হওয়ার হওয়ার কারণে লবণাক্ততার কারণে সুপিয় পানির তীব্র সংকট যা শুষ্ক মৌসুমে তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে অপরদিকে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে দৈনন্দিন ব্যবহার্য পানির ব্যাপক সংকট দেখা দেয় যার কারণে সাধারণ মানুষ পানিবাহিত নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হয় এমতো অবস্থায় অত্র এলাকার জন্য জরুরী ভিত্তিতে পর্যাপ্ত গভীর নলকোপ টিউবওয়েল
সংসদের দিনের কার্যক্রম · বক্তব্যের পাঠ্য
বক্তব্যের পাঠ্য ক্রমানুসারে পড়ুন এবং মূল সম্প্রচারের সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
বক্তব্যের পাঠ্য
নতুন স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপ্ট নিচে পড়তে পারেন। এই অংশগুলোর বক্তা শনাক্তকরণ ও কথোপকথন অনুযায়ী বিন্যাস এখনো বাকি; উদ্ধৃতির আগে মূল অডিও মিলিয়ে নিন।
রেইনওয়াটার ড্রাম বরদ্ধকরণ প্রয়োজন বিষয়টি জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিধায় মাননীয় স্থানীয় শাখার পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ঢাকা 18 আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার একাত্রবদ্ধিতে
আমার উপস্থাপনার বিষয় মিরপুর ইসিবি চত্বর বাউনিয়া বাজার বরতলা হয়ে উত্তরা উত্তরা জসিমুদ্দিন সড়ক প্রশস্তকরণ সহ সংস্কার কাজ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মিরপুর সেনানিবাস ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে উত্তরা যাতায়াতের জন্য ইসিবি চত্বর বাউনিয়া বাজার বরতলা হয়ে উত্তরা জসিমুদ্দিন মোড় পর্যন্ত সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিমানবন্দর সড়কের উপর যানবাহনের চাপ কমাতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যকর বিকল্প সড়ক। প্রতিনিয়ত মিরপুর উত্তরা
সেনানিবাস এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ এই সড়কটি ব্যবহার করেন। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়ে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দ। বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে সড়কটির ক্ষয়ক্ষতির আরো বেড়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত এই সড়কে যানজট ও দুর্ঘটনা সৃষ্টি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মাননীয় স্পিকার, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং মিরপুর সেনানিবাস
ও তুরাগ উত্তরা এলাকা যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও নিরাপদ করতে সড়কটি প্রশস্তকরণ সহ প্রয়োজনীয় সংস্কার এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নির্মাণ অত্যন্ত জরুরী এজন্য সড়কটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মহোদয়ের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাদারীপুর 3
থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব আনিসুর রহমান আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা মাদারপুর তিনের ডাসার উপজেলা অত্যন্ত নিচু এলাকা ভারী বর্ষণ এবং জলাশয় অনেকগুলো রাস্তা
পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে একদমই চলাচলের অনুপযোগী এবং কয়েকটি সেতু ঝুঁকির মুখে আছে আমি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার সেই সকল রাস্তা এবং দুটি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ সেই সেতুগুলো
এবং রাস্তা দ্রুত মেরামতের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়ার জন্য আমি সহযোগিতা চাচ্ছি পাশাপাশি আমার নির্বাচনী এলাকার উপজেলা থেকে যে প্রধান সড়ক কালকিনি সেই প্রধান সড়কের নদীর উপর দিয়ে যে একটি ব্রিজ সেই ব্রিজটির দীর্ঘদিন আগের করা প্রায়
40 বছর আগের সেই ব্রিজ দিয়ে এখন চলাচল করাটা একদমই অনুপযোগী হয়ে গেছে এবং বিশেষ করে যানজট সৃষ্টি হয় এই ব্রিজটি তখন করা হয়ে ছিল খুব সরু ছিল ব্রিজ কিন্তু এখন জনসংখ্যা বৃদ্ধি যানবাহন বৃদ্ধির কারণে দুই রাস্তার ব্রিজের দুই সাইডে অনেক বড় একটি যানজটের সৃষ্টি হয়।
সকল সময় দেখা যায় বৃষ্টি পার হতে গেলে এক সাইড বন্ধ করে আরেক সাইড ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ফেনী দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব জয়নাল আব্দিন আপনার সময় দুই মিনিট প্রশ্নটা এখানে আছে মাননীয় সদস্য
ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার উত্তর দিয়ে বিষয় ক্ষুদ্র মাজারী শিল্পের বিকাশের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রসঙ্গে একটি দেশ তখনই সমৃদ্ধশালী হতে পারে যখন দেশ শিল্প উন্নয়নের ধারা ক্রমাগত বৃদ্ধি পায় আর দেশের উন্নয়নের স্বার্থে তা শুধু বড় বড় শিল্প কারখানার মধ্যে দিয়ে অর্জিত হয় না বরং ক্ষুদ্র মাজারী শিল্প স্থাপনের উদ্যোক্তা তৈরি হলে তা দেশ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বৃহত্তর ভূমিকা রাখে কারণ দেশে যত বেশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ধরনের
ধরনের শিল্প স্থাপন হবে তথাই উৎপাদন বাড়বে এবং কমে যাবে বৈদেশিক নির্ভরতা যাও উন্নয়নের ক্ষেত্রে রাখবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা যদি ক্ষুদ্র ও বাজারে শিল্প স্থাপনে বেশি উদ্যোগ তৈরি হয় তবে আমদানি নির্ভরতা কমে বিকল্প হিসেবে দেশীয় উৎপাদন বেড়ে এতে কোন সন্দেহ নাই তবে এক্ষেত্রে শিল্পের কাছামাল আমদানির ক্ষেত্রে পণ্য কমে আসবে এবং রপ্তানি ফলে বৈদেশিক বুদ্রা অর্জনের রাখবে এটি বাছক ভূমিকা।
যদি শিল্পবন্ধক নীতিমালা তৈরি করে শিল্পের উপর দীর্ঘ মেয়াদী টেরিফ ঘোষণা করা হয় তবে নতুন উদ্যোগ সৃষ্টিতে হবে একটি কার্যকর পদক্ষেপ এই ক্ষুদ্র মাদারী শিল্পের বিকাশের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে মাননীয় শিল্পপতির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মহিলা আসন নম্বর 17 সুলতানা আহমেদ
আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। বিসমিল্লাহ বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আমার উপস্থাপনী বিষয় শিল্প বজ্র ও অবৈধ ইট ভাটা কৃষি জমি নদী ধ্বংসের হাত থেকে জনস্বাস্থ্য খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষায় জাতীয় ট্রান্সপোর্ট গঠন প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার নদীমাত্রিক বাংলাদেশ নদী ও প্রকৃতি রক্ষায় সুস্পষ্ট সংবিধানিক
বাধ্যবাধকতা রয়েছে, মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট নদীকে জীবন্ত সত্তা ঘোষণা করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা 20, ধামরাই উপজেলা এর উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী গাজীখালী ও বংশী নদী আজ প্রতিপয় অসাধু শিল্পমালিক দখলদার এবং অবৈধ ইট ভাটার আগ্রাসনের সম্পূর্ণ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। মাননীয় স্পিকার, ঢাকার ধামরাই বারোবাড়িয়া
গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নে এবং সংলগ্ন বাতুলি সহ বেলিস্বর এলাকায় অবস্থিত ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল সহ কেবিসি এগ্রো তারাসিমা ও আকিস কারখানার অপরিশোধিত বিষাক্ত কেমিক্যাল বজ্র সরাসরি গাজীপুর নদীতে ফেলা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার সম্পত্তি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত চিত্রে দেখা গেছে বিষাক্ত রাসায়নিক প্রভাবে নদীর বুকে
স্তুপকার সাদা বিষাক্ত ফেনা জমে তুষারপাতের মত পাহাড়ের মত রূপ ধারণ করেছে। এটি কোনো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নয়, এটি শিল্পের চরম বিষ এবং বিষাক্ত পানির দুর্গন্ধে বাথুলি কবরস্থান মাদ্রাসা এলাকাবাসী এতিমখানার স্কুলের শিক্ষার্থী সহ ধামরাইয়ের গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন এবং পার্শ্ববর্তী মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলা ধানকুড়া ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ ডায়রিয়া ও চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
নদী, মাছ, ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য আপনার সময় শেষ হয়ে গেছে। মহিলা আসন নম্বর 40 মোসাম্মদ নাজমুন নাহার আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার উত্থাপিত বিষয় ঢাকা মহানগরীর বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে জরুরী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গ মাননীয় স্পিকার ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী
হওয়ার কারণে দ্রুতহারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি দ্রুত নগরায়ন ও শিল্পায়নের ফলে বায়ুদূষণের মাত্রা স্থায়ীভাবে খারাপ হচ্ছে পরিবেশবান্ধব নীতির অভাবে অভাবের ফলে ঢাকা আজ বিশ্বের অন্যতম দূষিত শহরের তালিকায় স্থান পায় 2025 সালে বায়ুদূষণ র্যাঙ্কিং এ এ কিউ আই এর ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্বের সপ্তম ষষ্ঠ ও সর্বশেষ প্রতিবেদনে ঢাকাকে বিশ্বব্যাপী তৃতীয় সর্বোচ্চ
দূষিত শহর দেখানো হয়েছিল। বায়ুদূষণ পরিমাপের প্রধান সূচক গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পিএম 2425 এই ক্ষুদ্র কণা ফুসফুসের গভীরে পৌঁছতে পারে এবং দীর্ঘ মেয়াদে বিভিন্ন শ্বাসকষ্ট জনিত রোগের ভূমিকা রাখে। বিশ্বব্যাপী তথ্য অনুযায়ী বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় বার্ষিক পিএম 2.5 এর মাত্রা ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের নির্দেশিত মাত্রার তুলনায় বহুগুণ বেশি।
এর ফলে মানব স্বাস্থ্য বিশেষ করে বয়স্ক শিশু গর্ভবতী মায়ের উপর প্রভাব পড়ছে এমনকি তরুণ জনশক্তি বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় ভুগছে জলবায়ু
পরিবর্তন, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষতি এবং পরিবেশের মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ঢাকার বায়ুদূষণের কারণে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ অকাল মৃত্যুর শিকার হয়। এই অবস্থায় দূষণের উৎসগুলো চিহ্নিত করে দূষণকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কার্যকর ও দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরী। অতএব মাননীয় স্পিকার, আপনার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মাননীয় মন্ত্রীর নিকট জানতে চাই ঢাকা মহানগরী
বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার স্বল্প মধ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য চাঁদপুর চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য মোঃ আব্দুল হান্নান নেই মহিলা আসন নম্বর চার রহেনা আক্তার রানু আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমার উত্থাপন
বিষয় স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচিত নারী প্রতিনিধিদের কাজের পরিধি ঠিক করা এবং তাদের ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশের সবকটি সিটি কর্পোরেশন উপজেলা সবকটি সিটি কর্পোরেশন পৌরসভা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে একজন কাউন্সিলর কাউন্সিলর পদে একজন পুরুষ নির্বাচন করেন একটি ওয়ার্ড থেকে আর একজন নারীকে নির্বাচন করতে হয় তিনটি ওয়ার্ড থেকে বিজয়ের পর ওই নারী যখন এক নাম্বারের ওয়ার্ডে যান তাকে
বলা হয় আপনি এখানে না, আপনি দুই নাম্বার ওয়ার্ডে যান। দুই নাম্বার ওয়ার্ডে গেলে বলা হয় আপনি এখানে না তিন নাম্বার ওয়ার্ডে যান। তিন নাম্বার ওয়ার্ডে গেলে বলা হয় আপনি কই যাবেন জানিনা এখানে কোন কাজ নাই। অর্থাৎ জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবার পরে নারী কাউন্সিলর দের কাজ করার কোন সুযোগ থাকে না বা সুযোগ দেয়া হয় না। উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান বন্ধুর অবস্থা আরো করুন। মন স্পিকার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রধানমন্ত্রী এক বছর
আগে বলেছিলেন যে উনার জীবন তিনজন নারী দ্বারা প্রভাবিত একজন উনার মা একজন উনার স্ত্রী একজন উনার কন্যা নারী বান্ধব প্রধানমন্ত্রী এবং নারীর ক্ষমতায়ণে বিশ্বাসী প্রধানমন্ত্রীর শাসনামলে আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের আগামীতে যারা নারী কাউন্সিলর নির্বাচিত হবে তারা কাজ করার সুযোগ পাবে মাননীয় স্পিকার আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের নারীদের কাজ করার সুযোগ দিয়েছেন এজন্য আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি মাননীয়
স্পিকার যে আগামীতে যে স্থানীয় সরকার পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এ কারণে নারীদের কাজের পরিধি ঠিক করা প্রয়োজন এটা অতি জরুরী বিধায় আমি মাননীয় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবার জন্যে আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মহিলা আসন নম্বর পাঁচ
নাওয়াজ হালিমা আর্লি আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আসসালামু আলাইকুম আমি আপনার মাধ্যমে কার্যপ্রণালী ধারায় একটি বিশেষ জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেটা হলো 1996 সালের 12 ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি হয়েছিল 30 বছরের জন্য সেটা এ বছর ই 11 ই ডিসেম্বর শেষ হতে যাচ্ছে
ওই চুক্তিতে ছিল যে অষ্টম অনুচ্ছেদে ছিল যে প্রতি 10 দিন অন্তর অন্তর জানুয়ারি 1 থেকে মেয়ের 31 শুষ্ক মৌসুমে কি পরিমাণ পানি বন্টন করা হবে এর একটি পরিকল্পনা নেওয়া হয়ে ছিল সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা ও লিখিত ছিল চুক্তিতে কিন্তু বাস্তবে আমরা কতটুকু পানি পেয়েছি এটাও ছিল ওখানে যে আলোচনার সাপেক্ষে কিভাবে এই পানি প্রবাহ বাড়ানো যায় গঙ্গার সে ব্যাপারে
দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হবে। কতবার আলোচনায় বসেছি আমরা জানিনা কি পরিমাণ পানি পেয়েছি সেটা আমরা দেখেছি। আমাদের বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের নাব্যতা হারিয়েছি। শুধু বাংলাদেশ নদীমাত্রিক দেশ এটা শুধু জলরেখার সীমা দিয়ে আমাদের যে মানচিত্র তাতেই সীমাবদ্ধ থাকুক আমরা চাই না। এই চুক্তিটি যে আবার বাস্তবায়ন হবে এইখানে চুক্তির কোন শূন্যতা যেন না থাকে, যেন এই চুক্তিটি
যথাযথভাবে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা হয় কারণ সবার আগে বাংলাদেশ আমি বাংলাদেশী হিসেবে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আমি এই চুক্তিগুলোকে আমার পানির ন্যায্য হিসেবে বুঝে নিতে চাই মাননীয় স্পিকার আপনার মাধ্যমে এইটাই আমার প্রশ্ন যে এই বিষয়ে যথেষ্ট গবেষণা করা হয়েছে কিনা চুক্তির শূন্যতা যেন না থাকে এ ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য
বক্তব্য রাখবেন নওগাঁ চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব ইকরামুল বারী টিপু জনাব ইকরামুল বারী টিপু আপনার সময়
ধন্যবাদ, ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমার উত্থাপনীয় বিষয় নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলাধীন বাকুড়িয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক বদ্ধভূমিতে পাকবাহিনীর হাতে 1971 সালের 28 আগস্ট একই সঙ্গে ওই এলাকার 128 জন শাহাদত বরণকারীর স্মরণে ওই স্থানকে কেন্দ্র করে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাননীয় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর মনোযোগ আকর্ষণ প্রসঙ্গে।
মাননীয় স্পিকার, মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে 1971 সালের 28 শে আগস্ট বিকেল বেলায় আমার মান্দা উপজেলার পাকুড়িয়া এবং বিলুথরাইল এই দুই গ্রাম থেকে লোকজনকে ধরে নিয়ে এসে এই পাকুড়িয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমবেত করা হয় এবং তাদেরকে সারিবদ্ধ অবস্থায় ব্রাশফায়ার করা হয়। যেই ব্রাশফায়ারে একই সঙ্গে ওই এলাকার 128 জন মানুষ শাহাদত বরণ করেন এবং
অনেক মানুষ শত-শত মানুষ সেদিন পঙ্গুত্ব বরণ করেছিলেন আহত হয়েছিলেন মাননীয় স্পিকার। আজ মুক্তিযুদ্ধের পরে এই দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ওই সমস্ত শহীদদেরকে তালিকাভুক্ত করে মন্ত্রণালয়ের কোন শাহাদতের মর্যাদা বা স্বীকৃতি দান করা হয় নাই যেমন 1971 সালের মুক্তিযুদ্ধের যে 30 লক্ষ মানুষ আত্মাহুতি দিয়েছে প্রাণ দিয়েছে এদেশের তাদের সঙ্গে এই 128 জনকে যদি তালিকাভুক্ত করা হয় তাহলে তারা একটা
মর্যাদা লাভ করতে পারে, তাদের পরিবার একটু সান্ত্বনা পেতে পারে মাননীয় স্পিকার। সেই কারণে আমি এই মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাই এবং একই সঙ্গে এই 128 জনকে স্মরণ করবার জন্য এই পাকুড়িয়া ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়কে সরকারীকরণ করা যেতে পারে। ওই এলাকার কুটির শিল্প স্থাপন করে যারা শহীদ পরিবারের লোকজন এখনো বেঁচে রয়েছেন, যুদ্ধাহত আহত পরিবারের লোকজন যারা পঙ্গুত্ববরণ করে নিজেরা বেঁচে আছেন, সংসারে আয় ইনকাম করতে পারে না।
তাদের জন্য ক্ষুদ্র কুটি। ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ঝিনাইদহ চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আবু তালিব আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমার নির্বাচনী লেখা 84 ঝিনাইদহ চার এর কালীগঞ্জ পৌরসভার দামজট নিরসন আধুনিক হকাস মার্কেট নির্মাণ ঝুঁকিপূর্ণ হাটচান্নি পুনর্নির্মাণ ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং পৌর এলাকার আস্ত
কাঠের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মাননীয় স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। মাননীয় স্পিকার আমার নির্বাচনী এলাকা ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ পৌরসভা একটি জনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ পৌর এলাকা প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ যানবাহন ব্যবসায়ী এবং ক্রেতার চলাচলের কারণে এখানে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয় বিশেষ করে সড়কের উপর হকারদের অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবসা পরিচালনার ফলে যানজট
চলাচল ব্যহত হয়, পথচারীদের নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। এ সমস্যার সমাধানে পরিকল্পিত স্থানে আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন একটি হকাস মার্কেট নির্মাণ এখন অত্যন্ত জরুরী। মাননীয় স্পিকার, একই সঙ্গে কালীগঞ্জ বাজারের বিদ্যমান হাট চাঁদনি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর ছাদ, পিলার এবং অবকাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ায় ব্যবসায়ী ক্রেতা ও
সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেখানে অবস্থান করছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা আছে। তাই জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরানো ও ঝুঁকিপূর্ণ হাটচাড়নি অপসারণ করে একটি আধুনিক টেকসই নিরাপদ ও বহুতল হাটচাড়নি নির্মাণ করা প্রয়োজন। অন্যদিকে পৌরসভার অধিকাংশ এলাকায় অপর্যাপ্ত অকার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এতে সড়কে চলাচল ব্যহত হয়। দোকানপাট, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত
শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সমস্যা হয় এবং জনস্বাস্থ্যের উপরে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে পাশাপাশি পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও সংযোগ সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার নেয়া হয় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছেন ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য ঝিনাইদাহ তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মতিয়ার রহমান আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আমি আপনার মাধ্যমে মাননীয় রেলপথ মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি আমার সংসদীয় এলাকা মহেশপুর কোটচাঁদপুরের সহ ঝিনাইদহ চুয়াডাঙ্গা যশোর এবং পার্শ্ববর্তী জেলার লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণ
দীর্ঘদিনের দাবি হলো দর্শনা থেকে কোটচাতপুর মোবারকগঞ্জ যশোর হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে ঢাকা রুটে
একটি প্রভাতি আন্তনগর ট্রেন চালু করা কিন্তু এ এলাকা থেকে প্রভাতে কোন আন্তনগর ট্রেন ঢাকা রুটে ছেড়ে যায় না একটি আন্তনগর ট্রেন আছে তবে তা যমুনা সেতু দিয়ে যাওয়ায় আট থেকে 10 ঘন্টা সময় লাগে বিধায় বিধায় দর্শনা থেকে কোটচাঁদপুর চুয়াডাঙ্গা দশরোহে
হয়ে ঢাকা রুটে যদি একটি আন্তনগর ট্রেন চালু করা যায় তাহলে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থী, চাকুরীজীবী, কৃষিজীবী, ব্যবসায়ী, রোগী ও সাধারণ মানুষ শিক্ষা শিক্ষা চিকিৎসা সমাজসেবার প্রয়োজনে ঢাকা রুটে যাতায়াত করে বিধায় দয়া করে মেহেরবানী করে একটি আন্তনগরী ট্রেন চালু করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরিবেশ বান্ধব
পথ যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলে অতিসত্বর রেস্ট টু দ্যা বেস্ট অফ ইউর এবালিটি উইথ দ্যা রেঞ্জ অফ এ লিটিল হোয়াইল আপনি চেষ্টা করুন প্রয়োজনীয় সমীক্ষা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা মাধ্যমে সত্তর একটি আন্ত প্রভাতি ট্রেন চালু করা আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মজিবুর রহমান চৌধুরী মৌলভীবাজার চার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার শ্রীমঙ্গল কমলগঞ্জ এলাকার চা বাগান সমূহে শিশুদের বিপদজনক শ্রম থেকে রক্ষা এবং মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করণ কার্যপন্থী বিধির একত্র বিধি অনুযায়ী জরুরী জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ এলাকায় দুর্গম চা বাগানগুলিতে এখনো অনেক শিশু অর্থনৈতিক অভাব ও সচেতনতা
অভাবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে চা বাগানের কীটনাশক স্প্রে করা, বাড়ি পাতা বহন, বাগান পরিচর্যার মত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে যুক্ত হচ্ছে। এতে তাদের শারীরিক বৃদ্ধি ব্যহত হচ্ছে এবং দীর্ঘ মেয়াদী স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। শ্রম আইন অনুযায়ী শিশু শ্রম নিষিদ্ধ হলেও তদারকির অভাবে তা কার্যকর হচ্ছে না। চা বাগানগুলিতে মানসম্মত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চরম অভাব এবং বিদ্যমান স্কুলগুলিতে শিক্ষা উপকরণের শূন্যতার কারণে শিশু
ঝরে পড়ছে যা তাদেরকে বংশানুক্রমিক ভাবে শুষিত চা শ্রমিক হিসেবেই বন্দি রেখেছে। কল খারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের পর্যাপ্ত তদন্ত ও পরিদর্শন না থাকায় কোনো প্রকার আইনি জবাবদিহিতা ছাড়াই শিশুদের স্বল্প মজুরিতে যোগপিন্ড কাজে নিয়োজিত রাখার সুযোগ হচ্ছে। এমতো অবস্থায় চা বাগানগুলিকে অভিলম্বে শিশু শ্রম মুক্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করে ডিআইএফ ডিআইএফই এর মাধ্যমে বিশেষ ও ধারাবাহিক মোবাইল কোড পরিচালনা করা
শ্রমকল্যাণ ফাউন্ডেশনের অধীনে চা শ্রমিক সন্তানদের জন্য বিশেষ শিক্ষা উপবৃত্তি চালু করা এবং প্রতিটি চা বাগানে বাধ্যতামূলক মানসম্মত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্থাপনে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আসু প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি জানাচ্ছি। ধন্যবাদ মানব জ্ঞান স্থাপক। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। যশোর চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ গোলাম রসুল আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার নির্বাচন এলাকা 88 জসৎ চার আমার আজকে উত্থাপিত বিষয় হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিগত অর্থবছরে সংস্কারমূলক কাজের জন্য অথবা নতুন ভবন নির্মাণের জন্যে অর্থব্রাদ্য প্রসঙ্গে আমার নির্বাচনী এলাকার জন্যে আমরা গত মে জুন মাসে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আবেদন করেছিলাম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবনের নির্মাণের জন্যে এবং সংস্কারের জন্যে
কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় যে আমরা আমার নির্বাচনী এলাকায় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংস্কারের জন্য বা নতুন ভবনের জন্য আমরা কোন অর্থ বরাদ্দ পাইনি সরকারের 180 দিনের কর্মসূচির মধ্যে ছিল আমরা বারবার যোগাযোগ করেছি এবং বলা হয়েছিল যে আপনাদেরকে কিছু 180 দিনের কর্মসূচির মধ্যে কিছু সংস্কারমূলক কিছু অর্থ দেয়া হবে এবং কিছু বিল্ডিং দেওয়া হবে কিন্তু পরিতাপের বিষয়ে বলতে হয় আমার নির্বাচনী এলাকায় সাতটি কলেজ আছে এমন এবং 60 টি মাধ্যমিক
মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে বা মাদ্রাসা আছে 30 টি এই সংখ্যা এমন প্রতিষ্ঠান যেখানে তাদের জন্মলগ্ন থেকে এই পর্যন্ত সরকারি কোন দান-অনুদান বা কোন বিল্ডিং বা সংস্কার মূলক কোন টাকা পয়সা পায়নি। এজন্য আমি বলতে চাই আজকে আমরা দেখেছি বিরোধী দলের মধ্যে হয়তোবা দুই বা তিনজন সংসদ সদস্য তার নির্বাচনী এলাকার সংস্কারের জন্য বা নতুন ভবন পেয়েছে। কিন্তু আমরা দেখেছি সরকারি দলের এমপিরা কোনো কোনো জায়গায় সাত কোটি আট কোটি 10 কোটি করে টাকা
টাকা পেয়েছে। এজন্য মাননীয় স্পিকার, আমরা বলতে চাই লক্ষ লক্ষ মানুষ আমাদেরকে ভোট দিয়েছে। নির্বাচনের সময় আমরা অতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে বৃষ্টি হইলে যেখানে বৃষ্টির পানি
বাইরে পড়ে না ভিতরে পড়ে আমরা বলেছিলাম যে সংস্কারমূলক অর্থ দিয়ে আপনাদের গেল সংস্কার করব নতুন বিল্ডিং আপনাদেরকে এনে দেয়ার আমরা চেষ্টা করব কিন্তু পরিতাপের বিষয় এখানে অত্যন্ত বৈষম্য করা হচ্ছে মাননীয় স্পিকার আমরা জানি জুলাই যারা যুদ্ধ করেছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে সম্মতার জন্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য জনাব মোহাম্মদ আব্দুল মালিক সিলেট তিন আপনার সময় দুই মিনিট ধন্যবাদ
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমার নির্বাচনী এলাকা সিলেট 3 ফেঞ্চুগঞ্জ বালাগঞ্জ দক্ষিণ সুর্মা এবং মহানগরের ছয়টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত প্রতিবছরের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি পানির ডোলে আমার নির্বাচনী এলাকার ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে খুশিয়ারা নদীর তীরে অবস্থিত বালাগঞ্জ উপজেলা
জেলায় পূর্ব গরিপুর, সাদেকপুর, ফাজিলপুর, আমুজপুর, টানা বহরে খাস্তঘাট এবং আর্যু এবং হারিয়া এলাকা মারাত্মক নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়ে কুশিয়ার নদীর নদীর করাল গ্রাসে গ্রামীণ অবকাঠামো শত শত একর জমি অসংখ্য বসতি অনেক মসজিদ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠান হাটবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে নদীর তীরবর্তী এলাকার মানুষ
প্রতিবছর বর্ষার সময় হলে আতঙ্কের মধ্যে তারা দিন পাত করতে হয়। এলাকার সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সহ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট এলাকায় কুশিয়ানন্দীর থিরে সংরক্ষণের জরুরি বাদ নির্মাণ জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি। জনস্বার্থে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য এ বিষয়টি অতীব জরুরী
গুরুত্ব বিধায় মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার সিলেটের তিন আসনের মানুষ সবসময় এই যে পাহাড়ি পানির কারণে একটা আতঙ্কের মধ্যে থাকে। বিকজ আপনারা জানেন যে এই যে বরাক নদীর উদ্যানে টিপাইমুখী বাঁধ এখান থেকে পাহাড়ি পানি এবং বিষাক্ত সাপ আসে এলাকায়। এই জন্য মাননীয় পানি সম্পদ মন্ত্রীকে বলবো যে এই এলাকা
অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় সদস্যবর্গ সেই সাথে একত্র বিধেয়ের আওতায় প্রাপ্ত নোটিস সময়ের উপর দুই মিনিটের বক্তব্য রাখার পর্ব এখানেই শেষ হলো মাননীয় সদস্যবৃন্দ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির একত্র বিধি অনুযায়ী
জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এর গৃহীত নোটিস সমূহের উপর আলোচনা দিনের আলোচ্য সূচিভুক্ত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মুবাশ্বর আলম ভূইয়া কুমিল্লা 10 এর জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস উপর আলোচনা মাননীয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রীর অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্থানান্তর করা হলো।
আমি এখন মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মোশাররফ হোসেন বগুড়া চার কে তার জরুরী জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস বাট মনোযোগ কম হয়ে যায় আমরা বুঝি মাননীয় মন্ত্রীরা যখন থাকেন মন্ত্রী মহোদয়রা অনেক মাননীয় সদস্য তাদের কাছে যান বিভিন্ন সুপারিশের জন্য কথা বলার জন্য দয়া করে হাউজে যখন কথা বলবেন বা সুপারিশ নিবেন গলার ভোল্টেজ
ভরিয়মটা একটু খেয়াল রাখবেন যেন অন্যের মনোযোগ নষ্ট না হয় এইবার মনোযোগ আকর্ষণের নোটিস পড়ার জন্য আহবান জানাচ্ছি বগুড়া চার আসনের মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মোশাররফ হোসেনকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমার নোটিসে উপস্থাপন নিয়ে বিষয়টি হচ্ছে যে দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ইটেন্ডার
প্রক্রিয়াকরণ সহজীকরণ করা প্রসঙ্গে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি সেই সঙ্গে মাননীয় স্পিকার যদি পরে বলার সুযোগ পাই তাহলে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য মাননীয় স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ডক্টর আব্দুল মঈন খানকে এ বিষয়ে তার সংক্ষিপ্ত বিবৃতি প্রদানের জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার, মাননীয় সংসদ সদস্যের দৃষ্টি আকর্ষণী প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আমি এই
এই মহান সংসদকে জানাচ্ছি যে, দেশের উন্নয়ন কাজের অংশ হিসেবে গ্রামীণ রাস্তাঘাট নির্মাণের ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। যদিও বড় রাস্তা নির্মাণের ক্ষেত্রে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ কাজ করে থাকে। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায়
অন্যান্য সংস্থা এবং জেলা উপজেলা ও অন্যান্য ক্রয়কারী কার্যালয় হতে বিদ্যমান পাবলিক প্রক্রিয়াম অ্যাক্ট 2006 এবং পাবলিক প্রক্রিয়াম রুল 2025 অনুযায়ী অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুটি পদ্ধতিতেই ক্রয় কার্য সম্পাদন করা হয়ে থাকে। প্রথমত
সীমিত দরপত্র পদ্ধতি যেটাকে আমরা বলি এলটিএম যার নির্দিষ্ট প্রাকলিত মূল্য সর্বোচ্চ 5 কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে এবং দ্বিতীয়ত উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি ওটিএম যা যেকোনো পরিমাণ প্রাকলিত মূল্যের জন্য প্রযোজ্য তবে সর্বক্ষেত্রে পিপিআর এর আইন ও বিধি
সরকার সঠিকভাবে পালন করে থাকে পিপিআরের আইন ও বিধি বস্তুত পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রণয়ন করা হয় এবং বর্তমানে সে অনুযায়ী দরপত্র আহ্বানে যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়ে থাকে দরপত্র আহ্বান সহজীকরণের যে প্রস্তাব মাননীয় সংসদ সদস্য
করেছেন আমাদের মন্ত্রণালয় সে সম্পর্কে সম্পূর্ণ সজাগ এবং জনগণের স্বার্থে আমরা এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছি যথাসময়ে প্রয়োজনে সেটা আমরা অনুমোদন করবো মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মোশাররফ হোসেন আপনি এই বিষয়ে
একটি প্রশ্ন করতে পারেন দয়া করে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার আমাদের আমরা দেখেছি গত 20 বছরে একটি দেশে যে সরকার বিরাজমান ছিল সে সরকারের দেশের অর্থনীতি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কথা বলার অধিকার হারিয়ে ফেলে হারিয়ে ছিল সেখানে আমরা দেখেছি যে আমাদের এই 17 থেকে 20 বছরে যে মানুষগুলো বেকার হয়ে গিয়ে যে মানুষগুলো এই রাজনীতির কষাঘাতে সবাই কিন্তু আজ
মুখ থুবড়ে পড়েছে। আজকে শিক্ষিত বেকার যুবকগুলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লেখাপড়া করে আজকেও কিন্তু তারা বেকার। যদিও আমাদের বর্তমান মানবিক প্রধানমন্ত্রী সরকার আজকে আমরা ক্ষমতায় এসেছি। সেই ক্ষমতার প্রাক্কালে আমি শুধু বলতে চাই মানবিক সরকার যে বিষয়টা দেখছে মানবিক সরকার হিসেবে আমাদের মাননীয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব বিষয় দেখবে কিন্তু তা নয়। প্রত্যেকটা ডিপার্টমেন্ট এবং প্রত্যেকটা আমাদের বিভাগ কিন্তু আলাদা আলাদা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করছে। মাননীয়
প্রধানমন্ত্রী যদি সবগুলো বিষয় তার মাথার উপর নেয় তাহলে এত বড় মন্ত্রিসভা আমাদের কাজ কিন্তু অনেক করণীয় আমি শুধু এইটুকুই বলতে চাই মাননীয় স্পিকার যে বিগত সরকার তাদের এই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমাদের সাধারণ কাউকে সেখানে অংশগ্রহণ করতে দেয়নি সেই অংশগ্রহণ প্রক্রিয়া তারা গলা চিপে ধরে তাদেরকে সেখান থেকে বের করে এনেছে আমরা দেখেছি তারা একতরফা ভাবে সেই টেন্ডার প্রক্রিয়া জাতকরণ করেছে কিন্তু সাধারণ মানুষ এই প্রক্রিয়ার অংশগ্রহণ হতে পারে নাই আমি মাননীয় মন্ত্রীর কাছে শুধু প্রশ্ন
করতে চাই। যদি ইন্টারিয়াম গভমেন্ট তার সময় এক দিনে বা দুই দিনে বা সাত দিনে যদি এইটাকে আমাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারে তাহলে আমাদের বর্তমান সরকারের ছয় মাস অতিবাহিত হচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই ও 20 বছর তো গিয়ে এখন ছয় মাস যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়াকরণ সহজীকরণ করা উচিত বলে আমি মনে করি তাতে সাধারণ শিক্ষিত বেকার যুবক এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ যারা এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করতে পারছিল না এই বেকার শিক্ষিত যুবকদের
আমরা ভোটের সময় বলেছিলাম তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করব তাদের চাকরি দিব কিন্তু যদি যাদের চাকরির ভয় চলে গিয়ে তারা যদি টেন্ডারপত্র প্রক্রিয়া সব দেশের আপামর মানুষ অংশগ্রহণ করে যদি কিছু করে খেতে পারে তাহলে এইটা 18-20 কোটি মানুষের দেশে সবচাইতে ভালো কিছু হবে মাননীয় মন্ত্রীর কাছে আমি শুধু প্রশ্ন রাখতে চাই ইন্টারিয়াম গভমেন্ট যদি এটাকে একদিন বা সাত দিনে পারে তাহলে আমার গভমেন্ট এইটা যদি প্রসেসিং এবং প্রসেসিং করে যদি মন্ত্রীসভার সম্মিলিত
প্রচেষ্টা নিয়ে যদি বলে যে এটা করতে হবে শুধু বিএনপির জন্য নয় অল অফ বাংলাদেশের 20 কোটি মানুষ এই প্রক্রিয়া সহজীকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অংশগ্রহণ করে অতি দ্রুত যেন এই কাজটা করতে পারে।
আমি দেশের আপামর দেশের মানুষের পক্ষে এই কথাটুকু বলে গেলাম মাননীয় স্পিকার। মাননীয় মন্ত্রীর কাছে এটা আমার প্রশ্ন যে তিনি এটা কতদিন অতিদ্রুত বাস্তবায়ন করবে সেটাই এখন আমাদের দেখার বিষয়। জাতীয় দিকে তাকিয়ে আছে মাননীয় স্পিকার। আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী ছয় মাস চলে গেল আর কয় মাস লাগবে? উনার প্রশ্নের শানে নজুল এইটা। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার মাধ্যমে আমি মাননীয় সংসদ সদস্য
এবং এই মহান সংসদকে আরো জানাতে চাই যে আমি একটু আগেই উল্লেখ করেছি এই আইনটি কিন্তু স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় করে না এই আইনটি করার দায়িত্ব হচ্ছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কাজেই একটি সরকার কতগুলো পদ্ধতির ভিতর দিয়ে কাজ করে আপনি ইন্টারিম গভমেন্টের কথা উল্লেখ করেছেন আমি বিনীত ভাবে বলবো ইন্টারিম গভমেন্ট যেভাবে সৃষ্টি
হয়েছিল আমরা কিন্তু সেভাবে সৃষ্টি হয়নি আমরা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সৃষ্টি হয়ে সৃষ্ট হয়েছি আমরা জনগণের কাজ করার জন্য কতগুলো আইন কানুন নিয়ম তার ভিতর দিয়ে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাজ করে থাকি এটা বুঝতে হবে ইন্টারিম গভমেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে যেসব সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিল সেখানে কিন্তু আমাদের দেশের যে জেনারেল রুলস সংবিধান থেকে শুরু করে বিভিন্ন আইন যে
সেগুলো কিন্তু তারা অনুসরণ অথবা মান্য করার জন্য বাধ্য ছিল না। এটা ছিল একটা তৎসাময়িক ব্যবস্থা। এটা ছিল একটা বাস্তবতা। কিন্তু আজকে আমরা যেহেতু জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছি, যেহেতু আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি, যেহেতু আমরা এই পার্লামেন্টের শক্তিতে বিশ্বাসী যারা আইন প্রণয়ন করে থাকে, সেই কারণে আমরা কিন্তু প্রত্যেকটি কাজ আইন-কানুনের ভিতর দিয়ে করে থাকি। হ্যাঁ, আপনার অভিযোগটি আমি মেনে নিচ্ছি সত্য। কিন্তু দেখুন
ভালো কাজ করতে গেলে অনেক সময় একটু সময় লাগে আইন অনুসরণ করতে হয় নিয়ম-কানুনের ভিতর দিয়ে যেতে হয় তাড়াহুড়ো করে আমরা যদি কোন আইনের ব্যত্যয় করি তাহলে কিন্তু আমরা এই দেশবাসীর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবো আমি এই ব্যাখ্যাটি দিয়েছি তার সত্ত্বেও আমি এটা বলবো আমি ব্যক্তিগত ভাবে
জি মাননীয় সদস্য চট্টগ্রাম 15 আসন থেকে নির্বাচিত জনাব শাহজাহান চৌধুরীকে একটু মাইকটা দয়া করে দিবেন প্লিজ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। আমি গত বৃহস্পতিবার বেসরকারি দিবসে মাননীয় স্পিকার মহোদয় যখন ছিলেন তখন আমি একটা পয়েন্ট রেস করেছিলাম এক্সাক্টলি পয়েন্ট অফ অর্ডার না হলেও উনি জিনিসটা গ্রহণ করেছিলেন। সেটা হল বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উদ্বোধক পরিস্থিতি। আজকে ঠিক সেই ব্যাপারেই মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব মোহাম্মদ মুবাশিদ
আলমবুইয়া কুমিল্লা 10 উনিও একটি গৃহীত নোটিশ উনি এখানে দিয়েছেন সেটা আপনি রেফার করেছেন যে যেহেতু মন্ত্রী মহোদয় নেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এত জটিল হয়ে গেছে আমাদের দেশের বাংলাদেশের প্রবাসী ভাইয়েরা সেখানে বিশেষ করে আরব আমিরাত এবং মধ্যপ্রাচ্যে কারো এক বছরের ভিসার ডেট আছে কারো ছয় মাস আছে কারো দুই বছর আছে দোকানে বসেছে
দেখে যে এক ঘন্টার মধ্যেই তার ভিসা ক্যানসেলের অর্ডার চলে আসছে। দোকান থেকে তাকে চলে যেতে হচ্ছে। অনেককে অ্যারেস্ট করা হচ্ছে। তো আমি সেইদিন বলার পরে মাননীয় মন্ত্রীমহোদয় একটা বিবৃতি দেওয়ার কথা ছিল। আমি আজকে খবর নিলাম চট্টগ্রামে বসেই যে আমাদের এম্বাসি গুলোর সাথে আমাদের যারা লিগ্যাল আছে তারাও গিয়ে যোগাযোগ করতেছে। যেই পরিস্থিতি আপনারা একটু সরকারের সাথে আলোচনা করেন। দুই নাম্বার বিষয় যেটা সেটা হলো যে
ইন্টারিয়াম গভর্নমেন্টের আমলে অর্থাৎ 5 ই অগাস্টের এই জুলাই যুদ্ধাদের সময় সেখানে যারা এরেস্ট হয়েছিল তাদের সবাইকে ইন্টারিয়াম গভর্নমেন্ট ডক্টর ইউনুস সাহেবের নেতৃত্বে সবাইকে জেলখানা থেকে মুক্ত করে বাংলাদেশে এনেছে কিন্তু একটা সমস্যা রয়ে গেছে তাদের যে দোকান তাদের যে একাউন্টের টাকা-পয়সা তাদের যে চাকরি এতকিছু লেনদেন এখনো পর্যন্ত তারা কিছুই ফেরত পায় নাই।
আমার তৎকালীন আমাদের ইন্টারিয়ম গভর্নমেন্টের যিনি প্রবাসী মন্ত্রী উপদেষ্টা ছিলেন উনার কাছে উনারা বারবার ধরনা দিয়েছেন খাড়াগাট থেকে মুক্ত পেয়েছি কিন্তু টাকা পয়সা গুলো ফেরত পাচ্ছে না অনেকেই বেকার হয়ে গেছে তো আমাদের নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার নির্বাচনের আগে আশ্বাস দিয়েছিলেন যে তারা যদি যে সমস্যায় পড়বে সেটা সরকার গঠন করতে পারলে এই সমস্যার সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেবে এই দুইটা বিষয় মাননীয় স্পিকার
বিশেষ করে জাতের ভিসা ক্যানসেল হচ্ছে এম্বাসি থেকে কোন সহযোগিতা পাচ্ছে না এম্বাসডররা এখনো পর্যন্ত কোন বিবৃতি ও দিচ্ছেন না এই জন্য আজকে এই যে নোটিস টা এসেছিল এইটার ব্যাপারে যদি উনি বলতেন উনি তো নেই এই জন্য 300 বিবৃতিতে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়কে একটা বিবৃতি দেওয়ার জন্য আমাদের মাননীয় স্পিকার মহোদয় নির্দেশ দিয়েছিলেন আর আজকে একটা গৃহীত নোটিস ও আছে কিন্তু এই বিষয়টা অত্যন্ত জটিল এই জন্য মাননীয় স্পিকার
আপনার কাছে আমি রুলিং দাবি করছি এবং অতিসত্বর এই ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নিয়ে এম্বাসিডার কাছ থেকে সমস্যাটা জেনে সমাধান করার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করছি। মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। জি আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় সদস্য। যেহেতু মাননীয় স্পিকার একটা নির্দেশনা দিয়েছেন বিবৃতি দেয়ার জন্য আর কনসার্ন মিনিস্টার অনারেবল মিনিস্টার যেহেতু আজকে নেই নিশ্চয়ই আজকে থাকলে হয়তোবা তিনি দিতে
অফকোর্স আমাদের অফিস থেকে সেটা কমিউনিকেট করা হবে যেন মাননীয় স্পিকারের যে নির্দেশনা ছিল বিবৃতি দেয়ার সেটা যেন প্রতিপালিত হয়। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। মাননীয় সদস্যবর্গ দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী এখন কমিটি গঠন এবং পুনর্গঠন আমি মাননীয় চিফ হুইপ
জনাব নুরুল ইসলাম কে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করার জন্য আহবান জানাচ্ছি ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে আপনার মানে সদা অবগতি দিতে জানাচ্ছি মাননীয় স্পিকার যে এই কমিটি পুনর্গঠন করার আগে আমাদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জনাব তাহের উনি কিছু বক্তব্য রাখবেন কারণ আমরা সংবিধান সংশোধন করার জন্য আমরা আগে তাদের আহবান করেছিলাম এবং তারা
কিছুটা নবনীয় ছিলেন, তো তো আজকে বলেছেন তারা সংবিধান সংশোধন কমিটিতে থাকবেন। সেই কারণে মাননীয় স্পিকার আমাদের এখানে আছে সংবিধান পুনর্গঠন আরেকটা আছে সংবিধান স্থায়ী কমিটির গঠন। কাজেই গঠন সম্পর্কিত
কমিটি যেগুলো আছে সেগুলো মাননীয় স্পিকার তাহলে আমি আজকে উত্থাপন করতে চাই না এবং তার আগে আমার বক্তব্য মানে আমার এই পুনর্গঠনের আগে আপনি বিরোধীদলীয় উপনেতা জন আব্দুল্লাহ তাহেরকে আপনি একটু সময় যদি দেন। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। জ্বী, অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইফ। মাননীয় সদস্য বিরোধী দলের উপনেতা প্লিজ। ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনাকে এই চেয়ার দেখতে আমাদের খুবই ভালো লাগে।
আমি যেটা মাননীয় হুইপ চিফ হুইপের সাথে কিছুক্ষণ আগে আমরা কথা বলেছিলাম সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলো তো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্ভবত এই অধিবেশনেই এটাকে পূর্ণভাবে গঠন করার একটা বাধ্যবাধকতা আমাদের আছে যেহেতু আরো কিছুদিন সময় আছে কয়েকটা দিন আমাদের একটা বিষয়ে আমরা একমত হয়েছিলাম যে নির্বাচিত এমপিদের সংখ্যা অনুসারে এখানে মেম্বার এবং অন্য
অফিসে গুলো এখানে ডিস্ট্রিবিউটেড হবে সেই হিসেবে চলছে যে কয়টি কমিটি ইতিমধ্যে গঠিত হয়েছে সেই কমিটিগুলোতে সদস্যদের ব্যাপারে আমরা 26% বিরোধী দল থেকে নেওয়ার প্রপোর্শনে টলি এটা আমাদের প্রাপ্য হয় এবং সেভাবে হচ্ছে এবং এতে কোন সমস্যা হচ্ছে না কিন্তু 26% যে জানি আপনার স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য পাচ্ছি একই ভাবে আমাদের এক্সপেক্টেশন হচ্ছে কমিটিগুলোর স্বভাব
26% বিরোধীদল থেকে হবে কিন্তু যে একটি যে কয়টি কমিটি চূড়ান্ত হয়েছে সেখান থেকে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে কোন সভাপতি এখন পর্যন্ত হয়নি আমি বলছি আমি বলছি একটা কমিটিতে বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সভাপতি করা হয়েছে যেটা আমাকে সভাপতি করা হয়েছে পাবলিক একাউন্টস কমিটিতে কিন্তু এগুলো কতক্ষণ মিনিস্ট্রি কমিটি না মিনিস্ট্রি যে কমিটিগুলো আছে তার
ভিতরে এখন কোনো সভাপতি বিরুদ্ধে কিন্তু হয়নি সেজন্য আমি মাননীয় চিফ অফিসার অনুরোধ করেছিলাম যে এই বিষয়টা আমরা আরেকটু আলাপ আলোচনা করি করার পরেই আমাদের ভিতরে একটি আন্ডারস্ট্যান্ডিং হবে এবং সেই হিসেবেই এই কমিটিগুলো যেন চূড়ান্ত হয়। মাননীয় অফিসার চিফ অফিসার অবশ্য বলেছেন যে ঠিক আছে সে বিষয়ে তাহলে আজকে আমি গঠনের ব্যাপারে কোন কমিটি দেবো না পুনর্গঠনের জন্য চারটা কমিটি আজকে আছে সেগুলোর উপর
পরেই আজকে আলোচনা হবে। এতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আর মাননীয় চিফ সম্ভবত আমাকে একটু ভুল বুঝছেন বা ক্লিয়ার হয়নি যে উনি বলেছিলেন যে আমরা সংবিধান সংসদীয় কমিটিতে আমরা যাব এরকম কথা আমি বলেছি। আসলে এটা আমরা বলিনি। আমি বলিনি। আমি বলেছিলাম ওনারা একসময় বলেছিল যে আপনারা এইটাতে আসেন তাহলে আমরা সভাপতি দেবো। তো এটার সাথে তো আরেকটা রিলেটেড হইতে পারে না। যেটা
করলে এটা করবে অথবা আমি যেটা বলেছি উনি বলেছিলেন যে অতীতে এরকম নজির নেই। তো অতীতে তো আওয়ামীলীগ বিএনপি বা আমরা জুটে ছিলাম একটা হোস্টাইল এনভাইরনমেন্ট ছিল। কে কাকে কতটুকু মাইনাস করে এভোয়েড করা যায়। আমরা তো মনে করি যে আজকের যে সংসদ এটা আমরা সবসময় বলেছি যে আমরা এক ধরনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং এবং পারস্পরিক সহমনবিতা সুসম্পর্কের ভিত্তিতে আমরা আগাবো আমি সেটা বলেছি। সুতরাং অতীতের যে হোস্টেল
যে এটিচুড ছিলো, বা অন্যকে এভোইড করার যে এটিচুড ছিলো, সেটাকে উদাহরণ হিসেবে টেনে আমরা তো সেই নেগেটিভ পিছনের দিকে যেতে চাইনা। আমরা সম্পর্কটাকে একটি সুসম্পর্ক রেখেই নতুন বাংলাদেশ গড়ার কথা বলেছি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন যে এ সংসদ জনগণের সংসদ সুতরাং জনগণের যে প্রতিনিধি যারাই হোক যে দল থেকে হোক তাদের সঠিক মূল্যায়ন এবং অধিকার সেটা অবশ্যই এখানে ইনশুর করা
কারণ আমরা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন করে কিন্তু এখানে আসছি সুতরাং আমরা এটা চাই না যে এই সংসদে একধরনের বৈষম্য প্রতিষ্ঠিত হবে কিছু সংসদ সদস্য পেশ অধিকার পাবেন আবার কিছু সংসদ সদস্য বঞ্চিত হবেন এটা যেন এখানে নতুন করে উদাহরণটি না হয় এটা আমরা চাচ্ছি মাননীয় স্পিকার তো সেইজন্য আমি মাননীয় চিঠিপুর যেটা বলেছিলেন আমার সাথে যে আজকে পুনর্গঠনের কমিটি গুলি হোক আর বাকিগুলো যে 10 তারিখ পর্যন্ত পার্লামেন্ট চলবে এর ভিতরে
আমরা একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং যদি করতে পারি তাহলে সেটা হলে সুন্দর হবে এবং সকলের জন্য এটার শোভন হবে এবং বৈষম্য বিরোধী একটা পার্লামেন্টের একটা নজির স্থাপিত হবে। ধন্যবাদ আপনাকে মাননীয় স্পিকার। জি আপনাকেও ধন্যবাদ। মাননীয় চিফ হুইপ ক্লারিফিকেশনের দরকার হয়ে পড়েছে এখানে। কারণ আমরা স্বাধীনতার আজকের 54 বছর 55 বছরে বিগত দিনে কখনো বিরোধী দল থেকে কোনো কমিটির সভাপতি করা হয় নাই।
জিওর রহমান স্যার একটা কমিটির সভাপতি করেছিলেন সেটা হল পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি। পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটিতে আমরা মাননীয় আব্দুল্লাহ তাহের সাহেবকে অলরেডি সভাপতি করেছি। ওনাদের সাথে আমাদের যে কথা হয়েছে বিগত দিনের প্রথম অধিবেশন থেকে সেটা হলো ওই
সংবিধান সংশোধন করেই আমরা কেবল জুলাই সদন বা সনদ বাস্তবায়ন করবো এটি ছিল আমাদের সাথে কথা তো এছাড়া আমরা আমরা যাই কিছু করি একটা সংবিধানের কমা ও যদি পরিবর্তন করি সেটা সংস্কার কাজেই আমরা সেটা করবো এটা আমাদের সিদ্ধান্ত পরে ওনারা ওনাদের একটা আশ্বাসের ভিত্তিতে আমি প্রথম সেশনে করি নাই সেশন সেকেন্ড সেশনে আমরা আশা করেছিলাম যে জুলাই আমরা সংবিধান বাস্তবায়ন মানে সংশোধন কমিটি করবো সেই অনুযায়ী যখন আমরা ফাইনালি ওনারা বললেন যে না সংবিধান
সংশোধন কমিটিতে থাকবেন না। তখন আমরা আবার সংবিধান সংশোধন কমিটি আমাদের যে 12 জন আছে 12 জনের নাম ঘোষণা করেছি। উনাদের পাঁচ জনের তালিকা বাকি আছে এবং উনারা যখনই দিবেন তখনই এটা হবে। কারণ আমরা এটা ঐক্যবদ্ধের ভিত্তিতে এবং এই অনেক কষ্টের ফসল এটা এই সংসদ এবং আমরা এই গণতন্ত্রের জন্য দীর্ঘ 17 বছর লড়াই করেছি। উনাদের অনেক মানুষ ফাঁসি কাজটি চলে আমাদের এখান থেকে উল্টে চলেছে। ফাঁসি আসামি ছিল এবং অত্যন্ত মজলুম মানুষ আমরা আসছি। আমাদের কোন ফসল আর কেউ খাক সেটা আমরা চাই না।
সে কারণে আমরা চাই ইনক্লুসিভ ঐক্যবদ্ধভাবে আমরা এই সকল সমস্যা সমাধান করতে সেই কারণেই আমরা চেয়েছিলাম যে আমাদের সংবিধান সংশোধন আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে করবো এটাই ছিল আমাদের ইচ্ছা তো আমাদের আমাদের মাননীয় বিরোধীদলীয় উপনেতা মাত্র 10-15 মিনিট আগে আমার সাথে কথা হয়ে উনার সাথে কথা হয়ে এরকমের যে যে আমরা তো 10% 26% অনুযায়ী আমরা 10% পাই আমি যে বিগত দিনে কোন রিয়াজ নাই আমরা সেটা দেবো না এবং আমরা আপনাকে একটা কমিটি করেছি আর সেই কমিটি আমরা করতে পারবো না এটাই হলো
সাথে আমার কথা হয়ে তো আমি বললাম যে, আপনারা যদি জুলাই সনদে যদি আমরা বাস্তবায়ন করব, আমাদের নেতা তারিক রহমান সাহেব বলছেন, দাড়ি কমা সেমিকলন অক্ষর যা কিছু আছে সব আমরা দক্ষিণ প্লাজা যা সাক্ষ্য রয়েছে সবটাই আমরা বাস্তবায়ন করব। তো আমরা যেহেতু করতে চাই এবং আপনারা চান, আমাদের যে খটকা পাচ্ছে সেটা হলো আমাদের ডিফারেন্স হলো যে আমরা কেউ বলে যে জুলাই সনদ সংস্কার আমরা বলি সংশোধন। তো এই ডিফারেন্স হলো এই দুইটা শব্দ। তো আমরা এখানে বসি, বসে আলোচনা করে আমরা সেবায় সমাধান করি। এটাই ছিল মূলত কথা।
তো সেই কথার ভিত্তিতে আমরা মনে করি যে আমি বলছি যে ঠিক আছে তাহলে আপনি যে জুলাই সনদে যে আপনারা যে আমরা বিশেষ কমিটি সংবিধান সংশোধনের যে বিশেষ কমিটি সেই কমিটিতে আপনারা থাকবেন তা আপনার ঘোষণা আপনি আপনি দেন আমি যদি ঘোষণা দেই আবার আপনি ব্যাকআউট করলে সেটা একটা অসুবিধা তাহলে আমি আজকের কমিটি গঠন করা তাহলে আমি স্থগিত রাখবো এই ওনার সাথে আমার আলোচনা হয়ে এখন আবার যদি এখানে দাঁড়িয়ে আমরা তো লেট ডাউন কেউ হইতে চাই না মাস্ট বি ভেরি ক্লিয়ার এন্ড ওপেন হার্ট আমি যদি ওপেন হার্ট হই তাহলে সামবডি শুড বি ওপেন হার্ট টু মি কথা
মারপেচের মধ্যে এটা কোনো জায়গা না। আমরা মারপেচ করবো না। করবো না এই কারণে কারণ এই দেশ আমাদের। এই দেশের ফসল এই দেশের জনগণ পাবে এবং এই কষ্টের গণতন্ত্রের ফসল পাবে এই দেশের জনগণ। আজকের সকল সমস্যার সমাধান আমরা এখানে সমাধান করব এই পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে। কাজেই এখানে যদি আমি একটা এম্বিগুইটি তৈরি করি আমার নিজের মধ্যে দিয়ে বা কেউ যদি করে তো সেটা হলো প্রবলেম হবে এই যে আল্টিমেটলি আমরা যেটা চাই জাতি গঠনের যে কাজ, গণতন্ত্র বিন্যাসের যে কাজ, স্বাধীনতা প্রটেকশনের যে কাজ, সার্বভৌমত্বের রক্ষার যে কাজ
সেই কাজে আমরা মাননীয় স্পিকার আগাতে পারবো না। কাজেই আমি যদি ওপেন হার্ট না হই আমি যদি পরিষ্কার আমার দিল খুলে না কথা বলি তাহলে এটা আমার জন্য অসুবিধা আরেকজনের জন্য অসুবিধা। কাজেই আমি বিনয়ের সাথে অনুরোধ করতে চাই মাননীয় বিরোধী দলীয় আমরা 10% সেটা জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন হয় সেখানে ঐক্যমত আছে যে আমরা অনুপতি হারে 10% মানে 10 টা কমিটি পাবে বা সর্বোচ্চ 10 টা সব মিলিয়ে ওখানে লেখা আছে। আমরা সেই 10 টা কমিটি দিতে রাজি আছি বিরোধী দলকে। যদি আমরা এই এটলিস্ট আমরা প্রক্রিয়ায়
শুরু করলাম যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করব তার জন্য আমরা সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু করলাম কিছুই করলাম না আমি দেবো কেমনে সেই জন্য আমি বলছিলাম যে আপনারা আসেন এবং এই গুলো আপনার পার্টিসিপেট করেন তাতে আপনাদের ওভারসি করার সুযোগ হবে মন্ত্রণালয় গুলোর এবং মন্ত্রণালয় গুলো দেখতে পাবেন তাতে আপনার কাজ হবে আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে এই দেশটাকে বিল্ড আপ করবো মন্ত্রণালয় আমাদের কি করে আমরা অনেক সময় বক্তি দিতে পারি না উনি আমাকে খারাপ বলেন আমি উনাকে খারাপ বলি আল্টিমেটলি পলিটিশিয়ান পলিটিশিয়ান খারাপ বলে কিন্তু এই দেশের ফসল যারা ভোগ করে
তারা কিন্তু সবসময় ফসল ভোগ করে আসছে এবং ফসল ভোগ করে কাজ এই বিষয়ে যদি আমরা ঐক্যমত হই ওভারসি করার যদি সুযোগ পাই কমিটি যদি কাজ করার সুযোগ পায় এবং সেখানে যদি বিরোধিতা থাকে এবং স্ট্রং ভূমিকা পালন করে আমি তো মনে করি গভমেন্ট অত্যন্ত ভালোভাবে চলবে এই গভমেন্ট একাউন্টেবল হইতে চায় গভমেন্ট চায় মানুষের কাছে জবাব দিই করতে গভমেন্ট চায় এই দেশের জনগণের কাছে জবাব দিই করতে এবং সেই জবাব দিই নিশ্চিত করতে পারে আমার বিরোধীদলের লোকেরাই কাজ বিরোধীদল যেভাবে বলছে আমরা আমাদের আন্তরিক ভাবে আমাদের মন খোলা আছে আমরা
10% বা যে 10 জাম যে আমরা যে সদস্য মানে ওনাদের সভাপতি করতে চাই আমাদের দিক থেকে কোনো অসুবিধা নাই কিন্তু ওরা সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করলেও আমরা এটা দিতে রাজি আছি। মানে আমরা কোনো কিছু আটকাই রাখতে চাই না। আমাদের নেতা তারেক সাহেব বলছেন বিরোধী দলের নেতা বলছেন দুইটা দুইজন নেতা একদিনে প্রথম দিনে কথা বলেছেন। উনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য যা করা যা করবেন বিরোধী দলের নেতা বলছে বাংলাদেশের গণতন্ত্র কখনো সূর্যই দেখে নাই মুখই দেখে নাই এবং সেই মুখ যাতে দেখে সূর্য যাতে উদিত হয়
এবং সেই সূর্যের তাপ যাতে সব বাংলাদেশী সমগ্র বাংলাদেশী মানুষ পায়, ভবিষ্যৎ জেনারেশন পায়, তার জন্য তারা দায়িত্ব পালন করবে। কাজেই আজ মাননীয় স্পিকার, সেই কারণে আমি অনুরোধ করতে চাই যে মাননীয় বিরোধীদলীয় উপনেতা যে কথা আমাকে বলেছেন
আমি বিশ্বাস করেছি সে কথা। সে কথা যদি উনি বলেন যে হ্যাঁ আমার নিয়ে আমি উনাকে বলতে বলি ফোর্স করি নাই। আমি যদি উনি যদি বিশ্বাস করেন আমি এই কথা বিশ্বাস করে কিন্তু বলছি যে আমি গঠনটা আজকে করবো না। উনার কথা শুনি। এই টেলিফোনে টেলিফোনে কথা হইছে উনার কথা শুনি আমি বলেছি স্থায়ী কমিটি আজকে গঠন করবো না আমরা আপনাদের নিয়েই করবো। কাজেই আপনারা সংবিধান সংশোধন নিয়ে আপনারা থাকবেন। বলছি উনি বলছেন হ্যাঁ। এখন হ্যাঁ বলছেন এই যদি আবার এখানে সেখানে আবার তাহলে আমার জন্য অসুবিধা। আমি একটা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ি। আমি বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ি তাও না উনি উপরোক্ত অবস্থা
তাই না। কাজেই এইরকম পরিস্থিতি হলে আমাদের জন্য ভালো হয়। মাননীয় স্পিকার, আমি মনে করি বিরোধী দল এবং আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে এই দেশকে গঠন করব। সংবিধান এই সরকারকে গঠন মানে কি বলে এই এই পার্লামেন্টকে আমরা শক্তিশালী করব। পার্লামেন্টকে কার্যকর করব। এবং প্রাণবন্ত করব। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ। মাননীয় বিরোধী দলীয় উপনেতা আপনি দাঁড়াচ্ছিলেন। জ্বী। স্পিকার, খুব বেশি কথা নাই। কথা হচ্ছে
যে বক্তব্যটা উনি দিয়েছেন এটা আমি বলি নাই। সেটা হচ্ছে যে আমরা সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে যাব এবং সেই হিসেবে আপনি আজকে স্থগিত রাখেন আমাদেরকে সভাপতি দিবেন। এই কথা কখনোই আমরা বলি নাই। আবার আমি এটা রিপিট করছি। আমাদের প্রিন্সিপাল ডিসিশন হচ্ছে সরকারের যে সংসদীয় সংস্কার কমিটি যেটা আছে না ওনারা যেটা বলছে এটা কি? সংশোধনকমিটি
সংবিধান, সংবিধান, সংশোধন, যে কমিটি, এই কমিটিতে আমরা পার্টিসিপেট করবো না। এরপরে এবং এটা উনাকে আমি বলেছি যে উনি একটা হয়তো বুঝতে অসুবিধা হয়ে আমি এটা বলবো না যে উনি নিজ থেকে বলেছেন। আমাদের যেহেতু টেলিফোনে কথা হয়ে এটা হয়তো উনি ভুল বুঝেছেন। আমি এজন্য পার্লামেন্টে এটা ক্লিয়ার করতে চাই। কিন্তু আমরা মনে করি যে একটা কমিটিতে জয়েন করানোর জন্য আমাদের উপর শর্তারপরি জোর জবাবদিহিস্তি
করার যে একটা ট্রেডিশন বা যে কাস্টমের কথা উনি বলেছেন এটা আমরা সঠিক মনে করি না। আমরা মনে করি কিন্তু যেহেতু 26% সংসদ সদস্য আমরা পাচ্ছি এবং সেটা এবং সরকারি দল এগিয়ে করেছে এবং যে কমিটিগুলো ঘোষিত হয়ে সেখানে প্রপোশন টা সেখানে এনসিউর করা আছে এটাকে আমরা এক্সেপ্ট করেছি। সেই আলোকে আমরা মনে করি সভাপতির পদে আমরা 26% পাওয়ার অধিকার অতিথি
কে কি করেছে অতীতে বহুকিছু হয়েছে। অতীতে তো স্পিকারকে পিটিয়ে মারা হয়েছে এই সংসদে। অতীতে যথাস্রোতের চরিত্র হয়েছে। অতীতে এই সমস্ত ডেপুটি স্পিকারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শাহেদ আলী সাহেবকে। শাহেদ আলী সাহেবকে মাননীয় স্পিকার এটা আমরা স্মরণ করতে চাই না। এজন্য যেন ইতিহাস থেকে মুছে যায় মাননীয় স্পিকার। কারণ এই সব কালো ইতিহাস আমাদের সন্তানদেরকে আমরা জানাতে চাইনা। এজন্য বলতেও চাইনা। এরকম ফাইল ছুড়ে তাড়িয়ে গেছে এরকম বহু ঘটনা আছে।
এবং 2011 যে আওয়ামী লীগ বিরোধী দল ছিল আমি তৎকালীন এমপি শাহজাহান খানকে দেখেছি যে উনি জুতা বের করে করার জন্য আমি উনার পিছনে ছিলাম আমার সিটটা ছিল সুতরাং অতীতে অনেক কালো হত্যা অনেক ধ্বংসাত্মক হত্যা অতীত ভালো ছিল না বলেই তো আজকে বর্তমান এই দুরবস্থা বাংলাদেশের যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই বলেছিলেন যে এ সংসদ একটি ভিন্ন টাইপের সংসদ এটা জনগণের সংসদ শুধু বিএনপির বা সরকারের
সংসদ নয় এটা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ছিল ইকুয়ালি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা সেটাকে ইকো করেছিলেন সেই কারণে আমরা বলেছি অতীতকে মাইনাস করে আমরা যেভাবে এখন কিছুটা লঙ্ঘন হতে পারছি এটাকে আফল করার শর্তে স্বার্থে আমি মনে করি আমরা যেরকম মেম্বার পাচ্ছি এবং উনারা এলাও করছেন ইনক্লুড করছেন সভাপতির পদটাতে আমরা সেরকম একটা হক এবং অধিকার আছে বলে আমরা এটা মনে করি সেই বক্তব্যটা
আমরা এখানে দিচ্ছি। আপনারা দেবেন চাইবেন না, এটা পরে দেখা যাবে। সবাইকে ধন্যবাদ। জ্বী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনার নিশ্চয়ই স্মরণ আছে স্পিকার নির্বাচনের আগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমি সেই বৈঠকে ছিলাম।
মাননীয় সংসদ উপনেতাও ছিলেন। এটা একটা ইফতার অনুষ্ঠান ছিল। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা তিনি কথা প্রসঙ্গে আমাদের কথা উঠলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বললেন, আমরা এখন থেকেই জুলাই জাতীয় সংসদ বাস্তবায়ন শুরু করি। চলুন, আপনি ডেপুটি স্পিকারের একজনের নাম দিন। বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার একজন, ডেপুটি স্পিকার একজন। সেই
ডেপুটি স্পিকার আমরা বিরোধী দলকে অফার করেছিলাম এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে ততদিন আমরা অপেক্ষা করিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
মন্ত্রীর সেই প্রস্তাব তিনি বললেন আমরা আলোচনা করে দেখি পরে জানানো হলো আমরা এই পর্যায়ে ডেপুটি স্পিকারের পদ নেবো না সব কারেক্ট তখন আমরা ভাবলাম জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে অর্থাৎ সংবিধান সংশোধিত হলে সেই অনুযায়ী আমরা যাব আমরা আমাদের উদারতা এবং আমাদের
জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের সংবিধান সংশোধনের আগে থেকেই ব্যক্ত করেছি এবং সেটা স্বীকার করলেন মাননীয় বিরোধীদলীয় উপনেতা। সেইজন্য আমরা সংবিধান সংশোধনের জন্য বিশেষ কমিটি আন্ডার রুলস 226 266 আমরা গঠন করেছি পাঁচজন সদস্যের জায়গা রাখা হয়েছে বিরোধীদলের জন্য তাও এই সংখ্যা অনুপাতে। ওইখানে
সংসদে প্রতিনিধিত্বশীল অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সকল নেতৃবৃন্দ আছে একজন নির্বাচিত হলে তিনি আছে স্বতন্ত্র সদস্য আছে তারা নীতিগতভাবে একমত হন নাই এই কমিটিতে আসবেন না আজকে তিনি এটা পুনরাবৃত্তি করলেন এটা তাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত হতেই পারে যদি সংবিধান সংশোধিত না হয় জুলাই জাতীয় সংসদ তো বাস্তবায়িত হলো না হওয়ার পরে হবে আমরা কাজ শুরু
করেছি সেই কমিটি গঠিত হয়েছে। আমার সভাপতিত্বে একটা মিটিং হয়েছে। আমরা সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে এবং সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলবো আমরা সেটা প্রথম মিটিং এ ডিসাইড করেছি। তার মধ্যে সংবিধান বিশেষজ্ঞ আছে সাবেক প্রধান বিচারপতি গণ আছেন বিচারপতি গণ আছেন সুপ্রিম কোর্ট বারো সিটি আছেন আছেন এবং
প্রেসের বন্ধুগণ আছেন, এডিটরস আছেন, জুলাই জাতীয় সনদের সাথে প্রণয়নের সাথে যারা কাজ করেছেন জড়িত তাদেরকে আমরা আহ্বান জানাবো। সংবিধান বিশেষজ্ঞ আছে, বিশ্বস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ আছেন এবং যারা জুলাই গণভূত্যনের শহীদ হয়ে তাদের পরিবারের সদস্যরা আছেন, জুলাই যুদ্ধরা থাকবে। এভাবে আমরা সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলবো। বলে তাদের মতামতের ভিত্তিতে
আমরা রিপোর্টটা প্রণয়ন করবো। সেই রিপোর্ট প্রণয়নের পরে স্বাভাবিকভাবেই আইন মন্ত্রণালয় থেকে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে বিল আকারে সংবিধান সংশোধনের জন্য বিল উপস্থাপন হবে। এবং আমরা জুলাই জাতীয় সনদকে সামনে রেখে জুলাই সনদ জাতীয় সনদের বাইরেও সমাজের প্রত্যাশা অনুযায়ী আমাদের নির্বাচন ইশতেহার অনুযায়ী এবং জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী আর যাদের সাথে আমরা কথা বলবো তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সবকিছু ধারণ করে আমরা একটা সমৃদ্ধ
সংবিধান সংশোধনী বিল আনবো। কিন্তু সেই বিল আসবে পাস হবে। তারপরে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন হবে। জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে আমরা স্বাক্ষর করেছি আমার বিরোধীদলের বন্ধুরা করেছেন। তিনি নিজে স্বাক্ষর করেছেন মাননীয় উপনেতা। আমরা এক দেড় বছর পরস্পর আলোচনা করে পাশাপাশি বসে ঐক্যমত কমিশনে কাজ করেছি। এখন শুরু হয়ে
সেখানে কি লেখা আছে? সংসদীয় কমিটি চারটা বিরোধীদলের সদস্যগণ সভাপতিত্ব পাবেন চেয়ারম্যান পাবেন তার মধ্যে একটা জিনিস ভুল হয়ে গেছে ওর মধ্যে একটা কমিটির সভাপতি কিন্তু পদাধিকার বলে মাননীয় স্পিকার আচ্ছা গেল বাকি তিনটা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অন্যান্য কমিটিগুলো
সংসদে আসনের সংখ্যা অনুপাতে বিরোধীদল সভাপতি পাবেন সেজন্য তো জুলাই জাতীয় সংসদ বাস্তবায়িত হতে হবে সংবিধান সংশোধন করা হবে তারপরে পাবে এই আলাপটা করা হয়ে কিন্তু আমাদের উদারতা এই জায়গায় শুধু আমাদের মাননীয় চিফ হুইপ প্রস্তাব দিয়েছেন আসুন সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে আপনারা অংশগ্রহণ করুন শুরু করুন আমরা জুলাই জাতীয়
সিমিল্টেনিয়াসলি বাস্তবায়ন শুরু করি আপনাদের সেই অনুসারে সভাপতিত্ব এই কমিটিগুলো পাওয়া যাবে। খুবই ভ্যালিড যুক্তি তো তিনি মনে করেছিলেন মাননীয় উপনেতা সেটাতে এগ্রিড হয়েছেন এখন দেখছি এগ্রিড হননি তো যাই হোক এখন তো বিধি মোতাবেক যেভাবে যাওয়ার সেভাবেই যেতে হবে আমাদের স্থায়ী কমিটিগুলো মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিগুলো এবং সংসদের যে সমস্ত কমিটিগুলো আছে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সম্ভবত 39 টা
এরপরে বিশেষ কমিটি তো আর কোন বিষয়ের উপর নির্ভরশীল না, বিশেষ কমিটি হতে পারে। কিন্তু সংসদীয় কমিটি যেগুলো আছে সেগুলোর ব্যাপারে কোন কিছু
মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটিগুলো সম্পর্কে বলা আছে যে সংখ্যা অনুপাতে সেটা সভাপতিত্ব পাবে আপনারা যদি সহযোগিতার হাত না বাড়ান এবং সব বিষয়ে বলেন যে আগে সব দিতে হবে তারপরও আমরা সেই কমিটিতে আসবো না সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে সেটা তো সহযোগিতা হলো না একতরফা হলো যে আপনাদের সকল দাবি মানতে হবে তারপর আমরা আপনাদের সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আসবো না আপনারা সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আসুক
আপনাদের যা বক্তব্য আছে আমরা সেটা লিপিবদ্ধ করব আপনাদের সমস্ত রিপোর্ট বক্তব্য সেই রিপোর্টে থাকবে আপনাদের বক্তব্য জাতি জানবে আপনারা দ্বিমত হবেন ভিন্নমত হবেন এবং কিছু কিছু প্রস্তাব তো অবশ্যই একমত হবেন আমরা তো আরো কিছু জিনিস এখানে অন্তর্ভুক্ত করব এই সংবিধানে যেগুলো আপনারা দেন বা অন্য শ্রেণী পেশার মানুষ দিক সেটা নতুনত্ব আসতে পারে সেটা আমরা গ্রহণ করব আমরা ভেরি ওপেন তো এই বিষয়ে আমি আশা করি আপনারা সংবিধান সংশোধনী কমিটিতে আসবেন
আপনারা যখনই অংশগ্রহণ করবেন আমরা স্বাগতম জানাবো তখন জুলাই জাতীয় সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হবে তার আগ পর্যন্ত বিদ্যমান বিধান অনুসারে আমরা যাই সেই কথাই আমাদের মাননীয় শ্রী বুহিব বলেছেন সেই বিদ্যমান বিধান কি সেই হিসেবে আমরা যাই এখন আপনারা সবই জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে চাইবেন অথচ সনদ বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতায় আসবেন না দুইটা বিপরীতমুখী হয়ে যায় আজকে আমি আপনাদেরকে নিশ্চয়ই মনে কোনো কষ্ট দেই নাই
ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনে কষ্ট কখনোই দেন না কথায় কিছু কষ্ট আসে আর কি সামটাইমস হয়তোবা। যাই হোক মাননীয় চিফ হুইপ এখন আমরা আমাদের বিজনেসে স্টার্ট করি বিফোর উই স্টার্ট মাননীয় বিরোধীদলের উপনেতা আছেন এখানে সদস্যবর্গ আছেন। দেখেন আমি আজকে এখানে স্পিকারের আসনে বসা আমরা যারা
স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্মের নাগরিক আছি বা আপনারা যারা অনেকেই আছেন স্বাধীনতা পূর্ব প্রজন্মের সকলে মিলে আমরা দেশকে ভালোবাসি দেশকে এগিয়ে নিতে চাই বাংলাদেশ ফাস্ট সেটা বলছি আমরা অন্তরেও জানে বিশ্বাস করি সবার আগে বাংলাদেশ যদি কিছু আপনাদের মধ্যে কথার বা মতের পার্থক্য থাকতেই পারে তারপরে এখনো আমাদের পর্যাপ্ত
সুযোগ আছে সেই ডিফারেন্সটা মিনিমাইজ করার আমি হামলি রিকোয়েস্ট করবো টু বোথ সাইড প্লিজ এই দেশটা আপনার আমার আমাদের সকলের দেশের স্বার্থে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে আমরা কাজ করি ফেসিজম বিরোধী আন্দোলনে যেমন সকলে আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম ঠিক দেশ গড়ার জন্য বাংলাদেশ সবার আগে বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে আমরা কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
আমাদের সময় দরকার পড়লে আরেকটু নেন, আপনারা বসেন, ওপেন এভাবে ডিসকাস করতে না পারলেও ক্লোজ ডোরে নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ বসেন, আমি যতটুকু আন্দাজ করতে পারছি কি সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন কথার একটু হয়তো শাব্দিক ডিফারেন্সেস আছে, শাব্দিক ডিফারেন্সেসটা কমানোর জন্য সুযোগ আছেন, আশা করছি সকলেই সেন্সিবল ওয়েতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্য দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করবো, এখন মানুষ
মাননীয় চিফ হুইপ, আমরা পরবর্তী বিজনেস যেটা আছে সেটাতে যেতে পারি কিনা? ইয়েস। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি বলেছেন অত্যন্ত সুন্দর করে বলেছেন। মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অত্যন্ত সুন্দর করে বলেছেন। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে এই সকল সমস্যার সমাধান করতে চাই। এবং আমরা চাই যে ভবিষ্যৎ প্রবর্তন জন্য এমন একটা দেশ রেখে যাবো যে দেশে ভবিষ্যৎ প্রবর্তন জন্য গর্ব করতে পারে যে আমাদের পূর্বপুরুষ
একটা সময় এই দেশে তৈরি করার জন্য তারা পরিশ্রম করে আমরা যেমন ফাউন্ডিং ফাদারস এখনো মনে করি আমেরিকার সেরকম আছে 250 তম জন্মবার্ষিকী গেছে তো কয়েকদিন আগে আর আমরা জন্মবার্ষিকী অল্প কিন্তু সেই অল্প সময়ের মধ্যে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো এবং আমরা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার একটা প্রক্রিয়ায় ছিলাম এবং আছি এবং আমরা যারা এখানে বসে তাদের মাননীয় স্পিকার আমাদের পিছনে ফিরে তাকাবার সুযোগ নেই আমাদের সামনেই তাকাতে হবে সেই কারণে মাননীয় স্পিকার
আমি যদি বলি বলতে পারতাম হয়তোবা মাননীয় স্পিকার 6:41 মিনিটে আমি কথা বলেছি ফোন করেছেন রফিক ভাই তার টেলিফোন দিয়ে কথা বলেছি সেই টেলিফোনের রেকর্ড আমার কাছে নাই কোথাও না কোথাও অবশ্যই আছে তাই আমি সেটা কথা বলতে চাই না মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতাকে উপনেতাকে আমি বলতে চাই এই কথা যে কথা আমরা বলব তার উপর স্টিক থাকবো এবং সেটাই হবে আশা করি ভবিষ্যতে এবং সেটা আমরা সবাই মিলে করব ইনশাআল্লাহ মাননীয় স্পিকার আপনি আপনি যদি কোন অনুমতি দেন তাহলে আমি পুনর্গঠন সম্পর্কিত বিষয়ে আপনি কাজ শুরু করবেন।
করতে পারি। কোন মন্ত্রণালয়ের পুনর্গঠন? আপনি আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির পুনর্গঠন। জি, প্লিজ আমরা সেটাই বলেছিলাম। মাননীয় বিরোধী বিরোধী
দলের থেকে কাছে থেকে একজনের নাম পরিবর্তন পেয়েছি সেজন্য আবার নতুন করে পড়ছি এখানে জনাব মোহাম্মদ নস মাননীয় স্পিকার মাননীয় আমি এখন আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কে স্থায়ী কমিটি বনগঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সিফুই প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সিহতের অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ
কার্যপণালী , 247 ও অনুসারে উক্ত বিধিসমূহের বর্ণিত কমিটির নিয়োগ, কমিটির গঠন এবং কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শস্যগণের সমন্বয়ে ত্রুদোষ জাতীয় সংসদের আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জনাব মোঃ নওশাদ জামিল 1 পঞ্চগড় 1 সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
সংসদ সদস্য, সদস্য, জনাব এ এম মাহবুব উদ্দিন 268 নোয়াখালী এক সদস্য, জনাব ইমরান আহমেদ চৌধুরী 234 সিলেট ছয় সদস্য, শাকিলা ফরজানা 308 মহিলা আসন আট সদস্য, জনাব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম ছয় দিনাজপুর এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ হাসান রাজিব প্রধান 16 লালমনিহাট এক সদস্য, জনাব মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান 68 পাবনা এক সদস্য, জনাব আক্তার হোসাইন 22
রংপুর চার সদস্য, তাসমিয়া প্রধান 347 মহিলা আসন 47 সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইফ, সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম এর প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত
হাইকমিটি পুনর্গঠন করা হোক। যারা এই প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন। আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়ে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে। অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং একই সাথে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ীক
কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম আপনি এখন শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাওয়া প্রস্তাবের ভিত্তিতে আমি এখন কোন মানে স্থায়ী কমিটি শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সভাপতি
সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ দুই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপালি 247 ও অনুসারে উক্ত বিধি সমূহে বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শাসকগণের সমন্বয়ে ত্রোদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির
কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জনাব মোঃ আবুল কালাম 257 কুমিল্লা নয় সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী শিল্প মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য হন সদস্য জনাব আব্দুস সালাম আজাদ 172 মুন্সিগঞ্জ দুই সদস্য কাজী রফিকুল ইসলাম 36 বগুড়া বগুড়া এক সদস্য জনাব বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম 93 নরাইল এক সদস্য জনাব মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া 204 নারায়ণগঞ্জ এক সদস্য জনাব মঞ্জুর এলাহী
এক নরসিংদী তিন সদস্য, জনাব মোঃ কেরামত আলী 43 চাবাই নবাবগঞ্জ এক সদস্য, জনাব মোঃ ইনামুল হক 47 নওগাঁ দুই সদস্য, জনাব মাসুদ সাইদী 127 ফিরোজপুর এক সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইপ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মতো এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে
শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো
মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ। মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। বিরোধী দল থেকে পাওয়া তাদের প্রস্তাবের কারণে আমি এখন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হয়ে প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী , 247 ও
অনুসারে উক্ত বিধি সময় বর্ণিত কমিটির নিয়োগ কমিটির গঠন কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্বপালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদ শস্য গণের সমন্বয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী পুনর্গঠন করা হোক জনাব মোঃ খালেদ হোসেন মাহবুব 245 ব্রাহ্মণবাড়িয়া 3 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী জাতীয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যদি সংসদ সদস্য হন সদস্য জনাব মোঃ বরকতুল্লা বুলু 270 নোয়াখালী 3
সদস্য জনাব আবুল হোসেন খান 124 বরিশাল 6 সদস্য জনাব মোঃ আবুল কালাম 257 কুমিল্লা 9 সদস্য হেলেন জেরিন খান 309 মহিলা আসন 9 সদস্য জনাব হামিদুর রহমান 180 ঢাকা 7 সদস্য জনাব মোঃ কামাল হোসেন 178 ঢাকা 5 সদস্য গাজী ইনামুল হক 89 যশোর 5 সদস্য জনাব আব্দুল মুনতাকিম 15
নীলফামারী চার সদস্য মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় চিফ হুইফ সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোঃ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন আমার মনে হয় হ্যাঁ জয় যুক্ত
হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো এবং সেই সাথে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো মাননীয় চিফ হুইপ জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম আপনি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার সম্মানিত বিরোধীদল থেকে পাওয়া প্রস্তাবের
অনুযায়ী প্রস্তাব অনুযায়ী আমি এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করছি। মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে আমি মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম 110 বর্গ মিটার 2 বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইফ প্রস্তাব করছি যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের 76 অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী 247 ও অনুসারে উক্ত বিধিসমূহে বর্ণিত কমিটির গঠন কমিটির নিয়োগ
এবং কমিটির কাজ ও কমিটির দায়িত্ব পালনের জন্য নিম্নলিখিত মাননীয় সংসদসদস্যগণের সমন্বয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। জহরত আদিব চৌধুরী 2327 মহিলা আসন 27 সভাপতি ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যদি সংসদসদস্য হন সদস্য জনাব মোঃ আমানুল্লাহ আমান 175 ঢাকা 2 সদস্য জনাব হুম্মাম কাদের চৌধুরী হুমাম কাদের চৌধুরী 284 চট্টগ্রাম 7 সদস্য
জনাব এস. কে. আজিজুল বাড়ি 102 খুলনা 4 সদস্য, জনাব সাইদ আল নোমান 287 ঢাকা চট্টগ্রাম 10 সদস্য, জনাব এ বি এম মোশাররফ হোসেন 114 পটুয়াখালী 4 সদস্য, সান্দিদা ইসলাম 316 মহিলা আসন সদস্য, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের 259 কুমিল্লা 11 সদস্য, মীর আহমেদ বিন কাশিম 187 ঢাকা 14 সদস্য, মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। এর পরেও মাননীয় স্পিকার
স্বীকার এই কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে আমি একটু কথা বলবো পরবর্তীতে যদি আপনি সময় দেন অথবা আমি এখনো বলতে পারি। আর আজকে যে কমিটি গঠন করার কথা ছিল মাননীয় স্পিকার অধিকতার আলাপ-আলোচনার জন্য বিরোধীদলের সমন্বিত বিরোধীদলের তাদের প্রস্তাব অনুযায়ী আজকে এই কমিটি গঠন করা থেকে আমি বিরত থাকতে চাই এবং আমরা এই যে দুই তিন দিন বন্ধ আছে আমরা আলোচনা করে দেখবো তারপরে পরবর্তী যেদিন সংসদ ওপেন হবে সেদিন থেকে আমরা আবার নতুন করে কমিটি গঠন করবো। মাননীয় স্পিকার এই কমিটি গঠন করার জন্য আমি প্রস্তাব করছি আপনাকে ধন্যবাদ আবার। জি আলোচনা অব্যাহত রাখেন।
গুড ফর দ্যা ন্যাশন। প্লিজ। সংসদের সামনে প্রশ্ন হচ্ছে, মাননীয় সংসদ নেতার পক্ষে আমি দুঃখিত মাননীয় সংসদ নেতার অনুমতিক্রমে তার পক্ষে মাননীয় চিফ হুইফ জনাব মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের প্রস্তাব মত এবং তার প্রস্তাবিত সদস্যদের সমন্বয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হোক। যারা এ প্রস্তাবের পক্ষে আছেন তারা হ্যাঁ বলুন। যারা এ প্রস্তাবের বিপক্ষে আছেন তারা না বলুন।
আমার মনে হয় হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, হ্যাঁ জয়যুক্ত হয়েছে, অতএব প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো।
এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠিত হলো। মাননীয় সদস্যবৃন্দ, সংসদের বৈঠক আগামী দুসরা সেপ্টেম্বর 2026 তারিখ 18 ই ভাদ্র 1433 রোজ বুধবার বিকাল 3:30 মিনিট পর্যন্ত মূল তবি করা হলো। আপনাদের সহযোগিতার জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। আল্লাহ হাফেজ। বাংলাদেশ
জিন্দাবাদ।
কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
যেসব সম্প্রচারের পাঠ্য এখনো প্রস্তুত নয়
উপরে এই দিনের সম্পূর্ণ পাঠ্য নেই। বাকি সম্প্রচারগুলো এখানে শুনতে পারেন।