মাননীয় সদস্যবৃন্দ আজ দিনের কার্যসূচিতে জরুরি জনগুরুত্ব সম্পন্ন বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত আলোচনার জন্য অনুযায়ী একটি নোটিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নোটিশটি দিয়েছেন মাননীয় বিরোধী দলের নেতা জনাব মোঃ শফিকুর রহমান ঢাকা 15 আসন থেকে নির্বাচিত নোটিশের স্বপক্ষে পাঁচজন মাননীয় সদস্য স্বাক্ষরপূর্বক সমর্থন দিয়েছেন বটে তারা হলেন গাজীপুর চার আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব সালাউদ্দিন চুয়াডাঙ্গা দুই আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ রুহুল আমিন খুলনা ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ কুড়িগ্রাম তিন আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ মাহবুবুল আলম এবং ময়মনসিংহ ছয় আসন থেকে নির্বাচিত মাননীয় সদস্য জনাব মোঃ কামরুল হাসান
মাননীয় স্পিকার, আপনাকে ধন্যবাদ। আমার জরুরি জন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে নোটিশ দিয়ে দিয়েছি এ বিষয়টি হচ্ছে তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া, শিল্প-কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে মারাত্মক বিপর্যয়ের উদ্যোগে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গ।
আমরা এক এক করে স্বাধীনতার 55 বছর অতিক্রম করে এসেছি স্বাভাবিকভাবেই উন্নয়ন প্রবৃদ্ধি যে একেবারে হয় না এটা বলা যাবে না সকল সরকারের সময় কমবেশি হয়েছে একটা সমাজের বড় চালিকা শক্তি হচ্ছে তার এনার্জি সেক্টর বাংলাদেশ অতীতেও এনার্জিতে বিভিন্ন সমস্যা ভোগ করেছে তবে বর্তমানের সমস্যাটা খুবই প্রকট এবং অনেকটা অনিশ্চিত কবে এর সমাধান কিভাবে হবে সারা জাতির মধ্যে এটি নিয়ে একটি দুশ্চিন্তা এবং আতঙ্ক ভর করেছে মাননীয় স্পিকার দেশটা আমাদের সকলেরই আমাদেরকে দায়িত্ব নিয়েই এই দেশ পরিচালনায় যার যার জায়গা থেকে ভূমিকা রাখতে হবে এটাই স্বাভাবিক আমরা বিরোধী দল হিসাবেও এই সমস্যাটাকে আগেও বলেছি যে এই সরকারের সৃষ্ট নয় ধারাবাহিকভাবে চলে আসা সমস্যা পুঞ্জিভূত হয়ে এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে হয়তো সরকার এই সমস্যা নিরসনে আন্তরিকভাবে চেষ্টা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু জনগণের দুর্ভোগ দিন দিন কমছে না বরঞ্চ বেড়েই যাচ্ছে।
এখানে তিন ধরনের গ্রাহক মূলত দেশে আছেন বড় বেস্ট হলো ডোমেস্টিক গ্রাহক যারা আছেন গৃহস্থালীতে যারা গ্যাস বিদ্যুৎ ব্যবহার করে থাকেন দ্বিতীয়টা কমার্শিয়াল বাণিজ্যিক এবং তৃতীয়টা আরেকটু স্পেশাল ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরে সম্প্রতি আমরা বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে যেটা জানতে পেরেছি যে গত তিন বছরে 400 এর অধিক কারখানা এই সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে তার মানে এই কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার অর্থ হচ্ছে যে 400 উদ্যোক্তা বা তাদের সাথে যদি গ্রুপ থাকে সেই সমস্ত উদ্যোক্তা সমষ্টি তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তারা যে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন। ব্যাংকের দেনা পরিশোধ করতে না পেরে তারা ঋণ খেলাপি হয়েছেন। একটা জায়গায় ঋণ খেলাপি হলে এই নির্দিষ্ট ব্যক্তি আর কোন জায়গায় কোন ব্যাংক থেকে কোন ঋণ নিতে পারেন না। তার মানে তার টোটাল বিজনেসের চাকাটাই একদম স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম। এর সাথে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক আছে। যখন কারখানাতে জ্বালানির অভাবে প্রোডাকশন নেমে আসবে সম্প্রতি উদাহরণস্বরূপ বলা যায় বিজিএমই এর একটা কমিটি বর্তমান কমিটি তারা মাননীয় মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে দেখা করেছেন তাদের উদ্বেগ এবং কষ্টের কথা জানিয়েছেন এবং তারা বলেছেন যে ক্ষেত্রবিশেষে বহুলাংশে এখন প্রোডাকশন নেমে এসেছে এখন যদি প্রোডাকশন তাদের 50% নেমে আসে তার মানে হচ্ছে যারা বায়ার তাদের অর্ডারের দাবি তারা পূরণ করতে পারবেন না বায়াররা আমাদের জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করে বসেও থাকবে না তারা বিকল্প উৎস খুঁজে নেবে এবং একবার চলে গেলে আবার ফিরে আসাটা অত সহজ নয় এই দিক থেকে আমরা এক্সপোর্ট হারাচ্ছি এবং পাশাপাশি এই সমস্ত শিল্প মালিকরা যখন তারা তাদের শিল্প কার চালাতে পারবেন না তখন বাধ্য হয়ে শ্রমিক ছাটাই তাদেরকে করতে হবে এবং ইতিমধ্যে অনেক জায়গায় করতে হয়েছে এমনকি আমি নাম উল্লেখ না করেই বলতে চাই এই হাউজে অনেকে আছেন এরকম শিল্প উদ্যোক্তা বা মালিক তারাও সাফারার তারাও নিজস্ব কারখানা থেকে বাধ্য হয়েছেন হাজার হাজার শ্রমিককে ছাটাই করতে এটি ইচ্ছাকৃত নয় একান্ত অপারগতার কারণে তারা চালাতে পারছে না ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের একটা প্রভাব পড়ছে শিল্প সেক্টরে আমরা যদি দেখি তাহলে আমাদের বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদা এবং সরবরাহ এই তিনটার মধ্যে আমরা ক্লিয়ার দেখতে পাচ্ছি দেশে বিদ্যমান চারটা থেকে যেখান থেকে বিদ্যুৎ আমরা ব্যবহার করে থাকি সেই উৎসগুলোতে ক্যাপাসিটি আছে 29500 মেগাওয়াট প্রোডাকশন প্রতিদিন কিন্তু আমরা গত আগস্ট মাসের ডাটা যদি দেখি তাহলে দেখব যে আমাদের নিড হচ্ছে সর্বোচ্চ ক্যাপাসিটি আছে 29500 সেই সময় প্রতিদিন গড়ে আমাদের ঘাটতি ছিল 2000 মেগাওয়াট তাহলে আমাদের এই যে ক্যাপাসিটি আছে আমাদের নেট তার চাইতে কম তারপরে কেন ঘাটতি এটি একটা বিশাল প্রশ্ন এর উত্তর হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যারা তারা উৎপাদন করতে পারছে না সরবরাহ করতে পারছেন না তারা কেন পারছেন না সেই প্রশ্নের উত্তরে যদি আমরা যাই আমরা দেখব যে সরকার এই ক্ষেত্রে সরকারের যে দেনা এটা এসে দাঁড়িয়েছে 59 হাজার কোটি টাকা এটা পাবে যারা প্রডিউসার বা ম্যানুফ্যাকচারার কিন্তু তাদের হাতে সেই টাকা তুলে দেওয়া যাচ্ছে না তো তারা যদি টাকাই না পায় তাহলে তারা উৎপাদনের চাকা চালু রাখবে কিভাবে কোত্থেকে আসবে তাদের অর্থের যোগান স্বাভাবিক কারণেই এই জায়গায় একটা বিরাট প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে এই 59 হাজার কোটি টাকা এই ছয় মাসে না এটা অতীত থেকে তার রেশ যে চলে আসছে সেটার কমিউনিটি ইফেক্টে সেইখানে দাঁড়িয়েছে আমাদের এনার্জি প্রোডাকশনে মূল সোর্সটা হচ্ছে গ্যাস তারপরে আছে তেল এরপরে আছে রিনিউবল এনার্জি আর একটা অংশ সাতটা প্লান্ট আমাদের আছে কয়লা নির্বাহ জ্বালা নেই তো কয়লা নির্ভর এই সাতটা প্রোডাকশন হাউসের মধ্যে বড় উপক্রিয়া যেটা আছে সেখানে তারা নিজেরাই তাদের উত্তোলিত কয়লা থেকে এই পাওয়ার জেনারেট করে থাকেন তাদের যার নিয়ম তার চাইতে বেশি সেখানে উত্তোলন আমরা দেখেছি বিগত সরকারের সময় এখান থেকে হাজার হাজার টন গায়েব হয়ে গেছে এটার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি কোথায় গেল এই কয়লা যেহেতু তাদের এখানে সারপ্লাস আছে। এইটা দিয়ে বাকি ছয়টার মধ্যে ব্যাকআপ দেওয়া যায় কিনা এই বিষয়ে সরকারের কোন উদ্যোগ বা এর ব্যাপারে কোন ফিজিবিলিটি বা কেমিক্যাল স্টাডি হয়েছে কিনা এটা আমাদের কাছে স্পষ্ট না। আমরা যদি গ্যাসের ক্ষেত্রে যাই তাহলে দেখবো যে যে গ্যাস মূলত দুইটা উৎস থেকে আমরা পেয়ে থাকি একটা আমাদের ডোমেস্টিক আরেকটা হচ্ছে ইম্পোর্ট করা একসময় ইম্পোর্ট করা এই গ্যাসের প্রপোর্শনটা ছিল 20% 80% ছিল আমাদের নিজস্ব কিন্তু এটা এখন দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে বেড়ে যাওয়ার কারণ হলো যে আমাদের কূপগুলো এখন আগের মত সেই প্রেসারে গ্যাস আমাদেরকে সরবরাহ করতে পারছে না আবার নতুন কোন কূপ সেখানে গ্যাস আহরণের জন্য উত্তোলনের জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া দরকার সেটাও দীর্ঘদিন নেওয়া হয়নি আমাদের যাবতীয় গ্যাস উত্তোলনের আয়োজনটা হচ্ছে অন সৌরে আমাদের ল্যান্ডে অফ সৌরে এখন পর্যন্ত আমরা কোন স্টেপ নিতে পারিনি অথচ পাশের দেশগুলো ঠিকই এই একই সমুদ্র থেকে তারা কিন্তু গ্যাস উত্তোলন করছে নিচ্ছে তারা বেনিফিটেড হচ্ছে আমরা কেন থমকে আছি কোথায় আমাদের হাত পা বাধা যদি হাত পা বাধা থাকে এটা ছুটাতে হবে এখনই সম্পদ আল্লাহর দান এটা আমাদের অধিকার এবং এটা আমাদের দায়িত্ব আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য দায়িত্ব পালন করতে হবে কিন্তু অফশোরের কোন উদ্যোগ এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে দৃশ্যমান নয় এই পোয়ার ম্যানেজমেন্টের জন্য জালানি ম্যানেজমেন্টের জন্য বেশ কতগুলা সংস্থা
আমি মনে করছি না বা আমার মনে করার সাথে না আমি জাস্ট কাইন্ড রিমাইন্ডার দিলাম যে আপনি কিন্তু পরেও বক্তব্য রাখবেন। আচ্ছা ঠিক আছে আমি মনে করলাম। থ্যাংক ইউ সো মাচ। থ্যাংক ইউ সো মাচ। তাইলে এখন অন্য ইউ আর ভেরি ওয়েলকাম।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মাননীয় বিরোধী দলীয় নেতা কার্যপ্রণালী অনুযায়ী আলোচনার সর্বমোট সময় নির্ধারণ করা আছে এক ঘন্টা আমি চিফ হুইপ মহোদয় এবং বিরোধী দলের পক্ষ হতে প্রাপ্ত তালিকা অনুযায়ী অগ্রসর হচ্ছি প্রথমেই আলোচনা অংশগ্রহণ করবেন জনাব মোহাম্মদ জুনা আমি দুঃখিত জনাব মোঃ জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি মাননীয় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আপনার সময় ছয় মিনিট ধন্যবাদ
মাননীয় স্পিকার আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সবাইকে সালাম শুভেচ্ছা আসসালামু আলাইকুম জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কিত যে আলোচনা অনুযায়ী হচ্ছে সেখানে তীব্র জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যহত হওয়া এবং শিল্প কলকাতায় বন্ধ হয়ে বেকারত্ব সৃষ্টি এবং দেশের জাতীয় অর্থনীতি মারাত্মক বিপর্যয় বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করছি এই আলোচনায় মূলত বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেই মূল বক্তব্যটা হাজির করা হবে। তবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের জায়গা থেকে ইতিমধ্যে যে সমস্ত উদ্যোগগুলো বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে গ্রহণ করা হয়েছে তার কিছু বিষয়ে এই সংসদকে অবহিত করার আমি চেষ্টা করব। প্রথমত আমরা সবাই জানি যে কথা ইতিমধ্যে মাননীয় বিরোধী দল নেতা বলেছেন যে আজকে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে যে সংকট এই সংকটটা আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয়েছে এখানে যে জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ নীতি গ্রহণ করা হয়েছিল সেটা মূলত কতিপয় পোষ্য গোষ্ঠীর সুবিধার্থে গ্রহণ করা হয়েছিল বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি সংকট ছিল কিন্তু সেই সংকটকে পুঁজি করে যাতে কতিপয় পোষ্য লোকজন ব্যাপকভাবে সুবিধা পায় সেই সুবিধার জন্যই পুরো জ্বালানি নীতিটাকে সাজানো হয়েছে এবং সে কারণে আমরা দেখেছি যে দেশের গ্যাস সম্পদ সেগুলোর যে সম্ভাবনা তাকে অনুসন্ধান করা হয়নি সেগুলো উত্তোলনের ব্যবস্থা করা হয়নি বরং দেশের সম্পদ উত্তোলন না করে কিভাবে একটা আমদানি নির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় এবং তার সাথে সম্পর্কিত করে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা তৈরি করা যায় তার চেষ্টা করা হয়েছে এবং ফলাফল হিসেবে আমরা দেখেছি 29500 মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের আমাদের ক্ষমতা হিসেবে আমাদেরকে বলা হয়েছে কিংবা তার এক ধরনের ক্ষমতা তৈরি হয়েছে কিন্তু সেখানে এনার্জি মিক্স ঠিক করা হয়নি এবং কিভাবে সেই এনার্জি কিংবা জ্বালানির সরবরাহ হবে তার ব্যাপারেও কোন ব্যবস্থা নেই বরং সেটা আমদানির উপরে পুরোপুরি নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছে এবং এই যে এলএনজি আমদানি করার নীতিটা গ্রহণ করা হয়েছে এবং সেই এলএনজি ক্রয়ের ক্ষেত্রেও যাতে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিরা সুবিধা পায় গোষ্ঠীগুলো সুবিধা পায় তার জন্য সকল আয়োজন করা হয়েছে এ নিয়ে সেই সময় এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে আমরা যথেষ্ট তর্ক করেছি বিএনপির পাশাপাশি আমাদের দল গণসংহতি আন্দোলন কিংবা আরো কিছু গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল দল এইসব বিষয়ে যথার্থ সমালোচনা হাজির করেছিল এবং বিকল্প একটা জ্বালানি নীতি সেই সময় প্রস্তাব করা হয়েছিল কিভাবে আত্মনির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেয়ার পরপরই প্রধান কাজ হিসেবে এটাই গ্রহণ করেছিলেন যে একটা আত্মনির্ভর জ্বালানি নীতি তৈরি করা যায় যেটা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল এবং তার অংশ হিসেবে একে একে পদক্ষেপ গুলো গ্রহণ করা হয়েছিল প্রথম বিষয় আমাদের গ্যাসের সংকট এবং সেই ক্ষেত্রে আমাদের দেশের অংশরে কিংবা স্থলভাগে যে গ্যাস আছে সেই গ্যাস সম্পদ কত দ্রুত উত্তোলন করা যায় সরকার সেই নীতি গ্রহণ করেছে এবং ইতিমধ্যে তিনটি কূপ খননের প্রকল্প পাশ হয়ে গেছে এবং সেটা বাস্তব রাজ্যে যাওয়ার মত প্রক্রিয়ায় আছে আরো 30 টি কূপ খননের উদ্যোগ চলমান আছে মোট 150 টি কূপ খননের উদ্যোগ এই সরকারের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে অফসরে অর্থাৎ সমুদ্রবক্ষে আমাদের গ্যাস উত্তোলনের জন্য যে প্রোডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাকটিং বা উৎপাদন অংশীদারি চুক্তি সেগুলো নতুন করে প্রস্তাব করা হয়েছে যাতে জাতীয় স্বার্থকে রক্ষা করে কিভাবে আমরা আমাদের অফসরে গ্যাসকে উত্তোলন করতে পারি এই প্রক্রিয়াগুলো কিছুটা সময় সাপেক্ষ হয় কেননা একদম এই চুক্তি তৈরি করতে হয় তারপর সেই চুক্তির আন্তর্জাতিক বিডিং হয় এবং তাতে বিভিন্ন জন অংশ নেন এই প্রক্রিয়াটি রাতারাতি করার কোন সুযোগ নাই আমাদের এখানে ভোলার গ্যাস আছে এবং ভোলার গ্যাস স্থলভাগে আনার জন্য যে পাইপলাইন প্রয়োজন ছিল তার কোন উদ্যোগ এ পর্যন্ত পূর্ববর্তী সরকারের সময় আমরা দেখিনি। বর্তমান সরকার উদ্যোগ নিয়েছে পাইপলাইনের মাধ্যমে কিভাবে ভোলার গ্যাস এখানে আনা যায়। এইসব উদ্যোগ এবং একই সাথে একটা যুগান্তকারী উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে রিনিউয়েবল এনার্জির ক্ষেত্রে যেটা আসলে গত 10 বছর আগ থেকে এই দেশে বলা হয়েছিল যে রিনিউয়েবল হচ্ছে ভবিষ্যৎ কিন্তু তখন এটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। না দেওয়ার ফলে এতদিনে আমরা যেখানে রিনিউয়েবল একটা গুরুত্বপূর্ণ যে অগ্রগতি সাধিত হতে পারতো