মূল লেখায় যান
← সদস্য ও বক্তা

তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী · ঢাকা-১৭ · আসন ১৯০ · Bangladesh Nationalist Party (BNP)

সদস্যের পরিচয়
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি)
আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
(ক)ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড- ১৫,১৮,১৯ ও ২০ এবং (খ)ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা
জেলা ও বিভাগ
ঢাকা · ঢাকা
সংসদীয় ইমেইল
dhaka.17@parliament.gov.bd
সংসদ
১৩

সংসদের সদস্য তালিকা থেকে ↗

এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।

এবং খুবই আশ্চর্যের বিষয় বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ডানে এবং বামে যে প্রতিবেশী দেশগুলো আছে তারা সমুদ্র থেকে গ্যাস আরোহণ করছে কি এক অদৃশ্য ইশারায় মাননীয় স্পিকার মধ্যেখানে বাংলাদেশ মধ্যেখানে বঙ্গোপসাগর সেই বঙ্গোপসাগর থেকে বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ফ্যাসিবাদের সময় গ্যাস উত্তোলনের বিন্দুমাত্র চেষ্টা করা হয়নি অনেকে বলে থাকে বিশেষ কোন দেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তারা যাতে নিভিগে গ্যাস নিয়ে যেতে পারে সেই জন্যই বাংলাদেশের অংশে বঙ্গোপসাগরে গ্যাস ক্ষুপকণন করা হয়নি। মাননীয় স্পিকার অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ছিল আমাদের গ্যাস আমদানির প্রতি প্রধান উৎস এমন পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণভাবেই দেশকে নির্ভরশীল করে ফেলা হয়েছিল জ্বালানি নির্ভর এই ঠিক এই পরিস্থিতিতে মাননীয় স্পিকার নির্বাচনের পরে সরকার গঠন করার 10 থেকে 12 দিন পরেই মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় যুদ্ধ পরিস্থিতি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে তেল এবং গ্যাস আমদানি করা হতো সেক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হলো মাননীয় স্পিকার সকল পত্রপত্রিকায় সকল ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়াতেই এই বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে এবং অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে এই পরিস্থিতির ভিতরেই মাননীয় স্পিকার আমাদের যে দুটি এফএসআরআইও আছে তার একটিতে ইলেকট্রিক শকের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে এবং সম্পূর্ণভাবে সেই এফএসসি গ্যাস সরবরাহ করতে সম্পূর্ণভাবে বিকল হয়ে যায় মাননীয় স্পিকার এটা একটা বাড়তি বিপদ যোগ করল এই সমস্যার মধ্যে এ কারণেই বর্তমানে গ্যাস এবং বিদ্যুতের জন্য জনগণকে এই ভোগান্তি সমগ্র দেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মাননীয় স্পিকার এই সমস্যা সমাধানে আমরা আমাদের বিরোধী দলীয় বন্ধুদের কাছে সহযোগিতা আশা করি অথচ আমরা দেখলাম মানে স্পিকার একটি বিশাল গাড়ির লং মার্চ আয়োজন করা হয়েছিল বিভিন্ন মানুষ বাইরে বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল কিনা মাননীয় স্পিকার? মাননীয় স্পিকার, গাড়ির লং মার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত তাহলে মাননীয় স্পিকার আমরাই সবচেয়ে আগে লং মার্চের আয়োজন করতাম মাননীয় স্পিকার।

মাই স্কিপ স্পিকার এই প্রসঙ্গে আমি একটি কথা সকলেরই মনে আছে তারপর একটু স্মরণ করতে চাই রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের যখন শুরু হলো সেই সময় সেই 2022 সাল সেই যুদ্ধের অজুহাতে মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করার জন্য তখন অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করে সকাল আটটা থেকে তিনটা পর্যন্ত করা হয়েছিল শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে স্কুলগুলোকে একদিনের জায়গায় দুদিন বাড়িয়ে দুদিন ছুটি করা হয়েছিল ব্যাংকের লেনদেনের কর্মসূচিও পরিবর্তন করা হয়েছিল মাই স্পিকার আমি আগেই বলেছি কোন অজুহাত তুলে আমরা জনগণের দুর্ভোগের সমস্যার সমাধানকে আমরা এড়িয়ে যেতে চাই না কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যারা 2009 সাল থেকে একটানা বছরের পর বছর বছরের পর বছর ক্ষমতা কক্ষিগত করে রেখেছিল মানুষের কথা বলার অধিকারকে কেড়ে নিয়ে ভোটের অধিকারকে কেড়ে নিয়ে তাদেরকেও মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থা করতে হয়েছিল বা করেছিল তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত রাখার জন্য সোকল নিশ্চিত মাননীয় স্পিকার কুইক রেন্টাল বসানো হয়েছিল এই কুইক রেন্টালের নামে এই রাষ্ট্রকে কিছু মানুষকে সুবিধা দিয়ে এই রাষ্ট্রকে ফতুর করে দেয়া হয়েছিল ঋণগ্রস্ত করে দেয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার তারপরেও কিন্তু তারপরেও কিন্তু মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সমস্যার বা জ্বালানি সমস্যার স্থায়ী সমাধান বের করে আনতে পারেনি তারা মাননীয় স্পিকার অথচ বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবার দুই সপ্তাহের ভেতরেই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে সেই ইউক্রেন যুদ্ধ মাননীয় স্পিকার যে ইউক্রেন যুদ্ধকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন পদক্ষেপ তখন তারা নেওয়া হয়েছিল সেই ইউক্রেন যুদ্ধ মাননীয় স্পিকার এখনো চলমান এর মধ্যে পড়ল মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি মাননীয় স্পিকার এর পাশাপাশি দুইটি এলেনজি দুইটি এফএসএরিওর অর্থাৎ দুইটি এলেনজি টার্মিনালের একটি গেল নষ্ট হয়ে। মাননীয় স্পিকার আমরা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। এই সমস্যাগুলো বর্তমান সরকার এবং যেহেতু আমি বলেছি বিরোধী দলীয় সরকারের একটি অংশ। আমরা সকলেই এই সমস্যাগুলো বা জাতীয় এই সমস্যাগুলো উত্তরের দেখার সূত্রেই আমরা পেয়েছি মাননীয় স্পিকার সকলেই বেঞ্চের এপাশ বলি বেঞ্চের ওপাশ বলি মাননীয় স্পিকার জনগণের সামনে বিদ্যমান পরিস্থিতি তুলোধারার দায়িত্ব আমাদের যেমন রয়েছে যেহেতু জনগণ আমাদের সকলকেই ভোট দিয়ে পাঠিয়েছে আমি মনে করি এই সংসদের প্রতিটি সদস্য ডাজেন্ট ম্যাটার সেটি বিরোধী দলের হোক সেটি সরকারি আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব সঠিক চিত্র বা বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে তুলে ধরার।

মাননীয় স্পিকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই বিরোধী দল সরকারি দলকে চেষ্টা করবে হয়তো তাদের বিবেচনায় বিভিন্নভাবে ব্যালেন্স বা নিরপেক্ষ রাখার জন্য এটা হতেই পারে কিন্তু মাননীয় স্পিকার এই বর্তমান যে সংকট এই সংকটকে যদি সঠিকভাবে এড্রেস না করে এটিকে যদি মাননীয় স্পিকার উস্কানিমূলক আচরণ করা হয় এখানে তাহলে মাননীয় স্পিকার আমার প্রশ্ন বিগত এক যুগ ধরে যে মানুষগুলো তাদের জীবন উৎসর্গ করে গিয়েছে 2024 এর আন্দোলনে যে 1400 মানুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে প্রায় 30 হাজার মানুষ যারা বিভিন্নভাবে পঙ্গুত্ব বা অন্ধত্ব বরণ করেছে লক্ষ লক্ষ মানুষ যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে এই মানুষগুলো কি কষ্ট পাবে না কারণ এই পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন না করে এটির যদি সুযোগ না হয় তাহলে তো মাননীয় স্পিকার পতিত পরাজিত বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ চক্রই লাভবান হবে মাননীয় স্পিকার তাহলে এতগুলো আত্মদানের কি মূল্য থাকবে মাননীয় স্পিকার সরকার গ্যাস বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবেলায় কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকারের পক্ষ থেকে এই সেশনে বেশ কয়েকদিন জাতীয় সংসদে একাধিকবার এভাবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সেজন্য আমি আর বিস্তারিতভাবে কিছু তুলে ধরতে চাই না তবে মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে জনগণকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই ইতিমধ্যেই আমরা যথাসম্ভব অনেকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী ইনশাল্লাহ আমরা সময়ের সাথে সাথে এই যে সমস্যা যাচ্ছে যেটি গ্যাস বা বিদ্যুতের সেই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হব এবং দেশ এবং আর কি কে?

অবশ্যই আমাদের বিরোধী দলীয় বন্ধুদের বিরোধী দলীয় সহকর্মীদের সাথে নিয়ে দেশ এবং জাতিকে আমরা এই সমস্যা থেকে ইনশাল্লাহ বের করে আনতে সক্ষম হবো মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার এতদিন আমরা আমদানি নির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার যে ব্যবস্থা বা যে উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি স্বরূপ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা যদি আমরা ইনশাল্লাহ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে আমরা শুধু গ্রাহক নয় বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হবো ইনশাল্লাহ মাননীয় স্পিকার এবং সেই সক্ষমতা সেই সক্ষমতা মাননীয় স্পিকার আমাদের রয়েছে কারণ আমাদের এই আত্মবিশ্বাস কারণ হচ্ছে আমাদের অভিজ্ঞতা মাননীয় স্পিকার আমাদের আত্মবিশ্বাসের কারণ হচ্ছে বিএনপির গৌরবময় অতীত ইতিহাস বিএনপি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যতবারই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে প্রত্যেকটি বার মাননীয় স্পিকার দেশকে বিপর্যয় পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে মাননীয় স্পিকার ইতিহাস সাক্ষ্যে বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত দেশ এবং জনগণের প্রতিটি সংকটে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি দেশের হাল ধরেছে এবং সফল হয়েছে মাননীয় স্পিকার

মাননীয় স্পিকার এই সংসদ সহ আপনিও একজন ব্যক্তি যাদেরকে আমরা দেশের সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে অবশ্যই সম্মান করতে পারি এই সিনিয়র সিটিজেনদের অবশ্যই স্মরণ আছে যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অর্থাৎ বিএনপি সরকারি তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ গুছিয়ে 70 এর দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশকে কে খাদ্যের রপ্তানির দেশেও পরিণত করেছিলেন। মাননীয় স্পিকার শুধু তাই নয় সেই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পুঁজি কোন অভাব ছিল না। কিন্তু তাদের ছিল কর্মী বাহিনীর অভাব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশের আমাদের যে বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী সেই জনগোষ্ঠীকে বিদেশে রফতানি করার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার শুধু তাই নয় 90 এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পরও 1991 সালের নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল। সেদিন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা বলেছেন সেদিন জামাতে ইসলামী আমাদেরকে সমর্থন দিয়েছিলেন তার জন্য আজও আমি আপনাদেরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার সেই সময়ের প্রধানমন্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া দেশের শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছিলেন নারী শিক্ষায় বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন এবং পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যাপকভাবে সেদিন থেকে শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ করেছিলেন সেই সময় প্রায় দুই কোটি মানুষ দরিদ্র সীমা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল মাননীয় স্পিকার এবং এটির এটির ক্রেডিটও মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকারের যখনই মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার যখনই দেশের জনগণ অবাধ এবং নিরপেক্ষ ভোট দেবার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ বেএনপি কে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।

ভাই স্পিকার 2024 সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের বীর ছাত্র জনতা যেই ফ্যাসিস্ট অপশক্তিকে এই দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল সেই ফ্যাসিস্ট অপশক্তি 2001 সালের 26শে জুন বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে জুলাই মাসে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছিল এরপর দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে সঠিক পথে আনার জন্য সেদিন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আমি জনগণ বিএনপিকে আবার নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছিল দেশ পরিচালনা করার জন্য এবং

2001 থেকে 2006 সালে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে বিএনপি সরকারি দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছিল মাননীয় স্পিকার। এটি আমার কথা নয় যে প্রতিষ্ঠানটি এই র‍্যাঙ্কিং গুলো করেছে সেই প্রতিষ্ঠানের স্ট্যাটিস্টিক গুলো যদি আপনারা দেখেন তাহলে এটি পরিষ্কারভাবে ভেসে উঠবে মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার 2001 সালে জনরায় প্রত্যাখাত অপশক্তি ষড়যন্ত্রের পথ ধরে যেই কথাটা মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা একইভাবে বলেছেন 2009 সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় খুক্কিগত করে তারা জনগণের অধিকারকে কেড়ে নেয় 2024 সালের 5ই আগস্ট দেশ ছেড়ে পালানোর আগে পর্যন্ত তাদের দুঃশাসন দুর্নীতি লুটপাট আর টাকা পাচারের কারণে বাংলাদেশকে ঋণ খেলাপের অপবাদ সইতে হয়েছে মাননীয় স্পিকার এই ঋণ খেলাপের অভিশাপ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার দায়িত্ব এখন বিএনপির কাঁধে পড়েছে মাননীয় স্পিকার এরা পালিয়ে গিয়েছে কিন্তু এই ঋণ রেখে গিয়েছে এই দেশের কাঁধে এই দেশের জনগণের কাঁধে মাননীয় স্পিকার এরা শুধু যারা পালিয়ে গিয়েছে ফ্যাসিবাদ এরা শুধু ঋণ খেলাপই করেনি বরং ঋণ খেলাপির পরিমাপের যে হিসাব নিকাশ সেটির মধ্যেও তারা জালিয়াতি করেছে মাননীয় স্পিকার 2024 সালের খেলাপির ঋণের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল মাত্র 11 শতাংশ অথচ 2025 সালের পরে 2025 সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যখন ফরেন্সিক অডিটের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় তখন দেখা যায় মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিবাদ যেটিকে 11 শতাংশ দেখেছিল সেটি 11 শতাংশ নয় বরং সেটি 35.5 শতাংশ মাননীয় স্পিকার এবং এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশকে ঋণ খেলাপির অভিশাপ থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বর্তমানে ঋণ খেলাপির অনুপাত কমে দাঁড়িয়েছে মাননীয় স্পিকার 32.6 শতাংশে

বিগত নির্বাচনের পরে যেখানে 35.5 ছিল সেখানে এটি নেমে এসেছে 32.6 মাননীয় স্পিকার অর্থাৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করেছে মাননীয় স্পিকার বর্তমান বিএনপি সরকারের অধীনে মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিস্ট চক্রের অনাচার লুটপাট দুর্নীতি এসকল উত্তরে থেকে সূত্রে পাওয়া দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের কলঙ্ক থেকে বিএনপির যেভাবে বাংলাদেশকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিল একই চক্রের কারণে 2026 সালে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার ঋণ খেলাফির যে কলঙ্ক এর থেকেও বিএনপি বাংলাদেশকে ইনশাল্লাহ মুক্ত করে নিয়ে আসবে মাননীয় স্পিকার।

মাননীয় স্পিকার বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত একটি রাষ্ট্র আমরা পেয়েছি। যারা বাংলাদেশকে ঋণের ভারে জর্জরিত করেছে তাদের অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে মাননীয় স্পিকার। কিন্তু বাংলাদেশকে এখনো সেই ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমান সরকার গত পাঁচ মাসে বিদেশী ঋণের আসল এবং সুদ বাবদ রেকর্ড 204 কোটি 76 লক্ষ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে মান স্পিকার যদিও ফ্যাসিবাদের যদিও ফ্যাসিবাদের লুটতরাজ টাকা পাচারের কারণে এখনো দেশের কাঁধে জনগণের কাছে হাজারো কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ বাকি রয়ে গিয়েছে মানুষ পিকার

মাননীয় বিরোধী দল নেতা তার বক্তব্যে একটি বিষয় উল্লেখ করেছেন বিষয়টি আমিও উল্লেখ করতে চাই শিক্ষা স্বাস্থ্য ব্যাংক বীমা অর্থকরী প্রতিষ্ঠান প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভঙ্গুর পরিস্থিতি ছিল এখনো ক্ষেত্রবিশেষে কিছু আছে এর পাশাপাশি রাষ্ট্র এবং সমাজে ধর্মীয় সামাজিক পারিবারিক যে মূল্যবোধের অবক্ষয় এটি মাননীয় স্পিকার এখানে উপস্থিত প্রত্যেকটি মানুষের কাছে দৃশ্যমান যে কোন বিবেকবান শিক্ষিত মানুষের কাছে রুচিশীল ভদ্র মানুষের কাছে এটি এখন দৃশ্যমান মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিবাদ শাসনামলে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বাক স্বাধীনতা বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক একটি পরিবেশ বিরাজ করছে বাক স্বাধীনতা অবারিত মাননীয় স্পিকার কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার বাক স্বাধীনতা যেন বাক শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে মাননীয় স্পিকার

মাননীয় স্পিকার আমরা যেরকম চাইনা দেশের জনগণের কাঁধে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসন চেপে বসুক মাননীয় স্পিকার যেকোনো বিবেকবান মানুষ যেকোনো দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ অবশ্যই আমরা চাইনা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যেন সংস্কৃতি যেন গালাগালিতে পরিণত হয় এজন্যই মাননীয় স্পিকার আমাদের সবাইকে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার পারিবারিক পরিবেশে আমরা যে সকল কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না কেন আমরা জনপরিষদেও সেই শব্দগুলো ব্যবহার করবো। কেন আমরা জনপরিসরেও সেই শব্দগুলোকে পরিহার করবো না মাননীয় স্পিকার? আপনার মাধ্যমে

আপনার মাধ্যমে মাননীয় স্পিকার আমি এটি সকল সদস্যের কাছে দেশের সকল বিবেকবান নাগরিকের কাছে প্রশ্ন রেখে যেতে চাই। মাননীয় স্পিকার আমরা যদি সত্যিকারভাবে সবাই এ ব্যাপারে একমত হই আসুন আমরা তাহলে গালাগালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা গ্রহণ করি।

মাননীয় স্পিকার এই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌম রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের বিভিন্ন সময় লাখো মানুষ জীবন দিয়েছে 2024 সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণউদ্বোধন এর সময় গুলি করে পাখির মতন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল মাননীয় স্পিকার ন্যায়পরায়ণতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই সকল শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য বলে মাননীয় স্পিকার আমি বিশ্বাস করি দিলেও হবে রক্তের ঋণ পরিশোধ করা যেহেতু আমাদের পবিত্র দায়িত্ব মাননীয় স্পিকার সেজন্য গণতান্ত্রিক জনগণ একটি দলকে একটি দলকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে এবং একটি দলকে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করার দায়িত্ব দিয়েছে মাননীয় স্পিকার সুতরাং সরকারি দলই বলি বিরোধী দলই বলি আমরা সবাই মিলে আসুন একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তুলি মাননীয় স্পিকার

মহাশয় স্পিকার বক্তব্যের শেষে এসে আমি একটি কথা বলতে চাই গণতন্ত্রের জনগণের কাছে আমার আহ্বান আসুন গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির মধ্যে বিভেদ বিরোধ কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট অপশক্তিকে পুনর্জীবিত করতে পারে সেই পথকেই হয়তো সুগম করতে পারে এটি যেন আমরা ভুলে না যাই মাননীয় স্পিকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থেই শহীদদের প্রতি কর্তব্যের অংশ হিসেবেই অবশ্যই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চালিয়ে যেতে হবে মাননীয় স্পিকার কর।

মাননীয় স্পিকার গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা আমাদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকবে সারা পৃথিবীতেই সেটি থাকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও থাকবে এটিও ডেমোক্রেটিক প্র্যাকটিস কিন্তু ভিন্ন মতকে যেন শত্রুতায় রূপ না নেয় মাননীয় স্পিকার সে ব্যাপারে অবশ্যই আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে মাননীয় স্পিকার পরিশেষে বক্তব্য শেষ করার আগে দিয়ে আমি আজকের এই অধিবেশনের সমাপ্তি যেহেতু ঘটবে সেজন্য মাননীয় স্পিকার সংসদ পরিচালনার জন্য আমি মাননীয় স্পিকার আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ডেপুটি স্পিকারকে মন্ত্রীসভার মাননীয় সদস্য মাননীয় চিফ হুইপ এবং হুইপ সহ মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা সহ বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ সকল সংসদ সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ম্যাম স্পিকার।

মান স্পিকার আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি সভাপতি মন্ডলীর মাননীয় সদস্যবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই সচিবালয় সার্জেন্ট আর্মস সচিব সহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দকে আমি আবার আরো ধন্যবাদ জানাতে চাই চিকিৎসক পুলিশ ফায়ার সার্ভিস সহ গণপূর্ত বিদ্যুৎ টেলিফোন বিভাগ নিরাপত্তা বাহিনী সহ যে সকল সাংবাদিক ভাইয়েরা পার্লামেন্টে কাজ করেন সহ সংশ্লিষ্ট সকল সেবা দানকারী সকল প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গকে মাননীয় স্পিকার আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই বাংলাদেশ টেলিভিশন সহ বেসরকারি টেলিভিশন সহ গণমাধ্যমের সকল সাংবাদিক কর্মকর্তা এবং কর্মচারী দিবেন্দ্রকে আবারও মাননীয় স্পিকার আপনাকে সহ সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকেও ধন্যবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উপস্থাপনের জন্য মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে মেয়াদ বৃদ্ধি এবং ব্যয় বৃদ্ধি সাধারণত একটি মাত্র কারণে হয় না বেশ অনেকগুলো কারণ থাকে বরং প্রকল্প প্রণয়ন অনুমোদন ভূমি অধিগ্রহণ অর্থায়ন ক্রয় প্রক্রিয়া ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই সমস্যা তৈরি হয় মাননীয় স্পিকার। প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি প্রবণতার বিষয়টি বর্তমান সরকারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর এ বিষয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথমত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে কারণগুলো হলো দুর্বল ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রকল্পের ব্যয় প্রাককলন যথাযথ না হওয়া প্রকল্প এলাকা নির্বাচনে দুর্বলতা ভূমি অধিগ্রহণে বিলম্ব ইউটিলিটি স্থানান্তরের বিলম্ব ক্রয় প্রক্রিয়া বিলম্ব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ না দেওয়া দুর্বল মনিটরিং এবং জবাবদিহিতা অর্থ অর্থায়ন পরিকল্পনা ও বাজেট সামঞ্জস্যের ঘাটতি আন্তরমনোলয় সমন্বয়ের অভাব এই সকল কারণেই এরকম ডিলে হয়ে থাকে মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার উক্ত সমস্যা সমূহ নিরসনে সরকার উল্লেখযোগ্য কতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এই পদক্ষেপগুলি ক নতুন প্রকল্প গ্রহণের পূর্বে নির্ভর সম্ভবতা সমীক্ষা প্রণয়ন নিশ্চিত করা খ প্রকল্প অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রস্তুতি ত্বরান্বিত করা গ প্রণয়ন প্রকল্প প্রণয়ন প্রক্রিয়াকরণ অনুমোদন ও সংশোধন সংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশিকা সময় উপযোগী করার লক্ষ্যে এ নির্দেশিকার সংশোধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে ঘ চলমান প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি মনিটরিং জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপন ও নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা ও মাঠ পর্যায়ে নিবিড় তদারকি বৃদ্ধি করা মাননীয় স্পিকার এরপরে আরো অনেকগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সময় বাঁচানোর জন্য এই বাকি পদক্ষেপগুলো পঠিত বলিয়া গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি ধন্যবাদ

মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার সংসদের এই সংসদের জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই আমরা আসার পরে এই সরকার গঠিত হওয়ার পরে এরকম বিভিন্ন প্রকল্পে সরকারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে কিছু এলামালিজ দৃষ্টিগোচর হয়েছে যেগুলোতে মনে হয়েছে এরকম কিছু আছে সেই প্রকল্পগুলোকে তদন্তের অধীনে নেওয়া হয়েছে এবং কয়েকটির ক্ষেত্রে মোটামুটিভাবে তদন্ত সম্পন্ন হয়ে এসেছে তদন্ত রিপোর্ট সরকারের হাতে আসে তাদের পরামর্শ মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এর বাইরে যেগুলোতে মনে হয়েছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে সেই সকল ক্ষেত্রে মাননীয় স্পিকার বিভিন্ন বিষয়ে পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে যে ডলারের ডিপ্রেসিশন ভ্যালু সহ সরকার যদি এখন নতুন করে আবার গ্রহণ করতে চায় সবকিছু প্রক্রিয়া বিলম্বিত হবে তাতে করে জনগণের সমস্যা দুর্ভোগ বাড়বে এবং তাতে করে প্রজেক্ট কস্ট শুধু বাড়বেই না তিনগুণ চারগুণ বেড়ে যায় মাননীয় স্পিকার সে সকল সবকিছু বিবেচনা করে যতটুকু কম সম্ভব খরচে জনগণ যাতে সুযোগ পেতে পারে সুবিধা পেতে পারে সেই বিষয়গুলো বিবেচনা গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার ভিতরে রাখা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ

মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ আপনি যদি একটু মনে করে দেখেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অর্থনীতি কিভাবে এই দেশের জনগণের কষ্টার্জিত অর্থনীতি কিভাবে বিভিন্নভাবে অপচয় করা হয়েছে লুটপাট করা হয়েছে তার উপরে ইন্টারিম গভমেন্ট একটি কমিটি গঠন করেছিল এবং সেই কমিটি সমগ্র দেশের মানুষের সামনে একটি শ্বেতপত্র বা এই ধরনের একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল হোয়াইট পেপার একটি প্রকাশিত হয়েছিল এখানে বিভিন্ন বিষয় মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়টি ছিল অর্থনীতির বিষয়টি সেজন্যই আপনি যদি ওই পেপারটা বের করে দেখেন তাহলে মোটামুটিভাবে সেখানে পরিষ্কার একটি চিত্র পাবেন বর্তমান সরকার সেই পেপার টিকেট সামনে রেখে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত পর্যায়ক্রমিকভাবে আমরা চেষ্টা করছি সেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য। ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সচেষ আপনাকে অত্যন্ত ধন্যবাদ আন্তরিক ধন্যবাদ এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উপস্থাপনের জন্য আমরা সমগ্র সংসদ আমরা জ্ঞাত আছি যে গত দুদিন ধরে আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি যেটি জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি মাননীয় স্পিকার তারপরেও যেহেতু মাননীয় সংসদ সচেষ উপস্থাপন করেছেন উনার জ্ঞাতার্থে আমি বলতে চাইছি আকর্ষিক বা সাময়িক সংকটকালীন সময় শিল্পখাত যাতে গ্যাস সংকটের সম্মুখীন না হয় সেজন্য সরকার নিম্নরূপ কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে 2030-31 সালের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী 150 টি গ্যাস ক্ষুপ খনন দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধান লক্ষ্যে মোট 4500 লাইন কিলোমিটার 2d3 সিসমিক সার্ভে এবং 4200 বর্গ কিলোমিটার 3d সিসমিক সার্ভে পরিচালনা এরপরে মানুষ পিরা সমুদ্র অঞ্চলে 26 টি ব্লকে তেল এবং গ্যাস অনুসন্ধান এবং উত্তোলনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের জন্য গত 24শে মে 2026 তারিখ আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে নভেম্বর 2026 পর্যন্ত বিড দাখিলের সময়সীমা মাননীয় স্পিকার স্থলভাগের তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি 2026 প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে এছাড়াও মাননীয় স্পিকার দেশে বিদ্যমান দুটি ভাসমান এলেনজি টার্মিনালের মাধ্যমে কমবেশি গড়ে দৈনিক 935 মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয় ভবিষ্যতে আকস্মিক গ্যাস সংকটে শিল্পখাত যেন বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য মহেশখালীর কুতুব জোনে নতুন একটি ভাসমান এলেনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়িতে একটি ল্যান্ড বেসড এলেনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়ন রয়েছে পরিকল্পনা অনুযায়ী কুতুব জোন ভাসমান এলেনজি টার্মিনাল হতে 2028 সালে এবং ল্যান্ড বেসড এলেনজি টার্মিনাল হতে ডিসেম্বর 2030 সাল নাগাদ রিগ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে ইনশাল্লাহ। এছাড়া পায়রা ও মংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের সমুদ্র উপকূলের বিবেচনায় গভীর সমুদ্রে কোন সুবিধাজনক স্থান নির্বাচন করে জরুরি ভিত্তিতে নতুন একটি ভাসমান টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাবতা যাচাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে ভোলার এলেনজি গ্যাস এলেনজি আকারে মেইনল্যান্ডে এনে আগ্রহী গ্রাহক শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরবরাহের বিষয়ে সম্ভবত যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে গ্যাস প্রাপ্তি সাপেক্ষে শিল্প প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের মাননীয় স্পিকার এক্ষেত্রে অর্থনৈতিক অঞ্চল ইপিজেড ও বিসিকের মতন পরিকল্পিত শিল্প অঞ্চলে অবস্থিত শিল্প প্রতিষ্ঠান সময়কে অগ্র অধিকার দেওয়া হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার ভোলার যে গ্যাসটি আছে এই গ্যাসটিকে যদি আমরা পাইপলাইনের মাধ্যমে মেইনল্যান্ডে নিয়ে আসতে চাই তাহলে সেই পরিকল্পনা যদি আমরা গ্রহণ করি অন্তত সাত বছরের মতন সময় লাগবে মাননীয় স্পিকার আমরা যেটি করতে চাইছি সেখানে আমরা শিল্প কারখানা স্থাপন করা যায় কিনা এরই মধ্যে কিছু শিল্প উদ্যোক্তা সেখানে তাদের শিল্প স্থাপন করার চেষ্টা করছেন যেটি গ্যাস দ্বারা পরিচালিত হবে তার ফলে সেখানে যেরকম কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে সে এখানে অর্থনীতির আকারও বৃদ্ধি পাবে ভোলা অঞ্চলে এর বাইরে মাননীয় স্পিকার এই গ্যাসটিকে সঠিকভাবে দেশের দেশের মানুষের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য সরকার পরিকল্পনা করছে সেখানে একটি ফার্টিলাইজার কারখানা স্থাপনের জন্য এবং একই সাথে 500 মেগাওয়াটের একটি আরেকটি বিদ্যুৎ স্থাপনা তৈরি করা যায় জনমাই স্পিকার ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনার প্রশ্নটি আমার কাছে ঠিক পরিষ্কার নয় আপনি যদি আমাকে একটু নোটিস দেন আমি প্রপারলি প্রিপেয়ার হয়ে আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দিব তবে সরকারের দেশকে পুনর্গঠন বা রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনের যে পরিকল্পনা এই পরিকল্পনাগুলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল তার নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে তুলে ধরেছিল নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পরে যেহেতু সরকারের চালানোর আমাদের সেই সুযোগ আল্লাহ তাআলা দিয়েছেন সরকার পরিচালনা করার ফলে আরো অনেক বেশি তথ্য পাওয়ার কারণে আমরা আমাদের সেই পরিকল্পনাগুলোকে আরো বিস্তারিতভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ পেয়েছি আরো বিস্তারিতভাবে আরো ডেভেলপ করার সুযোগ পেয়েছি এবং খুব স্বাভাবিকভাবেই একটি দেশে যেমন আপনি দুদিন আগে দেখেছেন আমাদের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অমিত খুব সুন্দরভাবে আগামী পাঁচ থেকে 10 বছর জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ খাতে কি কি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে সেটি সমগ্র সংসদের সামনে তুলে ধরেছেন স্বাভাবিকভাবে এত ডিটেইল পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হলে কিছুদিন সময় প্রয়োজন হয় এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সব ক্ষেত্রে সেটা শিক্ষার ক্ষেত্রে হোক সেটি শিল্পের ক্ষেত্রে হোক সেটি চিকিৎসা শাস্ত্রের ক্ষেত্রে হোক সব ক্ষেত্রেই একটু সময় লাগবে পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পরিকল্পনা আমরা আগে গ্রহণ করেছি এখন আরো ডিটেইল আরো ইমপ্রুভ করছি এবং স্বাভাবিক ভাবে যখন আমরা কাজগুলো শুরু করবো তখন নিশ্চয়ই সমগ্র দেশের মানুষ সকল পর্যায়ের মানুষ ধীরে ধীরে সকল বিষয়গুলো জানতে পারবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য ধন্যবাদ আপনাকে আপনার প্রশ্নের জন্য মাননীয় স্পিকার সরকার দেশে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে আমদানিকৃত জ্বালানির উপরে নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে অগ্রাধিকার প্রাপ্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে ইতিমধ্যেই 2026 থেকে 2030 মেয়াদে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে উক্ত কৌশলপত্র অনুযায়ী 2030 সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত 20 শতাংশ এবং 2040 সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের অন্তত 30 শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে সম্ভাবনা এবং বাস্তবতা বিবেচনায় 2030 সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে নিম্নক্ত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার ছাদ ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ হতে আমরা ইনশাল্লাহ 5500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরি করতে চাচ্ছি একই সাথে একই সাথে ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ হতে আমরা ইনশাল্লাহ 4500 মেগাওয়াট এবং অন্যান্য প্রযুক্তি মাননীয় স্পিকার যেমন বায়ুবর্জ পানি বিদ্যুৎ ভাসমান সোলার এগ্রো ভোল্টেড ইত্যাদি হতে আরো 450 থেকে বা প্রায় 550 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা আমাদের রয়েছে। মাননীয় স্পিকার নবায়নযোগ্য উৎস হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন উৎসাহিত করতে সরকার ইতিমধ্যেই সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য পণ্যগুলো যেমন সোলার প্যানেল ইনভার্টার ব্যাটারি স্ট্রাকচার এই সকল জিনিসের উপর আরোপিত সমুদয় কাস্টমস ডিউটি রেগুলেটরি ডিউটি সম্পূরক শুল্ক আগাম কর এবং দুই শতাংশ এর অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর হতে শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি প্রদান করেছে দুদিন আগে এই সংসদে দুদিন আগে এই সংসদে দাঁড়িয়ে মাননীয় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন যে আগামী ছয় মাস পর্যন্ত এই সকল কিছুর উপরে ট্যাক্স গুলো থাকবে না এই ছয় মাসের ভিতরে যারা যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন মাননীয় স্পিকার সর্বশেষ পয়লা সেপ্টেম্বর 2026 সালে ব্যাটারি সহ ছাদ ভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয়ে প্রতি ইউনিট সর্বোচ্চ আট টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে এই যে রুফটপ যেটি হবে বিশেষ প্রণোদনার অংশ হিসেবে উৎপাদন ব্যয়ের উপরে 20 শতাংশ মুনাফা এবং 11.225 শতাংশ প্রিমিয়াম বিবেচনা করে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ 10 টাকা 50 পয়সা হারে নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নিট মিটারিং নির্দেশিকা 2025 অনুসরণ পূর্বক যে সকল সম্মানিত গ্রাহক 28 ফেব্রুয়ারি 2027 তারিখের মধ্যে ছাদ ভিত্তিক সৌর বিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করে নিজস্ব ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীজে সর্ব করবেন তারা পরবর্তী তিন বছর মাননীয় স্পিকার পরবর্তী তিন বছর অর্থাৎ 28শে ফেব্রুয়ারি 2030 পর্যন্ত জাতীয় গ্রিডের সর্বাহৃত প্রতি ইউনিটের বিদ্যুৎ মূল্য 10 টাকা 50 হারে প্রাপ্ত হবেন এছাড়াও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে সরকার নিম্নরূপ নীতিমালা বা গাইডলাইন প্রণয়ন করেছে মাননীয় স্পিকার পিপিপি পদ্ধতিতে সরকারি সংস্থার মালিকাধীন ভূমিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প উন্নয়ন নির্দেশিকা 2026 এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে বেসরকারি অংশগ্রহণ বৃদ্ধি নীতিমালা 2025 নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা 2025 নেট মিটারিং গাইডলাইন 2025 জাতীয় রুফটক সোলার কর্মসূচি 2025 বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ দুধ ওয়েজ টু এনার্জি উৎপাদনে ব্যবসায়িক মডেল অনশোর উইন্ড গাইডলাইনের এবং কার্বন ক্রেডিট প্রক্রিয়াকরণ বিষয়ক গাইডলাইন। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে আন্তরিক আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ এই প্রশ্নটি করার জন্য। যে বর্তমান সরকারের এই পরিকল্পনা রয়েছে যেখানে যেখানে ডিজেল দ্বারা পাম্প চালিত হয় পানির পাম্প চালিত হয় সেখানে সবগুলোকে পর্যায়ক্রমিকভাবে ইনশাল্লাহ আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আমরা সৌরবিদ্যুতে নিয়ে যাব। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার, এই যে সৌর বিদ্যুতের স্টোরেজের জন্য যে ব্যাটারিটি ব্যবহার হয় এখানে দুই ধরনের ব্যাটারি আছে। একটি হচ্ছে লেড ব্যাটারি যেটাতে নরমাল ট্রেডিশনাল যেটি ব্যাটারি এসিড টেসিড ব্যবহার করা হয়। আরেকটা হচ্ছে লিথিয়াম ব্যাটারি যেটি পরিবেশ বান্ধব। আমরা যেটা চাইছি বর্তমান সরকার যেটা এনকারেজ করার চেষ্টা করছে সেটা হচ্ছে লিথিয়াম ব্যাটারিকে আমরা এনকারেজ করতে চাইছি এবং লিথিয়াম ব্যাটারি স্থাপনের ক্ষেত্রে অর্থাৎ তৈরির ক্ষেত্রে যে সকল কলকারখানা স্থাপিত হবে সেটাকে সরকার সব রকমের সহযোগিতা প্রদান করবে। যে এতো লিড ব্যাট্রি টাইপ আছে।

লিড ব্যাটারিটা এটাতে এসিডের ব্যবহার হয় যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক। সেজন্য আমরা এটাকে ডিসকারেজ করতে চাইছি। এবং সেজন্যই মাননীয় স্পিকার হয়তো ভবিষ্যতে এরকম চিন্তাভাবনা আমাদের থাকতে পারে যে সম্পূর্ণভাবে যেমন এই যে রুফটপের ব্যাপারে যেটা বলা হয়েছে মাননীয় স্পিকার সেই রুফটপের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে যে লিথিয়াম ব্যাটারি কম্পালসারি ওখানে ব্যবহার করতে হবে। মাননীয় স্পিকার আরো ডিটেইল পলিসি কাজ আমরা করছি পর্যায়ক্রমিকভাবে এটি আমরা উপস্থাপন করব। ধন্যবাদ। আচ্ছা।

মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ। মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকেও ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার সরকারের নির্বাচনী ইশতিহার 2026 এ বর্ণিত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে পাঁচ বছরের জুলাই জুলাই 2026 থেকে 31 কৌশলগত সংস্কার এবং উন্নয়ন কাঠামো ফাইভ ইয়ার স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক শীর্ষক উন্নয়ন কৌশলপত্র প্রণয়ন করা হয়েছে। দেশের সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন এ কৌশলপত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়নে অঞ্চলভিত্তিক বৈশিষ্ট্য স্থানীয় অর্থনৈতিক সম্ভাবনা জনগণের প্রয়োজন জলবায়ু ঝুঁকি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা ভোলা প্রাকৃতিক সম্পদের সমৃদ্ধ এসব সম্পদের যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই দ্বীপের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব ভোলা জেলায় 400 মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন একটি নতুন গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে মাননীয় স্পিকার একটু আগে আমি বলেছি 500 মেগাওয়াট এটিকে আসলে আমরা আরো 100 তে উন্নীত করতে চাচ্ছি 400 থেকে 500 করতে চাইছি যদি সবকিছু সম্ভবত রিপোর্ট অনুযায়ী 500 করা সম্ভব হয় সেটা আমরা 500 তে নিয়ে যেতে চাইছি মাননীয় স্পিকার ভোলার ভেদুরিয়া ও ইলিশা গ্যাস ক্ষেত্র থেকে দৈনিক 60 মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস এলেনজিতে রূপান্তর এবং লাইটেরেজ অপারেশনের মাধ্যমে খুলনার বিদ্যুৎ হাবে পরিবহনের উদ্যোগ রয়েছে মাননীয় স্পিকার সরকারের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে ভোলার প্রাকৃতিক সম্পদ গ্যাস সম্পদের যথাযথ ব্যবহার বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জাতীয় জ্বালানি নীতি নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে মাননীয় স্পিকার আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে সমুদ্র এবং উপকূলীয় সম্পদের অবদান বাড়াতে ফাইভ ইয়ার স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্কে একটি সামগ্রিক মেরিন স্পেশাল প্ল্যানিং জোন বিন্যাস করা হয়েছে এই পরিকল্পনার আওতায় ভোলা জেলা এবং সংলগ্ন দ্বীপগুলোতে ব্লু ইকোনমিক সেন্ট্রাল জোনের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে এই জোনের মাধ্যমে ভোলার অর্থনৈতিক অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে যেমন ইলিশ ও মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ জোন চরাঞ্চলের সমন্বিত কৃষি উন্নয়ন সুরক্ষিত উপকূলীয় অবকাঠামো এবং নৌনিরাপত্তা। মাননীয় স্পিকার ভোলা জেলার বিশেষ ভৌগলিক অবস্থান গ্যাস সম্পদ কৃষি উৎপাদনশীলতা উপকূলীয় মৎস্য সম্পদ খাতে সম্ভাবনা এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক খাত অন্যান্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে ফাইভ ইয়ার স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্কের আঞ্চলিক উন্নয়ন কাঠামোর আলোকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। এসব প্রাকৃতিক সম্পদ এবং অর্থনৈতিক সম্ভাবনা যথাযথ কার্যকর ও টেকসই ব্যাপার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বিনিয়োগের উপরে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার অবশ্যই এই প্রশ্নের উত্তরটি জানার জন্য আপনি ব্যক্তিগতভাবে নিশ্চয়ই আপনিও আগ্রহী মাননীয় স্পিকার একটু আগেই আমি উল্লেখ করেছি যে ভোলার যে প্রাকৃতিক সম্পদ আছে এই সম্পদটি যেমন আমরা দেশের মানুষের জন্য ব্যবহার করতে চাই একই সাথে ভোলার মানুষের যাতে এই সম্পদ থেকে উপকৃত হয় সেটিও আমাদের একটি লক্ষ্য এবং সে কারণে মাননীয় স্পিকার প্রথম একটি পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করেছি আমরা ভোলা যেহেতু একটি দ্বীপ জেলা এই দ্বীপ জেলাকে আমরা আমাদের মেইন ল্যান্ডের সাথে সম্পৃক্ত করতে চাই এবং সেই জন্যই ব্রিজ স্থাপন এবং ব্রিজ স্থাপনের মাধ্যমে রোড কমিউনিকেশন মাধ্যমে আমরা এটি করতে চাই এটি গেল প্রথম দ্বিতীয়ত মাননীয় স্পিকার একটু আগেই আমি উল্লেখ করেছি এখানে যেমন আমরা একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছি 500 মেগাওয়াটের একই সাথে আমরা একটি ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা স্থাপন করতে চাই আমরা প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারশিপ কে আমরা এনকারেজ করছি এরই ভিতরে বেশ কিছু প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারশিপ সেখানে তাদের ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন আমরা আরো কিছু মানুষের সাথে কথা বলছি যারা সেখানে কারখানা স্থাপন করবেন এর মাধ্যমে মাননীয় স্পিকার ভোলাকে আমরা গড়ে তুলতে চাই ভোলার মানুষের কর্মসংস্থান এবং অর্থনৈতিক অর্থনৈতিকভাবে সাবলীল করে গড়ে তুলতে চাই চাই মানুষ স্পিকার দোনো বাত

মূল সম্প্রচারে বক্তব্য শুনুন

· 5:147:43

· 9:2010:31

· 11:3012:28

· 14:1117:09

· 17:5218:43

· 19:5521:24

· 22:0926:10

· 26:3826:56

· 28:0728:38

· 28:4329:13

· 29:5732:50

· 34:0035:21

· 0:002:48

· 3:006:06

· 6:138:24

· 8:3110:11

· 10:1812:53

· 12:5813:37

· 13:4216:07

· 16:1316:58

· 17:0317:55

· 17:5919:09

· 19:2020:19

· 20:2520:49

· 20:5622:02

· 22:0722:20

· 22:2823:18

· 23:2524:19

· 24:2425:23

পরিচয়ের তথ্যসূত্র ↗