মূল লেখায় যান
← সদস্য ও বক্তা

সালাহউদ্দিন আহমদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী · কক্সবাজার-১ · আসন ২৯৪ · Bangladesh Nationalist Party (BNP)

সদস্যের পরিচয়
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি)
আসনের অন্তর্ভুক্ত এলাকা
(ক) চকরিয়া উপজেলা এবং (খ)পেকুয়া উপজেলা
জেলা ও বিভাগ
কক্সবাজার · চট্টগ্রাম
সংসদীয় ইমেইল
coxbazar.1@parliament.gov.bd
সংসদ
১৩

সংসদের সদস্য তালিকা থেকে ↗

এই বক্তার অডিও আলাদা করে তৈরি করা স্বয়ংক্রিয় পাঠ্য। উদ্ধৃতির আগে মূল সম্প্রচার শুনুন।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে রেভিড একশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্তক্রমে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন নামে পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন ওহার নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়ন কল্পে আনিত একটি বিল স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন এস আর বি উইথ ইন ব্র্যাকেট বিল 2026 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে অভিলম্বে বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা হোক দোনো বন্ধু

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ মাননীয় সদস্যবৃন্দ এবং মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আলোচনা অংশগ্রহণ করার জন্য মাননীয় স্পিকার আপনার স্মরণে আছে এই বিলটা যখন উত্থাপন করি তখন মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা একটা প্রস্তাব করেছিলেন যে এটা আমি ভালোভাবে আমরা দেখতে চাই এটা আমরা আলাপ আলোচনা করে স্থায়ী কমিটির মিটিংটা একটু দেরি করে দেন এবং আমরা চার কার্যদিবস প্রস্তাব করেছি মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে আমি এখান থেকে তিন দেখাইছিলাম উনি চার দেখাইছেন চার কার্যদিবস এর আগে ফ্রাইডে স্যাটারডে ছিল তারা যথেষ্ট করেছেন সেটা আপনি রিপোর্টটা দেখলেই বুঝতে পারবেন এখানে যে সংশোধনীটা নিয়ে এসেছে স্থায়ী কমিটির রিপোর্টে সেকশন টেনে জতে এই সংশোধনীটা মাননীয় বিরোধী দলের সদস্যদের প্রস্তাব মতেই আমরা নিয়েছি তারা সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছেন তার পরের দফায় যে সংশোধনীটা এটা হচ্ছে ক্লারিক্যাল মিস্টেক উপধারা দুই এর মধ্যে একটা ব্র্যাকেট বন্ধ এইটুকু এরপরে গণতন্ত্রের চর্চা হয়েছে মাননীয় স্পিকার তারা দীর্ঘ নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছেন এক দুই তিন চার পাঁচ ছয় সাতটা এক একটা নোট এক পৃষ্ঠা দেড় পৃষ্ঠা অনেক দীর্ঘ আমি এই নোট অফ ডিসেন্ডের উপরে আগে একটু কথা বলি তারপরে জনমত যাচাই-বাছাই এর উপর যে সমস্ত বক্তব্য এসেছে তার উপরে কথা বলব নোট অফ ডিসেন্ডে প্রথমে তারা লিখেছেন কোন পরামর্শ ছাড়াই এত দ্রুত বিলটি পাস করা ঝুঁকিপূর্ণ মাননীয় স্পিকার আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল 24 এর গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার প্রতিশ্রুতি ছিল র‍্যাব বিলুপ্ত করা হবে এবং আমাদের নির্বাচন ইশতেহারে ছিল সকল পক্ষের দাবি ছিল র‍্যাব আমরা বিলুপ্ত করছি এখন এই বিল যতই বিলম্বিত হবে র‍্যাব কিন্তু অস্তিত্ব ঠিকই রয়ে যাবে র‍্যাবই রয়ে যাবে এখন মাননীয় বিরোধী দলীয় সদস্যগণ কি তাই চান দ্বিতীয় হচ্ছে আলোচনা পরামর্শ প্রথম সেশন থেকে আমরা এর উপর বক্তব্য রাখছি দ্বিতীয় সেশন হয়েছে তৃতীয় সেশনে আমরা এটা ক্যাবিনেটে বিলটা যখন বিবেচনার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় তার আগের যে কর্মপদ্ধতি সেই পদ্ধতি অনুসারে আমরা এটা ওয়েবসাইটে দিয়েছি মন্ত্রণালয়ের সেটা নিয়ম দীর্ঘদিন ওয়েবসাইটে ছিল বিলটা এখানে উত্থাপনের পরে আমরা এই চার পাঁচ কার্য দিবসে আমরা সেটা আলোচনা করেছি স্থায়ী কমিটিতে আলোচনা করেছি বাইরের স্ট্রাইক হোল্ডারদের আমরা বিভিন্ন মতামত ওয়েবসাইটে পেয়েছি সবগুলো কন্টেন্ট করেছি সুতরাং আলোচনা হয়েছে পরামর্শ হয়েছে দুই রেপ থেকে এসআরবিতে হস্তান্তরের সময় রেকর্ড কিভাবে সংরক্ষিত থাকবে মাননীয় স্পিকার আপনি বিশিষ্ট আইনজীবী রেকর্ড হস্তান্তরের বিষয়টা এটা হচ্ছে একটা প্রসিডিউরাল ম্যাটার এখানে এই বিষয়টা উত্থাপনের কোন সুযোগই নাই রেকর্ডটা বিধি অনুসারে রাখা হয় দ্বিতীয় হচ্ছে তৃতীয় ধারা 24 এর কমিটি কে এসআরবির বিরুদ্ধে অভিযোগ ঠিকভাবে তদন্ত করতে পারবে? মাননীয় স্পিকার ধারা 24 টা আমি আমার বন্ধুদের দেখতে বলবো। ধারা 24 হচ্ছে অভিযোগ

আটার মত লেগে গেছে অনেক সময় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠন ইত্যাদি ভিতরে তো আছে ইউনিটের কোন সদস্যের বিরুদ্ধে কোন ব্যক্তি বাইরের কোন লোক দায়রা উত্থাপিত অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের আভ্যন্তরীণ সংকোপ নিরসনের জন্য এই কমিটি এটা কোন ক্রাইমের ক্ষেত্রে না অভিযোগটা হচ্ছে কোন প্রাইভেট ইন্ডিভিজুয়াল এই এসআরবির কোন সদস্য এর বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে অথবা এসআরবিরই কোন সদস্য যদি আভ্যন্তরীণ উইথ ইন দ্যা ব্যাটালিয়ন কারো বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে সেটা বিচারের কর্মপদ্ধতির জন্য একটা কমিটি গঠন। সেই জায়গায় এডমিনিস্ট্রেটিভ সেই জায়গায় হেড করা হয়েছে ওই ইউনিটেরই এডি এডিশনাল আইজি র‍্যাঙ্কের একজন যিনি থাকবেন ডিজি তাকে এখানে মাননীয় সদস্যগণ প্রস্তাব করেছেন যে হাইকোর্টের একজন বিচারপতি হলে কেমন হতো এটা তো ডিপার্টমেন্টাল এডমিনিস্ট্রেটিভ উইথ ইন দা ফোর্স সেই ডিসিপ্লিন ব্রেক করলো কিনা তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ আসলে সেটা এখানে হাইকোর্টের বিচারপতিকে করার কোন সুযোগ নেই আর হাইকোর্টের বিচারপতিকে যদি হেড করে তাহলে এডিশনাল আইজি প্রধান হিসেবে তার নিচে থাকে ডিপার্টমেন্টাল বিষয় কিন্তু আপনারা আসলে যেটা মেন করতে চেয়েছেন সেটা হচ্ছে কোন ক্রাইমের ক্ষেত্রে যদি এই বাহিনীর সদস্যগণ কোন ক্রাইম করে থাকে এই অভিযোগ সেই অভিযোগ না ইট ইজ আন্ডার সেকশন 21 ইউনিটের সদস্য কর্তৃক সংগঠিত শৃঙ্খলা লঙ্ঘন ধারা 17 তে বর্ণিত শৃঙ্খলা ব্যতীত যেটা ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন যেটা বলি আমরা সিভিল সার্ভিসে যেটা বলা হয় সার্ভিস এন্ড ডিসিপ্লিন রুলস অনুসারে যেটা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় সেটার মতোই এখানে 17 তে উল্লেখ করা আছে কোন কোন গুলো ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন হবে যেমন কর্তব্য পালনকালে মাতাল থাকলে নেশাগ্রস্ত থাকলে কারো উপরে কোন কর্তব্যরত সদস্যকে আঘাত করলে পেট্রোল ডিউটিতে না গেলে ছুটি ছাড়া উপস্থিত অনুপস্থিত থাকলে ইত্যাদি আইনসঙ্গত কোন কাজ করতে অস্বীকার করলে ইত্যাদি এখন এগুলো হচ্ছে ডিসিপ্লিনারি একশন বা ইনডিসিপ্লিন হওয়ার জন্য যে একশনটা নিবে সেটা এভাবে নির্ধারণ করা আছে একদম সেকশন ওয়াইজ 18 19 20 21 এটা তবে বলছে যদি কোন মেম্বার ক্রাইম করে থাকে সেটা এখানে 21 আছে ধারা 17 এ বর্ণিত শৃঙ্খলা ব্যতীত ইউনিটের সদস্য কর্তৃক অন্য কোন শৃঙ্খলা লঙ্ঘিত হইলে তাহার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। ক্লিয়ার আর অন্য বিষয়গুলো এখানে এড্রেস করার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না যেহেতু আপনারা দিয়েছেন সেজন্য বলছি কোন মামলা বিচারে যাওয়ার আগে এসআরবি দৈনন্দিন কাজ কে দেখবে? সিআরপিসি ফলোড হওয়া এখানে প্রত্যেকটা জায়গায় বলা আছে একর্ডিং টু ক্রিমিনাল প্রসিডিউর কোড এই আইনটা পরিচালিত হবে। তো সেটা তো ডিটেইল করা আছে মাদার লতে প্যারেন্ট লতে প্রত্যেকটা আইনে সিআরপিসি পুরাটা কন্টেইন করা হয় না। শুধু উল্লেখ করা হয় সিআরপিসি এবং এভিডেন্স এভিডেন্স এক্ট টু বি ফলোড। এরপরে লেখা আছে গ্রেফতারের পর কোথায় যাবে আপনাদের এই নোট অফ ডিসেন্ট গ্রেফতারের পর অভিলম্বে নিকটবর্তী থানায় যাবে এটা তো বলাই আছে সিআরপিচি অনুসারে এখানে প্রত্যেকটা ধারায় বলা আছে যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে সুপর্দ ও আলামত হস্তান্তর এখানে লেখা আছে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে জব্দকৃত আলামত অনতি বিলম্বে নিকটবর্তী থানা কর্তৃপক্ষের হেফাজতের সুপর্দ বা হস্তান্তর করিবেন এবং এতৎ সংক্রান্ত প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করিবেন মাননীয় স্পিকার এই আইনটা যদি আমার বন্ধুরা বলে এটা ইট ইজ এ রিপ্লেসমেন্ট অফ র‍্যাব। ইটস টোটালি রং। র‍্যাব আমরা বিলুপ্ত করেছি। আজকে আইন যদি পাস হয়। তারপরে আমরা একটা নতুন ব্যাটালিয়ন রেজ করছি। সেই ব্যাটালিয়নের নাম হবে এসআরবি। র‍্যাব এটার কোন সংস্পর্শ নাই আমাদের নেতৃত্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা ঠিকই বলেছেন যে তিনি বলেছেন র‍্যাব বিলুপ্ত করবেন বিলুপ্ত করেছেন আজকে আইন পাশ করে দেন র‍্যাব বিলুপ্ত কিন্তু যদি আপনারা একটা কথা বলেছেন যে কি জিনিস আছে সমস্ত সহায় সম্পত্তি এই নতুন অর্গানাইজেশনের কাছে যাবে মাননীয় স্পিকার এগুলোকে নিলাম দিয়ে দেবো এত অস্ত্রশস্ত্র এত ইকুইপমেন্ট এত ইন্টেলিজেন্স ইকুইপমেন্ট এত তো সম্পদ এগুলো কোথায় যাবে কোথাও না কোথাও তো যাবে রাষ্ট্রের সম্পদ সেজন্য হস্তান্তর করতে হয় আইদার এপিবিএন এ যেত অথবা নতুন সংস্থাতে যাবে তো নতুন সংস্থা যখন আমরা রেজ করব এখানে তো আবার প্রকিউরমেন্ট করার দরকার নাই রাষ্ট্রীয় সম্পদ আমাদেরকে রক্ষা করতে হবে এবং আমাদের প্রকিউরমেন্ট এখানে অর্থমন্ত্রী সাহেব আছে আবার যাতে আর্থিক কোন ব্যবস্থা না নিতে হয় অর্থবরাদ্দ না দিতে হয় অপচয় করব না আমরা এটাকে আমরা ব্যবহার করব প্রয়োজন এটাকে ইমপ্রুভ করব মাননীয় স্পিকার অন্যান্য বিষয়গুলো নোট অফ ডিসেন্টের গুলো আমার মনে হয় আমি এড্রেস করেছি এখানে বলছে বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকার করলে কি করবে কোন সদস্য মাননীয় স্পিকার এটা একটা লর জেনারেল প্রিজামশন হচ্ছে জুনিয়র ইজ সাপোজ টু ওবে অনলি দি ল ফুল অর্ডার অফ দি সুপেরিয়র। এটা তো আমাদের প্রিজামশন অফ ম্যাক্সিমাম অফ কি যেন বলে ইকুইটি। তাই না? বাকি প্রসঙ্গে এখন আসি তাহলে। এখানে এই আইনেও বলা আছে ল ফুল অর্ডার। হ্যাঁ ল ফুল অর্ডার তো বলা আছে। যেটা আমরা এমেন্ডমেন্ট নিয়েছি মানে স্পিকার সেকশন টেনে জতে সেটা আমার বন্ধুদের পরামর্শ মতোই আমরা এমেন্ডমেন্ট নিয়েছি যে আইনসঙ্গত অন্যান্য দায়িত্ব কার্যকর প্রদান এটা অবশ্য সরকার কর্তৃক অর্পিত আইনসঙ্গত অন্যান্য দায়িত্ব এবং একই সাথে 17 ওমোটা অবশ্য ডিসিপ্লিনের রিএকশন এখানে হচ্ছে এখানে ডিসিপ্লিনের একশনে বলা আছে উর্ধতন কর্মকর্তার আইনসঙ্গত আদেশ অবাধ্যতা প্রকাশ করেন বা অশুভ আচরণ প্রদর্শন করেন এখানে বেআইনি আদেশের কথা বলা হয় আইনসঙ্গত আদেশের কথা বলা হয়েছে মাননীয় স্পিকার মাননীয় সদস্যগণ যারা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেছেন তার মধ্যে প্রথম দুইজন রুহুল আমিন এমপি জনাব রাশেদ এমপি তাদের বক্তব্যে তেমন এখানে আইন বিষয়ে কিছু ছিল না আমাদের জনাব বুলবুল এমপি তিনি একই কথাগুলো বলেছেন যে নোট অফ ডিসেন্ট দিয়েছেন তিনি জমা দিয়েছেন সেগুলোর জবাব আমি দিয়েছি এবং যথেষ্ট সময় দেয়া হয়নি সেটা তো জবাব দিলাম যে মাননীয় বিরোধী নেতা পরামর্শক্রমে চার কার্য দিবস আমরা ডিসাইড করেছিলাম আর সেকশন 24 সাবেক বিচারপতিকে ইনক্লুড করার বিষয়ে জবাব দিয়ে দিয়েছি বেআইনি আদেশের বিষয়ে কথা বলছেন জবাব দিয়েছি আমাদের বিজ্ঞ বন্ধু বারিস্টার নজীবুর রহমান সাহেব এমপি তিনি বলেছেন যে ম্যাডাম কমিটমেন্ট দিয়েছিলেন যে বিলুপ্ত করবেন সেটার জবাব দিয়েছি মালপত্র সম্পদ নতুন সংস্থায় না দিয়ে কোথায় দিব তার জবাব দিয়েছি আর কমিটির স্বাস্থ্যবিধি দায়িত্ব সেটা তো কমিটি বিষয়ে জবাবের মধ্যে হয়ে গিয়েছে এখন অন্যান্য বিষয়গুলো আমরা দিয়েছি সমাজের চাহিদা অনুসারে আমাদের এখন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা বক্তব্যের জবাব দিই র‍্যাব বিলুপ্ত চেয়েছিলেন কিন্তু কারো দাবি ছিল না আরেকটি সংস্থা করার ঠিক এটা তো সমাজের দাবি সরকারের পরিচালনার স্বার্থে চাহিদা এবং যোগোপযোগী করার জন্য আমরা কিছুদিন আগে জুয়া জুয়া সংক্রান্ত অপরাধ দমনের জন্য নতুন আইন আনি নাই 1867 সনের আইনটা পরিবর্তন করে বিলুপ্ত নতুন আইন আনি নাই সমাজের চাহিদা ছিল মাদক নিয়ন্ত্রণের জন্য মাদক জাতীয় মানে মাদক অপব্যবহার এবং মাদক সংক্রান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা আনি নাই আইনটা সমাজের চাহিদা এবং আজকে বলে দিচ্ছি আমার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমরা পরামর্শ করেছি বাংলাদেশের যত অপরাধ এখন হচ্ছে কোন না কোন ভাবে সেটার সাথে সাইবার স্পেসের জড়িত থাকার একটা বিষয় রয়ে যাচ্ছে সমস্ত অপরাধের সাইবার স্পেস ব্যবহার করার প্রবণতা রয়ে যাচ্ছে। অতঃসঙ্গে আমরা সাইবার স্পেসের এই অপরাধ গুলো

দমন করার জন্য কোন কার্যকর আইন আনছি না সেজন্য আমরা আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়া আছি সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্টের মধ্যে আমরা একটা এমেন্ডমেন্ট নিয়ে আসার চেষ্টা করছি আর পুলিশ বাহিনীর অধীনে আরেকটা ইউনিট আমরা রেজ করব সেটার নাম হবে সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট সেটা তো সমাজের চাহিদা এবং রাষ্ট্র পরিচালনার কারণে জননিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আনতে হয় আইন ইউনিট বাহিনী করতে হয় সেজন্য আমরা করছি এটার সাথে আরেকটা বিলুপ্তির কোন সম্পর্ক নাই র‍্যাব ডিজলভ হয়ে গেছে যদি আজকে আপনারা আইন পাস করে দেন আমরা যে নতুন বাহিনীটা রেজ করছি এই কারণে যে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়নে এই আইনটা একটা সেকশন সিক্স এর আন্ডারে রেজ করা হয়েছিল র‍্যাব নামে এই সংস্থাকে ইউনিটি 2003 অথবা 4 সেই আইনটা পূর্ণাঙ্গ ছিল না একটা সেকশনের দিনে একটা ইউনিট কাজ করছিল এডক ভিত্তিতে করছিল দীর্ঘদিন কাজ করেছে ডিফেক্ট বেরিয়েছে সেজন্য আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন থেকে আমরা সেটা বের করে নিয়ে এসে বিলুপ্ত করতে চাই একই সাথে এই আইনের পরে আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনটা পাশের জন্য সেজন্য দিয়েছে এবং আইনটা ছিল 1979 এর আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স 1979 সেই আইনটা ইংরেজিতে ছিল কিছুতে অস্পষ্টতা ছিল সেই আইনটাও আমরা বঙ্গানুবাদ করে তাকে নতুন আইন হিসেবে নিয়ে আসছি এবং আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স টাকে আমরা রিপিল করে দিচ্ছি এবং রোহিতকরণ এবং হেফাজতকরণ সেকশনটা ওখানে আমরা রেখেছি সেইটা হচ্ছে যাহা এপিবিএন তাহা বাংলাতে এপিবিএন ওইটা বলতে পারেন যে এটা একই জিনিস রয়ে গেছে শুধু আমরা মডারনাইজ করেছি বঙ্গানুবাদ করেছি আর ওখান থেকে রেপিডেশন ব্যাটালিয়নের সেকশনটা ডিলিট করে দিয়েছি কারণ আজকে যদি আমরা রেপিডেশন ব্যাটালিয়নের এখানে আইন পাস করি এপিবিএনটা যদি আমরা সাথে সাথে সংশোধন না করি তাহলে ওখানে র‍্যাপটা রয়ে যায় সেজন্য এটা আমাদের জরুরী হয়ে গেছে দুইটা আইনের বিষয়ে একসাথে বক্তব্য দিলাম আবার অবশ্য কথা বলার সুযোগ হবে তোমার সদস্যদের জানিতো যা এবং বাছাই বিলের উপরে আমি বক্তব্য দিলাম সেগুলো গ্রহণযোগ্য নয় বলে দুঃখিত। মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সালাউদ্দিন আমা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে রেপিড একশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্তক্রমে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন নামে পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট গঠন ওহার নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা শৃঙ্খলা রক্ষা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়ে বিধান প্রণয়ন কল্পে আনিত বিলটি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন উইথ ইন ব্র্যাকেট এসআরবি বিল 2026 মহান সংসদে পাস করার হোক।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি সালাউদ্দিন আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স 1979 রোহিতপূর্বক যুগোপযোগী করিয়া পুনঃপ্রণয়ন কল্পে আনিত বিলটি আর্ম পুলিশ ব্যাটালিয়ন উইথ ইন ব্র্যাকেট এপিবিএন বিল 2026 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশ কিতা কারো বিলম্বে বিবেচনা জন্য গ্রহণ করার হোক।

গতকালকে অর্থমন্ত্রীর একটা বিল ছিল 18 ক অভিযোগটি একটা আইনের তার সাথে সম্পর্কিত কোন বক্তব্য ছিল না অন্যান্য বিষয় ছিল সেজন্যই প্রশ্ন আবতার হয়েছে যাই হোক মাননীয় স্পিকার জনমত যাচাই বাছাই এবং না জনমত যাচাই এবং বাছাই কমিটিতে প্রেরণের একটা প্রস্তাব মাননীয় সদস্য দিয়েছেন কিন্তু বক্তব্যের মধ্যে সেটা আমি দেখি নাই এই বিলের উপরে কোন বক্তব্য দিতে আর পূর্বে পাশ হওয়া আইনের প্রেক্ষিতে যে আলোচনা আপনি যে রুলিং দিয়েছেন সেটাই রাইট এসআরবি পাশ হয়ে গেছে এটা নিয়ে আর কোন বক্তব্য দেয়ার প্রয়োজন নেই এখন আইম পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইনটা আমরা এই সংসদে আনতে পারতাম বাট এটা ইংরেজিতে সংশোধনী আনতে হতো আমাদের মহান নেতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হিল ট্র্যাকস কে উদ্দেশ্য করে প্রধানত আহমদ পুলিশ ব্যাটালিয়ন রেজ করেছিলেন পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশ ব্যাপী আমরা এটার এখতিয়ার নিয়েছি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা এবং প্রয়োজনে যুদ্ধকালীন সময় তারা যুদ্ধ অংশগ্রহণ করবে এই উদ্দেশ্যগুলো কারণগুলো আছে সেই কারণে আইনটা করা হয়েছিল এটাকে আধুনিক আইনের জন্য এবং এই আইনের একটি সেকশন পরিবর্তন করে এমেন্ডমেন্ট করে একটা বাহিনী রেজ করা হয়েছিল সেই অংশটা এখান থেকে বাদ দিতে হচ্ছে না হলে সেই বাহিনীটার অস্তিত্ব এখানে রয়ে যায় ব্যাটালিয়নটা সরি বাহিনী নয় ব্যাটালিয়ন ব্যাটালিয়নের অস্তিত্বটা এপিবিএন এ রয়ে যায় সেই জন্য আইনটা আনা হয়েছে এটা উদ্দেশ্য এবং কারণ সম্বলিত প্যারাতে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। আমাদের বিরোধী দলীয় প্রধান বিরোধী দলীয় বন্ধুরা যারা জনমত যাচাই এবং বাছাই করার জন্য প্রস্তাব দিয়েছিলেন তারা সেটা আলোচনা করবেন না মর্মে জানিয়েছেন। তো সুতরাং তাদের কোন আপত্তি নাই। আর জনমত যাচাই বাছাইয়ের পক্ষে যে দুজন বক্তব্য দিয়েছেন তাদেরও স্পেসিফিক কোন বক্তব্য নাই। তো সুতরাং জনমত যাচাই এবং যাচাইয়ের কোন প্রস্তাব গ্রহণযোগ্য নয় মাননীয় স্পিকার। আপনি পরবর্তীতে অনুমতি দিলে আমি পাশের জন্য উত্থাপন করতে পারবো। ধন্যবাদ।

ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রস্তাব করছি যে আয়াম পুলিশ ব্যাটালিয়ান অর্ডিন্যান্স 1979 রোহিতপূর্বক যুগোপযোগী করিয়া পুনঃপ্রণয়ন কল্পে আনিত বিলটি আয়াম পুলিশ ব্যাটালিয়ান উইথ ইন ব্র্যাকেট এপিবিএন বিল 2026 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত আকারে পাশ করা নানানা স্পিকার

গৃহীত নোটিশটা নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে নোটিশ দেয়ার জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি মাননীয় স্পিকার বাংলাদেশে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ইজি বাইক ও অনুরূপ বৈদ্যুতিক তিন জাকার যান গত এক দশকে নগর ও গ্রামীণ পরিবহন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে তুলনামূলকভাবে কম ভাড়া সহজ লভ্যতা এবং স্বল্প দূরত্বে দ্রুত যাতায়াতের সুবিধার কারণে এসব জান সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে বিশেষ ভূমিকা রাখছে একই সঙ্গে চালক মালিক গ্যারেজ মালিক গ্যারেজ শ্রমিক ব্যাটারি ও খোচরা যন্ত্রাংশ ব্যবসায়ী চার্জিং সেবাদাতা এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে এই খাত একটি বিস্তৃত অনানুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র সৃষ্টি করেছে তবে দ্রুত অনেকাংশে অনিয়ন্ত্রিত বিস্তারের কারণে এই খাতটি এখন বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা সড়ক নিরাপত্তা জানজট পরিবেশ দূষণ জনস্বাস্থ্য এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিপুল সংখ্যক যান এক যুগে চার্জ দেয়ার ফলে স্থানীয় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ অননুমোদিত বা আবাসিক সংযোগের বাণিজ্যিক ব্যবহার ট্রান্সফরমার ও বিতরণ লাইনের উপর বাড়তি লোড এবং পিক সময়ে বিদ্যুৎ চাহিদা বৃদ্ধির মত সমস্যা দেখা দিচ্ছে অন্যদিকে জানগুলোর বড় অংশে ব্যবহৃত লেড এসিড ব্যাটারির অনিরাপদ ব্যবস্থাপনা ও অনানুষ্ঠানিক রিসাইক্লিং শিশা দূষণ মাটি ও পানি দূষণ এবং বিশেষ করে শিশু ও শ্রমিকদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে মাননীয় স্পিকার এখানে যে দোয়াটা উদ্গীরণ হয় সেটা যে এয়ার পলিউশন হয় তাতে করে আশেপাশে পোল্ট্রি সবগুলো ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে দেশে আনুমানিক 50 থেকে 80 লাখ বৈদ্যুতিক থ্রি হুইলারের দৈনন্দিন যে বিদ্যুৎ প্রয়োজন হয় তা দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রায় 5 শতাংশ আরো বেশি হতে পারে এটা বিদ্যুৎ মন্ত্রী বলবে বিপুল এই চাহিদার বিপরীতে বৈধ চার্জিং পয়েন্টের সংখ্যা মাত্র প্রায় 3300 টি অন্যদিকে শুধু ঢাকাতেই 48 হাজারের বেশি অনান্য অবৈধ চার্জিং পয়েন্ট রয়েছে বলে আমাদের ধারণা ফলে জাতীয় গ্রিড ও স্থানীয় বিতরণ ব্যবস্থায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং অবৈধ অননুমোদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারে বছরে প্রায় 4000 কোটি টাকা সড়ক পরিবহনের ক্ষেত্রেও অনিবন্ধিত যান ও প্রশিক্ষিত চালক ত্রুটিপূর্ণ নকশা দুর্বল ব্রেক ও আলো ব্যবস্থা অতিরিক্ত গতি এবং মহাসড়কে স্বল্পগতির যান চলাচল দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে আমরা একসময় শুনতাম নসিমন বটবটি এগুলো আসে একটা মৌসুমে এখন তার সাথে এই নন মোটরাইজ যানগুলো যুক্ত হয়েছে। একই সঙ্গে নির্দিষ্ট রোড, স্ট্যান্ড, পার্কিং ও যান সংখ্যা নিয়ন্ত্রণের অভাবে ঢাকা শহরে এসব যান যানজট ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় 2025 সালে 6729 টি সড়ক দুর্ঘটনায় 9111 জন নিহত হয় এবং 14812 জন আহত হন দুর্ঘটনায় যুক্ত যানবাহনের মধ্যে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ছিল 13.54 শতাংশ মাননীয় স্পিকার উল্লেখিত বাস্তবতায় রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়কে অননুমোদিত ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ নিয়মিত বিশেষ যান পরিচালনা করছে অভিযানে নিয়মিত নিয়ম ভঙ্গকারী অটোরিক্সা আটক ও ডাম্পিং সহ প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে একই সঙ্গে ডিএমপি ডেস্কো ডিপিডিসি সমন্বয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহারকারী রিক্সা গ্যারেজ সমূহে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এসব অভিযানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে অটোরিক্সা চলাচলকে একটি সুশৃঙ্খল ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনার জন্য সরকার কর্তৃক সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়িত হলে অনুমোদিত অনুমোদিত ও বৈধ অটোরিক্সাকে নাম্বার প্লেট কিউআর কোডের মাধ্যমে শনাক্তকরণ চালকদের নিবন্ধন এবং পর্যায়ক্রমে প্রয়োজনীয় ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ প্রদান করে লাইসেন্সের আওতায় আনা সম্ভব হবে নীতিমালা প্রণয়ন ও অনুমোদনের পর এর আলোকে অটোরিক্সার নিবন্ধন রোড নির্ধারণ চালক নিয়ন্ত্রণ চলাচল ব্যবস্থাপনা এবং আইন প্রয়োগ সহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে গ্রহণ করা হবে যার মাধ্যমে রাজধানীর যানজট নিরসন সড়কে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে। মাননীয় স্পিকার যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বর্তমানে রাজধানীর 17 টি সিগন্যালে 50 টি এআই ভিত্তিক ক্যামেরা চালু রয়েছে এর ফলে সংশ্লিষ্ট সিগন্যাল সমূহে অটোরিক্সা সহ অন্যান্য যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে এর ধারাবাহিকতায় ট্রাফিক রমনা তেজগাঁও বিভাগে আরো 200 টি এআই ভিত্তিক ক্যামেরা স্থাপনের কার্যক্রম চলমান আছে পর্যায়ক্রমে ঢাকা মহানগরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়েও এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হবে মাননীয় স্পিকার মাননীয় সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু এর নিয়ন্ত্রণহীন অটোরিক্সা চলাচল নিষিদ্ধ করার বিষয়ে যদি কোন সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা বা মতামত থাকে তিনি তা আমাদেরকে অবগত করলে সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে আমরা লক্ষ্য রাখবো। ধন্যবাদ মাননীয় স্পিকার।

মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ আমি কিছুক্ষণ আগে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মহোদয়ের সাথে আলাপ করছিলাম যে বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিধিবিধান নীতিমালা প্রণয়ন করার কথা তার অগ্রগতি কতটুকু তিনি জানান ইতিমধ্যে হয়েছে এই বিধি এবং নীতিমালা কার্যকর করার জন্য তারা কিছু শর্ত দিবেন তার মধ্যে মাননীয় সদস্য যে প্রশ্নটি তুলে রোড নির্ধারণ প্রধান প্রধান সড়কগুলো ইতিমধ্যে নিষিদ্ধ করা হয়েছে রোড নির্ধারণ করা হবে তাদের কর্মসংস্থানের যাতে কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য লক্ষ্য রেখে এবং পরিবেশের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা আছে সেদিকে লক্ষ্য করে কে নিরাপদ ব্যাটারি লাগানোর একটা বিষয় সেখানে সংযুক্ত করা হয়েছে এখন যেমন লেড এসিড ব্যাটারি ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা আবার পরিবেশ দূষণ করছে অনিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে সেটা রিসাইক্লিং হচ্ছে এবং সেই দূষণটা মারাত্মক বায়ু এবং পানি সবই দূষিত হচ্ছে এবং কৃষি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আর পোল্ট্রি মত শিল্প ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে সে সমস্ত জায়গায় যেখানে অবৈধ অনন্তরিতভাবে এগুলো রিসাইক্লিং করা হচ্ছে সেজন্য এমন একটি ব্যাটারি সংযোজনের শর্ত আমরা এখানে আরোপ করব সেই ব্যাটারির সাথে যাতে ডিজিটালি ট্র্যাক করা যায় একটা রেজিস্ট্রেশন নাম্বারের অধীনে যাতে অনেকগুলো না চালানো যায় সেই কায়দা কারণ আমরা বের করছি মাননীয় স্পিকার যাতে অতীতে দেখা গেছে রেজিস্ট্রেশন একটা জানের জন্য সেই নম্বর দিয়ে যাতে 10 টা 20 টা না চালানো যায় এখানে সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে আমাদের ঈমানদারিত্ব যেমন বৈদ্যুতিক পিলার থেকে এখন অবৈধভাবে সংযোগ নিয়ে সেটা চার্জিং স্টেশন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি দুর্নীতি এর সাথে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন জড়িত আর সিটি কর্পোরেশনের লোকজন জড়িত তারা যারা ব্যবহার করছে তারা তো করছেই এই ঈমানদারিত্বটা আমাদেরকে বজায় রাখতে হবে যাতে আমরা জাতীয় স্বার্থটাকে সবার আগে দেখি যাতে কোন বেকার সৃষ্টি না হয় কর্মসংস্থানের কোন ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমরা সবদিক নজর রেখে পরিবেশ যাতে আমরা সংরক্ষণ করতে পারি সেদিকে আমরা লক্ষ্য রেখে ব্যাটারির মাধ্যমে যাতে আমরা এমন কিছু সংযোজন করছি ডিজিটালি এবং ব্যাটারিটাও পরিবেশবান্ধব হয় সেই ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে যাতে ট্র্যাক করা যায় একটা রেজিস্ট্রেশনের অধীনে যেন অধিক যানবাহন না চলে এই সমস্ত কিছু আমরা সমন্বয় করেই আজকে একটা নীতিমালা এবং বিধির প্রণয়ন হয়েছে আমাকে সেটা জানালেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এবং তারপরে সেটার প্রয়োগ দেখা যাবে ইনশাল্লাহ আশা করি আমরা সব দিক লক্ষ্য রেখে বেকারত্ব যাতে না বাড়ে কর্মসংস্থান যাতে ব্যহত না হয়। পরিবেশ যাতে সঠিক থাকে, যানবাহনের সুশৃঙ্খলতা থাকে, নিয়ন্ত্রণ থাকে, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সঠিক থাকে সবকিছু লক্ষ্য রেখে আমরা সেটা বাস্তবায়ন করব। মাননীয় স্পিকার ধন্যবাদ আপনার।

মাননীয় স্পিকার এখানে কনফিউশনের কোন সুযোগ নেই মাননীয় চিফ হুইপ বলেছেন যে একজন সংসদ সদস্য হিসেবে কোথাও না কোথাও জাতীয় সংসদের কোন না কোন কমিটিতে রাখতে হবে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গুলোতে যেহেতু বিরোধী দলের পক্ষ থেকে যে নামগুলো দেয়া হয়েছে ওখানে তার নাম ছিল না সেখানে রাখা হয়নি সংসদীয় যে কমিটি গুলো আছে সেখানে দুইটাতে তাদের আপত্তি ছিল রাখা এখন কোন না কোন কমিটিতে একমুডেট করতে যেয়ে কাজী নজরুল ইসলাম সাহেবকে রাখতে হয়েছে একটাই। তো এখানে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে মাননীয় বিরোধী দলের নেতা তো বলেছেন যে যেহেতু তাদের পক্ষ থেকে আসে নাই সেটা আমরা স্বীকার করেছি তাতে উনার কোন আপত্তি নাই। তবে বেহেতর হতো যে মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জামাতে ইসলামের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন কোন স্পিকারকে চিঠি দিয়েছেন তার সদস্য পদ শূন্য করার জন্য এখানে বিধি মোতাবেক দল থেকে বহিষ্কার হলে কনস্টিটিউশন অনুযায়ী তার পদ শূন্য হয় না সত্য অনুচ্ছেদ সেখানে আসে না যদি নিজে তিনি পদত্যাগ না করেন এখন বিষয় হচ্ছে বলবো কিনা না বুদ্ধি বাড়িয়ে দিব কি জানি আচ্ছা তাহলে আমি বলি আপনারা যদি সত্যি সত্যিই চান তার আসনটি শূন্য হোক। তাহলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের পক্ষে ভোট দেয় নাই আপনাদের এবং ভোট দানে বিরত ছিল। সেই জায়গায় 70 অনুচ্ছেদ কিন্তু আসে। 70 অনুচ্ছেদ আসে। এখন সেইটা কগনিজেন্সে নিয়ে যদি আপনারা মাননীয় স্পিকারকে মনোযোগ আকর্ষণ করেন চিঠি দেন বা নির্বাচন কমিশনে দেন আমরা সেই হিসেবে বিধি মোতাবেক সাংবিধানিকভাবে সহযোগিতা করতে পারি এই বুদ্ধিটা বিনা পয়সায় দিলাম মাননীয় স্পিকার আপনাকে ধন্যবাদ

মাননীয় স্পিকার মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা আমার জন্য এই মহান সংসদে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করেছেন আমিও রাব্বুল আলামিন আমাদের মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা সেতু শুভ্র বুজুর্গানে দিন তার হায়াতে তৈয়বা ফরমায় সবরে জামিল আতা ফরমায় আমিও দোয়া করছি মাননীয় স্পিকার এর দ্বারা আমাদেরকে হয়তো বুঝে নিতে হবে গাজী নজরুল ইসলামের সদস্যপদটা বহাল থাকলো কিন্তু কমিটিতে রাখা যাবে না আমি এর বেশি কিছু বুঝি নাই কারণ অন্য বিরোধী দলের নেতার অনুরোধে ইচ্ছা করলে এই কমিটি থেকে তাকে বাদ দেয়া যায় এখন পুনর্গঠন আবার করা যাবে এখনো এপ্রুভ হয় নাই বাদ দিয়ে গেলে মাননীয় বিরোধী দলের নেতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন হবে আমি কারো বিরুদ্ধে কোন কিছু বলতে চাচ্ছি না বাদ দেয়া হলো কিন্তু আমরা বুঝে গেলাম তার সদস্য পদ শূন্য করার পকেট নন মানে এটাই বুঝে গেলাম কারণ দল থেকে বহিষ্কার করলে সংবিধান অনুযায়ী সদস্য পদ যায় না এই মাননীয় সংসদ সদস্য যদি দলের বিপক্ষে ভোট দেন ভোট দানে বিরত থাকেন অনুসারে আর্টিকেল অনুসারে তার আসন শূন্য হবে সেটা আপনাকে ডিক্লেয়ার করতে হবে অথবা তিনি যদি নিজে পদত্যাগ করেন দল থেকে সেটা যেহেতু মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছেন দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছেন তিনি অস্বীকার করতে পারবেন না যে তার দলীয় সদস্য পদ বহিষ্কার করার পরে তার সদস্য যায় না এটা অস্বীকার করা যাবে না আইন হিসেবে সুতরাং বৈধ এটাই যে তার সদস্য পদটা বহাল থাকলো যদি বিরোধী দল ওই রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের সময় তার অনুপস্থিতিটা কাউন্ট করে 70 আর্টিকেল অনুসারে চিঠি না দেয় তাহলে তার সদস্যপদটা বহাল থাকে। এটা আমরা তাইলে বুঝে নিলাম। মানে সদস্যপদ বহাল থাকলো কিন্তু কমিটিতে রাখা যাবে না। এই হলো আমাদের আজকে মাননীয় বিরোধী দলের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমরা বিরোধী দলের নেতার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আমরা এটাই বুঝে নিলাম তিনি যদি চান অনৈতিক কারণে আমি একটু শেষ করি একটু শেষ করি যদি বিরোধী দলীয় নেতা চান যে তার দলের মার্কা নিয়ে নির্বাচিত একজন সংসদ সদস্য দলের সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দানে বিরত ছিল সেই প্রেক্ষিতে তিনি 73 অনুচ্ছেদে তার দলীয় সংসদ তার সংসদের আসন শূন্য করার জন্য চিঠি দিতে পারেন আর যদি তিনি না চান অন্য কোন বিধি নাই তার সদস্যপদ শূন্য হওয়ার ক্ষেত্রে আমি শেষ করি তারপর এখন যদি সংসদের এই কমিটি থেকে নাম বাদ দিতে হয় আমরা মাননীয় বিরোধী দলের নেতার সম্মানার্থে আমরা বাদ দিয়ে দেবো। এটা ঠিক আছে। আর তার সম্পর্কে চর্চা করব না। ধন্যবাদ।

মূল সম্প্রচারে বক্তব্য শুনুন

· 20:0020:14

· 20:1727:44

· 30:1233:23

· 50:0552:02

· 53:4557:15

· 38:2039:11

· 65:1565:16

· 65:3465:39

· 70:0174:06

· 74:1483:10

· 83:1285:30

· 5:195:25

· 5:295:31

· 5:345:41

· 8:088:45

· 9:5810:32

· 18:2618:27

· 18:3018:36

· 18:3820:52

· 24:2224:55

পরিচয়ের তথ্যসূত্র ↗