জানাব সাজান জনাব সাজান চৌধুরী
সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য
বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
বক্তব্যের পাঠ্য
নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।
মাননীয় সদস্য কি পয়েন্ট অফ অর্ডার? মাননীয় সদস্য শাহজাহান চৌধুরীকে মাইক দেন। আসসালামু আলাইকুম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমরা আপনাকে বঙ্গভবন থেকে আবার আমাদের মাঝে ফিরে পেয়ে আল্লাহ তাআলার শুকরিয়া আদায় করছি। আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আল্লাহর কাছে দোয়া করছি পাঁচ বছর যাতে করে আমাদের এই পার্লামেন্টটা আল্লাহ তাআলা টিকিয়ে রাখেন। আমরা যেন কাজ করতে পারি। মাননীয় স্পিকার আমার
পয়েন্ট অফ অর্ডার টা যেটা আমি মাননীয় প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বিবৃতি আহ্বান করবো আপনারা ইতিমধ্যেই জেনেছেন সৌদি আরব আরব আমিরাত সহ মধ্যপ্রাচ্যে আমাদের বাংলাদেশের প্রবাসী ভাইয়েরা যারা ছুটিতে এসেছেন বা কেউ যদি ওমরাতে গেছেন তারা এয়ারপোর্টে গিয়ে দেখতে পাচ্ছে যে তারা সেই দেশের ভিসাগুলো সব ক্যানসেল আমি এই পর্যন্ত আমার নোটিসে প্রায়
889 জনের মতো ভিসা ক্যানসেল হয়েছে ইউকে, আরব আমিরাত এবং সৌদি আরব। তো এই বিষয়টা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা বাড়িতে আসলো এয়ারপোর্টে আসার পরে দেখে যে অটোমেটিক্যালি তাদের ভিসাটা ক্যানসেল হয়ে গেছে ভিসার ডেট চলে গেছে কোন কারণ ছাড়া অথচ তাদের সেখানে দোকান রয়েছে একাউন্ট রয়েছে টাকা-পয়সা রয়েছে এই জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই সমস্যাটা সমাধানের জন্য আমি
আমি আপনার মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আর আমাদের এই প্রবাসী বাইদের এই লাঞ্ছনা এই গঞ্চনা কোথায় কোথায় বিছায় ক্যানসেল এইভাবে করে কোন নিয়ম নীতি না মেনেই আমাদের হাজার হাজার আমাদের রেমিট্যান্স সেখানে যুদ্ধা যারা রয়েছে তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে এই বিষয়টা এই অধিবেশনে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর একটা বিবৃতি আশা করছি মাননীয় স্পিকার আপনি সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী তো এখানে নাই। আপনি একটা নোটিস দেন বা ব্যক্তিগতভাবে কোথায়? মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আপনি আপনি ইচ্ছা করলে আপনি সদস্যের বক্তব্য শুনেছেন ইচ্ছা করলে 320
এই ব্যাপারে বক্তব্য দিবেন। আর বক্তব্য মানে একটা লিখিত শর্ট লিখিত বক্তিতা দিবেন। লিখিত তা পড়বেন। আজকে না আপনি একটা বক্তিতা দেন প্রিপেয়ার্ড স্টেটমেন্ট দিবেন। থ্যাংক ইউ। পয়েন্ট অফ অর্ডার কি নিয়ম?
মাননীয় সদস্য দেন উনাকে মাইক দেন কি? মাননীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদকে মাইক দেন। পয়েন্টে অফ আসসালামু আলাইকুম রাহমাতুল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশের ইতিহাসে 12 ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর একটি দুঃখজনক দিন গেছে হলো 4 আগস্ট এই মাসের সেদিন বেশকিছু ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের
নেতাকর্মীরা ছাত্রশিবিরের উপর হামলা করে সেরকম একটি ঘটনা ঘটে ঢাকা কলেজে এবং আমরা সবাই জেনে খুবই মর্মাহত হব যে সেদিন এডভোকেট আতিকুর রহমান নামে ঢাকা কলেজের অপজিটে একজন স্টুডেন্ট একজন আইনজীবী তার চেম্বার ছিল তিনি সেই চেম্বার থেকে বের হয়ে আসার পথে এই মাঝখানে পড়ে যান এবং তিনি নির্মমভাবে আহত হন তার একটি চোখের দৃষ্টিশক্তি শেষ হয়ে গেছে অলরেডি এবং আরেকটা চোখ খুবই করুণ অবস্থায় রয়েছে মাননীয় সদস্য এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি
হয়েছে এবং দুঃখজনকভাবে বাস্তব সত্য হচ্ছে যে সেই মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না এবং সেই ঘটনার সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নেই অন্য কাজে অন্য এলাকায় আমি ব্যস্ত ছিলাম অথচ এই মামলাটি হয়েছে আমি অত্যন্ত পরিতাপের সাথে আপনার কাছে প্রতিকার চাচ্ছি মাননীয় সদস্য পয়েন্ট অফ অর্ডারের নিয়ম সম্পর্কে আপনারা রুলস অফ প্রসিডিউর থেকে আরো অবহিত হবেন পয়েন্ট অফ অর্ডার
হলো সংসদে চলমান কোনো বিষয়ের উপরে ধরুন একজন সদস্য কোন বক্তব্য দিল সেখানে কিছু বিভ্রান্তির স্কোপ রয়েছে চলমান বিষয়ের উপরে আপনি দাঁড়িয়ে পয়েন্ট অফ অর্ডার আনতে পারেন আরেকটা হলো সংসদ কাজের
শৃঙ্খলা সম্পর্কে এখন একজন সদস্যের কোন কর্মকান্ডের ফলে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হচ্ছে এই ধরনের বিষয় হলো পয়েন্ট অফ অর্ডার তারপর আপনি যেটা বলেছেন আপনি নোটিস দেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে আপনি পত্রমাত্র জানতে পারেন বাকি সংসদের কার্যক্রম নোটিসের মাধ্যমে হয় আরেকটা আই ক্যান এসিয়ার ইউ এখন থেকে আমি রুলস অফ প্রসিডিউর থরোলি ফলো করার চেষ্টা করবো আপনারা রুলস অফ প্রসিডিউর ফলো করবেন ধন্যবাদ মাননীয় সদস্যবৃন্দ আজ কার্যপ্রণালী
আমি দরুণী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে মনোযোগ আকর্ষণ যাচ্ছি বিডি 71। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আজ কার্যপণালী বিধিতে জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ সম্পন্ন বিষয় মনোযোগ অর্পণের 92 টি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে। নোটিসদাতা মাননীয় সদস্যগণ হলেন দেওয়ান মোঃ সালাউদ্দিন ঢাকা 19 সারওয়ার জামাল নিজাম চট্টগ্রাম 13 আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীল ফামারী 2 সাদিক রিয়াজ
জিনাজপুর 2, রুমিন ফারহানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2, শাহ মোহাম্মদ ওয়ারিস আলী মামুন, জামালপুর 5, জনাব মোহাম্মদ আব্দুল গফুর, কুষ্টিয়া 2, জনাব লুৎফুর রহমান, কক্সবাজার 3, কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া 1, মোহাম্মদ শওকতুল ইসলাম, মৌলভীবাজার 2, জনাব মোহাম্মদ আবুল কালাম, কুমিল্লা 9, মোহাম্মদ মোবাসসার আলম বুইয়া, কুমিল্লা 10, শামসুর রহমান, শিমুল বিশ্বাস, পাবনা 5, শিরিন সুলতানা, মহিলা আসন 2, মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, বগুড়া 4,
রহমান সাহিদ জয়পুরহাট এক, মোহাম্মদ এনামুল হক চট্টগ্রাম 12, মোহাম্মদ আলী আজগর পাবনা তিন, মোহাম্মদুল্লাহ ময়মনসিংহ দুই, খায়রুল কবির খোকন নরসিংদী এক, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ, মোহাম্মদ আমির হামজা কুষ্টিয়া তিন, জনাব জয়নুল আবেদীন ফেনী দুই, শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ, মোহাম্মদ আশরাফুদ্দিন নরসিংদী পাঁচ, মোহাম্মদ আব্দুল আলিম বাগেরহাট চার, মোহাম্মদ ফরিদুল কবি
তালুকদার জামালপুর চার, মোসাম্মদ ফরিদা ইয়াসমিন মহিলা আসন ছয়, নিলুফর চৌধুরী মনিম মহিলা আসন 10, মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা দুই, রেজা আহমদ কুষ্টিয়া এক, আজিজুল বারী খুলনা চার, এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ঢাকা 18, সুলতানা আহমদ মহিলা আসন 17, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী দুই, এ এ মাহবুবুদ্দিন নোয়াখালী এক, জনাব মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাশেদুল
শেরপুর এক, মোহাম্মদ মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা ছয়, জনাব সারওয়ার আলমগীর চট্টগ্রাম দুই, নাদিয়া পাঠান নাদিয়া পাঠান পাপন মহিলা আসন 32, নাসিরুদ্দিন আহমেদ মৌলভীবাজার এক, বিলকিস ইসলাম মহিলা আসন সাত, রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন তিন, এ ই সুলতান মাহমুদ বাবু জামালপুর দুই, জনাব মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান ময়মনসিং 10, হেলেন জারিন খান
মহিলা আসন নয়, মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ খুলনা ছয়, ফখরুদ্দিন আহমেদ ময়মনসিংহ 11, রফিকুল ইসলাম হেলালী নেত্রকোনা তিন, শেখ ফরিদ আহমেদ চাঁদপুর তিন, মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম চাপাই নবগঞ্জ তিন, মোহাম্মদ হাসান রাজিব প্রধান লালমনিরহাট এক, মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার নীল ফামারি এক, মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী শেরপুর দুই, মোহাম্মদ আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা দুই, রিয়ানা আক্তার রানু
মহিলা আসন চার, সঞ্জিদা ইসলাম মহিলা আসন 16, মোসাম্মদ নাজমুন নাহার মহিলা আসন 40, সালাউদ্দিন গাজীপুর চার, আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ কক্সবাজার দুই, ইমরান আহমেদ চৌধুরী সিলেট ছয়, মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম কুড়িগ্রাম তিন, মোহাম্মদ খালেদ হোসেন মাহবুব ব্রাহ্মণবাড়িয়া তিন, আনিসুর রহমান মাদারীপুর তিন, স্বামী মারা বেগম স্বপ্ন মহিলা আসন 21, গাজী
ইনামুল হক যশোর পাঁচ, সর্দার শরফুদ্দিন আহমেদ বরিশাল দুই, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম রাজশাহী পাঁচ, মাজহারুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ এক, এডভোকেট মোঃ জালালুদ্দিন কিশোরগঞ্জ দুই, জনাব মোঃ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক, শাহজাহান চৌধুরী কক্সবাজার চার, মোঃ মতিউর রহমান জিনাইদা তিন, কামরুজ্জামান মুন্সিগঞ্জ তিন, মোঃ মঞ্জুরুল ইসলাম দিনাজপুর এক,
মোঃ রুহুল আমিন দুলাল পিরোজপুর তিন মোঃ সালিম রেজা সিরাজগঞ্জ এক আক্তার হোসেন রংপুর চার মোঃ সালমান ওমর ময়মনসিংহ এক সেলিনা সুলতানা মহিলা আসন 35 ডক্টর মোঃ মাহবুবুর রহমান ময়মনসিংহ সাত আরিফা সুলতানা মহিলা আসন 30 সাবেক নাহার মহিলা আসন 39 এস আদুল্লা চট্টগ্রাম আট মোঃ আব্দুল আজিজ নাটোর চার মোঃ মোঃ
ইসলাম ভোলা চার, মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান চাঁদপুর চার, ওবায়দুল্লাহ সালাফী নীলফামারী তিন, মোহাম্মদ রকুনুদ্দিন বাবুল লালমনিহাট দুই
হুন্সি রফিকুল আলম ফেনিয়া হাফেজ মোঃ রবিউল বাসার সাতক্ষীরা 3 সৈয়দ জনিউল আব্দুদ্দিন ঢাকা 4 নোটিস গুলোর মধ্যে আমি মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ মোবাসের আলম ভুইয়া কুমিল্লা 10 মোঃ মোশাররফ হোসেন বগুড়া 4 এবং মোঃ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ শেরপুর 1 এর নোটিস গুলো গ্রহণ করলাম বাকি নোটিস গুলো গ্রহণ করা সম্ভব হলো না বলে দুঃখিত যাদের নোটিস গ্রহণ করা হয়নি বিধি অনুযায়ী তাদের মধ্যে থেকে
প্রত্যেককে নিজ নিজ নোটিসের বিষয়বস্তু সম্পর্কে দুই মিনিট করে বক্তব্য রাখার আহ্বান জানাবো। তবে মোট 30 মিনিটের মধ্যে যতজন সদস্যের বক্তব্য রাখা সম্ভব ততজন সদস্যই বক্তব্য রাখবেন। মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিধি অনুযায়ী আজকে বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নোটিসটি শুধু পড়বেন। অন্য বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নোটিস পড়বেন না। এখন দুই মিনিট বক্তব্য রাখবেন।
জন্য আহবান জানাচ্ছি প্রথমে দেওয়ান সাহেব মোঃ সালাউদ্দিন ঢাকা 19 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ একাত্ব বিধিতে মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী মনোযোগ আকর্ষণ করছি আমার উত্থাপনীয় বিষয় এমআরটি লাইন পাঁচ নর্দান রোড হেমায়াতপুর থেকে সাবা নবীনগর হয়ে বাইপাল পর্যন্ত সম্প্রসারণের দাবি ঢাকা কুম্বরদ্বীপ
জনসংখ্যা, যানজট নিরসন এবং রাজধানীর সাথে পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ শিল্প, শিক্ষা, প্রশাসনিক ও জাতীয় প্রতিষ্ঠান সমূহের দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার মেট্রোরেলের সম্প্রসারণের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এমআরটি লাইন পাঁচ নর্দান রোড, হেমায়াতপুর থেকে ভাটারা পর্যন্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এই দুইটাতে হেমায়াতপুরের মেট্রোরেলের প্রধান ডিপো স্থাপনের পরিকল্পনা আছে। আমাদের দাবি হলো হেমায়াতপুর
কে শুধু ডিপো ও টার্মিনাল হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে মেট্রো ওয়েল লাইন পাঁচের রুটটি সাবা নবীনগর হয়ে বাইপাল পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হোক। হেমায়াতু সাবা নবীনগর বাইপাল অঞ্চলটি জাতীয় জাতীয় জাতীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ এলাকায় রয়েছে ঢাকা ইপিজেট বিপিএটিসি জাংগিনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিএলআরআই ডাইরিপার্ম সাবা সেনানিবাস জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাবা ডিওএইচএস পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
বি কে এস পি ছয়টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিপিএম সংঘ শিল্প কারখানা ও আবাসিক এলাকা এম আর টি লাইন পাঁচ হেমাতপুর থেকে সাব হয়ে নবীনগর ও বাইপাল পর্যন্ত সম্প্রসারিত হলে এ অঞ্চলে লাখো মানুষের গণপরিবহন ব্যবস্থা বৈপুলিক পরিবর্তন আসবে এর মাধ্যমে সকল গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে সাব আসলে প্রায় 50 লক্ষ মানুষের সাথে রাজধানীর দ্রুত ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে এবং জান
সীমাহীন কষ্ট লাগবে জনগণের মুক্তি পাবে অতএব আমি মাননীয় সড়ক পরিবহন সেতু মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে এমআরটি লাইন পাঁচ নর্দান ডুটি হেমায়াতপুর অংশ থেকে সাপা নবীন ও মোহাম্মদ সারওয়ার জনাব সারওয়ার জামাল নিজাম চট্টগ্রাম 13 বিসমিল্লাহির রাহমানুররাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার একত্রে
বিধিতে আমার এই মনোযোগ আকর্ষণীয় প্রস্তাবটি আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য দিয়েছিলাম। দুঃখিত আজকে তো শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় নাই। তারপরও আমি আমার নোটিসটা করে যাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা চট্টগ্রাম 13 290 আনোয়ারা কর্ণফুলি সংসদীয় আসন কর্ণফুলি উপজেলা
কর্ণফুলিজ, আব্দুজ্জলিল চৌধুরী কলেজ, কোড নাম্বার 70080, ঐতিহ্যবাহী ও খুবই ঐতিহাসিক পুরানো একটা কলেজ, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি এই এলাকায় শিক্ষা বিস্তার এবং বিশেষ করে উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের জন্য এলাকায় কোন গুরুত্বপূর্ণ আর কলেজ নাই, এটাই এই উপজেলায় একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
যেটা অত্যন্ত পুরানো এ বিষয়ে উল্লেখ করে কর্ণফুলির উপজেলায় বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত স্থান বিধায় এটাকে সরকারীকরণ করণের জন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে কথা বলেছি আজকে এই প্রস্তাবটি উত্থাপন করে আমি মাননীয় মন্ত্রী যাতে এই কলেজটিকে আগামীতে সরকারীকরণ করে সেজন্য এই আহ্বান জানিয়ে আমার বক্তব্য এখানেই শেষ করছি।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। পরবর্তী বক্তা মাননীয় সদস্য আল ফারুক আব্দুল লতিফ নীলফামারী 2।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার উত্থাপনীয় বিষয়টি হচ্ছে বাংলাদেশের এমবিবিএস ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থী যারা রয়েছেন তাদের চাকরির বয়স সীমা সম্পর্কে আমার প্রস্তাব দেশের স্বাস্থ্যকর মানোন্নয়ন এবং চিকিৎসকদের দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের বাস্তবতাকে বিবেচনায়
নিয়ে সরকারি চাকরিতে এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের বয়সসীমা সর্বোচ্চ বয়সসীমা বৃদ্ধি করণ প্রসঙ্গে আমার প্রস্তাবনা হলো যখন 30 বছরের বয়সসীমা ছিল সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে তখন মেডিকেল কলেজের স্টুডেন্টদের গ্রাজুয়েশনের সময়সীমা পাঁচ বছর এবং এক বছরের বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশিপের কারণে ছয় বছরের বাধ্যকতা বাধ্যকতা থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থী
30 বছর থাকা অবস্থায় মেডিকেল স্টুডেন্টের জন্য 32 বছরের বয়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল সাম্প্রতিক সময়ে যে পরিবর্তন টা আনা হয়েছে এখানে তাতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বয়সীমা 30 থেকে 32 করা হলেও মেডিকেল স্টুডেন্টদের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে অভিজ্ঞ এবং দক্ষ উচ্চশিক্ষিত শিক্ষার্থীদের মেডিকেল গ্রাজুয়েটের কে চাকরিতে আনার উদ্দেশ্যে
এই বয়সীমা 32 স্থলে তাদের জন্য 34 করার যে বিধানটি রাখা উচিত ছিল সেটা করা হয়নি আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে তাদের ন্যায্য দাবি হিসেবে এবং জনস্বার্থে তাদের চাকুরিতে প্রবেশের বয়সীমা 32 স্থলে 34 করার জন্য দাবি জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার পরবর্তী বক্তা মোঃ সাদিক রিয়াজ জিনাজপুর 2
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি কার্যপণালী বিধি অনুসারে জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে মাননীয় এলজিডি মন্ত্রী মহোদয়ের মনোযোগ আকর্ষণ করে নোটিস দিয়েছি আমার নোটিসের উত্থাপিত উত্থাপনীয় বিষয় দিনাজপুর জেলার বিলোল উপজেলার 12 নম্বর রাজারামপুর ইউনিয়ন কানাইবাড়ি পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড মৌজা
কানাইবাড়ি খরখরিয়া ঘাট ব্রিজ নির্মাণ ও বোচাগঞ্জ ও বিরল বাইপাস এবং দিনাজপুর বাইপাস দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড হয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ ও 10 মাইল হয়ে সৈদপুর বিমানবন্দর বাইপাস সড়ক নির্মাণ প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা দিনাজপুর 2 জেলার বিরল উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত কানাইবাড়ি খরখরিয়া ঘাটে ঢেপা নদীর উপর একটি আধুনিক ব্রিজ
নির্মাণ। এই অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি এই ঘাটে ব্রিজ নির্মিত হলে নদীর পূর্বপাড়ের মানুষের শিক্ষা বোর্ড হাজী মোহাম্মদ রানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় 10 মাইল হয়ে সৈয়দপুর রংপুর আবার শিক্ষা বোর্ড হয়ে ফুলবাড়ি বিরামপুর গোবিন্দগঞ্জ দিয়ে গাইবান্ধা বগুড়া ও ঢাকা যাতায়াত অনেক সহজ হয় এবং প্রায় আট হতে 10 কিলোমিটার রাস্তা ঘুরে যেতে হবে না। এই ঘাট পারাপারের একমাত্র মাধ্যম নৌকা
নদী আমাদের এই অঞ্চলের কৃষি অর্থনীতি ও ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে কিন্তু এই খরখরি ঘাটে ব্রিজ না থাকায় বছরের পর বছর নদীর দুই পাড়ের হাজার হাজার মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিশেষ করে বর্ষাকালে নদী যখন উত্তাল থাকে তখন যাতায়াত ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে আমাদের কমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা পার হতে হয় এই এলাকাটি কৃষিপ্রধান এলাকা এলাকার কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত কৃষি
ফসল সঠিক সময় মূল্য রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া 2 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার বক্তব্য মূল্য স্মৃতিতে মানুষের জীবনে নাভিশ্বাস উঠা প্রসঙ্গে 180 দিনের অগ্রাধিকার তালিকার মধ্যে এই সরকারের প্রথম তিনটি কাজের একটি ছিল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি দুই নম্বরে ছিল দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং তিন নম্বরে হলো জ্বালানি খাতের নিশ্চয়তা মাননীয় স্পিকার আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গেলে মুশকিল হচ্ছে আমাদের আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত যিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আছেন তিনি হয় ব্যঙ্গ করেন আর না হলে বাকচাতুর্য দিয়ে পুরা বিষয়টিকে ঢেকে দিতে চান কিন্তু সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে মাননীয় স্পিকার জানা যায় যে বাংলাদেশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যেমন তিনজন মন্ত্রী আছেন 64 টা জেলায় 64 জন আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকলে কেবল মন্দ হতো না বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির
তোই ভালো অবস্থা। আর মাননীয় স্পিকার জ্বালানি নিয়ে আর কি বলবো? তেল আর গ্যাসের গ্যাস আর বিদ্যুতের ব্যাপারে মানুষ বলে দুষ্টু লোকে বলে অবশ্য ভালো লোক না। টুকু আসে টুকু যায় এই আসে
এই যায়, কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না। এইবার আসি মাননীয় স্পিকার, যখন তেলের দাম বাড়ছে, যখন বিদ্যুৎ হাহাকার এবং যখন গ্যাস পাওয়া যায় না, তখন এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে বলে যে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্বাচনে, সেই সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যে 62,000 লোক তাদের চাকরি হারিয়ে আর 900 এর উপরে কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সো নতুন আর
কর্মসংস্থান কি তৈরি হবে মাননীয় স্পিকার? যারা আছেন চাকরি করছেন তাদের চাকরি ও আর কতদিন থাকে আল্লাহ মাবুদে জানে। বাজারে যখন মানুষ যায় 80 টাকার নিচে কোন সবজি নাই, ডিমের দাম কয়েক দফা বেড়েছে। চালের দাম বিশেষ করে মিনিকের যে চাল বলা হয় এটা নাকি খায় না তারপর তো কেউ কেউ খায় মাননীয় স্পিকার। যখন দ্বিগুণ হয়ে যায় এবং যখন আমরা টিসিবির লাইন দেখি শাহ মোহাম্মদ
দুয়ারেস আলী মামুন জামালপুর পাঁচ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমার নোটিশটি ছিল মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। আমার নির্বাচনী আসন জামালপুর পাঁচ যেটি জামালপুর পৌরসভা এবং জামালপুর সদর আসন নিয়ে গঠিত। জামালপুর পৌরসভাটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পৌরসভা 53 বর্গকিলোমিটার এলাকা। চলমান বর্ষায় এই পৌরসভা
অধিকাংশ এলাকায় বর্ষার জলাবদ্ধতার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং সেখানে একটি নাজুক পরিস্থিতি তৈরি হয়ে আমরা আমি মনে করি মাননীয় স্পিকার যে আজকের যে এই সমস্যা এই বর্ষার এই জনজীবন যে বিপর্যস্ত এই অবস্থা থেকে জামালপুর পৌরসভা মানুষকে মুক্ত করতে হলে জামালপুর পৌরসভার উন্নয়নের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট প্রকল্প গ্রহণ করা দরকার। সেখানে পানি নিষ্করণ এর জন্য দুই
তিনটি খাল খনন সহ ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে না পারলে সেই এলাকার মানুষের জীবনযাত্রা আরো বিপন্ন হয়ে পড়বে। আমি মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি জামালপুর পৌরসভা হতে পারে যে জামালপুর জেলায় যে কোটি পৌরসভা রয়েছে প্রতিটি পৌরসভায় একই রকম নাজুক অবস্থা সেই পৌরসভাগুলো নিয়ে যদি একটি উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা যায় জামালপুরবাসী উপকৃত হবে আমি মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেই সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এখানে উপস্থিত রয়েছেন বিনয়ের সাথে একটি বিষয়ের অনুরোধ
করি। জামালপুরে আমাদের মহান স্বাধীনতার ঘোষক আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ জিয়াউর রহমান বীরোত্তমের নামে একটি কলেজ রয়েছে। 17 বছর সেই কলেজটি উন্নয়ন থেকে বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হয়ে এইবার আজকে আমরা জানতে পারলাম যে বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিনয়ের সাথে অনুরোধ করতে চাই যে শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রশাসনিক উন্নয়ন সহ শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজটিকে যদি জাতীয়করণ করা হয় জামালপুরের মানুষ
অত্যন্ত আনন্দিত হবে খুশি হবে এবং এটা জামালপুর মানুষের প্রত্যাশা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি জনাব মোঃ আব্দুল গফুর কুষ্টিয়া 2 মাননীয় সদস্য লুৎফর রহমান কক্সবাজার 3 বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমি একত্র বিধিতে মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জনাব ডক্টর মইন খান উনাকে অভিনন্দন জানিয়ে আমি উত্থাপন করছি যে আমার জেলার আমার নির্বাচনী এলাকার রামু উপজেলা ফতেহাকুল ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নতকরণ প্রসঙ্গে। আমার নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত রামু উপজেলায় অবস্থিত ফতেহারকুল
সদর ইউনিয়ন 1799 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স সর্বপ্রথম ফতাহর খুলি ইউনিয়নে এসে কক্সবাজার জেলার সভ্যতার গোড়াপত্তন করেন জনাব হিরম কক্সের নাম অনুসারে কক্সবাজার জেলার নামকরণ করা হয় 200 বছরের পুরানো এই ইউনিয়নে বর্তমানে জনসংখ্যা 41193 জন আয়তন পাঁচ প্রায় পাঁচ বর্গ কিলোমিটার
মোট 41 টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। এছাড়া এখানে একটা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ আছে, উচ্চবিদ্যালয় আছে, কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে, মাদ্রাসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাটবাজার, মসজিদ, মন্দির সহ নানা বিভিন্ন জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠান আছে। ফতাকুলি ইউনিয়নের রামু উপজেলার অন্যতম প্রাচীন জনবহুল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমৃদ্ধ একটি কেন্দ্রবিন্দু। এর পাশে আছে রামু ক্যান্টেনমেন্ট, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, নগরায়ণের
বিস্তার এবং নাগরিক সুবিধার চাহিদা বিবেচনায় এই অঞ্চলের জনগণের দীর্ঘদিনের ধরে পৌরসভা ঘোষণা প্রত্যাশা করে আসছে। জনস্বার্থে এ এলাকার সার্বিক উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে
ফতোয়া কুল ইউনিয়নকে পৌরসভা ঘোষণার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য আমি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি বিষয়টি অতিবীর জরুরী এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার কাজী রফিকুল ইসলাম বগুড়া এক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার উত্থাপনী বিষয় 36 বগুড়া এক
অবৈধত্ব খাস জমিতে সৌর বিদ্যুৎ পার্ক স্থাপন প্রসঙ্গে আমার নির্বাচনী এলাকার সারিকান্দি ও সোনাতলা উপজেলা যমুনা ও বাঙালি নদী বিধেয় একটি বিস্তৃত চরাঞ্চলী এলাকা এই এলাকার শত শত বিঘা খাস জমি পড়ে রয়েছে যেখানে প্রায় সারা বছরই পর্যাপ্ত সূর্যালোক পাওয়া যায়। এই বিশাল অবৈধত্ব জমিতে প্রাণিক ভাবে
সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং মিনি সোলার গিট স্থাপন করা হলে তা একদিকে যেমন চরাঞ্চলের হাজার হাজার পরিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কৃষি সে স্পাম গুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সর্বরাহ সুনিশ্চিত করবে অন্যদিকে চরের বিদ্যুৎ চাইদা মিটারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গিটের সংযুক্ত করা সম্ভব হবে। চরাঞ্চলের আধুনিক পরিবেশ পরিবেশবন্ধক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপিত হলে স্থানীয় কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ক্ষুদ্র শিল্প বিকাশ ও
বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হবে যা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে অনন্য ভূমিকা রাখবে। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে এই আসনের চরাঞ্চলে ব্যবহৃত খাস জমিতে সৌর বিদ্যুৎ পাক স্থাপনে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
মাননীয় সদস্য মোঃ শওকতুল ইসলাম মৌলভীবাজার 2 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি কার্যপরিণালী বিধির অধীনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী বিষয়টি আপনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি 1971 সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের
আমাদের জাতীয় জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন ও জাতীয় স্বীকৃতি আমরা পেয়েছি বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দরবারে পরিচিতি লাভ করেছি 17 বছরের আন্দোলনের ফসল 24 এটা একদিনের নয় পৃথিবীতে বহু স্বৈরশাসক বিভিন্ন উপায়ে পতন হয়ে তেমনিভাবে হাসিনা সরকার পতিত হয়েছে 2024 সালের ছাত্র জনতার স্বৈরাচার বিরোধী ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লব এবং এর গণভূতান আমাদের নতুন আশার আলো এই দুইটি ঐতিহাসিক বাক আমাদের
আত্মপরিচয়ের প্রধান ভিত্তি। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে নতুন প্রজন্মের কাছে এই দুই মহান অধ্যায়ের সঠিক ইতিহাস বীরত্বগাথা ও শহীদের আত্মত্যাগের স্মৃতি যথাযথভাবে সংরক্ষণে এখনো সুদূর প্রসারী ও সমন্বিত কোন রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ দৃশ্যমান হচ্ছে না যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মাননীয় স্পিকার মার্চ পর্যায়ে মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি বিজড়িত স্থানসমূহ শহীদদের তালিকা এবং তাদের স্থিতিচিহ্নগুলি সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ
কোন অভাবে অবহেলায় পড়ে রয়েছে। এই দুই ঐতিহাসিক আন্দোলন ও বিপ্লবের চেতনাকে ধারণ করে রাষ্ট্রীয় পাঠ্যপুস্তকে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত আধুনিক স্মৃতি জাদুঘর গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরী। যথাযথ তদারকি ও সজিত্যার অভাবে নতুন প্রজন্ম যদি আমাদের এই দুইটি ঐতিহাসিক আলোকবর্তিকা সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান লাভ না করে থেকে বঞ্চিত হয় তবে জাতীয় স্তরে গভীর শূন্যতা ও আদর্শিক সংকট তৈরি হবে।
স্পিকার আপনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মাননীয় মন্ত্রীবর্গের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যে আমাদের নয়ন নয়নমণি মহান মুক্তিযুদ্ধ আশার আলো জুলাই বিপ্লবের স্মৃতিকে মোহাম্মদ আবুল কালাম কুমিল্লা নয় মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আমি একত্রীকরণ বিধিতে আমার জরুরী জনক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রতি মাননীয় কৃষি মন্ত্রী মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই। উত্থাপিত বিষয় দানের আবাদ কমে তামাকের আবাদ বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার দেশের কৃষিতে নীরবে বদলে যাচ্ছে আবাদ চিত্র একদিকে যেমন কমেছে খাদ্য শস্য ধানের আবাদ অন্যদিকে ক্রমশ বাড়ছে তামাক চাষের
পরিধি বাংলাদেশের পরিসংখ্যান বুরুর সর্বশেষ ফসল পরিসংখ্যানে বলছে গত কয়েক বছরে আউস ও আমন দুই মৌসুমে দানের আবাদ
কমেছে। বিপরীতে একই সময় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে তামাক চাষের আবাদ। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলেছেন লাভজনক বাজার চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন এবং সক্রিয় তৎপরতার কারণে অনেক কৃষক খাদ্য শস্যের পরিবর্তে তামাক চাষে যুক্ত তবে এই প্রবণতা দীর্ঘ মেয়াদে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশের জন্যে
উদ্রেক এর কারণ হতে পারে বলে আমি মনে করি বিভিএস প্রকাশিত ফসল পরিসংখ্যান ও কৃষি ত্রৈমাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী 2023-24 অর্থবছরে দেশে আওত ধানের আবাদ হয়ে ছিল 25 লাখ 56 হাজার নয় শ হ 16 একর জমিতে 25-26 অর্থবছরে তা কমে 23 লাখ 35 হাজার 516 একর অর্থাৎ দুই বছরে আওসের আবাদ কমে
20000400 একর একই ধরনের চিত্র দেখা গেছে আমন দানের ক্ষেত্রে মাননীয় স্পিকার যদি আবাদ কমলে উৎপাদন একই হারে কমে এমন নয় উন্নত জাতির বীজ শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস পাবনা পাঁচ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেমন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী এবং ঢাকা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাথে সাথে ঢাকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি বছর অসংখ্য মেধাবী শিক্ষার্থী বের হচ্ছে দুঃখজনক ভাবে তাদের একটি বড় অংশ
উন্নত ভবিষ্যতের আশায় বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। আজ সেই মেধাবীরাই বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশে যেমন মাইক্রোসফট, Google, মেটা, প্লাটফর্ম, নাসা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তারা কর্মরত রয়েছে। তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা, দক্ষতা এবং পরিশ্রম আজ বিশ্বকে এগিয়ে নিচ্ছে। আর সেই প্রযুক্তির সুফল আমরা প্রতিদিন হাতের মুঠোয় পাচ্ছি না। এই মেধাবীদের দেশে ফিরিয়ে এনে পরিকল্পনা এবং দেশের
উন্নয়নে কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রাখছি। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ মুবাশের আলম ভূঁইয়া কুমিল্লা 10 আপনাকে ধন্যবাদ। আমার উত্থাপনীয় বিষয় সৌদি আরব সহ এক মিনিট মাননীয় সদস্য
একটু অপেক্ষা করুন। প্লিজ। এ কি এটা কি এক্সেপ্ট হয়ে বসুন
মাননীয় সদস্য, আপনার টা তো এক্সেপ্ট হয়েছে। ওর পরবর্তী বক্তা শিরিন সুলতানা মহিলা আসন দুই। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ প্রসঙ্গে কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি নির্জ্য মূল্যে ধান চাল সহ অন্যান্য উৎপাদিত ফসল সংগ্রহে মধ্যসত্ত্বভোগীদের দৌরত্ব
কমানোর প্রসঙ্গে বাংলাদেশ একটি কৃষি নির্ভরশীল দেশ এদেশের কৃষক হাড় ভাঙ্গা খাটুনি খেতে খেতে ফসল ফলায় কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কৃষকেরা তাদের ফসলের ন্যায্য মূল্য পায় না এতে প্রতিবছর হাজার হাজার কৃষক লোকসানের মুখে পড়ে সর্বশান্ত হয়ে যায় তাই কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ন্যায্য মূল্যের ধান চাল সহ অন্যান্য উৎপাদিত ফসল সংগ্রহে মধ্যসত্ত্ব ভোগীদের দৌরাত্ব্য কমানোতে সরকার কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে এ ব্যাপারে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মানুষের
মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মোহাম্মদ ফজলুর রহমান সাইদ জয়পুরহাট 1। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমার উত্থাপিত বিষয় ছিল নন এমপিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা যায় যে অনেক শিক্ষক তাদের রিটার্ড করে চলে গেছে কিন্তু বেতন ভাগ্যে জোটেনি। এই জায়গায় ইবতেদায়ী মাদ্রাসাগুলো তাই। আমি
প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তাদের ব্যাপারে একটা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। মাননীয় স্পিকার, এছাড়াও আমার একটু কথা হলো যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের যেগুলির ভবন নির্মাণ হয়নি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সার্কুলার
আলোকে আমরা কিন্তু ভবন নির্মাণের জন্য আমরা ডিউ লেটার দিয়েছি কিন্তু এখন পর্যন্ত কোথাও আমরা বিরোধী দলে কোথাও কোন ভবন নির্মাণ করতে পারছি না। আসলে আমাদের মাঠ পর্যায়ের অনেক দলীয় নেতাকর্মীরা বলে সরকার দল নেতাকর্মীরা বলে যে উন্নয়ন হবে আমাদের দ্বারা কিসের এমপি তো বাস্তবে মনে হচ্ছে তাই যে আসলে আমরা পাচ্ছি না কেন যেমন আমার বাস্তবিক দেখতে পাচ্ছি যে গত যে আসলে এই ফ্যামিলি কার্ডের জন্য জরিপের যে লোক নিয়োগ করা হলো সেখানে
পুরা দলীয়করণ করা হয়েছে। এমনকি মসজিদগুলিতে মসজিদের ইমামদের বেতনের জন্য যে সমস্ত ইমামদেরকে বাছাই করা হচ্ছে। এখানে আমরা দেখেছি যে ফাউন্ডেশন ইসলামিক ফাউন্ডেশন জরিপ করে এটাকে বাতিল করে দলীয় লোক দ্বারা সেটাকে বাছাই করে তাদেরকে নেওয়া হয়ে তাহলে আসলেই আমরা যারা নির্বাচিত হলাম এই জনপ্রতিনিধির কোন মূল্যই কি থাকবে না? মাননীয় স্পিকার, এই জায়গায় আমি বলবো যদি এভাবে দলীয়করণ চলে
তাহলে এই দেশের ভবিষ্যৎ কি হবে? আমি এই দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে ভবিষ্যতে দলীয়করণ না করে যেখানে উন্নয়নের কথা বলা হলো এই উন্নয়নের সব জায়গাগুলিতে যদি এমপিদের কোন মূল্যায়ন না করা হয় তাহলে জনপ্রতিদিন দের মূল্যায়ন না করলে আমরা কোথায় যাব এই দৃষ্টি আকর্ষণ করে কথা শেষ করছি আসসালামু আলাইকুম। মোহাম্মদ এনামুল হক চট্টগ্রাম 12
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি একত্র বিধিতে মাননীয় মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী সদয় মনোযোগ আকর্ষণ করছি আমার উত্থাপিত বিষয় চট্টগ্রাম ঢাকা মহাসড়কে সীতাকুন্ড উপজেলার দারগারহাটে ওজন স্কেল প্রত্যাহার প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার মহাসড়কের ওজন স্কেল স্টেশন স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য ছিল অতিরিক্ত
বোঝাই গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করা তবে এই ওজন স্কেলের কার্যকারিতা ও ক্ষতিকর প্রভাব রয়েছে ওজন স্কেলের গাড়ি থামিয়ে ওজন পরীক্ষার কারণে হাইওয়াতে দীর্ঘ যানজটের তৈরি করে স্কেলের সামনে হঠাৎ গাড়ি থামানো বা দীর্ঘ গতির কারণে দ্রুতগামী যানবাহনের সাথে সংঘর্ষ ঝুঁকি বাড়ছে গাড়িতে ধারণ ক্ষমতার কম পণ্য পরিবহনের বাধ্য করার কারণে ট্রাক চালকের ভাড়া বাড়িয়ে দেন ফলে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের
দাম বৃদ্ধিতে প্রভাব পড়ে। ওজন স্কেলের কার্যকরী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে ঘুষ, দুর্নীতি ও হয়রানির অভিযোগ। মাননীয় স্পিকার, চট্টগ্রাম-ঢাকা মহাসড়কে ওজন স্কেল বন্ধ করলে ব্যবসায়ীদের পরিবহন ব্যয় কমবে। পণ্য পরিবহন দ্রুত ও সহজ হবে এবং চট্টগ্রাম-খাতুমগঞ্জ চাকরাই সহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারের ব্যবসার সক্ষমতা বাড়বে। বর্তমানে 13 টনের বেশি পণ্য পরিবহনের বাধা থাকায় টিপ প্রতি অতিরিক্ত ভাড়া ও
ও চাঁদা চাঁদাবাজির যে অভিযোগ রয়েছে ওজন স্কেল বন্ধ হলে তা দূর হবে। বাজারে নিত্যপণ্যের দাম কমতে সাহায্য করবে। এমন তো অবস্থায় চট্টগ্রাম, ঢাকা মহাসাগরে ওজন স্কেল বন্ধের জনস্বাস্থ্যে জনস্বাস্থ্যে আমার জরুরী জনগুরুত্বর সম্পূর্ণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আমি মাননীয় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রীর সদয় মনোযোগ আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয়
সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচির অনুযায়ী এখন বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আমি উত্থাপনীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব গুলো উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাবো। প্রথম সিদ্ধান্ত প্রস্তাব মাননীয় সদস্য জনাব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল সাত আপনি আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করুন।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইল সাত মির্জাপুর উপজেলায় আমি সরকারি একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করার জন্য আপনার মাধ্যমে মহান সংসদে উত্থাপন করছি আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো
দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ কে আহবান জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব হচ্ছে প্রস্তাবটি উত্থাপন করছি সংসদের অভিমত এই যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য, প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো। তৃতীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মোঃ এনামুল হক, চট্টগ্রাম 12 কে আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয়
স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আমার উত্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সংসদে অভিমত এ যে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া আদালত ভবন দ্রুত নির্মাণ করা হোক। আমি প্রস্তাবটি আমি মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করিলাম। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ, প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো। চতুর্থ সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য
মোহাম্মদ আশরাফুদ্দিন নরসিংদী পাঁচকে আহবান জানাচ্ছি। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সংসদ সদস্য মাননীয় সদস্য সংসদের অভিমত এই যে রায়পুরা নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন আরশিনগর থেকে শুরু হয়ে আমিরগঞ্জ ও অন্যান্য রেল স্টেশন পার হয়ে শ্রীরামপুর রেলগেট পর্যন্ত সড়কটি শ্রীরামপুর রেলগেট
থেকে শ্রীনিধি দৌলতকান্দি হয়ে ভৈরব রেল স্টেশন পর্যন্ত বর্ধিত করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় শিকার। ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো। এখন আমি মাননীয় সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল সাতকে তার সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাবের
দুঃখিত একটি প্রস্তাব এখনো রয়ে গেছে। মাননীয় সদস্যবৃন্দ পঞ্চম সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল খালেক আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা 2 কে আহবান জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি মোঃ আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা 2 আমার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি হলো সংসদের
অভিমত এই যে সাতক্ষীরা জেলায় একটি বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মাননীয় সদস্য জনাব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল সাতকে তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহবান
জানাচ্ছি আপনার সময় তিন মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইল সাত একটি কৃষিপ্রধান এলাকা এই এলাকা একটি সমৃদ্ধ এলাকা এখানে রয়েছে কুমুদিনী হসপিটাল ভারতের সরি হোমস মির্জাপুর ক্যাডার
কলেজ, মহেরাপ, পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আমার মনে পড়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, 1900 79 এবং 80 অর্থবছরে সবুজ বিপ্লব এবং কৃষি বিপ্লবের মধ্যে দিয়ে দেশে খাদ্য স্বয়ংসপূর্ণতা অর্জন করেছিল, তার মধ্যে অন্যতম আমার নির্বাচনী
এলাকা টাঙ্গাইল সাত, টাঙ্গাইল জেলায় ওই সময়ে কৃষি ক্ষেত্রে উৎপাদনের জন্য উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার কারণে প্রস্কৃত হয়েছিল। এলাকার গরিব নিরীহ কৃষকের ছেলেমেয়েরা এলাকায় একটি কৃষি কলেজ সরকারি কৃষি কলেজ যখন স্থাপন হবে তখন ওই কৃষি কলেজে অনেকেই বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করার সুযোগ পাবে।
অল্প খরচে এই সুযোগ এখন অনেকেরই নেই এই কৃষি কলেজ স্থাপন হলে কৃষি কলেজে লেখাপড়া করে কৃষির উপর বিশেষ জ্ঞান অর্জন করে তারা কৃষি ক্ষেত্রে যেমন নিজের জ্ঞানটা কাজে লাগাতে পারবে দেশের জন্য উপকার আসবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে আর দেশের জন্য অনেক উপকার আসবে সেই কারণে আমি মনে করি যে আমার
আমার নির্বাচনী এলাকার ভৌগলিক অবস্থানটা হলো একদিকে লৌহজং নদী আরেকদিকে বংশাই নদী আরেকদিকে ধলেশ্বরী নদী আরেক প্রান্তে আছে পাহাড়ি অঞ্চল গজারির বন এই এলাকা নিয়ে টাঙ্গাসাত মির্জাপুর উপজেলায় নামা এলাকায় কৃষি প্রধান এলাকা হিসেবে আমি এই এলাকার জন্য একটি কৃষি কলেজ অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ
মনে করি কৃষি প্রধান দেশে কৃষি কলেজ টাঙ্গাসাত মির্জাপুর উপজেলা উপজেলায় যখন প্রতিষ্ঠিত হবে অনেক ছেলেমেয়েরা এখানে লেখাপড়া করার
সুযোগ পেয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে এবং কৃষি ক্ষেত্রে দেশকে দেশের উপর অনেক অবদান রাখতে পারবে দেশ কৃষি প্রধান দেশ হিসেবে অনেক দূর এগিয়ে যাবে এবং নিজেকেও ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে এগিয়ে নিয়ে যাবে এই প্রত্যাশায় আমি মনে করি এই জনগুরুত্বপূর্ণ দাবিটি মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপর 10 জন মানুষ
সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন। আমি এখন তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী উত্থাপন এবং সংশোধনী উপরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি। এই 10 জনের প্রত্যেকেরই সময় এক মিনিট করে প্রথমে বক্তব্য রাখবেন নাদিয়া পাঠান পাপন মহিলা আসন 32 এক মিনিটে বলুন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মূল প্রস্তাবের টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় একটি শব্দগুলোর পর
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলায় চান্দুরা ইউনিয়নে একটি শব্দগুলো সংযোজন করা হোক মূল প্রস্তাবকের প্রস্তাব সমর্থন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলায় চান্দুরা ইউনিয়নে একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করার দাবি জানাচ্ছি এজন্য যে মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের 494 টি উপজেলায় প্রত্যেকটিতে একটি করে সরকারি কলেজ আছে একমাত্র উপজেলা যেখানে কোন সরকারি কলেজ নেই সেখানে যদি এবং এই বিজয়নগর উপজেলাটি কৃষি নির্ভর এখানে যদি একটি কৃষি কলেজ থাকে
করা হয় তাহলে ওই এলাকা সহ ওইখানকার শিক্ষার্থীদের জন্য যথেষ্ট উপকৃত হবে তাই আপনার মাধ্যমে মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে আমি বিজয়নগর উপজেলার চান্দুড়া ইউনিয়নে একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের জোর দাবি জানাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন মাননীয় সদস্য ঢাকা 18 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার 136 টাঙ্গাইল সাত আসনের
মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবুল কালাম আজাদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সঙ্গে আমি একমত পোষণ করে বলতে চাই বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর দেশ কৃষি বিষয় কৃষি কৃষি নির্ভর দেশ কৃষি বিষয়ে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও গবেষণা আমরা এখনো কাঙ্খিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারিনি। বর্তমানে আধুনিক বাস্তবতার খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং কৃষিতে ট্যাক্স সহী উন্নয়নের জন্য কৃষি গবেষণা ও উচ্চতর কৃষি শিক্ষা অত্যন্ত জরুরী। তাই দেশের প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি করে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন বলে
আমি মনে করি। এ বিষয়ে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্য সহকতারা আক্তার মহিলা আসন 33। বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহিম। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি টাঙ্গাইল জেলা থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব
আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকীকে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রস্তাবটি আনার জন্য মাননীয় স্পিকার মেহেরপুর একটি ঐতিহাসিক জেলা আমরা সবাই জানি কিন্তু ওই জেলা অনেকটা পিছিয়ে আছে আর যেহেতু এটি একটি কৃষি প্রধান এলাকা আর সেহেতু এটি একটি কৃষি প্রধান এলাকা তো এই এলাকায় একটি কৃষি কলেজ যদি স্থাপন করা হয় তাহলে ওই জেলায় কৃষি উন্নয়নের
ব্যাপ্তি ঘটবে এজন্য আমি মাননীয় মন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীকে দাবি জানাচ্ছি যে এখানে একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক ধন্যবাদ মোহাম্মদ কামরুল হাসান ময়মনসিংহ 6 আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রস্তাবের সাথে সহমত পোষণ করে আমার নির্বাচনী এলাকা ময়মনসিংহ সহ ফুলবাইক
একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি কারণ হচ্ছে ফুলবাড়িয়া একটি কৃষি নির্ভর একটি উপজেলা এখানে আনারস পেঁপে কলা লেবু এবং হলুদ এটা বাংলাদেশের বিখ্যাত এবং এখানে কৃষি নির্ভর এই উপজেলাটি আমি মনে করি যে এখানে একটি কৃষি কলেজ স্থাপিত হলে বেকার সমস্যার সমাধান হবে এবং জেনারেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি টেকনিক্যাল এডুকেশন যদি
আমরা দিতে পারি তাহলে অবশ্যই এই বাংলাদেশের বেকারত্ব দূরীকরণ হবে এ কারণে আমি জোর দাবি জানাচ্ছি আমার উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ নাটোর চার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ জানাই মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আব্দুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী সাহেবকে যিনি যুগোপযোগী
সময় উপযোগী প্রস্তাব মহান সংসদে উপস্থাপন করেছেন। দেশ এবং জাতিকে এই মুহূর্তে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শিক্ষা ছাড়া আর বিকল্প কোন রাস্তা নাই। চলন বিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করে 61
নাটোর চার সেই চলন বিলের প্রাণকেন্দ্রে গড়ে উঠেছে গুদাসপুর উপজেলা। সেই গুদাসপুর উপজেলার অধিকাংশ মানুষই কৃষি নির্ভরশীল। সেই দিক দিয়ে আমি বিবেচনায় রাখতে চাই মহান সংসদে প্রস্তাব রাখতে চাই। আমার গুদাসপুর উপজেলায় একটা কৃষি কলেজ নির্মিত হলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে। এলাকার মানে অনেক ছেলেরা লেখাপড়া করে কৃষিবিদ হতে পারবে। যেখানে বাংলাদেশের
80 থেকে 85% মানুষ কৃষি নির্ভরশীল একটি কৃষি কলেজ ওখানে হোক এটা আমি মহান সংসদে প্রস্তাব রাখছি ফাহমিদা হক মহিলা আসন 18 মাননীয় স্পিকার আপনাকে আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ 136 টাঙ্গাইল সাত আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী কর্তৃক আনীত
ও আলোচ্য প্রস্তাবের উপর আমি একটি সংশোধনী প্রস্তাব করছি। মাননীয় স্পিকার, আমাদের সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে কৃষিখাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। কৃষিকে আধুনিকায়ন করার জন্য প্রস্তাবটি অত্যন্ত সময় উপযোগী এবং গুরুত্বপূর্ণ। এমতো অবস্থায় টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক। শব্দাবলীর পর আমার এলাকা নরসিংদীর বেলাবতে একটি কৃষি কলেজ শব্দাবলীর সংযোজন করে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মাননীয় জাতীয়
প্রস্তাবটি মহান সংসদ কর্তৃক গ্রহণ করা হোক মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য সানসিলা জেব্রিন মহিলা আসন 15 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি মূল প্রস্তাবকের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে একটি সংশোধনী দিয়েছি আমার সংশোধনীতে হলো আমার নির্বাচনী এলাকার শেরপুর জেলার শেরপুর সদর উপজেলার একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক
কৃষি নির্ভর শেরপুর জেলার অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে যুক্ত। উর্বর ভূমি, বৈচিত্র্যময় ফসল এবং একটি কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য পর্যাপ্ত এবং উপযোগী। ভূমি থাকা সত্ত্বেও কৃষি কলেজ না থাকার কারণে শেরপুরের শিক্ষার্থীরা আধুনিক কৃষি শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং গবেষণার সুযোগ পাচ্ছে না। অতএব আমার শেরপুর সদর উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হলে দক্ষ কৃষিবিদ এবং কৃষি উদ্যোক্তা যেমন তৈরি হবে একই সাথে নতুন কর্মসংস্থান
সৃষ্টি হবে। কাজেই মূল প্রস্তাবসহ আমার সংশোধনী গ্রহণ করবেন এই আশা ব্যক্ত করে মাননীয় মন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আবু তালিব জিনাইদা চার। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী 136 টাঙ্গাইল। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রস্তাব করার জন্য। আমি
মূল প্রস্তাবের টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার একটি শব্দগুলির পর এবং ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার একটি শব্দগুলি সংযোজন করা হোক কর্মে প্রস্তাব পেশ করছি। মাননীয় স্পিকার আমার উপজেলা ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ যেখানে কৃষি নির্ভর এলাকা পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি উপজেলায় কোন কৃষি কলেজ নাই। শিক্ষার্থীদের এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করার জন্য অনেক দূরে যেতে হয় যার কারণে
আশা থাকা সত্ত্বেও, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই এ শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে না। এজন্য মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিনীত অনুরোধ আমার নির্বাচনী এলাকা জিনাইদাহর চার কালীগঞ্জ উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক। ধন্যবাদ মনোনয়ন। মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম কুইগ্রাম এক। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার নির্বাচনী এলাকা 25 কোটি
গ্রাম এক। আমি প্রস্তাবিত সংসদ সদস্যের সাথে একমত পোষণ করে আমার নির্বাচনী এলাকার ওরুংহামারী এবং নাগেশ্বরী মাঝামাঝি একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের জন্য সবুনিয়ন অনুরোধ করছি। এক্ষেত্রে আমার এলাকার যেহেতু একটি কৃষি নির্ভর এলাকা এবং প্রত্যন্ত এলাকা আমার সেখানে অনেক ছেলেমেয়েরা দূরে লেখাপড়া করতে পারে না।
তারা যদি এই সুযোগটা পায় তাহলে কৃষির ক্ষেত্রে তারা অবদান রাখতে পারবে আধুনিক কৃষি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা ভূমিকা পালন করবে এই জন্য আমি প্রস্তাবটি সমর্থন করি এবং আমার এলাকাতে একটা কৃষি কলেজ স্থাপনের জন্য রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন তিন
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, কুমিল্লা একাডেমির আক্তার হামিদ খান একবার কুমিল্লার মানুষের কাছে বীজ এবং টাকা দিয়ে বলেছিল, কোনটা আপনি গ্রহণ করবেন? ওরা
বীজ গ্রহণ করেছিল টাকা নয়। আমি কুমিল এই প্রস্তাবের সাথে চৌদ্দগ্রাম উপজেলাতে আমি একটা কৃষি কলেজের দাবি জানাচ্ছিলাম কারণ সেখানে মাদ্রাসা ভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আধিক্য রয়েছে যা উৎপাদন বিমুখ এবং কর্মসংস্থান বিমুখ। তাই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্ভাবনা ওখানে অনেক বেশি অনুমোদন অনুমোদন পাওয়া গেলে ওই জমি অধিগ্রহণের জন্য বা জমি দেওয়ার জন্য লোক প্রস্তুত আছে। আমি মন্ত্রীকে
মন্ত্রী মহোদয়কে প্রস্তাবটি গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং তার উপর আনিত সংশোধনীর উপর মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষে মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনাব ববি হাজ্জাজ কে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
আসসালামুআলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার কাছে যে লিখিত বক্তব্য আছে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী 136 টাঙ্গাইল সাত আসনের এমপি মহোদয় কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের জন্য মাননীয় মন্ত্রী জনাব আনাম হাসানুল হক মিলন এমপির পক্ষ থেকে তাকে ধন্যবাদ জানাই
তিনি টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলা একটি কৃষি কলেজ স্থাপনের প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন কৃষি নির্ভর অর্থনীতি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসার দক্ষ কৃষি জনবল সৃষ্টি এবং স্থানীয় তরুণদের কর্মমুখী শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের বিবেচনায় প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে মাননীয় স্পিকার মির্জাপুর টাঙ্গাইল জেলার একটি বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা মির্জাপুরে পেশাভিত্তিক জনসংখ্যার প্রায়
শতাংশ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায় 11% চাকরিতে 10% এবং অন্যান্য পেশায় অবশিষ্ট জনগোষ্ঠী নিয়োজিত অর্থাৎ এলাকার অর্থনীতি এবং জীবন জীবিকার সঙ্গে কৃষির প্রত্যক্ষ সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড় মাননীয় স্পিকার মির্জাপুরের কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের বাস্তব চিত্র এ প্রস্তাবে গুরুত্ব নির্দেশ করে উপজেলা খাদ্য অফিসের প্রকাশিত তথ্যে দেখা যায়
অর্থবছরে মির্জাপুর উপজেলা থেকে প্রায় 2.603 হাজার মেট্রিক টন ধান সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সংগ্রহ করা হয়ে একই সময় অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে প্রায় 2.712 হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ এবং বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্রায় 13.060 হাজার মেট্রিক টন খাদ্য শস্য বিতরণ করা হয়েছে উপজেলায় সরকারি খাদ্য
গোদামের কার্যকর ধারণ ক্ষমতায় প্রায় 2.5 হাজার মেট্রিক টন এসব তথ্য এ উপজেলায় কৃষি উৎপাদন ও কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তাৎপর্য নির্দেশ করে মাননীয় স্পিকার মির্জাপুরের সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষার একটি বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানিক ভিত্তি রয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার প্রকাশিত তথ্য ও উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা পর্যায়ের মোট 78 টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ পাবে
পাওয়া যায়। এর মধ্যে 47 টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তিনটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, তিনটি স্কুল এন্ড কলেজ, 13 টি দাখিল মাদ্রাসা, একটি আলিম মাদ্রাসা, চারটি স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা, তিনটি উচ্চমাধ্যমিক কলেজ, দুটি ডিগ্রী কলেজ এবং দুটি কারিগরি কলেজ অন্তর্ভুক্ত ছিল। মাননীয় স্পিকার, তবে নতুন কোন কৃষি কলেজ স্থাপন এবং দীর্ঘ মেয়াদী নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এক্ষেত্রে সাধারণত এলাকার শিক্ষার্থী এবং জনসংখ্যাভিত্তিক চাহিদা বিদ্যমান কলেজ
ও কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ও ধারণ ক্ষমতা, প্রয়োজনীয় জমি ও অবকাঠামোর প্রাপ্যতা, দক্ষ শিক্ষক ও প্রশিক্ষকের সংস্থান, কৃষি গবেষণা ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুযোগ, সংশ্লিষ্ট এলাকার কৃষি উৎপাদন, ফসলের বৈচিত্র্য ও কৃষিভিত্তিক কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা, প্রস্তাবিত প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ও প্রশাসনিক টেকসইতা এবং সরকারি সরকারের সামগ্রিক শিক্ষা পরিকল্পনা ও আঞ্চলিক ভারসাম্য বিবেচনা করা প্রয়োজন। মৃৎ
মিজাপুর উপজেলার প্রায় 71,809 একর আবাদী জমি তার মধ্যে 55,124 একর শেত সুবিধার আওতায় থাকা এবং স্থানীয় জনসংখ্যার প্রায় 62% কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ততা এসব উপাত্ত এ এলাকার কৃষি শিক্ষা সম্প্রসারণের সম্ভাব্য যৌক্তিকতা নির্দেশ করে। মাননীয় স্পিকার সরকার কৃষি শিক্ষা এবং দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতন। একই সঙ্গে নতুন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে প্রকৃত চাহিদা বিদ্যমান সুযোগ সুবিধা প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আর্থিক সংশ্লেষ এবং দীর্ঘ মেয়াদী কার্যকারিতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ
করা সমীচীন আজকে যতগুলো প্রস্তাবনা এসেছে সবগুলোর জন্যই মাননীয় স্পিকার এটা কার্যকরী এ প্রেক্ষাপটে আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী জনাব আনাম এহসানুল হক মিলন এমপির পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করতে চাই যে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় কৃষি কলেজ স্থাপনের বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সুনির্দিষ্ট ও পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাবনা পাওয়া গেলে বিদ্যমান নীতিমালা এবং
সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন ও যৌক্তিকতা পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্বক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। অতএব সরকারের অবস্থান বিবেচনে নিয়ে মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয়কে তার উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সদস্য আবুল কালাম সিদ্দিকী টাঙ্গাইল সাত আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে
পারেন। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি যে প্রস্তাবটি এনেছি এই প্রস্তাবটি আমি একটা নির্বাচনী এলাকার পক্ষ থেকে এনেছি আমার মনে হয় এই প্রস্তাবের সঙ্গে সংসদের প্রায় সকলেই একমত পোষণ করবে এবং আমি গর্ববোধ মনে করি যে এই প্রস্তাবটি এনে মাননীয় সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হাউজে উপস্থিত আছেন মন্ত্রী মহোদয় প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী মহোদয়
যে বর্ণনা দিয়েছেন, এই কৃষি কলেজটির যে গুরুত্ব উনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মহোদয়ের নির্বাচনী যে ইস্তেহার কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকের উপর যে গুরুত্ব তিনি যে কৃষি কার্ড দিয়েছে, যে পরিবার কৃষি কার্ড পাবে সেই পরিবারের দরিদ্র একজন ছেলে এই কৃষি কলেজে লেখাপড়া করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে, এই জন্য আমি
মনে করি যে শিক্ষা মন্ত্রীর অবর্তমানে মাননীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মহোদয় যে বক্তব্যটা রেখেছে তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে প্রয়োজনীয় সকল কিছু অফিশিয়ালি যখন উনি পাবে আমি মনে করি যে মির্জাপুরে টাঙ্গাইল সাহাৎ মির্জাপুরে একটি কৃষি কলেজ ভবিষ্যতে এবং অতি শীঘ্র হবে এই আশা ব্যক্ত করে আমি আমার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করছি।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। কার্যপরিমলের বিধির এক উপবিধি মতে প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন। আমি প্রস্তাবের প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সদস্য আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব
নম্বর এক সংসদের অভিমত এই যে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক শীষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হা বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হা জয়যুক্ত হয়ে হা জয়যুক্ত হয়ে হা জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহিত হলো
আমি এখন মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ কে সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর দুই এর পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি সময় তিন মিনিট মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ এদেশের বেশিরভাগ
মানুষ কৃষি কাজে জড়িত আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগর এটি কৃষিপ্রধান এলাকা এটি একটি বৃহৎ এলাকা আমার নির্বাচনী এলাকায় 21 টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা নিয়ে আমার নির্বাচনী এলাকা গঠিত আমাদের নবীনগর তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া তথা কুমিল্লা
বিভাগে কোনো কৃষি কলেজ নাই আমাদের কোনো কৃষি কলেজে পড়তে হলে আমাদের নবীনগর থেকে আমার নির্বাচনী এলাকা থেকে হয় যেতে হবে ঢাকা না হয় যেতে হবে ময়মনসিংহ কাজেই আমি মনে করি যে এই আমার যে নির্বাচনী এলাকা আমার নির্বাচনী এলাকায় শিক্ষার হার অনেক বেশি আমার
নির্বাচনী এলাকায় অনেকগুলি কলেজ আছে, অনেকগুলি স্কুল আছে, সাধারণ শিক্ষার অনেক সুযোগ আছে কিন্তু
বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার কৃষি হাতকে যেভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন এবং যে গত বাজেটে কৃষি হাতকে যেভাবে বরাদ্দ বৃদ্ধি করেছেন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে ত্বরান্বিত করার জন্যে কৃষি খাতের উপর যে গুরুত্ব দিয়েছেন সে জন্যে গ্রামীণ অর্থনীতি এবং গ্রামীণ অবকাঠামো গড়ে তুলতে হলে কৃষি শিক্ষাকে
গুরুত্ব দিতে হবে। কাজেই কৃষি শিক্ষা যারা শিক্ষিত হবে আমাদের সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অনেকেই চাকরি না পেয়ে বেকার অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কিন্তু কৃষি শিক্ষায় যদি শিক্ষিত হতো তাহলে তারা এই কৃষি কাজে নিয়োজিত হতে পারতেন। সেজন্য আমি আমার প্রস্তাব হচ্ছে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর আমার নিবেদন
যে আমার নির্বাচনী এলাকায় নবীনগর একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক এবং আমার এই এলাকায় কৃষি কলেজ স্থাপন করার মতো সস্তায় অনেক জায়গা আছে। আমাদের এই নবীনগর থেকে ঢাকা সড়কপথে যাওয়ার এখনো কার্যকরী ব্যবস্থা কার্যকরী যোগাযোগ ব্যবস্থা ঘরে উঠে নাই। আমাদের নির্বাচনী এলাকা থেকে ঢাকা আসতে
হলে তিনটা ডিস্ট্রিক্ট ঘুরে আসতে হয়। কাজেই আমি মনে করি যে আমার নির্বাচনী এলাকায় একটি কৃষি কলেজ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটির উপর 10 জন মাননীয় সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন। আমি এখন তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী উত্থাপন ও সংশোধনী উপরে সংক্ষিপ্ত
বক্তব্য রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রত্যেক মাননীয় সদস্য যারা যারা বক্তব্য রাখতে পারবেন তাদেরকে এক মিনিট করে সময় বরাদ্দ করা হলো। প্রথম বক্তা নাদিয়া পাঠান পাপন সময় এক মিনিট। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। 247 ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ আসনের সম্মানিত সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান কর্তৃক ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় কৃষি কলেজের স্থাপনের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সাথে আমি
সম্পূর্ণ সহমত পোষণ করছি। সেই সাথে তাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। এই সময় উপযোগী উদ্যোগের পাশাপাশি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলায় একটি নতুন কৃষি কলেজ স্থাপনের জোর দাবি জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংগ্রামে ঐতিহ্যে একটি অন্যতম জেলা। এই জেলার সরাইল উপজেলায় এখন পর্যন্ত এখানে কোন কৃষি কলেজ নেই। যার কারণে এই এলাকার স্টুডেন্টের কে বিশেষ করে
ঢাকা এবং ময়মনসিংহে যেতে হয় আমরা এই এলাকাটি কৃষি নির্ভর এলাকা এই এলাকায় যদি আমি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা রক্ষা করতে চাই সেই ক্ষেত্রে পরবর্তী বক্তা সহকতারা আক্তার মহিলা আসন 33 মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান সাহেবকে যোগ উপযোগী প্রস্তাবটি আনার জন্য। মাননীয় স্পিকার, বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রদান দেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চলতি অর্থবছরে শিক্ষায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রদান করেছেন। যেখানে কৃষি শিক্ষা বাদ পড়েনি। কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষি খাতে উন্নয়ন মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রস্তাব কৃষি কলেজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তাই মাননীয় সংসদ সদস্যের প্রস্তাবের সাথে আমার সংশোধনী প্রস্তাব মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করার জোর দাবি জানাচ্ছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ নাটোর চার মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ধন্যবাদ জানাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া
পাঁচের মাননীয় সংসদ সদস্যকে। এবং উনার প্রস্তাবের সঙ্গে আমি সহমত পোষণ করি। নানা বৈচিত্র্যের লীলাভূমি চলন বিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করে আমার নাটোর, গুদাসপুর এবং বড়াইগ্রাম। সেই বড়াইগ্রামে একটি কৃষি কলেজ যদি ওখানে প্রতিষ্ঠিত হয় আমার এলাকাবাসী উপকৃত হবে। যখন আমাদের স্বপ্ন ধ্বজটা যখন আমাদের প্রিয় নেতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশকে নিয়ে যখন এগিয়ে নিতে চাচ্ছেন, শনিভর বাংলাদেশ গড়তে চাচ্ছেন, তখন আমি মনে করি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দিকে গুরুত্ব দেওয়া সবচেয়ে বেশি বেশি বেশি দরকার। ধুসর মরু রুসর বুকে
একটি শহর গড়ো একটা জীবন সফল করা তার চাইতে অনেক বড় জ্ঞানী মহিষেরা বলেছেন কারাগার এবং ফাঁসির মঞ্চ নির্মাণ করার প্রয়োজন কমে যাবে তুমি যদি একটা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত করতে পারো সেই ধারাবাহিকতা মানে মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের বৈঠক মাগরিবের নামাজের জন্য 30 মিনিটে বিরতি দেওয়া হলো আপনাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ
টেকসই উন্নয়ন যদি চাই জারানী শাশ্রয়ের বিকল্প নাই। বাবা এসি 25 ডিগ্রিতে চালাও তাহলে আরামও হবে আবার বিদ্যুৎও বাজবে বিদ্যুৎ শাশ্রয় করি।
বিদ্যুৎ শাস্ত্রী বাজবে দেশ।
দেশের বিভিন্ন স্থানে আদালত ভবন গুলো পুরনো জরি ভিত্তিতে এসব জরাজীর্ণ ভবনের অবকাঠামো উন্নয়ন প্রয়োজন এ লক্ষ্যে প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এমতো অবস্থায় জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া আদালত ভবন দ্রুত নির্মাণ করা হোক শব্দাবলীর পর আমার এলাকা নরসিংদী জেলার বেলাবতে পুনরায় আদালত ভবন শব্দাবলী সংযোজন করার প্রস্তাব করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য
সিলাস জেব্রিন মহিলা আসন নম্বর 15 সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি মূল প্রস্তাবকের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সঙ্গে একমত পোষণ করে একটি সংশোধনী দিয়েছি আমার সংশোধনী হলো আমার নির্বাচনী এলাকা শেরপুর জেলার শেরপুর সদর উপজেলায় একটি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবন দ্রুত নির্মাণ করা হোক শেরপুর জেলার পাঁচটি উপজেলা থেকে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক বিচারপ্রার্থী জনগণ আদালতে আসেন প্রয়োজনের তুলনায় ইজলাসের সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় প্রতিদিন পর
পর্যায়ক্রমে তিন থেকে চারটি শিফটে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়। বিচারপ্রার্থী জনগণ বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দীর্ঘসময় আদালত প্রাঙ্গণে দাঁড়ানোর পর্যন্ত জায়গা থাকে না। অতিরিক্ত ভিড় এবং আসামীদের চাপের কারণে একাধিকবার আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে আদালতের সার্বিক নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ে ঢিওটিনের তৈরি অস্থায়ী কক্ষে পরিচালিত বিচারিক কার্যক্রমের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত শেরপুর সদরে একটি পূর্ণাঙ্গ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মাণ করা হোক।
এই দাবি জানিয়ে মাননীয় আইনমন্ত্রী বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি চট্টগ্রাম থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ এনামুল হক সাহেবের সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের সাথে একমত পোষণ করে আমার নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগরে আমার
আমাদের আদালত ভবন সংস্কারের জন্য মাননীয় আইন ও সংসদীয় মন্ত্রী মাননীয় মন্ত্রী বরাবর আমার প্রস্তাব হচ্ছে যে এই আমাদের নবীনগর 150 বছর আগে এই আদালত ভবন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ব্রিটিশ পিরিয়ডে এই আদালত ভবন সৃষ্টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে 1884 ছলে আমাদের নবীনগর এই আদালত ভবন প্রতিষ্ঠিত হয় এটা অত্যন্ত জরাজীর্ণ যেকোনো সময় এই আদালত ভবন ভেঙে পড়ে যেতে পারে
বিচারপ্রার্থীরা এবং যারা বিচারক তারা অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যে তারা কাজ করেন আমি মাননীয় আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রীর বরাবর তার দ্রুত সংস্কারের জন্য আমি আবেদন ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আনিসুর রহমান মাদারীপুর তিন সময় এক মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য চট্টগ্রাম 12
জনাব এনামুল হকের সাথে একমত পোষণ করে আমি আমার নির্বাচনী এলাকার মাদারপুর সদরের কোর্ট ভবন জড়জীর্ণ অবস্থায় আছে এবং আসামিদের যে পরিমাণ উপস্থিতি থাকে কোর্ট ভবনের অবস্থা মানুষের দাঁড়ানের
মতো জায়গা থাকে না। এমতো অবস্থায় দ্রুত আমরা একটি নতুন ভবন আমার মাদারপুর জেলার কোর্ট এলাকায় দাবি করছি যাতে মানুষ তার বিচার কার্যক্রম এবং তার বিচার প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী 2। ধন্যবাদ।
সময় এক মিনিট। জ্বি, ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। নীলফামারী জেলা আদালতের ভবনগুলো অত্যন্ত পুরাতন। সিজিএম ভবন নাই। এজলাসের অপ্রতুলতা রয়েছে। একই এজলাসে একাধিক বিচারককে বসতে হয়। আদালতগুলোর সামনে মামলারত ব্যক্তিদের বসার স্থানের অনেক অভাব। এবং আইনজীবীগণের আমি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বলতে চাই যে
আইনদীপিগণের বসার জায়গা খুবই অপ্রতুল অনেক জায়গা প্রয়োজন এই অবস্থায় আমি চট্টগ্রাম 12 এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ এনামুল হকের প্রস্তাব এর সাথে সংযুক্ত করে নীলফামারী জেলা সংযুক্ত করে নীলফামারী জেলাতে এই বিষয়গুলোর সমাধানের লক্ষ্যে সংশোধন করার জন্য প্রস্তাব পেশ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। জনাব লুৎফুর রহমান কাজল কক্সবাজার তিন দুঃখিত কাজল নেই। জনাব লুৎফুর রহমান কাজল তো চোখেই থাকে এখানেও আছে।
তুমি আমারে আবারো চোখে দিলেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এনামুল হক চট্টগ্রাম 12 সিদ্ধান্তটাকে প্রস্তাবকে উত্থাপনের জন্য ধন্যবাদ জানাই। এটা একটা জো উপযোগী সিদ্ধান্ত প্রস্তাব। আপনি জানেন যে আমাদের কক্সবাজার জেলায় আইনজীবীদের বসার জায়গা নাই। আদালত ছোট। এখানে মাদক মামলা, মানব প্রচার মামলা, অনেক ধরনের মামলা, অন্য যেকোনো জেলা থেকে মামলা
বেশি। তাই আমি মাননীয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে যিনি প্রস্তাব দিয়েছেন একমত পোষণ করে সংশোধনী দিয়েছি। আমার সংশোধনী হলো মূল প্রস্তাবের উপরে কক্সবাজার জেলা শব্দাবলী সংযোজন করা হোক। বর্তমানে কক্সবাজার জেলার আদালত ভবন সংস্কার সম্প্রসারণ নতুন ভবন নির্মাণ করা জরুরী আইনজীবীদের ভবন সহ আমাদের বসার জায়গা সহ বিচারকের সঙ্গে সঙ্গে জড়িত অনেক সমস্যা হচ্ছে।
আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং তার উপর আনিত সংশোধনী গুলির উপর মাননীয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জনাব মোঃ আসাদুজ্জামানকে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি মাননীয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার, বিচারাঙ্গন, আইনাঙ্গন, আইন বিভাগ বাংলাদেশের সবচেয়ে অবহিত একটি জনপদের নাম এজ এ হোল। এটা আপনার অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান থেকে আপনি অনুধাবন করতে পারেন। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমি বলছিলাম আমার দেশের আদালতগুলোতে যথেষ্ট ইজলাস আমার নাই। এখানে বিচারকদের আবাসন সমস্যা সমস্যা আছে।
চৌকি আদালতগুলোতে আমাদের ভবন নাই। দীর্ঘদিন ধরে আমরা ক্যাবিনেটেও কথা বলেছি এবং গত বাজেটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বরাদ্দ হিসেবে আমাদেরকে 500 কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ করেছেন কিছু সমস্যা সমাধানের জন্য। আজকে একজন ধন্যবাদ প্রস্তাবক এবং তার সাথে সংশোধনী প্রস্তাবক 10 জন 11 জন যে আমার সাথে আমার এই অনুধাবনের সাথে কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে উত্থাপন করেছেন সে
জন্য তাদেরকে বিশেষ ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার, আপনার মাধ্যমে এই সংসদকে জানাতে চাই চৌকি আদালত ভবন ও সংশ্লিষ্ট বিচারকগণের জন্য আবাসন নির্মাণ যে প্রস্তাব এসেছে এই প্রস্তাবের আওতায় আমরা একটি প্রকল্প নিয়েছি প্রকল্পের মধ্যে পটুয়া চৌকি আদালতের ভবন সহ সারাদেশে 39 টি চৌকি আদালতের ভবন এবং সংশ্লিষ্ট বিচারকগণের জন্য আবাসন নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি অনুমোদনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে
পিএসি সভা অনুষ্ঠিত হয় উক্ত সভার পর্যবেক্ষণের আলোকে স্থাপত্য অধিদপ্তর কর্তৃক আদালত ভবনের নকশা সংশোধন করে নতুন করে নকশা প্রণয়ন করা হয়েছে তদানুযায়ী গণপূর্ত অধিদপ্তর প্রকল্প সংশ্লিষ্ট 39 টি উপজেলা অফিস থেকে প্রাককালন আনয়ন করে প্রকল্পের ডিপিপি পুনর্গঠন করছে ইতিমধ্যে পটিয়া সহ 26 টি উপজেলা অফিস থেকে প্রাককালন আনা হয়েছে এবং অবশিষ্ট 13 টি উপজেলা অফিসে প্রাককলন প্রস্তুতের কাজ
চলমান রয়েছে। উক্ত 13 টি উপজেলা অফিসের প্রাকলন প্রস্তুত সম্পন্ন করা হলে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হবে। এই প্রেক্ষাপটে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে প্রস্তাবককে অনুরোধ করব তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক। ধন্যবাদ মাননীয় আইনমন্ত্রী। সুযোগ একটু আমি নিতে চাই। মাইকটা একটু লাগান। দুর্গাপুরে আমার কন্টিনিউস তে একটা চৌকি আদালত আছে ব্রিটিশ আমলে 39 টার মধ্যে কি আছি আমরা?
যদি না থাকি 40 টা করেন। আমি এখন উনার কাছে যাচ্ছি। বলেন। উত্তরটা দিতে পারি মাইলক মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার দুর্গাপুরে যখন চৌকিয়া আদালত হয়েছিল। তখন মাননীয় স্পিকার যোগাযোগ ব্যবস্থা এতো খারাপ ছিল না। এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হয়ে চৌকিয়া আদালতের প্রয়োজনীয়তা আছে কিনা সেটাও আমরা একটু পরীক্ষা করে দেখে দরকারে সংযোজন করব মাননীয় স্পিকার। ধন্যবাদ আপনাকে। ভেরি ডিপ্লোমেটিক আনসার। নেভার দি লেস থ্যাঙ্ক ইউ। আপনি দেখেন 40 এ আসতে পারেন কিনা। প্লিজ।
মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ এনামুল হক চট্টগ্রাম 12 আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমরা কেউ পৃথিবীতে আজীবন বেঁচে থাকবো না কিন্তু আমাদের কৃত্যিগুলো আজীবন অনাগত প্রজন্মের কাছে বেঁচে থাকবে আমি আশা করি মাননীয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়
মন্ত্রী মহোদয়ের হাত ধরে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের দীর্ঘ প্রতীকিত জনদাবিতি পূরণ হবার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় আজীবন পঠিত
বাসী হৃদয়ে স্থান করে নিবেন। এই প্রত্যাশা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আমার আলোচ্য সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি আমি প্রত্যাহার করে নিচ্ছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় সদস্যবৃন্দ প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন। কার্যপ্রণালী উপবিধি এক অনুসারে প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন।
এখন আমি প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ এনামুল হক চট্টগ্রাম 12 কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর তিন সংসদের অভিমত এই যে জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া আদালত ভবন দ্রুত নির্মাণ করা হোক শীর্ষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাব
বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহারিত হলো ধন্যবাদ
মাননীয় সদস্যবৃন্দ মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সংসদে উপস্থিত আছেন তাই আমি সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর দুইয়ের অবশিষ্ট কার্যক্রমে ফেরত যাচ্ছি মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং তার উপর আনীত সংশোধনী গুলির উপর
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষে মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনাব ববি হাজ্জাজ কে তার বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি মাননীয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ধন্যবাদ আপনাকে আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার মহোদয় আমি প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি একটু দেরিতে চেম্বারে উপস্থিত হবার জন্য মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান মহোদয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ
স্থাপনের যে সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন সেজন্য তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। কৃষি আধুনিকায়ন উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং দক্ষ ও কর্মমুখী মানবসম্পদ তৈরির বিবেচনায় প্রস্তাবটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাননীয় স্পিকার নবীনগর একটি বৃহৎ ও কৃষি নির্ভর উপজেলা উপজেলার আয়তন 300 53.66 বর্গ কিলোমিটার এখানে 21 টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা
217 টি গ্রাম ও 261 মৌজা রয়েছে উপজেলার মোট ফসলি জমির পরিমাণ প্রায় 27000 হেক্টর এর মধ্যে 7670 হেক্টরের ফসলি এক ফসলি 15470 হেক্টর দুই ফসলি এবং 3860 হেক্টর তিন ফসলি অর্থাৎ মোট ফসলি জমির প্রায় 71.6% দুই বা তিন ফসলি উপজেলার বার্ষিক খাদ্য চাহিদা প্রায় 78400
44444
এসব উপাত্ত নবীনগরের কৃষি মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ ভিত্তিক অর্থনীতির উল্লেখযোগ্য ভিত্তি নির্দেশ করে মাননীয় স্পিকার শিক্ষার ক্ষেত্রে নবীনগরে একটি বিস্তৃত প্রতিষ্ঠানিক ভিত্তি রয়েছে সরকারি তথ্য অনুযায়ী উপজেলায় 39 টি সহশিক্ষা উচ্চবিদ্যালয় পাঁচটি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় চারটি জুনিয়র উচ্চবিদ্যালয় নয়টি সহশিক্ষা কলেজ এবং একটি মহিলা কলেজ রয়েছে শিক্ষার হার 68.00
62% এছাড়া কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুরে এগ্রিকালচার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা ইন এগ্রিকালচার পরিচালিত হচ্ছে ফলে নবীনগরে নতুন কৃষি কলেজ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা নিরূপণের ক্ষেত্রে স্থানীয় শিক্ষার্থীর চাহিদা পাশাপাশি নিকটবর্তী এলাকার বিদ্যমান কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ও সক্ষমতা বিবেচনা নেয়া প্রয়োজন
প্রয়োজন। মাননীয় স্পিকার, বর্তমান কৃষি শুধু প্রচলিত ফসল উৎপাদনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষি যান্ত্রিকীকরণ, উন্নত বীজ, সেচ প্রযুক্তি
বৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিপনন এবং কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়নের জন্য দক্ষ জনশক্তির প্রয়োজন রয়েছে। নবীনগর 27,000 হেক্টর ফসলি জমি বছরে 80,000 মেট্রিক টনের বেশি খাদ্য উৎপাদন এবং উল্লেখযোগ্য মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ কার্যক্রমের প্রেক্ষাপটে কৃষি শিক্ষার সম্ভাব্য চাহিদা রয়েছে। তবে নতুন কৃষি কলেজ স্থাপনের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থী চাহিদা বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা
প্রয়োজনীয় জমি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের সুবিধা শিক্ষক ও কারিগরি জনবল অবকাঠামো আর্থিক সংশ্লেষ এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসই তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা প্রয়োজন মাননীয় স্পিকার এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান হলো নবীনগর উপজেলায় কৃষি কলেজ স্থাপনের জন্য বিধিবিধান সম্মত প্রস্তাবনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতামত স্থানীয় চাহিদা বিদ্যমান শিক্ষা সুবিধা ও সার্বিক সম্ভাব্য পরীক্ষা নিরীক্ষা পূর্ব কৃষি কলেজ
অতএব, মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় প্রস্তাবটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি রাখে। যথাযথ প্রস্তাব প্রাপ্তি এবং প্রচলিত বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা সাপেক্ষে এ বিষয়ে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। অতএব, সরকারের এ অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে মাননীয় সংসদ সদস্যকে তার উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় প্রতিমন্ত্রী যে বিবৃতি দিয়েছেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছা করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমরা ছোটবেলা থেকে জেনে এসেছি এডুকেশন ইজ দা নেশন অফ এডুকেশন ইজ দা ব্যাগ
একটি যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত আজকে আমাদের এই বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার মাননীয় সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে সরকার গঠিত হয়েছে গণতান্ত্রিক সরকার সেই সরকারের যে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের যে উদ্যোগ সেই উদ্যোগকে সফল করতে হলে আমাদের সকল স্তরে শিক্ষা
সরিয়ে দিতে হবে। একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে পিছনে রেখে বাদ রেখে এই শিক্ষা দিয়ে আমাদের দেশের উন্নয়ন হবে না। কাজেই আমার বক্তব্য হচ্ছে যে এই কৃষিকে যেভাবে সরকার গুরুত্ব দিয়েছেন এবং কৃষিতে যে বাজেট দিয়েছেন বিশেষ করে শিক্ষা হাতে সবচেয়ে বেশি বাজেট দিয়েছেন। আমি সেজন্য আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার নিবেদন থাকবে অনুরোধ
থাকবে যে আমাদের নির্বাচনী এলাকা ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাঁচ নবীনগর একটি বৃহৎ উপজেলা এবং আমার যে জেলা আব্রাহামনবাড়িয়া এবং পার্শ্ববর্তী আমাদের যে জেলা কুমিল্লা কুমিল্লা বিভাগে কোথাও কৃষি কলেজ নেই। কাজেই আমার যে নির্বাচনী এলাকা এখানে অনেক সস্তা জমি পাওয়া যায় এবং আমার এলাকায় অনেক স্কুল কলেজ আছে ছাত্র-ছাত্রী অনেক আছে সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মানুষ বেকার আমাদের
ইয়ারা বেকার ঘুরছে। কাজেই যদি কৃষি একটা কৃষি কলেজ এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় তাহলে কৃষি খাতে আজকে শুধু কৃষি কাজ কৃষি করার জন্য কৃষি কাজ করার জন্যই কৃষি শিক্ষা দেওয়া হয় নাই। আজকে কৃষিকে আধুনিকরণ করার যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বর্তমান সরকার সে লক্ষ্যে আমি মনে করি যে আমার এলাকায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা অত্যন্ত যৌক্তিক আমি সেই যৌক্তিক দাবি রেখে এবং আমার
মাননীয় মন্ত্রীর আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আমি আমার এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাব প্রত্যাহার করতে চাই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় সদস্যবৃন্দ প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছে ব্যক্ত করেছেন। কার্যপ্রণালী উপবিধি এক অনুযায়ী প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন। এখন আমি প্রত্যাহারের প্রস্তাব
ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল মান্নান কর্তৃক উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর দুই সংসদের অভিমত এই যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলায় একটি কৃষি কলেজ স্থাপন করা হোক শীর্ষক প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন
আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহারিত হলো।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর চার এবং সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নম্বর পাঁচ এর উপর কার্যক্রম আজকের মতো স্থগিত করা হলো পরবর্তী বেসরকারি দিবসে এ দুইটি বিষয় নিষ্পত্তি করা হবে মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন কমিটি গঠন
পুনর্গঠন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম, আপনি প্রথমে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আমি এখন আইন বিচার এবং সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি
পুনর্গঠনের প্রস্তাব করছি। ইতিমধ্যে কমিটি গঠন করা হয়েছিল কিছু সংশোধনের জন্য। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী , 247 ও অনুসারে উক্তি বিধি সমূহে বোর্ড
কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন এবং কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক মাননীয় স্পিকার জনাব মোঃ নওসাদ জমির এক পঞ্চকর এক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি সংশোধন
সদস্য, জনাব এমএম মাহবুবুদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য, জনাব ইমরান আহমেদ চৌধুরী 234 সিলেট ছয় সদস্য, শাকিলা ফরজানা 308 মহিলা আসন আট সদস্য, জনাব মোঃ মনজুরুল ইসলাম ছয় দিনাজপুর এক সদস্য, জনাব মোঃ হাসান রাজিব প্রধান 16 লালমনিহাট এক সদস্য, জনাব মোঃ নাজিবুর রহমান 68 পাবনা এক সদস্য, জনাব আক্তার হোসাইন 62 22 রংপুর চার
সদস্য, জনাব আল ফারুক আব্দুল লাতিফ, 13 নীলফামারী 2 সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইফ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন
করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি 21 শতকের পুনর্গঠিত হলো।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি মাননীয় চিফ হুইফ জনাব নুরুল ইসলাম মোর আপনি এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার আমাদের একজন সদস্য তার পরিবর্তে আমাদের বিরোধীলীয় নেতৃবৃন্দ বিরোধীলীয় নেতা তিনি আরেকজনের নাম প্রস্তাব করেছেন সেই মর্মে আবার পুনর্গঠন করা হয়েছে এই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক
মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির গঠনের পুনঃপ্রস্তাব মানে প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247
অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক জনাব মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী 254 কুমিল্লা 6 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সহন তিন সদস্য জনাব বিশ্বাক হোসেন 179
ঢাকা ছয় সদস্য, জনাব মোঃ ফজলুর রহমান 165 কিশোরগঞ্জ চার সদস্য, জনাব মোঃ আব্দুল হান্নান 263 চাঁদপুর চার সদস্য, জিবা আমিন খান 312 মহিলা
আসন 12 সদস্য জনাব আমির এজাজ খান 99 খুলনা এক সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল ওয়ারিস 33 গাইবান্ধা পাঁচ সদস্য জনাব মোঃ রায়হান সিরাজী 19 রংপুর এক সদস্য জনাব রোকিয়া বেগম 345 মহিলা আসন 45 সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতি
ক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয় যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সব
সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং একই সাথে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো। বিশেষ কমিটি মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আপনি এখন বিশেষ কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন বিশেষ কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার
অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বরগুনা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুই প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির অনুসারে কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে 13 সদস্য বিশ্ব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি গঠন করা হোক।
জনাব জয়নুদ্দিন 121 বরিশাল তিন সভাপতি মির্জা আব্বাসুদ্দিন আহমেদ 181 ঢাকা আট সদস্য জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ 294 কক্সবাজার এক সদস্য জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বরগুনা দুই সদস্য জনাব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান 81 জিনেদা এক সদস্য ডক্টর মোহাম্মদ ওসমান ফারুক 164 কিশোরগঞ্জ তিন সদস্য জনাব এ এম মাহবুবুদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল বারী 35 জয়পুরহাট দুই সদস্য
জনাব মোহাম্মদ নওসাদ জামিদ এক, পঞ্চগড় এক সদস্য, ফারজানা শারমিন 58 আনাটল এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান 52 রাজশাহী এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম 65 সিরাজগঞ্জ চার সদস্য, জনাব মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান 68 পাবনা এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হোই পুনর্গঠনের প্রস্তাবের জন্য। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা
অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে
মহান সংসদে গৃহীত হলো এবং একই সাথে বিশেষ কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আপনি এখন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি এখন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব করছি। মাননীয় সংসদ নেতা
অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গণা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী , 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ, কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ
জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক জনাব জহিরুদ্দিন স্বপন 119 বরিশাল এক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য হন সদস্য জনাব মোঃ জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি 248 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 6 সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম 36 বোগরা 1 সদস্য জনাব মইনুল ইসলাম খান 169 মানিকগঞ্জ 2 সদস্য
জনাব মোঃ ফখরুল ইসলাম, 272 নোয়াখালী পাঁচ সদস্য, জনাব মোঃ শওকতুল ইসলাম, 236 মৌলভীবাজার দুই সদস্য, মোঃ সাম্মত ফরিদা ইয়াসমিন, 306 মোঃ মোঃ
মহিলা আসন 6 সদস্য, জনাব মোঃ সাইফুল আলম 185 12 সদস্য, জনাব মোঃ রাশেদুল ইসলাম 143 শেরপুর এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ, মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে আমি দুঃখিত
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো
মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতি অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বা
বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে বর্ণিত কমিটির কাজ কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। সৈয়্যদ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সভাপতি, জনাব মোঃ আমানুল্লাহ আমান 175 ঢাকা 2 সদস্য, জনাব
এবিএম আশরাফুদ্দিন নিজান 277 লক্ষীপুর চার সদস্য জনাব একেএম ফজলুল হক মিলন 198 গাজীপুর পাঁচ সদস্য জনাব মোঃ হাফিজ ইব্রাহিম 116 ভোলা দুই সদস্য জনাব এম এ এ এম মাহবুবুদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য জনাব মোঃ জালালুদ্দিন 261 জনাব স্পিকার মাননীয় স্পিকার একটু ভুল হয়ে সম্ভবত জনাব মোঃ হাফিজুদ্দিন 116 ভোলা দুই
জনাব এম মাহবুবুদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য জনাব মোঃ জালালুদ্দিন 261 চাঁদপুর দুই সদস্য ডাক্তার মোঃ মাহবুবুর রহমান 152 ময়মনসিংহ সাত সদস্য জনাব এস কে আজিজুল বাড়ি 102 খুলনা চার সদস্য জনাব মোঃ মনজুরুল ইসলাম ছয় দিনাজপুর এক সদস্য জনাব মোঃ মনজুরুল হুদা 48 নওগাঁ তিন সদস্য জনাব মোঃ মোঃ মোঃ জাকির হোসেন 150 ময়মনসিংহ পাঁচ সদস্য
জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম 184 ঢাকা 11 সদস্য জনাব সৈয়দ জয়নুল আবেদিন 177 ঢাকা চার সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন 80 চুয়াডাঙ্গা দুই সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ
মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতার মাইকটা একটু দিবেন প্লিজ এখানে হাফিজুদ্দিন বলেছেন তো উনি আমার মনে হয় হাফিজ ইব্রাহিম বলতে গিয়ে হাফিজুদ্দিন বললেন কিনা থ্যাংক ইউ মাননীয় চিফ হুইপের মাইকটা প্লিজ এখানে ভুল হতে পারে পাঁচ নম্বরে আছে জনাব মোহাম্মদ হাফিজ ইব্রাহিম 116 ভোলা দুই সদস্য এছাড়া বাকি সকলের নাম
যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং সরকারি হিসাব সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো
আমি এখন কার্যপদ স্টাফ কমিটি পুনর্গঠন করছি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদে অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে 220 ও বর্ণিত কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণকে মনোনীত করছি এবং
তাদের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের কার্যকর উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করছি।
প্রথমেই জনাব হাফিজুদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম 117 ভোলা 3 সভাপতি জনাব তারেক রহমান 190 ঢাকা 17 সদস্য জনাব মোঃ শফিকুর রহমান 188 ঢাকা 15 সদস্য ডক্টর খন্দকার মোশাররফ হোসেন 249 কুমিল্লা 294 কক্সবাজার 1 সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল
157 নেত্রকোনা এক সদস্য, জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম 110 বরগুনা দুই সদস্য, জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান 81 ঝিনাইদহ এক সদস্য, সৈয়দ আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ মোঃ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সদস্য, জনাব এ টি এম আজহারুল ইসলাম 20 রংপুর দুই সদস্য, জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম 184 ঢাকা
11 সদস্য, জনাব মোহাম্মদ নওশাদ জমির এক পঞ্চগড় পঞ্চগড় এক সদস্য। সেই সাথে কার্যপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠিত হলো। ধন্যবাদ সবাইকে। মাননীয় সদস্যবর্গ, দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন
প্রণয়ন কার্যবলী। জি মাননীয় বিরোধী দলের নেতা। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আইন প্রণয়নের জন্য এখানে তিনটি বিল আমাদের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। আজকে এই সংসদ এমন একটি সময় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। যেই সময়
সংগত কারণেই দেশে নানাবিধ সমস্যা বিরাজমান। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি। এই সংকট এবং সমস্যা তীব্র আকার ধারণ করায় মানুষের যখন জনদুর্ভোগ আমরা লক্ষ্য করছিলাম। তখন তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে আমি সরাসরি কথা বলেছিলাম। এবং স্পিকারের
দায়িত্বে আপনি ছিলেন আপনার সাথে আমি কথা বলেছিলাম। মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে কথা বলে উনার বরাবরে একটা অনুরোধ জ্ঞাপন করে একটা চিঠি দিয়েছিলাম। সেই চিঠির কপি আপনাকে দেওয়া হয়েছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া হয়েছে। বলেছিলাম যে এই সংসদটা আমাদের জাতীয় সকল কর্মকাণ্ডের মূল হওয়ার যে দাবি রাখে
এই ধরনের একটা স্পর্শকাতর সময়ে সংসদের একটা বিশেষ অধিবেশন আহবান করার জন্য। আমি জানি বিধি অনুযায়ী এই অনুরোধ জানানোর কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। তারপরেও আমরা দায় মুক্ত নই। দায়বোধের জায়গা থেকেই এই চিঠিটা ইস্যু করেছিলাম। কিন্তু আজ পর্যন্ত এর কোন উত্তর পেলাম না। এটার কি
কি হলো? দাবি ছিলো, সমাজে বিদ্যমান যে সংকট সমস্যা বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে যে অব্যবস্থাপনা একদিকে মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না লোড শেডিং এর জ্বালা অন্যদিকে বুতুড়ে বিল এর কোন সদুত্তর নাই। গ্যাসের তীব্র সংকট দেখা দিলো আবার গ্যাসের অপ্রতুলতার কারণে মানুষ আবার তেলের দিকে ধাবিত হলো। এই সব নিয়ে একটা
জটিল পরিস্থিতি আর এই সমস্ত পরিস্থিতির কারণেই দ্রব্যমূল্য হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে এবং বেড়ে গেল। জনদুর্ভোগের এই বিষয়গুলো নিয়ে। হ্যাঁ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি আজকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয় তিনি একটা বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি কিছু ডাটা তুলে ধরেছেন। আবার আমাদের বিরোধীদলের পক্ষ থেকে ওই ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে কিছু কথা বলা হয়েছে। তারাও কিছু তথ্য
ভিত্তিক বক্তব্য রেখেছেন। জ্বালানি সংকটের কারণে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন না থাকার কারণে শত শত কল কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। কেউ 700 বলছে, কেউ 900 বলছে, কেউ 95 টা বলতেছে। হোয়াটেভার মে বি কিন্তু বুঝা যাচ্ছে যে বিপুল সংখ্যক কারখানার উপরে এর একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। কারখানা বন্ধ হওয়ার মানে শুধু মালিক পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া না লক্ষ লক্ষ শ্রমিক যারা এখানে
শ্রম বিনিয়োগ করে থাকেন তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন। এর পাশাপাশি আমরা যারা দেশের সাধারণ জনগণ কারখানার এই প্রোডাক্টস গুলো আমরা যারা ব্যবহার করি তারা ক্ষতিগ্রস্ত। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির
ব্যাপারে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিনি বিবৃতি দিয়েছেন তিনি একটা তথ্য দিয়েছেন কিন্তু আমরা যখন সমাজে যাই তখন তার বাস্তবতা খুঁজে পাই না এর আগে এখানে বিদ্যুৎ জ্বালানি সম্পর্কে বিভিন্ন সময় বক্তব্য দেওয়া হয়ে যার সাথে কোন মিল ছিল না স্বয়ং স্পিকারের আসন থেকে বলা হয়েছিল তখন যে আমার এলাকায় তো বিদ্যুৎ পাই না এটার সাথে আসলে আমরা কোন মিল খুঁজে পাচ্ছিলাম না সেই কঠিন সময়ে
যখন জ্বালানি নিয়ে ভয়াবহ সমস্যা দেখা দেয় তেল নিয়ে তখন এই সংসদে একটুখানি আলোচনার ফলে একটা সমাধান বের হয়ে এসেছিল এবং সমাজ আতঙ্ক থেকে রক্ষা পেয়েছিল। আমরা এরকম একটা সদিচ্ছা নিয়ে এই সংসদ অধিবেশনটা আহ্বান করার অনুরোধ জানিয়ে ছিলাম এবং আলোচনাকালে এটাও বলেছিলাম যে এটার জন্য কয়েক দিনের প্রয়োজন নাই কয়েকটা ঘন্টার জন্য ডাকলেই হবে। কিন্তু দেখা হলো না। আজকে আমাদের সামনে এখন তিনটা
একটা বিল এসেছে, সেগুলো আজকে অবশ্য আলোচনা হবে না উত্থাপনের জন্য এসেছে। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে তার প্রক্রিয়াটা শুরু হবে। মাননীয় স্পিকার, আমাদের এই সংসদটা আমরা সবাই বলে আসছি যে এটা গতানুগতিক কোন সংসদ না। এটা ভিন্নধর্মী একটা সংসদ এবং 24 এর রক্তের উপর দাঁড়িয়ে থাকা একটা সংসদ। আশা ছিল যে সংসদের সূচনা থেকেই আমরা একটা ফ্রেশ স্টার্ট করতে পারবো দেশের জন্য জাতির জন্য।
নতুন একটা সূচনা হবে, পরিবর্তনের একটা সূচনা হবে। সেই লক্ষ্যেই আমাদের সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে ছিল। সংসদ নির্বাচন অনুযায়ী এর ফলাফল অনুযায়ী সংসদ আহবান করা হয়েছে কিন্তু গণভোটের জন্য সংস্কার পরিষদের সেই সভাটার আহবান করা হলো না। এটা যখন উপাক্ষিত হলো আমরা নোটিস দিলাম আলোচনা হলো তিন ঘন্টা তারপরে বিষয়টা টক আউট হয়ে গেলো। টক আউট মানে নো রেজাল্ট আমরা এখানে
আসলে নিজের জন্য এই বিষয়টা উত্থাপন করিনি জাতির জন্য ছিল যেখানে প্রায় 70 ভাগ মানুষ হাব উঠে রায় দিয়েছিল এবং আমরা উভয়পক্ষ এখন যারা সরকারি দলে আছি বিরোধী দলে আছি আমরা সবাই ছিলাম তখন গণভোটের পক্ষে এবং হায়ের পক্ষে আমরা কম হোক বেশি হোক আমরা সবাই ক্যাম্পেইন করেছি কিন্তু এইটা যখন বাস্তবায়িত হলো না জনগণের মধ্যে একটা আতঙ্ক একটা অনিশ্চয়তা একটা সন্দেহ দেখা দিলো আমরা বারবার এই বিষয়টা বলে আসছি তার কোন প্রতিকার পেলাম না।
এখানে বরঞ্চ তার বিকল্প হিসেবে বলা হলো যে সংস্কারের বিষয়টা বা সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়টা যেহেতু সংবিধানে নেই এই জন্য এটা বেআইনি আপনারা যে শপথ নিয়েছেন এটা অবৈধ শপথ উল্টা আমাদের উপরে আরেকটা বুঝা চাপিয়ে দেয়া হলো অথচ এটা জনগণের দেওয়া রায় উভয় মেনে ছিলাম সেই ভিত্তিতেই এই নির্বাচন হয়ে ছিল এবং যে অর্ডারের মাধ্যমে নির্বাচন হয়ে একই অর্ডারে লেখা ছিল যে 30 দিনের ভিতরে সংসদ
সদাধিবেশন রাখতে হবে এবং একইভাবে সংস্কার পরিষদের সভা আহবান করতে হবে। উল্টা দায় এসে গেল আমাদের উপরে আমরা ন্যায়ের পক্ষে জনগণের পক্ষে থাকার পরেও মাননীয় স্পিকার আমরা তো এখানে জনগণের জন্য কথা বলেছি এটা কোন দলীয় সুবিধা নেওয়ার জন্য আমরা বলি নাই বিরোধী দল এখান থেকে লাভবান হবে এমন কোন সম্ভাবনা নেই 18 কোটি মানুষের রাইটের পক্ষে ছিল আমাদের এই কথাগুলো যে কারণে ফেসিবাক যুগে যুগে জেকে বসে ছিল
জাতির গাড়ি আমরা চেয়েছিলাম ওই জায়গাগুলো পরিষ্কার হোক কিন্তু আমরা বিষয়ের সাথে লক্ষ্য করলাম গণভোটের রায় তো মানা হলোই না 133 টা অর্ডিন্যান্স যেটা ছিল এখান থেকে 20 টাকা ল্যাপসেস করে দেওয়া হলো যেগুলো ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিচার বিভাগের স্বাধীনতা স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন গুম কমিশন পুলিশ সংস্কার কমিশন নির্বাচন কমিশন এই বেসিক জায়গাগুলো যেগুলো ঠিক না হলে ফেসিবাদ থেকে এই দেশ এবং সমাজ মুক্তি পাবে
হবে না। সেগুলো ইল্যাপস করে দেয়া হলো। এখন আমরা দেখছি যে সেগুলো আস্তে আস্তে বিভিন্ন কায়দায় আপনারা এখানে মানে আপনারা বলতে সরকারি দল এখানে নিয়ে আসছেন। আরেকটা বিষয় এখানে লক্ষ্যনীয় আজকের দিনটা হলো বৃহস্পতিবার। আমাদের কনসেন্সাস অনুযায়ী এই দিনটা হচ্ছে বেসরকারি দিবস। বেসরকারি দিবসে সরকারি বিল আসে কিনা এটা আমি জানিনা। আমাকে জানালে আমি খুশি হবো। আজকের দিনটা হলো বেসরকারি সদস্যদের জন্য। হ্যাঁ, বেসরকারি সদস্য
দলের হতে পারেন সরকারি দলের হতে পারেন মন্ত্রীদের বাইরে যারা আছেন তারা সকলেই আমরা বেসরকারি সদস্য আমরা সেই বিল আনতে পারি এবং পেন্ডিং অনেকগুলো বেসরকারি বিল আছে সেই বিলগুলো আজকে না এনে আমি মনে করি যে এখানে অধিকার ক্ষুণ্য করা হয়েছে এবং আজকে এখানে যেভাবে সরকারি বিল উত্থাপন করা হচ্ছে এটা বোধহয় কোন ভালো নজির হবে না হ্যাঁ স্পিকারের জুরিসডিকশনের জায়গা থেকে যদি কিছু করার থাকে সেটা আমরা জেনে নেব কিন্তু আমরা এটাই জানতাম যে বেসরকারি দিবস
বেসরকারি সদস্যদের জন্য, এই সব কিছুতে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সংসদকে ঠেলে এক তরফা ভাবে একপেশে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা নীতিগত ভাবে
এই ধরনের বিলে আমরা অংশ গ্রহণ করতে চাচ্ছি না আমরা আশঙ্কা করছি যে এর মাধ্যমে সংস্কারের যে মূল দাবি সেটাকেই চাপা দেওয়া হবে আমরা সেই চাপা দেওয়ার পক্ষে নাই আমরা সংস্কারের মূল দাবির পক্ষে জোড়ালো এবং স্পষ্ট অবস্থান আমাদের আমরা এখান থেকে সরিনি আমাদেরকে অফিশিয়ালি নন অফিশিয়ালি এই পার্লামেন্টের ভিতরে এবং বাইরে অনেকবারই অনুরোধ করা হয়েছে যে সংবিধান সংশোধনের কমিটিতে আসে
একটা কমিটি এখানে পাস হয়েছে আমাদের প্রতিবাদ ছিল আমরা অংশগ্রহণ করি নাই সব ঠিক আছে ওইটা পাস হয়েছিল সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে পরে আমরা যখন বললাম যে সংবিধান সংশোধন কমিটি নামে কোন কমিটি হওয়ার কোন বিধান নেই আমরা পড়ে শুনলাম যে এটার আগে একটা বিশেষ শব্দ বসানো হয়েছে সেই বিশেষ টা এখানে পাস করা হয়েছে কিনা আমি জানিনা একটা কমিটি যদি আসলে এই হাউস থেকে পাস করানো হয় তাহলে তার প্রত্যেকটি
পক্ষরো এখান থেকে পাশ করাতে হবে। সেইটা তো হয় নাই। ওইটার পক্ষে আমরা ছিলাম না এটা বড় কথা না। আমি বলছি যে এখানে প্রসিডিউরটা মেনটেইন করা হয়নি। মাননীয় স্পিকার, এই সমস্ত বিষয় বিবেচনায় নিয়ে এখন যে বিষয়টা আপনি উত্থাপনের দিকে যাচ্ছেন আমরা যেহেতু এই আলোচনায় বৃহৎ স্বার্থে আমরা পুরা সংস্কার চাই, আমরা গণভোটের বাস্তবায়ন চাই এবং আমরা এইভাবে ফরমুলাটি কোনো প্রসেসের অংশ হতে চাই না। এইজন্য আমরা এখন আর এই আলোচনা
আমরা অংশ গ্রহণ করবো না, এই পর্বে আমরা সংসদ থেকে বিদায় নিচ্ছি। আমরা আবার ওয়াকআউট করছি, আমরা আবার যখন উপযুক্ত তখন ইনশাআল্লাহ আমরা আসবো, অংশগ্রহণ করবো, জনগণের পক্ষে কথা বলবো, চারটা নোটিস আমরা জমা দিয়ে আমরা আশা করব সেই নোটিস গুলা জনস্বার্থে জনদুর্ভোগ নিরসনের স্বার্থে সেই নোটিস গুলা আলোর মুখ দেখবে, এই সংসদে আলোচনার সুযোগ আমরা পাবো, মাননীয় স্পিকার আমাকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ, আমরা এখন ওয়াকআউট করছি, আসসালামু
মাননীয় বিরোধী দলের নেতা, ওয়াকআউট করার স্বাধীনতা আপনার আছে। বাট সংসদের ভিতরে সবকিছু আলোচনা করা দরকার, না হলে জাতি কি পাবে? আমি অনুরোধ করব আপনারা বসেন, আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। পক্ষ-বিপক্ষ বিতর্ক থাকবে, বিতর্কের মধ্যে দিয়েই তো জাতি পরিচালিত হবে আপনাদের নেতৃত্বে।
কি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় কিছু বলবেন? এই মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের মাইকটা দেন প্লিজ। মাননীয় স্পিকার আমরা ধৈর্য সহকারে এতক্ষণ মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য শুনেছি। অবশ্যই এটা কোন বিধিতে বলছেন আপনি বলতে পারবেন। বিরোধীদলীয় নেতা দাঁড়িয়েছেন সেই জন্য আপনি ফোরোধ দিয়েছেন বিধিটি দিয়ে আর জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন হয়নি।
নেতার প্রেরোগেটিভ ধন্যবাদ সেটা আমি জানি মাননীয় স্পিকার আবার জিজ্ঞেস করছেন যে না এখন আন্ডার দি সান এনিথিং উনি ভুলে গেলেন আর কি সবকিছু বিষয়ে তা আমাদের এখন একটা অধিকার দাঁড়ায় এগুলোর একটু জবাব দেয়ার তা না হলে রেকর্ডে থাকবে না উদ্দেশ্য ছিল প্রধানত এই আইন প্রণয়ন কর্মকান্ডের সহযোগিতা না করা
এই আইনগুলো পার্লামেন্টে আসুক এই দাবি প্রথম সেশন থেকে তাদেরই ছিল। আমরা সময় নিয়ে ছিলাম মানবাধিকার কমিশন আইনটা ইন্টারিম গভমেন্টের সময় খুব তাড়াহুড়ো করে একটু ভুল ত্রুটি রেখে এই আইনটা কমিশন করেছেন মানবাধিকার কমিশন এবং আমরা কথা দিয়েছিলাম যে সবার সাথে আলোচনা করে দেশি বিদেশি সব স্টেক হোল্ডার ডিপ্লোমা
মিশন রাইটস বডি এবং ইউএনডিপি সহ সমাজের আমাদের যে হিউম্যান রাইটস বডি যেগুলো আছে আমার অর্গানাইজেশন সবার সাথে কথা বলে সেমিনার সিম্পোজিয়াম করে তারপরে আমরা একটা সুন্দর ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড এবং ম্যাচিং উইথ আওয়ার কালচার একটা আইন নিয়ে আসবো সেটা আইনমন্ত্রী যথেষ্ট পরিশ্রম করে কয়েক মাস আমরা সবাই আলাপ-আলোচনা করে একটা মানবাধিকার কমিশন আইন
আজকে বিল আকারে নিয়ে আসছে। কিন্তু এই বিলের কপি যথেষ্ট আগে সবাইকে সরবরাহ করা হয়ে তারপরেও আজকে বিলটা শুধু উত্থাপিত হওয়ার কথা এবং কমিটিতে প্রেরণার কথা। এরপরে সময় পাওয়া যেত দুই চার দিন তারপরে সেটা বিবেচনার তে আসতো। একই বিষয় গুম প্রতিকার এবং প্রতিরোধ এই আইনটা আমরা একই ভাবে সব
তার সাথে আলাপ-আলোচনা করে একটা সমৃদ্ধ শক্তিশালী আইন নিয়ে এসেছি আজকে বিল আকারে সেটাও উত্থাপিত হওয়ার কথা পরে কমিটিতে যাবে আলাপ-আলোচনা হবে। এইটা উসিলা হতে
পারতো। যে এই এই কারণে আমরা এই বিলের উত্থাপনের বিরুদ্ধে আমরা ওয়াকআউট করলাম যথেষ্ট সময় দেয়া হয়নি। কিন্তু যে সমস্ত বিষয় এখানে বলা হলো মাননীয় স্পিকার বিরোধী দলীয় নেতার কি কোন এখতিয়ার আছে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়ে সংসদ আহবান করার জন্য? নাই। তিনি আপনার সাথে কথা বলেছেন ইনফরমালি বলতে পারেন। আপনি স্পিকারের দায়িত্বে ছিলেন। মাননীয়
মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে কথা বলেছেন তিনি বললেন চিঠি দিয়েছেন বললেন জবাব পেলেন না যে চিঠি দেয়ার এখতিয়ার নেই সেই চিঠির জবাব কিভাবে দেয়া হবে দ্বিতীয় হলো যে আলোচনাটা তারা এক সপ্তাহ আগে করতে চাইলেন সেটা এক সপ্তাহ পরে করলে এমন কিছু অসুবিধা হতো না সেটা আজকে সংসদ শুরু হয়ে রাষ্ট্রের অনেক নির্বাহী বিভাগের অনেক কাজ থাকে ইতিমধ্যে
মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং শপথ গ্রহণ হয়েছে অনেক রাষ্ট্রীয় ফাংশনস এগুলো করতে হয়েছে তার ভিতরে তো সংসদ অধিবেশন ডাকার কোন প্রসুতি ছিল না তার পরে রিজনেবলি এগিয়ে নিয়ে এসে আজকে সংসদে আহ্বান করা হয়ে এটা একটা বাহানা হয় আমি থাকলে একটু অসংসদীয় বলতো হয়তো আমি কোন শব্দ আজকে অসংসদীয় বলেছি আমি নিজে
বুঝতে পারছি না। কারণ আমার ভাষা জ্ঞান যতই খারাপ হোক আমি খুব সচেতন থাকি যাতে কোন আনপার্লামেন্টের ওয়ার্ড এখানে ইউজ না করতে হয়। তারা যখন মানে ওপেন এন্ডেড কথা বলে যে দেশে চুরি চিন্তায় হচ্ছে এই ব্যাপারে আপনার বক্তব্য স্পেসিফিক করে বলতে বলেছিলাম তাহলে আমি উত্তর দেবো। বলেছে কোন একজন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের উপর আক্রমণ হয়েছে
মামলা হয়েছে উল্টা তার লোকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে কোন সংসদ সদস্য কোথায় আক্রমণ হয়েছে কোথায় গ্রেফতার হয়েছে বললে আমি জবাব দিতে পারতাম ওপেন এন্ড কথার তো কোন জবাব হয় না সেজন্য আমি বলেছিলাম যে জনসভায় বাইরে শাহবাগে গুলিস্তানে অনেক কথা বলা যায় কিন্তু সংসদে বলতে গেলে সেটা স্পেসিফিক নির্ধারিত ভাবে বিধি মোতাবেক বলতে হবে যাই হোক
100000
কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
যেসব সম্প্রচারের পাঠ্য এখনো প্রস্তুত নয়
উপরে এই দিনের সম্পূর্ণ পাঠ্য নেই। বাকি সম্প্রচারগুলো এখানে শুনতে পারেন।