মূল লেখায় যান
← সদস্য ও বক্তা

মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান

পাবনা-১ · আসন ৬৮ · Bangladesh Jamaat-E-Islami (BJEI)

সদস্যের পরিচয়
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
(ক)সাঁথিয়া উপজেলা এবং(খ) বেড়া উপজেলার নিম্নিলিখিত এলাকাসমূহঃ (১)বেড়া পৌরসভা, (২)হাটুরিয়া নাকালিয়া ইউনিয়ন,(৩) নতুন ভারেংগা ইউনিয়ন,(৪) চাকলা ইউনিয়ন ও(৫) কৈটোলা ইউনিয়ন
জেলা ও বিভাগ
পাবনা · রাজশাহী
সংসদীয় ইমেইল
pabna.1@parliament.gov.bd
সংসদ
১৩

সংসদের সদস্য তালিকা থেকে ↗

এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আলহামদুলিল্লাহ সালাতু সালাম আলা রাসুলুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার 2014 সালের মে মাস নারায়ণগঞ্জে যেই নেককারজনক সাত খুনের ঘটনা ঘটলো সে ঘটনার পরে র‍্যাব স্কোয়াডকে কিলিং স্কোয়াড আখ্যা দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। সে সময় তিনি র‍্যাবের বিলুপ্তির দাবি জানান। সংস্কার নয় সরাসরি বাহিনীর বিলোপ দাবি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে 2019 সালে তিনি র‍্যাবকে ক্যান্সার আখ্যায়িত করেছিলেন। তখন তিনি র‍্যাবের বিলুপ্তির দাবি করেন এরই ধারাবাহিকতায় 2024 সালে ডিসেম্বরে বিএনপি পুলিশ সংস্কার কমিশনের কাছে র‍্যাব বিলুপ্তির আনুষ্ঠানিক সুপারিশ করেন এই সংসদে মাননীয় স্পিকার মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ র‍্যাব বিলুপ্তির যা দাবি জানিয়েছিলেন রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ও গুম কমিশন ও র‍্যাব বিলুপ্তির সুপারিশ করেছিল এখানে আমরা কি দেখছি মাননীয় স্পিকার 27 বিলের 27 ধারায় যেটা বলা হয়েছে র‍্যাবের জনবল কার্যালয় ক্ষমতা নথিপত্র সম্পদ চুক্তি দায়-দায়িত্ব সরাসরি এসআরবি নতুন বাহিনীর কাছে চলে যাবে অর্থাৎ শুধু সাইনবোর্ডটাই চেঞ্জ হচ্ছে নতুন বোতলে পুরানো মদ র‍্যাবের নাম ছাড়া আর কোন কিছুই পরিবর্তন হচ্ছে না সব ঠিক থাকছে মাননীয় স্পিকার এতে গুম গুমের অপরাধ সহ অনেক অপরাধের মামলা এবং তদন্ত ঝুঁকির মুখে পড়বে। মাননীয় স্পিকার আরো ত্রুটি রয়েছে সাত দফা আমরা লিখিতভাবে দিয়েছিলাম এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যেটা জবাবদিহিতার যে ব্যবস্থা এটা অত্যন্ত ক্ষতিপূর্ণ। এই নতুন যে বাহিনী প্রস্তাব করা হয়েছে এসআরবি এর বিরুদ্ধে অভিযোগ যেটা আসবে সেটা দেখার জন্য যিনি চেয়ারম্যান হবেন তিনি হলেন এসআরবিএ একজন অতিরিক্ত মহাপরিচালক কমিটির স্বাস্থ্যিক দায়িত্ব থাকবেন একজন পরিচালক অর্থাৎ যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই বাহিনীর সেই বাহিনী সেই বাহিনীর চেয়ারম্যান অর্থাৎ কমিটির চেয়ারম্যান হবেন সেই বাহিনীর ব্যক্তি স্বাস্থ্যিক দায়িত্ব তাদের হাতে নিয়োজিত থাকবে আর কি এখানে বিষয়টা হলো মাননীয় স্পিকার সাধারণ যেই স্ট্যান্ডার্ডটা পুলিশ বাহিনীতে মেনটেন করা হয় সেটা এখানে মেনটেন করা হচ্ছে না একটা থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা এবং ম্যাজিস্ট্রেটের অধীনে তদারকি করা হয়। কিন্তু এখানে সেটাও মেইনটেইন করা হচ্ছে না। আমাদের যেটা প্রস্তাব ছিল সেটা হলো এসআরবির বাইরে স্বাধীন ব্যক্তির হাতে এই এই বিষয়টা এই তদন্তের ভারটা দিতে হবে। অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতি, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, ফৌজদারি আইনজীবী, মানবাধিকার কর্মী এবং এবং সাংবাদিকদের এখানে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। মাননীয় স্পিকার, আমরা এসব আপত্তি লিখিতভাবে দিয়েছি। সেগুলো সংসদীয় সংসদীয় কমিটির রিপোর্টে আছে। কিন্তু বিলের মূল কাঠামোতে কোথাও এগুলা পরিবর্তন আনা হয়নি। আমাদের যেটা দাবি একটি দক্ষ বিশেষজ্ঞায়িত বাহিনীর বিরুদ্ধে আমরা না। কিন্তু এটার যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা, যে জবাবদিহিতার ব্যবস্থা এটা ঠিকমত না রেখে শুধু পুরান বোতলে নতুন মদ, শুধু সাইনবোর্ড চেঞ্জ করলে এটার উদ্দেশ্য পূর্ণ হবে না। আমাদের আন্তর্জাতিক যে অবলিগেশন

মূল সম্প্রচারে বক্তব্য শুনুন

· 52:1455:12

পরিচয়ের তথ্যসূত্র ↗