বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 606 মাননীয় সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী চট্টগ্রাম 15 উত্থাপন করতে পারেন তিনি নাই অন্য কোন সদস্য ইচ্ছা করলে কামরুল হাসান হাসান মামি সিং চোয়াই প্লিজ উত্থাপন করুন।
আসসালামু আলাইকুম ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে আমি মোহাম্মদ কামরুল হাসান জনাব শাহজাহান চৌধুরী 292 চট্টগ্রাম 15 উনার পক্ষে তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 606 এই মহান সংসদে উপস্থাপন করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য নৌপথ এবং বন্দর কেন্দ্রিক তিনটি বিষয়ে প্রশ্ন করেছেন উল্লেখিত বিষয়ে বহুমুখী কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে যেহেতু উত্তরটি অনেক বিস্তৃত অতএব পঠিত আকারে গণ্য করবার জন্য সবিনয় অনুরোধ করছি
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর নিকট জানতে চাচ্ছি যে বাংলাদেশের নদী পথগুলো আগের মত ব্যবহৃত হচ্ছে না এর কারণ বিশেষ করে নৌপথ চলাচলের উপযোগী না পাশাপাশি ঢাকা শহরের চতুর্দিকে যে মানে বুড়িগঙ্গা নদীটা এই নদী কেন্দ্রিক 2004 সনে ওয়াটার বাস প্রকল্প চালু হয়েছিল পরবর্তীতে এটা 2010 এ অনেক দুর্নীতির কথা আমরা শুনেছি বর্তমানে এই নৌপথ যানজট নিরসনের জন্য এই ওয়াটার বাস প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা কি এবং ভবিষ্যতে এটা চালু করার পরিকল্পনা আছে কিনা পাশাপাশি আমি এই নদীর যে দূষিত হচ্ছে পানি এটা শুধুমাত্র বরিগঙ্গা নয় ব্রহ্মপুত্র সহ সারাদেশের নদীগুলোই সোয়ারেজ খালের কারণে বর্য ব্যবস্থা সেই নদীতে নিয়ে ফেলা হচ্ছে এই নদী সংরক্ষণের জন্য পানি সংরক্ষণ এবং নৌপথ চলাচল উপযোগী করার কোন পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য বাংলাদেশের নৌপথের সাড়ে সাত হাজার কিলোমিটার এই মুহূর্তে ড্রেজিং করে সচল রাখা হয়েছে 1200 কিলোমিটারের মত ড্রেজিং চলমান রয়েছে নৌপথ সচল রাখার জন্য সংরক্ষিত ড্রেজিং সব সময়ের জন্য বিআইডব্লিউটিএ থেকে বাস্তবায়ন করা হয় যেখানে নৌপথের নাব্যতা রক্ষা করা দরকার নৌ চলাচল রুট যেখানে সচল আছে তার ড্রেজিং করে নিয়মিতভাবেই সংরক্ষণ করা হচ্ছে অতএব ড্রেজিং অপর্যাপ্ত এ কথা বলার সুযোগ নেই আবার সমুদ্র বন্দর যেগুলি আছে সেখানে চিটাগাংয়ে অন্তত 10 মিটার ড্রাফ নিশ্চিত করবার জন্য নিয়মিত ড্রেজিং করা হয় আবার গভীর সমুদ্র বন্দর যেটা করা হচ্ছে সেখানে 12 মিটার ড্রেজিং আছে এবং আগামীতে 16 মিটার ড্রাফটে ড্রেজিংটা অব্যাহত রাখার জন্য কার্যক্রম চলমান আছে অতএব নৌপথ সচলের জন্য পর্যাপ্ত ড্রেজিং হচ্ছে না এটি সঠিক নয় দ্বিতীয়ত হচ্ছে ঢাকার চারপাশে যে নদী সেটা দূষণ আছে এবং সেই দূষণ কি প্রক্রিয়ায় হচ্ছে তা ইতিমধ্যে চিহ্নিত করে 424 টি স্পট নির্ধারণ করা হয়েছে সেখানে আছে কেমিক্যাল বর্জ আছে লিকুইড বর্জ আছে সলিড বর্জ ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ঢাকার এই চারপাশে যে পাঁচটি নদী তা দূষণমুক্ত করবার জন্য ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে এবং গতকাল এ বিষয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ সমন্বিত মিটিং হয়েছে কমিটি করা হয়েছে নদী এই পাঁচটি আপনার পরিদর্শন করা হয়েছে অতএব এই দূষণমুক্ত করবার জন্য ওয়াশা ঢাকা দুই সিটি কর্পোরেশন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন বিআইডব্লিউটিএ তারপর হচ্ছে আপনি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করছে যে কার্যক্রম ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে তাতে আগামীতে নদীগুলির আপনার পাড় সংরক্ষণ এগুলিও এই বিষয়ের মধ্যে আমলে আনা হয়েছে বিশেষ করে শিল্পবর্য যাতে আর নদীতে না যায় সেই জন্য পর্যাপ্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে পরিবেশ মন্ত্রণালয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় অতএব এই ঢাকার চারপাশে যে ওয়াটার বাথ চালু উদ্যোগের জন্য যে পরিবেশ দরকার সেই পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত করা হচ্ছে এটা সত্য যে গত 10 বছর আগ ধরে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস চালু ছিল এবং সেই ওয়াটার বাস গত 10 বছরে লস করেছে 57 কোটি টাকা অর্থাৎ প্রত্যেক বছর 5 কোটি 70 লক্ষ টাকার মত এখন নতুন করে বিআইডব্লিউটিএ সমস্যাগুলি চিহ্নিত করে ঢাকার চারপাশে ওয়াটার বাস আবার পরিচালনা করার উদ্যোগ নিয়েছে আমরা আশা করছি দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ঢাকার চারপাশে যে রিং ওয়াটার ওয়েজ আছে তাতে আমরা ওয়াটার বাস পরিচালনা করে জনগণকে কেন্দ্রীয় সরকারের অবস্থান
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় সংসদ সদস্য যে বিষয়টি অবতরণ করেছেন তো এটার ব্যাপারে ডিটেলস এই মুহূর্তে আমার ধারণা নেই যে ওই বন্দরের কার্যক্রম কোন পর্যায়ে আছে অথবা কোন পর্যায়ে গিয়ে এটা স্থগিত হয়েছিল অকার্যকর হয়েছিল। আমি বিস্তারিত জেনে পরবর্তীতে সংসদকে অবগত করব এবং মাননীয় সংসদ সদস্যকেও অবগত করব। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমাকে সুযোগ প্রদান করার জন্য আমরা জানি যে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের বেশ কিছু সমস্যা এবং দুর্বলতা গুলো রয়েছে বিগত স্বৈরাচারের সময় থেকে এগুলো বহন করে এসেছে প্রধানতম যে সমস্যাগুলো হচ্ছে নদীর নাব্যতা সংকট অবৈধ দখল ও দূষণ নৌপথে নিরাপত্তাহীনতা বন্দর ব্যবস্থাপনার সীমাবদ্ধতা আভ্যন্তরীণ নৌপথের অপব্যবহার দুর্নীতি ও অনিয়ম দক্ষ জনবলের অভাব জলবায়ু প্রভাব তো সার্বিক বিচারে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে এই যে সমন্বয়মূলক কার্যক্রমের দরকার এই নৌপথের দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনা প্রতিরোধের জন্য বিশেষ করে আমরা জানি যে নদীগুলো যে দখল হয়ে যাচ্ছে এই বিষয়ে আমি মাননীয় স্পিকারের মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে কাছে জানতে চাচ্ছি নদী দখল ও দূষণ রোধে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং বিআইডব্লিউটি কতটা অবৈধ স্থাপনা এ পর্যন্ত উচ্ছেদ করা হয়েছে তাদের আওতাধীনে এবং পুনরদখল ঠেকাতে কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে আর এ ধরনের যারা দখল করে রাখছে তাদের ব্যাপারে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে কিনা আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানতে চাচ্ছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার বিআইডব্লিউটিএ বাংলাদেশের নদীর সীমানাটা নির্ধারণ করে এবং নদী পথটা সচল রাখে নদীর অবৈধ যে দখল আছে সেগুলি চিহ্নিত করে এবং যারা দখল করেছে তাদের তালিকাভুক্ত করে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সহায়তা চায় উচ্ছেদ করবার জন্য বিআইডব্লিউটিএর সরাসরি নদী যারা দখল করেছে উচ্ছেদ করার কোন আইনি বৈধতা নেই যার ফলে স্থানীয় প্রশাসনের আছে যে সমস্ত জায়গা উচ্ছেদ করা দরকার তা চিহ্নিত করে তালিকা করে তাদের সহযোগিতা চাওয়া হচ্ছে এবং উচ্ছেদ কার্যক্রম চলমান আছে তবে আরো গতি থাকা দরকার বাট স্থানীয় প্রশাসনের কোন কোন সময়ে লজিস্টিক্যালি প্রস্তুত না থাকার কারণে উচ্ছেদ কার্যক্রম প্রত্যাশা অনুসারে বাস্তবায়ন কম আছে এটি সত্য তো সেখানে আরো বেশি মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় প্রশাসনের পর্যাপ্ত সহায়তা পেলে আমার মনে হয় দখল যেগুলি আছে সেগুলি আরো আমরা অবমুক্ত করতে সক্ষম হব দ্বিতীয়ত আরেকটি কথা বলেছেন প্রশ্নকর্তা মাননীয় সংসদ সদস্য যে চট্টগ্রাম বন্দর বা বন্দরগুলিতে অব্যবস্থাপনা আছে না যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমান সামুদ্রিক বন্দর বাংলাদেশের যে কয়টি আছে সেখানকার অবস্থা অনেক উন্নত চিটাগাং পোর্টে একসময় দিনের পর দিন জাহাজকে অবস্থান করতে হতো পণ্য খালাস অথবা পণ্য আপনার লোড করার জন্য এখন সেখানে জিরো আবার অর্থাৎ কোন জাহাজ এসে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় থাকছে না আবার বাড়তে অথবা আপনার ডিপসিতে জাহাজ কিন্তু দুই দিনের মধ্যে পণ্য খালাস করে পণ্য আবার লোড করে ছেড়ে যেতে পারছে যেটা রেকর্ড আগে সেখানে আট থেকে 10 দিন লাগত অর্থাৎ বন্দর গুলি চিটাগাং বন্দর এবং মংলা বন্দর যেকোনো সময়ের চেয়ে রেকর্ড সংখ্যক তারা রেভিনিউ কালেক্ট করেছে রেকর্ড সংখ্যক তারা কন্টেইনার আপনার লোড এবং আনলোড করেছে অর্থাৎ বন্দরের সেবা এবং মান দক্ষতার সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে যার ফলে আমরা মনে করছি যে বাংলা চট্টগ্রাম বন্দরের ধরেন পতেঙ্গা কন্টেইনার টার্মিনাল সেটা সৌদির একটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে এবং তারা অত্যন্ত আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সেবা নিযুক্ত মানে এনশিওর করেছে আমার এখানে মেম্বার অফ পার্লামেন্ট শাজান চৌধুরী আছেন যিনি এই প্রথম প্রশ্নটা করেছিলেন তার সম্পূরক প্রশ্ন হিসেবে তিনিও সেদিন লালদিয়াতে আমরা একটা কন্টেইনার টার্মিনাল এপি মুলার ডেনমার্কের তাদের পিপিপি মেথডে কিন্তু আমরা ডেভেলপমেন্ট করছি সেটা একটা গ্রীন টার্মিনাল সেখানে কন্টেইনার আপনার ডিপো আছে সেখানে এসটিএস সিস্টেম চালু করা হয়েছে এবং মাননীয় সংসদ সদস্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন অর্থাৎ সেখানে প্রায় আট মিলিয়ন ডলারের মত বিনিয়োগ আসছে এবং আমরা একটা আধুনিক কন্টেইনার টার্মিনাল তৈরি করতে চলেছি প্রায় 600 50 মিটারের মত জেটির এরিয়ার দৈর্ঘ্য। তো সবকিছু মিলিয়ে আপনি দেখবেন যে সেখানে প্রায় 3000 লোকের মত কর্মসংস্থান হবে। টেকনোলজিক্যালি আমরা আধুনিক কন্টেইনার টার্মিনাল অথবা নৌবন্দর ব্যবস্থাপনার দিকে যাচ্ছি। আপনি যদি বে টার্মিনাল বলেন সেখানেও সিঙ্গাপুরের পিএস একটা কোম্পানির সাথে আমাদের এমইউ হবে। হয়েছে টু ডি সিমুলাইজেশন কমপ্লিট হয়েছে থ্রি ডি সিমুলাইজেশন চলমান যদি মুংলাপোর্টে যান সেখানেও গত যেকোনো সময়ের চেয়ে গত ছয় মাসে প্রায় আমরা 225 কোটি টাকার মতো বেশি রেভিনিউ কালেক্ট করেছি কম্পারেটিভলি লাস্ট ইয়ারের চেয়ে অর্থাৎ নৌবন্দর এবং নৌ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বিআইডব্লিউটিএ বিআইডব্লিউটিসি জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করবার জন্য প্রত্যাশা অনুসারে সমৃদ্ধ করবার জন্য কর্মাগতভাবে ফাংশন কোচে ধন্যবাদ মানুষ স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি দেরিতে আসাতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত আসলে হেঁটে হেঁটে আসতে হয়েছে তো নেমবো মন্দিকে হেঁটে হেঁটে আসতে আসতে দেরি হয়ে গেল এজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত ক্ষমাপ্রার্থী তো আমার আজকে প্রশ্নটা উত্থাপিত হয়েছে আমার পক্ষ থেকে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য তুলেছেন আমি প্রথমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আমাদের কক্সবাজারের মাদারবাড়ি ডিপ পোর্ট যেটা সেটার অগ্রগতি দেখার জন্য গত মাসে গিয়েছিলেন এবং সেখানে টোটাল অগ্রগতি দেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ এইবারের নতুন গণতান্ত্রিক সরকার আসার পর থেকে সেখানে কাজের অগ্রগতি হচ্ছে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী নৌপরিবহনের উনার সাথে আমরা একসাথেই আমাদের চট্টগ্রামে নেদারল্যান্ডের সাথে চুক্তি করে যেটা নিউ টার্মিনাল হয়েছে এই নিউ টার্মিনাল আসলে আমাদের দলীয় জোট সরকারের আমলে আমাদের চট্টলার বর্তমান মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবির হোসেন মাহমুদ চৌধুরী অনেক সংগ্রাম লড়াই করে এইখানে উচ্ছেদ করেছেন এবং নতুন একটি বন্দর হচ্ছে তো আমার আসলে সম্পূরক যে প্রশ্নটা মাননীয় মন্ত্রী অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে দিয়েছেন জাতিকে জানিয়েছেন বিশেষ করে আমাদের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাদারবারে ডিপ প্লিজ মুসকালি পর্যন্ত এই এলাকাতে টোটালি সেখানে বন্দর হওয়ার মত উপযোগী আমরা আশা করছি সেখানে আগামী দিনে বন্দর হবে সিঙ্গাপুরের মত আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরটা ডেভলপ হবে আশা করি তবে এখন যে সমস্যাটা সেটা হচ্ছে মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং জানতেও চাচ্ছি সেটা হল চট্টগ্রাম বন্দরের অনেক জায়গা এখন পাবলিকলি আগের বন্দরের বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সেখানে লিজ দেওয়া হয়েছে বর্তমান সরকার আসার পরে কিছু লিজ উদ্ধার করা হচ্ছে তো এটাকে যত বেশি তাড়াতাড়ি বন্দর থেকে অবৈধ যারা দখলদার তাদেরকে উচ্ছেদ করতে পারবে তত বেশি বন্দরের কাজটা ডেভলপ হবে উন্নতি হবে এবং আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরটা একটা আধুনিক বন্দরে রূপান্তরিত হবে এইজন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার জিজ্ঞাসা যে অবৈধ দখলদার যারা আছে যেমনিভাবে আমাদের জনাব অর্থমন্ত্রী আমির হোসেন মাহমুদ চৌধুরী 2004 সালে বর্তমানে যেখানে আমাদের আমরা সেইদিন টার্মিনাল উদ্বোধন করলাম। সেটা তো উনি এই রিস্ক নিয়ে তাদেরকে উচ্ছেদ করেছে। অন্য জায়গায় এস্টাবলিশ করেছে। সেখানে আজকে একটা বন্দর হয়েছে। আমাদের নতুন একটা যাত্রা শুরু হলো। ঠিক সেইভাবে করে বন্দরের জায়গাগুলো উদ্ধার করার জন্য আমি প্রায় এক বছর ধরে সাংবাদিক সম্মেলন করেছি। বলেছি। বন্দরের কর্তৃপক্ষকে বলেছি। তো মাননীয় মন্ত্রী আপনি অত্যন্ত ডাইনামিক অত্যন্ত যোগ্য এবং অত্যন্ত মডারেট আপনি চিন্তাভাবনা করছেন এই অবৈধ উচ্ছেদ গুলো আপনি করবেন কিনা সেটাই আপনার কাছে জিজ্ঞাসা ধন্যবাদ মনীষ
ইতিমধ্যে কয়েকটি লিজ বাতিল করা হয়েছে বাতিল করে তিনটি জায়গায় এরকম আপনার লিজ দেওয়া হয়েছিল সেটা বাতিল করে দুটি অলরেডি উদ্ধার করা হয়েছে আরেকটি উদ্ধারের জন্য তারা আদালতে স্বর্ণাপন্ন হতে হচ্ছে কারণ আদালতে তারা গিয়েছে আমি এক সপ্তাহ আগে চট্টগ্রামে গিয়েছিলাম বাকি কয়েকটি জায়গা আছে সেটা রেল মন্ত্রণালয় এবং নৌ মন্ত্রণালয়ের মালিকানা নিয়ে দখল পাল্টা দখল আছে সেগুলি বিস্তৃত শুনে আমি সেখানে সিদ্ধান্ত দিয়ে এসেছি আদালতে যেগুলি আছে সেগুলো আরবিটেশনের মাধ্যমে যেহেতু দুটি মন্ত্রণালয় আমার অধীনে আমি একটা আরবিটেশনের মাধ্যমে একটা সিদ্ধান্ত দিয়ে আসছি সেটা কার্যকরী হয়ে যাবে আগামী দুই মাসের মধ্যে অর্থাৎ চট্টগ্রামের বন্দরের আর কোন জায়গা বাইরে দখল যুক্ত হয়ে থাকছে না সব জায়গায় ধন্যবাদ মানুষ
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার নির্বাচন এলাকা 30 গাইবান্ধা 2 আর গাইবান্ধা জেলায় এটা পাবলিক লাইব্রেরি 1900 7 সালে নির্মিত হয়েছে এবং উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকার কারণে এটা জরাজীর্ণ অবস্থা টিন সেট একটা
আমি আপনার মাধ্যমে সংসদ মন্ত্রী মহোদয়ের অনুকর করে বলিবেন কি গাইবান্ধা জেলার ঐতিহ্যবাহী পাবলিক লাইব্রেরিটি সংস্কার এবং পরিবর্ধন করে আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন একটি যুগ উপযোগী পাটাগাড়ে পাটাগাড়া হিসেবে গড়ে তোলার কোন পরিকল্পনা আছে কিনা? ধন্যবাদ মডারেটর স্পিকার।
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন গণ গ্রন্থাগার অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত গাইবান্ধা জেলার সরকারি গ্রন্থাগারটি সংস্কারের জন্য বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। পাঠ্যভাষ বাড়াতে সেবার মান উন্নয়ন জরুরি। গ্রন্থাগার সেবার মান উন্নয়ন গ্রন্থাগারের অধিদপ্তরের আওতাধীন জেলার সরকারি গন্তব্য গাইবান্ধা দেশের সকল সরকারি গন্তব্য সহ গাইবান্ধা গন্তব্য সহ দেশের সকল সরকারি গন্তব্যে পাঠকবৃন্দের গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদানের নিমিত্তে কিউআর কোড সরবরাহ করা হয়েছে যেখানে পাঠকবৃন্দ সহজেই তাদের মূল্যবান মতামত প্রদান করতে পারে গণগ্রন্থগারগুলোতে পাঠকদের জন্য ফ্রি ইন্টারনেট ওয়াইফাই সুবিধা রয়েছে। এ বুক সার্চ সিস্টেমের মাধ্যমে লাইব্রেরির অভ্যন্তরে বা বাইরে বই সার্চ করলে তাৎক্ষণিকভাবে বইয়ের অবস্থান নির্ধারণ করা যায়। নতুন বইয়ের নোটিফিকেশন সিস্টেমের মাধ্যমে লাইব্রেরিতে নতুন বই যুক্ত হলে পাঠকদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে নোটিফিকেশন প্রদান করা হয়। দেশের সমগ্র সরকারি গ্রন্থগারে অটোমেটেড লাইব্রেরি সেবা সমূহ চালু করা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ, মাননীয় সংসদ সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ।
স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার সম্পর্ক পর্ষদ গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরীতে শিশু কিশোরদের লেখাপড়ার লেখাপড়া উৎসাহিত করতে তাদের উপযোগী বই শিক্ষা উপকরণ এবং আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশে পরিবেশ সহ একটি আধুনিক শিশু কিশোর করোনা স্থাপনের কোন পরিকল্পনা সরকারের আছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য এই প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য সম্পর্ক প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য আমরা সারা বাংলাদেশে শিশু কিশোরদেরকে থেকে যুবকদের পর্যন্ত এবং সমস্ত মানুষের মাঝে পাঠ্যবাস গ্রহণ করার জন্য আমরা জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র পাবলিক লাইব্রেরি মানে গণগ্রন্থকেন্দ্র এবং মানে ভ্রমমান লাইব্রেরি সবকিছুর মাধ্যমে আমরা ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। আমরা সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মানে তরুণ সমাজকে যাতে জ্ঞানচর্চার দিক থেকে তাদের জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়া যায় সেটা হচ্ছে আমাদের বর্তমান সময়ের পরিকল্পনা। আমরা সমস্ত প্রকার জীবন বিমুখ, সংগ্রাম বিমুখ হতাশা সৃষ্টিকারী সমস্ত মানে দৌড় করার জন্য বিশেষ করে মাদক আসক্ত মানুষদেরকে মাদকমুক্ত করার জন্য তরুণদেরকে জীবনের মেন স্ট্রিমে নিয়ে আসার জন্য আমরা এই পরিকল্পনা চালু করেছি এবং এটা চলমান রয়েছে এবং ক্রমাগত বৃদ্ধি হবে এটা আপনাকে ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, ট্রান্সপোর্ট, কমিউনিকেশন, কালচারাল অ্যাক্টিভিটিস এন্ড স্পোর্টস ইজ দা সিভিলাইজেশন। আর এই সিভিলাইজেশনকে উন্নত করার জন্য যুব সমাজকে আরো প্রগতির দিকে এবং তাদের চরিত্র গঠনের মাধ্যমে দেশ গঠনের ভূমিকা রাখার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলি কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। তার মধ্যে যেমন গুণীজন এবং শিল্পীদের উনি সম্মাননা বাতায় দেওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।
অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন আমি মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী কে জানতে চাই ঢাকার সাংস্কৃতি পরিমণ্ডল অত্যন্ত আনন্দ ঢাকার কাছে পূর্বাচল নতুন শহর আমি বিনয়ের সাথে জানতে চাই যে এই জাতীয় গ্রন্থাগারের মত একটি গ্রন্থাগার এবং সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের মাধ্যমে যুব সমাজকে এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কালচারাল অ্যাক্টিভেট এর মাধ্যমে জাতীয় গঠনে ভূমিকা রাখার জন্য ঢাকা অনেক জনবসতিপূর্ণ এবং ঢাকার বাইরে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য যে প্রশ্ন করেছেন আমরা ইতিমধ্যেই চট্টগ্রামের সরি আপনার পূর্বাচলের একটা অংশে আমাদের মাননীয় অর্থমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে আমরা সেখানে একটা সাংস্কৃতিক হাব গড়ে তোলার জন্য চিন্তা করছি এবং এই পরিকল্পনা পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করব খুব অচিরেই কারণ বর্তমান অর্থবছরে এটি অন্তত উর্ভুক্ত করা সম্ভব হয়নি তবে আশা করছি আমরা খুব শিগগিরই করলে আমরা আগামী অর্থবছর এই বছরের মধ্যেই আমরা আমরা এই নিয়ে কার্যক্রম শুরু করব আমরা মানে যুব সমাজের সাংস্কৃতিক মান উন্নয়নের জন্য আমরা ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছি এবং এই মুহূর্তে গত দুই তারিখ থেকে বাংলাদেশের সমস্ত প্রাইমারি স্কুল বেসরকারি প্রাইমারি স্কুল কিন্তু গার্ডেন স্কুল এবং স্কুল পর্যায়ে আপনার সেখানে গান সেখানে নৃত্য সেখানে সেখানে চিত্র অঙ্কন উপস্থিত বক্তৃতা এবং একাঙ্কি নাটক এবং এগুলো সবই হচ্ছে আপনার ইয়ে হবে মানে প্রতিযোগিতামূলক এবং এর পরের সপ্তাহে সমস্ত মাদ্রাসা এবং মাদ্রাসা এবং কলেজ এবং কারিগরি কলেজ সেগুলোতে আবার প্রতিযোগিতা সাত দিন ছয় দিন চলবে এবং এর পরের সপ্তাহে আমরা সমস্ত মানে মহাবিদ্যালয় মানে কলেজ এবং কারিগরি কলেজ এই পর্যায়গুলোতে আমরা যাব এবং তারপরেই আমরা মানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এভাবে ধাপে ধাপে আমরা উপজেলা জেলা গ্রাম থেকে গ্রাম উপজেলা জেলা বিভাগ বিভাগে আমরা জাতীয় জাতীয়ভাবে করব আমরা সমস্ত বাংলাদেশের সমস্ত তরুণ সমাজকে সমস্ত মানে ছাত্রছাত্রীদেরকে আমরা এই ব্যাপক সাংস্কৃতিক কর্মকার্য লাগাতারভাবে দুই মাস ধরে আমাদের চলবে অক্টোবরে আমরা জাতীয় সম্মেলন করব আমরা আশা করি আমরা মানে আবেদন রেখেছি এবং রাখবো মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেই জাতীয় সম্মেলনে তিনি উপস্থিত থাকবেন উদ্বোধন করবেন এবং সবার মাঝে পুরস্কার এই কার্যক্রম আমরা গ্রহণ করেছি। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার, ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমরা জানি যে বাংলাদেশে গত ফ্যাসিস্ট রেজিমে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ কোটি, সাড়ে ২২ কোটি, সোয়া ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি পাঠাগারগুলোতে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুজিব কর্নার স্থাপিত হয়েছিল। ২৪ এর অগাস্টের পরে এই নোটিশগুলো সরিয়ে নেয়া হয় বা হেডিংগুলো সরিয়ে নেয়া হয় কিন্তু পাঠাগারগুলো সেখানেই অরক্ষিত অবস্থায় আছে। এর মধ্যে ৬৫,৭০০ কপি আমি পত্রিকায় পেয়েছি। আটটি বই দেয়া হয়েছে এর মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রিয় খাবার ইত্যাদি ইত্যাদি বই। আমার মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আপনার মাধ্যমে প্রশ্ন যে এই লাইব্রেরীগুলোকে যদি সংস্কারের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই কর্নারে রূপান্তরিত করা হয় তাহলে এটি বাংলাদেশের মানুষের জন্য সুদূরপ্রসারী কল্যাণের কাজ হতে পারে। এ ব্যাপারে কোন চিন্তা আছে কিনা? আপনাকে ধন্যবাদ।
আমি অনুরোধ করব একটা নোটিশ দিতে এবং আলাদা করে একটা মানে সমস্ত লাইব্রেরিগুলোর তালিকা দিয়ে আমাদের গণগ্রন্থগার এবং পাবলিক লাইব্রেরির যে তালিকা এটা সারা বাংলাদেশের বিস্তৃত পাবলিক লাইব্রেরির সমস্ত সরকারি লাইব্রেরি জেলা এবং উপজেলায় আর জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র হচ্ছে বেসরকারি লাইব্রেরি এটা গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত হতে পারে আছে অনেক জায়গায় মাননীয় সংসদ সদস্য যে লাইব্রেরি কথাগুলো বললেন আমরা অবশ্যই এগুলোকে আমরা আমাদের আওতার ভুক্ত নেব এবং উনি একটি সম্পর্ক প্রশ্ন করে অথবা একটা তালিকা করে মানে সরাসরি একটা লেটারের মাধ্যমে আমার কাছে দিতে পারে। আমরা এখানে আমাদের দপ্তরে আমরা এটা এটা আলোচনা করে আমরা আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ। ও
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা গুণী সাহিত্যিক শিল্পী ও সংস্কৃতি কর্মীদের জীবন কর্ম ও অবদান যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে একটি সমন্বিত জাতীয় ডাটাবেজ প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে কি? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় সংসদ সদস্য আমরা আর্কাইভস এবং লাইব্রেরির একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। সেখানে আমরা সেই পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করেছি আমরা পরিকল্পনা দাখিল করেছি এবং সেখানে আর্কাইভস এবং ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে আমরা সমস্ত গুণী যত শিল্পী সাহিত্যিক সে মানে সংস্কৃতি কর্মী যারা ওই যতদূর পেছনে যাওয়া যায় তখন থেকে তাদেরকে আমরা আমরা সংগ্রহ ইয়ে তালিকাভুক্ত করবো। এটা হচ্ছে কোন আর্কিটেকচার লাইব্রেরি হচ্ছে গ্রন্থশালা। সেখানে আমার আপনাদের সবকিছু পাওয়া যাবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে এটা শুধুমাত্র ক্লিক করলেই সবকিছু আপনার বেরিয়ে আসবে। এগুলো আমাদের করা হবে। তাছাড়া আমাদের আরো অন্যান্য অন্যান্য পদ্ধতি রয়ে গেছে। সেখানে আমাদের মানে গুণী শিল্পী তারপরে দোস্ত শিল্পী সবার জন্য আমাদের এ সমস্ত পর্যায়ক্রমে সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য।
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আমি ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করে বলিবেন কি যশোর জেলার সারসা উপজেলায় কতটা মসজিদে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু আছে এবং বাকিগুলিতে কবে নাগাদ চালু হবে
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আলহামদুলিল্লাহ। মাননীয় স্পিকার, আপনার মাধ্যমে সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তবায়িত বাস্তবায়নাধীন নৈতিকতা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম আ- অষ্টম পর্যায়ে প্রকল্পের আওতায় যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় চলমান মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৫৩টি। তার মধ্যে ১০২টি মসজিদে শিক্ষা কেন্দ্র চালু রহিয়াছে। প্রকল্পের অষ্টম পর্যায়ে জানুয়ারি ২০২৫ ৩০শে জুন ২০৩০ পর্যন্ত অনুমোদনকালে নতুন করিয়া শিক্ষা কেন্দ্র সংখ্যা বৃদ্ধি না পাওয়ায় বর্তমানে শার্শা উপজেলায় বাকি মসজিদগুলোতে নতুন শিক্ষা কেন্দ্র চালু করার কোনো সুযোগ নাই। তবে ডিপিপি সংশোধনকালে নতুন শিক্ষা কেন্দ্র বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হইবে। প্রস্তাব অনুমোদিত হইলে শার্শা উপজেলায় বাকি মসজিদগুলিতে বিধি মোতাবেক পর্যায়ক্রমে কেন্দ্র বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার জিজ্ঞাসা যে ইসলামী ফাউন্ডেশনের রিপোর্টে আছে সাত সারসা উপজেলায় 752 টি মসজিদ। এর অতিরিক্ত মসজিদ আছে কিন্তু এটা জেলার একটা রিপোর্ট। 752 টা মসজিদ সেখানে মাত্র 102 টা মসজিদে মানে এটা চালু আছে। তো তাহলে সাত ভাগের এক ভাগ মাত্র তো এই জায়গায় এরকম একটা বিরাট সুযোগ আমরা হারাচ্ছি সেটা হচ্ছে যে যেখানে ঘরের জন্য বেঞ্চের জন্য কোন পয়সা লাগে না মাত্র 6000 টাকা দিলে একজন শিক্ষক দিলে এই যে পাঁচ বছরের বাচ্চারা পাঁচ বছর ছয় বছরের বাচ্চারা শিখতে পারে এই জায়গা থেকে আমার মনে হয় আমরা বঞ্চিত হয়ে যাচ্ছি আর এখানে আরেকটা কথা যে 153 টা মানে কেন্দ্র সংখ্যা অথচ চালু আছে মাত্র 102 টা এটা একটা অবহেলা যে শিক্ষক চলে গেছে তাদেরকে পরীক্ষা নিয়ে দেওয়া হচ্ছে না এইভাবে অবহেলার শিকার হয়েছে তো আমার তো মনে হয় ঠিক
সকল উপজেলার চিত্র হবে। তো এই জায়গায় আমরা এই ছোট শিশুদেরকে বঞ্চিত করছি। এর থেকে আমরা কিভাবে উত্তরণ করতে পারি? এই 26 26 এর অর্থবছরের ভিতরে এটা কি এই আপনার এটা সংশোধন হবে? ডিপিপি সংশোধন হবে?
মাননীয় স্পিকার গত 17 টি বছরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে আওয়ামী লীগ সরকার আওয়ামী লীগকরণ করেছে মুজিবকরণ করেছে এইখানে ইসলামী ফাউন্ডেশনের যে উদ্দেশ্যে ইসলামী ফাউন্ডেশনকে গঠন করা হয়েছিল সেই কাজ করার কোন সুযোগ দেওয়া হয় নাই আমরা চেষ্টা করছি আগামী এক বছরের মধ্যে আল্লাহ যদি মেহেরবানী করে আমার মাননীয় সংসদ সদস্য যে কথাটা বলেছেন উনি প্রমাণ পাবেন আগামী এক বছর কি হচ্ছে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা ইসলামী ফাউন্ডেশনকে সাজানোর চেষ্টা করছি যাতে করে ইসলামী ফাউন্ডেশন দেশ এবং জাতির জন্য ইসলামের জন্য কাজ করতে পারে অনেক ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চাই কুমিল্লা জেলার দেবিদ্যা চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় মসজিদ ভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা কার্যক্রম চলমান আছে কিনা? আরেকটু বিষয় জানতে চাই যেহেতু এটাকে একটু নৈতিকতা সম্পন্ন বলা হয়েছে ধর্ম বিষয় শিক্ষার সাথে নৈতিকতা বিষয়টা কিভাবে সংযুক্ত উনি যদি একটু বলতেন এটি আমার প্রশ্ন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ আসলে প্রশ্ন যেটা করা হয়েছে একটা শিশু জন্মগ্রহণ করলে তার থেকে বাপ ডাক বা মা ডাক শুনতে হলে তাকে সময় দিতে হয় আমাদের সরকারের আল্লাহর রহমতের সময় হলো ছয় মাস উনি যথার্থই বলেছেন বৃক্ষতর পরিচয় কি ফলে পরিচয় আগামী দিনে উনি এগুলি প্রমাণ পাবেন ইনশাআল্লাহ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে আমি মাননীয় ধর্মমন্ত্রীর কাছে বিনীতভাবে জানতে চাই যে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এ যাবতকাল ধরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নটি জেলায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এবং যে সামান্য তহবিল তাদের আছে তা দিয়ে সমস্ত বাংলাদেশের কল্যাণমুখী কার্যক্রম পরিচালনা সফলভাবে করা সম্ভব হচ্ছে না আমি এই হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের সরকারি কোন অর্থ বরাদ্দ পরিকল্পনা আজ করার আছে কিনা এটা মাননীয় মন্ত্রী কাছে জানতে চাচ্ছি।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আসলে বর্তমান সরকার বদ্ধ পরিকর বাংলাদেশের জনগণ যেই যেই ধর্ম অবলম্বন হোক না কেন ধর্ম অবলম্বী হোক না কেন তাদের প্রতি সম অধিকার প্রয়োগ করা। তবে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টে প্রায় 100 কোটি টাকা ফিক্সড দুপতিত রয়েছে। এই 100 কোটি টাকা ফিক্সড দুপতিতের যে অর্থটা পাওয়া যায় সেই টাকাটা সমস্ত বাংলাদেশের মন্দিরগুলিতে ব্যয় করা হয় এবং শুধু তাই নয় সরকার প্রতিবছরই মন্ত্রণালয় থেকেও সরাসরি কিছু অর্থ বরাদ্দ করে থাকে মন্দির সংস্কারের জন্যে এবং শ্মশানের জন্যে। আপনারা অপেক্ষা করুন আগামী দিনে আরো সুন্দর ব্যবস্থা হবে। অনেক ধন্যবাদ।
আসসালামু আলাইকুম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 609 স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ স্বাস্থ্য বিভাগ মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি বর্তমানে দেশের সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে ক্যান্সার হাসপাতাল আছে কিনা থাকিলে তাহার সংখ্যা কত এবং নতুন কোন ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপন করা হইবে কি না হইলে তাহা কি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার এবং ধন্যবাদ মাননীয় সংসদকে এই প্রশ্নটি করার জন্য আমরা সরকারে আসার পর থেকেই দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় মানসম্পন্ন আধুনিক এবং সুলভ মূল্যে কিংবা বিনামূল্যে মানুষের জন্য চিকিৎসা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছি ক্যান্সারের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সেই কারণেই ক্যান্সারকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি। আপনারা জেনে খুশি হবেন সরকারি পর্যায়ে আমাদের একটি বিশেষায়িত পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল রয়েছে। ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল। বর্তমানে 50 শয্যা বিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার হাসপাতাল হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে এবং জনগণকে সেবা দিচ্ছে এছাড়াও সরকারের দেশের প্রায় সকল সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং সশস্ত্র বাহিনী পরিচালিত হাসপাতালগুলোতে এই ক্যান্সার এবং অনকোলজি ইউনিট রয়েছে যেখানেও ক্যান্সারের ভালো চিকিৎসা দেয়া হয়। এছাড়া 24 টি প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যান্সার ইউনিট রয়েছে এবং চারটি বড় বড় যে কর্পোরেট হসপাতাল রয়েছে স্কয়ার এভার কেয়ার ল্যাব এইড এবং ইউনাইটেড সেখানেও ক্যান্সারের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। আরো বিস্তারিত এখানে আছে মাননীয় স্পিকার দয়া করে এটিকে পঠিত বলে গণ্য করুন ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনার মাধ্যমে আমরা জানতে চাই যে বিভাগীয় শহরগুলোতে ক্যান্সার হসপিটালের কাজ চলমান আছে। এই হাসপাতালগুলোতে কাজ সম্পন্ন হতে কত সময় লাগবে এবং রোগীরা কবে নাগাদ এই বিভাগীয় যে হসপিটালের মধ্যে আমাদের ময়মনসিংহের বিভাগীয় একটা হাসপাতাল উল্লেখ আছে। কবে নাগাদ রোগীরা এই হাসপাতাল থেকে সেবা পাবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনারা জেনে খুশি হবেন যে এই আর্টি বিভাগীয় ক্যান্সার হাসপাতালের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংগ্রহ করা চলছে বিশেষজ্ঞ জনগণ পদায়নের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে আমরা আশা করছি আগামী অর্থবছরের মধ্যেই এই ক্যান্সার হাসপাতাল গুলো পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে আমরা আশা করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। মাননীয় স্পিকার, আমার এলাকার যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স রয়েছে, আমার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মানুষের এত ভোগান্তি ওখানে হচ্ছে যে মা-বোনরা ওখানে চিকিৎসা নিতে গেলে গাইনি ডাক্তার পাচ্ছে না। কোটি কোটি টাকার প্রযুক্তি ওখানে অলরেডি লাগানো আছে ব্যবহার করার মানে ওগুলো ওগুলো যে চালাবে চালাবার লোক হচ্ছে পাচ্ছে না। তো এটা নিয়ে আমি আমার এলাকায় অনেক সমস্যা আছে মানুষের কমপ্লিট আমার এই কমপ্লেইন গুলো নিতে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে ওয়াদা দিয়েছিলাম যেভাবেই হোক যে করেই হোক আমরা চেষ্টা করব কিন্তু বারবার সেই জায়গায়
তো আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে আমি প্রশ্ন করতে চাই যে আমাদের শিবচর উপজেলার যে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি রয়েছে সেখানে আমি কিভাবে একজন গাইনি বা আমাদের যে এক্সরে মেশিন থেকে শুরু করে যেগুলো রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করার যে এগুলো চালানোর জন্য যে জনবল দরকার সেটি আমি কবে পাবো এ প্রশ্নটি আমি করতে চাই ধন্যবাদ
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য প্রথমেই আমি আপনার যে কষ্ট একজন সংসদ সদস্য হিসেবে সেই কষ্টের সঙ্গে সমব্যথিত হিসেবে দুঃখ প্রকাশ করছি এই কষ্টটি শুধু আপনার নয় আমিও একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আমার এলাকায় একই কষ্ট ভোগ করছি আমাদের অনেক সংসদ সদস্যই কারণ আমি এর আগেও বলেছি এই মহান জাতীয় সংসদে যে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এই দীর্ঘমেয়াদী সমস্যাগুলো আছে আমরা আসার পর থেকে কাজ করছি বিভিন্ন প্রত্যেকটি উপজেলায় গত ছয় মাসে আমরা কিছু হলেও নতুন ডাক্তার দিতে পেরেছি আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন গাইনিক ডাক্তার এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রয়োজনীয় আমাদের জনপদে আমাদের এখানে সংকট আছে জনবলের আমরা নতুন ডাক্তার নিয়োগ দিচ্ছি এবং প্রশিক্ষিত ডাক্তারদের নতুনভাবে পদায়নের ব্যবস্থা করছি অতি দ্রুতই আপনারা আরো কিছু নতুন ডাক্তার পাবেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের জন্য আর একটু আমাদের সময় লাগবে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন সারা বাংলাদেশে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুল 15 টি তার মধ্যে 11 টি রেজিস্ট্রেশন এবং জনবল নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বাকি চারটি রয়েছে চারটির মধ্যে একটি হচ্ছে আমার নিজের জেলা রাজের উপজেলার একটি ইউনিয়নে কবিরাজপুর ইউনিয়নে আমি মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের কাছে জানতে চাই যে বাকি চারটিকে রেজিস্ট্রেশন করা এবং জনবল নিয়োগ করার ক্ষেত্রে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এবং মাননীয় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমাদের যে মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার নামক প্রশিক্ষণ সেন্টার গুলো আছে ম্যাথস বলা হয় এর অনেকগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বিল্ডিং তৈরি করে ফেলে রাখা হয়েছিল এবং কার্যক্রম চলছিল না আমরা আসার পরপরই মাননীয় সংসদ সদস্য তার প্রশ্নে যেমনটি বলেছেন সম্ভবত আটটির ব্যাপারে ইতিমধ্যে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি এবং সেটার কাজগুলো চলছে অতি দ্রুতই সেগুলো চালু হবে আপনারা নিশ্চয়ই আমাদের সঙ্গে বুঝতে পারবেন মাননীয় সংসদ সদস্যগণ যে এই প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ মানুষের জনবল নিয়োগ থেকে শুরু করে প্রতিটি এবং ধাপে ধাপে আমাদের করতে হচ্ছে। আমরা এই আর্টি করছি পাশাপাশি বাকিগুলো আমাদের ধাপে ধাপে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার প্রশ্ন মাননীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রীর নিকট মাননীয় স্পিকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তীব্র জনবল সংকট আর্থিক অস্বচ্ছতা এবং সেবা প্রদানে ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার ক্ষেত্রে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে মাননীয় মন্ত্রীর নিকট জানতে চাই এবং মাননীয় স্পিকার সারাদেশে হাসপাতালে সার্বক্ষণিক পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে চরম গাফিলতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে মাননীয় স্পিকার মন্ত্রণালয় থেকে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে জানতে চাই মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য খুব সংক্ষেপে 20 কোটি মানুষের দেশের একটি স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় যত রকমের সমস্যা আমাদের আছে খুব চমৎকারভাবে সেটি তুলে ধরেছেন তিনি অব্যবস্থাপনার কথা বলেছেন যেটা আমরা ইনহেরিট করেছি আমরা সে অব্যবস্থাপনা কাটিয়ে ইতিমধ্যেই আমাদের যে স্থানীয় স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তি সিভিল সার্জেন্ট তাদেরকে আরো জোরদার করেছি প্রতি মাসে আমরা তাদের সাথে বৈঠক করে আমাদের মনিটরিং ব্যবস্থাকে জোরদার করেছি আমাদের প্রত্যেকটি হাসপাতালে আগের চেয়ে চিকিৎসকদের উপস্থিতি উন্নতি ঘটেছে আরো উন্নতি ঘটতে হবে এটি গেল একটা দিক তিনি আরো বলেছেন আমরা এই প্রতিটি হাসপাতালে যে অপরিচ্ছন্নতা দেখতে পাই সেটার ব্যাপারে কি করতে পারি আপনারা জানেন যে এটা শুধু হাসপাতালে নয় সার্বিকভাবে আমাদের বিশেষ করে নগরী মহানগরী গুলোতে আমাদের যে পরিবেশ এটি স্বাস্থ্যসম্মত এবং আধুনিক পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নয় আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান এই পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন গতকালকে আমরা স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি সভায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন তিনি এবং সেটার রেসপন্স হিসেবে আজকে আমরা আবার সিভিল সার্জেন্টদের সাথে বৈঠক করে প্রত্যেক জেলায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান হাসপাতাল প্রেমিসেসে আরো জোরদার করছি। শুধু ডেঙ্গুর জন্য নয় সার্বিকভাবে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নয়নে কাজ করছি। এইভাবে প্রত্যেকটি সমস্যা নিয়েই আমরা স্পেসিফিক কাজ করছি। আমরা আশা রাখি এর পরিবর্তনগুলো আপনারা অচিরেই দেখতে পাবেন। উত্তর দীর্ঘ হয়ে যাবে তাই আমি আর বাড়াবো না। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন 610 আপনার মাধ্যমে আমি মহান জাতীয় সংসদে উত্থাপন করছি আমার প্রশ্ন মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী মহোদয় অনুগ্রহ করিয়া বলিবেন কি নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলাধীন ঐতিহাসিক কুসুমবা শাহী মসজিদ এবং ঠাকুরমান্দা শ্রী শ্রী রঘুনাথ জিও মন্দির এই এলাকার প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হওয়ায় মসজিদ এবং মন্দির গুলি উন্নয়নের জন্য বিশেষ কোন কল্পনা রয়েছে কিনা থাকলে তা কি এবং কবে নাগাতা বাস্তবায়ন করা হবে? ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্যকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে 2026-2027 অর্থবছরের সংস্কার সংরক্ষণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক কুসুমবা মসজিদের রাসায়নিক পরিচর্যা সম্পন্ন করা হবে শ্রী শ্রী রঘুনাথ জিও মন্দিরটি পত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংরক্ষিত পুরাকৃত নয় মন্দিরটি ইতিমধ্যেই পরিদর্শন করা হয়েছে মন্দিরটি সংরক্ষিত পুরাকৃত হিসেবে গেজেটভুক্ত হলে মানে গেজেটভুক্ত হবে মাইলট শিগগিরই এর সংস্কার সংরক্ষণ সম্পন্ন করা হবে উল্লেখ্য বর্তমান সরকারের নির্বাচিত পূরণকল্পে গৃহীত পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনায় রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রত্নতত্ত্ব স্থলসমূহের সংস্কার সংরক্ষণের নিমিত্ত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের প্রত্ন ঐতিহাসিক ভিত্তিক হেরিটেজ হাব নির্মাণ শীর্ষক প্রকল্প প্রস্তাব প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে তন্মধ্যে উল্লেখিত স্থাপনাগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আপনাকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের উন্নয়নের যে পরিকল্পনার কথা মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন সেখানে রাসায়নিক পরিচর্চা সম্পর্কে সম্পন্ন করা হবে বলা হয়েছে আসলে জিনিসটা বোধগম্য হচ্ছে না রাসায়নিক পরিচর্চা কি মসজিদের এইটা একটা পরিষ্কার হওয়া দরকার আর আমি যে কথাটি বলতে চাই এই ঐতিহাসিক কুসুম্বা শাহী জামে মসজিদ সুলতানি আমলে নির্মিত হয়েছে শুধু মসজিদ নয় এই মসজিদের সামনে একটা বিশাল আকার দিঘি রয়েছে এই দিঘি এবং এই মসজিদকে কেন্দ্র করে একটা উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে এবং এইখানে দেশ-বিদেশ থেকে বহু দর্শনার্থী পর্যটক এখানে আসেন সেই কারণে এই মসজিদ ভিত্তিক এলাকাকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন করা গেলে এখানে একটা পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব সেই কারণে একটা সার্ভে করে বড় একটা প্রকল্প হাতে নিয়ে আমরা এই কাজটা করতে পারি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে এটা অনুরোধ করব এই মসজিদের যে ছবি আমাদের এই দেশের কাগজে পাঁচ টাকার নোটে এই ঐতিহাসিক কুসুমবা মসজিদের ছবি দীর্ঘদিন ছিল কিন্তু এই বছর হঠাৎ করে আমরা দেখেছি যে ওই সেই পাঁচ টাকার নোট থেকে আমাদের এই মসজিদকে সরিয়ে অন্য একটি মসজিদ দেয়া হয়েছে এতে এলাকার সর্বস্তরের জনগণের মধ্যে একটা অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে আমি মনে করি এরকম একটা প্রত্নতত্ত্ব তাত্ত্বিক মসজিদ গ্রাম এলাকায় অবস্থিত হবার কারণে এবং দীর্ঘদিন পাঁচ টাকার মুদ্রায় এটা ছবি থাকবার কারণে মানুষের মধ্যে যে উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল এলাকার পরিচিতি হিসেবে সেটা পুনঃস্থাপন করবার জন্য আবারও পাঁচ টাকার কাগজে মুদ্রায় এরকমের এই মসজিদের কুসুম ঐতিহাসিক মসজিদের ছবি প্রতিস্থাপন করা দরকার এখানে মাননীয় সংস্কৃতি মন্ত্রী সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন আমি এই
চৌত্র মাসের নবমী তিথিতে হাজার হাজার দর্শনার্থী দেশ বিদেশ থেকে আসে ভারত থেকে আসে অন্যান্য দেশ থেকে আসে আমাদের দেশের দর্শনার্থী আসে এবং এই মন্দিরের উন্নয়ন কার্যক্রম 1998 সালে সর্বপ্রথম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছিল পরবর্তীতে আর তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি যে কারণে আজকে এই ঠাকুরমন্দির শ্রী রঘুনাথ জিও মন্দিরকেও একটা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এনে এই মন্দির এবং কুসুমবা মসজিদকে কেন্দ্র করে আমরা একটা পর্যটন এলাকা গড়ে তুলতে পারি সেরকম একটা পরিকল্পনা মাননীয় মন্ত্রী গ্রহণ করবেন কিনা আমি আজকে আপনার মাধ্যমে জানতে চাই।
অন্যগুলো বলেই আমরা ইতিমধ্যে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর সাথে আমাদের মন্ত্রণালয় আমরা একটা মিটিং করেছি এবং আমরা যৌথভাবে যে এলাকাগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকে করা যায় সেটা আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করছি আমি আগেই বলেছি মাইলর্ড যে ইতিমধ্যেই রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগের বিভাগের সমস্ত সাংস্কৃতিক মানে কর্ম কান্ড এবং মানে প্রত্নতাত্ত্বিক বিস্থাপনা সহ সেখানে আমরা একটা সাংস্কৃতিক হাব নির্মাণের পরিকল্পনা দিয়েছি। আমি অক্টোবর মাসে মাননীয় মন্ত্রীকে আমি কথা দিচ্ছি অক্টোবর মাসে আমি নিজে আমরা ওখানে যাব। এই যে কুসুম বাবু মসজিদ এবং যে শ্রী শ্রী রঘুনাথ জিও মন্দিরটি এটা পরিদর্শন করে এখন কালচার রাসায়নিক মসজিদে রাসায়নিক যে দেয়া হয় প্রক্রিয়া করা হয় যাতে করে মসজিদের কোন অংশ খসে না পড়ে সেখানে কোন পোকামাকড় না ধরে এগুলো আর কি কিন্তু প্রশ্ন তত্ত্ব ইচ্ছা করলে আমরা কিন্তু ওখান থেকে মানে নতুন করে আবার তৈরি করতে পারি না সেটা নিয়ে আমরা একটু দেখে কি করা যায় সেটা আমাদের প্রথমত অধিদপ্তরের আর্কোলজিক্যাল ডিপার্টমেন্টের এক্সপার্টদের নিয়ে সেইভাবে আমি কথা বলবো। আমি অক্টোবরের আগে তো আমরা সময় পাব না অক্টোবর মাসের মানে কোন এক সময় আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে জানিয়ে আমরা ওইখানে যাব। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য। আপু শুকাই।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাচ্ছি কারণ আমাদের বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মাদকের ভয়াবহতা যে উৎশৃঙ্খলতা আমরা লক্ষ্য করেছি তিনারা সেই সম্পৃক্ত বিষয়ে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন কিন্তু মাননীয় স্পিকার সেখানে তিনি একটা বিষয় বলেছেন যে তরুণ প্রজন্মকে প্রজন্মকে মাদক আসক্ত থেকে বিরত রাখার জন্য তিনারা বই পড়ায় উৎসাহিত করেছেন কিন্তু মাননীয় স্পিকার আমাদের মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণদের দূরে রাখতে সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম হলো সুস্থ বিনোদন ও সৃজনশীল ব্যস্ততা। তরুণ প্রজন্মকে যখন সংস্কৃতি চর্চায় মগ্ন থাকে তখন তাদের মাদক আশক্ত হবার ঝুঁকি কমে যায়। দেশব্যাপী তরুণ সমাজকে দিয়ে মাদক বিরোধী নাটক, পথনাটক ও লোকসংগীতের যদি চর্চা করা হয় এবং সেগুলো যদি আমরা কোন কন্টেন্ট ক্রিয়েটের মাধ্যমে আমরা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করতে পারি আমার মনে হয় সেটা একটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে আমাদের মন্ত্রী মহোদয় কিংবা মন্ত্রণালয় সেই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ রয়েছে কিনা ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য দেশে যে তরুণ সমাজকে মাদকাসক্ত করার পরিকল্পনা হয়েছিল এটা গত ফ্যাসিবাদ আমলে মাইলট তবে মাদক সমাজ থেকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যুবকদেরকে সরিয়ে আনার জন্য শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড যথেষ্ট নয় বা বই পড়ে যথেষ্ট নয় এটা মূল কর্মকাণ্ড হবে অর্থনৈতিক মানব একটা দেশের অর্থনীতি যদি গতিশীল হয় একসময় চীনে এরকম সমস্ত মানুষ আফেন খেয়ে খেয়ে ঘুমাতো। তখন চীনের নেতা মাও সেতুন চীনের চেয়ারম্যান তখন উনি বলেছিলেন যে ওরা ঘুমাচ্ছে ওদের ঘুমাতে দাও। ওরা যেদিন জাগবে সেদিন সবকিছু তছনছ করে ফেলবে এবং সেই জায়গাটা জাগত হলো এই চীনের বিপ্লবী পরিবর্তনের পরে। আর আজকে আমাদের দেশে গত অন্ধকার যুগের অবসান ঘটেছে ফ্যাসিবাদের যুগ শেষ হয়েছে আমাদের মানে গত জুলাই মানে গণঅভ্যুত্থানের মাঝ দিয়ে একটা নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মসূচি যুব সমাজকে জীবনের মেন স্ট্রিম আনার জন্য সেটা আমরা কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছি মালোয়ার আর অর্থনৈতিক উপরে দাঁড়িয়ে আছে উপরে কাঠামোর সবকিছু আজকে যে আজকে যে জীবন বিমুখ সংগ্রাম বিমুখ মাদকাসক্ত এটা ওই পরিকল্পনার অংশ ছিল। আমরা মাদককে নির্মূল করার ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে, আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে এবং একইভাবে আমরা সেখানে গান-বাজনা ইত্যাদি সংস্কৃতি কর্মকাণ্ড বেরিয়ে বাড়িয়েছি। মানুষকে জীবনের মেনে স্টিম মানার জন্যে একই সাথে আমাদের অর্থনীতিতে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাহেবের সুপরিকল্পিত পরিকল্পনায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে আমরা যে কাজ করে যাচ্ছি তাতে যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে শিক্ষিত যুবকদের বিদেশ যাওয়ার জন্য তাদের সেই ব্যবস্থা হবে কারণ হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্টের জন্য আমরা স্কুল পর্যায় থেকে সেইভাবে পরিকল্পনা গ্রহণ করছি আমাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এবং বিভিন্নভাবে এদেশে একটা নতুন রিনা সার মানে সূচনা হতে যাচ্ছে এবং সেই নতুন নবজাগরণের মাধ্যমে আমাদের দেশের কেউ আর বেকার থাকবে না কেউ আর কর্মবিমুখ থাকবে না কেউ আর মাদকাসক্ত থাকবে না কারণ মাদকাসক্ত হয়েও কিন্তু সংস্কৃতি কর্মকাণ্ড করা যায় অনেকে দেখেছে যে এদিকে মানে ইয়াবা খেয়ে এসে আবার গান গাচ্ছে মদ খেয়ে এসে আবার তবলা বাজাচ্ছে অতএব শুধু এতে হবে না শুধু মানে হতাশা কাটাতে হবে সেটা আমরা কাটাবো আশা করি মাইলর্ড মাননীয় সংসদ সদস্যকে এই সুন্দর প্রশ্ন করার জন্য আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয়
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার আমাদের পিরোজপুর জেলায় একটি শিল্পকলা একাডেমি আছে যেটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 2003 সালে কিন্তু সেই থেকে নিয়ে আজ অব্দি ফেসিস্ট রিজমা এই শিল্পকলা একাডেমির সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়া হয়নি যার কারণে আমাদের এই একাডেমিটির অডিটোরিয়ামের ছাদ দেয়াল বসার আসনগুলি সবগুলি সংস্কার প্রয়োজন আমরা ইতিমধ্যে আয়োজন আমরা আবেদন করেছিলাম সংস্কৃতি বিষয় মন্ত্রণালয়ের কাছে একই সাথে এটার মানসম্মত নাট্যমঞ্চ সাংস্কৃতিক পরিবেশ পরিবেশনের জন্য অত্যাধুনিক সাউন্ড সিস্টেম এবং আধুনিক স্টেজ লাইটিং খুবই জরুরি মাননীয় স্পিকার। একই সাথে শিল্পীদের সাজসজ্জা এবং মহরাজের জন্য নির্ধারিত কক্ষগুলোর আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে মাননীয় সংস্কৃতি পরিমতি কোন ব্যবস্থা নিবেন কিনা এটি আমার জানার বিষয়। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
ধন্যবাদ মাননীয় সংসদ সদস্য মানে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমস্ত সংসদ সদস্যদের মধ্যে এই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিল্পকলাকে উন্নয়নের জন্য একটা ব্যাপক আগ্রহ আমরা লক্ষ্য করেছি এজন্য আমি ধন্যবাদ জানাই আমরা বর্তমান বছরে বর্তমান বছরে 20 টা জেলা এবং 20 টা শিল্পকলা মানে উপজেলায় শিল্পকলার অবকাঠামো আছে সেগুলো আমরা উন্নয়নটা করার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু এই বছরে আমরা পর্যায়ক্রমে আমরা 500 টা মানে ইয়ে প্রত্যেক জেলায় প্রতিবছরের প্রতিষ্ঠা করে প্রতিষ্ঠা করে আমরা পাঁচ বছরের মধ্যে আমরা সমস্ত জেলার মানে শিল্পকলা সব জেলাতে আছে কিন্তু যেখানে মানে পরিপূর্ণতা না সেখানে আমরা পরিপূর্ণ করব এবং এই বছর আমরা 100 টা উপজেলায় 100 টা উপজেলায় শিল্পকলা স্থাপনের জন্য আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি এবং সেটা আমাদের মানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় আমাদের দাখিল করা হয়েছে আশা করি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অত্যন্ত মানে আকাশের মত উদার এবং হৃদয়বান তারা আমাদের এই মন্ত্রণালয়ের ছোট মন্ত্রণালয়ের অর্থের সংখ্যা কম উনারা সেটাকে নিশ্চয়ই পূরণ করবেন আমরা 100 টা উপজেলা করবো কিন্তু এছাড়াও আমরা সমস্ত উপজেলায় এবার শিল্পকলা চালু করব যেখানে শিল্পকলার জায়গা জমি নাই বা মানে স্থাপনা নাই সেখানে আমরা উপজেলা পরিষদের ভিতরে আমরা মানে উপজেলা ইউনিয়ন হচ্ছে সেই উপজেলার মানে শিল্পকলা সভাপতি এবং জেলা হচ্ছে ডেপুটি কমিশনার আমরা উপজেলা বিএনওর মাধ্যমে আমরা প্রত্যেক উপজেলায় দুইটা করে রুম নিয়ে কারণ সেখানে নতুন একটা করে ভবন হয়েছে সব উপজেলায় সেখানে আমাদের একজন কালচারাল অ্যাক্টিভিস্ট আমরা দেবো সেখানে ইনস্ট্রাক্টর দিয়ে সেখানে আমাদের শিল্পকলায় আমাদের সমস্ত নাটক মানে তারপর থিয়েটার সেখানে আপনার চিত্র অঙ্কন তারপর সেখানে নাচ গান নৃত্য সবকিছু আমরা আমরা করব আমরা এই ট্যালেন্ট গুলোকে আমরা বাংলাদেশে এইভাবে আমরা আমরা গড়ে তুলতে চাই আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য আমাদের নড়ালের সংসদ সদস্য নড়াল দুই তিনি আমাদের একটা প্রোগ্রামে গিয়েছিলেন আমরা এবার সবাই দাবি করল এবার যাত্রা চালু করতে হবে আমরা যাত্রা চালু করব আমরা নড়ালের সংসদ সদস্য তাকে বলেছি তুমি থাকবা আপনি থাকবেন এই মানে কমিটির আহবায়ক তিনি খুব সানন্দে গ্রহণ করেছেন। অতএব তিনি বলেছেন আমি আমি থাকবো এবং এইভাবে আমরা কিন্তু সমস্ত জায়গায় আমরা আমরা এগুলো চালু করব এই বছর থেকে। আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
প্রশ্নোত্তর পর্ব এখানেই শেষ হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আজ কার্যপ্রণালী বিধিতে জরুরী জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে 68 টি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গিয়েছে। নোটিশ দ্বারা মাননীয় নোটিশ দাতা মাননীয় সদস্যগণ হলেন, মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান কুড়িগ্রাম চার, সুলতানা জেসমিন মহিলা আসন 49, সুলতানা আহমেদ মহিলা আসন 17, রাশেদা বেগম হীরা মহিলা আসন তিন, শেখ মনজুরুল হক রাহাত বাগেরহাট 2 শওকত আরা আক্তার মহিলা আসন 33 অধ্যাপক নজরুল ইসলাম রাজশাহী 5 মোহাম্মদ কেরামত আলী চাপাই নবাবগঞ্জ 1 রোকেয়া বেগম মহিলা আসন 45 মোসাম্মদ তাহসিনা রুজদির সিলেট 2 মোহাম্মদ আব্দুল মালিক সিলেট 3 মোঃ রফিকুল ইসলাম খান সিরাজগঞ্জ চার ইকরামুল বারী টিপু নওগাঁ চার আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল সাত মোঃ শফিকুল ইসলাম পটুয়াখালী দুই মোঃ আব্দুল খালেক সাতক্ষীরা দুই এস কে আজিজুল বারী খুলনা চার মোর্শেদ মিল্টন বগুড়া সাত শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কিশোরগঞ্জ পাঁচ এস এ জিন্না কবির মানিকগঞ্জ এক মোঃ মনিরুল হক চৌধুরী কুমিল্লা ছয় ধান্দার আলী মিয়া মাদারীপুর দুই মাসুম মোস্তফা নেত্রকোনা পাঁচ সেলিমুজ্জামান মোল্লা গোপালগঞ্জ এক মোহাম্মদ ফরিদুল কবির তালুকদার জামালপুর চার মোসাম্মদ সানজিদা ইয়াসমিন মহিলা আসন 31 মোসাম্মদ শাম্মি আক্তার মহিলা আসন 22 আমিরাজা খান খুলনা এক মোহাম্মদ অলিউল্লাহ বরগুনা এক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম চাপাই নবগঞ্জ তিন এডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন কিশোরগঞ্জ দুই এম মাহবুব উদ্দিন নোয়াখালী এক হেলেন জেরিন খান মহিলা আসন নয় মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান চাঁদপুর চার মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল জামালপুর তিন এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন ঢাকা 18 সেলিনা সুলতানা মহিলা আসন 35 হাফেজ মোহাম্মদ রবিউল বাসার সাতক্ষীরা তিন মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী শেরপুর দুই মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জাপাই নবাবগঞ্জ দুই মোহাম্মদ ইলিয়াস মোল্লা ফরিদপুর এক ওবায়দুল্লাহ সালাফী নীল ফামারি তিন মাজহারুল ইসলাম কিশোরগঞ্জ এক নীলুফার চৌধুরী মনি মহিলা আসন 10 মোহাম্মদ শামসুল রহমান শিমুল বিশ্বাস পাবনা পাঁচ মোহাম্মদ মোবাসের আলম ভুইয়া কুমিল্লা 10 সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ঢাকা চার মোহাম্মদ এনামুল হক চট্টগ্রাম 12 সারওয়ার আলমগীর চট্টগ্রাম দুই মারদিয়া মমতাজ মহিলা আসন 44 সাবিকুর নাহার মহিলা আসন 39 মুসাম্মদ নাজমুল নাহার মহিলা আসন 40 মাহবুবুর রহমান বেলাল রংপুর তিন মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম নোয়াখালী পাঁচ মোহাম্মদ সাদিক রিয়াজ দিনাজপুর দুই মোহাম্মদ শাখাওয়াত হোসেন লক্ষ্মীপুর এক ফখরুদ্দিন আহমেদ ময়মনসিংহ 11 মোহাম্মদ আশরাফুদ্দিন নরসিংদী পাঁচ ইমরান আহমেদ চৌধুরী সিলেট ছয় শিন সুলতানা মহিলা আসন দুই নাদিয়া পাঠান পাপন মহিলা আসন 32 মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান ময়মনসিংহ 10 খালেদ হোসেন মাহবুব ব্রাহ্মণবাড়িয়া 30 আরিফা সুলতানা মহিলা আসন 30 নেওয়াজ হালিমা আরলি মহিলা আসন 5 মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ নাটোর 4 মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম ভোলা 4 মোহাম্মদ এনামুল হক নওগাঁ 2 মাননীয় সদস্যবৃন্দ আজ আমি কোন নোটিশ গ্রহণ করছি না তবে বিধি ও রেওয়াজ অনুযায়ী নোটিশ দানা সদস্যদের মধ্যে থেকে প্রত্যেকে নিজ নিজ নোটিশের বিষয়বস্তু সম্পর্কে দুই মিনিট করে বক্তব্য রাখার আহ্বান জানাবো তবে মোট 30 মিনিটের মধ্যে যতজন সদস্য বক্তব্য রাখা সম্ভব ততজন সদস্যই বক্তব্য রাখবেন মাননীয় সদস্যবৃন্দ বিধি অনুযায়ী আজ 29 জন বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নোটিশটি শুধু পড়বেন অন্য বৈঠকের জন্য প্রযোজ্য নজিস পড়বেন না। এখন আমি বক্তব্য রাখার জন্য আহবান জানাচ্ছি দুই মিনিট বক্তব্য সবাই রাখবেন। প্রথমেই সুলতানা জেসমিন মহিলা আসন 49।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার 71 বিধ অনুসারে জনগুরুত্বপূর্ণ সম্পূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের জন্য আমার উত্থাপনীয় বিষয়টি বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের এআই ভিত্তিক বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার দেশের 58 টি সরকারি এবং 110 টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এআই ভিত্তিক যে কোর্স সমূহ পড়ানো হয় তা খুবই বেসিক লেভেলের এবং সংখ্যায়ও তা অপ্রতুল একাধিক প্রকাশিত গবেষণার প্রতিবেদন বলছে পোশাক শিল্পে এআই এর ব্যবহার সম্প্রসারিত হওয়ায় বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মত পোশাক রপ্তানি নির্ভর অন্যান্য দেশগুলোতে শ্রমবাজারের আন্তর্জাতিক যে গুরুত্ব তা অতি দ্রুত হারাবে। অর্থাৎ এদেশের পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত লক্ষ লক্ষ শ্রমিক কর্মসংস্থান হারাবে। এবং আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের এই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যমটির ভবিষ্যৎ মারাত্মক হুমকির মুখে। বৈদেশিক শ্রমবাজারের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান ধরে রাখতে এআই ভিত্তিক দক্ষ মানবসম্পদ এখন সময়ের দাবি। চীন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র সহ অনেক প্রযুক্তি নির্ভর দেশ বাংলাদেশের সাথে এআই খাতে আন্তরিকভাবে কাজ করতে আগ্রহী। দেশের প্রতিটি জেলায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের যে পরিকল্পনা সরকার নিয়েছে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এই ভিত্তিক নতুন কোর্স বিষয় ও অনুষদ চালুর পাশাপাশি অন্তত একটি পূর্ণাঙ্গ এআই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা এই মুহূর্তে খুবই জরুরি যেখানে পূর্ণাঙ্গ স্থায়ী কাঠামো এখনো তৈরি হয়নি সেখানে বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সমঝোতে স্বাক্ষর করে তাদের কারিকুলাম অনুসরণ করা যেতে পারে গ্যাস টিচার এবং বিদেশে শিক্ষাদানকারী বাংলাদেশের স্বনামধর শিক্ষকদের মাধ্যমে আমরা আমাদের এই শিক্ষার মান আন্তর্জাতিক মানের করতে পারি। বিষয়টি অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ এবং অর্থনীতির সাথে সম্পৃক্ত বলে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।
মডারেট স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আজ জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণে আমি যে নোটিশটি প্রদান করেছি জিয়া মেমোরিবল অর ফানেস ট্রাস্ট সংক্রান্ত বাগেরহাট সদর উপজেলায় ফতেহপুর নামক এলাকায় 3.9 একর জমির উপরে 1994 সালে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস এ মুস্তাফিজুর রহমান সাহেব এটি উদ্বোধন করেছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবের নামে এই প্রতিষ্ঠানটি যখন শুরু হয় তখন সেখানে দর্জি বিজ্ঞান ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিক্স প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অত্র এলাকার বেকারদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা এবং বিপুল সংখ্যক এতিমদেরকে সেখানে রেখে ভরণপোষণের ব্যবস্থা করা হতো ওই প্রতিষ্ঠানে 30 সজ্জা বিশিষ্ট আবাসিক ভবন ছিল প্রশিক্ষণ ভবন ছিল প্রশাসনিক ভবন ছিল ক্লিনিক ছিল মসজিদ ছিল পুকুর ছিল কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শুধুমাত্র শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নামের প্রতিষ্ঠান হওয়ার কারণে সেটা অবহেলা করেছে এবং বন্ধ করে দিয়েছে 2019 সাল থেকে একেবারে বন্ধ এলাকাবাসী সহ আমার প্রাণের দাবি যেহেতু ওই নামের কারণেই প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করা হয়েছে ওই নামের প্রতি শুধু সরকারি দলের সদস্যদের দুর্বলতা নেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আমাদেরও দুর্বলতা আছে সুতরাং আমার এবং এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি প্রতিষ্ঠানটি রুগ্ন অবস্থায় পড়ে আছে কোটি কোটি টাকার বাংলাদেশের সম্পদের ক্ষতি হচ্ছে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি চালু করে এলাকার বেকার সমস্যার সমাধান সহ এতিমদের কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা হোক
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার উত্থাপন বিষয় রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলা একটি সরকারি কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার রাজশাহী পুঠিয়া দুর্গাপুর বাগমারা চারঘাট অঞ্চলটি দেশের একটি অন্যতম প্রধান ও আধুনিক বাণিজ্যিক কৃষি জমি সুপরিচিত এখানকার অত্যন্ত উর্বর তিন ফসল জমিতে আম, লিচু, ড্রাগন, মাল্টা, আঙ্গুর সহ নানাবিধ সেরা ফসল ও টাটকা শাকসবজি প্রচুর বন্যায় উৎপাদিত হয়। যা সারা দেশে পুষ্টি চাহিদা মিটাচ্ছে। এর পাশাপাশি বিশেষ করে উঠিয়া দুর্গাপুরের সুস্বাদু মাছ রাজধানীর ঢাকা সহ দেশ জুড়ে বিপুল সারা জাগিয়েছে। মৎস্য চাহিদা পূরণের মৎস্য চাহিদা পূরণে বড় অবদান রাখছে মাননীয় স্পিকার 1977 সালে মে মাসে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দায়িত্ব নেওয়ার পর অনেক সময় প্রটোকল ভেঙ্গে সরাসরি জনগণের কাছে চলে যায় সেই হিসেবে মে মাসে মাঝামাঝি সময়ে তার সে পুঠিয়া সফরের দিন তিনি মঞ্চে না দিয়ে জনসাধারণের মাঝে নেমে পড়েন মাইকটা চেয়ে নেন তখন উপস্থিত কৃষক দিন মজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চমকে যান। ওই ঐতিহাসিক পদসভা থেকে তিনি উঠিয়া বিপুল কৃষি সম্ভাবনা কৃষি সম্ভাবনা ভেবে তার দূরদর্শী চিন্তাভাবনা থেকেই এখানে একটি সরকারি কৃষি কলেজ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। কিন্তু সুদীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এখনো উক্ত ঘোষণাটি বাস্তব মাননীয় স্পিকার পুঠি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে বহু মেধাবী ছাত্রীদের কৃষি বিজ্ঞান উচ্চ শিক্ষা স্থানীয় পর্যায়ে কোন সরকারি প্রতিষ্ঠান না থাকায় না থাকায় প্রযুক্তি ভিত্তিক কৃষি করতে দক্ষ গ্রাজুয়েট তৈরি করতে স্থানীয়ভাবে কৃষি
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আমি মোহাম্মদ কেরামত আলী 43 শাফায়ে রাওয়াজ এক। আমি কার্যপ্রণালী জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মনোযোগ দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার উত্থাপনীয় বিষয় শেখগঞ্জ সীমান্তে বাদক চোরাচালার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ মূল হোতা অর্থদাতাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং মাদকের ভয়াবহতা থেকে যুব সমাজকে রক্ষায় প্রতিরোধ চিকিৎসা ও পুনর্ভাষণের সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ প্রসঙ্গে শিবগঞ্জ সুনামগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদক প্রবেশের ঘটনায় স্থানীয় জনগণের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে কিছু ক্ষেত্রে মাদক ও বাহক আটক হলেও অনেক ক্ষেত্রে চোরাচালনের মূল হোতা অর্থদাতা সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটের সদস্যরা আড়ালে থেকে যাচ্ছে। ফলে শুধু বাহক আটক করে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। অন্যদিকে মাদকের সহজ লভ্যতা ও বিস্তারের সবচেয়ে ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে কিশোর যুব সমাজের উপর। মাদকাসক্তির কারণে অনেক তরুণ শিক্ষা কর্মজীবন স্বাভাবিক সামাজিক জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। বাড়ছে পারিবারিক অসুস্থতা অপরাধ প্রবণতা ও সামাজিক অবক্ষয়ের ঝুঁকি একটি সম্ভাবনায় প্রজন্ম মাদকের কারণে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে এ অবস্থায় শুধু মাদক উদ্ধার বাহক গ্রেফতার যথেষ্ট নয় মাদকের মূল উৎস চোরাচালান নেটওয়ার্ক ধ্বংস নেটওয়ার্ক ধ্বংস অর্থের উৎস শনাক্ত সীমান্ত নজরদারি জোরদার এবং একই সঙ্গে মাদক অসুস্থদের চিকিৎসা পুনর্বাসন নিশ্চিত করা জরুরি। অতএব মাননীয় মন্ত্রীর নিকট আমার আবেদন শেখ মুন্সি সোনা মসজিদ সীমান্তে প্রযুক্তি নির্ভর শনাক্তকরণ ও নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করে যোগ্য পয়েন্টে নিয়মিত রাতের টহল ও যৌথ অভিযান
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস আত্মত্যাগ স্মৃতিকে সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত জুলাই জাদুঘর একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্মৃতি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে জাদুঘরের কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা পরিচালনা দর্শনার্থীদের তথ্য ও সেবা প্রদান সংগ্রহ সংরক্ষণ গবেষণা প্রদর্শনী পরিচালনা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল অত্যন্ত প্রয়োজন মাননীয় স্পিকার জাদুঘরটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী 5ই আগস্ট 2026 উদ্বোধন করলেও এটিকে চালানোর জন্য এখনো কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি উপরে কর্মকর্তা থেকে শুরু করে মালি কোন মালি কোন পদে নিয়োগ দেওয়া হয়নি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পরেও কোন অদৃশ্য শক্তিতে এই জাদুঘরকে ফাংশনাল না করতে এই নিয়োগ আটকে রাখা হয়েছে মাননীয় স্পিকার জাদুঘরটি সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য শহীদদের সারক সংগ্রহ বিভাগ গবেষণা বিভাগ প্রশিক্ষণ বিভাগ সহ জাদুঘরটির আইন ও প্রবিধান অনুযায়ী অর্থমন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রায় 100 মত পদ সৃজন করেছে তাদের কত গ্রেডে বেতন দেওয়া হবে তাও ঠিক করা হচ্ছে সব ঠিক থাকার পরও নিয়োগ না দিয়ে জাদুঘরটিকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার এখানে যারা শুরু থেকে কাজ করছেন অর্থাৎ গবেষক নিউকিউরেশন টিমের সদস্য যারা শহীদের অবজেক্ট সংগ্রহ করেছেন মিউজিয়াম তৈরির সাথে থাকা ব্যক্তিরা যেন নিজ নিজ যোগ্যতার ভিত্তিতে মিউজিয়ামের সাথে কাজ করতে পারে সেই ব্যাপারে সরকারের পায়রোটি দেওয়া প্রয়োজন। মাননীয় স্পিকার এই মুহূর্তে একদল বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া স্বেচ্ছাসেবক ও জাদুঘরের গবেষক দলরা মিলে জাদুঘরটি চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু থাকায় উপচেপাড়া ভিড় হচ্ছে। জাদুঘরটির নিজস্ব জনবল না থাকায় এই ভিড় সামল দেওয়া কঠিন হচ্ছে। এমনকি নিরাপত্তা বিমিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। যা জাদুঘরটির ভবিষ্যতের জন্য অস্বনি সংকেত। বিদ্যার হত্যাকাণ্ডে শহীদের সারক থেকে শুরু করে শাপলা হত্যাকাণ্ডে শহীদের সারক জুলাই বিপ্লব শহীদের সারক সঠিকভাবে সংরক্ষণের জন্য
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে জরুরী জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয় আমার উত্থাপনীয় বিষয় ঢাকা সিলেট মহাসড়কের চলমান ছয়লেনের নির্মাণকার চলাকালীন দুর্ঘটনা রোধে চিহ্নিত 14 টি দুর্ঘটনা প্রবণ স্থানে জরুরী ভিত্তিতে অস্থায়ী রোড ডিভাইডার নির্মাণ প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার ঢাকা সিলেট মহাসড়কের একটি বড় অংশ উসমানী নগর উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে এবং বর্তমানে এই মহাসড়কটি ছয় লেনে উন্নীতকরণের বিশাল কর্মযজ্ঞ চলমান রয়েছে কিন্তু অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় এবং এই মহাসড়কের বেশ কয়েকটি জনভুল বাজার স্কুল মাদ্রাসা ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে কোন ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ বা রোড ডিভাইডার না থাকায় প্রতিনিয়ত মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন অসংখ্য নিরীহ মানুষের অকাল প্রাণহানি হচ্ছে জুলাই থেকে বিগত দুই মাসের মধ্যে প্রায় 20 জন মানুষের প্রাণহানি হয়েছে যা আমাদের গভীরভাবে ব্যতীত করেছে মাননীয় স্পিকার যেহেতু সোয়ালের স্থায়ী নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন তাই মহাসড়কে তাৎক্ষণিক দুর্ঘটনা রোধ এবং সাধারণ মানুষের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সম্প্রতি উপজেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদগুলোর সমন্বয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও দুর্ঘটনা প্রবণ 14 টি স্থান চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে তাজপুর, শাদীপুর, দয়ামীর, গোয়ালাবাজার মোড় গুরুত্বপূর্ণ মোড় রয়েছে। যেহেতু অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু দুর্ঘটনার রসের বিরোধের বিষয়টি কে অতি জরুরী অগ্রাধিকার দিয়ে এই 14 টি
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ জনগুরুত্বপূর্ণ আমি মাননীয় কৃষিমন্ত্রী মহোদয়ের নিকট একটি নোটিশ জমা দিয়েছি নোটিসের বিষয়টি হলো জলবদ্ধতা দূর করে কৃষি প্রধান ফসল ধান এবং সরিষা আবাদ করা অতি জরুরী আমার নির্বাচনী এলাকা টাঙ্গাইল মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বেশ কিছু এলাকায় পানিবন্দী হয়ে থাকার কারণে কোন ফসল ফলানো সম্ভব হচ্ছে না দীর্ঘদিন যাবত কৃষি প্রধান দেশের অন্যতম ফসল ফলানোর এলাকা মির্জাপুর উপজেলা ভাদ্রগ্রাম ইউনিয়নের দুর্লা মনসুর এবং ইচাল সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি বন্দি থাকার কারণে আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে না উক্ত এলাকায় কৃষক সমাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমার অপরদিকে মির্জাপুর পৌরসভার ভিতরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রশাসনিক চত্বরের অতি সন্নিকটে বাইমহাটি গ্রামের আবাদি জমিতে জলবদ্ধতার কারণে সাধারণ কৃষক ফসল আবাদ করা থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কাজেই জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর নিকট দাবি অনুগ্রহ করে কৃষি প্রধান দেশে যাতে ফলন বেশি হয় পানি বন্দি হয়ে ফসল উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় এই বিষয়টি জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় আপনার নিকট বিশেষভাবে আমি আবেদন জানাচ্ছি আপনি দয়া করে এই জলবদ্ধতা এলাকা
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আমি স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই। আমার উপস্থাপনীয় বিষয় আমার নির্বাচনী এলাকা শাহজাহানপুর উপজেলা নতুন পৌরসভা গঠন প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার আমি যে আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছি এই আসনটি সাবেক প্রধানমন্ত্রী গণতন্ত্রের মা আপোসীন দেশনেত্রী মরুমা বেগম খালেদা জিয়া 2003 সালের 21শে জানুয়ারি শাহজাহানপুর উপজেলা ভিত্তি প্রস্তাব স্থাপন করেন শাহজাহানপুর উপজেলাটি মাজিরা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা সহ নয়টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মাননীয় স্পিকার সাধারণপুর উপজেলা একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অঞ্চল উপজেলাটি বগুড়া শহর সন্নিকটে হয় বর্তমানে এখানে বিপুল জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং নগরায়ন তরুণত হয়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিল্প করখানা প্রশাসনিক গুরুত্ব বিচার একটি ইতিমধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ পৌরসভা সমস্ত শর্ত বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে বর্তমান পৌরসভার অনুপস্থিতির কারণে এখানকার বিপুল জনগণ নাগরিক সুবিধার চরম ঘাটতে ভুগছেন সুপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা বর্জ্য বস্তুপনা প্রযুক্ত সড়ক বাতি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অন্যান্য জরুরি পৌরসভার হবে সাধারণ মানুষকে মারাত্মক ভোগান্তি বহতে হচ্ছে। শাহজাহানপুর উপজেলাকে পৌরসভার অতি উন্নত করার দাবিটি স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। বগুড়া জেলার মোট 13 টি উপজেলার মধ্যে 12 টি উপজেলায় পৌরসভার উন্নতিকরণ করা হয়েছে। শুধুমাত্র শাহজাহানপুর উপজেলাটি পৌরসভার সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম আসসালামু আলাইকুম মাননীয় সদস্যবৃন্দ দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদান অব্যাহত রয়েছে এ পর্যায়ে বক্তব্য রাখবেন মাদারীপুর দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ জাহান্নার আলী মিয়া জনাব মোঃ জাহান্নার আলী মিয়া
আমি মোহাম্মদ জাহান আলী মিয়া মাদারপুর 219 মাদারপুর 2 আমার বিষয় হলো মাদারপুর সরকারি কলেজ এই সরকারি কলেজ 1918 19 সালে স্থাপিত হয়েছে বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা 16000 আজকে এই ছাত্র-ছাত্রী মাদারপুর থাকার তেমন কোন হোস্টেল না থাকার কারণে অনেক অনিচ্ছতার মধ্যে পড়ে যাতায়াতের সুবিধার জন্য আমি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীকে আপনার মাধ্যমে জানাতে চাই যে আজকের এই ছাত্র-ছাত্রী যাতায়াতের সুবিধার জন্য দুইটা বাসের বিশেষ প্রয়োজন এই কলেজটি 1979 সালে শহীদ জিয়াউর রহমান সরকারীকরণ করেছেন। 1981 সালে আমি ওই কলেজ থেকে ছাত্রছাত্রী সংসদের জিএস হই। আজকে মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই যে এই জায়গা আমরা নির্বাচনের পূর্বে বলেছিলাম যে এই 16,000 ছাত্রছাত্রীদের জন্যে এই কলেজ থেকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়করণ করা জন্যে আজকে সেই জায়গায় আমার এই দুইটি বাস বিশেষ প্রয়োজন ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের ভীষণ সমস্যা অনেক দূর-দূরান্ত থেকে ছাত্র-ছাত্রী এই কলেজে আসেন এবং আসা যাওয়ার যানবাহন না থাকার কারণে বড় সমস্যা পড়তে হয় সে কারণে আমাদের আমার নির্বাচনী এলাকার মধ্যে এই কলেজটি আমার জেলার মধ্যে সাড়ে 13 লক্ষ লোক এবং বাহিরের জেলার থেকেও এই সরকারি কলেজে ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করতে আসেন।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার উত্থাপনীয় বিষয় এমপিও ভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটি গঠনে অনিয়ম নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতামত উপেক্ষা এবং অবৈধ আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক এই সংসদকে অবহিত করছি যে দেশের বিভিন্ন এমপিও ভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এডহক কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন বিধি-বিধান ও নীতিমালা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না এমন গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট এলাকার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতামত স্থানীয় বাস্তবতা এবং প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক অভিভাবক ও অংশীজনদের গ্রহণযোগ্য মতামত উপেক্ষা করে কোন কোন ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর প্রভাব তদবির ও স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিবেচনায় কমিটি গঠনের অভিযোগ রয়েছে এমনকি রাজনৈতিক প্রভাব ও ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে আরো উদ্বেগের বিষয় হলো ভবিষ্যতে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগের সুযোগ দেওয়ার আশ্বাসে অগ্রিম অর্থ লেনদেন এবং কমিটি গঠনে কেন্দ্র কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে এ ধরনের অনিয়ম অব্যাহত থাকলে শিক্ষা খাতে সুশাসন স্বাবধীতা ও স্বচ্ছতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় উল্লেখিত অভিযোগ সমূহের বিশেষ নিরপেক্ষ তদন্ত প্রযোজ্য আইন ও নীতিমালা অনুযায়ী এডো কমিটি গঠন নিশ্চিত এবং কোন অনিয়ম বা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশের উত্থাপনীয় বিষয় নাটোরের লালপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করে মানুষের জীবন জীবিকা বসত ভিটা কৃষি জমি নদী এবং সরকারি সম্পদ রক্ষা করা প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার নাটোরের লালপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন এখন আর শুধু পরিবেশের সমস্যা নয় এটি মানুষের জীবন জীবিকা বসতবাড়ি কৃষি জমি নদী এবং সরকারি সম্পদ রক্ষা করার সাথে সরাসরি জড়িত একটি গুরুতর জনস্বার্থের বিষয় রাতের আধারে কিংবা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদী ও বিভিন্ন উৎস থেকে যেভাবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে তাতে নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও তলদেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে নষ্ট হচ্ছে এর ফলে নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকি বাড়ছে ফসলি জমি ও বসত ভিটা হুমকির মুখে পড়ছে আজ যে জমিতে কৃষক ফসল ফলাচ্ছেন আগামীকাল সেই জমি নদীগর্ভে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে প্রশ্ন হলো কার স্বার্থে এই অবৈধ বালু উত্তোলন নিশ্চয়ই জনগণের স্বার্থে নয় তাই আমি সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি লালপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে শুধু মাঝে মাঝে অভিযান নয় স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে যারা এই কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাব যাই থাকুক তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে বালু উত্তোলনের স্থানগুলো নিয়মিত নজরদারির আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত নদীর তীর কৃষি জমি ও বসত ভিটা রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে বিষয়টি অতীব জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিধায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মাননীয় ভূমি মন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার মাননীয় স্পিকার খুলনা এক নির্বাচনী এলাকা দাকপ এবং বটিয়াঘাটা উপজেলা দেশের গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় কৃষি নির্ভর এলাকা এই দুই উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং গ্রামের জনগণ দৈনন্দিন যাতায়াত কৃষি পরিবহন শিক্ষা চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সড়ক যোগাযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে অনেক পাকা রাস্তা জরাজীর্ণ ও খানা খন্দে ভরা হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন গ্রামীণ গ্রামীণ এলাকায় কাঁচা রাস্তাগুলো বর্ষা মৌসুমে কাদা মাটি ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়। ফলে সাধারণ জনগণ চরম ভোগান্তি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এবং কৃষকরা উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। এই অবস্থায় দাগ ও বটিয়া কাটা নির্বাচনী এলাকায় জনাজ্ঞ পাকা রাস্তা দ্রুত সংস্কার পুনর্নির্মাণ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা রাস্তাগুলো পর্যায়ক্রমে পাকা করার পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকা নতুন রাস্তা নির্মাণ করা জরুরি বিশেষ করে
জলবদ্ধতা পূরণ এলাকায় রাস্তা নির্মাণের সময় টেকসই বাধ কালবার্ড ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা সমন্বয় করা প্রয়োজন যাতে দীর্ঘ মেয়াদে সড়কগুলো ব্যবহারে উপযোগী হয় ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। বরগুনা এক আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ। জনাব মোহাম্মদ ওলিউল্লাহ সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম নুরুল ইসলাম এপারেন্টলি উনিও নেই কিশোরগঞ্জ দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ জালাল উদ্দিন এডভোকেট মোঃ জালাল উদ্দিন উনি আছেন বোধহয় সময় দুই মিনিট
উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় ঝুঁকিতে পোল্ট্রি শিল্প প্রসঙ্গে। মাননীয় স্পিকার সাধারণ মানুষের সহজলভ্য প্রোটিনের বড় উৎস পোল্ট্রি শিল্প। অথচ দেশের পোল্ট্রি খাতে উৎপাদন খরচ প্রায় দ্বিগুণ। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে তৃণমূল পর্যায়ের খামারে। ব্যয়ের সাথে আয়ের অংক সমন্বয় না হওয়ায় খামার বন্ধ করে বেকার হচ্ছে হাজার হাজার খামারি। চরম বিপর্যয়ের মুখে উদীয়মান প্রায় 50,000 কোটি টাকার পোল্ট্রি শিল্প উৎপাদন খরচের চেয়ে কম দামে বিক্রয় করে হাজার হাজার খামারি লোকসান গুনছে শত শত খামারি নিঃস্ব পোল্ট্রি শিল্প বাঁচাতে হলে পোল্ট্রি খাদ্যের দাম কমাতে হবে উৎপাদনের উপকরণ আমদানি নির্ভর হওয়ায় আয়কর ও শুল্ক কম হবে বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের সমাধান না হলে সহজলভ্য প্রাণিজ আমিষের উৎসটি গভীর সংকটে পড়বে আমদানি শুল্ক না কমালে প্রান্তিক খামারিদের টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না প্রান্তিক খামারি না থাকলে এ শিল্পী বড় কর্পোরেট কোম্পানির অধীনে চলে যাবে তখন তাদের বেঁধে দেওয়ার দামে ভোক্তাদের ক্রয় করতে হবে পোল্ট্রি শিল্প সুবিধা না থাকলে এক হাতে বিনিয়োগ আসবে না নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে না। যারা আছে তারা অন্য খাতে চলে যাবে। ফলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সময়ের দাবি। জনস্বার্থে বিষয়টি অতীব জরুরী এবং কোন জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিধায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য আমি মাননীয় মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী মহোদয় সদয় দৃশ্য আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। চাঁদপুর চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান। জনাব মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান উপস্থিত নেই। জামালপুর তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল। মোহাম্মদ সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার সমস্যাটা হচ্ছে বিদ্যুৎ আমার আলোচ্য বিষয় হচ্ছে হাসপাতাল বিদ্যমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ঢাকা সহ দেশের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা সেবা দারুণভাবে ব্যহত হচ্ছে লোডশেডিং এর ভোগান্তিতে রোগীদের নিদারণ কষ্ট হচ্ছে বিদ্যুৎ না থাকায় কোথাও কোথাও নেবুলাইজার কোথাও এক্সরে ও ইসিজি বন্ধ থাকছে প্যাথলজি পরীক্ষাও করা যাচ্ছে না বিদ্যুৎ না থাকায় জরুরি অস্ত্র প্রচার অব্যাহত হচ্ছে কোন কোন হাসপাতালে জেনারেটর সুবিধা থাকলেও জ্বালানির অভাবে নিরবিচ্ছিন্নভাবে তাও সব সময় চালু রাখা সম্ভবপর হচ্ছে না জ্বালানি তেলের জন্য হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় অর্থের বরাদ্দ নাই এমত অবস্থায় বর্তমান বিদ্যুৎ সংকটকালীন পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাসপাতালের স্বাভাবিক চিকিৎসা কার্যক্রম সচল রাখার স্বার্থে সার্বক্ষণিক জেনারেটর ব্যবস্থা চালু সহ সোলার প্যানেল স্থাপনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জরুরী পদক্ষেপ নেবার জন্যে আমি সবিনয় অনুরোধ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
মাননীয় ধর্মমন্ত্রী এবং মাননীয় এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী দয়া করে বসে কথা বলেন আপনাদের পিছনে একজন বক্তব্য রাখছেন এবং আস্তে আস্তে কথা বলুন প্লিজ। মাননীয় সদস্য আপনি একটু স্টপ করেন প্লিজ। মাননীয় ধর্মমন্ত্রী এবং এলজিআরডি স্টেট মিনিস্টার বসে আস্তে ধীরে কথা বলেন যেন উনার বক্তব্য আমরা শুনতে পারি। মাননীয় সদস্য আপনার দুই মিনিট সময় এখন থেকে শুরু।
আমার উত্থাপনীয় বিষয় ধর্মের অপব্যাখ্যা ও বিরোধমূলক ফতোয়া প্রতিরোধে জাতীয় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ প্রসঙ্গে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও বিরোধমূলক ফতোয়ার কারণে বিভিন্ন সময় সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এবং সামাজিক সম্প্রীতি জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হয় এ ধরনের বিভ্রান্তি প্রতিরোধ এবং জন সৃষ্টি হয় এবং সামাজিক সম্প্রীতি জনশৃঙ্খলা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয় এ ধরনের বিভ্রান্তি প্রতিরোধ এবং ইসলামের সঠিক শান্তিপূর্ণ সহনশীল শিক্ষা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন এমত অবস্থায় আমাদের দেশের স্বীকৃত আলেম ওলামা পীর মাশায়েখদের সমন্বয়ে একটি জাতীয় ফতোয়া বোর্ড বা সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আমি মাননীয় ধর্ম মন্ত্রী মহোদয়ের সদদৃষ্টি আকর্ষণ করছি মানুষ পিকার আন্তরিক ধন্যবাদ আপনাকে।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশ সময়ের উপর দুই মিনিটের বক্তব্য রাখার পর্ব এখানেই শেষ হলো। মাননীয় ধর্মমন্ত্রী
মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী অনুযায়ী জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের গৃহীত নোটিশ সময়ের উপর আলোচনা আমি মাননীয় সদস্য রেহানা আক্তার রানুকে তার জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পড়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার উত্থাপনীয় বিষয় নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর সড়কেও কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরেছে বিশেষ করে বেশ কিছু এলাকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এআই নির্ভর ট্রাফিক ক্যামেরা স্থাপনের পর সড়কে বেশ ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে লাল বাতি অমান্য লেন পরিবর্তন অথবা নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘনের মত অনিয়মও বেশ কমে এসেছে। কিন্তু হতাশার কথা হলো এর মধ্যেও ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ব্যাপরোয়া চলাচল করছে। নাম্বার প্লেট না থাকার কারণে রিকশা এআই ক্যামেরা শনাক্ত হলেও জরিমানা করা সম্ভব হচ্ছে না। মাননীয় স্পিকার রাজধানীর 17 টি সিগন্যালে 50 টি এআই ক্যামেরা চালু রয়েছে এ আই ক্যামেরা মূলত জানবাহনের নাম্বার প্লেট শনাক্ত করে কেন্দ্রীয় সার্ভারে তথ্য পাঠায় পরে ওই তথ্যের ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জরিমানার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় কিন্তু বাস্তবতা হলো রাজধানীর মত ব্যস্ত শহরে কোন নাম্বার প্লেট ছাড়া বিপুল পরিমাণ অটোরিকশা প্রধান প্রধান সড়কে ঘুরছে মাননীয় স্পিকার অটোরিক্সার কাঠামোগত ত্রুটি থাকায় এই ব্যস্ত সড়কে প্রায় সড়ক দুর্ঘটনা ঘটছে দুর্ঘটনা ঘটছে যদিও কিছুটা স্বাশ্রয় এবং সহজে পাওয়া যায় বলে অটোরিক্সা অনেকের দৈনন্দিন বাহন হয়ে উঠেছে রাজধানী সড়কের শৃঙ্খলা ফেরাতে হলে অটোরিক্সা নিয়ন্ত্রণে আনা জরুরি অটোরিক্সার কাঠামোগত ত্রুটি দূর করে নাম্বার প্লেট যুক্ত করা, চালকের প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স প্রদান সহ সবকিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মের আওতায় আনা জরুরী বলে আমি মনে করি। বিষয়টি জরুরী বিধায় আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্যে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
গৃহীত নোটিশটা নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নোটিশ দেয়ার জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ইজি বাইক ও অনুরূপ বৈদ্যুতিক তিন জাকার যান গত এক দশকে নগর ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে তুলনামূলকভাবে কম ভাড়া সহজ লভ্যতা এবং স্বল্প দূরত্বে দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার কারণে এসব জান সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে বিশেষ ভূমিকা রাখছে একই সঙ্গে চালক মালিক গ্যারেজ মালিক গ্যারেজ শ্রমিক ব্যাটারি ও খোচরা যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী চার্জিং সেবাদাতা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে এই খাত একটি বিস্তৃত অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে তবে দ্রুত অনেকাংশে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে এই খাতটি এখন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সড়ক নিরাপত্তা জানজট পরিবেশ দূষণ জনস্বাস্থ্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিপুল সংখ্যক যান এক যুগে চার্জ দেয়ার ফলে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ অননুমোদিত বা আবাসিক সংযোগের বাণিজ্যিক ব্যবহার ট্রান্সফরমার ও বিতরণ লাইনের উপর বাড়তি লোড এবং পিক সময়ে বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির মত সমস্যা দেখা দিচ্ছে অন্যদিকে জানগুলোর বড় অংশে ব্যবহৃত লেড এসিড ব্যাটারির অনিরাপদ ব্যবস্থাপনা ও অনানুষ্ঠানিক রিসাইক্লিং শিশা দূষণ মাটি ও পানি দূষণ এবং বিশেষ করে শিশু ও শ্রমিকদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে মাননীয় স্পিকার এখানে যে দোয়াটা উদ্গীরণ হয় সেটা যে এয়ার পলিউশন হয় তাতে করে আশেপাশে পোল্ট্রি সবগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেশে আনুমানিক 50 থেকে 80 লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি হুইলারের দৈনন্দিন যে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় তা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় 5 শতাংশ আরো বেশি হতে পারে এটা বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলবে বিপুল এই চাহিদার বিপরীতে বৈধ চার্জিং পয়েন্টের সংখ্যা মাত্র প্রায় 3300 টি অন্যদিকে শুধু ঢাকাতেই 48 হাজারের বেশি অনান্য অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে বলে আমাদের ধারণা ফলে জাতীয় গ্রিড ও স্থানীয় বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং অবৈধ অননুমোদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারে বছরে প্রায় 4000 কোটি টাকা সড়ক পরিবহনের ক্ষেত্রেও অনিবন্ধিত যান ও প্রশিক্ষিত চালক ত্রুটিপূর্ণ নকশা দুর্বল ব্রেক ও আলো ব্যবস্থা অতিরিক্ত গতি এবং মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে আমরা একসময় শুনতাম নসিমন বটবটি এগুলো আসে একটা মৌসুমে এখন তার সাথে এই নন মোটরাইজ যানগুলো যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট রোড, স্ট্যান্ড, পার্কিং ও যান সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের অভাবে ঢাকা শহরে এসব যান যানজট ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় 2025 সালে 6729 টি সড়ক দুর্ঘটনায় 9111 জন নিহত হয় এবং 14812 জন আহত হন দুর্ঘটনায় যুক্ত যানবাহনের মধ্যে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ছিল 13.54 শতাংশ মাননীয় স্পিকার উল্লেখিত বাস্তবতায় রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে অননুমোদিত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত বিশেষ যান পরিচালনা করছে অভিযানে নিয়মিত নিয়ম ভঙ্গকারী অটোরিক্সা আটক ও ডাম্পিং সহ প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে একই সঙ্গে ডিএমপি ডেস্কো ডিপিডিসি সমন্বয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারকারী রিক্সা গ্যারেজ সমূহে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এসব অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে অটোরিক্সা চলাচলকে একটি সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য সরকার কর্তৃক সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়িত হলে অনুমোদিত অনুমোদিত ও বৈধ অটোরিক্সাকে নাম্বার প্লেট কিউআর কোডের মাধ্যমে শনাক্তকরণ চালকদের নিবন্ধন এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান করে লাইসেন্সের আওতায় আনা সম্ভব হবে নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুমোদনের পর এর আলোকে অটোরিক্সার নিবন্ধন রোড নির্ধারণ চালক নিয়ন্ত্রণ চলাচল ব্যবস্থাপনা এবং আইন প্রয়োগ সহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে গ্রহণ করা হবে যার মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। মাননীয় স্পিকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে রাজধানীর 17 টি সিগন্যালে 50 টি এআই ভিত্তিক ক্যামেরা চালু রয়েছে এর ফলে সংশ্লিষ্ট সিগন্যাল সমূহে অটোরিক্সা সহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে এর ধারাবাহিকতায় ট্রাফিক রমনা তেজগাঁও বিভাগে আরো 200 টি এআই ভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়েও এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু এর নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে যদি কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা বা মতামত থাকে তিনি তা আমাদেরকে অবগত করলে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে আমরা লক্ষ্য রাখবো। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।
আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাননীয় সদস্য রেহানা আক্তার রানু আপনি এ বিষয়ে একটি প্রশ্ন করতে পারেন যদি থাকে উনি যদিও সুপারিশ চেয়েছেন প্রশ্ন আছে কিন্তু
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি আমার যে বিষয় নিয়ন্ত্রণহীন ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ বলিনি আমি বলেছি চলাচল নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার আমাদের মন্ত্রী অলরাউন্ডার মন্ত্রী এবং দুষ্ট লোকেরা নয় ভালো লোকেরা বলে উনি এই সংসদে একজন ড্রেসিং হিরো এই রিয়েল হিরোকে খলনায়িকা হাসিনা শেষ করে দিতে চেয়েছিলেন কিন্তু হাসিনা জানতো না যে রাখি আল্লাহ মারে মাননীয় স্পিকার আমি আসল কথায় আসছি মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন যে 80 লাখ রিক্সা রাস্তায় চলছে কিন্তু প্রতিদিন ঢাকা শহরে আরো 300 অটো রিক্সা যুক্ত হচ্ছে ঢাকা শহরে যুক্ত হচ্ছে 300 অটো রিক্সা প্রতিদিন চার্জিং খাতে 1000 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হচ্ছে বর্তমান মানে লোড শেডিং এর এটিও একটি অন্যতম কারণ। বিদ্যুতের খুঁটি থেকে অবৈধভাবে সংযোগ নেয়ার কারণে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুতের রক্ত সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে না মন্ত্রী নিজেও বলেছেন। মাননীয় স্পিকার যেহেতু এখানে অনেক মানুষের জীবন জীবিকা জড়িত তাদের জন্য বিকল্প পরিকল্পনা ছাড়া তাদের বাহন জব্দ করা ডাম্পিং করা পুলিশি হয়রানি করা ঠিক নয় বলে আমি মনে করি। আমি মনে করি তাদেরকে প্রধান সড়ক থেকে সরিয়ে ভেতরের রাস্তায় চলাচলের ব্যবস্থা করা যেতে পারে অবশ্যই অবশ্যই সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বিআরটিএ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করতে হবে এবং ঢাকা শহরে অঞ্চলভিত্তিক জোনিং এর ব্যবস্থা করতে হবে মাননীয় স্পিকার এটি এখন শুধু পরিবহন খাত নয় এটি একটি বড় নগর অর্থ নীতি বাহন জব্দ কিংবা হয়রানি নয় পরিকল্পিত ব্যবস্থার আওতার আনাই এখন জরুরি সুষ্ঠ নীতিমালা প্রণয়ন করার কথা মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন তো আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করতে চাই চাই যে আপনি বলেছেন সুষ্ঠ নীতিমালা প্রণয়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন এটা কবে নাগাদ করা হবে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি কিছুক্ষণ আগে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলাপ করছিলাম যে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিধিবিধান নীতিমালা প্রণয়ন করার কথা তার অগ্রগতি কতটুকু তিনি জানান ইতিমধ্যে হয়েছে এই বিধি এবং নীতিমালা কার্যকর করার জন্য তারা কিছু শর্ত দিবেন তার মধ্যে মাননীয় সদস্য যে প্রশ্নটি তুলে রোড নির্ধারণ প্রধান প্রধান সড়কগুলো ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে রোড নির্ধারণ করা হবে তাদের কর্মসংস্থানের যাতে কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য লক্ষ্য রেখে এবং পরিবেশের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে সেদিকে লক্ষ্য করে কে নিরাপদ ব্যাটারি লাগানোর একটা বিষয় সেখানে সংযুক্ত করা হয়েছে এখন যেমন লেড এসিড ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা আবার পরিবেশ দূষণ করছে অনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে সেটা রিসাইক্লিং হচ্ছে এবং সেই দূষণটা মারাত্মক বায়ু এবং পানি সবই দূষিত হচ্ছে এবং কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর পোল্ট্রি মত শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সে সমস্ত জায়গায় যেখানে অবৈধ অনন্তরিতভাবে এগুলো রিসাইক্লিং করা হচ্ছে সেজন্য এমন একটি ব্যাটারি সংযোজনের শর্ত আমরা এখানে আরোপ করব সেই ব্যাটারির সাথে যাতে ডিজিটালি ট্র্যাক করা যায় একটা রেজিস্ট্রেশন নাম্বারের অধীনে যাতে অনেকগুলো না চালানো যায় সেই কায়দা কারণ আমরা বের করছি মাননীয় স্পিকার যাতে অতীতে দেখা গেছে রেজিস্ট্রেশন একটা জানের জন্য সেই নম্বর দিয়ে যাতে 10 টা 20 টা না চালানো যায় এখানে সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে আমাদের ঈমানদারিত্ব যেমন বৈদ্যুতিক পিলার থেকে এখন অবৈধভাবে সংযোগ নিয়ে সেটা চার্জিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি দুর্নীতি এর সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন জড়িত আর সিটি কর্পোরেশনের লোকজন জড়িত তারা যারা ব্যবহার করছে তারা তো করছেই এই ঈমানদারিত্বটা আমাদেরকে বজায় রাখতে হবে যাতে আমরা জাতীয় স্বার্থটাকে সবার আগে দেখি যাতে কোন বেকার সৃষ্টি না হয় কর্মসংস্থানের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা সবদিক নজর রেখে পরিবেশ যাতে আমরা সংরক্ষণ করতে পারি সেদিকে আমরা লক্ষ্য রেখে ব্যাটারির মাধ্যমে যাতে আমরা এমন কিছু সংযোজন করছি ডিজিটালি এবং ব্যাটারিটাও পরিবেশবান্ধব হয় সেই ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে যাতে ট্র্যাক করা যায় একটা রেজিস্ট্রেশনের অধীনে যেন অধিক যানবাহন না চলে এই সমস্ত কিছু আমরা সমন্বয় করেই আজকে একটা নীতিমালা এবং বিধির প্রণয়ন হয়েছে আমাকে সেটা জানালেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এবং তারপরে সেটার প্রয়োগ দেখা যাবে ইনশাল্লাহ আশা করি আমরা সব দিক লক্ষ্য রেখে বেকারত্ব যাতে না বাড়ে কর্মসংস্থান যাতে ব্যহত না হয়। পরিবেশ যাতে সঠিক থাকে, যানবাহনের সুশৃঙ্খলতা থাকে, নিয়ন্ত্রণ থাকে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সঠিক থাকে সবকিছু লক্ষ্য রেখে আমরা সেটা বাস্তবায়ন করব। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনার।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন বিল সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপন প্রথমে আমি অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি জনাব মুশফিকুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া চার আপনাকে কার্যপ্রণালী উপবিধি এক অনুযায়ী ব্যাংক রেজুলেশন সংশোধন বিল 2026 সম্পর্কে অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। মাননীয় সদস্য, আই থিংক ইউ আর দা মোস্ট সিনিয়র ওল্ডেস্ট জেন্টলম্যান। আপনি যদি মনে করেন বসে বলবেন, ইউ আর ফ্রি টু ডু সো।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ ব্যাংক রেজুলেশন সংশোধন বিল 2026 পরীক্ষাকরণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি মুশফিকুর রহমান জাতীয় সংসদের কার্যবিধি অনুযায়ী এই মহান সংসদে উত্থাপন করছি কমিটি 5ই সেপ্টেম্বর 2026 তারিখে বৈঠকে মিলিত হয়ে বিলটি পরীক্ষা করে। বৈঠকে কমিটির যে সকল মাননীয় সদস্য অংশগ্রহণ অবদান রেখেছেন তারা হলেন আমি জনাব মুশফিকুর রহমান এখানে একটু প্রিন্টিং মিস্টেক হয়েছে। 242 না হয়ে 246 হবে 46 হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া চার আমির খুশু মাহমুদ চৌধুরী 288 চট্টগ্রাম 11 নুরুল ইসলাম মনি 110 বরগুনা 2 মইনুল ইসলাম খান 169 মানিকগঞ্জ 2 মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন 274 লক্ষীপুর 1 মোহাম্মদ সাইফ আলম 185 ঢাকা 12 এবং সৈয়দ জয়নাল আবেদীন 177 ঢাকা চার কমিটির মাননীয় সদস্য জনাব আবুল হাসান 252 কুমিল্লা চার বিদেশে অবস্থান করায় তিনি বৈঠকে উপস্থিত হতে পারেননি তবে তিনি আমার নিকট মাননীয় সভাপতির নিকট বিলটি সমর্থন করে অন্যান্য বিষয় উত্থাপন করেছেন যা পরবর্তী সভায় আলোচনা হতে পারে বৈঠক উপস্থিত থেকে কমিটির রিপোর্ট প্রণয়নের সহায়তা প্রদান করার জন্য অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্ক স্থায়ী কমিটির মাননীয় সদস্যগণ আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। তাছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক অর্থ মন্ত্রণালয় আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের যে সকল কর্মকর্তা কর্মচারী এই বৈঠকে কাজের রিপোর্ট প্রণয় সহায়তা করছে তাদেরকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।
কমিটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত ও আন্তরিক পরিবেশে বিলটির বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক পরীক্ষা করে এবং ব্যাংক রেজুলেশন সংশোধন বিল 226 উত্থাপিত আকারে মহান সংসদে পাশ করার সর্বসম্মতিক্রমে সুপারিশ করেন আপনাকে ধন্যবাদ
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এটা 2026 হবে রিপোর্টটি মহান সংসদে উত্থাপিত হলো ধন্যবাদ মাননীয় সদস্যবৃন্দ আমি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সভাপতি বরিশাল তিন আসল থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব জয়নুল আবেদীন কে কার্যপ্রণালী উপবিধি এক অনুযায়ী আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবিপিএন বিল 2026 সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপনের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। ধন্যবাদ।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আইএম পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন বিল 2026 পরীক্ষাকরণ সংক্রান্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির রিপোর্ট আমি উপস্থাপন করছি দুর্দশা জাতীয় সংসদে তৃতীয় সেপ্টেম্বর 2026 তারিখের বৈঠকে উত্থাপিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন বিল 2026 জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে পরীক্ষা করে সংসদে রিপোর্ট প্রদানের জন্য সংসদ কর্তৃক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা মাননীয় স্পিকার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন বিল 2026 পরীক্ষা করণ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি রিপোর্ট কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি জয়নুল আবেদীন জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী অনুসারে এই মহান সংসদে উপস্থাপন করছি কমিটি 6 ই সেপ্টেম্বর 2026 তারিখের বৈঠকে মিলিত হয়ে রিপোর্টটি পুঙ্খানুরূপে পরীক্ষা করে বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির যে সকল মাননীয় সদস্য বিলটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন এবং অবদান রেখেছেন তারা হলেন সব জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ 294 কক্সবাজার 1 মীর শাহ আলম 37 বগুড়া 2 রফিকুল ইসলাম 101 খুলনা 3 কামরুজ্জামান 173 মুন্সিগঞ্জ 3 মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন 91 মাগুরা 1 শিরিন সুলতানা 302 মহিলা আসন 2 মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 45 চাপাই নবাবগঞ্জ তিন এবং মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন 100 89 ঢাকা 16
বৈঠকে উপস্থিত থেকে কমিটির রিপোর্ট প্রদানের সহায়তা প্রদান করার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির মাননীয় সদস্যগণকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি তাছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আইন বিচার সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় সংসদে সচিবালয়ের যেসকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারী বিলটি পরীক্ষার কাজে রিপোর্ট প্রণয়নে কমিটিকে সহায়তা করেছেন এই কমিটির পক্ষ থেকে আমি তাদেরকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ কমিটি অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং আন্তরিক পরিবেশে বিলটির বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক পরীক্ষা করে কমিটি আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন এপিবিএন বিল 2026 কমিটি কর্তৃক সংশোধিত আকারে মহান সংসদে পাশ করার জন্য সর্বসম্মতিক্রমে সুপারিশ করছি।
মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন কমিটি গঠন কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনি আপনি প্রথমে কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমূল 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে 263 ও বর্ণিত কমিটির কাজ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে কার্যপরিবারী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। জনাব হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম 117 ভোলা 3 সভাপতি। ব্যারিস্টার কায়সার কামাল 157 নেত্রকোনা 1 সদস্য। জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ 294 কক্সবাজার এক সদস্য জনাব নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গণা দুই সদস্য জনাব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান 81 ঝিনেদা এক সদস্য জনাব এ এম মাহবুব উদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য জনাব মোহাম্মদ নওশাদ জামিল এক পঞ্চগড় এক সদস্য শাকিলা ফারজানা 308 মহিলা আসন আট সদস্য সৈয়দ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সদস্য জনাব শাহজাহান চৌধুরী 292 চট্টগ্রাম 15 সদস্য জনাব মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান 68 নয় সদস্য জনাব আকতার হোসেন বাইশ রংপুর সদস্য মানুষকে আপনাকে ধন্যবাদ।
আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। মহান সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন।
যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং কার্যপ্রণালী বিধি সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন সরকারি প্রতিসৃতি সম্পর্কিত কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গানা 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 73 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যকালের বিধি অনুসারে বর্ণিত কাজ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যদের সমন্বয়ের দোষ জাতীয় সংসদের সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হোক। জনাব এ এম মাহবুব উদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সভাপতি, জনাব মোহাম্মদ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ 40 বগুড়া পাঁচ সদস্য, জনাব জাহিদুর রহমান পাঁচ ঠাকুরগাঁ তিন সদস্য, জনাব শাহ মোহাম্মদ ওয়ারিস আলী মামুন 142 জামালপুর পাঁচ সদস্য, জনাব মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান 46 নগর এক সদস্য জনাব মোহাম্মদ মাহবুল আলম 27 কুড়িগ্রাম তিন সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দিকা 337 মহিলা আসন 37 সদস্য জনাব জিএম নজরুল ইসলাম 108 সাতকিলা চার সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আপনাকেও ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি একই সাথে গঠিত হলো
প্রিয় স্পিকার বিষয়টি হল 349 জন সংসদ সদস্য এখন সংসদে আছেন প্রত্যেককেই কোন না কোন কমিটিতে আমি একজন একজন করে এটলিস্ট একটা কমিটিতে থাকতে পারে মাননীয় কাজী নজরুল ইসলাম সাহেবের আর কোন কমিটিতে রাখা সম্ভব হয়নি আর প্রতিষ্ঠিত কমিটি জানেন যে সরকার যেসব প্রতিষ্ঠিত দেবে সেই সংক্রান্ত বিষয়ে পর্যালোচনা করা সে কারণে সেই বিবেচনায় গাজী নজরুল ইসলাম সাহেবকে এইখানে সদস্য রাখা হয়েছে
মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় চিফ হুইপ আমার কাছে মনে হচ্ছে কোশ্চেনটা এসেছে এই কারণেই উনি আগে কয়েকটা স্থায়ী কমিটিতে ছিল বিরোধী দলীয় নেতার চিঠি বা উনাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তাকে ড্রপ আউট করা হয়েছিল এইবার আবার এখানে রাখা হয়েছে সেই কারণে হয়তো কোশ্চেনটা এসেছে
মাননীয় স্পিকার উনি বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মাননীয় সদস্য যতক্ষণ পর্যন্ত উনার সদস্যপদ না যায় ততক্ষণ পর্যন্ত আমি ওদবাউন্ড যে সমগ্র সংসদস্যকে একমোডেট করবো এবং সকলের পক্ষেই আমি কথা বলবো তা সেই হিসেবে বিরোধী দল না সরকারি দলও না উনাকে একজন কোন একটা কোন কমিটিতে রাখা হয়নি কোন কমিটিতে রাখা সম্ভব হয়নি উনার তিনটা কমিটির নাম ছিল দুইটা কমিটিতে দুইটা কমিটিতে মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা বা ওর পক্ষ থেকে আমাকে অনুরোধ করা হয়েছে সেই ইম্পর্টেন্ট দুইটা কমিটি থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে কিন্তু আর কোন কমিটি নাই যেখানে রাখা যেতে পারে এবং যেখানে কোন স্বার্থক্ষুণ্য হতে পারে বিরোধী দলের কোন রকম এরকম কোন কমিটি সেই হিসেব করে আমি জিএম নজরুল ইসলামকে ওখানে রেখেছি কারণ একজন সদস্যকে আমি তাই যে সকল সদস্যরাই তারা কন্ট্রিবিউট করার সুযোগ পাক। এই কমিটির কার্যক্রম খুব বেশি না। হয়তো বছরে একবার দুবার বসতে পারে বা পাঁচ বছরে একবার দুবার বসতে পারে। তো সুতরাং সেই জন্য হ্যাঁ। তো আমাদের দিকে উনারা যদি বলেন যে এটা আপত্তি আমি মনে করি যে সদস্য হিসেবে তারে রাখা যেতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত না তার সদস্যবাদ বাতিল হয়। এছাড়া যদি বিরোধী দলের কোন আপত্তি থাকে আমাদের কোন আপত্তি নেই এটা নাম বাদ দেওয়ার জন্য আমাদের তরফ থেকে কোন আপত্তি নেই।
মাননীয় স্পিকার এখানে কনফিউশনের কোন সুযোগ নেই মাননীয় চিফ হুইপ বলেছেন যে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে কোথাও না কোথাও জাতীয় সংসদের কোন না কোন কমিটিতে রাখতে হবে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গুলোতে যেহেতু বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যে নামগুলো দেয়া হয়েছে ওখানে তার নাম ছিল না সেখানে রাখা হয়নি সংসদীয় যে কমিটি গুলো আছে সেখানে দুইটাতে তাদের আপত্তি ছিল রাখা এখন কোন না কোন কমিটিতে একমুডেট করতে যেয়ে কাজী নজরুল ইসলাম সাহেবকে রাখতে হয়েছে একটাই। তো এখানে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে মাননীয় বিরোধী দলের নেতা তো বলেছেন যে যেহেতু তাদের পক্ষ থেকে আসে নাই সেটা আমরা স্বীকার করেছি তাতে উনার কোন আপত্তি নাই। তবে বেহেতর হতো যে মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জামাতে ইসলামের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন কোন স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন তার সদস্য পদ শূন্য করার জন্য এখানে বিধি মোতাবেক দল থেকে বহিষ্কার হলে কনস্টিটিউশন অনুযায়ী তার পদ শূন্য হয় না সত্য অনুচ্ছেদ সেখানে আসে না যদি নিজে তিনি পদত্যাগ না করেন এখন বিষয় হচ্ছে বলবো কিনা না বুদ্ধি বাড়িয়ে দিব কি জানি আচ্ছা তাহলে আমি বলি আপনারা যদি সত্যি সত্যিই চান তার আসনটি শূন্য হোক। তাহলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের পক্ষে ভোট দেয় নাই আপনাদের এবং ভোট দানে বিরত ছিল। সেই জায়গায় 70 অনুচ্ছেদ কিন্তু আসে। 70 অনুচ্ছেদ আসে। এখন সেইটা কগনিজেন্সে নিয়ে যদি আপনারা মাননীয় স্পিকারকে মনোযোগ আকর্ষণ করেন চিঠি দেন বা নির্বাচন কমিশনে দেন আমরা সেই হিসেবে বিধি মোতাবেক সাংবিধানিকভাবে সহযোগিতা করতে পারি এই বুদ্ধিটা বিনা পয়সায় দিলাম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। গ্রামে একটা মানে কথা চালু আছে আর কি। যে কোন দুর্বল মানুষের উপরে প্রতিশোধ নিতে হলে তারে মেম্বার ইলেকশনে দাঁড় করাইয়া দেওয়া। তো আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাঝে মাঝে এরকম আমাদেরকে কিছু টিপস দেন আমরা এনজয় করি। তো এইজন্যে সেদিন বলছিলাম যে উনি থাকলে সংসদ প্রাণবন্ত হয়। আইদার পজিটিভ অর নেগেটিভ। কিছু একটা হয়। আমরা এখন তাকে ফ্লোর ক্রসিং এর কথা বলব কেন আমরা তো তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি আমরা তো এখন এটা বলতে পারি না যে তিনি আমাদের দলের সদস্য হয়ে ফ্লোর ক্রসিং করেছেন আমাদের সিদ্ধান্ত ভায়োলেট করেছেন এটা বলার কোন সুযোগ নাই তবে আমরা আগেই অনাপত্তি বলেছিলাম যেহেতু আমাদের কোথায় আসে নাই কিন্তু মহান জাতীয় সংসদের মত এইরকম একটা প্রেস্টিজিয়াস হাউসে যাকে আমরা নৈতিক কারণে বহিষ্কার করে ছিটিয়ে দিয়েছি কোন কমিটিতে না রাখাটা উত্তম ছিল সেটা নৈতিকতার দিক থেকে বেড়া এখন এইটা রিটিং করার সুযোগ আছে কারণ বিভিন্ন সময় পুনর্মূল্যায়ন হয় অদলবদল হয় ড্রপ হয় আবার এড হয় আমি মনে করি নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে এটা একটা এক্সাম্পল হবে যদি উনাকে কোথাও রাখা না হয় ধন্যবাদ মাননীয় সভাপতি
মাননীয় স্পিকার মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা আমার জন্য এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করেছেন আমিও রাব্বুল আলামিন আমাদের মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা সেতু শুভ্র বুজুর্গানে দিন তার হায়াতে তৈয়বা ফরমায় সবরে জামিল আতা ফরমায় আমিও দোয়া করছি মাননীয় স্পিকার এর দ্বারা আমাদেরকে হয়তো বুঝে নিতে হবে গাজী নজরুল ইসলামের সদস্যপদটা বহাল থাকলো কিন্তু কমিটিতে রাখা যাবে না আমি এর বেশি কিছু বুঝি নাই কারণ অন্য বিরোধী দলের নেতার অনুরোধে ইচ্ছা করলে এই কমিটি থেকে তাকে বাদ দেয়া যায় এখন পুনর্গঠন আবার করা যাবে এখনো এপ্রুভ হয় নাই বাদ দিয়ে গেলে মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন হবে আমি কারো বিরুদ্ধে কোন কিছু বলতে চাচ্ছি না বাদ দেয়া হলো কিন্তু আমরা বুঝে গেলাম তার সদস্য পদ শূন্য করার পকেট নন মানে এটাই বুঝে গেলাম কারণ দল থেকে বহিষ্কার করলে সংবিধান অনুযায়ী সদস্য পদ যায় না এই মাননীয় সংসদ সদস্য যদি দলের বিপক্ষে ভোট দেন ভোট দানে বিরত থাকেন অনুসারে আর্টিকেল অনুসারে তার আসন শূন্য হবে সেটা আপনাকে ডিক্লেয়ার করতে হবে অথবা তিনি যদি নিজে পদত্যাগ করেন দল থেকে সেটা যেহেতু মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছেন দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছেন তিনি অস্বীকার করতে পারবেন না যে তার দলীয় সদস্য পদ বহিষ্কার করার পরে তার সদস্য যায় না এটা অস্বীকার করা যাবে না আইন হিসেবে সুতরাং বৈধ এটাই যে তার সদস্য পদটা বহাল থাকলো যদি বিরোধী দল ওই রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের সময় তার অনুপস্থিতিটা কাউন্ট করে 70 আর্টিকেল অনুসারে চিঠি না দেয় তাহলে তার সদস্যপদটা বহাল থাকে। এটা আমরা তাইলে বুঝে নিলাম। মানে সদস্যপদ বহাল থাকলো কিন্তু কমিটিতে রাখা যাবে না। এই হলো আমাদের আজকে মাননীয় বিরোধী দলের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমরা বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমরা এটাই বুঝে নিলাম তিনি যদি চান অনৈতিক কারণে আমি একটু শেষ করি একটু শেষ করি যদি বিরোধী দলীয় নেতা চান যে তার দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দানে বিরত ছিল সেই প্রেক্ষিতে তিনি 73 অনুচ্ছেদে তার দলীয় সংসদ তার সংসদের আসন শূন্য করার জন্য চিঠি দিতে পারেন আর যদি তিনি না চান অন্য কোন বিধি নাই তার সদস্যপদ শূন্য হওয়ার ক্ষেত্রে আমি শেষ করি তারপর এখন যদি সংসদের এই কমিটি থেকে নাম বাদ দিতে হয় আমরা মাননীয় বিরোধী দলের নেতার সম্মানার্থে আমরা বাদ দিয়ে দেবো। এটা ঠিক আছে। আর তার সম্পর্কে চর্চা করব না। ধন্যবাদ।
আসলে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় থাকলে এখানে আমার কিছু কথা বলতে হয় আর আমি কিছু বললে উনার কিছু বলতে হয় এটা স্বাভাবিক মাননীয় স্পিকার আসলে 17 অনুচ্ছেদ কি বলছে বলছে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে ভোট দানে বিরত থাকলে কথাটা নাই আমার জানামত এটা প্রযোজ্য হবে না এখানে এই ব্যাখ্যা তবে আমি ধন্যবাদ জানাই আমি নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে যে এফিল করেছিলাম উনি এটাকে এন্ডোর্স করেছেন এজন্য উনাকে মোবারকবাদ।
মাননীয় স্পিকার আমি সংসদের সকলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে আবার সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি পুনঃ প্রস্তাব করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গ গুণা দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে বর্ণিত কমিটির কাজ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নির্মিত মাননীয় সংসদসদস্যগণের সমন্বয় প্রদর্শ জাতীয় সংসদে সরকারি প্রতিশ্রুতি কমিটি গঠন করা হোক। মাননীয় স্পিকার এখানে একটি শব্দ সংবর্ধন করতে চাই বিরোধী দলের মাননীয় বিরোধী দলের নেতার সমন্বয়ের প্রতি প্রদর্শন করে পুনর্গঠন করা হচ্ছে। জনাব এম মাহবুব উদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সভাপতি জনাব মোঃ গোলাম মোঃ সিরাজ 40 বগ্র পাঁচ সদস্য জনাব মোঃ জাহিদুর রহমান পাঁচ ঠাকুরগাঁও তিন সদস্য জনাব শাহ মোঃ ওয়ারিস আলী মামুন 142 জামালপুর পাঁচ সদস্য জনাব মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান 46 নগাই এক সদস্য জনাব মোঃ মাহবুব আলম 27 কুড়িগ্রাম তিন সদস্য নুরুন্নেসা সিদ্দিকা 337 মহিলা আসন 37 সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনি ও এটা তো আপনি উপস্থাপন করেছেন আমি দুঃখিত সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে গৃহীত হলো এবং সরকারি প্রতিশ্রুতি সম্পর্কিত কমিটি পুনর্গঠিত হলো ধন্যবাদ সকলকে বাট এই ক্ষেত্রে আমি তো ভেবেছিলাম আইনমন্ত্রী মহোদয় দুই একটা রেফারেন্স দিবেন যে হাসিবুর রহমান স্বপন সাহেবের মামলা এবং ডক্টর আলাউদ্দিন আহমেদের মামলা আমরা তো প্রত্যাশা করছিলাম মহান আইনমন্ত্রী হয়তো কিছু বলবেন এখন আর দরকার নেই থাক শেষ হয়ে গেছে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনি আপনি এখন গৃহায়ন ও গণপরিচয় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি এখন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি নুরুল ইসলাম মনি 110 বর্গমূল 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নির্ধারিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বিত জাতীয় সংসদের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক জনাব মোঃ দীরাগুল করিম বাদশা 141 বগুড়া 6 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য জনাব আহমেদ সোহেল মঞ্জুর 128 পিছপুর দুই সদস্য জনাব মোঃ লুৎফুজ্জামান 160 নেত্রকোনা চিন নেত্রকোনা চার সদস্য জনাব মোঃ মোশারফ হোসেন 39 বগুড়া চার সদস্য জনাব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল 166 কিশোরগঞ্জ পাঁচ সদস্য জনাব এম মনজুরুল করিম রনি 195 গাজীপুর দুই সদস্য ফেরদৌস আহমেদ 323 মহিলা আসন 23 সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন 80 চুয়াডাঙ্গা দুই সদস্য জনাব মোঃ তাজুদ্দিন খান 73 মেহেরপুর এক সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব নুরুল ইসলাম মনির প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হা বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং গৃহায়ন অগণপূত্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠিত হলো।
আজান পড়ছে আমি এখন পিটিশন কমিটি গঠন করছি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুসারে বর্ণিত পিটিশন কমিটির কাজ ও দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ সদস্যগণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পিটিশন কমিটি মনোনয়ন দেয়া হলো। এক জনাব হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম 117 ভোলা তিন দুই ব্যারিস্টার কায়সার কামাল 157 নেত্রকোনা এক জনাব নুরুল ইসলাম মনি 110 বরগুনা দুই জনাব এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান 277 লক্ষীপুর 4 জনাব রকিবুল ইসলাম 101 খুলনা 3 জনাব এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু 59 নাটোর 2 আলহাজ্ব মোহাম্মদ জি কে গাউস 241 হবিগঞ্জ 3 মিয়া নুর উদ্দিন আহমেদ অপু 223 শরীয়তপুর 3 জনাব নাহিদ ইসলাম 184 ঢাকা 11 জনাব মোহাম্মদ ইসলাম খান 65 সিরাজগঞ্জ চার অসংখ্য ধন্যবাদ পিটিশন কমিটি গঠিত হলো।
আমি দুঃখিত সভাপতি বলা হয়নি জনাব হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আহমদ বীর বিক্রম সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আর বাকিরা সবাই সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ
মাননীয় সদস্যবৃন্দ আজ দিনের কার্যসূচিতে জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য অনুযায়ী একটি নোটিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নোটিশটি দিয়েছেন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জনাব মোঃ শফিকুর রহমান ঢাকা 15 আসন থেকে নির্বাচিত নোটিশের স্বপক্ষে পাঁচজন মাননীয় সদস্য স্বাক্ষরপূর্বক সমর্থন দিয়েছেন বটে তারা হলেন গাজীপুর চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব সালাউদ্দিন চুয়াডাঙ্গা দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন খুলনা ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ কুড়িগ্রাম তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মাহবুবুল আলম এবং ময়মনসিংহ ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ কামরুল হাসান
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার জরুরি জন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে নোটিশ দিয়ে দিয়েছি এ বিষয়টি হচ্ছে তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয়ের উদ্যোগে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গ।
আমরা এক এক করে স্বাধীনতার 55 বছর অতিক্রম করে এসেছি স্বাভাবিকভাবেই উন্নয়ন প্রবৃদ্ধি যে একেবারে হয় না এটা বলা যাবে না সকল সরকারের সময় কমবেশি হয়েছে একটা সমাজের বড় চালিকা শক্তি হচ্ছে তার এনার্জি সেক্টর বাংলাদেশ অতীতেও এনার্জিতে বিভিন্ন সমস্যা ভোগ করেছে তবে বর্তমানের সমস্যাটা খুবই প্রকট এবং অনেকটা অনিশ্চিত কবে এর সমাধান কিভাবে হবে সারা জাতির মধ্যে এটি নিয়ে একটি দুশ্চিন্তা এবং আতঙ্ক ভর করেছে মাননীয় স্পিকার দেশটা আমাদের সকলেরই আমাদেরকে দায়িত্ব নিয়েই এই দেশ পরিচালনায় যার যার জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে এটাই স্বাভাবিক আমরা বিরোধী দল হিসাবেও এই সমস্যাটাকে আগেও বলেছি যে এই সরকারের সৃষ্ট নয় ধারাবাহিকভাবে চলে আসা সমস্যা পুঞ্জিভূত হয়ে এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে হয়তো সরকার এই সমস্যা নিরসনে আন্তরিকভাবে চেষ্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু জনগণের দুর্ভোগ দিন দিন কমছে না বরঞ্চ বেড়েই যাচ্ছে।
এখানে তিন ধরনের গ্রাহক মূলত দেশে আছেন বড় বেস্ট হলো ডোমেস্টিক গ্রাহক যারা আছেন গৃহস্থালীতে যারা গ্যাস বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকেন দ্বিতীয়টা কমার্শিয়াল বাণিজ্যিক এবং তৃতীয়টা আরেকটু স্পেশাল ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে সম্প্রতি আমরা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে যেটা জানতে পেরেছি যে গত তিন বছরে 400 এর অধিক কারখানা এই সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে তার মানে এই কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার অর্থ হচ্ছে যে 400 উদ্যোক্তা বা তাদের সাথে যদি গ্রুপ থাকে সেই সমস্ত উদ্যোক্তা সমষ্টি তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে না পেরে তারা ঋণ খেলাপি হয়েছেন। একটা জায়গায় ঋণ খেলাপি হলে এই নির্দিষ্ট ব্যক্তি আর কোন জায়গায় কোন ব্যাংক থেকে কোন ঋণ নিতে পারেন না। তার মানে তার টোটাল বিজনেসের চাকাটাই একদম স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এর সাথে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক আছে। যখন কারখানাতে জ্বালানির অভাবে প্রোডাকশন নেমে আসবে সম্প্রতি উদাহরণস্বরূপ বলা যায় বিজিএমই এর একটা কমিটি বর্তমান কমিটি তারা মাননীয় মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করেছেন তাদের উদ্বেগ এবং কষ্টের কথা জানিয়েছেন এবং তারা বলেছেন যে ক্ষেত্রবিশেষে বহুলাংশে এখন প্রোডাকশন নেমে এসেছে এখন যদি প্রোডাকশন তাদের 50% নেমে আসে তার মানে হচ্ছে যারা বায়ার তাদের অর্ডারের দাবি তারা পূরণ করতে পারবেন না বায়াররা আমাদের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে বসেও থাকবে না তারা বিকল্প উৎস খুঁজে নেবে এবং একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসাটা অত সহজ নয় এই দিক থেকে আমরা এক্সপোর্ট হারাচ্ছি এবং পাশাপাশি এই সমস্ত শিল্প মালিকরা যখন তারা তাদের শিল্প কার চালাতে পারবেন না তখন বাধ্য হয়ে শ্রমিক ছাটাই তাদেরকে করতে হবে এবং ইতিমধ্যে অনেক জায়গায় করতে হয়েছে এমনকি আমি নাম উল্লেখ না করেই বলতে চাই এই হাউজে অনেকে আছেন এরকম শিল্প উদ্যোক্তা বা মালিক তারাও সাফারার তারাও নিজস্ব কারখানা থেকে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিককে ছাটাই করতে এটি ইচ্ছাকৃত নয় একান্ত অপারগতার কারণে তারা চালাতে পারছে না ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের একটা প্রভাব পড়ছে শিল্প সেক্টরে আমরা যদি দেখি তাহলে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদা এবং সরবরাহ এই তিনটার মধ্যে আমরা ক্লিয়ার দেখতে পাচ্ছি দেশে বিদ্যমান চারটা থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আমরা ব্যবহার করে থাকি সেই উৎসগুলোতে ক্যাপাসিটি আছে 29500 মেগাওয়াট প্রোডাকশন প্রতিদিন কিন্তু আমরা গত আগস্ট মাসের ডাটা যদি দেখি তাহলে দেখব যে আমাদের নিড হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটি আছে 29500 সেই সময় প্রতিদিন গড়ে আমাদের ঘাটতি ছিল 2000 মেগাওয়াট তাহলে আমাদের এই যে ক্যাপাসিটি আছে আমাদের নেট তার চাইতে কম তারপরে কেন ঘাটতি এটি একটা বিশাল প্রশ্ন এর উত্তর হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যারা তারা উৎপাদন করতে পারছে না সরবরাহ করতে পারছেন না তারা কেন পারছেন না সেই প্রশ্নের উত্তরে যদি আমরা যাই আমরা দেখব যে সরকার এই ক্ষেত্রে সরকারের যে দেনা এটা এসে দাঁড়িয়েছে 59 হাজার কোটি টাকা এটা পাবে যারা প্রডিউসার বা ম্যানুফ্যাকচারার কিন্তু তাদের হাতে সেই টাকা তুলে দেওয়া যাচ্ছে না তো তারা যদি টাকাই না পায় তাহলে তারা উৎপাদনের চাকা চালু রাখবে কিভাবে কোত্থেকে আসবে তাদের অর্থের যোগান স্বাভাবিক কারণেই এই জায়গায় একটা বিরাট প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে এই 59 হাজার কোটি টাকা এই ছয় মাসে না এটা অতীত থেকে তার রেশ যে চলে আসছে সেটার কমিউনিটি ইফেক্টে সেইখানে দাঁড়িয়েছে আমাদের এনার্জি প্রোডাকশনে মূল সোর্সটা হচ্ছে গ্যাস তারপরে আছে তেল এরপরে আছে রিনিউবল এনার্জি আর একটা অংশ সাতটা প্লান্ট আমাদের আছে কয়লা নির্বাহ জ্বালা নেই তো কয়লা নির্ভর এই সাতটা প্রোডাকশন হাউসের মধ্যে বড় উপক্রিয়া যেটা আছে সেখানে তারা নিজেরাই তাদের উত্তোলিত কয়লা থেকে এই পাওয়ার জেনারেট করে থাকেন তাদের যার নিয়ম তার চাইতে বেশি সেখানে উত্তোলন আমরা দেখেছি বিগত সরকারের সময় এখান থেকে হাজার হাজার টন গায়েব হয়ে গেছে এটার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি কোথায় গেল এই কয়লা যেহেতু তাদের এখানে সারপ্লাস আছে। এইটা দিয়ে বাকি ছয়টার মধ্যে ব্যাকআপ দেওয়া যায় কিনা এই বিষয়ে সরকারের কোন উদ্যোগ বা এর ব্যাপারে কোন ফিজিবিলিটি বা কেমিক্যাল স্টাডি হয়েছে কিনা এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট না। আমরা যদি গ্যাসের ক্ষেত্রে যাই তাহলে দেখবো যে যে গ্যাস মূলত দুইটা উৎস থেকে আমরা পেয়ে থাকি একটা আমাদের ডোমেস্টিক আরেকটা হচ্ছে ইম্পোর্ট করা একসময় ইম্পোর্ট করা এই গ্যাসের প্রপোর্শনটা ছিল 20% 80% ছিল আমাদের নিজস্ব কিন্তু এটা এখন দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো যে আমাদের কূপগুলো এখন আগের মত সেই প্রেসারে গ্যাস আমাদেরকে সরবরাহ করতে পারছে না আবার নতুন কোন কূপ সেখানে গ্যাস আহরণের জন্য উত্তোলনের জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া দরকার সেটাও দীর্ঘদিন নেওয়া হয়নি আমাদের যাবতীয় গ্যাস উত্তোলনের আয়োজনটা হচ্ছে অন সৌরে আমাদের ল্যান্ডে অফ সৌরে এখন পর্যন্ত আমরা কোন স্টেপ নিতে পারিনি অথচ পাশের দেশগুলো ঠিকই এই একই সমুদ্র থেকে তারা কিন্তু গ্যাস উত্তোলন করছে নিচ্ছে তারা বেনিফিটেড হচ্ছে আমরা কেন থমকে আছি কোথায় আমাদের হাত পা বাধা যদি হাত পা বাধা থাকে এটা ছুটাতে হবে এখনই সম্পদ আল্লাহর দান এটা আমাদের অধিকার এবং এটা আমাদের দায়িত্ব আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দায়িত্ব পালন করতে হবে কিন্তু অফশোরের কোন উদ্যোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে দৃশ্যমান নয় এই পোয়ার ম্যানেজমেন্টের জন্য জালানি ম্যানেজমেন্টের জন্য বেশ কতগুলা সংস্থা
আমি মনে করছি না বা আমার মনে করার সাথে না আমি জাস্ট কাইন্ড রিমাইন্ডার দিলাম যে আপনি কিন্তু পরেও বক্তব্য রাখবেন। আচ্ছা ঠিক আছে আমি মনে করলাম। থ্যাংক ইউ সো মাচ। থ্যাংক ইউ সো মাচ। তাইলে এখন অন্য ইউ আর ভেরি ওয়েলকাম।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা কার্যপ্রণালী অনুযায়ী আলোচনার সর্বমোট সময় নির্ধারণ করা আছে এক ঘন্টা আমি চিফ হুইপ মহোদয় এবং বিরোধী দলের পক্ষ হতে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী অগ্রসর হচ্ছি প্রথমেই আলোচনা অংশগ্রহণ করবেন জনাব মোহাম্মদ জুনা আমি দুঃখিত জনাব মোঃ জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাননীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আপনার সময় ছয় মিনিট ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সবাইকে সালাম শুভেচ্ছা আসসালামু আলাইকুম জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কিত যে আলোচনা অনুযায়ী হচ্ছে সেখানে তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যহত হওয়া এবং শিল্প কলকাতায় বন্ধ হয়ে বেকারত্ব সৃষ্টি এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয় বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করছি এই আলোচনায় মূলত বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেই মূল বক্তব্যটা হাজির করা হবে। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জায়গা থেকে ইতিমধ্যে যে সমস্ত উদ্যোগগুলো বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গ্রহণ করা হয়েছে তার কিছু বিষয়ে এই সংসদকে অবহিত করার আমি চেষ্টা করব। প্রথমত আমরা সবাই জানি যে কথা ইতিমধ্যে মাননীয় বিরোধী দল নেতা বলেছেন যে আজকে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে যে সংকট এই সংকটটা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়েছে এখানে যে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল সেটা মূলত কতিপয় পোষ্য গোষ্ঠীর সুবিধার্থে গ্রহণ করা হয়েছিল বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকট ছিল কিন্তু সেই সংকটকে পুঁজি করে যাতে কতিপয় পোষ্য লোকজন ব্যাপকভাবে সুবিধা পায় সেই সুবিধার জন্যই পুরো জ্বালানি নীতিটাকে সাজানো হয়েছে এবং সে কারণে আমরা দেখেছি যে দেশের গ্যাস সম্পদ সেগুলোর যে সম্ভাবনা তাকে অনুসন্ধান করা হয়নি সেগুলো উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়নি বরং দেশের সম্পদ উত্তোলন না করে কিভাবে একটা আমদানি নির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় এবং তার সাথে সম্পর্কিত করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা তৈরি করা যায় তার চেষ্টা করা হয়েছে এবং ফলাফল হিসেবে আমরা দেখেছি 29500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আমাদের ক্ষমতা হিসেবে আমাদেরকে বলা হয়েছে কিংবা তার এক ধরনের ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কিন্তু সেখানে এনার্জি মিক্স ঠিক করা হয়নি এবং কিভাবে সেই এনার্জি কিংবা জ্বালানির সরবরাহ হবে তার ব্যাপারেও কোন ব্যবস্থা নেই বরং সেটা আমদানির উপরে পুরোপুরি নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছে এবং এই যে এলএনজি আমদানি করার নীতিটা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই এলএনজি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও যাতে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিরা সুবিধা পায় গোষ্ঠীগুলো সুবিধা পায় তার জন্য সকল আয়োজন করা হয়েছে এ নিয়ে সেই সময় এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে আমরা যথেষ্ট তর্ক করেছি বিএনপির পাশাপাশি আমাদের দল গণসংহতি আন্দোলন কিংবা আরো কিছু গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল দল এইসব বিষয়ে যথার্থ সমালোচনা হাজির করেছিল এবং বিকল্প একটা জ্বালানি নীতি সেই সময় প্রস্তাব করা হয়েছিল কিভাবে আত্মনির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই প্রধান কাজ হিসেবে এটাই গ্রহণ করেছিলেন যে একটা আত্মনির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় যেটা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এবং তার অংশ হিসেবে একে একে পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করা হয়েছিল প্রথম বিষয় আমাদের গ্যাসের সংকট এবং সেই ক্ষেত্রে আমাদের দেশের অংশরে কিংবা স্থলভাগে যে গ্যাস আছে সেই গ্যাস সম্পদ কত দ্রুত উত্তোলন করা যায় সরকার সেই নীতি গ্রহণ করেছে এবং ইতিমধ্যে তিনটি কূপ খননের প্রকল্প পাশ হয়ে গেছে এবং সেটা বাস্তব রাজ্যে যাওয়ার মত প্রক্রিয়ায় আছে আরো 30 টি কূপ খননের উদ্যোগ চলমান আছে মোট 150 টি কূপ খননের উদ্যোগ এই সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে অফসরে অর্থাৎ সমুদ্রবক্ষে আমাদের গ্যাস উত্তোলনের জন্য যে প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাকটিং বা উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি সেগুলো নতুন করে প্রস্তাব করা হয়েছে যাতে জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করে কিভাবে আমরা আমাদের অফসরে গ্যাসকে উত্তোলন করতে পারি এই প্রক্রিয়াগুলো কিছুটা সময় সাপেক্ষ হয় কেননা একদম এই চুক্তি তৈরি করতে হয় তারপর সেই চুক্তির আন্তর্জাতিক বিডিং হয় এবং তাতে বিভিন্ন জন অংশ নেন এই প্রক্রিয়াটি রাতারাতি করার কোন সুযোগ নাই আমাদের এখানে ভোলার গ্যাস আছে এবং ভোলার গ্যাস স্থলভাগে আনার জন্য যে পাইপলাইন প্রয়োজন ছিল তার কোন উদ্যোগ এ পর্যন্ত পূর্ববর্তী সরকারের সময় আমরা দেখিনি। বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে পাইপলাইনের মাধ্যমে কিভাবে ভোলার গ্যাস এখানে আনা যায়। এইসব উদ্যোগ এবং একই সাথে একটা যুগান্তকারী উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে রিনিউয়েবল এনার্জির ক্ষেত্রে যেটা আসলে গত 10 বছর আগ থেকে এই দেশে বলা হয়েছিল যে রিনিউয়েবল হচ্ছে ভবিষ্যৎ কিন্তু তখন এটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। না দেওয়ার ফলে এতদিনে আমরা যেখানে রিনিউয়েবল একটা গুরুত্বপূর্ণ যে অগ্রগতি সাধিত হতে পারতো