মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। আমাকে আসন বদলে দেওয়ার জন্য। আমি কি এখন দুই আসনেই প্রতিনিধিত্ব করবো? 15 এবং

ডাঃ মোঃ শফিকুর রহমান
বিরোধীদলীয় নেতা · ঢাকা-১৫ · আসন ১৮৮ · Bangladesh Jamaat-E-Islami (BJEI)
সদস্যের পরিচয়
- রাজনৈতিক দল
- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
- আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড- ০৪,১৩,১৪, ও ১৬
- জেলা ও বিভাগ
- ঢাকা · ঢাকা
- সংসদীয় ইমেইল
- dhaka.15@parliament.gov.bd
- সংসদ
- ১৩
এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।
মাননীয় স্পিকার আমার সময় চলে গেছে আধা মিনিট।
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ এই বিলটি জাতীয় জীবনে অন্য 10 টি বিলের মত নয় সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিল রেপ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে এই জাতির সামগ্রিক অভিজ্ঞতা সুখকর নয় তার কিছুটা ইতিবাচক দিক থাকলেও নেতিবাচক দিক এত বেশি ছিল যে এটা গোটা বিশ্বকে চিন্তিত করে ফেলেছিল আমাদের এই হাউসে আমি বিশ্বাস করি রেবের হাতে ভুক্তভোগী অনেকেই আছেন আমি নিজেও। তবে আমি তো বেঁচে আছি। কিন্তু করুণভাবে জীবন দিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছেন কিংবা ঘুমের শিকার হয়ে কোথায় আছেন কেউ জানে না। রেবের হাতে ঘুমের শিকার হয়ে ফিরে আমার সম্মানিত সহকর্মী সংসদ সদস্য মীর আহমদ বিন কাসেম এখানে আজকে সংসদ সদস্য হয়েছে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে আমাদের একজন সহকর্মী আছেন মারজিয়া বেগম তার স্বামী একজন বিশিষ্ট চিকিৎসক মানবিক ডাক্তার হিসেবে যার সুপরিচিতি অত্যন্ত সকলের কাছে ছিল রাত 12 টার সময় তাকে স্বয়ং কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে ছাদের উপর নেওয়া হলো তার উপর অমানবিক নির্যাতন হলো তারপরে আস্ত জিতা মানুষটাকে ছাদের উপর থেকে নিচে ফেলে দেওয়া হলো চোখের সামনেই তার এই করুণ অবস্থা তার পরিবারের সদস্যরা প্রত্যক্ষ করেছে শুনে আমাদের হৃদয় ভেঙ্গেছে যারা দেখেছেন তাদের অবস্থা কি ছিল আল্লাহ ভালো জানে এই বাহিনীটা বিলুপ্তি ছিল সকলের দাবি এখানে নাজিবুর রহমান তিনি বলেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বারবার এ বিষয়ে কথা বলেছেন দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংস্থাগুলো কথা বলেছে এটা বিলুপ্ত করে আরেকটা বাহিনী গঠনের দাবি কিন্তু কারোই ছিল না। শুধুই বিলুপ্তির দাবি ছিল। কিন্তু আমরা এখন দেখতে পাচ্ছি যে সরকারি তরফ থেকে ঠিক একই ধরনের আরেকটা বাহিনী বিল্ডআপ করার দাবি নিয়ে আসা শুধু হয়নি হুবহু বাহিনীটাকে জায়গায় রেখে সবকিছু জায়গায় রেখে একটা প্রস্তাবনা নিয়ে আসা হয়েছে আমি জাস্ট পাঁচ দিন আগের ঘটনা বলতে চাই যখন এই বিলটি আলোচিত হচ্ছে তখন এই ধরনের একটা বিস্ময়কর ঘটনা এই একই বাহিনীর দ্বারা ঘটেছে এবং এটি পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক ছাত্রী তাকে তার বাসা থেকে তুলে নেওয়ার জন্য আসা হয়েছে সেখানে কোন সার্চ ওয়ারেন্ট ছিল না যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন
যদি তারা তর্ডিকল্ডি করে দৌড়ে না আসতেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাহলে কিন্তু মেয়েটাকে নিয়ে যায় হতে পারে এই মেয়েটা কোন সামাজিক অপরাধ করেছেন অথবা করেন নাই এটা আমরা জানি না কিন্তু এই ঘটনা আমাদেরকে কি বার্তা দিচ্ছে বার্তা দিচ্ছে যে বাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত সদস্যদের কোন ধরনের বুধোদয় হয়নি তারা আগে যেমন ছিলেন এখনো তেমনই আছেন সেই একই বাহিনীর লোকেরা একই জায়গায় হস্তান্তর হচ্ছে কোথায় স্থানান্তর তাদের স্থাপনা যা আছে তাই থাকবে লজিস্টিক যা আছে তাই থাকবে ম্যানপাওয়ার যা আছে তাই থাকবে তাই তো কোন কিছু স্থানান্তর হলো না শুধু একটা নাম বদলায় আরেকটা নাম আসলো আগে কটাই ছিল এখন মজর হবে এর বেশি কিছু না এটা তো এই জাতি চায় না আমি পুঙ্খানুপুঙ্খ এই বিলটা পড়েছি আমাদের তরফ থেকে যে নোট অফ ডিসেন্ট স্থায়ী কমিটিতে দেওয়া হয়েছে তাও আমি দেখেছি আমি এই বিস্তারিত টা না যে আমি বিলটি উত্থাপনকারী সম্মানিত সদস্যকে অনুরোধ করব রেবের জন্ম হয়েছিল উনাদের হাতে যখন উনারা সরকারে
ঠিক আছে জুট সরকারও মেনে নিলাম সমস্যা নাই আমাদের লুৎফুজ্জামান বাবর সাহেব তখন স্বরাষ্ট্র প্রতিনিধি মন্ত্রীর দায়িত্বে এবং তিনি সুচারুর পেশে দায়িত্ব পালন করেছেন আমার যতটুকু মনে হয় যে রেবের হাতে জাতীয়তাবাদী দল সবচাইতে বেশি নিগ্রহিত হয়েছে এরপরে আমরা হয়েছি জাতি হয়েছে জাতির কোন অংশ বাদ যায় নাই এটা সংগত কারণে এখন আমরা দেখতে পাচ্ছি যে সামনে আসার পরে বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি থেকে আপত্তি উত্থাপিত হয়েছে সবাই উদ্বিগ্ন আমরা অনুরোধ করব এই সেশনে এই বিলটা পাস করার দরকার নেই এটা নিয়ে স্টেক হোল্ডারের সাথে আরো কাজ করা হোক আরো গভীরভাবে চিন্তা করা হোক কেন এমন একটি বাহিনীর প্রয়োজন তার যথার্থতা আরো বেশি পরিষ্কার হয়ে আসুক জাতি অনুভব করুক যে ধরনের একটা স্পেশালাইজড ফোর্স আমাদের লাগবে জাতি কনভিন্স হোক আদারওয়াইজ গোটা জাতি এইটাকে স্বাভাবিকভাবে নিবে না এবং বিশ্ব সম্প্রদায় তারা যে আপত্তি উত্থাপন করেছিল দাবি জানিয়েছিল এটা গঠনের মধ্য দিয়ে এই বাহিনী গঠনের মধ্য দিয়ে সেই দাবি পূরণ হবে না বরঞ্চ আমরা অবস্থায় থেকে যাব যদিও এখানে ছোটখাটো কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে কিছু বাধ্যবাধকতা আনা হয়েছে কিন্তু মৌলিক জায়গায় কোন কিছুই হয়নি মৌলিক জায়গাগুলো যেমন ছিল তেমনই আছে আমার অপরাধ আমি তদন্ত করব এই হচ্ছে আমাদের অবস্থা এই আইনের আমি মনে করি যে এই আইনটা কোন অবস্থায় পাশ করা উচিত না এবং এই আইনটা ফ্রি দিয়ে নেওয়া দরকার জাতির বৃহত্তর স্বার্থে একটা উদাহরণ তৈরি হোক যে সরকারি দল জনগণের এই সেন্টিমেন্টের প্রতি এবং বাস্তব অভিব্যক্তির প্রতি সম্মান দেখিয়ে তাকে তারা এটা প্রত্যাহার করবেন পরবর্তী পর্যায়ে চিন্তাভাবনা করে আনতে হলে তারা আনবেন মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ
আর বিষয় জিএম নজরুল ইসলাম উনি কি বিরোধী দলীয় কোটা থেকে এসেছেন?
আমাদের কোন অবজেকশন
আমাদের কোটা থেকে যেহেতু উনাকে এলোকেশন দেওয়া হয়নি, সেক্ষেত্রে আমাদের কোনো আপত্তি নাই।
হ্যাঁ, সেইটা আমার ক্লিয়ার হতে চাইছিলাম যে আমাদের কোথা থেকে উনাকে দেওয়া হয়েছে কিনা? যদি এই অবস্থান থেকে দেওয়া না হয়ে
মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ। গ্রামে একটা মানে কথা চালু আছে আর কি। যে কোন দুর্বল মানুষের উপরে প্রতিশোধ নিতে হলে তারে মেম্বার ইলেকশনে দাঁড় করাইয়া দেওয়া। তো আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাঝে মাঝে এরকম আমাদেরকে কিছু টিপস দেন আমরা এনজয় করি। তো এইজন্যে সেদিন বলছিলাম যে উনি থাকলে সংসদ প্রাণবন্ত হয়। আইদার পজিটিভ অর নেগেটিভ। কিছু একটা হয়। আমরা এখন তাকে ফ্লোর ক্রসিং এর কথা বলব কেন আমরা তো তাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি আমরা তো এখন এটা বলতে পারি না যে তিনি আমাদের দলের সদস্য হয়ে ফ্লোর ক্রসিং করেছেন আমাদের সিদ্ধান্ত ভায়োলেট করেছেন এটা বলার কোন সুযোগ নাই তবে আমরা আগেই অনাপত্তি বলেছিলাম যেহেতু আমাদের কোথায় আসে নাই কিন্তু মহান জাতীয় সংসদের মত এইরকম একটা প্রেস্টিজিয়াস হাউসে যাকে আমরা নৈতিক কারণে বহিষ্কার করে ছিটিয়ে দিয়েছি কোন কমিটিতে না রাখাটা উত্তম ছিল সেটা নৈতিকতার দিক থেকে বেড়া এখন এইটা রিটিং করার সুযোগ আছে কারণ বিভিন্ন সময় পুনর্মূল্যায়ন হয় অদলবদল হয় ড্রপ হয় আবার এড হয় আমি মনে করি নৈতিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে এটা একটা এক্সাম্পল হবে যদি উনাকে কোথাও রাখা না হয় ধন্যবাদ মাননীয় সভাপতি
আসলে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয় থাকলে এখানে আমার কিছু কথা বলতে হয় আর আমি কিছু বললে উনার কিছু বলতে হয় এটা স্বাভাবিক মাননীয় স্পিকার আসলে 17 অনুচ্ছেদ কি বলছে বলছে দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ভোট দিলে ভোট দানে বিরত থাকলে কথাটা নাই আমার জানামত এটা প্রযোজ্য হবে না এখানে এই ব্যাখ্যা তবে আমি ধন্যবাদ জানাই আমি নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে যে এফিল করেছিলাম উনি এটাকে এন্ডোর্স করেছেন এজন্য উনাকে মোবারকবাদ।
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার জরুরি জন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে নোটিশ দিয়ে দিয়েছি এ বিষয়টি হচ্ছে তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয়ের উদ্যোগে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গ।
আমরা এক এক করে স্বাধীনতার 55 বছর অতিক্রম করে এসেছি স্বাভাবিকভাবেই উন্নয়ন প্রবৃদ্ধি যে একেবারে হয় না এটা বলা যাবে না সকল সরকারের সময় কমবেশি হয়েছে একটা সমাজের বড় চালিকা শক্তি হচ্ছে তার এনার্জি সেক্টর বাংলাদেশ অতীতেও এনার্জিতে বিভিন্ন সমস্যা ভোগ করেছে তবে বর্তমানের সমস্যাটা খুবই প্রকট এবং অনেকটা অনিশ্চিত কবে এর সমাধান কিভাবে হবে সারা জাতির মধ্যে এটি নিয়ে একটি দুশ্চিন্তা এবং আতঙ্ক ভর করেছে মাননীয় স্পিকার দেশটা আমাদের সকলেরই আমাদেরকে দায়িত্ব নিয়েই এই দেশ পরিচালনায় যার যার জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে এটাই স্বাভাবিক আমরা বিরোধী দল হিসাবেও এই সমস্যাটাকে আগেও বলেছি যে এই সরকারের সৃষ্ট নয় ধারাবাহিকভাবে চলে আসা সমস্যা পুঞ্জিভূত হয়ে এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে হয়তো সরকার এই সমস্যা নিরসনে আন্তরিকভাবে চেষ্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু জনগণের দুর্ভোগ দিন দিন কমছে না বরঞ্চ বেড়েই যাচ্ছে।
এখানে তিন ধরনের গ্রাহক মূলত দেশে আছেন বড় বেস্ট হলো ডোমেস্টিক গ্রাহক যারা আছেন গৃহস্থালীতে যারা গ্যাস বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকেন দ্বিতীয়টা কমার্শিয়াল বাণিজ্যিক এবং তৃতীয়টা আরেকটু স্পেশাল ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে সম্প্রতি আমরা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে যেটা জানতে পেরেছি যে গত তিন বছরে 400 এর অধিক কারখানা এই সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে তার মানে এই কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার অর্থ হচ্ছে যে 400 উদ্যোক্তা বা তাদের সাথে যদি গ্রুপ থাকে সেই সমস্ত উদ্যোক্তা সমষ্টি তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে না পেরে তারা ঋণ খেলাপি হয়েছেন। একটা জায়গায় ঋণ খেলাপি হলে এই নির্দিষ্ট ব্যক্তি আর কোন জায়গায় কোন ব্যাংক থেকে কোন ঋণ নিতে পারেন না। তার মানে তার টোটাল বিজনেসের চাকাটাই একদম স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এর সাথে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক আছে। যখন কারখানাতে জ্বালানির অভাবে প্রোডাকশন নেমে আসবে সম্প্রতি উদাহরণস্বরূপ বলা যায় বিজিএমই এর একটা কমিটি বর্তমান কমিটি তারা মাননীয় মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করেছেন তাদের উদ্বেগ এবং কষ্টের কথা জানিয়েছেন এবং তারা বলেছেন যে ক্ষেত্রবিশেষে বহুলাংশে এখন প্রোডাকশন নেমে এসেছে এখন যদি প্রোডাকশন তাদের 50% নেমে আসে তার মানে হচ্ছে যারা বায়ার তাদের অর্ডারের দাবি তারা পূরণ করতে পারবেন না বায়াররা আমাদের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে বসেও থাকবে না তারা বিকল্প উৎস খুঁজে নেবে এবং একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসাটা অত সহজ নয় এই দিক থেকে আমরা এক্সপোর্ট হারাচ্ছি এবং পাশাপাশি এই সমস্ত শিল্প মালিকরা যখন তারা তাদের শিল্প কার চালাতে পারবেন না তখন বাধ্য হয়ে শ্রমিক ছাটাই তাদেরকে করতে হবে এবং ইতিমধ্যে অনেক জায়গায় করতে হয়েছে এমনকি আমি নাম উল্লেখ না করেই বলতে চাই এই হাউজে অনেকে আছেন এরকম শিল্প উদ্যোক্তা বা মালিক তারাও সাফারার তারাও নিজস্ব কারখানা থেকে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিককে ছাটাই করতে এটি ইচ্ছাকৃত নয় একান্ত অপারগতার কারণে তারা চালাতে পারছে না ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের একটা প্রভাব পড়ছে শিল্প সেক্টরে আমরা যদি দেখি তাহলে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদা এবং সরবরাহ এই তিনটার মধ্যে আমরা ক্লিয়ার দেখতে পাচ্ছি দেশে বিদ্যমান চারটা থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আমরা ব্যবহার করে থাকি সেই উৎসগুলোতে ক্যাপাসিটি আছে 29500 মেগাওয়াট প্রোডাকশন প্রতিদিন কিন্তু আমরা গত আগস্ট মাসের ডাটা যদি দেখি তাহলে দেখব যে আমাদের নিড হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটি আছে 29500 সেই সময় প্রতিদিন গড়ে আমাদের ঘাটতি ছিল 2000 মেগাওয়াট তাহলে আমাদের এই যে ক্যাপাসিটি আছে আমাদের নেট তার চাইতে কম তারপরে কেন ঘাটতি এটি একটা বিশাল প্রশ্ন এর উত্তর হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যারা তারা উৎপাদন করতে পারছে না সরবরাহ করতে পারছেন না তারা কেন পারছেন না সেই প্রশ্নের উত্তরে যদি আমরা যাই আমরা দেখব যে সরকার এই ক্ষেত্রে সরকারের যে দেনা এটা এসে দাঁড়িয়েছে 59 হাজার কোটি টাকা এটা পাবে যারা প্রডিউসার বা ম্যানুফ্যাকচারার কিন্তু তাদের হাতে সেই টাকা তুলে দেওয়া যাচ্ছে না তো তারা যদি টাকাই না পায় তাহলে তারা উৎপাদনের চাকা চালু রাখবে কিভাবে কোত্থেকে আসবে তাদের অর্থের যোগান স্বাভাবিক কারণেই এই জায়গায় একটা বিরাট প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে এই 59 হাজার কোটি টাকা এই ছয় মাসে না এটা অতীত থেকে তার রেশ যে চলে আসছে সেটার কমিউনিটি ইফেক্টে সেইখানে দাঁড়িয়েছে আমাদের এনার্জি প্রোডাকশনে মূল সোর্সটা হচ্ছে গ্যাস তারপরে আছে তেল এরপরে আছে রিনিউবল এনার্জি আর একটা অংশ সাতটা প্লান্ট আমাদের আছে কয়লা নির্বাহ জ্বালা নেই তো কয়লা নির্ভর এই সাতটা প্রোডাকশন হাউসের মধ্যে বড় উপক্রিয়া যেটা আছে সেখানে তারা নিজেরাই তাদের উত্তোলিত কয়লা থেকে এই পাওয়ার জেনারেট করে থাকেন তাদের যার নিয়ম তার চাইতে বেশি সেখানে উত্তোলন আমরা দেখেছি বিগত সরকারের সময় এখান থেকে হাজার হাজার টন গায়েব হয়ে গেছে এটার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি কোথায় গেল এই কয়লা যেহেতু তাদের এখানে সারপ্লাস আছে। এইটা দিয়ে বাকি ছয়টার মধ্যে ব্যাকআপ দেওয়া যায় কিনা এই বিষয়ে সরকারের কোন উদ্যোগ বা এর ব্যাপারে কোন ফিজিবিলিটি বা কেমিক্যাল স্টাডি হয়েছে কিনা এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট না। আমরা যদি গ্যাসের ক্ষেত্রে যাই তাহলে দেখবো যে যে গ্যাস মূলত দুইটা উৎস থেকে আমরা পেয়ে থাকি একটা আমাদের ডোমেস্টিক আরেকটা হচ্ছে ইম্পোর্ট করা একসময় ইম্পোর্ট করা এই গ্যাসের প্রপোর্শনটা ছিল 20% 80% ছিল আমাদের নিজস্ব কিন্তু এটা এখন দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো যে আমাদের কূপগুলো এখন আগের মত সেই প্রেসারে গ্যাস আমাদেরকে সরবরাহ করতে পারছে না আবার নতুন কোন কূপ সেখানে গ্যাস আহরণের জন্য উত্তোলনের জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া দরকার সেটাও দীর্ঘদিন নেওয়া হয়নি আমাদের যাবতীয় গ্যাস উত্তোলনের আয়োজনটা হচ্ছে অন সৌরে আমাদের ল্যান্ডে অফ সৌরে এখন পর্যন্ত আমরা কোন স্টেপ নিতে পারিনি অথচ পাশের দেশগুলো ঠিকই এই একই সমুদ্র থেকে তারা কিন্তু গ্যাস উত্তোলন করছে নিচ্ছে তারা বেনিফিটেড হচ্ছে আমরা কেন থমকে আছি কোথায় আমাদের হাত পা বাধা যদি হাত পা বাধা থাকে এটা ছুটাতে হবে এখনই সম্পদ আল্লাহর দান এটা আমাদের অধিকার এবং এটা আমাদের দায়িত্ব আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দায়িত্ব পালন করতে হবে কিন্তু অফশোরের কোন উদ্যোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে দৃশ্যমান নয় এই পোয়ার ম্যানেজমেন্টের জন্য জালানি ম্যানেজমেন্টের জন্য বেশ কতগুলা সংস্থা
আমি তো ফিনিশিং এ কিছু কথা বলবো। জি। তো আপনি যদি মনে করেন যে এখন আমি এখানে থেমে যাই, ওয়েল আমি ফিনিশিং এ বাকি কথাগুলো বলতে পারবো।
অন্য সদস্যরা কথা বলবেন তারপরে আমি ইনশাল্লাহ ফিনিশিং দেবো। থ্যাংক ইউ, মাননীয় স্পিকার।