বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, দিনের কার্যসূচিভুক্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে বিশেষ অধিকার প্রশ্নে কার্যপ্রণালী বিধিতে এ পর্যন্ত মোট চারটি নোটিশ পাওয়া গেছে। তন্মধ্যে দুটি নোটিশের সিদ্ধান্ত আমি ইতিমধ্যে সংসদকে অবহিত করেছি। বাকি দুটি নোটিশের বিষয়ে আমার সিদ্ধান্ত আজ সংসদকে অবহিত করব। নোটিশ দুটি দিয়েছেন মাননীয় সদস্য রাজশাহী-১ আসন থেকে নির্বাচিত জনাব মোঃ মুজিবুর রহমান। তাঁর একটি নোটিশের বিষয়ে বিষয় সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত। কার্যপ্রণালী অনুযায়ী সরাসরি সংসদে প্রশ্ন করা যায় না। সংসদ সচিবালয় সংক্রান্ত বিষয়ে স্পিকারের নিকট ব্যক্তিগত পত্রের মাধ্যমে প্রশ্ন করা যায়। মাননীয় সদস্যের অন্য নোটিশটি কার্যপ্রণালী বিধি সংশোধন সম্পর্কিত। এটি করতে হলে কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী নোটিশ প্রদান করতে হবে। তাই মাননীয় সদস্যের প্রদত্ত নোটিশ দুটি গ্রহণ করা গেল না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ চলতি অধিবেশনে কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে মূলতবী প্রস্তাবের একটি নোটিশ পাওয়া গেছে নোটিশটি দিয়েছেন চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী তার নোটিসের সাম্প্রতিক ও জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন কোন সুনির্দিষ্ট বিষয় আলোচনার জন্য তিনি উল্লেখ করেননি তিনি নোটিসে শুধু সংক্ষিপ্ত বিবৃতি উল্লেখ করেছেন তাই কার্যপ্রণালী ও 63 ই উপবিধি অনুসারে নোটিশটি মূলতবি প্রস্তাব হিসেবে গ্রহণ করা গেল না বলে আন্তরিকভাবে দুঃখিত
মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি সংসদের মাননীয় সকল সদস্যকে অভিজ্ঞত করতে চাই যে আমাদের একটা ফেস রিডিং একটা ডিভাইস আছে আমাদের সব লবিতে তো আমাদের ফেস রিডিং ডিভাইসে ফেস রিডিং করা হয় না তো আমি মাননীয় সকল এবং সেখানে 100 জন 120 জন 22 জন হয় সেটা একটা প্রবলেম হয়েছে তো সে কারণে আমাকে এখানে অফিস থেকে অবহিত করা হয়েছে যে আমাদের মাননীয় সকল সংসদ সদস্যবৃন্দ যাতে পরবর্তীতে ফেস রিডিং করে হাউজে ঢুকেন আর বিশেষ করে আজকের দিনে যেহেতু শেষ দিন আজকে প্রয়োজন হবে হাউস যতটুকু জানি তো সে কারণে যাবার সময় যেন তারা হাউসটাতে ফেস ট্রেনিং করে দেন একটা বিষয় এটা এটা সকলের অবগতির জন্য বলছি মাননীয় সকল সংসদ সদস্যদের আর দ্বিতীয় আরেকটি বিষয় মাননীয় স্পিকার আজকের পত্রিকায় এসেছে যে মোবাইল ফোনে যেমন আমি কালকে এখানে বসে পেয়েছি আমাদের তিনজন মাননীয় সংসদ সদস্য বলেছে জরুরি ভিত্তিতে 30000 টাকা পাঠান আবার 25000 টাকা পাঠান যদি তিনজন তিনটা ফোন থেকে আসছে তিনজনই মাননীয় সংসদ সদস্য তো যাদের ফোন থেকে এসেছে তাদের সাথে আমি যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি ফোন করেছি তো ফোন আর ধরে নাই মানে ফোন কেউ রিসিভ করে নাই মানে ফোন হ্যাক হয়েছে আমি মাননীয় সকল সংসদ সদস্যদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই এ ব্যাপারে আমাদের যথেষ্ট সচেতন হওয়া খুবই জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে আর এই বিষয়টি আপনারা জানলে সারা বাংলাদেশ জানবে বলে আমি মনে করি আর এই টেলিভিশনের মাধ্যমে সারা বাংলাদেশের মানুষ জানুক এবং ভয়েস ক্লোন করে এবং কাগজপত্র নিয়ে এই কাজটা করছে। কিছু কিছু মানুষ সিগনেচারকে টেম্পার করে একটা কাগজ হাজির করছে সেটাও প্রবলেম হয়েছে। বিরোধী দলের মাননীয় অনেক সদস্যদের হয়েছে, সরকারি দলের অনেক সদস্য হয়েছে। কাজেই এই ব্যাপারেও সচেতন হওয়ার জন্য আমি সকল মাননীয় সংসদ দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ বিষয়টা যেহেতু উঠালেন এই প্রটেক্টিভ মেজারটা নেয়ার দায়িত্ব কার রাষ্ট্রের তো সেই বিষয়ে কিছু বলবেন না ক্লোন হয় বা যাই হয় না হয় সেই জিনিসটা তো মানে ইন্ডিভিজুয়ালি যাদেরটা হচ্ছে দে আর নট রেসপন্সিবল ফর দ্যাট ইউ হ্যাভ জাস্ট ব্রট দা নোটিস বাট প্রটেক্টিভ মেজার নিতে হবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এক্সিকিউটিভ বা স্টেটের সেই বিষয়ে কিছু বলার থাকলে বলেন
মাননীয় স্পিকার, এই বিষয়ে অলরেডি গতকালকেই কথা বলেছি এবং যে প্রোটেক্টিভ মেজার যা নেওয়া সম্ভব সেটা অলরেডি বিটিআরসি করার চেষ্টা করছে। গতকালকেই কথা বলেছি যাতে এই সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
এক্সেলেন্ট এটাই শুনতে চেয়েছিলাম মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব বেসরকারি সদস্যদের দুই রকম সিদ্ধান্ত প্রস্তাব আজ দিনের কার্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এগুলো হচ্ছে সংসদে ইতিমধ্যে উত্থাপিত হয়েছে এরূপ সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং আজকে উত্থাপিত হবে এরূপ সিদ্ধান্ত প্রস্তাব প্রথমে আমি আজকে উত্থাপিত হবে এরূপ সংসদ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবগুলো উত্থাপনের আহ্বান জানাবো সেগুলো উত্থাপনের পর পূর্বে উত্থাপিত এবং আজকে উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাবগুলোর উপর আলোচনায় ফিরে আসবো। প্রথমে উত্থাপনীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন উত্থাপনীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাবগুলো উত্থাপনের আহ্বান জানাবো। প্রথমে মাননীয় সদস্য মোঃ শাহ মোঃ ওয়ারেস আলী মামুন জামালপুর পাঁচ কে তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপনের আহ্বান জানাচ্ছি নেই উত্থাপিত হলো উত্থাপিত হলো ওকে সো যেহেতু তিনি উপস্থিত নেই এই বিষয়টি উত্থাপিত হলো না দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব দ্বিতীয় প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ আজিজুর রহমান যশোর এককে আহবান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আজিজুর রহমান সংসদের অভিমত এই যে যশোর জেলা সারসা উপজেলার উপজেলায় সরকারিভাবে একটি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কারখানা স্থাপন করা হোক মাননীয় স্পিকার আমি সারসা উপজেলায় সরকারি উদ্যোগে একটি বিসি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কারখানা স্থাপনের জন্য জাতীয় সংসদে আমার বক্তব্য তুলে ধরছি কাঁচামালের সহজ লভ্যতা। সারসা উপজেলার কৃষি ও পানি সম্পদ কৃষি ও পানি সম্পদে সমৃদ্ধ। এখানে প্রচুর পরিমাণ ধান, পাট, শাকসবজি, ফলমূল বিশেষ করে আম, কুল, পেয়ারা, ড্রাগন এবং দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদিত হয়।
মাননীয় সদস্য আপনাকেও ধন্যবাদ প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো তৃতীয় সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য ফাহিমা নাসরিন মহিলা আসন নম্বর 29 কে আহবান জানাচ্ছি
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আমার এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি মহান সংসদে উপস্থাপন করছি সংসদের অভিমত এই যে মুন্সিগঞ্জ জেলায় সরকারিভাবে একটি আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন মাদকাশক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপন করা হোক আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপিত হলো চতুর্থ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি উত্থাপনের জন্য মাননীয় সদস্য মুসাম্মদ ফরিদা ইয়াসমিন মহিলা আসন নম্বর ছয় আপনাকে আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ উত্থাপিত হলো না প্রস্তাবটি পঞ্চম সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আবুল কালাম কুমিল্লা নয় আপনাকে ক্যা হবেন জানাচ্ছে আবুল কালাম? ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সংসদের অভিমতে যে কুমিল্লা জেলা লাকসাম উপজেলার সদরে সরকারিভাবে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হোক আমি প্রস্তাবটি মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করিলাম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
এখন আমি মাননীয় সদস্য সানজিদা ইসলাম মহিলা আসন নম্বর 16 কে তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা আজকে কোন সাধারণ সমস্যা নয় এটি আমাদের কোটি নগরবাসীর চরম ভোগান্তির একটা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নিয়েছে এবং আমি বলব এটি নগর ব্যবস্থাপনার এক মারাত্মক সংকট সামান্য বৃষ্টিতেই থমকে যায় আমার রাজধানীর জীবনযাত্রা মাননীয় স্পিকার অপরিকল্পিত নগরায়ন রেনেজ ব্যবস্থার অনিয়ম এবং খাল ও জলাশয় দখলের কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই নগরবাসী চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় রাজপথ থেকে মহল্লার গলিপথ কোন কোথাও কোন স্বস্তি থাকে না সেবা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় না থাকার কারণেও এই অস্বস্তিটা কিছু মাত্রায় বেড়ে যায় আমরা এর ফলে কর্ম কর্মজীবী যারা তারাও কিন্তু কর্মঘন্টা গুলো হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের সময় থেকে উন্নতি না করে প্রকল্প করে শুধুমাত্র ভোগান্তি কমানো সম্ভব নয় মাননীয় স্পিকার আসার কথা হলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এই সংকট নিরসনের প্রশংসনীয় ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তার যুগান্তকারী নির্দেশনায় সারাদেশে এবং ঢাকার চারিপাশে নদী ও খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি জোরালোভাবে শুরু হয়েছে একই সাথে ঢাকার চারপাশে নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থার জন্য তিনি যে বিশেষ দিক নির্দেশনা দিয়েছেন তা ঢাকা শহরের জলবদ্ধ দূরীকরণে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে এ ধারা অব্যাহত রাখতে এবং তীব্র জনদুর্ভোগ নিরসনে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করার জন্য আমি কিছু রূপরেখা বিবেচনার জন্য তুলে ধরছি এবং তার বাস্তবায়নের জোর দাবি জানাচ্ছি স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপগুলোর মধ্যে যে জরুরী ব্যবস্থাগুলো নেয়া যায় তার মধ্যে নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করা বর্ষা মৌসুমের আগেই যেন আমরা এই ড্রেনগুলো থেকে বর্জ্য সরিয়ে ফেলা হয়। পাম্প হাউজের আধুনিকায়নের মাধ্যমে কল্যাণপুর রামপুরা সহ সকল নিষ্কাশন পাম্প হাউজগুলো 24 ঘন্টা সম্পূর্ণ সচল রাখার ব্যবস্থা করা। কুইক রেসপন্স টিম পানিবদ্ধতা প্রবণ এলাকাগুলোতে দ্রুত পানি অপসারণের জন্য ভ্রাম্যমান পাম্প
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, এই সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপর 10 জন মাননীয় সংসদ সদস্য সংশোধনী দিয়েছেন। আমি এখন তাদেরকে নিজ নিজ সংশোধনী উত্থাপন এবং সংশোধনের উপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। প্রত্যেকেই এক মিনিট সময় পাবেন। প্রথমেই ময়মনসিংহ ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান। সময় এক মিনিট। ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ একই সাথে আমি মাননীয় সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলামকে ধন্যবাদ জানাই একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রস্তাবন উত্থাপন করেছেন এবং সেই সাথে আমি সংসদে আমার সংশোধনী হচ্ছে এই রাজধানী ঢাকার সাথে ময়মনসিংহ নগর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহর সেখানেও জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে এবং সেখানে একটু বৃষ্টি হলেই দেখা যায় বাজার থেকে শুরু করে গাঙ্গিনী পাড় সহ একেবারে প্রতিটি দোকান এবং ঘরের মানে নিচতলা যেটা সেটা জলাবদ্ধ হয়ে যায় বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যায় এটাও জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য বিশেষ সিদ্ধান্ত প্রয়োজন বিশেষ ব্যবস্থা আমি আজকে এই প্রস্তাব উত্থাপন করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ সেই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই সানজিদা ইসলাম সংসদ সদস্য উনার সাথে সহমত পোষণ করে সর্বজনবিদিত নাটোর 461 চলন বিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থান করে গুদাসপুর উপজেলা এবং গুদাসপুর উপজেলা অন্তস্থ গুদাসপুর পৌরসভা এবং চাপিলা ইউনিয়ন বড় বর্ষণ অতিবর্ষণে বড় বর্ষায় সব সময় এই এলাকা প্লাবিত হয়ে থাকে।
জলবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য উনার সাথে সহমত পোষণ করে আমার চাপিলা ইউনিয়ন এবং গুদাসপুর পৌরসভা প্রস্তাবনা এ মহান সংসদে উপস্থাপন করলাম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আরো ধন্যবাদ জানাচ্ছি 316 মহিলা আসন 16 মাননীয় সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলামকে আমার সংসদেরই প্রস্তাব হলো যে রাজধানীর জলবদ্ধতা দূরীকরণের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি আমার অভিহিত এলাকা দুর্গম এলাকা সুন্দরবন ঘেষা আমার এই এলাকা খুলনা জেলার কয়র এবং পাইকগাছা এই দুইটি উপজেলার জলবদ্ধতা কারণেই মানুষ অনেক দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এই কারণেই এই জলবদ্ধতা নিরসন পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং খাল ও জলাশয় পুনরখনন এখন সময় দাবি হয়ে পড়েছে, পাশাপাশি টেকসই পানি ব্যবস্থাপনার জন্য অভিলম্বে
মাননীয় সংসদ সদস্য শানজিতা ইসলাম সংরক্ষিত 316 মহিলা আসন প্রস্তাবিত শানজিতা ইসলামের ঢাকার রাজধানীর জলবদ্ধতা দূরীকরণের সাথে খুলনা মহানগরী এই সিটি কর্পোরেশনের এখানে যে সামান্য বৃষ্টিতে ব্যাপক জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয় যে কারণে এই উত্থাপিত সংসদীনী প্রস্তাবের সাথে খুলনা মহানগরী এই কথাটি সংযুক্ত করা হোক। ধন্যবাদ মডেল স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মহিলা আসন 16 থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলামকে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবটি আনার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার মেহেরপুর পৌরসভা জলাবদ্ধতার মূল একটি স্থায়ী ও কৃত্রিম উপায়ে সৃষ্ট সমস্যা যা বর্ষার মৌসুমে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে প্রকট আকার ধারণ করে জনস্বার্থে দ্রুত এই বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তাই আমার সংশোধনী সহ মূল প্রস্তাবটি গ্রহণ করার জন্য মাননীয় মন্ত্রীকে অনুরোধ জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সানজিদা ইসলামের জলবদ্ধতা প্রস্তাবের সাথে একাত্মতা পোষণ করে আমি একটি সংশোধনী প্রস্তাব সংযুক্ত করছি প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সার সার হাজার হাজার একর জমির ফসল পানির নিচে তলিয়ে যায় এ জলবদ্ধতা শুধু প্রাকৃতিক কারণে নয় বরং অনেকাংশে মানব সৃষ্ট জনগণের দুঃখ জলবদ্ধতা নিরসনে আমি চারটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের প্রতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এক উপজেলার সকল নদী খাল প্রাকৃতিক জলাশয়গুলো অভিলম্বে দখল মুক্ত করত সরকারি জমি পুনরুদ্ধার করে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ উন্মুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি নদী খাল ও বিলগুলি সংস্কার করতে হবে। দুই সাহেবের খাল থেকে গোমর বিল হয়ে কলরা উপজেলার বয়ারডাঙ্গা গ্রামের সোনাই নদী পর্যন্ত সাড়ে চার কিলো নতুন খাল খনন করতে হবে। ভারতের পানি থেকে রক্ষার জন্য রুদ্রপুর ও দাউদখালি দাউদখালির মাঝে ফুটখালি বিজিবি ক্যাম্প
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ সেই সাথে মাননীয় সংসদ সদস্য সঞ্জিতা ইসলাম মহিলা আসন 16 কেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি মাননীয় সংসদ সদস্য প্রস্তাব করে আছেন যে সংসদ রহিমত এই যে রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক এ প্রস্তাবের সাথে আমি সম্পূর্ণ একমত রাজধানী ঢাকার জলাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক সাথে সাথে আমার নির্বাচনী এলাকা জেনাইদহ জেলা শহর জেনাইদহ জেলা শহরেও এরকম জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয় সে জলবদ্ধতা জলবদ্ধতা দূরীকরণের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। কুমিল্লা ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ মনিরুল হক চৌধুরী। এপারেন্টলি উনি নেই। রাজশাহী চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল বারিশ সরদার। সময় এক মিনিট।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সংসদ সদস্যকেও ধন্যবাদ আসলে জলাবদ্ধতা শুধু রাজধানী ঢাকার কোন একটা বিষয় নয় আমি মনে করি গোটা বাংলাদেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ শহর সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভার এটা একটা সমস্যা তারই ধারাবাহিকতায় আমার নির্বাচন এলাকা রাজশাহী চার বাগমারা ভবানীগঞ্জ পৌরসভারও এই জলাবদ্ধতা একটা সমস্যা আমি মনে করি জলাবদ্ধতা সাময়িক কোন সমস্যা নয় এটা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতিও করে থাকে দীর্ঘদিন পানি জমে থাকার কারণে রাস্তাঘাট এবং অবকাঠামোর ক্ষতি করে থাকে তাই আমার প্রস্তাবনা
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ নিলফামারী 2 নেই মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন মূল সিদ্ধান্ত প্রস্তাব এবং তার উপর আনীত সংশোধনী গুলোর উপর মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ডক্টর আব্দুল মঈন খানকে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ধন্যবাদ আপনাকে
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে আমি এই মহান সংসদের সকল সদস্যবৃন্দকে এবং বিশেষ করে যিনি প্রশ্ন করেছেন তাকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনারা জানেন যে জলাবদ্ধতা ঢাকা শহর এবং আমরা সংশোধনী গুলিতে দেখেছি বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমরা চিহ্নিত করেছি ঢাকা শহরের যে বিষয়টি সেটি আপনারা জানেন একটি শহরের একটি আয়তন সীমিত আয়তন এবং এখানে আজকে জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটির উপরে কোন কোন হিসাবে প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি ফলশ্রুতিতে যা হয়েছে মানুষ আবাসন করার জন্যে যে প্রাকৃতিক নিয়মে বৃষ্টির পানি গুলো নেমে যেত সেই এলাকাগুলো ভরাট করে তারা গৃহায়ন করেছে এবং এটি একটি বাস্তবতা যে বাস্তবতার সমাধান আমরা চিন্তা করছি এবং এই সমাধান ব্যয়বহুল এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই আর যে সংশোধনী গুলোতে যে সমস্যাগুলো এসেছে আপনারা দেখেছেন অনেকে শুধু স্থানীয়ভাবে জলাবদ্ধতার কথা বলেননি তারা সামগ্রিক জলাবদ্ধতার কথা বলেছেন এ প্রসঙ্গে আমি স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করতে চাই যে বাংলাদেশের যে সামগ্রিকভাবে যে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে তার একটি মূল কারণ যে আমাদের যে নদী বিউথ নদী বিধ্বস্ত যে বাংলাদেশ সে বাংলাদেশের নদীগুলো অনেকাংশে ভরাট হয়ে গেছে এবং যার কারণ আমাদের যে উজানে যে ব্যবস্থাপনা রয়েছে সেখানে থেকে জল প্রত্যাহার করা হচ্ছে এবং তার সুদূর প্রসারী প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন নদীতে পলি জমেছে বালি জমেছে এবং যে কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে আমি সাধারণভাবে আপনাদের যে সমস্যাগুলো আমি আপনাদের মাধ্যমে মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে সংসদের মাননীয় সদস্যবৃন্দ তথা দেশবাসীর উদ্দেশ্যে আমি তার সংক্ষিপ্ত একটি বিবরণ দিয়েছি আজকে যিনি প্রশ্ন করেছেন তার প্রশ্নের জবাবে নির্দিষ্টভাবে আমি আরো কয়েকটি কথা বলতে চাই যে কথাগুলো বললে আপনারা উপলব্ধি করবেন যে এই গণতান্ত্রিক সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা কিভাবে জনগণের সেবায় সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি প্রথমত জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমান সরকার ঢাকা এবং চট্টগ্রাম সহ দেশের বড় বড় শহরগুলিতে স্বল্প মধ্য এবং দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে এবং এই নির্দিষ্ট প্রকল্পের মাধ্যমে আমরা এই সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করছি আমি স্বীকার করছি যেহেতু এই সমস্যাগুলো দীর্ঘ দশকের পর দশক ধরে সৃষ্টি হয়েছে এটা রাতারাতি সমাধান করা সম্ভব নয় এই বাস্তবতা আমাদের মেনে নিয়েই কিন্তু আমরা আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন পরিকল্পনা গুলো গ্রহণ করেছি সরকার রাজধানী শহর সব সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসন কল্পে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বর্তমান সরকার বহুমাত্রিক এবং সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে এবং এই ধারাবাহিকতায় রাজধানীর দুটি প্রধান যে আমাদের মেশিনারি দুটি সিটি কর্পোরেশন তারা অত্যন্ত সক্রিয় এবং পরিকল্পিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রথম এক রাজধানীর জলাভ্যতার সমস্যা নিরসন কল্পে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ রয়েছে তার প্রথম দীর্ঘ তালিকা রয়েছে আমি দুই একটি আপনাদের উদ্দেশ্যে পড়বো এবং পরবর্তীতে যদি মাননীয় স্পিকার আমাকে অনুমতি দেন আমি আজকে জানি আমরা সময়ের সীমাবদ্ধতা রয়েছে তিনি যদি আমাকে অনুমতি দেন পরবর্তী অংশগুলো পঠিত বলে গৃহীত হতে পারে কিন্তু আমি প্রথম কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই সংসদের মাননীয় সদস্যদের জন্য স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করতে চাই প্রথমত জলাবদ্ধতা প্রবণ স্থান আমরা চিহ্নিত করছি আমরা ম্যাপিং করছি আমরা হটস্পট চিহ্নিত করছি এবং এই সমস্যাগুলো চিহ্নিত করার পরে তার দ্রুত সমাধানের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছি আমরা 10 টি অঞ্চল এভাবে চিহ্নিত করেছি এবং আমরা 21 টি কুইক রেসপন্স টিম কিউআরটি আমরা গঠন করেছি যার মাধ্যমে নিয়মিত পিট গ্যাস পিট ড্রেনেজ লাইন এবং হটস্পট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করছি ফলে দেশের জলাবদ্ধতা আমি বলব হয়তো পুরোপুরি নয় কিন্তু কিছুটা হ্রাস পেয়েছে 2024-25 অর্থবছরে 110.93 কিলোমিটার রাস্তা এবং 105.89 কিলোমিটার নর্দমা নির্মাণ করা হয়েছে অথবা যেগুলো অতীতে নির্মাণ করা হয়েছিল সেগুলো উন্নয়ন এবং বিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। 2025-26 অর্থবছরে 115 কিলোমিটার রাস্তা এবং 120 কিলোমিটার নর্দমা উন্নয়ন কার্য এখনো চলমান রয়েছে। ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকা সমূহে প্রায় 108 টি জেলা পদ্ধতার স্থান আমরা চিহ্নিত করেছি এবং চিহ্নিত করে সেই সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করছি এভাবে আরো দীর্ঘ তালিকা রয়েছে মাননীয় সংসদ সদস্যকে আমি মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানাবো তিনি যদি মন্ত্রণালয় আসেন আমি বিস্তারিত তাকে অবহিত করব সংক্ষেপে খুব সংক্ষেপে বলছি ঢাকা ঢাকা রাজধানীর যে জলাবদ্ধতার সমস্যা নিরসন ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন তারা যে ব্যবস্থাগুলো নিয়েছে আমি শুধু একটি বা দুটি আমি এখানে উল্লেখ করব দীর্ঘ কর্মসূচি রয়েছে সবগুলো হয়তো সময়ের অভাবে এখানে উপস্থাপন করতে পারছি না আমি প্রথমে বলছি যে বর্তমানে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের বৃষ্টির পানি নির্গত গমনের জন্য আমরা তিনটি একটি কমলাপুরে একটি টিটিপাড়ায় এবং একটি ধোলাইখাল এলাকায় তিনটি আউটলেট রয়েছে এবং এই তিনটি আউটলেটের অধিক অধিক্ষেত্র অধিক্ষেত্রে মোট 109 বর্গ কিলোমিটার এলাকা রয়েছে এবং এই তিনটি যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার মাধ্যমে এই 109 বর্গ কিলোমিটারের পানি আমরা নিষ্কাশন করার চেষ্টা করছি। আমি স্বীকার করি এটা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। আপনারা জানেন আমাদের বাংলাদেশ এটা একটা বৃষ্টি এখানে অত্যন্ত বেশি পরিমাণে হয় পৃথিবীর অনেক দেশ থেকে এবং এই বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এটা আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ বিশেষ করে আমি একটু আগে যে কথা বলেছি যে ঢাকা শহরের যত ন্যাচারাল যেগুলো প্রাকৃতিক যে জল নিঃসরণের জন্য যেসব খাল নর্দমা এবং ছোট নদী ছিল সেগুলো অধিকাংশই ভরাট হয়ে গিয়েছে এবং সেই পরিস্থিতিতে দ্রুততম সময়ে পানি নিষ্কাশনের জন্য আমরা আরো দুটি আউটলেট নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়েছি শ্যামপুর খালের পানির নিকটবর্তী বুড়িগঙ্গা নদীতে নিষ্কাশনের জন্য আমরা খাল প্রকল্পের আওতায় বক্স কালভার্ট তৈরি করেছি এবং বৃহৎ বেশের অত্যন্ত বড় পাইপলাইন আট ফুট নর্দমার মাধ্যমে সে আউটলেট নির্মাণের যে কাজ সে কাজটি এখন চলমান রয়েছে আমি আরো দীর্ঘ তালিকা রয়েছে মাননীয় স্পিকার আপনি যদি অনুমতি তাহলে সেটা পঠিত হলে গুন হতে পারে।
মাননীয় মন্ত্রী আমি পঠিত বলে গণ্য করলাম আপনার এখন আহ্বান জানানো দরকার অফিসিয়ালি মাননীয় সদস্যকে উনি যদি প্রত্যাহার করতে সম্মতি হন পরবর্তী পদক্ষেপে আমরা যাব
মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য যে প্রশ্নটি তুলেছিলেন যে সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি এই মহান সংসদে তিনি তুলেছেন এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঢাকা শহরের প্রায় দুই থেকে তিন কোটি অধিবাসী অধিবাসীর জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমরা প্রচেষ্টা নিয়েছি যার বিস্তৃত বর্ণনা আমি ইতিমধ্যেই মহান সংসদে উপস্থাপন করেছি এবং সেই প্রেক্ষিতে আজকে যিনি প্রশ্ন করেছেন মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি তাকে অনুরোধ করব যে তিনি যদি বিবেচনা করেন তাহলে তিনি তার সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন।
ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী। মাননীয় সদস্য সানজিদা ইসলাম। আপনার সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রী যে বিবৃতি দিলেন তার প্রেক্ষিতে আপনি ইচ্ছে করলে প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করতে পারেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার যে সকল মাননীয় সংসদ সদস্য আমার প্রস্তাবটি সমর্থন করেছেন এবং তাদের সংশোধনী বক্তব্য দিয়েছেন তাদেরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই এই গঙ্গাবুড়ির শহরে আসমান তুই কাঁদিস কেন অর্থালিকার পাহাড়ে এই প্রাণের শহর ঢাকা যেন আর না কাঁদে সেজন্য আমি আমার এই প্রস্তাব রাজধানী ঢাকার জলবদ্ধতা তুলিকরণের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণে মাননীয় মন্ত্রী যে উদ্যোগ গুলো গ্রহণ করেছেন স্বল্প মেয়াদী মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী সেগুলোকে সাধুবাদ জানাই এবং এটি আমাদের মধ্যে আশার আলো সঞ্চার করেছে কিন্তু আমি প্রত্যাহার করব অবশ্যই অনেকগুলো উদ্যোগ কিন্তু আমার তারপরেও আরেকটা প্রশ্ন থেকে যাবে যে এই নিরসনে গৃহীত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নের কাজ কবে নাগাদ শুরু হবে এবং কবে শেষ হবে যেন জনগণ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার, ধন্যবাদ।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ প্রস্তাব উত্থাপনকারী মাননীয় সদস্য তার প্রস্তাবটি প্রত্যাহারের ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন কার্যপ্রণালী এবং এর এক উপবিধি মতে প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে সংসদের অনুমতি প্রয়োজন আমি এখন প্রত্যাহারের প্রস্তাবটি ভোটে দিচ্ছি মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য সানজিদা ইসলাম মহিলা আসন নম্বর 16 কর্তৃক 3/9/2026 তারিখ উত্থাপিত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সংসদের অভিমত এই যে রাজধানী ঢাকার জলবদ্ধতা দূরীকরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক শীর্ষক প্রস্তাব প্রত্যাহার করা হোক যারা এই প্রস্তাব প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হা বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি প্রত্যাহারিত হলো
মাননীয় সদস্যবৃন্দ আজ চলতি অধিবেশনের শেষ দিন হওয়ায় মাননীয় সংসদ নেতা এবং মাননীয় বিরোধী দলের নেতা সমাপনী বক্তব্য রাখবেন তাছাড়া আইন প্রণয়ন কার্যবলিও রয়েছে তাই আমি বাকি সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের উপর কার্যক্রম স্থগিত রাখছি ধন্যবাদ
মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচিভুক্ত আইন প্রণয়ন কার্যাবলী বেসরকারি বিল এর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোঃ নাজিবুর রহমান পাবনা এক কর্তৃক আনীত বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল এমেন্ডমেন্ট বিল 2026 উত্থাপন সংক্রান্ত কার্যক্রম মাননীয় সদস্যের অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্থগিত রাখা হলো।
দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন আইন প্রণয়ন কার্যাবলী আমি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহম্মদকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন এসআরবি বিল 2026 অবিলম্বে বিবেচনার প্রস্তাব উত্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে রেভিড একশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্তক্রমে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন নামে পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন ওহার নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়ন কল্পে আনিত একটি বিল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন এস আর বি উইথ ইন ব্র্যাকেট বিল 2026 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক দোনো বন্ধু
জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কিত প্রস্তাব এবং বিলটির সাধারণ নীতি সম্পর্কিত আলোচনা একই সাথে অনুষ্ঠিত হবে আমি এখন নোটিশ দাতাদের মধ্যে বিরোধী দল দলের পক্ষ থেকে প্রদেয় যারা নাম দিয়েছেন সেই নাম পড়বো এবং তারা বক্তব্য রাখবেন প্রথমে মোহাম্মদ রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা 2 রুহুল আমিন চুয়াডাঙ্গা 2 সময় 2 মিনিট ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বাংলাদেশের অপরাধ জগতের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা আমাদের বিগত বছরগুলোতে যে বাহিনীগুলো করেছিল তার ভিতরে অন্যতম র্যাব এই র্যাপিড অ্যাাকশন ব্যাটালিয়ন যে বাহিনী ছিল এই বাহিনী বাংলাদেশের যে অপরাধগুলো করেছিল সেই অপরাধগুলো কোন অবস্থাতেই গ্রহণ যোগ্য নয় এখন সেই অপরাধের কারণে এই বাহিনীটাকে বিলুপ্ত করে নতুন একটি বাহিনী আমরা তৈরি করতে যাচ্ছি নতুন বাহিনীতে পুরাতন বোতলেই যদি আবার নতুন করে কোন কিছু দেওয়া হয় তাহলে যেমন হবে এমন হবে কিনা বিষয়টা একটু ভাবার জন্য আমি অনুরোধ করব মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের যারা গবেষণা করে টিআইবি তারা মনে করে এবং যারা বাহিনী নিয়ে ভাবেন তারা মনে করেন যে এই বাহিনী আরো চুলচেরা বিশ্লেষণ না করে শুধু নাম পরিবর্তনের মাধ্যমেই একটি সমস্যার সমাধান হবে না যেই র্যাব টাকা খেয়ে মানুষ হত্যা করে যেই র্যাব আয়না ঘরে লোক রাখে যেই র্যাব বিনা কারণে মানুষকে তুলে নিয়ে যায় যেই র্যাব ওয়ারেন্ট ছাড়া মানুষ এরকম একটা বাহিনী যদি আবার নতুন করে তৈরি হয় শুধু নাম পরিবর্তনের মতো তাহলে কোন লাভ হবে না আমরা বাংলাদেশের ইতিহাসে দেখেছি অনেক ব্রিটিশ আমলের একটি বাহিনী বিডিআর এই বিডিআর বাহিনীকে বিজিবি করা হয়েছে কিন্তু যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থায় আছে আমরা দেখলাম পুলিশ বাহিনীর পোশাক পরিবর্তন হলো কিন্তু ক্যারেক্টার যে অবস্থায় ছিল সেই অবস্থায় থাকলো তাহলে মৌলিক যে বিষয় সেই বিষয়টুকু আমাদের হাত দেওয়া উচিত মাননীয় স্পিকার যদি সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অথবা সরকারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য কোন বাহিনী তৈরি হয় তাহলে সেটা জাতির জন্য ভালো কিছু হতে পারে না এজন্য এই বাহিনী এসআরবি তৈরির আগেই আমি এটাকে ভালো করে যাচাই বাছাইয়ের জন্য বিনীত অনুরোধ করতে চাই মাননীয় স্পিকার এই বাহিনী সদস্যরা যদি অপরাধ করেন সেই অপরাধটা কিভাবে যাচাই হবে এই বাহিনী তাদের চলার পথে যদি কোন অন্যায় করেন সেটা কি হবে এই বাহিনীর কার্যক্রম কার্যক্ষমতাটা কি সেই বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিচার হয়নি বলে আমার মনে হয় এই কারণে এই বিলটা পাস করার আগে জনমতা যাচাইয়ের জন্য আমি দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমি শুরুতেই বলতে চাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য একটি দক্ষ এবং বিশেষায়িত বাহিনী আমাদের খুবই প্রয়োজন কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে র্যাবের নাম পরিবর্তন করে এসআরবি করলেই কি আমাদের সেই কাঙ্খিত সংস্কার এবং যেটা আমাদের চাহিদা সেটি বাস্তবায়ন হবে মাননীয় স্পিকার এই বিলের সবচেয়ে দুর্বলতা আমি এখানেই দেখছি র্যাবের জনবল সম্পদ নথিপত্র স্থাপনা দায়দেনা প্রায় সবকিছুই কিন্তু এসআরবি হস্তান্তর করা হবে বা এই প্রস্তাব রাখা হয়েছে তাহলে আমার প্রশ্ন হচ্ছে পরিবর্তনটা আসলে কোথায় হচ্ছে শুধু নামের পরিবর্তন নাকি কাঠামো এবং জবাবদিহিতার পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে আমরা র্যাবের অতীত নিয়ে অনেক অভিযোগ শুনেছি এবং এখানে সেটি বিস্তর আলোচনা করা হয়েছে গুম হেফাজতে নির্যাতন আইনে আটক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়গুলো আমাদের সামনে এসেছে আমি মনে করি নতুন একটি বাহিনী করতে হলে অতীতের এইসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়াটাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এই জায়গায় আমার আপত্তি হলো অভিযোগের তদন্ত বা এই তদন্তের জন্য যে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে সেটিকে আরো স্বাধীন করা প্রয়োজন যে বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই বাহিনীর প্রভাবমুক্ত একটি অভিযোগ তদন্ত ব্যবস্থা না থাকলে আলটিমেটলি সাধারণ মানুষ কিভাবে আস্থা পাবে আমি মনে করি এখানে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপ্রতি মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি স্বাধীন তদন্ত অভিযোগ ব্যবস্থা জোরদার করা দরকার বা নিশ্চিত করা দরকার। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ। একজন মানুষকে গ্রেফতার বা আটক করার পর সে কোথায় যাচ্ছে? সেই জায়গাটা স্পেসিফিক ভাবে নজরদারিতে আনার জন্য পূর্ণাঙ্গ রেকর্ড থাকা দরকার কোন মানুষ যেন রাষ্ট্রের হেফাজতে গিয়ে অদৃশ্য না হয়ে যায় বা যে ভয়ঙ্কর দৃশ্যগুলো ঘটেছে সেগুলোর যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে একইভাবে রেগ রেগের পুরনো সব অপারেশন রেকর্ড কাস্টোডি রেজিস্টার সিসিটিভি ফুটেজ অস্ত্রের রেকর্ড সহ গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরক্ষণ করতে হবে কারণ বাহিনীর নাম পরিবর্তন হতে পারে কিন্তু অতীতের দায় মুছে দিতে দেওয়া যাবে না কোনভাবেই মাননীয় স্পিকার আমরা শক্তিশালী বাহিনী চাই কিন্তু সেই শক্তি হতে হবে আইনের মাধ্যমে জবাবদিহিতার মাধ্যমে এবং জনগণের অধিকার রক্ষার বিষয়টি এখানে সবচেয়ে ফোকাস পয়েন্ট সেটি হলো আমাদের জন্য মূল বিষয় তাই আমার অনুরোধ থাকবে এই বিলটি শুধু র্যাবের নাম পরিবর্তনের আইন না হয়ে সত্যিকারের সংস্কারের আইন হোক প্রয়োজনে সংশোধনী এনে একটি দক্ষ জবাবদিহিতামূলক এবং মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা হোক এ লক্ষ্যে বিলটির উপর জনমত যাচাই এবং বাছাইয়ের প্রস্তাব করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল 2026 এ ব্যাপারে আমি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সেখানে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছি এবং বিস্তারিত লিখিতভাবে আমি সেখানে প্লেস করেছি। এরপরও আমি মনে করি যে সংসদে এ বিষয়ে আমার বক্তব্য তুলে ধরা উচিত। কোন পরামর্শ ছাড়াই এত বড় একটা বিল যেটি যে র্যাবের প্রতি আমাদের আতঙ্ক আছে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং গোটা বাংলাদেশে গুম এবং খুনের একটা নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই ধরনের একটা বিল এই ঝুঁকিপূর্ণ বিলটিকে কোন ধরনের আলোচনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে মাত্র চার কর্মদিবসের মধ্যে এটিকে পাশ করার জন্য এখানে নিয়ে আসা এটা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না আমরা চাই যে স্টেট যারা এখানে ভুক্তভোগী আছে ফৌজদারি আইনজীবী যারা আছেন মানবাধিকার কমিশন আছেন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার যে সমস্ত সংস্থা আছে এসব কিছু মিলিয়ে বিচারিক আদালতে যারা ভূমিকা পালন করেছেন সবার মতামত প্রয়োজন এবং অধিকতর আলোচনা করে বিলটিকে সংসদে নিয়ে আসার জন্য দরকার ছিল এটি আমাদেরকে দাবি ছিল। দুই হচ্ছে র্যাব থেকে এসআরবিতে হস্তান্তরের সময় তাদের রেকর্ড পত্র কিভাবে সুরক্ষিত হবে এই আইনে এই সুরক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা রাখা হয়নি। আমরা যেটি মনে করি যে ধারা 24 এ যে কমিটি গঠন করা হয়েছে অভিযোগ প্রতিকারের জন্য এসআরবির বিরুদ্ধে আসলে এই কমিটি অভিযোগের প্রতিকার করার মত সামর্থ্য রাখে কিনা কোনভাবেই সামর্থ্য রাখে না কারণ উইথ ইন ব্যাটালিয়ন অভিযোগ প্রতিকারের জন্য কমিটি করা হয়েছে এর বাইরে আসলে স্বাধীন বিচার বিভাগের একজন সাবেক বিচারপতির নেতৃত্বে একটা সামগ্রিকভাবে একটা কমিটি গঠিত হওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি মামলা আদালতে যাওয়ার আগেই এসআরবির কাজ এসআরবির কাজ কে তদারক করবে সেই ব্যাপারে কোন সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই কারণ মামলায় যাওয়ার আগে আদালতে যাওয়ার আগে অনেকগুলো প্রক্রিয়া আছে সেই প্রক্রিয়া কারা নিয়ন্ত্রণ করবে সে ব্যাপারে এখানে কোন নির্দেশনা নেই এসআরবির কোথায় একজন ব্যক্তিকে আটক রাখবে সেই ব্যাপারেও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। এসআরবি যতগুলো স্থাপনা থাকবে অফিস থাকবে কার্যালয় থাকবে সেগুলোর সেগুলোর গেজেট হওয়া দরকার এবং সেখানে কতক্ষণ থাকবে অনতি বিলম্বে বলা হয়েছে অনতি বিলম্বেটা কতদিন সেটিও নিশ্চিত হওয়া দরকার। ছয় হচ্ছে প্রেসনে আসা কর্মকর্তা তখন যখন পুলিশের ভূমিকা রাখবেন তখন কিভাবে সেটি প্রয়োগ করবেন তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকার করবেন।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আলহামদুলিল্লাহ সালাতু সালাম আলা রাসুলুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার 2014 সালের মে মাস নারায়ণগঞ্জে যেই নেককারজনক সাত খুনের ঘটনা ঘটলো সে ঘটনার পরে র্যাব স্কোয়াডকে কিলিং স্কোয়াড আখ্যা দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি র্যাবের বিলুপ্তির দাবি জানান। সংস্কার নয় সরাসরি বাহিনীর বিলোপ দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে 2019 সালে তিনি র্যাবকে ক্যান্সার আখ্যায়িত করেছিলেন। তখন তিনি র্যাবের বিলুপ্তির দাবি করেন এরই ধারাবাহিকতায় 2024 সালে ডিসেম্বরে বিএনপি পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাছে র্যাব বিলুপ্তির আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেন এই সংসদে মাননীয় স্পিকার মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ র্যাব বিলুপ্তির যা দাবি জানিয়েছিলেন রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও গুম কমিশন ও র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল এখানে আমরা কি দেখছি মাননীয় স্পিকার 27 বিলের 27 ধারায় যেটা বলা হয়েছে র্যাবের জনবল কার্যালয় ক্ষমতা নথিপত্র সম্পদ চুক্তি দায়-দায়িত্ব সরাসরি এসআরবি নতুন বাহিনীর কাছে চলে যাবে অর্থাৎ শুধু সাইনবোর্ডটাই চেঞ্জ হচ্ছে নতুন বোতলে পুরানো মদ র্যাবের নাম ছাড়া আর কোন কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না সব ঠিক থাকছে মাননীয় স্পিকার এতে গুম গুমের অপরাধ সহ অনেক অপরাধের মামলা এবং তদন্ত ঝুঁকির মুখে পড়বে। মাননীয় স্পিকার আরো ত্রুটি রয়েছে সাত দফা আমরা লিখিতভাবে দিয়েছিলাম এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যেটা জবাবদিহিতার যে ব্যবস্থা এটা অত্যন্ত ক্ষতিপূর্ণ। এই নতুন যে বাহিনী প্রস্তাব করা হয়েছে এসআরবি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ যেটা আসবে সেটা দেখার জন্য যিনি চেয়ারম্যান হবেন তিনি হলেন এসআরবিএ একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক কমিটির স্বাস্থ্যিক দায়িত্ব থাকবেন একজন পরিচালক অর্থাৎ যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই বাহিনীর সেই বাহিনী সেই বাহিনীর চেয়ারম্যান অর্থাৎ কমিটির চেয়ারম্যান হবেন সেই বাহিনীর ব্যক্তি স্বাস্থ্যিক দায়িত্ব তাদের হাতে নিয়োজিত থাকবে আর কি এখানে বিষয়টা হলো মাননীয় স্পিকার সাধারণ যেই স্ট্যান্ডার্ডটা পুলিশ বাহিনীতে মেনটেন করা হয় সেটা এখানে মেনটেন করা হচ্ছে না একটা থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে তদারকি করা হয়। কিন্তু এখানে সেটাও মেইনটেইন করা হচ্ছে না। আমাদের যেটা প্রস্তাব ছিল সেটা হলো এসআরবির বাইরে স্বাধীন ব্যক্তির হাতে এই এই বিষয়টা এই তদন্তের ভারটা দিতে হবে। অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, ফৌজদারি আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী এবং এবং সাংবাদিকদের এখানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মাননীয় স্পিকার, আমরা এসব আপত্তি লিখিতভাবে দিয়েছি। সেগুলো সংসদীয় সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে আছে। কিন্তু বিলের মূল কাঠামোতে কোথাও এগুলা পরিবর্তন আনা হয়নি। আমাদের যেটা দাবি একটি দক্ষ বিশেষজ্ঞায়িত বাহিনীর বিরুদ্ধে আমরা না। কিন্তু এটার যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, যে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা এটা ঠিকমত না রেখে শুধু পুরান বোতলে নতুন মদ, শুধু সাইনবোর্ড চেঞ্জ করলে এটার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না। আমাদের আন্তর্জাতিক যে অবলিগেশন
মাননীয় মাননীয় মাননীয় বিরোধী দলের নেতা এখানে বেসিক্যালি লিস্টে এসেছে লেখা ঢাকা 188 আমি একটা আট বাদ দিয়ে 18 তে এসেছি আমি দুঃখিত 15 লিস্টে বোধহয় ওইখান থেকে দেওয়া হয়েছে আপনাদের ওখান থেকেই
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এই বিলটি জাতীয় জীবনে অন্য 10 টি বিলের মত নয় সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিল রেপ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে এই জাতির সামগ্রিক অভিজ্ঞতা সুখকর নয় তার কিছুটা ইতিবাচক দিক থাকলেও নেতিবাচক দিক এত বেশি ছিল যে এটা গোটা বিশ্বকে চিন্তিত করে ফেলেছিল আমাদের এই হাউসে আমি বিশ্বাস করি রেবের হাতে ভুক্তভোগী অনেকেই আছেন আমি নিজেও। তবে আমি তো বেঁচে আছি। কিন্তু করুণভাবে জীবন দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন কিংবা ঘুমের শিকার হয়ে কোথায় আছেন কেউ জানে না। রেবের হাতে ঘুমের শিকার হয়ে ফিরে আমার সম্মানিত সহকর্মী সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম এখানে আজকে সংসদ সদস্য হয়েছে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে আমাদের একজন সহকর্মী আছেন মারজিয়া বেগম তার স্বামী একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক মানবিক ডাক্তার হিসেবে যার সুপরিচিতি অত্যন্ত সকলের কাছে ছিল রাত 12 টার সময় তাকে স্বয়ং কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে ছাদের উপর নেওয়া হলো তার উপর অমানবিক নির্যাতন হলো তারপরে আস্ত জিতা মানুষটাকে ছাদের উপর থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হলো চোখের সামনেই তার এই করুণ অবস্থা তার পরিবারের সদস্যরা প্রত্যক্ষ করেছে শুনে আমাদের হৃদয় ভেঙ্গেছে যারা দেখেছেন তাদের অবস্থা কি ছিল আল্লাহ ভালো জানে এই বাহিনীটা বিলুপ্তি ছিল সকলের দাবি এখানে নাজিবুর রহমান তিনি বলেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বারবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো কথা বলেছে এটা বিলুপ্ত করে আরেকটা বাহিনী গঠনের দাবি কিন্তু কারোই ছিল না। শুধুই বিলুপ্তির দাবি ছিল। কিন্তু আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি যে সরকারি তরফ থেকে ঠিক একই ধরনের আরেকটা বাহিনী বিল্ডআপ করার দাবি নিয়ে আসা শুধু হয়নি হুবহু বাহিনীটাকে জায়গায় রেখে সবকিছু জায়গায় রেখে একটা প্রস্তাবনা নিয়ে আসা হয়েছে আমি জাস্ট পাঁচ দিন আগের ঘটনা বলতে চাই যখন এই বিলটি আলোচিত হচ্ছে তখন এই ধরনের একটা বিস্ময়কর ঘটনা এই একই বাহিনীর দ্বারা ঘটেছে এবং এটি পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক ছাত্রী তাকে তার বাসা থেকে তুলে নেওয়ার জন্য আসা হয়েছে সেখানে কোন সার্চ ওয়ারেন্ট ছিল না যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন
যদি তারা তর্ডিকল্ডি করে দৌড়ে না আসতেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাহলে কিন্তু মেয়েটাকে নিয়ে যায় হতে পারে এই মেয়েটা কোন সামাজিক অপরাধ করেছেন অথবা করেন নাই এটা আমরা জানি না কিন্তু এই ঘটনা আমাদেরকে কি বার্তা দিচ্ছে বার্তা দিচ্ছে যে বাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত সদস্যদের কোন ধরনের বুধোদয় হয়নি তারা আগে যেমন ছিলেন এখনো তেমনই আছেন সেই একই বাহিনীর লোকেরা একই জায়গায় হস্তান্তর হচ্ছে কোথায় স্থানান্তর তাদের স্থাপনা যা আছে তাই থাকবে লজিস্টিক যা আছে তাই থাকবে ম্যানপাওয়ার যা আছে তাই থাকবে তাই তো কোন কিছু স্থানান্তর হলো না শুধু একটা নাম বদলায় আরেকটা নাম আসলো আগে কটাই ছিল এখন মজর হবে এর বেশি কিছু না এটা তো এই জাতি চায় না আমি পুঙ্খানুপুঙ্খ এই বিলটা পড়েছি আমাদের তরফ থেকে যে নোট অফ ডিসেন্ট স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া হয়েছে তাও আমি দেখেছি আমি এই বিস্তারিত টা না যে আমি বিলটি উত্থাপনকারী সম্মানিত সদস্যকে অনুরোধ করব রেবের জন্ম হয়েছিল উনাদের হাতে যখন উনারা সরকারে
ঠিক আছে জুট সরকারও মেনে নিলাম সমস্যা নাই আমাদের লুৎফুজ্জামান বাবর সাহেব তখন স্বরাষ্ট্র প্রতিনিধি মন্ত্রীর দায়িত্বে এবং তিনি সুচারুর পেশে দায়িত্ব পালন করেছেন আমার যতটুকু মনে হয় যে রেবের হাতে জাতীয়তাবাদী দল সবচাইতে বেশি নিগ্রহিত হয়েছে এরপরে আমরা হয়েছি জাতি হয়েছে জাতির কোন অংশ বাদ যায় নাই এটা সংগত কারণে এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সামনে আসার পরে বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি থেকে আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে সবাই উদ্বিগ্ন আমরা অনুরোধ করব এই সেশনে এই বিলটা পাস করার দরকার নেই এটা নিয়ে স্টেক হোল্ডারের সাথে আরো কাজ করা হোক আরো গভীরভাবে চিন্তা করা হোক কেন এমন একটি বাহিনীর প্রয়োজন তার যথার্থতা আরো বেশি পরিষ্কার হয়ে আসুক জাতি অনুভব করুক যে ধরনের একটা স্পেশালাইজড ফোর্স আমাদের লাগবে জাতি কনভিন্স হোক আদারওয়াইজ গোটা জাতি এইটাকে স্বাভাবিকভাবে নিবে না এবং বিশ্ব সম্প্রদায় তারা যে আপত্তি উত্থাপন করেছিল দাবি জানিয়েছিল এটা গঠনের মধ্য দিয়ে এই বাহিনী গঠনের মধ্য দিয়ে সেই দাবি পূরণ হবে না বরঞ্চ আমরা অবস্থায় থেকে যাব যদিও এখানে ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে কিছু বাধ্যবাধকতা আনা হয়েছে কিন্তু মৌলিক জায়গায় কোন কিছুই হয়নি মৌলিক জায়গাগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে আমার অপরাধ আমি তদন্ত করব এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা এই আইনের আমি মনে করি যে এই আইনটা কোন অবস্থায় পাশ করা উচিত না এবং এই আইনটা ফ্রি দিয়ে নেওয়া দরকার জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটা উদাহরণ তৈরি হোক যে সরকারি দল জনগণের এই সেন্টিমেন্টের প্রতি এবং বাস্তব অভিব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাকে তারা এটা প্রত্যাহার করবেন পরবর্তী পর্যায়ে চিন্তাভাবনা করে আনতে হলে তারা আনবেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার 2004 সালের 26 শে মার্চ তৎকালীন দেশমাতা আমাদের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই র্যাব গঠন করেছিলেন মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এর মহান উদ্দেশ্যে র্যাব গঠন করা হয়েছিল তখন র্যাব গঠন করার পর দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী নির্মূল পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছিল র্যাবের নাম শুনলে কোন সন্ত্রাসীরা রাস্তায় নামতো না কিন্তু পরবর্তীতে বিগত সরকার এই র্যাব নামের প্রতিষ্ঠানকে র্যাব করা হয়েছে এনো অন্যায়মূলক কাজ নাই ঘুম খুম হত্যা পয়সার বিনয় মানুষ খুব যত রকম অপকর্ম আছে সব এই বেহেন দ্বারা করা হয়েছে।
বিএনপি জামায়াতে ইসলামী যেই দল বলেন দাড়িওয়ালা মাদ্রাসার ছাত্রদের দেখে নিয়ে দিনে দুপুরে ক্রসফায়ার দিয়ে মেরে ফেলেছে তাদের জঙ্গি উদাহরণ দেওয়া হয়েছে বিএনপির নেতাকর্মীদের গুম করা হয়েছে এই হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য আমাদের প্রধানমন্ত্রী পূর্বের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য এই নাম পরিবর্তন করার যে প্রস্তাব করেছে আমি তার সমর্থন করি পাশাপাশি এই বাহিনী যেটা গঠন করা হবে এটা পূর্বের ন্যায় ঠিক আবার এই কাজ না করে সেই দিকে সজাগ দৃষ্টি রেখে একটি সুন্দর আইন করা হোক র্যাবের অধিদপ্তর ফিরিয়ে আনা হোক শুধু নাম পরিবর্তন করলেই হবে না তাদের কার্যক্রমও পরিবর্তন করতে হবে। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানা চাই যে আবার র্যাবকে পূর্ণ গঠন করে একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী 2004 সালে যে বাহিনী হয়েছিল যাতে সেই ভূমিকা রাখে সেই ব্যবস্থা যাতে করা হয়। র্যাব যাতে দলীয় কাজে দলীয়করণে আর ব্যবহার না হয় সে ব্যবস্থা করবেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
বাই দিস টাইম আপনিও দাঁড়িয়ে গেছেন আমি চিফ হুইপ মাননীয় চিফ হুইপ আপনি আলাদা করলে আমি বসে যাই। ঠিক আছে বসেন তাহলে। জি মোহাম্মদ লুৎফুজ্জামান বাবর নেত্রকোনা চার ধন্যবাদ মাইকটা একটু দিবেন প্লিজ।
তিনি আমার নামটা নিয়েছেন র্যাব সংগঠনের আমি যখন মাননীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব ছিলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে এখানে আমি এটুকু বলতে চাই মাননীয় বিরোধী দলের সদস্যগণ তিনেরা অতি ইমিডিয়েট যে সমস্যাগুলো সেটাই দেখছেন গত বিগত 15 বছরের দুঃশাসন প্রতীক সরকারের সেটি উনাদের চোখের সামনে আছে কিন্তু এর পূর্বে যে প্রতীক সরকার যখন বিরোধী দলের ছিলেন 19 ট্রাম্প কার্ড তখনকার সময় জলিল সাহেব বলেছিলেন 17 আগস্ট যে সিরিজ বোমা হামলা হয়েছিল বিভিন্ন শীর্ষ সন্ত্রাসীদেরকে ধরা হয়েছিল চাঁদাবাজ এবং বিভিন্ন স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে র্যাব কাজ করেছে এবং র্যাবের প্রতিটা সব সময় বিভিন্ন জায়গায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছিল আমার মনে হয় সেটা আমাদের সম্মানিত বিরোধী দলের সদস্যগণ ভুলে গেছেন এখন আমাদের র্যাবের মত একটা সংগঠন এই দেশের অত্যন্ত প্রয়োজন এই কারণে প্রয়োজন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সততার সাথে নিষ্ঠার সাথে র্যাব কার্যক্রম অতিথি করেছিল সেই সময়কালে তখনকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তিনার নির্দেশে এক ঘন্টার জন্য বিরোধী দলের কোন রাজনৈতিকভাবে র্যাবকে পরিচালিত করা হয়নি এবং এখনো এ ব্যাপারে বেশ কিছুদিন আগে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার যখন কথা হয়েছিল উনি তখন বলেছিলেন র্যাবকে আমার বিলুপ্ত করা করতে হবে কিন্তু আমি উনার সাথে যতক্ষণ অনেকক্ষণ আর্গুমেন্ট করেছিলাম যে র্যাবকে বিলুপ্ত করাটা ঠিক হবে না। পরবর্তীতে আমার সাথে উনার কথা হয়নি কিন্তু আমি বুঝি র্যাবের মত একটা সংগঠন দরকার সেই কারণে হয়তো র্যাবের পরিবর্তে এসআরবি নামে যেটা সংগঠনটা আসছে এটা প্রয়োজন এখনো বিভিন্ন খানে বোমা হামলা হচ্ছে বোমা হামলা বিভিন্ন বোমা আসছে পত্রপত্রিকাতে আপনারা দেখছেন এবং আমাদের পার্শ্ববর্তী যেকোনো একটি দেশ বিভিন্নভাবে বিভিন্ন রকম প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে এবং অতীত করেছিল এবং এই কারণে র্যাবের মত একটা সংগঠন র্যাবের মতো একটা সংগঠন প্রয়োজন। এখন এখানে প্রশ্ন আছে র্যাবের যে দুষ্কর্মের কথা। সেটা তো আমরা সেটা যদি আপনি বলেন সবচেয়ে বড় ভিক্টিম আমি। আমিকে যখন 28শে মে 2007 সালে ধরে নিয়ে যায় তখন একটা মিথ্যা অস্ত্র দিয়ে আমাকে ধরে নিয়ে যায়। সেই অস্ত্রের সাক্ষী ছিল একজন র্যাবের কমান্ডার সেটাকে আমি অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে চাই কিন্তু সেই সময় এটার আসল জিনিস হচ্ছে যিনি আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী থাকবেন বা যে আমাদের সরকার থাকবেন সেই সরকার প্রধান বা মন্ত্রী যেখানে কথা দিচ্ছেন যে রেপকে মানে এই এসআরবিকে সেইভাবে চালু করবেন সেটার ব্যাপারে আমি বলতে চাই আপনাদের বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দকে আমি আশ্বস্ত করতে চাই ইনশাল্লাহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনাকে আশ্বস্ত করে এই সংগঠনটা হওয়া প্রয়োজন দেশের জনগণের স্বাধীনতা স্বার্থে এবং এটা অত্যন্ত প্রয়োজন অনেক কিছু আছে যেটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গোপনতার স্বার্থে আমি হয়তো বলতে পারছি না কিন্তু এটা অত্যন্ত প্রয়োজন বর্তমান অবস্থা যে পুলিশ ভাই নিয়ে আছেন।
নেতৃত্ব বিরোধী দলীয় নেতৃত্ব মাননীয় সদস্যদেরকে বলবো এই মুহূর্তে আপনারা এটাকে এলাও করেন আমাদের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন পরবর্তীতে যেকোনো উনাদের পক্ষ থেকে যদি আপনাদের পক্ষ থেকে যেকোনো কারেকশন থাকে সেটা উনি এমেন্ডমেন্ট করে দিবেন আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্যবৃন্দ এবং মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আলোচনা অংশগ্রহণ করার জন্য মাননীয় স্পিকার আপনার স্মরণে আছে এই বিলটা যখন উত্থাপন করি তখন মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা একটা প্রস্তাব করেছিলেন যে এটা আমি ভালোভাবে আমরা দেখতে চাই এটা আমরা আলাপ আলোচনা করে স্থায়ী কমিটির মিটিংটা একটু দেরি করে দেন এবং আমরা চার কার্যদিবস প্রস্তাব করেছি মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আমি এখান থেকে তিন দেখাইছিলাম উনি চার দেখাইছেন চার কার্যদিবস এর আগে ফ্রাইডে স্যাটারডে ছিল তারা যথেষ্ট করেছেন সেটা আপনি রিপোর্টটা দেখলেই বুঝতে পারবেন এখানে যে সংশোধনীটা নিয়ে এসেছে স্থায়ী কমিটির রিপোর্টে সেকশন টেনে জতে এই সংশোধনীটা মাননীয় বিরোধী দলের সদস্যদের প্রস্তাব মতেই আমরা নিয়েছি তারা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন তার পরের দফায় যে সংশোধনীটা এটা হচ্ছে ক্লারিক্যাল মিস্টেক উপধারা দুই এর মধ্যে একটা ব্র্যাকেট বন্ধ এইটুকু এরপরে গণতন্ত্রের চর্চা হয়েছে মাননীয় স্পিকার তারা দীর্ঘ নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছেন এক দুই তিন চার পাঁচ ছয় সাতটা এক একটা নোট এক পৃষ্ঠা দেড় পৃষ্ঠা অনেক দীর্ঘ আমি এই নোট অফ ডিসেন্ডের উপরে আগে একটু কথা বলি তারপরে জনমত যাচাই-বাছাই এর উপর যে সমস্ত বক্তব্য এসেছে তার উপরে কথা বলব নোট অফ ডিসেন্ডে প্রথমে তারা লিখেছেন কোন পরামর্শ ছাড়াই এত দ্রুত বিলটি পাস করা ঝুঁকিপূর্ণ মাননীয় স্পিকার আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল 24 এর গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার প্রতিশ্রুতি ছিল র্যাব বিলুপ্ত করা হবে এবং আমাদের নির্বাচন ইশতেহারে ছিল সকল পক্ষের দাবি ছিল র্যাব আমরা বিলুপ্ত করছি এখন এই বিল যতই বিলম্বিত হবে র্যাব কিন্তু অস্তিত্ব ঠিকই রয়ে যাবে র্যাবই রয়ে যাবে এখন মাননীয় বিরোধী দলীয় সদস্যগণ কি তাই চান দ্বিতীয় হচ্ছে আলোচনা পরামর্শ প্রথম সেশন থেকে আমরা এর উপর বক্তব্য রাখছি দ্বিতীয় সেশন হয়েছে তৃতীয় সেশনে আমরা এটা ক্যাবিনেটে বিলটা যখন বিবেচনার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তার আগের যে কর্মপদ্ধতি সেই পদ্ধতি অনুসারে আমরা এটা ওয়েবসাইটে দিয়েছি মন্ত্রণালয়ের সেটা নিয়ম দীর্ঘদিন ওয়েবসাইটে ছিল বিলটা এখানে উত্থাপনের পরে আমরা এই চার পাঁচ কার্য দিবসে আমরা সেটা আলোচনা করেছি স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছি বাইরের স্ট্রাইক হোল্ডারদের আমরা বিভিন্ন মতামত ওয়েবসাইটে পেয়েছি সবগুলো কন্টেন্ট করেছি সুতরাং আলোচনা হয়েছে পরামর্শ হয়েছে দুই রেপ থেকে এসআরবিতে হস্তান্তরের সময় রেকর্ড কিভাবে সংরক্ষিত থাকবে মাননীয় স্পিকার আপনি বিশিষ্ট আইনজীবী রেকর্ড হস্তান্তরের বিষয়টা এটা হচ্ছে একটা প্রসিডিউরাল ম্যাটার এখানে এই বিষয়টা উত্থাপনের কোন সুযোগই নাই রেকর্ডটা বিধি অনুসারে রাখা হয় দ্বিতীয় হচ্ছে তৃতীয় ধারা 24 এর কমিটি কে এসআরবির বিরুদ্ধে অভিযোগ ঠিকভাবে তদন্ত করতে পারবে? মাননীয় স্পিকার ধারা 24 টা আমি আমার বন্ধুদের দেখতে বলবো। ধারা 24 হচ্ছে অভিযোগ
আটার মত লেগে গেছে অনেক সময় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠন ইত্যাদি ভিতরে তো আছে ইউনিটের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তি বাইরের কোন লোক দায়রা উত্থাপিত অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের আভ্যন্তরীণ সংকোপ নিরসনের জন্য এই কমিটি এটা কোন ক্রাইমের ক্ষেত্রে না অভিযোগটা হচ্ছে কোন প্রাইভেট ইন্ডিভিজুয়াল এই এসআরবির কোন সদস্য এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে অথবা এসআরবিরই কোন সদস্য যদি আভ্যন্তরীণ উইথ ইন দ্যা ব্যাটালিয়ন কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা বিচারের কর্মপদ্ধতির জন্য একটা কমিটি গঠন। সেই জায়গায় এডমিনিস্ট্রেটিভ সেই জায়গায় হেড করা হয়েছে ওই ইউনিটেরই এডি এডিশনাল আইজি র্যাঙ্কের একজন যিনি থাকবেন ডিজি তাকে এখানে মাননীয় সদস্যগণ প্রস্তাব করেছেন যে হাইকোর্টের একজন বিচারপতি হলে কেমন হতো এটা তো ডিপার্টমেন্টাল এডমিনিস্ট্রেটিভ উইথ ইন দা ফোর্স সেই ডিসিপ্লিন ব্রেক করলো কিনা তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আসলে সেটা এখানে হাইকোর্টের বিচারপতিকে করার কোন সুযোগ নেই আর হাইকোর্টের বিচারপতিকে যদি হেড করে তাহলে এডিশনাল আইজি প্রধান হিসেবে তার নিচে থাকে ডিপার্টমেন্টাল বিষয় কিন্তু আপনারা আসলে যেটা মেন করতে চেয়েছেন সেটা হচ্ছে কোন ক্রাইমের ক্ষেত্রে যদি এই বাহিনীর সদস্যগণ কোন ক্রাইম করে থাকে এই অভিযোগ সেই অভিযোগ না ইট ইজ আন্ডার সেকশন 21 ইউনিটের সদস্য কর্তৃক সংগঠিত শৃঙ্খলা লঙ্ঘন ধারা 17 তে বর্ণিত শৃঙ্খলা ব্যতীত যেটা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন যেটা বলি আমরা সিভিল সার্ভিসে যেটা বলা হয় সার্ভিস এন্ড ডিসিপ্লিন রুলস অনুসারে যেটা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেটার মতোই এখানে 17 তে উল্লেখ করা আছে কোন কোন গুলো ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন হবে যেমন কর্তব্য পালনকালে মাতাল থাকলে নেশাগ্রস্ত থাকলে কারো উপরে কোন কর্তব্যরত সদস্যকে আঘাত করলে পেট্রোল ডিউটিতে না গেলে ছুটি ছাড়া উপস্থিত অনুপস্থিত থাকলে ইত্যাদি আইনসঙ্গত কোন কাজ করতে অস্বীকার করলে ইত্যাদি এখন এগুলো হচ্ছে ডিসিপ্লিনারি একশন বা ইনডিসিপ্লিন হওয়ার জন্য যে একশনটা নিবে সেটা এভাবে নির্ধারণ করা আছে একদম সেকশন ওয়াইজ 18 19 20 21 এটা তবে বলছে যদি কোন মেম্বার ক্রাইম করে থাকে সেটা এখানে 21 আছে ধারা 17 এ বর্ণিত শৃঙ্খলা ব্যতীত ইউনিটের সদস্য কর্তৃক অন্য কোন শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হইলে তাহার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। ক্লিয়ার আর অন্য বিষয়গুলো এখানে এড্রেস করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না যেহেতু আপনারা দিয়েছেন সেজন্য বলছি কোন মামলা বিচারে যাওয়ার আগে এসআরবি দৈনন্দিন কাজ কে দেখবে? সিআরপিসি ফলোড হওয়া এখানে প্রত্যেকটা জায়গায় বলা আছে একর্ডিং টু ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোড এই আইনটা পরিচালিত হবে। তো সেটা তো ডিটেইল করা আছে মাদার লতে প্যারেন্ট লতে প্রত্যেকটা আইনে সিআরপিসি পুরাটা কন্টেইন করা হয় না। শুধু উল্লেখ করা হয় সিআরপিসি এবং এভিডেন্স এভিডেন্স এক্ট টু বি ফলোড। এরপরে লেখা আছে গ্রেফতারের পর কোথায় যাবে আপনাদের এই নোট অফ ডিসেন্ট গ্রেফতারের পর অভিলম্বে নিকটবর্তী থানায় যাবে এটা তো বলাই আছে সিআরপিচি অনুসারে এখানে প্রত্যেকটা ধারায় বলা আছে যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সুপর্দ ও আলামত হস্তান্তর এখানে লেখা আছে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জব্দকৃত আলামত অনতি বিলম্বে নিকটবর্তী থানা কর্তৃপক্ষের হেফাজতের সুপর্দ বা হস্তান্তর করিবেন এবং এতৎ সংক্রান্ত প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন মাননীয় স্পিকার এই আইনটা যদি আমার বন্ধুরা বলে এটা ইট ইজ এ রিপ্লেসমেন্ট অফ র্যাব। ইটস টোটালি রং। র্যাব আমরা বিলুপ্ত করেছি। আজকে আইন যদি পাস হয়। তারপরে আমরা একটা নতুন ব্যাটালিয়ন রেজ করছি। সেই ব্যাটালিয়নের নাম হবে এসআরবি। র্যাব এটার কোন সংস্পর্শ নাই আমাদের নেতৃত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা ঠিকই বলেছেন যে তিনি বলেছেন র্যাব বিলুপ্ত করবেন বিলুপ্ত করেছেন আজকে আইন পাশ করে দেন র্যাব বিলুপ্ত কিন্তু যদি আপনারা একটা কথা বলেছেন যে কি জিনিস আছে সমস্ত সহায় সম্পত্তি এই নতুন অর্গানাইজেশনের কাছে যাবে মাননীয় স্পিকার এগুলোকে নিলাম দিয়ে দেবো এত অস্ত্রশস্ত্র এত ইকুইপমেন্ট এত ইন্টেলিজেন্স ইকুইপমেন্ট এত তো সম্পদ এগুলো কোথায় যাবে কোথাও না কোথাও তো যাবে রাষ্ট্রের সম্পদ সেজন্য হস্তান্তর করতে হয় আইদার এপিবিএন এ যেত অথবা নতুন সংস্থাতে যাবে তো নতুন সংস্থা যখন আমরা রেজ করব এখানে তো আবার প্রকিউরমেন্ট করার দরকার নাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ আমাদেরকে রক্ষা করতে হবে এবং আমাদের প্রকিউরমেন্ট এখানে অর্থমন্ত্রী সাহেব আছে আবার যাতে আর্থিক কোন ব্যবস্থা না নিতে হয় অর্থবরাদ্দ না দিতে হয় অপচয় করব না আমরা এটাকে আমরা ব্যবহার করব প্রয়োজন এটাকে ইমপ্রুভ করব মাননীয় স্পিকার অন্যান্য বিষয়গুলো নোট অফ ডিসেন্টের গুলো আমার মনে হয় আমি এড্রেস করেছি এখানে বলছে বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকার করলে কি করবে কোন সদস্য মাননীয় স্পিকার এটা একটা লর জেনারেল প্রিজামশন হচ্ছে জুনিয়র ইজ সাপোজ টু ওবে অনলি দি ল ফুল অর্ডার অফ দি সুপেরিয়র। এটা তো আমাদের প্রিজামশন অফ ম্যাক্সিমাম অফ কি যেন বলে ইকুইটি। তাই না? বাকি প্রসঙ্গে এখন আসি তাহলে। এখানে এই আইনেও বলা আছে ল ফুল অর্ডার। হ্যাঁ ল ফুল অর্ডার তো বলা আছে। যেটা আমরা এমেন্ডমেন্ট নিয়েছি মানে স্পিকার সেকশন টেনে জতে সেটা আমার বন্ধুদের পরামর্শ মতোই আমরা এমেন্ডমেন্ট নিয়েছি যে আইনসঙ্গত অন্যান্য দায়িত্ব কার্যকর প্রদান এটা অবশ্য সরকার কর্তৃক অর্পিত আইনসঙ্গত অন্যান্য দায়িত্ব এবং একই সাথে 17 ওমোটা অবশ্য ডিসিপ্লিনের রিএকশন এখানে হচ্ছে এখানে ডিসিপ্লিনের একশনে বলা আছে উর্ধতন কর্মকর্তার আইনসঙ্গত আদেশ অবাধ্যতা প্রকাশ করেন বা অশুভ আচরণ প্রদর্শন করেন এখানে বেআইনি আদেশের কথা বলা হয় আইনসঙ্গত আদেশের কথা বলা হয়েছে মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্যগণ যারা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন তার মধ্যে প্রথম দুইজন রুহুল আমিন এমপি জনাব রাশেদ এমপি তাদের বক্তব্যে তেমন এখানে আইন বিষয়ে কিছু ছিল না আমাদের জনাব বুলবুল এমপি তিনি একই কথাগুলো বলেছেন যে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছেন তিনি জমা দিয়েছেন সেগুলোর জবাব আমি দিয়েছি এবং যথেষ্ট সময় দেয়া হয়নি সেটা তো জবাব দিলাম যে মাননীয় বিরোধী নেতা পরামর্শক্রমে চার কার্য দিবস আমরা ডিসাইড করেছিলাম আর সেকশন 24 সাবেক বিচারপতিকে ইনক্লুড করার বিষয়ে জবাব দিয়ে দিয়েছি বেআইনি আদেশের বিষয়ে কথা বলছেন জবাব দিয়েছি আমাদের বিজ্ঞ বন্ধু বারিস্টার নজীবুর রহমান সাহেব এমপি তিনি বলেছেন যে ম্যাডাম কমিটমেন্ট দিয়েছিলেন যে বিলুপ্ত করবেন সেটার জবাব দিয়েছি মালপত্র সম্পদ নতুন সংস্থায় না দিয়ে কোথায় দিব তার জবাব দিয়েছি আর কমিটির স্বাস্থ্যবিধি দায়িত্ব সেটা তো কমিটি বিষয়ে জবাবের মধ্যে হয়ে গিয়েছে এখন অন্যান্য বিষয়গুলো আমরা দিয়েছি সমাজের চাহিদা অনুসারে আমাদের এখন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা বক্তব্যের জবাব দিই র্যাব বিলুপ্ত চেয়েছিলেন কিন্তু কারো দাবি ছিল না আরেকটি সংস্থা করার ঠিক এটা তো সমাজের দাবি সরকারের পরিচালনার স্বার্থে চাহিদা এবং যোগোপযোগী করার জন্য আমরা কিছুদিন আগে জুয়া জুয়া সংক্রান্ত অপরাধ দমনের জন্য নতুন আইন আনি নাই 1867 সনের আইনটা পরিবর্তন করে বিলুপ্ত নতুন আইন আনি নাই সমাজের চাহিদা ছিল মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য মাদক জাতীয় মানে মাদক অপব্যবহার এবং মাদক সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা আনি নাই আইনটা সমাজের চাহিদা এবং আজকে বলে দিচ্ছি আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমরা পরামর্শ করেছি বাংলাদেশের যত অপরাধ এখন হচ্ছে কোন না কোন ভাবে সেটার সাথে সাইবার স্পেসের জড়িত থাকার একটা বিষয় রয়ে যাচ্ছে সমস্ত অপরাধের সাইবার স্পেস ব্যবহার করার প্রবণতা রয়ে যাচ্ছে। অতঃসঙ্গে আমরা সাইবার স্পেসের এই অপরাধ গুলো
দমন করার জন্য কোন কার্যকর আইন আনছি না সেজন্য আমরা আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া আছি সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মধ্যে আমরা একটা এমেন্ডমেন্ট নিয়ে আসার চেষ্টা করছি আর পুলিশ বাহিনীর অধীনে আরেকটা ইউনিট আমরা রেজ করব সেটার নাম হবে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট সেটা তো সমাজের চাহিদা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কারণে জননিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আনতে হয় আইন ইউনিট বাহিনী করতে হয় সেজন্য আমরা করছি এটার সাথে আরেকটা বিলুপ্তির কোন সম্পর্ক নাই র্যাব ডিজলভ হয়ে গেছে যদি আজকে আপনারা আইন পাস করে দেন আমরা যে নতুন বাহিনীটা রেজ করছি এই কারণে যে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নে এই আইনটা একটা সেকশন সিক্স এর আন্ডারে রেজ করা হয়েছিল র্যাব নামে এই সংস্থাকে ইউনিটি 2003 অথবা 4 সেই আইনটা পূর্ণাঙ্গ ছিল না একটা সেকশনের দিনে একটা ইউনিট কাজ করছিল এডক ভিত্তিতে করছিল দীর্ঘদিন কাজ করেছে ডিফেক্ট বেরিয়েছে সেজন্য আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন থেকে আমরা সেটা বের করে নিয়ে এসে বিলুপ্ত করতে চাই একই সাথে এই আইনের পরে আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনটা পাশের জন্য সেজন্য দিয়েছে এবং আইনটা ছিল 1979 এর আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স 1979 সেই আইনটা ইংরেজিতে ছিল কিছুতে অস্পষ্টতা ছিল সেই আইনটাও আমরা বঙ্গানুবাদ করে তাকে নতুন আইন হিসেবে নিয়ে আসছি এবং আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স টাকে আমরা রিপিল করে দিচ্ছি এবং রোহিতকরণ এবং হেফাজতকরণ সেকশনটা ওখানে আমরা রেখেছি সেইটা হচ্ছে যাহা এপিবিএন তাহা বাংলাতে এপিবিএন ওইটা বলতে পারেন যে এটা একই জিনিস রয়ে গেছে শুধু আমরা মডারনাইজ করেছি বঙ্গানুবাদ করেছি আর ওখান থেকে রেপিডেশন ব্যাটালিয়নের সেকশনটা ডিলিট করে দিয়েছি কারণ আজকে যদি আমরা রেপিডেশন ব্যাটালিয়নের এখানে আইন পাস করি এপিবিএনটা যদি আমরা সাথে সাথে সংশোধন না করি তাহলে ওখানে র্যাপটা রয়ে যায় সেজন্য এটা আমাদের জরুরী হয়ে গেছে দুইটা আইনের বিষয়ে একসাথে বক্তব্য দিলাম আবার অবশ্য কথা বলার সুযোগ হবে তোমার সদস্যদের জানিতো যা এবং বাছাই বিলের উপরে আমি বক্তব্য দিলাম সেগুলো গ্রহণযোগ্য নয় বলে দুঃখিত। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমাদের তো একটা প্র্যাকটিস এন্ড প্রসিজুরাল ম্যাটার আছে। সো এই এই পর্যায়ে এসে মাননীয় মন্ত্রীর বক্তব্যের পরে আনফরচুনেটলি উই ক্যান নট এলাও। থ্যাংক ইউ। আমরা আমরা লেট আস প্রসিড দেন আমরা দেখব এটা।
জি জি মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্য পরামর্শটা দিতে পারবেন মাঝখানে না মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় বক্তব্য দিয়েছেন আপনি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান ইউ নো বেটার দেন মেনি অফ আস এই পর্যায়ে বিলের মাঝখানে আনফরচুনেটলি উই ক্যান নট এলাও মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব গুলো ভোটে দিব সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব গুলো নাকচ করা হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব গুলো ভোটে দেব সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। আমি দুঃখিত না না না না না।
জি জি জি জি জি না ঠিক আছে ঠিক আছে ইট ইজ মাই মিস্টেক আমি আবারো ভুটে দিচ্ছি মিস্টেকটা কারেকশন করি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব নাকচ করা হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ আসরের আজান অলরেডি পড়ে গেছে আমরা 30 মিনিটে বিরতিতে যাচ্ছি তীর পরে বাকি অংশে আমরা যাবো অসংখ্য ধন্যবাদ সকলকে।
মাননীয় সদস্য বিল এখন আইন প্রণয়ন কার্যক্রমের মধ্যে পয়েন্ট অফ অর্ডার হবে না শেষ হওয়ার পরে পরে আপনি সময় মতো দাঁড়ালে পয়েন্ট অফ অর্ডার দেবো এখন বিল পাসের স্টেজে মন্ত্রী অলরেডি বলেছে এখন পুরা আইন পাস করার কার্যক্রমই হবে এই স্টেজে দেওয়া যাবে না দুঃখিত মাননীয় সদস্য পরে মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপরিষ্কৃত আকারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বিল এসআরবি 2026 অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছে তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন এসআরবি বিল 2026 অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো।
বিলের দফায় সংশোধনে আনা হয়েছে বিলের প্রস্তাবনা দফা ও দফা 24 এর উপর সংশোধন এনেছেন মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ আমি এখন মাননীয় সদস্যকে তার সংশোধনী গুলো উপস্থিত এবং এর পক্ষে উত্থাপন এবং এর পক্ষে বক্তব্য রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি সময় কত সময় কত
মাননীয় স্পিকার আমি এই প্রস্তাবের বিলের প্রথম প্রস্তাবনা দফা দুই এর প্রযুক্তি অবস্থিত সহায়তার জায়গায় শব্দটি পরিবর্তন করে সহায়তা প্রদানের শব্দগুলি প্রতিষ্ঠান করার জন্য অনুরোধ করছি মাননীয় মন্ত্রী আমার এই সংশোধনী গ্রহণ করবেন বলে আমি আশা করি এবং প্রত্যাশা করি এই আইনটি অত্যন্ত জরুরী আইন এই আইনটি পাশ হলে এই পুলিশ শব্দ মাননীয় স্পিকার পুলিশ মানে প্রোরাইট পুলিশ মানে ওবিডিয়েন্ট পুলিশ মানে লয়েন পুলিশ মানে ইন্টেলিজেন্ট পুলিশ মানে ক্যারিজিয়াস পুলিশ মানে এফেক্টিভ এই পুলিশ শব্দটা বিগত সরকার আলু যেমন আমরা সব কাজে ব্যবহার করি বিগত সরকার আলু ভর্তা করা যায় আলু দিয়ে মাছও রান্না যায় আলু দিয়ে শুটকি দিয়ে পাক করা যায় আলু দিয়ে গরুর মাংস দিয়ে করা যায় বিগত সরকার এই পুলিশকে এমন ভাবে ব্যবহার করেছে এখন পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এই এসআই এই এই প্রতিষ্ঠানটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান 1979 সালে এই আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন স্থাপন করেছিলেন। এই পুলিশ রাতে পাহারা দেয় বলে আমরা ঘুমাতে পারি। পুলিশ যেমন ভালো কাজ করে পুলিশকে বিগত যত রকম খারাপ কাজ আছে সব কাজে ব্যবহার করে পুলিশের সম্মান ক্ষুণ্ণ করেছে আমি এসআই বিএল কে এমন একটি প্রতিষ্ঠানে দেখতে চাই যাতে মানুষ রাতে ঘুমাতে পারে তাদের দক্ষতার জন্য সুন্দরভাবে কাজ করতে পারে এই আশা প্রত্যাশা ব্যক্ত করি মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ
মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলের সংশোধনীয় গুলো ভোটে দিচ্ছি। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বিলের প্রস্তাবনা দফায় যে সংশোধনী এনেছেন যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি নাকচ হলো। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল বিলের 24 দফায় যে সংশোধনী এনেছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হা বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সংশোধনীটি আমি এখন বিলের দফা গুলো সংসদের সামনে পেশ করছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 23456789 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় হ্যাঁ যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ যুক্ত হয়েছে অতএব বিলের দফা 23456789 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং বিলের এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলের এক দফা বলবৎকরণ দফা প্রস্তাবনা প্রবর্তন এবং শিরোনাম এই বিলের অংশ হিসেবে গৃহীত হলো মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ আপনি বিলটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে পাশ করার প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সালাউদ্দিন আমা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে রেপিড একশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্তক্রমে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন নামে পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন ওহার নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়ন কল্পে আনিত বিলটি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন উইথ ইন ব্র্যাকেট এসআরবি বিল 2026 মহান সংসদে পাস করার হোক।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিউনিটি কর্তৃক সুপারস্কৃত আকারে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ান এসআরবি বিল 2026 পাস করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি করতে
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স 1979 রোহিতপূর্বক যুগোপযোগী করিয়া পুনঃপ্রণয়ন কল্পে আনিত বিলটি আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন উইথ ইন ব্র্যাকেট এপিবিএন বিল 2026 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশ কিতা কারো বিলম্বে বিবেচনা জন্য গ্রহণ করার হোক।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ এই বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন 16 জন মাননীয় সংসদ সদস্য তন্মধ্যে বিরোধী দলীয় 14 জন সদস্য তাদের প্রস্তাব উত্থাপন করবেন না বর্ণনামে জানিয়েছেন বাকি দুজন সদস্য হলো শেখ মুজিবুর রহমান কিশোরগঞ্জ পাঁচ রুমিন ফারানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুই শেখ মুজিবুর রহমান আপনি কি জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দিতে চান।
আমি এই বিলটির প্রতি একটি কথা প্রথম কথা এই বিলটি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্থাপন করেছেন এটি একটি চমৎকার প্রস্তাব আমি শুধু একটি কথা বলতে চাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার দূরদৃষ্টি 1979 সালে এই এপিবিএন গঠন করেছিলেন বিগত সরকার এই বাহিনীকে তাদের ব্যক্তি স্বার্থে ব্যবহার করেছেন এই বিগত আমলে প্রথম যখন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই এপিবিএন গঠন করেন তখন তাদের দূরদর্শিতায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং জনগণের কাজ কাজে তারা নিয়োজিত ছিল বিগত সরকারের আমলে এই বাহিনীকে একেবারে নিরলস করে আনসারের ভূমিকা পালন করেছেন
মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল আপনি সাথে সাথে বাছাই কমিটিতে প্রেরণ সম্পর্কেও দুইটা প্রসাব একসাথেই বক্তব্য রাখেন দুই মিনিটে। জি মাননীয় স্পিকার।
আমার বক্তব্য মাননীয় স্পিকার। এই বাহিনীকে আরও আধুনিকীকরণ করা হোক। দেশের বিদেশী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে তাদের গুরুত্ব স্থাপনা থেকে শুরু করে সীমান্ত এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের ব্যারাকে বসিয়ে না রেখে তাদের বাংলাদেশের মানুষ যাতে রাতে ভালোভাবে ঘুমাতে পারে আধুনীকরণ করে এই বাহিনীকে সুসজ্জিত করা হোক এবং এই বাহিনীকে
মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বিলের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে গতকালকে আমি যে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছি তাতে এই সংসদে কোন ডিসেন্ট ভয়েস রেজ করা যায় বলে আমার মনে হয় নাই এবং আমি কথা বলবার পরে সংসদে যে ধরনের আচরণ আমি লক্ষ্য করেছি সেটা কোন গণতান্ত্রিক দেশের সংসদে হয় না আমার কথার যদি কোন কাউন্টার বলার ব্যাপার থাকতো সেটা দাঁড়িয়ে বলা যেত আমি বক্তব্য শেষ করবার পরে বক্তব্য দেয়া যেত শুধু তাই নয় মাননীয় স্পিকার এই মহান সংসদে আমারই আশেপাশের সংসদ সদস্যগণ অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেছেন এটা কোন সংসদীয় রীতি মধ্যে পড়ে না।
মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্য আপনি আমি আপনি এই সংসদে বাক স্বাধীনতার পক্ষে আপনি আমি কামনা করি এবং আশা করব প্রত্যেক সদস্য তিনি ট্রেজারি বেঞ্চের হোক কিংবা বিরোধী দলের হোন তার বক্তব্যের সময় অন্য পক্ষ থেকে বা প্রতিপক্ষ থেকে কোন ধরনের বাধা প্রদান করা হবে না এটা আমি আশা করি যাই হোক গতকাল যা হওয়ার হয়ে গেছে আমরা ভবিষ্যতের দিকে তাকাতে চাই আপনি এখন বিলটির যাচাই এবং বসাই কমিটি সম্বন্ধে বক্তব্য রাখতে পারেন। ইতিমধ্যে আপনি মোটামুটি আপনার ফিলিং বলেছেন। আই হ্যাভ অল দি আই রেস্পেক্ট ইউর সেন্টিমেন্টস। এখন অনুগ্রহ করে বিলটির উপর একটু বক্তব্য রাখুন।
একটা সংসদে সরকারি দল থাকবে বিরোধী দল থাকবে সংসদে স্বতন্ত্র নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাও থাকবেন একেকজনের একেক রকম মত থাকতে পারে সেটা প্রকাশ করবার স্বাধীনতা প্রত্যেকের থাকা উচিত এই সংসদে যখন আমি
এই সংসদে যখন একা দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের 2018 এর সংসদে বিএনপির পক্ষে কথা বলেছিলাম তখনও আমাকে এই জঘন্য একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল এরপরে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা ভোটের মাধ্যমে সংসদ আনলাম সেখানে যদি ন্যূনতম কোন পরিবর্তন না ঘটে তাহলে এই সংসদে বিরোধী দল সেজে শুধু নাতে ভোট দেয়ার জন্য থাকবার কোন দরকার আছে বলে আমি মনে করি না। মাননীয় স্পিকার আজকে যে বিলটি এসেছে সেটির ধারা উপধারা অনুযায়ী মাননীয় স্পিকার আমি একটা রিসার্চ পেপার রেডি করেছি। সেটা আপনি যদি আমাকে দুটো মিনিট সময় দেন আমি সেটা নিয়ে আলোচনা করতে পারি।
অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার র্যাবকে বিলুপ্ত করবার ব্যাপারে শুধু বাংলাদেশের রাজনৈতিক আওয়ামী লীগ বাদ দিয়ে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোই যে কেবল ঐক্যমতে এসেছিল তাই নয় একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা থেকে শুরু করে জাতিসংঘ পর্যন্ত এই সংস্থাটি বাতিলের জন্য প্রশ্ন তুলেছিল। আমার বিনীত বক্তব্য হচ্ছে এর পরিবর্তে নতুন যে সংস্থা আমরা করতে যাচ্ছি সেটি যেন কেবলমাত্র পোশাক পরিবর্তনের মতন নাম পরিবর্তনে সকল কিছু পরিবর্তিত হয়ে যাওয়ার মতন ঘটনা না হয়। এর ইনভেস্টিগেশন সিস্টেম আটক আদেশ আটক করবার
নানান ভাবে মানুষকে হ্যানস্থা হতে দেখেছি মানুষকে নির্যাতিত হতে দেখেছি ভীত হতে দেখেছি ভবিষ্যতে আমরা এরকম আর কোন সংস্থার আচরণ চাই না মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা করেছে আমি আশা করব আমি আশা করব অন্তত এই সংসদে যারা উপস্থিত আছেন যে দলগুলো উপস্থিত আছে তারা গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে এবং বাহিনীগুলোকে সেটা পুলিশ বাহিনী হোক র্যাব হোক কিংবা অন্য কোন রাষ্ট্রীয় বাহিনী হোক তারা যাতে নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্যে থেকে দলীয়করণ মুক্ত হয়ে প্রভাব মুক্ত হয়ে যার যার মতন কাজ পরিচালনা করতে পারেন সেই ব্যাপারটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবেন সরকার দেখবেন আমি আশা করব ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
গতকালকে অর্থমন্ত্রীর একটা বিল ছিল 18 ক অভিযোগটি একটা আইনের তার সাথে সম্পর্কিত কোন বক্তব্য ছিল না অন্যান্য বিষয় ছিল সেজন্যই প্রশ্ন আবতার হয়েছে যাই হোক মাননীয় স্পিকার জনমত যাচাই বাছাই এবং না জনমত যাচাই এবং বাছাই কমিটিতে প্রেরণের একটা প্রস্তাব মাননীয় সদস্য দিয়েছেন কিন্তু বক্তব্যের মধ্যে সেটা আমি দেখি নাই এই বিলের উপরে কোন বক্তব্য দিতে আর পূর্বে পাশ হওয়া আইনের প্রেক্ষিতে যে আলোচনা আপনি যে রুলিং দিয়েছেন সেটাই রাইট এসআরবি পাশ হয়ে গেছে এটা নিয়ে আর কোন বক্তব্য দেয়ার প্রয়োজন নেই এখন আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনটা আমরা এই সংসদে আনতে পারতাম বাট এটা ইংরেজিতে সংশোধনী আনতে হতো আমাদের মহান নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হিল ট্র্যাকস কে উদ্দেশ্য করে প্রধানত আহমদ পুলিশ ব্যাটালিয়ন রেজ করেছিলেন পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী আমরা এটার এখতিয়ার নিয়েছি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং প্রয়োজনে যুদ্ধকালীন সময় তারা যুদ্ধ অংশগ্রহণ করবে এই উদ্দেশ্যগুলো কারণগুলো আছে সেই কারণে আইনটা করা হয়েছিল এটাকে আধুনিক আইনের জন্য এবং এই আইনের একটি সেকশন পরিবর্তন করে এমেন্ডমেন্ট করে একটা বাহিনী রেজ করা হয়েছিল সেই অংশটা এখান থেকে বাদ দিতে হচ্ছে না হলে সেই বাহিনীটার অস্তিত্ব এখানে রয়ে যায় ব্যাটালিয়নটা সরি বাহিনী নয় ব্যাটালিয়ন ব্যাটালিয়নের অস্তিত্বটা এপিবিএন এ রয়ে যায় সেই জন্য আইনটা আনা হয়েছে এটা উদ্দেশ্য এবং কারণ সম্বলিত প্যারাতে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। আমাদের বিরোধী দলীয় প্রধান বিরোধী দলীয় বন্ধুরা যারা জনমত যাচাই এবং বাছাই করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন তারা সেটা আলোচনা করবেন না মর্মে জানিয়েছেন। তো সুতরাং তাদের কোন আপত্তি নাই। আর জনমত যাচাই বাছাইয়ের পক্ষে যে দুজন বক্তব্য দিয়েছেন তাদেরও স্পেসিফিক কোন বক্তব্য নাই। তো সুতরাং জনমত যাচাই এবং যাচাইয়ের কোন প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয় মাননীয় স্পিকার। আপনি পরবর্তীতে অনুমতি দিলে আমি পাশের জন্য উত্থাপন করতে পারবো। ধন্যবাদ।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ এখন বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো আমি ভোটে দেবো সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের জন্য মাননীয় সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে না জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলটির উপর জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাবগুলো না কোচ হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাবগুলো ভোটে দেব সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলটি বাছাই কমিটিতে প্রেরণের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্যগণ যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় না জয় যুক্ত হয়েছে না জয় যুক্ত হয়েছে না জয় যুক্ত হয়েছে অতএব বিলটি বসাই কমিটিতে প্রেরণে প্রস্তাব গুলো না করছোলো।
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপি ব্যাটালিয়ন বিল 2026 অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিল 2000 26 অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গৃহীত হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিলটির উপর দফাওয়ারি কোন সংশোধনী নেই আমি এখন বিলের দফাগুলো সংসদে পেশ করছি সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে বিলের দফা 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 ও তফসিল এই বিলের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব বিলের দফা 23 চার পাঁচ ছয় সাত আট নয় দশ এগারো বারো তেরো চোদ্দ পনেরো সতেরো আঠারো উনিশ কুড়ি একুইশ বাইশ তেইশ চোদ্দ পচিশ ছয়াশ সাতাশ আঠাশ উনিশ তিরিশ তিরিশ একুইশ তিরিশ তিরিশ তিরিশ তিরিশ তিরিশ
ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিল 2026 পাশ করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন বিল 2026
আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গানা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের শিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যকালীন 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটি
230 শরীয়তপুর তিন সদস্য, আব্দুস সালাম আজাদ 172 মুন্সিগঞ্জ দুই সদস্য, জনাব রেজা মেহেদী 75 কুষ্টিয়া এক সদস্য, জনাব রুফতুর রহমান 296 কক্সবাজার তিন সদস্য, জনাব মোহাম্মদ আব্দুল বারাক
সদস্যদের সমন্বয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি সংসদে গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইপ আপনি বিদ্যুৎ জ্বালানি ও
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয় বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনি সম্পদ সম্পর্কিত স্থায়ী কথা
110 বর্গ কিলোমিটার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব সাইদ আহমেদ 121 শরীয়তপুর এক সভাপতি, জনাব মোহাম্মদ আব্দুল বাড়ি 35 জয়পুরহাট দুই সদস্য, জনাব এবিএম আশিক
110 বর্গমুড়া দুই সভাপতি মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ 223 শরীয়তপুর তিন সদস্য জনাব মোঃ আক্তারুজ্জামান মিয়া নয় দিনাজপুর চার সদস্য মোসাম্মদ তাহসিনা রুশদীন 230 সিলেট দুই সদস্য জনাব খন্দকার আবু আশফাক 174 ঢাকা এক সদস্য জনাব মোঃ কয়েসর আহমেদ 226 সুনামগঞ্জ তিন সদস্য জনাব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম 93 নরাইল এক সদস্য জনাব মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান ভুইয়া 204 নারায়ণগঞ্জ এক সদস্য জনাব মোঃ নাজিবুর রহমান সত্যি পাবনা এক সদস্য জনাব মোহাম্মদ কামাল হোসেন 178 ঢাকা পাঁচ সদস্য।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটি গঠিত হলো মাননীয় চিফ হুইপ আপনি এখন বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমূল 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে 223 ও বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রুদোষ জাতীয় সংসদের বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জনাব শাহজাহান চৌধুরী 297 কক্সবাজার চার সভাপতি, জনাব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান 81 ঝিনেদা এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ আমানুল্লাহ আমান 175 ঢাকা দুই সদস্য, জনাব এএম মাহবুব উদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ আবুল খায়ের ভুইয়া 275 লক্ষীপুর দুই সদস্য, মোসাম্মদ তাহাজিনা রুজদীন 230 সিলেট দুই সদস্য, জনাব মোহাম্মদ নওশাদ জামির এক পঞ্চগড় এক সদস্য, জনাব শাহজাহান চৌধুরী 292 চট্টগ্রাম 15 সদস্য, জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 45 চাপাই নবাবগঞ্জ তিন সদস্য, জনাব আক্তার হোসেন 22 রংপুর চার সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি পূরণ পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল এবং বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইপ আপনি এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
স্পিকার আপনার মাধ্যমে সদস্যদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি এই কমিটিতে যারা আগে মেম্বার ছিলেন তারাই সবাই আছেন শুধু নাম উপরে নিচে করা হয়েছে সেজন্য জনাব আব্দুল ওয়াদুদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আমি পার্বতী চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম আনি 110 বর্গমূল দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুই প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপদ 247 47 অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নির্ধারিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রুদোষ জাতীয় সংসদে পার্বতী চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ভুইয়া 298 খাগড়াছড়ি সভাপতি পারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পার্বতী চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য সদস্য জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন 282 চট্টগ্রাম পাঁচ সদস্য জনাব মোস্তফা কামাল পাশা 280 চট্টগ্রাম তিন সদস্য জনাব দীপেন দেওয়ান 299 নাগামাটি সদস্য জনাব মোহাম্মদ ইনামুল হক 289 চট্টগ্রাম 12 সদস্য জনাব মোহাম্মদ রায়হান সিরাজী 19 রংপুর এক সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী 292 চট্টগ্রাম 15 সদস্য জনাব মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম 293 চট্টগ্রাম 16 সদস্য জনাব মাসুম মোস্তফা 161 নেত্রকোনা পাঁচ সদস্য মহানিশী আপনাকে ধন্যবাদ।
মাননীয় চিফ হুই আপনি নয় সিরিয়ালে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের জায়গায় নিজের নামটাই বলেছেন নুরুল ইসলাম আর কমিটি পুনর্গঠন হবে আপনি এই সম্পর্কিত প্রস্তাবটি আবার উত্থাপন করুন নয় নম্বর মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং আপনি পুনর্গঠনের জায়গায় গঠন করতে চাইছেন
মাননীয় স্পিকার আপনার তীক্ষ্ণ দৃষ্টির জন্য আপনাকে বিশেষ ধন্যবাদ এই বয়সে আপনার সবকিছু পরিষ্কার আপনি এত সিরিয়াসলি দেখেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ এই জন্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে আমি এখন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমুড়া দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুই প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয় ত্রিদোষ জাতীয় সংসদের পাবিত্র চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব আব্দুল ওয়াদুদ হুইয়া 298 খাগড়াছড়ি সভাপতি
পুনর্গঠন করা হোক কিন্তু বলছি। আচ্ছা পুনর্গঠন করা হোক। মাননীয় স্পিকার সময়ের দিকে তাকিয়ে আমি হিসাব করছি যাতে মাগরিব আগে শেষ করতে পারি। ধন্যবাদ থ্যাংক ইউ মাননীয় স্পিকার। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পার্বতী চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রালয় সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জনাব আব্দুল ওয়াদুদ ভূইয়া 298 খাগড়াছড়ি সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পার্বতী চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য হন সদস্য জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন 282 চট্টগ্রাম পাঁচ সদস্য জনাব মোস্তফা কামাল পাশা 280 চট্টগ্রাম তিন সদস্য জনাব দীপেন দেওয়ান 299 রাঙ্গামাটি সদস্য জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক 289 চট্টগ্রাম 12 সদস্য জনাব মোহাম্মদ রায়হান শেখ 19 রংপুর এক সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী 292 চট্টগ্রাম 15 সদস্য জনাব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম 293 চট্টগ্রাম 16 সদস্য জনাব মাসুম মোস্তফা 161 নেত্রকোনা পাঁচ সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ এ প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইপ আপনি এখন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার এখানে কোন সদস্যের পরিবর্তন নেই শুধু নামের উপর নিচ করা হয়েছে শুধু মাননীয় স্পিকার আমি এখন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গ গুণা দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 73 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপালি 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটি নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রিদশ জাতীয় সংসদের কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক জনাব মোঃ শাহাদাত হোসেন 274 লক্ষীপুর এক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য সদস্য জনাব মোঃ শহীদুল ইসলাম 214 ফরিদপুর চার সদস্য জনাব মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান 46 নগর এক সদস্য জনাব মোঃ রকুন উদ্দিন বাবুল 17 লালমহল 2 সদস্য জনাব মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী 238 মৌলভীবাজার চার সদস্য জনাব মোঃ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ 149 ময়মনসিংহ চার সদস্য মোঃ সাবিরা সুলতানা 314 মহিলা আসন 14 সদস্য জনাব মোঃ গোলাম রসুল 88 যশোর চার সদস্য জনাব মোঃ আব্দুল বারী সরদার পঞ্চান্ন রাজশাহী চার সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
মাননীয় সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইপ আপনি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেছি মাননীয় স্পিকার এখানেও কোন সদস্যদের পরিবর্তন নেই মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমূল 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইস প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপালি 247 ও অনুসারে উক্ত বিধির সময় বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নির্মিত মাননীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক সেলিম রহমান 301 মহিলা আসন এক সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংসদ সদস্য রাশিদা বেগম হিরা 303 মহিলা আসন তিন সদস্য, বিলকিস ইসলাম 307 মহিলা আসন সাত সদস্য, আন্না মিন্স 319 মহিলা আসন 19 সদস্য, মাধবী মারমা 334 মহিলা আসন 34 সদস্য, ফাহিমা নাসরিন 329 মহিলা আসন 29 সদস্য, নুরুন্নিশা সিদ্দিকা 337 মহিলা আসন 37 সদস্য, সাবেকুন নাহার 339 মহিলা আসন 39 সদস্য, মোসাম্মদ নুসরাত তাবাসসুম জ্যোতি 350 মহিলা আসন 50 সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হা বলুন যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে হা জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন মানুষের আপনি এখন যুবক ক্রিয়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এসআই কমিটি পুনরুদ্ধারের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় স্পিকার এখানে কোন সদস্যের পরিবর্তন নেই মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বরগুনা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুই প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 73 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ কার্যপলিক 247 ও অনুসারে উক্ত বিধির সময় বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রিদেশ জাতীয় সংসদের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জনাব মোহাম্মদ আবুল খায়ের ভূইয়া 275 লক্ষীপুর 2 সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য জনাব মোরশেদ মিল্টন 42 বগুড়া সাত সদস্য এডভোকেট মোহাম্মদ জালালুদ্দিন 163 কৃষক দুই সদস্য জনাব মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান 286 চট্টগ্রাম নয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ ফজলে হুদা 48 নগর তিন সদস্য জনাব কামরুজ্জামান কামরুল 224 সুনামগঞ্জ এক সদস্য জনাব আল ফারুক আব্দুল লতিফ 13 নীলফামারী দুই সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাত 96 বাগেরহাট দুই সদস্য জনাব মোহাম্মদ আতর রহমান 94 নরওয়াইল দুই সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয় যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো মাননীয় চিফ হুইফ আপনি শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় স্পিকার এখানেও কোন সদস্যের পরিবর্তন নেই। আমি এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমূল দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিপিইউ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপদ , 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সময়ে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক জনাব মোঃ সেলিম ভুইয়া 250 কুমিল্লা 2 সদস্য 250 কুমিল্লা 2 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য জনাব ববি হাজ্জাজ 186 ঢাকা 13 সদস্য জনাব রেজা কিবরিয়া 239 হবিগঞ্জ এক সদস্য মোসাম্মদ তাহসিনা রুশদীন 230 সিনিয়র দুই সদস্য জনাব মোঃ সেলিমুজ্জামান মোল্লা 215 গোপালগঞ্জ এক সদস্য জনাব মোঃ জাহানদার আলী মিয়া 219 মাদারীপুর দুই সদস্য বিথিকা বিনতে হোসাইন 324 মহিলা আসন 24 সদস্য জনাব মোঃ মজিবুর রহমান 52 রাজশাহী এক সদস্য জনাব আতিকুর রহমান মুজাহিদ 26 কুড়িগ্রাম দুই সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপা।
মাননীয় চিফ হুইপ এই কমিটির প্রথম নামটি মোহাম্মদ সেলিম ভুইয়াকে আপনি সদস্য বলে উল্লেখ করেছেন তিনি তো সভাপতি হবেন সভাপতি বলছি পরে আবার পরে বলেছেন থ্যাংক ইউ মাননীয় সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন হ্যাঁ যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইপ আপনি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ অতিষ্ঠিত হয়েছেন এটাই শেষ আজকের মতন ইনশাআল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এখানে মাননীয় স্পিকার কোন সদস্যের পরিবর্তন নেই শুধু উপর নিচ করা হয়েছে আমি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমূল 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুই প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সিএতের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপদ , 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন, কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জহরাত আদিব চৌধুরী 327 মহিলা আসন 27 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য জনাব মোঃ আমানুল্লাহ আমান 175 ঢাকা 2 সদস্য জনাব এবিএম মোশাররফ হোসেন 114 পটুয়াখালী 4 সদস্য জনাব এস কে আজিজুল বাড়ি 102 খুলনা 4 সদস্য জনাব সাঈদ আল নোমান 287 চট্টগ্রাম 10 সদস্য জনাব হুমায়ুন কাদের চৌধুরী 284 চট্টগ্রাম 7 সদস্য সানজিদা ইসলাম 316 মহিলা আসন 16 সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সদস্য মীর আহমদ বিন কাশেম 187 ঢাকা 14 সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে অশেষ অশেষ ধন্যবাদ।
সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতা অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো
মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ কমিটিগুলো ঘোষণা করার সময় যেটি মূলত পুনর্গঠনের কথা বলেছেন উনি ওখানে একটি শব্দ বারবার প্রয়োগ করেছেন এখানেও কোন সদস্যের পরিবর্তন হয়নি কিন্তু পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয় বিষয়ক এই কমিটিতে আমার নাম ছিল না কৃষি মন্ত্রণালয় বিষয়ক কমিটিতে আমার নাম ছিল যদি কোন সদস্যের নাম পরিবর্তন না হয় হয়। তাহলে আমি আমি তিস্তা পাড় থেকে কিভাবে পাহাড়ে গেলাম? এটি প্রিন্টিং মিস্টেক কিনা এটি ক্ষতিয়ে দেখবার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পীকার।
এটা প্রিন্টিং মিস্টেক কি না আমি দেখে যদি দরকার হয় পরবর্তীতে জানাবো মানুষকে। ধন্যবাদ। যদি সংশোধনী নিয়ে আসবো। এছাড়া এছাড়া প্রিন্টিং মিস্টেক হওয়ার কোন সুযোগ নেই। তারপরেও হতে পারে। মানুষ মাত্র তো ভুল হতেই পারে। তো আমি দেখে যদি হয় পরবর্তীতে সংসদে নিয়ে আসবো মানুষকে।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি যে সংসদ সদস্য দাঁড়ালেন উনার সাথে আরো যুক্ত করে এই একই জিনিস কিন্তু ঘটেছে মহিলা এবং শিশু মন্ত্রণালয় এবং যুব ক্রিয়া মন্ত্রণালয় উনি বলেছিলেন যে সদস্য পরিবর্তন হয়নি কিন্তু সদস্য পরিবর্তন হয়েছে আর এই স্থায়ী কমিটি সম্পর্কিত আমাদের কিছু কথা রয়েছে এর আগেও মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা এবং মাননীয় বিরোধী দলীয় উপনেতা উনারা বলেছেন এই স্থায়ী কমিটি সংক্রান্ত যে জুলাই সনদে আমার আমরা সেটা পাওয়ার কথা ছিল সভাপতি সেটা আমরা দেওয়া হয়নি। তো সেগুলো বাদ দিয়েও তো 10 জনের কমিটিতে আমরা প্রথমে দাবি করেছিলাম যে তিনজন করে বিরোধী দল থেকে দেওয়া হোক। কিন্তু সরকার দলের চিফ হুই বা সরকার দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে এটা 26% হিসেবেই দেওয়া হবে। ফলে কিছু কমিটিতে তিনজন কিছু কমিটিতে দুইজন এভাবে একটা হিসাব করা হয়েছে কিন্তু ব্যর্থতা ঘটেছে আমরা যেভাবে তালিকাটা দিয়েছিলাম যে এই মন্ত্রণালয়ের বিরোধী দলের তিনজন এই মন্ত্রণালয় দুইজন সেখানে ডিস্টর্শন করা হয়েছে সেইভাবে আসলে নামগুলো কয়েকটা মন্ত্রণালয় নামগুলো সেভাবে আসেনি অনেকগুলো জায়গায় ভুল এসেছে আমরা উনাদের ইচ্ছামত উনারা দিয়েছেন কোথাও দুইজন কোথাও তিনজন এবং সংসদ সদস্যদের উনাদের ইচ্ছামত পজিট করেছেন এবং এমন হয়েছে যে একটা মন্ত্রণালয় বিরোধী দল থেকে চারজনকে দেওয়া হয়েছে কারণ ওই মন্ত্রণালয় সরকার দলের সদস্যরা যেতে ইচ্ছুক না এজন্য বিরোধী দল থেকে সেখানে চারজন দিয়ে দেওয়া হয়েছে ফলে এই বিষয়গুলো হয়তো এই অধিবেশনে আমরা চিফ অফিসার সাথে কথা বলেছি তো এই অধিবেশনে সবগুলো কমিটি পাস করার জন্য হয়তো উনার একটা তাড়াহুড়া ছিল কিন্তু এই কমিটিগুলো কিন্তু মাননীয় স্পিকার সংশোধন করতে হবে পরবর্তী অধিবেশনে কারণ আপনারা জানেন যে স্থায়ী কমিটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা চাই স্থায়ী কমিটিগুলো কার্যকর হোক বিরোধী দলের সংসদ সদস্য হিসেবে আমরা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে চাই স্থায়ী কমিটিগুলোকে যাতে কোনভাবে অকার্যকর করার চেষ্টা না করা হোক এবং তাদের ইচ্ছামত গেলে যাতে স্থায়ী কমিটিগুলো এভাবে গঠিত হলে আমাদের পক্ষে সেটার অংশীদার হওয়া সম্ভব হবে না ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ বিরোধী দলের চিফ হুইপ একটা একটা করে করি আমি দেবো আপনাদেরকে দেবো মাননীয় চিফ হুইপ আপনি কি জবাব দিতে চান কোন অর ইউ নিড টু টেক সাম টাইম আপনি এখনই বলতে চান এই বিরোধী দলের চিফ হুইপ যেটা বলেছে এটার জবাব দেন
মাননীয় স্পিকার আমাদের সংসদে মানে আমাদের মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটি হলো 49 টা 39 টা 39 টা কমিটিতে অন্য 26% হিসেবে যদি পায় তাহলে 18 টা মানে 19 সাড়ে 19 টা কমিটির তারা তিন মানে তিন বা তিনজন করে পাবেন আর সাড়ে 19 টা কমিটিতে পাবে দুজন করে আমি সেখানে হিসাব করে তাদের 22 টা কমিটিতে তিনজন করে দিয়েছি 22 টা কমিটিতে তো এরপরেও যদি কোন ত্রুটি বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয় বা কোন একমোডেশনের দরকার হয় ইনশাল্লাহ বিরোধী দলের যে চিফ হুইপ আছেন বা অন্যান্য যারা আছেন আমাদের রফিক ভাই আছেন তাদের সাথে কথা বলে বসে যদি একমোডেশন দরকার হয় অথবা যদি পারমুটেশন কম্বিনেশন কিছু লাগে তাহলে নিশ্চয়ই ইনশাল্লাহ করবো মাননীয় স্পিকার পরবর্তী দিবসে ইনশাল্লাহ।
ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ আমার মনে হয় যে এক কমিটিতে চারজন দেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে বলেছেন যাই হোক আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এগুলো সমাধান করা সম্ভব আমরা চাই প্রেজারি বেঞ্চ এবং অপজিশন বেঞ্চের মধ্যে একটা সৌহার্দ্যমূলক পরিবেশ এখানে থাকবে আরেকটা জিনিস আমি আগেও আপনাকে বলেছিলাম মাননীয় চিফ হুইপ আজ থেকে 35 বছর আগে 1991 সালে বেগম খালেদা জিয়া সরকার তারা এই সংসদে পার্লামেন্টারি কমিটির বিল উত্থাপন সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া সরকার বিরোধী দল আওয়ামী লীগ তারাও এটাতে সম্মতি দিয়েছিল সেখানে আপনি এবং আমি এবং রেদওয়ান আহমেদ আমরা তিনজন সংসদ সদস্য ভোট সমস্যা দিও গণতন্ত্রের পক্ষে। সমস্যা দিও গণতন্ত্রের মূল কথা বা এসেন্স হলো
নির্বাহী বিভাগ অর্থাৎ ক্যাবিনেট আইনসভা অর্থাৎ পার্লামেন্টের কাছে জবাবদিহি করবে সুতরাং আপনি কমিটি গঠনের সময় আমি সেদিনও অনুরোধ জানিয়েছিলাম নির্বাহী বিভাগের নির্বাহী বিভাগ তো জবাবদিহি করবে আইনসভার কাছে কিন্তু নির্বাহী বিভাগ যদি নিজেই কমিটির সভাপতি হয় তাহলে কার কাছে জবাবদিহি করবে সুতরাং বিষয়টি আপনি অনুগ্রহ করে ভবিষ্যতে খেয়াল রাখবেন যখন পুনর্গঠন করা যায় এটা স্পিরিট অফ পার্লামেন্টের ডেমোক্রেসি হিসেবে বিবেচনা করবেন ইয়েস মাননীয় রফিকুল ইসলাম খান বলেন এই বিষয়ে নাকি অন্য কোন বিষয়ে বলুন কিন্তু আপনার চিফ হুইপ তো বলেছে বিরোধী দলের চিফ হুইপ
এরপরও একটু বাকি আছে আর কি বলেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমাদের মাননীয় চিফ হুইপ সাহেব কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে একজনকে আমাদের নিয়ে গেছেন হল এতে চট্টগ্রামে পাহাড়ে কিন্তু নিয়ে গেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আমাদের যিনি এক নাম্বারে ছিলেন তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে তাকে এখানে দেওয়ার কথা ছিল ডক্টর মসলে উদ্দিন ফরিদ তাকে এখন পর্যন্ত কোন জায়গায় দেখা হয় নাই একদম অবশ্যই মানে অবাক করার মতো একটা বিষয়।
মাননীয় সাহেব বলছেন যে আমাদেরকে কি বলে 26% দেওয়া হয়েছে ওটা দিছেন ঠিকই কিন্তু মেইন কমিটিগুলিতে আমাদেরকে দুইজন রাখা হয়েছে চট্টগ্রাম পার্বত্য চট্টগ্রামে চারজন রাখা হয়েছে ওখানে যেহেতু গুরুত্বপূর্ণ না ওখানে আমাদের লোকদেরকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে যেটা সেই রংপুর থেকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে আর প্রত্যেকটা ইম্পর্টেন্ট কমিটিগুলিতে আমাদেরকে দুইজন দেওয়া হয়েছে এ ব্যাপারে চিফ হুইপের সাথে আমার অনেকবার কথা হয়েছে। এজন্য আমরা মনে করি এ ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হয়েছে বিরোধী দলের সাথে। আর সভাপতির ব্যাপারে তো আমাদের বিরোধী দলীয় নেতা উপনেতা চিফ হয়ে অনেকেই বলছেন এ ব্যাপারে আমি আর বলতে চাই না। আসলে সংসদীয় গণতন্ত্রের তো আসলে সবাই মিলেই তো থাকা উচিত ছিল। কিন্তু বিরোধী দলকে কোন জায়গায় একটা জায়গায়ও মন্ত্রণালয়ের সভাপতি পদ দেওয়া হয় নাই। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য পাহাড়ে গেলে তো স্বাস্থ্য ভালো হয় সেজন্যই পাহাড়ে দিয়ে দিয়েছে যাই হোক এই ব্যাপারে তো জানো শাহজাহান চৌধুরী বলেন এখন নামাজের টাইম হয়ে গেছে
মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমি কমিটি সংক্রান্ত বিষয় না আইন পাশের ব্যাপারে 1973 সালে রক্ষী বাহিনী গঠন করা হয়েছিল আর এই রক্ষী বাহিনী বিলুপ্তি খন্দকার মুস্তাক আহমেদ সাহেব সরকারের আমলে একটা অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে 79 এর যখন পার্লামেন্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জাওয়ার রহমানের পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছিল তখন সেই প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার এবং অর্ডিন্যান্স এটা আইন হিসেবে বাতিল করে রক্ষী বাতিল করা হলো। আজকে আমার যে প্রশ্নটা সেটা হলো র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র্যাপ গঠিত হয়েছে। আমরা সবাই সরকারি দল বিরোধী দল যারা রাজপথে ছিলাম সবাই 18 টা বছর এই র্যাপের বিরুদ্ধে কথা বলেছি এবং এই আইন বাতিলের জন্য আমাদের বিরোধী দলীয় নেতা ডক্টর শফিকুর রহমান এবং আমাদের সংসদ নেতা এবং সংসদে সরকারি দলে যারা আছেন সবাই আমরা বক্তব্য রেখেছি রাজপথে তো আজকে সেই র্যাপ র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন বাহিনী বাতিল হচ্ছে কিন্তু আজকে আমরা এই বিল বাতিল হওয়ার সময় সবাই ঐক্যমতের ভিত্তিতে বিলটা বাতিল হওয়া দরকার ছিল যেমনিভাবে রক্ষী বাহিনীর বিলটা 79 এ শহীদ রাষ্ট্রপতি জাউর রহমানের যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন মরহুম শাহ আজিজ যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন রক্ষীবাহিনীটা এভাবে তো আজকে আমরা বড় দুঃখের বিষয় রেপিড একশন ব্যাটালিয়ন বিলটা ধন্যবাদ। আলাদাভাবে বাতিলের ব্যাপারে প্রস্তাব করলে সবাই মিলে আমরা এই বিলটা বাতিলের পক্ষে রায় দিতে পারতাম। কিন্তু আজকে মেসেজটা কি যাচ্ছে? যে আমরা রেপিড
ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য বসুন একটা বিল পাস হয়ে গিয়েছে আমি তো লক্ষ্য করেছি এ ব্যাপারে বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনেক বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন এখন বিল পাস হওয়ার পরে এখন এসব কথা বলে তো আর কোন কিছু হবে না ধন্যবাদ তারপরও যদি আপনাদের কোন কথা থাকে নোটিস দেন নোটিসের পরে আমরা দেখব না না না এখন পয়েন্ট অফ অর্ডার হবে না এখন কি বলতেছি সেটা মাননীয় সদস্য বৃন্দ সংসদে বৈঠক মাগরিবের নামাজের জন্য 30 মিনিটে বিরতি দেওয়া হলো। আপনাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।
এবং খুবই আশ্চর্যের বিষয় বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের ডানে এবং বামে যে প্রতিবেশী দেশগুলো আছে তারা সমুদ্র থেকে গ্যাস আরোহণ করছে কি এক অদৃশ্য ইশারায় মাননীয় স্পিকার মধ্যেখানে বাংলাদেশ মধ্যেখানে বঙ্গোপসাগর সেই বঙ্গোপসাগর থেকে বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ফ্যাসিবাদের সময় গ্যাস উত্তোলনের বিন্দুমাত্র চেষ্টা করা হয়নি অনেকে বলে থাকে বিশেষ কোন দেশ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় তারা যাতে নিভিগে গ্যাস নিয়ে যেতে পারে সেই জন্যই বাংলাদেশের অংশে বঙ্গোপসাগরে গ্যাস ক্ষুপকণন করা হয়নি। মাননীয় স্পিকার অপরদিকে মধ্যপ্রাচ্যে ছিল আমাদের গ্যাস আমদানির প্রতি প্রধান উৎস এমন পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণভাবেই দেশকে নির্ভরশীল করে ফেলা হয়েছিল জ্বালানি নির্ভর এই ঠিক এই পরিস্থিতিতে মাননীয় স্পিকার নির্বাচনের পরে সরকার গঠন করার 10 থেকে 12 দিন পরেই মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় যুদ্ধ পরিস্থিতি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে যে তেল এবং গ্যাস আমদানি করা হতো সেক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি হলো মাননীয় স্পিকার সকল পত্রপত্রিকায় সকল ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়াতেই এই বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে এবং অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে এই পরিস্থিতির ভিতরেই মাননীয় স্পিকার আমাদের যে দুটি এফএসআরআইও আছে তার একটিতে ইলেকট্রিক শকের কারণে দুর্ঘটনা ঘটে এবং সম্পূর্ণভাবে সেই এফএসসি গ্যাস সরবরাহ করতে সম্পূর্ণভাবে বিকল হয়ে যায় মাননীয় স্পিকার এটা একটা বাড়তি বিপদ যোগ করল এই সমস্যার মধ্যে এ কারণেই বর্তমানে গ্যাস এবং বিদ্যুতের জন্য জনগণকে এই ভোগান্তি সমগ্র দেশের মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মাননীয় স্পিকার এই সমস্যা সমাধানে আমরা আমাদের বিরোধী দলীয় বন্ধুদের কাছে সহযোগিতা আশা করি অথচ আমরা দেখলাম মানে স্পিকার একটি বিশাল গাড়ির লং মার্চ আয়োজন করা হয়েছিল বিভিন্ন মানুষ বাইরে বিভিন্ন মানুষ একটি কথা বলে যে জনগণকে অযথা উত্তেজিত করে অন্য কিছু করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল কিনা মাননীয় স্পিকার? মাননীয় স্পিকার, গাড়ির লং মার্চ করে যদি গ্যাস বা বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করাই যেত তাহলে মাননীয় স্পিকার আমরাই সবচেয়ে আগে লং মার্চের আয়োজন করতাম মাননীয় স্পিকার।
মাই স্কিপ স্পিকার এই প্রসঙ্গে আমি একটি কথা সকলেরই মনে আছে তারপর একটু স্মরণ করতে চাই রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের যখন শুরু হলো সেই সময় সেই 2022 সাল সেই যুদ্ধের অজুহাতে মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করার জন্য তখন অফিসের সময়সূচি পরিবর্তন করে সকাল আটটা থেকে তিনটা পর্যন্ত করা হয়েছিল শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে স্কুলগুলোকে একদিনের জায়গায় দুদিন বাড়িয়ে দুদিন ছুটি করা হয়েছিল ব্যাংকের লেনদেনের কর্মসূচিও পরিবর্তন করা হয়েছিল মাই স্পিকার আমি আগেই বলেছি কোন অজুহাত তুলে আমরা জনগণের দুর্ভোগের সমস্যার সমাধানকে আমরা এড়িয়ে যেতে চাই না কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যারা 2009 সাল থেকে একটানা বছরের পর বছর বছরের পর বছর ক্ষমতা কক্ষিগত করে রেখেছিল মানুষের কথা বলার অধিকারকে কেড়ে নিয়ে ভোটের অধিকারকে কেড়ে নিয়ে তাদেরকেও মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবেলায় বিশেষ ব্যবস্থা করতে হয়েছিল বা করেছিল তারা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত রাখার জন্য সোকল নিশ্চিত মাননীয় স্পিকার কুইক রেন্টাল বসানো হয়েছিল এই কুইক রেন্টালের নামে এই রাষ্ট্রকে কিছু মানুষকে সুবিধা দিয়ে এই রাষ্ট্রকে ফতুর করে দেয়া হয়েছিল ঋণগ্রস্ত করে দেয়া হয়েছে মাননীয় স্পিকার তারপরেও কিন্তু তারপরেও কিন্তু মাননীয় স্পিকার বিদ্যুৎ সমস্যার বা জ্বালানি সমস্যার স্থায়ী সমাধান বের করে আনতে পারেনি তারা মাননীয় স্পিকার অথচ বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেবার দুই সপ্তাহের ভেতরেই মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে সেই ইউক্রেন যুদ্ধ মাননীয় স্পিকার যে ইউক্রেন যুদ্ধকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন পদক্ষেপ তখন তারা নেওয়া হয়েছিল সেই ইউক্রেন যুদ্ধ মাননীয় স্পিকার এখনো চলমান এর মধ্যে পড়ল মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ পরিস্থিতি মাননীয় স্পিকার এর পাশাপাশি দুইটি এলেনজি দুইটি এফএসএরিওর অর্থাৎ দুইটি এলেনজি টার্মিনালের একটি গেল নষ্ট হয়ে। মাননীয় স্পিকার আমরা সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। এই সমস্যাগুলো বর্তমান সরকার এবং যেহেতু আমি বলেছি বিরোধী দলীয় সরকারের একটি অংশ। আমরা সকলেই এই সমস্যাগুলো বা জাতীয় এই সমস্যাগুলো উত্তরের দেখার সূত্রেই আমরা পেয়েছি মাননীয় স্পিকার সকলেই বেঞ্চের এপাশ বলি বেঞ্চের ওপাশ বলি মাননীয় স্পিকার জনগণের সামনে বিদ্যমান পরিস্থিতি তুলোধারার দায়িত্ব আমাদের যেমন রয়েছে যেহেতু জনগণ আমাদের সকলকেই ভোট দিয়ে পাঠিয়েছে আমি মনে করি এই সংসদের প্রতিটি সদস্য ডাজেন্ট ম্যাটার সেটি বিরোধী দলের হোক সেটি সরকারি আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব সঠিক চিত্র বা বাস্তব পরিস্থিতি জনগণের সামনে তুলে ধরার।
মাননীয় স্পিকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই বিরোধী দল সরকারি দলকে চেষ্টা করবে হয়তো তাদের বিবেচনায় বিভিন্নভাবে ব্যালেন্স বা নিরপেক্ষ রাখার জন্য এটা হতেই পারে কিন্তু মাননীয় স্পিকার এই বর্তমান যে সংকট এই সংকটকে যদি সঠিকভাবে এড্রেস না করে এটিকে যদি মাননীয় স্পিকার উস্কানিমূলক আচরণ করা হয় এখানে তাহলে মাননীয় স্পিকার আমার প্রশ্ন বিগত এক যুগ ধরে যে মানুষগুলো তাদের জীবন উৎসর্গ করে গিয়েছে 2024 এর আন্দোলনে যে 1400 মানুষ নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছে প্রায় 30 হাজার মানুষ যারা বিভিন্নভাবে পঙ্গুত্ব বা অন্ধত্ব বরণ করেছে লক্ষ লক্ষ মানুষ যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে এই মানুষগুলো কি কষ্ট পাবে না কারণ এই পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে উপস্থাপন না করে এটির যদি সুযোগ না হয় তাহলে তো মাননীয় স্পিকার পতিত পরাজিত বিতাড়িত ফ্যাসিবাদ চক্রই লাভবান হবে মাননীয় স্পিকার তাহলে এতগুলো আত্মদানের কি মূল্য থাকবে মাননীয় স্পিকার সরকার গ্যাস বিদ্যুৎ সমস্যা মোকাবেলায় কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সরকারের পক্ষ থেকে এই সেশনে বেশ কয়েকদিন জাতীয় সংসদে একাধিকবার এভাবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে সেজন্য আমি আর বিস্তারিতভাবে কিছু তুলে ধরতে চাই না তবে মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে জনগণকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই ইতিমধ্যেই আমরা যথাসম্ভব অনেকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং আমরা দৃঢ়ভাবে আশাবাদী ইনশাল্লাহ আমরা সময়ের সাথে সাথে এই যে সমস্যা যাচ্ছে যেটি গ্যাস বা বিদ্যুতের সেই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হব এবং দেশ এবং আর কি কে?
অবশ্যই আমাদের বিরোধী দলীয় বন্ধুদের বিরোধী দলীয় সহকর্মীদের সাথে নিয়ে দেশ এবং জাতিকে আমরা এই সমস্যা থেকে ইনশাল্লাহ বের করে আনতে সক্ষম হবো মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার এতদিন আমরা আমদানি নির্ভর উৎস থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের গ্রাহক ছিলাম। বর্তমান সরকার যে ব্যবস্থা বা যে উদ্যোগ গ্রহণ করতে যাচ্ছে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি স্বরূপ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা যদি আমরা ইনশাল্লাহ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি তাহলে আমরা শুধু গ্রাহক নয় বরং সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদক হবো ইনশাল্লাহ মাননীয় স্পিকার এবং সেই সক্ষমতা সেই সক্ষমতা মাননীয় স্পিকার আমাদের রয়েছে কারণ আমাদের এই আত্মবিশ্বাস কারণ হচ্ছে আমাদের অভিজ্ঞতা মাননীয় স্পিকার আমাদের আত্মবিশ্বাসের কারণ হচ্ছে বিএনপির গৌরবময় অতীত ইতিহাস বিএনপি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি যতবারই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে প্রত্যেকটি বার মাননীয় স্পিকার দেশকে বিপর্যয় পরিস্থিতি থেকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে মাননীয় স্পিকার ইতিহাস সাক্ষ্যে বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধ থেকে আজ পর্যন্ত দেশ এবং জনগণের প্রতিটি সংকটে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তার প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি দেশের হাল ধরেছে এবং সফল হয়েছে মাননীয় স্পিকার
মাননীয় স্পিকার এই সংসদ সহ আপনিও একজন ব্যক্তি যাদেরকে আমরা দেশের সিনিয়র সিটিজেন হিসেবে অবশ্যই সম্মান করতে পারি এই সিনিয়র সিটিজেনদের অবশ্যই স্মরণ আছে যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অর্থাৎ বিএনপি সরকারি তলাবিহীন ঝুড়ির অপবাদ গুছিয়ে 70 এর দশকের শেষ দিকে বাংলাদেশকে কে খাদ্যের রপ্তানির দেশেও পরিণত করেছিলেন। মাননীয় স্পিকার শুধু তাই নয় সেই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পুঁজি কোন অভাব ছিল না। কিন্তু তাদের ছিল কর্মী বাহিনীর অভাব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেই বাস্তবতায় বাংলাদেশের আমাদের যে বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী সেই জনগোষ্ঠীকে বিদেশে রফতানি করার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার শুধু তাই নয় 90 এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের পরও 1991 সালের নির্বাচনে দেশের জনগণ বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল। সেদিন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা বলেছেন সেদিন জামাতে ইসলামী আমাদেরকে সমর্থন দিয়েছিলেন তার জন্য আজও আমি আপনাদেরকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মাননীয় স্পিকার সেই সময়ের প্রধানমন্ত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া দেশের শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছিলেন নারী শিক্ষায় বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন এবং পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যাপকভাবে সেদিন থেকে শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ করেছিলেন সেই সময় প্রায় দুই কোটি মানুষ দরিদ্র সীমা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিল মাননীয় স্পিকার এবং এটির এটির ক্রেডিটও মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সরকারের যখনই মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার যখনই দেশের জনগণ অবাধ এবং নিরপেক্ষ ভোট দেবার সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশের মানুষ বেএনপি কে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে।
ভাই স্পিকার 2024 সালের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের বীর ছাত্র জনতা যেই ফ্যাসিস্ট অপশক্তিকে এই দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল সেই ফ্যাসিস্ট অপশক্তি 2001 সালের 26শে জুন বাংলাদেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে জুলাই মাসে রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে বিদায় নিয়েছিল এরপর দুর্নীতিগ্রস্ত রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে সঠিক পথে আনার জন্য সেদিন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আমি জনগণ বিএনপিকে আবার নির্বাচনের দায়িত্ব দিয়েছিল দেশ পরিচালনা করার জন্য এবং
2001 থেকে 2006 সালে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে বিএনপি সরকারি দুর্নীতির কলঙ্ক থেকে বাংলাদেশকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছিল মাননীয় স্পিকার। এটি আমার কথা নয় যে প্রতিষ্ঠানটি এই র্যাঙ্কিং গুলো করেছে সেই প্রতিষ্ঠানের স্ট্যাটিস্টিক গুলো যদি আপনারা দেখেন তাহলে এটি পরিষ্কারভাবে ভেসে উঠবে মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্পিকার 2001 সালে জনরায় প্রত্যাখাত অপশক্তি ষড়যন্ত্রের পথ ধরে যেই কথাটা মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা একইভাবে বলেছেন 2009 সালে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবার রাষ্ট্র ক্ষমতায় খুক্কিগত করে তারা জনগণের অধিকারকে কেড়ে নেয় 2024 সালের 5ই আগস্ট দেশ ছেড়ে পালানোর আগে পর্যন্ত তাদের দুঃশাসন দুর্নীতি লুটপাট আর টাকা পাচারের কারণে বাংলাদেশকে ঋণ খেলাপের অপবাদ সইতে হয়েছে মাননীয় স্পিকার এই ঋণ খেলাপের অভিশাপ থেকে বাংলাদেশকে মুক্ত করার দায়িত্ব এখন বিএনপির কাঁধে পড়েছে মাননীয় স্পিকার এরা পালিয়ে গিয়েছে কিন্তু এই ঋণ রেখে গিয়েছে এই দেশের কাঁধে এই দেশের জনগণের কাঁধে মাননীয় স্পিকার এরা শুধু যারা পালিয়ে গিয়েছে ফ্যাসিবাদ এরা শুধু ঋণ খেলাপই করেনি বরং ঋণ খেলাপির পরিমাপের যে হিসাব নিকাশ সেটির মধ্যেও তারা জালিয়াতি করেছে মাননীয় স্পিকার 2024 সালের খেলাপির ঋণের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল মাত্র 11 শতাংশ অথচ 2025 সালের পরে 2025 সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় যখন ফরেন্সিক অডিটের মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয় তখন দেখা যায় মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিবাদ যেটিকে 11 শতাংশ দেখেছিল সেটি 11 শতাংশ নয় বরং সেটি 35.5 শতাংশ মাননীয় স্পিকার এবং এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশকে ঋণ খেলাপির অভিশাপ থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে এবং বিভিন্ন উদ্যোগের ফলে বর্তমানে ঋণ খেলাপির অনুপাত কমে দাঁড়িয়েছে মাননীয় স্পিকার 32.6 শতাংশে
বিগত নির্বাচনের পরে যেখানে 35.5 ছিল সেখানে এটি নেমে এসেছে 32.6 মাননীয় স্পিকার অর্থাৎ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটতে শুরু করেছে মাননীয় স্পিকার বর্তমান বিএনপি সরকারের অধীনে মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিস্ট চক্রের অনাচার লুটপাট দুর্নীতি এসকল উত্তরে থেকে সূত্রে পাওয়া দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়নের কলঙ্ক থেকে বিএনপির যেভাবে বাংলাদেশকে মুক্ত করে নিয়ে এসেছিল একই চক্রের কারণে 2026 সালে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়ার ঋণ খেলাফির যে কলঙ্ক এর থেকেও বিএনপি বাংলাদেশকে ইনশাল্লাহ মুক্ত করে নিয়ে আসবে মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার বৈদেশিক ঋণের ভারে জর্জরিত একটি রাষ্ট্র আমরা পেয়েছি। যারা বাংলাদেশকে ঋণের ভারে জর্জরিত করেছে তাদের অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে মাননীয় স্পিকার। কিন্তু বাংলাদেশকে এখনো সেই ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে। বর্তমান সরকার গত পাঁচ মাসে বিদেশী ঋণের আসল এবং সুদ বাবদ রেকর্ড 204 কোটি 76 লক্ষ মার্কিন ডলার পরিশোধ করেছে মান স্পিকার যদিও ফ্যাসিবাদের যদিও ফ্যাসিবাদের লুটতরাজ টাকা পাচারের কারণে এখনো দেশের কাঁধে জনগণের কাছে হাজারো কোটি টাকার বৈদেশিক ঋণ বাকি রয়ে গিয়েছে মানুষ পিকার
মাননীয় বিরোধী দল নেতা তার বক্তব্যে একটি বিষয় উল্লেখ করেছেন বিষয়টি আমিও উল্লেখ করতে চাই শিক্ষা স্বাস্থ্য ব্যাংক বীমা অর্থকরী প্রতিষ্ঠান প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভঙ্গুর পরিস্থিতি ছিল এখনো ক্ষেত্রবিশেষে কিছু আছে এর পাশাপাশি রাষ্ট্র এবং সমাজে ধর্মীয় সামাজিক পারিবারিক যে মূল্যবোধের অবক্ষয় এটি মাননীয় স্পিকার এখানে উপস্থিত প্রত্যেকটি মানুষের কাছে দৃশ্যমান যে কোন বিবেকবান শিক্ষিত মানুষের কাছে রুচিশীল ভদ্র মানুষের কাছে এটি এখন দৃশ্যমান মাননীয় স্পিকার ফ্যাসিবাদ শাসনামলে জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বাক স্বাধীনতা বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক একটি পরিবেশ বিরাজ করছে বাক স্বাধীনতা অবারিত মাননীয় স্পিকার কিন্তু আমাদের মনে রাখা দরকার বাক স্বাধীনতা যেন বাক শালীনতার সীমা লঙ্ঘন না করে মাননীয় স্পিকার
মাননীয় স্পিকার আমরা যেরকম চাইনা দেশের জনগণের কাঁধে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাচারী শাসন চেপে বসুক মাননীয় স্পিকার যেকোনো বিবেকবান মানুষ যেকোনো দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ অবশ্যই আমরা চাইনা আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে যেন সংস্কৃতি যেন গালাগালিতে পরিণত হয় এজন্যই মাননীয় স্পিকার আমাদের সবাইকে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার পারিবারিক পরিবেশে আমরা যে সকল কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না কেন আমরা জনপরিষদেও সেই শব্দগুলো ব্যবহার করবো। কেন আমরা জনপরিসরেও সেই শব্দগুলোকে পরিহার করবো না মাননীয় স্পিকার? আপনার মাধ্যমে
আপনার মাধ্যমে মাননীয় স্পিকার আমি এটি সকল সদস্যের কাছে দেশের সকল বিবেকবান নাগরিকের কাছে প্রশ্ন রেখে যেতে চাই। মাননীয় স্পিকার আমরা যদি সত্যিকারভাবে সবাই এ ব্যাপারে একমত হই আসুন আমরা তাহলে গালাগালি সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে ভূমিকা গ্রহণ করি।
মাননীয় স্পিকার এই দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌম রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের বিভিন্ন সময় লাখো মানুষ জীবন দিয়েছে 2024 সালের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণউদ্বোধন এর সময় গুলি করে পাখির মতন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল মাননীয় স্পিকার ন্যায়পরায়ণতা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই সকল শহীদদের রক্তের ঋণ পরিশোধ করা আমাদের পবিত্র কর্তব্য বলে মাননীয় স্পিকার আমি বিশ্বাস করি দিলেও হবে রক্তের ঋণ পরিশোধ করা যেহেতু আমাদের পবিত্র দায়িত্ব মাননীয় স্পিকার সেজন্য গণতান্ত্রিক জনগণ একটি দলকে একটি দলকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে এবং একটি দলকে বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করার দায়িত্ব দিয়েছে মাননীয় স্পিকার সুতরাং সরকারি দলই বলি বিরোধী দলই বলি আমরা সবাই মিলে আসুন একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ে তুলি মাননীয় স্পিকার
মহাশয় স্পিকার বক্তব্যের শেষে এসে আমি একটি কথা বলতে চাই গণতন্ত্রের জনগণের কাছে আমার আহ্বান আসুন গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তির মধ্যে বিভেদ বিরোধ কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট অপশক্তিকে পুনর্জীবিত করতে পারে সেই পথকেই হয়তো সুগম করতে পারে এটি যেন আমরা ভুলে না যাই মাননীয় স্পিকার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থেই শহীদদের প্রতি কর্তব্যের অংশ হিসেবেই অবশ্যই আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চালিয়ে যেতে হবে মাননীয় স্পিকার কর।
মাননীয় স্পিকার গণতন্ত্র এবং গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা আমাদের মধ্যে ভিন্ন মত থাকবে সারা পৃথিবীতেই সেটি থাকে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতাও থাকবে এটিও ডেমোক্রেটিক প্র্যাকটিস কিন্তু ভিন্ন মতকে যেন শত্রুতায় রূপ না নেয় মাননীয় স্পিকার সে ব্যাপারে অবশ্যই আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে মাননীয় স্পিকার পরিশেষে বক্তব্য শেষ করার আগে দিয়ে আমি আজকের এই অধিবেশনের সমাপ্তি যেহেতু ঘটবে সেজন্য মাননীয় স্পিকার সংসদ পরিচালনার জন্য আমি মাননীয় স্পিকার আপনাকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাতে চাই আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ডেপুটি স্পিকারকে মন্ত্রীসভার মাননীয় সদস্য মাননীয় চিফ হুইপ এবং হুইপ সহ মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা সহ বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ সকল সংসদ সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই ম্যাম স্পিকার।
মান স্পিকার আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি সভাপতি মন্ডলীর মাননীয় সদস্যবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই সচিবালয় সার্জেন্ট আর্মস সচিব সহ কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দকে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং দপ্তরের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দকে আমি আবার আরো ধন্যবাদ জানাতে চাই চিকিৎসক পুলিশ ফায়ার সার্ভিস সহ গণপূর্ত বিদ্যুৎ টেলিফোন বিভাগ নিরাপত্তা বাহিনী সহ যে সকল সাংবাদিক ভাইয়েরা পার্লামেন্টে কাজ করেন সহ সংশ্লিষ্ট সকল সেবা দানকারী সকল প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গকে মাননীয় স্পিকার আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই বাংলাদেশ টেলিভিশন সহ বেসরকারি টেলিভিশন সহ গণমাধ্যমের সকল সাংবাদিক কর্মকর্তা এবং কর্মচারী দিবেন্দ্রকে আবারও মাননীয় স্পিকার আপনাকে সহ সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আমার বক্তব্য শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সুষ্ঠু এবং সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় প্রথমে পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি অধিবেশন জুড়ে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা মতামত প্রদান এবং সংসদীয় কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই মাননীয় সদস্যবৃন্দ মতের ভিন্নতা গণতন্ত্র সংসদীয় ব্যবস্থার স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য ভিন্নমত প্রকাশের পাশাপাশি সংসদীয় কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ পরস্পরের শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা গণতান্ত্রিক চর্চাকে আরো সমৃদ্ধ করে কিছুক্ষণ আগেই মাননীয় সংসদ নেতা গালাগালি সংস্কৃতি পরিহার করার জন্য সকল পক্ষকে আহ্বান জানিয়েছেন অতএব আগামী অধিবেশন সমূহে সকল মাননীয় সদস্য সংসদীয় রীতিনীতি ও ঐতিহ্যকে সমন্বিত রাখবেন বলে আশা করি দেশের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখে সর্বোচ্চ স্থানে রেখে আমরা সবাই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করব এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি মাননীয় সদস্যবৃন্দ ত্রিদেশ জাতীয় সংসদে অধিবেশনের কার্যক্রম শুরু হয় 27শে আগস্ট 2026 তারিখে এবার অধিবেশনে মোট নয়টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এই অধিবেশনে ছয়টি বিল উত্থাপিত এবং ছয়টি বিল পাস হয়েছে আইন প্রণয়ন কার্যবলীর পাশাপাশি এই অধিবেশনে 35 টি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনঃ গঠন করা হয়েছে এছাড়াও একটি বিশেষ কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে সংসদীয় কার্যপ্রণালীর বিভিন্ন বিধির আওতায় সদস্যগণ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নোটিশ প্রদান করেছেন এবং বিধি মোতাবেক নোটিশ সমূহ নিষ্পত্তি করা হয়েছে এই উদ্বিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সম্মানিত সদস্যগণ সর্বমোট 144 টি প্রশ্নের নোটিশ প্রদান করেছেন ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 15 টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীদের উত্তরদানের জন্য 2676 টি প্রশ্নের নোটিশ পাওয়া যায় এর মধ্যে মাননীয় মন্ত্রীগণ এ অধিবেশনে 1678 টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেছেন মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদ পরিচালনায় সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য আমি মাননীয় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই একই সঙ্গে ধন্যবাদ জানাই মাননীয় বিরোধী দলের নেতাকে মন্ত্রীসভার সম্মানিত সদস্যবৃন্দকে মাননীয় চিফ হুইপ হুইপ বৃন্দ এবং মাননীয় বিরোধী দলের চিফ হুইপ এবং এই সংসদের সকল মাননীয় সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয় ডেপুটি স্পিকার এবং সভাপতি মন্ডলী সকল সদস্যের প্রতি যাদের প্রজ্ঞা অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতায় অধিবেশনের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়েছে ধন্যবাদ জানাই জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব সহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভাগ ও দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য চিকিৎসক ফায়ার সার্ভিস গণপূর্ত বিদ্যুৎ এবং টেলিফোন বিভাগ সহ সকল সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে একই সঙ্গে জাতীয় দৈনিক পত্রিকা সংবাদ সংস্থা বাংলাদেশ বেতার সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল সহ দেশের সকল গণমাধ্যমে সাংবাদিক ও প্রতিনিধিবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই মাননীয় সদস্যবৃন্দ সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ও সুসংহতকরণে আমাদের সম্মিলিত দায়িত্ব পালন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পারস্পরিক শ্রদ্ধা সহনশীলতা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে সংসদীয় রীতি ও কার্যপ্রণালীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে আমরা জনগণের আশা প্রতিফলন ঘটাতে সচেষ্ট থাকবো এটাই প্রত্যাশা দেশ ও জাতির অব্যাহত সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং আপনাদের প্রতি সশ্রদ্ধ অভিবাদন এবং শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি ত্রয়দশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপ্তি সংক্রান্ত মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশ পাঠ করছি
বিজ্ঞাপ্তি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 72 অনুচ্ছেদের এক দফায় প্রদত্ত ক্ষমতা বলে আমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলতি তৃতীয় 2026 খ্রিস্টাব্দের তৃতীয় অধিবেশন 1433 বঙ্গাব্দের 26 এ ভাত্র মোতাবেক 2026 খ্রিস্টাব্দের 10 সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার বৈঠক শেষে সমাপ্তি ঘোষণা করছি। স্বাক্ষর করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। মাননীয় সদস্যবৃন্দ আপনাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আল্লাহ হাফেজ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।