মূল লেখায় যান
← সংসদের দিনগুলো

সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য

বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।

এই বৈঠকের JSON ডাউনলোড ↓

বক্তব্যের পাঠ্য

নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।

পাঠ্য কপি করলে শনাক্ত বক্তার নাম, মূল ভিডিওর লিংক, অংশের শুরুর সময় ও যাচাইয়ের ছোট নোট যুক্ত হবে।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় সদস্যবর্গ আসসালামু আলাইকুম প্রশ্নোত্তর পর্বের এখন যেহেতু মাননীয় মন্ত্রীদের কাছে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর আনফরচুনেটলি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় যাদের জন্য প্রশ্ন ছিল কে এই হাউজে উপস্থিত নেই যে কারণে আমরা প্রশ্নোত্তর পর্বটা এখানেই সমাপ্ত ঘোষণা

করছি। পরবর্তী কার্যবিধি পরবর্তী কার্যবিধি 71 এর জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে আমরা যাচ্ছি এখন। জি মাননীয় সদস্য বলেন এক মিনিট প্লিজ। জি জনাব মোহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম পোর্ট

এক মিনিট প্লিজ। জ্বি, জ্বি, মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আসলে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের সংসদ সদস্য মাননীয় আমরা যারা আছি তাদেরও একটা অধিকার আছে। এখানে পড়ে দেখলাম মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়েরা আর 301 2 এতে আমাদের অধিকার বলার একটা আছে। মাননীয় স্পিকার, আমি চট্টগ্রাম মেয়ের মানুষ। আমাদের পুরা চট্টগ্রাম আজকে পানিতে ভাসতেছে। আমার আগেই আমাদের মাননীয় এমপি সরোয়ারজামান নিজাম অভিহিত

করেছেন। বিশেষ করে আমার লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, বাঁশকালী, চন্দনাইশ, পটিয়া, আনোয়ারা, কর্ণফুলি এবং আমাদের মাননীয় মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী আছেন উনার এলাকায়। আমরা পানিতে ভাসতেছি। অসম্ভব কষ্ট হচ্ছে। এই জন্য এই অবস্থায় শিশু, নারী, বৃদ্ধ, অসহায় মানুষের শুকনা খাবার দেওয়ার জন্য আর যেখানে নদী ভেঙেছে এখানে মানে অতি দ্রুতভাবে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি

এই মহান সংসদে সংশ্লিষ্ট মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় যারা আছে তাদের কাছে আমার এই আর্জিটা আমার এই অবস্থাটা আমি তুলে ধরেছি মাননীয় স্পিকার আপনার পক্ষ থেকে একটা নির্দেশ দিলে অত্যন্ত বাদী তো হবো মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় দুর্যোগ ত্রাণ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মহোদয় আছেন উনি বোধহয় কিছু বলবেন এই ব্যাপারে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

গত কয়েকদিন যাবৎ বিশেষ করে আমাদের বৃহত্তর চট্টগ্রাম এবং পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ার কারণে অনেক অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে আমরা গতকালকে প্রত্যেকটি জেলায় 200 মেট্রিক টন করে চাল এবং 10 লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছি এবং আমাদের কিছু শুকনো খাবার রয়েছে প্যাকেট জাত ওগুলো আমরা বিতরণ করতে বলেছি প্রতিনিয়ত আমরা জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলছি মাননীয় সংসদ সদস্যের পরামর্শকর্তা এগুলো অন্যরা বিতরণ

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। জি মাননীয় সদস্য জনরল আবিদিন ফারুক।

আবার দাঁড়াইলাম। আমি আপনাকে একটু আগে দিতাম কিন্তু কয়েকজন আপনার সামনে উপস্থিত ছিলেন। যে কারণে এটা দেইনি আমি। আপনার একটু সহযোগিতা চাই আমি মাননীয় সকল সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে। বিষয়টা আপনি বিবেচনা নিতে পারেন। কারণ এখানে আমার মাননীয় অনেক সংসদ সদস্য আন্দোলন সংগ্রাম করে এখানে এসেছেন। সেটা আমার চেয়ে আপনার অনেক ভালো জানেন। কিন্তু আমি একটা বিষয় পুরানো হিসেবে একটা

বিষয় আমার নজরে আসলো দীর্ঘদিন ধরে ধরেন 2074 শুরু আজকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের পর 30 মিনিট আর অন্যান্য দিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পর এক ঘন্টা যদি 2074 প্রশ্নটা আমি আমির এজাজ খান 99 খুলনা 1 আপনার মাধ্যমে সংসদে উপস্থাপন করলাম যেহেতু বইটা আমার কাছে দেওয়া আছে আপনি বুঝবেন

আমার সকল মাননীয় সংসদ সদস্য বুঝবে আর পরে সম্পূরক প্রশ্ন পুরোটা পড়লে আমি আর সময় পাই না একজন বা দুইজন ছাড়া আপনি কোন সম্পূরক প্রশ্ন করতে দিতে পারেন না তা আমি অনুরোধ করব বিনয় সুই আমাদের স্বার্থে আমাদের সেসব নকল যোদ্ধারা নতুন যোদ্ধারা এখানে আসছে তাদের একটু বেশি করে সম্পূরক করার জন্য যদি প্রশ্ন নম্বর এতো আপনার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হলো এই রিওয়াজটা চালু হলো

আপনার মাধ্যমে আমরা অনেক প্রশ্ন মাননীয় মন্ত্রীকে করতে পারবো এ বিষয়ে আপনার সহানুভূতি কামনা করি, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য।

মাননীয় মন্ত্রী আমরা একটু বিজনেস একটু লেট আস এডভান্স ফর দা বিজনেস তারপরে আবার আসবো আপনি একটু দয়া করে বসেন 30 সেকেন্ডে তো কথা হয় না মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী মাননীয় স্পিকার আপনি বলেছেন যে প্রশ্নোত্তর পর্বে মাননীয় মন্ত্রীরা নাই বলে এটা টেবিলে উপস্থাপিত বলে গণ্য হলো সেটা

বলছি মাননীয় স্পিকার আমি আছি আমার প্রশ্নোত্তর পর্ব আছে আমি সংসদে আছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী আপনার ক্ষেত্রে একত্তর বিধি প্রশ্নোত্তরে নেই এটা আছে এখন আপনি উপস্থিত আছেন অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আপনাকে আর কেন বঞ্চিত করবো বলেন দয়া করে উনার নামটা কি একটু অপেক্ষা করেন প্লিজ

মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম চট্টগ্রাম 16 মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আমাদের নেতা আলহাজ্ব শাহজালাল চৌধুরীর বক্তব্যের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট আমার এক কামের বক্তব্য হচ্ছে চট্টগ্রাম মহানগর যে প্রকল্প ফুটে 2017 সনে গৃহীত হয়ে নয় বছর পরে এখনো চট্টগ্রাম মহানগরের জলাবদ্ধতা যাচ্ছে না সবচেয়ে দুঃখজনক হচ্ছে ওখানে সমন্বয়হীনতা বেশি কাজ করে আরেকটা বিষয় চট্টগ্রামের 16 বাঁশখালী মানুষ 50000 মানুষ এখন পানিতে বন্দি

মাননীয় দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে অনুরোধ এছাড়া মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মহোদয়ের প্রতি অনুরোধ বিএডিসি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আমাদের পানি কর্মকর্তা আর বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশন তিনটা যৌথভাবে মিলে যদি আমরা সুইস গেট এবং কালকনোর বিষয় এবং ড্রেনেজের বিষয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যদি চিহ্নিত করে আমরা সমন্বিত পয়সার মধ্যে দিয়ে যদি বাংলাদেশের সকল সেই দুর্গত এলাকায় যদি কাজ করা হয় আমার মনে

একটা সলিউশন হয়ে যাবে। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আজ কার্যপ্রণালী বিধিতে জরুরী জনগণের উত্তর সম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে 45 টি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পাওয়া গেছে। নোটিস দাতা মাননীয় সদস্যগণ হলেন যথাক্রমে এক জনাব মোহাম্মদ আবু তালিব ঝিনাইদহ চার আমি সংখ্যাগুলোর টাইম বাঁচানোর জন্য পড়ছি না, সিরিয়াল অনুসারে পড়ছি।

জনাব মোঃ মতিয়ার রহমান ঝিনাইদাহ 3, জনাব মোঃ আব্দুল বাতেন ঢাকা 16, সৈয়দ জয়নুল আবেদিন ঢাকা 4, জনাব মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী মৌলভীবাজার 4, জনাব মোঃ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6, জনাব মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম কুড়িগ্রাম 1, আরিফা সুলতানা মহিলা আসন নম্বর 30, জনাব মোঃ ফরিদুল কবির তালুকদার জামালপুর 4, জনাব মোঃ আবুল খায়ের ভুইয়া

লক্ষীপুর 2, জনাব মোঃ এএম মাহবুবুদ্দিন, নোয়াখালী 1, শেখ মোঃ রেজাউল ইসলাম, নওগাঁ 6, জনাব ফকরুদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ 11, জনাব মোঃ ফজলুর রহমান সাইদ, জয়পুরহাট 1, হেলেন জেরিন খান, মহিলা আসন নম্বর 9, জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার নিলফামারী 1, মমতাজ আলু মহিলা আসন নম্বর 28, জনাব মোঃ মাহবুবুল আলম কুড়িগ্রাম 3, জনাব মোঃ মাহবুবুল আলম কুড়িগ্রাম 3, জনাব মোঃ মাহবুবুল হোসেন লক্ষীপুর

এক, জনাব এস এম ফয়সল, হবিগঞ্জ চার, জনাব মোঃ আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া দুই, মোঃ এনামুল হক, চট্টগ্রাম 12, সরোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম 13, মোঃ শামসুর রহমান, শিমুল বিশ্বাস, পাবনা পাঁচ, মোঃ শামীম কায়সার, গাইবান্ধা চার, শেখ মুজিবুর রহমান, ইকবাল, কিশোরগঞ্জ পাঁচ, মাসুম মোস্তফা, নেত্রকোনা পাঁচ, জনাব মোঃ মাহমুদুল হক, রুবেল শেরপুর তিন, জনাব মোঃ মোঃ নুরুল ইসলাম ভোলা চার,

জনাব মোঃ আব্দুল আজিজ নাটোর চার, জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফি নিলফামারী তিন, জনাব মোঃ আব্দুল হান্নান চাঁদপুর চার, জনাব মোঃ আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা দুই, জনাব মোঃ আশরাফুদ্দিন নরসিংদী পাঁচ, জনাব জয়নুল আবেদীন ফারুক নোয়াখালী দুই, জনাব মোঃ খালেদ হোসেন মাহবুব ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিন, জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল ঝালকাঠি এক, শাহ মোঃ আব্দুল ওয়ারেস আলী মামুন জামালপুর পাঁচ, জনাব লুৎফুর রহমান কক্সবাজার

বাজার 3 মানসুরা আক্তার মহিলা আসন নম্বর 26 কামরুজ্জামান কামরুল সুনামগঞ্জ 1 রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন নম্বর 3 শওকত আরা আক্তার মহিলা আসন নম্বর 33 জনাব মোঃ এনামুল হক নওগাঁ 2 নোটিশ গুলির মধ্যে হতে আমি মাননীয় সংসদ সদস্য যথাক্রমে রফিকুল ইসলাম জামাল ঝালকাঠি 1 রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন নম্বর 3 এবং শওকত আরা আক্তার মহিলা আসন নম্বর

30 এর নোটিশগুলো গ্রহণ করলাম। বাকি নোটিশগুলো গ্রহণ করা সম্ভব হলো না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত। যাদের নোটিশ গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি, বিধি অনুযায়ী তাদের মধ্যে হতে প্রত্যেককে নিজ

নোটিসের বিষয়বস্তু সম্পর্কে দুই মিনিট করে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাবো তবে মোট 30 মিনিটের মধ্যে যতজন সদস্যের বক্তব্য রাখা সম্ভব ঠিক ততজন সদস্য বক্তব্য রাখবেন মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিধি অনুযায়ী আজকের বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নোটিসটি শুধু পড়বেন অন্য বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নোটিস পড়বেন না প্রথমেই দুই মিনিট বক্তব্য রাখবেন সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা চার

আসসালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় মাননীয় মন্ত্রীর প্রতি ঢাকা চার সংসদীয় আসনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা এলাকা জুরাইন রেল ক্রসিং এটা অনেক পুরাতন একটা রেল লাইনের একটা স্থান এখানে

প্রতিনিয়ত লক্ষ লক্ষ লোক যাতায়াত করে এখানে পথচারী শিক্ষার্থী চাকুরীজীবী ব্যবসায়ী এবং অনেক যানবাহন চলাচল করে কিন্তু এখানে পারাপারের জন্য কোন নিরাপদ কোন ব্যবস্থা নেই এই জন্য আমি রেল লাইনের জুরাইন রেল গেট নিচ দিয়া ওখানে অর্থাৎ একটা আন্ডারপাস অত্যন্ত জরুরী আমাদের গত সপ্তাহে একজন লোক মারা গিয়েছে

এভাবে প্রায়দিনই অনেক লোক আহত হচ্ছে পারাপার হতে যে এজন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যস্ততম এই রেল লাইনের এখানে একটি আন্ডারপাস নির্মাণের জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এখানে ফুট ওভার ব্রিজ করার মতো অবস্থা নেই কারণ ওখানে এক্সপ্রেস ওয়ে থাকার কারণে এটা আন্ডার

আরপাশের আর বিকল্প কোনো ব্যবস্থা নেই এজন্য আমি মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে অনতিবিলম্বে এই আন্ডার আন্ডারপাস টা নির্মাণ করা জরুরী প্রতিদিনই অসংখ্য লোক আহত হচ্ছে এবং নিহত হচ্ছে কাজেই জনগুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়ে আমি মাননীয় মন্ত্রীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ময়মনসিংহ ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ

কামরুল হাসান আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার মাননীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার উত্থাপনীয় নোটিস টির উত্থাপনীয় বিষয় হচ্ছে দেশীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ধুমকেতু এক্স এর সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি স্পেস রকেট বিদ্রোহী উৎক্ষেপণ প্রসঙ্গে দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে সনির্ভর করতে আমাদের দেশীয় তরুণরা এখন নিজস্ব প্রযুক্তিতে ড্রোন ও রকেটের মতো উচ্চ

প্রযুক্তির সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করছে কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় একটি যুগোপযোগী জাতীয় নীতিমালার অভাবে এই বিপুল সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন গুলো আটকে রয়েছে বিভাগীয় শহর ময়মনসিংহে একটি দেশীয় আর এন ডি প্রতিষ্ঠান ধুমকেতু এক্স সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তি ও মেধায় স্পেস রকেট বিদ্রোহী ডেভেলপ করেছে পাশাপাশি ডিফেন্স সিস্টেম নিয়ে তারা কাজ করছে এটি আমাদের জাতীয় গর্ব কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় দেশের রকেট উৎক্ষেপণ এবং

পরীক্ষামূলক ফ্লাইটের কোনো সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন বা নীতিমালা এখনো তৈরি করা হয়নি। এ কারণে তারা এটি উৎক্ষেপণ করতে পারছে না। আমাদের দেশীয় উদ্ভাবকদের তৈরি প্রযুক্তির সঠিক মূল্যায়ন এবং রকেট উৎক্ষেপণ নিয়ন্ত্রণ তদারকি করার কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা বিশেষ বিশেষ প্রয়োজন। এবং দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবস্থাকে স্বনির্ভর করতে বেসরকারি খাতের এই উদ্ভাবনকে জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় যুক্ত করা

মহা পরিকল্পনা গ্রহণ করা সরকারের জন্য বিশেষ জরুরী বলে আমরা মনে করি স্পেস রকেট বিদ্রোহী এর মতো যে সকল উদ্ভাবন ইতিপূর্বে তৈরি তৈরি হয়ে আছে নীতিমালা প্রণয়ন হতে হতে তারা যেন ঝরে না যায় সেজন্য জরুরী ভিত্তিতে কোনো বিশেষ অনুমতি বা বিশেষ ট্রান্সপোর্ট গঠন করে এই রকেটটি পরীক্ষামূলক উৎপেক উৎক্ষেপণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে

মন্ত্রীকে আমি সেই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। লক্ষীপুর দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আবুল খায়ের ভূঁইয়া আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার নির্বাচনী এলাকা লক্ষীপুর দুই লক্ষীপুর সদরের আংশিক এবং রায়পুর একটি পূর্ণাঙ্গ উপজেলা একটা পৌরসভা নিয়ে লক্ষীপুর দুই নির্বাচনী এলাকা গঠিত। আমি দিয়ে আজকের যে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি রায়পুর রেল

স্টেশন স্থাপন প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার আপনি জানেন আমাদের এই অঞ্চল হচ্ছে আপনার নদী অঞ্চল এবং ভূমি অঞ্চল দিয়ে এখানে চলাফেরা করার কোন অসুবিধা নেই কিন্তু বৃহত্তর নোয়াখালী

মধ্যে কেবলমাত্র নোয়াখালীর মধ্যে আমরা আইভে আর ফেনীর মধ্যে দিয়ে রেল যোগাযোগ লক্ষীপুর মধ্যে রেল যোগাযোগ ছিল না বিধায় বিগত সরকারের সময় আমরা চেষ্টা করেছি তখন সার্ভে হয়েছে পূর্ণাঙ্গ কাজ শেষ হয়নি এখন আবার নতুন করে এটা কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে আমার বক্তব্য হচ্ছে যে আমার নির্বাচনী এলাকার রেল স্টেশন যাতে করে রায়পুর পর্যন্ত না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমি রেল কর্তৃপক্ষ এবং এই মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলাপ করেছি উনি একমত পোষণ করেছে আসলে

আশা করি লক্ষীপুর এবং রায়পুরের জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি এ অঞ্চলে রেল স্টেশন স্থাপিত হোক। বাংলাদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল যে অঞ্চলের মানুষের ব্যবসা-বাণিজ্য বিভিন্ন দিক থেকে অনেক অগ্রসর। বিশেষ করে আমার নির্বাচন আন্দোলন নারিকেল সুপারি সোয়াবিনের জন্য বিখ্যাত। বছরে প্রায় 3000 কোটি টাকার সোয়াবিন এখানে বিক্রি হয় এবং এই অঞ্চলের জনগণ দেশে এবং বিদেশে তাদের ভালো একটা অবস্থান আছে। সবকিছু মিলিয়ে জনগণের প্রাণের ধাবি এই বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনার জন্য আমি মাননীয়

রেলমন্ত্রীর দৃষ্টিআকর্ষণ করছি যাতে করে অবিলম্বে এটা কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। নোয়াখালী এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব এ এম মাহবুব উদ্দিন। জনাব এ এম মাহবুব উদ্দিন নেই। নওগাঁ ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম। শেখ মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম।

নেই নাকি নেই ময়মনসিংহ 11 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব ফখরুদ্দিন আহমেদ জনাব ফখরুদ্দিন আহমেদ আপনার সময় দুই মিনিট বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য মাননীয় স্পিকার

আমার নির্বাচনী এলাকা 156 ময়মনসিংহ 11 বালুকো উপজেলাটি 11 টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। দীর্ঘদিন যাবৎ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ জনগণ বন বিভাগের কিছু কর্মকর্তার কার্যক্রমের কারণে মামলা মোকদ্দমা ও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে আসছেন। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় আমরা সকলেই জানি যে ফ্যাসিস্ট সরকার বিরোধী যারা আন্দোলন

সংগ্রামে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদেরকে থানায় বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে গ্রেপ্তার এবং হয়রানির স্বীকার করা হয়েছে। ফেসিস সরকার পতনের পর সেই মিথ্যা মামলাগুলি রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রত্যাহার করা হলেও বন বিভাগ কর্তৃক যে হয়রানিমূলক মামলা দেওয়া হয়েছে সেগুলো রাজনৈতিক বিবেচনায় হয়রানিমূলক মামলা

দেওয়া হয়েছে। মাননীয় স্পিকার, আমার উপজেলায় প্রায় 12,000 সাধারণ কৃষক জনগণের নামে এই বন বিভাগের মিথ্যা মামলা রজু করা আছে। প্রতিদিন ভালুকা থেকে প্রায় তিন চারটি ভাঁজ ভরে আদালতে হাজিরা দিতে যায় আবার সারাদিন আদালতে কাটিয়ে বিকালে ফিরে আসে। আমরা সেই মামলাগুলি তদন্ত করেছি।

মামলাগুলি তদন্ত করে আমরা দেখতে পেয়েছি সেই সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলেন তারা অধিকাংশ বন বিভাগের জায়গা দখল করেছেন আর শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিবেচনায় বিরোধী ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য হেলেন জেরিন খান মহিলা আসন নম্বর নাইন নয় ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনার মাধ্যমে মাননীয়

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় উপস্থাপন করতে চাই। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ভূমিকম্প অগ্নিকাণ্ড এবং বিভিন্ন ধরনের বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রুত নগরায়ন জনঘনত্ব ও বহুতল ভবন বৃদ্ধির কারণে ঝুঁকি দিন দিন বেড়ে এসে ঢাকায় সাত মাত্রার ভূমিকম্পে

ধোষে পড়তে পারে 72,000 ভবন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সরকার দুর্যোগ মোকাবেলায় বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি উদ্ধার সক্ষমতা, জনসচেতনতা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয় আরো জোরদার করা প্রয়োজন। বিশেষ করে রাজধানী সহ বিভিন্ন শহরে বহুতল ভবনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বড় ধরনের

দুর্যোগ, উদ্ধার অভিযান পরিচালনা আরো জটিল হয়ে উঠেছে। দুঃখজনক হলেও সত্য আমাদের উদ্ধারকারী সংস্থাগুলোর সক্ষমতা আগের তুলনায় বাড়লেও

আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের প্রযুক্তির ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়ে গেছে। বিশেষ করে উল্লেখ করতে চাই বড় ধরনের ভবন ধ্বস এবং উচ্চ ভবনের অগ্নিকাণ্ডের সময় ব্যবহারের জন্য ভারী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন ও সুউচ্চ ক্রেনের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। আমি এই জায়গাটা আরেকটু বিশেষভাবে পড়তে চাই। বিশেষ করে উল্লেখ করতে চাই বড় ধরনের ভবন ধ্বস উচ্চ ভবন

অগ্নিকাণ্ডের সময় ব্যবহারের জন্য ভারী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ও সুউচ্চ ক্রেনের যথেষ্ট অভাব রয়েছে ফলে ধ্বংসস্তূপ দ্রুত অপসারণ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য নীলফামারী এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার জনাব মোঃ আব্দুস সাত্তার আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

কার্যপরিণীতিতে অনুসারে জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়বোধক আর্শিক নোটিশ মনোনিবার স্পিকার আমার উত্থাপনীয় বিষয় আমার নির্বাচনী এলাকা 12 নীলফামারী এক ডোমার ডিমলা এর তিস্তা নদীর পানি 28 জুন 2026 তারিখ রাত 10:00 টায় ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা 9 সেন্টিমিটার উপর দিয়ে 52.24 মিটার প্রবাহিত হচ্ছে এর ফলে নীলফামারী পশ্চিম সাতনাই পূর্ব সাতনাই খগা খরিবাড়ি

চাপা খরিবাড়ি খালিশা চাপানি ও জোনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে একই সঙ্গে পূর্ব খরিবাড়ি ছোটখাতা এবং সাতুনামা এলাকার ড্রনের স্পাইট সার স্পার বাদে নদীভঙ্গন শুরু হয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড নিশ্চিত করেছে এ অবস্থায় সরকারের কাছে জানতে চাই পানিবন্দী পরিবারের জন্য জরুরী খাদ্য বিশুদ্ধ পানি চিকিৎসা ও আশ্রয়ের কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যেসব এলাকায় নদীভঙ্গন শুরু হয়েছে সেখানে ভাঙ্গন

পানি উন্নয়ন বোর্ড কি ধরনের জরিপ পদক্ষেপ নিয়েছে পানি যদি আরো বৃদ্ধি পায় তাহলে সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত কমাতে প্রশাসনের কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সরকারের আর কি কি পরিকল্পনা রয়েছে দীর্ঘ মেয়াদে তৃষ্ণার বন্যা ও নদীভঙ্গন নিয়ন্ত্রণ রোধে স্থায়ী সমাধানের জন্য বর্তমান সরকার কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রী কাছে জানতে চাই এবং সেই

সেই সাথে আমাদের উত্তর জনপদের সম্মানীয় মন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী জনাব আসাদুল হাবিব দুলু এখানে উপস্থিত আছেন ওনার মাধ্যমে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে আমাদের এলাকায় কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে আমি তারও দৃষ্টিভঙ্গি করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মমতাজ আলু মহিলা আসন নম্বর 28 আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

মাননীয় স্পিকার, আমার উত্থাপনীয় বিষয় জরুরী জনগুরুত্ব ও সম্পূর্ণ স্থায়ী জলবদ্ধতা মুক্তির লক্ষ্যে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে মাননীয় স্থায়ী সরকার পর্যায়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট সহ দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের এলাকায় বর্ষা মৌসুম ছাড়া মাঝারি থেকে বাড়ি বৃষ্টিপাতেই বাপো ব্যাপক জলাবদ্ধ

সৃষ্টি হয় যার ফলে জনজীবন কঠিন হয়ে পড়ে এবং জাতীয় অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য ক্ষতির সমকীর্ণ হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে অস্বাভাবিক ও স্বল্প সময়ে অতিবৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি অপরিকল্পিত নগরায়ন খাল নদী ও জলাধারের বরট অপ্রযাপ্ত জরাজীর্ণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা বর্জ ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ের অভাবে

প্রতিবছর এ সমস্যা আরো জটিল আকার ধারণ করছে যার জলবদ্ধতার পরে লাখো মানুষ কর্মস্থল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসার সেবা সময়মতো পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় মাননীয় স্পিকার বিশ্ব ব্যাংকের এক গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে ঢাকার জলবদ্ধতা ও নগর বর্জ্যজনিত ক্ষতির পরিমাণ 2050 সালের মধ্যে প্রায় 1300 কোটি 13000 কোটি

টাকায় পৌঁছাতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় আরো দেখা গেছে জলাবদ্ধতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো বছরে তাদের আয়ের প্রায় 8% পর্যন্ত হারায় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এমতো অবস্থায় আমি মাননীয় মন্ত্রীর নিকট জানতে চাই দেশের সিটি কর্পোরেশন এলাকাগুলোকে স্থায়ী ভাবে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ফরিদপুর

এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ ইলিয়াস মোল্লা আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

আমি যে বিষয়টা জনগুরুত্বপূর্ণ বলে নোটিস দিয়েছি সেটা হলো আমার নির্বাচনী এলাকা ফরিদপুর এক বোয়ালমারী মধুখালী আলফাডাঙ্গায় প্রচুর পরিমাণে পেঁয়াজ এবং পাট উৎপাদন হয়। তা আমরা একটা হিসাব করে দেখেছিলাম যে যে পরিমাণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয় সেটাকে যদি ঠিকমতো সংরক্ষণ করা যায় এবং তার যদি ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা যায়

তাহলে আমাদের পেঁয়াজ আমদানি করার প্রয়োজন হয়তো হবে না। এবার আমি দেখলাম এই বিরতিতে বিরতির সময় এলাকায় গেলাম। কৃষকের কান্না শুনলাম। তারা নানান ভাবেই অভিযোগ করলেন যে পেঁয়াজের বাজারটা এতই নিচে নেমে আছে যে তাদের প্রোডাকশন কস্ট থেকে অনেক নিম্নে অবস্থান করছে। ফলে তারা অনেকেই মনের দুঃখে পেঁয়াজ পানিতে ফেলে দিয়েছে। এই অবস্থা উত্তরণের জন্য আমি

মাননীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মন্ত্রী আমি দৃষ্টি একশন করতে চাই আপনার মাধ্যমে যে আমাদের নিশ্চয়ই কোন সিন্ডিকেট কাজ করে তাহলে কৃষকদের এই দুরবস্থা কেন? এটা পেঁয়াজের কথা বললাম আর এই সঙ্গে আমি পাটের কথাটা বলতে চাচ্ছি। প্রচুর পরিমাণে পাটের ফলন হবে মনে হলো কিন্তু পাট ওই যে পচানোর জন্য যে পর্যাপ্ত পানি দরকার আমাদের খাল খনন কর্মসূচি যদি এগিয়ে যায় তাহলে সেটা হয়তো

সম্ভব হবে কিন্তু এজ অফ নাউ পাট পচানোর জায়গার খুবই অভাব ফলে তাদের প্রোডাকশন কস্ট অনেক বেশি হবে এটার বাজার যাতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পায় সেদিকে আমি মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমাদের একসময়কার গোল্ডেন ফাইবার সেটা এই অবস্থায় পড়ে সেখান থেকে আমাদের ফিরে আসা মনে হয় দরকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আশা করছি মাননীয় পাট মন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী এখানে আছেন। ইনি আপনার বক্তব্য ধৈর্য সহকারে শুনেছেন। অফকোর্স সোনালী আঁশ পাট সেটার ব্যবস্থাপনা উনি কার্যকর পদক্ষেপ নিবেন। লক্ষ্মীপুর এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শাহজাদ হোসেন। আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি এ প্রসঙ্গ ভুলুয়া নদীর পুনঃখনন প্রসঙ্গে

মাননীয় স্পিকার চীনের দুঃখ হুয়াংহো নদী আর আমাদের নোয়াখালী বাসির দুঃখ হলো যে ভুলুয়া নদী ভুলুয়া নদী বাংলাদেশের দক্ষিণপূর্বাঞ্চলের নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর জেলার একটি সারভপুরী নদী যার প্রায় 70 কিলোমিটার দীর্ঘ 70 কিলোমিটার দীর্ঘ পর্যন্ত যার পথ চলা এটা বিভিন্নভাবে পলি পড়ে একেবারেই আপনার অচল অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে বন্যা

সময় এটাতে আমাদের বর্ণনা আক্রান্ত করে আবার খরার সময় আমরা পানি পাই না মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রীর প্রতি আমার আবেদন এই যত দ্রুত সম্ভব এই ভূলো নদীকে পুনর্খণন করে আমাদের লক্ষ লক্ষ মানুষকে বাঁচানো এবং ফসল বাঁচানোর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য আপনার মাধ্যমে মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রীর প্রতি আমি আবেদন করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য

হবিগঞ্জ চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব এস এম ফয়সল আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার উত্তাপিনের বিষয় হবিগঞ্জ চার মাধবপুর ভাইয়া আদৌ নাসিরনগর আন্তরজেলা সড়কটির মেরামত ওয়েবসাইটের খাস্তি নদীর উপর নির্মিত বেলিবৃষ্টি

স্থলে একটি আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আমার নির্বাচনী এলাকার হবিগঞ্জ চার মাধবপুর ভাইয়া আদাব নাসিরনগর আন্তর্জেলা সড়কটি জনসাধারণের যাতায়াত ও পণ্য পরিবহনের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সড়কটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাল নাসিরনগর রোডকে কানেক্ট করেছে কিন্তু দীর্ঘদিন সড়কটি মেরামতের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে এ সময়

সড়কের খাস্তি নদীর উপর। 1995 সালে তদন্ত বিএনপি সরকার একটি বেলি ব্রিজ নির্মাণ করায় এই অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হয়। কিন্তু 30 বছর আগে নির্মিত এই ব্রিজ দিয়ে চলাচল এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে এর পরিস্থিতিতে আমার নির্বাচনী এলাকা হবিগঞ্জ চাইরে মাধবপুর বায়া আদার নাসিরনগর আন্তর্জেলা জোড়া জিন্ন সড়কটি মেরামত ওই সড়কের খাস্তি নদীর উপর নির্মিত ঝুঁকি পূর্ণ বেলি ব্রিজ

স্থলে জরুরী ভিত্তিতে আরসিসি ব্রিজ নির্মাণ করা প্রয়োজন। বিষয়টি জরুরী ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় জনস্বার্থে আমি মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সময় মন্ত্রী মনোযোগ আকর্ষণ করে

আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। পাবনা আমি দুঃখিত চট্টগ্রাম 12 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ এনামুল হক আপনার সময় দুই মিনিট। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। উত্থাপিত বিষয় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া আদালত ভবন নির্মাণ প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার প্রায় 145

বছরের পুরানো আদালত ভবনটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ সামান্য বৃষ্টি হলে পানি ভরে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র নষ্ট হয়ে যায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে 1991 সালে বিএনপি সরকার কমিটির থাকাকালীন তৎকালীন আইনমন্ত্রী 6 কোটি টাকা বেয়েরী আদালত ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তবে সেই সময়ে যোগাযোগ মন্ত্রী কর্ণেল ওলি আহমেদ উক্তবরাদ্দ বাতিল করে তার নিজের এলাকায় গাছবাড়ি সরকারি কলেজ

কলেজের ভবনের জন্য নিয়ে যাই। দক্ষিণ চট্টগ্রামের জনদুর্ভোগ লাঘবের সুষ্ঠ বিচার কাজ সম্পাদন ও আইনের শাসন যোদ্ধার কল্পে দ্রুত পঠিয়ে আদালত ভবন নির্মাণ সময়ের দাবি বলে আমি মনে করি। এমনতো অবস্থায় আমার জরুরী জরুরী জন গুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মাননীয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী

মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য পাবনা পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস আপনার সময় দুই মিনিট বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ পাবনা জেনারেল হাসপাতাল 200 সজ্জা বিশিষ্ট 250 সজ্জা বিশিষ্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা

বেগম খালেদা জিয়া এটা উদ্বোধন করে 500 সজ্জার ঘোষণা দিয়েছিলেন সেটা বরাদ্দ হয়েছিলেন পরবর্তীতে প্রভাবশালী আরেকটা গ্রুপ এটা নিয়ে যায় এখন এটা চালু করাটা অতি জরুরী প্রয়োজন ওখানকার সমস্যা হচ্ছে চিকিৎসা হচ্ছে না আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে অনুরোধ করছি মরহুমা দেশ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্বোধনকৃত 500 সজ্জা বিশিষ্ট হাসপাতালটি দ্রুত

চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বন্দোকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য নেত্রকোনা পাঁচ আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মাসুম মোস্তফা আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার উত্থাপনীয় বিষয় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে

মুসলিম শিক্ষার্থীদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা নিশ্চিত কল্পে নূরানী অথবা তালিমুল কোরআন ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন করে শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার, বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ। দেশের অধিকাংশ মুসলিম পরিবার তাদের সন্তানদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধভাবে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষার শিক্ষাতে আগ্রহী। কিন্তু বাস্তবতা হলো দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহে অধ্যায়ের

বিপুল সংখ্যক মুসলিম শিক্ষার্থীর জন্য তাজবিদ ভিত্তিক ও বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা শিক্ষা প্রদানের পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। অনেক ক্ষেত্রে ধর্মীয় শিক্ষা পাঠদান করা হলেও শুদ্ধ উচ্চারণ ও মাখরাজ এবং তাজবিদের নিয়মাবলী অনুসরণ করে কোরআন শিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষক শিক্ষক পর্যাপ্ত শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শেষ করেও শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করতে পারে না। এ কারণে অভিভাবকদের অতিরিক্ত ব্যয়ে পৃথকভাবে

মক্তব, নূরানী শিক্ষাকেন্দ্র বা ব্যক্তিগত শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে হয় যা অনেক নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য এবং ক্ষেত্রবিশেষ অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে নূরানী ও তালিমুল কোরআন পদ্ধতি বর্তমানে শিশুদের শুদ্ধ কোরআন শিক্ষা প্রদানের একটি পরীক্ষিত ও জনপ্রিয় মাধ্যম হিসেবে দেশব্যাপী স্বীকৃত। এসব পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ অল্প সময়ে শিশুদের বিশুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত, তাজবীদ এবং মৌলিক ধর্মীয় জ্ঞান প্রদান করতে সক্ষম।

সরকারি বিদ্যালয় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এধরনের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করা হলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শিক্ষার পাশাপাশি শুদ্ধ কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা লাভের সুযোগ পাবে এবং ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক হবে। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ভোলা চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম উনি নেই নিলফোমা

তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব ওবায়দুল্লাহ সালাফী আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

আমার জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ উত্থাপন্য বিষয়টি হচ্ছে আমাদের দেশের সাব রেজিস্ট্রি অফিস সমূহে জমি রেজিস্ট্রি করার সময় দলিল লেখক সমিতির আড়ালে চাঁদা গ্রহণ বন্ধ এবং বিশেষ করে যেটা সেটা হচ্ছে সাব রেজিস্টার গণ এবং তাদের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদে যে

সদস্য আপনার নোটিসের বিষয়বস্তু কিন্তু অন্য একটা দয়া করে একটু দেখে নিবেন আর না হলে আরেকদিন পড়েন দয়া করে জি মাননীয় স্পিকার সরি না আপনার প্রশ্নটা যেটা উত্থাপন করেছেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ অনেকেই সাফার করছে কিন্তু আজকের বিষয়বস্তু এটা না দয়া করে বসুন আমি বসতে বলতেছি মাননীয় স্পিকার এটা আমার জানা আছে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত আমার উত্থাপনীয় বিষয়টি আরেকটি বিষয় আসার কারণে

উত্তর জনপদের রংপুর এবং ডালিয়া মহাসড়ক একটি সকলের সুপরিচিত মহাসড়ক এই মহাসড়কে উত্তরপাড়া সর্বোত্তর হলো পঞ্চগড় জেলা পঞ্চগড় লালমনিরহাট নীলফামারী এবং রংপুর সদরের আংশিক এলাকার যাতায়াতের মূল রাস্তা এটি এই রাস্তাটিতে শত শত ট্রাক পাথর বোঝাই বালু বোঝাই ট্রাক যাতায়াত করে ফলে

দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং বর্তমানে রাস্তাটি খানাখন্দকে পরিপূর্ণ এমতো অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে রাস্তাটি ফোরলেনে উন্নীত করা একান্ত প্রয়োজন এ বিষয়ে মাননীয় মন্ত্রীর আমি সদায় দৃষ্টি কামনা করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল হান্নান চাঁদপুর 4 ধন্যবাদ স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমরা দেখতে পাচ্ছি সরকারি দল এবং বিরোধী

দল। সাধারণত কথা বলার সুযোগ পাই আমরা স্বতন্ত্র এক নম্বর অনেকবার নোটিস দিয়েছি পাইনা তাই পেয়েছি এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের সমস্ত অঙ্গে ক্ষতবিক্ষত সারা ফরিদগঞ্জ চাঁদপুর চার জনগণ অনেক আশা করে ভোট দিয়েছে জনগণের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ করার জন্য। সমস্যা রাস্তাঘাট জর্জরিত হসপিটাল জর্জরিত

বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত আমরা তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে আছেন আপনার মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে উনি যেন বলে দেয় যারা আমরা স্বতন্ত্র আমরা বিএনপির লোকেই ছিলাম দল হয়তো ভুলক্রমে অন্যদিকে মনোনয়ন দেওয়ার কারণে জনগণ আমাদেরকে দাঁড় করে দিয়েছে জনগণ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে এবং ভোট দিয়ে সংসদে পাঠিয়েছে জনগণের কাজ করার জন্য

তাই মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কে আমরা অনুরোধ করব উনি যেন সমস্ত মন্ত্রণালয় আমরা যারা স্বতন্ত্র আছি আমাদেরকে যেন সমবন্টন যেন দেয় মাননীয় সদস্য আপনি বিষয়ক বস্তুতে আসেন আমার রাস্তাঘাট বলেছি সমস্ত অঙ্গ রাস্তাঘাটের জন্য সাধারণত মানুষ হসপিটালে যেতে পারে না রাস্তাঘাট খারাপের জন্য

মানুষ সাধারণত বিভিন্ন কৃষি দ্রব্য নিতে পারে না তাই রাস্তাঘাট গুলি উন্নয়ন করার জন্য আমি আপনার মাধ্যমে অনুরোধ করছি বাংলাদেশে যদি পাঁচটি সিট পায় একটি সিট চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ বিএনপির সিট সেই সিট যেন নষ্ট না হয় তাই সেই সিটের যেন কাজ হয় ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ জরুরী

গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ অনুযায়ী এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশ সমূহের উপর দুই মিনিটের বক্তব্য রাখার পর্ব এখানেই শেষ হলো। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের গৃহীত নোটিশ সমূহের উপর আলোচনা। প্রথম

আমি মাননীয় সদস্য রেহানা আক্তার রানু মহিলা আসন নম্বর চারকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণে নোটিস পড়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। কার্যপণালী বিধি একত্র বিধি অনুসারে অনুসারে মাননীয় অর্থমন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার উত্থাপনীয় বিষয় দেশের কয়েকটি ব্যাংকের লুট হওয়া টাকা

75 লক্ষ গ্রাহকের হাতে ফিরিয়ে দেয়া এবং ওই সমস্ত ব্যাংক ডাকাত ব্যাংক খোকো ব্যাংক লুটেরাদের কঠোর শাস্তি প্রদান প্রসঙ্গে মনীষ স্পিকার দেশের কয়েকটি ব্যাংকে

অনিয়ম দুর্নীতির কারণে এক্সিম ব্যাংক সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ইউনিয়ন ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংক আইএফসি ব্যাংক সহ আরো কয়েকটি ব্যাংকে অনিয়ম এবং দুর্নীতি কারণে মালিক পক্ষের অর্থপাচারের কারণে লুটের কারণে আজকে দেশের আমানতকারীরা তাদের টাকা তুলতে পারছে না। এই টাকা কোন বিলাসিতার

টাকা নয়, এই টাকা তাদের কষ্ট অর্জিত টাকা এক বাবার মেয়ের বিয়ে দেবার খরচের স্বপ্ন এক মায়ের চিকিৎসার শেষ ভরসা এক শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের টিউশন ফ্রি এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জীবন বাঁচানোর মূলধন এবং কারো পেনশনের সঞ্চয় তারা অতি কষ্টে অর্জিত এই টাকাগুলো ব্যাংকে রেখে ছিল, ব্যাংক মানুষের আস্থার জায়গা ব্যাংক থেকে

যদি টাকা লুট হয়, মানুষ কোথায় যাবে মাননীয় স্পিকার? মানুষ যদি ব্যাংকে টাকা না রাখে, তাহলে বিনিয়োগ কমে যাবে, অর্থের প্রবাহ থেমে যাবে, অর্থনীতি গভীর সংকটে পড়বে। আমরা জনগণের ভোটে নির্বাহিত সরকার, আমরা এটি কোনোভাবেই মেনে নিতে পারি না। মাননীয় স্পিকার, একজন মানুষের টাকা ব্যাংকে পড়ে আছে, কিন্তু টাকার অভাবে সে চিকিৎসা করতে পারছে না। সময়

মতো টাকা না পাবার কারণে, তার চিকিৎসা হবার না কারণে অনেকেই জীবন অনেকেরই জীবন চলে গেছে মাননীয় স্পিকার। আর অন্যদিকে লুটেরা মালিকপক্ষ বিদেশে পালিয়ে গিয়ে নাকে সরিষার তেল মেখে আরামে ঘুমাচ্ছে। মাননীয় স্পিকার, এই সমস্ত লুটেরাদের তো এভাবে আরামে ঘুমাতে দেয়া যায় না মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, এই মানুষগুলো এই 75 লক্ষ গ্রাহক

আজকে সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে তাদের কান্না তাদের আত্মরাত আজকে তারা ন্যায়বিচার পাবার জন্য রাষ্ট্রের কাছে দাবি জানাচ্ছে মাননীয় স্পিকার এই সমস্ত ব্যাংক খেকো ব্যাংক লুটেরা ব্যাংক ডাকাতদের কঠোর শাস্তি প্রদান করে তাদের সমস্ত সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে গ্রাহকের টাকা গ্রাহকের হাতে ফিরিয়ে দিতে হবে তবে জানতে পারলাম তাদের যে সম্পত্তি

উপত্তি রয়েছে, তারা তার চেয়ে 10-12 গুণ বেশি তারা টাকা লুট করেছে। এ কারণেই তাদেরকে ধরে এনে ফিরিয়ে এনে এই টাকা তাদের কাছ থেকে আদায় করার দাবি জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, একজন মানুষের জীবনে কত টাকার প্রয়োজন? আমরা তো ইচ্ছে করলে বেশি আমরা খেতে পারি না। বদহজম হয়। তাই এই সমস্ত বদহজমকারী লুটেরাদের ফিরিয়ে আনার

দাবি জানাচ্ছি। এই বিষয়টির সাথে 75 লক্ষ গ্রাহক জড়িত মানুষ জড়িত মাননীয় সদস্য মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন সম্পূরকের সময় আপনার এই স্টেটমেন্টটা দিবেন। এখন মাননীয় মন্ত্রী এটা আমার নোটিসে লেখা আছে মাননীয় স্পিকার আমি নোটিস দেখেই পড়ছি। মাননীয় স্পিকার বিষয়টি অতি জরুরী বিধায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্যে মাননীয় অর্থমন্ত্রীর আমি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি। আচ্ছা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রতি উনি যে বক্তব্য রেখেছেন সম্পূর্ণ একমত। এটা একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশের

বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকার এ ব্যাপারে নীরব থাকতে পারে না। মাননীয় স্পিকার সরকার দেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড আর্থিক খাতকে স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে একটি সুসংগঠিত বহুমাত্রিক রেজুলেশন কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেছে। এই কাঠামোর আইনি ভিত্তি হিসেবে ব্যাংক রেজুলেশন আইন

2026 প্রণীত হয়েছে। এর আওতায় সমস্যাগ্রস্ত পাঁচটি ব্যাংক যথা এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অফ বাংলাদেশ পিএলসি এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামিক ব্যাংক পিএলসি গ্লোবাল ইসলামিক ব্যাংক পিএলসি সোশ্যাল ইসলামিক ব্যাংক পিএলসি ও ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি কে কেন্দ্রিক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি গঠন করা হয়েছে। যা রেজুলেশন কৌশলের অধীনে গৃহীত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য

পদক্ষেপ এই একীভূতকরণ ফলে পাঁচটি ব্যাংকের সকল আমানতকারীর দাবি ও স্বার্থ নতুন ব্যাংকে সংরক্ষিত হয়ে

এর পাশাপাশি আমানত সুরক্ষা তহবিলের বিধানের আওতায় নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত আমানতকারীর ক্ষতিপূরণ পাওয়ার আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এক্ষেত্রে আমানত সুরক্ষা আইন 2026 এর মাধ্যমে সুরক্ষিত আমানতের পরিমাণ সর্বোচ্চ 1 লক্ষ টাকা হতে 2 লক্ষ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে রেজুলেশনের আওতায়

অবসায়নাধীন। ব্যাংকসমূহের আমানতকারীগণ বাংলাদেশ ব্যাংকের রেজুলেশন স্কিম মোতাবেক আমানতের অর্থ পর্যায়ক্রমে ফেরত পাচ্ছেন। ফাইন্যান্স কোম্পানি সমূহের আমানতকারীরা ইতিপূর্বে আমানত সুরক্ষা আইনের আওতাভুক্ত ছিল না। বর্তমানে সরকার তাদেরকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে এই সকল পদক্ষেপের মাধ্যমে গ্রাহকদের আমানত প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পাশাপাশি এই পাঁচটি ব্যাংকের বিনিয়োগ অনিয়মসমূহে দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে বিশেষ ফরেনজিক অডিট চলমান রয়েছে যার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তীতে সম্পদ পুনরুদ্ধার পুনরুদ্ধারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা হবে মাননীয় স্পিকার উল্লেখক ব্যাংক রেজুলেশন

আইন 2026 এর 57 ধারায় রেজুলেশনের আওতাধীন ব্যাংকের পাওনা আদায়ের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দায়ী ব্যক্তি কর্তৃক ব্যাংকের সম্পদ অথবা তহবিল হইতে অর্জিত সকল আই সম্পত্তি অধিকার এবং সম্পদের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ এর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এই আইনের প্রয়োগের মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তিদের সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতো বিক্রয়

নিলামের মাধ্যমে গ্রাহকের টাকা পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করি। এছাড়া ফৌজদারি ক্রিমিনাল মামলার পাশাপাশি দেওয়ানী সিভিল পদ্ধতি গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সৃষ্ট খেলাপি ঋণের টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ গ্রহণ করা

হয়েছে। এই পদ্ধতিতে খেলাপি ঋণের টাকা অবৈধভাবে বিদেশে পাচারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় 30 টি ব্যাংক তাদের ঋণের অর্থ উদ্ধারের জন্য নন ডিসক্লোজার এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরপূর্বক নয়টি আন্তর্জাতিক আইনি প্রতিষ্ঠানকে নো উইন নো ফি শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে। অগ্রাধিকার প্রাপ্ত 11 টি কেসের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ছয়টি কেস সাইফুজ্জামান চৌধুরী, এস আলম

ব্যাক্সিমকো, শিকদার, নাসা ও অরিয়েন্ট গ্রুপ নিয়ে দেওয়ানী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ব্যাংক কর্তৃক অর্থ পুনরুদ্ধারের এই কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়ে বিগত সরকারের আমলে বিপুল অংকের অর্থ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়েছে। এই অর্থ পুনরুদ্ধারে সরকার সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এটা সংক্ষেপ

মাননীয় স্পিকার, নিচে দেওয়া আছে, এটা দীর্ঘ। আমি যেহেতু এই এই বিষয়গুলো আমি সংসদে বিগত দিনে বেশ কয়েকবার উত্থাপন করেছি বিধায় পঠিত বলিয়োগণ্য করার জন্য অনুরোধ করছি। জ্বি। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী, ওয়েল ডান অনারেবল ফাইন্যান্স মিনিস্টার। মাননীয় সদস্য রেহানা আক্তার রানু আপনি এ বিষয়ে একটি প্রশ্ন করতে পারেন। ইফ ইউ হ্যাভ এনি।

মাননীয় স্পিকার, আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। আমাদের মন্ত্রী অনেক ভালো মানুষ এবং একজন কাজের মানুষ, আমার প্রিয় মানুষ, প্রিয় নেতা, আমি মন্ত্রীর কথায় আশাবাদী হয়েছি, কিন্তু দুশ্চিন্তা মুক্ত হতে পারিনি। উনি নিলামের সম্পত্তি বিক্রি করার কথা বলেছেন, আমি দাবি জানিয়েছি, কিন্তু যেটা শুনেছি যে তারা যে টাকা লুট করেছে, তাদের যে সম্পত্তি বাংলাদেশে আছে, তারা তার চেয়ে 10-12

গুণ বেশি টাকা লুট করেছে। তো সেজন্য নিলামের টাকা বিক্রি করে সম্পত্তি বিক্রি টাকা আদায় সম্ভব নয়। মাননীয় স্পিকার এক নারী বোন আমাকে গতকালকে ফোন করে বলেছে উনি গত বসুরাতে আমাদের অর্থমন্ত্রীকে স্বপ্ন দেখেছেন। উনি স্বপ্নে দেখেছেন অর্থমন্ত্রী উনার টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন। মাননীয় স্পিকার আমার এই বোনের স্বপ্ন কি পূরণ হবে? এই স্বপ্ন কি মাননীয় স্পিকার সত্যি হবে? মাননীয় স্পিকার গত চৌঠা জুলাই মাননীয়

মন্ত্রী চট্টগ্রামের বাসার সামনে গ্রাহকরা মানববন্ধন করেছে এবং মাননীয় মন্ত্রীর সাথে দেখা করে তাদের আকুতি জানিয়ে আছে। আমি খুশি হয়ে কারণ গ্রাহকরা

জায়গা মতোই পৌঁছেছে এবং জায়গা মতোই গেছে মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রধানমন্ত্রী মাঝে মাঝে বিরোধী দলের মোড়ে চলে যান। আমি এই মুহূর্তে বিরোধী দলের দ্বিতীয় সারিতে বসা কয়েকজন সংসদ সদস্যের মোড়ে চলে যেতে চাই। মাননীয় স্পিকার 75 লক্ষ গ্রাহকের প্রাণের দাবি সাথে সহমত আমি প্রকাশ করছি। সেটি হচ্ছে একদিকে মানুষ টাকা তোলার চিন্তায় আছে।

আরেকদিকে এখানে যোগ হয়েছে হেয়ার কাট নামক এক মরণ কাট সমস্যা মরণ ওর উপর মরণ উপর খাড়ার গামানো স্পিকার আমি মাননীয় মন্ত্রীকে বিনয়ের সাথে প্রশ্ন করতে চাই আমি জানতে চাই যে ব্যাংক ডাকাতদের ব্যাংক ডাকাতদের ডাকাতির ধাইবার কেন আমানতকারীদের নিতে হবে আমানতকারীদের কি অপরাধ আমানতকারীদের অপরাধ হচ্ছে যে তারা বিশ্বাস করে ব্যাংকে টাকা রেখে

লিখেছিলো, মাননীয় স্পিকার, 75 লাখ গ্রাহকের দাবির সাথে সহমত পোষণ করে আমারও দাবি হেয়ার কার্ড নামক এই মরণ কার্ডটি প্রত্যাহার করতে হবে, প্রত্যাহার করতে হবে, প্রত্যাহার করতে হবে, বক্তব্য পরিষ্কার, যারা জনগণের টাকা লুট করেছে, মাননীয় সদস্য প্রশ্ন করেন, ছোট করেন, প্লিজ প্রিসাইজ করেন, আই এম কামিং, এক সেকেন্ড শেষ করছি, মাননীয় স্পিকার, বক্তব্য পরিষ্কার, যারা

গ্রাহকের টাকা লুট করেছে, ওই সমস্ত ব্যাংক খেকো, ব্যাংক ডাকাত, ব্যাংক লুটেরাদের কোন ক্ষমা নেই, কোন ক্ষমা হতে পারে না। মাননীয় স্পিকার, তারা পৃথিবীর যেখানেই থাকুক, ওই ফিরিয়ে এনে তাদেরকে ডিম থেরাপি দিয়ে তাদের এই টাকা আদায় করতে হবে মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন হেয়ার কার্ড নামক মরণ কার্ড প্রত্যাহার করে 75 লাখ

স্বস্তি দেয়ার কোনো পরিকল্পনা আপনার মন্ত্রণালয় আছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে আমরা সামনেও দেখি স্বপ্নেও দেখি দয়া করে উত্তরটা দেন মাননীয় স্পিকার আমি ভীতসন্ত্রস্ত বোধ করছি অলমোস্ট ওয়ার্নিং এর মতো বক্তব্য এসেছে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমি আগেই বলেছি

এটা একটা হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে এবং একটি নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব এটার সঠিক সমাধান দেওয়া ইতিমধ্যে আমি আগেও বলেছি সংসদে যারা আমানতকারী তাদের আমানত সুদ সহ ফেরত দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ তবে একটু ধৈর্য ধরতে হবে কারণ এই ব্যাংকগুলো সবগুলো

লোকসানের মধ্যে আছে। এবং লোকসান কিন্তু প্রতিদিন বাড়ছে। লোকসানী একটা ব্যাংকে আপনার যেখানে তার আমানতে ফিরিয়ে দিতে পারছে না এবং তাকে সুদ দেওয়া যে কত কঠিন সেটা আপনারা বুঝতে হবে। তারপরও একটি নির্বাচিত সরকার জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণে আমরা নিশ্চিতভাবে তাদের আমানত এবং সুদ ফেরত দেওয়া হবে কিন্তু

এটার জন্য একটা সময়ের প্রয়োজন। এই ব্যাংকগুলো হেয়ার কাট থাকবে না। হেয়ার কাট থাকলে হেয়ার কাট হেয়ার কাট হবে না। হেয়ার কাট তো বাদ যাবে। আমি যখন বলছি সুদ সহ সুতরাং হেয়ার হেয়ার কাটে তো আর প্রশ্ন আসছে না এখানে। তবে আমি আমি আবারো অনুরোধ করবো আমি জানি তাদের অপেক্ষা করার সময় নাই। মানুষ চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে। মানুষ তার মেয়ের বিয়ে দিতে পারছে না। আমি প্রতিনিয়ত এই

এই সমস্ত সমস্যার সাথে সম্মুখীন হচ্ছে প্রতিনিয়ত। মাননীয় স্পিকার, এটার সমাধান একটু মধ্যমেয়াদী, দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হবে। তবে নিশ্চিতভাবে এটা বলতে পারি আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবে, সুদ সহ ফেরত পাবে। এটার নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। তবে এটার জন্য একটু ধৈর্য ধারণ করতে হবে। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। আমি

এখন মাননীয় সদস্য আরিফা সুলতানা মহিলা আসন নম্বর 30 তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় সদস্য আরিফা সুলতানা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে আমি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমার উত্থাপনের বিষয় চলনবিল অঞ্চলে

বজ্রপাতে কৃষক মৃত্যুরোধে ফসলের মাঠে জরুরী ভিত্তিতে কৃষক শেল্টার ও বজ্রপাত নিরোধক দন্ড স্থাপন প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার, আজ এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে আমি

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং অন্যতম প্রাণকেন্দ্র চলন বিল অঞ্চলের লাখ লাখ অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের জীবনের এক চরম সংকটের কথা তুলে ধরছি। বিলটি পাবনা সিরাজগঞ্জ, নাটোর, রাজশাহীর আংশিক, বগুড়ার আংশিক জেলার মোট 13 টি উপজেলা প্রায় 1000 বর্গ কিলোমিটার নিয়ে বেষ্টিত। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে প্রধান অর্থকরী ফসল বোরোধান, কর্তনিক, কৃষক এবং চলনবিলের দেশীয় প্রজাতির মিঠা পানির মাছ

আহরণে জেলে সম্প্রদায়ের শত-শত মানুষ খোলা মাঠে কাজ করেন। মাননীয় স্পিকার, আপনি জানেন চলনবিলের মাঠগুলো মাইলের পর মাইল বিস্তৃত থাকে। সেখানে কোন গাছপালা থাকে না। আশ্রয় নেওয়ার মতো কোন ঘরবাড়িও আশেপাশে দেখা যায় না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে বজ্রপাতের পরিমাণ ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়েছে। বিশেষ করে বরোধান কাটার মৌসুমে মাঠের মাঝখানে থাকা কৃষকের নিরাপদ আশ্রয় যাওয়ার জন্য কোন জায়গাও খুঁজে পাওয়া যায় না। চলনবিল অঞ্চলে বজ্রপাতের ঝাঁঝরা হয়ে যাচ্ছে শত-শত কৃষকের বুক।

কত পরিবার যে তাদের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষকে হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে তার কোন হিসাব নাই। মাননীয় স্পিকার গত বছরের সরকারি এক পরিসংখ্যানে দেখা গিয়েছে দেশের তিন শতাধিক কৃষক বজ্রপাতে মারা যায়। এপ্রিল থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বজ্রপাতে শুধু চলনবিল অঞ্চলেই শতাধিক মানুষ মারা যায় যার মধ্যে শতকরা 70 থেকে 80 জনই কৃষক। মাননীয় স্পিকার আমরা স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলি আমরা আধুনিক কৃষির কথা বলছি কিন্তু যে কৃষক আমাদের

বাঁচিয়ে রাখছেন। মাঠ পর্যায়ে তাদের জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা আমরা দিতে পারছি না। এই অবস্থা আর চলতে দেওয়া যায় না মাননীয় স্পিকার। আমরা চাই না আর কোন কৃষকের রক্তে আমাদের সবুজ ধানক্ষেত লাল হয়ে উঠুক। আমরা চাই না অন্নদাতা সন্তান অনিশ্চয়তার অন্ধকারে বেড়ে উঠুক। এই আধুনিকায়নের যুগে আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে মাঠে কাজ করতে যাওয়া প্রতিটি কৃষক নিরাপদে ঘরে ফিরবে। মাননীয় স্পিকার, একটা প্রবাদ আছে। কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ তবেই হবে সোনার বাংলাদেশ। মাননীয় স্পিকার,

তাই আজ এই মহান সংসদের মাধ্যমে আমি মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিনীত দাবি জানাচ্ছি চলন বিল অঞ্চলে জরুরি ভিত্তিতে কৃষক শেল্টার বা কৃষক ছাউনি নির্মাণ প্রকল্প গ্রহণ করা হোক ফসলের মাঠে প্রতি এক বা দুই কিলোমিটার পর পর আধুনিক ও টেকসই ছাউনি তৈরি করা হোক প্রতিটি শেল্টারে আধুনিক বজ্রপাত নিরোধক দন্ড স্থাপন করা হোক যেন হঠাৎ ঝড় বা বজ্রপাত শুরু হলে কৃষকরা সেখানে আশ্রয় নিয়ে নিজেদের জীবন রক্ষা করতে পারে

ফেল্টার গুলোতে যেন কৃষকদের জন্য বিশুদ্ধ খাবার পানি এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ন্যূনতম ব্যবস্থা থাকে বিলের ভিতরে ডুবন্ত রাস্তা বা কজয় গুলো টেকসই ভাবে সংস্কার করা হোক যাতে কৃষকরা সহজে ফল ফসল ঘরে তুলতে পারে মাননীয় স্পিকার আমাদের সংবিধানে নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তার কথা বলা বলা হয়েছে কৃষকের জীবন রক্ষা করা আমাদের কোন বিলাসিতা নয় এটি একটি মৌলিক অধিকার এবং আমাদের রাষ্ট্রের দায়িত্ব আমি বিশ্বাস করি মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মহোদয় চলন বিলের এই মানবিক

সংকটটি অনুধাবন করবেন এবং আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘ সূত্রতা পরিহার করে জরুরি ভিত্তিতে আগামী মৌসুমেই আগামী মৌসুমের আগেই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। চলন বিলের মাঠ আর যেন কৃষকের রক্তে লাল না হয় আর কোন মায়ের বুক যেন খালি না হয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী জনাব হাসান হাবিব দুলু এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত

বিবৃতি দিবেন। আমি আমার জায়গা থেকে একটু অনুরোধ করব চলন বিলের পাশে যে পাঁচটা জেলা এর সাথে নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ কে এড করে নিয়ে আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েন। মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আরিফা সুলতানা কর্তৃক কার্যপ্রণালী অনুযায়ী উত্থাপিত জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মাননীয় সংসদ

সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশে বজ্রপাত একটি ক্রমবর্ধমান প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে এবং সরকার ইতিমধ্যে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। বজ্রপাত জনিত প্রাণহানি ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা থেকে যেগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করা আছে সেই বিষয়ে আমি এখন বলবো। প্রথমে এটি আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বলি বজ্রপাত ঝুঁকি নিরাসনের সচেতনতা

বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। দেশব্যাপী জনসচেতনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর মার্চ, জুন মাসে বিভিন্ন প্রচার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বজ্রপাত কালীন করণীয় সম্পর্কে জনসাধারণকে লিপিলেট বিতরণ অবহিত করা হয়। বিশেষ করে জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানে জনসচেতনামূলক কার্যক্রম প্রচার করা হয়।

প্রকল্প গ্রহণ এই লক্ষ্যে দেশের অধিক বজ্রপাত প্রবণ 15 টি জেলায় বজ্রপাতের ফলে প্রাণহানি রোধের বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা গ্রহণ প্রকল্প

কৃষক ছাউনি, কাম, বজ্রনিরোধক, দণ্ডস্থাপন প্রকল্প, শীর্ষক প্রকল্প, ডিপিডি প্রণয়নের কার্যক্রম বর্তমান প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যার মধ্যে চলন বিল অধ্যুষিত বগুড়া, পাবনা, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং আপনার অঞ্চল সহ হাওর অঞ্চলটা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আমার মনে হয় যে আমরা যে কাজটা করতে চাচ্ছি সেটি হচ্ছে আমার যে অভিজ্ঞতা

সেটি হলো যে এবার যে হাওর অঞ্চলে আমরা গেলাম সেখানে আমরা দেখলাম যে কৃষকরা যখন ধান কাটে তখনও বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি যখন হাওর অঞ্চলে প্রচুর পানি হয় মাছ ধরার জন্য জেলেরা যায় তখনও বজ্রপাতে সেখানে প্রাণহানি ঘটছে। এ কারণে আমরা আমাদের যেমন সাইক্লোন শেল্টার করি আমরা যখন ঘূর্ণিঝড় ঘটে আবার বন্যাশ্রয়কেন্দ্র আমরা নির্মাণ করেছি বিভিন্ন অঞ্চলে তেমনি

আমরা বজ্রপাতের জন্য ওই ধরনের মাল্টিপারপাস আমরা সেল্টার করতে যাচ্ছি। সেখানে বজ্রনির্ধক দন্ড যেমন থাকবে কৃষকরা যখন ধান কাটা অবস্থায় আকাশে মেঘের ঘনঘটা দেখা দিবে তখন আমরা সেখানে এলার্ম দিব। তারা এসে ওই আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় গ্রহণ করবে। পাশাপাশি বর্ষাকালে যখন কৃষকরা জেলেরা মাছ ধরবে তখনো তারা আশ্রয় গ্রহণ করবে। সুতরাং মাননীয় স্পিকার আমরা মনে করি যে সাম্প্রতিক সময় নয়

গত কয়েক বছর যাবৎ এই বজ্রপাত বাংলাদেশে ভয়ানক আকার ধারণ করেছে এটি উত্তর অঞ্চলে বেশি ঘটে সংগঠিত করে আর হাওড়া অঞ্চলে বেশি সংগঠিত হয় তো মাননীয় স্পিকার চলন বিল সহ দেশের সকল অধিক বজ্রপাত এলাকায় জনগণের জীবন জীবিকা সুরক্ষার প্রয়োজনীয় প্রকল্প সমূহ অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে আশা করা যাচ্ছে প্রস্তাবিত প্রকল্প সমূহ বাস্তবায়িত হলে কৃষকের নিরাপত্তা

নিশ্চিতকরণ বজ্রপাত জনিত প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে হেরাশ হবে অতএব আরেকটি জিনিস বলি ইতিমধ্যে যে বজ্রপাত সংগঠিত হয়ে যারা মৃত্যুবরণ করে তাদের আমরা তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা দান করি এই পরিবারকে আগে দেহত 25000 করে টাকা এবার আমরা বাড়িয়ে 50000 টাকা করছি আর বজ্রপাতে আবার প্রাণ মানুষের সঙ্গে আবার প্রাণীদের গবাদি পশুর প্রাণহানি ঘটে।

কোথাও গরু মৃত্যুবরণ করে কোথাও ছাগলের প্রাণী সেখানে আমরা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা রেখেছি সুতরাং মাননীয় সংসদ উত্থাপিত বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়ে সরকার কার্যক্রম চলমান রয়েছে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী হাওয়ার বাসীদের পক্ষ থেকে মাননীয় সদস্য আরিফা সুলতানা আপনি এ বিষয়ে একটি প্রশ্ন করতে পারেন যদি থাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার কোশ্চেন করবেন দয়া করে আমরা উই আর রানিং আউট

টাইম মাননীয় স্পিকার আপনাকে আবারো ধন্যবাদ মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ত্রাণ মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার যে প্রশ্নটি করা ছিল উনি অলরেডি উত্তর দিয়ে দিয়েছেন আমি এর পাশাপাশি আমি আরেকটা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে প্রশ্ন করতে চাই যে যে বজ্রপাতে অকাল যে মৃত্যু হচ্ছে এই পরিবারের যে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে কারণ উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটাই বজ্রপাতে নিহত হচ্ছে ফলে পরিবারটা একদম নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে যার মানে

ভোগ করছে পরিবারের সকলেই। মানে এই প্রকল্পের বাজেট মানে একটা মানে বাজেট নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ড থেকে বিশেষ থোক বরাদ্দ আনা হবে কিনা? একই সাথে এই ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য কোন রাষ্ট্রীয় জীবন বীমা চালু করার পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। যেহেতু যাদের এই বজ্রপাতে মৃত্যু সংগঠিত

সেই পরিবার আসলে নিঃস্ব হয়ে যায় আর বিশেষ করে এগুলো গ্রামাঞ্চলে হতদরিদ্র পরিবারের বেশি আক্রান্ত হয়ে যায় আমরা মনে করি এই পরিবারগুলো যখন তার মূল অভিভাবককে হারিয়ে দিশাহারা হয়ে যায় সে কারণে তাদের কর্মক্ষম ব্যক্তি যখন অনুপস্থিত হয়ে যায় পরিবারগুলোকে সাহায্য করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে আমি একটু আগে বলেছি যে আমরা আর্থিক সহায়তা দান করি আমরা চাইবো যে তাদের পুনর্বাসনের জন্য পরিবারের অন্যান্য পরিবারগুলোকে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে

তাদের কার্যক্রম যাতে পরিচালনা করতে পারে, কর্মক্ষম কাজ করতে পারে সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। আমি এখন মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আক্তার হোসেন রংপুর চারকে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় সদস্য। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আজ 71 ভিত্তিতে আমার উত্থাপনীয় বিষয় হলো বিগত সৈরাচার আমলে

মুক্তিযোদ্ধা সনদে নিয়োগপ্রাপ্তদের দ্রুত চাকরিচ্যুতি এবং পতিত ফেসিস্টের পুনর্বাসন রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে প্রশাসনিক সূত্রই অভিযান জোরদারকরণ প্রসঙ্গে বিগত দেড় দশকে প্রশাসন পুলিশ

সেনাপাহীনি বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের অত্যন্ত স্পর্শকাতর দপ্তরগুলোতে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ পেয়ে ঘাপটি বেড়ে থাকা বিশাল সংখ্যক সুবিধাভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারী বর্তমানে পতিত ফেসিস্ট শক্তিকে পুনরায় ক্ষমতায় আনতে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তৈরিক প্রথম আলোর সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত 90,527 জনের সনদ যাচাই-বাছাইকালে ইতিমধ্যে অন্তত 8,000 জনের সনদে জালিয়াতের প্রমাণ মিলেছে এবং প্রতি 100 জনের মধ্যে সাত-আট জনের তথ্যে গুরুতর গলবিল পাওয়া যাচ্ছে। 2014

সালে পাঁচজন জ্যেষ্ঠ সচিবের ভুয়া সনদের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়া থেকে এটি স্পষ্ট যে রাষ্ট্রের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এই জালিয়াতি কতটা সুকোয়ারিকল্পিত ভাবে প্রথিত করা হয়েছিল। বর্তমান সরকারি বিশাল সংখ্যক ভুয়া সনদধারীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইন অনুগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখলেও অভিযোগ রয়েছে যে অভিযোগ তারা নানাভাবে তদন্ত প্রক্রিয়াকে স্থবির করে দেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বিগত শৈল্যচারী আমলে জালিয়াতির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া এই চক্রকে অবিলম্বে চাকরিচ্যুতি করে আইনের আওতায় আনা না হলে এরা রাষ্ট্রের গোপনীয় তথ্য পাচার

করে বা সিভিল মিলিটারি বা জুটিসেরিকুয়ের উস্কানি দিয়ে পতিত ফেসিস্ট শক্তিকে পুনর্বাসনের মাধ্যমে বড় ধরনের জাতীয় সংকট তৈরি করতে পারে। এমত অবস্থায় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা প্রশাসনে বিতার মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং ফেসিস্ট পুনর্বাসনের সকল ষড়যন্ত্র সমূহের নস্যাৎ করার লক্ষ্যে তদন্ত প্রক্রিয়াকে সম্পূর্ণ প্রভাব মুক্ত রেখে ভুয়া সনদধারী সকল কর্মকর্তা কর্মচারীকে দ্রুততম সময়ে চাকরিচ্যুত করার বিষয়ে সরকার কি ধরনের কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিচ্ছে তা এই মহান সংসদে জানানোর জন্য আমার মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দৃষ্টি

আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আহমেদ আজম খান আপনাকে এ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। এই মহান সংসদে এত সময় উপযোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন উত্থাপন করবার জন্য আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনার

মাধ্যমে এই মহান সংসদকে এবং মাননীয় সংসদ সদস্যকে জানাতে চাই বর্তমান সরকার যে সকল অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের ওয়ারিশগণ জালিয়াতির মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিভিন্ন চাকরিতে সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে শুধু

কোটার মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত নয় যে সকল অমুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সুবিধাভোগীরা রাষ্ট্রের সুবিধা গ্রহণ করেছে তাদের বিষয়ে সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মাননীয় স্পিকার সময়ের স্বল্পতার কারণে বাকি অংশটুকু পঠিত বলিয়া গণ্য করা হোক আপনার কাছে এই অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। জি অসংখ্য ধন্যবাদ।

মাননীয় সদস্য আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হচ্ছে মহান মুক্তিযুদ্ধকে আমাদের দেশে কিছু অসাধু লোক একটা ব্যবসায় পরিণত করেছিল এটা এমন একটা ব্যবসা ছিল যে মুক্তিযুদ্ধের যদি একটা ভুয়া তারা ডিগ্রি নিতে পারে তো সেক্ষেত্রে তাদের চাকরি হয়ে যেত নানা রাজনৈতিক দলে তারা পদপদবী পেত নানাভাবে তারা ভাতা পেত নানাভাবে তারা সুবিধা ভোগ করতে পারতো এইসব ব্যক্তিবর্গ তারা একই তো

আমাদের মেধাবী যারা আছে, তাদেরকে নানাভাবে কুন্ঠাসা করেছে এবং একই ভাবে তারা নানা ধরনের অন্যায়ের সাথে তারা নিজেদেরকে লিপ্ত করেছে। আমরা দেখেছি যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার অর্ধশত বছর চলে যাওয়ার পরেও এখনো পর্যন্ত আসলে কতজন মুক্তিযোদ্ধা সেটার এখনো পর্যন্ত কোন সুনির্দিষ্ট তালিকা এখনো পর্যন্ত নাই। কেন নাই? কারণটা যে তালিকাটা দেওয়া হয় সে তালিকার বিপরীতে এখন প্রায় 79,000 ব্যক্তির ব্যাপারে এই অভিযোগ আছে যে তারা আসলে মুক্তিযোদ্ধাই না। এই সংখ্যাটা কিন্তু কম না মাননীয় স্পিকার।

79,000 এই সংখ্যাটা যাদের ব্যাপারে অভিযোগ আছে যে তারা মুক্তিযোদ্ধাই না অথচ তাদেরকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তারা কিন্তু ভাতা গ্রহণ করছে। এটা অত্যন্ত বড় একটা সংকটের জায়গা তৈরি করছে। এমনকি এই সংকটটা কতটা গভীরে পতিত হয়ে বাংলাদেশের যে বাংলাদেশের একটা দল আওয়ামী লীগ তারা তাদের দুঃশাসন, ফ্যাসিবাদ, জুলুম, নিপীড়ন তার বিপরীতে ঢাল হিসেবে এই মুক্তিযুদ্ধকে তারা ব্যবহার করতো। কিছু লোক ব্যক্তিগত পর্যায়ে এটা ব্যবহার করেছে। আওয়ামী লীগ এটা দলগত ভাবে এটা ব্যবহার করেছে। এই কারণে মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন থাকবে যে এই যে

মুক্তিযুদ্ধের সংঘটিত হওয়ার এতগুলো বছর পেরিয়ে গেল। আমরা কি মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক একটা পরিসংখ্যান একটা সঠিক সংজ্ঞায়ন এবং যারা আসলে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা যাদেরকে অমুক্তিযোদ্ধা বলা হয় ফরমালি তাদের ব্যাপারে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা সেই ব্যাপারে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চাই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্যকে আবারো ধন্যবাদ জানাই এই চমৎকার প্রশ্ন করবার জন্য।

এই যে একটি পত্রিকায় এসেছে যে 79,000 অমুক্তিযোদ্ধা এটা আসলে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে না এটা আরো বাড়তে পারে।

এবং এই যে শহীদের সংখ্যা নিয়ে এই একটা বিতর্ক এই বিতর্কের জন্য আমাদের বাংলাদেশের মহান অভিভাবক বাংলাদেশের মানে জন মানে গণতন্ত্রের আজন্ম যোদ্ধা আমাদের প্রিয় দেশের নেত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধেও ওই ফ্যাসিবাদী সরকার মামলা করেছিল। কাজেই এই বিষয়ে পাঁচটা মামলা হয়ে ছিল পাঁচটা আমাদের সরকার মুক্তিযুদ্ধের সরকার আমরা এ বিষয়ে কোন ছাড় দেবো না। এই মুক্তিযুদ্ধের সরকার মুক্তিযুদ্ধের

লালিত স্বপ্নের সরকার। কাজেই এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করছি। আশা করি মাননীয় সংসদ সদস্য এটা দেখতে পাবেন। মাননীয় স্পিকার সময়ের স্বল্পতার কারণে অনেক তথ্য থাকা সত্ত্বেও আমি এটাকে পঠিত বলে গণ্য হবে বলেই আমি অনুরোধ করছি আপনাকে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী আপনাকে ধন্যবাদ। পঠিত বলে গণ্য হবে। মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী আমি এখন মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম

কে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বরগুনা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের

কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে বর্ণিত কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব সৈয়্যদ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সভাপতি জনাব মোহাম্মদ আমানুল্লাহ আমান 175 ঢাকা 2 সদস্য জনাব এবিএম

আশরাফুদ্দিন নিজান 277 লক্ষীপুর চার সদস্য জনাব এ কে এম ফজলুল হক মিলন 198 গাজীপুর পাঁচ সদস্য জনাব মোঃ হাফিজ ইব্রাহিম 116 ভোলা দুই সদস্য জনাব এ এম মাহবুবুদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য জনাব মোঃ জালালুদ্দিন 261 চাঁদপুর দুই সদস্য ডক্টর মোঃ মাহবুবুর রহমান 152 ময়মনসিংহ সাত সদস্য জনাব এস কে আজিজুল বারী 102 খুলনা চার

সদস্য, জনাব মোহাম্মদ মনজুরুল ইসলাম, ছয় দিনাজপুর এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ ফজলেদুদা, 48 নওগাঁ তিন সদস্য, জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন, 150 ময়মনসিংহ পাঁচ সদস্য, জনাব সৈয়দ জয়নুল আবেদীন, 177 ঢাকা চার সদস্য, জনাব মোহাম্মদ রুহুল আমিন, 80 চুয়াডাঙ্গা দুই সদস্য, জনাব মোহাম্মদ আনোয়ার ইসলাম, 200 না শুধু শুধু 25 কুড়িগ্রাম এক সদস্য, ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক, যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন, যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন, আমার মনে হয়

সর্বসম্মতিক্রমে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক আগামীকাল 9 জুলাই 2026 তারিখ 25 এ আষাড় 1433 রোজ বৃহস্পতিবার

প্রতিবার বিকাল তিন ঘটিকা পর্যন্ত মূল তুবি করা হলো আপনাদের সহযোগিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ আসসালামু আলাইকুম।

কোনো মিল পাওয়া যায়নি।

যেসব সম্প্রচারের পাঠ্য এখনো প্রস্তুত নয়

উপরে এই দিনের সম্পূর্ণ পাঠ্য নেই। বাকি সম্প্রচারগুলো এখানে শুনতে পারেন।