মূল লেখায় যান
← সংসদের দিনগুলো

সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য

বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

এই বৈঠকের JSON ডাউনলোড ↓

বক্তব্যের পাঠ্য

নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।

উত্তাপনী উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট তিন কে আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার সংসদের অভিমত এই যে সিলেট জেলার ফেন্সিগঞ্জ বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব অনেক কার্যক্রম আছে সামনে জি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বিষয় হচ্ছে কি আমাদের গোবিন্দগঞ্জে

একটা কথা আছে যে যার যে এলাকা সেই দিকে টানে মানে বিভিন্ন সময় বিগত সংসদ নির্বাচনগুলোতে জান্নাতের পদদেশের দিকে টানে ওখানে আসলে আরেকটা সেটা গতদিনের যে কথাটা ছিল অনেকে বলে জান্নাতের ঢুকতে ঢুকতে নাকি ঢুকতে পারি নাই পাদদেশে অবস্থান করছে যাই হোক সেটা অন্য বিষয় তো মাননীয় স্পিকার সেটা হয় কি বলে কি যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এমপি সাহেবরা যখন ছিলেন ভোটে বা বিনা ভোটে তো তাদের ভৌগলিক অবস্থান হাইওয়ের পশ্চিম

পূর্ব নদী ভাঙ্গা এলাকা এগুলো কিছু ব্যাপার আছে তবে আমরা যেহেতু ভোট দিলে ধানের শীষে দেশ গড়বো মিলেমিশে এই ব্রততে আমরা শপথ নিয়েছি আমরা শপথ গ্রহণের পরে সর্বপ্রথম বিগত দুইজন এমপি সাহেবের এলাকায় প্রথম ফুলপুকুরিয়া ডিগ্রি কলেজ কে কলেজকে ডিগ্রি করা হয়েছে মনীষ স্পিকার আলহামদুলিল্লাহ তারপরে এখন এইবার এই যে নির্বাচন করলাম আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যিনি ছিলেন তার এলাকায়

ওখানে আপনার চারটা ইউনিয়ন রাখালবুরুজ তালুকদারপুর নাকায় হরিরামপুর এই চারটা ইউনিয়নে প্রায় 1 লক্ষ 30,000 লোকের বসবাস ওখানে কোন কারিগরি কলেজ নেই মাননীয় স্পিকার অন্যান্য এলাকাগুলোতে আছে কিন্তু এলাকায় নেই এবং এখানে আমাদের এই কারিগরি শিক্ষাবান্ধব যে সরকার আমি প্রস্তাব করছি যে ওখানে একটি কারিগরি কলেজ করা হোক এবং এমন আছে ওখানে আপনার হরিরামপুর ইউনিয়ন সে প্রার্থীর ইউনিয়ন নিজের ইউনিয়ন সেখানে বাজুনিয়া পাড়ায় আপনার বটতলী

পাকা রাস্তা সংলগ্ন চৌমাথায় একটা দাখিল মাদ্রাসা করার কথা ছিল কিন্তু যদিও বিগত জোট সরকারের আমলে ওইটা উদ্যোগ নেয়া ছিল ফ্যাসিজ সরকার সেটা করতে দেয়নি তাদের নিজস্ব ছয় বিঘা জমি এখনো আছে তো সেটা করার জন্য সেটার প্রস্তাব রাখছি মাননীয় স্পিকার আরেকটা হল ধান মানতে শিবের গীত বলতে চাচ্ছিলাম সময় যেহেতু ঘড়ির কাটা ঘুরে যাচ্ছে আর বলা হলো না মাননীয় স্পিকার আশায় আছি কোনদিন সূর্য আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে মানে সময় দাঁড়িয়ে মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাব

উপরে 10 জন মাননীয় সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন আমি তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন এবং সংশোধনের উপরে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি সময় এক মিনিট মোহাম্মদ আলী আজগর পাবনা 3 ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি জনাব মোঃ শামীম কায়সার মাননীয় সংসদ সদস্য গাইবান্ধা চার মহোদয়কে আমি

ধন্যবাদ জানাই এবং তার প্রস্তাবের সাথে আমি একমত পোষণ করি করছি এবং আমি কিছু সংশোধনী দিয়েছি মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা পাবনা তিন এখানে চার তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত চাটমোহর ভাঙ্গুরা ফরিদপুর আমি চাটমোহর ভাঙ্গুরা ফরিদপুরে তিনটি আলাদাভাবে কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই কারিগরি শিক্ষা কর্মুখী শিক্ষা

বাস্তবমুখী শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ব্যতীত দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই কারিগরি শিক্ষার অভাবে হাজার হাজার উচ্চ শিক্ষিত যুবক বেকার ছদ্দবেকার হয়ে পরিবার সমাজ ও ও জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাই কারিগরি শিক্ষা কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 1 মিনিট বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

আমি জনাব শামীম কায়সার সাহেবের উত্থাপিত প্রস্তাবটি সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে চাই আমার শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের সর্ববৃহৎ একটি উপজেলা প্রায় 60 ভাগ বোন সম্বলিত আমার উপজেলাটি এখানে জনগণ অধিকাংশ এই সুন্দরবনের নির্ভরশীল এখানে যুবকেরা এরা এদের কোনো কার্যক্রম হাতে নাই লেখাপড়ার দিক থেকে তারা এগিয়ে গেলেও

কারিগরি এদিক-দিকে তারা অনেক অনুন্নত সবাই অনুন্নত আমি চাই আমার সামনগর উপজেলার এই যুবকদের জন্য যারা মদ গাজা জুয়ার দিকে পরিবেষ্ট না হয়ে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তারা হাতে কলমে কাজ করে উপার্জন করতে পারে এজন্য আমি একটি কারিগরি কলেজ সামনগর স্থাপনের জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ রেহানা আক্তার রানু মহিলা আসন চার সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

গাইবান্ধা চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামীম কাইসার কর্তৃক উত্থাপিত ও আলোচ্য সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি সমর্থন করে আমি একটি সংশোধনী প্রদান করেছি। মাননীয় স্পিকার

যে দেশ যত বেশি উন্নত সেই দেশ তত বেশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত। বর্তমানে দেশে বিদেশে কর্মসংস্থানে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার অভাবে তরুণ জনগোষ্ঠী দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না বলে দেশে এবং বিদেশে প্রতিযোগিতায় তারা পিছিয়ে আছে। এই কারণে প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি কলেজ স্থাপন অতি জরুরী। মাননীয় স্পিকার, আমার প্রদত্ত সংশোধনী হচ্ছে মূল প্রস্তাবের গোবিন্দগঞ্জ কারিগরি কলেজ শব্দগুলি

পর ফেনি জেলার সোনাগাজী এবং পশুরাম শব্দগুলি ও একটি শব্দের পর কোরিয়া শব্দটি সংযোজন করা হোক। মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী সহ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃক গ্রহণ করার জন্য। নিলফর চৌধুরী মনি মহিলা আসন 10 সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে জনাব মোহাম্মদ শামীম কাসারের প্রস্তাবকে আমি সমর্থন করলাম এবং সেই

সাথে আমি বলতে চাই মাননীয় স্পিকার, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ভবন সংখ্যা বা কাঁচাপাকা দিয়ে নির্ভর করে না। সাফল্য নির্ভর করে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং অর্জিত দক্ষতা দিয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান এবং জার্মানির বিস্ময়কর উন্নতির প্রধান সূত্র হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা। জাপানে 73% জার্মানিতে 71% বাংলাদেশে আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি বাংলাদেশে যদি কারিগরি শিক্ষা প্রতিটি উপজেলায় যদি প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে বাংলাদেশে আগামী দিনে

অনেকটা উন্নতির দিকে ধাবিত হবে এবং সেই সাথে আমি শামীম কাইসারের সাথে আমি এক হয়ে বলতে চাই যে জামালপুর জেলার যে কয়েকটি উপজেলা আছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেখানে কারুগারী কলেজ যেন প্রতিষ্ঠিত হয় সেটাই আপনার কাছে আমাদের আরজি আমরা বিশেষ করে জামালপুরের আপনার জামালপুর সদর সানসিলা জেবরিন মহিলা আসন 15 সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য

আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ধন্যবাদ জানাই মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব শামীম কাইসার 32 গাইবান্ধা চারকে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপন করার জন্য। আমি মাননীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করার জন্য সংশোধনী দিয়েছি। আমার সংশোধনী হলো মূল প্রস্তাবের পরে আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর জেলার শেরপুর সদর উপজেলার লসমনপুর ইউনিয়নে একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করা হোক। মূল প্রস্তাব সহ আমার সংশোধনী গ্রহণ করবেন এই আশা নিয়ে মাননীয় মন্ত্রী

বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কারণ শেরপুর সদরের চরাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর বন্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদ ভাঙ্গনের কারণে তাদের জীবিকা প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাই বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশে দক্ষ কর্মী হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়াতে চরাঞ্চলে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামীম কাইসার 32 গাইবান্ধা চায়ের এর উত্থাপনীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সাথে আমি একমত পোষণ করে আমি আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগরে একটি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখছি আজকের এই মোঃ শামীম কাইসারের প্রস্তাবের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সাথে গাইবান্ধা

জেলার গোবিন্দগঞ্জ জেলার একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার এই শব্দটি একটি এই শব্দগুলি সংযোজন করা করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 1 মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। জনাব মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কাইসার যে প্রস্তাব দিয়েছেন আমি সেই প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করি আমার প্রিয় বাউফল উপজেলা

সেখানকার বিষয়ে শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা এসএসসির সমমান পাশ করছে। সরকারি পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ না থাকায় পটুয়াখালী কিংবা বরিশাল গিয়ে তাদেরকে পড়াশোনা করার জন্য উদ্যোগ নিতে হয় যেটা আর্থিক কারণ অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। এ সমস্ত ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার, অটোমোবাইল, কৃষি প্রযুক্তি, রেফ্রিজারেশন, আইটি বিষয়ে যদি দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা যায় তাহলে আমরা যেটা জানি স্কিল ইজ দ্যা কি টু সাকসেস এই জায়গায়

আমরা নির্ধারণ করতে সক্ষম হবো। আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করতে চাই যে আমাদের স্থানীয় শিল্পকৃষি উদ্যোক্তার পাশাপাশি নারীদের কারিগরি এই অংশগ্রহণ এবং উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করার জন্য বাউফল একটি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীল ফামারি 2 1 মিনিট নাই। কাজী রফিকুল ইসলাম

গুড়া এক, এক মিনিট। হ্যাঁ, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য শামীম কাইসার

গাইবান্ধা চার তার মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী হলো বগুড়া জেলার সারিকান্দি ও সোনাতলা সব শব্দগুলি সংযোজন করা হোক। মাননীয় স্পিকার বগুড়া জেলার সারিকান্দি সোনাতলা উপজেলা একটি করে সরকারি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হোক। জনশক্তি একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ কিন্তু এই দুই উপজেলার হাজার হাজার শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষার থেকে বঞ্চিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনের ভীষণ কারিগরি শিক্ষায় বেশিরভাগ মেধাবী ছাত্র

এবং যারা আজকে বিভিন্ন ভাবেই আজকে চাকরি থেকে বঞ্চিত তাদেরকে এই কারিগরি শিক্ষা শিক্ষিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সারিকান্দি সোনাতলার কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় যুব যুবসমাজ আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা লাভ করবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। বিদেশে দক্ষ জনসা মোহাম্মদ জাহানদার আলী মিয়া মাদারীপুর দুই সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ

আজকে আমাদের মূল প্রস্রাবের পরে মাদারপুর জেলার রাজর উপজেলা শব্দটি সংযোজন করা হোক মাননীয় স্পিকার আজকে মাদারপুর রাজর আমার দুই আসন 219 মাদারপুর দুই এই অঞ্চলে অত্যন্ত যুব সমাজ মাদকের উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন আমি এই কারণে বলবো যে মাদারপুর রাজরে একটা

একটা কারিগরি কলেজ নির্মাণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং তার উপর আনীত সংশোধনীগুলোর উপর মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আনোম এহসানুল হক মিলনকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং মাননীয় সংসদ সদস্য

সদস্যগণ সকলেই তার নিজ নিজ এলাকায় কারিগরি শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। এই গুরুত্বের আলোকে বর্তমান সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন বাজেটে আমাদেরকে এই টেকনিক্যাল এডুকেশন সেক্টরে গত বছরের বাজেটের চেয়ে আরো 6000 কোটি টাকা উন্নীত করেছেন অর্থাৎ সর্বমোট এই টেকনিক্যাল সেক্টরে উনি 18000 কোটি টাকা বাজেটে উন্নীত করেছেন।

সেই সাথে উনি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং কারিগরি শিক্ষাকে অধিকরক গুরুত্ব দিয়েছেন। সেই আলোকে আমরা কাজ করে চলছি। মাননীয় সংসদ সদস্যদের প্রত্যেকের এলাকার বিবরিৎ দেখলে দেখা যায় কোনো না কোনো ভাবেই আমাদের বিভিন্ন প্রজেক্টে সেখানে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। সংসদ সদস্য জনাব প্রস্তাবটা কি বললেন না? লিংকন সাহেবের

প্রস্তাবকারী শামীম কায়সার লিংকন সাহেবের এলাকাতেই ইতিমধ্যে একটি টেকনিক্যাল স্কুল রয়েছে তবুও তিনি আশা করছেন পার্শ্ববর্তী চারটি ইউনিয়ন সংলগ্ন 1 লক্ষ 27000 জনবহুল এলাকায় তিনি সেখানে আরেকটি দাবি করেছেন আমাদের টেকনিক্যাল স্কুল 100 একটা প্রজেক্ট রয়েছে সেখান থেকে তিনি পেয়েছেন এছাড়া আরেকটি প্রজেক্টে 300

কাজ চলছে যারা যারা অন্যরা যারা বলেছেন আমি আশা করি সেখানে রয়েছে ইতিমধ্যে আমি দেখেছি যে উনার এখানে চারটি ইউনিয়নে 20 টি মাধ্যমিক নয়টি দাখিল দুটি কলেজ একটি আলিম মাদ্রাসা একটি ফাজিল মাদ্রাসা রয়েছে ইতিমধ্যে আমরা সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন স্কুল কলেজ এবং মাদ্রাসায় আমরা ভোকেশনাল ভোকেশনাল দিয়েছি সেই ভোকেশনাল গুলোতে বৃত্তি দেওয়া হয়

পেয়ে শুনে খুশি হবেন যে এই ভোকেশনাল গুলোতে মাসিক উপবৃত্তি দেওয়া হয় 500 টাকা করে এবং শিক্ষা উপকরণ জন্য দেওয়া হয় 1000 টাকা করে ফর্ম ফিলাপ বাবদ দেওয়া হয় আরো 1000 টাকা করে এই যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কারিগরি শিক্ষায় কারিগরি শিক্ষা যেন বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে সাহায্য করে আমরা জানি উন্নত বিশ্ব মানবসম্পদ ফুরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু আমাদের দেশে মানবসম্পদ বেড়ে চলছে সেই আলোকে কর্মদক্ষ

মানবসম্পদ তৈরি করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি রয়েছেন আমি আমার এখানে দেখতে পেয়েছি যে যেই পরিমাণ স্কুল উনার রয়েছে মাদ্রাসা রয়েছে যদি মাননীয় সংসদ সদস্য মনে করেন আমরা এসএসসি ভোকেশনাল এবং দাখিল ভোকেশনাল আলিম ভোকেশনাল এবং এসএসসি ভোকেশনাল উনার ওই চারটি ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়ার মত আমাদের অবস্থান রয়েছে তাছাড়া অন্যান্য মাননীয় সংসদ সদস্য যারা বলেছেন তাদেরকে

আমাদের সেই সক্ষমতা রয়েছে এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল এবং আলিম ভোকেশনাল দেওয়ার এবং প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করার ব্যবস্থা আমাদের

রয়েছে সারা বাংলাদেশের 64 টি জেলায় এই যাবৎ 51 টি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট রয়েছে এবং টেকনিক্যাল কলেজ ইতিমধ্যে 161 টি রয়েছে তারা যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং ডিউ লেটার দেন তাহলে যে যে এলাকায় এই টেকনিক্যাল কলেজগুলো নেই সেখানে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদেরকে দিতে পারবো ইনশাল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী আপনি সদস্য শামীম কাসারকে কোনো

অনুরোধ করবেন কিনা? আমি উনার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরে যা দেখেছি উইথড্র করার তেমন প্রয়োজন নেই কারণ উনি টেকনিক্যাল কলেজ পেয়েছেন আরেকটি চেয়েছেন সেই জন্যই এই দ্বিতীয় প্রস্তাবটি আমি উনাকে বলব উইথড্র করতে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য মোঃ শামীম কায়সার

আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আলহামদুলিল্লাহ মাননীয় মন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে সেখানে যে স্ট্যাটিস্টিক দিয়েছেন তবে সেখানে আসলে কোন কারিগরি কলেজ নেই এক্সিস্টিং যে কলেজ আছে একটা মহিলা স্কুল এন্ড কলেজ এবং আরেকটা কলেজ এখানে

আপনার কারিগরি ট্রেডের বিষয় হতে পারে তবে আমাদের যেহেতু নিজস্ব আরেকটা প্রতিষ্ঠানের জমি সহ আছে আমি মাননীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ করব উনার আশ্বাসের ভিত্তিতেই সেখানে একটু পর্যালোচনা করে সেখানে একটি কারিগরি কলেজ দেয়া যায় কিনা সে ব্যাপারে বিবেচনা করতে বলব আর আরেকটা বিষয় হল যে উনি যে এই আমার এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে উনি বাকি সমস্ত আসনের জন্য যে উনি ওপেনলি বলে দিয়েছেন যে আমরা ট্রেড দিব

ভোকেশনাল ট্রেডগুলো এটাই সরকারের যে একটা মাইল ফলক হতে যাচ্ছে এটা ঘোষণা দেয়ার জন্য উনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার এলাকার পক্ষ থেকে যেহেতু ধান ভানতে শিবের গীত গাইতে পারিনি মাননীয় স্পিকার দেশনীতি বেগম খালেদা জিয়া 1991 সালে গোবিন্দগঞ্জের মহিলা কলেজ দিয়েছিলেন সেটা আজকে হাটি হাটি পা পা করে 35 বছরে একমাত্র সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ গোবিন্দগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ হয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সিদ্ধান্ত করে

সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পূর্ণ। আমলে যেহেতু দেশনীতি বেগম খালেদা জিয়া দিয়েছিলেন এ কারণে তারা এটাকে জাতীয়করণ করেনি। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আমরা একই বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করেছি। সেই দিক থেকেও একটু দাবি রাখবো যে এদিকে একটু দৃষ্টি রাখবেন এবং যেহেতু কারিগরি কলেজ করার ব্যাপারে তিনি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেই কারণে আমি সন্তুষ্ট হয়ে এবং সেই আশায় থেকে এবং পাশাপাশি যেগুলো বললাম সেগুলো একটু মাথায় রাখবেন সেই আশায় থেকে আমি আমার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। কার্যপণালী বিধির এক উপবিধি মতে প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন। আমি প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ শামীম কাইসার গাইবান্ধা চার কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর এক, সংসদের অভিমত এই যে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগড়

উপজেলায় একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করা হোক শীর্ষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাহিত হলো

আমি এখন মাননীয় সদস্য মোঃ শওকতুল ইসলাম মৌলভীবাজার দুই কে তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান করছি এখন আপনি উত্থাপন করুন পরে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান এটি উত্থাপিত হয়ে আপনি বক্তব্য রাখতে পারেন আপনার সময় দুই মিনিট মাননীয় স্পিকার সময়ের দিকে একটু বিবেচনা

করবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আজ আমি এই মহান সংসদে আমাদের দেশের অর্থনীতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি চা শিল্পের শ্রমিকদের অধিকার ও তাদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করছি। যা আমাদের একটি অন্যতম প্রধান রপ্তানি দ্রব্য। এই সোনালী পাতা উৎপাদন করে যারা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছেন সেই লাখ লাখ শ্রমিক আজ চরম অবহেলা ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

বর্তমানে তারা দৈনিক 187 টাকা মজুরি পান। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে তাদের কাজ করতে হয়। চরম দ্রব্যমূল্যের বাজারে কোনো ভাবেই একটি সাধারণ পরিবারের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য 187 টাকা

মজুরি পর্যাপ্ত নয়, ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকা টাও আজ তাদের জন্য একটি বড় সংগ্রাম হয়ে দাঁড়িয়ে মাননীয় স্পিকার চাচনিকদের দৈনিক মজুরি 500 টাকা নির্ধারণ করার স্বপক্ষে আমি তিনটি মূল যুক্তি এই মহান সংসদের সামনে পেশ করতে চাই। মাননীয় স্পিকার জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতি এবং বর্তমান বাজারে চাল ডাল তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে নামমাত্র মজুরি দিয়ে একজন শ্রমিকের পক্ষে পরিবার চালানো সন্তানের

পড়ালেখা বা চিকিৎসার খরচ মেটানো অসম্ভব। আমাদের সংবিধানের প্রতিটি নাগরিকের অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চয়তা দেয়। চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি 500 টাকা নির্ধারণ করা কোন বিলাসিতা নয় বরং তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার একটি ন্যূনতম মানবিক প্রয়াস। চা শ্রমিকদের খালি পেটে রেখে বা অপ্রস্তুত ভুগিয়ে কোন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শ্রমিকরা যদি মানসম্মত জীবনযাপন করতে পারেন তবে তাদের উৎপাদনশীলতা

যা দীর্ঘমেয়াদি আমাদের চা শিল্পকে আরো শক্তিশালী করবে বর্তমান রেজিস্টার্ড এবং আনরিজিস্টার্ড চা শ্রমিকদের সংখ্যা প্রায় 1 লক্ষ 40,000 এর মত 170 টাকা থেকে বর্তমানে 187 টাকা এসে দাঁড়িয়ে 55% নারী শ্রমিক 45% পুরুষ শ্রমিক ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপর 10 জন মাননীয় সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন আমি এখন তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী উত্থাপন এবং সংশোধনী

উপরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি প্রথম বক্তা মোঃ আলী আজগর পাবনা তিন সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সদস্য জনাব শহকতুল ইসলাম মৌলভীবাজার দুই মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই এবং তার প্রস্তাবের সাথে আমি একমত হয়ে আমি মূল প্রস্তাবের সাথে অভিলম্বে শব্দটির যোগ করার প্রস্তাব করেছি

মাননীয় স্পিকার, অবিলম্বে এই চা শ্রমিকদের 500 500 টাকা দিন মজুর হিসেবে মজুরী হিসেবে দেওয়া হোক। মাননীয় স্পিকার, চা শ্রমিকগণ হতদরিদ্র, হ্যান্ড টু মাউথ, দিন আনে দিন খায় এমন দীর্ঘদিন ধরে নামমাত্র মজুরি নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে। তাদের ঘরবাড়ি অত্যন্ত নরবরে জরাজীর্ণ, এই নরবরে জরাজীর্ণ ঘরবাড়িতেই তারা দীর্ঘদিন বসবাস করছেন। মাননীয় স্পিকার, আমার

আমার মনে হয় যে সেই জসিমুদ্দিনের আসমানী কবিতার মতোই এই চা শ্রমিকদের অবস্থা মাননীয় স্পিকার তাই আমি অবিলম্বে জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 1 মিনিট আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মাননীয় এমপি শওকতুল ইসলামের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব কুলাউড়া সহ সকল চা শ্রমিকদের সম্মানের মজুরি 500 টাকা করা হোক এর পরিবর্তে

আমার সামনগরে বনস্রমিকদের মজুরি 1000 টাকা করা হোক। অনন্য স্পিকার, আপনি জানেন আমার সামনগরে আমি আগেই বলেছি বনসন্নিহিত এলাকা হাজার হাজার শ্রমিক জঙ্গলে কাজ করে এবং তাদের মজুরি সর্বনিম্ন যারা বড়লোক মহাজন জঙ্গলে নিয়ে যায় কম মূল্যে নিয়ে যায়। বিশেষ করে জঙ্গলে বাঘের পেটে যারা মারা যায় তাদের দেখার কেউ থাকে না। আমি বিগত আমাদের জোট সরকারের আমলে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন তারই আমলে প্রস্তাব দিয়ে তিনি যারা বাগেরবাজার নিহত হতো তাদের জন্য 25,000 টাকা করে একটা ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছিল ওইটির পরবর্তীতে কিছুটা বাড়ানো হয়। রেনা আক্তার রানু মহিলা আসন চার এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব শওকতুল ইসলাম কচিক উত্থাপিত ও আলোচ্য সিদ্ধান্তের প্রস্তাবটি সমর্থন করে আমি একটি সংশোধনী

দিয়েছি। মাননীয় স্পিকার, চা শ্রমিকদের মজুরি অনেক কম। প্রতিবছর দেশের চা উৎপাদন বাড়লেও চা শ্রমিকদের ভাগ্যের টাকা খুলছে না। দৈনিক 187 টাকা মজুরিতে সংসার সালতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অভাব অনটনে চলছে তাদের জীবন। শ্রমিকদের মজুরি 500 টাকা বৃদ্ধি করা এটি সময়ের দাবি মাননীয় স্পিকার। আমার প্রদত্ত সংশোধনটি হচ্ছে মূল প্রস্তাবের শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি 500 টাকা করা হোক। এর পূর্বে অবিলম্বে শব্দটি

সংযোজন করা হোক। মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী সহ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃক গ্রহণ করবার জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। নিলুফার চৌধুরী মনি নিলুফার সরি মহিলা আসন 10 মহোদয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মাননীয় সংসদ সদস্য শওকতুদ্দিন ইসলামের সাথে একমত হয়ে

সংযোজিত করার জন্য ইচ্ছা শ্রমিকদের বেতনের বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি এবং আপনার মাধ্যমে বলতে চাচ্ছি মাননীয় স্পিকার 2022 সালে বড় ধরনের শ্রমিক আন্দোলনের পর

178 টাকা 50 পয়সা বেতনে চাষ শ্রমিকরা কাজ করে এই অন্যান্য দেশের তুলনায় এটা খুবই খুবই কম কারণ শ্রীলঙ্কায় যখন এই মুহূর্তে 550 টাকা কেনিয়ায় 483 টাকা ভারতে 256 টাকা দৈনিক আট ঘন্টা পরিশ্রমিক দেওয়া হয় অথচ বাংলাদেশের 2015 সালে মাত্র 85 টাকা আন্দোলনের পর 102 টাকা এবং 22 সালে 170 টাকা এবং এরপরে প্রতিবছর এই সামান্য টাকা

5% করে আপনার রেয়াত দেওয়া হয়। এটা এত বেশি অমানবিক যেটা আসলে মানবেতর জীবনযাপন করে যে চাষ শ্রমিকরা তাদের পক্ষে আমি মনে করি মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আসরের নামাজের জন্য 30 মিনিটে বিরতি দেওয়া হলো আপনাদেরকে ধন্যবাদ।

খেলোয়াড় তৈরির কারখানা হিসেবে কাজ করবে। আমার প্রদত্ত সংশোধন হচ্ছে মূল প্রস্তাবের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় শব্দগুলির পর এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী এবং নীলফামারী জেলার ডোমার ও ডিমলা উপজেলা শব্দগুলি সংযোজন করা হোক। মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী সহ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবার জন্যে আমি মাননীয় ক্রীড়ামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মহিলা আসন

নম্বর 10 নিলুফার চৌধুরী মনি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট 3 বেসরকারি এই কার্যদিবসের সমর্থন জানিয়ে আমি সংশোধনী সংশোধন করছি যে জামালপুর জেলার জামালপুর সদর সহ বিভিন্ন উপজেলাগুলোর মিনি স্টেডিয়াম স্থাপনের জন্য

মাননীয় স্পিকার, 125 টি উপজেলার প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবার পর দ্বিতীয় ধাপে 201 টি মিনি স্টেডিয়ামের কাজ চলমান রয়েছে। আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে সমস্ত উপজেলাগুলোতে এবং জামালপুরের মেলান্দো, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ী, বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ সহ সমস্ত বাংলাদেশের উপজেলাগুলোতে যাতে মিনি স্টেডিয়াম হয় সেটার জন্য জোর সুপারিশ করছি এবং আমি বলতে চাই

সকল সুখের মূল এবং এই স্বাস্থ্য ভালো থাকে অবশ্যই ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মহিলা আসন নম্বর 15 সানসিলা জাবরিন এক মিনিট সময় ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট তিন সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে একটি সংশোধনী দিয়েছি আমার সংশোধনী হলো মূল প্রস্তাবের পরে আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর সদর উপজেলার লসমনপুর ও চরমুখ

ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হোক মূল প্রস্তাব সহ আমার সংশোধনী গ্রহণ করবেন এ আশা ব্যক্ত করে মাননীয় মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কারণ আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চলের আটটি ইউনিয়নে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণীদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামোর অভাব রয়েছে এখানে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে নিয়মিত ফুটবল ক্রিকেট অ্যাথলেটিকস সহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সম্ভব হবে এতে যুবসমাজের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে

মাদক ও অপরাধ প্রবণতা থেকে তরুণদের দূরে রাখা সহজ হবে এবং ক্রীড়া প্রতিভাকে ক্রীড়া পেশায় পরিণত করা সম্ভব হবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য সিলেট তিন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল মালিক এর সিদ্ধান্ত

প্রস্তাবের প্রতি আমি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি পাশাপাশি আমি সংশোধনী দিচ্ছি যে এই যে মিনি স্টেডিয়াম মিনি স্টেডিয়াম করার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিটি উপজেলা একটি করে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেজন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ আমাদের এই গণতান্ত্রিক সরকারকে আমি শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই পাশাপাশি আমার এলাকায় আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগর একটি স্টেডিয়াম এটা আমার একটা বিরাট বড় নির্বাচনী এলাকা

21টা ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা আমার এলাকায় একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করার জন্য মাননীয় যুব ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে আমি আবেদন জানাচ্ছি আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ পটুয়াখালী দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মালেক যে প্রস্তাবনা পেশ করেছেন আজকের বাংলাদেশের

ক্রিয়া শুধু বিনোদন নয়, এটি স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার অন্যতম একটি মাধ্যম। বিধায় আমি এটি সমর্থন করে আমার পটুয়াখালীর বাউফলে জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিকস আয়োজন করার সুবিধার্থে জাতীয় দিবস, কুচকাওয়াজ, যুবসমাজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার স্বার্থে এবং তরুণদের মোবাইল আসক্তি যুবসমাজকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় অর্থনীতির এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য বিভিন্ন

করার সুবিধার্থে আমার প্রিয় বাউফলের 55 টি বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয় 13 টি কলেজ শতাধিক মাধ্যমিক প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অসংখ্য মাদ্রাসা রয়েছে সেই ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম আমার বাউফলে তৈরির জন্য আমি মাননীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে বিশেষভাবে আবেদন করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য নীলফামারী দুই আসন থেকে মাননীয় সদস্য জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ

নেই। বগুড়া এক আসন থেকে মাননীয় সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সিলেট

মাননীয় সংসদসদ জনাব মোহাম্মদ বালিক সিলেট 3 তার মূল প্রস্তাবের সংশোধনী হলো বগুড়া জেলার সারিকান্দি ও সোনা তলা শব্দগুলি সংযোজন করা হোক। মাননীয় স্পিকার সারিকান্দি এবং সোনা তলা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মিনি স্টেডিয়াম করা হলে শুধু খেলাধুলার উন্নয়ন হবে না। যুবসমাজ, মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপক্ষয় থেকে দূরে থেকে একটি সুস্থ

শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে উঠবে একই সঙ্গে স্থানীয় জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এখান থেকে ভবিষ্যতে জাতীয় আন্তর্জাতিক ম্যানের খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার পথ সুগম হবে। অতএব আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় যুব ক্রীড়ামন্ত্রী মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সারিকান্দো সোনাতলা উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নের দ্রুত একটি করে আধুনিক মিনিস্টেডিয়াম নির্মাণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ আপনাকে ও মাননীয় সদস্য। মাদারীপুর দুই আসন থেকে মাননীয় সদস্য

জনাব মোহাম্মদ জাহানদার আলী মিয়া সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মাননীয় স্পিকার। আজকের মূল মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট টিন উনার সাথে একমত পোষণ করে আমি মোঃ জাহানদার আলী মিয়া মাদারপুর দুই আমি মাদারপুর দুইটা

উপজেলা একটা হলো সদর একটা হলো রাজ্য দুইটা উপজেলা দুইটা স্টেডিয়াম করার জন্য আমি আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আজকে বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকতে মাদারপুর জেলা স্টেডিয়াম বিশাল একটা স্টেডিয়াম করে দিয়েছেন এই জন্য ধন্যবাদ জানাই উনার রুহের মাখরাত কামনা করছি আমি আজকের ক্রীড়া মন্ত্রীকে অনুরোধ করবো মাদারপুর দিকে একটু আলাদা নজর রাখার জন্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব

প্রস্তাব এবং তার উপর আনীত সংশোধনী গুলোর উপর মাননীয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ আমিনুল হককে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিসমিল্লাহর রাহমান রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ জানাই প্রস্তাবকারীকে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং যারা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপরে

সংসদী আনার জন্য যারা প্রস্তাব করেছেন আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন যে বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের জ্বরে আক্রান্ত বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষ বিশেষ করে আমাদের যারা যুবসমাজ যারা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তারা অত্যন্ত ঘরে ঘরে কিংবা কোথাও বড় এলইডির মাধ্যমে তারা বিশ্বকাপ ফুটবল কে উপভোগ করছে

কিন্তু আমি এই বিষয়টি বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমি আপনার মাধ্যমে সারা দেশবাসীর কাছে একটি আহবান জানাতে চাই। আমরা দেখেছি এই বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে বেশকিছু সহিংসতা ঘটেছে। বেশকিছু জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়ে এবং এখন পর্যন্ত আজকের তথ্যমতে আমার কাছে 10 জন লোক মারা গেছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমি আপনার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আহবান করবো খেলা একটি

আনন্দময় একটি বিষয় এটি নিছক আনন্দ ছাড়া তেমন কিছু না সেটাকে নিয়ে আমাদের উত্তেজনা থাকবে উৎসাহ থাকবে এবং ঘরে ঘরে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা সাপোর্টার যে যুদ্ধ সেটা কিন্তু চলমান রয়েছে যদিও ব্রাজিল সাপোর্টার এখন হতাশ তাদের টিম হেরে গেছে আর্জেন্টিনার এখনো স্বপ্ন দেখছে যে তারা বিশ্বকাপ ফুটবলে জয় করতে পারে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়ে যে উত্তেজনা যে উৎসব মুগ্ধ একটি পরিবেশ এটি যাতে আনন্দ

ভিতরে থাকে এটিকে কেন্দ্র করে কেউ ভবিষ্যতে কোন বিশৃঙ্খলা কিংবা কোন সহিংসতা তৈরি করে কোন প্রাণনাশের ঘটনা যাতে না ঘটে এজন্য আমি আপনার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আহবান জানাচ্ছি দ্বিতীয়ত যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে মাননীয় স্পিকার আপনারা জানেন যে বর্তমান সরকার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলা কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছেন তারই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে আমরা খেলাধুলা কে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লোক

নিয়ে আমরা জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে বেতন কাঠামোর আওতায় ক্রিয়াভাতা প্রদান করছি। পাশাপাশি আমাদের নতুন করি স্পোর্টস ইতিমধ্যে আমাদের আঞ্চলিক পর্যায়ে শেষ হয়ে এবং আমাদের জাতীয় পর্যায়ে এই মাসের আমাদের জুলাই মাসের 27 শে জুলাই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফাইনাল রাউন্ডের সমাপনী ইনশাল্লাহ ঘোষণা করবেন এবং আশা করছি যে আমাদের পহেলা জুলাই থেকে ইতিমধ্যে দ্বিতীয় নতুন করি স্পোর্টসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে আমাদের

অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়ে ইনশাল্লাহ পহেলা সেপ্টেম্বর কিংবা আমাদের সেপ্টেম্বরের ফার্স্ট উইকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে দ্বিতীয় আসন নতুন করে স্পোর্টস আমরা উদ্বোধন করব ইনশাল্লাহ। আমরা ইতিমধ্যে

আমাদের সিদ্ধান্ত যে আমাদের এই অর্থবছরে আমরা 10 টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করব ইনশাআল্লাহ এবং সেটি আমাদের আটটি বিভাগ এবং ফরিদপুর এবং কুমিল্লাকে ধরে আমরা 10 টি অঞ্চলে 10 টি স্পোর্টস ভিলেজ ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়ে এবং আমরা আশা করছি যে স্পোর্টস ভিলেজের মাধ্যমে আমাদের খেলাধুলার যে বিকাশ সেই বিকাশটি আমরা সম্পূর্ণ করতে পারবো কারণ তৃণমূল পর্যায়ে আমরা খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা চাই যে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থ

ভাবে গড়ে উঠুক আমরা ডিভাইসের আসক্তি থেকে আমাদের সন্তানদেরকে দূরে রাখতে চাই স্পেশালি আমাদের যে যুবসমাজ যারা মাদকে আক্রান্ত হয়ে ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে মৃত্যুর করাল গ্রাসে চলে যাচ্ছে তাদেরকে আমরা খেলাধুলার মাধ্যমে ঘরে ফিরে এনে আমরা মাঠে ফিরিয়ে এনে আমরা যদি একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পারি এবং আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য যে প্রস্তাবটি রেখেছেন আমি তার আগে আমি সকল সংসদ সদস্য যারা রয়েছেন আমি তাদের উদ্দেশ্যে

বলতে চাই যে ইতিমধ্যে আমাদের 125 টি মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হয়েছে যদিও বিগত সময়ের করা এটি নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে সেগুলোকে নতুন ভাবে সংস্কার করার জন্য ইতিমধ্যে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমাদের দ্বিতীয় যে চলমান 201 টি মিনি স্টেডিয়ামের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এর ভিতরে প্রায় 40 টির কাজ শেষ পর্যায়ে আমরা ইনশাল্লাহ দ্রুত এগুলো উদ্বোধন করতে পারবো পাশাপাশি আমাদের বাকি যে স্টেডিয়ামগুলো

চলমান রয়েছে সেখানে কিছু জায়গা এখনো অধিগ্রহণের কার্যক্রম বাকি রয়েছে সেটা ইনশাল্লাহ আমরা পর্যায়ক্রমে 201 মিনি স্টেডিয়াম হয়ে যাবে তৃতীয় যে আমাদের ধাপে যে মিনি স্টেডিয়াম গুলো হবে সেখানে আমি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে বিগত সময়ের যে বিষয়গুলো ছিল এখানে যে একদম লোকালয়ের বাইরে গিয়ে তারা চেষ্টা করেছিল যে জাস্ট লামসাম কোনোভাবে তারা স্টেডিয়ামকে নির্মাণ করা বাট এটি আসলে স্টেডিয়াম হিসেবে ব্যবহারযোগ্য না।

আমি আপনাদের আপনাদের সহযোগিতা চাই আপনারা যদি লোকালয়ের ভিতরে আমাদের যে তৃতীয় ধাপে যে স্টেডিয়াম গুলো নির্মিত হবে সেখানে যদি আপনাদের পরামর্শ আপনাদের সহযোগিতা থাকে এবং লোকালয়ের ভিতরে হয় তাহলে আমরা তৃতীয় ধাপের ইতিমধ্যে আমাদের প্রকল্পটি চলমান রয়েছে এবং আমাদের জমি অধিকরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে আমরা আপনাদের পরামর্শ নিয়ে সেই তৃতীয় ধাপের স্টেডিয়াম গুলো ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমে আমরা নির্মাণ করবো ইনশাআল্লাহ এবং আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য

মালিক সাহেব যেভাবে বলেছেন তার যে সিলেটের যে বালাগঞ্জ ইতিমধ্যে এখানে আমাদের 9 কোটি 51 লাখ টাকা ব্যয় আমাদের মিনি স্টেডিয়ামের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এটি খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে এবং তার আরেকটি থানা রয়েছে ফেন্সুগঞ্জ সেখানে জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনকে ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে প্রেরণ করা হয়ে সেই জমিটি অধিগ্রহণ হয়ে গেলে ইনশাআল্লাহ আমরা দ্রুতই আমাদের এই ফেন্সুগঞ্জে ও মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হবে পাশাপাশি আমাদের দক্ষিণ সুরুপ

মা, এই উপজেলাটি তৃতীয় ধাপে রয়েছে। আমরা সেই জন্য আমরা ইতিমধ্যে আমাদের যে জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম প্রকল্প সেটি চলমান রয়েছে। আমাদের জমি প্রকল্প আমাদের জমি অধিগ্রহণ হয়ে গেলে আমরা ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমে সেই তৃতীয় ধাপে সেই মিনি স্টেডিয়ামগুলো আমরা নির্মিত করব ইনশাআল্লাহ। এবং সর্বশেষ আমি যে বিষয়টি আপনার সামনে উল্লেখ করতে চাই যে আমাদের ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে আমাদের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বিকেএসপি রয়েছে আপনারা জানেন।

স্পেশালি আমরা স্পোর্টসকে যেহেতু আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে আমাদের রাঙ্গামাটি এবং আমাদের ময়মনসিংহের যে কলসিন্দুর যে ধুবাহুরা ওই অঞ্চলকে আমরা প্রাধান্য দিয়ে এইখানে দুটি আমরা বিকেএসপি করার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি পাশাপাশি আমাদের ঝিনাইদহতে একটি বড় একটি জায়গা আমরা দেখেছি সেখানে আমরা একটি বিকেএসপি করার একটি সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি সো আমি আশা করি যে আমাদের যারা সংশোধনী দিয়েছেন আমরা সবাই আমরা যেহেতু এটি চলমান প্রক্রিয়া সো আমাকে

এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইনশাল্লাহ আমরা প্রথম ধাপে যেগুলো হয়েছে দ্বিতীয় ধাপে যে কাজগুলো চলমান রয়েছে 201 টি স্টেডিয়ামের এবং তৃতীয় ধাপে যে 221 টি 121 টি স্টেডিয়াম নির্মিত হবে সেই স্টেডিয়ামের নির্মাণ গুলো ইনশাল্লাহ আমরা পর্যায়ক্রমে শেষ করব ইনশাল্লাহ সো আমি আমাদের যিনি প্রস্তাব রেখেছেন আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহারের জন্য আমি বিনীত অনুরোধ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল মালিক আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমরা আজকে আমাদের স্পোর্টস মিনিস্টার যে বক্তব্য দিয়েছেন আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে আজকে এই যে ওয়ার্ল্ড কাপের বিষয়টা

আজকে আমরা আশা করছি যে, এই পাঁচ বছরের ভিতরে বাংলাদেশে ওয়ার্ল্ড কাপে যাবে মাননীয় স্পিকার। এই জন্য আমাদের যে স্টেডিয়াম প্রত্যেকটা এলাকায় প্রত্যেকটা ইউনিয়নে স্টেডিয়াম

সিএম এবং যুবসমাজকে স্পেশাল লুক আফটার জন্য আমার বিশ্বাস যে স্পোর্টস মিনিস্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও উনি এই বিষয়ে খুব আন্তরিক রয়েছেন। আমি আশা করব যে আমাদের প্রত্যেকটা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা কর্নারে কারণ আজকে দেখেছি যে আর্জেন্টিনা ব্রাজিল ইংল্যান্ডের পতাকা নিয়ে আমাদের এটা একটা উৎসব আমেজ বয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে তো আমরা আশা করব যে ভাবে ক্রিকেটে আমাদের কৃতিসন্ধান

দেশের বাইরে তারা যেভাবে গিয়ে সেখানে বাংলাদেশের কে রিপ্রেজেন্ট করছে আমরা আশা করব যে মিনিস্টার ডিআইএম প্রত্যেকটা এলাকায় করবেন এবং আমার এলাকায় এই যে আমার আমাদের মাননীয় স্পোর্টস মিনিস্টার উনি অত্যন্ত সুযোগ্য এবং উনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে বালাগঞ্জের যে স্টেডিয়ামটি এটাকে মডারাইজ করবেন এবং ফেনসিগঞ্জ দক্ষিণ সুরমা এবং এর আগে আরেকটা বিষয় আমাদের সিটি কর্পোরেশন

করপোরেশনের ছয়টা ওয়ার্ড সিলেট তিন আসনের সাথে এটা নিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশন এটাকে টোটালি তারা যেহেতু আমাদের এলাকায় সেখানে আরেকটা স্টেডিয়ামের দরকার সেই হিসাবে আমার প্রস্তাব এটা আমি এই আশা ধন্যবাদ দিয়ে আমার এই প্রস্তাব এটা আমি উড্রো করছি সবাইকে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ প্রস্তাব উত্থাপনকারী

মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। কার্যপ্রণালী উপবিধি এক অনুযায়ী প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন। এখন আমি প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মালিক কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর পাঁচ সংসদের অভিমত এই

এই যে, সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় একটি কোরিয়া মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হোক, শীর্ষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক, যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ

জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহারিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়নের কার্যাবলী।

আমি এখন মাননীয় সংসদ সদস্য চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত জনাব মোঃ শাহজাহান চৌধুরীকে মদ ও জুয়া উইথ ইন ব্র্যাকেট নিষিদ্ধকরণ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 মক

নিষিদ্ধকরণ বিলটি এই মহান সংসদে উত্থাপনের জন্য আপনার অনুমতি প্রার্থনা করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় আইনমন্ত্রী আপনি মাননীয় আইনমন্ত্রী কে মাইকটা দেন প্লিজ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার যে দুইটা আইন

করেছেন দুইটা আইন আমাদের এখানে আছে আমরা এই সংসদে এই অধিবেশনে জুয়া আইন 2026 বিল পাস করেছি অলরেডি পাস হয়েছে আরেকটি হলো মদ দের সংক্রান্ত বিষয় আমাদের 2018 সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন একটা আছে 2018 সালের সেই আইনের সেকশন 2 সাবসেকশন 5 সেকশন 2 সাবসেকশন 24 সেকশন 2 সাবসেকশন 29 এবং সেকশন 11 পড়লে উনি যে উদ্দেশ্যে বিলটা

ওইটা কাভার হয়ে যায়। সেই কারণে এই বিলটি প্রত্যাহারের জন্য মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে উনাকে অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ও বিলটি উত্থাপন না করার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আপনি এখন বক্তব্য রাখতে পারেন। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বিলটা পাশ হওয়ার আগেই আসলে আমি এই বিলটি

বেসরকারি বিল হিসেবে জমা দিয়েছিলাম। আসলে আমাদের মাননীয় আইনমন্ত্রী, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অত্যন্ত উনি সঠিকেই বলেছেন এই মত এবং জুয়ার এই

বিলটি আমাদের এই মহান সংসদে আমরা সবাই মিলে পাশ করেছি তো এই জন্য উনার এই বিলটি যেহেতু পাশ হয়েছে সেটার পরিপেক্ষিতে আমি আমার এই প্রস্তাবটি অর্থাৎ আমার এই বিলটি আমি উড্রো করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ যেহেতু মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত

মাননীয় মন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে বিলটি সংসদে উত্থাপন না করার না করতে সম্মত হয়েছেন সেহেতু আমি বিল উত্থাপনের অনুমতি প্রদানের প্রস্তাবটি আর ভোটে দিচ্ছি না এ প্রেক্ষিতে মাননীয় সদস্য কর্তৃক আনিত মদ ও জুয়া উইথ ইন ব্র্যাকেট নিষিদ্ধকরণ বিল 2026 সংসদে আর উত্থাপিত হলো না।

এখন আমি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শাজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত সদস্যকে দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি শাজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর 1898 অধিকতর সংশোধন কল্পে আমার আনুকুল

টু বিল দি কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্তাপনের জন্য আপনার অনুমতি প্রার্থনা করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ফৌজদারী কার্যবিধিতে 565 টি ধারা আছে তার অনেকগুলো উপধারা আছে 1898 সালের এই আইনটার মধ্যে আমরা

এই পার্লামেন্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এসে প্রথম অধিবেশনে 29 টি ধারা আমরা সংশোধন করেছি আরো কিছু ধারা আমরা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছি উনি এই বেলটি দেওয়ার পরে মাননীয় স্পিকার আমরা পার্লামেন্টে গত 30 শে জুন চিঠি লিখে জানিয়েছি আপনাদের রেকর্ডে আছে যে আমরা এই সেকশন সহ উনার এটা বিবেচনা সহ আরো কিছু সেকশন আমরা এমেন্ডমেন্ট আকারে অচিরেই নিয়ে আসবো সেই কারণে এটা ওই বিবেচনায় থাকবে

সেক্ষেত্রে আপাতত এটাকে প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং উনাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যেটা এনেছেন নীতিগতভাবে এটার সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করবো না বাট আমরা যেহেতু এটা আনছি একই সাথে এটা কমপ্লিট করবো মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রীর বক্তব্য এবং বিলটি উত্থাপন না করার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আপনার যদি কিছু

বক্তব্য থাকে আপনি দয়া করে বলতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাননীয় আনন্দ মন্ত্রী মহোদয় কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমরা বেসরকারি সদস্য বিলের এই কানো আমার এই বিলটা যেটা আমাদের জনাব মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান সাহেব নোয়াখালী উনার সভাপতিত্বে আমাদের বেসরকারি সদস্যদের বিল কমিটির বৈঠক হয়ে ছিল সেখানে আইনমন্ত্রী ছিলেন মাননীয় স্পিকার আমার মনের বড় জ্বালা হলো

আমি 2004 সালেই এই বিলটা মহান সংসদে উত্থাপন করেছিলাম এবং পাশের জন্য অলরেডি টেবিল এসেছিল তখন আমাদের স্পিকার ছিল ব্যারিস্টার জমিরুদ্দিন সরকার মহোদয় তো যেদিন পাশ হবে এবং বিলটা আমরা সবাই উৎসাহ উদ্দীপনা আমার জামাত সহ আমি তো তখন চার জনের জুটেই ছিলাম তো সবাই আমরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সেদিন এসেছিলাম সেইদিন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশোণেত্রী তিন তিন বার

প্রধানমন্ত্রী আমার অত্যন্ত পরম শ্রদ্ধাভাজন উনি আমাকে স্নেহ করতেন উনি আমাকে ডেকে যখন বললেন যে আমরা বিলটা বিবেচনা করব নির্বাহী আদেশ দেবো আপনি উদ্রয় করেন তো আমি সেই এটার পরিপ্রেক্ষিতে আমি উদ্রয় করেছিলাম এটা আমাদের সম্মানিত তখনকার দিনের ডক্টর কুন্দাকার মোশাররফ সাহেব উনি উপস্থিত ছিলেন সবাই আপনারা পুরাতন যারা আছেন তো কিন্তু সেই যে 2004 সাল আজকে 2026 সাল এখনো পর্যন্ত আমি যে পোস্টমোর্টেম এমেন্ডমেন্ট বিল

মাননীয় স্পিকার, আপনি নিজেও জানেন প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা, প্রতিদিন আমাদের বিষ প্রয়োগে মারা যাচ্ছে, পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে, নৌকায় ডুবিতে মারা যাচ্ছে, এদেরকে পোস্টমর্টেম করার জন্য যখন আনা হয় মাননীয় স্পিকার, কত যে জ্বালা, কত যে কষ্ট, একদিকে মৃত্যুবরণ, আরেকদিকে তাদেরকে পোস্টমর্টেম, আরেকদিকে তাদেরকে দাফন-কাফন এই সব জ্বালাতন থেকেই 1898 সালের আগেই এটা এই পোস্টমর্টেম এই বিষয়টা তখনকার

যেহেতু আইনটা ছিলো, মাননীয় স্পিকার আমি এই জন্যে এই দুঃখ, এই ব্যথা, এই বেদনা জনগণের এই গ্লানি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্যই আমি অত্যন্ত সাজানো

যেন ভাবে এই বিলটি আমি দীর্ঘদিন সাধনা করে আমি আবারো এতদিন পর প্রায় 22 বছর পর আবার এই বিলটি এনেছি তো মাননীয় আইনমন্ত্রী যদি মেহেরবানী করে এটাকে উড্রো করার জন্য বলেছেন আমি এটাকে অবশ্যই সম্মান করি এবং আপনাকে অবশ্যই সম্মানিত করবো কিন্তু আমার এই বিলটা যদি আপনি একটু কমিটিতে গিয়ে বিবেচনা করে আমার গুলো যদি এখানে এড করেন যে মহিলাদেরকে মহিলা করবে পুরুষেরা পুরুষের করবে আর

কেউ যদি পারমিশন নিয়ে বলে যে, আমি মামলা করবো না, আমার এই লাশটাকে যে এক্সিডেন্ট হয়েছে তাকে সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দিয়ে আমাকে দাফন করা হোক। এইভাবে করে আটটা সংশোধনী আমি মাননীয় স্পিকার দিয়েছি। মানবতার স্বার্থে আমাদের আমাদের জনগণের দুঃখ, ব্যথা, বেদনা, লাঘবের স্বার্থে আমার এটা যদি বিবেচনায় নেন, কমিটিতে যদি বিবেচনার জন্য নেন তাহলে আমি অত্যন্ত বাধিত হবো মাননীয় স্পিকার। এটাই আমার পক্ষ থেকে আবেদন মাননীয় স্পিকার।

আই থিঙ্ক আপনি খুব ভ্যালিড পয়েন্ট মেড আউট করেছেন যে কারণে মাননীয় আইনমন্ত্রী দাঁড়িয়েছেন কিছু বলার জন্য মাননীয় আইনমন্ত্রী ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে অন্য সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ উনি ভ্যালিড পয়েন্ট দাগ মানে উত্থাপন করেছেন এ বিষয়ে কোন দ্বিমতের জায়গা আমি রাখি নাই আমরা যেটা বলতে চাচ্ছি উনি যে প্রশ্নটা এনেছেন এটা বর্তমানে প্র্যাকটিস আকারে ওই ভাবেই চলে মহিলা ডেডবোর্ড

অটোপসি করা হয় যখন পোস্টমোর্টেম করা হয় যখন তখন সেই সম্মানটা দিয়েই করা হয় মহিলা ডাক্তার দিয়ে করা হয় হাজরতখানায় গেলে মহিলা পুলিশকে মহিলা পুলিশ দিয়ে ডিল করা হচ্ছে এটা আমাদের প্র্যাকটিসের পার্ট করা হয়েছে এবং আমাদের মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন আপনার কাছে যে এটা এডমিনিস্ট্রেটিভ অর্ডারে করা হয়েছে তখন থেকে এটা এডমিনিস্ট্রেটিভ অর্ডারে চলছে এবং আমরা আপনি 22 বছর যখন অপেক্ষা করতে করেছেন আর কিছু

কিছুদিন অপেক্ষা করেন কারণ আমাদের 30 জুনের 30 জুনের এ দেখেন আমরা লিখিতভাবে মাননীয় স্পিকারকে অবহিত করেছি যে এটা আমাদের বিবেচনায় নিয়েছি এর সাথে আরো কিছু সিআরপিসির এমেন্ডমেন্ট সহ আমরা একসাথে উপস্থাপন করব এবং আপনার এইটাকে হুবহু এভাবে আনার চেষ্টা করবো সুতরাং আপনি বিলটা প্রত্যাহার করলে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকছি এই সংসদ আশা করি সেটা বিবেচনা করবেন আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় আইনমন্ত্রী মাননীয় সদস্য

মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রীকে উনি যেটা বলেছেন প্র্যাকটিসে আসলে নাই এটা মহিলাদের ব্যাপারটা মহিলাদেরকে দিয়ে এসার্ট করা এটা সম্ভব হয়নি এখনো এটা খুবই জরুরী আমরা অনুরোধ করব যে এটাকে প্র্যাকটিসে আনা দরকার বাকিটা উনি বলবেন এখন প্রত্যাহার করার বিবেচনায় নিতে পারেন আপনি ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা মাননীয় সদস্য 22 বছর

বছরের মধ্যে তো 20 বছর কেউই ছিলেন না আমরা আপনারা কেউই অতএব ইউ মে ডিসাইড। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় করছি বিশেষ করে আমাদের সাবেক তিন তিন বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উনি একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সেইদিন এটা বুঝতে পেরেই উনি সেদিন নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন এটা এখনো কার্যকর আছে হয়তো যেখানে মহিলা ডাক্তার নাই সেখানে অসুবিধা হয় কিন্তু সম্মানটা করা হয় আমি চট্টগ্রামের পোস্ট

মার্ডাম মর্গের মধ্যে আমি দুই-তিনবার প্রায় প্রতি মাসেই গিয়ে সফর করি। এগুলো প্র্যাকটিসের মধ্যে আসে কিন্তু মহিলা ডাক্তার নাই বলে কিছু অসুবিধা হয়। আমাদের মাননীয় বিরোধী দলের নেতা এবং আমাদের আমির জনাব ডক্টর শফিক সাহেব যথার্থই বলেছেন যে প্রত্যেক জায়গায় এটার কার্যকরী নাই। আমি আমি আমাদের মাননীয় মন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপেক্ষিতে এবং আমার মনে হয় আমার এই বিলের ব্যাপারে আজকে সারা জাতি এই বক্তব্যটা শুনছেন। আমাদের আইনমন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্য শুনেছেন।

আমরা সবাই এটার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছি সেটার পরিপ্রেক্ষিতে যিনি যে আশ্বাস টা দিয়ে দেন আমার বিলটাও একুমোডেট করবেন সেটার পরিপ্রেক্ষিতে আমি উনার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার এই বিলটা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ যেহেতু মাননীয় সদস্য জনাব শাজাহান চৌধুরী মাননীয় মন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে বিলটি সংসদে উত্থাপন না করতে

সম্মত হয়েছেন, সেহেতু আমি বিল উত্থাপনের অনুমতি প্রস্তাবটি আর ভোটে দিচ্ছি না। এ প্রেক্ষিতে মাননীয় সদস্য কর্তৃক আনিত দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 সংসদে উত্থাপিত হলো না। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের বৈঠক আগামী 12 ই জুলাই 2026 তারিখ 28 এ আষাড় 1433 রোজ রবিবার বিকাল 3:00 পর্যন্ত

মূল তবি করা হলো, আপনাদের সহযোগিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, আসসালামু আলাইকুম।

কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

যেসব সম্প্রচারের পাঠ্য এখনো প্রস্তুত নয়

উপরে এই দিনের সম্পূর্ণ পাঠ্য নেই। বাকি সম্প্রচারগুলো এখানে শুনতে পারেন।