মাননীয় স্পিকার আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমি কমিটি সংক্রান্ত বিষয় না আইন পাশের ব্যাপারে 1973 সালে রক্ষী বাহিনী গঠন করা হয়েছিল আর এই রক্ষী বাহিনী বিলুপ্তি খন্দকার মুস্তাক আহমেদ সাহেব সরকারের আমলে একটা অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে 79 এর যখন পার্লামেন্ট শহীদ রাষ্ট্রপতি জাওয়ার রহমানের পার্লামেন্ট গঠিত হয়েছিল তখন সেই প্রেসিডেন্সিয়াল অর্ডার এবং অর্ডিন্যান্স এটা আইন হিসেবে বাতিল করে রক্ষী বাতিল করা হলো। আজকে আমার যে প্রশ্নটা সেটা হলো র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন র্যাপ গঠিত হয়েছে। আমরা সবাই সরকারি দল বিরোধী দল যারা রাজপথে ছিলাম সবাই 18 টা বছর এই র্যাপের বিরুদ্ধে কথা বলেছি এবং এই আইন বাতিলের জন্য আমাদের বিরোধী দলীয় নেতা ডক্টর শফিকুর রহমান এবং আমাদের সংসদ নেতা এবং সংসদে সরকারি দলে যারা আছেন সবাই আমরা বক্তব্য রেখেছি রাজপথে তো আজকে সেই র্যাপ র্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন বাহিনী বাতিল হচ্ছে কিন্তু আজকে আমরা এই বিল বাতিল হওয়ার সময় সবাই ঐক্যমতের ভিত্তিতে বিলটা বাতিল হওয়া দরকার ছিল যেমনিভাবে রক্ষী বাহিনীর বিলটা 79 এ শহীদ রাষ্ট্রপতি জাউর রহমানের যখন প্রেসিডেন্ট ছিলেন মরহুম শাহ আজিজ যখন প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তখন রক্ষীবাহিনীটা এভাবে তো আজকে আমরা বড় দুঃখের বিষয় রেপিড একশন ব্যাটালিয়ন বিলটা ধন্যবাদ। আলাদাভাবে বাতিলের ব্যাপারে প্রস্তাব করলে সবাই মিলে আমরা এই বিলটা বাতিলের পক্ষে রায় দিতে পারতাম। কিন্তু আজকে মেসেজটা কি যাচ্ছে? যে আমরা রেপিড

শাহজাহান চৌধুরী
চট্টগ্রাম-১৫ · আসন ২৯২ · Bangladesh Jamaat-E-Islami (BJEI)
সদস্যের পরিচয়
- রাজনৈতিক দল
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
- আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
- (ক) লোহাগাড়া উপজেলা এবং (খ) নিম্নলিখিত ইউনিয়নসমূহ ব্যতীত সাতকানিয়া উপজেলা: (১) কেওচিয়া (২)কালিয়াইশ (৩)বাজালিয়া (৪)ধর্মপুর (৫)পুরানগড় ও(৬) খাগরিয়া
- জেলা ও বিভাগ
- চট্টগ্রাম · চট্টগ্রাম
- সংসদীয় ইমেইল
- chittagong.15@parliament.gov.bd
- সংসদ
- ১৩
এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সরাসরি প্রশ্ন করব আমাদের গ্রামগঞ্জে বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে চাষাবাদের যে জমি আছে সেই জমিগুলোর ব্যাপারে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সুনির্দিষ্ট একটা নীতিমালা আছে চাষের ব্যাপারে কিন্তু উপজেলা পর্যায়ে গ্রাম পর্যায়ে বিশেষ করে যারা উচ্চবিত্ত যারা ব্যবসায়ী তারা বাড়ি করার জন্য চাষাবাদের উপযোগী জমির উপরে বিশাল বিশাল জায়গা দখল করে বাড়ি করে যার কারণে পানি নিষ্কাশন বন্যা নিয়ন্ত্রণ এই সবকিছুই এটার সাথে জড়িত হয় এজন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার জিজ্ঞাসা উপজেলা পর্যায়ে অর্থাৎ গ্রাম পর্যায়ে বাড়ি করার ক্ষেত্রে আমার মনে হয় একটি নীতিমালা ঠিক করা দরকার এবং আমি নিজেও একটা বেসরকারি বিল জমা দিয়েছি। অর্থাৎ গ্রামে গঞ্জে বাড়ি করার ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট একটা উপজেলার পক্ষ থেকে নিয়ন্ত্রণ করা এবং একটা সেখানে নিয়ম নীতি করা এই ব্যাপারে কোন ধরনের উদ্যোগ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় নিবেন কিনা সেটাই জানতে চাচ্ছি। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি দেরিতে আসাতে আন্তরিকভাবে দুঃখিত আসলে হেঁটে হেঁটে আসতে হয়েছে তো নেমবো মন্দিকে হেঁটে হেঁটে আসতে আসতে দেরি হয়ে গেল এজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত ক্ষমাপ্রার্থী তো আমার আজকে প্রশ্নটা উত্থাপিত হয়েছে আমার পক্ষ থেকে আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য তুলেছেন আমি প্রথমে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আমাদের কক্সবাজারের মাদারবাড়ি ডিপ পোর্ট যেটা সেটার অগ্রগতি দেখার জন্য গত মাসে গিয়েছিলেন এবং সেখানে টোটাল অগ্রগতি দেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ এইবারের নতুন গণতান্ত্রিক সরকার আসার পর থেকে সেখানে কাজের অগ্রগতি হচ্ছে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী নৌপরিবহনের উনার সাথে আমরা একসাথেই আমাদের চট্টগ্রামে নেদারল্যান্ডের সাথে চুক্তি করে যেটা নিউ টার্মিনাল হয়েছে এই নিউ টার্মিনাল আসলে আমাদের দলীয় জোট সরকারের আমলে আমাদের চট্টলার বর্তমান মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবির হোসেন মাহমুদ চৌধুরী অনেক সংগ্রাম লড়াই করে এইখানে উচ্ছেদ করেছেন এবং নতুন একটি বন্দর হচ্ছে তো আমার আসলে সম্পূরক যে প্রশ্নটা মাননীয় মন্ত্রী অত্যন্ত বিস্তারিতভাবে দিয়েছেন জাতিকে জানিয়েছেন বিশেষ করে আমাদের চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মাদারবারে ডিপ প্লিজ মুসকালি পর্যন্ত এই এলাকাতে টোটালি সেখানে বন্দর হওয়ার মত উপযোগী আমরা আশা করছি সেখানে আগামী দিনে বন্দর হবে সিঙ্গাপুরের মত আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরটা ডেভলপ হবে আশা করি তবে এখন যে সমস্যাটা সেটা হচ্ছে মাননীয় মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি এবং জানতেও চাচ্ছি সেটা হল চট্টগ্রাম বন্দরের অনেক জায়গা এখন পাবলিকলি আগের বন্দরের বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সেখানে লিজ দেওয়া হয়েছে বর্তমান সরকার আসার পরে কিছু লিজ উদ্ধার করা হচ্ছে তো এটাকে যত বেশি তাড়াতাড়ি বন্দর থেকে অবৈধ যারা দখলদার তাদেরকে উচ্ছেদ করতে পারবে তত বেশি বন্দরের কাজটা ডেভলপ হবে উন্নতি হবে এবং আমাদের চট্টগ্রাম বন্দরটা একটা আধুনিক বন্দরে রূপান্তরিত হবে এইজন্য মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের কাছে আমার জিজ্ঞাসা যে অবৈধ দখলদার যারা আছে যেমনিভাবে আমাদের জনাব অর্থমন্ত্রী আমির হোসেন মাহমুদ চৌধুরী 2004 সালে বর্তমানে যেখানে আমাদের আমরা সেইদিন টার্মিনাল উদ্বোধন করলাম। সেটা তো উনি এই রিস্ক নিয়ে তাদেরকে উচ্ছেদ করেছে। অন্য জায়গায় এস্টাবলিশ করেছে। সেখানে আজকে একটা বন্দর হয়েছে। আমাদের নতুন একটা যাত্রা শুরু হলো। ঠিক সেইভাবে করে বন্দরের জায়গাগুলো উদ্ধার করার জন্য আমি প্রায় এক বছর ধরে সাংবাদিক সম্মেলন করেছি। বলেছি। বন্দরের কর্তৃপক্ষকে বলেছি। তো মাননীয় মন্ত্রী আপনি অত্যন্ত ডাইনামিক অত্যন্ত যোগ্য এবং অত্যন্ত মডারেট আপনি চিন্তাভাবনা করছেন এই অবৈধ উচ্ছেদ গুলো আপনি করবেন কিনা সেটাই আপনার কাছে জিজ্ঞাসা ধন্যবাদ মনীষ