শাস্তির বিধান সেটা বাস্তবায়নের সময়সীমা টা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়নি আইনে পরীক্ষা গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা কি সেই বিষয়টি এখানে আমার কাছে মনে হচ্ছে যে আরো বেশি স্পেসিফাই হওয়া টা জরুরী এবং সব মিলিয়ে আমি বলতে চাচ্ছি যে যেহেতু সময় বাস্তবতার নিরিখে ডিজিটালাইজেশন হয়েছে ব্যাপকভাবে এই বিষয়টি কোনভাবেই অস্পষ্ট যেন না থাকে তার জন্য যাচাই-বাছাই হওয়া দরকার এবং জনমুক্ত

যাচাই হওয়া দরকার। আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার। আসসালামু আলাইকুম। মোহাম্মদ আফজাল হোসেন কুষ্টিয়া চার আপনি বলেছেন। পরবর্তী বক্তা মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। পাবলিক এক্সামিনেশন ওপেন সেশন এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 26

এটা জনমত যাচাই এর জন্য 20 সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে বিলটির প্রচার করা হোক। মাননীয় স্পিকার আধুনিক তথ্য উপযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে 1980 সালের তৎকালীন পাবলিক পরীক্ষার সে অপরাধের আইন আজ থেকে 45 বছর পূর্বের আইন সংশোধন করা এখন সমভিযোগের সিদ্ধান্ত। পেশি সরকার আমলে বিকেশের সরকার ছিল

বোর্ড বিহীন সরকার ছিলো। এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে অটো পাস দিয়ে নকল এভেলেবেল করে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা শিক্ষক সমাজকে কলঙ্কিত করেছে। সেজন্য আজকের মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী মহোদয় আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রশ্নপত্র ফাঁস তার সাথে সম্পৃক্ত নকল সনদ জাল সনদ থেকে শুরু করে ডিজিটাল সিস্টেম ইউজ করে যারা এই সমস্ত অপরাধ সংগঠন

করে তাদের জন্য পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা শুদ্ধ যে আইন করা হয়েছে এটা অত্যন্ত যে উপযোগী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তবে এই দীর্ঘ পিরিয়ডের পর যেহেতু নতুন ভাবে এই আমাদের আইন টি সংশোধন করা দরকার এটা জনমত যাচাই এর জন্য আরো পরীক্ষা নিরীক্ষা করার জন্য আরো সুচারু রূপে গৃহীত হওয়ার জন্য মাস্ট পিপলের কাছে পূর্ণাঙ্গ ভাবে প্রচারিত হওয়ার

জন্য এদেশের ছাত্রদল সতর্ক হওয়ার জন্য গার্ডিয়ান এবং শিক্ষক পিটিএস সহ সকলে যাতে সচেতন হয় এটা জনমত জরিপের জন্য আর কিছু আমার মনে হয় সময় দিলেই এটা এই বিলটি প্রচারের জন্য অত্যন্ত উপযোগী হবে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুস সাত্তার নীলপামারী এক

আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আরো বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে আপনার সফরসঙ্গী হতে না পারলেও আমরা অনলাইনে দেখেছি। আলহামদুলিল্লাহ ভালো সফর করে এসেছেন। ওয়েলকাম আপনাকে। তবে মাঝেমধ্যে হাত উত্তোলন করলে আমাদেরকে একটু সুযোগ দিয়েন সফরসঙ্গী না বানালেও। মাননীয় স্পিকার, আমাকে কথা বলার সুযোগ দানের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী পাবলিক

এক্সামিনেশন অফেন্স এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপন করার জন্য মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি ইংরেজিতে বলে প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিওর এর পরিপ্রেক্ষিতে আমরা হাদিসের একটা ভাষা যদি নিয়ে আসি রাসূলের পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন ইয়াশেরু ওয়ালা তুয়াশেরু ওয়ালা তুনাফিরু তোমরা সহজ করো কাঠিন্য করো না আর শুভ সংবাদ প্রদান করো আশাহত করো না আমি মনে করি বিলটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ বিলের কারণ ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে নীতিগতভাবে আমি একমত। মাননীয় মন্ত্রী বিলটি উত্থাপন করেছেন পাশের জন্য তা পাশও হয়ে যাবে কিন্তু বিল সম্পর্কে জনগণকে জানানোর প্রয়োজন। কিন্তু সে কারণেই আমি বিল সম্পর্কে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব রেখে নোটিশ দিয়েছি। আমি মনে করি বিলটি পাশ করার পূর্বে বিল সম্পর্কে জনগণকে জানানোর জন্য বিল পাশের সময় দেয়া প্রয়োজন।

মাননীয় স্পিকার, ডিভাইস অফ সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে আধুনিক প্রশ্নপত্রের নতুন কৌশল কিছু দিক রয়েছে। এগুলোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া দরকার এবং ছাত্রদের উপরে এই আইন কঠোর না করে এর সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনের ব্যবস্থা প্রস্তাব রেখে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। আপনাকে ধন্যবাদ। মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ চুয়াডাঙ্গা এক।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, কে? জেআইএনটি পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট 2026

এই আইনের জনমত যাচাই এর জন্য আমি প্রস্তাবনা পেশ করেছি তার স্বপক্ষে আমি বলতে চাই মাননীয় স্পিকার আমরা এখান থেকে যে আইন পাস করি কিন্তু দেশের জনগণ সেই আইন সম্পর্কে সঠিকভাবে ওয়াকিফ হল না থাকার কারণে এই অফেন্স গুলো প্রায়ই সংঘটিত হয়ে থাকে আমরা বিভিন্ন সময় সংশোধন করে থাকি আইনের এই আইনটি কঠিন করা হলো না সহজ করা হইলো জনগণ এগুলো জানতে পারে না যার কারণেই জনগণ অজ্ঞ থেকে যায় আইনের ব্যর্থয় ঘটতে থাকে এই কারণে বৃহৎ বড় পরিসরের এই জনগণ

জনগোষ্ঠীকে সচেতন করার স্বার্থে প্রত্যেকটি আইন জনগণের কাছে যদি আমরা জনমজ্জাসের জন্য পাঠাই এবং সেটা যদি সঠিক তার ব্যাখ্যা সব উপস্থাপন করতে পারি তাহলে জনগণের ব্যাপারে সবার সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং এই আইন প্রতিপালনের ক্ষেত্রে আমরা এর কার্যকরিতা লক্ষ্য করতে পারবো। মাননীয় স্পিকার এই আইনটি উত্থাপন করার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাচ্ছি কিন্তু পাশাপাশি মাননীয় স্পিকার এটাকে একটু কঠিন করার জন্য আইনটি পাশ করা হলো না সহজ করার জন্য

মাননীয় স্পিকার, এখানে যে অপরাধগুলোর কথা লেখা ছিল প্রথম যখন 980 তে তখন এখানে যেটা আমরা সেকশন ফোর এ যে অপরাধের শাস্তি ছিল যেখানে প্রশ্নপত্র ফাঁস বা প্রশ্নপত্র বিতরণের জন্য যে শাস্তি ছিল 10 বছর সেটাকে কুমিয়ে পাঁচ বছর করে ফেলা হয়ে এখানে দেখা যাচ্ছে মাননীয় স্পিকার সেকশন 8 এ যেখানে বলা হচ্ছে যে কেউ প্রক্সি পরীক্ষা দিলে সেখানে 10 বছর শাস্তির বিধান ছিল সেটা কুমিয়ে পাঁচ বছর করে ফেলা হয়েছে। মাননীয় স্পিকার যারা অফিসার লেভেলের

যারা এর সাথে সম্পৃক্ত থাকে তাদের শাস্তিকে সেখানে জায়গায় রাখা হয়েছে মাননীয় স্পিকার এটাকে কগনিজেবল করা হয়েছে কিন্তু এটাকে ননভেলেবল করা হয় নাই এই অবস্থা বিবেচনায় এইটা জনগণের জন্য কতটুকু পারফেক্ট হবে এবং এখান থেকে শিক্ষিত এবং মেধাবী জাতি গঠন হবে কিনা সেটা যাচাই এর জন্যই এটা জনমত জরিপ হওয়া প্রয়োজন মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা 2 মোহাম্মদ মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা 5

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 মহান সংসদে উত্থাপনের জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

এবং এই বিলটির সাথে সাথে জনমজ্জা সহায়ের জন্য আমি প্রস্তাব করছি। মাননীয় স্পিকার, আইনটি অনেক ভালো অনেক সুন্দর। আমি একজন শিক্ষক হিসেবে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলতে চাই। ভালো আইনের সুফল পেতে হলে পলিটিক্যাল কমিটমেন্ট দরকার। আমরা দেখতে পাই পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের লোককে পাশ করে নিয়ে আসার জন্য পরিবেশকে নষ্ট করা হয়ে থাকে অনেক জায়গায়। এই বিষয়টাতে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য

মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি পাশাপাশি আমি আরেকটি প্রস্তাব করতে চাই যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাবলিক পরীক্ষার ভেনু থাকে কেন্দ্র থাকে সেখানে স্বাভাবিক একাডেমিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয় পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে এজন্য আমি প্রস্তাব করব প্রত্যেকটা উপজেলায় সুইটেবল প্লেসে একাধিক পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করার জন্য সেখানে পরীক্ষা কেন্দ্র শুধুমাত্র এই জন্যই অবকাঠামোগত কিছু স্থাপনার দরকার

যাতে করে শুধুমাত্র পাবলিক পরীক্ষাগুলো এখানে নেওয়া যায়, সেখানে যেন আলাদা একটা কর্তৃপক্ষ একটা অথরিটি তৈরি করা যেতে পারে। মাননীয় স্পিকার, আজকে যে বিলটি এখানে নিয়ে আসা হয়েছে, আমাদের ছাত্ররা এই বিলটি সম্পর্কে অবগত হওয়া দরকার। যাতে করে ছাত্ররা প্রিপারেশন নিতে পারে যে সেই ফ্যাসিস্ট আমলের যে পরীক্ষার চিত্র পরীক্ষার পরিবেশ এই পরিবেশ আর সামনে পাওয়া যাবে না। এইজন্য জনমত যাচাইয়ের জন্য আমি অনুরোধ করছি যে সময় দেওয়া হোক, ছাত্রদের কাছে পৌঁছুক, অভিভাবকদের কাছে মেসেজটা পৌঁছুক যে নতুন আইন তৈরি হয়েছে এখন

পূর্বের সেই পরিবেশ থাকবে না, ফেসিস্ট আমলের পরীক্ষার পরিবেশ এই দেশে আর থাকবে না এজন্য আমি জনমত যাচাই এর জন্য বিলটি পেশ করার জন্য জনমত যাচাই এর জন্য বিলটি প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি ধন্যবাদ। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আর তিন মিনিট পর আজান হবে আপনি যদি এক মিনিটে এর জবাব দিতে পারেন তাহলে মাগরিবের বিরতি যাওয়ার আগে আমরা বিলটা পাশ করতে পারি আপনি কি দীর্ঘ সময় লাগবে না এক মিনিটে এই জবাব দিতে পারবেন। এই শেষ করে দেবো।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে এই মহান সংসদে প্রত্যেক মাননীয় সংসদ সদস্য সরকারি এবং বিরোধী দলের সকলেই এই বিলটিকে সাদরে উনারা গ্রহণ করেছেন। এবং উনারা আগামী বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলের অংকিয়ার রয়েছেন এবং সেই কারণেই এই বিলটিকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা উনারা করেছেন। বিলটি মূলত 1980 সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান পাবলিক পরীক্ষা কিভাবে নিয়ন্ত্রিত করা যায় সেই সময়ে এই আইনটি তিনি করেছিলেন।

সময়ের অনেকদিন গড়িয়ে যাওয়ার কারণে এই আইনটি এখনো স্থবির হয়ে দাঁড়িয়ে বিধায় আমরা এই আইনটি পুনরায় এনেছি। মাননীয় সংসদ সদস্যগণ বলছেন যে এটাকে

যাচাই-বাচাই করতে দেয়া হোক। আসলে আইন একটি ছিল এবং পরিবর্তনের সাথে সাথে সামঞ্জস্য রেখে ডিজিটাল ক্রাইম বেড়েছে সেই জন্য এগুলি করা হয়েছে। আমি সংক্ষেপে বলতে চাই আমি নোট নিয়ে ছিলাম প্রত্যেকেই উনারা যা যা বলেছেন এই বিষয়গুলি কিন্তু এখানে গুরুত্ব সহকারে দেওয়া হয়েছে। তবে 10 বছর সাজা পাঁচ বছর কমিয়ে আনা হয়েছে সেটা সত্য। বাট বাকি সবগুলোই আপনাদের প্রত্যেকটি পয়েন্ট এখানে উল্লেখ করা হয়েছে। আন্ডার এইজ জুবিনাল হচ্ছে

যেটা হয় সেটা করা হয়েছে। সবকিছুই সুনিপণ ভাবে আমরা চেষ্টা করেছি এটাকে ভালোভাবে উপস্থাপন করার জন্য। আমি আশা করব যাচাই বাচাই করে সময় আমরা কালোক্ষেপণ না করে আপনার কয়েকদিন আগে একটি পরীক্ষার সময় আটজন শিক্ষার্থীকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এডমিট কার্ড দেওয়া হয়নি আমরা সেগুলি ব্যবস্থা করেছি। এই আইনের কারণে যে ব্যক্তিকে আমরা এরেস্ট করেছিলাম সে হয়তোবা আজকে বেইল নিয়ে চলে আসছে। এই আইনটি যদি আজকে পাশ করা হয় আগামীকাল থেকে এই আইনটি স্টুপুলেট করা হবে এবং আশা করি

করছি। এই যাচাই-বাছাই ছাড়াই মাননীয় স্পিকার আপনি আজকে এই বিলটি অর্থাৎ পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্স অ্যাক্ট 1980 অধিকরণ সংশোধন কল্পে আনিত বিলটি পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্স এমেন্ট বিল 2026 পাশ করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলটির উপর জনমত যাচাই এর প্রস্তাবগুলো ভোটে দেব। সংসদে সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা

প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো না কোচ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো ভোটে দেবো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন।

বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে, না জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলটির বাছাই কমিটির প্রয়োজনের প্রস্তাবগুলো নাকচ ছিল। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব

স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্সেস এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিলটির উপর দফা হওয়ার কোন সংশোধনী নেই। আমি এখন বিলের দফাগুলো সংসদের সামনে পেশ করছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়

যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ, জয় যুক্ত হয়ে হ্যাঁ, জয় যুক্ত হয়ে অতএব বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে। অতএব বিলের এক দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আনোয়ার হাসান মিলন আপনি বিলটি প্রস্তাব করার পাশ উত্থাপন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আমি ডক্টর আনোয়ার হাসান মিলন শিক্ষামন্ত্রী এই আনীত বিল পাবলিক এক্সামিনেশন অফেন্স এবন্ডমেন্ট বিল 2026

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহ

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লাইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহুম্মা রাব্ব হাদীসে দাওয়া তামা ও সাল্লাত কাউনসিলি আতি মুহাম্মদ ওসিলাত ও ফজিলত ও দরজা রফিক

সাল্লাম কে দান করো বেহেশতের সর্বোচ্চ সম্মানিত স্থান এবং সুমহান মর্যাদা আর তাকে অধিষ্ঠিত করো শ্রেষ্ঠতম প্রশংসিত স্থানে যার প্রতিশ্রুতি তুমি তাকে দিয়েছো কেয়ামত দিবসে তার সুপারিশ আমাদেরকে নসিব করো নিশ্চয়ই তুমি প্রতিশ্রুতির ব্যতিক্রমকরন

কোনো মিল পাওয়া যায়নি।