বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর তেরাকা চিহ্নিত প্রশ্ন 2170 মাননীয় সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম ফেনী এক উত্থাপন করুন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার
সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য
বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
বক্তব্যের পাঠ্য
নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।
পাঠ্য কপি করলে শনাক্ত বক্তার নাম, মূল ভিডিওর লিংক, অংশের শুরুর সময় ও যাচাইয়ের ছোট নোট যুক্ত হবে।
নির্বাচনী এলাকা 265 ফেনী এক আমি মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা তান মন্ত্রী নিকট আমার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 2170 আমি এই সংসদে উপস্থাপন করলাম মাননীয় মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
ফেনী এক আসন সহ ফেনী জেলার দুর্যোগ কালীন সময় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম জরুরী মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং জরুরী সারা প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ফেনী জেলার জন্য 10 টি উদ্ধারকারী স্পিডবোর্ড ক্রয়ের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে তন্মধ্যে ফেনী এক আসনে পশুরাম ছাগলনায়া
ফুলগাছি চারটি উদ্ধারকারী স্পিডবোর্ড প্রদান করা হবে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী ড্রোন সহ অন্যান্য উদ্ধার সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনাধীন রয়েছে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার
যে নির্বাচনী এলাকা এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এই এলাকায় এমন একজন মানুষ জন্মগ্রহণ করেছিলেন যিনি এই দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্রের জন্য তিনি সারাটি জীবন সংগ্রাম করেছিলেন। তিনি বারবার এ এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ছিলেন। এ এলাকার মানুষ
এর এই এলাকার মানুষ আমাদের এই প্রিয় মানুষটিকে অত্যন্ত ভালোবাসেন। তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রিয় নেত্রী বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী আপোষীন দেশনীতি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। আমি আজকের এই সংসদে সর্বপ্রথম আমার নেত্রীকে আমি শ্রদ্ধার সাথে আমি স্মরণ করছি। মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় মন্ত্রীর নিকট একটি বিষয় জানতে চাই। এই ফেনিয়াক দীর্ঘ 17 টি বছর অবহেলিত।
শুধুমাত্র বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনী এলাকা হওয়ায় এ এলাকায় কোন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড হয়নি। এ এলাকার মানুষ বারবার বন্যা এবং খরায় দুর্যোগকালীন সময়ে বে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত
হয়েছে কিন্তু মানুষ তেমন কিছু পাই নাই। এই এলাকার মানুষ অনেক গরিব। তাই আমি মাননীয় মন্ত্রীর নিকট আমার প্রশ্ন সেটি হচ্ছে আপনি অন্যান্য এলাকাতে অনেক তান সামগ্রী দিয়ে থাকেন। এই এলাকার মানুষ অত্যন্ত গরিব। এছাড়া এই এলাকার মানুষ সবসময় বেগম খালেদা জিয়ার যে অভাব সেটা সবসময় অনুভব করে। তাই আমি উনাকে বলবো যে আগামীতে আপনার কি এমন কোন পরিকল্পনা আছে যে এই এলাকার মানুষের প্রতি আপনার মন্ত্রণালয়ের থেকে অতিরিক্ত
সাহায্য প্রদান করে এলাকার রাস্তাঘাট সহ বিভিন্ন কাজে আপনি আমাদেরকে সাহায্য করবেন আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সংসদ সদস্য যে এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন ফেনিয়া এক সেটি আমাদের প্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী মেগাম খালেদা জিয়ার জন্মস্থান এবং উনি বারবার এখান থেকে নির্বাচিত হয়েছেন
কারণে আসন সম্পর্কে তো আমাদের আবেগ রয়েছে এবং দায়িত্ববোধ রয়েছে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে বলব উনার এলাকায় যেগুলো কাজ আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে করা সম্ভব উনি যদি আমার সঙ্গে তালিকা দিয়ে যোগাযোগ করে অবশ্যই সেটাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আমরা বিবেচনা করব মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ওবায়দুল্লাহ সালাফি মাননীয় সদস্য নীল ফামারি তিন আসসালামু
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার শ্রদ্ধেয় মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রীর নিকট প্রশ্ন যে আমার নির্বাচনী এলাকা নীলফামারী 3 জল ঢাকায় কিছুদিন আগে কঠিন শিলাবৃষ্টিতে হাজার হাজার ঘরবাড়ি টিনের ঘর ছিদ্র হয়ে গিয়ে এই ভরা মৌসুমে মানুষ অধিকাংশ মানুষ মানবীয়তার জীবন যাপন করছে। পলিথিন দিয়ে কোনরকম
ঘরবাড়িতে তারা আশ্রয় নিয়েছে এমত অবস্থায় মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জিজ্ঞাসা আমার যে জরুরি ভিত্তিতে এই টিনের ঘরগুলো মেরামতের জন্য বিশেষ করে গরীব অসহায় যারা তাদের তালিকা আমি উনার দপ্তরে দিয়েছি কোন বিশেষ বরাদ্দ দিবেন কিনা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য অঞ্চলে প্রচুর শিলাবৃষ্টি হয়েছে এটি আমার নোটিসে এর আগে উনি নিয়ে এসেছিলেন
কিন্তু টিন প্রকিউরমেন্ট বিলম্ব হওয়ার কারণে দিতে পারি নাই গতকালকে ওনার জেলায় নীলফামারীতে আমরা বিশেষ বরাদ্দ দিয়েছি ঢেউটিন এবং গৃহনির্মাণ মঞ্জুরী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 2171 শিল্পমন্ত্রী আসেন নাই এটা উনি আসতে পরে উত্থাপন করবো
তারকর চিহ্নিত প্রশ্ন 2171 একেএম ফজিল হক মিলন গাজীপুর পাঁচ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার প্রশ্ন উত্থাপনের আগে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই আপনার মাধ্যমে
আমরা এসে সবাই দেখলাম প্রত্যেকটা সিটে একটা করে বালিশ দেওয়া হয়েছে এটা দেওয়াতে অনেকে কষ্ট পাচ্ছিল এবং ওইটার দাবি ছিল সেই প্রেক্ষিতে বসাটা খুব সুখকর এবং আরামদায়ক হয়ে আমরা পেয়ে আমরা পেয়েছি মানুষ প্রশ্ন করেন সেই বললাম মাননীয় মন্ত্রী প্রশ্ন করেন মাননীয় স্পিকার আমার
প্রশ্ন বাণিজ্য মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলিবেন কি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে সরকার কি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়া আছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় প্রতিমন্ত্রী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আপনার মাধ্যমে প্রশ্নকর্তা মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ। দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখা এবং ভোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ নিম্নরূপ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উৎপাদন আমদানি মজুদ সরবরাহ অমূল্য পরিস্থিতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়মিত পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোজ্য তেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজ, আটা, চাল সহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের পর্যবেক্ষণ
পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুযায়ী আন্দামানি সহজীকরণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর হার যৌক্তিকীকরণের এবং বিকল্প আমদানি অনুসন্ধানের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে বাজারে কৃত্রিম সংকট মজুদদারি অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ও অসাধু ব্যবসায়িক কার্যক্রম প্রতিরোধে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে নিয়মিত বাজার তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং আইন
ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে নিম্ন ও নিম্ন মধ্য আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য টিপসিভির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে বাজারে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ বজায় রাখা এবং সর্বোরোহ শৃঙ্খল সাপ্লাই চেন কার্যকর করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে
অন্যের বাজার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণপূর্বক প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে দ্রুত নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে যাতে সাধারণ বক্তাদের উপর মূল্যবৃদ্ধির নেতিবাচক প্রভাব কমানো যায়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য একেএম ফজলুলক মিলন একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার গতকালে আমরা জানতে পারলাম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে একটা সুন্দর সংবাদ
দিয়েছেন। সেটি হচ্ছে এই জাতীয় ফল কাঁঠাল চীনে রপ্তানি করার একটা ব্যবস্থা হয়েছে এবং এটা আমাদের জন্য খুব আনন্দের সংবাদ এই জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আমরা ধন্যবাদ জানাই কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার এলাকা কালীগঞ্জ এবং গাজীপুরে প্রচুর পরিমাণে কাঁঠাল উৎপাদিত হয় এবং এই সিজনে যখন এক সমানে কাঁঠাল পেকে যায় সেগুলো অনেক কম মূল্যে আমাদেরকে বিক্রি করতে হয় কারণ দূরবর্তী স্থানে নেওয়া খুব কষ্টকর হয়। আমি মানুষ
বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে জানতে চাই যে দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য আমার এলাকায় সরকারি উদ্যোগে এই কাঁঠাল রপ্তানির জন্য বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কোন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবেন কিনা অথবা বেসরকারি উদ্যোগে যদি কোন প্রতিষ্ঠান আমরা করি প্রক্রিয়াজাতক প্রতিষ্ঠান সেই গুলিকে ইন্সেন্টিভ দেওয়ার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলম
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রশ্নকর্তা, সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আসলে কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল। আমরা গতকালকে জেমিয়া ভাবে আনুষ্ঠানিক ভাবে পার্লামেন্টে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর সামনে কাঁঠালকে বিদেশে রফতানি করার লক্ষ্যে বলেছেন এবং গত কয়েকদিন আগে উনি যখন চীন সফর করেন সেখানে উনি একটি এমইও করেছেন চীনের সাথে যাতে এই কাঁঠাল জাতীয় ফলকে বিদেশে রফতানি করা যায়। মাননীয় সংসদসদ যে এলাকায়
বসবাস করেন। এখানে যেমন কাঁঠাল অনেক বেশি পাশাপাশি আমার নির্বাচনী এলাকার পাশে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহোদয়ের যে নির্বাচনী এলাকা বেলাবো মনোহর্তি সেখানে প্রচুর কাঁঠাল হয়। অতএব আমি আপনাকে এই কথাটা বলতে পারি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেহেতু এমইউ করে এসেছেন এবং জাতীয় ফল কাঁঠাল বাজার বিদেশে বাজার রপ্তানির সৃষ্টি হচ্ছে অবশ্যই আমরা এই কাঁঠাল রপ্তানি করার জন্য আমরা আপনাদেরকে এই স্থানীয় পর্যায়ে যারা চাষিরা আছেন বা যারা এই কাঁঠাল উৎপাদন করেন তাদেরকে অর্থনৈতিকভাবে কিভাবে সহযোগিতা
করা যায় টেকনিক্যাল সাপোর্ট কিভাবে দেওয়া যায় প্রক্রিয়াজাতকরণ এর ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন আমরা পর্যালোচনা করে ইনশাল্লাহ আমরা ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিব আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্য মারজিয়া বেগম মহিলা আসন 38 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় বাণিজ্যমন্ত্রীর নিকট আমার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কে
প্রশ্ন রয়েছে। সরকার তথ্যপ্রযুক্তি ও আইসিটি আইটিইএস খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে ঘোষণা করলেও মাঠ পর্যায়ের চিত্র আইটি উদ্যোক্তাদের জন্য অচরম হতাশাজনক। আইটি ও সফটওয়্যার রপ্তানি বিপরীতে একসময় 10% নগদ প্রণোদনা দেওয়া হলেও তা কমিয়ে প্রথমে 8% এবং বর্তমানে 6% নামিয়ে আনা হয়েছে। একদিকে প্রণোদনার হার ক্রমান্বয়ে
কমছে। অন্যদিকে এই সামান্য 6% পেতে অত্যন্ত জটিল আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং কাগজপত্রের বেড়াজালের প্রকৃত উদ্যোক্তাদের পদে পদে হরিয়ানির শিকার হতে হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজার ধরতে উদ্যোক্তারা যখন প্রথাগত সফটওয়্যারের বাইরে দেশীয় বি টু বি মার্কেটপ্লেস তৈরি করছে অথবা সেমি কন্ডাক্টর ডিজাইন ড্রোন ইউএভি এর মতো উচ্চ মূল্য
উচ্চমূল্যের ইমার্জিং হার্ডওয়ার প্রযুক্তির দিকে এগোচ্ছে তখন এই আধুনিক খাতগুলোর জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগোপযোগী কোন রপ্তানি নির্দেশিকা বা কাস্টম ছাড়পত্র নীতিমালা বাস্তবে কার্যকর নেই।
আমার প্রশ্ন হলো, তত্ত্ববৃত্তি খাতের কাঙ্খিত প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নগদ প্রণোদনার হার হ্রাস করার এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরিয়ে এসে তা পুনরায় সম্মানজনক পর্যায়ে উন্নীত করার এবং এই প্রণোদনা প্রাপ্তির প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ও হয়রানি মুক্ত করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দ্রুত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন কিনা? একই সাথে সেমিকন্ডাক্টর আবারো একই সাথে আছে ওই ইউভির মতো হার্ডওয়্যার
সরল প্রশ্ন করুন, সরাসরি প্রশ্ন করুন। জ্বী, সংক্ষিপ্ত। হার্ডওয়্যার প্রযুক্তির রপ্তানি এবং দেশীয় বি টু বি প্লাটফর্মগুলোর মাধ্যমে আন্তসীমা বাণিজ্য, ক্রস বর্ডার ই-কমার্স বাধামুক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা নীতিমালাগুলো কবে নাগাদ চূড়ান্ত করে বাস্তবে প্রয়োগ করা হবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, কবে নাগাদ বাস্তবায়ন হবে? বলুন। মাননীয় স্পিকার, প্রশ্নকর্তাকেও ধন্যবাদ, আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আসলে আমরা ছিলাম
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাঁঠাল রপ্তানির বিষয় বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির দায়ী অসাধু ব্যবসায়ী মজুদারের বা বিষয়ে আমরা ছিলাম বাজার নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে প্রশ্নটা আমার কাছে রিলিভেন্ট মনে হয়নি এটা এবং তথ্য প্রযুক্তির প্রণোদনা এবং তথ্য প্রযুক্তির আইসিটি সেক্টরের বিষয়টা আমার কাছে মনে হয় যে এটা আইসিটি মন্ত্রণালয়ের বিষয় আমি এই প্রশ্নটা এজন্যই উনি করেছেন আমি মনে করি আপনি যদি নোটিস দেন তথ্য আইসিটি মিনিস্ট্রি সেটা ক্ষতি দেখতে পারবে আমি কতটুকু এটার সাথে
যুক্তিযুক্ত এই প্রশ্নটা সেক্ষেত্রে আমি মানুষ স্পিকার আপনার প্রতি আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এটা সম্পূরক প্রশ্ন হয়নি। আপনি নোটিস দিতে বলেছেন সংসদ মন্ত্রী জবাব দেবেন। ধন্যবাদ। তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 2172 মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমার এলাকা
কিশোরগঞ্জ, বাজিদপুর, নিকলি, কিশোরগঞ্জ পাঁচ। মাননীয় স্পিকার, হাওর অঞ্চল এখানে খাদ্য গোদাম দুই থানায় যে পরিমাণ আছে তাও প্রতুল। বিশেষ করে আমার এলাকায় হাওর অঞ্চলে একটি ফসল হয়, একটি ফসলের পরে মাননীয় স্পিকার ওখানে খীরা, টমেটো এইসব ব্যাপক পরিমাণ হয়। রাস্তাঘাট ভালো নাই বলে এগুলি শহরে আনা সম্ভব হয় না। এগুলি ন্যায্যমূল্য কৃষক পায় না, অতি সত্তর।
এখানে দুই থানায় হিমাগারের প্রয়োজন এবং খাদ্য ঘটানো আবার বাড়ানো প্রয়োজন আমাদের এলাকার লোক অত্যন্ত গরিব মাননীয় সদস্য আপনার প্রশ্ন যা লেখা আছে ওইটা পড়েন জি অতএব এখানে খাদ্য গোদাম করার পরিকল্পনা আছে কিনা এটা মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন নিকলি বাজিদপুরে খাদ্য গোদাম আর হবে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল বারী
বিসমিল্লাহি রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল মাননীয় সংসদ দর্শক মহোদয়কে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার হ্যাঁ কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিদপুর ও নিকলি উপজেলায় খাদ্য গোদাম রয়েছে বর্তমানে বাজিদপুর উপজেলায় বিদ্যমান খাদ্য গ্রামের ধারণ ক্ষমতা 2000 মেট্রিক টন এবং নিকলি উপজেলায় বিদ্যমান খাদ্য
গোদামের ধারণ ক্ষমতা 1500 মেট্রিক টন বিদ্যমান খাদ্য গোদামের মাধ্যমে সংগ্রহ ও বিলি বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন করা যাইতেছে বিধায় উক্ত খাদ্য গোদামের ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করিবার পরিকল্পনা সরকারের আপাতত নেই তবে নিকলি এলএসডির খাদ্য গোদাম আধুনিকায়ন এবং মেরামত করা হইবে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল আপনি একটি সম্পূরক প্রশ্ন
করতে পারেন। মেরামতের পাশাপাশি যাদের টমেটো খীরা এসব প্রিজারভ করতে পারে সে কারণে হিমাগারের অত্যন্ত প্রয়োজন। আমি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই সেখানে এই নিকলি বাজিদপুরে হিমাগার স্থাপন করা যায় কিনা বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার যে বিষয়ে
এগুলো মাননীয় সংসদ উপস্থাপন করলেন এটি খাদ্য মন্ত্রণালয় আওতাভুক্ত নয় এটি মূলত কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে করা পরিকল্পনা হয়ে থাকতে পারে এ ক্ষেত্রে কৃষি মন্ত্রণালয়ের যদি প্রশ্ন করা হয় তাহলে তারা হয়তো এটির উত্তর দিতে পারবেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মোহাম্মদ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 3
আসসালামু আলাইকুম। দুঃখিত ময়মনসিংহ 6 কামরুল হাসান।
ধন্যবাদ। আমরা জানি যে এই খাদ্য গোদামে গোদামজাত করার জন্য বিভিন্ন সময়ে ধান ক্রয় করা হয়ে থাকে বা চাল ক্রয় করা হয়ে থাকে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে বাংলাদেশের যে প্রান্তিক কৃষক যাদেরকে এই নীতিমালার কারণে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যেক কৃষক তিন টন মিনিমাম তিন টন ধান বিক্রি করতে পারে। কিন্তু আমার জানামতে আমার নির্বাচনী এলাকা ফুলবাড়িয়া সহ সারাদেশেই যে প্রান্তিক
কৃষক আছে যারা পাঁচ মণ 10 মণ ধান বিক্রি করবে সেটা আসলে নেওয়ার কোন সুযোগ নাই নীতিমালার কারণে আজকে দেখা যাচ্ছে যে বাজার দর থেকে প্রায় 500 টাকা বেশি দরে সরকার ধান কিনছে কিন্তু এই সুবিধাটা তান্ত্রিক কৃষকরা পাচ্ছে না আমার মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে যে এই নীতিমালা শিথিল করে কমপক্ষে মানে 10 মণ যার 10 মণ ধান আছে সেই এই খাদ্য গোদামে দিতে পারবে এরকম একটা নীতিমালা যদি
করা হয় তাহলে আমার প্রান্তিক কৃষকরা উপকৃত হবে। মাননীয় স্পিকার এই বিষয়ে সরকার কোন সিদ্ধান্ত নিবে কিনা এটা আমার বিনীত প্রশ্ন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মোঃ আব্দুল বারী। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার এখানে প্রান্তিক কৃষকরা যাতে এই বেনিফিটটা নিতে পারে সেজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনা অনুযায়ী অত্যন্ত
স্বচ্ছতার সাথে সারাদেশে ধান চাল সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে এবং আমরা ইতিপূর্বে অ্যাপসের একটা সিস্টেম করা হয়েছিল সেটি আমরা উঠিয়ে দিয়েছি আমরা যেকোনো কৃষক ভাইয়েরা এখানে গোডাউনে গেলে যে পরিমাণ ধান নিয়ে যাক সেই ধান সংগ্রহ করা হবে এবং সংগ্রহ করা হচ্ছে আমি মাননীয় সংসদ সম্পাদককে বিনীত অনুরোধ করব উনি যদি এই মেসেজটি আমরা তো দিয়েছি উনি যদি দিয়ে দেন তাহলে আমার মনে
মনে হয় এই সমস্যাটি সমাধান হয়ে যাবে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 2173 মোঃ জাহিদুল ইসলাম ধলু নওগাঁ 5 উত্থাপন করুন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার প্রশ্নটি হলো প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলিবেন কি নওগাঁ সদর উপজেলায় বেকার যুবক ও নারী সমাজকে
দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করিয়ে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে সরকারি উদ্যোগে কোন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা বিশেষ কর্মসংস্থান প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা সরকারের রয়ে আছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যের সদা অবগতির জন্য জানা যাচ্ছে যে
বৈদেশিক শ্রমবাজার সুসংগতকরণ সম্প্রসারণ এবং সংরক্ষণ করার লক্ষ্যে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষ কর্মী গড়ে তোলা ও তাদের ভাষাগত সমস্যা দূরীকরণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সরকারের নির্বাচনী ইজতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে এছাড়া আগামী পাঁচ বছরে বিদেশে এক কোটি দক্ষ কর্মী প্রেরণের
পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই পরিপেক্ষিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমান 104 টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ছয়টি ইনস্টিটিউট অফ মেরিন টেকনোলজি মোট 110 টি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে 55 টি কর্মসংস্থান উপযোগী স্বল্প দীর্ঘ মেয়াদী ট্রেড কোর্সের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা করা হচ্ছে। নোয়াগাঁও জেলা
সদর উপজেলা সহ সকল উপজেলার বেকার যুবক ও নারী সমাজকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরপূর্বক কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নয়াগাঁও জেলা সদরের বাংড়াবাড়িয়া নয়াগাঁও কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং রানীনগর উপজেলা রানীনগর কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে বর্তমানে নয়াগাঁও জেলার উল্লেখিত দুইটি কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বেকার যুবক ও নারীকর্মীরা
বিভিন্ন ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য জাহিদুল ইসলাম ধুলু একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি তার উত্তরে যে পুষ্পান্তি ট্রেডের কথা উল্লেখ করেছেন। আমরা জানি বর্তমান বিশ্বের প্রথাগত কাজের চেয়ে আইটি এবং কেয়ার গিভিং বা আধুনিক ড্রাইভিংের মতো হাই ভ্যালু
কাজের চাহিদা বেশি। আমার সম্পূরক প্রশ্ন নওগাঁ এই দুইটি টিএস টিটিসিতে আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদার সাথে সংগতিপূর্ণ এই
এই দুটি আধুনিক ও উচ্চমানের ট্রেডগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে চালু আছে কিনা না থাকলে তা চালুর কোন পরিকল্পনা আছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এই ট্রেডের জন্য আমাদের কর্মসূচি রয়েছে আমরা প্রত্যেকটা ট্রেড সেন্টারে এই ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ তাহসিনা রুশদিস
সিলেট। রহমানের রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার প্রশ্ন আমার নির্বাচনী এলাকা সিলেট 2 বিশ্বনাথ এবং ওসমানী নগর এই এলাকায় মানুষ কম শিক্ষিত এবং শিক্ষার হার খুবই কম এই স্বল্প শিক্ষিত মানুষ
যারা সিলেটের বাইরে গিয়ে তারা কোন কর্মসংস্থানের সাথে সম্পৃক্ত হতে আগ্রহী নয় তো এই স্থানীয়ভাবে কোন কর্মসংস্থান তাদের নাই এই সমস্ত যে কম শিক্ষিত যারা নারী-পুরুষ আছে এবং যারা বিধবা তাদের জন্য তাদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করে তাদের কর্মসংস্থানের কোন পরিকল্পনা আছে কিনা মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চাই ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ আমরা বিধবা এবং বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে আমাদের দক্ষ শ্রমিক তৈরি করার জন্য আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে ইনশাআল্লাহ আমরা উনার এলাকাতে আমরা সেটা করবো ইনশাআল্লাহ তারকা চেন্দ্রিক প্রশ্ন 2175 নীলফর চৌধুরী মনি মহিলা আসন 10
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার প্রশ্নটি হলো, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি? ক প্রবাসীদের অর্জিত অর্থ দিয়া তাহাদের কল্যাণে সরকার কি কি কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করিয়া আছে? খ বাস্তবায়িত কার্যক্রমে প্রবাসীদের পরিবারবর্গ কি কি সুবিধা পাইতেছে? গ সুবিধাভোগীদের পরিসংখ্যান কি? এবং ঘ এই বিষয়ে সরকারের আগামী পরিকল্পনা আছে কি? ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার, মাননীয় মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ, উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ গুলো হলো বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেক্সের মাধ্যমে বিদেশগামী ও প্রত্যাবর্তনকারী কর্মীদের বিমানবন্দরের সংশ্লিষ্ট আনুষ্ঠানিকতা সম্পাদনের সহায়তা যেমন লাগেজ রেপিং লাগেজ প্রাপ্তি ছটির কাগজ প্রিন্ট ফটোকপি ও সত্যায়ন
সেবা কর্মী নিয়োগের মাধ্যমে সহায়তা ইমিগ্রেশন কাস্টম সংক্রান্ত কার্যাদি সম্পাদনে সহায়তা করা হয়। প্রবাসী রেমিট্যান্স যুদ্ধাদের জন্য ফ্রি ওয়াইফাই টেলিভিশন সংবাদপত্র ও ফ্রি টেলিফোন সুবিধা সহ 30% ডিসকাউন্টে প্রবাসী ক্যাফেতে সুলভ মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ব্যবস্থা করা হয়। তিন দেশের তিনটি বিমানবন্দরে ওয়েজার স্কলার বোর্ড কর্তৃক স্থাপিত প্রবাসী কল্যাণ ডেক্সের মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রী চার পৃষ্ঠা ব্যাপী উত্তর
আপনি চাইলে এটা পঠিত বলে গণ্য হতে পারে। উত্তরে বাকি অংশ পঠিত বলে গণ্য করা হলো। নীলফর চৌধুরী মনি একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার এই প্রবাসীরাই আমাদেরকে বাংলাদেশে টিকিয়ে রেখেছে তাদের রেমিট্যান্স দিয়ে। এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারা প্রত্যেকটা পদক্ষেপে অসহায়ের মত তাদের অবস্থা দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য প্রথমেই তারা আনস্কিল হিসেবে যান। আনস্কিল
হিসেবে তারা কিভাবে বাথরুম ইউজ করে, কিভাবে আপনার ইমিগ্রেশনের জন্য কাগজে লিখতে হয় এগুলো কিছুই জানে না। এই জায়গাগুলোতে আমাদের কোন ওইখানে হেল্পার নাই। আমরা যারা তাদের সাথে কোন বিদেশে গমন করি, আমরা হয়তো তাদেরকে কখনো হেল্প করি এই লিখে দেয়া কাগজগুলোকে। তারপরে যেটা হয় প্রবাসীরা যখন মৃত্যুবরণ করে বিদেশে আমাদের জন্য ইনকাম করতে গিয়ে মুখে রক্ত তুলে যখন মৃত্যুবরণ করে, এই লাশটা দেশে আনার তেমন ব্যবস্থা এম্বাসি থেকে
থেকে ওই ভাবে করা হয় না, যে কারণে রাজগুলো আপনার দিনের পর দিন মর্চুয়ারিতে থাকতে থাকে কিংবা ওই দেশেই হয়তোবা তাদের দাফন হয়। এই যে তাদের আত্মীয় পরিজনরা তাদের লাশ পর্যন্ত দেখতে পারে না। প্রশ্ন করুন মাননীয় সদস্য প্রশ্ন করুন। আমরা বলি যে এটা আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত প্রবাসী বান্ধব একজন মন্ত্রী এই দেশের একজন নেতা তার কাছে আপনার মাধ্যমে বলতে চাই যে এই লাশগুলো কিভাবে সত্যর আসতে পারে সেই ব্যবস্থাটা
উনি যেন করেন এবং এই ই-প্যাসপোর্ট ব্যবস্থা টা সহজীকরণ করার জন্য তাদের কাছে আমাদের তাদের হয়ে আমি আবেদন করছি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে এবং আরেকটা যেটা প্রশ্ন মাননীয় স্পিকার
সেটা এই দেশ থেকে যারা নারীরা যায় প্রবাসে তাদের যে কত হেনস্থ হতে হয় তাদের সম্রম তাদের ইজ্জত তাদের সবকিছু সদস্য প্রশ্ন করবেন এই নারীদেরকে মাননীয় স্পিকার এই নারীদেরকে কিভাবে আরো সহজীকরণ ভাবে বাইরে পাঠানো যায় তাদের সম্মান ইজ্জত নিয়ে তারা যেন থাকতে পারে এই ব্যবস্থাটা মাননীয় মন্ত্রী কিভাবে করবেন আমি জানতে চাই আপনার মাধ্যমে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এই ব্যাপারে আমাদের মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় আমরা প্রত্যেকটি সেন্টারে যেভাবে আমরা দক্ষ শ্রমিক তৈরির জন্য সব প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যে মাননীয় সংসদ সদস্য হয়তো জানেন বাংলাদেশের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়ে যে বিদেশে যারা এই পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছে এই সরকারের সময় আমরা আমাদের সরকারের রাষ্ট্রীয় খরচে আমরা শুধু লাশ আনি নাই লাশ
আজকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছানো সহ তার দাফন-কাফন সহ সবকিছুই আমরা সম্পন্ন করে আসছি এবং এটা হয়তো এই বাংলাদেশে প্রথম আমি আমরা ইনশাআল্লাহ চেষ্টা করব আমাদের সমস্ত দক্ষ শ্রমিক তৈরি করে আমরা বিদেশে পৌঁছাব যাতে বিদেশে গিয়ে যেন আর হ্যাসল না হয় ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ওসামদ নাজমুন্নাহার মহিলা 49
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমার প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার জানামতে প্রবাসী নারী শ্রমিকদের কেউ কেউ এখনো বৈদেশিক কারাগারে রয়েছেন তাদেরকে ফিরিয়ে আনার কোন পরিকল্পনা আছে কি? ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার এ যাবৎ পর্যন্ত আমরা বিভিন্ন দেশে যারা কারাগারে আছেন আমরা আমাদের প্রবাসী আমাদের এম্বেসির মাধ্যমে
যোগাযোগ করছি এবং ইতিমধ্যে অনেককে আমরা নিয়ে এসেছি এবং এই ধরনের কোন ইনফরমেশন পেলে আমরা আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় আমরা একটা ইমেইলের আমরা ব্যবস্থা রেখেছি যারা ইনফরমেশন দিবেন সঠিক ইনফরমেশন দিলে আমরা আমাদের আমাদের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে আমরা অবশ্যই আমরা আমাদের এদেরকে নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ। তারকা চিন্তিত প্রশ্ন 2001
176। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ রুহুল আমিন দুলাল পিরোজপুর তিন উত্থাপন করুন। আমি জানি না। তোর এতো আমার না। না। এটা
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার তারকা সেনিত প্রশ্ন 2176 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি আমার নির্বাচনী এলাকা 129 পিরিসপুর
মোটবাড়ি উপজেলাটি সর্বদক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি বিভিন্ন সময় ঘূর্ণিঝড় বন্যা ও সামান্য ঝড় হওয়ায় জ্বর হওয়ায় বিদ্যুৎ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় উক্ত সময় বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন রাস্তায় চলাচল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে মুসল্লীদের সহায়তায় বিঘ্ন সৃষ্টি হয় বিধায় আমরা আমার নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান সমূহে
সোলার প্যানেল স্থাপন করিবার কোন পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা ধন্যবাদ মাইনস পি। দুই যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য ধন্যবাদ। আমাদের যে টিয়ার প্রকল্প রয়েছে সেই টিয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে উনি সোলার প্যানেল স্থাপন করতে পারবেন। তার বাইরে উনি সিসি ক্যামেরা বিভিন্ন জনবহুল স্থানে সেটা স্থাপন করতে পারবেন।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মোহাম্মদ উল্লাহবিন দুলওয়াল একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার, আসলে আমাদের এলাকা সর্বদক্ষিণে এবং বিভিন্ন সময় আমাদের যে টিয়ারের যে স্বাভাবিক বরাদ্দ দেওয়া হয় আমি মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকাশক
এটাই বলতে চাই, এই সোলারের বিষয় জানি একটু স্পেশাল বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রী মাননীয়
স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা আমাদের যে বাৎসরিক যে বরাদ্দটা আমরা পেয়ে থাকি বাজেটের মাধ্যমে গত আর্থিক বছরে আমরা মাননীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে আমরা চেষ্টা করেছি কিছু বরাদ্দ দেয়ার জন্য। যেহেতু আর্থিক বরাদ্দ এ বছর আমরা পেয়েছি। আমরা হয়তো শীঘ্রই সে বরাদ্দ দিব। তো মাননীয় সংসদ সদস্য যেহেতু বলছেন যে সোলার প্ল্যানের জন্য আলাদা কোনো বরাদ্দ দেওয়ার বিধান নাই। ওটি উনি উনার স্থানীয়ভাবে এই
টিয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে যেমন স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দিরে বরাদ্দ দিতে পারবেন। এই প্রকল্পের আওতায় উনি সোলার এবং সিসি ক্যামেরা স্কুলের ল্যাপটপ ও উনি দিতে পারবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য মোঃ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। সোলারের কথা বললে প্রেসিডিয়ামের
উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম তখন ওই কথা মনে পড়ে। মাননীয় স্পিকার তখন নির্দিষ্ট কয়েকটি কোম্পানিকে কন্টাক্ট দিয়ে মার্কেট ডেটের তিন গুণ টাকা দিয়ে রাষ্ট্রের টাকা অপচয় করা হতো। আমি অনুরোধ করব ওই জাতের এই দুর্নীতিপরায়ন কোন কোম্পানিকে কন্টাক্ট না দিয়ে টিয়ার এবং সরাসরি কাভিটা কাভিটার মাধ্যমে এ এ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা স্বাধীনবাদ জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আমার এলাকার এক লাখের মতো মানুষ পানি তো বন্দি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আমি দৃষ্টা
আকর্ষণ করছি। বাসকালের মানুষ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে আছে। উনি যাতে বাস্তবহারা সেই ঘরের খারাপ মানুষগুলোর আশ্রয় দিতে পারে। কিছু জরুরী ভিত্তিতে টিন এবং গৃহ সামগ্রী বরাদ্দ দিয়ে বাসকালের মানুষগুলো যাতে বাঁচাতে পারে। এখনো পর্যন্ত মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মানুষগুলো পানিতে বন্দি। মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে গতকাল গিয়েছিলাম। আজকে গিয়েছিলাম। উনার বরাদ্দের স্পেশাল দেয়া হয় মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে উনার বাসকালের
চাইতে আলাদা বরাদ্দ দেয়ার প্রস্তাবনা আছে কিনা এই অনুরোধ আমার কাছে এই প্রশ্নটি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার আছে। মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ করেছেন অভিযোগটা অনেকখানি সত্য গত সরকারের মানে গত মানে আওয়ামী সরকারের আমলে এই প্রজেক্টটা পরিচালনা করা হয়েছে বিভিন্ন অঞ্চলে এই সোলার প্যানেল এটি অকার্যকর উনি বলেছেন যে
দুর্নীতিবাজ বা দুর্নীতিপরাণ কোন কোম্পানিকে দেয়া হয়েছিল। আমরা সেজন্য ওই প্রজেক্টটাকে আমরা চলমান রাখি নাই। আমরা চাচ্ছি যে সংসদ সদস্যরাই তার এলাকায় তারা এটা টিয়ার প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করবেন। আর উনি যে প্রশ্নটা নিয়ে এসেছেন এটা আমি আমি বিবৃতি দিব। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। 20177 তারা কয় চিহ্নিত প্রশ্ন মোহাম্মদ গোলাম রসুল যশোর চার
উত্থাপন করুন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন মাননীয় খাদ্যমন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলিবেন কি সরকারী খাদ্য গোদামে চাইলো গোদাম ক্রয়ের সময় যে মানদণ্ড নির্ধারণ করা হয় তা বিতরণের সময় অনুরূপ করা হচ্ছে না কেন সরকার কি তা পরিবেক্ষণ করে ক্রয়কালীন সর্বোচ্চ মানের খাদ্যশস্য গোদামে প্রবেশ করার পর বিতরণের সময় নিম্নমানের খাদ্য বের হওয়ার অভিযোগ সম্পর্কে
সরকার অবগত কিনা? যদি অবগত হন এই অনিয়মের জন্যে কর্মকর্তা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এপর্যন্ত কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে? গোদামে খাদ্য শস্য প্রতিস্থাপন বা মানহানি রোধে সরকার ভবিষ্যতে কি পদক্ষেপ নেবে? মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আব্দুল বারী। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদসদস্য মহোদয়কে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার সরকারি খাদ্য
গুদামে চাল ও গম ক্রয়ের সময় যে মানদণ্ড নির্ধারণ করা হইতেছে বিতরণের সময় সেই মানদণ্ড অনুসরণ করা হইতেছে তবে চাল গুদামে দীর্ঘদিন মজুদ থাকিবার ফলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুণগত মান স্বাভাবিক ভাবেই পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হইয়া আছে এছাড়া ক্রয়কালীন সর্বোচ্চ মানের খাদ্য শস্য গুদামে প্রবেশ করিবার পর বিতরণের সময় নিম্নমানের খাদ্য বাহির হওয়ার অভিযোগ সব সময় সঠিক নয় গুদামে
খাদ্যশস্য সংরক্ষণের পর স্বাভাবিক নিয়মে মানের কিছু অবনমন হইতে পারে যা প্রতিরোধে সরকারি প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তদুপরি কোন কর্মকর্তা কর্মচারী গাফিলতের কারণে খাদ্যশস্যের গুণগত মান গ্রহণযোগ্য মাত্রা নিম্নে নামিলে দায়ী কর্মকর্তা কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার ওজু সহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইতেছে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মোহাম্মদ গোলাম রসুল একটি সম্পূরক প্রশ্ন করতে পারেন। মাননীয় স্পিকার
আপনাকে ধন্যবাদ। এ বছর কৃষককে তার ধানের উপযুক্ত মূল্য দেবার জন্যে সরকার প্রতি মণ ধানের মূল্য নির্ধারণ করে ছিল 1,440 টাকা। আমার নির্বাচনী এলাকা
এলাকা 88 জসুদ চার দুইটা উপজেলা আছে বাগারপাড়া এবং অভয়নগর উপজেলা দুইটা উপজেলায় যে ক্রয় কমিটি সেই ক্রয় কমিটির মিডি আমি ছিলাম কিন্তু সেখানে যে সরকারের নির্দেশনা ছিল তাতে দেখা গেল যে ধান শুকনো হইতে হবে চিটে থাকা চিটে থাকলে হবে না চিকুন ধান হতে হবে তার যে নিয়মকানুন অত্যন্ত কঠিন এবং সেই নিয়মকানুন মেনটেন করেই খাদ্য গোদামে সেখানে ধান ক্রয় করা হয় এবং চাল ক্রয় করা হচ্ছে কিন্তু তাদের কাছে যখন
আমি প্রশ্ন করলাম যে সরকার গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর অসচ্ছল মানুষের মাঝে যে চাউল বিতরণ করে ভিজিএফ এর মাধ্যমে টিসিবি অথবা ওএমএস অথবা কাবিকার মাধ্যমে যে প্রকল্পগুলো দেয়া হয় এখানে যে চাউল গুলো আসে একেবারে নিম্নমানের সেটা খাওয়ার অনুপযুক্ত প্রশ্ন করুন মাননীয় সদস্য কাজেই আমি বলতে চাই যে অতীতে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময় যেভাবে দুর্নীতি ছিল এখনো ঠিক সেভাবে এই
জায়গাটা দুর্নীতিমুক্ত হতে পারেনি। কত সময় নাগাদ বা কতকাল নাগাদ এই জনগণ আমরা যে খাদ্য শস্য খাদ্য গোদামে দিচ্ছি সেই খাদ্য গোদামে সেই ভালো ভালো খাবারটা মানুষ পাবে গ্রামের মানুষ পাবে এটা আমি জানতে চাই কারণ সেখানে আমি প্রশ্ন করেছিলাম কর্মকর্তাদের আমরা যে এত ভালো চাউল কেনার ব্যবস্থা করছি এত ভালো চিকন ধান কেনার ব্যবস্থা করছি কিন্তু যখন বিজিএফের চাউল দেয়া হয় অথবা কাভিকার কাভিটার যে চাউল দেয়া হয় এগুলো বাজারে বিক্রয় করা যায়
তাহলে মাঝে এই ধান এবং চাল গুলো কোথায় যায় তার কোন উত্তর কিন্তু তারা দিতে পারেনি মাননীয় স্পিকার এজন্য মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমি প্রশ্ন করতে চাই তখন এটা দূর হবে অনেক লম্বা প্রশ্ন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী কবে নাগাদ ভালো চাল দেবেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এখানে উনি যে মাননীয় সংসদ মহোদয় যে প্রশ্ন করেছেন ধানের ক্ষেত্রে আদ্রতা 14% বিজাতীয় পদার্থ 0.5%
বিভিন্ন জাতের ধানের মিশ্রণ 8% অপুষ্ট দানা 2% ও চিটা 0.5% মাননীয় স্পিকার এই মানদণ্ড অনুযায়ী যদি ধান ক্রয় না করা হয় তাহলে সেই ধান থেকে যে চাল আসবে সেই চালটি কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ভালো চাল আসবে না এজন্য এই মানদণ্ড রাখা হয়েছে আর মাননীয় সংসদ সম্পাদক যে কথা বললেন এখানে সর্বোচ্চ স্বত্বতা এবং স্বচ্ছতার সাথে
ধান চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে। সারাদেশে সর্বনিম্ন তিন বস্তা এবং সর্বোচ্চ তিন টন পর্যন্ত ধান কৃষক ভাইয়েরা দিতে পারেন এবং এটি মাননীয় সংসদস্য মহোদয়গণ অবগত আছেন এবং তারা অনেকেই ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সহায়তা করছেন, পরামর্শ দিচ্ছেন। চাল সংগ্রহের ক্ষেত্রে একই ধরনের আমাদের মানদণ্ড আছে। চাল সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং ব্যাপকভাবে চাল আরো বেশি সরবরাহ করার জন্য বিভিন্ন জায়গা থেকে
মাননীয় স্পিকার অনুরোধ পাওয়া যাচ্ছে আমরা এপর্যন্ত যে সংগ্রহ আমাদের হয়েছে এখন বর্তমানে যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ এখানে 18 লক্ষ 29 হাজার 387 মেট্রিক টন চাল 3 লক্ষ 28 হাজার 495 টন গম 2 লক্ষ 3694 মেট্রিক টন ধান অর্থাৎ চালের আকারে 22 লক্ষ 90 হাজার
277 মেট্রিক টন খাদ্য শস্য আমাদের মজুদ আছে এটি আমাদের দেশে যেকোনো সময়ের চেয়ে সর্বোচ্চ অর্থাৎ সকলেই আমাদের কৃষক ভাইয়েরা ধান দিতে পারছেন মিলাররাও চাল দিতে পারছেন মাননীয় সংসদ মহোদয় যে অভিযোগটি উত্থাপন করলেন আমি ব্যক্তিগতভাবে সেই অভিযোগটি তদন্ত করে দেখবো এবং যদি কোন ব্যক্তি দোষী হয় তাকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে এবং খাদ্যের কোথাও কোথাও মাননীয় স্পিকার
খাদ্যের এধরনের মজুদের ক্ষেত্রে হয়তো তাদের গাফিলতের কারণে কখনো কখনো এধরনের সমস্যা হয়েছে এজন্য বেশকিছু কর্মকর্তাকে আমরা শাস্তির আওতায় নিয়ে এসেছি এবং কয়েকজন একজনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং পাঁচজনকে বিভিন্ন ভাবে তাদেরকে শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে বিভিন্ন জায়গাতে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ সাফিকুন্নাহার মহিলা আসন 39
মাননীয় স্পিকার, আমাকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। আমার প্রশ্ন হচ্ছে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি আপনার মাধ্যমে সেটা হচ্ছে যে আসলে খাদ্য আমরা জানি যে খাদ্য ছাড়া মানুষের জীবন মৃত্যু স্বাভাবিক কিন্তু আমরা আজকে বাজারে দেখতে পাচ্ছি যে খাদ্য রয়েছে বিশেষ করে এই ফলের মৌসুম ফলের রাজ্যে পৃথিবী গোদ্রময় কিন্তু কোন ফলটি যে কিনবো কোনটি যে ফরমালিন মুক্ত কোনটি যে আমার স্বাস্থ্যের জন্য
উপকারী সেটা আমরা ডিসাইড করতে পারি না। তো এই অবস্থা কতদিন চলবে? আসলে আমরা যেটা দেখি যে আমাদের মাদকের মধ্যে ভেজাল নেই কিন্তু খাদ্যের মধ্যে ভেজাল। এটা বড়ই আশ্চর্যজনক বিষয়।
ভেজালের দুনিয়া কিন্তু মাদকে কিন্তু ভেজাল নেই। তো আমি মাননীয় আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার প্রশ্ন যে আমরা এই ভেজাল মুক্ত খাদ্য এটা নিশ্চিত করণে কি ধরনের পদক্ষেপ রয়েছে খাদ্যের মান সংরক্ষণ এবং জনগণ যেন ভেজাল মুক্ত খাদ্য গ্রহণ করতে পারে সেটা সামান্য হোক এ ব্যাপারে আমি আপনার মাধ্যমে মন্ত্রী মহোদয়ের পদক্ষেপ জানতে চাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় প্রতিমন্ত্রী।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের দেশে এই খাদ্যে ভেজাল এর কারণে বিভিন্ন ধরনের অসুখ যেমন ক্যান্সার, কিডনি থেকে শুরু করে ব্যাপকভাবে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি সম্পর্কে অত্যন্ত কনসার্ন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গতকালই এই
ভেজাল বিরোধী অভিযানগুলো পরিচালনার জন্য একেবারে ক্ষেত্র পর্যায়ে যারা কাজ করেন মোবাইল কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেট তাদের সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে নিয়ে প্রায় তিন ঘন্টা এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন এবং কিভাবে এই ভেজাল মুক্ত করা যায় খাদ্যদ্রব্যকে সেজন্য মোবাইল কোর্ট পরিচালনা সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে একটি মোট অন্যান্য বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য এবং কি করা যায় এ সম্পর্কে
প্রকৃত পরামর্শ প্রদানের জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন মাননীয় জনপ্রশাসন উপদেষ্টা মহোদয়ের নেতৃত্বে এবং আমরা গতকালই সেই কমিটির একটি মিটিং করেছি এবং সেই মিটিং থেকে আমরা কিছু কিছু বিষয় সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে যারা এই ভেজাল মুক্ত খাদ্য যাতে পরিবেশন না হয় এজন্য যারা কাজ করেন বিএসটিআই ভোক্তা অধিকার সহ আমাদের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে আছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ আমরা সম্মিলিত
ভাবে এটি একটা প্রচেষ্টার উদ্ভাবন করব এবং সেই অনুযায়ী চেষ্টা করা হবে এবং আমি ব্যক্তিগত মনে করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা এই ভেজাল মুক্ত খাদ্যদ্রব্য ভেজাল মুক্ত করতে যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা দরকার সেই পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সচেষ্ট হবো এবং সব ক্ষেত্রেই যেহেতু আমরা সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা জবাবদিদার সাথে এ সরকার কাজ করছে এবং সকল ক্ষেত্রেই যেহেতু সাকসেস অর্জন করার জন্য প্রচেষ্টা
শুরু হয়ে ইনশাল্লাহ এক্ষেত্রে আমরা সাকসেস হবো এই আশাবাদ ব্যক্ত করি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 2,100
উত্তাপনী উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট তিন কে আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার সংসদের অভিমত এই যে সিলেট জেলার ফেন্সিগঞ্জ বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব অনেক কার্যক্রম আছে সামনে জি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বিষয় হচ্ছে কি আমাদের গোবিন্দগঞ্জে
একটা কথা আছে যে যার যে এলাকা সেই দিকে টানে মানে বিভিন্ন সময় বিগত সংসদ নির্বাচনগুলোতে জান্নাতের পদদেশের দিকে টানে ওখানে আসলে আরেকটা সেটা গতদিনের যে কথাটা ছিল অনেকে বলে জান্নাতের ঢুকতে ঢুকতে নাকি ঢুকতে পারি নাই পাদদেশে অবস্থান করছে যাই হোক সেটা অন্য বিষয় তো মাননীয় স্পিকার সেটা হয় কি বলে কি যেমন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এমপি সাহেবরা যখন ছিলেন ভোটে বা বিনা ভোটে তো তাদের ভৌগলিক অবস্থান হাইওয়ের পশ্চিম
পূর্ব নদী ভাঙ্গা এলাকা এগুলো কিছু ব্যাপার আছে তবে আমরা যেহেতু ভোট দিলে ধানের শীষে দেশ গড়বো মিলেমিশে এই ব্রততে আমরা শপথ নিয়েছি আমরা শপথ গ্রহণের পরে সর্বপ্রথম বিগত দুইজন এমপি সাহেবের এলাকায় প্রথম ফুলপুকুরিয়া ডিগ্রি কলেজ কে কলেজকে ডিগ্রি করা হয়েছে মনীষ স্পিকার আলহামদুলিল্লাহ তারপরে এখন এইবার এই যে নির্বাচন করলাম আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যিনি ছিলেন তার এলাকায়
ওখানে আপনার চারটা ইউনিয়ন রাখালবুরুজ তালুকদারপুর নাকায় হরিরামপুর এই চারটা ইউনিয়নে প্রায় 1 লক্ষ 30,000 লোকের বসবাস ওখানে কোন কারিগরি কলেজ নেই মাননীয় স্পিকার অন্যান্য এলাকাগুলোতে আছে কিন্তু এলাকায় নেই এবং এখানে আমাদের এই কারিগরি শিক্ষাবান্ধব যে সরকার আমি প্রস্তাব করছি যে ওখানে একটি কারিগরি কলেজ করা হোক এবং এমন আছে ওখানে আপনার হরিরামপুর ইউনিয়ন সে প্রার্থীর ইউনিয়ন নিজের ইউনিয়ন সেখানে বাজুনিয়া পাড়ায় আপনার বটতলী
পাকা রাস্তা সংলগ্ন চৌমাথায় একটা দাখিল মাদ্রাসা করার কথা ছিল কিন্তু যদিও বিগত জোট সরকারের আমলে ওইটা উদ্যোগ নেয়া ছিল ফ্যাসিজ সরকার সেটা করতে দেয়নি তাদের নিজস্ব ছয় বিঘা জমি এখনো আছে তো সেটা করার জন্য সেটার প্রস্তাব রাখছি মাননীয় স্পিকার আরেকটা হল ধান মানতে শিবের গীত বলতে চাচ্ছিলাম সময় যেহেতু ঘড়ির কাটা ঘুরে যাচ্ছে আর বলা হলো না মাননীয় স্পিকার আশায় আছি কোনদিন সূর্য আমার জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে মানে সময় দাঁড়িয়ে মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাব
উপরে 10 জন মাননীয় সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন আমি তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন এবং সংশোধনের উপরে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি সময় এক মিনিট মোহাম্মদ আলী আজগর পাবনা 3 ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি জনাব মোঃ শামীম কায়সার মাননীয় সংসদ সদস্য গাইবান্ধা চার মহোদয়কে আমি
ধন্যবাদ জানাই এবং তার প্রস্তাবের সাথে আমি একমত পোষণ করি করছি এবং আমি কিছু সংশোধনী দিয়েছি মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা পাবনা তিন এখানে চার তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত চাটমোহর ভাঙ্গুরা ফরিদপুর আমি চাটমোহর ভাঙ্গুরা ফরিদপুরে তিনটি আলাদাভাবে কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কারিগরি শিক্ষার বিকল্প নেই কারিগরি শিক্ষা কর্মুখী শিক্ষা
বাস্তবমুখী শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষা ব্যতীত দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই কারিগরি শিক্ষার অভাবে হাজার হাজার উচ্চ শিক্ষিত যুবক বেকার ছদ্দবেকার হয়ে পরিবার সমাজ ও ও জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাই কারিগরি শিক্ষা কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 1 মিনিট বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি জনাব শামীম কায়সার সাহেবের উত্থাপিত প্রস্তাবটি সম্পর্কে সংক্ষেপে বলতে চাই আমার শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তের সর্ববৃহৎ একটি উপজেলা প্রায় 60 ভাগ বোন সম্বলিত আমার উপজেলাটি এখানে জনগণ অধিকাংশ এই সুন্দরবনের নির্ভরশীল এখানে যুবকেরা এরা এদের কোনো কার্যক্রম হাতে নাই লেখাপড়ার দিক থেকে তারা এগিয়ে গেলেও
কারিগরি এদিক-দিকে তারা অনেক অনুন্নত সবাই অনুন্নত আমি চাই আমার সামনগর উপজেলার এই যুবকদের জন্য যারা মদ গাজা জুয়ার দিকে পরিবেষ্ট না হয়ে কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তারা হাতে কলমে কাজ করে উপার্জন করতে পারে এজন্য আমি একটি কারিগরি কলেজ সামনগর স্থাপনের জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ রেহানা আক্তার রানু মহিলা আসন চার সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
গাইবান্ধা চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামীম কাইসার কর্তৃক উত্থাপিত ও আলোচ্য সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি সমর্থন করে আমি একটি সংশোধনী প্রদান করেছি। মাননীয় স্পিকার
যে দেশ যত বেশি উন্নত সেই দেশ তত বেশি কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত। বর্তমানে দেশে বিদেশে কর্মসংস্থানে দক্ষ মানবসম্পদের চাহিদা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারিগরি শিক্ষার অভাবে তরুণ জনগোষ্ঠী দক্ষতা অর্জন করতে পারছে না বলে দেশে এবং বিদেশে প্রতিযোগিতায় তারা পিছিয়ে আছে। এই কারণে প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি কলেজ স্থাপন অতি জরুরী। মাননীয় স্পিকার, আমার প্রদত্ত সংশোধনী হচ্ছে মূল প্রস্তাবের গোবিন্দগঞ্জ কারিগরি কলেজ শব্দগুলি
পর ফেনি জেলার সোনাগাজী এবং পশুরাম শব্দগুলি ও একটি শব্দের পর কোরিয়া শব্দটি সংযোজন করা হোক। মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী সহ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃক গ্রহণ করার জন্য। নিলফর চৌধুরী মনি মহিলা আসন 10 সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে জনাব মোহাম্মদ শামীম কাসারের প্রস্তাবকে আমি সমর্থন করলাম এবং সেই
সাথে আমি বলতে চাই মাননীয় স্পিকার, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য ভবন সংখ্যা বা কাঁচাপাকা দিয়ে নির্ভর করে না। সাফল্য নির্ভর করে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি এবং অর্জিত দক্ষতা দিয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপান এবং জার্মানির বিস্ময়কর উন্নতির প্রধান সূত্র হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা। জাপানে 73% জার্মানিতে 71% বাংলাদেশে আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি বাংলাদেশে যদি কারিগরি শিক্ষা প্রতিটি উপজেলায় যদি প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে বাংলাদেশে আগামী দিনে
অনেকটা উন্নতির দিকে ধাবিত হবে এবং সেই সাথে আমি শামীম কাইসারের সাথে আমি এক হয়ে বলতে চাই যে জামালপুর জেলার যে কয়েকটি উপজেলা আছে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সেখানে কারুগারী কলেজ যেন প্রতিষ্ঠিত হয় সেটাই আপনার কাছে আমাদের আরজি আমরা বিশেষ করে জামালপুরের আপনার জামালপুর সদর সানসিলা জেবরিন মহিলা আসন 15 সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আমাকে সুযোগ দেয়ার জন্য
আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ধন্যবাদ জানাই মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব শামীম কাইসার 32 গাইবান্ধা চারকে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপন করার জন্য। আমি মাননীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করার জন্য সংশোধনী দিয়েছি। আমার সংশোধনী হলো মূল প্রস্তাবের পরে আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর জেলার শেরপুর সদর উপজেলার লসমনপুর ইউনিয়নে একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করা হোক। মূল প্রস্তাব সহ আমার সংশোধনী গ্রহণ করবেন এই আশা নিয়ে মাননীয় মন্ত্রী
বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কারণ শেরপুর সদরের চরাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর বন্যা ও ব্রহ্মপুত্র নদ ভাঙ্গনের কারণে তাদের জীবিকা প্রায় অনিশ্চিত হয়ে পড়ে তাই বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বিদেশে দক্ষ কর্মী হিসেবে কাজের সুযোগ বাড়াতে চরাঞ্চলে কারিগরি শিক্ষার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরী বলে মনে করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শামীম কাইসার 32 গাইবান্ধা চায়ের এর উত্থাপনীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সাথে আমি একমত পোষণ করে আমি আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগরে একটি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন রাখছি আজকের এই মোঃ শামীম কাইসারের প্রস্তাবের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সাথে গাইবান্ধা
জেলার গোবিন্দগঞ্জ জেলার একটি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার এই শব্দটি একটি এই শব্দগুলি সংযোজন করা করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী 2 1 মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। জনাব মাননীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কাইসার যে প্রস্তাব দিয়েছেন আমি সেই প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করি আমার প্রিয় বাউফল উপজেলা
সেখানকার বিষয়ে শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিবছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা এসএসসির সমমান পাশ করছে। সরকারি পর্যায়ে একটি পূর্ণাঙ্গ টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ না থাকায় পটুয়াখালী কিংবা বরিশাল গিয়ে তাদেরকে পড়াশোনা করার জন্য উদ্যোগ নিতে হয় যেটা আর্থিক কারণ অনেক সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না। এ সমস্ত ক্ষেত্রে ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিক্যাল, সিভিল, কম্পিউটার, অটোমোবাইল, কৃষি প্রযুক্তি, রেফ্রিজারেশন, আইটি বিষয়ে যদি দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা যায় তাহলে আমরা যেটা জানি স্কিল ইজ দ্যা কি টু সাকসেস এই জায়গায়
আমরা নির্ধারণ করতে সক্ষম হবো। আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করতে চাই যে আমাদের স্থানীয় শিল্পকৃষি উদ্যোক্তার পাশাপাশি নারীদের কারিগরি এই অংশগ্রহণ এবং উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি করার জন্য বাউফল একটি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীল ফামারি 2 1 মিনিট নাই। কাজী রফিকুল ইসলাম
গুড়া এক, এক মিনিট। হ্যাঁ, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য শামীম কাইসার
গাইবান্ধা চার তার মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী হলো বগুড়া জেলার সারিকান্দি ও সোনাতলা সব শব্দগুলি সংযোজন করা হোক। মাননীয় স্পিকার বগুড়া জেলার সারিকান্দি সোনাতলা উপজেলা একটি করে সরকারি কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হোক। জনশক্তি একটি দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ কিন্তু এই দুই উপজেলার হাজার হাজার শিক্ষার্থী কারিগরি শিক্ষার থেকে বঞ্চিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সামনের ভীষণ কারিগরি শিক্ষায় বেশিরভাগ মেধাবী ছাত্র
এবং যারা আজকে বিভিন্ন ভাবেই আজকে চাকরি থেকে বঞ্চিত তাদেরকে এই কারিগরি শিক্ষা শিক্ষিত করতে হবে। সেই লক্ষ্যে সারিকান্দি সোনাতলার কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে স্থানীয় যুব যুবসমাজ আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা লাভ করবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। বিদেশে দক্ষ জনসা মোহাম্মদ জাহানদার আলী মিয়া মাদারীপুর দুই সময় এক মিনিট মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ
আজকে আমাদের মূল প্রস্রাবের পরে মাদারপুর জেলার রাজর উপজেলা শব্দটি সংযোজন করা হোক মাননীয় স্পিকার আজকে মাদারপুর রাজর আমার দুই আসন 219 মাদারপুর দুই এই অঞ্চলে অত্যন্ত যুব সমাজ মাদকের উপরে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন আমি এই কারণে বলবো যে মাদারপুর রাজরে একটা
একটা কারিগরি কলেজ নির্মাণ করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং তার উপর আনীত সংশোধনীগুলোর উপর মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডক্টর আনোম এহসানুল হক মিলনকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এবং মাননীয় সংসদ সদস্য
সদস্যগণ সকলেই তার নিজ নিজ এলাকায় কারিগরি শিক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। এই গুরুত্বের আলোকে বর্তমান সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন বাজেটে আমাদেরকে এই টেকনিক্যাল এডুকেশন সেক্টরে গত বছরের বাজেটের চেয়ে আরো 6000 কোটি টাকা উন্নীত করেছেন অর্থাৎ সর্বমোট এই টেকনিক্যাল সেক্টরে উনি 18000 কোটি টাকা বাজেটে উন্নীত করেছেন।
সেই সাথে উনি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং কারিগরি শিক্ষাকে অধিকরক গুরুত্ব দিয়েছেন। সেই আলোকে আমরা কাজ করে চলছি। মাননীয় সংসদ সদস্যদের প্রত্যেকের এলাকার বিবরিৎ দেখলে দেখা যায় কোনো না কোনো ভাবেই আমাদের বিভিন্ন প্রজেক্টে সেখানে কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। সংসদ সদস্য জনাব প্রস্তাবটা কি বললেন না? লিংকন সাহেবের
প্রস্তাবকারী শামীম কায়সার লিংকন সাহেবের এলাকাতেই ইতিমধ্যে একটি টেকনিক্যাল স্কুল রয়েছে তবুও তিনি আশা করছেন পার্শ্ববর্তী চারটি ইউনিয়ন সংলগ্ন 1 লক্ষ 27000 জনবহুল এলাকায় তিনি সেখানে আরেকটি দাবি করেছেন আমাদের টেকনিক্যাল স্কুল 100 একটা প্রজেক্ট রয়েছে সেখান থেকে তিনি পেয়েছেন এছাড়া আরেকটি প্রজেক্টে 300
কাজ চলছে যারা যারা অন্যরা যারা বলেছেন আমি আশা করি সেখানে রয়েছে ইতিমধ্যে আমি দেখেছি যে উনার এখানে চারটি ইউনিয়নে 20 টি মাধ্যমিক নয়টি দাখিল দুটি কলেজ একটি আলিম মাদ্রাসা একটি ফাজিল মাদ্রাসা রয়েছে ইতিমধ্যে আমরা সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন স্কুল কলেজ এবং মাদ্রাসায় আমরা ভোকেশনাল ভোকেশনাল দিয়েছি সেই ভোকেশনাল গুলোতে বৃত্তি দেওয়া হয়
পেয়ে শুনে খুশি হবেন যে এই ভোকেশনাল গুলোতে মাসিক উপবৃত্তি দেওয়া হয় 500 টাকা করে এবং শিক্ষা উপকরণ জন্য দেওয়া হয় 1000 টাকা করে ফর্ম ফিলাপ বাবদ দেওয়া হয় আরো 1000 টাকা করে এই যে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে কারিগরি শিক্ষায় কারিগরি শিক্ষা যেন বাংলাদেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে সাহায্য করে আমরা জানি উন্নত বিশ্ব মানবসম্পদ ফুরিয়ে যাচ্ছে কিন্তু আমাদের দেশে মানবসম্পদ বেড়ে চলছে সেই আলোকে কর্মদক্ষ
মানবসম্পদ তৈরি করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি রয়েছেন আমি আমার এখানে দেখতে পেয়েছি যে যেই পরিমাণ স্কুল উনার রয়েছে মাদ্রাসা রয়েছে যদি মাননীয় সংসদ সদস্য মনে করেন আমরা এসএসসি ভোকেশনাল এবং দাখিল ভোকেশনাল আলিম ভোকেশনাল এবং এসএসসি ভোকেশনাল উনার ওই চারটি ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়ার মত আমাদের অবস্থান রয়েছে তাছাড়া অন্যান্য মাননীয় সংসদ সদস্য যারা বলেছেন তাদেরকে
আমাদের সেই সক্ষমতা রয়েছে এসএসসি, এইচএসসি, দাখিল এবং আলিম ভোকেশনাল দেওয়ার এবং প্রত্যেকটি উপজেলায় একটি করে কারিগরি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করার ব্যবস্থা আমাদের
রয়েছে সারা বাংলাদেশের 64 টি জেলায় এই যাবৎ 51 টি ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট রয়েছে এবং টেকনিক্যাল কলেজ ইতিমধ্যে 161 টি রয়েছে তারা যদি আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন এবং ডিউ লেটার দেন তাহলে যে যে এলাকায় এই টেকনিক্যাল কলেজগুলো নেই সেখানে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদেরকে দিতে পারবো ইনশাল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী আপনি সদস্য শামীম কাসারকে কোনো
অনুরোধ করবেন কিনা? আমি উনার পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পরে যা দেখেছি উইথড্র করার তেমন প্রয়োজন নেই কারণ উনি টেকনিক্যাল কলেজ পেয়েছেন আরেকটি চেয়েছেন সেই জন্যই এই দ্বিতীয় প্রস্তাবটি আমি উনাকে বলব উইথড্র করতে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য মোঃ শামীম কায়সার
আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আলহামদুলিল্লাহ মাননীয় মন্ত্রী যথার্থই বলেছেন যে সেখানে যে স্ট্যাটিস্টিক দিয়েছেন তবে সেখানে আসলে কোন কারিগরি কলেজ নেই এক্সিস্টিং যে কলেজ আছে একটা মহিলা স্কুল এন্ড কলেজ এবং আরেকটা কলেজ এখানে
আপনার কারিগরি ট্রেডের বিষয় হতে পারে তবে আমাদের যেহেতু নিজস্ব আরেকটা প্রতিষ্ঠানের জমি সহ আছে আমি মাননীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ করব উনার আশ্বাসের ভিত্তিতেই সেখানে একটু পর্যালোচনা করে সেখানে একটি কারিগরি কলেজ দেয়া যায় কিনা সে ব্যাপারে বিবেচনা করতে বলব আর আরেকটা বিষয় হল যে উনি যে এই আমার এই প্রস্তাবের ভিত্তিতে উনি বাকি সমস্ত আসনের জন্য যে উনি ওপেনলি বলে দিয়েছেন যে আমরা ট্রেড দিব
ভোকেশনাল ট্রেডগুলো এটাই সরকারের যে একটা মাইল ফলক হতে যাচ্ছে এটা ঘোষণা দেয়ার জন্য উনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমার এলাকার পক্ষ থেকে যেহেতু ধান ভানতে শিবের গীত গাইতে পারিনি মাননীয় স্পিকার দেশনীতি বেগম খালেদা জিয়া 1991 সালে গোবিন্দগঞ্জের মহিলা কলেজ দিয়েছিলেন সেটা আজকে হাটি হাটি পা পা করে 35 বছরে একমাত্র সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ গোবিন্দগঞ্জ মহিলা ডিগ্রি কলেজ হয়েছে বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সিদ্ধান্ত করে
সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পূর্ণ। আমলে যেহেতু দেশনীতি বেগম খালেদা জিয়া দিয়েছিলেন এ কারণে তারা এটাকে জাতীয়করণ করেনি। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী আমরা একই বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা করেছি। সেই দিক থেকেও একটু দাবি রাখবো যে এদিকে একটু দৃষ্টি রাখবেন এবং যেহেতু কারিগরি কলেজ করার ব্যাপারে তিনি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দিয়েছেন সেই কারণে আমি সন্তুষ্ট হয়ে এবং সেই আশায় থেকে এবং পাশাপাশি যেগুলো বললাম সেগুলো একটু মাথায় রাখবেন সেই আশায় থেকে আমি আমার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। কার্যপণালী বিধির এক উপবিধি মতে প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন। আমি প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ শামীম কাইসার গাইবান্ধা চার কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর এক, সংসদের অভিমত এই যে গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগড়
উপজেলায় একটি কারিগরি কলেজ স্থাপন করা হোক শীর্ষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়ে অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাব দিয়ে প্রত্যাহিত হলো
আমি এখন মাননীয় সদস্য মোঃ শওকতুল ইসলাম মৌলভীবাজার দুই কে তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান করছি এখন আপনি উত্থাপন করুন পরে বক্তব্য রাখার সুযোগ পান এটি উত্থাপিত হয়ে আপনি বক্তব্য রাখতে পারেন আপনার সময় দুই মিনিট মাননীয় স্পিকার সময়ের দিকে একটু বিবেচনা
করবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আজ আমি এই মহান সংসদে আমাদের দেশের অর্থনীতি ও ঐতিহ্যের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি চা শিল্পের শ্রমিকদের অধিকার ও তাদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দাবি উত্থাপন করছি। যা আমাদের একটি অন্যতম প্রধান রপ্তানি দ্রব্য। এই সোনালী পাতা উৎপাদন করে যারা দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছেন সেই লাখ লাখ শ্রমিক আজ চরম অবহেলা ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছেন।
বর্তমানে তারা দৈনিক 187 টাকা মজুরি পান। ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে তাদের কাজ করতে হয়। চরম দ্রব্যমূল্যের বাজারে কোনো ভাবেই একটি সাধারণ পরিবারের মধ্যে বেঁচে থাকার জন্য 187 টাকা
মজুরি পর্যাপ্ত নয়, ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকা টাও আজ তাদের জন্য একটি বড় সংগ্রাম হয়ে দাঁড়িয়ে মাননীয় স্পিকার চাচনিকদের দৈনিক মজুরি 500 টাকা নির্ধারণ করার স্বপক্ষে আমি তিনটি মূল যুক্তি এই মহান সংসদের সামনে পেশ করতে চাই। মাননীয় স্পিকার জীবনযাত্রার ব্যয় ও মুদ্রাস্ফীতি এবং বর্তমান বাজারে চাল ডাল তেল সহ নিত্য প্রয়োজনীয় প্রতিটি জিনিসের দাম বহুগুণ বেড়েছে। বর্তমানে নামমাত্র মজুরি দিয়ে একজন শ্রমিকের পক্ষে পরিবার চালানো সন্তানের
পড়ালেখা বা চিকিৎসার খরচ মেটানো অসম্ভব। আমাদের সংবিধানের প্রতিটি নাগরিকের অন্য বস্ত্র বাসস্থান শিক্ষা ও চিকিৎসার নিশ্চয়তা দেয়। চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি 500 টাকা নির্ধারণ করা কোন বিলাসিতা নয় বরং তাদের মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার একটি ন্যূনতম মানবিক প্রয়াস। চা শ্রমিকদের খালি পেটে রেখে বা অপ্রস্তুত ভুগিয়ে কোন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। শ্রমিকরা যদি মানসম্মত জীবনযাপন করতে পারেন তবে তাদের উৎপাদনশীলতা
যা দীর্ঘমেয়াদি আমাদের চা শিল্পকে আরো শক্তিশালী করবে বর্তমান রেজিস্টার্ড এবং আনরিজিস্টার্ড চা শ্রমিকদের সংখ্যা প্রায় 1 লক্ষ 40,000 এর মত 170 টাকা থেকে বর্তমানে 187 টাকা এসে দাঁড়িয়ে 55% নারী শ্রমিক 45% পুরুষ শ্রমিক ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপর 10 জন মাননীয় সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন আমি এখন তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী উত্থাপন এবং সংশোধনী
উপরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি প্রথম বক্তা মোঃ আলী আজগর পাবনা তিন সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সদস্য জনাব শহকতুল ইসলাম মৌলভীবাজার দুই মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই এবং তার প্রস্তাবের সাথে আমি একমত হয়ে আমি মূল প্রস্তাবের সাথে অভিলম্বে শব্দটির যোগ করার প্রস্তাব করেছি
মাননীয় স্পিকার, অবিলম্বে এই চা শ্রমিকদের 500 500 টাকা দিন মজুর হিসেবে মজুরী হিসেবে দেওয়া হোক। মাননীয় স্পিকার, চা শ্রমিকগণ হতদরিদ্র, হ্যান্ড টু মাউথ, দিন আনে দিন খায় এমন দীর্ঘদিন ধরে নামমাত্র মজুরি নিয়ে মানবতার জীবন যাপন করছে। তাদের ঘরবাড়ি অত্যন্ত নরবরে জরাজীর্ণ, এই নরবরে জরাজীর্ণ ঘরবাড়িতেই তারা দীর্ঘদিন বসবাস করছেন। মাননীয় স্পিকার, আমার
আমার মনে হয় যে সেই জসিমুদ্দিনের আসমানী কবিতার মতোই এই চা শ্রমিকদের অবস্থা মাননীয় স্পিকার তাই আমি অবিলম্বে জিএম নজরুল ইসলাম সাতক্ষীরা 4 1 মিনিট আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মাননীয় এমপি শওকতুল ইসলামের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব কুলাউড়া সহ সকল চা শ্রমিকদের সম্মানের মজুরি 500 টাকা করা হোক এর পরিবর্তে
আমার সামনগরে বনস্রমিকদের মজুরি 1000 টাকা করা হোক। অনন্য স্পিকার, আপনি জানেন আমার সামনগরে আমি আগেই বলেছি বনসন্নিহিত এলাকা হাজার হাজার শ্রমিক জঙ্গলে কাজ করে এবং তাদের মজুরি সর্বনিম্ন যারা বড়লোক মহাজন জঙ্গলে নিয়ে যায় কম মূল্যে নিয়ে যায়। বিশেষ করে জঙ্গলে বাঘের পেটে যারা মারা যায় তাদের দেখার কেউ থাকে না। আমি বিগত আমাদের জোট সরকারের আমলে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া যিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন তারই আমলে প্রস্তাব দিয়ে তিনি যারা বাগেরবাজার নিহত হতো তাদের জন্য 25,000 টাকা করে একটা ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছিল ওইটির পরবর্তীতে কিছুটা বাড়ানো হয়। রেনা আক্তার রানু মহিলা আসন চার এক মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব শওকতুল ইসলাম কচিক উত্থাপিত ও আলোচ্য সিদ্ধান্তের প্রস্তাবটি সমর্থন করে আমি একটি সংশোধনী
দিয়েছি। মাননীয় স্পিকার, চা শ্রমিকদের মজুরি অনেক কম। প্রতিবছর দেশের চা উৎপাদন বাড়লেও চা শ্রমিকদের ভাগ্যের টাকা খুলছে না। দৈনিক 187 টাকা মজুরিতে সংসার সালতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। অভাব অনটনে চলছে তাদের জীবন। শ্রমিকদের মজুরি 500 টাকা বৃদ্ধি করা এটি সময়ের দাবি মাননীয় স্পিকার। আমার প্রদত্ত সংশোধনটি হচ্ছে মূল প্রস্তাবের শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি 500 টাকা করা হোক। এর পূর্বে অবিলম্বে শব্দটি
সংযোজন করা হোক। মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী সহ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃক গ্রহণ করবার জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। নিলুফার চৌধুরী মনি নিলুফার সরি মহিলা আসন 10 মহোদয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মাননীয় সংসদ সদস্য শওকতুদ্দিন ইসলামের সাথে একমত হয়ে
সংযোজিত করার জন্য ইচ্ছা শ্রমিকদের বেতনের বাড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি এবং আপনার মাধ্যমে বলতে চাচ্ছি মাননীয় স্পিকার 2022 সালে বড় ধরনের শ্রমিক আন্দোলনের পর
178 টাকা 50 পয়সা বেতনে চাষ শ্রমিকরা কাজ করে এই অন্যান্য দেশের তুলনায় এটা খুবই খুবই কম কারণ শ্রীলঙ্কায় যখন এই মুহূর্তে 550 টাকা কেনিয়ায় 483 টাকা ভারতে 256 টাকা দৈনিক আট ঘন্টা পরিশ্রমিক দেওয়া হয় অথচ বাংলাদেশের 2015 সালে মাত্র 85 টাকা আন্দোলনের পর 102 টাকা এবং 22 সালে 170 টাকা এবং এরপরে প্রতিবছর এই সামান্য টাকা
5% করে আপনার রেয়াত দেওয়া হয়। এটা এত বেশি অমানবিক যেটা আসলে মানবেতর জীবনযাপন করে যে চাষ শ্রমিকরা তাদের পক্ষে আমি মনে করি মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আসরের নামাজের জন্য 30 মিনিটে বিরতি দেওয়া হলো আপনাদেরকে ধন্যবাদ।
00000
খেলোয়াড় তৈরির কারখানা হিসেবে কাজ করবে। আমার প্রদত্ত সংশোধন হচ্ছে মূল প্রস্তাবের দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় শব্দগুলির পর এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফুলগাজী এবং নীলফামারী জেলার ডোমার ও ডিমলা উপজেলা শব্দগুলি সংযোজন করা হোক। মূল প্রস্তাবের সঙ্গে আমার সংশোধনী সহ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবার জন্যে আমি মাননীয় ক্রীড়ামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, মহিলা আসন
নম্বর 10 নিলুফার চৌধুরী মনি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট 3 বেসরকারি এই কার্যদিবসের সমর্থন জানিয়ে আমি সংশোধনী সংশোধন করছি যে জামালপুর জেলার জামালপুর সদর সহ বিভিন্ন উপজেলাগুলোর মিনি স্টেডিয়াম স্থাপনের জন্য
মাননীয় স্পিকার, 125 টি উপজেলার প্রথম ধাপের কাজ শেষ হবার পর দ্বিতীয় ধাপে 201 টি মিনি স্টেডিয়ামের কাজ চলমান রয়েছে। আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে সমস্ত উপজেলাগুলোতে এবং জামালপুরের মেলান্দো, ইসলামপুর, মাদারগঞ্জ, সরিষাবাড়ী, বকশীগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ সহ সমস্ত বাংলাদেশের উপজেলাগুলোতে যাতে মিনি স্টেডিয়াম হয় সেটার জন্য জোর সুপারিশ করছি এবং আমি বলতে চাই
সকল সুখের মূল এবং এই স্বাস্থ্য ভালো থাকে অবশ্যই ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মহিলা আসন নম্বর 15 সানসিলা জাবরিন এক মিনিট সময় ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট তিন সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে একটি সংশোধনী দিয়েছি আমার সংশোধনী হলো মূল প্রস্তাবের পরে আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর সদর উপজেলার লসমনপুর ও চরমুখ
ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হোক মূল প্রস্তাব সহ আমার সংশোধনী গ্রহণ করবেন এ আশা ব্যক্ত করে মাননীয় মন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করছি কারণ আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর সদর উপজেলার চরাঞ্চলের আটটি ইউনিয়নে বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণীদের জন্য আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামোর অভাব রয়েছে এখানে একটি মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে নিয়মিত ফুটবল ক্রিকেট অ্যাথলেটিকস সহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা সম্ভব হবে এতে যুবসমাজের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটবে
মাদক ও অপরাধ প্রবণতা থেকে তরুণদের দূরে রাখা সহজ হবে এবং ক্রীড়া প্রতিভাকে ক্রীড়া পেশায় পরিণত করা সম্ভব হবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য সিলেট তিন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল মালিক এর সিদ্ধান্ত
প্রস্তাবের প্রতি আমি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছি পাশাপাশি আমি সংশোধনী দিচ্ছি যে এই যে মিনি স্টেডিয়াম মিনি স্টেডিয়াম করার জন্য বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিটি উপজেলা একটি করে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেজন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ আমাদের এই গণতান্ত্রিক সরকারকে আমি শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানাই পাশাপাশি আমার এলাকায় আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগর একটি স্টেডিয়াম এটা আমার একটা বিরাট বড় নির্বাচনী এলাকা
21টা ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা আমার এলাকায় একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করার জন্য মাননীয় যুব ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে আমি আবেদন জানাচ্ছি আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাই ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ পটুয়াখালী দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ মালেক যে প্রস্তাবনা পেশ করেছেন আজকের বাংলাদেশের
ক্রিয়া শুধু বিনোদন নয়, এটি স্বাস্থ্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার অন্যতম একটি মাধ্যম। বিধায় আমি এটি সমর্থন করে আমার পটুয়াখালীর বাউফলে জেলা এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ফুটবল, ক্রিকেট, অ্যাথলেটিকস আয়োজন করার সুবিধার্থে জাতীয় দিবস, কুচকাওয়াজ, যুবসমাজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করার স্বার্থে এবং তরুণদের মোবাইল আসক্তি যুবসমাজকে মাদক, কিশোর গ্যাং ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে জাতীয় পর্যায়ে খেলোয়াড় তৈরির সৃষ্টির সুযোগ করে দেওয়ার জন্য স্থানীয় অর্থনীতির এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য বিভিন্ন
করার সুবিধার্থে আমার প্রিয় বাউফলের 55 টি বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয় 13 টি কলেজ শতাধিক মাধ্যমিক প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং অসংখ্য মাদ্রাসা রয়েছে সেই ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম আমার বাউফলে তৈরির জন্য আমি মাননীয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে বিশেষভাবে আবেদন করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য নীলফামারী দুই আসন থেকে মাননীয় সদস্য জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ
নেই। বগুড়া এক আসন থেকে মাননীয় সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সিলেট
মাননীয় সংসদসদ জনাব মোহাম্মদ বালিক সিলেট 3 তার মূল প্রস্তাবের সংশোধনী হলো বগুড়া জেলার সারিকান্দি ও সোনা তলা শব্দগুলি সংযোজন করা হোক। মাননীয় স্পিকার সারিকান্দি এবং সোনা তলা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে মিনি স্টেডিয়াম করা হলে শুধু খেলাধুলার উন্নয়ন হবে না। যুবসমাজ, মাদক, সন্ত্রাস ও সামাজিক অপক্ষয় থেকে দূরে থেকে একটি সুস্থ
শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে উঠবে একই সঙ্গে স্থানীয় জেলা ও জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং এখান থেকে ভবিষ্যতে জাতীয় আন্তর্জাতিক ম্যানের খেলোয়াড় তৈরি হওয়ার পথ সুগম হবে। অতএব আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় যুব ক্রীড়ামন্ত্রী মহোদয়ের নিকট বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি সারিকান্দো সোনাতলা উপজেলায় প্রতিটি ইউনিয়নের দ্রুত একটি করে আধুনিক মিনিস্টেডিয়াম নির্মাণের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ আপনাকে ও মাননীয় সদস্য। মাদারীপুর দুই আসন থেকে মাননীয় সদস্য
জনাব মোহাম্মদ জাহানদার আলী মিয়া সময় এক মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মাননীয় স্পিকার। আজকের মূল মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মালিক সিলেট টিন উনার সাথে একমত পোষণ করে আমি মোঃ জাহানদার আলী মিয়া মাদারপুর দুই আমি মাদারপুর দুইটা
উপজেলা একটা হলো সদর একটা হলো রাজ্য দুইটা উপজেলা দুইটা স্টেডিয়াম করার জন্য আমি আমাদের ক্রীড়া মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আজকে বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকতে মাদারপুর জেলা স্টেডিয়াম বিশাল একটা স্টেডিয়াম করে দিয়েছেন এই জন্য ধন্যবাদ জানাই উনার রুহের মাখরাত কামনা করছি আমি আজকের ক্রীড়া মন্ত্রীকে অনুরোধ করবো মাদারপুর দিকে একটু আলাদা নজর রাখার জন্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব
প্রস্তাব এবং তার উপর আনীত সংশোধনী গুলোর উপর মাননীয় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ আমিনুল হককে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিসমিল্লাহর রাহমান রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং ধন্যবাদ জানাই প্রস্তাবকারীকে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য এবং যারা সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপরে
সংসদী আনার জন্য যারা প্রস্তাব করেছেন আপনাদেরকে ধন্যবাদ জানাই মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন যে বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবলের জ্বরে আক্রান্ত বাংলাদেশের প্রত্যেকটি সাধারণ মানুষ বিশেষ করে আমাদের যারা যুবসমাজ যারা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তারা অত্যন্ত ঘরে ঘরে কিংবা কোথাও বড় এলইডির মাধ্যমে তারা বিশ্বকাপ ফুটবল কে উপভোগ করছে
কিন্তু আমি এই বিষয়টি বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে আমি আপনার মাধ্যমে সারা দেশবাসীর কাছে একটি আহবান জানাতে চাই। আমরা দেখেছি এই বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে বেশকিছু সহিংসতা ঘটেছে। বেশকিছু জায়গায় বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়ে এবং এখন পর্যন্ত আজকের তথ্যমতে আমার কাছে 10 জন লোক মারা গেছে। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। আমি আপনার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আহবান করবো খেলা একটি
আনন্দময় একটি বিষয় এটি নিছক আনন্দ ছাড়া তেমন কিছু না সেটাকে নিয়ে আমাদের উত্তেজনা থাকবে উৎসাহ থাকবে এবং ঘরে ঘরে ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা সাপোর্টার যে যুদ্ধ সেটা কিন্তু চলমান রয়েছে যদিও ব্রাজিল সাপোর্টার এখন হতাশ তাদের টিম হেরে গেছে আর্জেন্টিনার এখনো স্বপ্ন দেখছে যে তারা বিশ্বকাপ ফুটবলে জয় করতে পারে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়ে যে উত্তেজনা যে উৎসব মুগ্ধ একটি পরিবেশ এটি যাতে আনন্দ
ভিতরে থাকে এটিকে কেন্দ্র করে কেউ ভবিষ্যতে কোন বিশৃঙ্খলা কিংবা কোন সহিংসতা তৈরি করে কোন প্রাণনাশের ঘটনা যাতে না ঘটে এজন্য আমি আপনার মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে আহবান জানাচ্ছি দ্বিতীয়ত যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে মাননীয় স্পিকার আপনারা জানেন যে বর্তমান সরকার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খেলাধুলা কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ইতিমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছেন তারই ধারাবাহিকতায় ইতিমধ্যে আমরা খেলাধুলা কে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লোক
নিয়ে আমরা জাতীয় খেলোয়াড়দেরকে বেতন কাঠামোর আওতায় ক্রিয়াভাতা প্রদান করছি। পাশাপাশি আমাদের নতুন করি স্পোর্টস ইতিমধ্যে আমাদের আঞ্চলিক পর্যায়ে শেষ হয়ে এবং আমাদের জাতীয় পর্যায়ে এই মাসের আমাদের জুলাই মাসের 27 শে জুলাই আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফাইনাল রাউন্ডের সমাপনী ইনশাল্লাহ ঘোষণা করবেন এবং আশা করছি যে আমাদের পহেলা জুলাই থেকে ইতিমধ্যে দ্বিতীয় নতুন করি স্পোর্টসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে আমাদের
অনলাইন রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয়ে ইনশাল্লাহ পহেলা সেপ্টেম্বর কিংবা আমাদের সেপ্টেম্বরের ফার্স্ট উইকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে দ্বিতীয় আসন নতুন করে স্পোর্টস আমরা উদ্বোধন করব ইনশাল্লাহ। আমরা ইতিমধ্যে
আমাদের সিদ্ধান্ত যে আমাদের এই অর্থবছরে আমরা 10 টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করব ইনশাআল্লাহ এবং সেটি আমাদের আটটি বিভাগ এবং ফরিদপুর এবং কুমিল্লাকে ধরে আমরা 10 টি অঞ্চলে 10 টি স্পোর্টস ভিলেজ ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়ে এবং আমরা আশা করছি যে স্পোর্টস ভিলেজের মাধ্যমে আমাদের খেলাধুলার যে বিকাশ সেই বিকাশটি আমরা সম্পূর্ণ করতে পারবো কারণ তৃণমূল পর্যায়ে আমরা খেলাধুলাকে ছড়িয়ে দিতে চাই এবং খেলাধুলার মাধ্যমে আমরা চাই যে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুস্থ
ভাবে গড়ে উঠুক আমরা ডিভাইসের আসক্তি থেকে আমাদের সন্তানদেরকে দূরে রাখতে চাই স্পেশালি আমাদের যে যুবসমাজ যারা মাদকে আক্রান্ত হয়ে ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে মৃত্যুর করাল গ্রাসে চলে যাচ্ছে তাদেরকে আমরা খেলাধুলার মাধ্যমে ঘরে ফিরে এনে আমরা মাঠে ফিরিয়ে এনে আমরা যদি একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে পারি এবং আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য যে প্রস্তাবটি রেখেছেন আমি তার আগে আমি সকল সংসদ সদস্য যারা রয়েছেন আমি তাদের উদ্দেশ্যে
বলতে চাই যে ইতিমধ্যে আমাদের 125 টি মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হয়েছে যদিও বিগত সময়ের করা এটি নিয়ে কিছু প্রশ্ন রয়েছে সেগুলোকে নতুন ভাবে সংস্কার করার জন্য ইতিমধ্যে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং আমাদের দ্বিতীয় যে চলমান 201 টি মিনি স্টেডিয়ামের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এর ভিতরে প্রায় 40 টির কাজ শেষ পর্যায়ে আমরা ইনশাল্লাহ দ্রুত এগুলো উদ্বোধন করতে পারবো পাশাপাশি আমাদের বাকি যে স্টেডিয়ামগুলো
চলমান রয়েছে সেখানে কিছু জায়গা এখনো অধিগ্রহণের কার্যক্রম বাকি রয়েছে সেটা ইনশাল্লাহ আমরা পর্যায়ক্রমে 201 মিনি স্টেডিয়াম হয়ে যাবে তৃতীয় যে আমাদের ধাপে যে মিনি স্টেডিয়াম গুলো হবে সেখানে আমি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যে বিগত সময়ের যে বিষয়গুলো ছিল এখানে যে একদম লোকালয়ের বাইরে গিয়ে তারা চেষ্টা করেছিল যে জাস্ট লামসাম কোনোভাবে তারা স্টেডিয়ামকে নির্মাণ করা বাট এটি আসলে স্টেডিয়াম হিসেবে ব্যবহারযোগ্য না।
আমি আপনাদের আপনাদের সহযোগিতা চাই আপনারা যদি লোকালয়ের ভিতরে আমাদের যে তৃতীয় ধাপে যে স্টেডিয়াম গুলো নির্মিত হবে সেখানে যদি আপনাদের পরামর্শ আপনাদের সহযোগিতা থাকে এবং লোকালয়ের ভিতরে হয় তাহলে আমরা তৃতীয় ধাপের ইতিমধ্যে আমাদের প্রকল্পটি চলমান রয়েছে এবং আমাদের জমি অধিকরণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে আমরা আপনাদের পরামর্শ নিয়ে সেই তৃতীয় ধাপের স্টেডিয়াম গুলো ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমে আমরা নির্মাণ করবো ইনশাআল্লাহ এবং আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য
মালিক সাহেব যেভাবে বলেছেন তার যে সিলেটের যে বালাগঞ্জ ইতিমধ্যে এখানে আমাদের 9 কোটি 51 লাখ টাকা ব্যয় আমাদের মিনি স্টেডিয়ামের কার্যক্রম চলমান রয়েছে এটি খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে এবং তার আরেকটি থানা রয়েছে ফেন্সুগঞ্জ সেখানে জমি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসনকে ইতিমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে প্রেরণ করা হয়ে সেই জমিটি অধিগ্রহণ হয়ে গেলে ইনশাআল্লাহ আমরা দ্রুতই আমাদের এই ফেন্সুগঞ্জে ও মিনি স্টেডিয়াম নির্মিত হবে পাশাপাশি আমাদের দক্ষিণ সুরুপ
মা, এই উপজেলাটি তৃতীয় ধাপে রয়েছে। আমরা সেই জন্য আমরা ইতিমধ্যে আমাদের যে জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম প্রকল্প সেটি চলমান রয়েছে। আমাদের জমি প্রকল্প আমাদের জমি অধিগ্রহণ হয়ে গেলে আমরা ইনশাআল্লাহ পর্যায়ক্রমে সেই তৃতীয় ধাপে সেই মিনি স্টেডিয়ামগুলো আমরা নির্মিত করব ইনশাআল্লাহ। এবং সর্বশেষ আমি যে বিষয়টি আপনার সামনে উল্লেখ করতে চাই যে আমাদের ঢাকা সহ সারা বাংলাদেশে আমাদের বিভিন্ন অঞ্চলে বেশ কয়েকটি বিকেএসপি রয়েছে আপনারা জানেন।
স্পেশালি আমরা স্পোর্টসকে যেহেতু আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে আমাদের রাঙ্গামাটি এবং আমাদের ময়মনসিংহের যে কলসিন্দুর যে ধুবাহুরা ওই অঞ্চলকে আমরা প্রাধান্য দিয়ে এইখানে দুটি আমরা বিকেএসপি করার একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি পাশাপাশি আমাদের ঝিনাইদহতে একটি বড় একটি জায়গা আমরা দেখেছি সেখানে আমরা একটি বিকেএসপি করার একটি সিদ্ধান্ত আমরা নিয়েছি সো আমি আশা করি যে আমাদের যারা সংশোধনী দিয়েছেন আমরা সবাই আমরা যেহেতু এটি চলমান প্রক্রিয়া সো আমাকে
এবং আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ইনশাল্লাহ আমরা প্রথম ধাপে যেগুলো হয়েছে দ্বিতীয় ধাপে যে কাজগুলো চলমান রয়েছে 201 টি স্টেডিয়ামের এবং তৃতীয় ধাপে যে 221 টি 121 টি স্টেডিয়াম নির্মিত হবে সেই স্টেডিয়ামের নির্মাণ গুলো ইনশাল্লাহ আমরা পর্যায়ক্রমে শেষ করব ইনশাল্লাহ সো আমি আমাদের যিনি প্রস্তাব রেখেছেন আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহারের জন্য আমি বিনীত অনুরোধ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী
মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল মালিক আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমরা আজকে আমাদের স্পোর্টস মিনিস্টার যে বক্তব্য দিয়েছেন আমরা অত্যন্ত আশাবাদী যে আজকে এই যে ওয়ার্ল্ড কাপের বিষয়টা
আজকে আমরা আশা করছি যে, এই পাঁচ বছরের ভিতরে বাংলাদেশে ওয়ার্ল্ড কাপে যাবে মাননীয় স্পিকার। এই জন্য আমাদের যে স্টেডিয়াম প্রত্যেকটা এলাকায় প্রত্যেকটা ইউনিয়নে স্টেডিয়াম
সিএম এবং যুবসমাজকে স্পেশাল লুক আফটার জন্য আমার বিশ্বাস যে স্পোর্টস মিনিস্টার এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও উনি এই বিষয়ে খুব আন্তরিক রয়েছেন। আমি আশা করব যে আমাদের প্রত্যেকটা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা কর্নারে কারণ আজকে দেখেছি যে আর্জেন্টিনা ব্রাজিল ইংল্যান্ডের পতাকা নিয়ে আমাদের এটা একটা উৎসব আমেজ বয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশে তো আমরা আশা করব যে ভাবে ক্রিকেটে আমাদের কৃতিসন্ধান
দেশের বাইরে তারা যেভাবে গিয়ে সেখানে বাংলাদেশের কে রিপ্রেজেন্ট করছে আমরা আশা করব যে মিনিস্টার ডিআইএম প্রত্যেকটা এলাকায় করবেন এবং আমার এলাকায় এই যে আমার আমাদের মাননীয় স্পোর্টস মিনিস্টার উনি অত্যন্ত সুযোগ্য এবং উনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে বালাগঞ্জের যে স্টেডিয়ামটি এটাকে মডারাইজ করবেন এবং ফেনসিগঞ্জ দক্ষিণ সুরমা এবং এর আগে আরেকটা বিষয় আমাদের সিটি কর্পোরেশন
করপোরেশনের ছয়টা ওয়ার্ড সিলেট তিন আসনের সাথে এটা নিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশন এটাকে টোটালি তারা যেহেতু আমাদের এলাকায় সেখানে আরেকটা স্টেডিয়ামের দরকার সেই হিসাবে আমার প্রস্তাব এটা আমি এই আশা ধন্যবাদ দিয়ে আমার এই প্রস্তাব এটা আমি উড্রো করছি সবাইকে ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ প্রস্তাব উত্থাপনকারী
মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। কার্যপ্রণালী উপবিধি এক অনুযায়ী প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন। এখন আমি প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মালিক কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর পাঁচ সংসদের অভিমত এই
এই যে, সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমা উপজেলায় একটি কোরিয়া মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হোক, শীর্ষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক, যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ
জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহারিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়নের কার্যাবলী।
আমি এখন মাননীয় সংসদ সদস্য চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত জনাব মোঃ শাহজাহান চৌধুরীকে মদ ও জুয়া উইথ ইন ব্র্যাকেট নিষিদ্ধকরণ বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 মক
নিষিদ্ধকরণ বিলটি এই মহান সংসদে উত্থাপনের জন্য আপনার অনুমতি প্রার্থনা করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় আইনমন্ত্রী আপনি মাননীয় আইনমন্ত্রী কে মাইকটা দেন প্লিজ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার যে দুইটা আইন
করেছেন দুইটা আইন আমাদের এখানে আছে আমরা এই সংসদে এই অধিবেশনে জুয়া আইন 2026 বিল পাস করেছি অলরেডি পাস হয়েছে আরেকটি হলো মদ দের সংক্রান্ত বিষয় আমাদের 2018 সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন একটা আছে 2018 সালের সেই আইনের সেকশন 2 সাবসেকশন 5 সেকশন 2 সাবসেকশন 24 সেকশন 2 সাবসেকশন 29 এবং সেকশন 11 পড়লে উনি যে উদ্দেশ্যে বিলটা
ওইটা কাভার হয়ে যায়। সেই কারণে এই বিলটি প্রত্যাহারের জন্য মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে উনাকে অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রীর বক্তব্য ও বিলটি উত্থাপন না করার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আপনি এখন বক্তব্য রাখতে পারেন। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। বিলটা পাশ হওয়ার আগেই আসলে আমি এই বিলটি
বেসরকারি বিল হিসেবে জমা দিয়েছিলাম। আসলে আমাদের মাননীয় আইনমন্ত্রী, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অত্যন্ত উনি সঠিকেই বলেছেন এই মত এবং জুয়ার এই
বিলটি আমাদের এই মহান সংসদে আমরা সবাই মিলে পাশ করেছি তো এই জন্য উনার এই বিলটি যেহেতু পাশ হয়েছে সেটার পরিপেক্ষিতে আমি আমার এই প্রস্তাবটি অর্থাৎ আমার এই বিলটি আমি উড্রো করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ যেহেতু মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত
মাননীয় মন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে বিলটি সংসদে উত্থাপন না করার না করতে সম্মত হয়েছেন সেহেতু আমি বিল উত্থাপনের অনুমতি প্রদানের প্রস্তাবটি আর ভোটে দিচ্ছি না এ প্রেক্ষিতে মাননীয় সদস্য কর্তৃক আনিত মদ ও জুয়া উইথ ইন ব্র্যাকেট নিষিদ্ধকরণ বিল 2026 সংসদে আর উত্থাপিত হলো না।
এখন আমি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ শাজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত সদস্যকে দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপনের অনুমতি প্রার্থনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি শাজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর 1898 অধিকতর সংশোধন কল্পে আমার আনুকুল
টু বিল দি কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্তাপনের জন্য আপনার অনুমতি প্রার্থনা করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ফৌজদারী কার্যবিধিতে 565 টি ধারা আছে তার অনেকগুলো উপধারা আছে 1898 সালের এই আইনটার মধ্যে আমরা
এই পার্লামেন্ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে এসে প্রথম অধিবেশনে 29 টি ধারা আমরা সংশোধন করেছি আরো কিছু ধারা আমরা সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছি উনি এই বেলটি দেওয়ার পরে মাননীয় স্পিকার আমরা পার্লামেন্টে গত 30 শে জুন চিঠি লিখে জানিয়েছি আপনাদের রেকর্ডে আছে যে আমরা এই সেকশন সহ উনার এটা বিবেচনা সহ আরো কিছু সেকশন আমরা এমেন্ডমেন্ট আকারে অচিরেই নিয়ে আসবো সেই কারণে এটা ওই বিবেচনায় থাকবে
সেক্ষেত্রে আপাতত এটাকে প্রত্যাহার করার অনুরোধ জানাচ্ছি এবং উনাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যেটা এনেছেন নীতিগতভাবে এটার সাথে আমি দ্বিমত পোষণ করবো না বাট আমরা যেহেতু এটা আনছি একই সাথে এটা কমপ্লিট করবো মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রীর বক্তব্য এবং বিলটি উত্থাপন না করার অনুরোধের প্রেক্ষিতে আপনার যদি কিছু
বক্তব্য থাকে আপনি দয়া করে বলতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমাদের মাননীয় আনন্দ মন্ত্রী মহোদয় কে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমরা বেসরকারি সদস্য বিলের এই কানো আমার এই বিলটা যেটা আমাদের জনাব মাননীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান সাহেব নোয়াখালী উনার সভাপতিত্বে আমাদের বেসরকারি সদস্যদের বিল কমিটির বৈঠক হয়ে ছিল সেখানে আইনমন্ত্রী ছিলেন মাননীয় স্পিকার আমার মনের বড় জ্বালা হলো
আমি 2004 সালেই এই বিলটা মহান সংসদে উত্থাপন করেছিলাম এবং পাশের জন্য অলরেডি টেবিল এসেছিল তখন আমাদের স্পিকার ছিল ব্যারিস্টার জমিরুদ্দিন সরকার মহোদয় তো যেদিন পাশ হবে এবং বিলটা আমরা সবাই উৎসাহ উদ্দীপনা আমার জামাত সহ আমি তো তখন চার জনের জুটেই ছিলাম তো সবাই আমরা উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে সেদিন এসেছিলাম সেইদিন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশোণেত্রী তিন তিন বার
প্রধানমন্ত্রী আমার অত্যন্ত পরম শ্রদ্ধাভাজন উনি আমাকে স্নেহ করতেন উনি আমাকে ডেকে যখন বললেন যে আমরা বিলটা বিবেচনা করব নির্বাহী আদেশ দেবো আপনি উদ্রয় করেন তো আমি সেই এটার পরিপ্রেক্ষিতে আমি উদ্রয় করেছিলাম এটা আমাদের সম্মানিত তখনকার দিনের ডক্টর কুন্দাকার মোশাররফ সাহেব উনি উপস্থিত ছিলেন সবাই আপনারা পুরাতন যারা আছেন তো কিন্তু সেই যে 2004 সাল আজকে 2026 সাল এখনো পর্যন্ত আমি যে পোস্টমোর্টেম এমেন্ডমেন্ট বিল
মাননীয় স্পিকার, আপনি নিজেও জানেন প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা, প্রতিদিন আমাদের বিষ প্রয়োগে মারা যাচ্ছে, পানিতে ডুবে মারা যাচ্ছে, নৌকায় ডুবিতে মারা যাচ্ছে, এদেরকে পোস্টমর্টেম করার জন্য যখন আনা হয় মাননীয় স্পিকার, কত যে জ্বালা, কত যে কষ্ট, একদিকে মৃত্যুবরণ, আরেকদিকে তাদেরকে পোস্টমর্টেম, আরেকদিকে তাদেরকে দাফন-কাফন এই সব জ্বালাতন থেকেই 1898 সালের আগেই এটা এই পোস্টমর্টেম এই বিষয়টা তখনকার
যেহেতু আইনটা ছিলো, মাননীয় স্পিকার আমি এই জন্যে এই দুঃখ, এই ব্যথা, এই বেদনা জনগণের এই গ্লানি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্যই আমি অত্যন্ত সাজানো
যেন ভাবে এই বিলটি আমি দীর্ঘদিন সাধনা করে আমি আবারো এতদিন পর প্রায় 22 বছর পর আবার এই বিলটি এনেছি তো মাননীয় আইনমন্ত্রী যদি মেহেরবানী করে এটাকে উড্রো করার জন্য বলেছেন আমি এটাকে অবশ্যই সম্মান করি এবং আপনাকে অবশ্যই সম্মানিত করবো কিন্তু আমার এই বিলটা যদি আপনি একটু কমিটিতে গিয়ে বিবেচনা করে আমার গুলো যদি এখানে এড করেন যে মহিলাদেরকে মহিলা করবে পুরুষেরা পুরুষের করবে আর
কেউ যদি পারমিশন নিয়ে বলে যে, আমি মামলা করবো না, আমার এই লাশটাকে যে এক্সিডেন্ট হয়েছে তাকে সরকারের পক্ষ থেকে অনুমতি দিয়ে আমাকে দাফন করা হোক। এইভাবে করে আটটা সংশোধনী আমি মাননীয় স্পিকার দিয়েছি। মানবতার স্বার্থে আমাদের আমাদের জনগণের দুঃখ, ব্যথা, বেদনা, লাঘবের স্বার্থে আমার এটা যদি বিবেচনায় নেন, কমিটিতে যদি বিবেচনার জন্য নেন তাহলে আমি অত্যন্ত বাধিত হবো মাননীয় স্পিকার। এটাই আমার পক্ষ থেকে আবেদন মাননীয় স্পিকার।
আই থিঙ্ক আপনি খুব ভ্যালিড পয়েন্ট মেড আউট করেছেন যে কারণে মাননীয় আইনমন্ত্রী দাঁড়িয়েছেন কিছু বলার জন্য মাননীয় আইনমন্ত্রী ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে অন্য সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ উনি ভ্যালিড পয়েন্ট দাগ মানে উত্থাপন করেছেন এ বিষয়ে কোন দ্বিমতের জায়গা আমি রাখি নাই আমরা যেটা বলতে চাচ্ছি উনি যে প্রশ্নটা এনেছেন এটা বর্তমানে প্র্যাকটিস আকারে ওই ভাবেই চলে মহিলা ডেডবোর্ড
অটোপসি করা হয় যখন পোস্টমোর্টেম করা হয় যখন তখন সেই সম্মানটা দিয়েই করা হয় মহিলা ডাক্তার দিয়ে করা হয় হাজরতখানায় গেলে মহিলা পুলিশকে মহিলা পুলিশ দিয়ে ডিল করা হচ্ছে এটা আমাদের প্র্যাকটিসের পার্ট করা হয়েছে এবং আমাদের মাননীয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন আপনার কাছে যে এটা এডমিনিস্ট্রেটিভ অর্ডারে করা হয়েছে তখন থেকে এটা এডমিনিস্ট্রেটিভ অর্ডারে চলছে এবং আমরা আপনি 22 বছর যখন অপেক্ষা করতে করেছেন আর কিছু
কিছুদিন অপেক্ষা করেন কারণ আমাদের 30 জুনের 30 জুনের এ দেখেন আমরা লিখিতভাবে মাননীয় স্পিকারকে অবহিত করেছি যে এটা আমাদের বিবেচনায় নিয়েছি এর সাথে আরো কিছু সিআরপিসির এমেন্ডমেন্ট সহ আমরা একসাথে উপস্থাপন করব এবং আপনার এইটাকে হুবহু এভাবে আনার চেষ্টা করবো সুতরাং আপনি বিলটা প্রত্যাহার করলে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকছি এই সংসদ আশা করি সেটা বিবেচনা করবেন আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় আইনমন্ত্রী মাননীয় সদস্য
মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রীকে উনি যেটা বলেছেন প্র্যাকটিসে আসলে নাই এটা মহিলাদের ব্যাপারটা মহিলাদেরকে দিয়ে এসার্ট করা এটা সম্ভব হয়নি এখনো এটা খুবই জরুরী আমরা অনুরোধ করব যে এটাকে প্র্যাকটিসে আনা দরকার বাকিটা উনি বলবেন এখন প্রত্যাহার করার বিবেচনায় নিতে পারেন আপনি ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা মাননীয় সদস্য 22 বছর
বছরের মধ্যে তো 20 বছর কেউই ছিলেন না আমরা আপনারা কেউই অতএব ইউ মে ডিসাইড। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় করছি বিশেষ করে আমাদের সাবেক তিন তিন বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে উনি একটি নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সেইদিন এটা বুঝতে পেরেই উনি সেদিন নির্বাহী আদেশ দিয়েছিলেন এটা এখনো কার্যকর আছে হয়তো যেখানে মহিলা ডাক্তার নাই সেখানে অসুবিধা হয় কিন্তু সম্মানটা করা হয় আমি চট্টগ্রামের পোস্ট
মার্ডাম মর্গের মধ্যে আমি দুই-তিনবার প্রায় প্রতি মাসেই গিয়ে সফর করি। এগুলো প্র্যাকটিসের মধ্যে আসে কিন্তু মহিলা ডাক্তার নাই বলে কিছু অসুবিধা হয়। আমাদের মাননীয় বিরোধী দলের নেতা এবং আমাদের আমির জনাব ডক্টর শফিক সাহেব যথার্থই বলেছেন যে প্রত্যেক জায়গায় এটার কার্যকরী নাই। আমি আমি আমাদের মাননীয় মন্ত্রীর আশ্বাসের পরিপেক্ষিতে এবং আমার মনে হয় আমার এই বিলের ব্যাপারে আজকে সারা জাতি এই বক্তব্যটা শুনছেন। আমাদের আইনমন্ত্রী মহোদয়ের বক্তব্য শুনেছেন।
আমরা সবাই এটার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছি সেটার পরিপ্রেক্ষিতে যিনি যে আশ্বাস টা দিয়ে দেন আমার বিলটাও একুমোডেট করবেন সেটার পরিপ্রেক্ষিতে আমি উনার আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার এই বিলটা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ যেহেতু মাননীয় সদস্য জনাব শাজাহান চৌধুরী মাননীয় মন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে বিলটি সংসদে উত্থাপন না করতে
সম্মত হয়েছেন, সেহেতু আমি বিল উত্থাপনের অনুমতি প্রস্তাবটি আর ভোটে দিচ্ছি না। এ প্রেক্ষিতে মাননীয় সদস্য কর্তৃক আনিত দ্য কোড অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউর এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 সংসদে উত্থাপিত হলো না। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের বৈঠক আগামী 12 ই জুলাই 2026 তারিখ 28 এ আষাড় 1433 রোজ রবিবার বিকাল 3:00 পর্যন্ত
মূল তবি করা হলো, আপনাদের সহযোগিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ, আসসালামু আলাইকুম।
00000
কোনো মিল পাওয়া যায়নি।