মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সবাইকে সালাম শুভেচ্ছা আসসালামু আলাইকুম জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কিত যে আলোচনা অনুযায়ী হচ্ছে সেখানে তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যহত হওয়া এবং শিল্প কলকাতায় বন্ধ হয়ে বেকারত্ব সৃষ্টি এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয় বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করছি এই আলোচনায় মূলত বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেই মূল বক্তব্যটা হাজির করা হবে। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জায়গা থেকে ইতিমধ্যে যে সমস্ত উদ্যোগগুলো বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গ্রহণ করা হয়েছে তার কিছু বিষয়ে এই সংসদকে অবহিত করার আমি চেষ্টা করব। প্রথমত আমরা সবাই জানি যে কথা ইতিমধ্যে মাননীয় বিরোধী দল নেতা বলেছেন যে আজকে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে যে সংকট এই সংকটটা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়েছে এখানে যে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল সেটা মূলত কতিপয় পোষ্য গোষ্ঠীর সুবিধার্থে গ্রহণ করা হয়েছিল বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকট ছিল কিন্তু সেই সংকটকে পুঁজি করে যাতে কতিপয় পোষ্য লোকজন ব্যাপকভাবে সুবিধা পায় সেই সুবিধার জন্যই পুরো জ্বালানি নীতিটাকে সাজানো হয়েছে এবং সে কারণে আমরা দেখেছি যে দেশের গ্যাস সম্পদ সেগুলোর যে সম্ভাবনা তাকে অনুসন্ধান করা হয়নি সেগুলো উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়নি বরং দেশের সম্পদ উত্তোলন না করে কিভাবে একটা আমদানি নির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় এবং তার সাথে সম্পর্কিত করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা তৈরি করা যায় তার চেষ্টা করা হয়েছে এবং ফলাফল হিসেবে আমরা দেখেছি 29500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আমাদের ক্ষমতা হিসেবে আমাদেরকে বলা হয়েছে কিংবা তার এক ধরনের ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কিন্তু সেখানে এনার্জি মিক্স ঠিক করা হয়নি এবং কিভাবে সেই এনার্জি কিংবা জ্বালানির সরবরাহ হবে তার ব্যাপারেও কোন ব্যবস্থা নেই বরং সেটা আমদানির উপরে পুরোপুরি নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছে এবং এই যে এলএনজি আমদানি করার নীতিটা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই এলএনজি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও যাতে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিরা সুবিধা পায় গোষ্ঠীগুলো সুবিধা পায় তার জন্য সকল আয়োজন করা হয়েছে এ নিয়ে সেই সময় এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে আমরা যথেষ্ট তর্ক করেছি বিএনপির পাশাপাশি আমাদের দল গণসংহতি আন্দোলন কিংবা আরো কিছু গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল দল এইসব বিষয়ে যথার্থ সমালোচনা হাজির করেছিল এবং বিকল্প একটা জ্বালানি নীতি সেই সময় প্রস্তাব করা হয়েছিল কিভাবে আত্মনির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই প্রধান কাজ হিসেবে এটাই গ্রহণ করেছিলেন যে একটা আত্মনির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় যেটা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এবং তার অংশ হিসেবে একে একে পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করা হয়েছিল প্রথম বিষয় আমাদের গ্যাসের সংকট এবং সেই ক্ষেত্রে আমাদের দেশের অংশরে কিংবা স্থলভাগে যে গ্যাস আছে সেই গ্যাস সম্পদ কত দ্রুত উত্তোলন করা যায় সরকার সেই নীতি গ্রহণ করেছে এবং ইতিমধ্যে তিনটি কূপ খননের প্রকল্প পাশ হয়ে গেছে এবং সেটা বাস্তব রাজ্যে যাওয়ার মত প্রক্রিয়ায় আছে আরো 30 টি কূপ খননের উদ্যোগ চলমান আছে মোট 150 টি কূপ খননের উদ্যোগ এই সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে অফসরে অর্থাৎ সমুদ্রবক্ষে আমাদের গ্যাস উত্তোলনের জন্য যে প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাকটিং বা উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি সেগুলো নতুন করে প্রস্তাব করা হয়েছে যাতে জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করে কিভাবে আমরা আমাদের অফসরে গ্যাসকে উত্তোলন করতে পারি এই প্রক্রিয়াগুলো কিছুটা সময় সাপেক্ষ হয় কেননা একদম এই চুক্তি তৈরি করতে হয় তারপর সেই চুক্তির আন্তর্জাতিক বিডিং হয় এবং তাতে বিভিন্ন জন অংশ নেন এই প্রক্রিয়াটি রাতারাতি করার কোন সুযোগ নাই আমাদের এখানে ভোলার গ্যাস আছে এবং ভোলার গ্যাস স্থলভাগে আনার জন্য যে পাইপলাইন প্রয়োজন ছিল তার কোন উদ্যোগ এ পর্যন্ত পূর্ববর্তী সরকারের সময় আমরা দেখিনি। বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে পাইপলাইনের মাধ্যমে কিভাবে ভোলার গ্যাস এখানে আনা যায়। এইসব উদ্যোগ এবং একই সাথে একটা যুগান্তকারী উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে রিনিউয়েবল এনার্জির ক্ষেত্রে যেটা আসলে গত 10 বছর আগ থেকে এই দেশে বলা হয়েছিল যে রিনিউয়েবল হচ্ছে ভবিষ্যৎ কিন্তু তখন এটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। না দেওয়ার ফলে এতদিনে আমরা যেখানে রিনিউয়েবল একটা গুরুত্বপূর্ণ যে অগ্রগতি সাধিত হতে পারতো

মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ · আসন ২৪৮ · People's Solidarity Movement
সদস্যের পরিচয়
- রাজনৈতিক দল
- গণসংহতি আন্দোলন
- আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
- বাঞ্ছারামপুর উপজেলা
- জেলা ও বিভাগ
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া · চট্টগ্রাম
- সংসদীয় ইমেইল
- brahmanbaria.6@parliament.gov.bd
- সংসদ
- ১৩
এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।